Categories
বিবিধ

রেললাইনের ধারে যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় দ্রুত সাফল্য পুলিশের।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডীতে ২০ বছরের যুবক খুনকান্ডের কয়েক ঘন্টার মধ্যেই খুনের রহস্যভেদ করল হবিবপুর থানার পুলিশ। খুনকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করল দুজনকে। খুনের কারণ হিসেবে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। খুন হয়ে যাওয়া যুবকের কাছে তার দপ্তরের কালেকশনের প্রচুর টাকা থাকায় সেই টাকা ছিনতাই করেই তাকে খুন করা হয়েছে বলে খবর। স্বভাবতই এই ঘটনাকে ঘিরে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হল মালদার বুলবুলচন্ডী এলাকায়। হবিবপুর থানার আইসি কৌশিক বিশ্বাস ঘটনার জানার পরেই অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের নিয়ে তদন্ত শুরু করেন ও সাফল্য পান,

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সাত সকালেই হবিবপুর থানার বুলবুলচন্ডী রেল স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ধারে গাছের ঝোপঝাড়ের মধ্যে এক যুবকের রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার হয়। জানা যায়, মৃত যুবকের ‘নাম গোপাল সরকার। তার বাড়ি আইহো বক্সীনগর লালচাঁদপুরে। তার পিতা জানিয়েছেন তার ছেলে গোপাল এক ডিস্ট্রিবিউটর সংস্থার অধীনে কাজ করতেন। সেই সূত্রে বুধবার সকালে তিনি দপ্তরের টাকা কালেকশন করতে পাকুয়াহাটে যান। কালেকশন করে রাতে তার বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও, বাড়ি ফেরেনি। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে বুলবুলচন্ডী রেল স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ধারে তার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃত যুবকের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখে পরিবারবর্গ খুনের অভিযোগ আনেন। সেই মতো হবিবপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সেই খুনকান্ডের কিনারা করে।বৃহস্পতিবার বিকেলেই খুনকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত দুজনের মধ্যে একজনের নাম রণি মজুমদার এবং অপরজনের নাম শত্রুঘ্ন মন্ডল। এদের মধ্যে রণির বাড়ি হবিবপুর থানার ঋষিপুর এলাকায় এবং শত্রুঘ্ন মালদা থানার ছাইতান মোড় এলাকার বাসীন্দা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা আইহো বক্সীনগর লাল চাঁদপুর এলাকার যুবক গোপাল সরকারের সঙ্গে থাকা টাকা ছিনতাই করে তাকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করে দেহ বুলবুলচন্ডী রেল স্টেশন সংলগ্ন রেল লাইনের ধারে ঝোপঝাড়ের মধ্যে ফেলে দেয়। ধৃত দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ খুনকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র, খুন হয়ে যাওয়া যুবকের মোবাইল ও তার কিছু টাকা উদ্ধার করে হবিবপুর থানার পুলিশ । মৃতের পরিবারের দাবি খুন কাণ্ডে জড়িত ধৃত দুজনকে ফাঁসি দেওয়া হোক বলে দাবি করেন , এরপর শুক্রবার ধৃতদের পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে পেশ করে মালদা জেলা আদালতে।।

Share This
Categories
বিবিধ

৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে কাঁটাতার, মালদায় শুরু জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাত:– রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া দিতে ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-এর হাতে জমি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে রাজ্য । আর সরকারের এই ঘোষণার পরপরই রাজ্য জুরে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় শুরু হয়েছে জমি অধিগ্রহণের তোড়জোর। শুক্রবার এমনই তোড়জোরের ছবি নজরে এল মালদার হবিবপুর ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায়। মালদা জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এদিন সকাল থেকেই হবিবপুর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার’ দপ্তরের আধিকারিকরা সীমান্ত এলাকার কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া চলে হবিবপুর ব্লকের জাজইল অঞ্চলের ভবানীপুর, ভাবুক, আগ্রা, ইটাঘাটি, কোটালপুর সহ বিভিন্ন এলাকায়। প্রতিটি এলাকাতেই সীমান্ত এলাকার কৃষকরা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া তৈরির জন্য জমি দিতে স্বেচ্ছায়, হাসিমুখে এগিয়ে আসেন। জমি দিতে আসা কৃষকরা সরকারি ন্যায্যমূল্যের বিনিময়ে তাদের জমি তুলে দেওয়ার অঙ্গীকারপত্র স্বাক্ষর করেন। তাদের বক্তব্য, তারা দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া দেওয়ার দাবী জানিয়ে আসছিলেন। কারণ ‘তারকাঁটার বেড়া না থাকার ফলে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ করে তাদের জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। গবাদি পশু চুরি করে বাংলাদেশ পাচার করছিল। তাই বর্তমান রাজ্য সরকার সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া তৈরির জন্য বিএসএফ-এর হাতে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি তুলে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে তারা খুব খুশি। তাই খুশি খুশি মনেই ন্যায্যমূল্যের বিনিময়ে তাদের জমি তুলে দিচ্ছেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাতে। এই প্রসঙ্গে হবিবপুর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক স্বপন তরফদার জানান, সীমান্তে তারকাঁটার বেড়া তৈরির জন্য রাজ্য সরকার বিএসএফ-এর হাতে জমি তুলে দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই সিদ্ধান্তকে কার্যকর করতে তারা জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছেন। কৃষকরা স্বেচ্ছায় তাদের জমি তুলে দিচ্ছেন। তাই আশা করছেন জমি অধিগ্রহণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে পারবেন।

Share This
Categories
বিবিধ

বছরভর ব্যাংকে ঝুলছিল তালা, কোটি টাকার কেলেঙ্কারিতে চাঞ্চল্য রতুয়ায়।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদার রতুয়া-১নং ব্লকে কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের মিনি ব্যাঙ্কে কোটি কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগ। আর এই অভিযোগেই রতুয়া-১নং ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও প্রধানের স্বামীকে গ্রেপ্তার করল রতুয়া থানার পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের উদ্দেশ্য করে চোর চোর আওয়াজ তুললেন ‘ প্রতারিত আমানতকারীদের একাংশ।জানা গেছে, রতুয়া ১ নম্বর ব্লকের বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সাহানগর কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেড নামে ওই মিনি ব্যাংকের দীর্ঘদিন ম্যানেজার ছিলেন বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান স্মৃতিকণা মন্ডলের স্বামী অনিল কুমার মন্ডল। এরপর অনিল কুমার মন্ডল সেই পদে নিজের ছেলে অমিত কুমার মন্ডলকে নিযুক্ত করেন। প্রায় পাঁচ থেকে সাত বছর তার ছেলে ম্যানেজার পদে রয়েছেন। ছেলে অমিতকুমার মণ্ডল এবং ক্যাশিয়ার ছিলেন তাঁর ভাইপো প্রণবকুমার মণ্ডল। এলাকার প্রায় ৫ হাজার ক্ষুদ্র কৃষিজীবী ও সাধারণ মানুষ ওই ব্যাংকে নিজেদের সঞ্চিত টাকা জমা রাখতেন। অভিযোগ, বছরখানেক আগে আচমকাই ব্যাংকের শাটারে তালা ঝুলে যায়। উধাও হয়ে যায় সমবায় সমিতির বোর্ডও। তারপর থেকেই ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের কোনও খোঁজ মেলেনি।আমানতকারীদের অভিযোগ, প্রায় ১৩-১৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে গা ঢাকা দিয়েছেন তাঁরা।
এই ঘটনায় বিলাইমারি এলাকার বাসিন্দা হৃদয় মণ্ডল ১৪ মে রতুয়া থানায় স্মৃতিকণা মণ্ডল, তাঁর স্বামী অনিলকুমার মণ্ডল, ছেলে অমিতকুমার মণ্ডল, ভাইপো প্রণবকুমার মণ্ডল ও প্রণবের স্ত্রীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ স্মৃতিকণা ও অনিলকে গ্রেপ্তার করে। পরিস্থিতি আঁচ করে বাকি তিন অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।
শুক্রবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় ক্ষুব্ধ আমানতকারীরা রতুয়া থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। ধৃতদের উদ্দেশে ‘চোর চোর’ স্লোগান তুলতে দেখা যায় তাঁদের। বহু আমানতকারী এদিন থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ এক বছর ধরে ব্যাংকে তালা ঝুলছে। নিজেদের জমানো টাকা ফেরত না পেয়ে চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন তাঁরা। অভিযোগ, আমানতকারীদের টাকা আত্মসাৎ করেই অভিযুক্তরা নিজেদের সম্পত্তি বৃদ্ধি করেছেন।যদিও আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত স্মৃতিকণা মণ্ডল অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার তরুণীর দেহ, খুনের অভিযোগ পরিবারের।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর স্থানীয় থানার অন্তর্গত পশ্চিম পাথারি এলাকার বাসিন্দা সোনালী মুর্মু (২০)। সোমবার দুপুর ৩টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। বৃহস্পতিবার খড়গপুর স্থানীয় থানার আম্রকলা এলাকার একটি জঙ্গলে গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই মহিলার মৃতদেহ পাওয়া যায়। এরপর পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে, সেখান থেকে শুক্রবার বিকেলে ময়নাতদন্তের জন্য মৃত দেহটি মেদিনীপুর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

