Categories
বিবিধ

বাদ পড়া ভোটারদের সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না করার দাবি, গোয়ালপোখরে সরব ভিক্টর।

উত্তর দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর ব্লক চত্বর উত্তাল! নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নামল আজাদ হিন্দ মঞ্চ।

চাকুলিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক আলি ইমরান রামজ ওরফে ভিক্টরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন হয়। মূলত SIR প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানুষদের নিয়ে সরব হন আন্দোলনকারীরা।

ভিক্টরের দাবি, গোয়ালপোখর বিধানসভা এলাকাতেই প্রায় ৩২ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। পাশাপাশি উত্তর দিনাজপুরে প্রায় ৪ লক্ষ ৮০ হাজার এবং রাজ্যে প্রায় ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়ার দাবি করেন তিনি।

এদিন গোয়ালপোখরের বিধায়ক গোলাম রব্বানীকেও কটাক্ষ করেন ভিক্টর। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর এই পরিস্থিতিতে তিনি কোথায়?

শুধু তাই নয়, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানুষদের সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করা নিয়েও সরব হন তিনি।

ভিক্টরের দাবি, অনেকের বিষয়টি এখনও আদালত বা ট্রাইবুনালে বিচারাধীন। তাই বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়।

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বাদ পড়া ভোটারদের দ্রুত সমাধানের দাবিতে গোয়ালপোখরে এই আন্দোলন ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।

Share This
Categories
বিবিধ

অতিরিক্ত উচ্চতার পণ্যবাহী গাড়ির দাপট, বারবার দুর্ঘটনার আশঙ্কা বুলবুলচন্ডী আন্ডারপাসে

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:-মালদা-নালাগোলা রাজ্য সড়কের বুলবুলচন্ডী রেলস্টেশনের আন্ডারপাস যেন দিন দিন মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে। অভিযোগ, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই যানবাহন চলাচল করায় বারবার সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে রেলব্রিজের নিচের আন্ডারপাসে। কখনও লোহার ব্যারিকেডে গাড়ি ধাক্কা লেগে তা ভেঙে যাচ্ছে, আবার কখনও ব্যারিকেড বা কাঠামো ভেঙে পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
বুধবার বিকেলেও ফের ঘটল একই ধরনের ঘটনা। জানা গেছে, মালদা থেকে পাকুয়াহাটের দিকে যাচ্ছিল একটি মালবোঝাই ১৪ চাকার লরি। বুলবুলচন্ডী রেলস্টেশনের আন্ডারপাসের কাছে পৌঁছতেই লরিটির আন্ডারপাসের লোহার ব্যারিকেড আটকে গিয়ে ভেঙে পড়ে।
সেই সময় পাশ দিয়ে বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। আচমকাই লোহার ব্যারিকেড ভেঙে পড়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে মালদা নালাগোলা রাজ্য সড়কে এি ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্ডারপাসটির উচ্চতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমস্যা রয়েছে। অতিরিক্ত উচ্চতার পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের সময় বারবার দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে।

Share This
Categories
বিবিধ

ফাঁকা রাস্তায় বাইক আটকিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুর ও রতুয়ার দুই যুবক ধৃত।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– ছিনতাই কান্ডে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার হল পৃথক দুই থানা এলাকার দুই ছিনতাইকারী যুবক। বুধবার ধৃতদের সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন চেয়ে চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করল চাঁচল থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত পারভেজ আলম হরিশ্চন্দ্রপুর থানার দেগুন ও রফিকুল ইসলাম রতুয়া থানার পারাকরম এলাকার বাসিন্দা। ছিনতাইয়ের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, চাঁচল ২ ব্লকের গৌরহন্ডের বাসিন্দা হায়দার আলির রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের একটি সিএসপি শাখা রয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বেজপুরা গ্রামে। তার ভাই মামুন রেজা ওই শাখার সাব কো-অপারেটর হিসেব কাজ করেন। সোমবার সন্ধ্যায় শাখা বন্ধ করে বাইকে চেপে গৌরহন্ডে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয় মামুন। গৌরহন্ড সংলগ্ন কৃষ্ণনগর বটগাছ এলাকায় ফাঁকা রাস্তায় তার বাইক আটকায় তিন দুষ্কৃতী। নম্বর প্লেটহীন একই বাইকে তিন দুষ্কৃতী আসে। মামুনকে আটকে মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে টাকার ব্যাগ নিয়ে চম্পট দুষ্কৃতীরা চম্পট দেয় বলে অভিযোগ। তার চিৎকারে গ্রামবাসীরা ছুটে আসলে দুষ্কৃতীরা বাইক ছেড়ে ধান ক্ষেত দিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি একজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। অভিযোগ, নগদ এক লক্ষ আটানব্বই হাজার টাকা, একটি ল্যাপটপ, দুটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস ও একটি জিআরএস ডিভাইস ছিনতাই করে করে দুষ্কৃতীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

পা ভাঙার পরও ছাড়েনি ফুটবল, জাতীয় ফাইনালে গোল করে বাংলার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার নায়িকা সুদীপ্তা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- এক বছর আগে ফুটবল খেলতে গিয়ে ভেঙেছিল পা। দীর্ঘদিন থাকতে হয়েছিল মাঠের বাইরে। অনেকের কাছে হয়তো সেখানেই থেমে যেত স্বপ্ন। কিন্তু হরিশ্চন্দ্রপুরের তেঁতুলবাড়ির মেয়ে সুদীপ্তা মণ্ডল থামেনি। চোট সারিয়ে ফের মাঠে ফিরে অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পেনাল্টিতে গোল করে বাংলাকে চ্যাম্পিয়ন করেছে সে।
শুক্রবার অন্ধ্রপ্রদেশের অনন্তপুরে ডক্টর তালিমেরেন আউ জুনিয়র গার্লস’ ন্যাশনাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মণিপুরকে পেনাল্টিতে ৩–২ গোলে হারায় পশ্চিমবঙ্গ। পেনাল্টিতে গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় সুদীপ্তা। দীর্ঘ ১৪ বছর পর জাতীয় শিরোপা জেতে বাংলা।
বুধবার বাড়ি ফিরতেই সুদীপ্তাকে ফুলের তোড়া ও মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দেন হরিশ্চন্দ্রপুর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমিনুল হক-সহ এলাকার মানুষ। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ফুটবল। সুদীপ্তার সাফল্যে এলাকার কিশোরীদের মধ্যেও নতুন করে ফুটবল খেলার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রায়গঞ্জ হাতিয়া হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়া সুদীপ্তার ফুটবলে হাতেখড়ি সাত বছর বয়সে। বাবা সুবীর মণ্ডলই তাঁর প্রথম কোচ। মা দেবশ্রী দাস গৃহবধূ। পা ভেঙে যাওয়ার পরও অনুশীলন ছাড়েনি সুদীপ্তা। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরে আবার নিজের জায়গা তৈরি করেছে।সুদীপ্তার প্রিয় ফুটবলার ব্রাজিলের তারকা নেইমার। তাঁর খেলা দেখতে ভালোবাসে সে। তবে নিজের স্বপ্নও স্পষ্ট—একদিন ভারতের জার্সি গায়ে দেশের হয়ে ফুটবল খেলা।
বাবা সুবীর মণ্ডল বলেন, ‘‘পা ভেঙে যাওয়ার পরও মেয়ে ফুটবল ছাড়েনি। অনেক কষ্ট করে আবার মাঠে ফিরেছে। ওর সাফল্যে আমরা খুব গর্বিত।’’ আমিনুল হক বলেন, ‘‘সুদীপ্তার লড়াই অন্য মেয়েদেরও সাহস দেবে। ওকে দেখে আরও মেয়েরা ফুটবলে আসবে—এটাই আমাদের আশা।’’ চোট তাকে থামাতে পারেনি। বরং সেই চোট পেরিয়েই নতুন স্বপ্নের পথে এগিয়ে গেল সুদীপ্তা।

Share This
Categories
বিবিধ

গত বছরের রেকর্ড ছাপানোর সম্ভাবনা, পরিযায়ী পাখির আনাগোনায় জমজমাট আদিনা।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- বর্ষা বিদায় নিতেই সবুজে সেজে উঠেছে চারপাশ। আর সেই সবুজের মাঝেই পাখিদের কলরবে মুখরিত হয়ে উঠেছে মালদা জেলার গাজোলের আদিনা ডিয়ার ফরেস্ট। পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনায় বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে আদিনা ডিয়ার ফরেস্ট ।

শীতের মরশুম শুরুর আগেই দক্ষিণ ভারত সহ বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পরিযায়ী পাখিদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে আদিনায়। গাছে গাছে এখন শুধুই পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ।

ইতিমধ্যেই বনদপ্তরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে পরিযায়ী পাখি গণনার কাজ। বনদপ্তরের অভিজ্ঞ কর্মী ও আধিকারিকদের একটি বিশেষ দল বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পাখিদের সংখ্যা নথিভুক্ত করার কাজ চালাচ্ছেন। দূরবীন ও ক্যামেরা হাতে জঙ্গলের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে এই গণনা।

বনদপ্তর সূত্রে আশা করা হচ্ছে, গত বছরের তুলনায় এবছর আদিনা ডিয়ার ফরেস্টে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বনদপ্তরের এক আধিকারিক জানান, রায়গঞ্জের কুলিক ফরেস্টের পর মালদার আদিনা ডিয়ার ফরেস্ট পরিযায়ী পাখির বিচরণে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। অনুকূল পরিবেশের কারণে এবার বেশি সংখ্যক পাখি এসেছে।

তবে ঠিক কত সংখ্যক পরিযায়ী পাখি এবছর আদিনায় এসেছে, তা জানতে এখনও গণনার কাজ চলছে। পাখির সংখ্যা নির্ধারণে বনদপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই পরিযায়ী পাখিরা ফের তাদের নিজস্ব আবাসস্থলের উদ্দেশে পাড়ি দেবে। তার আগেই আদিনায় কত পাখি এসে ভিড় জমিয়েছে, সেই চূড়ান্ত হিসাব তুলে ধরতেই চলছে এই বিশেষ গণনা।

শীতের ছুটিতে আদিনার এই পাখির মেলা দেখতে ইতিমধ্যেই ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটক ও পাখিপ্রেমীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

স্বচ্ছতা বজায় রাখার শপথ, মালদা টাউন স্টেশন চত্বরে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:-‘স্বচ্ছতা হি সেবা’ অভিযান ২০২৬ উপলক্ষে মালদা টাউন রেলওয়ে স্টেশনে আয়োজিত হল স্বচ্ছতা শপথ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজবাজারের বিধায়ক অম্লান ভাদুরি এবং মালদা কেন্দ্রের বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা। তাঁদের উপস্থিতিতে স্বচ্ছতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার শপথ গ্রহণ করা হয়।পাশাপাশি স্টেশন চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযানেও অংশ নেন উপস্থিত ব্যক্তিরা। কর্মসূচি থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়।
বক্তারা জানান, পরিচ্ছন্নতা শুধুমাত্র কোনও নির্দিষ্ট কর্মসূচির বিষয় নয়, এটি প্রত্যেক নাগরিকের সামাজিক দায়িত্ব ও কর্তব্য। নিজেদের চারপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি স্বচ্ছ, সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।স্বচ্ছ ভারত, সুন্দর ভারত,এই বার্তাকে সামনে রেখেই পালিত হয় এদিনের কর্মসূচি।

