Categories
রিভিউ

আজ ৮ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৮ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – সাইক্লোট্রন উদ্ভাবনের জন্য সুপরিচিত আর্নেস্ট লরেন্স নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯১০ – সিলভিয়া সিডনি, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯২৮ – বিলায়েত খাঁ ভারতের বিখ্যাত বাঙালি সেতার বাদক।

১৯৩০ – বেগম ফজিলাতুন্নেসা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্ত্রী ও বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা।

১৯৩১ – রজার পেনরোজ, ইংরেজ গাণিতিক-পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৩৭ – ডাস্টিন হফম্যান, মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৫১ – মুহাম্মাদ মুরসি, মিশরীয় প্রকৌশলী, শিক্ষায়তনিক ও রাজনীতিক, এবং মিশরের ৫ম রাষ্ট্রপতি।

১৯৮১ – রজার ফেদেরার, সুইস টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯০ – কেন উইলিয়ামসন, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও বর্তমান অধিনায়ক।

১৮৮৯ – জ্যাক রাইডার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট।

১৭৩২ – ইয়োহান ক্রিস্টফ আডেলুং, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৬ – বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় ইংরেজি দৈনিক ‘বন্দেমাতরম’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৪৯ – ইকুয়েডরে প্রবল ভূ-কম্পনে দশ হাজার লোক মৃত্যুবরণ করে।

১৯৫৫ – জেনিভায় পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৭২টি দেশের ১২০০ বিজ্ঞানীর এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৬৭ – দক্ষিণ এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা আশিয়ান প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৮ – দক্ষিণ আফ্রিকা, কিউবা ও অ্যাঙ্গোলায় যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়।

১৮১০ – ঊর্দু কবি মির্জা গালিব নবাব ইলাহী বকসের কন্যা মারুফকে বিয়ে করেন।

১৮১৫ – নেপোলিয়ন বোনাপার্ট সেন্ট হেলেনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।

১৮৬৪ – জেনেভায় রেডক্রস গঠিত হয়।

১৮৬৪ – আন্তর্জাতিক রেডক্রস যুদ্ধকালে আক্রান্ত না হওয়ার অধিকার পায়।

১৭৯৬ – ৪৪ সদস্য নিয়ে বোস্টন আফ্রিকান সোসাইটি গঠিত হয়।

১৫৪৯ – ফ্রান্স ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১২২০ – সুইডেন লিহুলার যুদ্ধে এস্টানিয়ান উপজাতির কাছে পরাজিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বিশিষ্ট বাঙালি গীতিকার।

২০২১ – বলিউডের ‘মন কি আওয়াজ প্রতীজ্ঞা’ খ্যাত ভারতীয় অভিনেতা অনুপম শ্যাম।

১৯৭৫ – প্রবাদপ্রতিম গীতিকার ও কবি প্রণব রায় (গীতিকার)।

১৯৭৭ – আচার্য ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায় খ্যাতনামা বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সুরকার ও সঙ্গীতপরিচালক।

১৮২৪ – ফ্রিড্‌রিশ আউগুস্ট ভোল্‌ফ, জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক ও সমালোচক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক বায়োডিজেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।

১৯০২ – অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯১১ – নিকোলাস রে, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯১৩ – ওয়লফগাং পাউল, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৯২৮ – জেমস র‍্যান্ডি, কানাডীয়-আমেরিকান অবসরপ্রাপ্ত মঞ্চ যাদুকর এবং বৈজ্ঞানিক সংশয়ী।

১৯৩৩ – এলিনর অস্ট্রম, একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

১৯৩৭ – ডন উইলসন, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৪৩ – মোহাম্মদ বাদি, মিশরীয় মুসলিম ব্রাদারহুডের অষ্টম প্রধান গাইড( মুরশিদ)।

১৯৪৭ – আনোয়ার ইব্রাহীম, তিনি ছিলেন মালয়েশিয়ার শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম উপ-প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৮ – গ্রেগ চ্যাপেল, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৫১ – জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, তিনি কলম্বিয়ার ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৫৯ তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৯ – কোনরাড এলস্ট, বেলজিয়াম প্রাচ্যবিদ এবং লেখক।

১৯৫৯ – আলী শাহ, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

১৯৫৯ – রসানা আরকুয়েটে, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৬০ – ডেভিড ডুকভ্‌নি, একজন মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬০ – আন্তোনিও বান্দেরাস, তিনি স্প্যানিশ অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬২ – সুজান কলিন্স, তিনি আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৩ – ফুলন দেবী, তিনি ছিলেন ভারতীয় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬৬ – জিমি ওয়েলস, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং উইকিপিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা।

১৯৭০ – ব্রেন্ডন পল জুলিয়ান, তিনি নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক।

১৯৭১ – ডমিনিক কর্ক, ইংল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৩ – হাভিয়ের আদেলমার জানেত্তি, আর্জেন্টিনা সাবেক ফুটবল।

১৯৭৪ – মাইকেল শ্যানন, মার্কিন অভিনেতা ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৭৪ – হাইফা আল-মনসুর, তিনি সৌদি আরবের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৭৫ – শার্লিজ থেরন, দক্ষিণ আফ্রিকান-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯৭৫ – ইলহান মান্সিজ, তিনি তুর্কি সাবেক ফুটবলার।

১৯৮০ – ওয়েড ব্যারেট, তিনি ইংরেজ মুষ্টিযোদ্ধা, কুস্তিগীর ও অভিনেতা।

১৯৯০ – লুকাস টিল, তিনি আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৮১০ – কামিল বেন্স, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৪৫ – আবাই কুনানবিউলি, তিনি ছিলেন কাজাখ কবি, সুরকার ও দার্শনিক।

১৮৬৫ – আলেকজান্ডার গ্লাযুনভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান সুরকার, কন্ডাক্টর ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬৮ – প্রমথ চৌধুরী, বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক।

১৮৭১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৮৭৪ – হার্বার্ট হুভার, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৭৬ – মাতা হারি, একজন ওলন্দাজ নর্তকী।

১৮৭৯ – যোহানেস কৎজ, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৭০২ – মুহাম্মদ শাহ, ভারতের মুঘল সম্রাট ছিলেন।

১৭৪০ – স্যামুয়েল আর্নল্ড, তিনি ছিলেন ইংরেজ সঙ্গীত স্রষ্টা।

১৭৭৯ – কার্ল রিটার, একজন প্রখ্যাত জার্মান ভূগোলবিদ।

১৩৯৭ – দ্বিতীয় আলবার্ট, তিনি ছিলেন জার্মানির রাজা।

১২৬৭ – দ্বিতীয় জেমস, তিনি ছিলেন আরাগনের।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশের আকাশ থেকে বিশাল আকৃতির একটি বরফ খণ্ড পড়ে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিড়ালদহ মাজারের পাশের একটি বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৯১১ – ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যরা সর্বপ্রথম বেতন গ্রহণের পক্ষে ভোট দেন।

১৯১৩ – বলকান যুদ্ধ অবসানে বুখারেস্ট চুক্তি সম্পন্ন হয়।

১৯১৪ – অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ফ্রান্স যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২০ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত ওসমানিয় সাম্রাজ্যের সাথে মিত্র পক্ষের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৭ – চীনের গুরুত্বপূর্ণ থংজং হ্রদ ও কানতুং প্রদেশের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য জাপান হামলা চালায় এবং দুই বছর ঐ দেশ দু’টির মধ্যে যুদ্ধ চলে।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

১৮২১ – মিসৌরি আমেরিকার ২৪তম রাজ্যে পরিণত হয়।

১৬৭৫ – রয়াল গ্রিনউইচ অবজারভেটরি স্থাপিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৩ – রামরাম বসু বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন।

১৮৪৮ – জনস জ্যাকব বার্জেলিয়াস, একজন সুয়েডীয় রসায়নবিদ ছিলেন।

১৯৩৮ – কনস্তান্তিন স্তানিস্লাভ্‌স্কি, ছিলেন একজন রুশ মঞ্চ অভিনেতা ও নির্দেশক।

২০০২ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, তিনি ছিলেন নরওয়েজিয়ান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ।

২০০৮ – আইজাক হায়েজ, তিনি ছিলেন আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, পিয়ানোবাদক, প্রযোজক ও অভিনেতা।

২০১১ – ন্যান্সি ওয়েক, ব্রিটিশ এজেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে কাজ করেছেন।

২০১৫ – ফ্রান্সেস ওল্ডহ্যাম কেলসি, ছিলেন একজন কানাডীয়-মার্কিন ফার্মাকোলজিস্ট ও চিকিৎসক।

২০১৮ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক ও ভারতের তামিল নাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৪১ – (২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতবর্ষের প্রথমনোবেল বিজয়ী বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

১৯৫৬ – হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি খ্যাতনামা বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল।

১৯৬৬ – আলবার্ট উক্সিপ, তিনি ছিলেন এস্তোনিয়ান অভিনেতা, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও অনুবাদক।

১৯৭১ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

১৯৭৩ – জ্যাক গ্রিগরি, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – রোসারিও ক্যাস্তেলানোস, মেক্সিকান কবি ও লেখক।

১৯৭৫ – বার্ট ওল্ডফিল্ড, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৮০ – ইয়াহিয়া খান, তিনি ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন।

১৭২৩ – গুইলাউমে ডুবইস, তিনি ছিলেন ফরাসি অঙ্কবাচক ও রাজনীতিবিদ।

১৭৫৯ – ষষ্ঠ ফেরডিনান্ড, তিনি ছিলেন স্পেনের রাজা।

০৮৪৭ – আল আবু জাফর হারুন ইবনে মুহাম্মদ আল মুতাসিম, তিনি ছিলেন আব্বাসীয় খলিফা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ ৭ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক বায়োডিজেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ – আর্নে ভিলহেল্ম কাউরিন টিসেলিয়ুস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ প্রাণরসায়নী।

১৯০২ – অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯১১ – নিকোলাস রে, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯১৩ – ওয়লফগাং পাউল, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৯২৮ – জেমস র‍্যান্ডি, কানাডীয়-আমেরিকান অবসরপ্রাপ্ত মঞ্চ যাদুকর এবং বৈজ্ঞানিক সংশয়ী।

১৯৩৩ – এলিনর অস্ট্রম, একজন মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

১৯৩৭ – ডন উইলসন, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৪৩ – মোহাম্মদ বাদি, মিশরীয় মুসলিম ব্রাদারহুডের অষ্টম প্রধান গাইড( মুরশিদ)।

১৯৪৭ – আনোয়ার ইব্রাহীম, তিনি ছিলেন মালয়েশিয়ার শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম উপ-প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪৮ – গ্রেগ চ্যাপেল, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৫১ – জুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, তিনি কলম্বিয়ার ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৫৯ তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫৯ – কোনরাড এলস্ট, বেলজিয়াম প্রাচ্যবিদ এবং লেখক।

১৯৫৯ – আলী শাহ, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

১৯৫৯ – রসানা আরকুয়েটে, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৬০ – ডেভিড ডুকভ্‌নি, একজন মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬০ – আন্তোনিও বান্দেরাস, তিনি স্প্যানিশ অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬২ – সুজান কলিন্স, তিনি আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৩ – ফুলন দেবী, তিনি ছিলেন ভারতীয় আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬৬ – জিমি ওয়েলস, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং উইকিপিডিয়ার সহপ্রতিষ্ঠাতা।

১৯৭০ – ব্রেন্ডন পল জুলিয়ান, তিনি নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক।

১৯৭১ – ডমিনিক কর্ক, ইংল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৩ – হাভিয়ের আদেলমার জানেত্তি, আর্জেন্টিনা সাবেক ফুটবল।

১৯৭৪ – মাইকেল শ্যানন, মার্কিন অভিনেতা ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৭৪ – হাইফা আল-মনসুর, তিনি সৌদি আরবের প্রথম নারী চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৭৫ – শার্লিজ থেরন, দক্ষিণ আফ্রিকান-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯৭৫ – ইলহান মান্সিজ, তিনি তুর্কি সাবেক ফুটবলার।

১৯৮০ – ওয়েড ব্যারেট, তিনি ইংরেজ মুষ্টিযোদ্ধা, কুস্তিগীর ও অভিনেতা।

১৯৯০ – লুকাস টিল, তিনি আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৮১০ – কামিল বেন্স, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৪৫ – আবাই কুনানবিউলি, তিনি ছিলেন কাজাখ কবি, সুরকার ও দার্শনিক।

১৮৬৫ – আলেকজান্ডার গ্লাযুনভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান সুরকার, কন্ডাক্টর ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬৮ – প্রমথ চৌধুরী, বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক।

১৮৭১ – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং লেখক।

১৮৭৪ – হার্বার্ট হুভার, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৭৬ – মাতা হারি, একজন ওলন্দাজ নর্তকী।

১৮৭৯ – যোহানেস কৎজ, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৭০২ – মুহাম্মদ শাহ, ভারতের মুঘল সম্রাট ছিলেন।

১৭৪০ – স্যামুয়েল আর্নল্ড, তিনি ছিলেন ইংরেজ সঙ্গীত স্রষ্টা।

১৭৭৯ – কার্ল রিটার, একজন প্রখ্যাত জার্মান ভূগোলবিদ।

১৩৯৭ – দ্বিতীয় আলবার্ট, তিনি ছিলেন জার্মানির রাজা।

১২৬৭ – দ্বিতীয় জেমস, তিনি ছিলেন আরাগনের।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশের আকাশ থেকে বিশাল আকৃতির একটি বরফ খণ্ড পড়ে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিড়ালদহ মাজারের পাশের একটি বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৯১১ – ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যরা সর্বপ্রথম বেতন গ্রহণের পক্ষে ভোট দেন।

১৯১৩ – বলকান যুদ্ধ অবসানে বুখারেস্ট চুক্তি সম্পন্ন হয়।

১৯১৪ – অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ফ্রান্স যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২০ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত ওসমানিয় সাম্রাজ্যের সাথে মিত্র পক্ষের একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৭ – চীনের গুরুত্বপূর্ণ থংজং হ্রদ ও কানতুং প্রদেশের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য জাপান হামলা চালায় এবং দুই বছর ঐ দেশ দু’টির মধ্যে যুদ্ধ চলে।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অন্তিম লগ্নে জাপান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

১৮২১ – মিসৌরি আমেরিকার ২৪তম রাজ্যে পরিণত হয়।

১৬৭৫ – রয়াল গ্রিনউইচ অবজারভেটরি স্থাপিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৩ – রামরাম বসু বাংলা গদ্যসাহিত্যের আদি লেখকদের একজন।

১৮৪৮ – জনস জ্যাকব বার্জেলিয়াস, একজন সুয়েডীয় রসায়নবিদ ছিলেন।

১৯৩৮ – কনস্তান্তিন স্তানিস্লাভ্‌স্কি, ছিলেন একজন রুশ মঞ্চ অভিনেতা ও নির্দেশক।

২০০২ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, তিনি ছিলেন নরওয়েজিয়ান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ।

২০০৮ – আইজাক হায়েজ, তিনি ছিলেন আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, পিয়ানোবাদক, প্রযোজক ও অভিনেতা।

২০১১ – ন্যান্সি ওয়েক, ব্রিটিশ এজেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে কাজ করেছেন।

২০১৫ – ফ্রান্সেস ওল্ডহ্যাম কেলসি, ছিলেন একজন কানাডীয়-মার্কিন ফার্মাকোলজিস্ট ও চিকিৎসক।

২০১৮ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক ও ভারতের তামিল নাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯৪১ – (২২শে শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতবর্ষের প্রথমনোবেল বিজয়ী বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

১৯৫৬ – হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি খ্যাতনামা বাঙালি শিক্ষাবিদ ও পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল।

১৯৬৬ – আলবার্ট উক্সিপ, তিনি ছিলেন এস্তোনিয়ান অভিনেতা, উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও অনুবাদক।

১৯৭১ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

১৯৭৩ – জ্যাক গ্রিগরি, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – রোসারিও ক্যাস্তেলানোস, মেক্সিকান কবি ও লেখক।

১৯৭৫ – বার্ট ওল্ডফিল্ড, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৮০ – ইয়াহিয়া খান, তিনি ছিলেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন।

১৭২৩ – গুইলাউমে ডুবইস, তিনি ছিলেন ফরাসি অঙ্কবাচক ও রাজনীতিবিদ।

১৭৫৯ – ষষ্ঠ ফেরডিনান্ড, তিনি ছিলেন স্পেনের রাজা।

০৮৪৭ – আল আবু জাফর হারুন ইবনে মুহাম্মদ আল মুতাসিম, তিনি ছিলেন আব্বাসীয় খলিফা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ হিরোশিমা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত এবং গুরুত্ব।

প্রতিবছর ৬ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের বার্ষিকী হিসাবে পালন করা হয়।১৯৪৫ সালের ৬ই আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে এবং এর তিন দিন পর নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভয়াবহ বোমা নিক্ষেপ ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের উদ্দেশ্য করা হয়েছিল। এই দিনটিকে শান্তির প্রচারের জন্য এবং পারমাণবিক শক্তি ও পারমাণবিক অস্ত্রের বিপদ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়ানোর জন্য স্মরণ করা হয়।

 

কি হয়েছিলো সেদিন—

 

হিরোশিমার কথা মনে আছে সবার? ভুলে যাওয়ার কথা নয়। ইতিহাস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। জাপানের একটি শহর যুগের পর যুগ কেন এতো আলোচনায়? ইতিহাস বলছে, জাপানের একটি শহর হিরোশিমা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই শহরের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ‘লিটল বয়’ নামের পারমাণবিক বোমা ফেলে। ঘটনাটি ঘটে ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে। এর তিন দিন পর জাপানের নাগাসাকি শহরের ওপর ‘ফ্যাট ম্যান’ নামের আরেকটি পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে জাপানের হিরোশিমা শহরে ফেলা হয় বিশ্বের প্রথম পরমাণু বোমা। তখনও ঘুম থেকে জেগে ওঠেনি হিরোশিমার মানুষ। সকাল ৮টা বেজে ১৫ মিনিট। হঠাৎই দানবের মতো হিরোশিমার আকাশের নীলিমায় উদয় হল মার্কিন বি টুয়েন্টিনাইন বোমারু বিমান এনোলা গ্রে। কল্পকথার আগুনমুখো ড্রাগনের মতো সেখান থেকে হিরোশিমার একটি হাসপাতালের ১ হাজার নশো ফুট ওপর বিস্ফোরিত হয় বিশ্বের প্রথম আণবিক বোমা লিটল বয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আণবিক বোমার বিষাক্ত ছোবলে মারা গেল ৮০ হাজার মানুষ। আহত হল আরও ৩৫ হাজার। ঘুমের মধ্যে মারা গেল নারী, শিশু, বৃদ্ধ, যুবা। মাটির সঙ্গে মিশে গেল বেশির ভাগ দালান-কোঠা। হাসপাতালগুলোতে আহতদের চিকিৎসার জন্য বেঁচে রইল খুব অল্পসংখ্যক চিকিৎসক ও সেবিকা। মুহূর্তের মধ্যে যেন এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল ছবির মতো সুন্দর জাপানের ছোট্ট শহর হিরোশিমা। এখানেই শেষ নয় বছর না ঘুরতেই আণবিক বোমার ভয়াবহ তেজস্বক্রিয়তায় মারা যায় আরও ৮০ হাজার জাপানি।

 

কেন চালানো হল এই হামলা ?

 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যানের আত্মসমর্পণের আহ্বানে জাপান সাড়া না দেওয়ায় তাঁর নির্দেশেই ঠান্ডা মাথায় হিরোশিমায় চালানো হয় নারকীয় এই হামলা। এর উদ্দেশ্যে ছিল দু’টি। এক হল জাপানিদের জব্দ করা, আরেক হল যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে জাপানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। ১৯৩৯-১৯৪৫ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ৯০০০ পাউন্ডেরও বেশি ইউরেনিয়াম-235 বিশ্বের সর্বপ্রথম মোতায়েন করা পারমাণবিক বোমা এবং মার্কিন B-29 বোমারু বিমান, এনোলা গে ৬ আগস্ট ১৯৪৫ সালে জাপানের হিরোশিমা শহরে আক্রমণ করেছিল । বিস্ফোরণটি এতটাই বিশাল ছিল যে তাৎক্ষণিকভাবে ৭০০০০ জন লোকের হত্যা হয়, যা শহরের ৯০% এলাকায় ছড়িয়ে পরে এবং পরবর্তীকালে প্রায় ১০০০০ জন মানুষ রেডিয়েশন এক্সপোজারের প্রভাবে মারা যায়।

 

যার কারণে মুহূর্তেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল একটি শহর। এতে বহু ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, গাছ-গাছালিসহ হিরোশিমার সার্বিক নির্মাণ কাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছিল। জাপানের সরকারি ওয়েবসাইট জানায়, এ হামলায় হিরোশিমার ৬৫ শতাংশ ভবন ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তারপরই ১৫ অগাস্ট নিঃশর্ত সমর্পণ করার ঘোষণা দেন জাপানের সম্রাট হিরোহিতো। কেননা পারমাণবিক বিস্ফোরণের ভয়াবহ প্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল জাপানের কয়েক প্রজন্মকে।

 

এখনও সে দিনের সেই হামলার দু:সহ স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে হিরোশিমার মানুষ। আণবিক বোমা হামলার এত বছর পরও শহরে জন্ম নিচ্ছে বিকলাংগ শিশু, ক্যনসারসহ দুরারোগ্য ব্যধিতে ভুগছে বহু মানুষ। শোনা যায়, নারীদের গর্ভের সন্তানও এতে আক্রান্ত হয়েছিল। প্রসবের পর বেশিরভাগকেই বিকলাঙ্গ হতে দেখা যায়। সেই ভয়াবহতাকে স্মরণ করতেই প্রতিবছর দিনটিকে ‘হিরোশিমা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়। বিশ্বশান্তি ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির প্রচার করতেই দিবসটি পালন করা হয়।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৫ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – অতুল সুর, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ,নৃতাত্ত্বিক, অর্থনীতিবিদ,লেখক ও কলকাতা বিশেষজ্ঞ।

১৯৭৫ – কাজল, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৯১ – সোহাগ গাজী, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৯০৬ – জন হিউস্টন, আইরিশ-মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৩০ – নীল আর্মস্ট্রং, মার্কিন নভোচারী, প্রথম মানুষ যিনি চাঁদে অবতরণ করেন।

১৯৪০ – অধ্যাপক ড. অনুপম সেন – উপাচার্য, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়; সমাজবিজ্ঞানী এবং একুশে পদক বিজয়ী।

১৯৪৯ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামাল

১৯৬৮ – মারীন ল্য পেন, ফরাসি রাজনীতিবিদ।

১৮০২ – নিল্‌স হেনরিক আবেল, নরওয়েজীয় গণিতবিদ।

১৮৫০ – গি দ্য মোপাসঁ, একজন বিখ্যাত ফরাসি কবি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

১৮৮৯ – কমরেড মুজফ্‌ফর আহমদ, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – স্যার মাইকেল সোমারে পাপুয়া নিউগিনির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

২০০৩ – ইন্দোনেশিয়ার ম্যারিয়ট হোটেলে ভয়াবহ গাড়িবোমা হামলা হয়।

২০১৯ – ভারত সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা তথা অনুচ্ছেদ ও সংলগ্ন ৩৫এ ধারা বাতিল ঘোষণা করে। সেই সাথে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য বিভক্ত করে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ রাজ্য গঠন ঘোষণা করে।

১৯৬৫ – পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৭ – ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আমির আব্বাস হোয়াইদাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণ করা হয়।

১৯৭৮ – ভারতের কলকাতায় অহীন্দ্র মঞ্চ স্থাপিত হয়।

১৯৮৪ – বৃষ্টিবিঘ্নিত আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পথে বিমান দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম নারী বৈমানিক সৈয়দা কানিজ ফাতেমা রোকসানাসহ ৪৯জন মারা যায়।

১৯০৫ – বঙ্গদেশ বিভক্ত করার জন্য বঙ্গভঙ্গ আইন ঘোষিত হয়।

১৯১৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওতে প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাফিক সংকেত ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।

১৯২২ – জার্মানি ত্যাগ করে আইনস্টানের আমেরিকায় আশ্রয় গ্রহণ।

১৯২৪ – তুরস্কে বহু বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।

১৯৪৭ – পূর্ববঙ্গ পার্লামেন্টারি দলের নেতা নির্বাচনে খাজা নাজিমুদ্দিনের কাছে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পরাজয়।

১৯৪৯ – দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ছয় হাজার মানুষ নিহত হয়।

১৯৬০ – আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬২ – নেলসন ম্যান্ডেলা কারাগারে অন্তরিন হন। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তাঁকে জেলখানায় কাটাতে হয়।

১৯৬৩ – ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬৪ – উত্তর ভিয়েতনামের টমকিন উপসাগরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে।

১৮৯২ – ‘দি ইন্ডিয়ান এ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য প্রমোশন অব ফাইন আর্টস ও ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারি’ প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আলেক গিনেজ, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৩২ – অতুল সেন, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৬২ – মেরিলিন মনরো,বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, যৌন আবেদক ও পপ আইকন ছিলেন।

১৯৭৫ – কবি ও সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর।

১৯৭৭ – নোবেলজয়ী [১৯৩২] ব্রিটিশ শারীরতত্ত্ববিদ এডগার অ্যাড্রিয়ান।

১৯৮৪ – বিমান দুর্ঘটনায় বাংলাদেশের প্রথম নারী বৈমানিক সৈয়দা কানিজ ফাতেমা রোকসানা।

১৯৮৭ – ইরানের বিমান বাহিনীর পাইলট মেজর জেনারেল আব্বাস বাবায়ী ইরাকের আগ্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় মারা যান।

১৮৯৫ – সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদের অন্যতম প্রবক্তা ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস।

১৭৭৫ – মহারাজা নন্দকুমার, বৃটিশ ভারতে কর কর্মকর্তা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৪ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৬১ – বারাক ওবামা, (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রাজনীতিবিদ)।

১৯৬৫ – ফ্রেদ্রিক রাইনফেল্‌ৎ, (সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৬৭ – আরবাজ খান, (ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক)।

১৯০৫ – বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, (বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক)।

১৯১২ – রাউল ওয়ালেনবার্গ, (সুয়েডীয় স্থপতি, ব্যবসায়ী, মানবতাবাদী ও বিশিষ্ট কূটনীতিবিদ)।

১৯২৯ – (ক) কিশোর কুমার, (বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি গায়ক এবং নায়ক)।

(খ) – ইয়াসির আরাফাত, (ফিলিস্তিনি নেতা)।

১৯৩২ – ফ্রান্সিস এলিজাবেথ অ্যালেন, (মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী)।

১৯৩৭ – ডায়ান ক্যানন, (মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজক ও সম্পাদক)।

১৯৪৭ – আবুল হাসান, (বাংলাদেশী আধুনিক কবি)।

১৯৫৫ – বিলি বব থর্নটন, (মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গায়ক, গীতিকার)।

১৯৮৩ – গ্রেটা গারউইগ, (মার্কিন অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার)।

১৮৫৯ – ক্যুট হামসুন, (নোবেলজয়ী নরওয়েজীয় কথাশিল্পী)।

১৭৯২ – পার্সি বিশি শেলি, (ইংরেজ কবি)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ব্রিটিশ রানিমাতা এলিজাবেথের শততম জন্মবার্ষিকী পালন।

২০১১ – থাইল্যান্ডের ইতিহাসে ২৬তম ৫০০ আসনের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

২০১৪ – বাংলাদেশের পদ্মা নদীতে পিনাক-৬ নামক একটি লঞ্চ প্রায় আড়াইশো যাত্রী নিয়ে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে ৪৯ জন যাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ৫০ জন নিখোঁজ হন।

২০১৬ – প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঔষধ রপ্তানি শুরু করে বেক্সিমকো ফার্মা।

২০১৯ – যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের শপিংমলে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে ২২ জন নিহত হয়।

১৯০৪ –  (ক) পানামা খালের খনন কাজ শুরু।

(খ) – ‘নাসিমে শুমল’ নামে ইরানের প্রথম দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। দৈনিকটিতে বেশীর ভাগই হাস্য রসাত্বক, বিনোদন ও সমালোচনা ধর্মী লেখা প্রকাশিত হত।

১৯০৬ – ইরানে আলেমদের নেতৃত্বে গণ-আন্দোলনের মুখে তৎকালীন শাসক মুজাফফার উদ্দীন শাহ কাজার সংবিধান প্রণয়নের নির্দেশ জারি করতে বাধ্য হন।

১৯১৪ – (ক) জার্মানি বেলজিয়াম দখল করে নেয়।

(খ) – প্রথম মহাযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জার্মানি যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২০ – সিলেটে সিলেট জেলা খেলাফত কমিটি গঠিত হয় এবং হাওয়া পাড়ায় মৌলবী আবদুল্লাহ বিএল-এর বাসভবনে এর অস্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৯ – বঙ্গীয় আইন পরিষদ এর ২৫ জন মুসলিম সদস্য কলকাতায় একটি সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন।

১৯৩৫ – ওয়েস্ট মিনিস্টারে অবস্থিত বিবিসি’র সদর দফতর “বুশ হাউস” নির্মাণ শেষে লর্ড ব্যালফারের নেতৃত্বে উন্মোচন করা হয়।

১৯৩৫ – ভারতে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট রাজকীয় অনুমোদন লাভ।

১৯৪০ – ইতালিয় সেনাবাহিনী কেনিয়া, সুদান ও ব্রিটিশ সোমালিল্যান্ড দখল করে।

১৯৪১ – নাৎসি জার্মান বাহিনী পোলিশ বিজ্ঞানী ও লেখকদের হত্যা করে।

১৯৪২ – ফিলিপাইন স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৪৩ – কুর্স্কের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৬ – যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়।

১৯৪৭ – ইন্ডিয়া ইন্ডিপেন্ডেন্স এ্যাক্ট খসড়া আকারে ব্রিটিশ

কমন্স সভায় উত্থাপিত হয়।

১৯৫১ – চেকোস্লাভাকিয়ার আদালত মার্কিন সাংবাদিক উইলিয়াম এন ওয়াতিসকে ১০ বছরের সাজা দেন।

১৯৬৪ – দক্ষিণ চীন সাগরে উত্তর ভিয়েতনাম ও মার্কিন যুদ্ধ জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র পরাজিত হয়।

১৯৬৭ – ভারতে নাগার্জুন সাগর বাঁধের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৭২ -(ক) উগান্ডার রাষ্ট্রপতি ইদি আমিন চল্লিশ হাজার এশিয়াবাসীকে উগান্ডা থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

(খ) দুই কোরিয়া পুনরায় একত্রীকরণের লক্ষ্যে প্রথমবারের মত সরকারি ভাবে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৭৮ – লাতিন আমেরিকার ৮টি দেশের আমাজান নদী সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৮২ – ইরানের চারজন কূটনীতিককে লেবাননের মিলিশিয়ারা অপহরণ করে।

১৯৮৭- (ক)  প্রথম পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট নেয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খান।

(খ) চীনের তেং সিয়াও পিং বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাত করার সময় দুটি মৌলিক তত্ত্ব উত্থাপন করেন।

১৯৮৮ – পাকিস্তানের সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব ও খ্যাতনামা আলেম আল্লামা সাইয়্যেদ আরেফ হোসেন হোসেইনী পেশোয়ার শহরে উগ্রপন্থী ও সন্ত্রাসীদের হামলায় শাহাদাতবরণ করেন।

১৮০২ – মার্কিন ওয়েস্ট পয়েন্ট সামরিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৭ – নিউ ইয়র্ক রাজ্যে দাস প্রথার বিলুপ্তি ঘটে।

১৮২৮ – উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর জেনারেল পদে নিযুক্ত হন।

১৮২৯ – লন্ডনে প্রথম বাস চলাচল শুরু।

১৮৪৮ – কার্ল মার্কস ও ফ্রেডারিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার প্রকাশ করেন।

১৮৫৬ – মৌলভী আহমাদ উল্লাহ ও লখনৌর বেগম হযরত মহলের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধে ইংরেজদের পরাজয়।

১৮৭০ – লর্ড ওয়ানটেজ ব্রিটিশ রেডক্রস সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৮১ – ভারতের শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্যে প্রথম টয়ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

১৮৮৫ – ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়  উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ।

১৮৮৬ – কলম্বিয়াতে শাসনতন্ত্র গৃহীত হয় ।

১৭০০ – তুরস্ক-রাশিয়া যুদ্ধ বিরতি। আমেরিকার স্বাধীনতা চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণা।

১৭৭৬ – সালের এই দিনে আমেরিকা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৬৬৬ – নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সাগরে যুদ্ধ হয় ।

১৫৭৮ – আল কাছার আল কবিরের যুদ্ধে মুরদের হাতে পর্তুগিজরা পরাজিত হয়।

১৪৯২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অভিমুখে যাত্রা করেন।

১১৮১ – ক্যাসিওপিয়াতে সুপারনোভা দেখা যায় ।

১১৮৭ –  (ক) ক্রুসেডের হাত্তিনের যুদ্ধে জেরুজালেমের রাজা লুসিগনানকে সালাহুদ্দিন আইয়ুবি পরাজিত করেন।

(খ) – সুলতান সালাহুদ্দিন আইয়ুবি বায়তুল মোকাদ্দাস অধিকার করেন।

৯৫৪ – সাইফুদ্দৌলা হামদানী রোমান খ্রিস্টানদের পরাজিত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – ফ্রেড্রিখ চ্যাপম্যান রবিন্‌স, (মার্কিন বিজ্ঞানী, চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী)।

২০২০ – মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (প্রখ্যাত বাঙালি কবি,কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক)।

১৯১৯ – ডেভ গ্রিগরি, (অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার)।

১৯৩১ – রামকৃষ্ণ বিশ্বাস, (বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী)।

১৯৪৮ – মিলেভা মেরিক, (পদার্থবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রথম স্ত্রী ও সহকর্মী)।

১৯৭৮ -( সাংবাদিক ও লেখক) মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ।

১৯৮১ – মেলভিন ডগলাস, (মার্কিন অভিনেতা)।

১৮৭৫ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন, (ডেনীয় লেখক এবং কবি)।

১০৬০ – প্রথম হেনরি, (ফ্রান্সের রাজা)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

কিশোর কুমার ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের সর্বাধিক সফল এবং চলচ্চিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক এবং নায়ক, জন্ম দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি l

কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী কিশোর কুমার কে চেনেননা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্বে তিনি এক অতি পরিচিত নাম। সঙ্গীতের আকাশে তিনি এক উজ্জ্বল নক্ষত্র । কিশোর কুমার ছিলেন ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং রেকর্ড প্রযোজক। সাধারণত তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র শিল্পের সর্বাধিক সফল এবং চলচ্চিত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে বিবেচিত হন।

 

কুমার ছিলেন একজন বাঙালি পেশাজীবী পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান।কিশোর কুমার ১৯২৯ সালের ৪ ই আগস্ট ৪ টের সময় মধ‍্যপ্রধেশের খান্ডোয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মের নাম আভাস কুমার গঙ্গোপাধ‍্যায়। তাঁর ডাক নাম ছিল কিশোর। তাঁর পিতার কুঞ্জলাল গাঙ্গুলী। তিনি ছিলেন উকিল। তাঁর মাতার নাম গৌরি দেবী, তিনি ছিলেন একজন গৃহকর্তী।

কুঞ্জলাল গাঙ্গুলীর পৈতৃক বাড়ি ও জন্মস্থান হলো ঢাকার অদূরে বিক্রমপুরে (বর্তমান নাম মুন্সীগঞ্জ)। কুঞ্জলাল জীবিকার তাগিদে মধ্য প্রদেশে চলে যান। কিশোর কুমারের জন্মনাম ছিল আভাস কুমার গাঙ্গুলী। চার ভাই বোনের ভিতর কিশোর ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ। সবথেকে বড় ছিলেন অশোক কুমার তারপর সীতা দেবী। তারপর অনুপ কুমার আর অনুপ কুমারের থেকে পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন কিশোর কুমার। যখন তিনি একজন কিশোর ছিলেন, তিনি বোম্বে টকিজ ফিল্ম স্টুডিওতে মাঝে মাঝে কোরাস গায়ক হিসাবে বোম্বেতে (এখন মুম্বাই) চাকরি পেয়েছিলেন, যেখানে তার বড় ভাই অশোক কুমার ছিলেন বর্তমান তারকা।  যদিও তাঁর হৃদয় ছিল গান গাওয়ার মধ্যে, ছোট কুমার ১৯৪৬ সালে ননডেস্ক্রিপ্ট ফিল্ম শিকারীতে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন।  এটি ছিল ১৯৫১ সালের আন্দোলনের রিলিজ, যা তাকে গায়ক-অভিনেতা হিসাবে স্টারডমে প্ররোচিত করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে তার ভাই অশোকের ছায়া থেকে মুক্ত করেছিল।

 

চার স্ত্রী ছিলেন কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমারের- রুমা গুহ ঠাকুরতা, মধুবালা, যোগিতাবালি এবং লীনা চান্দাভাকর। কিশোর কুমারের প্রথম স্ত্রী এবং বাঙালি গায়িকা-অভিনেত্রী রুমার ছেলে অমিত কুমার। ১৯৫০ থেকে ১৯৫৮ পর্যন্ত বিবাহবন্ধবে আবদ্ধ ছিলেন তাঁরা। রুমা গুহঠাকুরতা (১৯৫০-১৯৫৮), মধুবালা (১৯৬০-১৯৬৯), যোগিতা বালী (১৯৭৫-১৯৭৮) এবং লীনা চন্দাভারকর (১৯৮০-১৯৮৭)। কিশোরের প্রথম পুত্র (রুমা গুহ ঠাকুরতার সাথে) অমিত কুমার একজন বিখ্যাত গায়ক। কিশোর কুমারের প্রথম স্ত্রী রুমা গুহ ঠাকুরতা এবং কিশোর কুমারের সুযোগ্য সন্তান অমিত কুমার তার বাবার মত সাফল্য না পেলেও বেশ কিছু কালজয়ী হিন্দি ও বাংলা সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন। কিশোরের ছোট ছেলে সুমিত কুমার। সুমিত কুমার ছিলেন লীনা চন্দ্রভারকারের সন্তান।

 

খাদ্যাভাসে তাঁর ছিল খাঁটি বাঙালিয়ানা। তিনি পছন্দ করতেন বাঙালী খাবার । লুচি মাংস, আলুরদম, বেগুন ভাজা ইত‍্যাদি।  তিনি এতটাই মাছের প্রতি দূর্বল ছিলেন যে তাঁর সাথে যদি কেউ  দেখা করতে আসেন তাহলে তাঁর জন‍্য সেই অতিথি মাছ নিয়ে আসতেন। এমনকি তাঁকে গান রেকর্ডিং এ রাজি করানোর জন‍্য মাছ ঘুষ দিতেন। ঈলিশ মাছ ছিল তাঁর প্রিয়।তিনি মদ‍্যপান করতেন না।

 

কিশোর কুমার বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় গান গেয়েছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে বাংলা, হিন্দি, মারাঠি, অসমীয়া, গুজরাটি, কন্নড়, ভোজপুরি, মালয়ালম, ওড়িয়া, এবং উর্দু। এছাড়াও তিনি তার ব্যক্তিগত গান সংকলনেও বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়েছেন, বিশেষত তার বাংলায় গাওয়া গানগুলি সর্বকালের ধ্রুপদী গান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তিনি ৮ বার শ্রেষ্ঠ পুরুষ নেপথ্য গায়কের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেছেন এবং একই বিভাগে সর্বাধিক ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিজয়ের রেকর্ড করেছেন। তাকে মধ্যপ্রদেশ সরকার কর্তৃক লতা মঙ্গেশকর পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং তার নামে হিন্দি চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য কিশোর কুমার পুরস্কার প্রদান চালু করে।কিশোর কুমারের গান বাংলা সঙ্গীতজগতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাঙালির সংষ্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতাবে জড়িয়ে রয়েছেন কিশোর কুমার। তার উদাত্ত কণ্ঠ মাধুর্য্য বাঙালিকে এখনও মুগ্ধ করে রেখেছে।

শধু গায়ক হিসাবে নন, তিনি হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন নামি অভিনেতাও ছিলেন। তবে তিনি তাঁর প্রথম জীবনে গায়ক হিসেবে ততটা সাফল্য অর্জন করতে পারেননি যতটা তাঁর পাওয়া উচিত ছিল। তবুও তিনি অভিনেতা হিসেবে যথেষ্ট সুনাম ও মর্যাদা লাভ করেছিলেন। তার অভিনীত বিখ্যাত কয়েকটি হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে বাপ রে বাপ (১৯৫৫), চলতি কা নাম গাড়ি (১৯৫৮), হাফ টিকিট (১৯৬২), পড়োশন (১৯৬৮), হাঙ্গামা (১৯৭১), পেয়ার দিবানা (১৯৭৩), বাড়তি কা নাম দাড়ি (১৯৭৪)। এছাড়া অন্যান্য চলচ্চিত্রের ভিতর রয়েছে নোকরি, বন্দী, দূর গগন কি ছাঁও মে, দূর কা রাহি প্রভৃতি।  তিনি সুদক্ষ অভিনেতা হওয়া সত্ত্বেও অভিনয় বস্তুটি অতটাও পছন্দ করতেন না। তাঁর সবচেয়ে প্রিয় জিনিস ছিল সঙ্গীত।

 

ভারতের প্লেব্যাক গায়কদের শীর্ষে কুমারের উত্থান একটি অসাধারণ কীর্তি ছিল।  পেশায় তার সহকর্মীদের থেকে ভিন্ন, যাদের বেশিরভাগই ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন, কুমারের কোনো আনুষ্ঠানিক সঙ্গীত প্রশিক্ষণ ছিল না।  তবুও, তিনি একজন দক্ষ অনুকরণকারী, দোভাষী এবং উদ্ভাবক ছিলেন।  তিনি রঙিন টিমব্রাল ইফেক্ট ব্যবহার করেছেন—যেমন ইয়োডেলিং—তার কণ্ঠে, বৈদ্যুতিক অঙ্গ এবং অন্যান্য অ্যাটিপিকাল যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন এবং উচ্ছ্বসিত ছন্দে তার অভিনয়কে প্রাণবন্ত করেছেন।  এই সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি শেষ পর্যন্ত কুমারের সামগ্রিক শব্দে আধুনিকতার একটি আকর্ষণীয় অনুভূতি প্রদান করেছে।

