Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৮ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৮ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—- .

১৮৭৬ – হারমান মুলার, জার্মান সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ও ১২ তম চ্যান্সেলর।

১৮৮৩ – ওয়াল্টার গ্রপিউস, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান স্থপতি ও জন এফ কেনেডি ফেডারেল ভবন পরিকল্পাকারী।
১৮৯১ – রুডলফ কারনাপ, জার্মান-আমেরিকান দার্শনিক।

১৮৯৭ – ফ্রাঙ্ক ক্যাপ্রা, ইতালীয় আমেরিকান চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং লেখক।
১৯০১ – ভিঞ্চেন্ত দু ভিগ্নেয়াউদ, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯০৫ – হেডলি ভেরিটি, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯১৩ – চার্লস ট্রেনেট, ফরাসি গায়ক ও গীতিকার।

১৯৩৩ – এইচ. ডি. দেব গৌড়া, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।
১৯৩৬ – এস এম আহমেদ হুমায়ুন, বাঙালি লেখক ও সাংবাদিক।
১৯৩৭ – জ্যাক স্যানটার, লুক্সেমবার্গ আইনজ্ঞ, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৩৮ – রবীন্দ্রজীবনকার প্রশান্তকুমার পাল।

১৯৪২ – নবি স্টিলেস, সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৪৪ – ডব্লিউ. জি. সেবাল্ড, জার্মান লেখক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৫৫ – চও ইউন-ফাট, হংকং অভিনেতা।
১৯৬০ – ইয়ানিক নোয়া, সাবেক ফরাসি টেনিস খেলোয়াড় ও গায়ক।
১৯৭০ – টিনার ফেয়, আমেরিকান অভিনেত্রী, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৭৫ – জ্যাক জনসন, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও গিটার।
১৯৭৮ – রিকার্ডো কারভালহো, পর্তুগিজ ফুটবলার।
১৯৮৬ – কেভিন অ্যান্ডারসন, দক্ষিণ আফ্রিকার টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৯০ – ইয়ুইয়া ওসাকো, জাপানি ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৯৮ – লর্ড ওয়েলেসলি গভর্নর জেনারেল হয়ে কলকাতায় আসেন।
১৮০৪ – ফ্রান্সের সংসদ সিনেটে এক আইন পাশের মধ্য দিয়ে নেপোলিয়ান বেনাপার্ট সেদেশের সম্রাট হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।
১৮৩০ – ফ্রান্স আলজেরিয়া দখলের জন্য ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে।
১৮৬০ – আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৮৯৯ – হেগে শান্তি সম্মেলনে ২৬টি দেশ আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে বিবাদ মীমাংসায় সম্মত হয়।
১৯৪৩ – জাতিসংঘ ত্রাণ ও পুনর্বাসন এজেন্সি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৫ – ইউরোপে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
১৯৭২ – বাংলা একাডেমী অর্ডার ১৯৭২ জারি করা হয়।
১৯৭৪ – রাজস্থানের পোখরানে ভারতের প্রথম পরমাণু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরমাণু বিস্ফোরণটিকে স্মাইলিং বুদ্ধ সাংকেতিক নামে অভিহিত করা হয়।
১৯৭৬ – ভারত প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ ঘটায়।
১৯৮০ – চীন আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সকল পরীক্ষা সম্পন্ন করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮৬ – অক্ষয়কুমার দত্ত, বাংলা সাহিত্যের প্রবন্ধকার ও সাংবাদিক।
১৯০৯ – ইসহাক আলবেনিজ, স্প্যানিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯২২ – শার্ল লুই আলফোঁস লাভরঁ, ফরাসি চিকিৎসক।

১৯৩৪ – চারণ কবি মুকুন্দ দাস, স্বদেশী ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় বহু স্বদেশী বিপ্লবাত্মক গান ও নাটক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।

১৯৪৩ – নীলরতন সরকার, প্রখ্যাত বাঙালি চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৫৬ – মরিস টেট, ইংল্যান্ডের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক তারকা ছিলেন।

১৯৮১ – আর্থার ওকনেল, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮৪ – নলিনীকান্ত সরকার, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, কবি, গায়ক, সাহিত্যবোদ্ধা ও ছন্দশ্রী।

১৯৯৯ – জপমালা ঘোষ, বাংলা ছড়ার গানের জনপ্রিয় গায়িকা।
২০০১ – ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড, অস্ট্রেলীয় নাগরিক, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা।
২০০৭ – পিয়ের-জিল দ্য জেন, ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।
২০০৯ – ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ, শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল দল লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম এর প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক নেতা।
২০১৫ – হাল্ডোর আসগ্রিমসন, আইসল্যান্ডীয় একাউন্টেন্ট, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম প্রধানমন্ত্রী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ বিশ্ব তথ্য সমাজ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।।।।

প্রতি বছর 17 মে বিশ্বব্যাপী বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস উদযাপন করা হয়। এই বিশেষ দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় তথ্য সোসাইটির বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলনের সময় যে দৃষ্টিভঙ্গি সেট করা হয়েছিল। লক্ষ্য হল এমন একটি সমাজ তৈরি করা যা মানুষের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং মৌলিক মানবাধিকারের উপর ভিত্তি করে উন্নয়নের লক্ষ্য রাখে।

তথ্যের শক্তি–

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবসের উদ্দেশ্য হল কীভাবে তথ্য ও যোগাযোগ সমাজকে পরিবর্তন করতে পারে সে সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। ধারণাটি হল ব্যক্তিদের তাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছানোর জন্য তথ্য এবং জ্ঞান তৈরি, অ্যাক্সেস, ব্যবহার এবং ভাগ করে নিতে সহায়তা করা। ইউনেস্কোর মতো সংস্থাগুলি এই দিনের লক্ষ্যগুলিকে সমর্থন করে এমন বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে সক্রিয়ভাবে লোকেদের উত্সাহিত করে।

জনসাধারণকে জড়িত করা–

কিছু ছুটির দিন থেকে ভিন্ন, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস একটি ছুটির দিন নয়। যাইহোক, আমাদের সংযুক্ত বিশ্বে তথ্য এবং যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য বিশ্বজুড়ে লোকেরা বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণ করে।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস 2025 থিম-

২০২৫ সালের বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় আগ্রহের বিষয়, তবে প্রতিবেদন করা বিষয়বস্তুতে কিছু ভিন্নতা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। বিভিন্ন উৎস থেকে উল্লেখিত বিষয়বস্তু এখানে দেওয়া হল :
– *”টেকসই উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবন”*: এই বিষয়টি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর জোর দেয়।
– *”ডিজিটাল রূপান্তরে লিঙ্গ সমতা”*: এই বিষয়টি ডিজিটাল লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ এবং ডিজিটাল যুগে নারী ও মেয়েদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
– – *”ভাগীকৃত সমৃদ্ধির জন্য ডিজিটাল উদ্ভাবন”*: এই বিষয়টি সকলকে সংযুক্ত করতে এবং সকলের জন্য টেকসই সমৃদ্ধি আনতে ডিজিটাল উদ্ভাবনের ভূমিকা তুলে ধরে।

উল্লেখ্য যে, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস ১৭ মে পালিত হয়, ১৮৬৫ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ কনভেনশন স্বাক্ষর এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (ITU) প্রতিষ্ঠার স্মরণে। যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য সমাজের বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন প্রচারের জন্য ITU এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবসের ইতিহাস-

এই দিনের উৎপত্তি এই দিবসে ফিরে যায়, যা 1865 সালের 17 মে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) এর প্রতিষ্ঠাকে চিহ্নিত করেছিল। 2006 সালে, জাতিসংঘ 17 মেকে এই দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছিল। প্রথম উদযাপন 17 মে, 2006-এ হয়েছিল, বিশ্বব্যাপী মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপনে ITU-এর ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিয়ে।
মূলত, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস, 1969 সালে শুরু হয়, বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের চ্যালেঞ্জগুলির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। প্রযুক্তির বিকাশের সাথে সাথে, জাতিসংঘ উদযাপনটিকে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সোসাইটি দিবসে প্রসারিত করেছে। উদ্দেশ্য হ’ল ইন্টারনেট এবং অন্যান্য প্রযুক্তি কীভাবে সমাজ এবং অর্থনীতিকে উপকৃত করতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে, ডিজিটাল বিভাজনের সেতুবন্ধন করতে পারে সে সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবসের তাৎপর্য–

যদিও টেলিযোগাযোগ দিবসের জন্য নির্দিষ্ট কোনো প্রতীক নেই, তবুও এই দিনটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা দেখানোর জন্য ইউনেস্কো আধুনিক প্রযুক্তির ছবি ব্যবহার করে। এই চিহ্নগুলি দৃশ্যত আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের বিশ্ব গঠনে তথ্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

17 মে 2025 বিশেষ দিন–

17 মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, জন-কেন্দ্রিক তথ্য সমাজের দৃষ্টিভঙ্গির পিছনে বিশ্বব্যাপী একত্রিত হওয়ার একটি অর্থবহ সুযোগের প্রতিনিধিত্ব করে। এই সংযোগ-কেন্দ্রিক অনুষ্ঠানের প্রতীকী সময় ডিজিটাল ইক্যুইটির দিকে অগ্রাধিকার পুনরুদ্ধার করার নিখুঁত সুযোগ উপস্থাপন করে, একটি মানবাধিকার হিসাবে অ্যাক্সেসের জন্য গভীর উপলব্ধি বৃদ্ধি করে এবং একটি ন্যায্য ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদ প্রকাশ করে। ইনফরমেশন সোসাইটির বিশ্ব শীর্ষ সম্মেলন যেমন সার্বজনীন অধিকারের উপর ভিত্তি করে উন্নয়নের জন্য উচ্চাকাঙ্খী লক্ষ্য নির্ধারণ করে, বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস সম্মিলিত আশাকে পুনর্নবীকরণ করে এবং এমন একটি সমাজ তৈরি করার আমাদের ভাগ করা ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাসকে পুনরুজ্জীবিত করে যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না। এই বিশেষ দিনে একত্রিত হওয়ার মাধ্যমে, আমরা সংহতির চেতনা জাগিয়ে তুলতে পারি যা প্রযুক্তির সম্ভাবনায় ভরপুর একটি ভবিষ্যতের সূচনা করে যা সকল মানুষকে ক্ষমতায়ন এবং সংযুক্ত করতে পারে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৭ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৭ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব তথ্য সমাজ দিবস।
(খ) নৌ বাহিনী দিবস। (আর্জেন্টিনা)
(গ) বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। (আন্তর্জাতিক)

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬৮২ – বার্থোলুমিউ রবার্টস, ওয়েলশ জলদস্যু।  .
১৭৪৯ – এডওয়ার্ড জেনার, ইংরেজ চিকিৎসক এবং বৈজ্ঞানিক,গুটিবসন্ত রোগের ভ্যাকসিন আবিস্কারের পথিকৃৎ।

১৮৪৫ – জ্যাসিন্ট ভার্ডাগুয়ের, কাতালান কবিদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
১৮৭৩ – ফরাসি চিন্তাবিদ ও গবেষক অঁরি বারব্যুস।
১৮৮৩ – পারসিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী খুরশেদ ফ্রানজি নরিন।
১৮৮৬ – স্পেনের ত্রয়োদশ আলফনসো, স্পেনের রাজা।

১৮৮৮ – টিচ ফ্রিম্যান, ইংলিশ ক্রিকেটার।
১৮৯৭ – (ক)  নোবেল বিজয়ী (১৯৬৯) নরওয়েজীয় ভৌতরসায়নবিদ ওড হাজেল।

(খ) রবীন্দ্রনাথের স্নেহধন্যা বিশিষ্ট গায়িকা সাহানা দেবী।
১৯০০ – আয়াতুল্লা রুহেল্লা খোমিনী, ইরানের ধর্মগুরু।
১৯৩২ – পিটার বার্জ, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৩৬ – ডেনিস হপার, মার্কিন অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, আলোকচিত্রী ও চিত্রশিল্পী।
১৯৪০ – এলান কে, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
১৯৪৫ – ভাগবত চন্দ্রশেখর, ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৫১ – পঙ্কজ উদাস, ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৬৭ – মোহাম্মদ নাশিদ, মালদ্বীপের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
১৯৮২ – রেইকো নাকামুরা, জাপানি অলিম্পিক ও এশীয় রেকর্ড-ধারী সাঁতারু।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৪০ – শেরশাহ কনৌজের যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করেন।
১৭৭৫ – ব্রিটিশ ও মারাঠা বাহিনীর মধ্যে আরারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৮৮১ – নিউ টেস্টামেন্টের পরিমার্জিত সংস্করণ ছাড়া হয়।
১৯০০ – এল ফ্রাঙ্ক বম রচিত কিশোর কাল্পনিক উপন্যাস দ্য ওয়ান্ডারফুল উইজার্ড অব অজ প্রকাশিত হয়।
১৯২০ – বিশ্বের প্রথম যাত্রীবাহী বিমান KLM চলাচল শুরু করে।
১৯৮১ – শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস।
১৯৯৮ – ভারতে কেনিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ পেয়েছিল ওয়ানডেতে প্রথম জয়ের দেখা।
১৯৯৯ – বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিষেক হয়।
২০১৯ – আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরের মালাহাইডে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে শিরোপার স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭২৭ – রাশিয়ার সম্রাজ্ঞী প্রথম ক্যাথারিন।
১৮৭০ – রাধানাথ শিকদার,ভারতীয় বাঙালি গণিতজ্ঞ ও মাউন্ট এভারেস্ট- এর উচ্চতা নিরূপণকারী ও আবিষ্কারক।
১৯১৩ – দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, বাঙালি কবি, গীতিকার ও নাট্যকার।
১৯৫৪ – নৃত্যশিল্পী বুলবুল চৌধুরী (রশীদ আহমদ চৌধুরী)।
১৯৬৫ – বিশিষ্ট বিপ্লববাদী উল্লাসকর দত্ত।
১৯৮৭ – কার্ল গুনার মিরদাল, নোবেলজয়ী সুইডিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী।
২০১৩ – হোর্হে রাফায়েল বিদেলা, আর্জেন্টিনার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।
২০১৪ – জেরাল্ড এডেলম্যান, মার্কিন জীববিজ্ঞানী৷

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৬ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১৬ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) ফারাক্কা লং মার্চ দিবস৷

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮২১ – পাফনুতি লভোভিচ চেবিশেভ, রুশ গণিতবিদ এবং গণিতের সেন্ট পিটার্সবার্গ ঘরানার প্রতিষ্ঠাতা।

১৮২৩ – হের্মান স্টাইন্‌টল, জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক ও দার্শনিক।

১৮৩১ – বাংলার নাট্যোৎসাহী,শিল্প-কলা, মানব দরদী ব্যক্তিত্ব মহারাজা বাহাদুর স্যার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর।
১৮৩১ – ডেভিড এডওয়ার্ড হিউজ, টেলি প্রিন্টার ও মাইক্রোফোনের উদ্ভাবক।

১৮৮৩ – জালাল বায়ার, একজন তুর্কি রাজনীতিবিদ ও তুরস্কের ৩য় রাষ্ট্রপতি।
১৮৯৮ – কেনজি মিজোগুচি, জাপানী চলচ্চিত্র পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯০৫ – হেনরি ফন্ডা, আমেরিকান অভিনেতা।
১৯০৬ – আর্নি ম্যাককরমিক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।
১৯১৮ – হুয়ান রুলফোর, মেক্সিকান কথাসাহিত্যিক।
১৯২৩ – ভিক্টোরিয়া ফ্রমকিন, আমেরিকান ভাষাবিদ, ইউসিএলএ-র অধ্যাপক।
১৯২৩ – মার্টন মিলার, আমেরিকান অর্থনীতিবিদ।।
১৯৩৮ – আইভান এডওয়ার্ড সাদারল্যান্ড, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
১৯৫০ – ইয়োহান গেয়র্গ বেডনৎর্স, নোবেলজয়ী জার্মান বিজ্ঞানী।
১৯৫৩ – পিয়ার্স ব্রসনান, আইরিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা, নিমার্তা ও পরিবেশবাদী।
১৯৭০ – গ্যাব্রিয়েলা সাবাতিনি, আর্জেন্টিনার টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৭২ – ম্যাথু হার্ট, নিউজিল্যান্ডীয় সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৭৬ – ডার্ক নানেস, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।
১৯৮৬ – মেগান ফক্স, আমেরিকান অভিনেত্রী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫০২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ট্রুজিল্লোতে প্রথম পা রাখেন এবং ঐ এলাকার নাম রাখে হন্ডুরাস।
১৫৩২ – ইংল্যান্ডের লর্ড চ্যানসেলর পদ থেকে স্যার টমাস মুর পদত্যাগ করেন।
১৮২২ – গ্রিসের স্বাধীনতা যুদ্ধে তুরষ্ক গৃসের সৌলি শহর দখল করে নেয়।
১৮৭৪ – মিল নদীর ভয়াবহ বন্যায় ম্যাসাচুসেটসের ৪টি গ্রাম বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং প্রায় ১৩৯ জনের প্রাণহানি ঘটে।
১৮৮১ – বার্লিনের কাছে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রাম সার্ভিস চালু হয়।
১৮৯০ – ব্রাহ্ম মহিলা সমাজের উদ্যোগে কলকাতায় ব্রাক্ষবালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৬ – উসমানীয় সাম্রাজ্যের ভাগাভাগি নিয়ে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন সাইকস-পিকট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯২০ – ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর নারী জোয়ান ডি আর্ক-কে রোমে পোপ পঞ্চদশ বেনেডিক্ট ক্যানোনাইজের মাধ্যমে সেইন্ট হিসেবে ভূষিত করেন।
১৯২৯ – হলিউডে প্রথম চলচ্চিত্রে একাডেমি পুরস্কার বা অস্কার পুরস্কার চালু হয়।
১৯৩২ – জাপানের প্রধানমন্ত্রী তসুশি ইনুকাই টোকিওতে আততায়ীর হাতে নিহত।
১৯৪৫ – জার্মান নাৎসি বাহিনী অবলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
১৯৪৬ – ব্রিটিশ কেবিনেট মিশনে ভারত বিভক্তির প্রস্তাব।
১৯৬১ – জেনারেল পার্ক চুংহির নেতৃত্বে দ. কোরিয়ার সামরিক অভ্যুত্থান।
১৯৬৯ – সোভিয়েত নভোযান ভেনাস-৫ শুক্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে।
১৯৭৪ – বাংলাদেশ-ভারত যুক্ত ঘোষণা স্বাক্ষর। বেরুবাড়ি ভারতের এবং দহগ্রাম, আসালং লাঠিটিলা ও পাথুরিয়া বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
১৯৭৪ – জোসিপ টিটো দ্বিতীয়বারের মতো সমাজতান্ত্রিত যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। এবার তিনি আজীবনের জন্য ম্যান্ডেট পান।
১৯৭৫ – সিকিম ভারতের ২২তম রাজ্য হিসাবে ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৯৭৬ – মাওলানা হামিদ খান ভাসানী ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে ঐতিহাসিক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
১৯৮৬ – সৌরজতের অভ্যন্তরভাগে শেষবারের মত দেখা যায় হ্যালির ধূমকেতু।
১৯৯১ – ইরানের প্রেসিডেন্ট খাতামির সৌদি সফর। ২০ বছরের মধ্যে এই প্রথম কোনো ইরানি প্রেসিডেন্টের সৌদি সফর।
২০০৭ – নিকোলাই সারকোজি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭০৩ – শার্ল পেরো, ফরাসি কবি, সমালোচক, পণ্ডিত, রূপকথার লেখক।

১৮৩০ – জোসেফ ফুরিয়ে, প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৯২৬ – ষষ্ঠ মুহাম্মদ, উসমানীয় খলিফা এবং সর্বশেষ উসমানীয় সুলতান।

১৯৪৭ – ফ্রেডরিখ গোল্যান্ড হপকিন্স, ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
১৯৫৪ – প্রখ্যাত নৈয়ায়িক চন্ডীদাস ন্যায়-তর্কতীর্থ, মহামহোপাধ্যায়।
১৯৬৫ – প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও সম্পাদক কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়।
১৯৭৭ – মালির প্রথম প্রেসিডেন্ট মোদিবো কেইটা।
১৯৯৪ – ফণী মজুমদার, ভারতের অগ্রণী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।
২০১৩ – হাইনরিশ রোরার, সুইজারল্যান্ডের নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী।
২০২০ – আজাদ রহমান, বাংলাদেশের বরেণ্য সংগীতজ্ঞ ও সংগীত পরিচালক।
২০২১ – অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস, জানুন কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।।।।

আজ ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস। ১৯৯৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদের এক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়। রাষ্ট্রসংঘ ১৯৯৪ সালকে আন্তর্জাতিক পরিবার বর্ষ ঘোষণা করেছিল। সমাজ ও ব্যক্তি জীবনে একটি পরিবারের ভূমিকা কি তা আমরা সকালেই জানি।

একটি শিশুর বেড়ে ওঠা থেকে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য। পরিবার এমন একটি সমাজিক বন্ধন যা একটি ব্যক্তিকে জীবনের চলার পথে সমূহ ঝড় ঝঞ্ঝা প্রতিহত করতে সহযোগিতা করে। তাই এ ক্ষেত্রে যৌথ পরিবারের ভূমিকা আরো বেশী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কারন সুখে দুঃখে সকলকে একসঙ্গে না হোক কাউকে না কাউকে পাশে পাওয়া যায়। নিজেদের সুখ দুঃক্ষ গুলো ভাগ করে নেওয়া যায়। কিন্তু দুক্ষের বিষয় হলো এই যে যতো দিন যাচ্ছে ততই ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র হচ্ছে পরিবার। কর্মের আর ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে আমরা নিজেদের ক্রমেই ভাগে ভাগে ভাগ করে নিচ্ছি। বঞ্চিত হচ্ছি, পরিবারের ছোটদের কিংবা নব প্রজন্ম কে বঞ্চিত করছি যৌথ পরিবারের আসল সুখ থেকে।
কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে মনে হচ্ছে একান্নবর্তী কিংবা যৌথ পরিবারের ধারণা যেন এখন ‘সেকেলে’ হয়ে গেছে। বিশেষ করে, শহুরে জীবন ব্যবস্থায় এই ব্যাপারটি চরম আকার ধারণ করেছে। আমরা যেন ছুটে চলেছি সুখ নামক এক অসুখের পেছনে। একা থাকব একা পরব, আমি আমার সন্তান আমার বৌ এই যেন একটা গন্ডি তৈরি করছি সকলে। কিন্তু ভুলে যাচ্ছি প্রকৃত সুখ কি সেটা ভাবতে বা বুঝতে। যৌথ পরিবারে হয়তো মতগত বিভিন্ন পার্থক্য থাকে, আর এটাই সভাবিক। কিন্তু যৌথ বা একান্নবর্তি পরিবারের মধ্যে যে সুযোগ সুবিধা গুলো থাকে সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। কিন্তু দিন দিন জেনে আমরা সেই ভাবনা থেকে সরে আসছি। এর ফলও ভুক্তে হচ্ছে ক্ষুদ্র পরিবার গুলোকে। হঠাৎ অসুখ বিসুখ, বিপদে আপদে বা বিপর্যয়ে সেই সমস্যা গুলো প্রকট হয়ে ওঠে। আমরা বুঝি না প্রতিটা অনু পরিবারও একদিন বড় হবে। সন্তান বড় হবে, তার বিয়ে হবে, তার সন্তান হবে এই ভাবেই। আর, আমরা কেবল ভাংতেই আছি!!
আমরা জানি পরিবার মানেই হচ্ছে মা, বাবা, ভাই, বোন, দাদা, দিদি, দাদু, দিদা, কাকা, কাকি সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে বসবাস। আমাদের সমাজব্যবস্থায় পরিবারের এই ধারণা প্রচলিত অতীত থেকেই। কিন্তু দিন যতোই যাচ্ছে, আমরা যেন ততোই এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসছি। যেন ক্রমেই ‘স্বামী-স্ত্রী-সন্তানে’ই সীমাবদ্ধ করে ফেলছি আমরা পরিবারকে। সেখানে মা-বাবা কিংবা দাদা-দাদীর কোন স্থান নেই। মা-বাবাকে হয়তো গ্রামের বাড়িতে কাটাতে হচ্ছে নিঃসঙ্গ-অসহায় জীবন। আবার অনেক মা-বাবার ঠিকানা হচ্ছে ‘বৃদ্ধাশ্রম’। এর থেকে বড় যান্ত্রনার অর কি হতে পারে ! অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে একান্নবর্তী কিংবা যৌথ পরিবারের ধারণা যেন এখন ‘সেকেলে’ হয়ে গেছে। বিশেষ করে, শহুরে জীবন ব্যবস্থায় এই ব্যাপারটি চরম আকার ধারণ করেছে। রক্তের বন্ধন মানেই পারিবারিক বন্ধন। পরিবারের সকল সদস্যের মধ্যে অকৃত্রিম সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তা অটুট রাখা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের চিরায়ত সমাজ ব্যবস্থায় সুন্দর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হচ্ছে, সুন্দর পারিবারিক বন্ধন। পরিবারের সকল সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বন্ধুর মতো হলে পারিবারিক নানা জটিল সমস্যা ও মোকাবেলা করা যায়। সকলের এগিয়ে চলার পথ হয় মসৃণ। তাই যৌথ পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখার মানসিকতা সৃষ্টির লক্ষে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
তবে সুপ্রাচীন কাল থেকে যে যৌথ পরিবারে চিত্র সারাবাংলা জুড়ে ছিল এখন তা অনেকটাই ম্লান। শহুরে জীবনে অনেক আগেই বিলীন হয়েছে যৌথ পরিবারের চিত্র। আগে গ্রামে কিছু যৌথ পরিবার দেখা গেলেও এখন তাও নেই। কেউ ইচ্ছে করে কিংবা কেউ কর্মের তাগিদে ভেঙে দিচ্ছে যৌথ পরিবারের ধারনা গুলো। বংশ মর্যাদা এমনকি ঐতিহ্যের পরিবারেও বিলীন একত্রে বাস করার ইতিহাস। যা দেখতে এক সময় মনুষ অভ্যস্থ ছিল তা এখন স্বপনের মতন। হয়তো সিনেমার পর্দায় কেবল ভেসে ওঠবে গল্পের মতো অতিতের ইতিহাস।
নৃবিজ্ঞানী ম্যালিনোস্কির মতে – “পরিবার হল একটি গোষ্ঠী বা সংগঠন আর বিবাহ হল সন্তান উৎপাদন ও পালনের একটি চুক্তি মাত্র”। সামনার ও কেলারের মতে- ‘পরিবার হল ক্ষুদ্র সামাজিক সংগঠন, যা কমপক্ষে দু’ পুরুষকাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে”- এ সংজ্ঞার প্রেক্ষিতে বোঝা যায়, বিবাহপ্রথার আগেও সমাজে পরিবারের সৃষ্টি হয়েছিল- কারণ এ সম্পর্কে আবদ্ধ হওয়ার আগে থেকেই মানুষ দলবদ্ধ জীবনযাত্রা করত যা পারিবারিক জীবনযাপনের স্বাক্ষরবহ। তবে বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন সংস্কৃতির পরিবারের ভূমিকা ভিন্ন ভিন্ন ভাবে পরিলক্ষিত হয়। এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বৈচিত্র্যপূর্ণ নানামুখী ধারা যে কারণে ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে এর গঠন ও অন্যান্য অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে এবং হচ্ছে। যে শিশুটি ভবিষ্যতের নাগরিক, তার মনোজগত প্রস্তুত হয় পরিবারে। পরিবারের ধারা কেমন, কী ধরনের প্রথা-রীতিনীতি, এ সবের উপর ভিত্তি করে তার জীবনভঙ্গি গড়ে ওঠে। তাই শিশুর সুষ্ঠু পারিবারিক শিক্ষা শৈশব তথা শিশুর মন তথা সাদা কাগজের পাতায় যে ছাপ রাখে, তা ওর পরবর্তী জীবনে অসাধারণ ভূমিকা রাখে। তাই রাষ্ট্র পরিচালনায় যেমন কিছু সংবিধান আছে তেমনি পারিবারিক সংবিধানও থাকা দরকার। যেমন পরিবারের সবার সঙ্গে সদ্ভাব গড়ে তোলা, সাংসারিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মিথ্যে না বলা, গুরুজনদের শ্রদ্ধা করা, নির্দিষ্ট সময়ে ঘরে ফেরা, নিজের কাজ নিজে সম্পন্ন করা, মিথ্যেকে ঘৃণা করা এবং মানবিক মূল্যবোধগুলোর চর্চার মাধ্যমে অন্তরকে বিকশিত করা। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের সমাজে প্রচলিত যৌথ পরিবারে পারস্পরিক সম্প্রীতি গভীর হয়, অটুট থাকে। অসুখ বিসুখসহ নানা সমস্যায় একে অন্যের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। এতে অনেক বড় সমস্যাও সমাধান হয়ে যায় অতি সহজে। সময়ের তাগিদে যৌথ পরিবার কিংবা পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখার বিষয়টি যখন এই সমাজে ক্রমান্বয়ে গুরুত্বহীন হয়ে উঠছে, ঠিক সেই মুহূর্তে আজকের এই আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালনের গুরুত্ব অপরিসীম। আসুন আমরা সেই ভাবনাকে বুকে নিয়ে আবার একি সূত্রে আবদ্ধ হই ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১৫ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস।

আজ যাদের জন্মদিন—- .

১৭৭৩ – ক্লেমেন্স ভন মেটরনিখ, জার্মান-অস্ট্রিয়ান রাজনীতিবিদ, রাষ্ট্রনায়ক এবং তার যুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিক।  .
১৭৮৬ – জেনারেল ডিমিট্রিস প্লাপাউটিস, গ্রিসের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান বিপ্লবী সেনানায়ক।

১৮১৭ – দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতের ধর্মীয় সংস্কারক; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা।
১৮৪৮ – ভিক্টর ভাসনেতসভ, রুশ চিত্রশিল্পী।
১৮৫৬ – এল ফ্রাঙ্ক বাম, মার্কিন লেখক।
১৮৫৭ – উইলিয়ামিনা ফ্লেমিং, স্কটল্যান্ডীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৮৫৯ – পিয়েরে কুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।
১৮৬২ – আর্থার শ্নিজলার, অস্ট্রীয় নাট্যকার।
১৮৯০ – ক্যাথেরিন অ্যান পোর্টার, মার্কিন লেখক।
১৮৯১ – মিখাইল বুলগাকভ, রুশ লেখক।
১৮৯২ – জিমি ওয়াইল্ড, মুষ্টিযোদ্ধা ।
১৮৯৫ – প্রেসকট বুশ, মার্কিন সিনেটর এবং জর্জ ডব্লিউ বুশের পিতামহ।

১৮৯৫ – উইলিয়াম ডি বায়রন, মার্কিন কংগ্রেসম্যান।
১৮৯৮ – আর্লেট্টি ফরাসি মডেল এবং অভিনয়শিল্পী।
১৮৯৯ – জিন ইটিন্নি ভ্যালুই, ফরাসি জেনারেল।
১৯০২ – রিচার্ড ডি ডেলেই, শিকাগোর মেয়র।
১৯০৩ – মারিয়া রাইখ, জার্মান বংশোদ্ভূত গণিতবিদ এবং প্রত্নতত্ত্ববিদ।
১৯০৫ – (ক)  ভারতীয় বাঙালি লেখক ও সাহিত্যিক শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ।
(খ) জোসেফ কটেন, মার্কিন অভিনেতা।
১৯০৭ – সুখদেব থাপার, ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা।
১৯০৯ – জেমস মেসন, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯১৫ – পল স্যামুয়েলসন, বিখ্যাত মার্কিন অর্থনীতিবিদ ও আধুনিক অর্থনীতির জনক।
১৯১৫ – চারু মজুমদার, ভারতীয় বিপ্লবীনেতা।
১৯৩২ – প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সাগর সেন ।
১৯৩৫ – টেড ডেক্সটার, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৬৭ – মাধুরী দীক্ষিত, প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯৮১ – প্যাট্রিস এভরা, ফরাসি-সেনেগালীয় আন্তর্জাতিক ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০০৪ – দ্বিতীয় হেনরি ইতালির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত।
১৬২৫ – অস্ট্রিয়ায় ১৬ বিদ্রোহী কৃষকের ফাঁসি হয়।
১৭৭৬ – প্রথম বাষ্প চালিত জাহাজ বানানো হয়েছিলো।
১৮১৮ – বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র বেঙ্গল গেজেট প্রকাশিত হয়।
১৯৫১ – দৈনিক সংবাদ-এর আত্মপ্রকাশ।
১৯৫৪ – আদমজি মিলে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গা। সরকারি হিসাবে নিহত ৪০০, বেসরকারি মতে ৬০০।
১৯৬০ – কঙ্গো প্রজাতন্ত্র স্বাধীন হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ব্রাজিল।
১৯৮৮ – আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহার শুরু।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৫৭ – রুশ যুবরাজ ইউরি ডলগোরুক।
১৮৮৬ – মার্কিন নারী কবি এমিলি ডিকিনসন।
১৮৯৪ – ভূদেব মুখোপাধ্যায়, একজন বিশিষ্ট লেখক এবং শিক্ষাবিদ।
১৯৩৬ – স্যার রাজেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়,ভারতের যশস্বী বাঙালী শিল্পপতি।
১৯৯৪ – সুরকার, কণ্ঠশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক আবদুল আহাদ।
২০২৩ – বাংলা চলচ্চিত্রের মিয়াভাই খ্যাত নায়ক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক)।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

