নদীর ওপার ছোট্ট গ্রামে সন্ধ্যা নামে ধীরে, ধানের ক্ষেতে বাতাস খেলে সোনার রোদকে ঘিরে।
মাটির পথে গরুর গাড়ি ফিরে চলে ঘরে, রাখাল ছেলের বাঁশির সুর ভেসে আসে দূরে।
পুকুরপাড়ে শাপলা হাসে, ডাকে বুনো পাখি, তালগাছের ওই মাথায় বসে চাঁদ দেয় উঁকি।
দিদিমার সেই উঠোনজুড়ে গল্পের আসর বসে, রূপকথারা ডানা মেলে ঘুমের দেশে ভাসে।
শহর থেকে দূরে হলেও সুখের কমতি নেই, অল্প ভাত আর ডালেই যেন তৃপ্তি খুঁজে পায় সবাই।
কেউ সেখানে দুঃখ পেলে প্রতিবেশী পাশে দাঁড়ায়, একজনের চোখের জল সবার চোখে ছায়া ফেলে যায়।
নদীর জলে চাঁদটা দোলে, রাত হয় নিরিবিলি, এই গ্রামেরই মায়ার বাঁধন বড় যে শক্তিশালী।
যত দূরেই চলে যাই না জীবনেরই টানে, শৈশবের সেই গ্রামের ছবি রয়ে যায় প্রাণে।