Categories
বিবিধ

রাতের অন্ধকারে গরুদের নিরাপত্তায় উদ্যোগ, জটেশ্বর ও আশপাশের এলাকায় পরানো হল রেডিয়াম বেল্ট।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা :-দুর্ঘটনা থেকে মালিক বিহীন ছাড়া গরুদের বাঁচাতে অভিনব উদ্যোগ নিল হিন্দু জাগরণ মঞ্চ জটেশ্বর। ওই সংগঠনের পক্ষ থেকে মালিক বিহীন ছাড়া গরুদের গলায় পরিয়ে দেওয়া হয় বিশেষ ধরনের বেল্ট। শনিবার রাতে জটেশ্বর সহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে এই কাজ করেন ওই সংগঠনের সদস্যরা। সেই ‘রেডিয়াম বেল্ট’-এ গাড়ির আলো পড়তেই চকচক করবে। ফলে গাড়ির চালক দেখতে পাবেন মালিক বিহীন ছাড়া গরুদের।রাস্তায় প্রায়শই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে মালিক বিহীন ছাড়া গরু। রাতের অন্ধকারে দ্রুতগামী গাড়ির নীচে চাপা পড়ে অনেক সময়ই। তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা। হিন্দু জাগরণ মঞ্চ জটেশ্বর এর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এলাকাবাসী।

Share This
Categories
বিবিধ

শিক্ষাঙ্গনে নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন, বামনগোলার স্কুলে মহিলা কর্মী-পড়ুয়াদের মারধরের ভিডিও ঘিরে চাঞ্চল্য।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- স্কুলেই যদি মহিলা কর্মী নিরাপদ না হন, তবে নিরাপত্তা দেবে কে?
বামনগোলায় এক মহিলা অশিক্ষক কর্মী ও পড়ুয়াদের মধ্যে মারধরের ভিডিও ভাইরাল হওয়া চাঞ্চল্য এলাকা জুড়ে। তীব্র প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

মালদার বামনগোলার জগদ্দলা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলা অশিক্ষক কর্মী ও পড়ুয়াদের মধ্যে মারধরের ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শিক্ষাঙ্গনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক প্রশ্ন উঠেছে। স্কুলের ভিতরেই যদি এমন ঘটনা ঘটে তাহলে তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কোথায়? উঠছে সেই প্রশ্নও। ঘটনাকে ঘিরে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অমিত হালদারের ভূমিকা নিয়েও সামনে এসেছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ।

নিগৃহীত কর্মী প্রতিমা মণ্ডলের অভিযোগ, এক প্রাক্তন ছাত্রের ট্রান্সফার সার্টিফিকেটে ভুল তথ্য লেখার জন্য তাঁকে চাপ দিয়েছিলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে চড় মারা হয় বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তাঁর পাল্টা দাবি, তিনি শুধু সার্টিফিকেট লিখে দিতে বলেছিলেন এবং উল্টে তাঁকেই চড় মারা হয়। এরপরই ছাত্রছাত্রীরা দেখতে পেয়ে মহিলা অশিক্ষক কর্মীকে জানতে চাইলে ছাত্র ছাত্রীর উপরে মারধর করা বলে অভিযোগ সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া ভাইরাল হয় ।

কিন্তু ঘটনার সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক উঠে এসেছে
এখন প্রশ্ন হল, এত গুরুতর অভিযোগ যদি আগেই পুলিশের কাছে জানানো হয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত কোথায় থেমে ছিল? অভিযোগের পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? সেই নিষ্ক্রিয়তার সুযোগেই কি পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ হয়ে উঠল?

ঘটনার পর প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় প্রতিমাদেবীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাঁকে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
অন্যদিকে ছাত্রছাত্রীরা অভিযোগ করে বলছেন একজন মহিলা অশিক্ষক কর্মী কর্মক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকে চড় মারা হয়েছে এই নিয়ে স্কুলেই হইচই পড়ে যায়। এই পুরো ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে বামনগোলা থানার পুলিশ

Share This
Categories
বিবিধ

মালদা মেডিকেলে ইঁদুরের সমস্যা স্বীকার সুপারের, রোগীদের সুরক্ষায় বসানো হল যন্ত্র।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – ইঁদুরের যন্ত্রনায় জর্জরিত মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।অসুস্থ রুগীদের শরীরে কামড় দিচ্ছে ইঁদুর। আর তাই ইঁদুরের যন্ত্রনা থেকে বাচতে রুগীদের বেডের পাশে রাখা হয়েছে যন্ত্র। ঝাঁ চকচকে অত্যাধুনিক মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইঁদুরের উৎপাত সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল। আর এমন দৃশ্য হাসপাতালের ব্যবস্থা ও পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
ইংরেজবাজার বিধানসভার বিজেপির প্রাক্তণ বিধায়ক তথা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর অভিযোগ ইঁদুর ধরার যন্ত্র আছে মানে মালদা মেডিকেল হাসপাতালে ইঁদুর রয়েছে। হাসপাতালে ওয়ার্ডে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ রয়েছে। সরকার বদল হয়েছে। কিন্তু সরকারি আধিকারিকদের পরিবর্তন ঘটে নি। তাই এমন পরিস্থিতি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে বিষয়টি তুলে ধরবেন।
মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার প্রসেনজিৎ বর ইঁদুরের সমস্যার কথা স্বীকার করে বলেন যাতে অসুস্থ রুগীদের কোন ক্ষতি না হয়। সেই বিষয়টি লক্ষ্য রেখৈ ইঁদুর ধরার যন্ত্র রাখা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

ট্যাবের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক দুলাল মণ্ডল ও করণিক রাজেশ চৌধুরী গ্রেফতার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ট্যাব কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ও করণিক গ্রেফতার।সরকার পরিবর্তন হতেই ট্যাব কেলেঙ্কারি নিয়ে নতুন ভাবে তদন্ত শুরু করল সিআইডি।ট্যাব কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও করণিক গ্রেপ্তার। শুক্রবার সকালে মালদার হবিবপুরের কেন্দপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও করণিককে গ্রেপ্তার করল সি আই ডি। ধৃতদের মালদা জেলা আদালতে পেশ করা হলে পাঁচ দিনের সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
২০২৪ সালে নভেম্বর মাসে পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকা অন্য একাউন্টে চলে যাচ্ছে বলে তোলপাড় শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। বাদ যায়নি মালদা জেলা। হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে বৈষ্ণবনগর এমনকি হবিবপুরে বেশ কিছু বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ট্যাব কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার তদন্ত
ভার দেয়া হয় সিআইডিকে। সেই সময় মালদা, উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে সি আই ডি। কিন্তু ওই পর্যন্তই তারপর পুরো বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে এই ঘটনার তদন্ত আরম্ভ করেছে সিআইডি। তদন্তে নেমে মালদার হবিবপুর থানার কেন্দপুকুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক দুলাল মন্ডল ও ক্লার্ক রাজেশ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করল সিআইডি। এই বিদ্যালয়ের ৯১ জন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা অন্য একাউন্টে চলে যায়। তাই নিয়ে হইচই পড়ে যায় জেলা জুড়ে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তৎকালীন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত সাহা। এরপরই ওই বিদ্যালয়ের করণিক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। কিন্তু এরপর তদন্ত আর এগায়নি তৃণমূল সরকারের আমলে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

আগুন লাগলে বেরোনোর পথ নেই! মেদিনীপুরে হোটেল পরিদর্শনে অগ্নিনিরাপত্তার বেহাল ছবি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মেদিনীপুর শহরের একাধিক হোটেল ও শপিংমলে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ তুললেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার মেদিনীপুর শহরের বেশ কয়েকটি হোটেল ও শপিংমলে অভিযান চালিয়ে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন তিনি। মন্ত্রীর অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা তো নেইই, এমনকি অগ্নিকাণ্ডের সময় দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত ‘ফায়ার এক্সিট’-এর ব্যবস্থাও নেই। এই দিন শহরের একাধিক হোটেল পরিদর্শন করেন অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার বেহাল দশা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বেশ কয়েকটি হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন জেলাশাসককে।
পরিদর্শনের পর অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “বালাজি হোটেলে ফায়ার লাইসেন্সই নেই। ফায়ার এক্সিটে সিমেন্ট-বালির বস্তা দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। হোটেলের উপরে আগুন লাগলে মানুষ আর বেরোতে পারবে না।” এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসককে হোটেলটি সিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। মেদিনীপুর শহরের রেশমা লজের পরিস্থিতি নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ তোলেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, সেখানে মাত্র একটি প্রবেশপথ রয়েছে। প্রায় ৮০টি ঘরের মানুষ আগুন লাগলে কীভাবে বেরোবেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। পিছনের দিকে থাকা গোডাউনের শাটারও নামানো এবং তালাবন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন অগ্নিমিত্রা। বীরভূম জেলার রামপুরহাটের অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, “ঠিক যা আমরা দেখেছি রামপুরহাটে।” তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের পরিস্থিতিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে বহু মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে।
সরকারের হকার উচ্ছেদ এবং অবৈধ পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে যারা সমালোচনা করছেন, তাঁদেরও এদিন পাল্টা আক্রমণ করেন অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, “যারা সমালোচনা করছেন, হকার তুলছি আমরা, অবৈধ পার্কিং তুলছি, এখন বলবেন কেন হোটেল সিল করছি? যদি মৃত্যু হয়, তাঁরা যদি দায় নেন, তাহলে আমি ছেড়ে দেব। আমার সরকার দায় নেবে না।” হোটেল ও শপিংমলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার এই বেহাল দশার জন্য আগের সরকারকেও দায়ী করেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টাকার বিনিময়ে বেআইনিভাবে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “১৪ বছর ধরে এখানে টিএমসির এমএলএ, চেয়ারম্যান—এদের উত্তর দিতে হবে। আপনারা টাকার বিনিময়ে করেছেন। আমাদের সরকারের আমলে হবে না। আমাদের পাওয়ার কিছু নেই, দেওয়ার জন্য এসেছি।”
মন্ত্রীর এই অভিযানের পর মেদিনীপুর শহরের হোটেল ও শপিংমলগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। প্রশাসনের তরফে পরবর্তী সময়ে কী পদক্ষেপ করা হয়, এখন সেদিকেই নজর।

Share This
Categories
বিবিধ

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ, মেদিনীপুরে বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা পাল।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা থেকে যোগ্য মহিলাদের বঞ্চিত করার অভিযোগ ঘিরে মেদিনীপুরে সরব হলেন পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে এসে একাধিক কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের দপ্তরে জেলার বিভিন্ন পুরসভার চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা, বিধায়ক শংকর গুছাইত, বিভিন্ন পুরসভার চেয়ারম্যান এবং প্রশাসনের আধিকারিকরা।
মন্ত্রী জেলাশাসকের দপ্তরে বৈঠকে যোগ দিতে যাওয়ার সময় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা থেকে বঞ্চিত বেশ কয়েকজন মহিলা তাঁকে ঘিরে ধরে অভিযোগ জানান। তাঁদের অভিযোগ, তাঁরা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না। মহিলাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভিযোগ শোনেন অগ্নিমিত্রা পাল। এরপর তিনি বৈঠকে যোগ দিতে চলে গেলেও জেলাশাসকের দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন মহিলারা।বিক্ষোভকারী মহিলাদের অগ্নিমিত্রা পাল জানান, তাঁরা যেন তাঁদের নাম, ফোন নম্বর, আধার কার্ডের নম্বর এবং এনরোলমেন্ট নম্বর লিখে এসডিও অফিসে জমা দেন। পাশাপাশি ভিডিও অফিস বা পৌরসভা অফিসে গিয়েও অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ রয়েছে। অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “আমার বলতে খারাপ লাগছে, কিন্তু অনেকে ভিতরে তৃণমূলের বসে আছে, যারা অনেক গন্ডগোল পাকাচ্ছে। তারা দেখে দেখে যারা যোগ্য, তাদের না দিয়ে অযোগ্যদের দেওয়া হচ্ছে।” তাঁর আরও দাবি, এর ফলে প্রকৃত যোগ্য মহিলারা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন এবং বঞ্চিত হচ্ছেন। বিষয়টির মধ্যে রাজনীতি রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অগ্নিমিত্রা বলেন, ধীরে ধীরে বিষয়টি ঠিক হয়ে যাবে এবং এই অভিযোগের কথা মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও জানাবেন তিনি। শুক্রবার মেদিনীপুরে পৌঁছে প্রথমে ধর্মার বিধায়ক কার্যালয়ে যান অগ্নিমিত্রা পাল। সেখানেও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে কয়েকজন মহিলা তাঁকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি রাজা নরেন্দ্রলাল খান মহিলা মহাবিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পরে জেলাশাসকের দপ্তরে প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেন। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের সুবিধা নিয়ে মন্ত্রীর সামনে মহিলাদের একের পর এক অভিযোগ এবং সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাঁর মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ, নয় দফা দাবিতে সরব হবিবপুরের লোকশিল্পীরা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও নানা সমস্যার সমাধানের নয় দফা দাবিতে এবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন হবিবপুর ব্লকের আদিবাসী ও অন্যান্য লোকশিল্পীরা। পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের হবিবপুর ব্লক কমিটির উদ্যোগে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের কাছে একাধিক দাবি সংবলিত স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়।

পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী ও লোকশিল্পী সংঘের হবিবপুর ব্লক কমিটির উদ্যোগে এদিন রাইসমিল হাট থেকে র‍্যালি করে ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক অফিসের সামনে জমায়েত হয় সেখানে বিভিন্ন বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্যরা।

সংগঠনের অভিযোগ, প্রায় এক দশক ধরে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে লোকশিল্পীদের পরিচয়পত্রের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম দেওয়া বন্ধ রয়েছে। আগে আবেদন জমা পড়লেও বহু ক্ষেত্রে অডিশন না হওয়ায় প্রকৃত শিল্পীদের একাংশ এখনও পরিচয়পত্র পাননি। দ্রুত যাচাই করে যোগ্য সমস্ত শিল্পীকে পরিচয়পত্র দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সম্মানিক ভাতা বৃদ্ধির দাবিও উঠেছে। শিল্পীদের অনুষ্ঠানের সুযোগ বাড়ানো, শিল্পীর মৃত্যুতে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা, প্রবীণ ও গুণী শিল্পীদের তত্ত্বাবধানে নবীনদের প্রশিক্ষণের জন্য কর্মশালা চালুর দাবিও জানানো হয়েছে।

দুঃস্থ লোকশিল্পী দলগুলিকে পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র প্রদান, ট্রেন-বাসে কনসেশন এবং বিনামূল্যে বিমার আওতায় আনার দাবিও রয়েছে স্মারকলিপিতে। পাশাপাশি হবিবপুরের লোকশিল্পীদের নিয়ে সমবায় সমিতি গঠনের আগ্রহ প্রকাশ করে প্রশাসনের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করবে বলেই আশাবাদী শিল্পীরা।

Share This
Categories
বিবিধ

চারচাকা গাড়িতে করে মাদক পাচারের অভিযোগ, মালদায় ২ যুবক গ্রেফতার।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল মালদা থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম তাহির শেখ (২৫) এবং শহীল শেখ (২০)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১ কেজি ৮০ গ্রাম ব্রাউন সুগার, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি চারচাকা গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগার বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। অভিযানের সময়ই গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালিয়ে মাদক উদ্ধার করা হয় এবং দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।ধৃতদের আদালতে তোলা হলে আদালত ১০ দিনের পুলিশি রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, মাদকের উৎস কোথায় এবং পাচার চক্রের নেপথ্যে থাকা মূল মাথাদের শনাক্ত করতে জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে মালদা থানার পুলিশ।পুলিশের দাবি, মাদক পাচারের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও একইভাবে চলবে এবং এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

উদ্ধার থেকে আহতদের চিকিৎসা—নারায়ণপুর গ্যাস প্ল্যান্টে মহড়ায় দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— পুরাতন মালদার নারায়ণপুর গ্যাস বটলিং প্ল্যান্টে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মক ড্রিল অনুষ্ঠিত।পুরাতন মালদার নারায়ণপুর গ্যাস বটলিং প্ল্যান্টে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি মক ড্রিলের আয়োজন করা হয়। শিল্পাঞ্চলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্য পরিচালনার প্রস্তুতি যাচাই করাই ছিল এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য।

এই মক ড্রিলে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা শাসক অনিন্দ্য সরকার। এছাড়াও অংশগ্রহণ করেন জেলা পুলিশ প্রশাসন, কিউআরটি (রেসকিউ) টিম, স্বাস্থ্য দপ্তর, ফায়ার ও ইমার্জেন্সি সার্ভিসেস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা।মহড়ায় গ্যাস লিক ও অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় উদ্ধারকাজ, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা এবং দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন দিক বাস্তবসম্মতভাবে প্রদর্শন করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের মক ড্রিলের মাধ্যমে বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

কলেজ ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ কীভাবে? SFI-ABVP সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা : – যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষের রেশ এবার এসে পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর কলেজে। শুক্রবার যাদবপুরের ঘটনার প্রতিবাদে এসএফআইয়ের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরেই এসএফআই ও এবিভিপির সদস্য-সমর্থকদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনায় দু’পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে বহিরাগতদের প্রবেশ ও তাণ্ডবের প্রতিবাদে এদিন মেদিনীপুর কলেজে কর্মসূচি করছিল এসএফআই। সেই সময় এবিভিপির ঝান্ডা হাতে কয়েকজন ব্যক্তি কলেজ চত্বরে ঢুকে পড়েন বলে অভিযোগ। তাঁদের সঙ্গে এসএফআই কর্মীদের বচসা শুরু হয়। এরপরই দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। এসএফআইয়ের দাবি, তাদের একাধিক সমর্থককে মারধর করা হয়েছে। অন্যদিকে, এবিভিপিও পাল্টা অভিযোগ করেছে যে তাদের সদস্যদের উপর হামলা চালানো হয়েছে।
সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। কিছু সময়ের জন্য কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় কলেজ চত্বর। ঘটনার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। কলেজের ভিতরে বহিরাগতদের প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ থাকার পরেও কীভাবে বাইরে থেকে লোকজন ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ল এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন পড়ুয়াদের একাংশ। একইসঙ্গে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দু’পক্ষের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী। এসএফআইয়ের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে এবিভিপির সদস্যরা এসে হামলা চালায়। পাল্টা এবিভিপির দাবি, তারাই আক্রান্ত হয়েছে। ফলে মেদিনীপুর কলেজের এই সংঘর্ষ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে।

Share This