তৃণমূলের অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে গোবর জল ছিটিয়ে মাঠ পরিষ্কার ধূপগুড়িতে।

ধুপগুড়ি , নিজস্ব সংবাদদাতা:- খেলার মাঠে মদের আসরের বসানোর অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে,বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই ধূপগুড়িতে গোবর জলে মাঠ ‘শুদ্ধিকরণ’ খেলোয়াড় সহ গ্রামবাসীদের

মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন খেলার মাঠে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও মদের আসর বসানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৎকালীন বিরোধী দল ও গ্রামবাসীদের প্রতিবাদের তোয়াক্কা না করেই সেই সময় অনুষ্ঠান চালানো হয়েছিল বলে খবর প্রকাশ হয় সংবাদ মাধ্যমে। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর, আজ জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি বিধানসভার ঝাড় আলতা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর কাঠুলিয়া গ্রামে দেখা গেল এক নজিরবিহীন দৃশ্য। স্থানীয় খেলোয়াড় ও গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে যুব সংঘ ক্লাবের ফুটবল মাঠটি গোবর জল ছিটিয়ে ‘শুদ্ধিকরণ’ করলেন। ক্লাবের সেক্রেটারি সূত্রে খবর, উত্তর কাঠুলিয়া গ্রামের এই মাঠে দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে খেলাধুলা চলছে। গত ২৫ বছর এই মাঠ সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ছিল। অভিযোগ, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মাধ্যমিক পরীক্ষার নিয়মনীতিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূলের তরফে এখানে ডিজে বাজিয়ে আনন্দ-ফুর্তির আসর বসানো হয়েছিল। আজ ওই এলাকায় বিজেপির বিজয় মিছিল হওয়ার কথা। তার আগেই ক্লাবের কর্মকর্তা ও গ্রামবাসীরা মাঠটি পরিষ্কার ও শুদ্ধ করেন। আজ থেকেই মাঠটি আবার খেলোয়াড়দের জন্য পুরোনো ছন্দে ফিরবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ির রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

টাঙ্গনে তল্লাশির পর মিলল শ্রমিকের দেহ, শোকের ছায়া এলাকায়।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গন নদীতে নৌকোডুবির ঘটনায় নিখোঁজ দুই শ্রমিকের মধ্যে একজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় পুরাতন মালদা ব্লকের মুচিয়া এলাকার ডাহুক ঘাটে ধান বোঝাই নৌকো ডুবে যায়। নৌকোতে থাকা চারজন শ্রমিকের মধ্যে দুজনকে স্থানীয়রা জীবিত উদ্ধার করলেও জাহাঙ্গীর মিয়া (২৪) ও জাকির মিয়া (২৩) নদীতে তলিয়ে যান।বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালিয়েও তাঁদের খোঁজ মেলেনি। অবশেষে শুক্রবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে জাহাঙ্গীর মিয়ার দেহ ভেসে উঠতে দেখা যায়। স্থানীয়রা দেহটি উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। মৃত ও নিখোঁজ দুই শ্রমিকই কালিয়াচক এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মালদা থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন জাকির মিয়া। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকাজুড়ে।