Share This
Categories
বিবিধ

গ্রামবাসীর দানেই দুই লক্ষ টাকার পুজো, প্রথমবার দুর্গামণ্ডপ তৈরি হচ্ছে ডাহুয়ায়।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— দুর্গাপুজো এলেই এতদিন তিন কিলোমিটার পথ পেরিয়ে অন্য গ্রামে যেতে হত ডাহুয়ার বাসিন্দাদের। কারও হাতে থাকত ছোট্ট সন্তান, কারও সঙ্গে বয়স্ক বাবা-মা। পুজোর আনন্দ ছিল, কিন্তু নিজের গ্রামে মণ্ডপে দাঁড়িয়ে ঢাকের বাদ্য শোনার সুযোগ ছিল না। এবার সেই আক্ষেপ মিটতে চলেছে। প্রথমবারের জন্য ডাহুয়া গ্রামেই বসতে চলেছে দুর্গাপুজোর আসর। মঙ্গলবার দুপুরে হরিশ্চন্দ্রপুর–২ ব্লকের দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাহুয়া গ্রামে ডাহুয়া সার্বজনীন দুর্গাপুজোর খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে শুরু হল পুজোর প্রস্তুতি। খুঁটি পুজো ঘিরে এদিন সকাল থেকেই গ্রামে ছিল উৎসবের আমেজ। পুজোকে ঘিরে গ্রামের ছোট থেকে বড়—সবার মধ্যেই দেখা যায় উচ্ছ্বাস। স্থানীয়দের কথায়, এতদিন দুর্গাপুজো মানেই ছিল গ্রামের বাইরে যাওয়া। প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের মণ্ডপে গিয়ে ঠাকুর দেখা ছিল তাঁদের ভরসা। এবার সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে নিজেদের গ্রামেই তৈরি হবে পুজোর মণ্ডপ। গ্রামবাসীদের দান করা অর্থেই হচ্ছে এই পুজো। উদ্যোক্তাদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম বছরের আয়োজনে খরচ হবে প্রায় দুই লক্ষ টাকা। তবে এখানেই থামতে চান না তাঁরা। আগামী দিনে আরও বড় করে, থিমের মাধ্যমে পুজো করার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রথমবার গ্রামে মায়ের আগমন ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। এখন ডাহুয়ার বাসিন্দাদের অপেক্ষা—কবে মণ্ডপে উঠবে প্রতিমা, বাজবে ঢাক আর নিজেদের গ্রামেই শুরু হবে পুজোর উৎসব।

Share This
Categories
বিবিধ

মন্দির থেকে রাস্তাঘাট, গাজোলে স্বচ্ছতা অভিযানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের উপভোক্তারা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসেবা ও সমর্পণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে মালদার গাজোলে বিজেপির মন্ডল-২ কমিটির সহযোগিতায় আয়োজিত হল বিশেষ ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’।
এদিন গাজোলের বাবুপুর অঞ্চলের রাজনগর ও মাধইল বুথের বিভিন্ন এলাকায় এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তা মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। তাঁদের উদ্যোগে এলাকার বিভিন্ন মন্দির, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাঘাট এবং জনবসতি এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।
শুধু পরিচ্ছন্নতার বার্তা নয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছতার সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। হাতে ঝাঁটা নিয়ে মহিলাদের এই কাজে অংশ নিতে দেখে উৎসাহিত করেন বিজেপি গাজোল মন্ডল-২-এর সভাপতি অজয় বালা। অভিযানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের উপভোক্তা মহিলাদের পাশাপাশি স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাও অংশ নেন।
বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সেবা ও সমর্পণ’-এর আদর্শকে সামনে রেখেই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে এই ধরনের সমাজসেবামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।

