Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ  ।

 

সোনমার্গ বা সোনামার্গ যার জন্য দাঁড়ায় সোনার তৃণভূমি জম্মু ও কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় অবস্থিত একটি হিল স্টেশন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিস্ময়কর। এখানে, আপনি প্রকৃতির বিস্ময় অন্বেষণ করতে পাবেন। চমত্কার কনিফার গাছগুলি পুরো পর্বতকে উজ্জ্বল করে তোলে। তুষার যা পাহাড়ের সুন্দর বাদামী রঙকে ঢেকে দেয় তা আশ্চর্যজনকভাবে অন্বেষণ, লালন এবং অভিজ্ঞতার জন্য মনোরম দৃশ্য তৈরি করে।

 

শ্রীনগর থেকে ৮২ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কাশ্মীর এর আর এক স্বর্গ সোনমার্গ। এপ্রিল মে মাসে সোনমার্গ তার রূপের ডালি উজাড় করে দেয় পর্যটকদের কাছে। শ্রীনগর থেকে সোনমার্গ যেতে পথে পড়বে গান্দেরবল, কঙ্গন, গুন্দ প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাহাড়ি জনপদ। আর পুরো পথটাই সাথে থাকবে দামাল সিন্ধুনদ। পাইন, ফার, বার্চ আর দূর দুরান্তের পাহাড়শ্রেণীর শোভা দেখতে দেখতে আপনি মোহিত হয়ে পড়বেন। চারপাশে পাহাড় আর সোনালি ঘাসে ঢাকা সোনমার্গ নিয়ে জনশ্রুতি রয়েছে যে এই উপত্যকার কোথাও এক কুপ আছে জার জলে সোনালি রঙ ধরে উপত্যকায়। এই জন্য নাম সোনমার্গ অর্থাত্‍ সোনালী উপত্যকা। সোনমার্গ থেকে পায়ে পায়ে বা ঘোড়ায় চেপে পৌঁছে যাওয়া যায় খাজিয়ার হিমবাহের কোলে। শীতের সময় এখানে বরফ নিয়ে মেতে ওঠে সবাই।

 

সোনমার্গ এর দর্শনীয় স্থানসমূহ–

 

সোনমার্গ অন্যতম কাশ্মীরে দেখার জন্য সেরা জায়গা. সোনমার্গের কাছে আপনি যে পর্যটন স্থানগুলি ঘুরে দেখতে পারেন তার তালিকা এখানে রয়েছে।

১. থাজিওয়াস হিমবাহ

সোনমার্গ যার অর্থ ‘সোনার তৃণভূমি’ অনায়াসে তার আকর্ষণ বহন করে। তুষারে পূর্ণ হওয়ায়, এই হিমবাহটি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি জম্মু ও কাশ্মীর. শহর থেকে 3 কিমি দূরে অবস্থিত এবং আনুমানিক 9,186 ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, এই স্থানটি তার মনোরম কাশ্মীর উপত্যকা সহ তুষার এর কবজ দেখার জন্য বেশ মনোরম।

২. জোজি-লা-পাস

এই সুন্দর পাসটিই কাশ্মীর উপত্যকাকে একত্রিত করে লাদাখ. জোজি-লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,528 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই জায়গাটি অভিজ্ঞতার জন্য অবিশ্বাস্য এবং আপনার প্রিয়জনদের সাথে লালন-পালন করে।

৩. বিষনসার লেক

সোনমার্গের একটু বাইরে অবস্থিত, এই হ্রদের ফিরোজা নীল জল রূপালী পাহাড়ের সাথে একটি সবুজ তৃণভূমি দ্বারা বেষ্টিত। এই পর্বতগুলি একটি উত্তেজনাপূর্ণ দূরত্বে অবস্থিত। আপনার প্রিয়জনের সাথে কিছু আশ্চর্যজনক স্মৃতি উপভোগ করার ক্ষেত্রে এটি বেশ দুর্দান্ত জায়গা।

৪. হোয়াইট রিভার রাফটিং

এটা কোনো অ্যাডভেঞ্চার রাইডের চেয়ে কম নয়। এই রাইডটি আপনাকে একটি অ্যাড্রেনালিন রাশ দিতে যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। এবং এই কার্যকলাপ সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ কি পছন্দ করে. আপনি একটি দীর্ঘ র‌্যাফটিং অভিযানে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করতে পারেন যা শুরু হয় বালতাল এবং সোনমার্গে অবস্থিত শুটকারি ব্রিজে শেষ হয়।

৫. নীলাগ্রাদ নদী

এটি তার নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত এবং এই কারণেই এটি অত্যন্ত সম্মানিত। প্রতি রবিবার প্রচুর স্থানীয় মানুষ এখানে আসেন শুধু এর পবিত্র জলে স্নান করতে।

৬. কৃষ্ণসার লেক

কৃষ্ণসার হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,801 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এখানকার মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করে। ঘন আলপাইন দ্বারা বেষ্টিত, এই জায়গাটি একটি খুব শীতল এবং মনোরম পরিবেশ রয়েছে। লোকেরা মাছ ধরার জন্য এবং দুঃসাহসিক জলের ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করার জন্য প্রায়শই এই জায়গায় আসে।

 

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়—

সোনমার্গ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় মার্চ – নভেম্বর। এটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় রূপ নেয় এপ্রিল-মে মাসে। তবে যারা স্নোফল দেখতে কাশ্মীর যেতে চান তাদের জন্যে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি উত্তম। কারন এ সময়টায় কাশ্মীরে সব থেকে বেশী স্নোফল পাবার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে, সার্বিক তাপমাত্রা দর্শনীয় কার্যকলাপের জন্য বেশ মনোরম।

 

সোনমার্গ কিভাবে যাবেন—-

যদি অফবীট জায়গা গুলো আপনার ভ্রমণ লিস্টে না থাকে তাহলে শ্রীনগর থেকে দিনে দিনে সেরে নিতে পারেন সোনমার্গ ভ্রমণ। তবে পথের শোভা উপভোগ করতে হলে এ পথে নিজস্ব গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভালো। মারুতি ওমনি ভাড়া পাওয়া যায়। টাটা সুমোও রয়েছ কারগিলগামী শেয়ার সুমোও যাচ্ছে এ পথে।

 

কোথায় থাকবেন—

সোনমার্গে থাকবার সেরা জায়গা জম্মু কাশ্মীর পর্যটনের ট্যুরিস্ট হাটে, এছাড়া হোটেল রয়্যাল, হোটেল স্নো ল্যান্ড, হোটেল পিকস, রয়েছে।

 

সোনমার্গের ইতিহাস—-

 

ঐতিহাসিক লেন্স থেকে দেখলে, আমরা জানতে পারি যে প্রাচীন কাল থেকেই সোনামার্গ ভারতীয় ইতিহাসের বর্ণনায় একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে, কারণ এটি সিল্ক রোডের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত ছিল যা কাশ্মীর ভূমিকে সংযুক্ত করেছিল। গিলগিট হয়ে চীন ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সোনমার্গ, যা তখন কাশ্মীরের একটি স্থানীয় শহর ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। আজ, এই জায়গাটি অমরনাথ মন্দির এবং লাদাখ অঞ্চলের মতো কাছাকাছি অবস্থিত পর্যটন এলাকার জন্য বেস ক্যাম্প হিসাবে পরিচিত।

 

 

 

।।তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২২ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  সশস্র বাহিনী দিবস ভিয়েতনাম

(খ) মা দিবস ইন্দোনেশিয়া

(গ) জাতীয় গণিত দিবস, ভারত

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৪৮ – মেরি আর্চার, ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।

 

১৯৮৩ – জেনিফার হকিংস, মিস ইউনিভার্স ২০০৪।

 

১৮৫৩ – সারদা দেবী, ঊনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পত্নী ও সাধনসঙ্গিনী এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সংঘজননী।

 

১৮৫৭ – বাঙালি চিকিৎসক, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং লেখক সুন্দরীমোহন দাস।

 

১৮৮৭ – শ্রীনিবাস রামানুজন, প্রতিভাবান ভারতীয় গণিতবিদ।

 

১১৭৮ – জাপানের সম্রাট আনটুকু।

 

১৮০৪ – বেঞ্জামিন ডিজরেলি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৩৭ – চালু হয় লিংকন টানেল।

১৯৩৯ – জার্মানিতে ট্রেন দুর্ঘটনায় ১২৫ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৪২ – কলকাতায় জার্মানিদের বিমান আক্রমণ।

১৯৪৪ – ভিয়েতনাম পিপলস পার্টি প্রতিষ্ঠিত।

১৯৫৬ – ফ্রান্স এবং বৃটেন, মিশরের পোর্ট সাঈদ বন্দর থেকে তাদের ৫০ দিনের দখলদারিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটায় এবং তাদের সেনাদেরকে মিশর থেকে সরিয়ে নেয়।

১৯৫৮ – দ্য গোল্লে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৬৫ – বেলজিয়াম সরকার ছয়টি কয়লাখনি বন্ধ করে দেয়।

১৯৭১ – কুর্ট ওয়াল্ডহেইম জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত।

১৯৭১ – বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭১ – বাংলাদেশের মন্ত্রী পরিষদ মুজিবনগর থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত। প্রধানমন্ত্রী হন তাজউদ্দিন আহমদ।

১৯৭২ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

১৯৮৬ – সিলেটের হরিপুরে তেল খনি আবিষ্কার।

১৯৮৮ – স্কটল্যান্ডের লকারবিতে প্যান আমেরিকান জাম্বো জেট বিমান বিধ্বস্ত। ২৫৯ জন নিহত।

১৯৮৯ – রুমানিয়ার রাষ্ট্রপতি চসেস্কু ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯৩ – দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণ বৈষম্য বিলোপ করে নতুন সংবিধান অনুমোদন।

১৯৯৫ – ইসরাইলি বাহিনীর বেথলেহেম ত্যাগ। প্যালেস্টাইনি শাসন কায়েম।

১৮১০ – ইংলিশ ফ্রিগেড মিনোটর ডুবে যায়।

১৮৫১ – ভারতে প্রথম মালবাহী ট্রেন চালু হয়।

১৮৬৯ – মহারানী ভিক্টোরিয়ার দ্বিতীয় পুত্র প্রিন্স আলফ্রেডের কলকাতায় আগমন।

১৭১৬ – ইংল্যান্ডে প্রথম মুকাভিনয় অনুষ্ঠিত।

১৬৯৩ – ইতালির দক্ষিণে অবস্থিত সিসিলা দ্বীপে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৫৮ – তারকনাথ দাস, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী।

 

১৯৬৫ – পল্লীগীতি ও নজরুলগীতির খ্যাতিমান গায়ক গিরীন চক্রবর্তী।

 

১৯৮৬ – কথাশিল্পী সরদার জয়েন উদ্দীন।

 

১৯৮৭ – চীনের দাবা মাস্টার সিয়ে সিয়াসুয়েন।

 

১৯৮৯ – নোবেলজয়ী [১৯৬৯] আইরিশ সাহিত্যিক স্যামুয়েল বেকিট।

 

১৯৯১ – মির্জা নূরুল হুদা, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১৯৯২ – চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের ফিল্ড মার্শাল গণেশ ঘোষ।

 

১৯৯৫ – কমিউনিস্ট নেতা আবদুল হক।

১৮৮০ – ইংরেজ ঔপন্যাসিক,সাংবাদিক, অনুবাদক জর্জ ইলিয়ট।

 

১৭৯৭ – রাজা নবকৃষ্ণ দেব,কলকাতার শোভাবাজার রাজ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও কলকাতায় প্রথম দুর্গাপূজার সূচনাকারী।

১৬৬৬ – ইতালিয় চিত্রশিল্পী গুয়েরচিনো।

 

১৬৬৮ – ইংরেজ চিত্রকর স্টিফেন।

১৫৭২ – ফরাসি চিত্রশিল্পী ফ্রাঁসোয়া কো।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

জন্মদিবসে স্মরণে, বাঙালি ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী তারকনাথ দাস।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল বহু মানুষের কঠোর পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। হিন্দু মুসলিম সকল শ্রেণীর মানুষ এই মুক্তির আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিলেন। আর তাঁদের সেই বলিদনের ইতিহাসে অনেকের কথাই অজানা। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়। এই অন্দোলনে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে  তারকনাথ দাস প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন। তারকনাথ দাস ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে। তারকনাথ দাস ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম বিপ্লবী নেতা এবং একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী। তারকনাথ দাসের প্রধান অবদান প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন হিন্দু-জার্মান ষড়যন্ত্রের প্রস্থাপনা।

 

তারাকানাথ দাস ১৮৮৪ সালের ১৫ জুন চব্বিশ পরগনার মাঝিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পিতার নাম কালীমোহন দাস।  স্কুল ছাত্র থাকাকালীনই তিনি রাজনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন।  ১৯০১ সালে, কলকাতার আর্য মিশন ইনস্টিটিউশন থেকে প্রবেশিকা পাশ করার পর, তিনি কিছুকাল কলেজে অধ্যয়ন করেন।  ছাত্র অবস্থায় উত্তর ভারতে বিপ্লবী রাজনীতির প্রচার করতে গিয়ে পুলিশের নজরে আসেন তিনি।

 

গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি ১৯০৫ সালে জাপান এবং পরের বছর আমেরিকা চলে যান।  আমেরিকার ফ্রি হিন্দুস্তান পত্রিকার মাধ্যমে প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবী ও গদর পার্টির কর্মীরা যোগাযোগের চেষ্টা করেন।  ১৯১১ সালে তিনি ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন এবং কাজে যোগ দেন এবং ১৯১৬ সালে তিনি বার্লিন কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে চীন ভ্রমণ করেন।  আমেরিকায় ভারতীয় বিপ্লবী কার্যকলাপের জন্য তিনি ২২ মাস কারাবরণ করেন।  বিপ্লবী কাজের পাশাপাশি পড়াশোনা করেছেন।  ১৯২৪ সালে, তিনি তার পিএইচ.ডি.  জর্জ টাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক আইন’ বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

তারকানাথ দাস পিএইচডি করার পর নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন১৯২৪ সালে। বিবাহ করেন আমেরিকান মহিলা মেরি কিটিং মোর্স কে।  যাইহোক, ১৯২৫-৩৪ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপে থাকার সময়, তিনি ভারতীয় ছাত্রদের বিজ্ঞানে উচ্চ শিক্ষার সুবিধা দেওয়ার জন্য নিজের প্রচেষ্টায় ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট তৈরি করেছিলেন।  আর এই উদ্দেশ্যেই তারাকানাথ দাস ফাউন্ডেশনের অস্তিত্ব।  ফাউন্ডেশনটি ১৯৩৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত হয়েছিল। ১৯৫০ সালে, কলকাতায় একটি শাখা রেজিস্ট্রিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

 

রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের মডার্ন রিভিউতে প্রবন্ধ লিখতেন।  ১৯৩৫ সালে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটিতে দেওয়া ‘ফরেন পলিসি ইন ফার ইস্ট’ বিষয়ক একটি বক্তৃতা একটি সাড়া জাগিয়েছিল, যা পরে একটি বইতে প্রকাশিত হয়েছিল।  তার কাজের মধ্যে রয়েছে——

 

তার রচিত গ্রন্থগুলির মধ্যে——

ইন্ডিয়া ইন ওয়ার্ল্ড পলিটিকস ও বাংলায়

বিশ্ব রাজনীতির কথা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

১৯৫৮ সালে ২২ ডিসেম্বর তিনি নিউইয়র্কে মারা যান।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, কিংবদন্তি বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী – প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় হলেন ভারতের একজন প্রখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক ও গীতিকার। তিনি গানকে ভালোবেসেছিলেন, ভালোবাসতেও শিখিয়েছিলেন। বাংলা রবীন্দ্রপরবর্তী যুগে বাংলা গানের জগতে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গানের স্বর্ণযুগের সেতুবন্ধন হয়েছিল। ‘বধূয়া আমার চোখে জল এনেছে’, ‘এ কোন সকাল রাতের চেয়ে অন্ধকার’ তাঁর বিখ্যাত গানগুলোর মধ্যে অন্যতম৷ ২০১৩ সালে তাঁকে রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি থেকে জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। তাঁর এই সৃষ্টি বাঙালির তথা বাংলা গানের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে ও থাকবে।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি—

১৯৩৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর অবিভক্ত বাংলার চুঁচুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। আট ভাইয়ের মধ্যে জটিলেশ্বর সবচেয়ে ছোট। দাদারা অনেকেই ভালো গান গাইতেন । গান গাওয়ার পেছনে তাঁর অনুপ্রেরণা মা অন্নপূর্ণা ও দাদা কপিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ১৯৫৫ সালে প্রথম আকাশবাণীতে গান গাওয়ার সুযোগ পান জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়। ১৯৭৪ সালে তাঁর রেকর্ড করা ‘এ কোন সকাল’ গানটি আজো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা দুরবস্থার কথা তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয়।

সঙ্গীত চর্চা—

 

সতীনাথ মুখোপাধ্যায়, চিন্ময় লাহিড়ী ও সুধীন দাশগুপ্তের কাছ থেকে তিনি সঙ্গীতের শিক্ষা নেন।১৯৬৩ সালে মেগাফোন থেকে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম গানের ‘রেকর্ড’। তাঁর প্রথম রেকর্ড সুর ও কথা ছিল সুধীন দাশগুপ্তের। এরপর ১৯৬৪ সালে সলিল চৌধুরীর কথা ও সুরে মেগাফোন থেকেই বের হয় তাঁর দ্বিতীয় রেকর্ড, সেই বিখ্যাত গান ‘পাগল হাওয়া’। এর পর মেগাফোন, এইচএমভি থেকে নিয়মিত প্রকাশিত হতে শুরু করে তাঁর গাওয়া গান।  বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগে অন্য মাত্রা যোগ করে তাঁর কণ্ঠ ও সঙ্গীতারোপের কুশলতা। তাঁর জনপ্রিয় সৃষ্টির মধ্যে অন্যতম ”কেউ বলে ফাগুন/ কেউ বলে পলাশের মাস..”, ”আমার স্বপন কিনতে পারে”, ”আহা ভালোবেসে এই বুঝেছি”, ”এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার”, ”কাঁদে গো শচীমাতা নিমাই নিমাই”, ”যদি সত্যিই আমি গান ভালোবেসে থাকি”..প্রভৃতি।

পুরস্কার ও সম্মাননা—

 

২০১৩ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি কর্তৃক জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ পদকে ভূষিত হন। এছাড়াও তিনি সেরা সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন ‘দামু’ ও ‘নটী বিনোদিনী’ চলচ্চিত্রে সুরারোপ করে।

মৃত্যু—

২১ ডিসেম্বর ২০১৭সালে তিনি প্রয়াত হন। মৃত্যু কালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মাল্টি-অরগ্যান ফেলিওর হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।

।।তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৭ – নোবেলজয়ী [১৯৭২] জার্মান ঔপন্যাসিক হাইনরিখ ব্যোল।

 

১৯১৮ – অস্ট্রিয়ার প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের মহাসচিব কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইন।

 

১৯২৮ – বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী,বিজ্ঞানলেখক ও মানবাধিকার কর্মী অজয় রায়।

 

১৯৩২ – আমীন সায়ানি,খ্যাতনামা ভারতীয় বেতার উপস্থাপক তথা রেডিও ঘোষক।

 

১৯৩৪ – প্রতিমা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি নেপথ্য সঙ্গীত শিল্পী ও বাংলা আধুনিক গানের জনপ্রিয় গায়িকা।

 

১৯৭৯ – সোভিয়েত নেতা ও রাষ্ট্রপ্রধান জোসেফ স্তালিন।

 

১৯৭৫ – শ্রীজাত বাঙালি কবি, ঔপ্যন্যাসিক, গীতিকার ও সুরকার।

 

১৮০১ – প্রসন্নকুমার ঠাকুর, সমাজ সংস্কারক।

 

১৮০৫ – ব্রিটিশ রসায়নবিদ টমাস গ্রাহাম।

 

১৮২৭ – রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতের বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার।

 

১৮৫৪ – বাংলাদেশের মরমী কবি এবং বাউল শিল্পী অহিদুর রেজা বা দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৩ – সংবাদপত্র নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড সর্ব প্রথম শব্দ ধাঁধা প্রকাশ করে।

১৯৫২ – উপমহাদেশে সাইফুদ্দিন কিসলু প্রথম লেনিন শান্তি পুরস্কার পান।

১৯৫৮ – দ্যা গল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৬৪ – চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এনলাই চীনের দ্বিতীয় জাতীয় গণ কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীর কমিটির পক্ষ থেকে ” চারটি ক্ষেত্রে চীনের আধুনিকায়ন বাস্তবায়নের প্রস্তাব” দাখিল করেন ।

১৯৬৪ – ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা বা পি.এল.ও. গঠিত হয়।

১৯৬৮ – অ্যাপোলো-৮ উৎক্ষেপণের ফলে মহাশূন্যে প্রথমবারের মতো মানুষের পক্ষে চন্দ্র প্রদক্ষিণ সম্ভব হয়।

১৯৮৮ – পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সার্ক শীর্ষ সম্মেলন শুরু।

১৯৮৮ – স্কটল্যান্ডের লকারবির আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহী বিমান বিস্ফোরিত হবার ঘটনায় ২৭০ জন প্রাণ হারায়।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ১১টি প্রজাতন্ত্রের ( ৩টি বল্টিক উপকূলীয় প্রজাতন্ত্র এবং জর্জিয়া প্রজাতন্ত্র ছাড়া সোভিয়েত ইউনিয়নের বাকী ১১টি প্রজাতন্ত্রের ) নেতারা কাজাখস্তানের রাজধানী আলমা’ আটা শহরে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে “আলমা’ আটা ঘোষণা” স্বাক্ষর করেন এবং তাতেই সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে ।

১৯৯১ – কলম্বোয় সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

১৯৯৩ – রাশিয়ায় নতুন সংবিধান প্রবর্তন।

১৮২৬ – রাজা রনজিত সিংয়ের বিরুদ্ধে সৈয়দ আহমদ বেলভীর যুদ্ধ ঘোষণা।

১৮৪৯ – প্রথম মার্কিন স্কেটিং ক্লাব গঠিত হয়।

১৮৬২ – ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় দফা যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৬২ – সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী জিহাদ ঘোষণা করেন এবং এক যুদ্ধে শিখরা পরাজিত হয়।

১৮৭৯ – সোভিয়েত ইউনিয়নের পার্টি ও রাষ্ট্রের নেতা , আন্তর্জাতিক সাম্যবাদী আন্দোলনের মহা-নায়ক ইউসুফ ভিসালিওনোভিচ স্টালিন রাশিয়ার জর্জিয়ার গোলি শহরের একটি জুতোর মিস্ত্রী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৮ – বিজ্ঞানী পিয়ের ক্যুরি ও মারি ক্যুরি তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম আবিষ্কার করেন।

১৭৬২ – জেমস কুক এলিজাবেথ বাটসকে বিয়ে করেন।

১৭৮৮ – হু তে সং ভিয়েতনামের রাজা হন।

১৩৭৫ – কবি ও কথাশিল্পী জিওভান্নি বোক্কাচিওর মৃত্যু।

১১৬৩ – হল্যান্ডের কয়েকটি গ্রামে হারিকেন আঘাত হানে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – পি কে আয়েঙ্গার, ভারতে পরমাণু কর্মসূচির অন্যতম ব্যক্তিত্ব,ভাবা পরমাণু কেন্দ্রের অধিকর্তা ও ভারতের খ্যাতনামা পরমাণু বিজ্ঞানী।

 

২০১৭ – জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, কিংবদন্তি বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

 

২০২১ – ভারতীয় বাঙালি কবি শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়।

২০২২ – চিকেন টিক্কা মাসালার উদ্ভাবক আলি আহমেদ আসলাম।

 

১৯১৪ – বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক নবীনচন্দ্র দাশ।

১৯৬০ – মার্কিন গণিতবিদ ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক এরিক টেম্পল বেল।

১৯৮২ – প্রাবন্ধিক, নন্দনতাত্ত্বিক আবু সয়ীদ আইয়ুব।

১৮০৭ – ইংরেজ মানবতাবাদী জন নিউটন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব মানবীয় সংহতি দিবস৷

(খ) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – বিল ও’রিলি, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯১৫ – আজিজ নেসিন, তুর্কি লেখক ও কবি।

 

১৯১৯ -খালেদ চৌধুরী,বাংলার প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩১ – বদরুদ্দীন উমর, বাংলাদেশের মার্কসবাদী-লেনিনবাদী লেখক।

 

১৯৪০ – মুঙ্গারা যামিনী কৃষ্ণমূর্তি ভরতনাট্যম ও কুচিপুড়ি ধারার নৃত্যশিল্পী।

 

১৯৫৬ – মোহাম্মদ ওউলদ আবদেল আজিজ, মৌরিতানিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৫ – রবার্ট কাভানাহ, স্কটিশ অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৭০ – গ্রান্ট ফ্লাওয়ার, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৮০ – অ্যাশলি কোল, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৮২ – মোহাম্মদ আসিফ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

 

১৯৯০ – জোজো, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৮৪১ – ফার্দিনান্ড ফেরডিনান্ড বুইস্‌ন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি অধ্যাপক ও রাজনীতিবিদ।

১৮৬৬ – সাংবাদিক ও সম্পাদক পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮৯০ – জারস্লাভ হেয়রভসকয়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৮৯৪ – অস্ট্রেলিয়ার রবার্ট মেনযিয়েস, অস্ট্রেলিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৫৩৭ – সুইডেনের রাজা তৃতীয় জন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৩ – লাহোরে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগে।

১৯২৫ – বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদ স্থাপিত হয়।

১৯৩৯ – রেডিও অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক শর্টওয়েভ সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৪২ – মাঝরাতে কলকাতার আকাশে জাপানি বিমান হানা দেয়।

১৯৫৭ – সানফ্রান্সিসকো চলচ্চিত্র উৎসবে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘পথের পাঁচালী’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে।

১৯৬০ – দক্ষিণ ভিয়েতনামে জাতীয় মুক্তিফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯৭১ – ইয়াহিয়া খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭৪ – পর্তুগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে।

১৯৮৮ – প্রধানমন্ত্রী রণসিংহে প্রেমাদাসা শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৮৩০ – ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া, রাশিয়া বেলজিয়ামকে স্বীকৃতি দেয়।

১৭৫৭ – রবার্ট ক্লাইভ বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।

১৭৮০ – ইংল্যান্ড নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৭৯০ – আমেরিকায় প্রথম কটন মিল চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৫ – শাহ আবরারুল হক হারদুয়ী, ভারতীয় ইসলামি পণ্ডিত ও ধর্ম সংস্কারক।

 

২০০৯ – দীপালি নাগ রাগপ্রধান গানের প্রথম মহিলা বাঙালি শিল্পী।

 

২০১২ – স্ট্যান চার্লটন, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

২০১৩ – সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন৷

২০১৪ – মাকসুদুল আলম বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ, পেঁপে, রাবার, পাট এবং ছত্রাক জিনোম উদ্ভাবক।

২০১৮ – সরকার ফিরোজ, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

২০১৯ – স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি, একজন বাংলাদেশি সমাজকর্মী এবং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

২০২১ – অজিত রায়, ধানবাদের বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯১৫ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, বাঙালি শিশুসাহিত্যিক, বাংলা মুদ্রণের পথিকৃৎ।

১৯২৯ – এমিলি লউবেট, ফরাসি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৮ম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৪ – জেমস হিল্টন, একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৯৬৮ – জন স্টাইন্‌বেক্‌, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান লেখক।

 

১৯৭৪ – (ক)  রজনীপাম দত্ত, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বৃটিশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

 

(খ) সীতা দেবী, প্রখ্যাত বাঙালি লেখিকা।

 

১৯৭৯ – (ক) সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত, প্রখ্যাত গান্ধীবাদী নেতা ও গঠনমূলক সেবাকার্য ও পল্লীউন্নয়নের বিভিন্ন পদ্ধতির আবিষ্কারক।

(খ) কমলা ঝরিয়া, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী।

 

১৯৮২ – কানু রায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৯০ – মাহমুদুন্নবী, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী

১৯৯১ – সিমন ব্যাক, ফরাসি শেফ ও লেখক।

১৯৯৬ – বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সেগান।

১৯৯৮ – অ্যালেন লয়েড হডজিকিন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী ও জৈবপদার্থবিদ।

১৭৩৭ – চীনের সম্রাট কাংজির মৃত্যুবরণ করেন।

১৫৯০ – আম্ব্রইসে পারে, ফরাসি চিকিৎসক ও সার্জন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব মানবীয় সংহতি দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩ : বিশ্ব মানবতাবাদী কর্মী বা বাস্তব জীবনের নায়কদের স্মরণে ১৯ আগস্ট বিশ্ব মানবিক দিবস পালিত হয় যারা বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে চরম পরিস্থিতিতে অন্যদের সাহায্য করার জন্য তাদের জীবন দান করেছেন।  এই দিনে, আমরা সমস্ত সাহায্য এবং স্বাস্থ্য কর্মীদের সম্মান জানাই যারা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, যারা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা এবং সুরক্ষা প্রদান করে চলেছেন।

 

প্রতি বছর ১৯ আগস্ট, বিশ্ব মানবতাবাদীদের অসাধারণ প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতে একত্রিত হয় যারা অক্লান্তভাবে সঙ্কট-আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জীবন উন্নত করার জন্য কাজ করে।  বিশ্ব মানবিক দিবসটি সেই ব্যক্তিদের অদম্য চেতনার প্রমাণ হিসাবে দাঁড়িয়েছে যারা চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, তাদের অটল সমর্থন প্রসারিত করে।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই বৈশ্বিক উদ্যোগের নেতৃত্ব দেয়, বিশ্বজুড়ে অংশীদারদেরকে একত্রিত করে প্রতিকূলতার মুখে বেঁচে থাকা, মঙ্গল এবং মর্যাদা অর্জনের জন্য।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস কেন পালিত হয়?

 

বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস উদযাপন করে নিঃস্বার্থ বীরদের যারা মানবজাতির সেবার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেন।  মানবতাবাদীরা এমন লোক যাদেরকে একটি উন্নত জীবন যাপনের জন্য সমাজকে রক্ষা করা এবং সহায়তা করা ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য নেই।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩ : থিম–

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২৯২৩-এর অফিসিয়াল থিম হল ‘নো ম্যাটার হোয়াট।’  জাতিসংঘের ওয়েবসাইট অনুসারে, “এই বছর, আমাদের বিশ্ব মানবিক দিবসের প্রচারাভিযান বিশ্ব মানবিক সম্প্রদায়কে একত্রিত করে ইরাকের বাগদাদে জাতিসংঘের সদর দফতরে হামলার বিংশতম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এবং সেই সম্প্রদায়ের জন্য আমাদের অটল প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করতে যা আমরা করি।  পরিবেশন করুন, যেই হোক না কেন, যেখানেই হোক না কেন এবং #No Matter What।”

 

বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস ২০২৩-এর থিম, “কোনও ব্যাপার নয়,” “No Matter What।” বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদীদের অটল উত্সর্গকে ধারণ করে।  একটি সাধারণ লক্ষ্য দ্বারা একত্রিত হয়- জীবন উদ্ধার এবং রক্ষা করা- তারা মানবিক নীতির প্রতি অটল অঙ্গীকারের উদাহরণ দেয়।  এই থিমটি মানবতাবাদীদের মধ্যে অটুট বন্ধন এবং তারা যে লোকেদের সেবা করে তাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয় এমন সঠিক বিচার করার জন্য তাদের অবিচ্ছিন্ন সংকল্পের উপর জোর দেয়।  অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জ এবং ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও, তাদের দৃঢ় মনোভাব উজ্জ্বল হয়, কারণ তারা বাধাগুলি নেভিগেট করে এবং যারা কঠিন পরিস্থিতিতে তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করে।

 

বিশ্ব মানবিক দিবসের তাৎপর্য: নিঃস্বার্থ অবদানকে সম্মান করা—

 

পৃথিবীর প্রতিটি কোণে, পুরুষ এবং মহিলারা নিঃস্বার্থভাবে মানবিক কারণে সেবা করার জন্য তাদের জীবনকে লাইনে রেখেছেন।  তাদের ক্রিয়াকলাপ সম্পূর্ণরূপে পরোপকার দ্বারা চালিত হয়, লুকানো উদ্দেশ্য বা এজেন্ডা বর্জিত।  তারা সাহসিকতার সাথে প্রয়োজনে তাদের সহায়তা প্রসারিত করে, এমনকি সামাজিক সহিংসতায় জর্জরিত এলাকায়ও।  বিশ্ব মানবতাবাদী দিবস এই অমিমাংসিত নায়কদের এবং তাদের নিঃস্বার্থ অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।  বছর অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে, তাদের পরিষেবার স্কেল এবং জটিলতা বিকশিত হতে থাকে, আরও বড় চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করে।  ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের জন্য স্পষ্ট অবহেলা, ইচ্ছাকৃত আক্রমণ এবং ভুল তথ্য প্রচারের মধ্যে, এই মানবতাবাদীরা বিশ্বকে একটি ভাল জায়গা তৈরি করার জন্য তাদের সাধনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস: ইতিহাস—

 

ত্যাগ ও সেবার স্মৃতি—

 

বিশ্ব মানবিক দিবসের শিকড়গুলি ১৯ আগস্ট, ২০০৩-এ ফিরে আসে, যখন ইরাকের বাগদাদের ক্যানেল হোটেলে একটি বিধ্বংসী বোমা হামলায় ২২ জন মানবিক সহায়তা কর্মী নিহত হয়েছিল, যার মধ্যে ইরাকের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি সার্জিও ভিয়েরা ডি মেলো ছিল।  এই মর্মান্তিক ঘটনার স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পাঁচ বছর পর ১৯ আগস্টকে বিশ্ব মানবিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।  প্রতি বছর, উপলক্ষটি একটি নির্দিষ্ট থিমকে কেন্দ্র করে, মানবিক অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতাকে উত্সাহিত করে যাতে সঙ্কট-আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেঁচে থাকা, মঙ্গল এবং মর্যাদা, সেইসাথে সাহায্য কর্মীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তার পক্ষে সমর্থন করা যায়।

 

বিশ্ব মানবিক দিবস ২০২৩: প্রসারিত প্রভাব–

 

এই বছরের বিশ্ব মানবিক দিবস মানবিক কাজের গুরুত্ব, কার্যকারিতা এবং ইতিবাচক প্রভাবকে আলোকিত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।  এটি মানবতাবাদীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টাকে হাইলাইট করে যারা দুঃখকষ্ট দূর করার জন্য চ্যালেঞ্জের ঊর্ধ্বে উঠে মানব আত্মার স্থিতিস্থাপকতার উদাহরণ দেয়।  অনিশ্চয়তা এবং দ্বন্দ্বে জর্জরিত বিশ্বে, তাদের উত্সর্গ এবং নিঃস্বার্থতা আশার আলোকবর্তিকা হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে, আমাদের সকলকে আরও সহানুভূতিশীল এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্ব সম্প্রদায়ে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত করে।

 

সমবেদনার ভবিষ্যতকে আলিঙ্গন করা

বিশ্ব মানবিক দিবস প্রতিকূলতার মুখে ঐক্য, সহানুভূতি এবং স্থিতিস্থাপকতার শক্তিকে অন্ডারস্কোর করে।  এটি মানবতাবাদীদের অটল প্রতিশ্রুতি উদযাপন করে, যারা “কোন ব্যাপারই হোক না কেন,” অভাবীদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে চলেছে।  এই দিনে যখন আমরা তাদের নিঃস্বার্থ অবদানকে স্মরণ করি, তখন আসুন আমরা এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে তাদের উত্তরাধিকারকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করি যেখানে সহানুভূতি, সংহতি এবং মানবিক নীতিগুলি আমাদের কর্মকে নির্দেশিত করে।  একসাথে, আমরা সমবেদনা এবং সহযোগিতার দ্বারা সংজ্ঞায়িত একটি ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারি, এটি নিশ্চিত করে যে অন্ধকারতম সময়েও আশার আলো জ্বলতে থাকে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক) বাংলা ব্লগ দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – রাফ রিচার্ডসন, ইংরেজ মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯০৪ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতা রণদিভের জন্ম।

 

১৯০৬ – সোভিয়েত কমিউনিস্ট নেতা ও প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনেভের জন্ম।

১৯০৮ – প্রখ্যাত বাঙালি সুরকার রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায় বা রতু মুখাপাধ্যায়।

 

১৯১০ – জ্যঁ জ্যেঁনে, ফরাসি সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক অধিকার আন্দোলনকর্মী।

 

১৯৩৪ – প্রতিভা পাতিল, ভারতের দ্বাদশ ও প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫২ – এলবার্ট মিকেলসন, মার্কিন পদার্থবিদ।

 

১৮৭৩ – বৃটিশ ভারতের খ্যাতনামা চিকিৎসক এবং বৈজ্ঞানিক স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী।

 

১৮৭৫ – মিলেভা মেরিক, পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রথম স্ত্রী ও সহকর্মী।

 

১৬৮৩ – স্পেনের রাজা পঞ্চম ফিলিপ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪১ – জার্মান সাবমেরিন ইউ-৫৭৪ ডুবে যায়।

১৯৪২ – ফ্যাসিস্টবিরোধী লেখক ও শিল্পী সংঘের দু’দিন ব্যাপী প্রথম সম্মেলন শুরু।

১৯৫৭ – মস্কো ও লন্ডনের মধ্যে বিমান চলাচল শুরু।

১৯৮৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পানামায় আগ্রাসী অভিযান শুরু করে।

১৯৯১ – মোটরগাড়ি নির্মাণশিল্পের পুরোধা জেনারেল মোটরস কোম্পানির একশটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে আমেরিকায় ৭৪ হাজার শ্রমিক চাকরি হারান।

১৯৯৬ – চট্টগ্রাম টিভি উপকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

১৮৮৯ – হাওয়াইয়ে বিশপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯১ – কানাডিয়ান রাগবি ইউনিয়ন গঠিত হয়।

১৬৭৫ – দিল্লিতে নবম শিখগুরু তেগ বাহাদুরের শিরশ্ছেদ ঘটানো হয়।

১৬৮৮ – রাজা দ্বিতীয় জেমস স্ত্রী-সন্তানসহ ফ্রান্সে পালিয়ে যান।

১১৫৪ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরির অভিষেক।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২০ – পবিত্র কাবা ঘরে স্থাপিত দরজার নকশাকার প্রকৌশলি মুনির আল জুনদি।

 

১৯১১ – মীর মশাররফ হোসেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯১৮ – (ক) রাধাগোবিন্দ কর,বৃটিশ ভারতের খ্যাতনামা চিকিৎসক।

 

(খ) অজিতকুমার চক্রবর্তী,রবীন্দ্রনাথের শিক্ষার আদর্শ রূপায়ণকারী, রবীন্দ্র অনুরাগী ব্যক্তিত্ব।

 

১৯২৭ – (খ)  রামপ্রসাদ বিসমিল,মণিপুর ষড়যন্ত্র মামলায় যুক্ত বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবী ।

 

(খ) আসফাকউল্লা খান, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

 

১৯৮৪ – আবদুল কাদির, ছান্দসিক হিসেবে খ্যাত বাঙালি কবি ও সাহিত্য-সমালোচক।

১৯৮৭ – ড. খায়রুল বশর, গবেষক ও প্রাবন্ধিক।

 

১৮৬০ – লর্ড ডালহৌসি, ভারতের গভর্নর জেনারেল।

১৭৩৭ – জেমস সোবিয়েস্কি, পোল্যান্ডের যুবরাজ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৮ ডিসেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮  ডিসেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস (জাতিসংঘ)।

(খ) সুপ্রিম কোর্ট দিবস (বাংলাদেশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৩০ – সাহিত্যিক-সাংবাদিক শহীদ সাবের।

 

১৯৩৯ – হ্যারল্ড ইলিয়ট ভারমাস, মার্কিন জীববিজ্ঞানী এবং অধিবিদ্যাবিৎ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৯৪২ – রঘু রাই, কিংবদন্তি ভারতীয় আলোকচিত্রী এবং চিত্র সাংবাদিক।

 

১৯৪৬ – স্টিভেন স্পিলবার্গ, মার্কিন পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার, ড্রিমওয়ার্কসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫০ – শরৎ ফনসেকা, শ্রীলংকার জেনারেল ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৫২ – সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত, বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত ও দার্শনিক।

 

১৯৬১ – লালচাঁদ রাজপুত, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৬৩ – ব্র্যাড পিট, মার্কিন অভিনেতা এবং প্রযোজক।

১৯৭৫ – সিয়া, অস্ট্রেলিয়ান গায়িকা-গীতিকার।

১৯৮৬ – উসমান খাজা, পাকিস্তানি-অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮৮ – ইমাদ ওয়াসিম, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – আল্লামা ইকবাল অনিক, বাংলাদেশী সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৮২৪ – লালবিহারী দে,বৃটিশ ভারতীয় সাংবাদিক ও খ্রিস্টান মিশনারি।

১৮৫৬ – জে জে টমসন, ইংরেজ পদার্থবিদ্ এবং অধিবিদ্যাবিৎ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৮৭০ – সাকি, ব্রিটিশ ছোট গল্পকার।

 

১৮৭৮ – জোসেফ স্ট্যালিন, জর্জিয়ান-রাশিয়ান মার্শাল এবং রাজনীতিবিদ, ৪র্থ সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রধান।

 

১৮৯০ – এডউইন হাওয়ার্ড আর্মস্ট্রং, মার্কিন প্রকৌশলী, এফএম রেডিওর জনক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১২ – মার্কিন কংগ্রেস সেদেশে অশিক্ষিত অভিবাসীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করে।

১৯৬৯ – ব্রিটেনে খুনের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রহিত করা হয়।

১৯৭১ – সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত।

১৯৭২ – সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রথম কার্যক্রম শুরু করে।

১৯৯৯ – স্বাধীন বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সমাবর্তন।

১৮৬৫ – মার্কিন সংবিধানের ১৩শ সংশোধনী ঘোষণা করার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

১৩৯৮ – তৈমুর লঙ দিল্লির সুলতান মুহম্মদ তুঘলকের কাছ থেকে দিল্লি দখল করে নেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – বিজয় হাজারে, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

২০০৬ – বিকাশ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী।

 

১৯৭৩ – কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

 

১৯৮৩ – প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ,ভারতীয় রাজনীতিবিদ,স্বাধীনতা সংগ্রাম,পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৮৪ – শক্তিরঞ্জন বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী ও সমাজসেবী।

 

১৯৯৬ – বামপন্থী সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও অনুবাদক ননী ভৌমিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আসফাকউল্লা খান, বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভারতীয় মুসলিম যাকে ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসি দেয়া হয়।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল বহু মানুষের কঠোর পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। হিন্দু মুসলিম সকল শ্রেণীর মানুষ এই মুক্তির আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিলেন। আর তাঁদের সেই বলিদনের ইতিহাসে অনেকের কথাই অজানা। ভারত উপমহাদেশের বিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ সম্রাজ্যবাদ বিরোধী যে সশস্ত্র বিপ্লববাদী লড়াই-সংগ্রাম সংগঠিত হয় এবং যার ধারাবাহিকতায় ভারত স্বাধীন হয়। এই অন্দোলনে যে সকল বিপ্লবীর নাম সর্বজন স্বীকৃত তাঁদের মধ্যে আসফাকুল্লাহ খান প্রথমসারির একজন অন্যতম বিপ্লবী ছিলেন।  আসফাকুল্লাহ খান ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এক উল্লেখযোগ্য নাম, যিনি দেশমতৃকার শৃঙ্খল মুক্তির জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন সম্পূর্ণ রূপে।

 

আসফাকুল্লাহ খান ছিলেন একজন সাহসী ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী যিনি রামপ্রসাদ বিসমিলের সাথে শহীদ হয়েছিলেন।  তাঁদের দুজনকে একই দিনে পৃথক কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়।আসফাকউল্লা খান ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভারতীয় মুসলিম যাকে ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসি দেয়া হয়।

 

আশফাক ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান মুসলিম এবং মাতৃভূমির প্রতি তাঁর স্নেহ ছিলো অতুলনীয়। আশফাকুল্লা খান ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম প্রদেশের শাহজাহানপুরে খাইবার উপজাতির এক মুসলিম পাঠান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ২২ অক্টোবর ১৯০০।তার পিতা শফিক উল্লাহ খান পাঠান পরিবারের সদস্য ছিলেন এবং তাঁর পরিবার সামরিক বাহিনীর জন্য বিখ্যাত ছিল।  তাঁর মায়ের পক্ষ থেকে পরিবারটি উচ্চ শিক্ষিত ছিল এবং অনেক আত্মীয় ব্রিটিশ ভারতে পুলিশ ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।  তাঁর মা মাজহুর-উন-নিসা একজন ধার্মিক মহিলা ছিলেন।  চার ভাইয়ের মধ্যে আসফাকুল্লাহ ছিলেন সবার ছোট।

 

১৯২৪ সালে, আশফাকুল্লা খান সমমনা মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে একটি সংগঠন গঠন করেন যার নাম ছিল হিন্দুস্তান রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন।  এই সমিতির উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীন ভারত অর্জনের জন্য সশস্ত্র বিপ্লব সংগঠিত করা।
তাঁদের আন্দোলনকে উৎসাহিত করতে এবং তাঁদের কার্যক্রম চালানোর জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ কিনতে, রাম প্রসাদ বিসমিল সহ HSRA-এর বিপ্লবীরা ৯ আগস্ট, ১৯২৫ সালে লখনউয়ের কাছে কাকোরিতে ব্রিটিশ সরকারের অর্থ বহনকারী ট্রেনটি লুট করে। বিসমিলকে ধরা পড়ে।  পুলিশ এবং আশফাকুল্লা খানের একমাত্র সন্ধান পাওয়া যায়নি।  তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিহার থেকে বেনারসে চলে আসেন, যেখানে তিনি ১০ মাস একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানিতে কাজ করেন।
পরে তিনি দিল্লি গিয়েছিলেন দেশের বাইরে যাওয়ার উপায় খুঁজতে।  তিনি তার এক পাঠান বন্ধুর সাহায্য নেন যিনি অতীতে তাঁর সহপাঠীও ছিলেন।  এই বন্ধুটি, ১৯২৬ সালের ১৭ জুলাই সকালে বালির বিষয়ে পুলিশকে জানিয়ে তাঁর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, পুলিশ তাঁর বাড়িতে এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।
কাকোরি ডাকাতের মামলাটি বিসমিল, আশফাকুল্লা খান এবং আরও কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে শেষ করা হয়েছিল।  আশফাকুল্লা খানকে ১৯২৭ সালের ১৯ ডিসেম্বর ফৈজাবাদ কারাগারে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। যখন তাঁকে শিকল থেকে মুক্ত করা হয়, তিনি ফাঁসির দড়ির কাছে যান এবং সেটিকে চুমু খেয়ে বলেন : “আমার হাত কোনো মানুষকে হত্যা করেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট। আল্লাহ্‌ আমাকে ন্যায়বিচার দেবেন।” মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা, স্বচ্ছ চিন্তাভাবনা, অদম্য সাহস, দৃঢ়তা ও আনুগত্যের কারণে এই বিপ্লবী মানুষটি শহীদ ও জনগণের মধ্যে কিংবদন্তি হয়ে ওঠেন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This