Categories
বিবিধ

পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়ায় ক্যানেল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ক্যানেলের জল থেকে এক মাঝ বয়সী ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড় থানার কেশিয়া এলাকায়, জানা গিয়েছে গতকাল রাত সোমবার রাতে স্থানীয় মানুষজন জলে ভাসতে দেখতে পায় এক মৃতদেহ, তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় গোয়ালতোড় থানার পুলিশকে, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গোয়ালতোড় থানার পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে, তবে ওই মৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি, গোটা ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ওই মৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় জানার চেষ্টা করছি গোয়ালতোড় থানার পুলিশ। অন্যদিকে এই ঘটনা কি ঘিরি রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকা জুড়ে।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাটে তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠনের বৈঠক, নিস্ক্রিয় নেতাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা জেলা সভাপতির।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
রাজ্যজুড়ে এসআইআর (Special Summary Revision) প্রক্রিয়া শুরু হতেই সরব তৃণমূলের কৃষক সংগঠন। ভোটার তালিকা থেকে গরিব কৃষকদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় এবার জরুরি বৈঠকে বসল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠন। মঙ্গলবার বিকেলে বালুরঘাট শহরের একটি বেসরকারি লজে আয়োজিত বৈঠক থেকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন জেলা সভাপতি সাহেনশা মোল্লা — “একটি কৃষকের নামও যেন বাদ না যায়।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষক নেতারা। সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, “এসআইআরকে সামনে রেখে বিজেপি চক্রান্ত করে গরিব কৃষকদের ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে ফেলার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেব না।”

সাহেনশা মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সীমান্ত এলাকার কোনও কৃষকের নাম বাদ দেওয়া হয়, তবে জেলাজুড়ে আগুন জ্বলবে।” পাশাপাশি তিনি ব্লক থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সমস্ত কৃষক নেতাদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি আরও জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কোনও নেতৃত্ব যদি সাংগঠনিক দায়িত্বে নিস্ক্রিয়তা দেখান, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠনের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই কিছু নেতাকে নিষ্ক্রিয় দেখা যাচ্ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই এই জরুরি বৈঠকের ডাক দেন জেলা সভাপতি। এদিন তপন ব্লকের একজন সভাপতি বাদে প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সাহেনশা মোল্লা পরিষ্কার জানান, “এসআইআর প্রক্রিয়া শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধন নয়, এটা কৃষক শ্রেণির অস্তিত্বের লড়াই। তাই সকলকে একজোট হয়ে মাঠে নামতে হবে।”

Share This
Categories
বিবিধ

খড়গপুরে দিলীপ ঘোষের সোজাসাপ্টা বার্তা— “এসআইআর–এ গোলমাল করলে জেলে যাবে অফিসাররাও”।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ হঠাৎ মঙ্গলবার থেকেই লাগু হচ্ছে এস আই আর!,
এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে চা চক্রবর্তী বসে একাধিক প্রসঙ্গ নিয়ে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ,এইদিন তিনি বলেন এস আই আর লাগু হবে এই নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না। যারা এখানে এতদিন এস আই আর করতে দেব না বলে বড় বড় ডায়লগ দিচ্ছিল মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। অন্যদিকে এস আই আর লাগু হতেই একদিকে বিজেপির লাড্ডুবিলি অন্যদিকে তৃণমূলের হুমকি! প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন,
এস আই আর নিয়ে বিরাট কোন উৎসাহ বা বিরোধিতা করা উচিত নয়। তৃণমূল দেশবিরোধী পার্টি। তৃণমূল আগে জিএসসির বিরোধিতা করেছে এখন জিএসটির লাভ নিচ্ছে। কাশ্মীরে নিয়ে চেঁচামেচি করে কিছু করতে পারেনি, তিন তালাক গেছে। বিরোধিতা করেও এরা লাইনে এসেছে। লাইনে আসবে নয় বাইরে যাবে।
পাশাপাশি এস আই আর এর আবহে বড়োসড়ো বদলি আমলাদের!, সেই প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন,
প্রতি সমাজে আট মাসে একবার অফিসারদের চেঞ্জ করা হয়। অফিসাররাও কোন কাজ করে না। বিহারে যারা এস আই আরে গন্ডগোল করেছে তারা জেলে গেছে, পশ্চিমবঙ্গে যদি কেউ গন্ডগোল করে সে ডিএম হোক বা BLO হোক নেতাদের কথায় গন্ডগোল করলে জেলে যাবে। চাকরি যাবে।
অন্যদিকে এস আই আর নিয়ে তৃণমূলের মিথ্যাচার ফাঁস! প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন একদিকে তৃণমূল এস আই আর এর বিরোধিতা করছে! অন্যদিকে নিজেরাই পাঁচ হাজার, সাড়ে পাঁচ হাজার বি এল এ টু-এর নাম পাঠিয়ে দিয়েছে। মানুষকে বোকা বানাচ্ছে তৃণমূল। অবৈধ ভোটারদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে তবে তা সম্ভব হবে না। বালি মাফিয়া দের বিরুদ্ধে কথা বলায় খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ আরামবাগের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির,বালির বিরুদ্ধে কয়লার বিরুদ্ধে কথা বললে খুন হয়ে যাওয়া সম্ভাবনাই রয়েছে। সরকারের উচিত তাকে সুরক্ষা দেওয়া।
পাশাপাশি খড়গপুরে মাত্র ৩৫ শতাংশ ম্যাপিং করা গিয়েছে!সেই বিষয় নিয়ে তিনি বলেন
খড়্গপুরের মত কিছু শহর আছে যেখানে বিভিন্ন মানুষের বসবাস। অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে খড়গপুর শহরে এসআইআর করা উচিত। এখানে অনেক সময় বিদেশীরা ঢুকে থাকে। আইআইটি থেকে শুরু করে রেল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা আছে খড়্গপুরে। তাই এখানে বাড়তি নজর দেওয়া উচিত। খড়গপুর শহরে যে কয়েকটি জায়গাতে ছট পূজা সাধারণ মানুষ যান সেই সমস্ত জায়গাতেও ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। ।

Share This
Categories
বিবিধ

বড়দের কাশির সিরাপ খাইয়ে গুরুতর অসুস্থ সাত মাসের শিশু, চাঞ্চল্য মালদায়

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ — শহরের এক নামিদামি দোকান থেকে ভুল করে বড়দের কাশির সিরাপ সাত মাসের শিশুকে দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের, আর তা খাইয়েই গুরুতর অসুস্থ শিশু, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি বেসরকারি নার্সিংহোমে। ডাক্তার রাম প্রকাশ সাহার কাছে ডাক্তার দেখানোর পর মালদা শহরের গাজোল ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত ব্লুক্রস নামকরা দোকান থেকে গত ২৫শে অক্টোবর ওষুধ কিনে তা খাওয়ানোর পর শিশুর শারীরিক অবস্থা আস্তে আস্তে অবনতি শুরু হয় বলে পরিবারের অভিযোগ, তারপর দুদিন ধরে সেই ওষুধ খাওয়ানোর পর সোমবার সকালে শিশুর অবস্থা গুরুতর অবনতি হলে অসুস্থ শিশুকে শহরের এক নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় সোমবার রাত্রে অসুস্থ শিশুর আত্মীয় সজনরা আতঙ্কিত হয়ে ওই ওষুধের দোকানে সামনে সাময়িক উত্তেজিত হয়ে পড়ে, ঘটনায় দোকানে ভিড় জমান আশপাশের লোকজন। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার শহরের আনধারু পাড়ার বাসিন্দা চম্পক ঘোষের সাত মাসের শিশু কাশি সহ শারীরিক অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসক রাম প্রকাশ সাহার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটিকে দেখার পর তিনি বেশ কিছু ওষুধ লিখে দেন। ডাক্তারের লিখে দেওয়া প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী বাড়ির লোকজন ২৫শে অক্টোবর গাজোল ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছের দোকান থেকে ওষুধ কিনে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে খাওয়ান। কিন্তু সোমবার শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে আশঙ্কা জনক অবস্থায় তাকে শহরের এক নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক জানান, শিশুটিকে যে ওষুধ খাওয়ানো হয়েছে তা বড়দের। এরপরেই বাড়ির লোকজন দোকানে হাজির হয়ে বচসা শুরু করে দেন। আর এতেই তৈরি হয় উত্তেজনা। সাধারণ মানুষের অভিযোগ একটি নামি দোকান থেকে যেভাবে ভুল ওষুধ দেওয়া হয়েছে তাতে তারা আতঙ্কিত। এই ঘটনা প্রশাসনের গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
ঘটনার বিষয় নিয়ে ঔষুধের দোকানের ম্যানেজারের কাছে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা জানতে চাইলে তিনি দোকান থেকে ওষুধ ভুল দেওয়া হয়নি বলে আস্তে আস্তে বেরিয়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে দোকানদার এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি’— তৃণমূল শ্রমিক নেতার নামে থানায় অভিযোগ, উত্তাল মালদা মেডিকেল কলেজ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – তৃণমূল শ্রমিক নেতার দাদাগিরি। হাসপাতালে ঢুকে তান্ডব। অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মীদের মারধর। পাঁচ লক্ষ্য টাকা দাবি। টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি। তৃণমূল শ্রমিক নেতার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের থানায়। মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঘটনা। জানা যায় গতকাল গভীর রাতে ইংলিশ বাজার পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী তথা আই এন টি টি ইউসি র জেলা সহ সভাপতি জয়ন্ত বোস হাসপাতালে গ্রুপ ডি সুপারভাইজারের অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালাই। মারধর করা হয় ডিউটিতে থাকা সাহিম বিশ্বাস এবং বিশ্বজিৎ সিংহ কে। সেই সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। জানা যায় মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই মুহূর্তে দিল্লির একটি কোম্পানির অধীনে ১৩৫ জন গ্রুপ ডি রয়েছেন। যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ জন মহিলা। চলতি বছরের আগস্ট মাসে দায়িত্ব নেয় ওই কোম্পানি। আভিযোগ তৃণমূল শ্রমিক নেতা হাসপাতালে ঢুকে অস্থায়ী গ্রুপ ডি কর্মীদের মারধোর করে সেই কোম্পানির কাছে ৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। এদিকে আজ সকালে বিষয়টি জানা জানি হতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অন্যান্য কর্মীরা। নিজেদের নিরাপত্তার দাবি তুলে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান মহিলা এবং পুরুষ গ্রুপ ডি কর্মীরা। তারা জানান আর জি করের ঘটনা এখনো দগদগে এর মধ্যে এই ঘটনা। তারা ডিউটি করতে ভয় পাচ্ছেন। তাদের নিরাপত্তা কোথায় প্রশ্ন তুলে সোচ্চার হন।
তবে যদিও এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন ওই তৃণমূল শ্রমিক নেতা।

Share This
Categories
বিবিধ

চ্যাম্পিয়ন ট্রফিতে পুরস্কার ১.৩৫ লক্ষ, বালুরঘাট টাউন ক্লাবে ফুটবলের বড় মঞ্চ প্রস্তুত।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বালুরঘাট টাউন ক্লাবের ১২৫তম বর্ষ উপলক্ষে আগামী ২৯শে অক্টোবর থেকে বালুরঘাট টাউন ক্লাব মাঠে মিলিনিয়াম নক আউট চ্যাম্পিয়ান ট্রফি ও গজানন্দ জাজোরিয়া রানার্স কাপ নক আউট দিবা রাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে। আটটি ফুটবল টিম অংশগ্রহণ করবে। আজ বালুরঘাট টাউন ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন ক্লাবের সহ সভাপতি প্রণব কুমার দাস। তিনি আরো জানান প্রথম দুই টি ম্যাচ দিবা রাত্রিতে অনুষ্ঠিত হবে। দুটি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল রাত্রে অনুষ্ঠিত হবে। চ্যাম্পিয়ন ট্রফির পাশাপাশি পুরস্কার মূল্য থাকছে এক লক্ষ পয়ত্রিশ হাজার টাকা রার্নাস ট্রফির পাশাপাশি থাকছে পুরস্কার মূল্য এক লক্ষ টাকা।

Share This
Categories
বিবিধ

সূর্য আরাধনায় মুখর রূপনারায়ণ নদীর তীর, চারদিন ধরে চলবে ছট পুজো উৎসব।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- ছট পুজো উপলক্ষে আনন্দে মেতেছে হিন্দি বাসীরা, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা হিন্দি বাসীরা ছট পুজো উপলক্ষে পুজো অর্চনা করছে হিন্দি বাসীরা। জানা গিয়েছে চার দিন ধরে চলবে এই পুজো অর্চনা। ছট পুজো উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে যথেষ্ট ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটের রূপনারায়ন নদীর তীরে। সূর্য উদয় হওয়ার সময় পুজো অর্চনা এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় পুজো অর্চনা করার রীতি রয়েছে হিন্দি বাসীদের। তবে এই চার দিন ধরে হিন্দিবাসীদের ছট পুজোকে সামনে রেখে যাতে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য সর্বদাই নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন, পাশাপাশি নজরদারিতে ব্যস্ত এলাকার সমাজ সেবীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

“একটি কৃষকের নামও যেন বাদ না যায়” — এসআইআর ইস্যুতে বালুরঘাটে তৃণমূল কৃষক সংগঠনের জরুরি বৈঠক।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
রাজ্যজুড়ে এসআইআর (Special Summary Revision) প্রক্রিয়া শুরু হতেই সরব তৃণমূলের কৃষক সংগঠন। ভোটার তালিকা থেকে গরিব কৃষকদের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় এবার জরুরি বৈঠকে বসল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠন। মঙ্গলবার বিকেলে বালুরঘাট শহরের একটি বেসরকারি লজে আয়োজিত বৈঠক থেকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন জেলা সভাপতি সাহেনশা মোল্লা — “একটি কৃষকের নামও যেন বাদ না যায়।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন ব্লকের কৃষক নেতারা। সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছেন জেলা সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, “এসআইআরকে সামনে রেখে বিজেপি চক্রান্ত করে গরিব কৃষকদের ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে ফেলার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেব না।”

সাহেনশা মোল্লা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সীমান্ত এলাকার কোনও কৃষকের নাম বাদ দেওয়া হয়, তবে জেলাজুড়ে আগুন জ্বলবে।” পাশাপাশি তিনি ব্লক থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সমস্ত কৃষক নেতাদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি আরও জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে। কোনও নেতৃত্ব যদি সাংগঠনিক দায়িত্বে নিস্ক্রিয়তা দেখান, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, জেলা তৃণমূল কিষান খেত মজদুর সংগঠনের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই কিছু নেতাকে নিষ্ক্রিয় দেখা যাচ্ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই এই জরুরি বৈঠকের ডাক দেন জেলা সভাপতি। এদিন তপন ব্লকের একজন সভাপতি বাদে প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে সাহেনশা মোল্লা পরিষ্কার জানান, “এসআইআর প্রক্রিয়া শুধুমাত্র ভোটার তালিকা সংশোধন নয়, এটা কৃষক শ্রেণির অস্তিত্বের লড়াই। তাই সকলকে একজোট হয়ে মাঠে নামতে হবে।”

