Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন কি ভাবে শুরু হলো বিশ্ব চকলেট দিবস এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

চকলেট খেতে কে না ভালোবাসে। চকলেট অনেকের কাছেই এক দুর্বলতা। চকলেট শুধু স্বাদেই ভালো নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।  ডার্ক চকলেট খাওয়া কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতেও সাহায্য করে। হার্টের স্বাস্থ্য এবং রক্তচাপের উন্নতিও ডার্ক চকলেট থেকে দেখা যায়। চকলেটের অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে তা নিয়ম মেনে খাওয়া উচিৎ। একই সময়ে, এটি অতিরিক্ত ওজন হ্রাস এবং ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, স্ট্রোক, অ্যাসিড রিফ্লাক্স, নার্ভাসনেস এবং অস্থিরতা, কিডনির উপর প্রভাবের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। পেটে ব্যথা এবং হাড়ের ব্যথার মতো সমস্যাও হতে পারে। অতএব, এটি সীমিত পরিমাণে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি জিনিস সকলের শরীরে সমান ভাবে প্রভাব ফেলে না।

 

পাশাপাশি চকলেট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে প্রদানের চল আছে, যা আজও বহমান। তাই এই ভালোবসার জিনিসটির ওপরে আজকের দিনটি বিশেষ ভাবে পালিত হয়। আজ বিশ্ব চকলেট দিবস। বিশ্ব চকলেট দিবস, কখনও কখনও আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস হিসাবে পালন করা হয়। বিশ্বব্যাপী ৭ জুলাই, বিশ্ব চকলেট দিবস ২০০৯ সাল থেকে পালন করা হয়।
প্রতি বছর এই দিনটিতে বিশ্বজুড়ে চকলেট প্রেমীরা তাদের প্রিয় খাবারে কোনো বাধন ছাড়াই খেতে দেখা যায় ।  চকলেট দুধ, গরম চকলেট, চকলেট ক্যান্ডি বার, চকলেট কেক, ব্রাউনিজ বা চকলেটে আচ্ছাদিত যেকোনো কিছু সহ চকলেট থেকে তৈরি সব ধরনের জিনিস দিয়ে দিনটি উদযাপন করে ।

জানা যায় চকলেট গ্রীষ্মমন্ডলীয় থিওব্রোমা ক্যাকো গাছের বীজ থেকে আসে।  কোকো বিনগুলিকে অনেক জায়গায় ম্যাজিক বিন বলা হয়।  কমপক্ষে তিন সহস্রাব্দ ধরে চাষ করা হয়েছে এবং মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং উত্তর দক্ষিণ আমেরিকায় এটি বৃদ্ধি পায়।  প্রায় ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের কোকো বীজ ব্যবহার করার প্রথম পরিচিত পাওয়া যায় । বিশ্ব চকলেট দিবসে  মেরিঙ্গু পাই, মিল্ক চকলেট পুডিং থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের চকলেট কেক বেকারি, কফি শপ এবং অনেক দোকানে দেখা যাবে। এই দিনটি উদযাপন করার জন্য, লোকেরা তাদের বন্ধু, আত্মীয় এবং পার্টনারকে চকলেট উপহার দেয়।
চকলেটের ইতিহাস প্রায় ২৫০০ বছরের পুরনো বলে জানা যায়। অ্যাজটেক (অ্যাজটেক ছিল একটি মেসোআমেরিকান সংস্কৃতি যা মধ্য মেক্সিকোতে ১৩০০ থেকে ১৫২১ সাল পর্যন্ত উত্তর-শাস্ত্রীয় যুগে বিকাশ লাভ করেছিল।) চকলেট আবিষ্কার করে প্রথম। তারা বিশ্বাস করত যে এটি জ্ঞানের দেবতা কোয়েটজালকোটল তাদের দিয়েছিলেন। তারা অন্যান্য জিনিস লেনদেনের জন্য কোকো ব্যবহার করত বা বলুন, কোকো বীজ মুদ্রা হিসাবে ব্যবহৃত হত।

 

 

জনা যায় ১৬ শতক পর্যন্ত, চকলেট তেঁতো ছিল।  বলা হয় যে ১৫১৯ সালে, স্প্যানিশ অভিযাত্রী হার্নান কর্টেসকে একটি চকোলেট পানীয় দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি তার সঙ্গে স্পেনে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং ভালো স্বাদের জন্য এতে ভ্যানিলা, চিনি এবং দারুচিনি যোগ করেছিলেন। স্বাদ পরিবর্তনের পর, চকলেট সারা বিশ্বে পছন্দ হতে শুরু করে। এর পরে, ১৫৫০ সালে, ইউরোপে প্রথমবারের মতো ৭ জুলাই চকলেট দিবস পালিত হয়। এর পরে, এটি বিশ্বের অনেক দেশে পালিত হতে শুরু করে।

অনেক বড় বড় চকলেট কোম্পানি ঊনিশ এবং বিংশ শতকে শুরু হয়েছিল। ১৮৬৮ সালে ক্যাডবেরি, ইংল্যান্ডে শুরু হয়েছিল। ২৫ বছর পরে, মিল্টন এস দ্বারা শিকাগোতে ওয়ার্ল্ডস কলম্বিয়ান এক্সপোজিশনে চকলেট প্রক্রিয়াকরণ সরঞ্জাম কেনা হয়েছিল। হার্শে এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং বিশ্বখ্যাত চকলেট নির্মাতাদের একজন। তিনি চকলেট-কোটেড ক্যারামেল উৎপাদন করে কোম্পানিটি শুরু করেছিলেন। নেসলে ১৮৬০-এর দশকে উদ্ভূত হয়েছিল এবং বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য গোষ্ঠীগুলির মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে।
তবে আবার বিভিন্ন দেশে চকলেট দিবস বিভিন্ন সময় উদযাপন করাও হয়ে থাকে। যেমন ২৮ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় চকলেট দিবস। ইউএস ন্যাশনাল কনফেকশনার্স অ্যাসোসিয়েশন ১৩ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক চকলেট দিবস হিসাবে তালিকাভুক্ত করে,  যা কাকতালীয়ভাবে চকলেট উৎপাদক মিল্টন এস. হার্শে (জন্ম: ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৫৭) এর জন্ম তারিখের সাথে মিলে যায়। ঘানা, কোকোর দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক, ১৪ ফেব্রুয়ারি চকলেট দিবস উদযাপন করে।  লাটভিয়ায়, ১১ জুলাই বিশ্ব চকলেট দিবস পালিত হয়।

 

তাই যদি দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে চান তবে প্রিয়জনদের বা কাছের মানুষ, বন্ধু বান্ধবদের চকলেট গিফ্ট করে সবাইকে চমকে দিন বা আপনার প্রিয়জনকে এক বাক্স চকোলেট এবং ফুল পাঠান উপহার হিসাবে। আর  বিশ্ব চকলেট দিবস সম্পর্কে যারা জানেন না তারা আপনার সাথে উদযাপন করতে পেরে রোমাঞ্চিত হবেন।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক) বিশ্ব চকলেট দিবস

(খ) আজ বিশ্ব সমবায় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভিত্তোরিও দে সিকা, ইতালীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯০৫ – প্রবোধকুমার সান্যাল প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও পরিব্রাজক ।

১৯১৪ – অনিল বিশ্বাস, ভারতীয় সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯২০ – দিলীপকুমার বিশ্বাস প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের একজন দিকপাল ঐতিহাসিক ।

১৯৪৪ – আইভি রহমান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী।

১৯৪৪ – ইয়ান উইলমুট, ইংরেজ ভ্রুণতত্ত্ব বিজ্ঞানী এবং এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কটিশ সেন্টার ফর রিজেনারেটিভ মেডিসিন বিভাগের সভাপতি।

১৯৬৩ – পাকিস্তানের টেস্ট অলরাউন্ডার নাভিদ আনজুম।

১৯৬৫ – আমেরিকান অভিনেত্রী কারেন মালিনা হোয়াইট।

১৯৬৭ – পল ফারব্রেস, ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটার।

১৯৮১ – মহেন্দ্র সিং ধোনি, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং সাবেক অধিনায়ক।

১৯৮২ – মমতাজ আলীয়া আকবরী, বাংলাদেশী মডেল, উপস্থাপক, অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – মোহাম্মদ আশরাফুল, বাংলাদেশী আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার এবং সাবেক অধিনায়ক।

১৯৮৮ – কেটি পার্কিন্স, নিউজিল্যান্ডীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৯২ – স্প্যানিশ অভিনেত্রী ও গায়িকা নাথালিয়া রামোস।

১৮০৬ – ইতালিয়ান ইতিহাসবিদ ও মন্ত্রী মাইকেল আমারি।

১৮৮৭ – চিত্রশিল্পী মার্ক শাগাল।

১৮৮৮ – বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক নরেন্দ্র দেব।

১১১৯ – জাপানের সম্রাট সোতুকু।

১০৫৩ – জাপানের সম্রাট সিরাকাওয়া।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – ১২২ বছর পর শুক্র গ্রহের ট্রানজিট বাংলাদেশের আকাশে পরিষ্কার দেখা যায়।

২০০৫ – লন্ডনের তিনটি মেট্রো স্টেশন এবং একটি বাসষ্ট্যান্ডে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে ৫০ জন নিহত এবং ৭০০ এরও বেশি মানুষ আহত হয়।

১৯০৪ – নরওয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯০৫ – লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন।

১৯২৭ – বিবিসি প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ডের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে।

১৯২৯ – ভ্যাটিক্যান সিটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে।

১৯৩১ – বিশিষ্ট ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাস সাইকেলে চড়ে বিশ্ব পরিভ্রমণ শুরু করেন।

