কাঠের বুকে ছেনি চালায়
একটি মানুষ ধীরে,
ঘষে ঘষে মসৃণ করে
কাঠের টুকরোটিকে।
হাতুড়ির সেই ঠুকঠাক শব্দ
ছড়িয়ে পড়ে ঘরে,
অচেনা কাঠ রূপ পায় শেষে
দক্ষ হাতের জোরে।
কেউ বানায় দরজা-জানলা,
কেউ বানায় খাট,
কেউ সাজিয়ে তোলে আবার
শিশুর পড়ার পাট।
কাঠের গায়ে দাগ কাটতে কাটতে
কেটে যায় যে বেলা,
তারই হাতে তৈরি হয়
সংসার গড়ার মেলা।
নিজের ঘরে পুরনো চেয়ার,
নিজের টেবিলখানি,
কাজের ফাঁকে সেগুলোতেই
বিশ্রাম নেয় সে মানুষটি।
কত ঘরের সুখের ছবি
তারই হাতে আঁকা,
অথচ তারই মনের কথা
থাকে আড়াল ঢাকা।
যে হাত গড়ে আশ্রয় সবার,
তারও স্বপ্ন আছে,
একটু সুখের রোদ উঠুক
তার নিজের উঠোনে।
শ্রমের মর্যাদা দিতে শেখো,
ভালোবাসো কাজ,
সৎ মানুষের ঘামে গড়া
সুন্দর হোক সমাজ।