Share This
Categories
বিবিধ

দশ হাতের বদলে চার হাত, প্রাচীন ঐতিহ্যের দুর্গাপুজো ঘিরে মুচিয়া মহাদেবপুরে প্রস্তুতি।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– দশভুজা নন, স্বপ্নাদেশে প্রায় সাড়ে তিনশো বছর ধরে পুজিত চতুর্ভূজা মা দুর্গা,,, সাধারণত মা দুর্গার দশ হাতের প্রতিমাই দেখতে অভ্যস্ত মানুষ। তবে পুরাতন মালদার মুচিয়া মহাদেবপুর গ্রামে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী দুর্গাপুজো। তারই প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে । জানাযায় চক্রবর্তী পরিবারের এক পূর্বপুরুষ স্বপ্নাদেশ মেনে প্রায় সাড়ে তিনশো বছর ধরে সেখানে পুজিত হয়ে আসছেন চতুর্ভূজা মা দুর্গা। প্রাচীন এই পুজোকে ঘিরে আজও চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের মধ্যেও রয়েছে বিশেষ আগ্রহ। জানা যায়, চক্রবর্তী পরিবারের এক পূর্বপুরুষ স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পর এই পুজোর সূচনা করেন। সেই সময় থেকেই বংশপরম্পরায় চলে আসছে চার হাতের মা দুর্গার আরাধনা। বছরের পর বছর ধরে প্রাচীন রীতিনীতি মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো করে আসছেন পরিবারের সদস্যরা। সময়ের সঙ্গে বদলেছে অনেক কিছু। বদলেছে পুজোর আয়োজনও। কিন্তু বদলায়নি দেবীর রূপ কিংবা পুজোর ঐতিহ্য। চার হাতের এই দুর্গাপ্রতিমাকে ঘিরে পুজোর কয়েকদিন চক্রবর্তী বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের পাশাপাশি ভিড় জমান স্থানীয় বাসিন্দারাও। প্রচলিত দুর্গাপুজোর চেনা রূপের বাইরে এই চার হাতের মা দুর্গার পুজো তাই মুচিয়া মহাদেবপুরের অন্যতম আকর্ষণ। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরের পুরনো এই পুজো আজও বহন করে চলেছে পরিবারের ঐতিহ্য, বিশ্বাস ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার ।

Share This
Categories
বিবিধ

বন্যার জল নামলেও কাটেনি দুর্ভোগ, দক্ষিণ চণ্ডীপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে ভাসমান সেতু নির্মাণ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:–গঙ্গার জলে প্লাবিত হয়েছিল ভূতনি থানা এলাকা। বাড়ি স্কুল রাস্তাঘাট সবকিছুই জলের তলায় চলে গেছিল। প্লবিতো এলাকা থেকে জল নামাতে প্রশাসনের তরফে অন্য প্রান্তে বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছিল। যাতে করে দ্রুত জল বেরিয়ে যেতে পারে ভূতনি থেকে। মানুষকে বাঁচাতে প্রশাসনের পদক্ষেপ তারপর দক্ষিণ চন্ডিপুর এর কাটা বাঁধের অংশে প্রায় ১০০ মিটার এখন নিশ্চিহ। প্লাবিত এলাকা থেকে জল নেমেছে কিন্তু বাঁধ কেটে দেওয়ার ফলে দক্ষিন চন্ডিপুরের এই কাটা বাঁধের অংশে মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা। মানুষের এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে প্রশাসন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। জেলা প্রশাসনের নির্দেশ মতো ভাসমান তৈরি করা হচ্ছে। লোহার কাঠামোর মধ্যে ড্রাম দিয়ে এই কাটা বাঁধের অংশে ফুট ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। যানবাহন না গেলেও পায়ে হেঁটে বা সাইকেল নিয়ে মানুষ পারাপার করতে পারবে। কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমবে বলছে সাধারণ মানুষ। তবে বর্তমান সরকারের প্রতি আস্থা রয়েছে তাই ভাঙ্গনের স্থায়ী সমাধান এবং এই কাটা বাঁধের অংশে লগ গেট তৈরি হবে বলছে সাধারণ মানুষ।

Share This