১৯৩২ – মন্ট্রিলের ক্রিকেট ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি করেন স্যার ডোন্যাল্ড ব্র্যাডম্যান।

১৯৩৭ – উত্তর চীনে জাপান হামলা চালায়।

১৯৪৮ – বিশেষ আইন বলে স্বাধীন ভারতে প্রথম বহুমুখী নদী উপত্যকা প্রকল্প ‘দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন’ (সংক্ষেপে ডিভিসি) স্থাপিত হয়।

১৯৫০ – যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে কোরিয় বিষয় পরিচালনা কার্যালয় প্রতিষ্ঠা।

১৯৫৭ – চীনের পর্বতারোহীরা নতুন বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি করেন।

১৯৭১ – জেড ফোর্স (বাংলাদেশ) গঠন দিবস

১৯৭২ – টানাকা কাখুই জাপানের প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৭৩ – ইরাকে সরকার উৎখাতে জড়িত থাকার দায়ে ২৩ জনের মৃত্যুদণ্ড।

১৯৭৭ – সলোমন দ্বীপপুঞ্জের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৮ – উত্তর পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত সোলাইমান দ্বীপপুঞ্জ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮২ – কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর ইংরেজী দৈনিক দ্য টেলিগ্রাফ প্রকাশিত হয়।

১৯৮৭ – ভারতে বাসে শিখ চরমপন্থীদের হামলায় ৪৬ হিন্দু নিহত।

১৯৯১ – বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আইন পাস।

১৯৯১ – জর্দানে সামরিক শাসন প্রত্যাহার।

১৮৫৫ – ব্রিটিশবিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ ব্যাপকতা ও বিস্তার লাভ করে।

১৮৯৬ – বোম্বাইয়ে ভারতের প্রথম সিনেমা প্রদর্শিত হয়।

১৪৯৫ – রাজা দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ নেপলসে ফিরে আসেন।

১৭৬৩ – বাংলার নবাব হিসেবে মীরজাফর পুনরায় ক্ষমতা লাভ করেন।

১৬০৭ – ‘গড সেভ দ্য কিং’ গানটি প্রথম গীত হয়।

১৫৫০ – প্রথম চকোলেট বাজারে আসে।

১০৩৭ – সেলজুকি রাষ্ট্রের সূচনা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – আহসান উল্লাহ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

২০১৪ – এডুয়ার্ড শেভার্দনাদজে, জর্জীয় রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

২০২১ – বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার।

১৯১০ – বাংলাদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক, সাহিত্যিক মুন্সী মেহেরুল্লাহ।

১৯৩০ – আর্থার কোনান ডয়েল, স্কটিশ সাহিত্যিক, শার্লক হোম্‌সের গল্পসমূহের জন্য বিখ্যাত।

১৯৩১ – দীনেশ গুপ্ত, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৬৫ – ইংল্যান্ডের পেসার বিল হিথচ।

১৯৭২ – তালাল বিন আবদুল্লাহ, জর্ডানের দ্বিতীয় বাদশাহ।

১৯৯০ – ভারতের মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা লালডেঙ্গা।

১৯৯৮ – মাসুদ আবিওলা, নাইজেরিয়ায় শীর্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা।

১৭১৮ – চক্রান্তের অভিযোগে পিতা রাশিয়ার পিটার দ্য গ্রেটের নির্দেশে পুত্র আলেঙ্সিকে পিটিয়ে হত্যা।

১৫৭৩ – ইতালির স্থপতি জাকোমা দা ভিনিওয়ার।

১৩০৪ – পোপ একাদশ বেনেডিক্ট।

১৩০৭ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম এডওয়ার্ড।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৬ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৬ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – ভারত কেশরী ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় শিক্ষাবিদ, লেখক এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ।

১৯০৬ – ভারতীয় পদার্থবিদ এবং শিক্ষাবিদ দৌলত সিং কোঠারি।

১৯০৭ – ফ্রিদা কাহলো, মেক্সিকীয় চিত্রশিল্পী।

১৯২১ – ন্যান্সি রিগ্যান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রেগনের সহধর্মণী।

১৯২৩ – বয়সিয়েছ জারুজেলস্কি, পোলিশ সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ।

১৯২৪ – মহিম বরা, ভারতের অসমের গল্পকার, কবি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩০ – কর্ণাটকী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী এম বালামুরলীকৃষ্ণ।

১৯৩৫ – ক্যান্ডি বার, মার্কিন স্ট্রিপার, ব্যঙ্গাত্মক নর্তকী, অভিনেত্রী, এবং প্রাপ্তবয়স্ক মডেল।

১৯৩৫ – চতুর্দশ দলাই লামা, ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিব্বত থেকে প্রস্থান করে ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

১৯৪০ – নুরসুলতান নাজারবায়েভ, কাজাখস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি।

১৯৪১ – ডেভিড ক্রিস্টাল, ব্রিটিশ ভাষাবিজ্ঞানী, একাডেমিক এবং লেখক।

১৯৪৬ – জর্জ ডব্লিউ বুশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর ৪৩তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৪৬ – পিটার সিঙার, অস্ট্রেলিয়ান দার্শনিক।

১৯৪৬ – সিলভেস্টার স্ট্যালোন, মার্কিন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৪৯ – নোলি দে কাস্ত্রো, ফিলিপিনো সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

১৯৫১ – জেফ্রি রাশ, অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৫২ – হিলারি ম্যান্টেল, ইংরেজ মহিলা ঔপন্যাসিক, ছোট গল্প লেখিকা, প্রাবন্ধিক।

১৯৫৩ – মাহমুদুর রহমান, বাংলাদেশী প্রকৌশলি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

১৯৭৭ – মাখায়া এনটিনি, দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফাস্ট বোলার।

১৯৮০ – এভা গ্রিন, ফরাসি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও মডেল।

১৯৮৫ – রণবীর সিং, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৮৩৭ – রামকৃষ্ণ গোপাল ভাণ্ডারকর, ভারতীয় গবেষক, প্রাচ্যবিদ ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৬৬ – নগেন্দ্রনাথ বসু, বাংলা ভাষায় প্রথম বিশ্বকোষের সংকলক,প্রত্নতাত্ত্বিক ও ইতিহাসবিদ।

১৮৭৭ – নিথেতো আলকালা-থামোরা, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী।

১৮৮৭ – মার্ক শাগাল, বেলারুশীয়-রুশ-ফরাসি শিল্পী।

১৮৯০ – ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সফল ভারতীয় বুদ্ধিজীবী।

১২৬৫ – ইতালীর বিশ্বখ্যাত কবি দান্তে আলিঘিইরি।

১৭৮১ – সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা স্যার টমাস স্ট্যামফোর্ড র্যাফলস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৯ – বিশ্বের প্রথম বিমান ‘ব্রিটিশ আর-৩৪’ আটলান্টিক পাড়ি দেয়। লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক যেতে সময় নেয় ১০৮ ঘণ্টা।

১৯৪৪ – সুভাষচন্দ্র বসু আজাদ হিন্দ রেডিও তে গান্ধীজিকে ‘জাতির জনক’ অভিধা প্রদান করেন।

১৯৪৫ – নিকারাগুয়ার প্রথম জাতিসংঘের সনদ গ্রহণ।

১৯৪৭ – সোভিয়েত ইউনিয়ন এ. কে. ৪৭ রাইফেল উৎপাদন শুরু করে।

১৯৫২ – লন্ডন শহরে শেষবারের মতো ট্রাম চলাচল।

১৯৫৩ – রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

১৯৬৪ – তিয়াত্তর বছর ব্রিটিশ অধিকারে থাকার পর মালাউই স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭১ – কামুজু বান্দার নিজেকে মালাবি’র আজীবন প্রেসিডেন্ট ঘোষণা।

১৯৭৯ – মিশরে নীল নদের তীরে বিনানুল মূলক নামক গুহায় মিশরের ফেরাউন দ্বিতীয় রেমেসিসের মমি আবিষ্কৃত হয়।

১৯৯১ – জার্মান টেনিস তারকা স্টেফিগ্রাফ পর পর তৃতীয়বারের মতো উইম্বলডন জেতেন।

১৯৯৯ – ইসরাইলের পার্লামেন্টে ইহুদ বারাককে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন।

১৮৮৫- সালের এই দিনে বিখ্যাত ফরাসী চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগ প্রতিরোধক টিকা আবিষ্কার করেন।

১৮৯২ – দাদাভাই নওরোজি ব্রিটেনে প্রথম ইনডিয়ান মেম্বার অব পার্লামেন্ট নির্বাচিত হন।

১৫০৫ – সিকান্দার শাহ লোদির রাজত্বকালে ভয়ানক ভূমিকম্পে আগ্রা বিধ্বস্ত হয়।

১৪১৫ – চেক ধর্মীয় সংস্কারবাদী জান হুসকে ক্যাথলিক কাউন্সিল কর্তৃক জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – ধীরুভাই অম্বানী, ভারতীয় শিল্পপতি এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এর প্রতিষ্ঠাতা।

২০০২ – জন ফ্রাঙ্কেনহাইমার, মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক।

২০১৪ – শঙ্করীপ্রসাদ বসু খ্যাতকীর্তি লেখক, সমালোচক, গবেষক ও ছাত্রপ্রিয় অধ্যাপক।

২০১৭ – হরিপদ কাপালী, বাংলাদেশী কৃষক, হরি ধানের উদ্ভাবক।

২০১৮ – শোকো আসাহরা, জাপানের নতুন ধর্মীয় সংগঠন ওম শিনরিকিও-এর প্রতিষ্ঠাতা।

২০২০ – এন্ড্রু কিশোর, বাংলাদেশী গায়ক।

১৯৪০ – জমিরুদ্দিন আহমদ, হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

১৯৬২ – উইলিয়াম ফকনার, সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন সাহিত্যিক।

১৯৭১ – লুইস আর্মস্ট্রং, মার্কিন ট্রাম্পেট বাদক ও জ্যাজ সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৭৬ – ঝু দে, চীনের একজন সর্বাধিনায়ক, সেনাপতি, রাজনীতিবিদ, বিপ্লবী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম অগ্রদূত।

১৯৮৯ – জানোস কাদার, হাঙ্গেরিয়ান কমিউনিস্ট নেতা।

১৮৫৪ – জর্জ সায়মন ও’ম, জার্মান পদার্থবিদ।

১৮৯৩ – গি দ্য মোপাসাঁ, ফরাসি কবি, গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

১৬১৪ – রাজা মানসিংহ, রাজা ভগবান দাসের পালিত পুত্র।

১৫৩৫ – থমাস মুর, ইংরেজ আইনজ্ঞ, সমাজবিজ্ঞানী, দার্শনিক, লেখক ও কূটনীতিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আফসোস কি আজ হয় আমেরিকার? : তন্ময় সিংহ রায়।

বেনারসের এক মন্দির থেকে বের হওয়ার পথে একবার স্বামী বিবেকানন্দকে ঘিরে ধরেছিল
বেশ কিছু বানর ,
এমত পরিস্থিতিতে স্বামীজি অপ্রস্তুতরূপে ছুটতে লাগলেন দিগভ্রান্ত হয়ে , কিন্তু তা হলে হবে আর কি?
বানর কি আর আধুনিক মানুষ?
স্বভাবতই বানরগুলো সে অবস্থাতে দাঁড়িয়েও অব্যাহত রেখেছে এঁদের বাঁদরামি কর্মকাণ্ড।
কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একজন বৃদ্ধ সন্ন্যাসী তা লক্ষ্য করে তাঁকে বলে বসলেন , ‘মশাই! থামুন এবং ওদের মুখোমুখি হোন।’
তা শুনে বিবেকানন্দ তৎক্ষণাৎ ঘুরে এগোতে লাগলেন বানরগুলোর দিকে ,
আর এই মনোভাবের কারণে সব বানর পালিয়েও গেল সেখান থেকে।

 

শেষে এই ঘটনা থেকে তিনি শিখলেন যে , ভয়ে পালিয়ে না গিয়ে তার মুখোমুখি হতে হবে , অর্থাৎ পিছনে না হটে , জয় করতে হবে ভয়কেই।
এর বহু বছর পর তিনি এক সম্বোধনের মাধ্যমে  বলেছিলেন , ‘যদি কোনও কিছু কারণ হয় তোমার ভয়ের , তবে তা থেকে পালিয়ে যেও না , ভয়ের মুখোমুখি হও আর জিতে নাও ভয়কে।’

বিদেশ যাওয়ার সময় স্বামী বিবেকানন্দকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে , ‘আপনার পরিধেয় বাকি জিনিসগুলো কোথায়?’
‘এইতো সব’ , তিনি উত্তর দিলেন।
কেউ কেউ তো আবার ব্যঙ্গ করে বসলেন বলেই , ‘আরে! আপনার সংস্কৃতি কেমন? শরীরে শুধু জাফরানের চাদর জড়ানো?’

 

এ নিয়ে তিনি হেসে বললেন , ‘আমাদের সংস্কৃতি তোমাদের সংস্কৃতি থেকে আলাদা।
আপনাদের সংস্কৃতি গড়ে তোলে আপনাদের
দর্জিরা , অন্যদিকে আমাদের সংস্কৃতি আমাদের চরিত্র দ্বারা তৈরি।
সংস্কৃতি পোশাকে গড়ে ওঠে না , গড়ে চরিত্রের বিকাশে।’
তো এমনই ছিল স্বামীজির জীবন দর্শন।

যাইহোক , জাহাজ ও খান দুয়েক ট্রেন পাল্টে অবশেষে ৩০ শে জুলাই রাত ১১ টায় তিনি উপস্থিত হলেন শিকাগোয়।
ক্লান্ত , অবসন্ন শরীরটা সম্পূর্ণ অপরিচিত পরিবেশে তাঁকে ফেলেছে এক চরম অস্বস্তিজনক পরিস্থিতিতে , এমনটাই যেন তাঁর মনে হচ্ছিল।
অবশেষে পরিস্থিতি ধারণ করলো আরো জটিল আকার যখন তিনি জানতে পারলেন যে , ধর্মমহাসভায় পরিচয়পত্র আবশ্যক ও  যোগদানের তারিখও গেছে রীতিমতন পেরিয়ে।
এ হেন সংবাদ কানে প্রবেশ করা মাত্রই মুহুর্তের মধ্যে তাঁর মনে হতে লাগলো যে , অতি যত্নে সাজানো সমস্ত রঙীন স্বপ্নগুলো তাঁর চোখের সামনেই হয়ে যাচ্ছে ভেঙে-চুরে , দুমড়ে-মুষড়ে!
একদিকে শিকাগোর মতন বড়লোকি শহরে থাকার খরচ ,
অন্যদিকে সামান্য পুঁজি , তাও আবার ফুরিয়ে আসার মুহুর্তে।
হঠাৎই তিনি আবিষ্কার করলেন বস্টন নামক এক শহর , যেখানে থাকা-খাওয়ার খরচ অনেকাংশে কম। অবশেষে বস্টন অভিমুখে রওনাকালীন ট্রেনে স্বামীজির পরিচয় হয় ক্যাথেরিন স্যানবর্ন নামক এক ধনী ও প্রভাবশালী মহিলার সাথে।

 

প্রতিভাদীপ্ত , সুদর্শন ও সুঠামদেহী এক পুরুষের সাথে তিনি নিজেই এসে পরিচয় করে দু-এক কথায় মুগ্ধ হয়ে তাঁর বাড়িতে থাকার জন্যে সেই মহিলা স্বামীজিকে জানালেন হার্দিক আমন্ত্রণ।
এমনই এক সুযোগের একান্ত ইচ্ছায় যেন অপেক্ষা করছিলেন অধীর আগ্রহে তিনি , অতএব সেমত অবস্থায় স্বামীজি সাদরে গ্রহণ করলেন সে আমন্ত্রণ।
ক্যাথেরিন স্যানবর্নের বাড়িতে থাকাকালীন স্বামীজি তাঁর এক শিষ্যকে চিঠিতে জানালেন ,
‘এখানে থাকায় আমার প্রতিদিনের এক পাউন্ড করে বেঁচে যাচ্ছে , আর তাঁর (ক্যাথেরিন স্যানবর্ন) প্রাপ্তি হল এই যে , তিনি তাঁর বন্ধুদের আমন্ত্রণ করে দেখাচ্ছেন আমি নামক ভারতের এক বিচিত্র জীবকে!’

বস্টনে থাকাকালীন ক্যাথেরিন স্যানবর্নের সূত্রে সেখানকার শিক্ষিত সমাজে স্বামীজি ক্রমশই হয়ে উঠেছিলেন ভীষণভাবে পরিচিত।
আর এভাবেই কোনো এক মাহেন্দ্রক্ষণে অকস্মাৎ ক্যাথেরিনের মাধ্যমে স্বামীজির পরিচয় হয় হাভার্ড ইউনিভার্সিটির এমন একজন সুবিখ্যাত প্রফেসার জন হেনরি রাইটের সাথে , যাকে বলা হত ‘বিশ্বকোষতুল্য জ্ঞানভাণ্ডারের অধিকারী।’

 

কিন্তু স্বামীজির তেজোদীপ্ত প্রতিভার আলোকরশ্মির বিচ্ছুরণে বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন তিনি নিজেই। পরিচয়পত্র না থাকায় তিনি (স্বামীজি) মহাধর্মসম্মেলনে যোগ না দিতে পারার সংক্ষিপ্ত কারণ বিশ্লেষণে প্রফেসার প্রত্যুত্তর করলেন ,
‘মহাশয় , আপনার কাছে পরিচয়-পত্র চাওয়ার অর্থ এমন যে , সূর্যকে প্রশ্ন করা যে তাঁর কিরণ দেওয়ার অধিকার আছে কিনা?’
অতঃপর মহাধর্মসম্মেলনের এক কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে প্রফেসার রাইট লিখলেন :
‘ইনি (স্বামীজি) এমন একজন ব্যক্তি যে , আমেরিকার সমস্ত প্রফেসারের পান্ডিত্য এক করলেও এঁর পান্ডিত্যের সমান হবে না।’
অতঃপর বস্টনে সপ্তা তিনেক থাকার পর শেষে তিনি রওনা হলেন শিকাগো অভিমুখে।

১১ সেপ্টেম্বর  ১৮৯৩ , শিকাগোর কলম্বাস হলে সকাল ১০ টায় বিশ্ব ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা ভূমিষ্ঠ হয়েছিল যে আধিদৈবিক , সিংহপুরুষের দ্বিতীয় অধিবেশনের কালজয়ী ও ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে তিনি আর কেউ নন , স্বয়ং স্বামী বিবেকানন্দ।
“সিস্টার্স এন্ড ব্রাদার্স অব আমেরিকা”……
হাজার হাজার দর্শকমণ্ডলীর হর্ষধ্বনি ও করতালিতে ফেটে পড়েছিল সে মঞ্চ।
মনে হচ্ছিল এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী আঁধি সেই মুহুর্তে , সেই স্থানের উপস্থিতজনেদের উপর দিয়ে গেল বয়ে।
না , কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের জয়ঢাক তিনি বাজাননি। মহাধর্মসম্মেলনে যেখানে সবাই নিজ নিজ ধর্ম সম্বন্ধেই বক্তৃতা দিয়েছিলেন , সেখানে স্বামীজি দেখিয়েছিলেন , সব ধর্মই সত্য , কারণ প্রতিটা ধর্মই মানুষকে পৌঁছে দেয় একই সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে।

১৯৯২ সালে স্বামীজির শিকাগো বক্তৃতার একশত বছর পূর্তির আগে এলেনর স্টার্ক নামক এক আমেরিকান মহিলা স্বামীজিকে নিয়ে ‘দ্য গিফট্ আন-ওপেন্ড.. এ নিউ আমেরিকান রেভলিউশন’ নামক একটি বই লিখেছিলেন , যাতে লেখিকা স্বামীজির বাণীকে বর্ণনা করেছেন ‘উপহার’ বলে অর্থাৎ , ভারতবর্ষ থেকে আমেরিকাকে দেওয়া উপহার।
তিনি বলেছেন , ‘সেই উপহারের প্যাকেট আমেরিকা খুলে পর্যন্ত দেখেনি , স্বামীজির বাণীকে তাঁরা জীবনে ব্যবহারও করেননি।

 

যদি তাঁরা তা করত , একটা নতুন ধরণের বিপ্লব ঘটে যেত সমগ্র আমেরিকাবাসীদের জীবনে।’
ঐ বইতেই তিনি উল্লেখ করেছেন এও যে ,
‘কলম্বাস আবিষ্কার করেছিলেন আমেরিকা মহাদেশের ভূখন্ডটা , কিন্তু বিবেকানন্দ আবিষ্কার করেছিলেন আমেরিকার আত্মাকে।’

‘আমি মুসলমানের মসজিদে যাব , খৃষ্টানদের গির্জায় প্রবেশ করে ক্রুশবিদ্ধ যীশুর সামনে হব নতজানু , বৌদ্ধদের বিহারে প্রবেশ করে আমি বুদ্ধের শরণাপন্ন হব , আবার অরণ্যে প্রবেশ করে হিন্দুদের পাশে বসে ধ্যানমগ্নও হব ,
শুধু তাই নয় , ভবিষ্যতে যে সব ধর্ম আসতে পারে ,
সেগুলোর জন্যেও আমার হৃদয় আমি উন্মুক্ত রাখবো  সর্বদাই।’

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আজ ,
একবিংশ শতাব্দীতে এই প্রথম ভাগে দাঁড়িয়েও আমরা চুড়ান্ত সাম্প্রদায়িক মনোভাবাপন্ন , আত্মকেন্দ্রিকতায় নিমজ্জিত ও চরম ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা যেন বইছে আমাদের রক্তে।
রাজনীতি আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে।
বইয়ের পাতা ও মূর্তিতেই অসহায়ভাবে যেন আটকে আছে তাঁর অমূল্য সব আদর্শগাথা।
তাঁর আদর্শের পরমানুটুকুও যেন ক্রমশঃ আমাদের শরীর থেকে হতে চলেছে নিশ্চিহ্ন!
শরীরের লজ্জা আমরা সহজেই ঢাকতে পারি পোষাক দিয়ে কিন্তু মনুষ্যত্বের এ লজ্জা আমরা ঢাকবো কোন পোষাকে??

 

এলেনর স্টার্ক চিনেছিলেন স্বামীজি নামক
কোহিনূরকে , প্রফেসর জন হেনরি রাইট জেনেছিলেন
বিবেকানন্দকে , চিনেছিলেন ক্যাথরিন স্যানবর্ণ ,
কিন্তু আমরা তাঁকে জেনেছি কি তাঁকে আজও?
তাঁর দেখানক পথ কি বাস্তবে আদৌ আমরা করি মিনিমাম অনুসরণ?
মহাসমাধী দিবসের এই পূণ্যলগ্নে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি ও
সশ্রদ্ধ প্রণাম , পাশ্চাত্যে যোগ ও বেদান্ত দর্শনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্যে।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৪ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৪ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক)  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর স্বাধীনতা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১০ – অভিনেত্রী গ্লোরিয়া স্টুয়ার্ট।

১৯১৮ – অ্যালেক বেডসার, ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের মিডিয়াম পেস বোলার।

১৯২৬ – আলফ্রেদো দি স্তেফানো, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।

১৯৪৬ – রোনাল্ড লরেন্স কোভিক (রন কভিচ), আমেরিকান যুদ্ধবিরোধী কর্মী, লেখক এবং মার্কিন মেরিন সেনা।

১৮০৭ – জুসেপ্পে গারিবালদি, আধুনিক ইতালির স্রষ্টা ও এক মহান বিপ্লবী।(মৃ.১৮৮২)

১৮৩১- পণ্ডিত রামগতি ন্যায়রত্ন, বাঙ্গলা ভাষা ও বাঙ্গলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস সহ বহু মূল্যবান গ্রন্থের প্রণেতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ সমাজসংস্কারক। (মৃ.১৮৯৪)

১৮৭২ – ক্যালভিন কুলিজ্‌, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম রাষ্ট্রপতি।

১০৯৫ – উসামা ইবনে মুনকিজ, একজন সিরীয় মুসলিম কবি, লেখক, ফারিস ও কূটনৈতিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – মাওয়ায় পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০১১ – থাইল্যান্ডের ইতিহাসে ২৬তম ৫০০ আসনের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

১৯০৪ – পানামা খালের খনন কাজ শুরু।

১৯২০ – সিলেটে সিলেট জেলা খেলাফত কমিটি গঠিত হয় এবং হাওয়া পাড়ায় মৌলবী আবদুল্লাহ বিএল-এর বাসভবনে এর অস্থায়ী অফিসও প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৯ – বঙ্গীয় আইন পরিষদের ২৫ জন মুসলিম সদস্য কলকাতায় একটি সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন।

১৯৩৫ – লন্ডনের কিংসওয়ে শহরের দক্ষিণে অ্যাল্ডউইচ (Aldwitch) এবং দি স্ট্র্যান্ট (The Strant) স্ট্রিটের মাঝামাঝি স্থানের ওয়েস্ট মিনিস্টারে অবস্থিত বিবিসি’র সদর দফতর “বুশ হাউস” ভবনটি প্রায় ১৩ বছরের নির্মাণকাল শেষে লর্ড ব্যালফারের নেতৃত্বে উন্মোচন করা হয়।

১৯৪১ – নাৎসি জার্মান বাহিনী পোলিশ বিজ্ঞানী ও লেখকদের হত্যা করে।

১৯৪২ – ফিলিপাইন স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৪৩ – (ক) কুর্স্কের যুদ্ধ শুরু হয়।

(খ) সিঙ্গাপুরের ক্যাথে সিনেমা হলে সুভাষচন্দ্র বসু রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে ভারতীয় স্বাধীনতা লীগ ও আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৪৪ – সুভাষচন্দ্র বসুর বর্মাতে স্মরণীয় আহ্বান তোমরা আমাকে রক্ত দাও,আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।

১৯৪৬ – যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়।

১৯৪৭ – ইন্ডিয়া ইন্ডিপেন্ডেন্স এ্যাক্ট খসড়া আকারে ব্রিটিশ কমন্স সভায় উত্থাপিত হয়।

১৯৫১ – চেকোস্লাভাকিয়ার আদালত আমেরিকান সাংবাদিক উইলিয়াম এন ওয়াতিসকে ১০ বছরের সাজা দেন।

১৯৭২ – দুই কোরিয়া পুনরায় একত্রী করণের লক্ষ্যে প্রথমবারের মত সরকারি ভাবে যৌথ ঘোষণা দেওয়া হয়।

১৯৭৮ – ল্যাটিন আমেরিকান ৮টি দেশের আমাজান নদীসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৮২ – ইরানের চারজন কূটনীতিককে লেবাননের মিলিশিয়ারা অপহরণ করেছিল।

১৯৮৭ – প্রথম পাকিস্তানি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০ উইকেট নেয়ার কৃত্বিত অর্জন করেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার ইমরান খান।

১৯৮৭ – চীনের তেং সিয়াও পিং বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এরশাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সময় দুটি মৌলিক তত্ত্ব উত্থাপন করেন ।

১৮০২ – মার্কিন ওয়েস্ট পয়েন্ট সামরিক ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮১৭ – স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক রচনার জন্য কলকাতায় ক্যালকাটা স্কুল-বুক সোসাইটি গঠিত হয়।

১৮২৭ – নিউ ইয়র্ক রাজ্যে দাসত্বপ্রথার বিলুপ্তি।

১৮২৮ – উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গবর্নর জেনারেল পদে নিযুক্ত হন।

১৮২৯ – লন্ডনে প্রথম বাস চলাচল শুরু।

১৮৪৮ – কার্ল মার্কস ও ফ্রেডারিখ এঙ্গেলস কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার প্রকাশ করেন।

১৮৫৬ – মৌলভী আহমাদ উল্লাহ ও লাখনৌর বেগম হযরত মহলের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধে ইংরেজদের পরাজয়।

১৮৮১ – ভারতের শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং-এর মধ্যে প্রথম টয়ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

১৮৮৬ – ফ্রান্সের জনগণ যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে স্ট্যাচু অফ লিবার্টি উপহার দেয়।

১৭০০ – তুরস্ক-রাশিয়া যুদ্ধ বিরতি।

১৭৭৪ – “unanimous Declaration of the thirteen united States of America” নামে এই ঘোষণাপত্রটি “Representatives of the united States of America” কর্তৃক গৃহীত হয়।

১৭৭৬ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে।

১৭৭৬ – জর্জ ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতির পিতা বলে স্বীকৃতি পান।

১১৮৭ – (ক)  ক্রুসেডের হাত্তিনের যুদ্ধ এ জেরুসালেমের রাজা গাই অব লুসিগনানকে সালাদিন পরাজিত করেন।

(খ) – সুলতান সালাহ উদ্দীন আইয়ুবীর বায়তুল মোকাদ্দাস অধিকার।

 

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২১ – ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’ খ্যাত গীতিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজল-এ-খোদা।

২০২২ – তরুণ মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি চিত্রপরিচালক।

১৯০১ – ইয়োহানেস শ্মি‌ট‌, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯০২ – স্বামী বিবেকানন্দ, “আধুনিক ভারতের স্রষ্টা”, লেখক এবং সন্ন্যাসী পরিব্রাজক।

১৯০৭ – ‘হিতবাদী’ সম্পাদক কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ।

১৯২৭ – ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ, বাংলার নবজাগরণের সময়কালে প্রখ্যাত নাট্যকার।

১৯৩৪ – মারি ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৯৩৪ – হিব্রু কবি হাইইম বিয়ালিক।

১৯৪৫ – আশরাফ আলী থানভী,বিংশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ

১৯৬৩ -পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া, স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ভারতের জাতীয় পতাকার নকশাকার।

১৯৭১ – জো কক্স, দক্ষিণ আফ্রিকার টেস্ট ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – জেরুসালেমের গ্র্যান্ড মুফতি আমিন আল হুসাইন।

১৮২৬ – জন এডাম্‌স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।

১৮২৬ – টমাস জেফারসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।

১৮৩১ – জেমস মন্‌রো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।

১৮৪৮ – ফরাসি কবি ও লেখক ফ্রান্সোয়া শাতুব্রায়ান।

৯৮৭ – জুমা’র নামাজের প্রচলিত খুতবা প্রণেতা ইবনে নাবাতা আল খাতীব।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন দার্জিলিং এর এক সুন্দর দর্শনীয় স্থান তাবাকোশি।

 

ভ্রমণ পিপাসু বাঙালি। আর ঘুররতে কে না ভালোবাসে। তবে বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই  দার্জিলিং এর এক সুন্দর দর্শনীয় স্থান তাবাকোশি।

তাবাকোশি মিরিক এর কাছে রংভাং নদীর ধারে ছোট্টো একটি পাহাড়ি গ্রাম যার উচ্চতা প্রায় ৩০০০ ফুট l কমলালেবু গাছ আর চা বাগানে ঘেরা একটা মিষ্টি পাহাড়ি জনপদl নামটা শুনতে কিছুটা জাপানি মনে হলেও আদতে এটি ভারতের উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং জেলায় অবস্থিত একটি ছোট্ট গ্রাম। তাবাকোশী, যা এক কথায় প্রকৃতিপ্রেমীর কাছে স্বর্গরাজ্য। মিরিক থেকে খুব কাছে এই জনপদ হই হট্টগোল কাটিয়ে শুধু সিনিক বিউটির জন্য সেরা ডেস্টিনেশন।

 

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানেই বার বার পর্যটকরা ফিরে আসেন এই পাহাড়ি গ্রামে। উত্তরঙ্গের জনপ্রিয় গোপালধারা চা বাগানের লাগোয়া জায়গা জুড়েই অবস্থিত এই পাহাড়ি অঞ্চলটি। মিরিকের নীচে চায়ের বাগানে ঘেরা ছোট্ট সাজানো গ্রাম এই তাবাকোশি। উত্তরকন্যার কোলে লুকিয়ে থাকা যে সব পাহাড়ি গ্রামগুলোতে এখন পর্যটনদের আনাগোনা বাড়ছে, তাদের মধ্যেই অন্যতম এই তাবাকোশি। সামনে দিয়ে বয়ে গেছে ছোট পাহাড়ি নদী। রাম্মামখোলা নদীর ঢালে অপরূপ প্রাকৃতিক শোভা একে অপরূপা করে তুলেছে। মিরিক থেকে মাত্র আট কিমি, গোপালধারা টি এসেস্টের কাছেই এর অবস্থান। রংভাঙ মোড় থেকে ছয় কিমি নিচে রংভাঙ নদীর পাশেই ছবির মতো সুন্দর তাবাকোশি। মিরিক থেকে দার্জিলিং রোড ধরে আরও খানিকটা এগিয়ে থুরবো চা বাগানের বুক চিরে গাড়ি নিয়ে চলে যেতে হবে রাঙ্গভং নদীর ধারে। গ্রামটি শহরের কোলাহল থেকে দূরে পরিবারের সাথে বা একাকি সময় কাটানোর জন্য একটি আদর্শ স্থান হয়ে উঠতে পারে আপনাদের কাছে , পাহাড়ের কোলে বসে নদির জলের আওয়াজ ও সাথে পাখিদের কুঞ্জন শুনতে শুনতে সামনের পাহাড়ের ঢালে সবুজে ঘেরা চা বাগানের মধ্যে হারিয়ে যেতে মন করবে এই তাবাকোশীতে ।

 

নামকরণ এর ইতিহাস–

‘তাম্বা’ যার অর্থ তামা আর ‘কোশি’ মানে নদী। রাংভাং নদীর উপর ঘন জঙ্গলকে দেখে মনে হয় যেন নদীর ওপর তামার দেশ, এখান থেকে গ্রাম নাম ‘তাবাকোশি’। বিস্তারিত ভাবে তাবাকোশি গ্রামের নামকরণের পিছনে একটা ইতিহাস রয়েছে। অনেক অনেক আগে এই জায়গাটির নাম ছিল গোপালখাড়া, অনেকে আবার গোপালধারাও বলে থাকেন। ঠিক একই নামের একটি চা বাগান রয়েছে এই অঞ্চলে। চা বাগানের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ক্ষীণস্রোতা পাহাড়ি নদী রংভাং খোলা যার নেপালি নাম তাম্বাকোশি। বর্ষাকালে আগে যখন প্রচুর বৃষ্টি হত, শোনা যায় সেই সময় নাকি এই নদীর জল-কাদা সব একত্রে গুলে গিয়ে তামাটে রঙ ধারণ করে। সেই থেকেই সম্ভবত এই নদীর নাম হয়েছে তাম্বা। নেপালি ভাষায় ‘কোশি’ বলতে নদীকে বোঝায়। এই লোকশ্রুতি থেকেই সম্ভবত এই জায়গার নাম হয়েছে তাবাকোশি। তাই এই ব্যস্ততার সময় জীবনে আনন্দ পেতে অনায়াসেই কিছু দিন এখানে কাটিয়ে দিতে পরেন গোটা পরিবার নিয়ে।

 

 

তাবাকোশিতে কি দেখবেন—

মূলত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টানেই বার বার পর্যটকরা ফিরে আসেন এই পাহাড়ি গ্রামে। উত্তরঙ্গের জনপ্রিয় গোপালধারা চা বাগানের লাগোয়া জায়গা জুড়েই অবস্থিত এই পাহাড়ি অঞ্চলটি। জোড়পোখরি, লেপচাজগত, সিমনা ভিউ পয়েন্ট, পশুপতির মার্কেট, গোপালধারা চা বাগান, মিরিক লেক, মিরিক মনেস্ট্রি । এখান থেকে দূরে মিরিক টা দেখা যায় পাহাড়ের উপর। এখানে একটা ছোট্ট ঝর্ণা আছে, তার পাশে এলাচ বাগানে তাবুতে রাত কাটানোর ব্যবস্থা আছে। চা বাগানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে ঘুরতে ঘুরতে দেখা যায় নানান পাখির আনাগোনা, চারদিকে সবুজের সমারোহ।  তাবাকশির আনাচে-কানাচে রয়েছে কমলালেবুর বাগান, রয়েছে ভুট্টার ক্ষেত, এলাচের বাগান, আদার বাগান। উপরে চা বাগান থেকে নিচে রঙভঙ নদী ও মন্দির দেখতে দারুন লাগে। পথ চলতে চলতে No Hunting বোর্ড চোখে পড়লে বুঝে নিবেন এখানে মাঝেমধ্যে হরিণ চলে আসে জঙ্গল থেকে।  আরও নানা জায়গা ঘুরে নিতে পারেন তাবাকোশিতে দু’দিন থেকে।

 

কি কি দেখবেন—-

 

চাইলে খুব সকালে এখান থেকে গাড়ি নিয়ে টারজাম জায়গাটা ঘুরে আসা যায় যা তাবাকোশী থেকে ৩০ মিনিটের পথ। সৌন্দর্য ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, পুরোটা চা বাগানের মধ্যে দিয়ে। তাবাকশি থেকে জোড়পোখরি, লেপচাজগৎ, পশুপতির মার্কেট (ভারত-নেপাল সীমান্ত), গোপালধারা চা বাগান, মিরিক লেক, মিরিক মনেস্ট্রি ও পার্শ্ববর্তী এলাকা দেখতে পারবেন। ইচ্ছা হলে সময় কাটাতে পারেন রাম্মামখোলা নদীর পারেও। পক্ষী প্রেমীদের স্বর্গরাজ্য এই তাবাকোশি। তবে এখানে শান্ত, শীতল, নৈসর্গিক পরিবেশই বেশি আকর্ষণীয়।

 

তাবাকোশির আসেপাশে আরো যে গুলি দেখতে পারেন…

 

পশুপতি মার্কেট : তাবাকোশী থেকে খুব কাছে এই স্থানটি ভারত ও নেপালের বর্ডার , এখানের বিশেষত্ব হল এখানকার বাজার যেখানে কম দামে নেপালের ও বিভিন্ন বিদেশী জিনিসপত্র পাওয়া যায় , আপানরা এখান থেকে শপিং করতে পারেন।

 

মিরিক ঝিলঃ মিরকি থেকে তাবাকোশী খুব একটা দূরে না হওয়ায় এখান থেকে সহজেই মিরিক ঝিল ঘুরে দেখে নিতে পারেন। মিরিক ঝিলে Boating করে এখানে একটা দারুন সময় কাটিয়ে নিতে পারেন।

 

গোপালধারা চাবাগান : তাবাকোশী থেকে গোপালধারা চাবাগান ও খুব কাছাকাছি তাই এই স্থানটিও ঘুরে দেখে নিতে পারেন, দেখে নিতে পারেন এখানের চা ফ্যাক্টরি গুলি ।

 

তাই তবাকোশীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও এখানকার নিরিবিলি পরিবেশ আপানাদের মনের সকল চিন্তামুক্ত করে মনে এক শান্তির অনুভুতি এনে দিবে যার ফলে এই স্থানটি ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে মন চাইবে না। যারা শান্তশিষ্ট পরিবেশে কিছু দিন পাহাড়ে কাটাতে চান তাদের কাছে এই স্থানটি আদর্শ।

 

 

ভ্রমণের সেরা সময়—

বছরের যে কোনও সময় তাবাকোশি যাওয়া যায়। তবে মার্চ মাস থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি সময় অথবা অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি উৎকৃষ্ট সময়।

 

তাবাকোশি যাওয়ার উপায়—-

নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে তাবাকোশির দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার। বাগডোগরা দিয়ে যেতে চাইলে সেই সুযোগও রয়েছে এখানে। বিমানবন্দর বা রেলস্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করে সোজা পৌঁছে যেতে পারেন তাবাকোশি। সকালে এনজেপি (NJP) স্টেশন পৌঁছে একটা অটো নিয়ে শিলিগুড়ি জংশন চলে যেতে পারেন। তারপর সেখান থেকে মিরিক যাওয়ার একটা শেয়ার গাড়িতে চেপে বসুন। শিলিগুড়ি থেকে শেয়ার গাড়িতে মিরিক পৌঁছে একটা গাড়ি নিয়ে তাবাকোশি রওনা দিয়ে দিন। দু’দিনের হাওয়া বদলে আপনার মন ভাল হয়ে যেতে বাধ্য।

 

 

কোথায় থাকবেন—-

এখানের চা বাগানের সঙ্গেই রয়েছে একাধিক হোমস্টে। মূলত চা বাগানের মালিকরাই এই হোমস্টেগুলোর মালিক। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য টি-ভিলেজ হোমস্টে, সুনাখারী  হোমস্টে। একেবারে চায়ের বাগানের পরে ছোট্ট গ্রামের শুরুতেই সুন্দর সাজানো গোছানো হোমস্টে। হোমস্টেতে তিন রকমের ঘর রয়েছে নরমাল, ডিলাক্স আর স্টোন কটেজ।

টি ভিলেজ হোমস্টে।  এছাড়া হোম স্টে’তে না থেকে, তাঁবুতে থাকার ইচ্ছা হলে সে ব্যাবস্থাও আছে। চারজনের জন্য তাঁবুর ভাড়া তিন হাজার রুপী। তবে তাঁবুতে থাকলে খাবার আলাদা খরচ আছে। এছাড়া বেশি স্বাছন্দ পেতে বেশি ভাড়ার হোম স্টে’ও পাবেন।”

 

উপসংহার—-

 

মিরিক থেকে ঢিলে ছোঁড়া দূরত্বে থাকা তাবাকোশি। হাল ফ্যাশনের যুগে উত্তরকন্যার কোলে লুকিয়ে থাকা যে সব পাহাড়ি গ্রামগুলোতে এখন পর্যটনদের আনাগোনা বাড়ছে, তাদের মধ্যেই অন্যতম এই তাবাকোশি। পূর্ব হিমালয়ের কোলে রাংভাং নদীর উপর এক ঘুমন্ত গ্রাম তাবাকোশি। দার্জিলিং এর বিখ্যাত গোপালধারা চা-বাগানের একটি অংশ এই তাবাকোশী।চারদিকে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা ও সবুজ চা-বাগান দিয়ে মোড়া পাহাড়ের মাঝে এক শান্ত শিষ্ট নিরিবিলি গ্রাম এই তাবাকোশী ।সকালে সারাদিন অফিস ও রাতে বাড়ী এই করতে করতে দিন কেটে যাচ্ছে , এক ঘেয়েমি জীবনযাপন থেকে মুক্তি পেতে দূরে কোথাও ছুটে যেতে মন চাইছে, তবে চলে আসতে পারেন উত্তরবঙ্গের এক নিরিবিলি ছোট পাহাড়ি গ্রাম তাবাকোশীতে।

।।তথ্য : সংগৃহীত।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) বেলারুস এর স্বাধীনতা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৬২ – টম ক্রুজ, একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৮৪ – সৈয়দ রাসেল, বাংলাদেশী ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯১২ – অজিতকৃষ্ণ বসু, একজন বাঙালী রসসাহিত্যিক, জাদুকর এবং সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৪১ – আদুর গোপালকৃষ্ণন, আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৫২ – অমিত কুমার, ভারতীয় বাঙালি গায়ক, অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, চলচ্চিত্র প্রযোজক, সঙ্গীত প্রযোজক এবং সুরকার।

১৮৫৪ – চেক সঙ্গীত স্রষ্টা লেইওস ইয়ানাচেক।

১৮৮৩ – ফ্রান্‌ৎস কাফকা, জার্মান ও চেক উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।

১৭২৮ – স্কট স্থপতি রবার্ট অ্যাডাম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪৭ – ভারতবর্ষকে দু’টি ডেমিনিয়নে বিভক্ত করার জন্য ‘মাউন্টবাটেন পরিকল্পনা’ প্রকাশ।

১৯৫৩ – পৃথিবীর নবম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ নাঙ্গা পর্বতের শীর্ষে একদল অস্ট্রীয় ও জার্মান অভিযাত্রী সর্বপ্রথম আরোহণ করেন।

১৯৬২ – আলজেরিয়া স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭১ – ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশের বীরশ্রেষ্ঠ, ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ এ প্রবেশ করেন দেশের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে।

১৯১৯ – বিশ্বভারতীর যাত্রা শুরু হয়।

১৯২১ – মস্কোয় বিপ্লবী ট্রেড ইউনিয়নগুলোর আন্তর্জাতিক কংগ্রেস শুরু হয়।

১৯৪১ – মিত্রবাহিনীর কাছে সিরিয়ার আত্মসমর্পণ।

১৭৫৭ – মীরজাফর এর পুত্র মিরনের নির্দেশে মোহাম্মদী বেগ নামের ঘাতক সিরাজউদ্দৌলাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – আলাউদ্দিন আল আজাদ, বাংলাদেশের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, নাট্যকার, গবেষক।

২০২০ – সরোজ খান,বলিউডের প্রখ্যাত নৃত্য পরিচালক।

১৯৩২ – স্বর্ণকুমারী দেবী, বাঙালি কবি ও সমাজকর্মী।

১৯৭১ – জিম মরিসন, মার্কিন সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৯১ – ডলি আনোয়ার, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৯৭ – বিশিষ্ট বাঙালি চিত্রশিল্পী রথীন মৈত্র।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস, জানুন কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

ক্রীড়া সাংবাদিকতা যে কোনো সংবাদ মাধ্যমের প্রতিষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।  এটি খেলাধুলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে।  এটিকে হাস্যকরভাবে খেলনা বিভাগ নামকরণ করা হয়েছে কারণ খেলাধুলার বিষয়বস্তু একটি খেলা হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে। আজ ২ জুলাই, বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস (World Sports Journalists Day)। আজ থেকে ৯৯ বছর আগে প্যারিস অলিম্পিকের সময় ১৯২৪ সালের এই দিনে ফ্রান্সে এআইপিএস (আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা) প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই দিনটিকে স্মরণে রেখেই প্রতি বছর ২ জুলাই ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস পালিত হয়।
সাংবাদিকরা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আমাদের সামনে সুগবেষণাকৃত তথ্য তুলে ধরে।  ক্রীড়া সাংবাদিকরা বিভিন্ন স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।  ক্রীড়া লেখকদের তৎপরতা এবং রিপোর্টিং দক্ষতার কারণে বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া অনুরাগীরা ক্রীড়া ইভেন্ট এবং ক্রীড়া খেলোয়াড়দের সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য অ্যাক্সেস করতে সক্ষম হয়।  আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ক্রীড়া জগতের বর্তমান সেনসেশন এবং ক্রীড়া লেখকরা এটিকে কভার করতে কোন কসরত ছাড়ছেন না।  ক্রীড়া প্রচারে ক্রীড়া সাংবাদিকদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে প্রতি বছর ২ জুলাই বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস পালন করা হয়।  এই উপলক্ষ্যে, আমরা বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস সম্পর্কে কিছু তথ্য নিয়ে এসেছি।

বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবসের ইতিহাস—

১৯৯৪ সালে, ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (A.I.P.S.) তার ৭০তম বার্ষিকীর সম্মানে প্রথমবারের মতো বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস উদযাপন করে।  ১৯২৪ সালে, A.I.P.S.  প্যারিস, ফ্রান্সে L’Association Internationale de la Presse Sportive হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  যাইহোক, সমিতির সদর দপ্তর এখন অলিম্পিক রাজধানী লুসানে, সুইজারল্যান্ডে।  A.I.P.S.  ১৬০টি সদস্য সমিতি সহ একটি স্বাধীন সংস্থা, যেখান থেকে এটি সদস্যতা ফি এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং ফেডারেশনের অবদানের মাধ্যমে অর্থায়ন পায়।
এর ওয়েবসাইট অনুসারে, A.I.P.S এর লক্ষ্য।  “ক্রীড়া এবং সদস্যদের পেশাগত স্বার্থ রক্ষায় এর সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা, সমস্ত জাতির ক্রীড়া সাংবাদিকদের মধ্যে বন্ধুত্ব, সংহতি এবং সাধারণ স্বার্থ জোরদার করা এবং সদস্যদের জন্য সর্বোত্তম সম্ভাব্য কাজের পরিস্থিতি নিশ্চিত করা।”
ক্রীড়া সাংবাদিকতা এমন এক ধরনের লেখা যা ক্রীড়া-কেন্দ্রিক বিষয়গুলিতে ফোকাস করে।  ক্রীড়া সাংবাদিকতা ১৮০০-এর দশকে, বিশেষ করে ১৮২০ এবং ১৮৩০-এর দশকে বিকশিত হয়েছিল।  শুরুতে, রিপোর্টিং প্রাথমিকভাবে ঘোড়দৌড় এবং বক্সিং-এর মতো অভিজাত ক্রীড়াগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, প্রধানত উচ্চ শ্রেণীকে লক্ষ্য করে কারণ সংবাদপত্রগুলি জনসাধারণের নাগালের বাইরে ছিল।  যাইহোক, পেনি প্রেসের বিকাশ সাশ্রয়ী মূল্যের সংবাদপত্র উত্পাদনের দ্বার উন্মুক্ত করেছে, শেষ পর্যন্ত তাদের সমাজের নিম্ন স্তরের কাছে আরও অ্যাক্সেসযোগ্য করে তুলেছে।  বিংশ শতাব্দীতে ক্রীড়া সাংবাদিকতার জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।  ১৮৮০ সালে, সংবাদপত্রে খেলাধুলার জন্য মাত্র ০. ৪% স্থান উৎসর্গ করা হয়েছিল।  এই সংখ্যা ১৯২০ সালের মধ্যে ২০%-এ উন্নীত হয়, কারণ সংবাদপত্রগুলি ক্রীড়া কভারেজের জন্য একচেটিয়াভাবে সাংবাদিকদের নিয়োগ করা শুরু করে।  আজ, ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুধুমাত্র প্রিন্ট মিডিয়াই নয়, রেডিও, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেটকেও ব্যবহার করে।

বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া সাংবাদিকরা একত্রিত হয়েছে ISPA।
আজ, স্পনসরশিপ থেকে শুরু করে অলিম্পিক গেমস এবং বিশ্বকাপের মঞ্চায়ন পর্যন্ত বিপুল অর্থের সাথে খেলাধুলা একটি ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় পরিণত হয়েছে।
এই ইভেন্টগুলি বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত অনুসন্ধানী এবং দক্ষ সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।
বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস প্রতি বছর অনেক আড়ম্বর ও আনন্দের সাথে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। এই দিনটি বিশেষ করে ক্রীড়া মিডিয়ার সদস্যদের অর্জন উদযাপন করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
এটির লক্ষ্য ক্রীড়া সাংবাদিকদের তাদের কাজের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য প্রচেষ্টা করতে এবং বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ স্থাপন করতে উত্সাহিত করা। এই দিনটি সাংবাদিকদের আরও কঠোর পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে এবং আরও বেশি লোককে পেশায় আমন্ত্রণ জানায়।
বেশিরভাগ দেশে ক্রীড়া সাংবাদিকদের জন্য তাদের পৃথক জাতীয় সমিতি রয়েছে।  স্পোর্টস জার্নালিস্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SJFI) ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ভারতেও বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা, এবং SJFI খেলাধুলার প্রতি লেখকদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে এই দিনটি উদযাপন করে।

খেলাধুলা নিবন্ধের অর্থ—

খেলাধুলা প্রতিটি মানুষের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  এটি তাদের সুস্থ ও সুন্দর রাখে এবং শারীরিক শক্তিও রাখে।  জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম।  এটি মানুষের মেজাজকেও প্রসারিত করে।  খেলাধুলা আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সজাগ রক্ষা করে এবং বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের হৃদয় সক্রিয় হয়ে ওঠে।

ক্রীড়া সাংবাদিকতা—

ক্রীড়া সাংবাদিকতা হলো সাংবাদিকতার এমন ধারা, যারা ক্রীড়া এবং প্রতিযোগিতা সম্পর্কিত বিষয়গুলির উপর প্রতিবেদন করে। ১৮০০ এর দশকের গোড়ার দিকে ক্রীড়া সাংবাদিকতা শুরু হয় এবং এটি খবরের কাগজের নিবেদিত সংস্থাগুলির সাথে সংবাদ ব্যবসায়ের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে রূপান্তরিত হয়। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শ্রেণীর মধ্যে খেলাধুলার বর্ধমান জনপ্রিয়তার কারণে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলো খেলাধুলার সামগ্রীর আরও বেশি প্রচার শুরু করে, খেলাধুলার প্রতি মানুষের এই আগ্ৰহের ফলে কেবল খেলাধুলার সংবাদ প্রচারের জন্য ইএসপিএন এবং স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেডের মতো ক্রীড়া প্রকাশনা সংস্থা তৈরি হয়। ক্রীড়া সাংবাদিকতার বিভিন্ন রূপ রয়েছে, যা খেলা থেকে শুরু করে খেলা থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো বিশ্লেষণ এবং খেলায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পর্যন্ত চলে। প্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের যুগে ক্রীড়া সাংবাদিকতার জায়গাগুলি ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে কারণ এটি এখন মুদ্রণ সাংবাদিকতার বিস্তৃত বিভাগের সাথে একই সমস্যার সাথে লড়াই করে চলেছে, এরা এখন সাবস্ক্রিপশনের ব্যয় কাটাতে সক্ষম হচ্ছে না। বর্তমান সহস্রাব্দে ইন্টারনেট ব্লগিং এবং টুইটের নতুন রূপগুলি ক্রীড়া সাংবাদিকতাকে শেষ সীমানা পর্যন্ত ঠেলে দিয়েছে।

ক্রীড়া সাংবাদিকতা কি?

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বিকাশ ঘটলে ক্রীড়া সাংবাদিকতা দিনে দিনে বিকশিত হতে পারে।  ক্রীড়া বিভাগ সবসময় একটি প্রবণতা বিষয়.  যেকোনো দেশের মানুষ যখন খেলাধুলাকে গুরুত্ব সহকারে নেবে, তখন ক্রীড়া সাংবাদিকতা তার অবস্থান শক্তভাবে ধরে রাখবে এবং মিডিয়া সংস্থার একটি প্রধান অংশ হয়ে উঠবে।  একটি উন্নয়নশীল সরকার সর্বদা ক্রীড়া বিভাগগুলির উন্নতির জন্য কঠোর চেষ্টা করে।  ১৯৯০ সাল থেকে খেলাধুলার গুরুত্ব বাড়ছে।  এটি অলিম্পিক, ফুটবল বিশ্বকাপ এবং ক্রিকেট বিশ্বকাপ ইত্যাদির মাধ্যমে বিপুল আয়ের সাথে জড়িত একটি বিশ্বব্যাপী ব্যবসা। ক্রীড়া সাংবাদিকতা যেকোন সংবাদ মাধ্যম সংস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।  এটি খেলাধুলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে।  খেলাধুলার বিষয়বস্তু একটি খেলা হিসেবে গুরুত্ব পেয়েছে বলে হাস্যকরভাবে এর নামকরণ করা হয়েছে খেলনা বিভাগ।  এটা সম্পদ, শক্তি এবং প্রভাব উচ্চতর হয়েছে।

 

ক্রীড়া সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ—-

গত দশকে খেলাধুলার মধ্যে একটি বড় পরিবর্তন ঘটেছে কারণ আরও ক্রীড়া দলগুলো বিশ্লেষণগুলি ব্যবহার করে চলেছে। একটি খেলার কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে বিশ্লেষণগুলো ব্যবহারের বর্ধিত সুবিধা সম্পর্কে অনেক নিবন্ধ প্রকাশিত হওয়ায় এখানে স্থানান্তরিত হওয়ার এটি একটি বড় কারণ(ক্রীড়া সাংবাদিকতায়)। যেহেতু প্রতিটি খেলায় প্রতিটি উদাহরণের তথ্য সংগ্রহ করা হয়, স্পোর্টসের ডেটা বিশ্লেষণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই দলগুলি পরিচালনা করছে এমন বিশ্লেষণের নিবন্ধ প্রকাশের জন্য স্পোর্টস পাবলিকেশনগুলি এখন পরিসংখ্যান এবং গণিতে বিস্তৃত পটভূমির লোকদের নিযুক্ত করছে। খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্সের গুণমান অধ্যয়নের জন্য নতুন মেট্রিক তৈরি করা হয়েছে। মেট্রিকগুলি খেলোয়াড় এবং দলগুলির র‌্যাঙ্কিং সংকলন করতেও ব্যবহৃত হয়। ফাইভ থার্টিইটির মতো ব্লগ সাইটগুলি ফুলটাইম স্পোর্টস অ্যানালিটিক সাইট হিসাবে অঙ্কিত হতে শুরু করেছিল যারা উপলব্ধ ডেটা নিয়েছিল এবং ক্রীড়া সম্পর্কিত বিশ্লেষণী ভারী নিবন্ধগুলি তৈরি করেছিল। ইএসপিএন তাদের অনুষ্ঠানগুলিতে ‘স্পোর্টস সায়েন্স’ নামে একটি বিভাগ প্রয়োগ করেছে যেখানে উন্নত বিশ্লেষণগুলি ক্ষেত্রের পারফরম্যান্সকে কীভাবে প্রভাবিত করে তা পরীক্ষা করতে প্রতিটি খেলার তারকারা উপস্থিত হন। খেলাধুলায় বিশ্লেষণ ব্যবহারের কারণে অনেকেরই প্রচুর পুশব্যাক রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠিত কোচ দ্রুত বিশ্লেষণকে গুরুত্ব দেন এবং এক্ষেত্রে পেশাদার ক্রীড়া সাংবাদিক নিয়োগের অনেক উদাহরণ রয়েছে।।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৬ – জার্মান-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী হান্স আলব্রেশ্‌ট বেটে জার্মানির স্ট্রাসবুর্গে জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯২২ – পিয়েরে কার্দিন বিশ্ব বিখ্যাত ফরাসি ফ্যাশন ডিজাইনার।

