Categories
রিভিউ

আজ ০৪ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৪ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ক্যান্সার দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩৮ – কত্থক ঘরানার ভারতীয় নৃত্যশিল্পী পণ্ডিত বিরজু মহারাজ নামে সুপরিচিত ব্রিজমোহন মিশ্র।

১৮৭১ – ফ্রেডরিক এবের্ট‌, জার্মান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, জার্মানির প্রথম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৯১ – এম. এ. আয়েঙ্গার, ভারতীয় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, লোকসভার ২য় স্পিকার।

১৯০২ – চার্লস লিন্ডবার্গ, আমেরিকান পাইলট ও অভিযাত্রী।

 

১৯১৭ – ইয়াহিয়া খান, পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন।

 

১৯১৮ – বাঙালি ঔপন্যাসিক কবি প্রাবন্ধিক ও ছোটগল্প কার নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়।

১৯২১ – লতফি জাদেহ, ইরানী ও আজারবাইজানী বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯২২ – ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী ভারত-রত্ন পণ্ডিত ভীমসেন জোশী।

১৯২৫ – জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক চিত্তরঞ্জন মাইতি।

 

১৯৩৬ – ফজল শাহাবুদ্দীন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।

 

১৯৪০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওয়েলশ পদার্থবিজ্ঞানী ও অধ্যাপক ব্রায়ান ডেভিড জোসেফসন।

১৯৪০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক ও নাট্যকার গাও শিংশিয়ান।

 

১৯৪৩ – কেন থম্পসন, আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও প্রোগ্রামার, বি প্রোগ্রামিং ভাষার সহ-স্থপতি।

১৯৪৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক রিচার্ড রয়েস শ্রক।

 

১৯৭৪ – ঊর্মিলা মাতন্ডকর, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৭৭ – মেক্সিকান অভিনেত্রী ও গায়ক ইরান কাস্টিলো।

১৯৮২ – ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় রিচার্ড লোগান।

১৯৮৬ – মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৬৩৪ – দাসিনের যুদ্ধ: মুসলিমরা গাজার নিকটে বাইজেন্টাইনদের পরাজিত করে।

১৬২৮ – সম্রাট শাহজাহান আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রার সিংহাসনে বসেন।

১৭৮৩ – ইতালিতে ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৭৮৩ – যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের মধ্যে বৈরিতার অবসান ঘটে।

১৭৮৯ – জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৭৯২ – যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পর টিপু সুলতান অর্ধেক মহীশুর ইংরেজদের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

১৭৯৪ – ফরাসি আইনসভা দাসপ্রথা বিলুপ্ত করে। ১৮০২ সালে ফরাসি ওয়েস্ট ইন্ডিজে তা পুনরায় চালু হয়।

১৭৯৭ – ইকুয়েডরে ভূমিকম্পে ৪০ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৮০১ – জন মার্শাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

১৮৯৯ – যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ফিলিপাইনের বিদ্রোহের সূচনা ঘটে।

১৯০৪ – রুশ-জাপান যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৫ – জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটেনে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে।

১৯১৬ – তুরস্কের যুবরাজ ইউসুফ ইজেদিন আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯২২ – বাংলার গভর্নর-জেনারেল রোনাল্ডসে কলকাতার “স্কুল অফ ট্রপিক্যাল ডিজিজেস”-এর দ্বারোদ্‌ঘাটন করেন।

১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট, বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী উইস্টন চার্চিল এবং সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্টালিন রাশিয়ার ইয়েল্টা নগরীতে বৈঠক করেছিলেন।

১৯৪৮ – সিংহল (পরবর্তীতে শ্রীলঙ্কা নামকরণ হয়) স্বাধীন হয়।

১৯৪৯ – নির্মাণের ১৭৬ বছর পর কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের দরজা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

১৯৫২ – রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে ধর্মঘট।

১৯৬৯ – ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড ও ইসরায়েলসহ দশটি দেশ।

১৯৭২ – বাংলাদেশ বিমানের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা করে।

১৯৭৫ – যশোরের নির্বাচিত সাংসদ মাইনুদ্দিন মিঞাজী আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।

১৯৯৫ – গ্রোজনিতে চেচেন বিদ্রোহীরা প্রথম রাশিয়ার জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে।

১৯৯৭ – ইসরাইলে ভয়াবহ সামরিক বিমান দুর্ঘটনায় ৭৩ সৈন্য নিহত হয়।

১৯৯৮ – আফগানিস্তানে ভূমিকম্পে সাড়ে ৪ সহস্রাধিক নিহত হয়।

২০০৪ – সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুক চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২১১ – সেপ্টিমিয়াস সেভেরাস, রোমান সম্রাট।

৭০৮ – পোপ সিসিন্নিয়াস।

১৮৭১ – ইমাম শামিল (জন্ম.১৭৯৭) ককেশাস প্রতিরোধ আন্দোলনের মহান নেতা।

১৯১২ – মনোমোহন বসু, বাঙালি কবি, নাট্যকার ও হিন্দুমেলার সংগঠক।

১৯২৮ – নোবেল বিজয়ী ওলন্দাজ পদার্থবিজ্ঞানী হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্ৎস।

১৯৩৯ – এডওয়ার্ড স্যাপির, মার্কিন ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৪১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি দার্শনিক ও অধ্যাপক অঁরি-লুই বর্গসাঁ।

১৯৬০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আলজেরিয়ার বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক, লেখক ও নাট্যকার আলবেয়ার কামু।

১৯৬১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান পদার্থবিদ ও অধ্যাপক এরভিন শ্রোডিঙার।

 

১৯৭৪ – সত্যেন্দ্রনাথ বসু (সত্যেন বোস), আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৭৪ – বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী অনাদিকুমার ঘোষদস্তিদার।

১৯৮৩ – ক্যারেন কার্পে‌ন্টার, আমেরিকান গায়ক ও ড্রামার।

 

১৯৯০ – মৈত্রেয়ী দেবী, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৯৩ – একজন বাঙালি কবি, অনুবাদক, সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক, শিক্ষাবিদ সানাউল হক।

১৯৯৭ – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য আজিজুর রহমান মল্লিক।

 

১৯৯৮ – রবি ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র কৌতুকাভিনেতা।

২০০০ – কার্ল আলবার্ট, আমেরিকান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ৫৪তম স্পিকার।

 

২০০১ – প্রখ্যাত ভারতীয় ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়।

২০০৮ – স্টিফেন মেলের, পোলিশ রাজনীতিবিদ, পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

২০০৯ – অস্ট্রিয়ান কবি, নাট্যকার ও লেখক গেরট জনকে।

২০১২ – ইংরেজ অভিনেতা হ্যারি ফওলের।

২০১৩ – আমেরিকান অভিনেতা টনি লিপ।

 

২০২৩ – বাণী জয়রাম, প্রখ্যাত ভারতীয় গায়িকা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

ঊর্মিলা দেবী, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল কিছু মানুষের অব্যর্থ পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়, তার মূলে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে ঊর্মিলা দেবী  প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন।ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু শহীদ ভগৎ সিং-এর মতই নয় বরং শক্তিশালী নারীদের দ্বারা প্রশস্ত হয়েছিল যারা তাদের মাটিতে দাঁড়িয়েছিল এবং দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য ব্রিটিশদের সাথে লড়াই করেছিল।  ঊর্মিলা দেবী ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে। ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিকন্যা ছিলেন তিনি। ঊর্মিলা দেবী ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

 

জন্ম ও পরিবার—-

 

১৮৮৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের তেলিরবাগ গ্রামে উর্মিলা দেবী জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পিতার নাম ভুবনমোহন দাস এবং মাতার নাম নিস্তারিণী দেবী।  স্বামীর নাম অনন্তনারায়ণ সেন। উর্মিলা দেবী ছিলেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের বোন।  পিতামহের আদর্শে প্রভাবিত হয়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।

 

রাজনৈতিক জীবন—–

 

দেশবন্ধুর অনুপ্রেরণায় তিনি নারীদের মধ্যে কাজের বিকাশ ঘটান।  ১৯২১ সালে, তিনি ‘নারী-কর্মমন্দির’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, যার লক্ষ্য ছিল চরকা ও খদ্দরকে জনপ্রিয় করা এবং দেশপ্রেম জাগানো।  ঊর্মিলা দেবী ১৯৩২ সালের অসহযোগ আন্দোলনে আইন অমান্যকারী প্রথম তিনজন মহিলার একজন। তিনি কলকাতা ‘নারী সত্যাগ্রহ সমিতি’র সভাপতি ছিলেন।

 

সাহিত্যকর্ম——

 

সে সময় নারায়ণ পত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখি করতেন। তার প্রকাশিত সাহিত্যগ্রন্থ পুষ্পহার। মহাত্মা গান্ধী, সরোজিনী নাইডু প্রমুখের স্মৃতিকথাও রচনা করেছেন ।

 

মৃত্যু——

 

ঊর্মিলা দেবী মে ১৯৫৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৩ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্রবীণ দিবস (থাইল্যান্ড)
(খ) শহীদ দিবস (সাওটোম ও প্রিন্সিপে)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮০৯ – জার্মানীর বিখ্যাত সুরস্রষ্টা এবং সংগীতবিদ ফিলিক্স মেনডেলসন বার্থোলডি।

 

১৮৭৩ – অতীন্দ্রনাথ বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী বাঙালি বিপ্লবী।

 

১৮৭৩ – প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৮৮৩ – ঊর্মিলা দেবী, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী নেত্রী ও লেখিকা।

 

১৮৮৩ – চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসু।

 

১৯০৯ – ভারতীয় মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী সুহাসিনী গঙ্গোপাধ্যায়।

 

১৯৩৬ – বব সিম্পসন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৬০ – ইওয়াখিম ল্যোভ, জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৬৩ – রঘুরাম রাজন, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ ও আকাদেমিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৬৬ – ড্যানি মরিসন, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও ক্রীড়া ভাষ্যকার।

 

১৯৭৬ – ইসলা ফিশার, ওমানী-অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৩০ – লন্ডন সম্মেলনে ফ্রান্স, রাশিয়া ও ব্রিটেনের তত্ত্বাবধানে গ্রিস স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮৫৫ – লর্ড ডালহৌসি হাওড়া-বর্ধমান রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

১৯১৩ – বুলগেরিয়া-তুরস্ক যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৭ – যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন।

১৯১৯ – লীগ অব নেশনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত।

১৯২৫ – অবিভক্ত ভারতে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন সার্ভিস চালু হয়।

১৯২৭ – হেমেন্দ্রপ্রসাদ ঘোষ ও পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বসুমতী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯২৮ – সাইমন কমিশন ভারতে এলে গণবিৰোভ ও ধর্মঘট শুরু হয়।

১৯৩০ – ভিয়েতনামে কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯৩১ – নিউজিল্যান্ডের হকস উপসাগরে ভূমিকম্পে ২৫৬ জন নিহত।

১৯৪৩ – কলকাতা ও হাওড়ার সংযোগকারী রবীন্দ্র সেতু সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

১৯৪৫ – মিত্রশক্তির এক হাজার বোমারু বিমান দিনের আলোয় বার্লিনে বোমাবর্ষণ করে।

১৯৬৬ – সোভিয়েত যান লুনা-এ চাঁদে পৌঁছে এবং টিভিতে ছবি প্রেরণ করে।

১৯৬৯ – মোজাম্বিক ন্যাশনাল লিবারশন ফ্রন্টের প্রেসিডেন্ট ড: এদুয়ার্দো মোন্ডলেন তাঞ্জানিয়ায় টাইম বোমায় নিহত হয়।

১৯৬৯ – ইয়াসির আরাফাতকে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনিত করা হয়।

১৯৭৭ – রাজধানী আদ্দিস আবাবায় ইথিপিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান জেনারেল তারাফি বান্টি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত।

১৯৭৯ – শাহ শাসনের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের সংগ্রাম আরো তীব্রতর হয়ে উঠে।

১৯৮৯ – প্যারাগুয়েতে সামরিক অভ্যত্থান ঘটে।

১৯৯৬ – চীনের লিজিয়াংয়ে ভূমিকম্পে ২১০ জন নিহত হয়।

১৯৯৭ – বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কলকাতা পুস্তকমেলা ভষ্মীভূত হয়।

২০০৭ – বাগদাদে একটি মার্কেটে বোমা বিস্ফোরণে ১৩৫ জন নিহত ও ৩৩৯ জন আহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৪৬৮ – মুদ্রণ শিল্পের জার্মান পুরোধা ইওহান গুটেনবার্গ।

 

১৯২৪ – উড্রো উইল্‌সন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৫ – ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বিপ্লবী (ফাঁসি হয়েছিল)।

 

১৯৬৫ – ফুটবল জাদুকর আবদুস সামাদ।

 

১৯৭৬ – বিপ্লবী ও কৃষক নেতা জিতেন ঘোষ।

 

২০০০ – ওস্তাদ আল্লারাখা, বিখ্যাত ভারতীয় তবলা বাদক।

 

২০১২ – ভারতীয় চলচিত্রকার, রাইটার রাজ কানওয়ারা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ ফেব্রুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০২ ফেব্রুয়ারী । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব জলাভূমি দিবস।

(খ) জাতীয় জনসংখ্যা দিবস (বাংলাদেশ)।

(গ) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস (বাংলাদেশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২০৮ – আরাগনের প্রথম জেমস, বার্সেলোনার কাউন্ট, আরাগণের রাজা, ভ্যালেন্সিয়ার রাজা ও ম্যাজোর্কার রাজা, মন্টপিলার-এর লর্ড।

১৬৫০ – পোপ ত্রয়োদশ বেনেডিক্ট।

 

১৮৮২ – জেমস জয়েস, আইরিশ ঔপন্যাসিক, ছোট গল্প লেখক ও কবি।

 

১৮৮৬ – উইলিয়াম রোজ বেনেট, মার্কিন কবি ও লেখক।

১৮৮৯ – রাজকুমারী বিবিজী অমৃত কাউর, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনীতিক।

১৯১৫ – আবা ইবান, দক্ষিণ আফ্রিকান-ইসরায়েলি রাজনীতিবিদ ও কূটনৈতিক, জাতিসংঘে ইসরায়েলের প্রথম রাষ্ট্রদূত।

১৯১৫ – খুশবন্ত সিং, ভারতীয় সাংবাদিক ও লেখক।

১৯১৮ – কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট বাঙালি কবি।

১৯৩১ – পূর্ণেন্দু পত্রী বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।

১৯৩৩ – থান শি, বার্মিজ জেনারেল ও রাজনীতিবিদ, মায়ানমারের ৮ম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৩৬ – সুমিতা দেবী, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৩৯ – (ক) ডেল টমাস মর্টেনসেন, মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও অধিবিদ্যাবিৎ, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

(খ) হাসান আজিজুল হক, বাংলাদেশী গল্পকার ও কথাসাহিত্যিক।

১৯৪৪ – বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী মো. আলী সিদ্দীকী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫২ – পার্ক গিউন-হাই, দক্ষিণ কোরীয় রাজনীতিবিদ, দক্ষিণ কোরিয়ার ১১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫২ – রালফ মার্কেল, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও অধিবিদ্যাবিৎ।

 

১৯৫৩ – হামিদুর রহমান, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত।

 

১৯৫৪ – ক্রিস্টি ব্রিংকলি, মার্কিন অভিনেত্রী, মডেল ও ব্যবসায়ী।

১৯৫৬ – আদনান ওকতার, তুর্কি তাত্ত্বিক ও লেখক।

১৯৫৬ – আ ফ ম খালিদ হোসেন, বাংলাদেশি ইসলামি চিন্তাবিদ, গবেষক, লেখক ও তাত্ত্বিক আলোচক।

১৯৬৮ – আমিনুল ইসলাম বুলবুল, বাংলাদেশী ক্রিকেট খেলোয়াড়।

 

১৯৭৭ – শাকিরা, কলম্বিয়ান গায়িকা-গীতিকার, প্রযোজক ও অভিনেত্রী।

১৯৮৬ – জেমা আর্টাট্রন, ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৮৭ – হেরার্দ পিকে, স্পেনীয় ফুটবলার।

১৯৮৭ – ইমরুল কায়েস, বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার।

১৯৯২- নেইমার জুনিআর ব্রাজিল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৪ – কলকাতায় ভারতীয় সংগ্রহালয় (ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮১৭ – শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে চার্চ মিশনারি সোসাইটির প্রথম শাখাটি কলকাতায় স্থাপিত হয়।

১৮৫৩ – শম্ভুনাথ পণ্ডিত প্রথম বাঙালি হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে সরকারি উকিল নিযুক্ত হন।

১৮৬২ – শম্ভুনাথ পণ্ডিত প্রথম বাঙালি হিসেবে কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।

১৮৮৮ – খান বাহাদুর হাশেম আলি খান, বাঙালি রাজনীতিবিদ।

১৯০১ – রাণী ভিক্টোরিয়ার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া।

১৯১৩ – নিউ ইয়র্ক সিটির গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল টার্মিনাল চালু হয়।

১৯২০ – নিউইর্য়ক শহরে গ্রান্ড সেন্ট্রাল টারমিনাল উদ্বোধন হয়।

১৯২২ – জেমস জয়েসের উপন্যাস ইউলিসিস প্রকাশিত হয়।

১৯৩৫ – যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে প্রথম স্বাক্ষী ও প্রমাণ হিসেবে ফটোগ্রাফকে অনুমোদন করা হয়।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: স্টালিনগ্রাদের যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সোভিয়েতের কাছে জার্মান সেনারা আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫৭ – ইসকান্দার মির্জা গুড্ডু ব্যারেজের ভিত্তি স্থাপন করেন।

১৯৫৯ – শিশিরকুমার ভাদুড়ী কর্তৃক ভারত সরকার প্রদত্ত “পদ্মভূষণ” সম্মান প্রত্যাখ্যান।

১৯৮৯ – সত্যজিৎ রায়কে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সম্মান “লিজিয়ন ডি অনার” প্রদান।

২০০৪ – দুইশত ৩৭ সপ্তাহ ধরে টেনিসে এক নম্বর র‌্যাংকিং ধরে রাখার রেকর্ড অর্জন করেন সুইস টেনিস তারকা রজার ফেদারার।

২০১২ – পাপুয়া নিউগিনির সমুদ্রতীরে ফেরি এমভি রাবাউল কুইন ডুবে দেড়শতাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৪৪৮ – ইবনে হাজার আল-আসকালানি, মিশরীয় আইনবিদ ও পণ্ডিত।

১৭১৪ – জন শার্প, ইংরেজ আর্চবিশপ।

১৭৬৯ – পোপ ত্রয়োদশ ক্লেমেন্ট।

১৮০৪ – জর্জ ওয়ালটন, আমেরিকান আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, জর্জিয়ার গভর্নর।

১৯০৭ – দিমিত্রি মেন্ডেলেভ, রুশ রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৩৬ – বিপিনবিহারী গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও সমালোচক।

১৯৬৪ – সৈয়দ আবদুস সামাদ, বাঙালি ফুটবলার।

 

১৯৭০ – বারট্রান্ড রাসেল, ইংরেজ গণিতজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, লেখক এবং নোবেল বিজয়ী সাহিত্যিক।

 

১৯৮০ – উইলিয়াম এইচ. স্টেইন, ১৯৭২ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

 

১৯৮৮ – বাঙালি চিত্রশিল্পী বাংলাদেশের পটুয়া কামরুল হাসান।

 

২০০৬ – মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জাতীয় মতদাতা দিবস কি, কেন পালিত হয় জানুন।

যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার গঠনে ভোটারদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি থাকে।ভোটার তার মূল্যবান ভোট দিয়ে নির্দিষ্ট দলকে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় আনে এবং দেশ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করে।কিন্তু ভারতের মতো বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশে ভোটের প্রতি মানুষের আগ্রহ কম।ভোটারদের ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে প্রতি বছর জাতীয় ভোটার দিবস পালিত হয়।

 

জাতীয় মতদাতা দিবস ভারতে প্রতি বছর ২৫ জানুয়ারি তারিখে পালন করা হয়। ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি তারিখ ভারতের নির্বাচনী আয়োগের ৬১তম প্রতিষ্ঠা দিবসের সঙ্গে সংগতি রেখে তখনকার রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিল এই দিবসের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছিলেন।

মিটিংএ জাতীয় মতদাতা দিবস উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ভারতের আইন মন্ত্রণালয় এই দিবস উদ্‌যাপন করা প্রস্তাব এগিয়ে নিয়ে যায়।

 

জাতীয় মতদাতা দিবস ভারতের সকল নির্বাচনী কেন্দ্রে পালন করা হয়। প্রতিটি নির্বাচনী কেন্দ্রে ১৮ বছর সম্পূর্ণ করা ব্যক্তি শনাক্ত করে তাদেরকে ভোটদানের বিষয়ে সজাগ করা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ভোটাধিকার লাভ করা ব্যক্তিকে শনাক্ত করে ভোটার পরিচয়পত্র প্রদান করা এই দিবসের অন্যতম উদেশ্য।

 

জাতীয় ভোটার দিবসের গুরুত্ব কী?
২০১১ সাল থেকে প্রতি বছরই ২৫ জানুয়ারি দিনটিকে দেশব্যাপী জাতীয় ভোটার দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে। ১৯৫০ সালের এই দিনেই স্থাপিত হয়েছিল নির্বাচন কমিশন। জাতীয় ভোটার দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হল সর্বোচ্চ সংখ্যায় ভোটারদের, বিশেষত নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করায় উত্সাহ দেওয়া, সেই প্রক্রিয়া জোরদার করা।

 

জাতীয় ভোটার দিবস কীভাবে পালন করা হয়?
দেশের ভোটারদের প্রতি দায়বদ্ধতা পালন করে কমিশন দিনটিকে কাজে লাগায় তাঁদের মধ্যে সচেতনতার প্রসারে, ভোট প্রক্রিয়ায় তাঁরা যাতে সব জেনেবুঝে অবহিত হয়ে তাতে সামিল হন। নতুন ভোটারদের সংবর্ধনা দিয়ে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয় সচিত্র পরিচয়পত্র বা এপিক কার্ড।

 

প্রতি বছর ১ জানুয়ারিতে এই শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হয় এবং ২৫ জানুয়ারিতে তাদেরকে ফটোযুক্ত ভোটার কার্ড প্রদান করা হয়। ভোটার দিবসে সারা দেশে সমস্ত ভোটকেন্দ্র এলাকায় যোগ্য ভোটারদের চিহ্নিত করা হয়।যোগ্য ভোটারদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী যুবকরা অন্তর্ভুক্ত।ভোটার তালিকায় এসব ভোটারদের নাম লেখার পর তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নির্বাচনী পরিচয়পত্র।প্রতি বছর ভোটার দিবসে ভোটারদের ভোট দেওয়ার শপথও দেওয়া হয় যাতে তারা গণতন্ত্র রক্ষায় সচেতন থাকেন।

সঙ্গে নতুন ভোটদাতাদেরকে “ভোটদাতা হিসাবে গর্বিত হন, ভোট দিতে প্রস্তুত হন” (Proud to be a voter – Ready to vote) লিখিত ব্যাজ দেয়া হয়। প্রতি বছর এই দিবসের মূল বিষয় বা থিম বেছে নেওয়া হয়।

।। তথ্য ও ছবি : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় মতদাতা দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান রসায়নবিদ ইলিয়া প্রিগোগিনে।

 

১৯২৩ – আরভিড কার্লসন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ ফার্মাকোলজিস্ট ও চিকিৎসক।

 

১৯৩৪ – আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং ভাষাসৈনিক।

১৯৪২ – ইউসেবিও, প্রাক্তন পর্তুগীজ ফুটবলার।

১৯৪৭ – টোস্টাও, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

 

১৯৪৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জেনেটিসিস্ট ও জীববিজ্ঞানী স্যার পল ম্যাক্সিম নার্স।

 

১৯৬৭ – ফরাসি সাবেক ফুটবলার ও অভিনেতা ডেভিড গিনলা।

১৯৭৮ – রাশিয়ান সাইক্লিস্ট ডেনিস ম্যানচভ।

 

১৯৮৪ – রবিনিয়ো, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

 

১৮২৪ – মাইকেল মধুসূদন দত্ত – বাঙালি কবি ও নাট্যকার।

১৮৫০ – অর্ধেন্দুশেখর মুস্তফি বাঙালি অভিনেতা, নাট্য লেখক এবং মঞ্চ ব্যক্তিত্ব।

 

১৮৫৬ – অশ্বিনীকুমার দত্ত, বাঙালি রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

 

১৮৬৩ – মানকুমারী বসু বাংলার সর্বজনবিদিত অন্যতম মহিলা কবি ও লেখিকা।

১৮৭৪ – সাহিত্যিক ও নাট্যকার সমারসেট মম ।

১৮৮২ – বিখ্যাত ইংরেজ মহিলা কথাশিল্পী ভার্জিনিয়া উলফ ।

১৮৮৪ – রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায় , ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব।

১৭৩৬ – ইতালীয় ফরাসি গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী জোসেফ-লুইস লাগ্রাঙ্গে।

১৭৫৯ – স্কটিশ কবি ও গীতিকার রবার্ট বার্নস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৪ – প্রথম ফার্দিনান্দের মৃত্যুর পর দ্বিতীয় আলফনসো নেপলসের রাজ সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৬৬২ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর জাঞ্জিবারে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করে।

১৮০২ – ফ্রান্সের নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ইতালির প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন।

১৮৩১- – পোল্যান্ডের স্বাধীনা ঘোষণা করা হয়।

১৮৭১ – জার্মানির চিকিৎসক হানসেন কুষ্ঠ রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন।

১৮৯০ – নেলি ব্লে তার বিশ্বভ্রমণ শেষ করেন, সময় লেগেছিল ৭২ দিন।

১৮৯৯ – প্রথম রেডিও প্রস্তুতকারী কোম্পানি চালু হয়।

১৯১৫ – আলেকজান্ডার গ্রাহামবিল ইউএস ট্রান্সকন্টিনেন্টাল টেলিফোন সার্ভিস উদ্বোধন করেন। নিউ ইয়র্ক থেকে কথা বলেন সানফ্রান্সিসকোতে টমাস ওয়াস্টনের সঙ্গে।

১৯১৭ – ২৫ মিলিয়ন ডলারে যুক্তরাষ্ট্র ড্যানিশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রয় করে।

১৯১৮ – ইউক্রেন স্বাধীনতা ঘোষণা করে বলশেভিক রাশিয়া থেকে আলাদা হয়।

১৯১৯ – লিগ অব ন্যাশনস্-এর প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৪২ – থাইল্যান্ড জাপান একজোট হয়ে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৮ – সত্যেন্দ্রনাথ বসু কলকাতায় বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৫০ – ভারতের নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।

১৯৫৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন জার্মানির সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করে।

১৯৬৩ – জুম্মার নামাজ আদায়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মত বাইতুল মোকারম জামে মসজিদে নামাজ পড়া হয়।

১৯৬৪ – পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ পুনরুজ্জীবিত হয়।

১৯৬৫ – ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘ ত্যাগ করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় চেকোস্লাভিয়া ও টোঙ্গা।

১৯৭৫ – চতুর্থ সংশোধনী পাস করে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির বদলে রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার কায়েম হয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।

১৯৭৫ – বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) ব্যবস্থার প্রবর্তন।

১৯৭৯ – চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক অনন্ত সিংয়ের মৃত্যু ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – হাঙ্গেরিয়ান ফুটবলার মিক্লস ফেহের।

২০০৫ – আমেরিকান স্থপতি ফিলিপ জনসন।

২০১০ – ইরাকি জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আলী হাসান আল-মজিদ।

 

২০১৫ – গ্রিক গায়ক, গীতিকার ও খাদ প্লেয়ার ডেমিস রউসোস।

২০২১ – বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম নৌপ্রধান ক্যাপ্টেন নুরুল হক।

১৯০৮ – ইংরেজ লেখক অউইডা।

 

১৯৫৪ – মানবেন্দ্র নাথ রায়, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৫৭ – আমাশয় রোগের জীবাণু আবিষ্কারক জাপানি জীবাণুবিদ শিগা কিয়োশি।

 

১৯৭৯ – অনন্ত সিং, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণের অন্যতম নায়ক এবং রাজনীতিবিদ।

১৯৮২ – রাশিয়ান অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ মিখাইল সুসলভ।

 

১৯৯০ – আমেরিকান অভিনেত্রী আভা গার্ডনের।

১৮৫২ – রাশিয়ান এডমিরাল মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও এক্সপ্লোরার ফেবিয়ানগটলিয়েব ভনবেলিংশাউসেন।

 

১৮৬৮ – রামগোপাল ঘোষ, ইয়ং বেঙ্গল গ্রুপের নেতা, সফল ব্যবসায়ী, বাগ্মী ও সমাজ সংস্কারক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
কবিতা

ঐ যে দূরে ::: রাণু সরকার।।।

ঐ যে দূরে দেখা যায় বাঁশঝাড়-
পাশ দিয়ে প্রবাহিত ছোট এক নদী
জলস্রোতের মৃদু কলকলধ্বনি

প্রত্যুষে শূন্যে ডানা ছুঁয়ে জল ভরে,
বেদনা মাখা মুখচন্দ্রিকা
কাজল রাতে ডেকে ছিলো
ঐ নদীটির পাড়ে-
শাপলা লতায় শরীর ঢেকে-
অব্যক্ত কিছু যেন চায় বলতে।

উচ্ছল চপল তব নবীন শালতি
হৃদয়টা অগ্নিদগ্ধ কী করে হয় নিষ্পন্ন
প্রদীপের মৃদু শিখায় মেটেকি বেঁচে থাকার দোহদ।

ভেবে না পাই-
জীবন দাঁড়িয়ে সন্ধ্যার ঘরে নিশ্চল।

Share This
Categories
কবিতা

উলঙ্গ কাল :: রাণু সরকার।।।।

ছোট্ট এ কুটিরে বন্দি রাখার সময় যে কবে কখন চলে এলো বুঝতেই দিলোনা- তাই তো কালের ভাঁজে তাল মিলিয়ে গুছিয়ে রেখে চলছি।

মনোরথের ইচ্ছে একদমই নেই এখনো পর্যন্ত- তবে পরের কথা পারছিনা বলতে-
নজর শুধুই বহন করে আনে সংক্রমণ সংবাদ
তখন ভুলে যাই বিশ্বচরাচরকে;

বাধ্যতামূলক শব্দহীনতা আলিঙ্গন করে মন্থর গতিতে,
দীর্ঘশ্বাসেরা বুকে ধীর ও শান্ত ভাবে চলাচল করে, বাসনাহীন।
হয়তো তখন ভাবে এটাই তার ঠিকানা;

বাক্যহারারা সূঁচের ফোর তোলে, হৃদয়ের অশ্রুধারা পড়ে গড়িয়ে গালে।
বিকৃতাঙ্গের প্রেম দেয় মর্মপীড়া-
উলঙ্গ কালের সাথে শয্যার চলে গভীর মিত্রতা-
নিদ্রিত মুখ করে হাজার চুম্বন।

Share This
Categories
রিভিউ

একজন কন্যাই পারে তার গোটা পরিবারকে একই সূত্রে বেঁধে রাখতে : আজ জাতীয় শিশুকন্যা দিবস।

কন্যা সন্তান আমাদের গর্ব এবং জাতির ভবিষ্যত। কন্যা সন্তানের ক্ষমতায়নের অর্থ আপনার ভবিষ্যতের ক্ষমতায়ন।

সমাজে মেয়েরা প্রতিমুহূর্তে যে লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছে সে সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এটি শুরু করা হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরে, ভারত সরকার মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এই কারণে কন্যা শিশুদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়াও শুরু হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি উদ্যোগ হল ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘কন্যাশ্রী’ এবং আরও অন্যান্য। কন্যা রাই এখন এগিয়ে যাচ্ছে সমান তালে ।

 

তাই প্রতি বছর ২৪শে জানুয়ারী ভারতে জাতীয় শিশুকন্যা দিবস পালিত হয়। ভারতীয় সমাজে যাতে মহিলারা ভেদাভেদ বা বৈষম্যের শিকার না হন, সেদিকে  জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য নিয়ে ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক দিনটি উদযাপনের সূচনা করে। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, শিশু লিঙ্গ অনুপাত এবং মহিলাদের জন্য এক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ আবহ তৈরির জন্য সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়। দেশজুড়ে মৃলত সচেতনতা শিবির ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে তুলে ধরা হয় শিশু কন্যাদের স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ দেওয়ার কথা এবং সরকার যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা সমক্ষে উপস্থাপন করা।

উদ্দেশ্য–

 

দেশের মহিলারা যেন কোনভাবে বৈষম্যের সম্মুখীন না হয় সেজন্য জনগণকে  সচেতন করা।

শিশুকন্যাদের অধিকার  সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

নারী শিক্ষা ও তাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে  সচেতন করা।

 

 

তাৎপর্য–‐

 

শিশুকন্যাদের শিক্ষা, পুষ্টি, বাল্য বিবাহ, আইনি অধিকার এবং চিকিৎসা যত্ন সুরক্ষা সম্মান ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান।

১) ভারতীয় সমাজে ক্রমবর্ধমান কন্যা ভ্রূণহত্যা ও শিশু হত্যার কারণে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপন শুরু হয়েছিল। ২) কন্যা ভ্রূণহত্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ৩) যাদের শিশু কন্যা আছে তাদের সরকার আর্থিক সহায়তা করছে এবং মেয়েদের বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করার কথাও ঘোষণা করেছে।
৪) এই দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল, কন্যা শিশুদের অধিকার এবং তাদের শিক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো। ৫) এই দিনটির আরেকটি লক্ষ্য হল, ভারতীয় সমাজে মেয়ে শিশুদের প্রতি অবিচারকে তুলে ধরা এবং তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রচার করা। ৬) যেহেতু মেয়েরা প্রায়ই ভ্রূণহত্যা, শিশু হত্যা বা যৌন নির্যাতনের মতো সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়, তাই এই দিনটিতে মেয়েদের সুরক্ষা এবং তাদের অবস্থার উন্নতির দিকে আরও বেশি করে ফোকাস করা হয়। ৭) কন্যা সন্তানের পক্ষে নেওয়া একাধিক উদ্যোগের কারণে, দেশে ধীরে ধীরে নারীশিক্ষা ও মেয়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে।

 

 

উপসংহার: 

 

সর্বপরি,  কন্যা সন্তান হল দেবদূতের মতো, যে পরিবারে আসে সেই বাড়িতেই অফুরন্ত আনন্দ এবং ভালবাসায় ভরে ওঠে। কন্যা সন্তান জন্ম লক্ষির আগমন হিসেবে ধরা হয় একটি পরিবারে। পরিবারে সর্বদা সৌভাগ্য বিরাজ করে। একজন কন্যা তার পিতার হৃদয়ে বাস করে এবং মায়ের সত্যিকারের বন্ধু হয়ে ওঠে। তারা প্রত্যেক বাবা-মায়ের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। কন্যার জন্ম পিতা-মাতার জীবনকেও অনেকাংশে বদলে দেয়। বড় হয়ে সে তার পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি এবং বাবার বাড়ি উভয় তরফেই সমান দায়িত্ব পালন করে। সর্বদা সবাইকে খুশি রাখতে এবং যেকোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে একজন কন্যাই। তাই, আপনার যদি কন্যা সন্তান থাকে তাহলে আপনি হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ। তাই সকলের উচিৎ একটি পরিবারে কন্যা ও পুত্র সন্তান কে সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া। কন্যা সন্তান বলে তাকে অবহেলর চোখে কখনই দেখা উচিৎ নয়।

 

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় শিশুকন্যা দিবস (ভারত)

(খ) গণঅভ্যুত্থান দিবস (বাংলাদেশ)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮২৬ – জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর, অবিভক্ত ভারতের প্রথম ব্যারিস্টার।

 

১৮৭৭ – ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিখ্যাত বিপ্লবী, ঢাকা অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা পুলিনবিহারী দাস।

 

১৮৮৮ – (ক) নলিনীকান্ত ভট্টশালী, বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ, গবেষক, পণ্ডিত ও ঢাকা জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা।

(খ) ভিচকি বাউম, অস্ট্রিয় লেখক।

 

১৯০৯ – অ্যান টড, ইংরেজ অভিনেত্রী।

১৯১৩ – আমেরিকান সুরকার নরমান দেললো জইও।

 

১৯১৭ – আর্নেস্ট বোর্গনাইন, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৩০ – মাহমুদ ফার্শিয়ান, ইরানি বংশোদ্ভূত ফার্সি চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক।

১৯৪০ – জোয়াকিম গাউক, জার্মান রাজনীতিবিদ ও ১১তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৪১ – ড্যান শেচতম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৪২ – ইউসেবিও, প্রাক্তন পর্তুগীজ ফুটবলার।

১৯৪৫ – সুভাষ ঘাই, ভারতীয় পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৪৭ – (ক) মিশিও কাকু, আমেরিকান পদার্থ বিজ্ঞানী।

(খ) টোস্টাও, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৫০ – দানিয়েল ওতোই, ফরাসি অভিনেতা।

 

১৯৭০ – নিল জনসন, সাবেক জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার।

 

১৯৮৪ – রবিনিয়ো, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৮৭ – লুইস সুয়ারেজ, উরুগুয়ের ফুটবল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৮ – ইংল্যান্ডে বয়স্কাউট আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯২৭ – তৎকালীন তরুণ পরিচালক আলফ্রেড হিচককের প্রথম ছবি দ্য প্লেজার গার্ডেন মুক্তি পায়।

১৯৪১ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনী আবিসিনিয়া অভিযান শুরু করে।

১৯৫০ – (ক) আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানটিকে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়।

(খ) ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৫২ – বোম্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু।

১৯৬৯ – পাকিস্তানের অপশাসনের বিরুদ্ধে ঢাকায় গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং কিশোর মতিউর পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং টোঙ্গা।

১৯৭৪ – সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুহাম্মদ উল্লাহ বাংলাদেশের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৭৯ – ইরানের অত্যাচারী শাসকের শাহের অনুচররা ইরানের বেশির ভাগ শহরে দুই জনের অধিক লোক একত্রিত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

১৯৮৪ – অ্যাপল ম্যাকিন্টশ বিক্রি শুরু হয়।

১৯৮৮ – ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিং পরলোকগমন করেন।

১৯৮৮ – চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার সমাবেশে পুলিশের হাতে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়।

১৮৪৮ – জেমস মার্শাল ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কাঠচেরাই কলে প্রথম সোনা আবিষ্কার করেন।

১৮৫৭ – ভারতে প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – লিওনিদাস, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

 

২০০৬ – পিটার ল্যাডিফোগিড, ইংরেজ-মার্কিনী ভাষাবিজ্ঞানী।

 

২০১১ – ভীমসেন জোশী ভারতীয় মার্গ সঙ্গীত বা হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী।

২০১৪ – ইংরেজ অভিনেত্রী লিসা ডানিইলয়।

২০১৫ – বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ।

 

২০২২ – প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রশিল্পী ওয়াসিম কাপুর।

১৯৬৫ – সাহিত্যে নোবেলজয়ী উইন্‌স্টন চার্চিল, ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।

১৯৬৫ – সাহিত্যরত্ন মুনশি আশরাফ হোসেন, বাঙালি কবি ও পুথি সংগ্রাহক।

 

১৯৬৬ – হোমি জাহাঙ্গীর ভাভা প্রখ্যাত ভারতীয় পরমাণু বিজ্ঞানী।

১৯৮০ – ডাচ বংশোদ্ভূত জার্মান অভিনেত্রী লিল ডাগভার।

১৯৮৮ – ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিং।

১৯৯৪ – ফরাসি লেখক ইয়ভেস ন্যাভারে।

 

১৮৭১ – ভিলহেল্ম ভাইৎলিং, জার্মান কারুশিল্পী এবং উনিশ শতকের বিপ্লবী।

১৫৯৫ – অস্ট্রিয়ার রাজা দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This