Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস: প্লাস্টিক ব্যাগ ছাড়া বিশ্বকে উৎসাহিত করা।

৩রা জুলাই আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস পালন করে, একক-ব্যবহারের প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করে প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস করার লক্ষ্যে একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ। 2008 সালে শুরু হওয়া আন্দোলনটি পরিবেশ, বন্যপ্রাণী এবং মানব স্বাস্থ্যের উপর প্লাস্টিকের ব্যাগের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে চায়।

প্লাস্টিকের ব্যাগের ইতিহাস—-

প্লাস্টিকের ব্যাগের উদ্ভাবন 1933 সালের দিকে যখন পলিথিন, প্লাস্টিকের ব্যাগে ব্যবহৃত প্রাথমিক উপাদান, ইংল্যান্ডের নর্থউইচে প্রথম সংশ্লেষিত হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করেছিল, প্লাস্টিক ব্যাগগুলি 1960-এর দশকে পণ্য বহনের সুবিধাজনক এবং স্বাস্থ্যকর উপায় হিসাবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। যাইহোক, তাদের জনপ্রিয়তা একটি উল্লেখযোগ্য পরিবেশগত খরচে এসেছে।

পরিবেশগত প্রভাব——

প্লাস্টিক ব্যাগগুলি দূষণের একটি উল্লেখযোগ্য অবদানকারী, প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আনুমানিক 5 ট্রিলিয়ন ব্যাগ ব্যবহৃত হয়। তারা পচন প্রক্রিয়ার সময় মাটি এবং জল সিস্টেমে ক্ষতিকারক বিষাক্ত পদার্থ পচতে এবং ছেড়ে দিতে শত শত বছর সময় নেয়। অধিকন্তু, প্লাস্টিক ব্যাগ বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করে, অ-নবায়নযোগ্য সম্পদের অবক্ষয় করে এবং ক্যান্সার, জন্মগত ত্রুটি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমন করতে পারে এমন রাসায়নিক পদার্থ নির্গত করে মানব স্বাস্থ্যকে বিপন্ন করে।

আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস উদযাপন——

বিভিন্ন কার্যক্রম ও উদ্যোগের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়। প্রতিষ্ঠান, পরিবেশগত গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিরা প্লাস্টিকের ব্যাগের প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করতে এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ব্যাগের মতো বিকল্পগুলিকে প্রচার করতে ইভেন্ট, কর্মশালা এবং সচেতনতা প্রচারের আয়োজন করে। সম্প্রদায়, শহর এবং দেশগুলিও এই দিনে প্লাস্টিক ব্যাগ নিষিদ্ধ বা প্রবিধানে অংশ নিতে পারে, একক-ব্যবহারের প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার সীমাবদ্ধ করার নীতিগুলি বাস্তবায়ন করে৷

উদযাপনের উপায়——

– প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার বন্ধ করুন এবং পরিবর্তে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ বেছে নিন।
– প্লাস্টিক আইটেম হ্রাস, পুনঃব্যবহার এবং পুনর্ব্যবহার করুন।
– আশেপাশের পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগে অংশগ্রহণ করুন।
– পরিবেশ বান্ধব উপকরণ ব্যবহার করে আপনার নিজস্ব পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ তৈরি করুন।
– তাদের পুনঃব্যবহারযোগ্য ব্যাগ নিয়ে আসা গ্রাহকদের জন্য ডিসকাউন্ট অফার করে এমন ব্যবসাগুলিকে সমর্থন করুন৷

প্লাস্টিকের ব্যাগের বিকল্প—–

– উদ্ভিদ-ভিত্তিক উপকরণ থেকে তৈরি বায়োপ্লাস্টিক ব্যাগ
– মাইসেলিয়াম থেকে তৈরি মাশরুম-ভিত্তিক ব্যাগ
– কাগজের ব্যাগ
– তুলো বা কৃত্রিম উপকরণ থেকে তৈরি ক্যানভাস ব্যাগ

উপসংহার—-

আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক ব্যাগ মুক্ত দিবস হল প্লাস্টিকের ব্যাগের উপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে এবং টেকসই বিকল্পগুলি গ্রহণ করার প্রয়োজনীয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুস্মারক। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে, আমরা প্লাস্টিকের ব্যাগ ছাড়াই একটি বিশ্ব তৈরি করতে পারি, আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে পারি, সম্পদ সংরক্ষণ করতে পারি এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর গ্রহ নিশ্চিত করতে পারি। সুতরাং, আসুন আমরা এই দিবসটি উদযাপনের জন্য বাহিনীতে যোগদান করি এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাস করার সচেতন প্রচেষ্টা করি।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৫ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব বায়ু দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৭৮ – মারগারেট অ্যাবট মার্কিন গল্ফ খেলোয়াড়, আমেরিকার প্রথম অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ান।

 

১৮৮৪ – তারকনাথ দাস, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা এবং একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবী।

 

১৮৯৯ – দেবীপ্রসাদ রায়চৌধুরী, ভারতীয় ভাস্কর,চিত্রশিল্পী এবং ললিত কলা একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি ।

 

১৯১৫ – নোবেলজয়ী (১৯৫৪) মার্কিন চিকিৎসক টমাস ওয়েলার।

 

১৯১৬ – নোবেলজয়ী (১৯৭৮) মার্কিন অর্থনীতিবিদ হার্বটি আলেকজান্ডার।

 

১৯৩৩ – কাজী মুতাসিম বিল্লাহ, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।

 

১৯৩৭ – লেখক শামসুজ্জামান খান।

১৯৩৮ – বিদিত লাল দাস, বাংলাদেশী বাউল গায়ক ও সুরকার।

 

১৯৫২ – শাবানা, বাংলাদেশি অভিনেত্রী।

১৯৭০- বাংলাদেশের টেলিভিশন জগতের একসময়ের দারুণ জনপ্রিয় অভিনেতা লিটু আনাম।

১৯৮২ – আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১২১৫ – ইংল্যান্ডের রাজা জন ব্যারনদের চাপে ম্যাগনা কার্টা ( অধিকার সনদে) স্বাক্ষর করেন ।

১৭০৮ – বৃটিশ শাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আন্দোলনরত স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতাকামীদেরকে কঠোরভাবে দমন করা হয়।

১৭৫২ – আমেরিকার বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন ঘুড়ির সাহায্যে বিদ্যুতের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।

১৭৫৯ – আওরঙ্গজেব আনুষ্ঠানিকভাবে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৮০৮ – জোসেফ বোনাপার্ট স্পেনের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৮৩৬ – যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস ২৫তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

১৮৪৮ – জার্মানীর চ্যান্সেলর বিসমার্ক বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক বার্লিন শহরকে রাজধানী হিসাবে ঘোষণা করেন।

১৮৫৪ – কলকাতায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে প্রেসিডেন্সি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৫৫ – ব্রিটেনে সংবাদপত্রের উপর থেকে কর তুলে দেওয়া হয়।

১৮৯৬ – জাপানে ভূমিকম্প ও জলোচ্ছ্বাসে ২৭ হাজার নিহত।

১৯০৪ – নিউইয়র্কে জাহাজ ডুবে ১২ হাজার পর্যটকের মৃত্যু।

১৯০৮ – কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ চালু হয়।

১৯৪১ – নাৎসি বাহিনীর হাতে প্যারির পতন ঘটে।

১৯৬০ – বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

১৯৭৭ – দীর্ঘ ৪০ বছর পর স্পেনে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৭৮ – জর্ডানের বাদশা হোসেন আমেরিকান লিসা হালাবিকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি নুর নাম গ্রহণ করেন। তখন থেকেই তিনি রানি নুর হিসেবে পরিচিত।

১৯৭৯ – পরমাণু অস্ত্র সীমিতকরণ সংক্রান্ত স্ট্রাটেজিক আর্মস্‌ লিমিটেশন টকস্‌ সংক্ষেপে “সল্ট-দুই” চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৮২ – রংপুর, যশোর ও কুমিল্লায় হাইকোর্ট স্থাপন।

১৯৯৩ – বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যায়।

১৯৯৪ – ইসরায়েল এবং ভ্যাটিকান সিটির মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩৮৯ – প্রথম মুরাদ, উসমানীয় সুলতান।

১৮৪৯ – জেমস কে. পোক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৭০ – রবার্ট মরিসন ম্যাকাইভার, একজন স্কটীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী।

১৯৭১ – ওয়েন্ডেল মেরেডিথ স্ট্যানলি ১৯৪৬ সালে নোবেলজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ এবং ভাইরাসবিদ।

১৯৮৬ – ভারতে বিপ্লবী সমাজতন্ত্রী দলের (R.S.P.) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য তারাপদ লাহিড়ী।

 

১৯৮৮ – রথীন্দ্রকান্ত ঘটক চৌধুরী, প্রাবন্ধিক, রবীন্দ্র গবেষক এবং সমাজ কর্মী।

১৯৯১ – আর্থার লিউইস, অর্থনীতিবিদ।

১৯৯৫ – জন ভিনসেন্ট আটানসফ, বুলগেরীয় বংশোদ্ভুত একজন মার্কিন পদার্থবিদ।

 

২০০৯ – অমলেন্দু চক্রবর্তী, প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার এবং প্রাবন্ধিক।

 

২০১৩ – কেনেথ জি উইলসন, মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।

 

২০১৪ – রেজাউল বারী ডিনা, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

২০২০ – বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান, রাজনীতিবিদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব বায়ু দিবস, জানুন কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব।।

বিশ্ব বায়ু দিবস প্রতি বছর ১৫ জুন পালিত হয় বায়ু শক্তির তাৎপর্য এবং শক্তির একটি বিশুদ্ধতম রূপ হিসাবে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার জন্য।
বিশ্ব বায়ু দিবস উদযাপনের পিছনে অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল বায়ু শক্তি সংগ্রহের সুবিধা সম্পর্কে মানুষকে শিক্ষিত করা।  ক্ষতিকারক গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমানো থেকে শুরু করে জলবায়ু পরিস্থিতির উন্নতি।  বায়ু শক্তির ব্যবহার টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করার পাশাপাশি আমাদের অনেক উপায়ে সাহায্য করে।
বিশ্ব বায়ু দিবসে বায়ু শক্তির ইতিবাচক পরিবেশগত প্রভাব তুলে ধরতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কার্যক্রম, কর্মশালা, সম্মেলন, সেমিনার এবং ইভেন্টের আয়োজন করা হয়।
বিশ্ব বায়ু দিবসের স্বীকৃতি শুধুমাত্র টেকসই শক্তি অনুশীলনকে উৎসাহিত করে না বরং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করতেও সাহায্য করে।

গ্লোবাল উইন্ড ডে বা বিশ্ব বায়ু দিবস হল একটি বিশ্বব্যাপী ইভেন্ট। এটি উইন্ডইউরোপ এবং GWEC (গ্লোবাল উইন্ড এনার্জি কাউন্সিল) দ্বারা আয়োজিত হয়।  এটি এমন একটি দিন যখন বায়ু শক্তি উদযাপন করা হয়, তথ্যের আদান-প্রদান করা হয় এবং প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশুরা বায়ু শক্তি, এর শক্তি এবং বিশ্বকে পরিবর্তন করার সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারে।  EWEA এবং GWEC এর সহযোগিতায়, জাতীয় বায়ু শক্তি সমিতি এবং বায়ু শক্তি উৎপাদনের সাথে জড়িত কোম্পানিগুলি বিশ্বের অনেক দেশে ইভেন্টের আয়োজন করে।  ২০১১ সালে, 4টি মহাদেশে 30টি দেশে ইভেন্ট সংগঠিত হয়েছিল।  ইভেন্টগুলির মধ্যে রয়েছে উপকূলীয় এবং উপকূলীয় বায়ু খামার পরিদর্শন, তথ্য প্রচার, শহরগুলিতে প্রদর্শনী টারবাইন স্থাপন, বায়ু কর্মশালা এবং একটি বায়ু কুচকাওয়াজ।  গ্লোবাল উইন্ড ডে (১৫ জুন) নিজেই অনেক ঘটনা ঘটেছে, তবে তার আগের দিন এবং সপ্তাহগুলিতেও ঘটনা ঘটেছে।  ২০১২ সালে বিশ্বজুড়ে ২৫০টি ইভেন্ট ছিল এবং একটি খুব জনপ্রিয় ফটো প্রতিযোগিতা ছিল।

বিশ্ব বায়ু দিবস পর্যবেক্ষণের ইতিহাস—

 

 

ইউরোপিয়ান উইন্ড এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (EWEA) দ্বারা 2007 সালে প্রথম বায়ু দিবসের আয়োজন করা হয়েছিল কিন্তু এটি শুধুমাত্র 2009 সালে ছিল যে EWEA গ্লোবাল উইন্ড এনার্জি কাউন্সিল (GWEC) এর সাথে মিলিত হয়েছিল এবং এটিকে একটি বিশ্বব্যাপী ইভেন্টে পরিণত করেছিল।  উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে মানুষকে বায়ু শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে উৎসাহিত করা।

 

 

বিশ্ব বায়ু দিবস পালন—

 

 

ইউরোপিয়ান উইন্ড এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন এবং গ্লোবাল উইন্ড এনার্জি কাউন্সিল প্রতি বছর গ্লোবাল উইন্ড ডে উপলক্ষে বায়ু শক্তির প্রচারে বিভিন্ন ইভেন্টের আয়োজন করে।  অনেক জাতীয় বায়ু শক্তি সমিতি এবং বায়ু শক্তি উৎপাদনের সাথে জড়িত কোম্পানিগুলিও তাদের সমস্ত দেশে ইভেন্ট করে।  তথ্য প্রচার, উপকূলীয় এবং উপকূলীয় বায়ু খামার পরিদর্শন, শহরগুলিতে টারবাইন স্থাপনের প্রদর্শনী, বায়ু কর্মশালা এবং বায়ু প্যারেড এই দিনে বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত কিছু জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।  অন্যান্য মজার ক্রিয়াকলাপ যেমন উইন্ড ফার্ম ওপেন ডে, ওয়ার্কশপ, রেগাটাস, ফটো প্রদর্শনী, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ওড়ানো প্রতিযোগিতা ইত্যাদিও বিশ্ব বায়ু দিবস উদযাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ গঠন করে।

বিশ্ব বায়ু দিবসের তাৎপর্য—

বিশ্ব বায়ু দিবস হল বায়ু শক্তি, এর শক্তি এবং এটি ধারণ করতে পারে এমন সমস্ত বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা উদযাপন করার একটি দিন।  এটি মানুষকে, বিশেষ করে শিশুদের, বায়ু শক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষিত করার একটি দিন।  বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট গভীর হওয়ার সাথে সাথে এবং জলবায়ুর প্রতি রাজনৈতিক মনোযোগ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে বৈশ্বিক বায়ু দিবস পালন করা আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।  বায়ু শক্তির সঠিক ব্যবহার অর্থনীতিকে ডিকার্বনাইজ করতে সাহায্য করতে পারে এবং চাকরি ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এবং তাই এই দিনে আরও বেশি সংখ্যক কোম্পানিকে তাদের ব্যবসায়কে শক্তি দিতে পরিষ্কার, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী বায়ু শক্তির দিকে যেতে উৎসাহিত করা হয়।

বায়ু শক্তি সম্পর্কে আকর্ষণীয় তথ্য—

বিশ্ব বায়ু দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে, আসুন বায়ু শক্তি সম্পর্কে কিছু আকর্ষণীয় তথ্য জেনে নিই:

বায়ু শক্তি সবচেয়ে কার্যকরী এবং পরিবেশ বান্ধব শক্তির উত্সগুলির মধ্যে একটি।

২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে উইন্ডমিল ব্যবহার করা হচ্ছে।

এটি শুধুমাত্র ১৯৪০ এর দশকে প্রথম আধুনিক বায়ু টারবাইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্মন্টে নির্মিত হয়েছিল।

বায়ু শক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১১ টি রাজ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ২০% এরও বেশি সরবরাহ করে।

সবচেয়ে বড় উইন্ড টারবাইন যা ২০ তলা লম্বা এবং একটি ফুটবল মাঠের দৈর্ঘ্যের ব্লেড যুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াইতে অবস্থিত।

 

 

বায়ু শক্তির সবচেয়ে ইনস্টল ক্ষমতা জার্মানিতে।

জার্মান পদার্থবিদ, আলবার্ট বেটজ, বায়ু টারবাইন প্রযুক্তির প্রবর্তক।

উইন্ড টারবাইনগুলি দেখতে সহজ হতে পারে তবে বাস্তবে প্রায় ৮০০০ বিভিন্ন অংশ রয়েছে। যদি বাতাস প্রতি ঘন্টায় ১৩০ কিমি বেগে প্রবাহিত হয়, তাহলে নিরাপত্তা সতর্কতা হিসাবে ব্লেডগুলি বাঁকানো বন্ধ করে দেয়।

বায়ু শক্তি বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্রুততম বর্ধনশীল মোড।

তাই, প্রতি বছরের মতো আজ ১৫ জুন সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বায়ু দিবস। বায়ু শক্তিকে ব্যবহারে সবাইকে উৎসাহিত করতেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ভূমিকম্প সচেতনতা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩৬৭ – জোসনের রাজা তেজং, জোসন রাজবংশের রাজা।

১৫৫৫ – জোভান্নি আন্তোনিও মাজিনি, ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, মানচিত্রাঙ্কনবিদ এবং গণিতজ্ঞ।

১৭৬৩ – হোজে বনিফাসিও দে আন্দ্রাদা, ব্রাজিলের একজন কূটনীতিজ্ঞ, নিসর্গী, অধ্যাপক এবং কবি।

১৮৩১ – জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল, স্কটল্যান্ডীয় গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ তত্ত্বের জন্য সুবিদিত।

১৮৫৪ – চার্লস এ পারসনস, আইরিস ইঞ্জিনিয়ার ও আবিষ্কারক।

 

১৮৬৫ – উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস বিশ শতকের একজন আইরিশ কবি ও নাট্যকার।

১৮৯৭ – পাভো নুরমি, ফিনিশীয় মাঝারি ও লম্বা দূরত্বের দৌড়বিদ।

 

১৯১১ – লুইস ওয়াল্টার আলভারেজ, স্পেনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯১৮ – বেন জনসন, মার্কিন অভিনেতা, স্টান্টম্যান ও রোডিও কাউবয়।

১৯২৭ – বাংলাভাষা শহীদ আবুল বরকত।

১৯২৮ – জন ফর্ব্‌স ন্যাশ, মার্কিন গণিতবিদ।

১৯৪০ – জার্মান গায়িকা সারাহ কোনর।

১৯৪৪ – বান কি মুন, দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব।

১৯৫৩ – টিম অ্যালেন, মার্কিন অভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতা।

 

১৯৬৫ – মনিন্দর সিং, সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৭০ – ক্রিস কেয়ার্নস, নিউজিল্যান্ডের সাবেক ও বিখ্যাত ক্রিকেট তারকা।

১৯৮১ – ক্রিস ইভানস (অভিনেতা), মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৮৬ – হন্ডা কেস্‌কে, জাপানি ফুটবলার।

১৯৮৬ – ডিজে স্নেক, ফরাসি সংগীত প্রযোজক এবং ডিজে।

 

১৯৯০ – অ্যারন টেলর-জনসন, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৯৪ – দীপিকা কুমারী, ভারতীয় মহিলা তীরন্দাজ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৫৭ – রবার্ট ক্লাইভ সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ অভিমুখে যুদ্ধ অভিযান শুরু করেন।

১৮৪০ – কলকাতায় তত্ত্ববোধিনী সভার উদ্যোগে তত্ত্ববোধিনী পাঠশালা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৫৭ – লর্ড ক্যানিং সংবাদপত্র আইন চালু করেন।

১৮৭৮ – ইউরোপের মুখ্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বার্লিন কংগ্রেস শুরু হয়।

১৯০০ – চীনে বক্সার বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৯০৬ – বৃটেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় আয়ারল্যান্ড দ্বীপে আয়ারল্যান্ড রিপাবলিকান আর্মির রাজনৈতিক শাখা শিনফেন আত্ম প্রকাশ করে।

১৯২১ – ইহুদিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো ব্যাপক আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯৩৪ – আডলফ হিটলার এবং বেনিতো মুসোলিনি দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছিল ইতালির ভেনাসে।

১৯৪৩ –  ফ্রান্সের জাতীয় মুক্তি কমিটি গঠিত হয়।

১৯৪৪ – জার্মানি প্রথম বারের মতো বৃটেনকে লক্ষ্য করে ভি-ওয়ান নামের ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

১৯৫৩ – কলম্বিয়ায় জেনারেল গুস্তাভো রোজাস পিনিল্লার নেতৃত্বে এক সামরিক অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট লরেয়ানো গোমেজের সরকার উৎখাত।

১৯৫৬ – সর্বশেষ ব্রিটিশ সেনাদল সুয়েজ ত্যাগ করে।

১৯৭১ – অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জি. বডরিক নামে এক মহিলা একসঙ্গে নয় সন্তানের জন্ম দেয়। এর মধ্যে ২ ছেলে ও ৪ মেয়ে বেঁচে যায়।

১৯৭৪ – ইয়েমেনে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল।

১৯৭৫ – আলজিয়ার্স চুক্তি।

১৯৭৮ – লেবানন থেকে ইসরাইল তার সেনা প্রত্যাহার করে।

১৯৮২ – সৌদি বাদশাহ খালেদের মৃত্যু। যুবরাজ ফাহাদের সিংহাসনে আরোহণ।

১৯৮৩ – ঢাকা জাদুঘর জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়।

১৯৯৩ – কিম ক্যাম্পবেল কানাডার প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

২০০২ – যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিক্ষেপী ক্ষেপণাস্ত্র (অ্যান্টি ব্যালাস্টিক মিসাইল) চুক্তি প্রত্যাহার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৪৫ – মিয়ামোতো মুসাশি, জাপানি অসিযোদ্ধা ও রোনিন।

১৬৯৫ – জন লাফুনতান, ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক ও কবি।

১৯৩১ – কিতাসাতো শিবাসাবুরো, জাপানি চিকিৎসক ও ব্যাকটেরিয়া বিজ্ঞানী।

 

১৯৩২ – অপূর্ব সেন ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩৯ – আর্থার কনিংহ্যাম, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – বাঙালি রসায়ন বিজ্ঞানী ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত।

 

১৯৮৭ – জেরাল্ডিন পেজ, আমেরিকান অভিনেত্রী।

 

২০০৫ – আলভারো কুনহাল, পর্তুগিজ কমিউনিস্ট বিপ্লবী এবং রাজনীতিবিদ।

 

২০১২ – মেহদী হাসান, পাকিস্তানের গজল গায়ক ও ললিউডের নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী।

২০১৫ – মাইক শ্রিম্পটন, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার ও কোচ।

২০২০ – (ক) মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 

(খ) শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও শেখ হাসিনার চতুর্থ মন্ত্রিসভার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।

 

(গ) সুলতান উদ্দিন ভূঁইয়া, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৮ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৮ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব মহাসাগর দিবস ৷

(খ) আজ আন্তর্জাতিক আল-কুদস দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩১৮ – রাজা দ্বিতীয় এডওয়ার্ডের কন্যা ইলিওনা প্ল্যান্টাগ্যানেট।

 

১৮৯৭ – বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক মণীন্দ্রলাল বসু।

 

১৯০৪ – বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।

 

১৯১৬ – ফ্রান্সিস ক্রিক, ইংরেজ পদার্থবিদ, আণবিক জীববিজ্ঞানী এবং স্নায়ুবিজ্ঞানী।

 

১৯৫৫ – টিম বার্নার্স-লি, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক।

 

১৯৭৫ – শিল্পা শেঠী, ভারতীয় অভিনেত্রী৷

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৫৮ – পুত্র আওরঙ্গজেব পিতা মোগল সম্রাট শাহজাহানকে ৫ দিন অন্তরীণ রেখে আগ্রা দুর্গ দখল করেন!

১৭০০ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুতানুটির বদলে ক্যালকাটা লেখা শুরু করে।

১৮৩০ – জার্মান আবিস্কারক কামবোর্জ দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন।

১৮৫৫ – পর্তূগালের রাজধানী লিসবনে এক ভয়াবহ ভূমিকম্প হলে সেখানে অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়ে এবং এর ফলে শহরটির অধিকাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে যায়।

১৯২৩ – বুলগেরিয়ায় ফ্যাসিস্ট বাহিনী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ক্ষমতায় আসে।

১৯৩০ – রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারালের সিংহাসন পুনর্দখল।

১৯৩৬ – ইন্ডিয়ান স্টেট ব্রডকাস্টিং সার্ভিসের নাম বদলে অল ইন্ডিয়া রেডিও রাখা হয়।

১৯৩৮ – জাপান চীনে বোমা বর্ষণ শুরু করে। চীনে জাপানের এই বোমা বর্ষণ দশ দিন ধরে অব্যাহত ছিল।

 

১৯৩৯ – ইংল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জর্জ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান।

১৯৪৮ – ভারত-ব্রিটেন আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু।

১৯৪৯ – শ্যাম দেশের নাম বদলে থাইল্যান্ড রাখা হয়।

১৯৫৩ – টর্নেডোতে মিশিগান ও ওহাইয়োতে ১১০ জনের মৃত্যু।

১৯৫৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বে পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম সাবমেরিন তৈরি করে।

১৯৬৩ – আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন ধূমপানবিরোধী প্রচার শুরু করে।

১৯৬৮ – বারমুডার সংবিধান গৃহীত হয়।

১৯৬৮ – মার্কিন সিনেটর রবার্ট এফ কেনেডি আর্লিংটনে চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

১৯৭০ – আর্জেন্টিনায় সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে।

১৯৮৮ – নাইজেরিয়ায় একনায়ক সানি আবাচারের আকস্মিক মৃত্যুর মধ্য দিয়ে দেশটিতে গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত।

১৯৯০ – ৪৪ বছরের মধ্যে চেকোশ্লোভাকিয়ায় প্রথম অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত। ডাকলাভ হাভেল প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত।

১৯৯১ – পাকিস্তানের ঘোটকিতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১০০ লোক নিহত হয়।

১৯৯২ – ইহুদিবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্যারিসে অবস্থানরত একজন ফিলিস্তিনী নেতাকে হত্যা করে।

১৯৯৫ – সাইপ্রাসে ৯৯% ভোটার পৃথক তুর্কী সাইপ্রিয়ট রাষ্ট্রের পক্ষে রায় দেয়।

২০০২ – বাংলাদেশ পূর্ব তিমুরকে স্বীকৃতি দেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

৬৩২ – মুহাম্মাদ,ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক।

১৮০৯ – টমাস পেইন, বৃটেনের বিখ্যাত লেখক ও দার্শনিক।

 

১৮৪৫ – এন্ড্রু জ্যাক্‌সন,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৯ – হলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা রবার্ট টেলরের মৃত্যু।

১৯৭০ – আব্রাহাম মাসলো, একজন আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী।

 

১৯৯১ – বিমলকৃষ্ণ মতিলাল, বাঙালি দার্শনিক অধ্যাপক ।

 

১৯৯৮ – সানি আবাচা, নাইজেরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপতি।

 

২০১২ – সুভাষ চৌধুরী বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিক্ষক গবেষক  ও সমালোচক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৩ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব সাইকেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৯১ – ভারতীয় বাঙালি বিপ্লবী ও কমিউনিস্ট নেতা অবনীনাথ মুখোপাধ্যায়।

 