Share This
Categories
বিবিধ

কয়লা খনিতে আচমকা এয়ার ব্লাস্ট, উদ্ধারকাজে তৎপর প্রশাসন।

আসানসোল, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ই সিএল এর কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত হল প্রায় 40 জনেরও বেশি কয়লা খনির কর্মী। একজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে যদিও এখনো এ বিষয়ে খনি কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কোন তথ্য দেননি। জানা গেছে কুনুস্টুডিয়া এরিয়ার পড়াশিয়া কোলিয়ারির এই ভূগর্ভস্থ খনিতে ফার্স্ট শিফটে খনি কর্মীরা যখন কয়লা খনির অভ্যন্তরে ২৭ নম্বর সেকশনে কয়লা কাটার জন্য কাজ করছিল সেই সময়ই হঠাৎ করে কয়লা খনির একটি স্তর থেকে আচমকাই এয়ার ব্লাস্ট হয়ে যায় এর ফলে মুহূর্তে বায়ুর প্রভাবে চারিদিকে ছিটকে পড়ে কয়লা খনির অভ্যন্তরে থাকা শ্রমিকেরা বেশকিছু ঠিক শ্রমিক ও এর মধ্যে রয়েছে বলে জানা গেছে ।মুহূর্তে ঘটা এই ঘটনায় কয়লা খনি শ্রমিকেরা চমকে ওঠে সকলকেই খনির চারিদিকে ছিটকে দেয় সেই প্রবল বেগে আসা হাওয়া। এই ঘটনা ঘটার পরপরই কয়লা খনির উপরে থাকা খনি আধিকারিকেরা আহত অমৃত সকল শ্রমিকদের উদ্ধারের জন্য তৎপর হয়। এই ঘটনায় বেশিরভাগ শ্রমিক গুরুতর অভাবে আহত হয়েছে সকলকেই উদ্ধার করে রানিগঞ্জের বাসরা এরিয়া হাসপাতাল ও ই সি এল এর অন্য হাসপাতাল গুলিতে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। কি কারনে এই ঘটনা কেনই বা এই ঘটনা ঘটলো, কার দোষেই বা এই ঘটনা ঘটেছে সে সকল বিষয় নিয়ে কয়লা খনির শ্রমিক সংগঠন এখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। শ্রমিক সংগঠনের দাবি খনি কর্তৃপক্ষর উদাসীনতা ও সঠিকভাবে নজরদারি না করার কারণেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

Share This
Categories
বিবিধ

অভাবকে হার মানিয়ে রাজ্যের মেধা তালিকায় শুভঙ্কর সামন্ত।

সবং, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সবং থানার অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর গ্রামের শুভঙ্কর সামন্ত পিতা লবকুশ সামন্ত পর্মানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশনের এ বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলে রাজ্যের মধ্যে নবম স্থান দখল করেছে।অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান। পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশন এর ছত্র শুভঙ্কর সামন্ত রাজ্যের নবম স্থান দখল করে আগামী দিনে ভৌত বিজ্ঞানের উপর পিএইচডি করার ইচ্ছা প্রকাশকরেছে। আজ শুভঙ্করের পরিবারের এত বড় ও ভালো ফল পরিবারের সদস্যদের কাছে এক আনন্দের মুহূর্ত। কিন্তু আগামী দিনে তার এই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎকে বাস্তবে রূপ দিতে পরিবার এই চরম ঘন আনন্দের মুহূর্তেও কিছুটা চিন্তিত। বর্তমান পরিস্থিতির উপর দাঁড়িয়ে সরকার থেকে সহযোগিতা পেলে আগামী দিনের ভবিষ্যৎটা হয়তো তার আরো উজ্জ্বল হয়ে উঠবে বলে জানাচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা।
বাড়ির পশ্চিম মেদিনীপুর, সবং থানার অন্তর্গত শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে।
স্কুল পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না থানার অন্তর্গত পরমানন্দপুর জগন্নাথ ইনস্টিটিউশন।
বাইট_ বাবা, দাদু, স্কুলের প্রধান শিক্ষক। স্কুলের প্রেসিডেন্ট। ও স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক

Share This
Categories
বিবিধ

অভাবকে হার মানিয়ে মেধা তালিকায় কালিয়াচকের শাহাবুদ্দিন।

কালিয়াচক, নিজস্ব সংবাদদাতা:- প্রতিবছরের মতো এবছরও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে উল্লেখযোগ্য ফলাফল করে নজর কেড়েছে কালিয়াচকের ছাত্র-ছাত্রীরা। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় রাজ্যে নবম স্থান অধিকার করে জেলার পাশাপাশি গোটা কালিয়াচকের মুখ উজ্জ্বল করেছে সুজাপুর হাইস্কুলের কৃতি ছাত্র মোঃ শাহাবুদ্দিন আলি। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮।
শাহাবুদ্দিনের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া পরিবার থেকে শুরু করে স্কুল ও গোটা এলাকাজুড়ে। তার বাবা সাইফুদ্দিন আহমেদ পেশায় একজন কৃষক এবং মা শিউলি খাতুন গৃহবধূ। অভাব-অনটনের মধ্য দিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে গিয়েছে শাহাবুদ্দিন। তিন ভাইবোনের মধ্যে সে মেজ। বড় দিদি ও ছোট বোনকে নিয়ে তাদের পরিবার।
পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন করেছে শাহাবুদ্দিন। তার এই কৃতিত্বে গর্বিত সুজাপুর হাইস্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে এলাকার সাধারণ মানুষও।
শাহাবুদ্দিনের এই অসাধারণ ফলাফলে গর্বিত ও আনন্দিত গোটা কালিয়াচক।

Share This
Categories
বিবিধ

করদাতাদের জন্য নতুন উদ্যোগ, আয়কর দপ্তরের ‘প্রারম্ভ ২০২৬’ কর্মসূচির সূচনা।

কলকাতা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ১৪ মে ২০২৬ তারিখে কলকাতায় প্রধান মুখ্য আয়কর আয়ুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম অঞ্চলের দপ্তরের উদ্যোগে “প্রারম্ভ ২০২৬” নামে এক বৃহৎ জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন আয়কর আইন, ২০২৫-এর বিভিন্ন বিধান সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিই ছিল এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য।

এই কর্মসূচিতে আয়কর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকবৃন্দ, বাণিজ্য ও শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিরা, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কর বিশেষজ্ঞ, করদাতা এবং সংবাদমাধ্যমের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম অঞ্চলের প্রধান মুখ্য আয়কর আয়ুক্ত সুরভি ভার্মা গর্গ বলেন যে, নতুন আয়কর আইন, ২০২৫ সরলীকরণ, স্বচ্ছতা এবং সহজ কর-অনুবর্তিতার ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি উল্লেখ করেন যে, নতুন আইনটির লক্ষ্য কর আইনকে আরও সংক্ষিপ্ত, সহজবোধ্য ও করদাতা-বান্ধব করে তোলা, যাতে কর-সংক্রান্ত বিরোধ হ্রাস পায়, কর-নিশ্চয়তা বৃদ্ধি পায় এবং স্বেচ্ছায় কর-অনুবর্তিতাকে উৎসাহিত করা যায়।

এই কর্মসূচির পরবর্তী ধাপে ১৯ ও ২১ মে ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের বিভিন্ন স্থানে আঞ্চলিক জনসংযোগমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের প্রধান আয়কর আয়ুক্তগণ এবং আয়কর আয়ুক্ত (টিডিএস)-এর নেতৃত্বে এই কর্মসূচিগুলি অনুষ্ঠিত হবে। এর উদ্দেশ্য হল করদাতা, পেশাজীবী, বাণিজ্য সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা এবং নতুন আইনের অধীনে সচেতন ও সঠিক কর-অনুবর্তিতাকে উৎসাহিত করা।

অনুষ্ঠানে আয়কর আইন, ২০২৫-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রযুক্তিগত অধিবেশন এবং অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে ইন্টার‌্যাক্টিভ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য আয়কর আয়ুক্ত শ্রী অশোক কুমার ঝা আয়কর আইন, ১৯৬১ থেকে নতুন আইন কাঠামোয় উত্তরণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করেন এবং সরলীকরণ ও করদাতা-সুবিধার বৃহত্তর উদ্দেশ্যগুলি তুলে ধরেন।

• “কর সেতু” নামে একটি শিক্ষামূলক ও জনসচেতনতামূলক নির্দেশিকা সম্পর্কে একটি বিশেষ অধিবেশন আয়োজন করা হয়, যেখানে আয়কর আইন, ১৯৬১ এবং আয়কর আইন, ২০২৫-এর মধ্যে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলীর (FAQ) মাধ্যমে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

• নতুন আয়কর আইন, ২০২৫-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত ফর্মসমূহ সম্পর্কিত তথ্যপুস্তিকা বিভিন্ন ভাষায় সাধারণ মানুষের জন্য উপলব্ধ করা হয়।

• এছাড়াও, অনুষ্ঠানে ‘কর সাথী’ এআই বট সম্বলিত বিশেষ কিয়স্ক স্থাপন করা হয়, যাতে কর-সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং দর্শনার্থীদের কর বিষয়ক প্রশ্নের ইন্টার‌্যাক্টিভ উপায়ে উত্তর প্রদান করা যায়।

এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন অংশীজন, পেশাজীবী এবং সংবাদমাধ্যমের সদস্যদের উৎসাহী অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম অঞ্চলে সচেতনতা, স্বচ্ছতা এবং করদাতা-অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠান একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে

Share This