Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শৌচালয় দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব।

 

আজ ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’। প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর তারিখটি বিশ্ব টয়লেট দিবস হিসেবে পালন করা হয়। শতভাগ টয়লেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন করে থাকে।উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিশ্বে টয়লেট ব্যবহার ও স্যানিটাইজেশন সম্পর্কে ক্যাম্পেইন শুরু করে ওয়ার্ল্ড টয়লেট অর্গানাইজেশন।

 

বিশ্ব শৌচাগার দিবস বা বিশ্ব টয়লেট দিবস হল প্রতিবছর ১৯ নভেম্বরে পালিত জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক দিবস, যা বিশ্বব্যাপী পয়ঃনিষ্কাশন সংকট মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুপ্রেরণা যোগায়। সারা বিশ্বে ৪.২ বিলিয়ন মানুষ “নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন” ছাড়াই বাস করে এবং প্রায় ৬৭৩ মিলিয়ন মানুষ খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ এর অন্যতম লক্ষ্য “সবার জন্য জল ও পয়ঃনিষ্কাশনের উপলব্ধতা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা”।বিশেষ করে, লক্ষ্য ৬.২ “খোলা জায়গায় শৌচকর্ম বিলোপ করা ও পয়ঃনিষ্কাশন এবং স্বাস্থ্যবিধি রপ্ত করা”। যখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রতিবেদন ২০২০ প্রকাশিত হয়, তখন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “আজ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ অত্যন্ত শোচনীয়” এবং এটি “২০৩০ সালের এজেন্ডা, মানবাধিকার উপলব্ধি এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে”।
বিশ্ব শৌচালয় দিবস মানুষকে এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্য পদক্ষেপ নিতে অবহিত, জড়িত এবং অনুপ্রাণিত করার জন্য কাজ করে। সিঙ্গাপুর প্রস্তাবটি উপস্থাপন করার পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১৩ সালে বিশ্ব শৌচালয় দিবসকে জাতিসংঘের একটি দাপ্রিক দিন হিসেবে ঘোষণা করে (১৯৩ টি সদস্য রাষ্ট্রের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে এর প্রথম প্রস্তাব)। এর আগে, ২০০১ সালে বিশ্ব শৌচালয় সংস্থা (সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা) অনানুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব শৌচালয় দিবস প্রতিষ্ঠা করেছিল।

সারা বিশ্বে ৪.২ বিলিয়ন মানুষ “নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন” ছাড়াই বাস করে এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৭৩ মিলিয়ন মানুষ খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করে। খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করা বিশেষভাবে নারী এবং মেয়েদের পক্ষে কঠিন। নারীরা অধিক গোপনীয়তার জন্য অন্ধকারকে বেছে নেয়, কিন্তু তারপরেও রাতে একা থাকলে আক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়।
এটা অনুমান করা হয় যে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ডায়রিয়া সংক্রমণের মোট ঘটনার ৫৮% অনিরাপদ পানি, দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন এবং দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের (যেমন অপর্যাপ্ত হাত ধোয়া) কারণে হয়েছিল। এর ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী অর্ধ মিলিয়ন শিশু প্রতি বছর ডায়রিয়াতে মারা যায়। পয়ঃনিষ্কাশন প্রদানের ফলে ডায়রিয়াতে আক্রান্ত শিশুদের সম্ভাবনা ৭-১৭% এবং পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুর হার ৫-২০% হ্রাস পেয়েছে বলে অনুমান করা হয়।
২৮ জুলাই ২০১০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পয়ঃনিষ্কাশন (শৌচালয়) সুবিধার অভাব জনস্বাস্থ্য, সম্ভ্রম এবং সুরক্ষার উপর প্রভাব ফেলে। মাটিবাহিত হেলমিনথিয়াসিস, ডায়রিয়া, শিস্টোসোমিয়াসিস এবং শিশুদের অস্বাভাবিক স্বল্পবৃদ্ধিসহ বহুবিধ রোগের কারণ ও বিস্তারের সঙ্গে শৌচালয়ের অভাব অনেকাংশে সম্পর্কিত।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ এর লক্ষ্য হল সকলের জন্য পয়ঃনিষ্কাশন বা স্যানিটেশন সরবরাহ করা।

 

।।সংগৃহীত: উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো গোটা বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস (International Men’s Day)।

আজ ১৯ নভেম্বরআন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস । দিনটি আমাদের সমাজের প্রতি পুরুষদের এই দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।  পুরুষদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেও এই দিনটি পালন করা হয়।  পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও তাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক চাপ মোকাবেলা করতে হয়।  অফিসে কাজের চাপ ছাড়াও বাড়ির নানা দায়িত্ব, সন্তানদের ভবিষ্যৎ, ঋণের বোঝা নিয়ে ভাবতে হয় তাদের।  সারাদিন এত চাপ সত্ত্বেও তারা হাসতে থাকে।  পরিবারের অন্যদের খুশি রাখুন।  আমাদের চারপাশে এমন পুরুষরাই প্রকৃত পুরুষ।  তারাও আমাদের রোল মডেল।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো গোটা বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস (International Men’s Day)। সমাজে পুরুষের অবদান কতটা উল্লেখযোগ্য, তা স্মরণ করে প্রতি বছর পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। গোটা বিশ্ব জুড়ে ১৯ নভেম্বর পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম পালিত হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। পরে পালটে যায় উদযাপনের দিন। তবে পুরুষ দিবস উদযাপনের দিনের বদল হলেও,  শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত প্রত্যেক বছর এই বিশেষ দিনটিকে পালন করা হয় সাড়ম্বরে। থমাস ওসস্টার প্রথম ১৯৯২ সালে পুরুষ দিবস পালন করেন। প্রথমে ৭ ফেব্রুয়ারি এই দিনটিকে পালন করা হলেও পরে ১৯ নভেম্বর তারিখে পালটে ফেলা হয় এই বিশেষ দিনের তারিখ।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর তারিখে পালিত হয়। সারা বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে লিঙ্গ ভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়ে থাকে।
পুরুষ দিবস পালনের প্রস্তাব প্রথম করা হয় ১৯৯৪ সালে। তবে ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯২২ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পালন করা হতো রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে।
২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ‘ডিফেন্ডার অফ দ্য ফাদারল্যান্ড ডে’। রাশিয়া, ইউক্রেনসহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হতো। বলা যায়, নারী দিবসের অনুরূপভাবেই দিবসটি পালিত হয়। ষাটের দশক থেকেই পুরুষ দিবস পালনের জন্য লেখালেখি চলছে। ১৯৬৮ সালে আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস নিজের লেখায় এ দিবসটি পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে পুরুষ দিবস পালনের জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যদিও অনুষ্ঠানগুলো খুব একটা প্রচার পায়নি। অংশগ্রহণও ছিল কম। পরবর্তী সময়ে ১৯ নভেম্বর পুরো বিশ্বে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসম্পাদনা
এই দিবসের উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছেঃ
পুরুষ ও বালকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি;
নারী-পুরুষের লৈঙ্গিক সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক প্রচারণা;
নারী-পুরুষের লৈঙ্গিক সাম্যতার প্রচার;
পুরুষদের মধ্যে ইতিবাচক আদর্শ চরিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরা;
পুরুষ ও বালকদের নিয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সংস্কার ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরী;
পুরুষ ও বালকদের অর্জন ও অবদানকে উদ্‌যাপন;
সমাজ, পরিবার, বিবাহ ও শিশু যত্নের ক্ষেত্রে পুরুষ ও বালকদের অবদানকে তুলে ধরা।
গোটা বিশ্বে (World) প্রায় ৭০টি দেশে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ভারত (India), আমেরিকা (US), রাশিয়া, চিন (China), ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া সহ একাধিক দেশে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। সমাজে পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি স্পষ্ট করতেই এই বিশেষ দিনটিকে পালন করা হয়। একজন পুরুষ হিসেবে সমাজে তাঁর দায়িত্ব, কর্তব্য কতটা এবং তিনি কীভাবে পালন করবেন, তা বোঝাতেই এই দিনটিকে উদযাপন করা হয়।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস মূলত ৬টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে তৈরি। কর্মক্ষেত্রে অবদানের পাশাপাশি সমাজ, সম্প্রদায়, পরিবার, বিবাহ, শিশু যত্ন এবং পরিবেশে পুরুষদের অবদান উদযাপিত হয় এদিন। এছাড়া, পুরুষের সামাজিক, মানসিক, শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক সুস্থতার যত্ন নেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচিত হয় এমনকি, নানা ক্ষেত্রে তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার বিষয়ও তুলে ধরা হয় এদিন।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস লিঙ্গ সমতার কথা বলে। তাছাড়া, একটি উন্নত ও নিরাপদ বিশ্ব তৈরির লক্ষ্যেও পালিত হয় দিনটি। পুরুষ দিবসের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মৌলিক মানবিক মূল্যবোধ এবং পুরুষদের সচেতনতা প্রচার করা।
।।তথ্য সংগৃহীত: উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক)  আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস।

 

(খ) বিশ্ব শৌচালয় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১১ – মিখাইল লোমোনোসভ, রুশ পদার্থবিদ, রসায়নবিদ ও জ্যোতির্বিদ।

 

১৮০৫ – সুয়েজ খালের নকশাকার ফরাসি প্রযুক্তিবিদ ভিকঁৎ ফ্যের্দিনা মারি দ্যা ল্যেসেপস ।

 

১৮২৮ – লক্ষ্মী বাঈ, ঝাঁসির রাণী ও ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের পথিকৃৎ।

 

১৮৩১ – জেমস গারফিল্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিংশতিতম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৩৮ – ব্রাহ্ম সমাজের নেতা ও সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেন।

 

১৮৪৩ – রিচার্ড আভেনারিউস, ছজার্মান বংশোদ্ভূত সুইস দার্শনিক ও অধ্যাপক।

 

১৮৫২ – আম্মেম্বল সুব্বা রাও পাই, ভারতের বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কানাড়া ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৭৭ – (ক)  বাঙালি কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

(খ) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বা নিরালম্ব স্বামী।

 

১৮৮৭ – জেমস ব্যাচেলার সামনার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯১৩ -অসিতবরণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা এবং গায়ক।

 

১৯১৪ – একনাথ রানাডে , ভারতের সমাজ সংস্কারক এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের এক সংগঠক।

১৯১৫ – আর্ল উইলবার সাদারল্যান্ড জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান ফার্মাকোলজিস্ট ও প্রাণরসায়নবিদ।

 

১৯১৭ – ইন্দিরা গান্ধী, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ভারতের প্রথম মহিলা ও তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৮ – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক।

 

১৯২৫ – সলিল চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি গীতিকার সুরকার।

 

১৯৩৬ – ইউয়ান ৎসে লি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তাইওয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫০ – রেহানা সুলতান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৫১ – জিনাত আমান, ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী।

 

১৯৫৩ – সুবীর নন্দী, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৫৪ – আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি, মিশরের ফিল্ড মার্শাল, রাজনীতিবিদ ও মিশরের ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

 

১৯৬১ – মেগ রায়ান, আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

 

১৯৬২ – জোডি ফস্টার, মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৭৫ – সুস্মিতা সেন, ভারতীয় অভিনেত্রী ও ১৯৯৪-এর মিস ইউনিভার্স।

১৯৮৫ – ক্রিস্টোফার ঈগলস, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৭ – সিলভিয়া সোলার এস্পিনসা, স্প্যানিশ টেনিস খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৬ – পোল্যান্ডের ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গে তার বিখ্যাত স্বাধীনতার ভাষণ দেন।

১৯৪২ – সোভিয়েত ইউনিয়ন স্তালিনগ্রাদে জার্মান বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।

১৯৭৭ – মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত অধিকৃত বায়তুল মোকাদ্দাস সফর করেন।

১৯৮২ – দিল্লিতে নবম এশিয়ান গেমস শুরু।

১৯৯০ – ওয়ারশ’ ও ন্যাটো জোটের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর নেতারা প্যারিসে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পূর্ব ও প্রাচ্যের দুই ব্লকের মধ্যকার শীতল যুদ্ধের অবসান ঘটান।

১৯৯৯ – চীন প্রথমবারের মতো শেন ঝু স্পেসক্রাফট মহাকাশে প্রেরণ করে।

১৯৯৫ – বাংলাদেশ সরকার হুমায়ুন আজাদের নারী বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৬৫ – নিকোলাস পউসিন, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৮২৮ – অষ্ট্রিয়ার খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞ ফ্রান্তেয সোবের্ট।

 

১৮৩১- তিতুমীর, প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী।

১৮৫০ – রিচার্ড মেন্টর জনসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান কর্নেল, আইনজীবী ও রাজনীতিক।

১৯৪২ – ব্রুনো সচুলয, পোলিশ চিত্রশিল্পী ও সমালোচক।

 

১৯৫৫ – ড: পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত চিকিৎসক।

১৯৮৮ – জাতীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রূপকার ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান।

১৯৮৯ – এম এ জলিল, বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও সামরিক কর্মকর্তা

২০০৪ – জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও অধ্যাপক।

 

২০০৭ – সঞ্জীব চৌধুরী, সাংবাদিক, সঙ্গীত শিল্পী, প্রথা বিরোধী মানুষ, দলছুট ব্র্যান্ডের গায়ক ছিলেন।

২০১১ – ব্যাসিল ডি’অলিভেইরা, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার

 

২০১৩ – ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী ও অধ্যাপক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৮ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৬ – জর্জ ওয়াল্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান নিউরোবায়োলজি ও একাডেমিক।

 

১৯১০ – বটুকেশ্বর দত্ত ঊনিশ শতকের প্রথমদিকের বাঙালি ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী এবং ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯১৭ – পেড্রো ইনফ্যান্টে, মেক্সিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৩৫ – রব্নি হল, অস্ট্রেলিয়ান লেখক ও কবি।

 

১৯৩৬ – কবি জিয়া হায়দার ।

 

১৯৩৯ – মার্গারেট অ্যাটউড, কানাডীয় ঔপন্যাসিক, কবি ও সমালোচক।

 

১৯৬৩ – পিটার স্মাইকেল, ডেনিশ ফুটবলার

 

১৯৭০ – পেটার উইলসন, অস্ট্রেলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৯৭২ – জুবিন গর্গ, ভারতীয় গায়ক, সুরকার, গীতিকার, সুর প্রযোজক, চিত্রপরিচালক, মানবহিতৈষী।

 

১৯৮৩ – মাইকেল ডসন, ইংরেজ ফুটবল।

 

১৯৮৮ – মোঃ শাহ্ জালাল, বাঙালি বণিক।

 

১৯৯২ – নাথান ক্রেস্‌, আমেরিকান অভিনেতা।

 

১৯৯৩ – ঝাং জেতিয়ান, চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকার

 

১৮৬১ – আমেরিকান সাংবাদিক ডরোথি ডিস্ক ।

 

১৮৯৭ – প্যাট্রিক মেইনার্ড স্টুয়ার্ট ব্ল্যাকেট, ব্যারন ব্ল্যাকেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৮৯৮ – প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ বিশ্বভারতীর তৃতীয় উপাচার্য প্রবোধচন্দ্র বাগচী।

 

১৭৮৭ – ফরাসী পদার্থবিজ্ঞানী ও চিত্রশিল্পী লুই ডাগুয়েরে।

 

১৬৪৭ – পিয়ের বেল, ফরাসী দার্শনিক ও গ্রন্থকার ।

 

১৫২২ – লামোরাল, কাউন্ট অফ এগমন্ট।

 

১৫৭১ – হিপোলিটাস গুয়ারিনোনিয়াস, ইতালীয় চিকিৎসক ও বহুমুখী প্রতিভাধর।

 

১৫৭৬ – দ্বিতীয় ফিলিপ লুডউইগ, কাউন্ট অফ হানাউ-মুঞ্জেনবার্গ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পানামা প্রজাতন্ত্রের মধ্যে পানামা খাল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯০৯ – আমেরিকা দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠায় নিকারাগুয়ায়।

১৯১৮ – সোভিয়েত রাশিয়া থেকে বের হয়ে লাটভিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২৬ – জর্জ বার্নার্ড শ’ নোবেল পুরস্কারের অর্থ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।

১৯৪৮ – ভারতের পাটনার কাছে গঙ্গায় নৌকাডুবিতে ৫০০ যাত্রীর সলিল সমাধি।

১৯৫৬ – মরোক্কো স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৬১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি দক্ষিণ ভিয়েতনামে ১৮ হাজার সেনা পরিদর্শক পাঠান।

 

১৯৬৩ – কর্নেল আবদুস সালাম আরেফ ইরাকের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

 

১৯৬৬ – সালের এই দিনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সালে উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯৯ – তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ৫৪ জাতি ইউরোপীয় নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮২০ – মার্কিন নৌ ক্যাপ্টেন নাথানিয়েন পালমান এন্টার্কটিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৩৯ – বিদেশী উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার জনগণের দ্বিতীয় দফা প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৫৭ – বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ৩৪ দেশীয় পদাতিক বাহিনীর সিপাহি দল বিদ্রোহের মাধ্যমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।

 

১৭২৭ – মহারাজা দ্বিতীয় জয় সিং রাজস্থানের জয়পুর শহর পত্তন করেন। ভারতের জয়পুরশহরের নকশা করেন বাংলার স্থাপত্যশিল্পী বিদ্যাধর ভট্টাচার্য।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৮ – হাজী আব্দুল ওয়াহাব, দাঈয়ে ইসলাম, পাকিস্তান।

 

১৯২২ – মার্সেল প্রুস্ত্‌, ফরাসি বুদ্ধিজীবী, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার ও সমালোচক।

 

১৯৪১ -ওয়ালথার নেরন্সট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৫২ – ফরাসী কবি পল এল্যুয়ার ।

১৯৬২ -নিলস বোর, ডেনিশ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ ও ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৬৯ – বিমানবিহারী মজুমদার , ভাগবতরত্ন,বাঙালি সাহিত্যিক ও গবেষক।

 

১৯৭৮ – ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ডি.জি.নামে পরিচিত বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৯৮১ – শিল্পী আনোয়ারুল হক ।

১৯৮২ – এ কে নাজমুল করিম, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী।

১৯৯১ – চেকোসস্নাভ কমিউনিস্ট নেতা গুস্তাফ হুসাক ।

১৯৯৯ -পল বওলেস, আমেরিকান সুরকার ও লেখক।

১৮৮৬ – চেস্টার এ. আর্থার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২১তম রাষ্ট্রপতি।

১৭৭৭ – জার্মান নাট্যকার হিনরিখ ফন কিশ ।

 

১০৫৩ – অতীশ দীপঙ্কর ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় মৃগীরোগ সচেতনা দিবস । (ভারত)

 


(খ) আনফ্রেন্ড দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৫ – রক হাডসন, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯২৮ – বিশ্বের সাবেক এক নম্বর ব্যাটসম্যান কলিন ম্যাকডোনাল্ড।

 

১৯৩৬ –  তারাপদ রায়, বাঙালি লেখক,কবি ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯৪২ – মার্টিন স্কোরসেজি, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৫২ – রুনা লায়লা, বাংলাদেশী খ্যাতিমান গায়িকা।

১৯৫৩ – মিজু আহমেদ, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৬ – ন্যানি, পর্তুগীজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৭ – ওয়াশিংটন ডিসিতে টর্নেডো আঘাত হানে।

 

১৯৩৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দেয়।

 

১৯৭০ – বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

১৯৮২ – ইরাকের সাদ্দাম বিরোধী ইসলামী দল ও সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ গঠিত হয়।

১৮০০ – ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৩১ – ভেনিজুয়েলা ও ইকুয়েডর বৃহত্তর কলম্বিয়া থেকে আলাদা হয়।

 

১৮৫৭ – স্যার কলিন ক্যাম্পবেল সিপাহি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে লক্ষ্মৌ উদ্ধার করেন।

 

১৮৬৯ – প্রথম বাইসাইকেল রেসে জয়ী হন জেমস মুর।

 

১৮৭০ – ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের পর ঐক্যবন্ধ জার্মানি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 

১৭৯৬ – নেপোলিয়ন অস্ট্রিয়ানদের পরাজিত করেন।

 

১৫২৫ – সিন্ধু প্রদেশের মধ্য দিয়ে মোগল সম্রাট বাবর ভারতে তার পঞ্চম অভিযান পরিচালনা করে ভারত বিজয় করেন।

 

১৫৫৮ – প্রথম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১২৯২ – জন বালিয়ন স্কটল্যান্ডের রাজা হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ -ফেরেন্তস পুশকাস,হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

 

২০২০ – বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত।

 

১৯১৭ – অগুস্ত রদ্যাঁ, আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।

 

১৯২৮ – লালা লাজপত রায়,পাঞ্জাব কেশরি নামে সুপরিচিত ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯৩১ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যেরইতিহাস রচয়িতা।

 

১৯৭১ – দেবকী কুমার বসু, বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

 

১৯৭৩ – ঋষি অরবিন্দের শিষ্যা শ্রীমা লোকান্তরিত হন।

 

১৯৭৬ – আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৯৮৩ – অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট নজরুলগীতি গায়িকা ও চিকিৎসক।

 

১৯৮৮ – ভারতীয় বাঙালি কবি ও লেখিকা জ্যোতির্ময়ী দেবী।

 

১৮৫৮ – রবার্ট ওয়েন, ব্রিটিশ সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের পথিকৃৎ।

 

১১৮৮ – উসামা ইবনে মুনকিজ, একজন সিরীয় মুসলিম কবি, লেখক, ফারিস ও কূটনৈতিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস প্রতি বছর 16 নভেম্বর সারা বিশ্বে পালিত হয়। অসহিষ্ণুতার বিপদ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি পালন করা হয়। 1996 সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল। 1995 সালকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের অসহিষ্ণুতা বর্ষ হিসাবে ঘোষণা করেছিল। যেখানে সন্ত্রাস, বর্ণবাদ, সহিংসতার মতো অনেক বিষয় আজ বিশ্বে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, কিছু দেশে জাতি, ধর্ম, সংখ্যালঘু, উদ্বাস্তু এবং অভিবাসীদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব কারণই দেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। এই সমস্ত পরিস্থিতিতে, বিশ্ব সহনশীলতা দিবস পালিত হয় মানবতাকে বাঁচাতে এবং শান্তি ও সম্প্রীতির প্রচারের জন্য। বিশ্বে শান্তির পাশাপাশি সম্প্রীতি সৃষ্টি করাই এ দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য। কেন মানুষকে সহনশীল থাকতে হবে তা নিয়েও এই দিনে সচেতনতা ছড়ানো হয়। আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস সমাজে অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে। সহনশীলতা দিবস উদযাপন এবং কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সমাজে ঘৃণা ও শত্রুতা অবসানের কাজ।

 

মানব সমাজ স্বাভাবিকভাবেই বৈচিত্র্যময় এবং এই বৈচিত্র্যময় বিশ্বে, বিভিন্ন মতামত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারণার আদান-প্রদান এবং সম্প্রীতি নিশ্চিত করার জন্য মানুষের মধ্যে সহনশীলতা প্রয়োজন।  সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার উপস্থিতি সংঘাতের পথ প্রশস্ত করে না।  বরং একটি সহনশীল পরিবেশ এই সামাজিক বাস্তবতাকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের সহজাত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  এই পৃথিবীটা বাস করার জন্য অনেক ভালো জায়গা হবে যদি আমরা সবাই আমাদের জীবনে একটু বেশি সহনশীল হতে পারি।
এমন একজন মানুষকে কখনই দুর্বল মনে করবেন না যে সহ্য করে কারণ সে সবার চেয়ে শক্তিশালী এবং আমাদের অবশ্যই তাকে সম্মান করতে হবে।  আপনি যদি সহ্য করতে পারেন তবে আপনাকে অবশ্যই কোনওভাবে শান্তিতে অবদান রাখতে হবে।  একটি উন্নত বিশ্বের জন্য আমাদের সকলকে অসহিষ্ণুতার অনুশীলন করতে হবে।

 

 

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের  ইতিহাস—

 

১৯৯৩ সালে, ইউনেস্কোর উদ্যোগে, জাতিসংঘ ১৯৯৫ সালকে “সহনশীলতার বছর” হিসাবে ঘোষণা করে।  ইউনেস্কোর ১৯৯৫ সালের সহনশীলতার নীতির ঘোষণা ছিল যে সহনশীলতা হল আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, আমাদের অভিব্যক্তির ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়গুলির সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং উপলব্ধি।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।  এক বছর পরে ১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় ১৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস এবং এটি প্রতি বছর পালিত হবে।  আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের জন্য সাধারণ থিমটি সমস্ত বছর ধরে প্রয়োগ করা হয়।  জাতিসংঘ সাধারণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।  সাধারণ থিম হল “সহনশীলতা হল সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, প্রকাশের ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়”।

 

গুরুত্ব—–

 

ইউনেস্কো ঘোষিত এ দিবস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হচ্ছে বহুমুখী সমাজে সহনশীলতা শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মানুষের সুষম ও শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-যাপন নিশ্চিত করা।  ইউনেস্কোর উদ্যোগে, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে ১৯৯৫ সাল ‹আন্তর্জাতিক সহনশীলতা বর্ষ› উদযাপন করা হবে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ২৮তম অধিবেশনে ‹সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণা› গৃহীত এবং প্রতি বছরের ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এক প্রস্তাবে বিভিন্ন দেশের সরকারকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। যাতে শিক্ষা ও প্রচারসহ বিভিন্ন উপায়ে সহনশীলতার দিকটিকে সবার কাছে তুলে ধরা যায়।

জন এফ কেনেডি বলেছেন, “সহনশীলতা বোঝায় নিজের বিশ্বাসের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব নয়। বরং এটি অন্যের নিপীড়ন বা নিপীড়নের নিন্দা করে।” আবার টিমোথি কেলার এর মতে, “সহনশীলতা বিশ্বাস না থাকা নিয়ে নয়। এটি আপনার সাথে একমত না এমন লোকেদের সাথে আচরণ করার জন্য আপনার বিশ্বাসগুলি আপনাকে কীভাবে পরিচালিত করে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 তাৎপর্য—

 

আসুন আমরা আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 এর তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।

UNESCO 1995 সালে US$100000 এর পরিমাণ দিয়ে “The UNESCO-Madanjit Singh Prize” তৈরি করে। প্রতি দুই বছর অন্তর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে ব্যক্তি বা সংস্থাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে সহনশীলতা এবং নিপীড়ন ও অবিচারের অবসান সম্পর্কে বিতর্ক এবং বক্তৃতা পরিচালিত হবে।

বিশ্বব্যাপী সহনশীলতার ধারণা বাস্তবায়নের জন্য স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠানে এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সহনশীলতার সাধারণ থিম নিয়ে আলোচনা করা হবে।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে, অফিস, স্কুল, কলেজ ইত্যাদিতে আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি রেজোলিউশন নিতে হবে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক ও লেখকদের লেখক হিসেবে পরিচিত , কমলকুমার মজুমদার – জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

কমলকুমার মজুমদার ছিলেন একজন লেখক ও শিল্পী।  বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।  তাঁকে বলা হয় ‘লেখকদের লেখক’।  তাঁর অন্তর্জলি যাত্রা উপন্যাসটি তার অনন্য বর্ণনা ও ভাষাশৈলীর জন্য বিখ্যাত।  বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইউরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, সেই অনুসরণতা কমলকুমার মজুমদার এড়িয়ে গেছেন।  তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক।  বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে দুর্বোধ্য লেখক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন।

 

জন্ম ও বংশ পরিচয় —-

 

তিনি ১৬ নভেম্বর, ১৯১৪ সালে উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলার, টাকি শহরে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতার নাম প্রফুল্লকুমার মজুমদার ও মাতার নাম রেনুকাময়ী। বাবা প্রফুল্লচন্দ্র ছিলেন পুলিশ অফিসার। মা ছিলেন বাড়ির সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের এক নিবেদিত প্রাণ। কমলকুমার মজুমদার ছিলেন প্রখ্যাত বাঙালি চিত্রকর নীরদ মজুমদারের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।তাঁদের কনিষ্ঠা ভগিনী শানু লাহিড়ী  ছিলেন প্রখ্যাত চিত্রকর ও চিত্রকলার  প্রশিক্ষক।

 

প্রারম্ভিক জীবন—

 

কমলকুমারের শৈশব কেটেছে সাংস্কৃতিক পারিবারিক পরিবেশে।  তাদের পৈতৃক বাড়ি ছিল টাকি, উত্তর 24 পরগণার একটি সীমান্ত শহর।  কিন্তু কলকাতার রাসবিহারী অ্যাভিনিউতে তাদের একটি ভাড়া বাড়ি ছিল।  ছয় বছর বয়সে কমলকুমার ও তাঁর ভাই নীরদকে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বিষ্ণুপুরের ‘বিষ্ণুপুর শিক্ষা সংঘ’ স্কুলে ভর্তি করানো হয়।  সেখান থেকে কয়েক বছর পর কলকাতার ক্যাথেড্রাল মিশনারি স্কুলে।  এখানেও তাঁর মন বেশিক্ষণ টিকেনি।  তিনি সংস্কৃত ভাষা শেখার জন্য ভবানীপুরের একটি সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন।

 

 

 

কর্ম জীবন—-

 

তিনি বাংলা সরকারের জনগণনা বিভাগ, গ্রামীণ শিল্প ও কারুশিল্প, ললিতকলা একাডেমি এবং সাউথ পয়েন্ট স্কুলে তিনি বিভিন্ন স্থানে কর্মরত ছিলেন।  এছাড়াও তিনি ছবি, নাটক, কাঠের কাজ, ছোটদের আঁকা শেখানো, ব্যালেনৃত্যের পরিকল্পনা, চিত্রনাট্য রচনা করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় তার লেখা সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

 

বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ—-

 

তাঁর প্রথম গ্রন্থ ‘অন্তর্জলি যাত্রা’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৯ সালে । ১৯৭০ সালে তার দ্বিতীয় গ্রন্থ ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়। পরবর্তী গ্রন্থাবলি : গল্পসংগ্রহ, পিঞ্জরে বসিয়া শুক, খেলার প্রতিভা ও দানসা ফকির। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসসমূহ হল: শ্যাম-নৌকা, সুহাসিনীর পমেটম,  অন্তর্জলী যাত্রা, গোলাপ সুন্দরী, অনিলা স্মরণে, পিঞ্জরে বসিয়া শুক এবং খেলার প্রতিভা। ছোটগল্প গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:  গল্প সংগ্রহ, নিম অন্নপূর্ণা।

 

মৃত্যু—-

 

কমলকুমার প্রয়াত হন ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে।

 

 

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় প্রেস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

প্রতি বছর, ভারত প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার সম্মানে ১৬ নভেম্বর জাতীয় প্রেস দিবস পালন করে।  জাতীয় প্রেস দিবস ভারতে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের প্রতীক।

১৯৬৬ সালে ১৬ নভেম্বর প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা হয়। এই দিনের স্মরণে প্রতিবছর ১৬-ই নভেম্বর জাতীয় সাংবাদিকতা দিবস উদযাপিত হয়। জাতীয় সাংবাদিকতা দিবসে ভারতে একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সংবাদের প্রতীক, যেহেতু প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া নৈতিক প্রহরী হিসাবে কাজ করে। এটিও নিশ্চিত করে যে সংবাদ প্রতিষ্ঠানটি কোনও বহিরাগত কারণের প্রভাব বা হুমকির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়। দেশের সংবিধানে “বাকস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার অধিকার” সরবরাহ করে।

 

জাতীয় প্রেস ডে: ইতিহাস—-

 

ভারতের প্রথম প্রেস কমিশন 1954 সালের নভেম্বরে একটি সভা পরিচালনা করে এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য দায়ী একটি কমিটি বা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করে।  প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা বুঝতে পেরেছিল যে প্রেসের মুখোমুখি হওয়া সমস্যা এবং সমস্যাগুলি মোকাবেলা করার জন্য একটি সঠিক ব্যবস্থাপনা সংস্থা তৈরি করা উচিত।
১৯৬৬ সালের নভেম্বরে, মিডিয়া এবং প্রেসের সঠিক পরিচালনার জন্য এবং বিচারপতি জে আর মুধোলকরের অধীনে প্রেসের সমস্যাগুলি দেখাশোনার জন্য প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ভারতের সরকারী প্রেস কাউন্সিল ৪ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ সালে সক্রিয় হয়েছিল। তারপর থেকে, ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ তারিখটিকে ভারতীয় প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার স্মরণে জাতীয় প্রেস দিবস হিসাবে পালিত করা হয়।

 

 

 

এদিন প্রেস কাউন্সিলের মূল অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য পুরস্কার প্রদান, স্মারক পুস্তিকা প্রকাশ, সমকালীন পরিস্থিতি আলোচনা সভা ইত্যাদির আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।
সংবাদ পরিবেশনে ও সাংবাদিকতায় গণমাধ্যমগুলির নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা যেমন আবশ্যক, তেমনি দেশের শাসকেরও তাদের সমালোচনায় সহিষ্ণু হওয়ার প্রয়োজন। এসবই প্রেস দিবসে মোটামুটি আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হিসাবে পরিলক্ষিত হয়।

দেশের সংবিধান “বাকস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতার ও তথ্যের অধিকার” প্রদান করে। তবে সংবিধানের ১৯ (১) (ক) অনুচ্ছেদে প্রেসের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও এটি অভিপ্রেত।

 

জাতীয় প্রেস দিবসের গুরুত্ব—

 

প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া হল একটি স্বাধীন সরকারী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা যা ভারতে প্রেসের যত্ন নেয়।  জাতীয় পেস দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট কারণ এটি কাজ করে:—

 

(ক)  সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা।

(খ) জনস্বার্থ প্রচার করা।

(গ) সাংবাদিকতার উচ্চ মান বজায় রাখা

এটি নিশ্চিত করে যে প্রেস তার ক্ষমতার অপব্যবহার না করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৫ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক)  আন্তর্জাতিক কারারুদ্ধ লেখক দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – ক্লজ ফন স্টফেনবার্গ, জার্মান সামরিক কর্মকর্তা।

 

১৯২৫ – ইয়ুলি ড্যানিয়েল, রাশিয়ান কবি ও লেখক।

১৯২৯ – এড অ্যাসনার, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।

১৯৩৬ – এইচ. বি. বেইলি – মার্কিন রেসিং কার ড্রাইভার।

 

