Categories
বিবিধ

বাংলাদেশি নাগরিকের অভিযোগে পঞ্চায়েত প্রধানকে ঘিরে বিতর্ক, নথি দেখিয়ে পাল্টা জবাব চেমানির।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কি বাংলাদেশী নাগরিক। আর এই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্যের অভিযোগ বর্তমানে যিনি প্রধান হয়েছেন তিনি একজন বাংলাদেশী নাগরিক। বিয়ে হয় এখানে এসেছেন। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের তালিকায় তার নাম বিবেচনা দিন তিনি কিভাবে প্রধান হন।
যদিও প্রধান ও তার স্বামীর দাবি তাদের সমস্ত ডকুমেন্টস আছে তারা এই দেশের নাগরিক তারা কোনভাবেই বাংলাদেশী না। অনাস্থা ভোটে ওরা হেরে গেছে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যরা আমাদের ভোট দিয়েছে, আমার স্ত্রী প্রধান হয়েছে আর সেই কারণেই ষড়যন্ত্র করছে।
মালদার কালিয়াচক তিন নম্বর ব্লকের গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত।
গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রাম পঞ্চায়েত টি দখল করে কংগ্রেস। প্রধান হন কংগ্রেসের তাহসিনা বিবি।
জুলাই মাসের ৩০ তারিখ তার বিরুদ্ধে অনাস্থা হয়। তাকে অপসারণ করা হয়। চলতি মাসের ২৭ তারিখ, নতুন প্রদান হোন তৃণমূলের চেমানি বিবি।
চলতি মাসের ১০ তারিখ ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কংগ্রেস সদস্য কৃষ্ণ মন্ডল জেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে চেমানি বিবি একজন বাংলাদেশী নাগরিক। তার বাবার নাম বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় রয়েছে। সেও বাংলাদেশী। তাদের বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ। এসআইয়ারে তার নাম বিবেচনা দিন রয়েছে। কিভাবে তিনি ভোটদানে অংশগ্রহণ করবেন। যা আইনবিরুদ্ধ।
এরপরও ২৭ তারিখ নতুন প্রধান গঠন, তাকে ভোট দেয় তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচজন সদস্য, দুটো নির্দল তিনজন বিজেপি ও কংগ্রেসের ৬ জন সদস্য। মোট ১৬ জন। কিভাবে তিনি প্রধান হলেন প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন প্রদানের স্বামী ও কংগ্রেসের আরেক গ্রাম পঞ্চায়েত মেম্বার।
যদিও বর্তমান প্রধান চেমানি বিবি ও তার স্বামী বলেন, মিথ্যা ভিত্তিহীন অভিযোগ ওরা পরাজিত হয়ে গিয়ে এসব কথা বলছে। আমি এই দেশের নাগরিক। আমার সমস্ত ডকুমেন্টস আছে। অনেকেরই নাম বিবেচনাধীন আছে। আদালতের রায় আমি ভোট দিয়েছি। এই ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের।
বিজেপি দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় বলেন প্রশাসন সবটা খতিয়ে দেখছে উনি বাংলাদেশী হলে উনাকে পুশব্যাক করা হবে না হলে এখানেই থাকবে।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *