Categories
গল্প বিবিধ

গল্প : যে নীল খাতায় লেখা ছিল আগামী দিনের হিসাব।

গ্রামের নাম শালুকডাঙা। ছোট্ট গ্রাম, চারদিকে ধানখেত, পুকুর, মাটির রাস্তা আর ছায়া-ঢাকা কয়েকটি পুরোনো বাড়ি। গ্রামের বাজারের এক কোণে ছিল হরিপদ মণ্ডলের ছোট্ট মুদিখানা। দোকানটি বহু বছরের পুরোনো। কাঠের তাকগুলোতে বিস্কুট, সাবান, তেল, চাল, ডাল আর নানারকম নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস সাজানো থাকত। দোকানের সামনে একটি বিবর্ণ সাইনবোর্ডে লেখা ছিল—‘মা লক্ষ্মী ভাণ্ডার’।

হরিপদবাবু ছিলেন সৎ মানুষ। কিন্তু তাঁর একটি বড় দুর্বলতা ছিল। তিনি ব্যবসার হিসাব ঠিকমতো রাখতেন না। কে কত টাকার জিনিস বাকিতে নিল, কার কাছ থেকে কত টাকা পাওনা, পাইকারি দোকানে কত টাকা দিতে হবে—এসবের কোনো নির্ভরযোগ্য হিসাব তাঁর কাছে থাকত না। মনে মনে সব মনে রাখার চেষ্টা করতেন। কখনো পুরোনো কাগজের টুকরোয় লিখতেন, কখনো দোকানের দেওয়ালে পেনসিল দিয়ে দাগ কাটতেন। ফলে মাসের শেষে হিসাব মিলত না।

হরিপদবাবুর মেয়ে মেঘলা কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পড়ত। ছোটবেলা থেকেই সে বাবার দোকানে বসত। গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বলা, জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা, পণ্য কেনার দাম আর বিক্রির দাম বোঝা—এসব তার পরিচিত কাজ। কিন্তু বাবার ব্যবসার অসংগতি দেখে তার মন খারাপ হতো।

একদিন সন্ধ্যায় মেঘলা দেখল, বাবা দোকানের কাউন্টারে বসে কপালে হাত দিয়ে হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছেন।

মেঘলা জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে বাবা?”

হরিপদবাবু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “কী আর হবে! পাইকারি দোকানের মালিক বলছে, আমি নাকি গত মাসের টাকা দিইনি। অথচ আমার মনে আছে, দিয়েছিলাম। আবার কয়েকজন ক্রেতা বলছে, তারা আগেই টাকা মিটিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমার কাছে কোনো প্রমাণ নেই।”

মেঘলা বাবার পাশে বসে কাগজগুলো দেখল। কোথাও একটি নাম, কোথাও কয়েকটি সংখ্যা, আবার কোথাও অস্পষ্ট দাগ। কোনো তারিখ নেই, কোনো পূর্ণ হিসাব নেই।

সে শান্ত গলায় বলল, “বাবা, তুমি এত বছর ধরে পরিশ্রম করছ। কিন্তু শুধু পরিশ্রম করলেই তো হবে না, পরিশ্রমের হিসাবও রাখতে হবে।”

হরিপদবাবু একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, “এত দিন তো এভাবেই চালিয়েছি। ছোট দোকানের জন্য আবার এত হিসাবের কী দরকার?”

মেঘলা বাবাকে বোঝানোর চেষ্টা করল, “হিসাব বড় দোকানের জন্যই শুধু দরকার হয় না। যে মানুষ নিজের উপার্জনের টাকা বাঁচাতে চায়, তারও হিসাব দরকার।”

বাবা সেদিন আর কিছু বললেন না।

পরের দিন কলেজ থেকে ফিরে মেঘলা বাজারের একটি স্টেশনারির দোকান থেকে নীল মলাটের মোটা খাতা কিনে আনল। খাতাটির প্রথম পাতায় বড় করে লিখল—‘মা লক্ষ্মী ভাণ্ডার: আয়, ব্যয় ও পাওনার হিসাব’।

তারপর খাতাটিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করল। একদিকে দৈনিক বিক্রি, অন্যদিকে দোকানের খরচ। আলাদা পাতায় লিখল পাইকারি দোকানে কত টাকা দিতে হবে এবং কোন ক্রেতার কাছে কত টাকা পাওনা রয়েছে। প্রতিটি হিসাবের পাশে তারিখ রাখার ব্যবস্থাও করল।

মেঘলা বাবাকে বলল, “আজ থেকে দোকানের প্রতিটি টাকা এই খাতায় লেখা থাকবে। কেউ বাকিতে জিনিস নিলে তার নাম, তারিখ আর টাকার পরিমাণ লিখব। টাকা ফেরত দিলে পাশে লিখে দেব।”

হরিপদবাবু হেসে বললেন, “তুই তো দেখছি আমার দোকানকে বড় কোম্পানি বানিয়ে ফেলবি!”

মেঘলাও হেসে উত্তর দিল, “বড় কোম্পানি বানানোর দরকার নেই বাবা। আগে ছোট দোকানটাকে ঠিকভাবে চালাতে শিখি।”

প্রথম কয়েক দিন কাজটি সহজ ছিল না। হরিপদবাবু পুরোনো অভ্যাসে কখনো হিসাব লিখতে ভুলে যেতেন। কোনো ক্রেতা তাড়াহুড়ো করে জিনিস নিয়ে চলে গেলে মেঘলাকে পরে মনে করিয়ে দিতে হতো। কখনো দোকানে ভিড় হলে হিসাবের খাতা বন্ধই থেকে যেত।

তবু মেঘলা হাল ছাড়ল না। সে দোকানের কাউন্টারের পাশে একটি ছোট পেনসিল ও ক্যালকুলেটর রাখল। প্রতিদিন রাতে দোকান বন্ধ করার আগে বিক্রি, খরচ এবং পাওনা মিলিয়ে দেখত। কোনো হিসাব না মিললে পরের দিনই তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করত।

এক মাস পরে প্রথম পরিবর্তনটি চোখে পড়ল।

হরিপদবাবু বুঝতে পারলেন, তিনি কয়েকটি পণ্যের দাম এত কম রাখছেন যে সমস্ত খরচ বাদ দেওয়ার পরে লাভ প্রায় থাকছেই না। আবার কিছু পণ্য অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি পরিমাণে কিনে রাখায় দীর্ঘদিন তাকেই পড়ে থাকছে। মেঘলা হিসাব দেখিয়ে বাবাকে বোঝাল, কোন জিনিস কতটা বিক্রি হয় এবং কোন পণ্য অল্প করে কিনলে ভালো হবে।

দোকানের কেনাকাটার ধরন বদলাতে শুরু করল।

আরও একটি বিষয় নজরে এল। গ্রামের কয়েকজন পরিচিত মানুষ নিয়মিত বাকিতে জিনিস নিতেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ে টাকা দিতেন, কিন্তু কেউ কেউ দীর্ঘদিন ধরে টাকা জমিয়ে রাখছিলেন। হরিপদবাবু আগে কাউকে কিছু বলতে সংকোচ বোধ করতেন। ফলে পাওনার পরিমাণ ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছিল।

মেঘলা বাবাকে বলল, “যাঁরা সত্যিই অসুবিধায় আছেন, তাঁদের সময় দেওয়া উচিত। কিন্তু দোকান চালানোর জন্য আমাদেরও তো টাকা দরকার। তাই সবার জন্য একটা নিয়ম থাকা দরকার।”

তারা সিদ্ধান্ত নিল, খুব প্রয়োজন হলে সীমিত পরিমাণে বাকিতে জিনিস দেওয়া হবে। পুরোনো পাওনা মেটানোর জন্য ক্রেতাদের সঙ্গে সম্মানজনকভাবে কথা বলা হবে। কাউকে অপমান করা হবে না, কিন্তু হিসাবও অস্পষ্ট রাখা হবে না।

প্রথমে কয়েকজন ক্রেতা বিরক্ত হলেন। তাঁদের মধ্যে একজন, গ্রামের বাসিন্দা নিতাইবাবু, একদিন বলেই ফেললেন, “হরিপদ, তোমার মেয়ে দোকানে বসার পর থেকে তো দেখছি সবকিছুতেই নিয়ম! আগে তো এত প্রশ্ন করতে না।”

হরিপদবাবু একটু অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু মেঘলা শান্তভাবে বলল, “নিতাইকাকা, আপনাকে অবিশ্বাস করার জন্য হিসাব রাখছি না। হিসাব থাকলে আপনার কত টাকা বাকি আছে, সেটাও পরিষ্কার থাকবে। আপনি টাকা দিলে সঙ্গে সঙ্গে খাতায় লিখে দেব। পরে ভুল বোঝাবুঝি হবে না।”

নিতাইবাবু কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “কথাটা মন্দ বলিসনি মা। আমারও তো মনে থাকে না কত নিয়েছি।”