১৯০৬ – জোসেফিন বেকার, আমেরিকান বংশদ্ভুত ফ্রেন্স নৃত্যশিল্পী, সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেত্রী।

 

১৯০৬ – ওয়াল্টার রবিন্স, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও ফুটবলার।

১৯১০ – পলেট গডার্ড, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং মডেল।

১৯১১ – এলেন কর্বি, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯১৯ – ছায়া দেবী(চট্টোপাধ্যায়), প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

 

১৯২০ – অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার, বিশিষ্ট অধ্যাপক, গবেষক ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি’র ভূতপূর্ব সভাপতি।

 

১৯২৪ – করুণানিধি মুথুবেল, ভারতীয় রাজনীতিক এবং তামিলনাড়ুর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী।

১৯২৫ – টনি কার্টিস, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯২৬ – অ্যালেন গিন্সবার্গ, মার্কিন কবি এবং লেখক।

১৯২৮ – জন রিচার্ড রিড, সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৩১ – রাউল কাস্ত্রো, কিউবার রাষ্ট্রপতি এবং ফিদেল কাস্ত্রোর ভাই।

১৯৬০ – কার্ল রেকেম্যান, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৬৬ – ওয়াসিম আকরাম, সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৬৮ – সাফ্রন, ইংরেজ গায়িকা।

১৯৮২ – ইয়েলেনা ইসিনবায়েভা, ভলগোগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী রাশিয়ার বিখ্যাত প্রমিলা পোল ভল্টার।

১৯৮৫ – উকাশ পিশ্চেক, পোল্যান্ডের একজন পেশাদার ফুটবলার।

 

১৯৮৬ – রাফায়েল নাদাল, স্পেনের একজন পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯১ – উকাশ তেওদোর্চেক, পেশাদার ফুটবলার।

১৯৯২ – মারিও গোটজে, জার্মান ফুটবলার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫০২ – পর্তুগীজ নৌ অভিযাত্রী ভাস্কো-দা-গামা ভারতের কালিকট বন্দরে এক নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলো।

১৬৬৫ – ডিউক অব ইয়র্ক জেমস স্টুয়ার্ট ওলন্দাজ নৌ-রণতরীকে পরাজিত করেন।

১৬৬৫ – লোয়েস্টফটের যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে ওলন্দাজদের পরাজয়।

১৭৮৯ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় লবণ উৎপাদন নিষিদ্ধ করে।

১৯১৫ – ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করে।

১৯৩৬ – অবিভক্ত ভারতের সিভিলিয়ান রেডিওর নাম পরিবর্তন করে অল ইন্ডিয়া রেডিও নামকরণ।

১৯৪০ – ব্যাটল্‌ অব ডানকার্ক।

১৯৪০ – জার্মান বিমানবাহিনী ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।

১৯৪০ – সিঙ্গাপুর বৃটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৪৬ – ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক নেতারা ব্রিটিশ সরকার প্রস্তাবিত ভারত বিভাজন প্রস্তাব মেনে নেন।

১৯৪৭ – বৃটিশ সরকার ভারত বিভাগের পরিকল্পনা প্রকাশ করেন।

১৯৪৯ – আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৯ – ভাষা বিজ্ঞানী অধ্যাপক মুহম্মদ আবদুল হাই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৭১ – জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে হানাদার বাহিনীর অত্যাচার মানব ইতিহাসের সর্বাধিক বিষাদময় ঘটনা।

১৯৭৮ – বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয় লাভ করে।

১৯৮৪ – ভারত সরকার শিখদের পবিত্র হরমন্দির সাহিব দখলের জন্য অপারেশন ব্লু স্টার শুরু করে; এটি ৮ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়।

১৯৮৯ – চীন সরকার তিয়েনআনমেন স্কয়ার থেকে অবরোধকারীদের বিতারণের জন্য সেনা প্রেরণ করে।

১৯৯৯ – যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোভেদান মিলোশোভিচ কোসভো থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে সম্মত হয়।

২০০০ – মন্টেনিগ্রো কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা।

২০১০ – রাজধানী ঢাকার নিমতলি মহল্লায় অগ্নিকাণ্ডে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৫৭ – উইলিয়াম হার্ভে, ইংরেজ চিকিৎসক।

১৯০৮ – গোপাল সেনগুপ্ত, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯২৪ – ফ্রান্‌ৎস কাফকা, জার্মান ও চেক উপন্যাস ও ছোটগল্প লেখক।

 

১৯৬১ – কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৯৬৩ – নাজিম হিকমত, তুর্কি কবি এবং লেখক।

১৯৬৩ – ধর্মগুরু ত্রয়োদশ পোপ জনের মৃত্যু।

 

১৯৬৯ – মুহম্মদ আবদুল হাই, বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।

১৯৭৭ – আর্চিবাল্ড ভি. হিল, ইংরেজ শারীরতত্ত্ববিদ।

১৯৭৫ – এইসাকু সাতো, জাপানী রাজনীতিবিদ।

১৯৮৪ – ঐতিহাসিক আবু মহামেদ।

১৯৮৭ – রুহুল্লাহ্‌ খামেনেই, ইরানি ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৯০ – রবার্ট নয়েস, আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী এবং ইন্টেল কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

২০০১ – অ্যান্থনি কুইন, মার্কিন অভিনেতা।

২০১৪ – প্রবীণ সাংবাদিক বেনজীর আহমেদ।

 

২০১৫ – সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী বিজয়া রায়।

 

২০১৬ – মোহাম্মদ আলী, মার্কিন বক্সার।

২০২০ – বলিউডের বিশিষ্ট গীতিকার আনোয়ার সাগর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০২ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক যৌনকর্মী দিবস

(খ) তেলেঙ্গানা গঠন দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩১ – মার্থা ওয়াশিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ফার্স্ট লেডি।

১৮৪০ – টমাস হার্ডি, ইংরেজ সাহিত্যিক।

১৮৬৫ – জর্জ লোহম্যান, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার।

১৯০৪ – জনি ওয়াইজমুলার, বিখ্যাত জার্মান-আমেরিকান সাঁতারু ও অভিনেতা।

 

১৯১৮ – মার্কিন কার্টুনিস্ট রুথ আটকিন্স।

১৯২৩ – লয়েড শ্যাপলে, যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রখ্যাত গণিত ও অর্থনীতিবিদ।

১৯৩০ – পিট কনরাড, মার্কিন নভোচারী।

 

১৯৩৬ – জামশেদ জে ইরানি, স্টিল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ভারতীয় শিল্পপতি।

১৯৪৬ – লাসে হালস্ত্রোম, সুয়েডীয় চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৬৫ – মার্ক ওয়াহ, অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৭২ – ওয়েন্টওয়ার্থ মিলার, ইংরেজ-বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৭৭ – এ জে স্টাইলস, আমেরিকান রেসলার।

১৯৭৮ – আই সোইয়োন, দক্ষিণ কোরীয় নভোচারী।

১৯৮০ – অ্যাবি ওয়ামব্যাচ, যুক্তরাষ্ট্রের পেশাদার প্রমীলা ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮১ – রাশেদ উদ্দিন আহমেদ তপু, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৮৭ – অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, শ্রীলংকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৮৭ – সোনাক্ষী সিনহা, ভারতীয় বলিউড অভিনেত্রী।

১৯৮৯ – স্টিভ স্মিথ, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০৬ – ব্যাঙ্ক অব ক্যালকাটা বা ব্যাঙ্ক অব বেঙ্গল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৪ – গ্রিক সেনাবাহিনীর কর্ফু দখল।

১৮৮৯ – লুই পাস্তুর কর্তৃক প্রথম জলাতঙ্ক রোগের ইনজেকশন প্রদান প্রদর্শন।

১৮৯৫ – চীনের কাছ থেকে জাপান তাইওয়ানের শাসনভার বুঝে নেয়।

১৮৯৬ – বিশ্বের প্রথম বেতার যন্ত্রের (পেটেন্টের জন্য) নিবন্ধন করেন মার্কোনি।

১৯০৮ – কলকাতার মানিকতলা বোমা বিস্ফোরণ মামলায় শ্রীঅরবিন্দ গ্রেফতার হন।

১৯২০ – ইউজিন ও নিল পুলিৎজার পুরস্কারে ভূষিত হন।

১৯২৪ – আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী ভারতীয়দের আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ।

১৯৪১ – ইংল্যান্ডে কাপড়ের রেশন প্রথা চালু হয়।

১৯৪২ – বিখ্যাত জার্মান সেনা কমান্ডার আরভিন রুমেল উত্তর আফ্রিকায় বৃটিশ সেনাদের উপর বড় ধরনের পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু করেন।

১৯৪৬ – ইতালি প্রজতন্ত্র গঠিত হয়।

১৯৫৩ – ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের অভিষেক।

১৯৫৬ – যুগোস্লাভ প্রেসিডেন্ট টিটো মস্কো সফর করেন।

১৯৫৭ – মার্কিন টেলিভিশন ক্রুশ্চেভের সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়।

১৯৬৫ – বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ে ৩০ হাজার লোকের প্রাণহানি হয়।

১৯৭৯ – পোপ দ্বিতীয় জন পল, মাতৃভূমি পোল্যান্ড সফর শুরু করেন; তিনিই কোন কম্যুনিষ্ট দেশ ভ্রমণকারী প্রথম পোপ।

১৯৮১ – ঢাকায় শেরেবাংলানগর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর জানাজা ও দাফন।

১৯৯০ – পরমাণু ও রাসায়নিক অস্ত্র হ্রাসে মস্কো-ওয়াশিংটন চুক্তি।

১৯৯৯ – ভুটান ব্রডকাস্টিং সার্ভিস প্রথমবারের মতো দেশটিতে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু করে।

২০১৪ – ভারতে অন্ধ্রপ্রদেশের দশটি জেলা নিয়ে তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠিত হয়।

২০২৩ – ভারতীয় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব শাখায় ওড়িশার বালেশ্বরে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। চেন্নাই সেন্ট্রালগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস ও হাওড়াগামী যশোবন্তপুর-হাওড়া সুপারফার্স্ট ট্রেন সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে লাইনচ্যুত হওয়ায় ২৭৫ যাত্রীর মৃত্যু ও ১১৭৫ জন যাত্রী আহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮২ – ইতালির দেশব্রতী জাতীয়তাবাদী নেতা গ্যারিবল্ডি।

১৮৮৬ – রুশ নাট্যকার আলেকজান্ডার অস্ত্রোভস্কি।

১৯৫৬ – জিন হারশল্ট, ডেনীয়-মার্কিন অভিনেতা।

১৯৬৩ – তুরস্কের খ্যাতনামা কবি নাজেম হেকমাত।

১৯৭৫ – জাপানের নোবেল বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী ইসাতু সাতো।

১৯৭৫ – দেবেন্দ্র মোহন বসু, ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৭৭ – স্টিভেন বয়েড, উত্তর আয়ারল্যান্ডীয় অভিনেতা।

১৯৭৮ – সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ইয়েস্তে, স্প্যানিশ ফুটবলার এবং কোচ।

 

১৯৮১ – আকবর হোসেন, বাঙালি কথাশিল্পী ও ঔপন্যাসিক।

১৯৮২ – শাহ আবদুল ওয়াহহাব, দারুল উলুম হাটহাজারীর ২য় মহাপরিচালক।

১৯৮২ – ফজল ইলাহী চৌধুরী, পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং পাকিস্তানের ৫ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৮৮ – রাজ কাপুর, ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা।

১৯৮৯ – টেড অ’বেকেট, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৯০ – রেক্স হ্যারিসন, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৯১ – বিভা চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি মহিলা পদার্থবিজ্ঞানী।

 

২০১১ – দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত সংবাদ পাঠক আবৃত্তিকার ও বাচিক শিল্পী ।

২০১৩ – হাকিম মুহাম্মদ আখতার, পাকিস্তানি দেওবন্দি সুফি।

 

২০১৫ – বিজয়া রায়, সত্যজিৎ রায়ের স্ত্রী।

 

২০১৯ – মমতাজউদদীন আহমদ, বাংলাদেশি নাট্যকার, অভিনেতা ও ভাষা-সৈনিক।

 

২০২২ – পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত ভারতীয় সন্তুরবাদক পণ্ডিত ভজন সোপরি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

শিশুরা বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যতের জন্য তার সেরা আশা – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হল ১লা জুন উদযাপিত একটি বার্ষিক ছুটি। এটি বিশ্বব্যাপী শিশুদের মঙ্গল এবং অধিকার প্রচার করে। দিবসটির লক্ষ্য শিশুদের মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অপব্যবহার থেকে সুরক্ষা সহ তাদের অধিকারের পক্ষে সমর্থন করা। দিবসটি উদযাপনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম এবং ইভেন্টের আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে সম্প্রদায়ের সমাবেশ, শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান এবং শিশুদের সহায়তাকারী সংস্থাগুলিতে দাতব্য দান। আন্তর্জাতিক শিশু দিবস একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে প্রতিটি শিশু একটি সুখী, স্বাস্থ্যকর শৈশব পাওয়ার যোগ্য এবং তাদের মঙ্গল নিশ্চিত করতে আমাদের অবশ্যই একসাথে কাজ করতে হবে।

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের ইতিহাস—

আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হল একটি ছুটির দিন যা প্রতি বছর ১লা জুন পালিত হয়। ১৯২৫ সালে জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে শিশুদের কল্যাণের জন্য বিশ্ব সম্মেলনের সময় ছুটিটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ছুটির উদ্দেশ্য ছিল সারা বিশ্বে শিশুদের অধিকার ও কল্যাণ প্রচারের গুরুত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এটি মূলত বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দিনে পালিত হত, কিন্তু ১৯৫৪ সালে, আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক ফেডারেশন অফ উইমেন প্রস্তাব করেছিল যে 1লা জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শিশু দিবস হিসাবে স্বীকৃত হবে। তারপর থেকে, ছুটির দিনটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর পালন করা হয়। ১৯৫৯ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকারের ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়, যা শিশুদের অধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার গুরুত্বকে স্বীকৃতি দেয়। আন্তর্জাতিক শিশু দিবস শিশুদের অধিকার এবং কল্যাণের জন্য সমর্থন এবং সমর্থন করার চলমান প্রয়োজনীয়তার অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

সামগ্রিকভাবে, আন্তর্জাতিক শিশু দিবসটি প্রতি বছর 1লা জুন শিশুদের অধিকার এবং কল্যাণ প্রচারের জন্য পালিত হয়, যা ১৯২৫ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শিশুদের কল্যাণের জন্য বিশ্ব সম্মেলনের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

 

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের গুরুত্ব—

 

আন্তর্জাতিক শিশু দিবস বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ:

সচেতনতা বাড়ায়: আন্তর্জাতিক শিশু দিবস সারা বিশ্বে শিশুদের মুখোমুখি হওয়া সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ায়।

শিশুদের অধিকারের জন্য উকিল: দিবসটি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অপব্যবহার থেকে সুরক্ষা সহ শিশুদের অধিকার এবং কল্যাণের পক্ষে সমর্থন করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।

শিশুদের উদযাপন: এটি শৈশবের আনন্দ এবং শিশুরা বিশ্বে নিয়ে আসা নির্দোষতা এবং বিস্ময় উদযাপন করার একটি দিন। ঐক্য ও শান্তি প্রচার করে: দিবসটি সকল শিশুর মঙ্গল নিশ্চিত করার একটি অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করার জন্য মানুষকে একত্রিত করার মাধ্যমে ঐক্য ও শান্তির প্রচার করে।

কাজকে অনুপ্রাণিত করে: আন্তর্জাতিক শিশু দিবস ব্যক্তি ও সংস্থাগুলিকে শিশুদের জীবনকে উন্নত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে অনুপ্রাণিত করে, তা অনুদান, স্বেচ্ছাসেবক বা নীতি পরিবর্তনের পক্ষে সমর্থন করে।

সামগ্রিকভাবে, আন্তর্জাতিক শিশু দিবস শিশুদের অধিকার এবং কল্যাণের জন্য সমর্থন এবং সমর্থন করার চলমান প্রয়োজনীয়তার অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের কার্যক্রম——

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের ক্রিয়াকলাপগুলি উপলব্ধ অবস্থান এবং সংস্থানগুলির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে তবে এখানে কিছু ধারণা রয়েছে:

গেমস, মিউজিক এবং খাবারের সাথে বাচ্চাদের পার্টি বা ইভেন্টের আয়োজন করুন।

তাদের কাছে শিশুদের বই এবং গল্প পড়ুন, অথবা তাদের নিজে থেকে পড়তে উত্সাহিত করুন।

বাইরের ক্রিয়াকলাপ এবং ব্যায়ামের জন্য বাচ্চাদের পার্ক বা খেলার মাঠে নিয়ে যান।

বাচ্চাদের একটি নতুন দক্ষতা শেখান, যেমন রান্না বা বাগান করা।

একটি শিশু-বান্ধব গন্তব্যে একটি পারিবারিক ভ্রমণ বা ছুটির পরিকল্পনা করুন।

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের খেলনা বা বই দান করুন বা স্থানীয় শিশুদের দাতব্য প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক করুন।

শিশুদের সৃজনশীলতাকে উদ্দীপিত করতে তাদের সাথে শিল্প প্রকল্প বা কারুশিল্প তৈরি করুন।

প্রয়োজনে সাহায্য করার জন্য শিশুদের কমিউনিটি সেবা বা স্বেচ্ছাসেবক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করুন।

শিক্ষামূলক কার্যক্রম এবং খেলার মাধ্যমে শিশুদের বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে শেখান।

বাচ্চাদের সাথে মানসম্পন্ন সময় কাটান, তাদের চিন্তাভাবনা এবং ধারণাগুলি শুনুন এবং তাদের ভালবাসা এবং সমর্থন দেখান।

সংক্ষেপে, আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের মধ্যে রয়েছে অনুষ্ঠান আয়োজন করা, শিশুদের পড়া, নতুন দক্ষতা শেখানো, দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করা, শিল্প প্রকল্প তৈরি করা এবং শিশুদের সাথে মানসম্পন্ন সময় কাটানো। সামগ্রিকভাবে, আন্তর্জাতিক শিশু দিবস সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমর্থনের মাধ্যমে শিশুদের মঙ্গল ও অধিকার প্রচার করে এবং বিভিন্ন কার্যক্রম এবং অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হয়।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব দুগ্ধ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : বিশ্ব দুধ দিবস প্রতি বছর ১ জুন পালিত হয়।  এই দিনটি দুগ্ধ শিল্প এবং তারা যে পণ্যগুলি বিক্রি করে তার জন্য উত্সর্গীকৃত।  সারা বিশ্বে দুধ কতটা অ্যাক্সেসযোগ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিকর তা নিয়ে কথোপকথন শুরু করার দিন।
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০১৯ সাল থেকে আমাদের জীবনের একটি অংশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা দ্বারা পুষ্টির উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এবং এর ব্যবহারকে উন্নীত করার জন্য দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  দুধ অনেক সংস্কৃতির একটি প্রধান উপাদান, এবং এটি পান করা, রান্না করা এবং আইসক্রিম তৈরি সহ বিভিন্ন উপায়ে ব্যবহৃত হয়।  এটি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি এবং পটাসিয়ামের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি।

 

বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : থিম—

 

এই বছরের থিম বিশ্বকে পুষ্টির জন্য মানসম্পন্ন পুষ্টি সরবরাহে দুগ্ধজাত দ্রব্য যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা উদযাপনের উপর ফোকাস করবে। This year’s theme will focus on celebrating the vital role dairy plays in delivering quality nutrition to nourish the world.

 

 বিশ্ব দুধ দিবস ২০২৪ : ইতিহাস ও তাৎপর্য—

 

দুধের ইতিহাস প্রায় ৯০০০-৭০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের নিওলিথিক যুগের।  যখন মানুষ দুধ পান করতে শুরু করে।  এটি এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ ইতিমধ্যে গৃহপালিত প্রাণী ছিল এবং দুধ থেকে পুষ্টি আহরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।  যাইহোক, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ল্যাকটোজ সহনশীলতা হারিয়ে গিয়েছিল, এবং বেশিরভাগ প্রাথমিক মানুষ গাঁজনযুক্ত দুগ্ধজাত দ্রব্য পান করত।
যেহেতু দুধ আরও ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়, এটি প্রাথমিক মানুষের জন্য পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে ওঠে।  উদাহরণস্বরূপ, বিশ্বের কিছু অংশে, দুধ মাংসের বিকল্প হিসাবে ব্যবহৃত হত।  এটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যেও ব্যবহার করা হয়েছিল, কারণ কিছু লোক বিশ্বাস করেছিল যে সৃষ্টিকর্তা পৃথিবীতে দুধ পাঠিয়েছিলেন।
তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক দেশেই দুধের চাহিদা কমে গেছে।  শিল্প দুধ উৎপাদনের সম্প্রসারণ, দুধের নতুন বিকল্পের প্রবর্তন এবং ভোক্তাদের পছন্দের পরিবর্তন সহ বেশ কয়েকটি কারণের কারণে এটি ঘটে।
এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, বিশ্ব দুধ দিবস এখনও দুগ্ধ শিল্প এবং এর পণ্যগুলি উদযাপনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য দিন।  এটি একটি পুষ্টির উত্স হিসাবে দুধের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এবং এর ব্যবহারকে প্রচার করার একটি দিন।

 

বিশ্ব দুধ দিবসের তাৎপর্য—

 

বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের মূল উদ্দেশ্য হল দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এটি একটি সুষম খাদ্যে দুধ যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে কাজ করে, বিশেষ করে শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য।

উদযাপনের লক্ষ্য দুগ্ধ খামারি এবং শ্রমিকদের প্রচেষ্টাকে স্বীকার করা যারা দুধের উৎপাদন ও বিতরণে অবদান রাখে, সেইসাথে দুগ্ধ খাতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবগুলিকেও স্বীকার করে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন দেশ, সংস্থা এবং ব্যক্তিবর্গ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ব দুধ দিবস পালন করে আসছে।

এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষামূলক প্রচারণা, দুগ্ধজাত পণ্যের প্রচার, পাবলিক ইভেন্ট এবং মানুষের জীবনে দুধ ও দুগ্ধের তাৎপর্য সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সামাজিক মিডিয়া প্রচারণা।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস প্রতি বছর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে, একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিবেশন করছে পুষ্টিকর খাদ্যের উৎস হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এবং বিশ্বব্যাপী দুগ্ধ শিল্পের অবদান তুলে ধরার জন্য।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০১ জুন, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০১ জুন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  শিশু দিবস (আন্তর্জাতিক)

(খ) বিশ্ব দুগ্ধ দিবস (২০০১ সাল থেকে)

(গ) বিজয় দিবস (তিউনিশিয়া)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৪২ -সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ,বাঙালি লেখক, সংগীতস্রষ্টা ও ভাষাবিদ ও ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদানকারী প্রথম ভারতীয়।

১৮৯০ – ফ্রাঙ্ক মরগান, মার্কিন অভিনেতা।

১৮৯২ – আমানউল্লাহ খান, তিনি ছিলেন আফগানিস্তানের শাসক।

 

১৯০৬ – কবি ছান্দসিক আবদুল কাদির।

১৯১৭ – উইলিয়াম নোল্‌স, মার্কিন রসায়নবিদ।

১৯২৬ – মেরিলিন মনরো মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও পপ আইকন।

১৯২৯ – নার্গিস দত্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৩০ – ম্যাট পুর, নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার।

 

১৯৩০ – মোহাম্মদ আবদুল মমিন, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত।

 

১৯৩৪ – মোহিত চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৩৪ – এ. টি. এম. আফজাল, বাংলাদেশের ৮ম প্রধান বিচারপতি।

১৯৩৫ – মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত।

 

১৯৩৫ – বিমলকৃষ্ণ মতিলাল, বাঙালি দার্শনিক অধ্যাপক।

১৯৩৭ – মরগান ফ্রিম্যান, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং নির্দেশক।

১৯৪১ – মোঃ রুহুল আমিন, বাংলাদেশের ১৫তম প্রধান বিচারপতি।

১৯৪৭ – জনাথন প্রাইস, ওয়েলসীয় অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৫০ – অনুপম হায়াত, বাংলাদেশী লেখক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক।

১৯৬৩ – কুমার বিশ্বজিৎ বাংলাদেশি একজন সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৬৩ – উম্মে কুলসুম স্মৃতি, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংরক্ষিত নারী আসন-৪ এর সংসদ সদস্য।

১৯৬৫ – নাইজেল শর্ট, ইংরেজ দাবা খেলোয়াড়।

১৯৬৮ – সেলিনা বেগম, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংরক্ষিত নারী আসন-৬ এর সংসদ সদস্য।

১৯৭০ – মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য।

১৯৭৩ – শফিউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৭৬ – শাহরিয়ার হোসেন, বাংলাদেশী সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৮৩ – সালমা খাতুন, বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রেন চালক।

১৯৮৪ – ঈশানী কৌশল্যা, শ্রীলঙ্কান প্রমিলা ক্রিকেটার।

 

১৯৮৫ – দিনেশ কার্তিক, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

১৯৯১ – রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়, ভারতীয় আন্তর্জাতিক প্রমিলা ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৩৩ – অ্যান বোলেইন ইংল্যান্ডের রাণীর মুকুট গ্রহণ করেন।

১৮৭৪ – ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি আজকের দিনে বিলুপ্ত হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় চিলি।

১৯৮০ – বিশ্বের প্রথম ২৪ ঘণ্টার টেলিভিশন সংবাদ চ্যানেল সিএনএন এর যাত্রা শুরু

১৯৮১ – বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

১৯৯০ – জর্জ ডব্লিউ বুশ ও মিখাইল গর্বাচভ রাসায়নিক অস্ত্রবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

২০০১ – নেপালের যুবরাজ দীপেন্দ্রর ব্রাশ ফায়ারে রাজা-রানী সপরিবারে নিহত।

২০০৯ – এয়ার ফ্রান্স ফ্লাইট ৪৪৭ ব্রাজিলের কাছে আটলান্টিক সাগরে আছড়ে পরে, ২২৮জন যাত্রী এবং কর্মচারীর সকলে নিহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৪২ – শিক্ষাবিদ ডেভিড হেয়ার।

১৮৬৮ – জেমস বিউকানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি।

১৯৪৩ – লেসলি হাওয়ার্ড, ইংরেজ অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৬২ – প্রগতিবাদী লেখক ও প্রতিষ্ঠাবান কবিরাজ রমেশচন্দ্র সেন।

 

১৯৬৮ – হেলেন কেলার, মার্কিন লেখিকা ও রাজনৈতিক কর্মী।

১৯৬৯ – তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক।

১৯৭৮ – উর্দু লেখক চলচ্চিত্রকার খাজা আহমদ আব্বাস।

 

১৯৯৬ – নীলম সঞ্জীব রেড্ডি, ভারতের ৬ষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৯৮ – ব্রজেন দাস, ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া প্রথম বাঙালি সাঁতারু।

 

২০০১ – অ্যালেক্স জেমস, স্কটল্যান্ডীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

২০০১ – বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব, নেপালের রাজা।

 

২০০২ – হানসি ক্রনিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক।

২০০৮ – লিন ফুলস্টন, অস্ট্রেলীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

২০১০ – নীলকণ্ঠ সেনগুপ্ত, বাঙালি নট, নাট্যকার ও অভিনেতা।

 

২০২০ – বলিউডের সংগীত পরিচালক ওয়াজিদ খান।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This