Categories
অনুগল্প

অনু গল্প : শেষ দেখা।

ট্রেনের হুইসেল বাজলেই যেন চমকে উঠল রিয়া। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে সে দেখল, ভিড়ের ভেতর দিয়ে দ্রুত এগিয়ে আসছে অর্ণব।
“রিয়া!” – হাঁপাতে হাঁপাতে বলল সে।
রিয়া তাকিয়ে রইল – তার চোখে জল।

“তুমি যাচ্ছ?”
রিয়া চুপ। শুধু মাথা নেড়ে সায় দিল।

অর্ণবের চোখে হাজার কথা জমে ছিল, কিন্তু সময়ের অভাব ছিল আরও বড়। ট্রেন তখন ধীরে ধীরে গড়িয়ে চলেছে।
হঠাৎ অর্ণব রিয়ার হাত ধরে বলল,
“যদি কখনো ফিরে আসো… আমি এখানেই থাকব।”

ট্রেন চলে গেল।
রিয়া জানালায় দাঁড়িয়ে দেখল অর্ণব ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে।
তার ঠোঁট নড়ে উঠল –
“হয়তো একদিন…”

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

একটি মোবাইল যখন সম্পর্কের মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়ায়।

 

ভূমিকা

২১শ শতাব্দীকে আমরা ডিজিটাল যুগ বলি। মোবাইল ফোন এখন শুধু একটি যোগাযোগের মাধ্যম নয়; এটি আমাদের ব্যক্তিগত সহচর, আমাদের বিনোদনের উৎস, আমাদের অফিস, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আমাদের পরিচয়ের অংশ। কিন্তু যে যন্ত্র মানুষকে কাছাকাছি আনার জন্য তৈরি হয়েছিল, সেটাই কি আজ মানুষের মধ্যে অদৃশ্য দেওয়াল তৈরি করছে? দাম্পত্য সম্পর্ক, প্রেমের সম্পর্ক, পিতা-মাতা ও সন্তান সম্পর্ক—সব ক্ষেত্রেই মোবাইল কখনও কখনও এক নীরব তৃতীয় পক্ষ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।


মোবাইল ফোনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব

  • পরিসংখ্যান: ২০২৪ সালের একটি আন্তর্জাতিক জরিপ অনুসারে, একজন গড় মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৩-৫ ঘণ্টা স্মার্টফোন ব্যবহার করে। কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে এটি ৭ ঘণ্টা ছাড়িয়ে যায়।
  • সামাজিক বাস্তবতা: আগে পরিবারের সবাই একসাথে গল্প করত, খেলাধুলা করত, সিনেমা দেখত। এখন প্রত্যেকে নিজের স্ক্রিনে ডুবে থাকে।
  • যোগাযোগের নতুন রূপ: মোবাইল ফোনে WhatsApp, Messenger, Instagram, ইত্যাদি থাকায় যোগাযোগ অনেক বেড়েছে, কিন্তু ব্যক্তিগত সংলাপ (face-to-face communication) কমেছে।

সম্পর্কের মাঝে দেওয়াল: সমস্যার মূল

১. অতিরিক্ত ব্যবহার (Overuse)

যখন একজন সঙ্গী সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত থাকে—গেম খেলে, সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করে, ভিডিও দেখে—অন্যজন নিজেকে উপেক্ষিত মনে করে।

২. মোবাইল আসক্তি (Nomophobia)

গবেষণা বলছে, যারা মোবাইল ছাড়া থাকতে পারে না, তাদের মধ্যে মানসিক চাপ, উদ্বেগ এবং সম্পর্কের জটিলতা বেড়ে যায়।

৩. বিশ্বাসের সংকট

মোবাইলে ব্যক্তিগত চ্যাট, কল লিস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া ফ্রেন্ড লিস্ট নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি সম্পর্ক ভেঙে দেয়।

৪. প্রেমের উষ্ণতা হারিয়ে যাওয়া

দাম্পত্য সম্পর্কে শারীরিক ও মানসিক ঘনিষ্ঠতা কমে যায়। একে বলে “ফোন ফ্যাটিগ”—যেখানে সঙ্গীরা একসাথে থাকলেও মানসিকভাবে দূরে থাকে।


মনোবিজ্ঞানের বিশ্লেষণ

  • ডোপামিন এফেক্ট: সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক, কমেন্ট আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন ক্ষরণ বাড়ায়, যা এক ধরনের আসক্তি তৈরি করে। ফলে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার চেয়ে ফোন দেখা বেশি আকর্ষণীয় লাগে।
  • অ্যাটাচমেন্ট থিওরি: সম্পর্কের নিরাপত্তা বোধ নষ্ট হলে মানুষ সঙ্গীর বদলে ফোনে আশ্রয় খোঁজে।
  • ফোমো (FOMO): ফোন না দেখলে কিছু মিস হয়ে যাবে—এই ভয় মানুষকে সারাক্ষণ ফোনের দিকে টেনে নেয়।

বাস্তব উদাহরণ

উদাহরণ ১:

সুদীপ ও মেঘলা বিবাহিত দম্পতি। অফিস থেকে ফিরে দুজনেই ক্লান্ত। একসময় তারা একসাথে গল্প করত, হাঁটতে যেত। এখন দুজনেই সোফায় বসে ফোনে ডুবে থাকে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে কথা বলা কমে যায়, ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে।

উদাহরণ ২:

একটি পরিবারে খাওয়ার টেবিলে প্রত্যেকে ফোন ব্যবহার করছে। বাবা সংবাদ পড়ছে, মা অনলাইন শপিং করছে, ছেলে গেম খেলছে। ফলে পরিবারে একসাথে সময় কাটানোর ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে।


সমাজে প্রভাব

  • বিবাহবিচ্ছেদের সংখ্যা বৃদ্ধি: বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে যে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার এবং সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে বিবাহবিচ্ছেদ ও বিচ্ছেদের মামলা বেড়েছে।
  • শিশুদের উপর প্রভাব: যখন পিতা-মাতা ফোনে বেশি সময় দেয়, শিশুরা অবহেলিত বোধ করে। তাদের আবেগিক বিকাশে প্রভাব পড়ে।
  • বন্ধুত্ব ও সামাজিক সম্পর্ক ক্ষীণ হওয়া: অফলাইন সামাজিক মেলামেশা কমে যাচ্ছে।

সম্ভাব্য সমাধান

১. ডিজিটাল ডিটক্স: প্রতিদিন অন্তত ১-২ ঘণ্টা মোবাইল ছাড়া সময় কাটানো।
২. ফোন-মুক্ত সময়: খাওয়ার সময়, শোবার সময়, বা পরিবার একসাথে থাকলে ফোন দূরে রাখা।
৩. ওপেন কমিউনিকেশন: সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা যে অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার তাকে কষ্ট দিচ্ছে।
৪. রিয়েল-টাইম এক্টিভিটি: একসাথে হাঁটা, রান্না করা, ভ্রমণ করা—যাতে একে অপরের সান্নিধ্যে সময় কাটানো যায়।
৫. মাইন্ডফুলনেস: সচেতনভাবে ফোন ব্যবহার করা এবং সময়সীমা নির্ধারণ করা।


প্রযুক্তি বনাম মানবিক সম্পর্ক

প্রযুক্তি খারাপ নয়—এটি আমাদের জীবনের অংশ। কিন্তু প্রযুক্তিকে যদি আমরা নিয়ন্ত্রণ না করি, তাহলে এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণ করে নেয়। মোবাইল ফোনকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে যাতে এটি সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটায়, বিনাশ নয়।


উপসংহার

মোবাইল ফোন আমাদের জীবনকে সহজ করেছে, কিন্তু সম্পর্ককে জটিলও করেছে। এই অদৃশ্য দেওয়াল ভাঙার দায়িত্ব আমাদেরই। আমাদেরই ঠিক করতে হবে, আমরা কি চাই—ডিজিটাল জগতে হারিয়ে যাওয়া, নাকি বাস্তব জীবনের ভালোবাসা ও সম্পর্ককে ফিরিয়ে আনা।

প্রযুক্তি ব্যবহার হবে আমাদের নিয়ন্ত্রণে, সম্পর্কের ক্ষতি না করে বরং সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার জন্য।


এই প্রবন্ধটি সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে এক বাস্তব সমস্যার বিশ্লেষণ।

 

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

একটি পরিবারে নারীর ভূমিকা।।

ভূমিকা

মানবসমাজের ইতিহাসে পরিবার একটি মৌলিক একক। পরিবার গড়ে ওঠে ভালোবাসা, বিশ্বাস ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে। আর এই পরিবারকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে, একে সুসংহত ও সমৃদ্ধ রাখতে নারীর ভূমিকা অপরিসীম।

নারী শুধু মা, বোন, কন্যা বা স্ত্রী হিসেবে পরিচিত নন, বরং তিনি একজন সংরক্ষক, সৃষ্টিশীল চিন্তক, সংস্কৃতির ধারক ও মানসিক শক্তির উৎস। ভারতীয় সমাজসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে নারী পরিবারকে শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিক ও নৈতিক দিক থেকেও ধরে রাখেন।


১. পরিবারে নারীর ঐতিহাসিক ভূমিকা

১.১ প্রাচীন সমাজে নারী

ভারতীয় সভ্যতায় নারীকে গৃহদেবীর মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

  • বেদের যুগে নারী ছিলেন শিক্ষিত, দর্শন ও শাস্ত্রচর্চায় পারদর্শী।
  • গার্হস্থ্য জীবনে তিনি ছিলেন পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু – অন্নপূর্ণার প্রতীক।

১.২ মধ্যযুগে অবস্থার পরিবর্তন

মধ্যযুগে নানা সামাজিক কারণে নারী কিছুটা গৃহবন্দি হয়ে পড়েন।

  • পর্দা প্রথা, বাল্যবিবাহ, শিক্ষার অভাব – এসব কারণে নারীর স্বাধীনতা সীমিত ছিল।
  • তবু তিনি পরিবারের মূল ভরসা ছিলেন – রান্না, সন্তান লালনপালন, গৃহস্থালি সামলানো সবই তাঁর হাতে।

১.৩ আধুনিক যুগে পরিবর্তন

শিক্ষা ও নারীমুক্তি আন্দোলনের ফলে আধুনিক কালে নারীর ভূমিকা বহুমাত্রিক হয়েছে।

  • আজ তিনি কর্মজীবী, শিক্ষিত, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর।
  • পরিবারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অনেক বেড়েছে।

২. পরিবারে নারীর মানসিক ভূমিকা

২.১ আবেগীয় ভারসাম্য রক্ষা

নারী প্রায়শই পরিবারের মানসিক স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেন।

  • সন্তানদের মানসিক বিকাশ, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক, আত্মীয়তার জাল – সব কিছুতে তাঁর কূটনৈতিক ভূমিকা থাকে।
  • পারিবারিক দ্বন্দ্ব মেটাতে তিনি মধ্যস্থতাকারী।

২.২ ভালোবাসা ও সহানুভূতি

নারীর স্নেহ পরিবারকে একত্রে রাখে।

  • মায়ের ভালোবাসা শিশুর চরিত্র গঠনের ভিত্তি।
  • স্ত্রী হিসেবে তিনি স্বামীকে মানসিক সমর্থন দেন।

৩. পরিবারে নারীর সামাজিক ভূমিকা

৩.১ মূল্যবোধের সংরক্ষণ

নারী প্রজন্মের পর প্রজন্মকে নৈতিকতা ও সংস্কৃতির শিক্ষা দেন।

  • তিনি সন্তানদের মধ্যে শৃঙ্খলা, সহমর্মিতা, মানবিকতা গড়ে তোলেন।
  • পারিবারিক ঐতিহ্য ও উৎসবের ধারক।

৩.২ সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা

পরিবারের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় নারীর অবদান বড়।

  • আত্মীয়, প্রতিবেশী, পাড়া-প্রতিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন।
  • সমাজসেবামূলক কাজে অংশ নিয়ে পরিবারের সম্মান বাড়ান।

৪. অর্থনৈতিক ভূমিকা

৪.১ গৃহস্থালি পরিচালনা

নারী সংসারের আর্থিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ।

  • সংসারের খরচ, সঞ্চয়, বাজেট – সব কিছু তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন।
  • অনেক ক্ষেত্রেই সংসারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা তিনি।

৪.২ কর্মজীবী নারী

আজ অনেক নারী কর্মক্ষেত্রে সফল।

  • চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে পরিবারে আর্থিক অবদান রাখেন।
  • দ্বিগুণ দায়িত্ব সামলে পরিবারকে এগিয়ে নিয়ে যান।

৫. সন্তান লালনপালনে নারীর ভূমিকা

৫.১ প্রথম শিক্ষক

মা শিশুর প্রথম গুরু।

  • ভাষা, সংস্কৃতি, মূল্যবোধ সবকিছু তিনি শেখান।
  • সন্তানের মনোবিজ্ঞান বোঝেন ও তার বিকাশে সাহায্য করেন।

৫.২ শিক্ষার পরিবেশ

নারী বাড়িতে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করেন।

  • তিনি সন্তানকে স্কুলে পাঠানো, পড়াশোনায় সাহায্য করা, স্বপ্ন দেখাতে উৎসাহ দেন।

৬. স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ভারসাম্য

পরিবারে নারীর ভূমিকা শুধু মায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

  • তিনি স্বামীর সঙ্গী, বন্ধু ও পথপ্রদর্শক।
  • সংসারের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়া, পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখা – সংসারের স্থিতিশীলতার মূল।

৭. আধুনিক চ্যালেঞ্জ

৭.১ দ্বৈত ভূমিকা

কর্মজীবী নারীদের জন্য পরিবার ও অফিসের ভারসাম্য রাখা কঠিন।

  • মানসিক চাপ ও সময়ের অভাব দেখা দেয়।

৭.২ সামাজিক বাঁধাধরা ধারণা

আজও অনেক স্থানে নারীকে শুধুমাত্র গৃহিণীর ভূমিকায় সীমাবদ্ধ রাখতে চাওয়া হয়।

৭.৩ মানসিক স্বাস্থ্য

পারিবারিক দায়িত্ব, সন্তান, কর্মজীবন সামলে নারীর মানসিক চাপ বেড়ে যাচ্ছে।


৮. সমাধান ও অগ্রযাত্রা

৮.১ শিক্ষা ও সচেতনতা

নারীর শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।

  • শিক্ষিত নারী পরিবারের মান উন্নত করেন।

৮.২ পুরুষের সহায়তা

পরিবারে পুরুষকেও সমান দায়িত্ব নিতে হবে।

  • গৃহকর্ম ও সন্তান পালনে অংশগ্রহণ জরুরি।

৮.৩ মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা

নারীর জন্য কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানো উচিত।


উপসংহার

নারী পরিবারে মেরুদণ্ডের মতো। তিনি শুধু একজন মা বা স্ত্রী নন, বরং একজন শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ, মনোবিদ, সামাজিক কর্মী ও ভবিষ্যত প্রজন্মের গড়নশিল্পী।

আজকের দিনে যখন নারী ক্রমশ শিক্ষিত ও স্বনির্ভর হচ্ছেন, তখন সমাজেরও উচিত তাঁকে সমান মর্যাদা ও সহযোগিতা দেওয়া। পরিবারে নারীকে সম্মান দিলে পরিবার হয় শান্তিপূর্ণ, সুখী ও সমৃদ্ধ। আর সেই পরিবারই তৈরি করে একটি সুস্থ সমাজ ও শক্তিশালী দেশ।

 

Share This
Categories
গল্প

অন্ধকারে লুকানো সত্য (রহস্য গল্প)।

(একটি পূর্ণাঙ্গ রহস্য গল্প)

১. প্রথম সতর্কবার্তা

পার্থ মুখার্জি কলকাতার এক পুরোনো বাড়িতে একা থাকে। বাড়িটা তার ঠাকুরদার সময়ের, প্রায় একশো বছরের পুরোনো। সেদিন সকালে ডাকবাক্স খুলতেই সে দেখতে পেল একটি হলুদ খামের চিঠি। খামের উপর কাঁপা হাতের লেখা —
“আজ রাত বারোটার আগে বাড়ির ঘড়ি থামিয়ে দিও। না হলে বিপদ আসবে।”

চিঠি পড়ে পার্থর শরীরে কাঁটা দিল। কে লিখল এই চিঠি? কেন লিখল? সে জানে তার বাড়ির দোতলায় ঝোলানো ঘড়িটা অনেক বছর ধরে বন্ধ।

দিনভর তার মাথায় এই রহস্য ঘুরপাক খেতে লাগল। সন্ধ্যা নামতেই বাড়ির ভিতর অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। পার্থ বারবার সেই চিঠিটা হাতে নিয়ে পড়ছে।

২. অদ্ভুত শব্দ

রাত বাড়তে থাকল। ঠিক ১১টা নাগাদ হঠাৎ দোতলার দিক থেকে টিক-টিক শব্দ শোনা গেল।
পার্থ থমকে দাঁড়াল।
— “অসম্ভব! ওই ঘড়ি তো নষ্ট…”

টর্চ হাতে নিয়ে দোতলায় উঠতেই তার বুক ধড়ফড় করে উঠল। পুরোনো পেন্ডুলাম ঘড়ির কাঁটা চলতে শুরু করেছে।

ঘড়ির কাচের ভেতরে তার নিজের মুখ দেখল, কিন্তু মনে হল আরেকটি ছায়া দাঁড়িয়ে আছে তার পেছনে। টর্চের আলো ফেলতেই ছায়া মিলিয়ে গেল।

৩. দেয়ালের পেছনের ঘর

ঠিক তখনই দেয়ালের পেছন থেকে ফাঁপা শব্দ এল। পার্থ টর্চ দিয়ে পরীক্ষা করতে করতে দেয়ালের একটা অংশ ঠুকল। হঠাৎ একটা গোপন দরজা খুলে গেল। ভেতরে ছোট্ট একটা ঘর, ধুলো জমে আছে, কিন্তু সেখানে রাখা একটি টেবিলের উপর পুরোনো ডায়েরি আর কিছু দলিল।

ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা —
“আমি এই বাড়ির আগের মালিক অমরেশ মুখার্জি। আমাকে আমার আপন ভাই খুন করেছে এই বাড়ির সম্পত্তির জন্য। আমার দেহ এই ঘরের মেঝের তলায় লুকানো আছে। আমার আত্মা মুক্তি চাই।”

পার্থর গলা শুকিয়ে গেল। সে সাথে সাথে পুলিশের খবর দিল।

৪. তদন্ত শুরু

পরের দিন সকালেই ইন্সপেক্টর সুদীপ সরকার এলেন। অভিজ্ঞ অফিসার, চোখে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি।
— “আপনি বলছেন ঘড়ি নিজে থেকে চলতে শুরু করেছে?”
পার্থ মাথা নাড়ল, “হ্যাঁ স্যার, আর এই ডায়েরিটা পেয়েছি।”

দলিল আর ডায়েরি দেখে সুদীপ গম্ভীর হলেন।
— “আমরা ঘরের মেঝে খুঁড়ব। যদি হাড়গোড় পাওয়া যায় তবে এটা খুনের মামলা।”

মেঝে খুঁড়তেই সত্যিই একটি কঙ্কাল পাওয়া গেল। বাড়ি হইচই পড়ে গেল। খবর ছড়িয়ে পড়ল পাড়ায়।

৫. অতিপ্রাকৃত ইঙ্গিত

সেই রাতে পার্থ আবার সেই ছায়া দেখল। এবার ছায়াটি তাকে হাতের ইশারায় অন্য ঘরের দিকে ডাকল। পার্থ ভয় পেলেও সাহস করে গেল। সেখানে একটি ছোট কাঠের বাক্স পেল। বাক্সের ভিতরে পুরোনো নথি আর একটি রুপোর চেইন।

পরদিন ইন্সপেক্টরকে বাক্সটি দেখানো হল। নথির মধ্যে ছিল বাড়ির পুরোনো দলিল, যেখানে দেখা গেল অমরেশ মুখার্জির মৃত্যুর পর সম্পত্তি বেআইনি ভাবে তার ভাই অর্জুন মুখার্জির নামে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সুদীপ বললেন,
— “এখন স্পষ্ট, অর্জুন খুন করেছে। কিন্তু সে তো বহু বছর আগে মারা গেছে। খুনের পেছনে আর কেউ ছিল কি?”

৬. নতুন সন্দেহভাজন

তদন্তে জানা গেল অর্জুনের নাতি রাজীব মুখার্জি সম্প্রতি বাড়ির দখল নিতে চেয়েছিল। পার্থর কাছে চিঠি লিখে বাড়ি ছাড়ার হুমকিও দিয়েছিল।

পার্থ মনে পড়ল— সেই চিঠির হাতের লেখা! চিঠি আর রাজীবের পুরোনো স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখতেই বোঝা গেল দুটোই এক।

সুদীপ পুলিশ টিম নিয়ে রাজীবকে গ্রেপ্তার করল। রাজীব স্বীকার করল যে সে জানত তার দাদু অমরেশকে খুন করেছে। সে এই সত্যিটা চিরতরে গোপন রাখতে চেয়েছিল, তাই পার্থকে ভয় দেখাতে চিঠি লিখেছিল।

৭. চূড়ান্ত মুখোমুখি

রাজীবকে নিয়ে বাড়িতে পুনর্নির্মাণ চলছিল। ঠিক তখনই ঘড়ি আবার বাজতে শুরু করল। হঠাৎ জানলা বন্ধ হয়ে গেল, ঘর অন্ধকার। সবাই দেখল এক ফ্যাকাশে ছায়ামূর্তি রাজীবের সামনে এসে দাঁড়াল। রাজীব চিৎকার করে উঠল,
— “আমার দোষ নেই! আমি খুন করিনি!”

ছায়ামূর্তি ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল, কিন্তু ঘড়ির কাঁটা ঠিক বারোটায় থেমে গেল। যেন আত্মা শান্তি পেল।

৮. ন্যায়বিচার

রাজীবকে আদালতে তোলা হল। ডায়েরি, দলিল আর পার্থর সাক্ষ্য মিলে মামলায় প্রমাণ হল অমরেশকে খুন করেছিল অর্জুন। আদালত পার্থর নামে বাড়ির সম্পত্তির অধিকার ফিরিয়ে দিল।

ইন্সপেক্টর সুদীপ পার্থকে বললেন,
— “আপনি কেবল বাড়ির মালিক নন, আপনি ইতিহাসের সাক্ষী। আপনি যদি সাহস না করতেন, অমরেশ মুখার্জির আত্মা আজও শান্তি পেত না।”

৯. সমাপ্তি

রাতের আকাশে পূর্ণিমার আলো ঝলমল করছে। পার্থ দোতলায় দাঁড়িয়ে ঘড়ির দিকে তাকাল। ঘড়ি থেমে আছে, কিন্তু বাড়ি আর অদ্ভুত নয়। যেন শান্তি ফিরে এসেছে।

পার্থ ভাবল,
— “এই বাড়ি শুধু আমার নয়। এখানে এক ইতিহাস আছে, এক রক্তাক্ত অতীত আছে। এখন আমি সেই অতীতের রক্ষক।”

সে টেবিলে ডায়েরিটা রাখল, যেন ভবিষ্যতের জন্য প্রমাণ হয়ে থাকে। বাইরে হাওয়ায় যেন একটুখানি ধন্যবাদসূচক ফিসফিসানি শুনল।

 

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

আজ নারী সমতা দিবস, জানুন তার ইতিহাস এবং কেন পালিত হয়ে আসছে এই দিনটি।।।।।।

 

আজকের যুগে নারীরা অনেক এগিয়ে। সমগ্র বিশ্ব দেখেছে নারীরা সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে সক্ষম। কোনও কাজেই আজ নারীরা পুরুষদের থেকে পিছিয়ে নেই। এখন বিশ্বব্যাপী এখন অনেক সংস্থা গড়ে উঠেছে, যারা নারীদের প্রতি নিপীড়ন ও সহিংসতার বিরুদ্ধে, সমাজে বিদ্যমান বৈষম্যের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠে। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে নারীদের সমান সুযোগ প্রদান করে চলেছে। পুরুষের সঙ্গে সমান তালে পা মিলিয়ে এগিয়ে ছলছে নারীরা। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অগ্রগতি অনস্বীকার্য। প্রতিটি ক্ষেত্রে তারা তাদের যোগ্যতার ছাপ ফেলে যাচ্ছে। খেলা ধুলা, শিক্ষা দীক্ষা থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা সর্বক্ষেত্রে তারা নিজেদের যোগ্যতার সাক্ষর রেখে যাচ্ছে। পুরুষের থেকে তারাও যে কোনো অংশে কম নয় তা বুঝিয়ে দিচ্ছে তাদের সাফল্য দিয়ে। ফলস্ববরূপ তাদের এই জয়। সেদিনের আধিকার লড়াই এর সাফল্য।
আমেরিকান কংগ্রেস এবং আমেরিকার ৩৭তম রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৩ সালের  ২৬ অগস্ট দিনটিকে ‘নারী সমতা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আমেরিকায় এই দিবস উদযাপন শুরু হয়। এর পর থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে নারী সমতা দিবস পালিত হয়ে আসছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে ১৯২০ সালের ঊনবিংশ সংশোধনী (সংশোধন XIX) গৃহীত হওয়ার স্মরণে ২৬শে আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীর সমতা দিবস উদযাপন করা হয়, যা যুক্তরাষ্ট্র এবং ফেডারেল সরকারকে নাগরিকদের ভোটের অধিকার অস্বীকার করা থেকে নিষিদ্ধ করে।  লিঙ্গ ভিত্তিতে রাষ্ট্র.  এটি প্রথম ১৯৭১ সালে পালিত হয়েছিল, ১৯৭৩ সালে কংগ্রেস দ্বারা মনোনীত হয়েছিল, এবং প্রতি বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি দ্বারা ঘোষণা করা হয়।মহিলাদের অধিকার নিয়ে ৭২ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও প্রচারের পর ১৯২০ সালে সফলতা পায় মহিলারা ৷
ইতিহাস—

যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের আগেই শুরু হয়েছিল নারীদের ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ রাজ্যে কেবল ধনী শ্বেতাঙ্গ পুরুষদেরই ভোটের অধিকার ছিল ১৮৩০-এর দশকের দিকে । প্রথমবার নারী সমতা বা নারী সমানাধিকার নিয়ে প্রতিবাদ হয়েছিল ১৮৪৮ সালে নিউইয়র্কে Women’s Rights Convention-এ ।  পরবর্তী সময়ে এলিজাবেথ ক্যাডি স্ট্যানটন এর নেতৃত্বে ১৮৯০-এর দশকে, ন্যাশনাল আমেরিকান ওমেন স্যাফারেজ অ্যাসোসিয়েশন শুরু হয়। এই দশক শেষ হওয়ার আগে, আইডাহো এবং ইউটা মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার মিলেছিল। ১৯১০ সালে অন্যান্য পশ্চিমী রাজ্যগুলি মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার দিতে শুরু করে। তবে তখনো বেশ কয়েকটি পূর্ব এবং দক্ষিণী রাজ্যে মহিলাদের ভোটারাধিকারে স্বীকৃতি মেলেনি। এর পর, ১৯২০ সালের ২৬ অগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে ১৯তম সংশোধনী গৃহীত হয়, যেখানে মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার পান।
তারিখটি ১৯২০ সালে সেই দিনটিকে স্মরণ করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল যখন সেক্রেটারি অফ স্টেট বেইনব্রিজ কোলবি আমেরিকান মহিলাদের ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার দেওয়ার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন।  ১৯৭১ সালে, ১৯৭০ সালের দেশব্যাপী নারীদের সমতার জন্য ধর্মঘট এবং আবার ১৯৭৩ সালে, সমান অধিকার সংশোধনী নিয়ে লড়াই চলতে থাকলে, নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান বেলা আবজুগ ২৬শে আগস্টকে নারীর সমতা দিবস হিসেবে মনোনীত করার জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
১৯৭২ সালে, রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন ২৬ আগস্ট, ১৯৭২কে “নারী অধিকার দিবস” হিসাবে মনোনীত করেছিল এবং এটি ছিল নারীর সমতা দিবসের প্রথম আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।  ১৯৭৩ সালে আমেরিকান কংগ্রেস এবং আমেরিকার ৩৭তম রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ অগস্ট দিনটিকে ‘নারী সমতা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।  আমেরিকার মহিলাদের প্রথম ভোট দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিল।  একই দিনে, রাষ্ট্রপতি নিক্সন নারী সমতা দিবসের জন্য ঘোষণা ৪২৩৬ জারি করেছিলেন, যা শুরু হয়েছিল, অংশে: “মহিলাদের ভোটাধিকারের সংগ্রাম, যাইহোক, আমাদের জাতির জীবনে মহিলাদের পূর্ণ এবং সমান অংশগ্রহণের দিকে প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে,  আমরা আমাদের আইনের মাধ্যমে লিঙ্গ বৈষম্যকে আক্রমণ করে এবং মহিলাদের জন্য সমান অর্থনৈতিক সুযোগের জন্য নতুন পথ প্রশস্ত করার মাধ্যমে অন্যান্য বিশাল অগ্রগতি করেছি৷ আজ, আমাদের সমাজের কার্যত প্রতিটি ক্ষেত্রে, মহিলারা আমেরিকান জীবনের গুণমানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে৷ এবং এখনও,  এখনও অনেক কিছু করা বাকি আছে।”
২০২১ সাল পর্যন্ত, রিচার্ড নিক্সনের পর থেকে প্রতিটি রাষ্ট্রপতি প্রতি বছর ২৬ আগস্টকে নারী সমতা দিবস হিসাবে মনোনীত করে একটি ঘোষণা জারি করেছেন। তাই এই দিনটি মহিলাদের সমান অধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়।আমেরিকায় এই দিবস উদযাপন শুরু হয়। এর পর থেকে প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে নারী সমতা দিবস পালিত হয়ে আসছে।
।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ ২৭ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।।।।।।

আজ ২৭ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-
দিবস—–
(ক)  রাযী দিবস (ইরান)
(খ) স্বাধীনতা দিবস (মলদোভা)।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৯০৮ – (ক) স্যার ডোনাল্ড জর্জ ব্র্যাডম্যান ,ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট তারকা ।
(খ) লিন্ডন বি.
জনসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬তম রাষ্ট্রপতি।
১৯২৬ – ক্রিস্টেন নিগার্ড, নরওয়েজীয় গণিতবিদ, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা মুঘল ও রাজনীতিবিদ।
১৯৩১ – শ্রী চিন্ময়, বাঙালি মহাত্মা ও হিন্দুধর্মের সংস্কারক, লেখক, শিল্পী, কবি ও সঙ্গীতজ্ঞ।
১৯৭৪ – মোহাম্মদ ইউসুফ, পাকিস্তানের ক্রিকেটার।
১৮৪৭ – নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী, ভারতে ফুটবল খেলার জনক।
১৭৭০ – গেয়র্গ ভিলহেল্ম হেগল, জার্মান দার্শনিক।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৯১৬ – অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে রোমানিয়া।
১৯২৮ – প্যারিসে ১৭টি দেশের যুদ্ধ পরিত্যাগ করার ঘোষণা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
১৯৩২ – আমস্টারডামে যুদ্ধবিরোধী শান্তি কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৪২ – ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় কংগ্রেসের গোপন বেতার কেন্দ্র কংগ্রেস রেডিও প্রচার শুরু করে।
১৯৫৮ – সোভিয়েত ইউনিয়ন দুটি কুকুরসমেত স্পুটনিক-৩ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৬৯ – ইসরায়েলের কমান্ডোরা মিসরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে নীল উপত্যকায় মিসরীয় সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে মর্টার হামলা চালায়।
১৯৭১ – লন্ডনে বাংলাদেশ মিশন উদ্বোধন।
১৯৭৫ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ওমান।
১৯৮৮ – প্রবল বন্যায় বাংলাদেশে শতাধিক প্রাণহানি ঘটে।
১৯৯১ – (ক)  সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত মোলদাভিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
(খ) – ইউরোপিয়ান কমিউনিটি এস্তোনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়াকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৮১৩ – ড্রেসডেনের যুদ্ধে নেপোলিয়ন অস্ট্রীয়দের পরাজিত করেন।
১৮৭০ – শশীপদ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম শ্রমজীবী সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৮৩ – ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা/জলোচ্ছ্বাসে ৩৬ হাজার প্রাণহানি ঘটে।
১৮৮৯ – প্রথম বারের মত সেলুলয়েড রোল ফিল্ম প্রস্তুত করা হয়।
১৭৮১ – পাল্লিলোরে হায়দার আলী ব্রিটিশ সৈন্যদের সঙ্গে যুুদ্ধে লিপ্ত হন।
১৭৮৯ – ফরাসী জাতীয় পরিষদে বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার ঘোষণা।
১২২৭ – মুসলমানদের প্রথম নৌ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
২০০৬ – হৃষিকেশ মুখার্জী  হিন্দি চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি পরিচালক।
১৯৬৫ – সুইস স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ লে করবুসিয়ের।
১৯৭৬ – মুকেশ চন্দ মাথুর ,ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের সঙ্গীত শিল্পী।
১৯৮২ – শ্রী আনন্দময়ী মা ,ভারতের বাঙালি হিন্দু আধ্যাত্মিক সাধিকা ।
১৯৯০ – তপোবিজয় ঘোষ, বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।।।

আজ ২৬ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-
দিবস—–
(ক) ফুলবাড়ী দিবস।
(খ) নারী সমতা দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৯১০ – মাদার তেরেসা, (শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী ও ধর্মপ্রচারক দা মিশনারিজ অব চ্যারিটির প্রতিষ্ঠাত্রী।)।
১৯২০- ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (পশ্চিমবঙ্গের বাংলা চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা)।
১৯৫১ – এডওয়ার্ড উইটেন, (ফিল্ড্‌স পদক বিজয়ী মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী)।
১৯৮৮ – লার্স স্টিন্ডল, (জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়)।
১৯৯০ – মাতেও মুসাচিও, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।
১৯৯১ -(ক) ডিলান ও’ব্রায়েন, (আমেরিকান অভিনেতা)।
(খ) – আহমেদ দীপ্ত- সাংবাদিক, (লেখক)।
১৮৬৯ – দীনেন্দ্রকুমার রায়, (রহস্য কাহিনীকার ও সম্পাদক)।
১৮৭৩ – (মার্কিন বেতার ও টিভি উদ্ভাবক) ডি ফরেস্ট।
১৮৮০ – (ফরাসি কবি) গিইয়াম আপোলিন্যায়ার।
১৮৮৫ – (বিখ্যাত ফরাসী লেখক) জুলিয়াস রোমেইন্স।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
২০০৫ – বুরুন্ডির এনকুরুন জিজার প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।
২০০৬ – দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এশিয়া এনার্জি নামের একটি কোম্পানির কয়লা প্রকল্পের বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষের বিশাল সমাবেশে সেই সময়ের বিডিআর গুলি চালালে তিনজন নিহত হন। আহত হন দুই শতাধিক আন্দোলনকারী।
১৯১৪ – জার্মান উপনিবেশ টোগোল্যান্ড দখল করে ফ্রান্স ও ব্রিটেন।
১৯২০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়।
১৯২৭ – ইন্ডিয়ান ব্রডকাস্টিং কোম্পানি কলকাতায় প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু করে।
১৯৪৩ – আজাদ হিন্দ ফৌজ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
১৯৫৫ – সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ‘ পথের পাঁচালীর’ মুক্তি লাভ করে।
১৯৭০ – সুদান সরকার সংবাদ পত্র শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
১৮৮৩ – ইন্দোনেশিয়ায় ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে ৩৬ হাজার লোকের মৃত্যু হয়।
১৭৬৮ – ক্যাপ্টেন জেমস কুক জাহাজ এইচএমএস এনডিভার নিয়ে ইংল্যান্ড থেকে যাত্রা শুরু করেন।
১৭৮৯ – ফরাসি বিপ্লব বিজয়ের পর দেশটির সংসদ মানবাধিকারের ঘোষণাকে অনুমোদন করে।
১৩০৩ – আলাউদ্দিন খিলজি রাজস্থানের চিতোরগড় দখলে নেন।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
২০০৩ – বিমল কর,(ভারতীয় বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক)।
২০০৬ – সুবোধ রায় (স্বাধীনতা সংগ্রামী, কমিউনিস্ট নেতা ও কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিশিষ্ট গবেষক)।
২০২১ – গৌরী ঘোষ, (প্রখ্যাত বাঙালি বাচিক শিল্পী)।
১৯১০ – উইলিয়াম জেম্‌স, (মার্কিন অগ্রজ মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক)।
১৯৩৪ – অতুলপ্রসাদ সেন, (বাঙালি কবি, গীতিকার এবং গায়ক) ।
১৯৬১ – চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য, (প্রখ্যাত অধ্যাপক ও লেখক )।
১৯৮২ – সুশোভন সরকার (প্রখ্যাত বাঙালি ঐতিহাসিক )।
১৯৮৮ – (প্রগতিবাদী নাট্যকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব) মন্মথ রায়।
১৭২৩ – (অণুবীক্ষণ যন্ত্রের উদ্ভাবক ওলন্দাজ বিজ্ঞানী) আন্তেনি ভান লিউভেনহুক।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২৪ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।।।।

আজ ২৪ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৯০৮ – শিবরাম রাজগুরু, (ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী)।
১৯১১ – বীণা দাস (ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী ও অগ্নিকন্যা)।
১৯২৮ – টমি ডোচার্টি, ( স্কটিশ ফুটবলার ও ফুটবল ম্যানেজার)।
১৯২৯ – ইয়াসির আরাফাত, (ফিলিস্তিনী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী)।  .
১৯৪৭ – অ্যান আর্চার, (মার্কিন অভিনেত্রী)।
১৯৫৯ – আদ্রিয়ান কুইপার, (দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার)।
১৯৬৫ – মার্লি ম্যাটলিন, (মার্কিন অভিনেত্রী, লেখিকা ও সমাজকর্মী)।
১৯৯১ – পুনম যাদব,( ভারতীয় প্রমীলা ক্রিকেটার)।
১৮০৮ – জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় (বাঙালি সমাজসেবী ও শিক্ষাবিদ)।
১৮৫১ – টম কেন্ডল, (অস্টেলীয় ক্রিকেটার)।
১৮৯৩ – কৃষ্ণচন্দ্র দে (বাংলাসঙ্গীতের আদি ও প্রবাদ পুরুষ, কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী)।
১৮৯৮ – অ্যালবার্ট ক্লুঁদে (নোবেলবিজয়ী বেলজিয়ান-আমেরিকান চিকিৎসক ও কোষ জীববিজ্ঞানী)।
১৮৯৯ – হোর্হে লুইস বোর্হেস, (আর্জেন্টিনীয় সাহিত্যিক)।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৯০২ – জোয়ান অব আর্কের মূর্তি উন্মোচন করা হয় সেইন্ট পিয়েরে-লে-তে।
১৯১৩ – ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে এই দিনে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় পরস্পরকে আক্রমণ না করার।
১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মান বাহিনী নামুর দখল করে।
১৯২৯ – বায়তুল মোকাদ্দাসে নুদবা প্রাচীর আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৪৪ – জার্মান থেকে প্যারিস মুক্ত।
১৯৪৯ – উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) গঠিত হয়।
১৯৬৬ – ভারতীয় সাঁতারু মিহির সেন জিব্রাল্টার প্রণালী অতিক্রম করেন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় পানামা ও উরুগুয়ে।
১৯৭৪ – ফখরুদ্দিন আলী আহমেদ ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি হন।
১৯৮৮- সাংবাদিক, সাহিত্যিক আবু জাফর শামসুদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮৯ – ৪৫ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের পর পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হলেন তাদেউজ মাজোউইকি।
১৯৯১ – তুর্ক মেনিয়ার সার্বভৌমত্ব ঘোষণা।
১৯৯১ – পূর্ব ইউরোপের দেশ ইউক্রেন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৮১৪ – ব্রিটিশ সেনাদল ওয়াশিংটন ডিসি অধিকার করে এবং হোয়াইট হাউস জ্বালিয়ে দেয়।
১৮১৫ – নেদারল্যান্ডসের আধুনিক সংবিধান এই দিনে গৃহীত হয়।
১৮২১ – মেক্সিকো স্পেনের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ।
১৮৭৫ – ক্যাপ্টেন ম্যাথুওয়েব প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন সাঁতার কেটে।
১৬০৮ – প্রথম সরকারিভাবে ইংলিশ প্রতিনিধি ভারতের সুরাতে আসেন।
১৬৯০ – ইংরেজ ব্যবসায়ী জব চার্নক সদলে সুতানুটিতে ইংল্যান্ডের জাতীয় পতাকা ওড়ান। দিনটিকে কলকাতা নগরীর পত্তন দিবস হিসেবে ধরা হয়।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
২০০৪ – আইভি রহমান, (বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সমাজকর্মী)।
২০১৩ – নিউটন ডি সর্দি, (ব্রাজিলীয় ফুটবলার।)
২০১৪ – রিচার্ড অ্যাটনবারা (ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক)।
১৯২৭ -( মিশরের জাতীয় নেতা) সাদ জগলুল পাশা।
১৯৫০ – আর্তুরো আলেস্‌সান্দ্রি, (চিলির রাষ্ট্রপতি)।
১৯৫৪ – (ব্রাজিলিয়ান স্বৈরশাসক) গেতুলিও বার্গাস।
১৯৫৬ – কেনজি মিজোগুচি, (জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার)।
১৯৬৮ – সিরিল ভিনসেন্ট, (দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার)।
১৯৮৮ – লিওনার্ড ফ্রে, (মার্কিন অভিনেতা)।
১৮৯৪ – (প্রথম বাঙালী স্থপতি) নীলমণি মিত্র।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২৩ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।।।।।।