 

কিশোর কুমার সর্বমোট ২,৭০৩টি গান গেয়েছেন, যার মধ্যে ১১৮৮টি হিন্দি চলচ্চিত্রে, ১৫৬টি বাংলা এবং ৮টি তেলুগু ভাষায়।

 

প্লেব্যাক করা বাংলা ছবি—-

 

 

কবিতা, গুরুদক্ষিণা, জীবন মরণ, জ্যোতি, তুমি কত সুন্দর, অমরকন্টক, আশ্রিতা, অনিন্দিতা, অমর সঙ্গী, দোলন চাঁপা, পাপ পুণ্য, অমানুষ, বান্ধবী, মিলন তিথি, অন্তরালে, বৌমা, মোহনার দিকে, সঙ্কল্প, আনন্দ আশ্রম, রাজকুমারী, অন্যায় অবিচার, লুকোচুরি, অনুসন্ধান, সুরের আকাশে, দেবিবরণ, জীবন মরণ ইত্যাদি।

 

জনপ্রিয় বাংলা গান—

 

তোমায় পড়েছে মনে, নীল নীল আকাশে, সেদিনও আকাশে ছিল কত তারা, আমার মনের এই ময়ূর মহলে, আমার পূজার ফুল, এক পলকের একটু দেখা, এ আমার গুরুদক্ষিণা, একদিন পাখী উড়ে যাবে যে আকাশে, এই যে নদী, চিতাতেই সব শেষ, হাওয়া মেঘ সরায়ে, কি আশায় বাঁধি খেলাঘর, কি উপহার সাজিয়ে দেব, কত মধুর এ জীবন, এই যে নদী, চেয়েছি যারে আমি, নয়ন সরসী কেন ভরেছে জলে, সেই রাতে রাত ছিলো পূর্ণিমা, চোখের জলের হয় না কোনো রং, কেন রে তুই চরলি ওরে, কথা দিলাম, প্রেমের খেলা কে বুঝিতে পারে, শুনো শুনো গো সবে।

 

অভিনয় এবং গানের পাশাপাশি কুমার ভারতীয় চলচ্চিত্রের জন্য সঙ্গীত রচনা করেছিলেন।  তিনি দূর গগন কি ছাওঁ মে (১৯৬৪) এবং দূর কা রাহি (১৯৭১) সহ বেশ কয়েকটি প্রযোজনাও পরিচালনা করেছিলেন।  হালকা হৃদয়ের চলচ্চিত্রগুলির বিপরীতে যেখানে তিনি সাধারণত একজন অভিনেতা, গায়ক বা সুরকার হিসাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কুমার যে চলচ্চিত্রগুলি পরিচালনা করেছিলেন সেগুলি প্রায়শই ট্র্যাজেডি ছিল।

 

তিনি বেশ কয়েকটি গানের জন‍্য পরপর আটবার ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। এখনো পর্যন্ত পরপর এতবার কেউ পায়নি। যে গান গুলির জন‍্য পেয়েছেন সেগুলি হল-  রুপ তেরা মস্তানা (১৯৭০), দিল অ্যাইসা কিসি নে মেরা (১৯৭৬), খাইকে পান বানারাস ওয়ালা (১৯৭৯), হাজার রেহেন মুডকে দেখেন (১৯৮১), পাগ ঘুঙরু বাধ( ১৯৮৩), আগার তুম না হতে (১৯৮৪), মাঞ্জিলে আপনি জাগা হ‍্যান ( ১৯৮৫), সাগর কিনারে (১৯৮৬)। ১৯৭৫ সালে কোরা কাগজ সিনেমায় গানের জন‍্য  “সেরা নেপথ্য গায়ক” হিসাবে পুরষ্কার পান। এছাড়া আরো সিনেমায় পুরষ্কার পান। সেগুলি হল,  আনন্দ (১৯৭১), আন্দাজ (১৯৭২), হরে রাম হরে কৃষ্ণ (১৯৭৫)।

 

আজ কিংবদন্তি গায়ক কিশোর কুমারের মৃত্যুবার্ষিকী। শেষ জীবনটা বড্ড একাকীত্বে কাটছে। ১৯৮৭ সালের ১৩ ই অক্টোবর মাত্র ৫৭ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটার্কে তাঁর মৃত‍্যু হয়। মৃত‍্যুর আগের দিনেও অর্থাৎ ১২ অক্টোবর তিনি স্টুডিয়োতে রেকর্ডিং করেন।আইকনিক গায়ক এবং অভিনেতা তাঁর গাওয়া বেশ কয়েকটি হিট গান এবং অনেক স্মরণীয় ছবিতে অভিনয়ের জন্য সকলের মনে এখনও জায়গা করে আছেন ও থাকবেন চিরদিন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

Share This
Categories
কবিতা

কূয়াশা ছেড়া রোদ : লাজু চৌধুরী।

যদি একবারও মনে হয়
আমি ভুল করেছি –
তাহলে ভেবে নিবো নীঃসঙ্গাও আমার সাথে প্রতারণা করেছে।
সকালে শিশির বিন্দু গুলিও কি আমার চোখে ধোকা
দিয়েছে।
ভীষন কষ্ট হয় তোমাকে বুঝতে-
পৃথিবীর সব সুন্দর তোমাকে দিয়েছি মাঝে মাঝে
কুয়াশার চাদর তোমার শরীর মুড়ে দিয়েছি।

বাতাসে পাখির শিষের শব্দে তোমার ঘুম ভেঙ্গেছে।
সাগরের সব নীল আমি তোমার দুচোখে দিয়েছি।
প্রকৃতির গাঢ় লাল অথবা সবুজ তোমার শরীর ছুঁয়ে গেছে…….
তারপরেও যদি বলো আমি ভুল করেছি
তাহলে আজ এই বিকেলের বিদায়ের আলোতে
আমার মৃত্যু দেখো।

পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে ডাস্টবিনে সামনে পড়ে
থাকা আমার মৃত দেহ।
দিগন্ত প্রসারিত আষাঢ় বেলায় কত হাজার বার
উচ্চারণ করেছি
অনেক ভালোবাসি তোমাকে।
কিন্তু চিনা বাদামের খোসা হাতের তালুতে নিয়ে ফু
দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছ তুমি ।
সাগরের সব নীল ধূসর হয়ে যাবে
যখন আমার মৃত্যুর খবর শুনবে

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৫১ – আতিউর রহমান, (খ্যাতনামা বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ)।

১৯৮৪ – সুনীল ছেত্রী , (ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক)।

১৯০৫ – দোলোরেস দেল রিও, (মেক্সিকান অভিনেত্রী)।

১৯১৬ – শাকিল বাদায়ুনি, (ভারতীয় উর্দু কবি,লেখক ও গীতিকার)।

১৯৩০ – নির্মল সেন, (বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ)।

১৯৩৯ – উৎপলকুমার বসু, (বাংলা সাহিত্যে হাংরি আন্দোলন-এর একজন খ্যাতনামা কবি)।

১৯৪৮ – জঁ-পিয়ের রাফারাঁ, (ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী)।

১৮৫৬ – (অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী) আলফ্রেড ডেকিন।

১৮৮৬ – মৈথিলীশরণ গুপ্ত (প্রখ্যাত আধুনিক হিন্দি কবি)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – তুরস্ক জার্মানির সঙ্গে সামরিক চুক্তি।

১৯১৪ – পানামা খালের মধ্য দিয়ে প্রথম জাহাজ চলতে শুরু করে এবং এই খালের উদ্বোধন হয়।

১৯১৪ – ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে জার্মানি যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতালিয়ান বাহিনী ব্রিটিশ সোমালিল্যান্ড আক্রমণ করে।

১৯৪১ – জার্মানি রাশিয়ার একটি এলাকা দখল করে নেয়।

১৯৫৪ – ভারতে পরমাণু শক্তি বিভাগ গঠিত হয়।

১৯৫৬ – তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) এ নির্মিত প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায়।

১৯৬০ – আফ্রিকা মহাদেশের অন্যতম দেশ নাইজার পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং জাতিসঙ্ঘের সদস্যভুক্ত হয়।

১৯৯৪ – ভারতের দিল্লিতে অখিল ভারতীয় আয়ুর্বিজ্ঞান সংস্থানে প্রথম হৃদযন্ত্র প্রতিস্থাপনের চিকিৎসা করা হয়।

১৯৯৯ – পূর্ব তিমুরে নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষে রায়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীন পূর্ব তিমুরের অভ্যুদয় ঘটে।

১৮৫৮ – জন স্মীক কর্তৃক নীল নদের উৎস আবিষ্কার।

১৮৮২ – ব্রিটিশ নৌ সেনাদের সুয়েজ খাল দখল।

১৭৯৫ – গ্রিনভিল চুক্তি স্বাক্ষরিত।

১৪৯২ – ইতালির বিশিষ্ট নাবিক ক্রিস্টোফার কলোম্বাস তার সমুদ্র যাত্রা শুরু করেছিলেন।

১৪৯২ – স্পেন থেকে ইহুদিদের বের করে দেওয়া হয়।

১১০৮ – ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ লুই সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – সুভাষ চক্রবর্তী , পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকার এর ক্রীড়া ও পরিবহন মন্ত্রী , এবং ভারতের ছাত্র ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন

১৯২৮ – সৈয়দ আমীর আলী, ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি।

১৯৫৪ – বিশিষ্ট ফরাসী লেখিকা সিডেন গ্যাবরিয়াল কোল্ট এই ধরাপৃষ্ঠ।

১৯৫৭ – দেবদাস গান্ধী , মহাত্মা গান্ধীর কনিষ্ঠ পুত্র এবং খ্যাতনামা সাংবাদিক।

১৯৭৫ – অমর বসু, ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৭৮ – সাংবাদিক ও লেখক মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ।

১৮৪৬ – প্রখ্যাত আলেম সাহেবে জাওয়াহের বা রত্নের স্বত্তাধিকারী হিসাবে খ্যাত শেখ মো: হাসান নাজাফী।

১৭২১ – ইংরেজ ভাস্কর ও কাঠ খোদাই শিল্পী গিনলিং গিবনস।

১৪৬০ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় জেমস।

১২৭২ – সপ্তম হিজরীর বিশিষ্ট মনীষি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব গীয়াস উদ্দীন আব্দুল করিম ইবনে আহমদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – মার্কিন অভিনেত্রী হেলেন মর্গান

১৯২৩ – শিমন পেরেজ, পোলীয় বংশোদ্ভূত ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি।

১৮৪১ – বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী, ব্রাহ্মসমাজের আচার্য ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৬১ – আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, বাঙালি রসায়নবিদ, বিজ্ঞানশিক্ষক, দার্শনিক ও কবি।

১৮৬৮ – বাংলা চলচ্চিত্রের প্রাণপুরুষ হীরালাল সেন।

১৮৭৬ – পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া,স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের জাতীয় পতাকার নকশাকার।

১৮৮৭ – টমি ওয়ার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৮৯৯ – মহেন্দ্রনাথ দত্ত, মুদ্রণ শিল্পের ও প্রকাশনা জগতের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব।

১৬৯৬ – উসমানীয় খলিফা প্রথম মাহমুদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১০ – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতন-ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর প্রসাশনের পুলিশ বাহিনী অতর্কিতে হামলা চালায়।

২০১৮ – সাঁওতালি উইকিপিডিয়ার যাত্রা শুরু।

১৯১৪ – সোভিয়েত সেনাবাহিনী পূর্ব প্রুশিয়া দখল করে ।

১৯২২ – চীনে টাইফুনের আঘাতে ৬০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে ।

১৯৩৪ – জার্মানির স্বৈরশাসক রূপে এডলফ হিটলারের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

১৯৩৫ – গভর্নমেন্ট অব ইন্ডিয়া অ্যাক্ট জারি।

১৯৫৩ – ভারতে গভর্ণমেন্ট অব ইন্ডিয়া জারি করা হয় ।

১৯৫৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বলিভিয়া।

১৯৯০ – ইরাকি ট্যাঙ্ক ও পদাতিক বাহিনী কুয়েত দখল করে।

১৮৫৮ – ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে এবং ভারতের সর্বোচ্চ শাসককে ‘ভাইসরয়’ পদবি দেওয়া হয়।

১৭১৮ – স্পেনের বিরুদ্ধে লন্ডনে ব্রিটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া ও হল্যান্ড- এই চতুঃশক্তির মৈত্রী জোট হয়।

১৭৬৩ – মুর্শিদাবাদ দখলের পর ব্রিটিশ সৈন্য বাহিনী মিরকাশিমের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। যুদ্ধে মিরকাশিম পরাস্ত হন।

১৭৯০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম আদমশুমারি শুরু হয় ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, নরওয়েজীয় গণিতবিদ, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা মুঘল ও রাজনীতিবিদ।

১৯২২ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্কটিশ বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।

১৯২৩ – ওয়ারেন জি. হার্ডিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৩৪ – জার্মানীর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানীর সেনা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ফিল্ড মার্শাল হিডেন বার্গ।

১৯৭৬ – ফ্রেডিরিক এ্যান্টন ক্রিস্টিয়ান ল্যাং, অস্ট্রীয়-মার্কিন চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার।

১৯৮০ -রামকিঙ্কর বেইজ প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি ভাস্কর।

১৯৯৩ – কমল মিত্র, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৮৪৪ – রামকমল সেন,এশিয়াটিক সোসাইটির প্রথম ভারতীয় সচিব,অভিধান প্রণেতা ও ব্যাঙ্ক অফ বেঙ্গলের আজীবন দেওয়ান।

১৮৪৯ – মিসরে মোহাম্মদ আলী পাশা।

১৭১২ – খ্যাতনামা ফরাসী বিজ্ঞানী ড্যানিস পাপিন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This