এরপর থেকে তিনি নিজের পাওনা মেটানোর সময় হিসাব মিলিয়ে নিতেন।

কয়েক মাসের মধ্যে দোকানের অবস্থার উন্নতি হতে লাগল। অযথা পণ্য কেনা কমল, দৈনিক খরচ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হলো, আর পাইকারি দোকানে টাকা দেওয়ার সময়ও আর বিভ্রান্তি থাকল না।

কিন্তু মেঘলার সামনে এবার নতুন একটি সমস্যা দেখা দিল।

দোকানের পাশেই ছিল রেণুকা দেবীর ছোট্ট ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা। তিনি নারকেলের নাড়ু, মুড়ির মোয়া, নিমকি আর নানা রকমের ঘরোয়া খাবার তৈরি করে বাজারে বিক্রি করতেন। তাঁর খাবারের স্বাদ ভালো হলেও ব্যবসায় লাভ হতো না বললেই চলে। কখনো উপকরণের দাম বাড়ত, কখনো তৈরি খাবারের কিছু অংশ অবিক্রীত থেকে যেত। রেণুকা দেবী বুঝতেই পারতেন না, দিনের শেষে তাঁর হাতে টাকা থাকলেও মাসের শেষে তা কোথায় চলে যায়।

একদিন তিনি মেঘলাকে বললেন, “মা, তোর বাবার দোকানে তো এখন বেশ উন্নতি হয়েছে। আমার ব্যবসাটা একটু দেখে দিবি? সারাদিন খেটে কিছুই জমাতে পারি না।”

মেঘলা তাঁর কথা শুনে খুশি হলো। সে রেণুকা দেবীর সঙ্গে বসে প্রথমে উপকরণের খরচ লিখল। তারপর কতগুলো খাবার তৈরি হয়, কত দামে বিক্রি হয়, কতটা নষ্ট হয়—সবকিছুর হিসাব করতে শুরু করল।

দেখা গেল, রেণুকা দেবী অনেক সময় বিক্রির মোট টাকা থেকেই লাভ হিসাব করেন। কিন্তু চাল, গুড়, নারকেল, তেল, জ্বালানি এবং যাতায়াতের খরচ বাদ দেন না। ফলে যে টাকা লাভ বলে মনে হতো, তার বড় অংশই আসলে খরচের টাকা।

মেঘলা তাঁকে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিল, “আপনি একশো টাকার খাবার বিক্রি করলেই একশো টাকা লাভ হয় না। ওই খাবার তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়েছে, সেটাও বাদ দিতে হবে।”

রেণুকা দেবী বিস্মিত হয়ে বললেন, “এত দিন এই কথাটা কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলেনি!”

মেঘলা তাঁকে একটি ছোট খাতা দিল। প্রতিদিনের খরচ, বিক্রি এবং অবিক্রীত খাবারের পরিমাণ লিখে রাখার নিয়ম শেখাল। কয়েক সপ্তাহ পরে রেণুকা দেবী বুঝতে পারলেন, কোন খাবার বেশি বিক্রি হয়, কোন দিন কতটা তৈরি করা উচিত এবং কোন পণ্যের দাম সামান্য বাড়ানো প্রয়োজন।

ধীরে ধীরে তাঁর ব্যবসাতেও সঞ্চয় হতে শুরু করল।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ল বাজারে। একদিন সবজি বিক্রেতা বিমল, আরেক দিন কাপড়ের দোকানের মালিক মনোরঞ্জন মেঘলার কাছে এলেন। কেউ জানতে চাইলেন দৈনিক খরচ কীভাবে লিখতে হয়, কেউ জানতে চাইলেন মাসের শেষে লাভ কীভাবে হিসাব করতে হয়।

মেঘলা বুঝতে পারল, তার নীল খাতাটি শুধু একটি দোকানের হিসাব রাখার খাতা নয়। এটি অনেক মানুষের পরিশ্রমকে সঠিক পথে চালিত করার একটি উপায় হয়ে উঠছে।

সে বাজারের কয়েকজন ছোট ব্যবসায়ীকে নিয়ে মাসে একদিন বসার ব্যবস্থা করল। সেখানে সবাই নিজেদের সমস্যার কথা বলতেন। কেউ অতিরিক্ত পণ্য কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, কেউ পাওনা আদায় করতে পারছেন না, আবার কেউ ব্যক্তিগত খরচ আর ব্যবসার খরচ একসঙ্গে মিশিয়ে ফেলছেন।

মেঘলা কাউকে বড় বড় তত্ত্ব শেখাত না। সে বলত, “প্রথমে প্রতিদিনের টাকা কোথা থেকে আসছে আর কোথায় যাচ্ছে, সেটা লিখুন। তারপর সিদ্ধান্ত নিন। অনুমান দিয়ে ব্যবসা চলতে পারে, কিন্তু শুধু অনুমানের ওপর ভরসা করলে বিপদ বাড়ে।”

একদিন কলেজের এক অধ্যাপক মেঘলার এই উদ্যোগের কথা জানতে পারলেন। তিনি তাকে কলেজের একটি অনুষ্ঠানে ছোট ব্যবসার হিসাবরক্ষণের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলতে আমন্ত্রণ জানালেন।

মঞ্চে দাঁড়িয়ে মেঘলা বলল, “আমরা অনেক সময় সাফল্যকে বড় পুঁজি, বড় দোকান বা অনেক কর্মচারীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। কিন্তু আমার বাবার ছোট্ট দোকান আমাকে শিখিয়েছে, সাফল্যের শুরু হয় দায়িত্ব বোঝা থেকে। নিজের উপার্জনের মূল্য বুঝতে হলে নিজের খরচের হিসাব জানতে হয়। আর হিসাব রাখা মানে শুধু টাকা গোনা নয়, নিজের পরিশ্রমকে সম্মান করা।”

অনুষ্ঠান শেষে অধ্যাপক তাকে বললেন, “তুমি খুব সাধারণ একটি সমস্যার মধ্যে অসাধারণ একটি শিক্ষা খুঁজে পেয়েছ।”

মেঘলা মৃদু হেসে বলল, “স্যার, সমস্যাটা সাধারণ হলেও তার প্রভাব অনেক বড়। আমার বাবা প্রতিদিন পরিশ্রম করতেন। শুধু সঠিক হিসাব না থাকার কারণে সেই পরিশ্রমের ফল অনেক সময় ধরে রাখতে পারতেন না।”

বাড়ি ফেরার সময় হরিপদবাবু মেয়ের পাশে হাঁটছিলেন। কিছুক্ষণ নীরব থাকার পরে তিনি বললেন, “মেঘলা, একটা কথা স্বীকার করতেই হবে। প্রথম দিন তুই যখন খাতাটা এনেছিলি, আমি ভেবেছিলাম তুই অযথা বাড়াবাড়ি করছিস। আজ বুঝছি, আমার দোকানকে বাঁচানোর জন্য তোর ওই নীল খাতাটাই দরকার ছিল।”

মেঘলা বাবার হাত ধরল।

“খাতাটা শুধু আমার নয় বাবা। তোমার এত বছরের পরিশ্রমই তো এর পাতাগুলো ভরেছে। আমি শুধু সেই পরিশ্রমের হিসাবটা পরিষ্কার করতে সাহায্য করেছি।”

সেদিন রাতে দোকান বন্ধ করার আগে হরিপদবাবু নিজেই নীল খাতাটি খুললেন। দিনের শেষ বিক্রির অঙ্কটি লিখে তারিখ দিলেন। তারপর খাতাটি যত্ন করে বন্ধ করে রাখলেন।

দোকানের বাইরে তখন বাজারের আলো একে একে নিভে আসছে। কিন্তু ছোট্ট দোকানটির ভেতরে নতুন একটি বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে—পরিশ্রমের সঙ্গে পরিকল্পনা যুক্ত হলে অল্প সামর্থ্য নিয়েও সামনে এগোনো যায়।

বছরখানেক পরে ‘মা লক্ষ্মী ভাণ্ডার’ আর শুধু একটি মুদিখানা ছিল না। সেটি হয়ে উঠেছিল বাজারের ছোট ব্যবসায়ীদের কাছে শেখার একটি উদাহরণ। মেঘলা নিজের পড়াশোনা চালিয়ে গেল, আর অবসর পেলেই বাবার দোকানে বসত। তার নীল খাতার নিয়ম অনুসরণ করে আরও কয়েকজন ব্যবসায়ী নিজেদের হিসাব গুছিয়ে নিলেন।

মেঘলা বুঝেছিল, মানুষের জীবন বদলাতে সব সময় বড় আবিষ্কার কিংবা প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয় না। কখনো কখনো একটি সাদামাটা খাতা, কয়েকটি সঠিক সংখ্যা এবং নিয়মিত কাজ করার অভ্যাসই ভবিষ্যতের দরজা খুলে দেয়।

গল্পের শিক্ষা: পরিশ্রম মানুষকে উপার্জন এনে দেয়, কিন্তু পরিকল্পনা ও সঠিক হিসাব সেই উপার্জনকে স্থায়ী সাফল্যে পরিণত করতে সাহায্য করে। ছোট কাজকে অবহেলা না করে নিয়মিত ও দায়িত্বশীলভাবে করলে তার ফল একদিন অনেক বড় হয়ে উঠতে পারে।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *