Categories
বিবিধ

সভাধিপতি নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ, বিক্ষুব্ধ তৃণমূল শিবিরে পুলিশি অভিযান নিয়ে ক্ষোভ।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- মালদা জেলা পরিষদের বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যদের গোপন ডেরাই হানা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের। ৬ তারিখ সভাধিপতি নির্বাচনের ঠিক আগে পুলিশি অভিযানে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্য সাগরিকা সরকারের। জেলা পরিষদে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ দাবি সাগরিকার। তৃণমূলের ১৯ জন ও কংগ্রেসের ৫ জন সদস্যের সমর্থন তাদের সাথে রয়েছে বলে দাবি তার। যদিও এই নির্বাচন থেকে বিজেপির ৪ সদস্য এখনো দূরত্ব বজায় রাখার কথা জানিয়েছেন।

         পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৪৩ আসন বিশিষ্ট মালদা জেলা পরিষদে ৩৪ টি আসন দখল করে একক সংখ্যক গরিষ্ঠতা লাভ করে তৃণমূল কংগ্রেস। কংগ্রেসের ঝুলিতে যাই পাঁচটি ও বিজেপি চারটি আসন পায়। সভাধিপতি নির্বাচিত লিপিকা বর্মন ঘোষ ও সহকারী সভাধিপতি হন এটিএম রফিকুল হোসেন। কিন্তু সরকারে পালাবদলের পর তৃণমূলের 19 জন সদস্য সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা ডাকেন। তলবি সভার আগেই পদত্যাগ করেন সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি। হাইকোর্টের নির্দেশে তলবি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পাঁচ কংগ্রেস সদস্য বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যদের সমর্থন করে। উচ্চ আদালতে নির্দেশে ৬ অক্টোবর মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও সহকারী সভাধিপতি নির্বাচনের দিন ধার্য হয়েছে। তার আগে গোপন ডেরাই আছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস সদস্যরা। আর সেই জেলায় অভিযান চালায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।   

এই নিয়ে নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীরা। এর পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি সাগরিকা সরকারের। তিনি আরো দাবি করেন তৃণমূলের 19 জন ও কংগ্রেসের পাঁচ জন সদস্য তাদের সাথে রয়েছেন। ফলে মালদা জেলা পরিষদে তার সংখ্যাগরিষ্ঠ।

এই বিষয়ে বিজেপির মালদা সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায়, বলেন, তৃণমূল তৃণমূলের বিরুদ্ধে অনাস্থা করেছে এতে আমাদের কিছু বলার নেই এটা তাদের সিন্ডিকেটের ব্যাপার।।

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *