Categories
রিভিউ

আজ ২৪ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৪ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জেল্ডা ফিট্‌জেরাল্ড, মার্কিন সমাজকর্মী, ঔপন্যাসিক, চিত্রশিল্পী ও নৃত্যশিল্পী।

১৯১১ – পান্নালাল ঘোষ, ভারতীয় বাঙালী বাঁশী বাদক ও সুরকার।

১৯১৭ – জ্যাক মরনি, প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯৩০ – প্রথম বাঙালি মহিলা ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রথম ভারতীয় মহিলা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ইলা ঘোষ মজুমদার।

১৯৩১ – প্রখ্যাত বাঙালি সুরকার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৩৪ – প্রখ্যাত বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সুবীর সেন।

১৯৬৯ – মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজ।

১৮০২ – আলেক্সাঁদ্র্ দ্যুমা, বিখ্যাত ফরাসি ঔপন্যাসিক।

১৮২৪ – হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও সমাজসেবক।

১৮৫৭ – ডেনমার্কের নোবেলজয়ী লেখক হেইনরিখ পন্টোপিডান।

১৮৬৭ – ফ্রেড টেট, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮৮৮ – আর্থার রিচার্ডসন, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।

১৮৯৭ – অ্যামেলিয়া এয়ারহার্ট, একজন মার্কিন বিমান অগ্রগামী এবং লেখিকা।

১৭৮৩ – সিমন বলিভার, দক্ষিণ আমেরিকার বিপ্লবী সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১১ – মার্কিন অভিযাত্রী পেরুর ষোড়শ শতকের ইনকা সভ্যতার অন্যতম প্রতীক মাচু পিচু শহর আবিষ্কার করেন।

১৯২১ – ফিলিস্তিন, ইরাক, ও পূর্ব জর্দান বৃটিশদের অধীনে এবং সিরিয়া ও লেবানন ফরাসী সরকারের অধিনে চলে আসে।

১৯৩২ – কলকাতায় রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।

১৯৩৩ – ২৭ বছর ধরে ধারাবাহিক প্রচারিত নাটক ‘দ্য রোমাঞ্চ অব হেলেন ট্রেন্ট’-এর প্রথম পর্ব প্রচারিত হয়।

১৯৪৪ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে বৃটিশ বিমান বাহিনী জার্মানীর হামবুর্গ বন্দরে নজিরবিহীন ও ভয়াবহ বোমা বর্ষণ করে।

১৯৪৬ – সমুদ্র তলদেশে প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

১৯৭৬ – ঢাকায় প্রেসিডেন্টের গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ – অত্যন্ত ব্যয়বহুল ওয়াল্ট ডিজনির ‘দ্য ব্ল্যাক কলড্রন’ সিনেমা হলে মুক্তি পায়।

১৯৮৬ – এডিনবয়ায় কমনওয়েলথ গেমস শুরু। ৩১ টি দেশের ক্রীড়া বর্জন।

১৮১৪ – ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮২৩ ‌- চিলিতে দাসত্ব প্রথা বিলোপ।

১৮৬১ – নীলদর্পণ নাটকের ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের দায়ে পাদ্রি জেমস লঙ কারারুদ্ধ হন।

১৮৬৮ – মার্কিন বিজ্ঞানী ও গবেষক ‘জন ওয়েসলি হিট’ প্লাস্টিক তৈরীর জন্য নতুন ধরনের উপাদান তৈরী করতে সক্ষম হন।

১৮৭৯ – মি. ফিউরি কলকাতায় প্রথম বৈদ্যুতিক বাতি প্রদর্শন করেন।

১৫৩৪ – ফরাসি অভিযাত্রী কানাডায় তরী ভিড়িয়ে সেটিকে ফ্রান্সের অঞ্চল বলে ঘোষণা করেন।

১২০৬ – কুতুবুদ্দিন আইবেক সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০০ – আহমাদ সামলো, ইরানি কবি ও সাংবাদিক।

২০০৩ – সমিত ভঞ্জ, ভারতীয় বাঙালি  চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০০৯ – আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

২০১২ – জন আটা মিলস, ঘানার আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় রাষ্ট্রপতি।

২০২০ (ক) দেলোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য।

(খ) অমলাশংকর, ভারতীয় ব্যালে নর্তকী।

১৯৩৯ – স্যার আবদুল করিম গজনভি, বাঙালি রাজনীতিবিদ, অবিভক্ত বাংলার মন্ত্রী।

১৯৭৪ – স্যার জেমস চ্যাডউইক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্রিটিশ পদার্থবিদ।

১৯৭৫ – অরুণাচল বসু, বাঙালি কবি ও অনুবাদক।

১৯৮০ – উত্তম কুমার, বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক।

১৯৮০ – বিনয় ঘোষ, সমাজবিজ্ঞানী ও সাহিত্য-সমালোচক।

১৯৮৬ – ফিৎস লিপম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন জৈবরসায়নবিদ।

১৯৯১ – আইজ্যাক সিঙ্গার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ ঔপন্যাসিক।

১৯৯৯ – বাদশাহ হাসান, মরক্কোর বাদশাহ।

১৮৭০ – কালীপ্রসন্ন সিংহ, ঊনবিংশ শতকের সাহিত্যিক, মহাভারতের বাংলা অনুবাদক।

১৮৮৪ – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক, বাগ্মী ও রাজনীতিক, হিন্দু প্যাট্রিয়ট পত্রিকার সম্পাদক রায়বাহাদুর কৃষ্ণদাস পাল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

শমিত ভঞ্জ : বাংলা সিনেমার প্রথম ‘আধুনিক নায়ক’; প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

শমিত ভঞ্জ একজন বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা। তাঁর পিতা প্রীতিময় ভঞ্জ এবং মা শীলা ভঞ্জ। তাদের তৃতীয় পুত্র শমিতের জন্ম হয় ১৯৪৪ এর জানুয়ারি মাসে মেদিনীপুরের তমলুকে। তাঁর উপরে দুই দাদা এবং এক ছোট বোন ছিল।

ছেলেবেলা—-

ছোটবেলা থেকেই খুব ডাকাবুকো স্বভাবের ছিলেন শমিত। শৈশবে একবার তাঁর ছোটবোন কৃষ্ণাকে এক সহপাঠী চড় মেরেছিল। তাতে রেগে গিয়ে সেই সহপাঠীকে বালির মধ্যে পুঁতে দিয়েছিল ছোট্ট শমিত। তার বয়স তখন সাত। শেষে শিক্ষকরা এসে তাকে উদ্ধার করেন। খেলতে গিয়ে মাথা ফেটে গেছে… একমুঠো মাটি তুলে সেখানে ঘষে দিয়ে আবার খেলতে শুরু করেছে এমনই দুরন্তপনা ছিল তাঁর।

 

অভিনয়ের জন্য বড়ি ছাড়া— .

স্বভাব চিরকালই ডানপিটে ধরণের। এখনকার ভাষায়, একটু ‘দাদাগিরি টাইপের’। অভিনয় করবেন বলে বাবার সঙ্গে ঝগড়া করে বাড়ি ছেড়েছিলেন। নিজের বেকারত্বকে পাত্তা না দিয়ে কলেজ পড়ুয়া প্রেমিকাকে বিয়ে করেছিলেন জেদের বশে। অনুমতির তোয়াক্কা না করে, তপন সিংহের মতো নামী পরিচালকের ঘরে ধাক্কা দিয়ে ঢুকে বলেছিলেন, “অভিনয় করতে চাই।”

 

কর্মজগৎ—

অভিনেতা হিসেবে তিনি আজও প্রতিটি বাঙালি হৃদয়ে বেঁচে আছেন। কতটা দক্ষ অভিনেতা তিনি ছিলেন তা বুঝিয়েছেন অভিনয়ের মধ্যদিয়ে। তবে এতটা সহজ ছিলনা তাঁর পথচলা। কারন, তিনি যে সময়ে বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে এসেছিলেন তখন বাংলা চলচ্চিত্র আকাশে সূর্য হয়ে বিরাজমান ছিলেন উত্তমকুমার। উত্তম আলোয় তখন ঢাকা পড়ে যাচ্ছিল সব। বাঙালির হৃদয় জুড়ে তখন উত্তম আর উত্তম। তার পাশাপাশি আবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ও তখন বাঙালির মনে আলোড়ন তুলেছেন। তাঁদের অভিনয়ে, ক্যারিশমায় বাঙালি দর্শক থেকে পরিচালকরা পর্যন্ত বিভোর।

 

 

কিন্তু তার পরেও অভিনয় দক্ষতার দিয়ে উত্তমকুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, অনিল চট্টোপাধ্যায়, স্বরূপ দত্তের পাশাপাশি শমিত ভঞ্জের নাম এবং খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। তিনি সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, তপন সিংহ, গৌতম ঘোষ প্রমুখ চলচ্চিত্র পরিচালকদের সাথে কাজ করেছেন।  তপন সিংহের মতো পরিচালক ও তাঁর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে সুযোগ দেন “আপনজন” ছবিতে। আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। একে একে নতুন ছবিতে সুযোগ পেতে থাকেন। অভিনয় করেছেন সত্যজিৎ রায় (অরণ্যের দিনরাত্রি), তরুণ মজুমদার(ফুলেশ্বরী, দাদার কীর্তি, গণদেবতা), বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত (ফেরা) -এর মতো বিখ্যাত পরিচালকদের ছবিতে।

 

 

অভিনীত ছবি—

 

বহু বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শমিত ভঞ্জ।
তাঁর অভিনিত ছবি গুলি হলো  হাটে বাজারে (১৯৬৭), আপনজন (১৯৬৮), পরিণীতা (১৯৬৯), নতুন পাতা (১৯৬৯), বনজ্যোৎস্না (১৯৬৯), অরণ্যের দিনরাত্রি (১৯৭০), গুড্ডি (১৯৭১), যবন (১৯৭২), আজকের নায়ক (১৯৭২), ফুলেশ্বরী (১৯৭৪), অসতী (১৯৭৪), মৃগয়া (১৯৭৬), দত্তা (১৯৭৬), কবিতা (১৯৭৭), স্ট্রাইকার (চলচ্চিত্র) (১৯৭৮), গণদেবতা (১৯৭৯), দাদার কীর্তি (১৯৮০), শহর থেকে দূরে (১৯৮১), আবার অরণ্যে (২০০৩)।
শুধু বাংলা নয়, হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায় পরিচালিত বিখ্যাত ছবি “গুড্ডি”-তে নায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন তিনি।

 

 

মৃত্যু–

 

অভিনেতা হিসেবে তাঁর জায়গা হওয়া উচিত ছিল হলিউডের ক্লিন্ট ইস্টউড, লি ভন ক্লিফ বা ডেনজেল ওয়াশিংটনের মতো অভিনেতাদের পাশেই। কিন্তু কপালদোষে বাংলা সিনেমার প্রথম ‘আধুনিক নায়ক’কে সে দিন চিনতে পারেননি কেউ। উত্তম মোহে তখনও বিভোর বাংলার পরিচালক থেকে দর্শককুল। তবু হতাশা তাঁকে গ্রাস করতে পারেনি। সমৃদ্ধ করেছেন বাংলা সিনেমাকে। জীবনের শেষ সিনেমা “আবার অরণ্যে”-তে যখন অভিনয় করেছিলেন তখন তিনি ক্যানসারের শেষ স্টেজে। কিন্তু তাই নিয়েই কাজ সম্পূর্ণ করেছিলেন তিনি। এমনই ছিল তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠা, অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা। ২০০৩ সালের ২৪ জুলাই ক্যানসারে তার মৃত্যু হয়।

 

।। তথ্য সংগৃহীত : উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েপেজ।।

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

২৩ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৩ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জুলিয়েট ব্র্যান্ডনসান, (সুইস লেখক ও ইতিহাসবিদ)।

১৯০৬ – ভ্লাডিমির প্রেলগ, (ক্রোয়েশীয়-সুইস জৈব রসায়নবিদ)।

১৯০৬ – চন্দ্রশেখর আজাদ, (ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী)।

১৯২৫ – তাজউদ্দীন আহমদ, (বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা)।

১৯৪৯ – ক্লাইভ রাইস, (দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৫০ – অ্যালান টার্নার, (অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার)।

১৯৫২ – পল হিবার্ট, (অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৫৩ – গ্রাহাম গুচ, (ইংল্যান্ডের সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৫৭ –  থিও ভ্যান গগ, (হল্যান্ডের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা)।

১৯৬১ – উডি হ্যারেলসন, (মার্কিন অভিনেতা ও নাট্যকার)।

১৯৬৫ – স্ল্যাশ, (ব্রিটিশ সঙ্গীতশিল্পী ও গীতিকার)।

১৯৬৭ – ফিলিপ সিমোর হফম্যান, (আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক।

১৯৭২ – ফ্লয়েড রেইফার, (বিশিষ্ট বার্বাডিয়ান ক্রিকেটার)।

১৯৭৬ – ইয়েহুডিট পোল্‌গার, (হাঙ্গেরীয় দাবাড়ু)।

১৯৮২ – পল ওয়েসলি, (আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক এবং প্রযোজক)।

১৯৮৬ – মেহদী হাসান খান, (অভ্র কী-বোর্ড-এর প্রোগ্রামার)।

১৯৮৯ – ড্যানিয়েল র‌্যাডক্লিফ, (ইংরেজ অভিনেতা)।

১৮০৮ – হরচন্দ্র ঘোষ,( উনিশ শতকের বাঙালি জজ)।

১৮৪৩ – রায়বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষ, (বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বাগ্মী)।

১৮৫৬ – বাল গঙ্গাধর তিলক, (ভারতের জাতীয়তাব্দী নেতা, সমাজ সংস্কারক, আইনজীবী ও স্বাধীনতা কর্মী)।

১৮৭৮ – ইরাকের কাজেমাঈন শহরে বিখ্যাত আলেমে দ্বীন আয়াতুল্লাহ সাদরুদ্দিন সাদর।

১৮৮৪ – এমিল জ্যানিংস, (জার্মান অভিনেতা)।

১৮৮৬ – ওয়াল্টার হার্মান শটকি, (জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী)।

১৮৮৮ – রেমন্ড চ্যান্ডলার, (ব্রিটিশ-মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং চিত্রনাট্যকার)।

১৮৯২ – হাইল স্যালেসি, (ইথিওপীয় সম্রাট)।

১৮৯৫ – পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র, (অন্যতম সাংসদ, আইনজ্ঞ, বাগ্মী)।

১৮৯৮ – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, (বিংশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি কথাসাহিত্যিক)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত।

১৯০০ -প্রথম প্যান-আফ্রিকা সম্মেলনের আয়োজন।

১৯০৩ – ফোর্ড মোটরগাড়ি কোম্পানি ডেট্রয়েটে প্রথম গাড়ি বিক্রি করেছে।

১৯১৪ – সার্বিয়াকে চরমপত্র দেয় অস্ট্রিয়া।

১৯২১ – চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন।

১৯২৩ – মিত্র ও সহযোগী শক্তির সাথে তুরস্কের নতুন লুজান চুক্তি (Traité de Lausanne) স্বাক্ষরিত।

১৯২৭ – ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভারতের বোম্বাইয়ে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৩৪ – ব্রিটিশ সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টিকে বেআইনি ঘোষণা করে।

১৯৪২ – বুলগেরিয়ার কবি ও সমাজতান্ত্রিক নিকোলা ভ্যাপসারভকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে হত্যা করা হয়।

১৯৪২ – ব্রিটিশ সরকার ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

১৯৫২ – জেনারেল মহম্মদ নেগুইবের নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানে মিশরের রাজা ফারুক ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৯২ – জর্জিয়ার কাছ থেকে আবখাইজয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৫ – হেল-বপ ধূমকেতু আবিষ্কার হয়। পরের বছরের শুরুতে সেটি খালি চোখে দৃশ্যমান হয়।

১৮২৯ – আমেরিকাতে উইলিয়াম অস্টিন বার্ড টাইপরাইটারের পূর্বসুরী টাইপোগ্রাফার পেটেন্ট করেন।

১৮৮১ – আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা সমূহের মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন আন্তর্জাতিক জিমন্যাস্টিক ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯৩ – কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পূর্বতন বেঙ্গল একাডেমি অব লিটারেচার স্থাপিত হয়।

১৭৯৩ – ফ্রান্স‌-এর হাত থেকে মেইনজ পুনরুদ্ধার করে প্রুশিয়া।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – মেহমুদ, (ভারতীয় অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক এবং প্রযোজক)।

২০০৭ – মুহাম্মদ জহির শাহ, (আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ)।

২০১২ – ক্যাপ্টেন ডাক্তার লক্ষ্মী সেহগল, (আজাদ হিন্দ ফৌজের রাণী ঝাঁসি রেজিমেন্টের প্রধান)।

২০১২ – স্যালি রাইড, (আমেরিকান মহাকাশচারী এবং প্রকৃতিবিজ্ঞানী)।

২০১৩ – দালমা সান্তোস, (ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার)।

২০১৮ – বাসবী নন্দী, (ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্রাভিনেত্রী)।

২০২১ -( একুশে পদকপ্রাপ্ত গণসংগীত শিল্পী, স্বাধীন বাংলা বেতার শব্দসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা) ফ‌কির আলমগীর।

১৯১৬ ‌- স্যার উইলিয়াম র‍্যামজি, (স্কটিশ রসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী)।

১৯৩৩ – যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, (ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইনজীবী)।

১৯৪২ – অ্যান্ডি ডুকাট, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ও ফুটবলার)

১৯৪৮ – ডি ডব্লিউ গ্রিফিথ, (প্রভাবশালী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক)।

১৯৫৭ – ইতালীয় কথাসাহিত্যিক জুজেপ্পে লাম্পাদুজার।

১৯৬৩ – নৃপেন্দ্রকৃষ্ণ চট্টোপাধ্যায় বাঙালি শিশুসাহিত্যিক,লেখক ও বাংলা চলচ্চিত্র জগতের এক অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৬ – মন্টগামারি ক্লিফট, (মার্কিন চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও বেতার অভিনেতা)।

১৯৬৮ – হেনরি ডেল, (ইংরেজ ওষুধবিজ্ঞানী ও শারীরতত্ত্ববিদ)।

১৯৭১ – ভ্যান হেফলিন, (মার্কিন মঞ্চ, বেতার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

১৯৮৫ – জনি ওয়ারডল, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৯৯ – এস এম আহমেদ হুমায়ুন, (বাঙালি লেখক ও সাংবাদিক)।

১৯৯৯ – মরক্কোর বাদশা দ্বিতীয় হাসান।

১৮৮৫ – ইউলিসিস এস. গ্রান্ট, (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টাদশ রাষ্ট্রপতি)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন পুরীর পঞ্চতীর্থ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো পুরীর পঞ্চতীর্থ ।

 

পঞ্চতীর্থ বলতে ভারতের পুরী শহরে অবস্থিত পাঁচটি জলাধারকে বোঝায়। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, পুরীতে তীর্থযাত্রা সম্পূর্ণ করতে হলে এই পাঁচটি জলাধারে স্নান করতে হয়।

 

এই পাঁচটি জলাধার হল:—

 

ইন্দ্রদ্যুম্ন কুণ্ড: প্রাচীন ভারতের মালবদেশের অবন্তী অঞ্চলের রাজার নামও পান্ড্য রাজার মতো একই সূর্যবংশের বংশধর রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন। ইনি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে  জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার মূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কিংবদন্তি হয়ে আছেন  এবং যাহা স্কন্দ পুরাণে পুরুষোত্তম-ক্ষেত্র – মাহাত্ম্য বিভাগে বিশেষভাবে বর্ণিত আছে। গুণ্ডিচা মন্দিরের কাছে অবস্থিত। মহাভারতে রাজা ইন্দ্রদ্যুম্নের অশ্বমেধ যজ্ঞ ও জগন্নাথ সংস্কৃতির চার প্রধান দেবতার আবির্ভাব বর্ণিত হয়েছে। এই মহাকাব্যে আছে, কীভাবে সহস্রাধিক গরুর ক্ষুরের চাপে পবিত্র ইন্দ্রদ্যুম্ন জলাধার নির্মিত হয়েছিল। রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন এই জলাধার ব্রাহ্মণদের দান করেছিলেন। ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারত এবং পুরাণে বর্ণিত পান্ড্য রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন সূর্যবংশের রাজা সুমতির পুত্র এবং ভরতের পৌত্র।  বিষ্ণু ভক্ত এই রাজা গজেন্দ্র স্তূতি অর্থাৎ বিষ্ণু সহস্রনামে  গজেন্দ্রমোক্ষে ভগবান বিষ্ণুর দ্বারা গজেন্দ্র জন্ম ও মৃত্যুর চক্র থেকে মোক্ষ বা মুক্তি লাভ করেন।