এক সংগ্রামী মায়ের সংগ্রামের কাহিনী।।।।

এমন মায়ের সংগ্রাম আপনারা আগে শোনেননি। নিজের নয় বছরের মেয়েকে ঝকঝকে একটা ভবিষ্যৎ উপহার দিতে পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন ২৭ বছরের মা। উপলক্ষ একটাই, মেয়ের শিক্ষা। বাঁকুড়ার তীব্র দাবদাহ, গনগনে আগুন ছুটেছে বেশ কিছুদিন। এবার পালা বৃষ্টির। তবে গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূর থেকে প্রতিদিন বাসে করে বাঁকুড়া শহরের গোবিন্দনগর পেট্রোল পাম্পে কাজ করতে আসছেন টুম্পা সিংহ।

মাঝে মাঝে এই পেট্রোল পাম্পেই মেয়েকে নিয়ে আসেন টুম্পা। এখানেই বসে পড়াশোনা করে টুম্পার কন্যা আয়ুশী সিংহ। কেন এই কাজ করছেন টুম্পা? একজন নারী হয়েও পেট্রোল পাম্পের চাকরি করছেন বলে কি সমাজের কাছে কোনও কথা শুনতে হয়েছে তাঁকে? উত্তরে টুম্পা বলেন, “বাড়িতে বাবা মা রয়েছেন, আয়ুশীকে বড় করে তোলাই আমার লক্ষ। কষ্ট হলেও আমাকে কাজ করতে হবে। সবাই মোটামুটি মুখ চেনা হয়ে গেছে, মানুষ আমার কাজকে ছোট না করে বরঞ্চ উৎসাহ যোগায়।”
পেট্রোল পাম্প এর ওনার নিবেদিতা বিশ্বাস জানান, টুম্পার বাড়িতে তার বাবার দোকান থেকে যা আয় হয় তাতে খাবার খরচই ভাল ভাবে যোগান দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই মেয়েকে পড়াশোনা শিখিয়ে মানুষ করার জন্য টুম্পা কাজের সন্ধানে আসেন এই পেট্রোল পাম্পে। তার পর থেকেই কাজ শুরু করেছেন টুম্পা। পেট্রোল পাম্পের ওনার নিবেদিতা বিশ্বাস আরও বলেন যে, “আমি এই ফাইটিং স্পিরিটটাকে কুর্নিশ জানাই।”
একজন মা পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন। সেই ছবি যেন আরও বেশি করে অনুপ্রেরণা যোগায় মহিলাদের। প্রায় নিয়মিত গোবিন্দনগর এলাকার এই পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজের নার্সিং স্টাফ নিবেদিতা খাঁ। তিনি বলেন, “এত প্রতিকূলতার মধ্যেও জীবন যুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছেন এই দিদি। এই লড়াই সত্যিই অপ্রিসিয়েবেল।” এছাড়াও পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা আরও এক স্থানীয় বাসিন্দা ভানু বিশ্বাস বলেন, “পৃথিবীতে এর উদাহরণ বিরল। একজন মা তার সন্তানকে শিক্ষিত করতে যে কাজ করছে এরকম আর কোথাও হয়নি।”
বাঁকুড়ার টুম্পা সিংহ যেন সেই সব মেয়েরই জলন্ত উদাহরণ।

।।আবদুল হাই, বাঁকুড়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৪ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৩১৬ – চতুর্থ চার্লস, পবিত্র রোমান সম্রাট, হাউজ অফ লুক্সেমবার্গ থেকে বোহেমিয়ার দ্বিতীয় রাজা।  .
১৭৭১ – রবার্ট ওয়েন, ব্রিটিশ সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।

১৮৪৯ – ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিকে।
১৮৬৩ – জন চার্লস ফিল্ডস, কানাডীয় গণিতবিদ এবং ফিল্ডস পদক এর প্রতিষ্ঠাতা।
১৮৯২ – অগ্নিযুগের বিপ্লবী, যুগান্তর দলের নেতা ও শ্ৰীসরস্বতী প্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অরুণ চন্দ্র গুহ।
১৯০০ – কানাডার কবি রবার্ট পিঙ্ক।
১৯০৭ – আইয়ুব খান, পাকিস্তানি সেনাপতি ও রাষ্ট্রপতি।
১৯১০ – কেন ভিলজোয়েন, দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার।
১৯১০ – নে উইন, বার্মার (বর্তমান – মায়ানমার) বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সামরিক কমান্ডার ছিলেন।
১৯২৩ – মৃণাল সেন, বাঙালী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং লেখক।
১৯৪৪ – জর্জ লুকাস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৪৮ – বব উলমার, আন্তর্জাতিক ইংরেজ ক্রিকেট তারকা, পেশাদার ক্রিকেট কোচ ও ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার।
১৯৫২ – রবার্ট জেমেকিস, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং লেখক।
১৯৫৫ – পিটার কার্স্টেন, সাবেক ও প্রথিতযশা দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৫৯ – কার্লাইল বেস্ট, বার্বাডীয় বংশোদ্ভূত সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৬৯ – কেট ব্লানচেট, অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী ও নাট্য নির্দেশক।
১৯৮৩ – তাতেন্দা তাইবু, জিম্বাবুয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৮৪ – মার্ক জাকারবার্গ, জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৮৫ – জ্যাক রাইডার (কুস্তিগির), মার্কিন পেশাদার কুস্তিগির।
১৯৯৩ – মিরান্ডা কসগ্রভ, আমেরিকান অভিনেত্রী এবং গায়িকা।
১৯৯৪ – মারকিনয়োস, ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার।
১৯৯৬ – মার্টিন গ্যারিক্স, ডাচ ডিজে, রেকর্ড প্রযোজক এবং গায়ক।
১৯৯৭ – মানুষী ছিল্লার, ভারতীয় মডেল এবং মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ এর বিজয়ী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৭৫ – এ্যাংগোলা পোর্তুগীজ ঔপনিবেশিক শক্তি দখল করে নেয়।
১৬৪৩ – চতুর্দশ লুই মাত্র চার বছর বয়সে ফ্রান্সের সম্রাট হন।
১৭৯৬ – এডওয়ার্ড জেনার পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দানের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেন।
১৮১১ – স্পেনের শাসন থেকে প্যারাগুয়ে মুক্তি লাভ করে।
১৮১১ – প্যারাগুয়ের স্বাধীনতা ঘোষণা।
১৮৪২ – ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয়।
১৮৮৯ – লন্ডনে শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতা প্রতিরোধ সংস্থার উদ্বোধন হয়।
১৯১৩ – নিউ ইয়র্কের গভর্নর উইলিয়াম সুলজার রকফেলার ফাউন্ডেশনের তহবিল অনুমোদন করেন। যার হিসাব শুরু হয় জন ডি রকফেলারের ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের অর্থ দিয়ে।
১৯২৫ – ভার্জিনিয়া উলফ্-এর উপন্যাস ‘মিসেস ডলওয়ে’ প্রকাশিত হয়।
১৯৩৯ – লিনা মেডিনা চিকিৎসা ইতিহাসের সবচেয়ে কনিষ্ঠ মা হিসেবে চিহ্নিত হন। যার বয়স ছিল মাত্র পাঁচ বছর।
১৯৪৮ – সর্বশেষ ব্রিটিশ সেনাদল ফিলিস্তিন ছাড়লে ইজরায়েল স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
১৯৫০ – ওয়ারস চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৫৪ – আদমজী পাটকলে বাঙালী ও অবাঙালী শ্রমিকদের মধ্যে দাঙ্গা সংঘটিত হয়।
১৯৫৫ – সোভিয়েত রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে ওয়ার শ’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৬৫ – চীন তার দ্বিতীয় আণবিক বোমার বিস্ফারণ ঘটায়।
১৯৭৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক স্কাইল্যাব উৎক্ষেপণ।
১৯৭৬ – ইংল্যান্ডের ক্রীড়ামন্ত্রী রডেশীয় ক্রিকেট দলের ইংল্যান্ড সফর নিষিদ্ধ করেন।
২০১৮ – আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টেস্টে তাদের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম শতক করেন কেভিন ও’ব্রায়ান

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১২ – অগুস্ত স্ত্রিন্দবারি, সুয়েডীয় নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্রশিল্পী।
১৯২৫ – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড, বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
১৯৪০ – এমা গোল্ডম্যান, নৈরাজ্যবাদী রাশিয়ান লেখক।
১৯৪৩ – অঁরি লা ফোঁতেন, বেলজীয় আইনজীবী এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ব্যুরোর প্রধান।

১৯৭২ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৯৮৭ – রিটা হেওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেত্রী ও নর্তকী।

১৯৯৫ – ক্রিস্টিয়ান ব. আনফিন্সেন, মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।
১৯৯৮ – ফ্রাঙ্ক সিনাত্রা, মার্কিন গায়ক ও অভিনেতা।
১৯৯৮ – শওকত ওসমান, বাঙালি কথাসাহিত্যিক এবং প্রাবন্ধিক।
২০০১ – গিল ল্যাংলি, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।
২০০৩ – ওয়েন্ডি হিলার, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০২০ – (ক)  আনিসুজ্জামান, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক।
(খ) ড. খালিদ মাহমুদ, পাকিস্তানি বিচারক ও দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত।
(গ) দেবেশ রায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
২০২২ – অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য – প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি : দিলীপ রায়।।।।।

“দৃঢ় সত্যের দিতে হবে খাঁটি দাম, হে স্বদেশ, ফের সেই কথা জানলাম ।”
সুকান্ত ভট্টাচার্য

প্রথমেই বলে রাখি, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় গণমানুষের কবি । অসহায়-নিপীড়িত, নির্যাতিত, সর্বহারা মানুষের সুখ, দুঃখ তাঁর কবিতার মূল বিষয়। অবহেলিত মানুষের অধিকার আদায়ের স্বার্থে ধনী-মহাজন অত্যাচারী প্রভুদের বিরূদ্ধে সুকান্ত ভট্টাচার্যের কলম ছিল সক্রিয় ।

তাঁর কবিতায় ফুটে উঠেছে শোষণ-বঞ্চনার বিরূদ্ধে অভিব্যক্তি । তিনি চেষ্টা করেছেন কবিতার মাধ্যমে শ্রেণী বৈষম্য দূর করতে । সর্বক্ষণ তাঁর শ্যেন দৃষ্টি ছিল মানবতার জয়ের দিকে । অসুস্থতা এমনকি অর্থাভাব তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি । তাঁর মানবিক বোধ অবিস্মরণীয় । মানুষের কল্যাণ করা ছিল তাঁর একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান । মানবিক চেতনায় উদ্‌বুদ্ধ হয়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কাব্যধারার প্রচলিত প্রেক্ষাপটকে আমূল বদলে দিতে পেরেছিলেন । সেই কারণে আজও আমাদের কাছে তিনি নমস্য কবি ।
সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ১৫আগস্ট, ১৯২৬ এবং মৃত্যু ১৩ মে, ১৯৪৭ । তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ঠিক দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে । বাংলা সাহিত্যের নিরিখে তিনি ছিলেন তরুন কবি । তাঁর কবিতার পটভূমি মূলত মার্কসবাদী ভাবধারার এবং প্রগতিশীল চেতনার প্রেক্ষাপটে ।
বাবা ছিলেন নিবারন ভট্টাচার্য এবং মা সুনীতি দেবী । কালীঘাটের মহিম হালদার স্ট্রিটে মাতামহের বাড়িতে তাঁর জন্ম । তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল অবিভক্ত ফরিদপুর জেলার অর্থাৎ বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার, উনশিয়া গ্রামে । তিনি স্কুলে পড়ার সময় ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন । আর তা ছাড়া বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার কারণে তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার পরিসমাপ্তি ঘটে । এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুণাচল বসু । তাঁর জীবনে বাল্যবন্ধু অরুণাচল বসুর প্রভাব অবর্ণনীয় । অরুণাচল বসুর মা কবি সরলা বসু । তিনি সুকান্ত ভট্টাচার্যকে পুত্রস্নেহে ভালবাসতেন । সুকান্ত ছেলেবেলায় মাতৃহারা হলেও সরলা বসু তাঁকে সেই অভাব কিছুটা পূরণ করে দিয়েছিলেন । কবির জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছিল কলকাতার বেলেঘাটার ৩৪ হরমোহন ঘোষ লেনের বাড়িতে । সেই বাড়িটি এখনও অক্ষত আছে । শোনা যায়, পাশের বাড়িটিতে এখনও বসবাস করেন সুকান্তের একমাত্র জীবিত ভাই বিভাস ভট্টাচার্য।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, তেতাল্লিশের মম্বন্তর, ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রভৃতির বিরূদ্ধে কলম ধরেন । ১৯৪৪ সালে তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন । সেই বছর আকাল নামক একটি সংকলন গ্রন্থ তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
আট-নয় বছর বয়স থেকেই সুকান্ত লিখতে শুরু করেন । স্কুলের হাতে লেখা পত্রিকা “সঞ্চয়ে” একটি ছোট্ট হাসির গল্প দিয়ে প্রথম আত্মপ্রকাশ । তারপর কয়েকদিন পরে তাঁর লেখা বিবেকান্দের জীবনী প্রথম ছাপার মুখ দেখে বিজন গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘শিখা’ কাগজে । মাত্র এগারো বছর বয়সে ‘রাখাল ছেলে’ নামে একটি গীতিনাট্য রচনা করেন । এটি পরে ‘হরতাল’ বইতে সংকলিত হয় । এখানে জানিয়ে রাখি, পাঠশালাতে পড়ার সময়ে ‘ধ্রুব’ নাটকের নাম ভূমিকায়‍ অভিনয় করেছিলেন সুকান্ত ভট্টাচার্য । সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাল্য বন্ধু লেখক অরুণাচল বসুর সঙ্গে মিলে আরেকটি হাতে লেখা কাগজ ‘সপ্তমিকা’ সম্পাদনা করেন । সেই সময় হাতে লেখা দেওয়াল পত্রিকার প্রচলন ছিল চোখে পড়ার মতো । বেশীর ভাগ দেওয়াল পত্রিকা স্টেশনের প্লাটফর্মে সাটানো থাকত, যাতে বেশী মানুষ পড়তে পারেন । অরুণাচল বসু তাঁর আমৃত্যু বন্ধু ছিলেন ।
মার্কসবাদী চেতনায় আস্থাশীল কবি হিসেবে সুকান্ত ভট্টাচার্য কবিতা লিখে বাংলা সাহিত্যে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিলেন । সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ” দৈনিক স্বাধীনতার” (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন । সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতায় অনাচার ও বৈষ্যমের বিরূদ্ধে প্রতিবাদি কন্ঠস্বর ফুটে ওঠে । গণমানুষের প্রতি গভীর মমতা প্রকাশ পেয়েছে তাঁর প্রত্যেকটি কবিতায় । তাঁর রচনাবলির মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য: ছাড়পত্র (১৯৪৭), পূর্বাভাস (১৯৫০), মিঠেকড়া (১৯৫১), অভিযান (১৯৫৩), ঘুম নেই (১৯৫৪), হরতাল (১৯৬২), গীতিগুচ্ছ (১৯৬৫) প্রভৃতি । পরবর্তী কালে উভয় বাংলা থেকে সুকান্ত সমগ্র নামে তাঁর রচনাবলি প্রকাশিত হয় ।
পার্টি ও সংগঠনের কাজে অত্যধিক পরিশ্রমের ফলে দুরারোগ্য ক্ষয়রোগে আক্রান্ত হন এবং ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতায় মারা যান । মাত্র একুশ বৎসর বয়সে প্রতিভাধর কবির দেহাবসান ঘটে । স্বল্প বয়সে কবির দেহাবসান ঘটলেও সামান্য কয়েকবছরে অত্যাশ্চর্য কবিত্ব শক্তির পরিচয় দিয়ে গেছেন যেটা আজও আমাদের মধ্যে অমলিন । (তথ্যসূত্র: সংগৃহীত)
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রয়াণ দিবসে আমার শতকোটি প্রণাম ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ১৩ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১৩ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২২১ – আলেক্সান্দ্‌র নেভ্‌স্কি, কিয়েভের যুবরাজ।  .
১২৬৫ – ইতালির কবি দান্তে আলিঘিয়েরি।

১৪৮৩ – জার্মান ধর্মীয় নেতা বা সংস্কারক মার্টিন লুথার।
১৭০৭ – ক্যারোলাস লিনিয়াস, একজন চিকিৎসক ও প্রাণীবিজ্ঞানী।
১৮৫৭ – রোনাল্ড রস, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ চিকিৎসক ছিলেন।
১৯০৫ – ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ, ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি ।
১৯০৭ – ড্যাফনি দ্যু মারিয়েই, ইংরেজ লেখিকা এবং নাট্যকার।
১৯১৮ – বালাসরস্বতী, ভারতীয় বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী।
১৯৩৮ – জিউলিয়ানো আমাতো, ইতালীয় রাজনীতিবিদ।
১৯৩৯ – হার্ভি কাইটেল, আমেরিকান অভিনেতা।
১৯৫১ – ছড়াকার আবু সালেহ।
১৯৬৬ – নিয়াজ মোরশেদ, দাবায় উপমহাদেশের গ্র্যান্ডমাস্টার একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু।
১৯৬৭ – ম্যালানি থর্নটন, মার্কিন পপ গায়িকা যিনি জার্মানিতে খ্যাতি অর্জন করেন এবং ইউরো ড্যান্স গ্রুপ লা বাউচির একজন সদস্য।
১৯৭৭ – সামান্থা মর্টন, ইংরেজ অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক।
১৯৭৮ – নুয়ান জয়সা, কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
১৯৮১ – সানি লিওন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় এবং মার্কিন অভিনেত্রী, ব্যবসায়ী, মডেল এবং প্রাক্তন পর্নোতারকা।
১৯৮৬ – লিনা ডানাম, মার্কিন অভিনেত্রী, লেখিকা, প্রযোজক ও পরিচালক।
১৯৮৬ – রবার্ট প্যাটিনসন, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯৮৭ – আন্তোনিও আদান, স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৯৩ – রোমেলু লুকাকু, বেলজিয়ামের ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬০৭ – ভার্জিনিয়ার জেমস টাউনে আমেরিকান ভূখণ্ডে ইংরেজদের প্রথম স্থায়ী বসতি স্থাপন।
১৬৩৮ – সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
১৮০৪ – আমেরিকা আক্রমণ থেকে দিরানা শহর পুনরুদ্ধার করার জন্য ত্রিপোলি থেকে ইউসুফ কেরামানলি সৈন্য পাঠান।
১৮৩০ – স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসাবে ইকুয়েডরের প্রতিষ্ঠা লাভ।
১৮৬১ – পাকিস্তানে (ব্রিটিশ-ভারতের অংশ ছিল) প্রথম রেলপথের উদ্বোধন।
১৯৬৮ – প্যারিসে ভিয়েতনাম শান্তি আলোচনা শুরু।
১৮০৯ – অস্ট্রিয়ার সেনাদলকে পরাভূত করে নেপোলিয়ানের ভিয়েনা দখল।
১৮৪৬ – যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৬২ – ডা. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।
১৯৬৭ – ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন ড. জাকির হোসেন।
১৯৬৯ – মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বর্ণবাদ দাঙ্গায় শতাধিক নিহত।
১৯৯১ – নেপালে প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৯৫ – প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসন অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয় করেন।
২০০০ – ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৩৬ – ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্স।
১৮৮৭ – বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৩৮ – শার্ল এদুয়ার গিয়্যোম, ফরাসি-সুইজারল্যান্ডীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৭ – সুকান্ত ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চেতনার কিশোর কবি।

১৯৬১ – গ্যারি কুপার, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬৩ – সুকুমার সেন,ভারতের প্রথম নির্বাচন কমিশনার ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য।
১৯৭৪ – বাংলাদেশে বীমা শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ খুদা বকশ।
১৯৯৭ – সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক বিপ্লব দাশ।
১৯৯৯ – আব্দুল আজিজ ইবনে বায, সৌদি আরবের বিখ্যাত ইসলামী পণ্ডিত এবং সালাফি মতাদর্শের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।
২০০১ – আর.কে.নারায়ণ প্রখ্যাত ভারতীয় লেখক।
২০০৫ – উৎপলা সেন, প্রখ্যাত বাঙালি গায়িকা ।
২০১১ – বাদল সরকার,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।
২০১৯ – ডরিস ডে, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This