Categories
রিভিউ

আজ ২৮ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৮ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৬ – মারিয়া গ্যোপের্ট-মায়ার, নোবেলজয়ী জার্মান বংশোদ্ভুত মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানী।

১৯১২ – কার্ল ফ্রিডরিখ ফন ভাইৎস্যেকার, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।

১৯২১ – পি. ভি. নরসিংহ রাও, ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের দ্বাদশ প্রধানমন্ত্রী।

১৯২৬ – মেল ব্রুক্স, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সুরকার, গীতিকার, কমেডিয়ান, অভিনেতা এবং প্রযোজক।

১৯২৭ – শেরউড রোল্যান্ড, মার্কিন রসায়নবিদ।

১৯২৮ – প্যাট্রিক হেমিংওয়ে, আমেরিকান লেখক।

১৯২৮ – জন স্টুয়ার্ট বেল, আয়ারল্যান্ডীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯২৮ – পিটার হেইন, প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৩০ – ইতামার ফ্রাঁকু, ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি।

১৯৩৪ – রয় গিলক্রিস্ট, জ্যামাইকান ক্রিকেটার।

১৯৪০ – মুহাম্মদ ইউনুস, বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।

১৯৪১ – ফেরদৌসী রহমান, বাংলাদেশী প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী।

১৯৪৩ – ক্লাউস ফন ক্লিৎসিং, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৬ – ব্রুস ডেভিসন, মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৪৮ – ক্যাথি বেট্‌স, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৫৭ – ক্যাথি ক্রস, নিউজিল্যান্ডীয় প্রমিলা ক্রিকেটার ও আইসিসি মনোনীত আম্পায়ার।

১৯৬৬ – জন কিউস্যাক, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৭০ – মুশতাক আহমেদ (ক্রিকেটার), পাকিস্তানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৭১ – ফাবিয়ঁ বার্থেজ, প্রখ্যাত ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭১ – ইলন মাস্ক, দক্ষিণ আফ্রিকান প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা।

১৯৮৫ – ফিলিপ ফিল অ্যান্টোনিও বার্ডসলে, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৯ – মার্কিপ্লায়ার, একজন খ্যাতনামা মার্কিন ইউটিউব ব্যক্তিত্ব।

১৯৯১ – কেভিন ডি ব্রুইন, বেলজিয়ান পেশাদার ফুটবলার।

১৮৬৭ – লুইগি পিরান্ডেলো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৮৭৩ – অ্যালেক্সিস কারেল, খ্যাতনামা ফরাসি চিকিৎসাবিদ।

১৮৮৩ – পিয়েরে লাভাল, ফরাসি সৈনিক, রাজনীতিক ও ১০১ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৮৮ – জর্জ চ্যালেনর, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৯৪ – গোকুলচন্দ্র নাগ, প্রখ্যাত ‘কল্লোল’ পত্রিকার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সহকারী সম্পাদক ।

১৮৯৯ – আবদুল মোনেম খান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

১৭১২ – জঁ-জাক রুসো, সুইজারল্যান্ডীয় দার্শনিক।

১৬৫৩ – মুহাম্মদ আজম শাহ, মোগল সম্রাট।

১৫৭৭ – পিটার পল রুবেনস, তিনি ছিলেন ফ্লেমিশ চিত্রশিল্পী ও কূটনীতিক।

১৪৯১ – অষ্টম হেনরি, ইংল্যান্ডের রাজা।

১৪৭৬ – পোপ চতুর্থ পল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৯ – ভার্সাই চুক্তি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরপর যুদ্ধের মিত্রশক্তি ও তৎসংশ্লিষ্ট শক্তিসমূহ এবং জার্মানির মধ্যে সম্পাদিত হয়।

১৯৫৪ –  জওহরলাল নেহরু ও চৌ এন লাই ভারত ও চীনের মধ্যে পঞ্চশীলা নীতি ঘোষণা করেন।

১৯৬৩ –  ক্রুশ্চেভ পূর্ব বার্লিন সফর করেন।

১৯৬৭ –  ইসরাইল কর্তৃক পূর্ব জেরুজালেম দখল হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রোমানিয়া।

১৯৭৬ – ভারত মহাসাগরের দ্বীপপুঞ্জে সেচিলিসের ১০২ বছর ব্রিটিশ শাসনাধীন থাকার পর স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৬ – আমেরিকার বিমান ও নৌবাহিনীতে প্রথম মহিলা ক্যাডেট অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭৮ – পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের দেহভস্ম ঢাকার ধর্মরাজিক বৌদ্ধবিহারে সংরক্ষণ করা হয়।

১৯৯৬ – তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সুলাইমান ডেমিরেলের ৭৩ বছরের মধ্যে প্রথম দেশে ইসলামিক নেতৃত্বাধীন সরকার অনুমোদিত হয়।

১৮২০ – প্রমাণিত হয় যে টমেটো বিষাক্ত নয়।

১৮৩৮ – ওয়েস্ট মিনস্টার অ্যাবেতে ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার অভিষেক ঘটে।

১৭৫৭ – মীর জাফর নবাব হন এবং রবার্ট ক্লাইভ বেঙ্গলের গভর্নর নিযুক্ত হন।

১৬৫৭ – দারা শিকোহ অনূদিত ‘শিক-ই আকবর’ প্রকাশিত হয়।

১৩৮৯ – অটোমান সামরিক বাহিনী সার্বিয়ান বাহিনীকে পরাজিত করে।

১২৬৬ – মুসতানসির বিল্লাহ আব্বাসীয় খিলাফত লাভ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – জোয়ান সিমস, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০০৬ – ফুলরেণু গুহ, পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত সমাজ সেবিকা ও ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ও রাজ্যসভার সদস্যা।

২০০৬ – তাপস সেন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতের বাঙালি আলোকসম্পাত শিল্পী।

২০০৯ – এ. কে. লোহিত দাস, ভারতীয় পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

২০১২ – রবার্ট সাবায়টিয়ার, ফরাসি লেখক ও কবি।

১৯১৫ – ভিক্টর ট্রাম্পার, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯১৭ – স্টেফান লুচিয়ান, রোমানিয়ান চিত্রশিল্পী।