আজ ২৩ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-
দিবস—–
(ক) আন্তর্জাতিক দাস প্রথা বিলোপ দিবস৷
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৯০৮ – রুশ-ফরাসি নাট্যকার আর্থার আদমভ।
১৯১৮ – ভারতীয় পদার্থবিদ ও আবহাওয়াবিজ্ঞানী আন্না মনি।
১৯২৩ – এডগার কড, ইংরেজ কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
১৯৩১ – নোবেলজয়ী [১৯৭৮] মার্কিন অণুজীববিজ্ঞানী হ্যামিলটন ও থানেল স্মিথ।
১৯৬৮ – ভারতীয় নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী, কে কে নামে সুপরিচিত কৃষ্ণকুমার কুন্নথ।
১৯৭৮ – কোবি ব্রায়ান্ট, প্রখ্যাত মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড়।
১৮৫২ -রাধাগোবিন্দ কর ব্রিটিশ ভারতের একজন খ্যাতনামা চিকিৎসক ।
১৭৪০ – রুশ সম্রাট ষষ্ঠ আইভান।
১৭৭৩ – জার্মান দার্শনিক জ্যাকব এফ ফ্রাইস।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
২০০৭ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো দিবস নামে পরিচিত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সাথে সেনাবাহিনী ও পুলিশের আক্রমণের প্রতিবাদে এ দিনটি কালো দিবস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
২০১৬ – ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় কলকাতার রাজভবনে আকাশবাণী মৈত্রী চ্যানেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
১৯১৪ – জাপান জার্মানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯২১ – প্রথম ফয়সাল ইরাকের বাদশা পদে অভিষিক্ত হন।
১৯২৫ – বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ – হিটলারের নেতৃত্বে জার্মানী এবং ষ্ট্যালিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৪২ – স্তালিনগ্রাদের ঐতিহাসিক যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৪৪ – রুমানিয়ার সামরিক শাসক উৎখাত।
১৯৬২ – বাংলাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।
১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় আইভরি কোস্ট।
১৯৮৬ – পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য মস্কো ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়
১৯৯১ – (ক) “ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন” প্রতিষ্ঠিত হয়।
(খ) – রুশ প্রজাতন্ত্রে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ করেন।
(গ) – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং গর্বাচেভ পুনরায় ক্ষমতা ফিরে পান।
১৮২১ – মেক্সিকো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৮২৫ – বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৩৩ – ব্রিটেন তার উপনিবেশগুলোতে ক্রীতদাস প্রথা বাতিল করে। ফলে ৭০ লাখ ক্রীতদাস মুক্ত হয়।
১৮৩৯ – ব্রিটেন চীনের কাছ থেকে হংকং দখল করে নেয়।
১৮৬৬ – প্রুশিয়া এবং অষ্ট্রিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রাগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৭৫ – বাংলার প্রথম অভিনেত্রী-নাট্যকার গোলাপের সুকুমারী দত্ত সাহায্যার্থে তার রচিত ‘অপূর্ব সতি’ মঞ্চস্থ হয়। এটিই বাংলার প্রথম ফিল্মী-সহায়তা অভিনয় রজনী।
১৭৯৯ – নেপোলিয়ন মিসর ত্যাগ করে ফ্রান্সের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
১৬১৭ – লন্ডনে প্রথম ওয়ানওয়ে রাস্তা চালু হয়।
১৩২৮ – ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ সিংহাসনে অভিষিক্ত হন।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
২০১৮ – প্রথিতযশা প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিক কুলদীপ নায়ার।
২০১৯ – (ক) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।
(খ) কারী আব্দুল গণী, বাংলাদেশি ইসলামি পণ্ডিত ও কারী।
১৯৪৪ – দ্বিতীয় আবদুল মজিদ, সর্বশেষ উসমানীয় খলিফা।
১৯৭৫ – অমল হোম, বাঙালি সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক।
১৯৮৭ – সমর সেন, ভারতীয় বাঙালি কবি এবং সাংবাদিক।
১৮০৬ – চার্লস অগাস্টিন কুলম্ব, ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৮৬ – পণ্ডিত দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ বাঙালি শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং সমাজসেবক।
৬৩৪ – ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর সিদ্দিক।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২২ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।।।।

আজ ২২ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-
দিবস—–
(ক) মাদ্রাজ (চেন্নাই) দিবস, ভারত।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৯০২ – লিনি রিয়েফেন্সটাহল, জার্মান অভিনেত্রী ও পরিচালক।
১৯০৯ – জুলিয়াস জে. এপস্টাইন,মার্কিন চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।
১৯১১ – দেবব্রত বিশ্বাস, স্বনামধন্য ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসঙ্গীত গায়ক ও শিক্ষক।
১৯১৫ – শম্ভু মিত্র,বাংলা তথা ভারতীয় নাট্যজগতের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ।
১৯২০ – রে ব্যাডবেরি, মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৩৯ – ভালেরি হারপার, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়ক।
১৯৫৫ – চিরঞ্জীবি, ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক ও রাজনীতিবিদ।
১৯৫৮ – মুকুল চৌধুরী,বাংলাদেশী কবি ও গীতিকার।
১৯৬০- ফজলুর রহমান বাবু , একজন বাংলাদেশী অভিনেতা এবং সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৬৩ – টোরি আমস, মার্কিন গায়ক, গীতিকার, পিয়ানোবাদক ও প্রযোজক।
১৯৭১- কে এম মোশাররফ করিম, একজন বাংলাদেশী অভিনেতা।
১৯৭১ – রিচার্ড আরমিটাগে, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯৮৫- রুমানা রশীদ ঈশিতা , বাংলাদেশের একজন টেলিভিশন অভিনেত্রী, পরিচালিকা এবং লেখিকা।
১৯৯১ – ফেদেরিকো মাচেডা, ইতালীয় ফুটবলার।
১৮৬২ – ক্লাউড ডেবুসয়,ফরাসি সুরকার।
১৮৭৪ – মাক্স সচেলের,জার্মান দার্শনিক ও লেখক।
১৮৭৭ – এ কে কুমারস্বামীর,সিংহলী শিল্পী।
১৮৯৪ – প্রগতিবাদী লেখক ও প্রতিষ্ঠাবান কবিরাজ রমেশচন্দ্র সেন।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৯১০ – জাপান কোরিয়াকে চুক্তির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করে নেয় ও এভাবে চলতে থাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত।
১৯৩২ – বিবিসি প্রথম নিয়মিত টিভি সম্প্রচার শুরু করে।
১৯৪২ – ব্রাজিল জার্মানি ও ইতালির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪২ – জার্মান নাৎসি বাহিনী স্তালিনগ্রাদে অবরোধ করে।
১৯৪৪ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন রোমানিয়া দখল করে।
১৯৮৯: নেপচুন গ্রহে প্রথম বলয় দেখতে পাওয়া যায়।
১৬৪২ – ইংল্যান্ডে গৃহযুদ্ধ শুরু।
১৬৯৮ – সুইডেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া, ডেনমার্ক ও পোল্যান্ডের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
২০০০ – অরুণ মিত্র বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও ফরাসি ভাষা ও খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক।
২০০৫ – সংগীত,নৃত্য ও অভিনয়ে পারদর্শিনী অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)
২০১৩ – আন্ড্রেয়া শেরভি, ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
২০১৫ – আর্থার মরিস, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯০৪ – কেট ছপিন, মার্কিন লেখক।
১৯২২ – মাইকেল কলিন্স, আইরিশ রাজনীতিবিদ ও ২য় মন্ত্রী।
১৯৫৮ – রজার মারটিন ডু গার্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি লেখক।
১৯৭৭ – সেবাস্টিয়ান কাবট, ইংরেজ বংশোদ্ভূত কানাডীয় অভিনেতা ও গায়ক।
১৯৭৮ – কেনিয়ার নেতা জোমো কেনিয়াত্তা।
১৯৮২ – একনাথ রানাডে, ভারতের এক সমাজ সংস্কারক এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সংগঠক।
১৮১৮ – ওয়ারেন হেস্টিংস, ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনেরেল।
১৮৫০ – নিকোলাস লেনাউ, রোমানীয় বংশোদ্ভূত অস্ট্রীয় কবি।
।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This