Share This
Categories
বিবিধ

বড়দের কাশির সিরাপ খাইয়ে গুরুতর অসুস্থ সাত মাসের শিশু, চাঞ্চল্য মালদায়।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:
মালদা শহরের এক নামিদামি ওষুধের দোকান থেকে ভুল করে বড়দের কাশির সিরাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ওষুধ খাওয়ানোর পর গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে সাত মাসের এক শিশু। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটি বর্তমানে মালদার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি রয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, ইংরেজবাজারের আনধারুপাড়ার বাসিন্দা চম্পক ঘোষের সাত মাসের শিশুর কাশি-জ্বর হলে তাকে চিকিৎসক রাম প্রকাশ সাহার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক কিছু ওষুধ লিখে দেন। পরিবারের লোকজন গত ২৫ অক্টোবর গাজোল ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকার ‘ব্লুক্রস’ নামক একটি নামিদামি দোকান থেকে প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ কেনেন। কিন্তু ওষুধ খাওয়ানোর দুদিন পর থেকেই শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

সোমবার সকালে শিশুটি হঠাৎই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবার তাকে তড়িঘড়ি শহরের এক নার্সিংহোমে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা জানান, শিশুটিকে ভুলবশত বড়দের কাশির সিরাপ খাওয়ানো হয়েছে, যা তার দেহে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। সোমবার রাতে অসুস্থ শিশুর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনেরা ওই দোকানে গিয়ে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। আশপাশের মানুষজনও ঘটনাস্থলে ভিড় জমাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, “নামিদামি দোকান থেকেও যদি এমন গুরুতর ভুল হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপত্তা পাবে?” তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা যখন দোকানের ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন, তিনি ‘ভুল ওষুধ দেওয়া হয়নি’ বলে জানিয়ে চুপিসারে দোকান ছেড়ে বেরিয়ে যান।
ইংরেজবাজার থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দোকান কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য সংগ্রহ করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতির জবাব মানুষ দেবে ২০২৬-এ’— বিজেপিকে হুঁশিয়ারি সুভাষ চাকির।

বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- গঙ্গারামপুরে শনিবার অনুষ্ঠিত বিজেপির প্রস্তাবিত কর্মসূচি ‘বিজয় সংকল্প সভা’-য় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতিশ্রুতি দেন— ২০২৬ সালে বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতায় এলে এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের ছয়টি বিধানসভা আসনে বিজেপি জয়ী হলে এই জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। শুভেন্দুর এই ঘোষণাকে ঘিরেই রবিবার তীব্র কটাক্ষ করল তৃণমূল কংগ্রেস।

বালুরঘাট টাউন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ও বর্ষীয়ান নেতা সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি এখন কেন্দ্রীয় সরকারে রয়েছে। তাদের হাতে টাকার অভাব নেই। যদি সত্যিই মানুষের স্বার্থে কাজ করার ইচ্ছা থাকত, তাহলে ২০২৬ সালে ক্ষমতায় আসবে কি আসবে না, সেই অপেক্ষা না করে এখনই দক্ষিণ দিনাজপুরে দিল্লির এমস-এর আদলে একটি হাসপাতাল গড়ে তুলতে পারত।

তিনি আরও বলেন, বালুরঘাটের ভূমিপুত্র বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। যদি তিনি সত্যিই জেলার উন্নয়ন চান, তাহলে কেন্দ্রের কাছ থেকে মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন আনতে পারতেন। কিন্তু তিনি তার বদলে ক্লাবগুলিকে টাকা দিচ্ছেন বলে দাবি করছেন— আদৌ সেই টাকা দেওয়া হয়েছে কি না, তা ঈশ্বরই জানেন।

রেলওয়ের অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্প প্রসঙ্গে চাকি বলেন, এই স্টেশনের কাজের সঙ্গে যদি একটি রেল হাসপাতাল তৈরি করা হতো, তাহলে সাধারণ মানুষের সুবিধা হতো। কিন্তু সেটাও হল না।

সুভাষ চাকি আরও কটাক্ষ করে বলেন, সুকান্ত বাবু একবার বলেন গুয়াহাটিতে ট্রেন চালাবেন, আবার বলেন ব্যাঙ্গালোরে চালাবেন— কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনোটাই বাস্তবায়িত হয়নি। এর জবাব জনগণের কাছে নয়, তাঁকেই দিতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ বিজেপির মিথ্যা প্রতিশ্রুতির যথাযোগ্য জবাব দেবেন।

Share This