১৯৩৬ – আলেকজান্ডার বেরকমান, আমেরিকান লেখক ও সমাজ কর্মী।

১৯৭২ – প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবীশ, ভারতীয়বিজ্ঞানী, পরিসংখ্যানবিদ এবং ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৭৪ – ভ্যানিভার বুশ, মার্কিন প্রকৌশলী ও বিজ্ঞান প্রশাসক।

১৯৭৫ – রড সেরলিং, আমেরিকান অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৮১ – টেরি ফক্স, কানাডিয়ান ক্রীড়াবিদ, মানবহিতৈষী এবং ক্যান্সার গবেষাণা কর্মী।

১৯৮৬ – হাজী মোহাম্মদ দানেশ, অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের একজন কৃষক নেতা।

১৯৯২ – মিখাইল তাল, লাতভীয় দাবাড়ু।

১৯৯৬ – বিশিষ্ট বাঙালি রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী নীলিমা সেন।

১৮৩৬ – জেমস ম্যাডিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি।

১৮৩৯ – মহারাজা রণজিৎ সিং, পাঞ্জাব কেশরী এর রাজা।

১৫৮৬ – প্রিময টরুবার, স্লোভেনীয় লেখক ও সংস্কারক।

১৫৯৮ – আব্রাহাম অরটেলিউস, ফ্লেমিশ মানচিত্রকর ও ভূগোলবিদ।

১৩৮৫ – আন্ড্রোনিকস চতুর্থ পালাইওলোগোস, বাইজান্টাইন সম্রাট।

০৭৬৭ সালে এই দিনে মৃত্যুবরণ ইতালিয়ান পোপ প্রথম পল।

০৫৪৮ – প্রথম থিওডোরা, বাইজেন্টাইন জাষ্টিনিয়ানের স্ত্রী।

০৫৭২ – আল্বোইন, লোম্বারডের রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন প্রজাপতিরদের স্বর্গরাজ্য ইয়েলবং।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান ইয়েলবং।

 

 

ইয়েলবং হল কালিম্পং পাহাড়ের একটি ছোট গ্রাম, যা ফ্রান্সিস রাই অন্বেষণ করেছিলেন।  আপনি শিলিগুড়ি বা নিউ মাল জংশন স্টেশন থেকে সাধারণত ৩ ঘন্টার মধ্যে এই জায়গায় পৌঁছাতে পারেন।  বাগরাকোটের দিকে রাস্তা ধরুন যা এই উভয় জায়গা থেকে ১৮ কিমি দূরে এবং এখান থেকে ইয়েলবং মাত্র ৭ কিমি দূরে।  ইয়েলবং কালিম্পং এর উপত্যকা এবং হিমালয়ের কুয়াশা দ্বারা লুকিয়ে আছে, ইয়েলবং হল উত্তরবঙ্গের একটি অজানা রত্ন যা জলপ্রপাত, গভীর জঙ্গল, প্রজাপতি প্রেমীদের জন্য একটি স্বর্গ, ইয়েলবং রিভার ক্যাম্পিং, Yelbong রিভার ক্যাম্পিং,  এবং এর মধ্যে সেরা হল ইয়েলবং নদী ক্যানিয়ন গুহা।  গুহাটি ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটিই একমাত্র নদী গিরিখাত গুহা যা উত্তরবঙ্গে ২ কিলোমিটার দীর্ঘ।

ইয়েলবং, পশ্চিমবঙ্গের কালিম্পং জেলার একটি ছোট্ট গ্রামীণ পাহাড়ি জনপদ যেখানে সুন্দর গ্রামবাসীরা আপনাকে স্বাগত জানাতে এবং লুকানো ধন, মাতৃ প্রকৃতি তাদের চারপাশে রাখা এবং তারা তাদের খুব ভালভাবে রক্ষা করছে।  আপনি যদি সিনেমার মতো বনের মধ্যে লুকানো জলপথ এবং উঁচু জলপ্রপাত দ্বারা বেষ্টিত অন্বেষণ এবং ট্রেকিংয়ের পাগল হন, তাহলে আপনাকে উত্তরবঙ্গের ইয়েলবং ছাড়া আর যেতে হবে না।  জলপ্রপাতের মধ্য দিয়ে এর উত্তেজনাপূর্ণ সরু পথের কারণে নদীর গিরিখাত দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে, জায়গাটি এখন দ্রুত একটি অ্যাডভেঞ্চারের জন্য এলাকার পছন্দসই স্থান হয়ে উঠছে।  এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার আত্মাকে ভরিয়ে দেবে।  এটি পাহাড়ি ঢাল, বন এবং নদী দ্বারা বেষ্টিত।  সূর্যোদয়ের আশ্চর্যজনক দৃশ্য, সেইসাথে সূর্যাস্ত, আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে তুলবে।  পাখির কিচিরমিচির, সুন্দর প্রজাপতির চুম্বন, পাহাড়ের ঢালে বয়ে যাওয়া নদীর শব্দ, মনোরম, যত্নশীল মানুষ সব মিলে এই জায়গাটিকে একটি স্বপ্নময় গন্তব্য করে তোলে।

 

ইয়েলবং রিভার ক্যানিয়ন ট্রেকিংয়ের জন্য বিখ্যাত, রুমটি নদীর ধার বরাবর পাথরের উপর দিয়ে পায়ের টাল সামলে কেভে পৌঁছানো একটা চ্যালেঞ্জ। এটি প্রায় ২ কিলোমিটার বিস্তৃত নদীর পাড় ঘেঁষে ট্রেকপথ যার শেষে একটি গুহার দেখা মিলে যেরকমটা হয়ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সেরকম খুব একটা নেই। পাহাড়ী নদী তার আপন ছন্দে কখনো উত্তাল কখনো নিস্তরঙ্গ ঝিরিঝিরি হয়ে বয়ে চলেছে গুহার বুক চিরে। তবে এতোটুকু বলা যেতেই পারে – কেভে প্রবেশ করার পর নিজেকে খুঁজে পাবেন অন্য এক দুনিয়ায়। কেভের পথও বেশ চ্যালেঞ্জিং। নিজেকে মেন্টালি ও ফিজিক্যালি আগে থেকে তৈরি করে এই ট্রেকে আসা বাধ্যতামূলক। ।  সিনেমার মতোই লুকানো জলপথ এবং বনের মধ্যে উঁচু জলপ্রপাত দ্বারা বেষ্টিত এবং এটি অ্যাডভেঞ্চার প্রেমীদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জনের প্রধান কারণ।
একটি গিরিখাত হল একটি গভীর, সরু উপত্যকা যার চারপাশে পাথুরে খাড়া দেয়াল রয়েছে, সাধারণত একটি নদী যার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।  নদীর গিরিখাত একই সাথে ভুতুড়ে এবং রোমাঞ্চকর।  ইয়েলবং এ উত্তরবঙ্গের সেরা ক্যানিয়ন ট্রেক রয়েছে।  আপনি জঙ্গলের গভীরে অনেক সুন্দর এবং দর্শনীয় জলপ্রপাত দেখতে পাবেন, যা বিশ্রাম এবং শান্তিপূর্ণ সময় উপভোগ করার জন্য উপযুক্ত।  এই ট্র্যাক চলাকালীন ২ প্রকৃতির লুকানো ধন আপনাকে লালন করবে, একটি হল ‘রেনবো জলপ্রপাত’ – একটি জলপ্রপাত যা রংধনু রঙ ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যটি ‘থ্রি-স্টেপ জলপ্রপাত’।  মূল অ্যাডভেঞ্চার ট্রেক এখান থেকে শুরু হয় যা র‌্যাপেলিং, সাঁতার কাটা, বোল্ডারিং, গুহায় স্ক্রলিং, রিভার ক্রসিং এবং অ্যাডভেঞ্চার অ্যাক্টিভিটিগুলির আরও অনেক শর্তকে একত্রিত করে।

 

 

ইতিহাস—

“ইয়েলবং এর স্থানীয় ছেলে ফ্রানচিস ছোট বেলায় কয়লার খনিতে হিরে খুঁজতে গিয়ে প্রথম এই রিভার ক্যানিয়নটি আবিষ্কার করেন। প্রথমে ভয়ে ফিরে এলেও পরে দলবল নিয়ে পুরো টাই খুঁজে বের করেন। আগে এই পুরো রিভার বেড টাই কয়লার খনি হলেও পরে ১৯৬২ সালের দিকে ধস নেমে খননকার্য বন্ধ হয়ে যায়। পুরো ট্রেক টাই বেশ রোমহর্ষক এবং খুব সোজা মোটেই নয়। প্রথমে গ্রাম থেকে ট্রেক করে ৫ কিলোমিটার এর মতো নামতে হবে রিভার বেডে। এরপর ক্যানিয়নে জল, পাথর ডিঙিয়ে এগিয়ে চলতে হবে পুরোটা দেখতে। পুরো ব্যাপার টাই বেশ থ্রিলিং এবং অনবদ্য।

 

ইয়েলবং যাওয়ার উপায়—

এবার জেনে নেবো ইয়েলবং যাওয়ার উপায়। ট্রেনে করে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন, তারপর ওখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে ইয়েলবং। গাড়ি বাগরাকোট স্টেশন থেকে ইয়েলবং এর দিকে যাবে। গোটা রাস্তা ৩০ কিলোমিটার মতো , তবে সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মতো। গাড়ি একদম গ্রামের ভিতর এর রাস্তায় না যেতে চাইলে অগত্যা ৪ কিলোমিটার মতো পায়ে হাঁটাই ভরসা।

 

কোথায় থাকবেন—

ইয়েলবং একটি ইকো ফ্রেন্ডলি গ্রাম। ইয়েলবং রিভার ক্যানিয়ন প্রকৃতির এক বিরল সৃষ্টি যা ভারতে খুব কমই পাওয়া যায়। এখানে এখন বেশ কিছু হোম স্টে চালু হয়েছে।

 

 

ইয়েলবং-এ কি করবেন–

ইয়েলবং রিভার ক্যানিয়নে ট্রেক করুন।
প্রজাপতি দেখুন।
পাখি দেখুন।
ফরেস্ট হাইক করুন।
মাউন্টেন ভিউ।
ট্রেক করুন বা ইয়েলবং-এ অন্যান্য লুকানো জায়গাগুলি অন্বেষণ করুন।
নদীর ধারে নাইট ওয়াক করুন। আপনাদের মন ভোরে যাবে।

 

সর্বপরি বলা যেতে পারে ইয়েলবং প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এক টুকরো স্বর্গ।  সেগুলি পর্যবেক্ষণ করতে এবং কিছু স্ন্যাপ নিতে ভুলবেন না।  আপনার ফটোগ্রাফিক দক্ষতা অন্বেষণ একটি নিখুঁত জায়গা। আপনি অফবিট লুকানো জলপ্রপাত দেখতে পারেন।  স্থানীয় বন্ধু তৈরি করুন, দেশীয় ছেলেদের সাথে খেলুন। জীবনের সরলতা পর্যবেক্ষণ করতে ইয়েলবং গ্রামের চারপাশে হাঁটুন।

 

।।ছবি ও তথ্য : সংগৃহীত গুগল ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

 

আজ ২৭ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) স্বাধীনতা দিবস (জিবুতি)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত, ইংরাজী সাহিত্যের দিকপাল শিক্ষক, শেক্সপিয়ার সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক।

১৯১৫ – আইদেউ সন্দিকৈ, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯১৯ – অমলা শংকর, ভারতীয় ব্যালে নর্তকী।

১৯২২ – জহুর হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশী সাংবাদিক, সম্পাদক, কলাম লেখক ও রাজনীতিবিদ।

১৯২৪ – বব এপলইয়ার্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৩৯ – রাহুলদেব বর্মন, ভারতীয় সুরকার, সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৩৯ – নীল হক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার এবং ফুটবলার।

১৯৪১ – ক্রিস্তফ কিয়েশ্‌লফ্‌স্কি, পোল্যান্ডের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৫৫ – ইজাবেল আদজানি, ফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৫৯ – আমেরিকান গায়িকা লরে মরগান।

১৯৬৪ – পি. টি. ঊষা, ভারতীয় ট্র্যাক এবং ফিল্ড ক্রীড়াবিদ।

১৯৭৫ – টোবি ম্যাগুইয়ার, মার্কিন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।

১৯৭৭ – রাউল গনজালেস, স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮০ – কেভিন পিটারসন, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – ডেল স্টেইন, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী ক্রিকেটার।

১৮০৬ – অগাস্টাস ডি মর্গান, ভারতে জন্মগ্রহণকারী ব্রিটিশ গণিতবিদ ও যুক্তিবিজ্ঞানী।

১৮৩৮ – পল মাউজার, জার্মান অস্ত্র নকশাকার ও প্রস্তুতকারক।

১৮৬৯ – এমা গোল্ডম্যান, একজন নৈরাজ্যবাদী রাশিয়ান লেখক যিনি লেখা, বক্তৃতা এবং রাজনৈতিক।

১৮৮০ – হেলেন কেলার, আমেরিকান একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী।

১৮৮৬ – চার্লি ম্যাককার্টনি, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ছিলেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – গর্ডন ব্রাউন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯০০ – সেন্ট্রাল লন্ডনে ইলেকট্রিক রেলওয়ে চালু হয়।

১৯৫৪ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়।

১৯৬৭ – পৃথিবীর প্রথম এটিএম (অটোমেটেড টেলার মেশিন) স্থাপন করা হয় ইংল্যান্ডের এনফিল্ড শহরে।

১৯৭৪ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিঙ্ন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণে যান।

১৯৭৭ – জিবুতি (সাবেক ফরাসী সোমালিল্যান্ড) স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ – সোভেনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৯১ – বিখ্যাত ‘কমিউনিস্ট ইস্তেহারে’র প্রথম সংস্করণের একটি কপি লন্ডনে নিলামে ৬৮১০০ ডলারে বিক্রি হয়।

১৭৫৯ – কুইবেক যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – বাঙালি ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক এবং সাহিত্যিক শঙ্কর ভট্টাচার্য।

২০০১ – জ্যাক লেমন, আমেরিকান অভিনেতা।

২০০৮ – শ্যাম মানেকশ’ পারস্য বংশোদভূত ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম ফিল্ড মার্শাল।

২০১২ – মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি ধ্রুপদী কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

১৯১২ – জর্জ বোনর, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯২৮ – উৎকলমণি গোপবন্ধু দাস, ভারতের ওড়িশা রাজ্যের প্রখ্যাত সমাজ সংস্কারক ও কর্মী, কবি,সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক।

১৯৫৭ – ব্রিটিশ কথাসাহিত্যিক ম্যালকম লাউরি।

১৯৭৯ – বন্দে আলী মিয়া, বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, ঔপন্যাসিক, শিশু সাহিত্যিক সাংবাদিক ও চিত্রকর।

১৯৮০ – ইরানের সাবেক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি।

১৯৮৯ – এ. জে. এয়ার, ব্রিটিশ দার্শনিক।

১৯৯৮ – নিখিল চক্রবর্তী খ্যাতনামা সাংবাদিক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও প্রসার-ভারতীর বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান।

১৮২৯ – ইংলিশ বিজ্ঞানী ও দার্শনিক জেমস স্মিথসন।

১৮৩৯ – শিখ মহারাজা রণজিৎ সিং।

১৮৪৪ – জোসেফ স্মিথ, আমেরিকান ধর্মীয় নেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
কবিতা

আশা : রাণু সরকার।

আশা এতো ক্ষুধাতুর কেঁদে মরে অন্তরে,
স্বাভাবিক নিয়মে দিনের পর দিন ;
ওর ক্ষুধা বেড়ে যাচ্ছে-
কষ্ট হলো বটে,
তবুও মনের কষ্টে কিছু বহিষ্কার করলাম-
যেতে কী আর চায়,
ঘুরেফিরে আবার এলো জ্বালাতে।
ওর এতো জ্বালা পাগোলের মতো লাগছিলো,
তখন ইচ্ছে হলো-
আশাকে আগুনে নিক্ষেপ করতে,
করলামও-
এতো প্রবঞ্চক অন্তর ভেঙে করছে হাজার খণ্ড কি করে ভালোবাসি?
আমি তো চিনি ওকে-
একরকম হত্যা করেছে আমাকে বাঁচিয়ে রেখে।

Share This
Categories
কবিতা

কালপুরষ : রাণু সরকার।

কালপুরুষ, আমি কে? চেনো আমাকে?
আমি যন্ত্রণাতুরা, এবার চিনেছো আমাকে?

আমার হৃদয়ে সদা বসবাস এক যন্ত্রণায় কাতর নারী।

আমার চোখ দেখে বুঝতে পারবে চোখের জলের আচ্ছাদন?

আমি আছি আমার মত-
আমার চোখের আচ্ছাদন গাঢ় রাতের মত- তাকে নিয়ে আমার বসবাস।

Share This
Categories
কবিতা

গণিকা : রাণু সরকার।

যাদের শরীরে কালো রেখাঙ্কনের ছাপ-
তারা হলো গণিকা,
সর্বসাধারণ তাদের ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখেন,
দেখারই কথা,
সব মানুষ তো সমান নয়
যে কর্ম করেন তারা, সমাজের চোখে ঘৃণার
আমি ওদের ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখিনা বা পরিবাত করি না বরং বাহবা দিই….

একবারও কী ভেবে দেখেছি?

রীতিনীতির বিরুদ্ধে তারা, বিকৃত বুদ্ধির
কিছু মানুষ আছেন তাদের আবশ্যকতা আপাতত নির্মল ও কলুষমুক্ত রেখেছেন সমাজকে।

কামনা বাসনা আপন শরীরে দিয়েছে আশ্রয়-
সেটা যেভাবেই হোক না কেনো-
অভাবে বা স্বভাবে দু’রকমের নারী আছে।
দুষ্কর্মকারীদের বিকৃত কামনা বাসনাকে বেঁধে তো রেখেছে তাদের শরীর দিয়ে।
যদি ওরা এই কর্ম না করতো
তাহলে তো সমাজটা নরক হয়ে যেত-
সাধারণের বসবাসের অযোগ্য হতো সমাজ।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ‘আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস’, জানব দিন দুটি পালনের গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু কথা।

 

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস।

 

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ২৬ জুনকে মাদকবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।পরের বছর থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস হল মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক দিবস । এটি ১৯৮৯ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ জুন পালিত হয়। চীনে প্রথম আফিম যুদ্ধের ঠিক আগে ২৫ জুন, ১৮৩৯-এ শেষ হয়েছিল হুমেন , গুয়াংডং -এ লিন জেক্সুর আফিম ব্যবসার অবসানের স্মরণে ২৬ জুন তারিখটি। ৭ ডিসেম্বর ১৯৮৭-এর সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন ৪২/১১২ দ্বারা এই পালন করা হয়েছিল ।

২৬ জুন ১৯৮৭, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য ( মাদক অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যত কার্যক্রমের ব্যাপক বহুবিভাগীয় রূপরেখা এবং মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা ) গৃহীত হয়েছিল। ১৭-২৬ জুন ১৯৮৭ সময়কালে। সম্মেলন সুপারিশ করে যে মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব চিহ্নিত করার জন্য একটি বার্ষিক দিবস পালন করা উচিত। ১৭ জুন এবং ২৬ জুন উভয় তারিখই প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং পরবর্তী বৈঠকে ২৬ জুন বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং খসড়া এবং চূড়ান্ত রেজোলিউশনে লিখিত হয়েছিল।

 

সারা পৃথিবী জুড়ে আজ মাদক পাচার একটি গভীর সঙ্কটের রূপ নিয়েছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে, যেসব দেশে অর্থের অভাবে ভুগছেন বহু সংখ্যক মানুষ, এবং নিরাপত্তার অভাবে আটকানো যায় না বহু অপরাধ। এই পরিস্থিতিতে অপরাধের পথে মানুষকে চালিত করা সহজতর হয়ে পড়ে। সমীক্ষায় প্রকাশ, মাদক পাচারের ফলে ব্যাহত হয় শিক্ষা, বাড়ে অপরাধ। আন্তর্জাতিক স্তরে মাদক বিরোধী দিবস পালনের উদ্দেশ্য, সমস্যাটির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা, এবং বিভিন্ন স্তরে আলচনার মঞ্চ গড়ে তোলা। এই দিনটি পালন করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মাদক সেবন ও পাচারের মারাত্মক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, এবং প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা।

 

বিভিন্ন দেশের মানুষ একসঙ্গে দিবসটি উদযাপন করে। যেহেতু ওষুধের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়, দিনটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল ড্রাগ পলিসি কনসোর্টিয়াম দ্বারা সমন্বিত , এটি দাবি করে যে ওষুধ নীতির পন্থাগুলি স্বাস্থ্য, মানবাধিকার এবং মাদক ব্যবহারকারী লোকেদের অপরাধীকরণের অবসানের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। আজ ২৬ জুন, আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারে দিবসটির  প্রতিপাদ্য- ‘মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’।

 

 

আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস।

 

নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক দিবস হল প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য এবং সারা বিশ্বে ভুক্তভোগী এবং বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের সম্মান ও সমর্থন করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক পালন করা হয়।

 

এই দিনটি সমাজে অগ্রহণযোগ্য মানবিক নির্যাতন সম্পর্কে জনগণের মধ্যে শুধু সচেতনতাই ছড়ায় না, তাদের জানিয়ে দেয় যে এটি একটি অপরাধ।

বিশ্ব জুড়ে, অসংখ্য মানুষ আছে যারা শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের সম্মুখীন হয়।  যদিও এটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অপরাধ, এমন অনেক ঘটনা রয়েছে যা রিপোর্ট করা হয়নি।  তাই, সমস্ত স্টেকহোল্ডারদেরকে একত্রিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর জন্য যারা অপব্যবহার ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন এবং অব্যাহত রেখেছেন, প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে পালন করা হয়।  জাতিসংঘ দাবি করে যে নির্যাতনের পরিণতি হল এটি সহিংসতার চক্রে পরিণত হতে পারে এবং পরবর্তী প্রজন্মের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

ইতিহাস—-

 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দুটি কারণে দিনটিকে বেছে নেয় । প্রথমত, ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝখানে জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল – প্রথম আন্তর্জাতিক উপকরণ যা জাতিসংঘের সদস্যদের মানবাধিকারকে সম্মান ও প্রচার করতে বাধ্য করে । দ্বিতীয়ত, ২৬ জুন ১৯৮৭ ছিল যখন নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশন কার্যকর হয়েছিল।
বার্ষিক নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্তটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ডেনমার্কের প্রস্তাবে গৃহীত হয়েছিল, যা বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক পুনর্বাসন কাউন্সিল ফর টর্চার ভিকটিম (আইআরসিটি) এর আবাসস্থল।

 

১৯৯৮ সালের ২৬ জুন নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করে, জাতিসংঘ সমস্ত সরকার, স্টেকহোল্ডার এবং বৈশ্বিক সমাজের সদস্যদের এই আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এবং যারা  বিশ্বের প্রতিটি কোণে এটি কার্যকর করুন।  দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি তাদের সমর্থনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে যারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর তারপর থেকে, সারা বিশ্বের কয়েক ডজন দেশে প্রায় ১০০টি সংস্থা প্রতি বছর ইভেন্ট, উদযাপন এবং প্রচারাভিযানের মাধ্যমে দিবসটিকে চিহ্নিত করে।
১৬ জুলাই ২০০৯ তারিখে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাতে নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবসটিকে সরকারী ছুটি হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল ।

সর্বশেষ ২৬ জুন গ্লোবাল রিপোর্ট (২০১২) অনুসারে, বিশ্বের ৬০টি দেশে অন্তত ১০০টি সংস্থা সম্মেলন, কর্মশালা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, সাংস্কৃতিক ও সঙ্গীত অনুষ্ঠান, শিশুদের জন্য অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করেছে। এশিয়ায় এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন প্রতি বছর আঞ্চলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নির্যাতন বিরোধী নেটওয়ার্ক যারা এখনও নির্যাতনের ব্যাপক ব্যবহারে ভুগছে তারা সমাবেশ এবং জনসাধারণের অনুষ্ঠান করে। এই কারণেই জাতিসংঘ এই দিনটিকে নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে বেছে নিয়েছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৬ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস।

(খ) আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – সালবাদোর আইয়েন্দে, চিলির প্রথম সমাজতন্ত্রবাদী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

১৯১২ – জীবন ঘোষাল, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯১৩ – এমে সেজায়ার, মার্তিনিকের একজন ফ্রাঙ্কোফোন কবি, লেখক, এবং রাজনীতিবিদ।

১৯১৪ – সুলতান আহমদ নানুপুরী, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব।

১৯২১ – ভিয়োলেট জাবো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ফ্রেন্স-ব্রিটিশ গুপ্তচর।

১৯২২ – এলিনর পার্কার, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৩৪ – কামাল লোহানী, বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাহিত্যজন, শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক।

১৯৩৭ – রবার্ট কোলম্যান রিচার্ডসন, মার্কিন পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪০ – কেতকী কুশারী ডাইসন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কবি, লেখিকা, অনুবাদক ও গবেষক।

১৯৫১ – গ্যারি গিলমোর, প্রখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৬৮ – পাওলো মালদিনি, ইতালির সাবেক ফুটবলার।

১৯৭০ – পল টমাস অ্যান্ডারসন, মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৭৬ – পমি এমবাঙ্গা, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – নিক কম্পটন, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংলিশ ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – সামির নাসরি, ফরাসি ফুটবলার।

১৯৯৩ – আরিয়ানা গ্রান্দে, মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী।

১৮৩৮ – সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, উনিশ শতকের বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৮৭৩ – গওহর জান, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী।

১৮৮৫ – সুইস মনোবিদ ও চিকিৎসক কার্ল গুস্তাফ ইয়ুং।

১৮৮৭ – যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম কবি।

১৮৯২ – পার্ল এস. বাক, মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক।

১৫৭৫ – ডেনমার্ক ও নরওয়ের রানি অ্যান ক্যাথরিন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – এই দিন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে।

১৯২৪ – আমেরিকান সৈন্যরা ডোমিনিয়ন রিপাব্লিক ত্যাগ করে।

১৯৩৪ – প্রথম বারের মত ব্যবহারিক হেলিকপ্টারফক উল্‌ফ এফ ডাব্লিউ ৬১ আকাশে উড়ে।

১৯৪০ – ২য় বিশ্বযুদ্ধ।

১৯৪১ – ফিনল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

১৯৪৫ – সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নিরাপত্তা সনদে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর।

১৯৪৫ – ব্রিটেনের লেবার পার্টি জয়লাভ করার পর উইনস্টন চার্চিল ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান।

১৯৪৮ – পশ্চিমা জোট বার্লিন এ এয়ার লিফট দেয়া শুরু করে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন পশ্চিম বার্লিন অবরুদ্ধ করে দেয়।

১৯৫২ – মিসরের রাজা ফারুক তার ছেলে ফুয়াদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

১৯৫৭ – গুয়েতেমালার একনায়ক কার্লোস ক্যাস্টিলো আরমাস নিহত হন।

১৯৫৯ – উত্তর আমেরিকার মহাসাগর গামী জাহাজ এর জন্য সেইন্ট লরেন্স সি-ওয়ে খুলে দেয়া হয়।

১৯৬০ – সোমালিল্যান্ড ইংরেজদের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়।

১৯৬০ – গণপ্রজাতন্ত্রী মালাগাছি নামে মাদাগাস্কারের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৪ – প্রথম বারের মত বারকোড ব্যবহার করে কোন খুচরা পণ্য বিক্রয় হয়। পণ্যটি ছিল চিবানোর গাম।

১৯৭৬ – সি এন টাওয়ার যেটি তৎকালীন পৃথিবীর উঁচুতম ভবন, খুলে দেয়া হয়।

১৯৭৭ – এলভিস প্রিসলি শেষ কনসার্ট করেন।

১৯৭৮ – উইনিপেগ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এয়ার কানাডা ফ্লাইট ১৮৯ বিধ্বস্ত হয়।

১৯৭৮ – দক্ষিণ ইয়েমেনে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।

১৯৭৯ – কিংবদন্তির মুষ্ঠীযোদ্ধা মোহাম্মাদ আলী অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৯১ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার পান্ডুলিপি লন্ডনে নিলামে উঠলে ভারত সরকার ২৬,৬০০ পাউন্ড দামে তা কিনে নেয়।

১৯৯২ – বাংলাদেশের কাছে ভারতের ৩ বিঘা করিডর হস্তান্তর।

১৮১৯ – বাই সাইকেল এর পেটেন্ট করা হয়।

১৮৩০ – রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণ।

১৮৪২ – ইংরেজ সৈন্য চীনের সাংহাই বন্দর অধিকার করে।

১৮৪৭ – লাইবেরিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮৪৮ – আমেরিকায় খাদ্য আইন চালু হয়।

১৮৯৪ – কার্ল বেঞ্জ গ্যাসোলিনচালিত গাড়ির প্যাটেন্ট পান।

১৮৯৬ – আমেরিকায় প্রথম সিনেমা হল চালু হয়।

 

১৫৩৯ – চৌসারের যুদ্ধে শের শাহের কাছে হুমায়ুন পরাজিত হন।

১৪৮৩ – রাজা ৩য় রিচার্ড ইংল্যান্ড এর রাজা হন।

১২৮৪ – কিংবদন্তির হ্যামিলন এর বংশিবাদক ১৩০ শিশুকে নিয়ে হারিয়ে জান।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের চরমপত্রখ্যাত এম আর আখতার মুকুল।

২০১৫ – ইয়েভগেনি প্রিমাকভ, রুশ রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

১৯০২ – ইংল্যান্ডের তৃতীয় হেনরির স্ত্রী ইলিয়েনর।

১৯৩৭ – যোগীন্দ্রনাথ সরকার,প্রখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।

১৯৩৯ – ফোর্ড ম্যাডক্স ফোর্ড, ইংরেজ ঔপন্যাসিক, কবি, সমালোচক ও সম্পাদক।

১৯৪৩ – কার্ল লান্ডষ্টাইনার, ১৯৩০ সালে নোবেলজয়ী অষ্ট্রীয় জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

১৯৬৪ – নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম, শিলচরের লব্ধ-প্রতিষ্ঠ আইনজীবী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৯৯৪ – জাহানারা ইমাম, বাংলাদেশী লেখিকা।

১৮৩০ – ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ জর্জ।

১৮৩৬ – ক্লদ জোসেফ রুজে দ্য লিল, ফরাসি জাতীয় সংগীতের লেখক।

১৫৪১ – ফ্রান্সিসকো পিসার্‌রো, একজন স্পেনীয় দখলদার।

১২৭৪ – নাসির আল দীন তুসী, পারস্য বিজ্ঞানী ও লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৫ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

২০০৬ – ম্যাককেনা গ্রেস, মার্কিন কিশোরী অভিনেত্রী।

১৯০০ – জর্জিয়া হেল, একজন মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯০০ – লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন, ব্রিটিশ নৌ বাহিনী অফিসার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ-এর স্বামী প্রিন্স ফিলিপের মামা।

১৯০৩ – জর্জ অর্‌ওয়েল, এক কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক।

১৯০৭ – ইয়োহানেস হান্স ডানিয়েল ইয়েনসেন, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯০৮ – সুচেতা কৃপালনী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯১১ – উইলিয়াম এইচ. স্টেইন, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯১৩ – আফ্রিকান-ফরাসি কবি এমে সেজেয়ার।

১৯১৮ – পি. এইচ. নিউবি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

১৯২৪ – (ক) ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক মদন মোহন কোহলি।

(খ) সিডনি লুমেট, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯২৮ – আলেক্সেই আলেক্সেভিচ আব্রিকোসোভ, একজন সোভিয়েত এবং রাশিয়ান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৩১ – বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং, একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং অষ্টম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৪ – দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক আবৃত্তিকার ও বাচিকশিল্পী।

১৯৩৬ – ইউসুফ হাবিবি, ইন্দোনেশিয়ার প্রকৌশলী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

১৯৫৩ – ইয়ান ডেভিস, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৫৫ – ভিক মার্কস, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৬১ – রিকি জারভেজ, ইংরেজ স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা, লেখক, পরিচালক, প্রযোজক ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৬৩ – ইয়ান মার্টেল, বুকার পুরস্কার বিজয়ী একজন কানাডীয় সাহিত্যিক।

১৯৬৩ – জর্জ মাইকেল, ইংরেজ পপ গায়ক, সুরকার, গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক এবং সমাজ সেবক ছিলেন।

১৯৬৪ – ফিল এমরি, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

১৯৭৫ – ভ্লাদিমির ক্রামনিক, বিখ্যাত রুশ দাবাড়ু ও গ্র্যান্ডমাস্টার।

১৮৫২ – অ্যান্টনি গাউদি, রেউস হতে আগত একজন স্প্যানিশ কাতালান স্থপতি ছিলেন।

১৮৬৪ – ভালটার নের্ন্‌স্ট, একজন জার্মান রসায়নবিদ ছিলেন।

১৮৯৪ – হের্মান ওবের্ট, রোমানিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৭৯৬ – রাশিয়ার জার প্রথম নিকোলাস।

১৭৯৯ – স্কটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ডেভিড ডগলাস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৪ – পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা ভেঙ্গে আলিপুরদুয়ার জেলা তৈরি করা হয়।

২০২২ – বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেতু (পদ্মা সেতু) চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

১৯৩২ – ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সর্বপ্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।

১৯৩৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কলম্বিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫০ – উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৫ – সারা ভারতে ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তৃতীয় বারের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। (২৫ জুন,১৯৭৫ হতে ২১ মার্চ ১৯৭৭)

১৯৭৫ – পর্তুগালের কাছ থেকে মোজাম্বিকের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৮ – নেদারল্যান্ডকে হারিয়ে (৩-১) আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফুটবলে জয়ী হয়।

১৯৮৩ – কপিল দেবের অধিনায়কত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল ৪৩ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে।

১৯৯১ – ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – তুরস্কে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তানুস সিলার জোটের সরকার গঠন।

১৯৯৫ – পুত্র শেখ হামাদ কর্তৃক কাতারের আমির শেখ খলিফা উৎখাত।

১৮৯১ – ভারতীয় সংবাদপত্রের ওপর ব্রিটিশরাজ সেন্সর আরোপ করেন।

১৫২৯ – বঙ্গ বিজয়ের পর মোগল সম্রাট বাবর আগ্রা প্রত্যাবর্তন করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী,ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী,ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ।

২০০৯ – মাইকেল জ্যাকসন, মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী ও সঙ্গীত ব্যবসায়ী।

২০২০ – নিমাই ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও সাংবাদিক।

১৯১৬ – টমাস এয়াকিনস, মার্কিন বাস্তবতাবাদী চিত্রশিল্পী, চিত্রগ্রাহক, ভাস্কর ও চারুকলা শিক্ষক।

১৯২২ – সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, বাঙালি কবি ও ছড়াকার।

১৯৩৩ – জগদানন্দ রায়, ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কল্পকাহিনী লেখক।

১৯৩৮ – নিকোলাই ত্রুবেৎস্‌কোয়, রুশ ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৪৪ – নওয়াব বাহাদুর ইয়ার জঙ্গ।

১৯৬০ – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি।

১৯৭৭ – ওলেভ ব্যাডেন পাওয়েল, ব্রিটিশ স্কাউটিং এবং গার্ল গাইডসের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েলের সহধর্মিনী।

১৯৮৪ – মিশেল ফুকো, ফরাসি দার্শনিক।

১৯৯৫ – আর্নেস্ট ওয়াল্টন, আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৪২ – সিসমন্দি, সুইস অর্থনীতিবিদ ও লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ  ।

 

সোনমার্গ বা সোনামার্গ যার জন্য দাঁড়ায় সোনার তৃণভূমি জম্মু ও কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় অবস্থিত একটি হিল স্টেশন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিস্ময়কর। এখানে, আপনি প্রকৃতির বিস্ময় অন্বেষণ করতে পাবেন। চমত্কার কনিফার গাছগুলি পুরো পর্বতকে উজ্জ্বল করে তোলে। তুষার যা পাহাড়ের সুন্দর বাদামী রঙকে ঢেকে দেয় তা আশ্চর্যজনকভাবে অন্বেষণ, লালন এবং অভিজ্ঞতার জন্য মনোরম দৃশ্য তৈরি করে।

 

শ্রীনগর থেকে ৮২ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কাশ্মীর এর আর এক স্বর্গ সোনমার্গ। এপ্রিল মে মাসে সোনমার্গ তার রূপের ডালি উজাড় করে দেয় পর্যটকদের কাছে। শ্রীনগর থেকে সোনমার্গ যেতে পথে পড়বে গান্দেরবল, কঙ্গন, গুন্দ প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাহাড়ি জনপদ। আর পুরো পথটাই সাথে থাকবে দামাল সিন্ধুনদ। পাইন, ফার, বার্চ আর দূর দুরান্তের পাহাড়শ্রেণীর শোভা দেখতে দেখতে আপনি মোহিত হয়ে পড়বেন। চারপাশে পাহাড় আর সোনালি ঘাসে ঢাকা সোনমার্গ নিয়ে জনশ্রুতি রয়েছে যে এই উপত্যকার কোথাও এক কুপ আছে জার জলে সোনালি রঙ ধরে উপত্যকায়। এই জন্য নাম সোনমার্গ অর্থাত্‍ সোনালী উপত্যকা। সোনমার্গ থেকে পায়ে পায়ে বা ঘোড়ায় চেপে পৌঁছে যাওয়া যায় খাজিয়ার হিমবাহের কোলে। শীতের সময় এখানে বরফ নিয়ে মেতে ওঠে সবাই।

 

সোনমার্গ এর দর্শনীয় স্থানসমূহ–

 

সোনমার্গ অন্যতম কাশ্মীরে দেখার জন্য সেরা জায়গা. সোনমার্গের কাছে আপনি যে পর্যটন স্থানগুলি ঘুরে দেখতে পারেন তার তালিকা এখানে রয়েছে।

১. থাজিওয়াস হিমবাহ

সোনমার্গ যার অর্থ ‘সোনার তৃণভূমি’ অনায়াসে তার আকর্ষণ বহন করে। তুষারে পূর্ণ হওয়ায়, এই হিমবাহটি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি জম্মু ও কাশ্মীর. শহর থেকে 3 কিমি দূরে অবস্থিত এবং আনুমানিক 9,186 ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, এই স্থানটি তার মনোরম কাশ্মীর উপত্যকা সহ তুষার এর কবজ দেখার জন্য বেশ মনোরম।

২. জোজি-লা-পাস

এই সুন্দর পাসটিই কাশ্মীর উপত্যকাকে একত্রিত করে লাদাখ. জোজি-লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,528 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই জায়গাটি অভিজ্ঞতার জন্য অবিশ্বাস্য এবং আপনার প্রিয়জনদের সাথে লালন-পালন করে।

৩. বিষনসার লেক

সোনমার্গের একটু বাইরে অবস্থিত, এই হ্রদের ফিরোজা নীল জল রূপালী পাহাড়ের সাথে একটি সবুজ তৃণভূমি দ্বারা বেষ্টিত। এই পর্বতগুলি একটি উত্তেজনাপূর্ণ দূরত্বে অবস্থিত। আপনার প্রিয়জনের সাথে কিছু আশ্চর্যজনক স্মৃতি উপভোগ করার ক্ষেত্রে এটি বেশ দুর্দান্ত জায়গা।

৪. হোয়াইট রিভার রাফটিং

এটা কোনো অ্যাডভেঞ্চার রাইডের চেয়ে কম নয়। এই রাইডটি আপনাকে একটি অ্যাড্রেনালিন রাশ দিতে যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। এবং এই কার্যকলাপ সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ কি পছন্দ করে. আপনি একটি দীর্ঘ র‌্যাফটিং অভিযানে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করতে পারেন যা শুরু হয় বালতাল এবং সোনমার্গে অবস্থিত শুটকারি ব্রিজে শেষ হয়।

৫. নীলাগ্রাদ নদী

এটি তার নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত এবং এই কারণেই এটি অত্যন্ত সম্মানিত। প্রতি রবিবার প্রচুর স্থানীয় মানুষ এখানে আসেন শুধু এর পবিত্র জলে স্নান করতে।

৬. কৃষ্ণসার লেক

কৃষ্ণসার হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,801 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এখানকার মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করে। ঘন আলপাইন দ্বারা বেষ্টিত, এই জায়গাটি একটি খুব শীতল এবং মনোরম পরিবেশ রয়েছে। লোকেরা মাছ ধরার জন্য এবং দুঃসাহসিক জলের ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করার জন্য প্রায়শই এই জায়গায় আসে।

 

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়—

সোনমার্গ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় মার্চ – নভেম্বর। এটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় রূপ নেয় এপ্রিল-মে মাসে। তবে যারা স্নোফল দেখতে কাশ্মীর যেতে চান তাদের জন্যে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি উত্তম। কারন এ সময়টায় কাশ্মীরে সব থেকে বেশী স্নোফল পাবার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে, সার্বিক তাপমাত্রা দর্শনীয় কার্যকলাপের জন্য বেশ মনোরম।

 

সোনমার্গ কিভাবে যাবেন—-

যদি অফবীট জায়গা গুলো আপনার ভ্রমণ লিস্টে না থাকে তাহলে শ্রীনগর থেকে দিনে দিনে সেরে নিতে পারেন সোনমার্গ ভ্রমণ। তবে পথের শোভা উপভোগ করতে হলে এ পথে নিজস্ব গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভালো। মারুতি ওমনি ভাড়া পাওয়া যায়। টাটা সুমোও রয়েছ কারগিলগামী শেয়ার সুমোও যাচ্ছে এ পথে।

 

কোথায় থাকবেন—

সোনমার্গে থাকবার সেরা জায়গা জম্মু কাশ্মীর পর্যটনের ট্যুরিস্ট হাটে, এছাড়া হোটেল রয়্যাল, হোটেল স্নো ল্যান্ড, হোটেল পিকস, রয়েছে।

 

সোনমার্গের ইতিহাস—-

 

ঐতিহাসিক লেন্স থেকে দেখলে, আমরা জানতে পারি যে প্রাচীন কাল থেকেই সোনামার্গ ভারতীয় ইতিহাসের বর্ণনায় একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে, কারণ এটি সিল্ক রোডের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত ছিল যা কাশ্মীর ভূমিকে সংযুক্ত করেছিল। গিলগিট হয়ে চীন ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সোনমার্গ, যা তখন কাশ্মীরের একটি স্থানীয় শহর ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। আজ, এই জায়গাটি অমরনাথ মন্দির এবং লাদাখ অঞ্চলের মতো কাছাকাছি অবস্থিত পর্যটন এলাকার জন্য বেস ক্যাম্প হিসাবে পরিচিত।

।।তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This