Categories
রিভিউ

আজ ১৩ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২২১ – আলেক্সান্দ্‌র নেভ্‌স্কি, কিয়েভের যুবরাজ।

 

১২৬৫ – ইতালির কবি দান্তে আলিঘিয়েরি।

১৪৮৩ – জার্মান ধর্মীয় নেতা বা সংস্কারক মার্টিন লুথার।

১৭০৭ – ক্যারোলাস লিনিয়াস, একজন চিকিৎসক ও প্রাণীবিজ্ঞানী।

১৮৫৭ – রোনাল্ড রস, একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ চিকিৎসক ছিলেন।

 

১৯০৫ – ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ, ভারতের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি ।

১৯০৭ – ড্যাফনি দ্যু মারিয়েই, ইংরেজ লেখিকা এবং নাট্যকার।

১৯১৮ – বালাসরস্বতী, ভারতীয় বিখ্যাত নৃত্যশিল্পী।

১৯৩৮ – জিউলিয়ানো আমাতো, ইতালীয় রাজনীতিবিদ।

১৯৩৯ – হার্ভি কাইটেল, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৫১ – ছড়াকার আবু সালেহ।

১৯৬৬ – নিয়াজ মোরশেদ, দাবায় উপমহাদেশের গ্র্যান্ডমাস্টার একজন বাংলাদেশী দাবাড়ু।

১৯৬৭ – ম্যালানি থর্নটন, মার্কিন পপ গায়িকা যিনি জার্মানিতে খ্যাতি অর্জন করেন এবং ইউরো ড্যান্স গ্রুপ লা বাউচির একজন সদস্য।

 

১৯৭৭ – সামান্থা মর্টন, ইংরেজ অভিনেত্রী, চিত্রনাট্যকার ও পরিচালক।

১৯৭৮ – নুয়ান জয়সা, কলম্বোয় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

 

১৯৮১ – সানি লিওন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় এবং মার্কিন অভিনেত্রী, ব্যবসায়ী, মডেল এবং প্রাক্তন পর্নোতারকা।

১৯৮৬ – লিনা ডানাম, মার্কিন অভিনেত্রী, লেখিকা, প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৮৬ – রবার্ট প্যাটিনসন, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৮৭ – আন্তোনিও আদান, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৯৩ – রোমেলু লুকাকু, বেলজিয়ামের ফুটবলার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬০৭ – ভার্জিনিয়ার জেমস টাউনে আমেরিকান ভূখণ্ডে ইংরেজদের প্রথম স্থায়ী বসতি স্থাপন।

১৬৩৮ – সম্রাট শাহজাহানের তত্ত্বাবধায়নে দিল্লির লাল কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

১৮০৪ – আমেরিকা আক্রমণ থেকে দিরানা শহর পুনরুদ্ধার করার জন্য ত্রিপোলি থেকে ইউসুফ কেরামানলি সৈন্য পাঠান।

১৮৩০ – স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসাবে ইকুয়েডরের প্রতিষ্ঠা লাভ।

১৮৬১ – পাকিস্তানে (ব্রিটিশ-ভারতের অংশ ছিল) প্রথম রেলপথের উদ্বোধন।

১৯৬৮ – প্যারিসে ভিয়েতনাম শান্তি আলোচনা শুরু।

১৮০৯ – অস্ট্রিয়ার সেনাদলকে পরাভূত করে নেপোলিয়ানের ভিয়েনা দখল।

১৮৪৬ – যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৬২ – ডা. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন।

১৯৬৭ – ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন ড. জাকির হোসেন।

১৯৬৯ – মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে বর্ণবাদ দাঙ্গায় শতাধিক নিহত।

১৯৯১ – নেপালে প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ – প্রথম নারী হিসেবে ব্রিটিশ বংশদ্ভূত এলিসন অক্সিজেন ও শেরপা ছাড়াই এভারেস্ট জয় করেন।

২০০০ – ভারতের লারা দত্তের বিশ্বসুন্দরী শিরোপা লাভ

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৩৬ – ভারততত্ত্ববিদ স্যার চার্লস উইলকিন্স।

১৮৮৭ – বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং প্রবন্ধকার রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৯৩৮ – শার্ল এদুয়ার গিয়্যোম, ফরাসি-সুইজারল্যান্ডীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৪৭ – সুকান্ত ভট্টাচার্য, বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল চেতনার কিশোর কবি।

 

১৯৬১ – গ্যারি কুপার, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৬৩ – সুকুমার সেন,ভারতের প্রথম নির্বাচন কমিশনার ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য।

১৯৭৪ – বাংলাদেশে বীমা শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ খুদা বকশ।

১৯৯৭ – সাংবাদিক, কথাসাহিত্যিক বিপ্লব দাশ।

 

১৯৯৯ – আব্দুল আজিজ ইবনে বায, সৌদি আরবের বিখ্যাত ইসলামী পণ্ডিত এবং সালাফি মতাদর্শের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।

 

২০০১ – আর.কে.নারায়ণ প্রখ্যাত ভারতীয় লেখক।

 

২০০৫ – উৎপলা সেন, প্রখ্যাত বাঙালি গায়িকা ।

 

২০১১ – বাদল সরকার,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।

 

২০১৯ – ডরিস ডে, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১২ মে, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১২ মে। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক ধাত্রী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৯৬ – সুইডেনের প্রথম গুস্তাভ, ১৫২৩ সাল থেকে তার মৃত্যু পর্যন্ত সুইডেনের রাজা ছিলেন।

 

১৮২০ – ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল, আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত, লেখক ও পরিসংখ্যানবিদ।

 

১৮৫৫ – প্রমথনাথ বসু,বাঙালি ভুতত্ববিদ, বিজ্ঞানী ও সমাজকর্মী।

 

১৮৬৩ – উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী, বিখ্যাত বাঙালি শিশুসাহিত্যিক ও বাংলা ছাপাখানার অগ্রপথিক।

১৮৬৭ – হিউ ট্রাম্বল, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক ছিলেন।।

 

১৮৯৫ – উইলিয়াম ফ্রান্সিস জিওক, মার্কিন রসায়নবিদ।

 

১৯০৭ – ক্যাথরিন হেপবার্ন, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯১০ – জেমস ডাডলি, আমেরিকান বেসবল খেলোয়াড় এবং পেশাদার রেসলিং ম্যানেজার ও নির্বাহী।

১৯১০ – ডরোথি মেরি হজকিন, ব্রিটিশ রসায়নবিজ্ঞানী।

 

১৯১৩ – ত্রিপুরা সেনগুপ্ত, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯২৪ – অ্যান্টনি হিউসিস, নোবেলজয়ী (১৯৭৪) ব্রিটিশ মহাকাশ বিজ্ঞানী।

১৯২৯ – স্যাম নজুমা, নামিবীয় বিপ্লবী, বর্ণবাদ বিরোধী কর্মী এবং রাজনীতিবিদ।

১৯৩৭ – জর্জ কার্লিন, আমেরিকান কৌতুক অভিনেতা, অভিনেতা এবং লেখক। (মৃ. ২০০৮)

১৯৪১ – আহমদুল্লাহ, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়ার প্রধান মুফতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমীর।

১৯৭৭ – মরিয়ম মির্জাখানি, ইরানি গণিতবিদ। (মৃ. ২০১৭)

১৯৭৯ – মিলা ইসলাম, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৮০ – ঋষি সুনক, ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ব্রিটেনের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন ২০২২ সালের ২৮ অক্টোবরে।

১৯৮১ – রামি মালেক, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮৬ – এমিলি ভ্যানক্যাম্প, কানাডিয়ান অভিনেত্রী।

১৯৮৭ – কিরণ পোলার্ড, ত্রিনিদাদীয় ক্রিকেটার।

১৯৮৮ – মার্সেলো ভিয়েরা, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৯৭ – ওদেয়া রাশ, ইস্রায়েলি অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৬৬ – মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য শিবাজি আগ্রায় আসেন।

১৮৭৭ – ভারতীয় মুসলমানদের প্রথম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডানের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯১৫ – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম ব্যক্তিত্ব রাসবিহারী বসু বৃটিশের শ্যেন চক্ষু ফাঁকি দিয়ে কলকাতার খিদিরপুর বন্দর হতে জাপানি জাহাজ ‘সানুকি-মারু’ সহযোগে তিনি ভারতবর্ষ ত্যাগ করেন।

১৯৪১ – আডলফ হিটলার ইরাকের স্বাধীনতা সংগ্রামী রশীদ আলি গিলানির জন্য দুইটি বোমারু বিমান প্রেরণ করেছিলেন।

১৯৪৯ – পশ্চিম বার্লিনের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন আরোপিত অবরোধের অবসান ঘটে ।

১৯৫৫ – সিলেটের হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।

১৯৬৫ – বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড়ে ১৭ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় স্পেন ও দক্ষিণ কোরিয়া।

১৯৯৪ – আজারাইজান প্রজাতন্ত্র এবং আর্মেনিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বিরতি হয়।

২০১৮ – বাংলাদেশ সময় রাত ২:১৪ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭০০ – জন ড্রাইডেন, ইংরেজ লেখক, কবি ও নাট্যকার ছিলেন।

১৮৪৫ – আউগুস্ট ভিলহেল্ম ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি, অনুবাদক ও সমালোচক।

 

১৯৪০ – বিশিষ্ট কর্মব্রতী, সাহিত্যানুরাগী ও রবীন্দ্রনাথ পরিকল্পিত শ্রীনিকেতনের মুখ্য সংগঠক কালীমোহন ঘোষ ।

 

১৯৪১ – দীনেশরঞ্জন দাশ, বাঙালি লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ।

১৯৫৭ – এরিক ভন স্ট্রোহেইম, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা।

 

১৯৭১ – সাদত আলী আখন্দ, প্রবন্ধকার, সাহিত্যিক।

 

২০০১ – ডিডি, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

 

২০০৫ – মার্টিন লিংগস, যার ইসলামিক নাম আবু বক্কর সিরাজুদ্দিন, তিনি একজন পশ্চিমা লেখক, শিক্ষাবিদ ও ফ্রিটজফ শুয়ানের শিষ্য ও শেক্সপিয়র বিষয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তি ছিলেন।

 

২০১৫ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

২০১৯ – হায়াৎ সাইফ, বাংলাদেশি কবি ও সাহিত্য সমালোচক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

