Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ‘আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস’, জানব দিন দুটি পালনের গুরুত্ব সম্পর্কে কিছু কথা।

 

আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস।

 

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য- ‘মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ১৯৮৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় ২৬ জুনকে মাদকবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।পরের বছর থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস হল মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের একটি আন্তর্জাতিক দিবস । এটি ১৯৮৯ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ জুন পালিত হয়। চীনে প্রথম আফিম যুদ্ধের ঠিক আগে ২৫ জুন, ১৮৩৯-এ শেষ হয়েছিল হুমেন , গুয়াংডং -এ লিন জেক্সুর আফিম ব্যবসার অবসানের স্মরণে ২৬ জুন তারিখটি। ৭ ডিসেম্বর ১৯৮৭-এর সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন ৪২/১১২ দ্বারা এই পালন করা হয়েছিল ।

২৬ জুন ১৯৮৭, ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ্য ( মাদক অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যত কার্যক্রমের ব্যাপক বহুবিভাগীয় রূপরেখা এবং মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ঘোষণা ) গৃহীত হয়েছিল। ১৭-২৬ জুন ১৯৮৭ সময়কালে। সম্মেলন সুপারিশ করে যে মাদকের অপব্যবহার এবং অবৈধ পাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব চিহ্নিত করার জন্য একটি বার্ষিক দিবস পালন করা উচিত। ১৭ জুন এবং ২৬ জুন উভয় তারিখই প্রস্তাব করা হয়েছিল এবং পরবর্তী বৈঠকে ২৬ জুন বেছে নেওয়া হয়েছিল এবং খসড়া এবং চূড়ান্ত রেজোলিউশনে লিখিত হয়েছিল।

 

সারা পৃথিবী জুড়ে আজ মাদক পাচার একটি গভীর সঙ্কটের রূপ নিয়েছে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে, যেসব দেশে অর্থের অভাবে ভুগছেন বহু সংখ্যক মানুষ, এবং নিরাপত্তার অভাবে আটকানো যায় না বহু অপরাধ। এই পরিস্থিতিতে অপরাধের পথে মানুষকে চালিত করা সহজতর হয়ে পড়ে। সমীক্ষায় প্রকাশ, মাদক পাচারের ফলে ব্যাহত হয় শিক্ষা, বাড়ে অপরাধ। আন্তর্জাতিক স্তরে মাদক বিরোধী দিবস পালনের উদ্দেশ্য, সমস্যাটির প্রতি আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করা, এবং বিভিন্ন স্তরে আলচনার মঞ্চ গড়ে তোলা। এই দিনটি পালন করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো মাদক সেবন ও পাচারের মারাত্মক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, এবং প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা।

 

বিভিন্ন দেশের মানুষ একসঙ্গে দিবসটি উদযাপন করে। যেহেতু ওষুধের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়, দিনটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ইন্টারন্যাশনাল ড্রাগ পলিসি কনসোর্টিয়াম দ্বারা সমন্বিত , এটি দাবি করে যে ওষুধ নীতির পন্থাগুলি স্বাস্থ্য, মানবাধিকার এবং মাদক ব্যবহারকারী লোকেদের অপরাধীকরণের অবসানের দিকে মনোনিবেশ করা উচিত। আজ ২৬ জুন, আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারে দিবসটির  প্রতিপাদ্য- ‘মাদক সেবন রোধ করি, সুস্থ সুন্দর জীবন গড়ি’।

 

 

আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস।

 

নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক দিবস হল প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য এবং সারা বিশ্বে ভুক্তভোগী এবং বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের সম্মান ও সমর্থন করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক পালন করা হয়।

 

এই দিনটি সমাজে অগ্রহণযোগ্য মানবিক নির্যাতন সম্পর্কে জনগণের মধ্যে শুধু সচেতনতাই ছড়ায় না, তাদের জানিয়ে দেয় যে এটি একটি অপরাধ।

বিশ্ব জুড়ে, অসংখ্য মানুষ আছে যারা শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের সম্মুখীন হয়।  যদিও এটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি অপরাধ, এমন অনেক ঘটনা রয়েছে যা রিপোর্ট করা হয়নি।  তাই, সমস্ত স্টেকহোল্ডারদেরকে একত্রিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর জন্য যারা অপব্যবহার ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন এবং অব্যাহত রেখেছেন, প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে পালন করা হয়।  জাতিসংঘ দাবি করে যে নির্যাতনের পরিণতি হল এটি সহিংসতার চক্রে পরিণত হতে পারে এবং পরবর্তী প্রজন্মের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

 

ইতিহাস—-

 

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দুটি কারণে দিনটিকে বেছে নেয় । প্রথমত, ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝখানে জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছিল – প্রথম আন্তর্জাতিক উপকরণ যা জাতিসংঘের সদস্যদের মানবাধিকারকে সম্মান ও প্রচার করতে বাধ্য করে । দ্বিতীয়ত, ২৬ জুন ১৯৮৭ ছিল যখন নির্যাতন এবং অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির বিরুদ্ধে জাতিসংঘের কনভেনশন কার্যকর হয়েছিল।
বার্ষিক নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্তটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ডেনমার্কের প্রস্তাবে গৃহীত হয়েছিল, যা বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক পুনর্বাসন কাউন্সিল ফর টর্চার ভিকটিম (আইআরসিটি) এর আবাসস্থল।

 

১৯৯৮ সালের ২৬ জুন নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে প্রথম আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন করে, জাতিসংঘ সমস্ত সরকার, স্টেকহোল্ডার এবং বৈশ্বিক সমাজের সদস্যদের এই আইনের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে এবং নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এবং যারা  বিশ্বের প্রতিটি কোণে এটি কার্যকর করুন।  দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি তাদের সমর্থনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে যারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর তারপর থেকে, সারা বিশ্বের কয়েক ডজন দেশে প্রায় ১০০টি সংস্থা প্রতি বছর ইভেন্ট, উদযাপন এবং প্রচারাভিযানের মাধ্যমে দিবসটিকে চিহ্নিত করে।
১৬ জুলাই ২০০৯ তারিখে, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাতে নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবসটিকে সরকারী ছুটি হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল ।

সর্বশেষ ২৬ জুন গ্লোবাল রিপোর্ট (২০১২) অনুসারে, বিশ্বের ৬০টি দেশে অন্তত ১০০টি সংস্থা সম্মেলন, কর্মশালা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, সাংস্কৃতিক ও সঙ্গীত অনুষ্ঠান, শিশুদের জন্য অনুষ্ঠান ইত্যাদির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করেছে। এশিয়ায় এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন প্রতি বছর আঞ্চলিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নির্যাতন বিরোধী নেটওয়ার্ক যারা এখনও নির্যাতনের ব্যাপক ব্যবহারে ভুগছে তারা সমাবেশ এবং জনসাধারণের অনুষ্ঠান করে। এই কারণেই জাতিসংঘ এই দিনটিকে নির্যাতনের শিকারদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে বেছে নিয়েছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৬ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস।

(খ) আন্তর্জাতিক নির্যাতনবিরোধী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – সালবাদোর আইয়েন্দে, চিলির প্রথম সমাজতন্ত্রবাদী রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

১৯১২ – জীবন ঘোষাল, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯১৩ – এমে সেজায়ার, মার্তিনিকের একজন ফ্রাঙ্কোফোন কবি, লেখক, এবং রাজনীতিবিদ।

১৯১৪ – সুলতান আহমদ নানুপুরী, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব।

১৯২১ – ভিয়োলেট জাবো, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ফ্রেন্স-ব্রিটিশ গুপ্তচর।

১৯২২ – এলিনর পার্কার, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৩৪ – কামাল লোহানী, বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাহিত্যজন, শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক মহাপরিচালক।

১৯৩৭ – রবার্ট কোলম্যান রিচার্ডসন, মার্কিন পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪০ – কেতকী কুশারী ডাইসন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কবি, লেখিকা, অনুবাদক ও গবেষক।

১৯৫১ – গ্যারি গিলমোর, প্রখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৬৮ – পাওলো মালদিনি, ইতালির সাবেক ফুটবলার।

১৯৭০ – পল টমাস অ্যান্ডারসন, মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৭৬ – পমি এমবাঙ্গা, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – নিক কম্পটন, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংলিশ ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – সামির নাসরি, ফরাসি ফুটবলার।

১৯৯৩ – আরিয়ানা গ্রান্দে, মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী।

১৮৩৮ – সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, উনিশ শতকের বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৮৭৩ – গওহর জান, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী।

১৮৮৫ – সুইস মনোবিদ ও চিকিৎসক কার্ল গুস্তাফ ইয়ুং।

১৮৮৭ – যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম কবি।

১৮৯২ – পার্ল এস. বাক, মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক।

১৫৭৫ – ডেনমার্ক ও নরওয়ের রানি অ্যান ক্যাথরিন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – এই দিন বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার স্থায়ী সদস্যপদ লাভ করে।

১৯২৪ – আমেরিকান সৈন্যরা ডোমিনিয়ন রিপাব্লিক ত্যাগ করে।

১৯৩৪ – প্রথম বারের মত ব্যবহারিক হেলিকপ্টারফক উল্‌ফ এফ ডাব্লিউ ৬১ আকাশে উড়ে।

১৯৪০ – ২য় বিশ্বযুদ্ধ।

১৯৪১ – ফিনল্যান্ড দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

১৯৪৫ – সানফ্রান্সিসকোতে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নিরাপত্তা সনদে ৫০টি দেশের প্রতিনিধিদের স্বাক্ষর।

১৯৪৫ – ব্রিটেনের লেবার পার্টি জয়লাভ করার পর উইনস্টন চার্চিল ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান।

১৯৪৮ – পশ্চিমা জোট বার্লিন এ এয়ার লিফট দেয়া শুরু করে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন পশ্চিম বার্লিন অবরুদ্ধ করে দেয়।

১৯৫২ – মিসরের রাজা ফারুক তার ছেলে ফুয়াদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

১৯৫৭ – গুয়েতেমালার একনায়ক কার্লোস ক্যাস্টিলো আরমাস নিহত হন।

১৯৫৯ – উত্তর আমেরিকার মহাসাগর গামী জাহাজ এর জন্য সেইন্ট লরেন্স সি-ওয়ে খুলে দেয়া হয়।

১৯৬০ – সোমালিল্যান্ড ইংরেজদের কাছ থেকে স্বাধীনতা পায়।

১৯৬০ – গণপ্রজাতন্ত্রী মালাগাছি নামে মাদাগাস্কারের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৪ – প্রথম বারের মত বারকোড ব্যবহার করে কোন খুচরা পণ্য বিক্রয় হয়। পণ্যটি ছিল চিবানোর গাম।

১৯৭৬ – সি এন টাওয়ার যেটি তৎকালীন পৃথিবীর উঁচুতম ভবন, খুলে দেয়া হয়।

১৯৭৭ – এলভিস প্রিসলি শেষ কনসার্ট করেন।

১৯৭৮ – উইনিপেগ এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এয়ার কানাডা ফ্লাইট ১৮৯ বিধ্বস্ত হয়।

১৯৭৮ – দক্ষিণ ইয়েমেনে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে।

১৯৭৯ – কিংবদন্তির মুষ্ঠীযোদ্ধা মোহাম্মাদ আলী অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৯১ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রায় ৪০০ পৃষ্ঠার পান্ডুলিপি লন্ডনে নিলামে উঠলে ভারত সরকার ২৬,৬০০ পাউন্ড দামে তা কিনে নেয়।

১৯৯২ – বাংলাদেশের কাছে ভারতের ৩ বিঘা করিডর হস্তান্তর।

১৮১৯ – বাই সাইকেল এর পেটেন্ট করা হয়।

১৮৩০ – রাজা চতুর্থ উইলিয়ামের ব্রিটিশ সিংহাসনে আরোহণ।

১৮৪২ – ইংরেজ সৈন্য চীনের সাংহাই বন্দর অধিকার করে।

১৮৪৭ – লাইবেরিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮৪৮ – আমেরিকায় খাদ্য আইন চালু হয়।

১৮৯৪ – কার্ল বেঞ্জ গ্যাসোলিনচালিত গাড়ির প্যাটেন্ট পান।

১৮৯৬ – আমেরিকায় প্রথম সিনেমা হল চালু হয়।

 

১৫৩৯ – চৌসারের যুদ্ধে শের শাহের কাছে হুমায়ুন পরাজিত হন।

১৪৮৩ – রাজা ৩য় রিচার্ড ইংল্যান্ড এর রাজা হন।

১২৮৪ – কিংবদন্তির হ্যামিলন এর বংশিবাদক ১৩০ শিশুকে নিয়ে হারিয়ে জান।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের চরমপত্রখ্যাত এম আর আখতার মুকুল।

২০১৫ – ইয়েভগেনি প্রিমাকভ, রুশ রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক।

১৯০২ – ইংল্যান্ডের তৃতীয় হেনরির স্ত্রী ইলিয়েনর।

১৯৩৭ – যোগীন্দ্রনাথ সরকার,প্রখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।

১৯৩৯ – ফোর্ড ম্যাডক্স ফোর্ড, ইংরেজ ঔপন্যাসিক, কবি, সমালোচক ও সম্পাদক।

১৯৪৩ – কার্ল লান্ডষ্টাইনার, ১৯৩০ সালে নোবেলজয়ী অষ্ট্রীয় জীববিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

১৯৬৪ – নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম, শিলচরের লব্ধ-প্রতিষ্ঠ আইনজীবী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

১৯৯৪ – জাহানারা ইমাম, বাংলাদেশী লেখিকা।

১৮৩০ – ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ জর্জ।

১৮৩৬ – ক্লদ জোসেফ রুজে দ্য লিল, ফরাসি জাতীয় সংগীতের লেখক।

১৫৪১ – ফ্রান্সিসকো পিসার্‌রো, একজন স্পেনীয় দখলদার।

১২৭৪ – নাসির আল দীন তুসী, পারস্য বিজ্ঞানী ও লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৫ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

২০০৬ – ম্যাককেনা গ্রেস, মার্কিন কিশোরী অভিনেত্রী।

১৯০০ – জর্জিয়া হেল, একজন মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯০০ – লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন, ব্রিটিশ নৌ বাহিনী অফিসার ও রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ-এর স্বামী প্রিন্স ফিলিপের মামা।

১৯০৩ – জর্জ অর্‌ওয়েল, এক কালোত্তীর্ণ ইংরেজ সাহিত্যিক।

১৯০৭ – ইয়োহানেস হান্স ডানিয়েল ইয়েনসেন, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯০৮ – সুচেতা কৃপালনী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯১১ – উইলিয়াম এইচ. স্টেইন, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯১৩ – আফ্রিকান-ফরাসি কবি এমে সেজেয়ার।

১৯১৮ – পি. এইচ. নিউবি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

১৯২৪ – (ক) ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক মদন মোহন কোহলি।

(খ) সিডনি লুমেট, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯২৮ – আলেক্সেই আলেক্সেভিচ আব্রিকোসোভ, একজন সোভিয়েত এবং রাশিয়ান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৩১ – বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং, একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ এবং অষ্টম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩৪ – দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক আবৃত্তিকার ও বাচিকশিল্পী।

১৯৩৬ – ইউসুফ হাবিবি, ইন্দোনেশিয়ার প্রকৌশলী ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

১৯৫৩ – ইয়ান ডেভিস, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৫৫ – ভিক মার্কস, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৬১ – রিকি জারভেজ, ইংরেজ স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা, লেখক, পরিচালক, প্রযোজক ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৬৩ – ইয়ান মার্টেল, বুকার পুরস্কার বিজয়ী একজন কানাডীয় সাহিত্যিক।

১৯৬৩ – জর্জ মাইকেল, ইংরেজ পপ গায়ক, সুরকার, গীতিকার, রেকর্ড প্রযোজক এবং সমাজ সেবক ছিলেন।

১৯৬৪ – ফিল এমরি, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭৪ – বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর।

১৯৭৫ – ভ্লাদিমির ক্রামনিক, বিখ্যাত রুশ দাবাড়ু ও গ্র্যান্ডমাস্টার।

১৮৫২ – অ্যান্টনি গাউদি, রেউস হতে আগত একজন স্প্যানিশ কাতালান স্থপতি ছিলেন।

১৮৬৪ – ভালটার নের্ন্‌স্ট, একজন জার্মান রসায়নবিদ ছিলেন।

১৮৯৪ – হের্মান ওবের্ট, রোমানিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৭৯৬ – রাশিয়ার জার প্রথম নিকোলাস।

১৭৯৯ – স্কটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ডেভিড ডগলাস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৪ – পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা ভেঙ্গে আলিপুরদুয়ার জেলা তৈরি করা হয়।

২০২২ – বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সেতু (পদ্মা সেতু) চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়।

১৯৩২ – ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে সর্বপ্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।

১৯৩৫ – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কলম্বিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫০ – উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করলে কোরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৫ – সারা ভারতে ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে তৃতীয় বারের জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। (২৫ জুন,১৯৭৫ হতে ২১ মার্চ ১৯৭৭)

১৯৭৫ – পর্তুগালের কাছ থেকে মোজাম্বিকের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৮ – নেদারল্যান্ডকে হারিয়ে (৩-১) আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ ফুটবলে জয়ী হয়।

১৯৮৩ – কপিল দেবের অধিনায়কত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল ৪৩ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে।

১৯৯১ – ক্রোয়েশিয়া ও স্লোভেনিয়া যুগোস্লাভিয়া থেকে বের হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – তুরস্কে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তানুস সিলার জোটের সরকার গঠন।

১৯৯৫ – পুত্র শেখ হামাদ কর্তৃক কাতারের আমির শেখ খলিফা উৎখাত।

১৮৯১ – ভারতীয় সংবাদপত্রের ওপর ব্রিটিশরাজ সেন্সর আরোপ করেন।

১৫২৯ – বঙ্গ বিজয়ের পর মোগল সম্রাট বাবর আগ্রা প্রত্যাবর্তন করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী,ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী,ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ।

২০০৯ – মাইকেল জ্যাকসন, মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী ও সঙ্গীত ব্যবসায়ী।

২০২০ – নিমাই ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও সাংবাদিক।

১৯১৬ – টমাস এয়াকিনস, মার্কিন বাস্তবতাবাদী চিত্রশিল্পী, চিত্রগ্রাহক, ভাস্কর ও চারুকলা শিক্ষক।

১৯২২ – সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, বাঙালি কবি ও ছড়াকার।

১৯৩৩ – জগদানন্দ রায়, ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি কল্পকাহিনী লেখক।

১৯৩৮ – নিকোলাই ত্রুবেৎস্‌কোয়, রুশ ভাষাবিজ্ঞানী।

১৯৪৪ – নওয়াব বাহাদুর ইয়ার জঙ্গ।

১৯৬০ – সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি।

১৯৭৭ – ওলেভ ব্যাডেন পাওয়েল, ব্রিটিশ স্কাউটিং এবং গার্ল গাইডসের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েলের সহধর্মিনী।

১৯৮৪ – মিশেল ফুকো, ফরাসি দার্শনিক।

১৯৯৫ – আর্নেস্ট ওয়াল্টন, আইরিশ পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৪২ – সিসমন্দি, সুইস অর্থনীতিবিদ ও লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান সোনমার্গ  ।

 

সোনমার্গ বা সোনামার্গ যার জন্য দাঁড়ায় সোনার তৃণভূমি জম্মু ও কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় অবস্থিত একটি হিল স্টেশন। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিস্ময়কর। এখানে, আপনি প্রকৃতির বিস্ময় অন্বেষণ করতে পাবেন। চমত্কার কনিফার গাছগুলি পুরো পর্বতকে উজ্জ্বল করে তোলে। তুষার যা পাহাড়ের সুন্দর বাদামী রঙকে ঢেকে দেয় তা আশ্চর্যজনকভাবে অন্বেষণ, লালন এবং অভিজ্ঞতার জন্য মনোরম দৃশ্য তৈরি করে।

 

শ্রীনগর থেকে ৮২ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কাশ্মীর এর আর এক স্বর্গ সোনমার্গ। এপ্রিল মে মাসে সোনমার্গ তার রূপের ডালি উজাড় করে দেয় পর্যটকদের কাছে। শ্রীনগর থেকে সোনমার্গ যেতে পথে পড়বে গান্দেরবল, কঙ্গন, গুন্দ প্রভৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাহাড়ি জনপদ। আর পুরো পথটাই সাথে থাকবে দামাল সিন্ধুনদ। পাইন, ফার, বার্চ আর দূর দুরান্তের পাহাড়শ্রেণীর শোভা দেখতে দেখতে আপনি মোহিত হয়ে পড়বেন। চারপাশে পাহাড় আর সোনালি ঘাসে ঢাকা সোনমার্গ নিয়ে জনশ্রুতি রয়েছে যে এই উপত্যকার কোথাও এক কুপ আছে জার জলে সোনালি রঙ ধরে উপত্যকায়। এই জন্য নাম সোনমার্গ অর্থাত্‍ সোনালী উপত্যকা। সোনমার্গ থেকে পায়ে পায়ে বা ঘোড়ায় চেপে পৌঁছে যাওয়া যায় খাজিয়ার হিমবাহের কোলে। শীতের সময় এখানে বরফ নিয়ে মেতে ওঠে সবাই।

 

সোনমার্গ এর দর্শনীয় স্থানসমূহ–

 

সোনমার্গ অন্যতম কাশ্মীরে দেখার জন্য সেরা জায়গা. সোনমার্গের কাছে আপনি যে পর্যটন স্থানগুলি ঘুরে দেখতে পারেন তার তালিকা এখানে রয়েছে।

১. থাজিওয়াস হিমবাহ

সোনমার্গ যার অর্থ ‘সোনার তৃণভূমি’ অনায়াসে তার আকর্ষণ বহন করে। তুষারে পূর্ণ হওয়ায়, এই হিমবাহটি ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভ্রমণ গন্তব্যগুলির মধ্যে একটি জম্মু ও কাশ্মীর. শহর থেকে 3 কিমি দূরে অবস্থিত এবং আনুমানিক 9,186 ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, এই স্থানটি তার মনোরম কাশ্মীর উপত্যকা সহ তুষার এর কবজ দেখার জন্য বেশ মনোরম।

২. জোজি-লা-পাস

এই সুন্দর পাসটিই কাশ্মীর উপত্যকাকে একত্রিত করে লাদাখ. জোজি-লা পাস সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,528 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এই জায়গাটি অভিজ্ঞতার জন্য অবিশ্বাস্য এবং আপনার প্রিয়জনদের সাথে লালন-পালন করে।

৩. বিষনসার লেক

সোনমার্গের একটু বাইরে অবস্থিত, এই হ্রদের ফিরোজা নীল জল রূপালী পাহাড়ের সাথে একটি সবুজ তৃণভূমি দ্বারা বেষ্টিত। এই পর্বতগুলি একটি উত্তেজনাপূর্ণ দূরত্বে অবস্থিত। আপনার প্রিয়জনের সাথে কিছু আশ্চর্যজনক স্মৃতি উপভোগ করার ক্ষেত্রে এটি বেশ দুর্দান্ত জায়গা।

৪. হোয়াইট রিভার রাফটিং

এটা কোনো অ্যাডভেঞ্চার রাইডের চেয়ে কম নয়। এই রাইডটি আপনাকে একটি অ্যাড্রেনালিন রাশ দিতে যথেষ্ট চিত্তাকর্ষক। এবং এই কার্যকলাপ সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ কি পছন্দ করে. আপনি একটি দীর্ঘ র‌্যাফটিং অভিযানে যাওয়ার কথাও বিবেচনা করতে পারেন যা শুরু হয় বালতাল এবং সোনমার্গে অবস্থিত শুটকারি ব্রিজে শেষ হয়।

৫. নীলাগ্রাদ নদী

এটি তার নিরাময় ক্ষমতার জন্য পরিচিত এবং এই কারণেই এটি অত্যন্ত সম্মানিত। প্রতি রবিবার প্রচুর স্থানীয় মানুষ এখানে আসেন শুধু এর পবিত্র জলে স্নান করতে।

৬. কৃষ্ণসার লেক

কৃষ্ণসার হ্রদটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 3,801 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এখানকার মনোরম দৃশ্য মুগ্ধ করে। ঘন আলপাইন দ্বারা বেষ্টিত, এই জায়গাটি একটি খুব শীতল এবং মনোরম পরিবেশ রয়েছে। লোকেরা মাছ ধরার জন্য এবং দুঃসাহসিক জলের ক্রিয়াকলাপ উপভোগ করার জন্য প্রায়শই এই জায়গায় আসে।

 

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়—

সোনমার্গ ভ্রমনের উপযুক্ত সময় মার্চ – নভেম্বর। এটি সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয় রূপ নেয় এপ্রিল-মে মাসে। তবে যারা স্নোফল দেখতে কাশ্মীর যেতে চান তাদের জন্যে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি উত্তম। কারন এ সময়টায় কাশ্মীরে সব থেকে বেশী স্নোফল পাবার সম্ভাবনা থাকে। এই সময়ে, সার্বিক তাপমাত্রা দর্শনীয় কার্যকলাপের জন্য বেশ মনোরম।

 

সোনমার্গ কিভাবে যাবেন—-

যদি অফবীট জায়গা গুলো আপনার ভ্রমণ লিস্টে না থাকে তাহলে শ্রীনগর থেকে দিনে দিনে সেরে নিতে পারেন সোনমার্গ ভ্রমণ। তবে পথের শোভা উপভোগ করতে হলে এ পথে নিজস্ব গাড়ি ভাড়া করে আসাই ভালো। মারুতি ওমনি ভাড়া পাওয়া যায়। টাটা সুমোও রয়েছ কারগিলগামী শেয়ার সুমোও যাচ্ছে এ পথে।

 

কোথায় থাকবেন—

সোনমার্গে থাকবার সেরা জায়গা জম্মু কাশ্মীর পর্যটনের ট্যুরিস্ট হাটে, এছাড়া হোটেল রয়্যাল, হোটেল স্নো ল্যান্ড, হোটেল পিকস, রয়েছে।

 

সোনমার্গের ইতিহাস—-

 

ঐতিহাসিক লেন্স থেকে দেখলে, আমরা জানতে পারি যে প্রাচীন কাল থেকেই সোনামার্গ ভারতীয় ইতিহাসের বর্ণনায় একটি বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে, কারণ এটি সিল্ক রোডের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিচিত ছিল যা কাশ্মীর ভূমিকে সংযুক্ত করেছিল। গিলগিট হয়ে চীন ও অন্যান্য উপসাগরীয় দেশ।
১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীন হওয়ার সাথে সাথে সোনমার্গ, যা তখন কাশ্মীরের একটি স্থানীয় শহর ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। আজ, এই জায়গাটি অমরনাথ মন্দির এবং লাদাখ অঞ্চলের মতো কাছাকাছি অবস্থিত পর্যটন এলাকার জন্য বেস ক্যাম্প হিসাবে পরিচিত।

।।তথ্য: সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান ইউসমার্গ।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়।  আসুন ঘুরে আসি ভারতের ই জম্মু ও কাশ্মীরের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান ইউসমার্গ।

 

 

Yusmarg বা Yousmarg (অর্থাৎ ‘যিশুর তৃণভূমি’) হল ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলার পশ্চিম অংশের একটি পাহাড়ি স্থান।  এটি রাজ্যের গ্রীষ্মকালীন রাজধানী শ্রীনগর থেকে ৫৩ কিমি (৩৩ মাই) দক্ষিণে অবস্থিত।  Yousmarg সুন্দর ল্যান্ডস্কেপ, তরুণ পাইন নার্সারি, সবুজ চারণভূমি এবং হৃদয় স্পর্শকারী লটিক এবং লেন্টিক জলাশয়ের জন্য স্থান প্রদান করে।  নীলনাগ, দুধগঙ্গা এবং নতুনভাবে তৈরি করা কৃত্রিম বাঁধ তৃণভূমির সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।  প্রকৃতি ইউসমার্গকে মনোরম উদ্ভিদ ও প্রাণীজগত দিয়েছে।  ইউসমার্গকে প্রায়শই ট্রেকারদের স্বর্গ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। ইউসমার্গে কিছু পরিমিত থাকার বিকল্প রয়েছে তবে কিছু নতুন হোমস্টে এলাকার আশেপাশে এসেছে। নিকটতম গ্রাম নাগবালে অবস্থিত ট্রাইব হোমস্টে এবং ক্যাফে বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে।  জায়গাটি দেহাতি, কাঠের এবং কাশ্মীরি স্থাপত্য ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।  প্রাণীজগতের মধ্যে, স্থানীয়রা দাবি করে যে তারা প্রায়শই নেকড়ে, ভাল্লুক, বনমানুষ, বিড়াল, বিভিন্ন ধরণের অ্যাভস (উড়ার পাশাপাশি উড়ন্ত) দেখে।  জলজ প্রাণীর মধ্যে, স্কিজোথোরাক্সিক প্রচুর পরিমাণে ধরা পড়ে।

স্থানীয়রা বিশ্বাস করেন যে যিশু কাশ্মীরে এসেছিলেন এবং কিছু সময়ের জন্য ইয়াসমার্গে থেকেছিলেন। এটি একটি আল্পাইন উপত্যকা যা তুষার পর্বতমালা এবং পাইন দ্বারা আবৃত।

 

 

চতুর্দিকে পাইনের সারি। তাকালেই দেখা যাবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে পাহাড়। মাঝে মাঝে দেখা যাবে ঘাড় নিচু করে ঘাস খাচ্ছে ঘোড়া। ইট-কাঠ-কংক্রিটের জগৎ থেকে দিনকয়েক অক্সিজেনের খোঁজে পাড়ি জমাতেই পারেন ইয়ুসমার্গে। সবুজের সন্ধানে ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে পাইনের জঙ্গলে বেশ কিছুটা সময় কাটাতেই পারেন। ক্লান্তি মেটাতে জঙ্গলের শেষে পাহাড়ের কোলে নীলনাগ লেকে সেরে নিতে পারেন স্নান।

 

 

শোনা যায়, সুলতানি শাসনকালে, কাশ্মীরের সুলতান ইউসুফ শাহের খুব পছন্দের অবসরযাপনের জায়গা ছিল এটি। ফার, পাইনে ঘেরা গোটা উপত্যকাটিই মখমলি সবুজ ঘাসে আবৃত। দুধগঙ্গা নদী (জলের রং দুধসাদা, তাই নদীর নামও হয়েছে দুধগঙ্গা) অপরূপ নৃত্যবিভঙ্গে বয়ে যাচ্ছে উপত্যকার বুক চিরে। ঢেউ খেলানো নয়নাভিরাম সবুজ উপত্যকায় মনের সুখে চরে বেড়াচ্ছে নধরকান্তি ভেড়ার পাল। আর চারপাশের ফার, পাইনের ঠাসবুনোটের মধ্যেও নজর টানল রংবেরঙের সুদৃশ্য কিছু কটেজ। ইচ্ছে করলে অপার শান্তির বাতাবরণে অবস্থিত এই সুন্দর উপত্যকায় কয়েকটি দিন কাটাতেও পারেন পর্যটকেরা। হাতে যথেষ্ট সময় থাকলে তখন ঘোড়ায় চেপে কিংবা পায়ে হেঁটে ঘুরেও আসতে পারবেন কাছাকাছি দ্রষ্টব্য স্থানগুলি। নীলনাগ লেক, দুধগঙ্গা (সঙ্গসফেদ তুষারশৃঙ্গ থেকে সৃষ্ট হয়েছে এই নদী) ভিউ পয়েন্ট, ‘হে জন’ দরগা ইত্যাদি জায়গাগুলি ঘুরে নেওয়া যায়। পরিষ্কার আবহাওয়ায় ইউসমার্গ থেকেই দিব্যি দেখা যায় মাউন্ট টাট্টাকোটি, মাউন্ট রোমেস হং , সানসেট পিক প্রভৃতি তুষারশৃঙ্গ।

 

ভূগোল—

 

কাশ্মীরি ভাষায় ইউসমার্গ অনুবাদ করে দ্য মেডো অফ জিসাস।  এটা যীশু দ্বারা পরিদর্শন করা হয়েছে বলা হয়.  এটি একটি আলপাইন উপত্যকা যা তুষার আচ্ছাদিত পর্বত এবং পাইন ও ফারের তৃণভূমিতে আচ্ছাদিত।  এটি জম্মু ও কাশ্মীরের বুদগাম জেলার একটি শহর চারারি শরীফ থেকে ১৮ কিমি (১১ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত।  এটি দুদগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত যা জেহলাম নদীর একটি উপনদী।  এটি পীর পাঞ্জাল শৃঙ্গে অবস্থিত, হিমালয়ের একটি সাব রেঞ্জ।  চূড়াগুলি হল: সূর্যাস্ত শিখর এবং তাতাকুটি চূড়া যেগুলির জন্য অভিযানগুলি এই পাহাড়ি স্টেশন থেকে পরিচালিত হয়।  এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৩৯৬ মি (৭৮৬১ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত।

 

৪ কিমি ট্র্যাক নীলনাগ নামক একটি ছোট হ্রদের দিকে নিয়ে যায়, যা তার নীল জলের জন্য বিখ্যাত।  ১০ কিমি ট্র্যাক সাং-ই-সফেদ উপত্যকার হিমায়িত লেকের দিকে নিয়ে যায়, যেটি বেশিরভাগ গ্রীষ্মকালেও বরফে ঢাকা থাকে।  অন্যান্য পর্যটন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ঘোড়ায় চড়া, মাছ ধরা, শীতকালে স্কিইং এবং ফটোগ্রাফি।

 

 

শ্রীনগর থেকে ইয়ুসমার্গ যাওয়ার রাস্তায় পড়বে চারার-ই-শরিফ। সামনের দিগন্ত চেরা সবুজ গালিচা আর শান্ত পরিবেশ মনকে ভরিয়ে দেবে। এখানে পর্যটকদের আনাগোনা একটু কম বলে পরিবেশ আরও শান্ত।

 

 

ইউসমার্গ যাওয়ার উপায়—

জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী, ৪৭ কিমি দূরে শ্রীনগর বা শ্রীনগর বিমানবন্দর (SXR) থেকে ইউসমার্গ সহজেই অ্যাক্সেস করা যায়।  গাড়ি বা বাসে ২ ঘন্টার কম সময়ে ছরারী শরীফ শহর হয়ে যায়। শ্রীনগর থেকে গাড়ি রির্জাভ করলে ভাড়া পড়বে ২০০০-৪০০০ রূপী। শেয়ারে যেতে চাইলে প্রথমে চারার-ই-শরিফ পর্যন্ত যেতে হবে। তারপর সেখান থেকে ইউসমার্গ যেতে হবে।

 

কোথায় থাকবেন—-

ইউসমার্গ থেকে শ্রীনগরের দূরত্ব কম হওয়ায় তেমন কেউ রাত্রিবাস করে না কিন্তু একদিন থাকলে তা সারাজীবন মনের মনিকঠায় গেঁথে যাবে।” তাই আর দেরী কেন। সময় সুযোগ করে বেরিয়ে পরুন এক অনাবিল অনন্দের সাক্ষী হতে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৪ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – উইলহেম কাউয়ার, জার্মান গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী ছিলেন।

১৯০৮ – গুরু গোপীনাথ, সঙ্গীত-নাটক আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট কথাকলি নৃত্যশিল্পী ও অভিনেতা।

১৯১৫ – ফ্রেড হয়েল, ইংরেজ জ্যোতির্বিদ ও গণিতবিদ।

১৯২৭ – মার্টিন লুইস পার্ল, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪১ – গ্রাহাম ম্যাকেঞ্জি, অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৪২ – এদুয়ার্দো ফ্রেই রুইস-তাগ্‌লে, চিলির রাষ্ট্রপতি।

১৯৪২ – বশিরুল হক, বাংলাদেশী স্থপতি।

১৯৪৩ – অনিতা দেসাই(মজুমদার), ভারতীয় ঔপন্যাসিক ও এম.আই.টি.র অধ্যাপক।

১৯৫০ – আবিদ আনোয়ার, বাংলাদেশী কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, গীতিকার, ও মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৫৩ – উইলিয়াম এসকো মোয়ের্নার, মার্কিন ভৌত রসায়নবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৬১ – ইয়ান গ্লেন, স্কটিশ অভিনেতা।

১৯৬৭ – র‌্যানমোর মার্টিনেজ, শ্রীলঙ্কান প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার।

১৯৭৬ – ইংলিশ লেখক লুইস লিমেন।

১৯৮৪ – জোয়ানা ওয়েলিন, সুইডেনে জন্মগ্রহণকারী জার্মান হুইলচেয়ার বাস্কেটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – ভার্নন ফিল্যান্ডার, দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৬ – স্টুয়ার্ট ব্রড, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার৷

১৯৮৮ – মিকা রিচার্ডস, ইংলিশ ফুটবলার।

১৮১৯ – রাজেন্দ্র মল্লিক, শিল্পপ্রেমী লোকহিতৈষী, কলকাতার মার্বেল প্যালেস প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৬৯ – ব্রিটিশ বিরোধী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ দামোদর হরি চাপেকার।

১৮৭৬ – খান বাহাদুর আবদুল মোমেন, বেঙ্গল সিভিল সার্ভিসের সদস্য, সার্ভে এন্ড সেটেলমেন্ট অপারেশনের অফিসার।

১৮৮৩ – ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস, অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৮৯৭ – পণ্ডিত ওমকারনাথ ঠাকুর, ভারতীয় সংগীত শিক্ষক, সঙ্গীতজ্ঞ ও গোয়ালিয়র ঘরানার হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৫৯১ – প্রথম মুস্তাফা, অটোম্যান সাম্রাজ্যের সুলতান ছিলেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – আফ্রিকার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর রেল দুর্ঘটনা ঘটে তাঞ্জানিয়ায়। ২৮১ জন মারা যায়।

২০১০ – জুলিয়া গিলার্ড অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯১৮ – কানাডায় প্রথম এয়ার মেইল সার্ভিস শুরু হয়- মনট্রিল থেকে টরন্টো।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় উপলক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়নে বিজয় উৎসব হয়।

১৯৪৮ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক বার্লিন অবরোধ শুরু হয়।

১৯৭৫ – মোজাম্বিকের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৬ – উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম পুনরেকত্রীকরণ হয়।

১৯৭৮ – ইয়েমেনে এক কূটনীতিকের ব্রিফকেসে পাতা বোমা বিস্ফোরণে প্রেসিডেন্ট আহমদ হুসেইন ঘাশামি নিহত।

১৯৮৮ – ইরাকের আগ্রাসী বাহিনীর জঙ্গীবিমান মাজনুন দ্বীপে মোতায়েন ইরানি সেনাদের ওপর রাসায়নিক বোমা বর্ষণ করে।

১৯৯২ – ইসরাইলে নির্বাচনে লেবার পার্টির কাছে কট্টরপন্থি লিকুদ পার্টি পরাজিত।

১৯৯৪ – যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া যৌথ মহাশূন্য স্টেশন স্থাপন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৮১২ – ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ৩ লাখ ৫০ হাজার সৈন্য’র এক বিশাল বাহিনী নিয়ে যার শাসিত রাশিয়ায় হামলা করেন।

১৮৫৯ – সোলফেরিনোর যুদ্ধে ফরাসিরা অস্ট্রিয়দের পরাজিত করে।

১৮৭০ – অস্ট্রেলীয় কবি অ্যাডাম গর্ডন আত্মহত্যা করে।

১৮৯৪ – লিওনে ইতালীয় দুষ্কৃতকারী কর্তৃক ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সাদি কারনট খুন।

১৭৬৩ – ব্রিটিশ সৈন্যরা মুর্শিদাবাদ দখল করে মীর জাফরকে বাংলার নবাব নিযুক্ত করে।

১৭৯৩ – ফ্রান্সে প্রথম গণতান্ত্রিক সংবিধান গৃহীত হয়।

৬৫৬ – খলিফা হযরত ওসমান (রা.)’র হত্যাকাণ্ডের পর হযরত আলী (রা.) চতুর্থ খলিফা নির্বাচিত।

২০৭ – রোমান্সরা গাইস ফ্লামিনিয়াস পরিচালনায় ওত পেতে থাকে এবং পরাজিত হয় হানিবাল কর্তৃক লেইক ত্রিসিমিনি যুদ্ধে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৮৭ – (ক) জ্যাকি গ্লিসন, মার্কিন কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা, লেখক, সুরকার ও সঙ্গীত নির্দেশক।

(খ) – হাইঞ্জ জনসন, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

২০০৮ – লিওনিদ হারউইচ, পোলীয়-মার্কিন অর্থনীতিবিদ।

১৯০৭ – আইরিশ পদার্থবিদ লর্ড উইলিয়াম টমসন কেলভি।

১৯০৮ – গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২তম এবং ২৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৭৮ – ফ্রান্সের লেখক রবার্ট চারাস।

১৯৮০ -ভারতরত্ন বরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি,ভারতের চতুর্থ রাষ্ট্রপতি।

১৯৮১ – আব্দুল মতিন চৌধুরী, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, পদার্থবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য।

১৯৮৫ – চারুচন্দ্র ভাণ্ডারী, প্রবীণ গান্ধীবাদী ও সর্বোদয় নেতা।

১৯৮৬ – ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও ঐতিহাসিক রেক্স ওয়ার্নার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৩ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস ৷

(খ) পলাশী দিবস ৷

(গ) জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস দিবস ৷

(ঘ) আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – কুইন্টিন ম্যাকমিলান, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।

১৯০৭ – জেমস মীড, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ।

১৯১২ – অ্যালান টুরিং, ইংরেজ গণিতবিদ, যুক্তিবিদ ও ক্রিপ্টোবিশেষজ্ঞ।

১৯১৬ – লেন হাটন, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ও দল নির্বাচক।

১৯২২ – সফিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী।

১৯২৭ – বব ফসে, মার্কিন পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক।

১৯৩৬ – (ক) পি. কে. ব্যানার্জি নামে সুপরিচিত ভারতীয় ফুটবলার ও প্রশিক্ষক প্রদীপকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

(খ) সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশী লেখক, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষক।

১৯৩৭ – মারটি্ আহটিসারি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ রাজনীতিবিদ ও ফিনল্যান্ড এর ১০তম প্রেসিডেন্ট।

১৯৪০ – মাইক শ্রিম্পটন, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৪৮ – নবারুণ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি কবি ও কথাসাহিত্যিক।

১৯৫১ – রাজ বাব্বর, ভারতীয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ।

১৯৫৭ – ডেভিড হটন, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৫৭ – ফ্রান্সেস ম্যাকডোরম্যান্ড, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৬৪ – জস্ ওহেডন, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৭২ – জিনেদিন জিদান, সাবেক ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭৬ – প্যাট্রিক ভিয়েরা, ফরাসি পেশাদার ফুটবল ম্যানেজার এবং প্রাক্তন ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮০ – রামনরেশ সারওয়ান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৮০ – ফ্রান্সেসকা সচিয়ানোনে, ইতালীয় টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮০ – জেসিকা টেলর, ইংরেজ মডেল ও গায়িকা।

১৯৮৪ – ডুফি, ওয়েলশ গায়িকা, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৮২৪ – কার্ল রেইনেকে, জার্মান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৮৫৪ – স্যার রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, ভারতের যশস্বী বাঙালি শিল্পপতি ও সুদক্ষ ইঞ্জিনিয়ার।

১৮৬৭ – হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক ও ‘বঙ্গীয় শব্দকোষ’অভিধানের সংকলক।

১৮৮৯ – আনা আখমাতোভা, খ্যাতনামা রুশ কবি।

১৮৯৪ – অষ্টম এডওয়ার্ড, যুক্তরাজ্য রাজা।

১৭৬৩ – জোসেফিন, ফ্রান্সের সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপোর্টের স্ত্রী।

১৬১৬ – শাহ সুজা, বাংলার সুবাদার মোগল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় ছেলে।

১৬৬৮ – গিয়াম্বাটিস্টা ভিকো, ইতালীয় আইনজ্ঞ, ঐতিহাসিক ও দার্শনিক।

০০৪৭ – কায়েসারিওন, মিশরের রাজা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৬ – নাট্যকার শিশিরকুমার ভাদুড়ী নাট্যমন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৩৪ – সাত সপ্তাহ সীমান্ত যুদ্ধের পর সৌদি আরব ও পরাজিত ইয়েমেনের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৯ – ফ্রান্স, সিরিয়ার ইসকেনদেরুন বন্দরকে তুরস্কের নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দেওয়া হয়।

১৯৪১ – সোভিয়েত লাল ফৌজ জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করে।

১৯৪৯ – মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।

১৯৪৯ – হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল থেকে ১২ নারী গ্র্যাজুয়েশন লাভ করেন।

১৯৫০ – সুইস পার্লামেন্ট নারীর ভোটাধিকার প্রয়োগের বিরুদ্ধে ভোট দেয়।

১৯৬৫ – কর্নেল জমাল আবেদেল নাসের মিশরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৭৮ – (ক) অতীশ দীপঙ্করের দেহভস্ম চীন থেকে ঢাকায় আনা হয়।

(খ) সন্দীপ দত্তের উদ্যোগে কলিকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮০ – ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পুত্র সঞ্জয় গান্ধী বিমান দুর্ঘটনার নিহত হন।

১৯৮৫ – টরেন্টো থেকে বোম্বে যাবার পথে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৪৭ আটলান্টিক সাগরে বিধ্বস্ত হয়। এ সময় ৩২৯ যাত্রীর সবাই নিহত হয়।

১৯৮৯ – ১৪ বছর গৃহযুদ্ধের পর আঙ্গোলায় যুদ্ধ বিরতি হয়।

১৯৯৪ – ২০ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা পুনরায় জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৯৬ – শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে।

১৯৯৮ – পৃথিবীর ১১তম ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যমুনা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

১৮৬০ – উমেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘মনোহর’ প্রকাশিত হয়।

১৭২৪ – রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৫৭ – ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধ শুরু এবং ঐ যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হন।

১৫৩৬ – জেনেভায় ফ্রান্সের প্রোটেস্টেন্ট ধর্মতত্ত্ব বিশারদ জন কেলভিন সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন।

০৯৩০ – পৃথিবীর প্রাচীনতম সংসদ আইনল্যান্ড সংসদ যাত্রা শুরু করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১১ – পিটার ফক, মার্কিন অভিনেতা। (জ. ১৯২৭)

২০১৩ – রিচার্ড মাথেসন, আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯১৪ – ভক্তিবিনোদ ঠাকুর, ভারতের বৈষ্ণবধর্মের সাধক, ধর্ম গুরু, দার্শনিক।

১৯৫৯ – বরিস ভিয়ান, ফরাসি লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৯৬৩ – ভারতকেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় পণ্ডিত ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতা রাজনৈতিক দল ভারতীয় জন সংঘ (বর্তমানে ভারতীয় জনতা পার্টি) প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৮০ – সঞ্জয় গান্ধী, ভারতের রাজনীতিবিদ এবং ইন্দিরা গান্ধীর পুত্র।

১৯৯০ – হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় কবি অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ।

১৯৯৫ – জোনাস এডওয়ার্ড সল্ক, মার্কিন মেডিকেল গবেষক এবং ভাইরাসবিদ।

১৯৯৬ – রে লিন্ডওয়াল, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৮০৬ – মাথুরিন জ্যাকে জাকুইয়েস বরিসন, ফরাসি প্রাণিবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

১৮৩৬ – জেমস মিল, স্কটিশ ইতিহাসবেত্তা, অর্থনীতিবিদ, রাজনৈতিক তাত্ত্বিক ও দার্শনিক।

১৮৯১ – উইলহেম এডুয়ার্ড ওয়েবার, জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

০০৭৯ – ভেস্পাসিয়ান, রোমান সম্রাট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস কি, কেন পালিত হয় জানুন।

ভূমিকা—

 

প্রতি বছর ২৩শে জুন বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস দিবস পালন করা হয়।   মূলতঃ জাতিসংঘের প্রস্তাবনা ও তত্ত্বাবধানে পালিত হয় বলে এই দিবসটি জাতিসংঘ জনসেবা দিবস নামেও পরিচিত; অন্যদিকে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০১৭ সালে দিবসটিকে জাতীয় জনসেবা দিবস নামে পালিন করা হয়।

 

পালনের উদ্দেশ্যে—

 

আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস বিশ্বজুড়ে জাতিসংঘ কর্তৃক পালিত একটি বিশেষ দিন, যা এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে প্রতিবছর ২৩ জুন তারিখে উদযাপিত হয়। এই দিনটি উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জনসেবার অবদানকে তুলে ধরতে এবং জনসাধারণের সেবাকে মূল্য দিতে।  এই দিনটি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন জনসেবা সংস্থা এবং বিভাগ দ্বারা সমাজের উন্নয়ন এবং উন্নতিতে সরকারী কর্মচারীদের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যাপকভাবে পরিচিত।  অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে, জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের ডিভিশন অফ পাবলিক ইনস্টিটিউশন এবং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের সহযোগিতায় একটি ভার্চুয়াল ইভেন্টের আয়োজন করবে, যার প্রতিপাদ্য ছিল “ভবিষ্যৎ উদ্ভাবন।  পাবলিক সার্ভিস: এসডিজিতে পৌঁছানোর জন্য একটি নতুন যুগের জন্য নতুন সরকারী মডেল”।

 

জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস দিবস: ইতিহাস–

২০ ডিসেম্বর ২০০২ তারিখে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ একটি প্রস্তাব ৫৭/২৭৭ পাস করে প্রতি বছর ২৩ জুনকে জাতিসংঘের পাবলিক সার্ভিস দিবস হিসেবে দেখার জন্য মনোনীত করে।  দিনটি সেই তারিখের বার্ষিকীকে চিহ্নিত করে যখন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা শ্রম সম্পর্ক সংক্রান্ত কনভেনশন (পাবলিক সার্ভিস), 1978 (নং 151) বিশ্বজুড়ে সমস্ত বেসামরিক কর্মচারীদের কাজের অবস্থা নির্ধারণের জন্য গৃহীত হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে ২০০৩ সালে সর্বপ্রথম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই দিবসটি পালিত হয়।

 

লক্ষ্য ও গুরুত্ব—

 

বিশ্বব্যাপী জনসেবা দিবস উদযাপনের কারণ হিসাবে জাতিসংঘের ঘোষণায় বলা হয় যে, “সম্প্রদায়ের কাছে জনসেবার মূল্য এবং গুণ উদযাপন করে;  উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় জনসেবার অবদান তুলে ধরে;  সরকারী কর্মচারীদের কাজকে স্বীকৃতি দেয় এবং যুবকদের সরকারী সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে উৎসাহিত করে।”

 

পালিত কর্মসূচী—-

 

দিবসটি সম্প্রদায়ের কাছে জনসেবার গুরুত্ব, উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এর অবদান, কাজের স্বীকৃতি এবং যুবকদের সরকারি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে উত্সাহিত করে।

বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করার পাশাপাশি এদিন সাধারণ জনগণকে বিভিন্ন সেবা দেয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় প্রশাসন-পরিচালকগণ ছাড়াও সেবাগ্রহীতাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো ও বিভিন্ন ক্ষেত্র অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

 

উপসংহার—

 

পাবলিক সার্ভিস দিবস এর লক্ষ্য সম্প্রদায়ের কাছে জনসেবার মূল্য উদযাপন করা, সরকারী কর্মচারীদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া এবং যুবকদের সরকারী সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়তে উৎসাহিত করা।  আসুন আজ আমাদের শহরে আমাদের সরকারি কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাদের সম্মান করার সুযোগটি উপলব্ধি করি!

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২২ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – ভারতীয় বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিপ্লবী ও রাজনীতিবিদ গণেশ ঘোষ।

১৯০৩ – জন ডিলিঞ্জার, মার্কিন ব্যাংক ডাকাত।

১৯০৬ – বিলি ওয়াইল্ডার, অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ইহুদি মার্কিন সাংবাদিক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯১২ – সাগরময় ঘোষ, বাঙ্গালী লেখক ও বাংলা সাহিত্য-পত্রিকা ‘দেশ’এর সাবেক সম্পাদক।

১৯২২ – ভি বালসারা, ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক আবহসঙ্গীত পরিচালক ও যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী।

১৯২৩ – গৌরকিশোর ঘোষ, প্রথিতযশা বাঙালি সাংবাদিক ও সাহিত্যিক।

১৯৩২ – অমরিশ পুরি, ভারতীয় অভিনেতা ও থিয়েটার শিল্পী।

১৯৩২ – সোরায়া এসফানদিয়ারি-বখতিয়ারি, একজন ইরানি অভিনেত্রী।

১৯৪০ – আব্বাস কিয়রোস্তামি, বিশ্ববিখ্যাত ইরানি চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, চিত্রগ্রাহক, আলোকচিত্রশিল্পী।

১৯৪৩ – ক্লাউস মারিয়া ব্রানডাউয়া, অস্ট্রীয় অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৪৪ – হেলমাট ডায়েটল, জার্মান চলচ্চিত্র পরিচালক এবং লেখক।

১৯৪৮ – পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত ভারতীয় সন্তুরবাদক পণ্ডিত ভজন সোপরি।

১৯৪৯ – মেরিল স্ট্রিপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৬০ – এরিন ব্রকোভিচ, মার্কিন আইনজ্ঞ।

১৯৬৪ – ড্যান ব্রাউন একজন মার্কিন রোমাঞ্চকর উপন্যাস লেখক।

১৯৭৪ – বিজয় (অভিনেতা) আসল নাম জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, একজন ভারতীয় তামিল ছবির নায়ক।

১৯৮৪ – জেরোমি টেলর, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – নিকিতা রাকাভেৎসা, অস্ট্রেলীয় পেশাদার ফুটবলার।

১৮৩৭ – পল মর্ফি, মার্কিন দাবাড়ু।

১৮৫৫ – স্যামুয়েল মরিস, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৮৫৬ – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড, বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৮৮৯ – কবি শেখর কালিদাস রায়, রবীন্দ্রযুগের বিশিষ্ট রবীন্দ্রানুসারী কবি, প্রাবন্ধিক ও পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা।

১৮৯৮ – এরিখ মারিয়া রেমার্ক, জার্মান সাহিত্যিক ও স্বনামধন্য লেখক।

১৮৯৮ – এরিখ মারিয়া রেমার্ক, জার্মান লেখক।

১৭৬৭ – ভিলহেল্ম ফন হুম্বোল্ট, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – ইরানে ভূমিকম্পে ৫ শতাধিক লোক নিহত।

১৯০৪ – আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশনের (ফিফা) জন্ম।

১৯১১ – পঞ্চম জর্জ ব্রিটেনের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৯১৫ – নেপোলিয়ন দ্বিতীয়বার সিংহাসনচ্যুত হন।

১৯২১ – ৫২টি দেশের ৬০৫ জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে মস্কোয় তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৩৯ – সুভাষচন্দ্র বসু মুম্বাইয়ের সর্বভারতীয় অধিবেশনে সারা ভারত ফরওয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৪১ – হিটলার অপারেশন বারবারোসা নামে পরিচিত সোভিয়েত রাশিয়া অভিযান শুরু করেছিলেন।

১৯৭২ – আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থায় (আইএলও) বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ।

১৯৮১ – ইরানি প্রেসিডেন্ট বনী সদর ক্ষমতাচ্যুত।

১৯৮৬ – বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিখ্যাত হ্যান্ড অফ গড গোলটি করেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার দিয়েগো মারাদোনা। ম্যাচটিতে আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জয়লাভ করে।

১৯৮৯ – পনেরো বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এ্যাংগোলার বিবাদমান পক্ষগুলো যুদ্ধ বিরতি মেনে নিতে রাজি হয়।

১৮১৪ – লন্ডনে লর্ডের ক্রিকেট মাঠে প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

১৭৬৭ – ভিলহেল্ম ফন হুম্বোল্ট, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী ছিলেন।

১৭৭২ – ব্রিটেন থেকে ক্রীতদাস প্রথা তুলে নেওয়া হয়।

১৬৩৩ – পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরছে- এই অভিমতের জন্য গ্যালিলিও গ্যালিলির বিচার শুরু হয়।

১৫১৯ – ব্রিটেনে দাসপ্রথা বাতিল।

১৫৫৫ – হুমায়ুন সিন্ধু নদী পার হয়ে লাহোর দখল করে নেন এবং সিকান্দর সুরিকে দিল্লীর সিংহাসন থেকে উৎখাত করেন।

১৫৫৫ – সিরহিন্দ যুদ্ধে জয়লাভের পর হুমায়ুনকে সম্রাট আকবরের উত্তরাধিকার ঘোষণা।

১৩৭৭ – দ্বিতীয় রিচার্ডের ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৮ – জর্জ কার্লিন, আমেরিকান স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা, লেখক এবং সামাজিক সমালোচক ছিলেন।

২০২০ – অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশিষ্ট বাঙালি জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৩৬ – মরিস শ্লিক, জার্মান দার্শনিক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং যৌক্তিক ইতিবাদের উদ্গাতা।

১৯৪০ – মন্টি নোবেল, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

১৯৫৯ – তুলসী লাহিড়ী, নাট্যকার, অভিনেতা, সুরকার, বাংলা ছায়াছবির জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৫ – ডেভিড ও. সেলৎসনিক, মার্কিন প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার এবং চলচ্চিত্র স্টুডিও নির্বাহী।

১৯৬৯ – জুডি গারল্যান্ড, মার্কিন গায়িকা ও অভিনেত্রী ছিলেন।

১৯৭৬ – গোপীনাথ কবিরাজ, ভারতীয় বাঙালি সংস্কৃত-তন্ত্র পণ্ডিত ও দার্শনিক ছিলেন।

১৯৮৭ – ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার, আমেরিকান অভিনেতা এবং নৃত্যশিল্পী।

১৯৯০ – ইলিয়া ফ্রাংক, সোভিয়েত পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৯৩ – প্যাট নিক্সন, আমেরিকান শিক্ষাবিদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি জেরাল্ড ফোর্ডের সহধর্মণী।

১৪২৯ – জামশিদ গিয়াসউদ্দিন আল কাশি, মধ্যযুগের একজন প্রতিভাধর মুসলমান জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১০৩৭ – ইবনে সিনা, মধ্যপ্রাচ্যের কিংবদন্তীতুল্য দার্শনিক, চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ জুন, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২১ জুন। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক) বিশ্ব জললেখবিজ্ঞান দিবস (হাইড্রোগ্রাফি দিবস)।

(খ) আন্তর্জাতিক যোগ দিবস

(গ) বিশ্ব সংগীত দিবস

(ঘ) উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – জঁ-পল সার্ত্র্‌, ফরাসি অসিত্ত্ববাদী দার্শনিক, নাট্যকার, সাহিত্যিক এবং সমালোচক।

১৯২১ – জুডি হলিডে, মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯২৫ – মরিন স্ট্যাপলটন, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৩৭ – জন এডরিচ, সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৪০ – বিকাশ ভট্টাচার্য, প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রশিল্পী ।

১৯৪৩ – রাহিজা খানম ঝুনু, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যশিক্ষক।

১৯৪৪ – টনি স্কট, একজন ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৪৫ – নির্মলেন্দু গুণ, বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষার গুরুত্বপূর্ণ কবিদের একজন।

১৯৪৭ – শিরিন এবাদি, ইরানের একজন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী।

১৯৪৮ – ইয়ান ম্যাকইউয়ান, খ্যাতিমান ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

১৯৫২ – জেরেমি কোনি, সাবেক ও বিখ্যাত নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।

১৯৫৩ – বেনজীর ভুট্টো, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫৫ – মিশেল প্লাতিনি, ফরাসি ফুটবলার এবং পরিচালক।

১৯৬১ – জোকো উইদোদো, ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি।

১৯৬৫ – ওয়াচৌস্কি ভ্রাতৃদ্বয়, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৬৭ – ইংলাক সিনাওয়াত্রা, থাইল্যান্ডের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

১৯৭৯ – ক্রিস প্রাট, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮২ – প্রিন্স উইলিয়াম, ডিউক অব কেমব্রিজ।

১৯৮৩ – এডওয়ার্ড স্নোডেন, আমেরিকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র সাবেক সদস্য।

১৮৩৯ – মাচাদো দে অ্যাসিস, ব্রাজিলের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, কবি, নাট্যকার ও ছোট গল্পকার ছিলেন।

১৮৫৬ – ফ্রিড্‌রিশ ক্লুগে, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

১৮৮২ – লুইস কোম্পানিস, কাতালোনিয়ার ১২৩তম রাষ্ট্রপতি ।

১৭৮১ – সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ, ফরাসি গণিতবিদ, জ্যামিতিবিদ, এবং পদার্থবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগ। স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।

২০০৪ – মহাশুন্যে প্রথম বেসরকারি মহাকাশযান স্পেসশীপ ওয়ান সফলভাবে উড্ডয়ন করে।

২০২০ – বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত।

১৯১৬ – তুরস্কের বিরুদ্ধে আরবদের বিদ্রোহ।

১৯৩৫ – প্যারিতে বিশ্বের নেতৃস্থানীয় শিল্পী সাহিত্যিকদের উপস্থিতিতে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্যাসিবিরোধী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৮ – স্বাধীন ভারতের প্রথম ও শেষ গর্ভনর জেনারেল হন চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী

১৯৭০ – ব্রাজিলের তৃতীয়বার ‘জুলে রিমে’ কাপ বিজয় ও সে কাপের স্থায়ী অধিকার লাভ।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জাম্বিয়া।

১৯৭৬ – ফ্রান্সের রেডিও স্টেশনের আমেরিকান মিউজিশিয়ান জোয়েল কোহেন প্রথম বিশ্ব সঙ্গীত দিবসের প্রস্তাব করেন।

১৯৮১ – ইসলামী ইরানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ইমাম খোমেনী (রঃ) ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবুল হাসান বনিসদরের প্রতি সংসদের অনাস্থা ও প্রেসিডেন্ট পদে তাকে অযোগ্য ঘোষণার রায় অনুমোদন করেন।

১৯৮৫ – সালের এই দিন থেকে ইউরোপ এবং পরে সারা বিশ্বে বিশ্ব সঙ্গীত দিবস হিসেবে পালন করা শুরু হয়।

১৯৯০ – ইরানে ভূমিকম্পে ৪০ হাজার লোক নিহত।

১৯৯৪ – পশ্চিমি দুনিয়ার শর্ত মেনে নিয়ে রাশিয়া ন্যাটোতে যোগ দেয়।

১৮৬২ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্র মোহন ঠাকুর ইংল্যান্ডের লিংকন ইন থেকে ব্যারিস্টারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।

১৮৯৮ – যুক্তরাষ্ট্র স্পেনের হাত থেকে গোয়াম দখল করে নেয়।

১৭৮৮ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান কার্যকর করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – লিওনেল ব্রিজোলা, ব্রাজিলিয়ান রাজনীতিবিদ।

২০১২ – সুনীল জানা, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি ফটো সাংবাদিক।

১৯১৪ – বের্টা ফন জুটনার, অস্ট্রীয় ঔপন্যাসিক এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম নারী কবি।

১৯৩৯ – বাংলা মঞ্চ ও চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী, গায়িকা কঙ্কাবতী দেবী।

১৯৫৪ – গিডিয়ন সানবেক, সুয়েডীয়-আমেরিকান তড়িৎ প্রকৌশলী।

১৯৫৭ – ইয়োহানেস ষ্টার্ক, বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৭০ – সুকর্ণ, ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি।

১৯৯১ – রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশি কবি, গীতিকার ।

১৯৯৭ – শিনতারো কাতসু, জাপানি অভিনেতা, গায়ক, প্রযোজক ও পরিচালক।

১৮৫২ – ফেড্রিক ফ্রোবেল, জার্মান ধর্মযাজক ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলের সূচনা কারী।

৮৭০ – আল-মুহতাদি, ছিলেন ১৪শ আব্বাসীয় খলিফা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This