১৯২৩ – নোবেল বিজয়ী পোলিশ কবি বিস্লাভা সিমবরস্কা।

১৯২৫ – কঙ্গোর স্বাধীনতা সংগ্রামী জননেতা প্যাট্রিস লুমুম্বা।

১৯৯৬ – জেরিন তাসনিম নাওমি, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

১৮৬২ – উইলিয়াম হেনরি ব্র্যাগ, নোবেলজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৬৫ – জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার, আফ্রো-আমেরিকান বিজ্ঞানী, আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে প্রভূত উন্নত সাধন করেন।

১৮৭৭ – হেরমান হেস, জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইজারল্যান্ডীয় কবি এবং চিত্রকর।

১৭৩০ – জোসিয়া ওজেউড, ইংল্যান্ডের পটুয়া।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৩ – নর্থইষ্ট ইলেক্ট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন (নিপকো) নামে

জলবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০০৯ – দিল্লি হাইকোর্টের একটি রায়ে স্পষ্টত জানানো হয়েছে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সম্মতিক্রমে সমকামিতার আচরণ অপরাধের আওতায় পড়ে না।

১৯৩৭ – আটলান্টিক অতিক্রমকারী প্রথম নারী বৈমানিক আমেলিয়া ইয়ারহার্ট রহস্যজনকভাবে বিমানসহ নিখোঁজ।

১৯৬১ – সত্যাগ্রহ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসামের ভাষা পরিষদ ভাষা দাবী দিবস পালন করে।

১৯৬৪ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইন স্বাক্ষর করেন।

১৯৬৭ – আদমশুমারী জালিয়াতির বিরুদ্ধে আসামের দাবী সপ্তাহ ১২ দিন দীর্ঘায়িত করা হয় এবং কাছাড় জেলার সর্বত্র পাবলিক সভা সমাবেশ করা হয় ।

১৯৭২ – ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

১৯৭৬ – দক্ষিণ ভিয়েতনাম ভেঙে যায়। সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অব ভিয়েতনাম ঘোষণা করে।

১৯৭৭ – পশ্চিমবঙ্গের সীমানার মধ্যেই দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলকে স্বশাসিত অঞ্চল ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয় রাজ্য ক্যাবিনেটে।

১৯৯০ – মক্কা নগরীর নিকটে মিনার সুড়ঙ্গ দূর্ঘটনায় ১৪১৬ জন হাজী মারা যান।

১৯৯৮ – যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত হ্যারি পটার উপন্যাস সিরিজের দ্বিতীয় বই হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস (ইংরেজিতে Harry Potter and the Chamber of Secrets) প্রকাশিত হয়।

 

১৮৮৯ – ব্রাজিলে এক রক্তপাতহীন আন্দোলনের মাধ্যমে রাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯০ – আফ্রিকায় ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ এবং মাদক ব্যবসা বন্ধের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ব্রাসেলস চুক্তি পাস।

১৭৫৬ – নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার নাম দেন আলীনগর।

১৭৭৬ – মন্টিনেন্টাল কংগ্রেস কর্তৃক আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা।

১৭৮১ – মহিশুরের হায়দার আলী ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে পরাজিত।

৭১২ – মুহাম্মাদ বিন কাসিম এর সিন্ধু বিজয়।

৬৮৪ – কাবা ঘরের সংস্কার করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১২ – টম রিচার্ডসন, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯২৯ – অমৃতলাল বসু, বাঙালি নাট্যকার ও নাট্য অভিনেতা।

১৯৪৩ – জিমন্যাস্টিক্স হল্যান্ড মহিলা দলের কোচ গেরিট ক্লীরকপারকে ১৯২৮ সালের অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জেতার অপরাধে পোল্যান্ডের সবিবর বন্দী শিবিরে হত্যা করা হয়।

১৯৬১ – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, মার্কিন উপন্যাসিক, ছোটগল্প রচয়িতা এবং সাংবাদিক।

১৯৬৯ – প্রবোধচন্দ্র গুহ, প্রখ্যাত নাট্য প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৭৭ – ভ্‌লাদিমির নাবোকভ্‌, রুশ সাহিত্যিক।

১৯৮২ – চেরাবাণ্ডা রাজু, বিপ্লবী কবি, গীতিকার ও নাট্যকার যিনি তেলুগু ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন।

১৯৮৬ – নিকুঞ্জ সেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী, রাইটার্স বিল্ডিংস অভিযানের রূপকার।

১৯৯৪ – কলম্বিয়ার ফুটবল খেলোয়াড় এসকোবা একজন অস্ত্রধারীর গুলিতে নিহত হন ।

১৯৯৯ – আমেরিকার লেখক মারিও পুজো।

১৮৪৩ – হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আবিষ্কারক জার্মানীর স্যামুয়েল হ্যানিম্যান।

১৮৮১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট জেমস আব্রাহাম গারফিল্ড।

১৭৫৭ – সিরাজ-উদ-দৌলা, বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।

১৭৭৮ – জঁ-জাক রুসো, সুইজারল্যান্ডীয় দার্শনিক।

১৫৬৬ – ফরাসি ভবিষ্যদ্বক্তা, জ্যোতিষী, লেখক এবং ঔষধ প্রস্তুতকারক ও চিকিৎসা সামগ্রী বিক্রেতা নস্ট্রাদামুস বা মিকেল দে নস্ট্রাদাম।

১৫৯১ – বিখ্যাত ইতালীয় সংগীতজ্ঞ ভিনসেঞ্জো গ্যালিলি (বিজ্ঞানি গ্যালিলিও গ্যালিলির বাবা)।

৯৩৬ – জার্মানির রাজা হেনরি দ্য ফাউলার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
অনুগল্প

এক শ্রাবণের কথা : রাণু সরকার।

শ্রাবণের আকাশে কালো মেঘের পুঁজিতরাশি,
এই বুঝি এলো বর্ষা রাণী, স্বামী-পুত্র গেছে মাঠে,
ধেয়ে এলো ঘনকাল ও মাগো মা নিমেষে হলো এক হাঁটু জল মাঠ ঘাট হলো এক বোঝা দায়।
হায়-রে শ্রাবণের ধারা দেখো দেখো ধানের মাথা গুলো করছে যেন বিনয়ী বাতাসের তাড়নায়।

গরু-ছাগলের পাল দিচ্ছে কি হাঁক ডাক,গোগৃহ তো জলে ডুবুডুবু গা যাচ্ছে ওদের ভিঁজে। এতোগুলো গাই বাছুরের পাল রাখি কোথায়, কে যানতো এভাবে শ্রাবণেরধারা বৈবে অবিরাম।

সূর্য এই বুঝি দিলো ডুব তবে যায় না দেখা মনে হয় একটু আছে বাকি,
বোঝার কি উপায় আছে আঁধার রেখেছে যে ঘিরে।
এখনো কি পারছে না বুঝতে তারা হুঁশ নেই কি একদম,একা কি করে দেই সব সামাল বৃদ্ধা শ্বাশুড়িটাও পরে আছে বিছানায়।
দুয়ারে এক হাঁটুজল দাঁড়িয়ে দেখছি-কারুর দেখা নেই,ঘনঘন বিদ্যুতের চমকানি,
একা গৃহে ভয়ে ভয়ে প্রাণ ওষ্ঠাগত,
তাকে বলেছিলাম-বেলা না গড়ায় বাব,ছেলে এসো ফিরে তাড়াতাড়ি ঘরে, কে কার কথা শোনে,
সকাল থেকেই ছিলো মেঘেদের মুখ ভার করছিলো তারা কানাকানি।

তখনি বুঝেছি আসবে ধেয়ে নেবে সব ভাসিয়ে ক’দিন আগেই বলেছিলাম গোয়াল ঘরের চালটাতে ঘর চাপাতে হবে কানে নেয় নি কথা।

হঠাৎই কানে এলো কে যেন ডাকছে,বউঠান বাব-বেটা ফিরেছে কি ঘরে?
আমি বলি না গো দাদাঠাকুর ফেরেনি এখনো তারা।
আচ্ছা দাঠাকুর এই বর্ষার কচুপাতা মাথায় দিয়ে বেরিয়েছেন কেনো? কেনো জানো না বউঠান? আমাদের কালো গাইটা গাভিন ভীষণ ডাকছে-ওর খাবার যে নাই – কিছু ঘাস যদি পাই, এই বর্ষায় সব গেছে ডুবে কোথায় ঘাস পাবেন? দেখি হাতড়িয়ে কিছু তো পাবো- আমার কথা ছাড়ো।

দেখ দেখি কি মুশকিলের কথা,তারা কি বোঝে
না দু’কূল গেছে ভেসে, ঘরে ফিরলে খবর দিও বউঠান।
বলেছিলেম তো তারে বেলা থাকতেই যেন আসে ফিরে ঘরে।
গৃহিণীর কথা বাসি হলে লাগে কাজে।

Share This