উচ্চ রক্তচাপ এবং শ্রবণ ক্ষতি: শব্দ দূষণের অজানা প্রভাব।

শব্দ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।  একটি নির্দিষ্ট ডেসিবেলের উপরে শব্দ কানের ড্রাম এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।  আমরা যাতে মানুষকে প্রভাবিত না করি তা নিশ্চিত করার জন্য শব্দ এবং সঙ্গীত বাজানোর সময় একটি নির্দিষ্ট সাজসজ্জা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।  শব্দ দূষণের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, বক্তৃতা বাধা, শ্রবণশক্তি হ্রাস, ঘুমের ব্যাঘাত এবং উত্পাদনশীলতা হারানোর মতো স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।  দীর্ঘ সময়ের জন্য শব্দের সংস্পর্শে থাকা মানুষের পাশাপাশি প্রাণীদের জন্যও মারাত্মক হতে পারে।  প্রতি বছর, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত হয় যাতে আমরা আমাদের স্বাস্থ্যের উপর শব্দের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে আরও সচেতন হতে পারি।  আমরা এই বছরের গুরুত্বপূর্ণ দিনটি উদযাপন করার জন্য প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথে এখানে কয়েকটি বিষয় রয়েছে যা আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।
তারিখ—-
প্রতি বছর, ২৫ এপ্রিল আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালন করা হয়। এই বছর, আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস বৃহস্পতিবার পড়ে।
ইতিহাস—
১৯৯৬ সালে, সেন্টার ফর হিয়ারিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন (CHC) শব্দ দূষণের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ঘোষণা করে।  এই দিনটি মানুষকে একত্রিত হওয়ার এবং শব্দ দূষণ কমানোর উপায় খুঁজে বের করার এবং একটি স্বাস্থ্যকর গ্রহে অবদান রাখার আহ্বান জানায়।
তাৎপর্য—
শব্দ দূষণের সবচেয়ে সাধারণ প্রভাবগুলির মধ্যে একটি হল শ্রবণশক্তি হ্রাস।  ফিটনেস ক্লাস হোক বা বিনোদনের মাধ্যম হোক বা কনসার্ট, দীর্ঘ সময়ের জন্য শব্দের সংস্পর্শে আসা আমাদের জন্য মারাত্মক হতে পারে।  শব্দের প্রভাব সম্পর্কে নিজেদেরকে শিক্ষিত করা এবং শব্দ কমাতে আমরা যে উপায়গুলি নিযুক্ত করতে পারি সে সম্পর্কে আরও সচেতন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ৷  বেশির ভাগ মানুষ তাদের শরীরে শব্দের প্রভাব বুঝতে পারে না যতক্ষণ না অনেক দেরি হয়ে যায়।  আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উদযাপনের সর্বোত্তম উপায় হ’ল মানুষের স্বাস্থ্যের উপর শব্দের প্রভাব সম্পর্কে নিজেদেরকে শিক্ষিত করা এবং আমাদের উপর শব্দের প্রভাব কমানো নিশ্চিত করার উপায়গুলি অন্বেষণ করার জন্য অন্যদের সাথে চিন্তাভাবনা করা।
।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব সহনশীলতা ও উদ্ভাবনী দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮২ – জার্মান শিক্ষাবিদ ও কিন্ডারগার্টেন শিশুশিক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তক ফ্রেডরিক ফ্রোয়েবল।

 

১৮১৬ – ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি শার্লট ব্রন্টি।

১৮২৮ – হিপোলালিটি টেইনি, প্রখ্যাত ফরাসী শিল্পী, সাহিত্যিক এবং ঐতিহাসিক।

 

১৮৬৪ – মাক্স ভেবার, জার্মান সমাজবিজ্ঞান, দার্শনিক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।

১৮৮৯ – পল কারার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান-সুইস রসায়নবিদ এবং শিক্ষাবিদ।

 

১৯০০ – বিশিষ্ট বাঙালি বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক সুধীরনাথ সান্যাল।

১৯১৫ – অ্যান্থনি কুইন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা।

১৯২২ – অ্যালান ওয়াটকিন্স, ওয়েলশ-ইংলিশ ক্রিকেটার।

১৯২৬ – দ্বিতীয় এলিজাবেথ, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য অধিভুক্ত অঞ্চলের রানী।

 

১৯৪৫ – শ্রীনিবাসরাঘবন ভেঙ্কটরাঘবন, ভারতীয় ক্রিকেটার এবং আম্পায়ার।

 

১৯৬৬ – সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার মাইকেল ফ্রান্টি।

১৯৭৯ – জেমস ম্যাকঅ্যাভয়, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৯২ – ইস্কো, স্পেনীয় ফুটবলার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৮২৯ – সেক্সশান এগবার্ট ব্রিটেনের প্রথম রাজা হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।

১৫২৬ – পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৫২ – লন্ডন ও রোমের মধ্যে প্লেন চালনার মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম জেট প্লেন চলাচল শুরু।

১৯৬২ – আলজেরিয়ায় ফরাসি সেনা বিদ্রোহ শুরু।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সিয়েরা লিওন।

১৯৭৫ – ভারতের ফারাক্কা ব্যারেজ চালু।

২০১৯ – শ্রীলঙ্কায় গির্জা হোটেলে ও মসজিদে ধারাবাহিক বোমা হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ২৯০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১০ – মার্ক টোয়েইন, একজন মার্কিন রম্য লেখক, সাহিত্যিক ও প্রভাষক।

 

১৯৩৮ – মহম্মদ ইকবাল,বৃটিশ ভারতের প্রখ্যাত কবি, দার্শনিক এবং রাজনীতিবিদ।

 

১৯৬৫ – এডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৮৪ – মোহাম্মদ মোদাব্বের, সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

১৯৮৮ – শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ, বাঙালি লেখক ও সাহিত্যিক।

 

১৯৯৬ – আবদুল হাফিজ কারদার, ভারতের লাহোরে জন্মগ্রহণকারী পাকিস্তানের ক্রিকেটার।

 

২০১৩ – শকুন্তলা দেবী, ভারতীয় লেখক এবং মানব ক্যালকুলেটর।

 

২০১৫ – পূর্ণদাস বাউল, ভারতীয় বাঙালি বাউল গান শিল্পী।

 

২০১৫ – জানকীবল্লভ পট্টনায়ক, রাজনীতিবিদ এবং ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০১৭ – লাকী আখান্দ, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

 

২০২১ – শঙ্খ ঘোষ বাঙালি কবি ও সাহিত্য সমালোচক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