 

রোহিণী কুণ্ড : রোহিণী কুণ্ড হল বিমলা মন্দিরের কাছে জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গনের ভিতরে অবস্থিত একটি পবিত্র কূপ।  রোহিণী কুণ্ডকে নারায়ণের আবাস বলে মনে করা হয়।  এখানে অবস্থিত অক্ষয় কল্পবত নামক পবিত্র বটবৃক্ষটিরও পূজা করা হয়।  পুরাণ অনুসারে, শিকারী জরা সাভার ঘটনাক্রমে কৃষ্ণকে হত্যা করে তাকে দাহ করেন।  কৃষ্ণ জারার স্বপ্নে আবির্ভূত হন এবং তাকে বলেছিলেন যে তার দেহাবশেষ একটি লগে রূপান্তরিত হবে যা সমুদ্র থেকে রোহিণী কুণ্ডে ভেসে যাবে।  ইন্দ্রদ্যুম্ন জরার সাহায্যে সেই পবিত্র লগিটি ​​খুঁজে পান যেখান থেকে জগন্নাথের মূর্তি খোদাই করা হয়েছিল।

 

মার্কণ্ডেয় কুণ্ড : হল পুরীর তীর্থ পরিক্রমার প্রথম স্থান। জলাধারটির আয়তন ৪ একর। এর পাশে মার্কণ্ডেয়েশ্বরের মন্দির আছে।

 

শ্বেতগঙ্গা কুণ্ড : নীলাচলের দক্ষিণে অবস্থিত। এই কুণ্ডের পাশে বিষ্ণুর মৎস্য অবতার ও রাজা শ্বেতের মন্দির আছে।

 

স্বর্গোদ্বার অঞ্চলের সমুদ্রকে “মহোদধি” বলা হয়। এটি একটি স্নানক্ষেত্র। মহোদধি নামেও সমুদ্রকে স্বর্গদ্বারা এলাকায় একটি পবিত্র স্নানের স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  সমুদ্র আরতি হল একটি দৈনিক ঐতিহ্য যা বর্তমান শঙ্করাচার্য ৯বছর আগে শুরু করেছিলেন।  প্রতিদিনের অনুশীলনের মধ্যে রয়েছে মঠের শিষ্যদের দ্বারা পুরীর স্বর্গদ্বারে সমুদ্রে প্রার্থনা এবং অগ্নি নিবেদন প্রতি বছরের পৌষ পূর্ণিমায়।

 

অন্য সংস্করণ অনুসারে পুরীর ৫টি তীর্থ হল ৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যা পুরীতে আসা সমস্ত তীর্থযাত্রীদের অবশ্যই যেতে হবে:

 

(ক) বলরাম

(খ) অক্ষয় ভাতা

(গ) মার্কন্ডেয় ট্যাঙ্ক

(ঘ) ইন্দ্রদ্যুম্ন ট্যাঙ্ক

(ঙ) সমুদ্র

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২২ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) পাই দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৩ – সুমিত্রা দেবী (অভিনেত্রী), (ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী যিনি তার অভিনয় দিয়ে বাংলা আর হিন্দি উভয় চলচ্চিত্রকেই সমৃদ্ধ করেছেন)।

১৯২৩ – মুকেশ, (ভারতীয় চলচ্চিত্রের সুবিখ্যাত নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী)।

১৯২৬ – মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, (মননশীল প্রবন্ধকার, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী)।

১৯৯৫ – ‘দুঃখের রানী’ হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলের জনপ্রিয় গায়িকা মারিলিয়া মেন্ডনকা।

১৮১৪ – প্যারীচাঁদ মিত্র, (বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর)।

১৮৪৭ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, (বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক)।

১৮৮৭ – গুস্টাফ লুটভিগ হের্ৎস, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ)।

১৮৮৮ – সেলম্যান ওয়াক্সম্যান, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইউক্রেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী ও মাইক্রো জীববিজ্ঞানী)।

১৮৯৫ – পলিন ফাইফার, (মার্কিন সাংবাদিক ও লেখিকা)।

১৭৮৪ – ফ্রিডরিশ ভিলহেল্ম বেসেল, (জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – পাকিস্তানের ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং তার রাজনৈতিক তৎপরতার ওপর ২১ বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

২০০২ – রাতে ফিলিস্তিনের নিরপরাধ নারী ও শিশুরা যখন নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছিল, তখন ইসরাইলী এফ-১৬ জঙ্গীবিমান রাতের অন্ধকারে গাজা উপত্যকার কয়েকটি এলাকায় বোমাবর্ষণ করে।

২০০৩ – ইরাকের সাবেক শাসক সাদ্দাম হোসেনের দুই পুত্র উদয় ও কুসাই উত্তর ইরাকের মসুলের কাছে মার্কিন হামলায় নিহত হয়।

২০১১ – নরওয়েতে ভয়ানক হামলা চালায় ৩২ বছর বয়স্ক অ্যানডার্স ব্রেভিক নামের এক নরওয়েজিয়ান।

১৯৭২ – (ক) রাশিয়ার মনুষ্যবিহীন নভোযান ভেনেরা-৮ শুক্রে অবতরণ করে।

(খ) – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গুয়াতেমালা।

১৯৭৭ – চীনের নেতা দেং জিয়াও পিং পুনরায় ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

১৯৮৩ – পোল্যান্ডে সামরিক আইন প্রত্যাহৃত হয়।

১৯০৫ – জাপানের সাথে শান্তি বৈঠকে রাশিয়া সম্মত হয়।

১৯১২ – ইংল্যান্ডে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক রবীন্দ্রনাথের সংবর্ধনা।

১৯১২ – চীনের কার্যকরী শাসক হন ভাইসরয় ইউয়ান শি-কাই।

১৯১৫ – ইতালির ইযোনিযো পাহাড়ি এলাকায় ইতালি ও অস্ট্রিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯১৭ – আলেকজান্দার কেরেনস্কি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯২৬ – শহীদ অধ্যাপক ও প্রাবন্ধিক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর জন্ম।

১৯৩৩ – উইলি পোস্ট প্রথম একা পৃথিবী প্রদক্ষিণ করেন। উড়ে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে তার সময় লেগেছিল সাত দিন ১৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।

১৯৪৪ – পোল্যান্ডে ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান হয়।

১৯৪৬ – ব্রিটেনে পাউরুটির রেশন চালু হয়।

১৯৪৭ – ভারতের গণ পরিষদে তেরঙা ভারতের জাতীয় পতাকা বা রাষ্ট্রীয় ধ্বজা হিসাবে গৃহীত হয়।

১৯৪৮ – নেদারল্যান্ডসের রানি উইলহেলমি পদচ্যুত হন।

১৯৬১ – ফরাসী সেনারা তিউনিসিয়ার পূর্ব উপকূলীয় শহর বিযোর্তে হামলা চালায়, ফলে তিউনিসিয়ার সেনাবাহিনীর সাথে তাদের তুমূল সংঘর্ষ বাঁধে।

১৪৫৬ – উসমানীয় তুর্কিরা বেলগ্রেড অধিকার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৭৬ – (ক) শিল্পকলাবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক রবার্ট এরিক হুইলারের মৃত্যু।

(খ) – বাঙালি লেখক, ছোটগল্পকার ও ঔপন্যাসিক মণীন্দ্রলাল বসু।

১৯৮৬ – মহুয়া রায়চৌধুরী, (প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৪ – নাট্যসম্রাজ্ঞী সরযূবালা দেবী (বাঙালি অভিনেত্রী)।

১৯৯৫ – হ্যারল্ড লারউড, বিখ্যাত ও পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯১৮ – প্রথম ভারতীয় বিমান চালক ইন্দ্রলাল রায় যুদ্ধরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৮ – হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার (বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী )।

১৯৭০ – ‘মাসিক বসুমতী’ পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক প্রাণতোষ ঘটকের মৃত্যু।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২১ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১১ – মার্শাল ম্যাকলুহান, (কানাডিয়ান লেখক ও তাত্ত্বিক)।

১৯১১ – উমাশঙ্কর যোশী, (ভারতীয় বিখ্যাত বিদ্বজ্জন, কবি এবং ঔপন্যাসিক)।

১৯১৬ – পল রয়টার, (জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ সাংবাদিক ও রয়টার্সের প্রতিষ্ঠিাতা)।

১৯২৩ – রুডলফ মার্কাস, (কানাডীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ)।

১৯৩০ – আনন্দ বক্সী, (ভারতীয় কবি ও গীতিকার)।

১৯৩৪ – চান্দু বোর্দে, (প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার)।

১৯৪৪ – জন আটা মিলস, (ঘানার আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, ঘানার ৩য় প্রেসিডেন্ট)।

১৯৪৫ – (ক) জিওফ ডাইমক, (সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

(খ) – ব্যারি রিচার্ডস, (সাবেক ও বিখ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৯৪৭ – চেতন চৌহান, (সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৪৮ – বেপে গ্রিলো, (ইতালীয় কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও একটিভিস্ট)।

১৯৫১ – রবিন উইলিয়ামস, (আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক এবং প্রযোজক)।

১৯৫৭ – স্টিফান লোফভেন, (সুইডিশ ইউনিয়ন নেতা ও রাজনীতিবিদ ও ৩৩ তম প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৬০ – অমর সিং চমকিলা, (ভারতীয় গায়ক এবং গীতিকার)।

১৯৬৮ – আদিত্য শ্রীবাস্তব , (ভারতীয় অভিনেতা যিনি ভারতীয় টিভি সিরিজ সিআইডিতে সিনিয়র ইন্সপেক্টর অভিজিৎ চরিত্রে অভিনয় করার জন্য বিখ্যাত) ।

১৯৭১ – শার্লত গ্যাঁসবুর, (ব্রিটিশ-ফরাসি অভিনেত্রী ও গায়িকা)।

১৯৭৫ – রবীন্দ্র পুষ্পকুমারা, (শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার)।

১৯৮৯ – জুনো টেম্পল, (ইংরেজ অভিনেত্রী)।

১৯৯০ – জেসন রয়, (ইংলিশ ক্রিকেটার)।

১৯৯৭ – কে.এম. ইয়ামিনুল হাসান আলিফ, (বিশিষ্ট সাংবাদিক নেতা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ)।

১৮১৬ – পল রয়টার, (জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ উদ্যোগপতি ও রয়টার সংবাদসংস্থার প্রতিষ্ঠাতা)।

১৮৬৩ – সি. অব্রে স্মিথ, (বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা)।

১৮৯৩ – হান্স ফালাডা, (জার্মান লেখক)।

১৮৯৯ – হার্ট ক্রেন, (আমেরিকান কবি)।

১৮৯৯ – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে, (মার্কিন উপন্যাসিক, ছোটগল্প রচয়িতা এবং সাংবাদিক)।

১৭১০ – পল মোরিং, (জার্মান শল্যচিকিৎসক)।

১৭৬২ – টিমোথি হাইনম্যান, (রাস্তা নির্মাণের পথপ্রদর্শক)।

১৬২০ – জিন পিকার্ড, (ফরাসি জোর্তির্বিদ)।

১৬৬৪ – ম্যাথু প্রাইয়োর, (ইংরেজ কবি ও কূটনীতিক)।

১৬৯৩ – টমাস পেলহ্যাম-হোলস, (নিউকাসল-আপন-টাইনের ১ম ডিউক, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৫৪ – জেনেভা সম্মেলন শেষে ভিয়েতনাম এবং ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম বাণিজ্যতরী সাগরে ভাসানো হয়।

১৯৬৮ – আসামের করিমগঞ্জে দিব্যেন্দু ও জগন্ময় বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় শহীদ হন।

১৯৬৯ – চাঁদে মানুষের প্রথম পৌঁছানো।

১৯৭৬ – মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল আবু তাহেরের ফাঁসি কার্যকর।

১৮৩১ – নেদারল্যান্ডের অন্তর্গত বেলজিয়াম স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৬৬ – লন্ডনে কলেরায় শতাধিক লোকের মৃত্যু হয়।

১৮৮৩ – ভারতের প্রথম রঙ্গমঞ্চ স্টার থিয়েটারের উদ্বোধন।

১৮৮৪ – লর্ডসে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়।

১৮৮৮ – ব্রিটিশ নাগরিক জন বয়েড ডানলপ বায়ুচালিত টায়ার আবিষ্কার করেন।

১৭১৩ – রাশিয়ার জার পিটার দ্য গ্রেটের ভবিষ্যত পরিকল্পনা অনুযায়ী পারস্য উপসাগরের পানি সীমা পর্যন্ত নিজেদের সাম্রাজ্য। ক্রমবিস্তারের লক্ষ্যে জর্জিয়াকে ইরান থেকে পৃথক করার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিল।

১৭৯৮ – নেপোলিয়ন বোনাপার্ট মিসরের যুদ্ধে জয়লাভ করেন।

১৬৫৮ – মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেব দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – এডওয়ার্ড বি লুইস, (মার্কিন জিনবিজ্ঞানী)।

২০১২ – ডন উইলসন, (ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

২০১৫ – ই. এল. ডোক্টোরও, (আমেরিকান ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার)।

২০১৭ – জন হার্ড, (আমেরিকান চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা)।

১৯০৬ – উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ভারতীয় ব্যারিস্টার এবং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি)।

১৯৩৫ –  দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর (বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ)।

১৯৪৩ – চার্লস উইলিয়াম প্যাডক, (আমেরিকান দৌড়বিদ)।

১৯৪৪ – ক্লজ ফন স্টফেনবার্গ, (জার্মান সামরিক কর্মকর্তা ও ক্যাথলিক অভিজাত সম্প্রদায়ভূক্ত ব্যক্তি)।

১৯৪৬ – গোয়ালবার্তো ভিলারয়ল, (বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট)।

১৯৫০ – জন সি. উডস, (নুরেমবার্গ বিচারের মৃত্যুদন্ড কার্যকরকারী আমেরিকান জল্লাদ)।

১৯৫১ – কাজেম আলী কোরেশি,  (মহাকবি কায়কোবাদ নামে সুপরিচিত )।

১৯৬৭ – আলবার্ট লুটুলি, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকান শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ)।

১৯৭২ – জিগমে দর্জি ওয়াংচুক, (ভূটানের তৃতীয় ড্রূক গ্যালাপ (রাজা)।

১৯৭২ – র‌্যালফ ক্রেগ, (আমেরিকান অ্যাথলেট)।

১৯৭৬ – আবু তাহের, (বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার)।

১৯৯৮ – অ্যালান শেপার্ড, (মার্কিন নৌ বৈমানিক ও নাসার নভোচারী)।

১৭৯৬ – রবার্ট বার্নস, (স্কটিশ কবি ও গীতিকার)।

১০০৫ – ইবনে সাম্হ, (স্পেনের বিখ্যাত মুসলিম গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসক)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২০ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আজ চাঁদে অবতরণ দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০২ -বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও কবি সুনির্মল বসুর জন্ম ।

১৯১৯ – এডমুন্ড হিলারী (নিউজিল্যান্ডের একজন পর্বতারোহী এবং অভিযাত্রী। তিনি তেনজিং নরগের সাথে মে ২৯, ১৯৫৩ সালে এভারেস্ট শৃঙ্গ আরোহণ করেন)।

১৯৪৭ – গের্ড বিনিগ, (জার্মান পদার্থবিদ এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী)।

১৯৫০ – নাসিরুদ্দিন শাহ্, (ভারতীয় চলচ্চিত্র তারকা অভিনেতা)।

১৯৯১ – কিরা কাজানসেভ, (মিস আমেরিকা ২০১৫)।

১৯৯৯ – পপ স্মোক, (আমেরিকান র‌্যাপার এবং গায়ক।

১৮০৪ – রিচার্ড ওয়েন, ইংরেজ জীববিজ্ঞানী, শারীরস্থানবিৎ ও জীবাশ্মবিদ)।

১৮২২ – গ্রেগর জোহান মেন্ডেল, (অস্ট্রিয় ধর্মযাজক ও বংশগতির প্রবক্তা)।

১৮৬৪ – এরিক এক্সেল কারলফেল্ডট, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ কবি)।

১৮৯৭ – টাডেউস রিচস্টেইন, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ রসায়নবিদ)।

১৭৮৫ – দ্বিতীয় মাহমুদ, (উসমানীয় খলিফা ও ৩০তম উসমানীয় সুলতান)।

৬৪৭ – প্রথম ইয়াজিদ, (উমাইয়া খিলাফতের দ্বিতীয় খলিফা)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – ইথিওপিয়ার সেনাবাহিনী সোমালিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

১৯০৫ – ব্রিটিশ সংসদে বঙ্গভঙ্গ আইন প্রথম অনুমোদন পায়।

১৯৪৬ – প্যারিসে শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৪৭ – মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় বাংলায় মুসলিম নারীদের সচিত্র সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘বেগম’ প্রকাশিত।

১৯৪৯ – সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ১৯ মাসের যুদ্ধের অবসান হয়।

১৯৫১ – জেরুজালেমে শুক্রবার প্রার্থনাকালে জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ একজন ফিলিস্তিনির হাতে নিহত হন।

১৯৫৪ – ভিয়েতনাম যুদ্ধর অবসান ঘটাতে জেনেভাতে ফ্রান্সের সঙ্গে অস্ত্র সংবরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ভিয়েতনাম উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত হয়।

১৯৬০ – বিশ্বের ইতিহাসে শ্রীলঙ্কার শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৬৮ – স্পেশাল অলিম্পিক প্রতিষ্ঠা পায়।

১৯৬৯ – অ্যাপোলো ১১ অভিযানের নভোচারী নীল আর্মস্ট্রং ও এডুইন অল্ড্রিন জুনিয়র প্রথম মানুষ হিসাবে চাঁদে পা রাখেন।

১৯৭৪ – তুর্কি ফৌজ উত্তর সাইপ্রাস দখল করে।

১৯৭৪ – তুরস্কের সেনাবাহিনী সাইপ্রাসের তুর্কি জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চল দখল করে নেয়।

১৯৭৬ – মার্কিন নভোযান ভাইকিং মঙ্গলগ্রহে অবতরণ করে।

১৯৯৬ – ঢাকা নগর জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়।

১৮১০ – কলম্বিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – হেলেন টমাস, (আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক)।

২০১৫ – থিওডোরে বিকেল, (অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা, লোক গায়ক, সুরকার, গীতিকার ও একটিভিস্ট)।

২০১৭ – চেস্টার বেনিংটন, (আমেরিকান গায়ক)।

১৯২০ – শ্রীশ্রীমা সারদা দেবী (উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পত্নী ও সাধনসঙ্গিনী এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সংঘজননী)।

১৯৩৭ – গুলিয়েলমো মার্কোনি (নোবেলজয়ী ইতালিয় পদার্থবিজ্ঞানী )।

১৯৪৪ – মিলড্রেড হ্যারিস, (মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী)।

১৯৪৫ – পল ভালেরয়, (ফরাসি লেখক ও কবি)।

১৯৫১ – প্রথম আবদুল্লাহ, (আরব বিদ্রোহের অন্যতম নেতা ও জর্ডানের প্রথম বাদশাহ)।

১৯৬৫ – বটুকেশ্বর দত্ত, (বাঙালি ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ও ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা)।

১৯৭২ – গীতা দত্ত , (বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী)।

১৯৭৩ – ব্রুস লী, (চীনা মার্শাল আর্ট শিল্পী, শিক্ষক, অভিনেতা।

১৯৭৪ – কমল দাশগুপ্ত, প্রথিতযশা সঙ্গীতশিল্পী, প্রসিদ্ধ সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক)।

১৮৬৬ – বের্নহার্ট রিমান, (বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১৮ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) ম্যান্ডেলা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৯৩ – রিচার্ড ডিক্স, (মার্কিন নির্বাক ও সবাক চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

১৯৪৯ – ডেনিস লিলি, (অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৮২ – প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, (ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী)।

১৯৮৯ – ভূমি পেড়নেকর, (ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী)।

১৯৯৬ – স্মৃতি মন্ধনা, (ভারতীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯০২ – মেজর সত্য গুপ্ত, (ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও সমাজসেবী)।

১৯০৯ – বিষ্ণু দে, (বাঙালি কবি, লেখক ও চলচ্চিত্র সমালোচক)।

১৯১৬ – জনি হপ, (আমেরিকার বেসবল খেলোয়াড়)।

১৯১৮ – আনোয়ারুল হক, (বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী)।

১৯১৮ – নেলসন ম্যান্ডেলা, (দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত নেতা ও রাষ্ট্রপতি, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী)।

১৯২২ – টমাস স্যামুয়েল কুন, (মার্কিন দার্শনিক)।

১৯২৫ – হুবার্ট ডগার্ট, (ইংরেজ ক্রিকেটার, ক্রীড়া প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক)।

১৯২৭ – মেহদী হাসান, (পাকিস্তানি গজল গায়ক ও বলিউডের নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী)।

১৯৩৩ –  ইয়েভগেনি ইয়েভতুশেঙ্কো, (রুশ কবি)।

১৯৩৭ – রোয়াল্ড হোফমান, (পোলিশ-মার্কিন রসায়নবিদ এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী)।

১৯৪০ – জেমস ব্রোলিন, (মার্কিন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক)।

১৯৪৩ – আরতি মুখার্জী, (বাংলা তথা বলিউডের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী)।

১৮৪৯ – শরৎচন্দ্র দাশ, ( তিব্বতি ভাষা ও সংস্কৃতির ভারতীয় পণ্ডিত) ।

১৮৫৩ – হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্‌ৎস, (ডাচ পদার্থবিদ এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী)।

১৮৯৩ – জীবনতারা হালদার, (ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম বিপ্লবী,অনুশীলন সমিতির সদস্য)।

১৭৬৮ – জঁ রোবের আরগঁ, (সুইজারল্যান্ডীয় গণিতবিদ)।

১৬৩৫ – রবার্ট হুক, (ইংরেজ বিজ্ঞানী)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪৭ – ভারতের স্বাধীনতা আইন ইংল্যান্ডের রাজার অনুমতি লাভ করে।

১৯৬৬ – মহাকাশযান জেমিনি ১০ উৎক্ষেপন করা হয়।

১৯৬৮ – আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার সান্টাক্লারাতে ইন্টেল কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৬ – গ্রীস্মকালীন অলিম্পিক গেমসের ইতিহাসে রুমানিয়ার জিমন্যাস্ট নাদিয়া কোমিনিচি প্রথমবারের মতো পারফেক্ট ১০ স্কোর করেন।

১৯৭৬ – মন্ট্রিলে ২১তম অলিম্পিকের উদ্বোধন হয়।

১৯৭৭ – ভিয়েতনাম জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৮৪১ – ১৮ জুলাই রবিবার ঢাকা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৫৪ – স্যার চার্লস উডের বিখ্যাত ডেসপ্যাচ প্রকাশিত হয়।

১৮৭১ – কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার রাস্তাঘাট তৈরি রক্ষার খরচ নির্বাহের জন্য নীতিনির্ধারক আইন চালু হয়।

১৭৮৩ – বৃটিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্শেল ছায়াপথের প্রকৃতি আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।

৮৭১ – বৃটেন ও ডেনমার্কের মধ্যে ২৫ বছরব্যাপী যুদ্ধের সূচনা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৬ – মুবারক বেগম, (ভারতীয় গায়িকা)।

২০২২ – ভূপিন্দর সিং, (ভারতের প্রখ্যাত গজল শিল্পী)।

১৯১৮ – ইন্দ্রলাল রায়, (প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) বিমান চালক প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষে যুদ্ধ করেন এবং মৃত্যুবরণ করেন)।

১৯৬৮ – কর্নেইল হেইম্যানস, (বেলজিয়ান ফিজিওলজিস্ট এবং শিক্ষাবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী)।

১৯৮৯ – রেবেকা শেফার, (আমেরিকান মডেল এবং অভিনেত্রী)।

১৯৯০ – ইউন পসুন, (দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদ এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি)।

১৮১৭ – জেন অস্টেন, (ইংরেজ ঔপন্যাসিক)।

১৮৭২ – বেনিটো জুয়ারেজ, (মেক্সিকান আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ, মেক্সিকোর ২৬ তম রাষ্ট্রপতি)।

৭১৫ – মুহাম্মদ বিন কাসেম, (সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

কেন পালিত হয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস, দিনটির পালনের গুরুত্ব কি?

ভূমিকা—

আজ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস। এটি আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচার দিবস বা আন্তর্জাতিক বিচার দিবস হিসাবেও পালন করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচারের উদীয়মান ব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে ১৭ জুলাই সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস পালিত হয়। ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গঠনের চুক্তি গ্রহণের তারিখকে স্মরণ করে রাখার জন্য এই দিনটিকে গ্রহণ করা হয়।  তাই আজ মানবতাবিরোধী অপরাধসহ যেকোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং সকলের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে  দেশে দেশে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।

 

ইতিহাস—

 

আমরা জানি বিশ্বব্যাপী সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোর বিচার প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে বিশ্বের অনেক দেশেই বিচ্ছিন্নভাবে নানা রকমের আন্দোলন হয়েছে। তবে এ ধরনের বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা মোটেই সহজ ছিল না। এর ধারনা আর প্রেক্ষাপটটিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত এ রকম একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। ফলে পরবর্তী সময়ে নুরেমবার্গ ও টোকিওতে সংঘটিত হওয়া অপরাধের বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এসব ঐতিহাসিক ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ন্যায়বিচার পাবার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। গণমানুষের প্রত্যাশাকে আশার আলো দেখিয়ে দিতে সাহায্য করে।

এসব ঘটনা ও সাফল্য ‘রোম সংবিধি’ এর মতো চুক্তি প্রতিষ্ঠার পটভূমি তৈরি করতে সাহায্য করে। শুরুতে ১২০টি দেশ ভোটের মাধ্যমে ‘রোম সংবিধি’ অনুমোদন করে। প্রক্রিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ এই চুক্তির সঙ্গে একাত্ম হয়েছে। ।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ১৯৯৮ সালের এই দিনে নেদারল্যান্ডসের হেগে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১০ সালের ১ জুন উগান্ডার রাজধানী কাম্পালাতে অনুষ্ঠিত রোম বিধির রিভিউ কনফারেন্সে ১৭ জুলাই দিনটি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘ।

 

পালনের উদ্দেশ্য—-

 

অপরাধের বিচার করে বিশ্বজুড়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য পালিত হয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।  অপরাধ সেটা যেখানেই হোক আর যে দেশেই হোক, মানুষ যেন বিচার প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারে সেই ধারনাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার দিবস।

একটি স্বাধীন দেশের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হওয়া আবশ্যক। দেশের প্রতিটি মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়া তার নাগরিক অধিকার। এই ন্যায়বিচারের অধিকার নিশ্চিত করাই এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য।

বিশ্বের নানা স্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোকে যেন বিচার প্রক্রিয়ায় সম্মুখীন করা যায়, সেজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া এই বিশেষ আদালতটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। তবে যে কোনো দেশেই এই আদালতের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

 

পালনের গুরুত্ব—

 

আসলে ন্যায়বিচার একটি আপেক্ষিক বিষয়। দেশ, কাল হিসেবে ন্যায়বিচার ভিন্ন। এমনকি অনেক সময় বিচার করলেও তা কার্যকর করা যায় না। সেক্ষেত্রে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলা যায় না। ন্যায়বিচার হতে পারে জলের জন্য, শিক্ষার জন্য, সমঅধিকারের জন্য কিংবা অন্য যে কোনো বিষয়ে। এক্ষেত্রে প্লেটোর রিপাবলিক বইয়ের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। প্লেটো সেখানে বলেছেন সমাজ তৈরি হয় ন্যায়ের মধ্য দিয়ে। ঘরের মধ্যে, সমাজের মধ্যে ন্যায়বিচার হচ্ছে কিনা, ধনী দেশের সঙ্গে সম্পর্কে গরিবের ন্যায়বিচার হচ্ছে কিনা তা দেখতে হবে। সেই বিচারের মধ্য দিয়েই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পায়।

 

উপসংহার—

 

সর্বপরি বলা যায় ন্যায়বিচার ভাবনা টা কেবল মাত্র খাতায় কলমে সীমাবদ্ধ হলে চলবে না। একটি মনুষ প্রকৃত ন্যায়বিচার পাচ্ছে কিনা সেটাও পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় প্রকৃত ন্যায় বিচার পর্থীরা বঞ্চিত থেকে যায়। সমাজিক প্রভাব প্রতিপত্তি, অর্থবল এর প্রভাব খাটিয়ে অনেকেই নিজেদের দোষ ঢেকে দিতে সক্ষম হয়, যা কখনই কাম্য নয়। তাই ভাবতে হবে দৃশ্যমান বিচারের বাইরেও একটি বিচার আছে। সেখানে মৌলিক ন্যায়বিচার করতে পারছেন কিনা সেটি বিবেচনায় নিতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠের জন্য ন্যায়বিচার করা সম্ভব না হলে সিস্টেম বদলাতে হবে। যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ন্যায়বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত না হতে পরে। ন্যায়বিচার পাওয়া একটি মানুষের সমাজিক আধিকার। তাই প্রতি বছর, সারা বিশ্বের লোকেরা এই দিনটিকে আন্তর্জাতিক অপরাধমূলক বিচার, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সমর্থনে বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করে থাকে এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস পালন করে থাকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ জুলাই, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১৭ জুলাই। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক ন্যায় বিচার দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – নীরদাকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী ( খ্যাতনামা সেতারবাদক)।

১৯১২ – অমিতা সেন (সংগীত, নৃত্য ও অভিনয়ে পারদর্শিনী)।

১৯১৩ –  রুজে গারুদী , (বিখ্যাত ফরাসী দার্শনিক ফ্রান্সের মার্সাই শহরে জন্ম গ্রহণ করেন)।

১৯১৫ – বিজন ভট্টাচার্য, (একজন বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব)।

১৯৩০ – শচীন ভৌমিক, (হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন বিখ্যাত গল্প লেখক এবং চিত্রনাট্যকার) ।

১৯৩৫ – (ক) ডাইঅ্যান ক্যারল, (মার্কিন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী ও মডেল)।

(খ) – ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড, (কানাডীয় অভিনেতা)।

১৯৪৪ – কার্লোস আলবার্তো তোরেস, (ব্রাজিলীয় ফুটবলার)।

১৯৫৪ –  এঙ্গেলা মার্কেলে (জার্মান চ্যান্সেলর)।

১৯৬০ – কিম বার্নেট, (ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার)।

১৯৭২ – ইয়াপ স্টাম, (ওলন্দাজ ফুটবলার)।

১৯৭৫ –  আন্দ্রে এডামস, (নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার)।

১৮৩১ -মনোমোহন বসু, (বিশিষ্ট বাঙালি নাট্যকার ও লেখক)।

১৮৯৪ – জর্জ ল্যমেত্র্‌, (বেলজীয় বিশ্বতত্ত্ববিদ)।

১৮৯৯ – জেমস ক্যাগনি, (মার্কিন অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী)।

১৪৮৭ – পারস্যের শাহ ইসমাইলের জন্ম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০০ – প্রকাশিত হয়  ব্রিটিশ ম্যাগাজিন পাঞ্চ ।

১৯২৮ –  পেনারে আলভারো ওবরেগন আততায়ীর গুলিতে নিহত (মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি)।

১৯৩৩ – স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ শুরু।

১৯৪৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধানরা পটসডাম সম্মেলনে যোগ দেন।

১৯৫৫ – ক্যালফোর্নিয়ায় ডিজনিল্যান্ড উদ্বোধন হয়।

১৯৬৩ – স্পেনে গৃহযুদ্ধ শুরু।

১৯৬৮ – ইরাকে ১৭ জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়, আবদুর রহমান আরিফ ক্ষমতাচ্যুত হন এবং বাথ পার্টি ক্ষমতায় আসে।

১৯৭৩ – আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ জহির শাহের পতনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।

১৯৭৬ – পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়ার ২৭ তম প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৭৭ – বাংলাদেশের কর্ণফুলীর মোহনায় জেটি চালু হয়।

১৮২১ – স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লোরিডাকে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করে।

১৮২৩ –  কলকাতায় সাধারণ শিক্ষা সমিতি গঠিত হয় গভর্নর জেনারেল জন এ্যাডামের প্রস্তাব অনুসারে।

১৮৬১ – কংগ্রেস কাগজের নোট অনুমোদন করে।

১৭১২ – ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ও ফ্রান্স যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।

১৭৬২ –  রাশিয়ার জার মনোনীত হন দ্বিতীয় ক্যাথেরিন।

১৭৯০ – টমাস সেইন্ট প্রথম সেলাই কলের পেটেন্ট করেন।

১৪২৯ –  ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে অভিষিক্ত হন দাউফিন।

১০৫৪ – অভিষেক হয়  সম্রাট তৃতীয় হেনরির পুত্র চতুর্থ হেনরির ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৯ – স্বরূপ দত্ত, (ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

২০২০ – এমাজউদ্দিন আহমদ,( বাংলাদেশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য)।

১৯১২ – অঁরি পোয়াঁকারে, (ফরাসি গণিতবিদ, তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও দার্শনিক)।

১৯১২ – ঝুল অঁরি পোয়েকার, (ফরাসি গণিতবিদ ও পদার্থবিদ)।

১৯৩১ – সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, (বাংলাদেশের মুসলিম জাগরণের কবি, ঔপন্যাসিক ও রাজনীতিবিদ)।

১৯৮৪ – মালতী ঘোষাল, (ভারতীয় রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী)।

১৯৮৫ – সুভো ঠাকুর, (কলকাতা গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা)।

১৯৯২ – কানন দেবী, (ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী এবং গায়িকা)।

১৮৩৫ – টিরট সিং, (মেঘালয়ের খাসি জনগোষ্ঠীর প্রধান)।

১৭৯০ – অ্যাডাম স্মিথ, (স্কটিশ দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This