১৯৪০ – স্যাম ওয়াটারস্টন, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৪৫ – মুফতি ফজলুল হক আমিনী বাংলাদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ রাজনীতিবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞ।

 

১৯৫৪ – বারী সিদ্দিকী, বাংলাদেশের ফোক গায়ক এবং বংশীবাদক।

১৯৫৯ – টিবর ফিসার, ইংরেজ লেখক।

১৯৬৮ – মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব।

১৯৮২ – কালু উছে, নাইজেরিয়ান ফুটবল।

 

১৯৮৬ – সানিয়া মির্জা, ভারতীয় মহিলা টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯১ – শাইলিন উডলি, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৯৩ – পাওলো দিবালা, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।

১৮৬২ – গেরহার্ট হাউপ্টমান, জার্মান লেখক, কবি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাট্যকার।

১৮৭৪ – আগস্ট ক্রোঘ, ডেনিশ প্রাণিবিজ্ঞানী ও শারীরবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৮৭৫ – বিরসা মুন্ডা, ভারতের রাঁচি অঞ্চলের মুন্ডা আদিবাসী ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৯১ – পশুপতি ভট্টাচার্য, খ্যাতনামা চিকিৎসক ও সাংবাদিক।

 

১৮৯৬ – রণদাপ্রসাদ সাহা, বাংলাদেশী সমাজসেবক এবং দানবীর ব্যক্তিত্ব।

১৭৩৮ – উইলিয়াম হার্শেল, জার্মান বংশোদ্ভুত ইংরেজ জ্যোতির্বিদ এবং সুরকার।

১৬৭০ – বার্নার্ড ম্যান্ডেভিল, অ্যাংলো-ডাচ দার্শনিক, রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাঙ্গ রচয়িতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য গঠিত হয়।

১৯০৪ – জিলেট ব্লেড প্যাটেন্ট করেন সি জিলেট।

১৯১৩ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার লাভ।

১৯২০ – জেনেভায় প্রথম লীগ অব নেশন্সের সভা হয়।

১৯২৪ – কলকাতা কর্পোরেশনের মুখপত্র মিউনিসিপ্যাল গেজেটের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯২৬ – রেডিও এনবিসি’র সম্প্রচার শুরু ২৪টি কেন্দ্র থেকে।

১৯৩২ – ওয়াল্ট ডিজনি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৫ – ফিলিপিন কমনওয়েলথের উদ্বোধন হয়।

১৯৮১ – বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিচারপতি আবদুস সাত্তার বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৮৩ – তুর্কি অধিকৃত সাইপ্রাসের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

১৯৮৪ – জার্মানীর রাজধানী বার্লিনে আফ্রিকায় ইউরোপীয় উপনিবেশ গুলোকে ভাগ-বণ্টন করা নিয়ে একটি সম্মেলন হয়েছিল। ইতিহাসে এই সম্মেলনটি বার্লিন সম্মেলন নামে পরিচিত।

১৯৮৮ – পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা ঘোষণা দেন।

১৯৯৭ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল (বর্তমানে রবি) ঢাকায় সেবাদান কার্যক্রম শুরু করে।

১৮০৬ – আমেরিকায় প্রথম কলেজ ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়।

১৮৩০ – প্রথম ভারতীয় হিসেবে রাজা রামমোহন রায় ইংল্যান্ড যাত্রা করেন।

১৮৩৭ – আইজাক পিটম্যানের শর্টহ্যান্ড পদ্ধতি প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৫৯ – প্রথম আধুনিক অলিম্পিক খেলা হয় গ্রিসের এথেন্সে।

১৮৮৯ – ব্রাজিল গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

১৭৯১ – আমেরিকায় প্রথম ক্যাথলিক কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৯৫ – লিয়েবে দিযেফের উদ্যোগে বাংলার প্রথম মঞ্চনাটক ‘ছদ্মবেশী’ মঞ্চস্থ হয়।

১৬২১ – উত্তর ভারতের কাংড়া দুর্গ মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দখলে আসে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – শ্রীস্বপন কুমার, শ্রীভৃগু, ডাক্তার এস এন পাণ্ডে নামে পরিচিত গোয়েন্দা কাহিনীকার, জ্যোতিষী ও ডাক্তার সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে।

২০০৫ – আরটো সাল্মিনেন, ফিনিশ সাংবাদিক ও লেখক।

 

২০২০ – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী কিংবদন্তি ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা, আবৃত্তিকার।

২০২১ – বাংলাদেশী সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক।

১৯১৬ – হেনরিক সিয়েনকিয়েভিচ, নোবেলজয়ী পোলিশ ঔপন্যাসিক।

১৯১৯ – আলফ্রেড ভের্নের, নোবেলজয়ী সুইস রসায়নবিদ।

 

১৯২৩ – পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক-সম্পাদক।

 

১৯৫৯ – চার্লস উইলসন, পদার্থবিজ্ঞানী, নোবেল বিজয়ী।

 

১৯৭০ – কালীপদ পাঠক, প্রখ্যাত বাঙালি টপ্পাগায়ক।

 

১৯৮১ – এনিড মারকেয়, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৮৭ – শ্যামল মিত্র, ভারতীয় বাঙালি গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী।

 

১৮৫৬ – মধুসূদন গুপ্ত, প্রথম শবব্যবচ্ছেদকারী বাঙালি চিকিৎসক।

১৬২৯ – বেথলেন গ্যাবর, হাঙ্গেরির রাজা।

 

১৬৩০ – জোহান্নেস কেপলার, জার্মান গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষী।।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক কারারুদ্ধ লেখক দিবস, জানব দিনটি কি, কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

