Categories
রিভিউ

আজ ৪ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৪ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং মরণোত্তর দেহ দান দিবস। (২রা থেকে ৪ঠা নভেম্বর)।

 

(খ) জাতীয় সংবিধান দিবস।(বাংলাদশ)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – জোসেফ রটব্লাট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ-ইংরেজ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯১৬ – ওয়াল্টার ক্রঙ্কিটে, মার্কিন সাংবাদিক, কণ্ঠ অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯২৫ – ঋত্বিক ঘটক, বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

১৯২৯ – শকুন্তলা দেবী, মানব কম্পিউটার নামে পরিচিত ভারতীয় লেখক।

 

১৯৩৩ – চার্লস কুয়েন কাও, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চীনা বংশোদ্ভূত হংকং-এর পদার্থবিদ ও প্রকৌশলী।

 

১৯৪৬ – লরা বুশ, মার্কিন শিক্ষাবিদ ও ৪৫ তম ফার্স্ট লেডি।

১৯৫০ – চার্লস ফ্রাইয়ের, মার্কিন লেখক।

 

১৯৫৫ – এন্ড্রু কিশোর, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৭১ – তাবু, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – আইলা ইউসুফ, নাইজেরিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – মারকেল জান্সেন, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৮১২ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সংস্কৃত পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি।

 

১৮৮২ – কাজী ইমদাদুল হক, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৯০ – ক্লাবুন্ড, জার্মান কবি ও লেখক।

 

১৮৯৭ – জানকী অম্মল, প্রখ্যাত ভারতীয় উদ্ভিদবিজ্ঞানী।

 

১৬১৮ – আওরঙ্গজেব, মুঘল সম্রাট।

১৫৭৫ – গুইডো রেনি, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৮ – (ক)  গঙ্গা নদীকে ভারতের জাতীয় নদী হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

(খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট  নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ – (ক) -প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ায়।

(খ) -সৌদি কাফফারা বা কফিল পদ্ধতি সংস্কারের বিধিমালা ঘোষিত হয়।

১৯১৮ – সাম্রাজ্যবাদী অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার এক সপ্তাহ বাকি থাকতে মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৪৫ – জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বা জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৬ – সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন দমন করার জন্য সোভিয়েত সেনাবাহিনী হাঙ্গেরিতে প্রবেশ করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশের সংবিধান জাতীয় সংসদে প্রণীত হয়।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কুয়েত।

১৯৭৮ – শাহ সরকারের বিরুদ্ধে ইরানের মুসলিম জনগোষ্ঠির বিদ্রোহের মুখে শরীফ ইমামির সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

১৯৯০ – ইরানি বিশিষ্ট গবেষক ডক্টর ফারার্মায অশুরি জাপানে প্রাকৃতিক কিছু বস্তুর মাঝে রশ্মি-বিরোধী গুণ-বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছিলেন।

১৯৯২ – ডেমোক্রেটিক পার্টির বিল ক্লিনটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৪ – মো: আলী সিদ্দীকী বাংলাদেশি সঙ্গীত শিল্পী।

 

২০২১ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিক, কলকাতা পুরসভার সাবেক মেয়র সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

 

১৯১৮ – উইলফ্রেড ওয়েন, ইংরেজ সৈনিক ও কবি।

 

১৯২১ – জাপানের প্রধানমন্ত্রী হারা তাকাশি টোকিওতে আততায়ীর দ্বারা নিহত হন।

১৯২৪ – গাব্রিয়েল ফাউরে, ফরাসি পিয়ানোবাদক, সুরকার ও শিক্ষাবিদ।

১৯৪৯ – ইরানের প্রধানমান্ত্রী আবদুল হোসেন।

 

১৯৮২ – বীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, ভারতের খ্যাতনামা শিল্পপতি এবং দেশে ভারী শিল্প স্থাপনের সূচনাকারী।

১৯৯৫- ইসহাক রবিন চরমপন্থী এক ইসরাইলীর হাতে নিহত হন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরায়েলি জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৫ – আফগান কবি ও সাংবাদিক নাদিয়া আঞ্জুমান।

১৯৯৭ – রণেশ দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

 

১৯৯৯ – ম্যালকম মার্শাল, বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার।

 

১৮৪৭ – ফেলিক্স মেন্ডেলসহ্ন, জার্মান পিয়ানোবাদক, সুরকার ও পথপ্রদর্শক।

১৭০২ – জন বেনবও, ইনি ছিলেন ইংরেজ এডমিরাল।

 

১৭৭১ – কবি ও সাংবাদিক জেমস মন্টোগোমারি।

১৬৬৫ – বিজয়পুরের সুলতান মুহাম্মদ আদিল শাহ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জেল হত্যা দিবস (বাংলাদেশ)৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

প্রদ্যোতকুমার ভট্টাচার্য ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি ছাত্রাবস্থায় বিপ্লবী দলের সভ্য হন। মেদিনীপুরের ম্যাজিস্ট্রেট রবার্ট ডগলাসকে হত্যার জন্য যে দুজন যুবক আক্রমণ চালান, প্রদ্যোত তাদের একজন। এই আক্রমণের ফলে ডগলাসের মৃত্যু ঘটে।

 

১৯১৩ – নিখিল চক্রবর্তী, খ্যাতনামা সাংবাদিক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও ভারতের প্রসার-ভারতীর বোর্ডের প্রথম চেয়ারম্যান ।

 

১৯১৯ – অরবিন্দ পোদ্দার, বাঙালি লেখক, অধ্যাপক ও গবেষক।

অরবিন্দ পোদ্দার (৩ নভেম্বর ১৯১৯ ―২০ জুন ২০২১) একজন বাঙালি লেখক, সাহিত্য সমালোচক, প্রাবন্ধিক, অধ্যাপক ও গবেষক ছিলেন। মার্কসবাদী সমাজতত্ত্ব থেকে শুরু করে বাংলার নবজাগরণ, বঙ্কিমচন্দ্র থেকে ইংরাজী সাহিত্যের ইতিহাসে নিজের প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রেখেছেন।

 

 

১৯৩৩ – অমর্ত্য সেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ।

অমর্ত্য সেন (জন্ম: ৩ নভেম্বর ১৯৩৩) অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার বিজয়ী একজন ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক। দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্রের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (যা অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার হিসেবে পরিচিত) লাভ করেন।

 

১৯৩৪ – রুমা গুহঠাকুরতা, বাঙালি অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, গায়িকা ও ক্যালকাটা ইয়ুথ ক্যয়ারের প্রতিষ্ঠাতা।

রুমা গুহ ঠাকুরতা (৩ নভেম্বর ১৯৩৪ – ৩ জুন ২০১৯) ছিলেন একজন ভারতীয় অভিনেত্রী এবং গায়িকা যিনি মূলত বাংলা ভাষার চলচ্চিত্রের সাথে যুক্ত ছিলেন।  তিনি ১৯৫৮ সালে কলকাতা ইয়ুথ কোয়ার প্রতিষ্ঠা করেন।

 

১৯৪০ – সনি রোডস, আমেরিকান গায়ক ও গিটার।

১৯৪৫ – গার্ড ম্যুলার, প্রাক্তন পশ্চিম জার্মান ফুটবলার।

১৯৬৪ – পাপরিকা স্টেন, ডেনিশ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

১৯৭৩ – মৌসুমী, বাংলাদেশের একজন অভিনেত্রী।

 

১৯৭৪ – সোনালী কুলকার্নি, তিনি ভারতীয় অভিনেত্রী।

সোনালী কুলকার্নী একজন ভারতীয় অভিনেত্রী। তিনি ভারতের পুনেতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি হিন্দি, কন্নড়, মারাঠি, তামিল এবং গুজরাটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি মে মাদাম, দিল চাহতা হে এবং ট্যাক্সি নম্বর ৯২১১ এ অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান।

 

১৯৮৭ – গেমমা ওয়ার্ড, অস্ট্রেলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৯৮৯ – শুভশ্রী গাঙ্গুলী, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী।  

শুভশ্রী গাঙ্গুলী ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্রের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। তিনি একটি ওড়িয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করেও প্রশংসা পেয়েছিলেন। তিনি ফেয়ার এভার আনন্দলোক নায়িকার খোঁজে-এর বিজয়ী হয়েছিলেন। শুভশ্রী অনুভব মহান্তির বিপরীতে মাতে তা লাভ হেলারে নামে ওড়িয়া চলচ্চিত্রে মাধ্যমে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন।

১৯৯৫ – কেন্ডাল জেনার, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৮৬৬ – দীনেশচন্দ্র সেন, লোকসাহিত্য বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।

 

১৮৯৭ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাংলাদেশের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০২০ – ৫৯ তম মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯০৩ – মধ্য আমেরিকার প্রজাতন্ত্র পানামা কলম্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২৮ – তুরস্কে আরবি হরফের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে তার পরিবর্তে রোমান হরফ চালু করে।

১৯৫৭ – লাইকা নামের একটি রাশিয়ার কুকুরকে নিয়ে জীবন্ত প্রাণী বহনকারী প্রথম নভোযান স্পুটনিক-২ মহাশূন্যে পাঠানো হয়।

১৯৭০ – ব্রিটিশ আশ্রিত রাজ্য ডোমিনিকার স্বাধীনতা লাভ।

১৯৭৫ – বাংলাদেশের চার জাতীয় নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায় হত্যা করা হয়।

১৮৩৮ – ভারতে বহুল প্রচারিত ইংরাজী দৈনিক দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৪৯৩ – ইতালিয়ান নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস তার দ্বিতীয় অভিযাত্রায় ক্যারিবিয়ান সাগরে ডোমিনিকা আবিষ্কার করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০১৪ – গর্ডন টুলক, আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।

 

২০১৭ – আবদুর রহমান বিশ্বাস, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি।

আবদুর রহমান বিশ্বাস ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বরিশালের শায়েস্তাবাদ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। তার আনুগত্য ছিল পাকিস্তান সরকারের প্রতি।

 

১৯৫৪ – আঁরি মাতিস, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯৭৫ – তাজউদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

 

১৯৭৫ – সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ১৭ এপ্রিল থেকে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৯৭৫ – মোঃ মনসুর আলী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৭৫ – আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা।

আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (২৬ জুন ১৯২৩ – ৩ নভেম্বর ১৯৭৫) বাংলাদেশের প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে গঠিত অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। একজন নির্লোভ, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তার পরিচিতি ছিল।

 

১৯৭৭ – মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা, বাংলাদেশী রসায়নবিদ, গ্রন্থকার এবং শিক্ষাবিদ।

 

১৯৭৭ – ফ্র্যাডেরিক চালমার্স‌ বোর্ন‌, পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর।

স্যার ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন ইংরেজ প্রশাসক। ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ ভারতে দায়িত্বপালন করেছেন। পাকিস্তানের স্বাধীনতার পর ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান অধিরাজ্যে দায়িত্বপালন করেন।

 

১৯৯০ – ভারতের বলিউডের হিন্দি চলচ্চিত্র নির্মাতা শশধর মুখার্জী।

শশধর মুখার্জি হিন্দি সিনেমার একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তিনি ১৯৩০-এর দশকে বোম্বে টকিজে তার কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে ১৯৪৩ সালে রায় বাহাদুর চুনিলাল, অশোক কুমার এবং জ্ঞান মুখার্জির সাথে ফিল্মিস্তান স্টুডিও প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫০-এর দশকে, তিনি তার নিজস্ব স্টুডিও ফিল্মালয় শুরু করেন।

 

 

১৯৯১ – বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক।

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। তিনি কলকাতার বাসিন্দা ছিলেন। পঙ্কজকুমার মল্লিক ও কাজী নজরুল ইসলামের সমসাময়িক বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ১৯৩০-এর দশক থেকে সুদীর্ঘকাল অল ইন্ডিয়া রেডিওয় বেতার সম্প্রচারকের কাজ করেছেন।

 

১৯৯৯ – ইয়ান বান্নেন, স্কটিশ অভিনেতা।

ইয়ান এডমন্ড ব্যানেন (২৯ জুন ১৯২৮ – ৩ নভেম্বর ১৯৯৯) ছিলেন একজন স্কটিশ অভিনেতা যিনি চলচ্চিত্রে, মঞ্চে এবং টেলিভিশনে দীর্ঘ কর্মজীবনে ছিলেন।  দ্য ফ্লাইট অফ দ্য ফিনিক্স (১৯৬৪)-এ অভিনয়ের জন্য তিনি একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন, যিনি এই সম্মান প্রাপ্ত প্রথম স্কটিশ অভিনেতা, পাশাপাশি সিডনি লুমেটের দ্য অফেন্স (১৯৭৩) এবং জন বোরম্যানের অভিনয়ের জন্য দুটি BAFTA ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত হন।  Hope and Glory (১৯৮৭)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

এই উৎসবের মরসুমে জোশ সকলের মুখে হাসি ফোটাতে সাহায্য করেছে।

আমাদের CSR কার্যক্রমকে আরও উৎসাহ দিতে, এই দুর্গা পূজা জোশ ডিজিটাল পার্টনার হিসেবে কলকাতা-ভিত্তিক জনপ্রিয় এনজিও বন্ধু এক আশার সাথে তাদের মহৎ উদ্যোগ – আনন্দ দান উৎসব ২০২৩-এর একটি অংশ হতে হাত মেলাচ্ছে – যেখানে সামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া এলাকার ২৫,০০০ শিশু  বাংলায় তুলে দেওয়া হবে নতুন জামা।

 

এনজিওটি ৬ অক্টোবর কলকাতার বিড়লা মিউজিয়ামে মাসব্যাপী অনুদান শিবিরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।  ডিজিটাল যুগে, আমাদের কাছে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার রয়েছে যখন সঠিক কারণে ব্যবহার করা হলে তা একটি বিশাল লহরী প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে!  হ্যাঁ, এটা সোশ্যাল মিডিয়া!

জোশের বাংলা সম্প্রদায়ের নির্মাতারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তাদের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং বেশ কয়েকটি শিশুকে পোশাক বিতরণ এবং তাদের মুখে হাসি ফোটাতে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে বাংলা চলচ্চিত্রের বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটিও উপস্থিত ছিলেন যারা এনজিওর অনুগত পৃষ্ঠপোষক।  রণজয় বিষ্ণু, অন্তরা চ্যাটার্জি এবং সৌমোজিৎ আদক নামে এই সেলিব্রিটিরা এমন একটি মহৎ কাজের সাথে যুক্ত থাকার জন্য জোশকে একচেটিয়া চিৎকার দিয়েছিলেন।  আঞ্চলিক মিডিয়া চ্যানেলগুলিতে সমিতিটিকে আরও হাইলাইট করা হয়েছিল।

আনন্দ দান উৎসবের লক্ষ্য হল আগামী দিনে বেশ কিছু গ্রামীণ এলাকা জুড়ে দরিদ্র শিশুদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করা এবং উৎসবের মরসুমে তাদের মুখে হাসি আনা।  জোশ পরিবার আমাদের প্রভাবশালীদের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্যোগটি প্রচার করে আরও সচেতনতা ছড়িয়ে দেবে।

এসোসিয়েশন সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, বন্ধু এক আশার সাধারণ সম্পাদক নুপুর রায় বলেন, “আমাদের সাথে যোগদান করার জন্য এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এই উদ্যোগটি দূর-দূরান্তে নেওয়ার জন্য আমরা সত্যিই জোশের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা সবাই জানি সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি এবং কখন  প্রভাবশালীরা আমাদের কারণের প্রতি আগ্রহ দেখায় এটি আমাদের সকলকে আরও খুশি এবং গর্বিত করে।”

 

 

আমাদের নির্মাতারা ইভেন্টটি একচেটিয়াভাবে কভার করেছেন এবং এমন একটি মহৎ অনুষ্ঠানের অংশ হতে পেরে তাদের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।  “আমি সত্যিই জোশের কাছে কৃতজ্ঞ যে আমাকে এমন একটি হৃদয়গ্রাহী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য,” বলেছেন শর্মিষ্ঠা, পেশায় একজন আইনজীবী এবং জোশের অনুগত স্রষ্টা৷  এখানে আমাদের নির্মাতাদের দ্বারা ভাগ করা কিছু একচেটিয়া স্নিপেট রয়েছে:

 

এখানে আরও পড়ুন:

 

https://share.myjosh.in/video/04a9ddac-048e-4f0e-9e53-717a3f1659c9?u=0xb07e5a2a6102917e

 

https://share.myjosh.in/video/fd51c22a-7800-4684-815c-cc441ccf5290?u=0x4a976dc3e4907f1d

 

https://share.myjosh.in/video/649e4d96-3083-4b93-a127-ad4115352da3?u=0x6ab8f8b93fe4ab20

 

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ

অমর্ত্য সেন – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, জন্মদিনে তাঁকে নিয়ে কিছু কথা।

অমর্ত্য সেনের জন্ম  (জন্ম ৩ নভেম্বর ১৯৩৩)  শান্তিনিকেতনে মাতামহ ক্ষিতিমোহন সেনের ‘পর্ণকুটীরে’। তাঁর আদি নিবাস বর্তমান বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মানিকগঞ্জে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর নাম রেখেছিলেন অমর্ত্য, যার অর্থ অমর বা অবিনশ্বর। অমর্ত্য সেন একটি সম্ভ্রান্ত বৈদ্যব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর মাতামহ আচার্য ক্ষিতিমোহন সেন ছিলেন প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যের একজন পণ্ডিত এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহযোগী। অমর্ত্য সেনের বাবা অধ্যাপক আশুতোষ সেন এবং মা অমিতা সেন(আশ্রমকন্যা), দুজনই ঢাকার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। আশুতোষ সেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং পরবর্তীকালে ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দিল্লিতে কর্মরত ছিলেন। পিতামহ সারদাপ্রসাদ সেন ছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

 

অমর্ত্য সেন হলেন একজন ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ এবং দার্শনিক যিনি অর্থনীতিতে নোবেল মেমোরিয়াল পুরস্কার জিতেছেন।  দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, কল্যাণ অর্থনীতি এবং গণ দারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কারণগুলির উপর গবেষণার জন্য এবং উদার রাজনীতিতে তাঁর অবদানের জন্য তিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে ব্যাংক অফ সুইডেন পুরস্কার (অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার হিসাবে পরিচিত) পান।  অমর্ত্য সেনই বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে ধারণা পেতে জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক উদ্ভাবন করেন।  তিনিই প্রথম নন-মার্কিন নাগরিক যিনি জাতীয় মানবিক পদক পেয়েছেন।

তিনি বর্তমানে টমাস ডব্লিউ ল্যামন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমেরিটাস এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শনের অধ্যাপক।  তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলো, ট্রিনিটি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং কেমব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।  তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজের মাস্টার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে, তিনি অলাভজনক সংস্থা হেলথ ইমপ্যাক্ট ফান্ডের গ্লোবাল হেলথের উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য।  তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান ছিলেন।  তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
অমর্ত্য সেনের বই গত চল্লিশ বছরে প্রায় ত্রিশটি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।  তিনি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য অর্থনীতিবিদ-এর ট্রাস্টি।  ২০০৬ সালে, টাইম ম্যাগাজিন তাঁকে ষাট বছরের কম বয়সী একজন ভারতীয় নায়ক হিসাবে চিহ্নিত করে এবং ২০১০ সালে, তাঁকে বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।  নিউ স্টেটসম্যান ম্যাগাজিন তাঁকে বিশ্বের ৫০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির মধ্যে স্থান দিয়েছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ২ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৯ – অরুণ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক।

১৯১১ – অডয়সেয়ান ইয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

 

১৯২৯ – (ক)  – অমর গোপাল বসু, বাঙালি ভারতীয়-আমেরিকান ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্বখ্যাত অডিও ইকু্ইপমেন্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোস কর্পোরেশন এর প্রতিষ্ঠাতা।

(ক)নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডীয়-মার্কিন পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড এডওয়ার্ড টেইলর।

 

১৯৩৫ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও গল্পকার।

১৯৫৯ – স্কটিশ অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার পিটার মুলান।

 

১৯৬৫ – শাহরুখ খান, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭২ – সামান্থা এমাক অ্যাণ্ড, ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়ক ও পরিচালক।

 

১৯৭৭ – অস্ট্রেলীয়ার কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিক্টর ট্রম্পার।

 

১৯৮২ – ফরাসি ফুটবলার চার্লস ইটান্ডজে।

১৮১৫ – জর্জ বুল, ইংরেজ গণিতবিদ ও দার্শনিক।

 

১৮৩৩ – মহেন্দ্রলাল সরকার, ভারতীয় চিকিৎসক ও অধ্যাপক।

 

১৮৬৫ – ওয়ারেন জি. হার্ডিং, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৯তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৭৭ – ভিক্টর ট্রাম্পার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৮৮৬ – বাংলাভাষার প্রথম প্রাণপুরুষ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ।

১৮৯৮ – জাকির হুসাইন, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

 

১৭৯৫ – জেমস কে. পোক, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১১ তম প্রেসিডেন্ট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৪ – রাশিয়া ওসমানীয় সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯১৬ – ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে ইহুদিদের জন্য আবাসভূমি বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ব্রিটেনের সম্মতির কথা ঘোষণা করেন।

১৯২০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের প্রথম নিয়মিত বেতার সম্প্রচার শুরু হয়।

১৯৩০ – হাইলে সোলাসি ইথিওপিয়ার সম্রাট হন।

১৯৪৯ – ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। এর আগে দেশটি সাড়ে তিনশ বছর ধরে হল্যান্ডের উপনিবেশ ছিল।

১৯৫৭ – সোভিয়েট ইউনিয়ন স্পুটনিক -২ নামে ২য় বারের মত কৃএিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রেরণ করে।

১৯৬৩ – সৌদি আরবের রাজা সাউদকে সরিয়ে তার সৎভাই ফয়সাল রাজা হন।

১৮৮০ – জেমস গার্ফিল্ড যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৮৭৬ – কেশবচন্দ্র সেনের উদ্যোগে ‘ইন্ডিয়ান রিফর্মার অ্যাসোসিয়েশন’ বা ‘ভারত সংস্কার সভা’ স্থাপিত হয়।

১৮৮৯ – উত্তর ডাকোটা ও দক্ষিণ ডাকোটা যুক্তরাষ্ট্রের যথাক্রমে ৩৯ ও ৪০তম রাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

১৭৭২ – মর্নিং পোস্ট পত্রিকার প্রথম প্রকাশ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – দক্ষিণ আফ্রিকার অভিনেতা হেনরি কেলে।

২০১২ – সুইডিশ অভিনেতা, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার হান্স লিন্ডগ্রেন।

২০১৩ – ক্লিফোর্ড নাস, আমেরিকান লেখক ও অধ্যাপক।

১৯৫০ – জর্জ বার্নার্ড শ’, নোবেলজয়ী আইরিশ নাট্যকার।

১৯৬৩ – এনজিও ডিনহ ডিয়েম, ভিয়েতনামী রাজনীতিবিদ, ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৬৬ – পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

 

১৯৭৪ – বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও লেখক বরকতউল্লাহ।

 

১৯৭৫ – পিয়ের পাওলো পাসোলিনি, ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯৬ – ইভা ক্যাসিডি, আমেরিকান গায়ক ও গিটারিস্ট।

 

১৮১৮ – স্যামুয়েল রোমিলি, বিখ্যাত ব্রিটিশ আইন সংস্কারক।

১৮৪৬ – যিশাইয়র টেগ্নের, সুইডিশ কবি ও বিশপ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

অরুণ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের খ্যাতনামা অধ্যাপক ও অনুবাদক।

অরুণ মিত্র রবীন্দ্রোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপক এবং অনুবাদক হিসাবেও বিখ্যাত ছিলেন। পেশাগতভাবে, তিনি একজন অধ্যাপক ছিলেন।

 

জন্ম ও শিক্ষা—

 

কবি অরুণ মিত্র ১৯০৯ সালের ২ নভেম্বর বর্তমান বাংলাদেশের যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর পিতার নাম হীরালাল মিত্র এবং মাতার নাম যামিনীবালা দেবী।  অরুণ মিত্র অল্প বয়সেই কলকাতায় চলে আসেন।  তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় কলকাতার বঙ্গবাসী স্কুলে।  তিনি ১৯২৬ সালে এই বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯২৮ সালে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে আইসিএস পরীক্ষায় এবং ১৯৩০ সালে রিপন কলেজ (বর্তমানে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে ডিস্টিঙ্কশনসহ বিএ পাস করেন। এই সময়ে তিনি সাহিত্যের চেয়ে সঙ্গীতের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখান।  এই সময়েই ভিক্টর হুগোর উপন্যাসগুলি ইংরেজি অনুবাদে পড়া হয় এবং তিনি ফরাসি সাহিত্যের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং ফরাসি ভাষা শিখতে শুরু করেন।  বিএ পাস করার পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ শুরু করেন।

 

কর্মজীবন—

 

বাবা-মায়ের বড় ছেলে হওয়ায় পারিবারিক দায়িত্বের চাপে এমএ না করেই ১৯৩১ সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি নিতে বাধ্য হন। তিনি ১৯৪২ সাল পর্যন্ত আনন্দবাজার পত্রিকায় কাজ করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, কবি ও সাহিত্যিকদের সঙ্গে পরিচিত হন।  বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার ব্যক্তিগত সম্পর্কের মাধ্যমে তাঁর নিকটাত্মীয় ছিলেন।  আনন্দবাজার পত্রিকায় কাজ করার সময় অরুণ মিত্র মার্কসবাদের প্রতি আকৃষ্ট হন।  তার ভিত্তিতে ‘বেঙ্গিয়া প্রগতি লেখক সমিতি’ ও ‘সোভিয়েত সুহৃদ সমিতি’র সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  আনন্দবাজার ছেড়ে তিনি সতেন্দ্রনাথ মজুমদার সম্পাদিত ‘অরণি’ পত্রিকায় যোগ দেন।  ফরাসি সরকারের আমন্ত্রণে, ১৮৪৮ সালে তিনি একটি বৃত্তি গ্রহণ করেন এবং গবেষণার উদ্দেশ্যে ফ্রান্সে যান।  গবেষণা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি প্যারিসের সোরবোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট পান।  ফরাসি সাহিত্য অধ্যয়ন করার পর, তিনি ১৯৫২ সালে দেশে ফিরে আসেন এবং এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরাসি ভাষা ও সাহিত্যের অধ্যাপকের পদ গ্রহণ করেন।  এরপর পরিবারটি বিশ বছর এলাহাবাদে বসবাস করেন।  তিনি ১৯৭২ সালে কর্মজীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং কলকাতায় ফিরে আসেন।

 

সাহিত্য—

 

শুধু রাতের শব্দ নয় কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৯ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে এবং খুঁজতে খুঁজতে এতদূর কাব্যগ্রন্থখানি ১৯৮৭ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত হয়। তার কাব্য সংকলন পনেরো খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে। তার মৌলিক কাব্যগ্রন্থগুলি হল শুধু রাতের শব্দ নয়, প্রথম পলি শেষ পাথর ও খুঁজতে খুঁজতে এতদূর,   প্রান্তরেখা , উৎসের দিকে , ঘনিষ্ঠ তাপ, মঞ্চের বাইরে মাটিতে ।

 

গ্রন্থাবলী—

 

বাংলায় তিনি একাধিক গ্রন্থ অনুবাদও করেছেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভারত: আজ ও আগামীকাল , কাঁদিদ বা আশাবাদ , সে এক ঝোড়ো বছর, ভারতীয় থিয়েটার, গাছের কথা, মায়াকোভস্কি , সার্ত্র ও তাঁর শেষ সংলাপ, অন্যস্বর  ও পল এলুয়রের কবিতা ।

 

১৯৯০ সালে রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি. লিট. উপাধি প্রদান করে।   ফরাসি ভাষা এবং ফরাসি সাহিত্যের উপর ক্রমাগত গবেষণার জন্য তিনি ১৯৯২ সালে ফরাসি সরকার কর্তৃক লিজিয়ন অফ অনারে ভূষিত হন। লেখকের স্ত্রী শান্তি মিত্র (সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদারের ভাইঝি) হলেন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী তৃপ্তি মিত্র, অগ্রজা, বিখ্যাত অভিনেত্রী ।

 

মৃত্যু–

 

২০০০ সালের ২২ আগস্ট কলকাতায় অরুণ মিত্র প্রয়াত হন।

 

।।তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় সম্বন্ধে দুটি কথা : দিলীপ রায়।।।

আমাদের দেশের প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য কথাশিল্পী বিভূতিভূষণ  বন্দোপাদ্যায়কে শৈশব থেকেই মুগ্ধ করত  । যার জন্য তিনি নিবিড়ভাবে দেখার সুযোগ পেয়েছেন গ্রাম বাংলার এখানে সেখানে লুকিয়ে থাকা ঝোঁপ-জঙ্গল, লতা-পাতা, বিভিন্ন ধরনের ফুল, নানান প্রজাতির পশু-পাখি, পথ-ঘাট, নদী-নালা, ইত্যাদি । পরবর্তী কালে  প্রকৃতির প্রতি  তাঁর অগাধ ভালবাসার  অভিজ্ঞতা নানাভাবে তাঁর রচনাকে প্রভাবিত ও  সমৃদ্ধ করেছে, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়  । তাঁর অনুভবী এবং সংবেদনশীল মন দিয়ে প্রকৃতির অসামান্য রূপ বর্ণনা করে সাহিত্য সম্ভারকে অন্যতর ভূমিকায় উদ্ভাসিত করেছেন । সেই কারণে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি,   তাঁর সৃজনশীল সাহিত্য প্রতিভা, অবর্ণনীয় !
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১২ই সেপ্টেম্বর ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতবর্ষের বাংলা প্রদেশের চব্বিশ পরগণা জেলার কাঁচরাপাড়ার সন্নিকট ঘোষপুর-মুড়াতিপুর গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন  ।  তিনি ছিলেন প্রখ্যাত মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ও মৃণালিনী দেবীর পাঁচটি সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ সন্তান, অর্থাৎ বিভূতিভূষণ দুই ভাই এবং  তিন বোনের মধ্যে ছিলেন সবার বড় । তাঁর বাবা  ছিলেন  তদানীন্তনকালের একজন প্রখ্যাত সংস্কৃত বিষয়ক পণ্ডিত  । মহানন্দ বন্দোপাধ্যায়ের পাণ্ডিত্য  ও  কথকতার জন্য শাস্ত্রী উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন । উল্লেখ থাকে যে, তাঁদের আদি নিবাস ছিল যশোর জেলার ( বর্তমান চব্বিশ পরগনা জেলার ) অন্তর্ভুক্ত বনগ্রাম মহকুমায় অবস্থিত ইছামতী নদীর তীরে ব্যারাকপুর গ্রামে । শোনা যায়  বাবা মহানন্দ বন্দোপাধ্যায় কথকতা ও পৌরাহিত্য করতেন বলে,  তাঁর  বাল্য ও কৈশোর জীবন কাটে দারিদ্র্য , অভাব  ও  অনটনের মধ্যে । বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে প্রথমে গৌরী দেবী  ও পরে ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে রমা দেবীর সাথে দাম্পত্য জীবনে আবদ্ধ হন ।
এবার আসছি তাঁর শিক্ষা জীবন সম্পর্কে  ।  বাবা মহানন্দ বন্দোপাধ্যায়ের কাছে বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের শিক্ষার হাতেখড়ি  । লেখাপড়ার পাঠ শুরু  । ছোট থেকেই মেধাবী হওয়ার কারণে নিজ গ্রামের  পাঠশালায় পড়াশোনার পর বনগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈতনিক শিক্ষার্থী হিসাবে ভর্তি হন  । ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে বনগ্রাম হাইস্কুল থেকে এনট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার রিপন কলেজ (অর্থাৎ বর্তমান সুরেন্দ্রনাথ কলেজ) থেকে আই-এ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন । ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে রিপন কলেজ থেকেই বি.এ পরীক্ষায় ডিস্টিংশন সহ উত্তীর্ণ হন । উচ্চতর পড়াশোনার জন্য এম.এ ও আইন বিষয়ে ভর্তি হন । কিন্তু পরিবারের চাপে ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে পড়াশোনা ছেড়ে দেন।
এবার আসছি তাঁর কর্ম জীবন সম্পর্কে ।   হুগলী জেলার জাঙ্গিপাড়া গ্রামের বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার মাধ্যমে পেশাগত জীবনে প্রবেশ । এরপরে সোনারপুর হরিনাভী স্কুলেও শিক্ষাকতা করেন  । ঐ সময়ে গৌরী দেবীর মৃত্যু হলে মনের কষ্টে  সন্ন্যাস গ্রহণ করেন । সেখান থেকে ফিরে এসে খেলৎচন্দ্র ঘোষের বাড়িতে গৃহ শিক্ষক ও সেক্রেটারি হিসাবে কাজ  করা শুরু করেন । পরবর্তীকালে  খেলৎচন্দ্রের  সুপারিশ ক্রমে ভাগলপুর সার্কেলের সহকারী ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন  । ভাগলপুরে প্রবাসী হিসাবে বসবাস করতে থাকেন, এখানেই তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস “পথের পাঁচালী” রচিত হয় । এভাবে কিছুদিন কাটানোর পর ধর্মতলায় খেলাৎচন্দ্র মেমোরিয়াল স্কুলে শিক্ষকতা করেন । পরে বনগাঁর নিকট গোপালনগর হরিপদ ইনস্টিটিউশনে আমৃত্যু জীবন পর্যন্ত  শিক্ষাকতা করতে থাকেন ।
সাহিত্য সম্বন্ধে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে প্রবাসী পত্রিকায় “উপেক্ষিতা”  নামক গল্প প্রকাশের মধ্য দিয়ে  তাঁর সাহিত্য জীবনে সূত্রপাত  ।  ভাগলপুরের বাঙালিটোলায়  জমিদারির সেরেস্তায় নায়েবের কাজ নিয়ে চলে আসার পর “পথের পাঁচালী” উপন্যাস লেখার মধ্য দিয়ে ভাগলপুরে তাঁর লেখকজীবনের সূত্রপাত  ।  উল্লেখ থাকে যে,  ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে ভাগলপুরে বসবাস কালীন  সময়ে  “পথের পাঁচালী”  রচনা শুরু   এবং ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে সেই লেখার শেষ  ।  এই ভাগলপুরের বাঙালিটোলায় লেখক বিভূতিভূষণকে আবিষ্কার করেন যিনি, তাঁর নাম উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় । এখানে একটা কথা ভীষণ প্রাসঙ্গিক,  উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় সাহিত্য ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন দুজন বিখ্যাত সাহিত্যিককে আবিষ্কার করার কারণে । তাঁদের মধ্যে প্রথমজন হলেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় আর দ্বিতীয়জন হলেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় । উপেন্দ্রনাথ একদিকে সাহিত্যপাগল, অন্যদিকে মজলিসি । তাঁর বাড়ির কাছারিঘরে নিত্যদিন জমজমাট সাহিত্য আড্ডা বসতো । সেই আড্ডায়  অপরিচিত যুবক বিভূতিভূষণের ছিল নিত্য যাতায়াত । বৈঠকখানার সেই আড্ডায়  বিভিন্নরকম  সাহিত্য বিষয়ক আলোচনা ও  মন্তব্যে সকলে মেতে উঠতেন । কিন্তু এই যুবকটি কোনো আলোচনায়  অংশগ্রহণ করতেন  না । একদিন বৈশাখ মাসের  বিকেলের আড্ডায় কেউ উপস্থিত হলেন না ।  উপেন্দ্রনাথ কাছারিঘর থেকে নেমে উঁকি দিয়ে দেখলেন বাইরে রাস্তার উপরে একটি লণ্ঠনের  আলো,  সঙ্গে একটা ছায়ামূর্তি । সেই  ছায়ামূর্তি এসে হাজির হলো তাঁর বৈঠকখানায় । আড্ডারঘরে  একেবারে পেছনের বেঞ্চে গিয়ে বিভূতিভূষণ বসলেন । উপেন্দ্রনাথ বললেন, “একি ! আপনি পেছনে বসলেন কেন ?” প্রত্যুত্তরে বিভূতিভূষণ বললেন, “আরো অনেকে আসবেন, আমি কীভাবে সামনের বেঞ্চটিতে বসি ।“   উপেন্দ্রনাথ সঙ্গে সঙ্গে বললেন, “আজকে মনে হচ্ছে আর কেউ আসবেন  না । আসুন, আপনি সামনের চেয়ারটাতে বসুন ।“  নানাবিধ গালগল্পের মধ্যে উপেন্দ্রনাথ হঠাৎ বিভূতিভূষণকে জিজ্ঞেস করলেন, তা আপনার কবিতা কিংবা গল্প-উপন্যাস লেখার বাতিকটাতিক আছে নাকি ? বিভূতিভূষণ উত্তরে বললেন,  “না, তেমন কিছু নয়,  একটা উপন্যাস লিখেছি ।“  কিন্তু লেখাটি আদৌ মানসম্পন্ন হয়েছে কিনা বুঝতে পারছি না ! উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় বিভূতিভূষণকে উদ্দেশ্য করে বললেন,  “তাহলে উপন্যাসের খাতাটি একবার নিয়ে আসুন । দেখি কেমন উপন্যাস লিখেছেন আপনি ?”  এই কথোপকথনের  কয়েক দিনের মধ্যে  বিভূতিভূষণ তাঁর  “পথের পাঁচালী”  উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি জমা দিয়ে গেলেন উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে । তারপর কিছুদিন বাদে একদিন মজলিস শেষে সবাই যখন উঠে  যাচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তে উপেন্দ্রনাথ বিভূতিভূষণকে বললেন,  “আপনি এখনই যাবেন না । আপনার সঙ্গে একটু কথা আছে ।“
সাহিত্য আসর থেকে সবাই বিদায় নেওয়ার পর উপেন্দ্রনাথ বিভূতিভূষণকে বললেন,  “ভাই, আপনার হবে । হবে বলছি কেন ?  আপনার লেখা ভাল হয়েছে । কী এক অসাধারণ উপন্যাস লিখেছেন আপনি ! লেখাটা পড়েই মন-প্রাণ দুটিই জুড়িয়ে গেছে আমার । যাই হোক, এবার আসল কথা বলি, আমি ভাগলপুরে আর থাকছি না । কলকাতায় চলে যাচ্ছি । তবে আমার কলকাতায় যাওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে, সেখান থেকে একটি পত্রিকা বের করব ‘বিচিত্রা’ নামে । সেখানেই  আমি ছাপতে চাই  আপনার এই  উপন্যাসটি । আপনার এই উপন্যাস দিয়েই যাত্রা শুরু করবে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকাটি । এর  কিছুদিনের মধ্যেই কলকাতা থেকে প্রকাশিত হতে শুরু করল বিচিত্রা এবং বিভূতিভূষণের উপন্যাসও কিস্তিতে কিস্তিতে ।  উপন্যাসটি প্রকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাহিত্যরসিক পাঠকমহলে গুঞ্জন শুরু হলো—কে এই লেখক ? যে সমাজ ও দেশ-গ্রামের তুচ্ছ জিনিসগুলো এত মনোমুগ্ধ করে তাঁর লেখনীতে ফুটিয়ে তুলেছেন  । হঠাৎ একদিন ‘শনিবারের চিঠি’র সম্পাদক সজনীকান্ত দাস বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এসে উপস্থিত । নব্বই  টাকা দিয়ে বললেন—”বিভূতিবাবু, আপনি যদি অনুমতি দেন, তবে “পথের পাঁচালী”  উপন্যাসটি বই আকারে ছাপব ।“  এভাবেই শুরু বিভূতিভূষণের পথচলা ।
এই উপন্যাসটি ছিল বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের  প্রথম ও সবচেয়ে বিখ্যাত সাহিত্যকৃতী যা পরবর্তি কালে চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় “পথের পাঁচালী” চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বিখ্যাত হয়ে ওঠে । এছাড়াও তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস  ‘অপরাজিত’ রচনা করেন, যা ছিল পথের পাঁচালী উপন্যাসের পরবর্তী অংশ । এই দুই উপন্যাসের কাহিনীই ছিল তাঁর জীবনকেন্দ্রিক । চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় এই উপন্যাসের কাহিনীর মাধ্যমে দুটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন যা ভীষণ ভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করে । ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে কিশোর পাঠ্য ‘চাঁদের পাহাড়’ উপন্যাস ভারতবর্ষের তরুণদের কাছে অতি  জনপ্রিয় ও রোমাঞ্চকর  উপন্যাস। ২০১৩ সালে চিত্র পরিচালক কমলেশ্বর মুখার্জির পরিচালনায় ‘চাঁদের পাহাড়’ চলচ্চিত্র নির্মাণের মাধ্যমে যথেষ্ঠ খ্যাতি অর্জন করে ।
পুরস্কার হিসাবে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ইছামতী উপন্যাসের জন্য ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দে মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার পান । এছাড়াও তাঁর জন্মভূমি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ মহকুমার পারমাদান বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নাম লেখকের সম্মানার্থে  “বিভূতিভূষণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য”  রাখা হয়েছে ।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ জীবনের কয়েকটি বৎসর তাঁর ভালোবাসার শেষ চিহ্ন গৌরীকুঞ্জতে কাটিয়েছেন । তিনি তার বাড়িটির নাম স্ত্রীর নামে ‘গৌরীকুঞ্জ’ রেখেছিলেন ।
১৯৫০ খ্রিস্টাব্দের ১লা নভেম্বর বিহারের ঘাটশিলায় (অধুনা ঝাড়খণ্ডের) ৫৬ বৎসর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন । বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের সৃষ্টির গুনে ইতিহাসে চিরস্মরণীয়  হয়ে থাকবেন আজীবন । তাঁকে আমার শতকোটি প্রণাম ।  (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত) ।
——–০———

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব ভেগান দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৭৮ – কার্লোস সাভেদ্রা লামাস, আর্জেন্টাইন রাজনৈতিক নেতা, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ।

 

১৮৮৯ – ফিলিপ নোয়েল-বেকার, ব্যারন নোয়েল-বেকার, কানাডিয়ান শান্তি কর্মী, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৯২৬ – আবু ইসহাক, বাংলাদেশি সাহিত্যিক।

১৯৩২ – একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৯৪৫ – নরেন্দ্র দাভোলকার , ভারতীয় চিকিৎসক,সমাজসেবী ও মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি।

 

১৯৪৫ – আবু সাইয়িদ, বাংলাদেশের সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

 

১৯৪৯ – মাইকেল ডি. গ্রিফিন, নাসার প্রধান প্রশাসক।

১৯৫০ – রবার্ট বি. লাফলিন, আমেরিকান পদার্থবিদ, নোবেল পুরস্কার পদার্থবিজ্ঞান বিজয়ী।

 

১৯৬২ – আনিস বাজমি, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৬৩ – মার্ক হিউজ, ওয়েলসীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

১৯৬৮ – আকরাম খান, সাবেক বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

 

১৯৭৩ – ঐশ্বরিয়া রাই, ভারতীয় অভিনেত্রী।

 

১৯৭৪ – ভিভিএস লক্ষ্মণ, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৭ – বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কে নির্বাহি বিভাগ হতে আলাদা করা হয়।

২০২০ – চীনে আদমশুমারি শুরু হয়।

১৭৯৪ – ‘ক্যালকাটা মান্থলি জার্নাল’ নামে মাসিক পত্রিকা প্রকাশনা শুরু হয়।

১৮০০ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস হলেন দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি যিনি দি এক্সিকিউটিভ ম্যানসন এ থাকা শুরু করেন (পরবর্তীকালে যার নাম হয় হোয়াইট হাউস)

১৮২১ – পানামার ভূখণ্ড স্পেনের উপনিবেশিক কবল থেকে মুক্ত হয়ে কলোম্বিয়ার সাথে যুক্ত হয়।

১৮৫৮ – ব্রিটিশ রাজতন্ত্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছ থেকে ভারতের শাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

১৮৬৪ – প্রথম পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে মানি অর্ডার পদ্ধতি চালু হয়।

১৮৮০ – কলকাতায় প্রথম ঘোড়ায় টানা ট্রাম চলাচল শুরু হয়।

১৮৯৭ – ইতালীয় ফূটবল দল জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব গঠিত হয়।

১৯০৩ – পানামার স্বাধীনতাকামী জনতার আন্দোলন সফল হয় এবং তারা স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯১৩ – সানফ্রান্সিসকোতে হরদালের নেতৃত্বে গদর (বিপ্লবী) আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯২৪ – মঙ্গোলীয় প্রজাতন্ত্রের জন্ম হয়।

১৯৪৪ – আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান পরিবহন সংস্থা (ICAO) গঠিত হয়।

১৯৫২ – যুক্তরাষ্ট্র সর্ব প্রথম হাইড্রোজেন বোমার পরীক্ষা চালায়। এই বোমাটি হিরোশিমাতে নিক্ষিপ্ত বোমার চেয়ে প্রায় পাঁচশো গুণ বেশি শক্তিশালী।

১৯৫৪ – আহমদ বিন বালার নেতৃত্বে আলজেরিয়ায় স্বাধীনতাকামী যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৫৫ – পর্তুগালে ভূমিকম্পে ৩০ হাজার লোক নিহত হয়।

১৯৫৬ – বাংলা ভাষা আন্দোলন (মানভূম) এর ফলস্বরূপ মানভূমের একটা অংশ পশ্চিমবঙ্গের সাথে যুক্ত হয় পুরুলিয়া জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯৫৬ – ভারতে রাজ্য পুনর্গঠন আইন, ১৯৫৬ মোতাবেক মহীশূর রাজ্য বর্তমানে কর্নাটক, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের আত্মপ্রকাশ ও পুনর্গঠন হয়।

১৯৬৩ – দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি নগো দিন দিয়েম নিহত হন।

১৯৭৯ – বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল করে।

১৯৮১ – অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডা স্বাধীন হয়।

১৯৯২ – বাংলাদেশে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার মূল ক্যাম্পাস শান্তিডাঙ্গাতে উদ্বোধন করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৭৩ – দীনবন্ধু মিত্র, বাঙালি নাট্যকার ।

১৯০৩ – টেওডোর মম্‌জেন, জার্মান লেখক, নোবেল সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী।

১৯১৫ – বাংলা ক্রিকেটের জনক সারদারঞ্জন রায়।

 

১৯৫০ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

 

১৯৫৫ – রামনাথ বিশ্বাস,ভারতীয় বিপ্লবী, সৈনিক, ভূপর্যটক ও ভ্রমণকাহিনী লেখক। ইনি ১৯৩৬ ও ১৯৩৭ সালে সাইকেলে চড়ে বিশ্বভ্রমণ করেন।

 

১৯৭০ – ফ্রাঁসোয়া মারিয়াক, নোবেলজয়ী ফরাসি সাহিত্যিক।

 

১৯৮৪ – নিবারণ পণ্ডিত, গণসঙ্গীত রচয়িতা।

 

১৯৯৩ – সেভেরো ওচোয়া, স্পেনীয় বায়োকেমিস্ট, নোবেল পুরস্কার চিকিৎসা/ওষুধ বিজয়ী।

 

১৯৯৬ – জুনিয়াস রিচার্ড জয়েবর্ধনে, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ অক্টোবর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩১ অক্টোবর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  হ্যালোউইন ৷

হ্যালোইন বা হ্যালোউইন, এছাড়াও অলহ্যালোইন অল হ্যালোজ’ ইভ, বা অল সেইন্টস’ ইভ হিসাবে পরিচিত, একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন বা ছুটির দিন যা প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ৩১ অক্টোবর তারিখে, অল হ্যালোজ’ ডে বা সমস্ত হ্যালোজ দিবসে পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় ভোজোৎসবের প্রাক্কালে।

 

(খ) বিশ্ব সঞ্চয় দিবস ৷(ভারত) ব্যতীত

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৩১ – জপমালা ঘোষ, বাংলা ছড়ার গানের জনপ্রিয় গায়িকা।

জপমালা ঘোষ (জন্ম: ৩১ অক্টোবর ১৯৩১ – মৃত্যু: ১৮ মে ১৯৯৯) একজন বাঙালি গায়িকা। পিতা জীবনকৃষ্ণ মজুমদার। তার প্রাথমিক শিক্ষা পিতার কাছে। তিনি মূলত ছড়ার গান গাওয়ার জন্য বিখ্যাত। জপমালা ঘোষের জন্ম হয় বর্তমান মায়ানমারের রেঙ্গুনে। আদি নিবাস অসমের ডিগবয়ে। ছোটবেলায় কলকাতার আকাশবাণীতে শিশুমহলে গান গাইতেন। ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে আকাশবাণীর গল্পদাদুর আসরে প্রথম গান করেন। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে কলম্বিয়া রেকর্ড কম্পানি থেকে তার প্রথম রেকর্ড বের হয় প্রবীর মজুমদারের কথা ও সুরে কাটুম-কুটুম । তিনি ১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আকাশবাণীর নিয়মিত শিল্পী ছিলেন ।

 

১৯৪৪ – কিংকি ফ্রিড্‌ম্যান, মার্কিন সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, লেখক, রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক।

রিচার্ড এস. কিন্‌কি ফ্রিড্‌ম্যান (Kinky Friedman) (জন্ম অক্টোবর ৩১, ১৯৪৪) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন নামকরা কান্ট্রি (country) সঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, লেখক, রাজনীতিবিদ এবং কলাম লেখক। এর পাশাপাশি তিনি বেশ কিছু ডিটেকটিভ উপন্যাসও লিখেছেন।

 

১৯৪৬ – স্টিফেন রেয়া, আইরিশ অভিনেতা।

 

১৯৬৩ – দুঙ্গা, ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাবেক মধ্যমাঠের রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়।

কার্লোস কেটানো ব্লেদর্ন ভেরি আইজুতে জন্মগ্রহণকারী ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাবেক মধ্যমাঠের রক্ষণাত্মক খেলোয়াড়। তবে তিনি দুঙ্গা নামেই সমধিক পরিচিত। ১৯৯৪ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন তিনি। এরপর তিনি ব্রাজিল দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

১৯৭৬ – গুটি, স্প্যানিশ ফুটবলার।

হোসে মারিয়া গুটিয়েরেস হার্নান্দেজ (জন্ম ৩১ অক্টোবর ১৯৭৬), গুটি নামে পরিচিত , একজন স্প্যানিশ প্রাক্তন পেশাদার ফুটবলার যিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন , বর্তমানে একজন ম্যানেজার ।

 

১৮৩৫ – এডলফ ভন বাইয়ের, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।

জোহান ফ্রেডরিখ উইলহেম অ্যাডলফ ভন বেয়ার (  ৩১ অক্টোবর ১৮৩৫ – ২০ আগস্ট ১৯১৭) একজন জার্মানরসায়নবিদযিনিনীল সংশ্লেষিত করেছিলেন এবংচক্রীয় যৌগের জন্য একটি নামকরণIUPAC জৈব নামকরণেরঅংশ হিসাবে প্রসারিত এবং গৃহীত হয়েছিল)। তিনিবাভারিয়া রাজ্যেসম্মানিতহনরসায়নে নোবেল পুরস্কারপান।

 

১৮৭৫ – সর্দার বল্লভভাই পটেল, একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও

জাতীয়তাবাদী নেতা। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়।
বল্লভভাই প্যাটেল ছিলেন একজন ভারতীয় পণ্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতা। তিনি সরদার প্যাটেল নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তাকে ভারতের লৌহমানব বলা হয়। তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ প্রধানমন্ত্রী।

 

১৮৮০ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি কমিউনিস্ট বিপ্লবী বীরেন চট্টোপাধ্যায়।

বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ( ৩১ অক্টোবর, ১৮৮০―৬ এপ্রিল ১৯৩৭) একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কমিউনিস্ট বিপ্লবী। চট্টো নামে বিপ্লবী মহলে পরিচিত ছিলেন।

 

১৮৮৭ – চীনের রাষ্ট্রনায়ক চিয়াং কাইশেক।

চিয়াং কাই-শেক বিংশ শতাব্দীর একজন চীনা সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা। প্রমিত চীনা ভাষায় তিনি জিয়াং জিয়েশি বা জিয়াং ঝংঝেং নামেও পরিচিত। সান ইয়াৎ-সেনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী চিয়াং ছিলেন চীনা জাতীয়তাবাদী দল ও কুওমিঙটাং দলের একজন প্রভাবশালী সদস্য। তিনি কুওমিঙটাঙের হোয়ামপোয়া সামরিক অ্যাকাডেমির কমান্ড্যান্ট ছিলেন।

 

১৮৯৫ – বি. এইচ. লিডডেল্‌হার্ট, ইংরেজ সৈনিক, ইতিহাসবিদ ও তাত্তিক।

 

১৭৯৫ – জন কিটস, ইংরেজি সাহিত্যের একজন রোম্যান্টিক কবি।

জন কিটস (৩১ অক্টোবর ১৭৯৫ – ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৮২১) ছিলেন লর্ড বায়রন এবং পার্সি বাইশে শেলির সাথে রোমান্টিক কবিদের দ্বিতীয় প্রজন্মের একজন ইংরেজ কবি । ২৫ বছর বয়সে যক্ষ্মা রোগে মারা যাওয়ার সময় তাঁর কবিতাগুলি চার বছরেরও কম সময় ধরে প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলি তাঁর জীবদ্দশায় উদাসীনভাবে গ্রহণ করা হয়েছিল, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর খ্যাতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।  শতাব্দীর শেষের দিকে, তিনি প্রাক-রাফেলাইট ব্রাদারহুডের অনেক লেখককে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করে ইংরেজি সাহিত্যের ক্যাননে স্থান পান ; 1888 সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা একটি ওডকে “অন্তিম মাস্টারপিসগুলির মধ্যে একটি” বলে অভিহিত করেছিল।

 

১৪৪৮ – জন অষ্টম পালাইওলগস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০১৪ – রাজধানীর কারওয়ান বাজারের বিএসইসি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ভবনে আমার দেশ এবং এনটিভি, আরটিভিসহ বেশ কয়েকটি মিডিয়া হাউজ ছিল।

২০১৯ – ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটি পৃথক রাজ্য হিসাবে পরিণত হয়।

১৯১৪ – কৃষ্ণসাগরে রাশিয়াকে আক্রমণ করে তুরস্ক।

১৯১৮ – যুক্তরাষ্ট্র আর জাপানের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সারা বিশ্বে সে বছরে ব্যাপক ফ্ল‌ু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৮ – অষ্ট্রিয়ায় বিপ্লব শুরু হয়। অষ্ট্রিয়ার বিপ্লবী জনগণ অষ্ট্রিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করেন। অষ্ট্রিয়ার রাজা রাজধানী ত্যাগ করতে বাধ্য হন। রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বিরাট মিছিলের আয়োজন করেন।

১৯২০ – ভারতের প্রথম শ্রমিক সংগঠন নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৬ – কলকাতায় বাংলা ভাষায় মুসলমানদের প্রথম দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক আজাদ’ প্রকাশিত হয়।

১৯৪০ – ব্রিটেনের যুদ্ধ শেষ হয়।

১৯৫৮ – প্রাক্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিখ্যাত লেখক বাস্ট্রেনাক নোবেল সাহিত্য পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন।

১৯৬৬ – বিশিষ্ট সাঁতারু মিহির সেন পানামা খাল অতিক্রম করেন।

১৯৭২ – ঢাকায় মেজর (অবঃ) এম এ জলিল এবং আসম রবের নেতৃত্ব জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ ) গঠিত।

১৯৮০ – লন্ডনের ইভনিং নিউজ পত্রিকায় ‘বিদায় লন্ডন’ শিরোনামে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। যার ফলে এই শতাধিক ইতিহাস সম্পন্ন পত্রিকার বন্ধ হয়ে যায়। অব্যবস্থাপনার কারণে এই পত্রিকা অভুতপূর্ব আথির্ক সংকটে পড়ে।

১৯৮৪ – নিজের দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।

১৯৮৮ – চার বোনকে একত্রে বিয়ে করে ভুটানের রাজা ওয়াংচুকের চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন।

১৯৯০ – ঢাকা শহরে সম্প্রদায়িক দাঙ্গা-কারফিউ জারি হয়।

১৯৯৪ – চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বেজিং-সিউল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৯১ – জাপানে প্রবল ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি প্রাণহানি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – সিদ্ধার্থ ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক।

২০০৬ – অমৃতা প্রীতম, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ভারতীয় লেখক ও কবি।

২০১৩ – জেরার্ড ডি ভিলিয়ার্স, ফরাসি সাংবাদিক ও লেখক।

২০২০ – স্কটিশ অভিনেতা, ‘জেমস বন্ড’ খ্যাত অভিনেতা শন কনারি প্রয়াত হন।

২০২২ – জামশেদ জে ইরানি স্টিল ম্যান অফ ইন্ডিয়া নামে পরিচিত ভারতীয় শিল্পপতি।

১৯২৫ – মাক্স লিন্ডার, ফরাসি অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯২৬ – হ্যারি হুডিনি, হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ঐন্দ্রজালিক ও হুডিনি।

১৯৬০ – এইচ. এল. ডেভিস, মার্কিন ঔপন্যাসিক ও কবি।

 

১৯৭৫ – শচীন দেববর্মণ, বাঙালি সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, লোকসঙ্গীত শিল্পী। 

শচীন দেববর্মণ বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত শিল্পী । প্রায়শ তাকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।

 

১৯৮৪ – ইন্দিরা গান্ধী, ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। 

ইন্দিরা প্রিয়দর্শিনী গান্ধী ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী এবং ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। ইন্দিরা গান্ধীই হলেন একমাত্র মহিলা যিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।

 

১৯৮৬ – রবার্ট সেন্ডারসন মুল্লিকেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।

 

১৯৮৭ – রাজচন্দ্র বসু প্রখ্যাত ভারতীয় গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ । 

রাজ চন্দ্র বসু(১৯ জুন ১৯০১ – ৩১ অক্টোবর ১৯৮৭) ছিলেন একজন ভারতীয়-আমেরিকান গণিতবিদ ও পরিসংখ্যানবিদ।তিনি বোস-মেসনার অ্যালজেব্রা, সমিতির পরিকল্পনা তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। তিনি এস.এস. শ্রীকান্দি ও ই.টি. পার্কারের সাথে মিলে ল্যাটিন বর্গের ১৭৮২ সালের লিওনার্ট অয়লার অনুমানকে ভুল প্রমাণ করেন।

 

১৭৪৪ – লিওনার্দো লিও, ইতালীয় সুরকার।

লিওনার্ড অ্যান্টনি লিও (জন্ম নভেম্বর 1965) একজন আমেরিকান আইনজীবী এবং রক্ষণশীল আইনি কর্মী । তিনি ফেডারেলিস্ট সোসাইটির দীর্ঘদিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি স্টিভেন ক্যালাব্রেসির সাথে , সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সহ-চেয়ারম্যান।

 

১৭৯৩ – জ্যাকুইম পিয়ে, ফরাসি উগ্রপন্থী নেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ হ্যালোইন দিবস, জানুন হ্যালোইন কখন এবং কেন পালিত হয়।

হ্যালোইন বা হ্যালোউইন, এছাড়াও অলহ্যালোইন অল হ্যালোজ’ ইভ, বা অল সেইন্টস’ ইভ হিসাবে পরিচিত, একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন বা ছুটির দিন যা প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে পালিত হয় ৩১ অক্টোবর তারিখে, অল হ্যালোজ’ ডে বা সমস্ত হ্যালোজ দিবসে পাশ্চাত্য খ্রিস্টীয় ভোজোৎসবের প্রাক্কালে।  এটি ফসল কাটার মরসুমের শেষ এবং শীতের শুরু, বা বছরের “অন্ধকার অর্ধেক” চিহ্নিত করেছিল।  হ্যাঁ, হ্যালোউইনের বেশ প্রাচীন ও “পবিত্র” ইতিহাস রয়েছে!  হ্যালোউইনের উত্স এবং আমরা কীভাবে এই দিনটি উদযাপন করি তা জানুন।

 

হ্যালোইন কখন হয়?

 

হ্যালোইন, ঐতিহ্যগতভাবে “অল হ্যালোস ইভ” নামে পরিচিত, খ্রিস্টীয় পবিত্র দিন অল হ্যালোস ডে বা অল সেন্টস ডে (নভেম্বর 1) এর আগের সন্ধ্যায় উদযাপিত হয়।  তাই, হ্যালোইন সবসময় 31 অক্টোবর পালিত হয়।

 

হ্যালোইন, অল হ্যালোস ইভের সংকোচন, 31 অক্টোবর, অল সেন্টস (বা অল হ্যালোস) দিবসের আগের সন্ধ্যায় পালন করা একটি ছুটির দিন।  উদযাপনটি পশ্চিমা খ্রিস্টান অল সেন্টস উৎসবের আগের দিনটিকে চিহ্নিত করে এবং অলহলোটাইডের মরসুমের সূচনা করে, যা তিন দিন স্থায়ী হয় এবং অল সোলস ডে দিয়ে শেষ হয়।  বেশিরভাগ ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার বেশিরভাগ অংশে, হ্যালোউইন পালন করা অনেকাংশে অধর্মীয়।

 

হ্যালোউইনের উৎপত্তি হয়েছিল প্রাচীন ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের সেল্টদের মধ্যে সামহেন উৎসবে।  সমসাময়িক ক্যালেন্ডারে 1 নভেম্বরের সাথে সম্পর্কিত দিনে, নতুন বছর শুরু হবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।  সেই তারিখটিকে শীতকালীন সময়ের শুরু বলে মনে করা হত, যে তারিখে পশুদের চারণভূমি থেকে ফেরত আনা হয়েছিল এবং জমির মেয়াদ পুনর্নবীকরণ করা হয়েছিল।  সামহেন উত্সবের সময় যারা মারা গিয়েছিল তাদের আত্মা তাদের বাড়ি দেখতে ফিরে আসবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল এবং যারা বছরের মধ্যে মারা গিয়েছিল তারা অন্য জগতে যাত্রা করবে বলে বিশ্বাস করা হয়েছিল।  লোকেরা শীতের জন্য তাদের চুলার আগুন জ্বালানোর জন্য এবং অশুভ আত্মাদের ভয় দেখানোর জন্য পাহাড়ের চূড়ায় আগুন জ্বালায় এবং তারা কখনও কখনও মুখোশ এবং অন্যান্য ছদ্মবেশ পরিধান করত যাতে ভূতের দ্বারা চিনতে না পারে।  এটি সেই উপায়ে ছিল যে ডাইনি, হবগোবলিন, পরী এবং দানবদের মতো প্রাণীরা দিনের সাথে যুক্ত হয়েছিল।  বিবাহ, স্বাস্থ্য এবং মৃত্যুর মতো বিষয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্যও সময়টিকে অনুকূল বলে মনে করা হয়েছিল।  খ্রিস্টীয় 1ম শতাব্দীতে রোমানরা যখন সেল্টদের জয় করেছিল, তখন তারা মৃতদের মৃত্যু এবং ফসলের দেবী পোমোনার স্মরণে তাদের নিজেদের ফেরালিয়া উৎসব যোগ করেছিল।

 

7ম শতাব্দীতে পোপ বনিফেস IV অল সেন্টস ডে প্রতিষ্ঠা করেন, মূলত 13 মে, এবং পরবর্তী শতাব্দীতে, সম্ভবত একটি খ্রিস্টান পালনের সাথে পৌত্তলিক ছুটির পরিবর্তে এটিকে 1 নভেম্বরে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সবার আগে সন্ধ্যায়  সাধু দিবস একটি পবিত্র, বা পবিত্র, ইভ এবং এইভাবে হ্যালোইন হয়ে ওঠে।  মধ্যযুগের শেষের দিকে, ধর্মনিরপেক্ষ ও পবিত্র দিনগুলি একত্রিত হয়ে গিয়েছিল।  সংস্কারটি মূলত প্রোটেস্ট্যান্টদের ধর্মীয় ছুটির অবসান ঘটিয়েছিল, যদিও ব্রিটেনে বিশেষ করে হ্যালোইন একটি ধর্মনিরপেক্ষ ছুটির দিন হিসেবে পালিত হতে থাকে।  অন্যান্য উত্সবগুলির সাথে, হ্যালোইন উদযাপন মূলত আমেরিকান উপনিবেশবাদীদের মধ্যে নিষিদ্ধ ছিল, যদিও 1800 এর দশকে সেখানে উত্সবগুলি গড়ে উঠেছিল যা হ্যালোইনের ফসল কাটা এবং অন্তর্ভুক্ত উপাদানগুলিকে চিহ্নিত করে।  19 শতকের মাঝামাঝি থেকে যখন আইরিশ সহ বিপুল সংখ্যক অভিবাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়, তখন তারা তাদের হ্যালোইন রীতিনীতিগুলি তাদের সাথে নিয়ে যায় এবং 20 শতকে হ্যালোইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ছুটিতে পরিণত হয়, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে।

একটি ধর্মনিরপেক্ষ ছুটির দিন হিসাবে, হ্যালোইন বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে।  একটি হল সাধারণত নিরীহ প্র্যাঙ্কগুলি টানার অভ্যাস।  উদযাপনকারীরা পার্টিতে এবং ট্রিক-অর-ট্রিটিং-এর জন্য মুখোশ এবং পোশাক পরেন, যা দরিদ্রদের খাবারের জন্য ভিক্ষা করার অনুমতি দেওয়ার ব্রিটিশ অভ্যাস থেকে উদ্ভূত বলে মনে করা হয়, যাকে “সোল কেক” বলা হয়।  ট্রিক-অর-ট্রিটাররা ঘরে ঘরে এই হুমকি দিয়ে যায় যে তারা ট্রিট না পেলে ট্রিট করবে, সাধারণত ক্যান্ডি।  হ্যালোইন পার্টিতে প্রায়ই আপেলের জন্য ববিংয়ের মতো গেম অন্তর্ভুক্ত থাকে, সম্ভবত রোমান উদযাপন পোমোনা থেকে উদ্ভূত।  কঙ্কাল এবং কালো বিড়ালের পাশাপাশি, ছুটির দিনটি উদযাপনে ভূত, ডাইনি এবং ভ্যাম্পায়ারের মতো ভীতিকর প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।  আরেকটি প্রতীক হল জ্যাক-ও’-লণ্ঠন, একটি ফাঁপা কুমড়ো, মূলত একটি শালগম, একটি দানবীয় মুখ খোদাই করা এবং ভিতরে একটি মোমবাতি দিয়ে জ্বলে।  20 শতকের মাঝামাঝি থেকে জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) তার প্রোগ্রামগুলির জন্য অর্থ সংগ্রহকে হ্যালোউইনের একটি অংশ করার চেষ্টা করেছে।

 

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This