Categories
রিভিউ

আজ ১৩ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  সংবিধান দিবস (মোঙ্গোলিয়া)

(খ) গণতন্ত্র দিবস (কেপ ভার্দে)

(গ) কোরিয়ান-আমেরিকান দিবস (আমেরিকা)

(ঘ) মুক্তির দিবস (টোগো)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৫০ – বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ও আবিস্কারক বার্থোলোমেও ডিয়াজ।

১৫৯৯ – ব্রিটিশ কবি এডমান্ড স্পেন্সার।

 

১৮৫৯ – ভূপেন্দ্রনাথ বসু, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি, কলকাতার মোহনবাগান ক্লাবের প্রথম সভাপতি।

১৮৬৪ – ভিলহেল্ম ভিন,১৯১১ সালে নোবেল পুরস্কার জয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

 

১৮৮৯ – নলিনীকান্ত গুপ্ত, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং বিশিষ্ট প্রবন্ধ লেখক।

 

১৮৯৪ – রামনাথ বিশ্বাস, ভারতীয় বিপ্লবী, সৈনিক, ভূপর্যটক ও ভ্রমণকাহিনী লেখক।

 

১৮৯৭ – সন্তোষকুমারী দেবী, স্বাধীনতা সংগ্রামের কর্মী ও বাংলার প্রথম শ্রমিক নেত্রী।

 

১৯২৬ – শক্তি সামন্ত ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৩৮ – (ক)  নবনীতা দেবসেন, একজন বাঙালি কবি, লেখক এবং শিক্ষাবিদ।

 

(খ) শিবকুমার শর্মা, খ্যাতনামা ভারতীয় সন্তুর বাদক।

১৯৪৫- দিলদার, বাংলাদেশি কৌতুক অভিনেতা।

 

১৯৪৯ – রাকেশ শর্মা, ভারতের প্রথম মহাকাশচারী।

 

১৯৫৩ – আবুল আহসান চৌধুরী, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক ও লোকসাহিত্য বিশারদ।

১৯৫৭ – কণ্ঠশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

 

১৯৮৩ – ইমরান খান, ভারতীয় অভিনেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭০৯ – প্রথম বাহাদুর শাহ হায়দ্রাবাদ দখল করেন।

১৭৬১ – পানিপথের ৩য় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৪৮ – হাডসন বে কোম্পানি ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ভ্যানকুইভার দ্বীপ দখল করে।

১৮৪৯ – দ্বিতীয় আংলো-শিথ যুদ্ধ শুরু।

১৮৬৪ – রাশিয়ার ইতিহাসে প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ গঠন করা হয়।

১৮৯৭ – চারুকলাবিষয়ক পত্রিকা শিল্পতত্ত্ব ও পুষ্পাঞ্জলি প্রকাশিত হয়।

১৯১৫ – মধ্য ইতালিতে মারাত্মক ভূমিকম্পে প্রায় ২৯ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।

১৯১৫ – দক্ষিণ আফ্রিকায় জার্মানির স্কোপমুন্ড দখল।

১৯১৯ – ভারতীয়দের মধ্যে স্যার সত্যেন্দ্রপ্রসাদ সিংহ সর্বপ্রথম ‘লর্ড’ উপাধিতে ভূষিত হয়ে পার্লামেন্ট মহাসভায় আসন লাভ করেন।

১৯১৯ – দক্ষিণ আফ্রিকায় কিম্বার্লির খনিতে ৩৮৮ ক্যারেট হীরক খণ্ড পাওয়া যায়।

১৯২০ – ( কারো মতে ১০ জানুয়ারি ) লিগ অব নেশন্স প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৭ – ওড়িশা রাজ্যের সম্বলপুর হতে পনের কিলোমিটার দূরে হিরাকুদে হীরাকুদ বাঁধের উদ্বোধন করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু আজকের দিনে।

১৯৫৮ – ৪৪টি দেশের ৯ হাজার বিজ্ঞানী জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের আহ্বান জানান।

১৯৬৩ – টোগোতে সামরিক অভ্যুত্থান। সার্জেন্ট জিনার্সিবি এয়াদেমার হাতে প্রেসিডেন্ট সিলভানুস অলিম্পিও নিহত।

১৯৬৪ – আরব দেশগুলোর শীর্ষ সম্মেলন মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৭ – টোগোয় সেনাবাহিনী বিনা রক্তপাতে দেশটির ক্ষমতা দখল করে।

১৯৭০ – ব্রিটেনের শিখ পুলিশরা হেলমেটের পরিবর্তে তাদের ঐতিহ্যবাহী পাগড়ি পরিধানের অধিকার লাভ করে।

১৯৭২ – ঘানায় জুনিয়র কর্মকর্তাদের একটি গ্রুপ সরকার উৎখাত করে।

১৯৭২ – শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মিয়ানমার।

১৯৭২ – বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত ও কুচকাওয়াজ সংগীত নির্ধারণ (দেশের মানচিত্র সংবলিত পতাকা অত্যন্ত জটিল এবং সাধারণ লোকের পক্ষে এর সঠিক নমুনা তৈরি অসুবিধাজনক বিধায় এই পরিবর্তন আনা হয়, ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত এই গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে নির্ধারণ ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘চল চল চল’ গানটির ২১টি লাইন কুচকাওয়াজ সংগীত হিসেবে নির্ধারণ করে।)

১৯৭৪ – আমেরিকার ডালাসে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিমান বন্দর চালু হয়।

১৯৮৫ – ইথিউপিয়ায় এক গিরিখাদে যাত্রিবাহী ট্রেন পড়ে ৪২৮ জন যাত্রীর মৃত্যু ঘটে।

১৯৮৮ – প্রথম তাইওয়ান নাগরিক লি তেংহুই, চিনের রাষ্ট্রপতি হন।

১৯৯৩ – দিনে রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কনভেনশনের স্বাক্ষর দান অধিবেশন প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৪ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী কার্লোস শিয়াম্পি পদত্যাগ করেন।

২০০১ – এলসালভাদরে এক বড়মাপের ভূমিকম্প হয়। এতে আটশত এর বেশি লোকের মৃত্যু হয়।

২০১২ – কস্টা কনকর্ডিয়া নামক যাত্রীবাহি জাহাজ ইতালীর সমুদ্র উপকূলে ডুবে যায়। ৩২ জনের বেশি যাত্রী মারা যায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৯১ – ইউরোপে সুহৃদ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা জর্জ ফক্স।

১৮৭৪ – ফরাসি স্থপতি ও প্রকৌশলী লুই পিয়ের বালতার্দে।

১৮৯৫ – প্রতাপচন্দ্র রায়, বাঙালি সাহিত্যসেবী ও রামায়ণ মহাভারত সহ বহু পুরাণ গ্রন্থের অনুবাদক।

 

১৯০৭ – কবি ও সাংবাদিক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।

 

১৯৩৫ – রাজনীতিবিদ ও গ্রন্থকার স্যার আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী।

১৯৪১ – আইরিশ কথাসাহিত্যিক ও কবি জেমস জয়েস।

১৯৫৯ – হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়’বঙ্গীয় শব্দকোষ’ অভিধান সংকলক।

 

১৯৬২ – কমিউনিস্ট লেখক ও বুদ্ধিজীবী অজয় কুমার ঘোষ।

১৯৬৩ – ভারতে ফলিত গণিতের জনক বাঙালি বিজ্ঞানী নিখিলরঞ্জন সেন।

 

১৯৯৭ – ব্রজেন্দ্র চন্দ্র দেব, খ্যাতনামা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, সমাজ সংস্কারক।

 

১৯৮৩ – রাধামোহন ভট্টাচার্য বিশিষ্ট বাঙালি চলচ্চিত্র ও মন্ত্র অভিনেতা,সিনেমা সমালোচক ও বহুভাষাবিদ।

 

১৯৮৮ – তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট চিয়াং চিং কুও।

১৯৯৬ – ফরাসি নাট্য ও চলচ্চিত্র অভিনেতা দেনিজ গ্রে।

১৯৯৮ – বেদারউদ্দিন আহমদ, বাঙালি নজরুলগীতি ও উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।

 

২০১৮ – সরস্বতী রাজামণি , ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর (আইএনএ) একজন সৈনিক।

২০২২ – প্রবাদপ্রতিম বাঙালি শোলা শিল্পী মধুমঙ্গল মালাকার।

২০২২ – ওয়াজি কাসিম, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আমার দৃষ্টিতে স্বামী বিবেকানন্দ — একটি পর্যালোচনা : দিলীপ রায় (+৯১ ৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)।

স্বামী বিবেকানন্দ শুধু বাঙালির জীবনের এক আদর্শ মহামানবই নন, তিনি যুগাবতার । তিনি ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রিয়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের একমাত্র শিষ্য । তাঁর দেখানো আদর্শের রাস্তা যুক্তিবোধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায় মানুষকে। আধ্যত্মকে এক অন্য পর্যায়ে উন্নত করে বিবেকানন্দ সকলের জীবনকে আরও বেশি করে আলোর দিকে ঠেলে দিয়েছেন । স্বামী বিবেকানন্দ জীবপ্রেমের দীক্ষা পান শ্রীরামকৃষ্ণের কাছ থেকে, যেখানে তিনি বলেছেন ‘যত্র জীব, তত্র শিব’। জীবের সেবা করলে স্রষ্টারও সেবা করা হয় । স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ । সবার আগে মানব সেবা । সুতরাং মানুষের সেবার মাধ্যমে ঈশ্বরের সেবা করা সম্ভব। জীবপ্রেমের দর্শন প্রকাশ পেয়েছে তাঁর দুটি চমৎকার লাইনেঃ
“বহুরুপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর ?
জীবপ্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর ।“
তাই আমরা কেউ বিবেকানন্দকে পরিপূর্ণভাবে বুঝিনি । কারণ তিনি ছিলেন বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব । সংগীত, চিত্রকলা, দর্শন, রাষ্ট্রনীতি, ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজতত্ব, ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ছিলো গভীর ব্যুৎপত্তি । তাই তিনি নিজেই বলেছেন, “বিবেকানন্দকে বুঝতে হলে আরেক বিবেকানন্দকে দরকার ।“ কর্মী বিবেকানন্দ, সন্ন্যাসী বিবেকানন্দ, গুরু বিবেকানন্দ, শিষ্য বিবেকানন্দ, জ্ঞানী বিবেকানন্দ, যোগী বিবেকানন্দ, কবি বিবেকানন্দ সবই এহ বাহ্য । কারণ এই সমস্ত গুণেই তিনি শীর্ষস্থানের অধিকারী হলেও তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় হল ভালোবাসায় ভরা হৃদয় বিবেকানন্দ ।
( ২ )
বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের “শিব জ্ঞানে জীব সেবা”র মন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলেই তিনি মানুষের কল্যাণ সাধনকেই প্রকৃত ঈশ্বর সাধনা বলে মনে করেছিলেন । বিবেকানন্দ ছিলেন মানব প্রেমিক সন্ন্যাসী । মানুষের কল্যাণের জন্য তিনি ধর্ম ও বিজ্ঞান উভয়কেই সমানভাবে প্রয়োজন বলে অভিহিত করেছিলেন । তাঁর মতে “ধর্ম”” মানুষের অন্তর্নিহিত দেবত্বকে ফোটাবে । বিজ্ঞান মানুষকে সুখ ও সমৃদ্ধি উপহার দেবে । শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ প্রথমে আত্মবিশ্বাসী হবে । আর আত্মবিশ্বাস থেকে আসবে আত্মনির্ভরশীলতা । বিবেকানন্দের মতে, শিক্ষাই সমাজের সকল সমস্যা দূরীকরণের মূল চাবি কাঠি । শিক্ষার আলো মানুষের মনের অন্ধকারকে দূর করে, মানুষকে স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে । বিবেকানন্দের শিক্ষা পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যেই ছিল সমাজে যথার্থ “মানুষ” তৈরি করা –যাতে চরিত্র গঠিত হয়, মনের শক্তি বাড়ে । বুদ্ধি বিকশিত হয়, মানুষ নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াতে পারে । তা ছাড়া বিবেকানন্দের শিক্ষা ছিল সার্বজনীন । তিনি চেয়েছিলেন বিশেষভাবে যুব সমাজের নবচেতনার অভ্যুদয় । নিষ্ঠা, সততা ও আত্মনির্ভরতা ছিল তাঁর আরাধ্য । এসব গুণ জগতের সব সমাজের সবমানুষেরই সম্পদ ।
এখানে বিশেষভাবে প্রনিধানযোগ্য – বিবেকানন্দ যেভাবে ভারতবর্ষকে চিনেছিলেন বা অনুভব করেছিলেন, অন্য কোনো ব্যক্তি ঠিক সেভাবে ভারতবর্ষকে অনুভব করতে পারেননি । পুণ্যভূমি ভারতবর্ষে জন্মগ্রহণ করে বিবেকানন্দ ধন্য মনে করেছিলেন । ভগিনী নিবেদিতার ভাষায়, “তিনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন ভারতবর্ষ – রক্তমাংসে গড়া ভারত প্রতিমা ।“ আর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ রোমাঁ রোলাঁকে (ফরাসী সাহিত্যিক) বলেছিলেন, “যদি ভারতবর্ষকে জানতে চাও বিবেকানন্দকে জানো । বিবেকানন্দের লেখা আগে পড়ো । “

(৩)
১৮৮৪ খ্রিষ্টাব্দে নরেন্দ্রনাথের পিতা হঠাৎ মারা যান । এরপর তাঁর পরিবার তীব্র অর্থ কষ্টের মধ্যে পড়েন । একদা সচ্ছল পরিবারের সন্তান নরেন্দ্রনাথ কলেজের দরিদ্রতম ছাত্রদের অন্যতম ছাত্রে পরিণত হন । তিনি চাকরির অনুসন্ধান শুরু করেন । নরেন্দ্রনাথ রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের কাছে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর মা কালীর কাছে তাঁর পরিবারের আর্থিক উন্নতির জন্য প্রার্থনা জানান । রামকৃষ্ণ উল্টে তাঁকে বলেন, “তিনি যেন নিজে মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা করেন ।“ রামকৃষ্ণ দেবের পরামর্শ অনুসারে নরেন্দ্রনাথ তিনবার মন্দিরে যান । কিন্তু জাগতিক প্রয়োজনের জন্য প্রার্থনার পরিবর্তে তিনি জ্ঞান ও বিবেকবৈরাগ্য প্রার্থনা করেন । এরপরে নরেন্দ্রনাথ ঈশ্বর উপলব্ধির জন্য সংসার ত্যাগ করেন এবং রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবকে গুরু বলে মেনে নেন । এমনই ছিলেন নরেন্দ্রনাথ, গুরুকেও যাচাই করে নিতে পিছপা হননি ।
এরপরে পরিব্রাজকরুপে তাঁকে আমরা কী দেখলাম । ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে পরিব্রাজকরুপে মঠ ত্যাগ করেন বিবেকানন্দ । পরিব্রাজক হিন্দু সন্ন্যাসীর এক ধর্মীয় জীবন — এই জীবনে তিনি স্বাধীনভাবে পর্যটন করে বেড়ান কোনো স্থায়ী বাসস্থান ও বন্ধন ছাড়াই । পাঁচ বছর ধরে ভারতের প্রত্যেক শিক্ষা কেন্দ্র দর্শন করেন । বিভিন্ন ধর্মসম্প্রদায় ও সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে সুপরিচিত হন । এই সময় ভিক্ষোপজীবী হয়ে সারা ভারত পদব্রজেই পর্যটন করেন বিবেকানন্দ । সেইজন্য বিবেকানন্দকে সারা বিশ্বের মানুষ “পরিব্রাজক” হিসেবে জানে । ভারতবর্ষ পর্যটনের সময় তিনি বিভিন্ন পণ্ডিত, দেওয়ান, রাজা এবং হিন্দু-মুসলমান, খ্রিষ্টান এমনকি নিম্নবর্গীয় ও সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গেও মেলামেশা ও একসঙ্গে বাস করেন ।
১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বারাণসী থেকে যাত্রা শুরু করেন । তখন সাক্ষাৎ হয় বিশিষ্ট বাঙালী লেখক ভূদেব মুখোপাধ্যায় ও বিশিষ্ট সন্ত ত্রৈলঙ্গস্বামীর সাথে । বৃন্দাবন, হথরাস ও হৃষীকেশে ভ্রমণের সময় হথরাসে তাঁর সঙ্গে স্টেশন মাস্টার শরৎচন্দ্র গুপ্তের সাক্ষাত হয় । তিনি পরে বিবেকানন্দের শিষ্যত্ব গ্রহণ করে সদানন্দ নামে পরিচিত হন । তিনি ছিলেন বিবেকানন্দের প্রথম যুগের শিষ্য । ১৮৯০ খ্রিষ্টাব্দে আবার নৈনিতাল, আলমোড়া, দেরাদুন, ঋষীকেশ, হরিদ্বার এবং হিমালয় ভ্রমণে যান । তারপর রওনা দেন দিল্লি । এইভাবে পশ্চিম ভারত, দক্ষিণ ভারত ভ্রমণ সারেন ।
(৪)
১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে ৩০শে জুন থেকে ১৪ই জুলাই শিকাগো যাওয়ার পথে বিবেকানন্দ জাপান ভ্রমণ করেন । তিনি ঘুরে দেখেছিলেন কোবে, ওসাকা, কিওটো, টোকিও আর য়োকোহামা শহর । তারপর চীন, কানাডা হয়ে তিনি শিকাগো শহরে পৌঁছান ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দের জুলাই মাসে । কিন্তু শিকাগো শহরে পৌঁছে তিনি মূলত দুটি সমস্যায় পড়েন । মহাসভা শুরু হতে দেড় মাস বাকী । অন্যটা কোনো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র বা পরিচয়পত্র ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসাবে বিশ্বধর্ম মহাসভায় গ্রহণ করা হবে না । তারপর তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জন হেনরি রাইটের সংস্পর্শে এলেন । তাঁকে হার্ভার্ডে আমন্ত্রণ জানানোর পর এবং ধর্মসভায় বক্তব্যদানে বিবেকানন্দের প্রশংসাপত্র না থাকা প্রসঙ্গে রাইটের বক্তব্য, “আপনার কাছে প্রশংসাপত্র চাওয়াটা হচ্ছে স্বর্গে সূর্যের আলো দেওয়ার অধিকার চাওয়ার মতো অবস্থা ।“ রাইট তখন প্রতিনিধিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নিকট এক চিঠিতে লিখলেন, “আমাদের সকল অধ্যাপক একত্রে যতটা শিক্ষিত ইনি তাঁদের থেকেও বেশী শিক্ষিত ।“
বিশ্বধর্ম মহাসভা ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই সেপ্টেম্বর শিকাগোর আর্ট ইনস্টিটিউটে উদ্বোধন হয় । তিনি ভারত এবং হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করেন । পাশ্চাত্যে অভিযানের নিরিখে যেসব অভিজ্ঞতা, তাতে শিকাগো বিশ্বধর্ম মহাসম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় সনাতন ও বেদান্তের উপর ভাষণ দেওয়া ভীষন তাৎপর্যপূর্ণ । তাঁর বক্তব্য শুরু করলেন, “আমেরিকার ভ্রাতা ও ভগিনীগণ …।“ সম্ভাষন করে । তাঁর বক্তব্যে সহিষ্ণুতা ও মহাজাগতিক গ্রহণযোগ্যতা প্রসঙ্গ ওঠে । গীতা থেকে উদাহরণমূলক পংক্তি তুলে ধরেন । তাঁর বক্তব্যে বিশ্বজনীন চেতনা ধ্বনিত হয় ।
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই বিবেকানন্দের সদর্থক ভূমিকা । রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের একনিষ্ঠ ভক্ত সুভাষ চন্দ্র বসু । সেই বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন, বিবেকানন্দ ছিলেন “আধুনিক ভারতের স্রষ্টা ।“ জাতীয়তাবাদ নিয়ে বিবেকানন্দের চিন্তাভাবনার প্রতি তিনি ছিলেন সতত সংবেদনশীল । সুতরাং বিবেকানন্দের স্বদেশমন্ত্র দেশ স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ।
স্বদেশমন্ত্রে বিবেকানন্দ বলেছিলেন, “ভুলিও না, নীচজাতি, মুর্খ, দরিদ্র, অজ্ঞ, মুচি, মেথর তোমার রক্ত, তোমার ভাই । হে বীর, সাহস অবলম্বন করো, সদর্পে বলো —- আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই । বলো, মুর্খ ভারতবাসী, দরিদ্র ভারতবাসী, ব্রাহ্মণ ভারতবাসী, চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই । সদর্পে ডাকিয়া বলো, ভারতবাসী আমার ভাই, ভারতবাসী আমার প্রাণ, ভারতের দেবদেবী আমার ঈশ্বর, ভারতের সমাজ আমার শিশুশয্যা, আমার যৌবনের উপবন, আমার বার্ধক্যের বারাণসী । বলো ভাই, ভারতের মৃত্তিকা আমার স্বর্গ । ভারতের কল্যাণ, আমার কল্যাণ ।“
১৯০২ খ্রিষ্টাব্দের ৪ই জুলায় রাত ৯.১০ মিনিটে ধ্যানরত অবস্থায় দেহত্যাগ করেন । তাঁকে বেলুড়ে গঙ্গা নদীর তীরে একটি চন্দন অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চিতার উপর দাহ করা হয় । যার বিপরীত পাশে ষোলো বছর আগে রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের মরদেহ দাহ করা হয়েছিল ।
আজ তাঁর জন্ম দিবসে (জন্মঃ ১২ই জানুয়ারী, ১৮৬৩) সেই স্বামী বিবেকানন্দকে আমার শতকোটি প্রণাম ।
———–০————–

Share This
Categories
রিভিউ

১২ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১২ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) গরম চা দিবস’ বা ‘হট টি ডে’।

(খ) জাতীয় যুব দিবস (ভারত), ভারত।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭২৪ – ফ্রান্সেস ব্রুক, ইংরেজ লেখক এবং নাট্যকার।

১৭২৯ – এডমান্ড বার্ক, অ্যাংলো-আয়ারল্যান্ডীয় লেখক, রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ, এবং দার্শনিক।

 

১৮৬৩ – স্বামী বিবেকানন্দ, নব্যযুগে বেদন্ত দর্শনের গুরু, দার্শনিক ,সন্ন্যাসী।

১৮৭৬ – জ্যাক লন্ডন, মার্কিন লেখক।

 

১৮৮৬ – নেলী সেনগুপ্তা রাজনৈতিক ও সমাজকর্মী দেশকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে রক্ষা করার জন্য নিরলস সংগ্রাম করে গিয়েছেন।

 

১৯১০ – লুইস রাইনার, জার্মান-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯১২ – রণেশ দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯১৩ – ধীরেন্দ্রলাল ধর, খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক, শিশুসাহিত্যে বিশেষ পরিচয়।

 

১৯২১ – আবদুল গনি হাজারী, বাঙালি কবি ও সাংবাদিক।

১৯৩৬ – ক্যাপ্টেন নুরুল হক বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম নৌপ্রধান।

 

১৯৪২ – এ.টি.এম. হায়দার, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত সেক্টর কমান্ডার।

১৯৫৬ – নিকোলাই নস্কভ, একজন রুশ সংগীতশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭০১ – সুইজারল্যান্ডের প্রোটেস্ট্যান্টরা খ্রিস্টীয় ক্যালেন্ডার প্রবর্তন করেন।

১৭৭৩ – দক্ষিণ করোলিনার চার্লসস্টনে জনগণের জন্য প্রথম ঔপনিবেশিক আমেরিকান জাদুঘর খোলা হয় ।

১৮৪৮ – ভারতের ভারতের গভর্নর জেনারেল হয়ে লর্ড ডালহৌসি কলকাতায় আসেন।

১৮৬৬ – যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে রয়েল এ্যারোনটিক্যাল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭৯ – আফ্রিকায় ব্রিটিশ জুলু যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯০৮ – সর্বপ্রথম সবচেয়ে দূরবর্তী রেডিও বার্তা পাঠানো হয়েছিল আইফেল টাওয়ার থেকে।

১৯৩৪ – বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি হয়।

১৯৪৩ – অধুনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের বাহিনী লেলিনগ্রাদের উপর আরোপিত নাৎসী জার্মানীর অবরোধ আংশিক ভাবে ভঙ্গ করতে পেরেছিলো।

১৯৫৪ – অস্ট্রিয়ায় তুষার ধসে ২ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

১৯৬০ – কেনিয়ায় ৮ বছরের জরুরি অবস্থার অবসান ঘটে।

১৯৬৪ – জাঞ্জিবার অভ্যুত্থান শুরু।

১৯৬৬ – লিয়ন বির জনসন ঘোষণা দেন যে দক্ষিণ ভিয়েতনামে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান করা উচিত তত দিন পর্যন্ত, যত দিন কমিউনিস্ট আগ্রাসন থাকবে।

১৯৭০ – বায়ফ্রো বাহিনীর আত্মসমর্পণ। নাইজেরিয়ায় গৃহযুদ্ধের অবসান।

১৯৭১ – পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর রিয়ার এডমিরাল এসএম আহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয় এ্যাক্ট পাস হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় রাখা হয়।

১৯৭২ – পোল্যান্ড এবং বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

১৯৭৩ – ইয়াসির আরাফাত দ্বিতীয় বার পিএলওর প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

১৯৭৬ – প্রধানমন্ত্রী কুকরিত প্রমাজের পদত্যাগের পর থাইল্যান্ডের কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়।

১৯৮৩ – আংগোলা চীনের সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

১৯৯৫ – ভারত-আমেরিকা প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পাদন।

১৯৯৮ – মানব ক্লোনিং নিষিদ্ধ করে ১৯ টি ইউরোপীয় দেশের চুক্তি স্বাক্ষর।

২০০১ – ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনীল্যান্ড রিসোর্ট-এ ডাউন টাউন ডিজনী উদ্বোধন করা হয়।

২০০২ –  বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের উদ্বোধন।

২০০৪ – বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামুদ্রিক জাহাজ আরএমএস কুইন মেরী-২ প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করে।

২০০৫ – কেপ কানাভেরাল থেকে নভোযান ডিপ ইম্পেক্ট উৎক্ষেপন করা হয়।

২০০৬ – সৌদী আরবের মিনায় মুসলমানদের বৎসরিক তীর্থ ‘হজ্জ্ব’ এর একটি আবশ্যকীয় কার্য ‘শয়তান-কে পাথর নিক্ষেপ’ করার সময় হুড়োহুড়িতে ৩৬২ জন নিহত।

২০১০ – হাইতি ভূমিকম্প ২০১০ সংগঠিত হয়, যাতে আনুমানিক ৩১৬,০০০ নিহত ও রাজধানী পোর্ট-অউ-প্রিন্স অধিকাংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৯৯ – রোম সম্রাট মাকসিমিলিয়ানের মৃত্যু হয়।

 

১৬৬৫ – পিয়ের দ্য ফের্মা, সপ্তদশ শতকের ফরাসি গণিতবিদ।

১৮২৯ – ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি।

 

১৯৩৩ – প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩৪ – (ক)  সূর্য সেন, মাস্টারদা নামে সমধিক পরিচিত ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব।

 

(খ) তারকেশ্বর দস্তিদার, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

 

১৯৭২ – গোলাম রহমান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

 

১৯৭৬ – রহস্য সাহিত্যের বিখ্যাত লেখিকা আগাথা কৃষ্টি ৮৫ বছর বয়সে ইংল্যান্ডে মৃত্যুবরণ করেন।

 

২০০৫ – অমরিশ পুরি, ভারতীয় অভিনেতা ও থিয়েটার শিল্পী।

২০১৩ – কানাডিয়ান আইনজীবী এবং বিচারক উইলিয়াম অ্যান্ড্রু ম্যাকে মৃত্যুবরণ করেন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১১ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক ফিত আস্টা বৈদালি দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – জেকব রোসেনফেল্ড, আন্তর্জাতিকতাবাদী যোদ্ধা।

১৯২১ -লেখিকা নীলিমা ইব্রাহিম।

 

১৯৩৪ – টোনি হোর, ইংরেজ কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯৩৮ – মীর শওকত আলী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

 

১৯৪১ – শেফালী ঘোষ, বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী।

১৯৪২ – আঞ্জুমান আরা বেগম, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৪৫ – সাইমন ড্রিং, আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী বৈদেশিক সংবাদদাতা, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং প্রতিবেদন নির্মাতা।

 

১৯৫৬ – ফিলিস লোগান, স্কটিশ অভিনেত্রী।

 

১৯৭১ – ম্যারি জে. ব্লাইজ, মার্কিন গায়িকা, গীতিকার, অভিনেত্রী ও মানবহিতৈষী।

 

১৮৪২ – উইলিয়াম জেম্‌স, মার্কিন অগ্রজ মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

 

১৮৫৯ – ব্রিটিশ রাজনীতিক লর্ড কার্জন, ভারতের সাবেক গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।

১৮৬৪ – এইচ. জর্জ সেলফরিজ, যুক্তরাজ্যের সেলফরিজ এন্ড কোং নামের চেইন স্টোরের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৬৬ – লক্ষ্মীনারায়ণ রায়চৌধুরী, ভারতীয় আলোকচিত্র শিল্পী।

১৮৬৮ – ছাই ইউয়ানফেই, চীনের আধুনিক শিক্ষাবিদ।

১৮৭৩ – হাইম বিয়ালিক, হিব্রু কবি।

 

১৮৮১ – মাখনলাল সেন অনুশীলন সমিতির সদস্য, বিপ্লবী, সাংবাদিক ও সম্পাদক।

১৭৫৫ – আলোজান্ডার হ্যামিলটন, মার্কিন রাজনীতিজ্ঞ।
১৫৫৪ -জাপানের কোমইয়ো।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – কিউবার গুয়ান্টানামো বে অবস্থিত মার্কিন নির্যাতন শিবিরে প্রথম বন্দিদের প্রেরণ করা হয়েছিলো।

২০০২ -বাংলাদেশের কূটনীতিক কিউএ এম এ রহিম সার্কের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯০৮ – গ্রান্ড ক্যানিয়ন জাতীয় সৌধ তৈরী করা হয়।

১৯২২ – মানবদেহে ডায়াবেটিস রোগের জন্য প্রথমবারের মতো ইনসুলিন ব্যবহার।

১৯২৬ – জেদ্দায় ইবনে সউদ কর্তৃক নিজকে হেজাজের বাদশাহ ঘোষণা করেন।

১৯২৮ – সোভিয়েত রাশিয়ার নেতা জোসেফ স্টালিন তৎকালীন বলশেভিক নেতা লিও ট্রটস্কিকে নির্বাসনে প্রেরণ করেছিলেন।

১৯৩৮ – চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ইয়াংসি নদী ব্যুরোর মুখপত্র ‘সিনহুয়া’ ডেইলি উহান শহরের হানখৌতে প্রকাশিত হয়।

১৯৭২- (ক) মঙ্গোলিয়া এবং পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

(খ) – বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন। এই ঘোষণা অনুযায়ী একটি গণপরিষদ গঠিত হয়।

১৯৭৬ – ইকুয়েডরে শান্তিপূর্ণ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।

১৯৭৯ – ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সবচেয়ে স্পর্শকাতর সময় চলছিলো।

১৯৯২ – আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট শাদলি বেনজাদিদ পদত্যাগ করেন।

১৮৪৬ – নন্দকুমার কবিরত্নের সম্পাদনায় পাক্ষিক ‘নিত্য ধর্মানুরঞ্জিতা’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৮৬৬ – অষ্টেলিয়া যাবার পথে জাহাজ ‘লন্ডন’ বিধ্বস্ত হয়ে ২৩১ জনের মৃত্যু।

১৮৭৯ – এ্যাংলো-জুলু যুদ্ধ শুরু।

১৭৫৯ – যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম জীবন বীমা কম্পানি যাত্রা শুরু করে।

১৭৭৯ – চিং-থাং কোম্বা মণিপুরের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৭৮২ – সিংহলের ত্রিংকোমালির কাছে ব্রিটিশের কাছে ডাচ বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।

১৬১৩ – মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে সুরাটে কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেন।

১৬৯৩ – ইতালির সিসিলিতে মাউন্ট এটনার অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট শক্তিশালী ভূমিকম্পে সিসিলি ও মাল্টায় ব্যপক ধ্বংসযজ্ঞ।
১১৫৮ – দ্বিতীয় ভ্লাদিস্লাভ বোহেমিয়ার রাজা হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৮ – এড্‌মান্ড হিলারি নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী।

২০১৪ – এরিয়েল শ্যারন, ইসরায়েলের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।

২০১৪ – মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশের বিচারপতি।

 

২০১৫- চাষী নজরুল ইসলাম, প্রখ্যাত বাঙালি চলচ্চিত্র পরিচালক।

২০২১ – বিশ্বের সাবেক এক নম্বর ব্যাটসম্যান কলিন ম্যাকডোনাল্ড।

 

২০২২ – মাহমুদুল হক, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

১৯২৮ – টমাস হার্ডি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

 

১৯৬৬ – লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী।

১৮৯১ – জর্জ ওউসমান, পারিসের পুনঃপরিকল্পক।

 


১৭৬২ – লুই ফ্রাঁসোয়া রুবিইয়ক, ফরাসি ভাস্কর।
১৫৫৪ – ডোমেনিকো ঘির্লানদাইয়ো, ইতালির শিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – প্রখ্যাত বাঙালি সরোদশিল্পী তিমিরবরণ ভট্টাচার্য।

 

১৯০৮ – বিনয় মুখোপাধ্যায় যাযাবর ছদ্মনামে সুপরিচিত বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯১০ – মোহাম্মদ নাসির আলী, বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যিক।

 

১৯৩০ – বাসু চ্যাটার্জী, ভারতের বলিউডের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৩৬ – রবার্ট উড্রো উইলসন, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৩৯ – সাল মিনেও, মার্কিন চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৪৫ – নূর হুসাইন কাসেমী, দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব।

 

১৯৪৮ – ডোনাল্ড ফাগেন,মার্কিন রক কিবোর্ডবাদক।

১৯৪৮ – তেরেসা গ্রাভেস, মার্কিন অভিনেত্রী এবং কৌতুকাভিনেত্রী।

১৯৪৮ – মিস্চা মায়স্ক্য়, লাতভীয় বাদ্যযন্ত্রকারী।

১৯৪৮ – উইলিয়াম স্যানডারসন, মার্কিন অভিনেতা এবং কৌতুকাভিনেতা।

 

১৯৫০ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৭০ – আলিসা মারিখ, সার্বীয় গ্রান্ডমাস্টার, দাবা।

১৯৭২ – ব্রায়ান ললার, মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা।

১৯৭৩ – গ্লেন রবিনসন, মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৪ – ঋত্বিক রোশন, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭৫ – জ্যাক ডেলোমি, মার্কিন ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭৬ – এডাম কেনেডী, মার্কিন বেসবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৮ – ব্রেন্ট স্মিথ, মার্কিন গায়ক, শাইনডাউন গানের দল।

 

১৯৮৪ – কাল্কি কেকল্যাঁ, ভারতে জন্মগ্রহণকারী ফরাসি অভিনেত্রী ও লেখিকা।

১৯৮৮ – মুহাম্মাদ আব্দুল আলিম, ভারতে জন্মগ্রহণকারী বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্রকর্মী।

 

১৮৮০ – গোপেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত গায়ক এবং সংগীতজ্ঞ।

১৮৮৩ – আলেক্সেই‌ নিকলাইয়েভিচ তল্‌স্তোয়, সোভিয়েত রুশ লেখক।

১৫৫৪ – সাইমন মারিয়াস, জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – ১০ জানুয়ারী ডাভি আন্তর্জাতিক টেবিল-টিনিস ভ্রাম্যমাণ প্রতিযোগিতা চীনের থিয়েচিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ – দশকের প্রথম ‘উল্ফ মুন এক্লিপ্স’।

১৯০১ – টেক্সাসে তেল শ্রমিকরা মহা ধর্মঘটে শামিল হয়।

১৯০১ – যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি এলাকায় খনন চালানোর সময় প্রচন্ড বেগে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বের হয়ে আসতে থাকে।

১৯২০ – লিগ অব নেশন্স প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯২০ -ভার্সাই চুক্তি কার্যকর হয়।

১৯২৩ – ফ্রান্স আর বেলজিয়ামের সৈন্যবাহিনী জার্মানীর লুয় অঞ্চল দখল করে।

১৯৪০ – বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়নের যুক্ত সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৬ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বৈঠক লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৮ – জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বমানবাধিকার দিবস ঘোষণা গৃহীত হয়।

১৯৫৭ – মেকমিলেন এডেনের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৬৪ – পানামা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৬৪ – চীন আর তিউনিসিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৮ – চাঁদে মহাশূন্য যানের পদাপর্ণ এবং পৃথিবীতে ছবি প্রেরণ শুরু হয়।

১৯৭২ – পাকিস্তানে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯৭৫ – ৫শ বছরের পর্তুগিজ শাসন থেকে এঙ্গোলার স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৭ – অগ্ন্যুৎপাতে জায়ারে ২ সহস্রাধিক লোকের মৃত্যু হয়।

১৮১১ – যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অরলেন্স অঙ্গরাজ্যে কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের এক বিদ্রোহ দমন করা হয়।

১৮১৫ – ব্রিটেনে সিলোনে (বর্তমান শ্রীলঙ্কা) ক্যান্ডির রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮২৪ – ব্রিটিশ নাগরিক জোসেপ অ্যাসপডিন এক জাতের সিমেন্ট তৈরি করেন।

১৮৩৯ – ভারত থেকে প্রথম যুক্তরাজ্যে চা আসে।

১৮৬১ – ফ্লোরিডা যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হয়।

১৮৬৩ – লন্ডনে প্রথম পাতাল রেল চালু হয়।

১৮৮৯ – আইভরি কোস্টের ওপর ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।

১৬১৬ – রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে হাজির হন।

১৬৪২ – রাজা প্রথম চার্লস সপরিবারে লন্ডন থেকে অক্সফোর্ডে পালিয়ে যান।

১৬৬৩ – ব্রিটেনের রাজা দ্বিতীয় চার্লস রাজকীয় আফ্রিকান উপনিবেশের সনদ মঞ্জুর করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৬ – ডেভিড বোয়ি, ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও অভিনেতা।

২০২০ – মোজাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশি চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

১৯০৮ – মহারাজা বাহাদুর স্যার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, ভারতীয় উপমহাদেশের অবিভক্ত বাংলার একজন বিদ্বোৎসাহী, নাট্যামোদী, শিল্পকলাপ্রেমী এবং মানবদরদী ব্যক্তিত্ব।

 

১৯১১ – শিশির কুমার ঘোষ, প্রখ্যাত জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও নাট্য রচয়িতা।

১৯৫১ – সিনক্লেয়ার লুইস, নোবেলজয়ী মার্কিন ঔপন্যাসিক, ছোটগল্প লেখক ও নাট্যকার।

১৯৫৭ – গ্যাব্রিয়েল মিস্ত্রাল, চিলির নোবেলজয়ী মহিলা সাহিত্যিক।

 

১৯৬৮ – রাধাবিনোদ পাল প্রখ্যাত বাঙালি আইনজ্ঞ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও “জাপান-বন্ধু ভারতীয়” নামে সুপরিচিত।

 

১৯৮২ – সুধীন দাশগুপ্ত, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার ও গায়ক।

১৯৮৬ – ইয়ারোস্লাভ সেইফের্ত, নোবেলজয়ী চেক কবি-সাংবাদিক।

১৮৬২ – শ্যামুয়েল কোল্ট, পিস্তল আবিষ্কারক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৯ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৯ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্রবাসী ভারতীয় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – সিমোন দ্য বোভোয়ার, ফরাসি দার্শনিক ও লেখিকা।

 

১৯১২ – রামকৃষ্ণ রায়, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

 

১৯১৩ – রিচার্ড নিক্সন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯২২ – হর গোবিন্দ খোরানা, নোবেল বিজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী ও অধ্যাপক।

১৯২৬ – সিডনি লততেরব্য, ব্রিটিশ টেলিভিশনের প্রযোজক ও পরিচালক।

 

১৯২৭ – ভারতীয় বিশিষ্ট গড়ওয়ালি পরিবেশবিদ এবং চিপকো আন্দোলনের নেতা সুন্দরলাল বহুগুণা।

১৯৩৩ – উইলবার এডিসন স্মিথ, জাম্বিয়ারবংশোদ্ভূত ইংরেজ সাংবাদিক ও লেখক।

১৯৪৪ – জিমি পেজ, ইংরেজ গিটার, গীতিকার ও প্রযোজক।

১৯৫৫ – জে. কে. সিমন্স, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

১৯৫৯ – রিগবারটা মেঞ্চু, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গুয়াতেমালার সমাজ কর্মী।

১৯৬৫ – ফারাহ খান, ভারতীয় অভিনেত্রী, পরিচালক ও নৃত্য পরিচালক।

১৯৭৪ – ফারহান আখতার, ভারতীয় অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭৮ – গেন্নারো গাতুসো, সাবেক ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮৫ – জুয়ান ফ্রান্সিসকো টরেস, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮৭ – লুকাস লেইভা, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

১৯৮৯ – নিনা ডব্রেভ, বুলগেরিয় বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান অভিনেত্রী ও গায়িকা

 

১৮৮৪ – সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়, সাহিত্যিক ও আইনজীবী।

 

১৮৯০ – ক্যারেল কাপেক, খ্যাতনামা চেক লেখক এবং নাট্যকার।

১৮৯৮ – ওয়ালয় বেকার, আমেরিকান মহা শতবর্ষবয়স্ক মানব।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) প্রধান পদে নির্বাচনে রুহি ফতোয়া জয়ী হন।

১৯১৫ – (ক)  আজকের দিনে মহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে ফিরে এসেছিলেন। সেই দিনটিকে স্মরণ করে প্রতি বছর এই তারিখে প্রবাসী ভারতীয় দিবস পালিত হয়।

(খ) ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনী গালিবুলি যুদ্ধে যোগ দেয়।

১৯১৭ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফিলিস্তিনের পাশে মিসর সীমান্তের কাছে রাফায় যুদ্ধ হয়।

১৯১৭ – যুদ্ধে রাশিয়ার যোগ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে রাশিয়ার বিভিন্ন শহরে ধর্মঘট পালন করা হয়।

১৯৪২ – জাপানের সৈন্যবাহিনী মালয়েসিয়ার রাজধানী কুয়ালালাপুর দখল করে।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মার্কিন বাহিনী ফিলিপাইনের লুজন আক্রমণ করে।

১৯৫১ – নিউইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ।

১৯৫৪ – সুদানে নিজস্ব সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

১৯৬০ – মিসরের নীল নদের উপর বিশ্ব বিখ্যাত আসোয়ান বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়।

১৯৬৪ – পানামায় মার্কিন পতাকা উড্ডয়নের জের হিসেবে পানামা খাল এলাকায় মার্কিন সৈন্য আর স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে ২১জন পানাম্যানিয়ন নিহত , ৪জন মার্কিন সৈন্য প্রাণ হারায়।

১৯৬৫ – পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

১৯৬৮ – মার্কিন মহাশূণ্যযান সার্ভেয়ার চাঁদে অবতরণ করে।

১৯৬৮ – সৌদি আরব, কুয়েত আর লিবিয়ার যৌথ উদ্যোগে আরব তেল দাতা দেশের সংস্থা ওপেক প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সংস্থার সদর দফতর কুয়েতে অবস্থিত।

১৯৮২ – মিশর ও ইজরাইল সিনাই থেকে ইজরালি সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয়।

১৯৮৩ – পানামার কংডাডোলা দ্বীপে কলিম্বিয়া, ভেলারিয়া, মেকসিকো আর পানামার পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক হয়। তাদের মধ্যে মধ্য আমেরিকার বিরোধের সম্পত্তি নিয়ে আলোচনা হয়।

১৯৮৯ – ব্রিটেনের মিল্যাণ বিমান কোম্পানির বোইং ৭৩৭ যাত্রীবাহী বিমান আকাশে উড্ডয়নের ১৭ মিনিটের পর মাটিতে ভূপাতিত হয়।

১৯৯১ – উপসাগরীয় যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত জেনেভা বৈঠক ব্যর্থ হয়।

১৯৯২ – বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বিভক্তি ভোটে সরকারি দলের পরাজয় ঘটে।

১৯৯৫ – ইরাক ও রাশিয়ার মধ্যে ‘পারমাণবিক চুল্লি’ কেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি হয়।

১৯৯৭ – শ্রীলঙ্কায় সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশ করে তামিল গেরিলারা ১৪২ সৈন্যকে হত্যা করে।

১৮১১ – প্রথম মহিলা গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

১৮১৬ – স্যার হামফ্রে ডেভির নিরাপত্তা বাতি সর্বপ্রথম কয়লার খনিতে ব্যবহৃত হয়।

১৭৫৭ – রবার্ট ক্লাইভ হুগলি দখল করেন।

১৭৬০ – বারারি ঘাটের যুদ্ধে আফগানরা মারাঠিদের পরাজিত করে।

১৭৭৬ – বিপ্লবী লেখক টমাস পেইনের ‘কমনসেন্স’ প্রকাশিত হয়।

১৭৯২ – তুরস্কের ওসমানিয়া সাম্রাজ্য এবং রাশিয়ার মধ্যে এক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৯৯ – নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য তহবিল গঠনের লক্ষ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট আয়কর ব্যবস্থা চালু করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – সুবিনয় রায়, প্রখ্যাত বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

২০১৩ – জেমস ম্যাকগিল বিউকানান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

২০১৪ – ডেল টমাস মর্টেনসেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

২০২২ – সাইফুদ্দাহার শহীদ, কম্পিউটারে বাংলা প্রচলনের পথিকৃত।

 

১৯১১ – এডুইন আর্থার জোনস, আমেরিকান সুরকার।

 

১৯২৩ – সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রথম ভারতীয় সিভিলিয়ান ও সাহিত্যিক।

 

১৯৪৪ – গোপেশ্বর পাল,ভারতীয় বাঙালি মৃৎশিল্পী।

১৯৪৫ – রবিন জর্জ কলিংউড, ইংরেজ দার্শনিক ও ঐতিহাসিক।

১৯৬০ – এলসি জে. অক্সএনহাম, ইংরেজ লেখক।

১৯৬১ – এমিলি গ্রিন বল্চ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৬৯ – প্রতিমা ঠাকুর,ঠাকুর পরিবারের লেখক, কবি, চিত্রশিল্পী ও নৃত্যবিশারদ।

১৯৭২ – দবির খাঁ, বীণকার ওস্তাদ।

 

১৯৭৩ – তৃতীয় নেপোলিয়ন, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

১৯৮৪ – জন ব্রাফে, ভারতবিদ্যা বিশেষজ্ঞ।

 

১৯৯২ – মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার।

 

১৯৯৪ – দেবেন শিকদার, কমিউনিস্ট নেতা।

১৯৯৮ – কেনিচি ফুকুই, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রসায়নবিদ।

১৮৪৩ – উইলিয়াম হেদলেয়, তিনি ছিলেন ইংরেজ প্রকৌশলী।

১৭৫৭ – বার্নার্ড লে বভিয়ের ডি ফন্টেনেলে, ছিলেন ফরাসি লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৭৯৯ – মারিয়া গায়েটানা আগ্নেসি, ছিলেন ইতালীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক।

১৬৯৩ – জব চার্নক, কলকাতা নগরীর পত্তনকারী।

১৩২৪ – মার্কো পোলো, ছিলেন ইতালিয়ান বণিক ও এক্সপ্লোরার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৮ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৫ – রাধাগোবিন্দ বসাক, বিশিষ্ট প্রাচ্যতত্ত্ববিদ, ভারতীয় লেখতত্ত্ব ও লিপিশাস্ত্রে সুপণ্ডিত।

 

১৯০৯ – আশাপূর্ণা দেবী, ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার ও শিশুসাহিত্যিক।

 

১৯২৪ – রন মুডি, ইংরেজ অভিনেতা, গায়ক, সুরকার এবং লেখক।

 

১৯২৬ – কেলুচরণ মহাপাত্র কিংবদন্তি ভারতীয় ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী, গুরু এবং ওডিশি নৃত্যের উদ্গাতা।

 

১৯৩৫ – সুপ্রিয়া দেবী, প্রবাদপ্রতিম ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

 

১৯৩৫ – এলভিস প্রেসলি, কিংবদন্তিতুল্য মার্কিন রক সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৪২ – স্টিভেন হকিং, ইংরেজ পদার্থবিদ।

 

১৯৪২ – জুনিচিরো কোইযুমি, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৪৫ – টেলি সামাদ, বাংলাদেশি কৌতুক অভিনেতা।

 

১৯৮৭ – সিনথিয়া আরিভো, ব্রিটিশ অভিনেত্রী, গায়িকা ও গীতিকার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৫৪ – ইউক্রেন রাশিয়ার সঙ্গে যোগ দেয়।

১৬৭৯ – ফরাসি নাবিক ও পর্যটক সিয়্যর দ্য লা সাল নায়গ্রা জলপ্রপাতে পৌঁছান।

১৭৮০ – ইরানের তেবরিজ শহরে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প। প্রায় ৮০,০০০ মানুষ নিহত হয়।

১৮০৬ – ব্রিটেন উত্তমাশা অন্তরীপ দখল করে নেয়।

১৮৬৭ – আফ্রিকান আমেরিকানরা ভোটাধিকার লাভ করে।

১৯১৬ – প্রধানত ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের সমন্বয়ে গঠিত মিত্র বাহিনী তুরস্কের বিরুদ্ধে তাদের গ্যালিওপোলি অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।

১৯১৮ – মার্কিন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন মার্কিন কংগ্রেসে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে উল্লিখিত চৌদ্দ দফার (fourteen points)-এর উপর ভিত্তি করে জার্মানি অস্ত্রসংবরণে সম্মত হয়।

১৯২৬ – বাদশা হোসেন বহিষ্কার। ইবনে সাউদ হেজাজের নতুন বাদশা। দেশের (হেজাজ) নাম পরিবর্তন করে সৌদি আরব করা হয়।

১৯৪০ – ব্রিটেনে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে চিনি মাখন ইত্যাদির রেশন শুরু।

১৯৫৯ – জেনারেল চার্লস দ্য গল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হন।

১৯৬৩ – প্রথমবারের মতো লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির বিখ্যাত পেইন্টিং মোনালিসা আমেরিকার ন্যাশনাল গ্যালারী অব আর্টে প্রদর্শন।

 

১৯৭২ – পাকিস্তানের কারগার থেকে বাঙ্গালী নেতা শেখ মুজিবকে মুক্তি দান, লন্ডনের উ্দ্দশ্যে যাত্রা করেন।

১৯৭৩ – সোভিয়াতের মহাশূন্য অভিযানের জন্য মহাশূন্যযান লুনি-২১ উৎক্ষেপিত।

১৯৭৭ – আর্মেনিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে জড়িত গোষ্ঠি রাশিয়াতে এক সাথে ৩৭ মিনিটের মাধ্যে তিন স্থানে বোমা হামলা চালায় এতে ৭ জন মারা যায়।

১৯৭৮ – ইরানের পবিত্র নগরী কোমে ইরানের তৎকালীন শাসক রেজা শাহের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে।

১৯৯৩ – সার্বীয় বন্দুকধারীদের গুলিতে বসনিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী নিহত।

১৯৯৬ – জায়ারে পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১ হাজার নিহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩২৪ – মার্কো পোলো, ভেনিসিয় পর্যটক ও বনিক।

১৮৫৮ – রসিককৃষ্ণ মল্লিক, ভারতীয় সামবাদিক, সম্পাদক ও সংস্কারক।

 

১৮৮৪ – কেশবচন্দ্র সেন ভারতের বাঙ্গালি ব্রাহ্মনেতা, বক্তা ও বাঙালি হিন্দু সমাজের অন্যতম ধর্মসংস্কারক।

 

১৯৩৪ – আন্দ্রে বেলি, রুশ দেশের একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক।

 

১৯৪১ – ভারত সেবশ্রম সংঘের প্রতিষ্ঠাতা স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজ।

 

১৯৫০ – জোসেফ শুম্পটার, প্রভাবশালী অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।

 

১৯৬৬ – বিমল রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক ।

 

১৯৭২ – কৃষ্ণদয়াল বসু, বাংলার প্রখ্যাত শিশু-সাহিত্যিক।

 

১৯৮৩ – সত্যরঞ্জন বকসি , স্বাধীনতা সংগ্রামী ও নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর সহযোগী।

 

১৯৯২ – জাফর ইকবাল, বাংলাদেশী অভিনেতা।

 

২০১৩ – নির্মল সেন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

কথাসাহিত্য লেখিকা নিরুপমা দেবী’র প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা।

কথাসাহিত্য লেখিকা নিরুপমা দেবী ৭ মে, ১৮৮৩ সালে পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে জন্মগ্রহণ করেন  । তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল শ্রীমতী দেবী। নিরুপমা দেবীর পিতা নফর চন্দ্র ভট্ট, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী ছিলেন। তিনি বাড়িতে শিক্ষিত হয়েছিলেন।

 

সাহিত্যকর্ম——–

 

নিরুপমার অকাল বৈধব্যের পর, তিনি বড় ভাই বিভূতিভূষণ ভট্ট এবং কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় সাহিত্য সাধনা শুরু করেন।  বিভূতিভূষণ ও শরৎচন্দ্র সম্পাদিত হাতেলেখা পত্রিকায় তাঁর সাহিত্যকর্মের পাণ্ডুলিপি প্রকাশিত হয়।  শরৎচন্দ্র তাঁকে গদ্য রচনায় অনুপ্রাণিত করেন এবং অনুরূপা দেবী গল্প রচনায় অনুপ্রাণিত করেন।  তাঁর প্রথম উপন্যাস ”উচ্ছৃঙ্খল”।  স্বদেশী যুগে তাঁর রচিত অনেক গান ও কবিতা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দাম্পত্য জীবনের অন্তর্দ্বন্দ্ব  তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।  ১৯১৯-২০ খ্রিস্টাব্দে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘দিদি’ তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।নিরুপমা দেবীর একাধিক উপন্যাস চলচ্চিত্রায়িত ও মঞ্চে অভিনীত হয়েছে। অন্যান্য রচনার মধ্য রয়েছে:—যুগান্তরের কথা, অনুকর্ষ, দেবত্র, পরের ছেলে, অন্নপূর্ণার মন্দির , দিদি , আলেয়া, বিধিলিপি, শ্যামলী, বন্ধু, আমার ডায়েরি, ।

 

 

 

পুরস্কার———-

 

সাহিত্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩৮ সালে ‘ ভুবনমোহিনী দাসী স্বর্ণপদক’ এবং ১৯৪৩ সালে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ লাভ করেন নিরুপমা দেবী।

 

মৃত্যু—

 

৭ জানুয়ারী, ১৯৫১ সালে তিনি প্রয়াত হন।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৭ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) গণহত্যা দিবস- কম্বোডিয়া।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – বিমানবিহারী মজুমদার, ভাগবতরত্ন, বাঙালি সাহিত্যিক ও গবেষক।

 

১৯২৯ – টেরি মুর, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯৪৮ – কেন্নি লগ্গিনস, আমেরিকান রক গায়ক।

 

১৯৪৮ – ইচিরো মিযুকি, জাপানি কন্ঠ অভিনেতা।

 

১৯৬৪ – নিকোলাস কেজ, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৬৭ – ইরফান খান, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭১ – জেরেমি রেনার, মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৭৯ – বিপাশা বসু, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৮২ – রুথ নেগা, ইথিওপীয়-আইরিশ অভিনেত্রী।

১৯৯১ – এদেন আজার, বেলজিয়ামের ফুটবল খেলোয়াড়।

১৮০০ – মিলার্ড ফিলমোর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫১ – জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ার্সন, প্রাচ্যতত্ত্ববিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক।

১৮৭৩ – শার্ল পিয়ের পেগি, ফরাসি কবি ও সমাজতন্ত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১১ – বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর-দিনহাটা সীমান্তের খিতাবেরকুঠি এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর সদস্যরা ফেলানী খাতুন নামের এক কিশোরীকে গুলি করে হত্যা করে।

 

১৯২৪ – আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯২৭ – প্রথম ট্রান্সআটলান্টিক টেলিফোন সার্ভিস প্রতিষ্ঠিত। নিউ ইয়র্ক থেকে লন্ডন সংযোগের মাধ্যমে এটার কাজ শুরু হয়।

১৯৩০ – ডিজেল ইঞ্জিন চালিত প্রথম অটোমোবাইলের সফল যাত্রা সম্পন্ন হয়।

১৯৩৫ – ভারতীয় জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমী পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪০ – শীতকালীন যুদ্ধ: ফিনিস নবম ডিভিসন ফিনল্যান্ড আক্রমনকারী সোভিয়েত বাহিনীকে সম্পূর্ণ রূপে ধ্বংস করে দেয়।

১৯৪২ – বিশ্বজুড়ে চলাচলকারী প্রথম বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে প্যান আমেরিকান এয়ারলাইন্স।

১৯৪৫ – তৎকালীন জেনারেল ফিল্ড মার্শাল র্বানাড মন্টেগোমারী সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটল অব বুলাগ জয়ের মূল কৃতিত্ব দাবী করেন।

১৯৫২ – আমেরিকান প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুমেন হাইড্রোজেন বোমা তৈরির কথা জানান।

১৯৫৯ – আমেরিকা কিউবার ফিদেল কাস্ত্রোর নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৬৮ – বৈরুত বিমান বন্দররে ইসরাইলীকমান্ডো হামলার পর লেবানন সরকারের পদত্যাগ।

১৯৭৮ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আটক হাঙ্গেরির পবিত্র ক্রাউন হিসেবে খ্যাত ক্রাউন অব সেন্ট স্টিফেনের হাঙ্গেরিতে প্রত্যাবর্তন।

১৯৮৪ – ব্রুনাই আসিয়ানের ৬ষ্ঠ সদস্যপদ গ্রহণ করে।

১৯৮৬ – লিবিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়।

১৯৮৬ – মিশরের সিনাই মরুভূমি এলাকার একটি বন্দীশিবিরে পুলিশ কর্মকর্তা সোলাইমান খাতের নিহত হন।

১৯৮৯ – জাপানি সম্রাট হিরোহিতোর মৃত্যুর পর আকিহিতো জাপানের নতুন সম্রাট নির্বাচিত হন।

১৯৮৯ – আকিহিতো, জাপানি সম্রাট হিরোহিতোর মৃত্যুর পর জাপানের নতুন সম্রাট নির্বাচিত হন।

১৯৯৩ – বসনিয়া যুদ্ধ: বসনিয়ার সেনাবাহিনী ক্রাভিকের স্রেব্রেনিচা গ্রামে আৎসিক অভিযান পরিচালনা করে।

১৯৯৫ – ফিলিপাইনের ম্যানিলায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে রাসায়নিক দ্রব্য থেকে সৃষ্ট আগুনের সূত্র ধরে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা প্রজেক্ট বোজিনকা এর পরিকল্পনা ফাঁস।

১৯৯৮ – ১৫০ বছরের নির্যাতন-নিপীড়নের জন্যে দেশের আদিবাসীদের কাছে কানাডা সরকারেরর ক্ষমা প্রার্থনা।

১৯৯৯ – ১৩০ বছরের মধ্যে প্রথম মার্কিন সিনেটে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বিরুদ্ধে ইমপিচ বিচার শুরু।

১৮২৯ – ভারতীয়রা এশিয়াটিক সোসাইটির সভ্য হওয়ার অনুমতি লাভ করে।

১৮৩৮ – স্যামুয়েল মোর্স প্রথমবারের মতো তার ইলেক্ট্রনিক টেলিগ্রাফের পরীক্ষা চালান।

১৮৬৬ – কলকাতায় প্রথম আদমশুমারি শুরু হয়।

১৭৬১ – ভারতের পানি পথে আফগানের সঙ্গে মারাঠাদেও পরাজয়।

১৭৮২ – আমেরিকার প্রথম কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক অব নর্থ আমেরিকা চালু।

১৭৮৫ – ফ্রান্সের জন ব্যাল্ন্চার্ড ও আমেরিকার জন জেফার ইংল্যান্ডের ডোভার থেকে ফ্যান্সের ক্যালাস পর্যন্ত গ্যাস বেলুনে উড়ে যান।

১৭৮৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৭৯৭ – বর্তমান ইতালির পতাকা প্রথম ব্যবহার করা হয়।

১৬১০ – গ্যালিলিও গ্যালিলি প্রথম তার আবিস্কৃত চারটি চাঁদকে পর্যবেক্ষণ করেন।

১৫৫৮ – সিপাহি বিদ্রোহে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহর বিচার শুরু।

১৫৫৮ – ব্রিটেনের কাছ থেকে ফ্রান্সের কার্লাইস দখল।

১৪৫০ – গালানগো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৬ – মুফতি মুহাম্মদ সাইদ, জম্মু কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০২২ – প্রশান্ত ভট্টাচার্য, বাংলার যাত্রাজগতের কিংবদন্তি সুরকার ও গায়ক।

 

১৯৪৩ – নিকোলা টেসলা, বিখ্যাত সার্বিয় – মার্কিন আবিষ্কারক, পদার্থবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী।

 

১৯৫১ – নিরূপমা দেবী, মহিলা ঔপন্যাসিক।

 

১৯৭২ – যোগেশচন্দ্র বাগল, প্রাবন্ধিক ও গবেষক।

 

১৯৮৪ – (ক) আঙুরবালা, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী ও মঞ্চাভিনেত্রী।

 

(খ) আলফ্রেড কাস্টলার, নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ।

১৯৮৬ – মিশরের সিনাই মরুভূমি এলাকার একটি বন্দীশিবিরে পুলিশ কর্মকর্তা সোলাইমান খাত ।

 

১৯৮৯ – হিরোহিতো, জাপান সম্রাট।

 

১৯৯৮ – রিচার্ড হ্যামিং, মার্কিন গণিতবিদ ও কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

১৪১৬ – দরবেশ নূর কুতুবুল আলম।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

৬ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৬ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বাংলাদেশ কৃষি শুমারী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪১২ – জোন অব আর্ক, পরাধীন ফ্রান্সের মুক্তিদাত্রী বীরকন্যা।

 

১৭০৬ – বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, মার্কিন লেখক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ও কূটনীতিবিদ।

 

১৮৫১ – অম্বিকাচরণ মজুমদার, বাঙালি রাজনীতিবিদ,আইনজীবী, সমাজসেবী এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

 

১৯১৩ – লরেট্টা ইয়াং, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৩১ – গ্রেইম হোল, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৩৬ – বশীর আল-হেলাল, একজন বাংলাদেশী লেখক, কথা সাহিত্যিক এবং ঔপন্যাসিক।

১৯৪৩ – সাবেক যোগাযোগ ও তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

১৯৫৪ – অ্যান্টনি মিনজেলা, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৫৫ – রোয়ান অ্যাটকিনসন, ব্রিটিশ লেখক, অভিনেতা এবং কৌতুকাভিনেতা।

 

১৯৫৯ – কপিল দেব, ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম অলরাউন্ডার।

 

১৯৬৭ – এ আর রহমান, একজন ভারতীয় তামিল প্রবল জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৭৩ – রুদ্রনীল ঘোষ, একজন ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা

১৯৮২ – এডি রেডমেইন, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৬ – ইরিনা শায়ক, রুশ মডেল এবং অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৩৮- হাতে কলমে টেলিগ্রাফের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেন স্যামুয়েল মোর্স।

১৯৫০ – ব্রিটেন কমিউনিস্ট চীনকে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৭২ – মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইরাস ভ্যান্স হাঙ্গেরীয় হাজার বছরের প্রতীক সেন্ট স্টিফেনের মুকুট হাঙ্গেরীকে ফিরিয়ে দেয়।

১৯৯৬ – যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিসহ পূর্ব উপকূলে মারাত্মক তুষার ঝড়ে ১৫৪ জন নিহত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় তিনশ কোটি ডলার।

২০০১ – জর্জ ডব্লিউ বুশকে মার্কিন কংগ্রেস কর্তৃক নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা।

২০২০ – ২০০ বছর পর আমেরিকার কংগ্রেসের ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে (মার্কিন পার্লামেন্ট) ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিস্টোরিকাল সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ১৮১২ সালের যুদ্ধের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটলে এই ধরনের আগ্রাসন হল। ১৮১৪ সালে ওয়াশিংটনে অভিযান চালানের সময় ব্রিটিশ বাহিনী নির্মাণাধীন ক্যাপিটল ভবনে আগুন জালিয়ে দেয়। প্রায় ২০০ বছর পর এ হামলা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৫২ – লুই ব্রেইল, অন্ধদের শিক্ষা পদ্ধতির প্রবর্তক।

 

১৮৮৪ – গ্রেগর ইয়োহান মেন্ডেল,অস্ট্রিয় ধর্মযাজক ও বংশগতির প্রবক্তা।

 

১৯১৮ – গেয়র্গ কান্টর, একজন জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।

 

১৯১৯ – থিওডোর রুজ্‌ভেল্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৭১ – প্রতুল চন্দ্র সরকার পি সি সরকার নামে সুপরিচিত ভারতের প্রখ্যাত জাদুকর।

 

১৯৮০ – দিলীপকুমার রায়, বাঙালি সংগীতজ্ঞ, সংগীতালোচক, গীতরচয়িতা, সুরকার ও গায়ক।

 

১৯৮৯ – সৎবন্ত সিংহ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধির দেহরক্ষী, হত্যাকারী।

 

২০০৪ – সুমিতা দেবী, বাংলাদেশের প্রথিতযশা চলচ্চিত্র শিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This