কারাবন্দী লেখক দিবস হল একটি বার্ষিক, আন্তর্জাতিক দিবস যা এমন লেখকদের স্বীকৃতি ও সমর্থন করার উদ্দেশ্যে যারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার মৌলিক মানবাধিকারের দমন-পীড়ন প্রতিরোধ করে এবং যারা তাদের তথ্য প্রদানের অধিকারের বিরুদ্ধে করা আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।  এই দিনটি প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর পালন করা হয়।

 

বিশ্বব্যাপী লেখক ও সাংবাদিকদের সেন্সরশিপ, হয়রানি এবং নিপীড়ন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর বন্দী লেখক দিবস পালন করা হয়।  সেন্সরশিপ আজ একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা, অনেক সরকারী সংস্থা তাদের নাগরিকদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করে, বিশেষ করে কণ্ঠ-বিরোধী সরকার সমালোচক, হুইসেলব্লোয়ার এবং রাজনৈতিক কর্মীদের।  কিছু দেশে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই, এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ফলে নির্বিচারে আটক হয়।  মানবাধিকার সংস্থা এবং বাকস্বাধীনতা রক্ষায় নিবেদিত গোষ্ঠীগুলি বিশ্বের কিছু অংশে নিষিদ্ধ সামগ্রী বিতরণ করে।  স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং বাকস্বাধীনতার অবস্থা নিয়ে আলোচনা করার জন্য তারা আইনজীবী, লেখক এবং সাংবাদিকদেরও আমন্ত্রণ জানায়।

 

কারারুদ্ধ লেখকের দিনের ইতিহাস—

 

কারাবন্দী লেখক দিবসটি ১৯৮১ সালে শুরু হয়েছিল এবং এটি PEN ইন্টারন্যাশনালের রাইটারস ইন প্রিজন কমিটির পণ্য ছিল।  এর সূচনার পর থেকে, PEN ছুটির দিনটিকে কারাবন্দী লেখকদের মুক্তির আহ্বান, সাংবাদিক ও কর্মীদের জন্য আরও ভাল সুরক্ষার পক্ষে এবং সেই লেখকদের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার জন্য ব্যবহার করেছে যারা সত্য রক্ষার জন্য চূড়ান্ত আত্মত্যাগে তাদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।  রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একই হুমকি, ভয়ভীতি এবং অনুপ্রবেশকারী নজরদারি সহ্য করেও, কবি, অনুবাদক, প্রকাশক এবং ঔপন্যাসিকদের তাদের অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়।  PEN বিশ্বব্যাপী তার ১০০ টিরও বেশি কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম সমন্বয় করে।

 

প্রতি বছর, PEN তাদের সরকার কর্তৃক নির্যাতিত বা কারারুদ্ধ পাঁচজন লেখকের তালিকা করে।  এই লেখকরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন কিন্তু ক্রমাগত দুর্নীতি, সহিংস অপরাধ, অবৈধ গুপ্তচরবৃত্তি, পুলিশ কভার-আপ এবং রাষ্ট্র-স্পন্সর সহিংসতার সাথে জড়িত গল্প প্রতিবেদন বা তদন্তে নিযুক্ত রয়েছেন।  ২০০৯ সালে, PEN তাদের লেখকদের তালিকায় লিউ জিয়াওবো এবং নাটালিয়া এস্তেমিরোভাকে নাম দিয়েছে।  Xiaobo, একজন ভিন্নমতাবলম্বী লেখক, পরে ২০১৭ সালে আটক অবস্থায় মারা যান। এস্তেমিরোভা চেচনিয়ায় যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করার সময় 2009 সালে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের দ্বারা অপহরণ ও হত্যা করা হয়েছিল।
২০১৮ সালে, PEN ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যার নিন্দা জানাতে বাকি মানবাধিকার এবং বাক-ভিত্তিক সংগঠনের সাথে যোগ দেয়।  “ফ্রি এক্সপ্রেশনের আমেরিকার সিনিয়র ডিরেক্টর” এর মাধ্যমে, PEN সৌদি কর্তৃপক্ষকে খাশোগিকে হাজির করার এবং তার হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।  ২০২১ সালে কারাবন্দী লেখক দিবসে, PEN চীনা পণ্ডিত রাহিল দাউত, U.A.E.  মানবাধিকার আইনজীবী মোহাম্মদ আল-রোকেন, তুর্কি রাজনীতিবিদ সেলাহাতিন দেমিরতাস, কিউবান সঙ্গীতশিল্পী মায়কেল ওসরবো এবং ১২ জন ইরিত্রিয়ান লেখকের একটি সম্মিলিত মামলা ২০ বছরের জন্য বন্দী।  PEN ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বব্যাপী কবি, নাট্যকার, সম্পাদক, প্রাবন্ধিক এবং ঔপন্যাসিকদের সমর্থন করার জন্য নিবেদিত রয়েছে।

 

কারাবন্দী লেখকের দিনটি কেন গুরুত্বপূর্ণ—

 

বাক স্বাধীনতা একটি মানবাধিকার–

 

মত প্রকাশ ও জ্ঞানের স্বাধীনতা প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার।  আমাদের এই সার্বজনীন মানবাধিকারকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।

 

সত্য শেয়ার করা—

 

কারাবন্দী লেখক দিবসটি সেন্সরকৃত লেখক এবং তাদের কাজ সম্পর্কে কথোপকথন তৈরি করে।  আরও বেশি লোক সেই তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে যা অন্যদের তাদের স্বাধীনতার মূল্য দেয়।

 

অন্যকে শিক্ষিত করা—

 

বেশিরভাগ মানুষ এখনও সেন্সরশিপের বিপদ এবং এটি কীভাবে সমাজের ক্ষতি করে সে সম্পর্কে জানেন না। এটি আমাদের বন্ধু, পরিবার এবং সম্প্রদায়কে সেন্সরশিপ সম্পর্কে শেখানোর এবং কিছু সংস্থান ভাগ করার একটি সুযোগ যাতে তারা কীভাবে এটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয় তা শিখতে পারে৷

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This