অনুরূপা দেবী : বাঙালি নারী সাহিত্যিক ও সংস্কারকের চিরায়িত অবদান।

অনুরূপা দেবী, ৯ সেপ্টেম্বর, ১৮৮২ সালে কলকাতার শ্যামবাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন, ব্রিটিশ ভারতে একজন অগ্রগামী বাঙালি নারী ঔপন্যাসিক, ছোট গল্প লেখক, কবি এবং সমাজ সংস্কারক হিসেবে আবির্ভূত হন। তার সাহিত্যিক অবদান, ১৯১১ সালে তার প্রথম উপন্যাস “পশ্যপুত্র” প্রকাশের দ্বারা চিহ্নিত, তাকে লাইমলাইটে ছড়িয়ে দেয়। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে “মন্ত্রশক্তি” (১৯১৫), “মহনিষা” (১৯১৯), এবং “মা” (১৯২০), যা তাকে প্রথম নারী কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে একজন করে তোলে যিনি বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব অর্জন করেন। সেই সময়ের সাহিত্য ও সমাজ সংস্কার আন্দোলনের গভীরে প্রোথিত একটি পরিবারে প্রস্থ দেবীর যাত্রা শুরু হয়েছিল। তার বাবা মুকুন্দদেব মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং লেখক, আর তার মা ছিলেন ঘনসুন্দরী দেবী। ভূদেব মুখোপাধ্যায় এবং নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো সাহিত্যিকরা ছিলেন তার পিতৃপুরুষ এবং তার খালা ইন্দিরা দেবী ছিলেন আরেকজন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব।

শৈশবে শারীরিক অসুস্থতার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, প্রস্থ দেবীর শিক্ষা শুরু হয় বাড়িতে, তার পরিবারের তত্ত্বাবধানে। তার খালা সুরুপা দেবীর আবৃত্তির মাধ্যমে তিনি মহাকাব্য, রামায়ণ এবং মহাভারতের সাথে পরিচিত হন, যা তার সাহিত্য সাধনার ভিত্তি স্থাপন করেছিল। সাহিত্যের এই প্রথম দিকের এক্সপোজার, শেখার জন্য তার সহজাত আবেগের সাথে মিলিত হয়ে, তাকে সংস্কৃত এবং হিন্দিতে আয়ত্ত করতে এবং পাশ্চাত্য বিজ্ঞান ও দর্শনে প্রবেশ করতে সক্ষম করে। রাণী দেবী ছদ্মনামে প্রকাশিত তার প্রথম গল্পের মাধ্যমে প্রস্থ দেবীর সাহিত্য জীবন শুরু হয়, কুন্টলিন পুরস্কার জিতেছিল। তার প্রথম উপন্যাস, “তিলকুঠি”, ১৯০৪ সালে নাভানুর ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু এটি ছিল ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত “পশ্যপুত্র”, যা তাকে সাহিত্য জগতে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।

তার সাহিত্যিক কৃতিত্বের বাইরে, প্রস্থ দেবী গভীরভাবে সামাজিক সংস্কারের সাথে জড়িত ছিলেন, বিশেষ করে নারীর অধিকার এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে। তিনি কাশী এবং কলকাতায় বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং বেশ কয়েকটি মহিলা কল্যাণ আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৩০ সালে, তিনি মহিলা সমবায় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তাকে বাংলায় নারী অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত হিসাবে চিহ্নিত করে। প্রস্থ দেবীর জীবন ১৯ এপ্রিল, ১৯৫৮ সালে শেষ হয়েছিল, কিন্তু একজন লেখক এবং সংস্কারক হিসাবে তার উত্তরাধিকার অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

অনুরূপা দেবীর প্রারম্ভিক শিক্ষা থেকে শুরু করে ভারতীয় মহাকাব্যের সমৃদ্ধিতে ভরা সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারে তার উল্লেখযোগ্য অবদান তাকে বহুমুখী ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখায়। নারীর মর্যাদা উন্নীত করার জন্য তার নিবেদনের সাথে মিলিত হয়ে তার সময়ের সামাজিক অবস্থার প্রতিফলনকারী আখ্যান বুনতে তার ক্ষমতা তার গল্পকে শুধু ব্যক্তিগত বিজয়ের গল্প নয় বরং সামাজিক অগ্রগতির আখ্যান করে তোলে। অনুরূপা দেবীর জীবন এবং কাজ উচ্চাকাঙ্ক্ষী লেখক এবং সমাজ সংস্কারকদের জন্য একটি আলোকবর্তিকা হিসাবে রয়ে গেছে, যা পরিবর্তনের জন্য সাহিত্য এবং সক্রিয়তার শক্তিকে চিত্রিত করে।

অনুরূপা দেবী ৩৩টি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তার অন্যান্য জনপ্রিয় উপন্যাসগুলি হল বাগ্দত্তা (১৯১৪), জ্যোতিঃহারা (১৯১৫), মন্ত্রশক্তি (১৯১৫), মহানিশা (১৯১৯), মা (১৯২০), উত্তরায়ণ ও পথহারা (১৯২৩)। তার লেখা মন্ত্রশক্তি, মহানিশা, মা, পথের সাথী (১৯১৮) ও বাগ্দত্তা নাটকে রূপান্তরিত হয়েছিল। জীবনের স্মৃতিলেখা তার অসমাপ্ত রচনা।তার অন্যান্য বইগুলি হল: রামগড় (১৯১৮), রাঙাশাঁখা (১৯১৮) বিদ্যারত্ন (১৯২০), সোনার খনি (১৯২২), কুমারিল ভট্ট (১৯২৩), সাহিত্যে নারী, স্রষ্ট্রী ও সৃষ্টি (১৯৪৯), বিচারপতি ইত্যাদি।

সম্মাননা—–

প্রথম প্রকাশিত গল্পের জন্য কুন্তলীন পুরস্কার লাভ; শ্রীভারতধর্ম মহামন্ডল থেকে “ধর্মচন্দ্রিকা” উপাধি লাভ (১৯১৯); শ্রীশ্রীবিশ্বমানব মহামন্ডল থেকে “ভারতী” উপাধি লাভ (১৯২৩); কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদত্ত জগত্তারিণী স্বর্ণপদক লাভ (১৯৩৫); ভুবনমোহিনী দাসী স্বর্ণপদক লাভ (১৯৪১); কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লীলা লেকচারার পদে অধিষ্ঠিত (১৯৪৪)।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

অমর সুরের জাদুকরী : যূথিকা রায়ের সঙ্গীত জীবনের উত্থান ও সাফল্যের কাহিনী।

যুথিকা রায়, একজন প্রখ্যাত বাংলা ভজন গায়ক, ভারতীয় সঙ্গীতের দৃশ্যে একটি অমোঘ চিহ্ন রেখে গেছেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে, রয়ের ব্যতিক্রমী প্রতিভা হিন্দি এবং বাংলা উভয় সিনেমাতেই উজ্জ্বলভাবে আলোকিত হয়েছে, যা ভক্তিমূলক স্তোত্র এবং ৩০০ টিরও বেশি চলচ্চিত্রের পটভূমিতে অবদান রেখেছে। আমতা, হাওড়ায় জন্মগ্রহণ করেন, তবে মূলত সেনহাটি, খুলনা, বাংলাদেশের, রায়ের সঙ্গীত যাত্রা শুরু হয় কলকাতার চিৎপুরে, 1930 সালে তার বাবার চাকরির দাবিতে সেখানে স্থানান্তরিত হওয়ার পর। ছোটবেলা থেকেই গানের প্রতি তার অনুরাগকে স্বীকার করে, রায় বরানগরে জ্ঞানরঞ্জন সেনের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু করেন।

তার সম্ভাবনা শীঘ্রই কাজী নজরুল ইসলাম দ্বারা স্বীকৃত হয়, যার ফলে ১৯৩০ সালে তার প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড, ‘স্নিগ্ধ শ্যাম বেণী বর্ণ’, যা প্রকাশিত না হওয়া সত্ত্বেও, তার চূড়ান্ত সাফল্যের পথ প্রশস্ত করে। রায়ের কর্মজীবন একটি উল্লেখযোগ্য মোড় নেয় যখন প্রণব রায় ‘রাগা ভোরের যুথিকা’ এবং ‘সাঁঝের তারা আমি পথ হারে’ গানগুলি রচনা করেন, যা ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে। এই প্রশংসা একটি সমৃদ্ধ কর্মজীবনের জন্য মঞ্চ তৈরি করে, অবশেষে ভারত সরকার থেকে ১৯৭২ সালে তাকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী অর্জন করে।

ভক্তিমূলক ভজন এবং আধুনিক গান সহ রায়ের ভাণ্ডার বিশাল ছিল, যার মধ্যে ১৭৯ টি রেকর্ড রয়েছে। গভীর আধ্যাত্মিক আবেগ জাগিয়ে তোলার ক্ষমতা তাকে মহাত্মা গান্ধী এবং জওহরলাল নেহরুর প্রিয় করে তোলে, গান্ধী তাকে ‘মীরাবাই’ উপাধি দিয়েছিলেন। তার অবদান শুধু রেকর্ডিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি সিংহলী এবং পূর্ব আফ্রিকা সহ ভারত জুড়ে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পারফর্ম করেছেন এবং প্রধান ভারতীয় শহরগুলি থেকে রেডিও সম্প্রচারে অংশ নিয়েছেন। ১৯৩৭ সালে, রামকৃষ্ণ পরমহংসের জন্মশতবর্ষ স্মরণে, তিনি কাজী নজরুল ইসলাম এবং কমল দাশগুপ্ত দ্বারা রচিত দুটি উল্লেখযোগ্য ভক্তিমূলক গান গেয়েছিলেন।

তার অসংখ্য রেকর্ডিংয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘এনি বর্ষা চেলা আগল’ এবং ‘তুমি যে রাধা হেদা শ্যাম’-এর মতো গান, যা একজন গায়ক হিসেবে তার বহুমুখীতা এবং গভীরতা প্রদর্শন করে। তার জীবন, ব্রহ্মচর্য এবং সঙ্গীতে নিবেদিত, ৯৩ বছর বয়সে ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪-এ কলকাতার রামকৃষ্ণ মিশন সেবা প্রতিষ্টাতে শেষ হয়েছিল। ভারতে ভজন গানে অগ্রগামী হিসেবে যুথিকা রায়ের উত্তরাধিকার অতুলনীয়, তার কণ্ঠ ভক্ত ও সঙ্গীতপ্রেমীদের অনুপ্রাণিত ও অনুরণিত করে চলেছে।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ

একজন বিপ্লবী নারীর গল্প : পারুল মুখার্জির অবদান ও ত্যাগ।

পারুল মুখার্জি, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে খোদাই করা একটি নাম, তিনি ছিলেন সাহস ও সংকল্পের আলোকবর্তিকা। পারুলবালা মুখার্জি হিসেবে ১৯১৫ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন, ঢাকায় শিকড় সহ, তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে একটি শক্তিশালী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন। তার জীবনের যাত্রা, সাহসিকতা এবং স্বাধীনতার প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দ্বারা চিহ্নিত, অগ্নি যুগে একজন বিপ্লবী হিসাবে তার ভূমিকার একটি প্রাণবন্ত ছবি আঁকা।

পারুলের পরিবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিমজ্জিত ছিল, তার বাবা গুরুপ্রসন্ন মুখার্জি এবং মা মনোরমা দেবীর সাথে, তার প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন। তার ছোট বোন ঊষা মুখার্জি এবং বড় ভাই অমূল্য মুখার্জি সহ তার ভাইবোনরাও স্বাধীনতার লড়াইয়ে গভীরভাবে জড়িত ছিলেন। রাজনৈতিকভাবে অভিযুক্ত পরিবেশে এই লালনপালন তার বিপ্লবী উদ্যোগের বীজ বপন করেছিল।

তিনি তার পিতামহের আদর্শ দ্বারা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন, যা তাকে অল্প বয়সে রাজনীতির জগতে প্ররোচিত করেছিল। পূর্ণানন্দ দাশগুপ্তের নির্দেশনায় গুপ্ত বিপ্লবী পার্টির সাথে তার যোগসাজশ এই কারণে তার প্রতিশ্রুতিকে দৃঢ় করে। পারুল ব্রিটিশ শনাক্তকরণ এড়াতে শান্তি, নীহার, আরতি এবং রানীর মতো বিভিন্ন উপনামের অধীনে কাজ করত, শুধুমাত্র কয়েকজন তার আসল পরিচয় সম্পর্কে অবগত।

1935 সালে, তার গোপন কার্যকলাপের কারণে তাকে উত্তর 24 পরগণার গোয়ালাপাড়ার টিটাগড়ের একটি গোপন অস্ত্রের ঘাঁটিতে গ্রেফতার করা হয়। সেই বছরের শেষের দিকে, টিটাগড় ষড়যন্ত্র মামলায় তার জড়িত থাকার জন্য একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনালে পুরুষ সমকক্ষদের পাশাপাশি তিনি বিচারের মুখোমুখি হন। চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, বোমা এবং বিস্ফোরক তৈরিতে পারুলের দক্ষতা বিপ্লবী কারণের প্রতি তার উত্সর্গ প্রদর্শন করে।

1939 সালে তার মুক্তির পর, পারুল তার বিপ্লবী প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে সমাজসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে একাকীত্বের পথ বেছে নেন। তিনি একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গঠন করেছিলেন, বিপ্লবী আদর্শের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে যা তার জীবনকে পরিচালিত করেছিল। পারুল মুখার্জি 20 এপ্রিল, 1990-এ মারা যান, তিনি স্থিতিস্থাপকতা এবং অটুট দেশপ্রেমের উত্তরাধিকার রেখে গেছেন।

পারুল মুখার্জির গল্প ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনে নারীদের অবদানের একটি প্রমাণ, যা প্রায়শই ছাপিয়ে যায় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। তার জীবন স্বাধীনতার চেতনা এবং ভারতের মুক্তির জন্য অগণিত ব্যক্তিদের দ্বারা করা আত্মত্যাগের উদাহরণ দেয়। আমরা তাকে স্মরণ করার সাথে সাথে, আমরা একজন অমিমাংসিত নায়কের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করি যার কর্মগুলি আমাদের জাতির ইতিহাসের গতিপথকে গঠনে সহায়ক ছিল।

Share This
Categories
রিভিউ

২০ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৬৮ – জোশুয়া মার্শম্যান ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গে খ্রিষ্টান ধর্মপ্রচারক।

 

১৮০৮ – তৃতীয় নেপোলিয়ন, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৮৪৪ – বাংলার নবজাগরণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়।

 

১৮৮৯ – আডলফ হিটলার, সাবেক জার্মান চ্যান্সেলর।

১৮৯৩ – জোয়ান মিরো, কাতালান স্পেনীয় চিত্রশিল্পী, ভাস্কর্যশিল্পী এবং সিরামিকান।

 

১৮৯৩ – হ্যারল্ড লয়েড, মার্কিন অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯০৫ – অগ্নিযুগের বিপ্লবী,সুভাষচন্দ্রের ঘনিষ্ঠ অনুগামী জ্যোতিষচন্দ্র জোয়ারদার।

 

১৯০৭ – মিরন বক্স, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

 

১৯১৪ – সাধনা বসু, বাংলা মঞ্চের ও সবাক চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের অভিনেত্রী ও নর্তকী।

 

১৯১৮ – শওকত আলী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা।

১৯১৮ – কাই মানে বোরিয়ে জিগবান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯২০ – যূথিকা রায় ভারতের বাঙালি কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯২৪ – নিনা ফাশ, ওলন্দাজ মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯২৭ – কার্ল আলেকজান্ডার মুলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩৭ – জর্জ টাকেই, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৩৯ – গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড, নরওয়েজিয়ান চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ২২ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪১ – রায়ান ওনিল, মার্কিন অভিনেতা ও সাবেক মুষ্টিযোদ্ধা।

১৯৪৫ – থিন সিন, মায়ানমার রাজনীতিবিদ ও সাবেক সামরিক কমান্ডার।

১৯৪৯ – জেসিকা ল্যাং, মার্কিন চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

 

১৯৪৯ – মাসিমো দালেমা, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯৬৪ – অ্যান্ডি সার্কিস, ইংরেজ অভিনেতা এবং পরিচালক।

১৯৬৬ – ডেভিড ফিলো, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং ইয়াহু! এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৭২ – কারমেন ইলেকট্রা, মার্কিন মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৭২ – যেলজক জক্সিমভিক, সার্বীয় গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫২৬ – পানিপথের যুদ্ধে মোগলরা আফগানদের পরাভূত করে।

১৭৭০ – ব্লাক নিউ সাউথ ওয়েলস আবিষ্কার করেন।

১৮৮৯ – ফরাসী বিপ্লবের শতবর্ষ পূর্তিতে স্মারকস্তম্ভ ৯৮৫ ফুট উঁচু আইফেল টাওয়ার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।

১৯০২ – কিউবা থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়।

১৯১৯ – মন্টিনিগ্রোর রাজা নিকোলাস সিংহাসনচ্যুত।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ ব্রিগেডের ফ্রান্সে পদার্পণ।

১৯৪৫ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর বার্লিনে প্রবেশ।

১৯৪৬ – সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়।

১৯৫৯ – নদার্ন রোডেশিয়ায় নির্বাচনে ইউনাইটেড ফেডারেল পার্টির জয়।

১৯৬৪ – লাওসে সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ।

১৯৭২ – যুক্তরাষ্ট্রের এ্যাপোলো-১৬’র নভোচারীরা নিরাপদে চাঁদে অবতরণে সফল।

১৯৭৬ – জেরুজালেমে ইসরাইল বিরোধী দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে।

১৯৮৬ – শ্রীলংকায় একটি বিশাল সেচ মজুদাগারে ফাটল ধরে বিরাট এলাকা জুড়ে প্লাবন । দুশতাধিক প্রাণহানি। ২০ হাজার পরিবার গৃহহীন।

১৯৯৮ – ইকুয়েডরের যাত্রীবাহী বিমান কলম্বিয়ার পার্বত্যাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়ে ৫৩ আরোহীর সবাই নিহত।

২০১২ – পাকিস্তানের ইসলামাবাদের কাছে বেনজির ভুট্টো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর সন্নিকটে আবাসিক এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৭ জন নিহত হয়।

২০১৩ – চীনের সিচুয়ান প্রদেশে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ১৫০ জনেরও বেশি নিহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৭৯ – রাজা দিগম্বর মিত্র, ডিরোজিওর অন্যতম শিষ্য, কলকাতার প্রথম শেরিফ।

 

১৯১২ – আব্রাহাম ব্রাম স্টোকার, আইরিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ লেখক ও ড্রাকুলারে স্রষ্টা।

১৯১৮ – কার্ল ফার্দিনান্দ ব্রাউন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩২ – গিউসেপে পেয়ানো, ইতালীয় গণিতবিদ ও দার্শনিক।

 

১৯৫২ – সুধীরলাল চক্রবর্তী, বাংলা ভাষার সুরকার ও সঙ্গীতজ্ঞ ও সুগায়ক।

 

১৯৬০ – পান্নালাল ঘোষ ভারতের বাঙালি বংশীবাদক ও সুরকার।

১৯৯০ – পারুল মুখোপাধ্যায়, অগ্নিযুগের নারী বিপ্লবী।

১৯৯১ – ডোনাল্ড সিজেল, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৯২ – বেনি হিল, ইংরেজ কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৯৩ – কান্টিনফ্লাস, মেক্সিক্যান অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৩ – বার্নার্ড কাট্‌স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

২০১১ – জেরার্ড স্মিথ, মার্কিন গিটারবাদক।

 

২০১৯ – অমর পাল,ভারতের বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লেখক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৯ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩২ – হোসে এচেগারাই, স্পেনীয় কবি ও নাট্যকার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৮৭৩ – সিডনি বার্নস, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৮৮২ – জেতুলিউ ভার্গাস, ব্রাজিলীয় উকিল এবং রাজনীতিবিদ, ব্রাজিলের ১৪তম প্রেসিডেন্ট।

 

১৯০৯ – শ্রীরামকৃষ্ণ অনুশাসনের স্বামী লোকেশ্বরানন্দ জন্ম গ্রহণ করেন।

১৯১২ – গ্লেন থিওডোর সিবোর্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ।

 

১৯৩১ – ফ্রেড ব্রুক্‌স, মার্কিন সফটওয়্যার প্রকৌশলী এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

 

১৯৩৩ – ডিকি বার্ড, ক্রিকেট বিশ্বের শ্রেষ্ঠ আম্পায়ার ছিলেন।

১৯৩৩ – জায়ন ম্যান্সফিল্ড, মার্কিন মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৩৫ – ডুডলি মুর, ইংরেজ অভিনেতা, কৌতুক অভিনেতা এবং পিয়ানোবাদক।

১৯৪৪ – জেমস হেক্‌ম্যান, মার্কিন অর্থনীতিবিদ এবং একাডেমিক, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৫৫ – পাকিস্তানের কমেডি রাজা হিসেবে পরিচিত উমর শরিফ।

 

১৯৫৭ – মুকেশ আম্বানি, ভারতীয় ব্যবসায়ী, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে এশিয়ার ধনী ব্যক্তি।

১৯৬৬ – পল রেইফেল, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ও আম্পায়ার।

 

১৯৬৮ – আরশাদ ওয়ার্সী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৭২ – রিভালদো, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

১৯৭৫ – জেসন গিলেস্পি, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭৭ – অঞ্জু ববি জর্জ, ভারতীয় দীর্ঘ জাম্পার।

১৯৭৮ – জেমস ফ্র্যাঙ্কো, মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৭৮ – গাব্রিয়েল হাইনৎসে, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৭৯ – কেট হাডসন, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৮১ – হেইডেন ক্রিস্টেনসেন, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৮৭ – জো হার্ট, ইংরেজ ফুটবলার।

১৯৮৭ – মারিয়া শারাপোভা, রুশ টেনিস খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৫১ – দিল্লির বাদশাহ আলম শাহ সিংহাসন ছাড়েন।

১৫৩৯ – জার্মান সম্রাট চার্লস ফ্রাঙ্কফুর্টের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করেন।

১৭৭০ – ক্যাপ্টেন কুক অস্ট্রেলিয়া আবিষ্কার করেন।

১৭৭৫ – আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু।

১৭৮২ – নেদারল্যান্ডস যুক্তরাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।

১৮৩৯ – লন্ডন চুক্তির মাধ্যমে বেলজিয়ামের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৪৮ – মায়ানমার, জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৫৪ – পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

১৯৫৪ – পাকিস্তানের গণপরিষদ উর্দু এবং বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়।

১৯৭৫ – ভারতের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ আর্যভট্ট উৎক্ষেপন করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮২৪ – লর্ড বায়রন, এ্যাংলো-স্কটিশ কবি।

১৮৬৭ – ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেব বাহাদুর।

১৮৮১ – বেঞ্জামিন ডিসরেইলি, রিটিশ কনজারভেটিভ পার্টির একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দুইবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৮৮২ – চার্ল্‌স্‌ ডারউইন, ইংরেজ জীববিজ্ঞান। তিনিই প্রথম বিবর্তনবাদ এর ধারণা দেন।

১৯০৬ – পিয়ের ক্যুরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একজন ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯১৪ – চার্লস স্যান্ডার্স পেয়ার্স, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

 

১৯৪৮ – তারা সুন্দরী, বাংলা রঙ্গমঞ্চের অভিনেত্রী।

 

১৯৫৮ – অনুরূপা দেবী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৯৫৮ – বিলি মেরেডিথ, ব্রিটিশ ফুটবলার।

১৯৭১ – বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক নরেন্দ্র দেব।

১৯৭৪ – আইয়ুব খান, পাকিস্তানি সেনাপতি ও রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৮৯ – ড্যাফনি দ্যু মারিয়েই, একজন ইংরেজ লেখিকা এবং নাট্যকার।

 

১৯৯৮ – অক্তাবিও পাজ, একজন মেক্সিকান কবি, লেখক ও কূটনীতিবিদ।

২০০৯ – জে জি ব্যালার্ড, একজন ব্রিটিশ লেখক।

 

২০১৩ – মাইক ডেনিস, স্কটল্যান্ডের ল্যানার্কশায়্যার এলাকার বেলশিলে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।

২০২১ – ওয়াল্টার মন্ডেল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম ভাইস প্রেসিডেন্ট।

২০২২ – সামিউর রহমান, বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডের পেসার।

 

২০২২ – মোশাররফ হোসেন, বাংলাদেশের জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৯০ – তুরস্কের চতুর্দশ সম্রাট আহমেদ।

 

১৮০৯ – হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও, একজন ইউরেশীয় কবি, যুক্তিবাদী চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।

১৮৪৭ – হের্মান অস্ট্‌হফ, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

 

১৮৮৮ – ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও গীতিকার হেমেন্দ্রকুমার রায়।

১৯২৬ – ডগ ইনসোল, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯২৭ – স্যামুয়েল পি. হান্টিংটন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রসিদ্ধ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী।

 

১৯৫৮ – ম্যালকম মার্শাল, বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

 

১৯৬৩ – ফিল সিমন্স, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার।

 

১৯৬৭ – মারিয়া বেলো, মার্কিন অভিনেত্রী ও লেখিকা।

১৯৭০ – সাদ হারিরি, সৌদি লেবালনীয় রাজনীতিবিদ এবং ২০১৬ থেকে লেবালনের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯০ – অয়েচিখ শ্চেজনি, পোল্যান্ডের পেশাদার ফুটবলার।

১৯৯৫ – ডিভোক ওরিগি, বেলজীয় পেশাদার ফুটবলার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০২৫ – বলেস্ল ক্রব্রি পোলান্ডের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১৫৫২ – মরিশাস লিঞ্জ দখল করে।

১৭৫৭ – অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্স যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।

১৮৫৩ – এশিয়ায় প্রথম ট্রেন চালু হয়।

১৯৩০ – ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নিয়ে মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীরা চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার দখল করে।

১৯৪৬ – আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত, নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে উদ্বোধনী বৈঠকে বসে।

১৯৪৬ – জেনিভাতে লীগ অব নেশনসএর শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত গঠিত হয়।

১৯৫৪ – জামাল আব্দেল নাসের, মিশরের ক্ষমতা দখল করে।

১৯৫৫ – ইন্দোনেশিয়ায় আফ্রিকা ও এশিয়ার ২৯টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯৭১ – কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন।

১৯৭৫ – কম্বোডিয়া সাম্রাজ্যবাদী বিদেশীদের কবল থেকে মুক্ত হয়।

১৯৮০ – জিম্বাবুইয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৬ – ইহুদীবাদী ইসরাইলের জঙ্গীবিমান দক্ষিণ লেবাননের কানা গ্রামে অবস্থিত জাতিসঙ্ঘের শান্তিরক্ষী বাহিনীর ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮০২ – ইরাসমাস ডারউইন, ইংরেজ চিকিৎসক, প্রাকৃতিক দার্শনিক, চিকিৎসা বিজ্ঞান, উদ্ভাবক এবং কবি।

 

১৮৮৯ – সাহিত্যিক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

 

১৮৯৯ – ব্রিটিশ বিরোধী মুক্তিযোদ্ধা, বিপ্লবী শহীদ দামোদর হরি চাপেকার।

 

১৯৪৮ – সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, ভারতে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথিকৃৎ।

 

১৯৫৫ – আলবার্ট আইনস্টাইন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী।

 

১৯৫৯ – বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষের মৃত্যু।

১৯৬৩ – ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও গীতিকার হেমেন্দ্রকুমার রায় পরলোকগমন করেন।

 

১৯৮১ – নির্মলেন্দু চৌধুরী, প্রখ্যাত সুরকার, গীতিকার ও লোকগীতি শিল্পী – বাংলার লোকসঙ্গীতের প্রসারে ও প্রচারে যাঁর অবদান অসীম।

 

১৯৮৬ – অতুল্য ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতা, লোকসভার প্রাক্তন সদস্য।

২০০৩ – এডগার কড, ইংরেজ কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

২০১১ – চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ সৈয়দ বজলে হোসেন কিরমানী।

২০১২ – এম এন আখতার – বাংলাদেশের প্রখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী।

 

২০১৮ – ব্রুনো সামারটিনো, আমেরিকান পেশাদার কুস্তিগির।

২০২১ – একুশে পদকপ্রাপ্ত অভিনয়শিল্পী, নাট্যশিক্ষক এস এম মহসীন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This