Categories
কবিতা

আমি ডাক বয়ে যাই :: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।

আজ সকালে চিঠি এল-
খবর পেলাম লেফাফা খুলে,জীবন সন্ধিক্ষণে –
বেকার নাশে কর্মআশে আমি হরকরার কর্ম পেয়েছি।
দোরে দোরে বার্তা দেওয়া-
পৃথিবীর মনের কথা,সময়ের দুঃখ,হাসি-
ভাঙ্গাগড়ার নিত্যদিনের সংবাদ।
ঝরা পাতার নিত্য চোখের জল-
কাব্যছায়ায় নিশ্চিন্তর আশা আর শব্দ ছায়ায় স্নিগ্ধতার সম্বল।
সবার অব্যক্ত কথা,যত দুঃখ মাঝে জমানো প্রতিবাদ-
ক্রন্দসীর রুদ্ধ শ্রবণে মেঘগর্জনে তরঙ্গায়িতই করাই আমার শেষ কর্তব্য।

প্রহর কেমন আয়েশে,আরামে গভীর ঘুমে অচেতন ,
ষড়যন্ত্রের নিষ্ঠুরতা, বিষাক্ততায় নিত্য হাতছানি ,
ভয়ার্ত ন্যুব্জ মানবিকতার দুহাতে প্রসারিত সাবধান বাণী –
সমানেই বয়ে আনে রোগগ্রস্ত অসহায় শত শত অভিমানী।
আমারই পিঠে,আছে মিঠে মিঠে পদক্ষেপ বার্তাখানি ।
এবার মুক্তির স্বাদে , এ মন কোকোনদে উঠবে ক্ষিপ্ত গজরানী।

সময় দিয়েছে ডাক, আমি তো কর্মে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ,
হোক না শূন্য বাতিস্তম্ভ, দেদীপ্যমান জ্যোৎস্নার আলো মেখে পথের যত খানাখন্দ,যত উঁচু নিচু ঢিবি ,আঁধারেই পথ দেখে
শেষবারের মত বিলাব দোরে দোরে প্রতিশ্রুতির সমস্ত খবরখানি।

তারপর-
আগামী সূর্যোদয়ে আগামীর পথশিশু মুক্তির গান গাইতে গাইতে
চলবে –
আজি কি আনন্দ এ প্রেমভরা বসন্তে ,
ওই দেখ মুক্তির আনন্দাশ্রু ঝরে দিগন্তে ,দিগন্তে।
শঙ্খ,ঘন্টা,কাসর আর আজানের শব্দে আমি-
কর্তব্য অবসানে শেষবারের মতো ঘুমাবো নিশ্চিন্ত,নিরুদ্বেগ,শান্তমনে।

সংরক্ষিত।

Share This
Categories
কবিতা

আছে এখনো আছে ::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।

এখনো প্রেম আছে, টান আছে, আছে ব্যাকুলতা
এখনো মানুষ আছে, সত্য আছে, আছে উদারতা।

এখনো নির্মল আকাশ আছে,আকাশে মেঘ আছে,আছে বলাকার ডানা
এখনো আকাশ ভরা আলো আছে,মন আছে,কাছে যেতে নেই মানা।

এখনো ভোরের সূর্য আছে ,বিরহ আছে ,আছে প্রাণে আকুলতা
এখনো সবুজ আছে,চোখে জল আছে, আছে প্রেম বিহ্বলতা।

এখনো জীবন আছে, সংসার আছে,আছে দায়িত্ববোধ
আমি তুমির বাইরে প্রতিবেশীর কাছে আছে সম্মানবোধ।

এখনো দেখা আছে, আবেগ আছে, আছে নাড়ীর টান
এখনো প্রতিবাদে মিছিল আছে,আছে কর্মের আহ্বান।

এখনো মা আছে,বুক ভরা স্নেহ আছে,আছে জন্মস্থান
সাড়ে তিনহাত জমির অধিকার আছে,আছে অনেক অভিমান।

সংরক্ষিত
গড়িয়া,কলকাতা।

Share This
Categories
কবিতা

ঘুম ভেঙে এসো ::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।

অবক্ষয়ের করাল ছায়ায়-
আজ সব কবলিত, তবুও মায়ায় নিরুপায় ।
সীমাহীন আস্পর্ধায়-
কলঙ্কিত এ অধ্যায়,
তুমি চুপ কেন দুঃসময়ে, শিক্ষার দম্ভ?
এইতো সময় দক্ষযজ্ঞের,হয় হোক আরম্ভ।

চাতকের মতো অপেক্ষার জল না চেয়ে
কলমে রক্ত ভরে বিদ্রোহে এসো ধেয়ে।
সবলা, অবলা,যত নিচের তলা, হোক উত্থান,
সূর্যের আগুনে ঝলসিয়ে করব মহাপ্রস্থান।
ইতিহাস কথা বল,আর নয় চোখ ছলছল,
অমৃত ছেঁচে অশনিকে দেব হলাহল।

সংরক্ষিত/ প্রবীর কুমার চৌধুরী

Share This
Categories
কবিতা

আবার এসো মা তুমি :: রাণু সরকার।।

এলে তুমি দেখাদিয়ে গেলে,তোমার লক্ষ্যে কত কিছু ঘটছে কিছুই কি করার শক্তি নেই তুমিতো সবই জানো- তুমি শক্তি দাতা মা- দুর্গতিনাশিনী-
জাতিধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে পারলে না তো করতে সবার সাথে সবার মিত্রতা রক্ষা করতে-
তুমি কেমন মা গো সন্তানের কষ্ট দেখে থাকো নিস্তব্ধ?
কোনবারই হয়না আশা পুরণ তুমি তো শক্তির আধার-
কেনো পারো না সবার মুখে ফোটাতে ফুল?

কারুর চোখ সর্বদা অশ্রুসিক্ত
কারুর কাষ্ঠহৃদয় ফেটে চৌচির,
কারুর খিদের জ্বালায় পেটের কিট করে নৃত্য।
দামি পোশাক জোটে যাদের আনন্দে থাকে তারা-

আবার কারুর জোটেনি কিছুই-
তবুও হৃদয়ের ব্যথা চেপে একবার দেখে আসে তোমাকে দালানে গিয়ে।
তোমার কি একটু দয়া হয় না মাগো,
এতো যাদের ব্যথা তাদের প্রতি একটুও কি হয়
তোমার করুণা।

কবে করবে মাগো দুষ্টের দমন? তুমি মা তুমি নারী
তোমার দৃষ্টির সম্মুখে হয় শ্লীলতাহানি তবু তুমি করো না বিনাশ- বারংবার দুষ্টেরা করে জয়লাভ-
ওদের মন যেন হয় পবিত্র অপবিত্রতা করো দূর তা না হলে দূষণ ছড়িয়ে পড়বে ছোট বড় বসার মধ্যে।

তুমি তো চলে যাবে মাগো যাবার আগে কিছু একটা
করে যেও, তোমার শ্রীচরণ ধরে করি মিনতি।

কবে যে থামবে দুষ্টের কোলাহল অপেক্ষায় একা একা কাটে সারাবেলা-
অতীতে তোমার আসার আগে থেকেই আনন্দে থাকতাম মাতোয়ারা কাশফুল শিউলিফুল ওদের সাথে ওদের মধ্যে তুমি তুমি গন্ধ মাখা।
এখন শুধুই হিংস্রেদের নিশ্বাসে নরখাদকের গন্ধ বাতাস ঘঠায় অগ্নিকাণ্ড।

অনেক কষ্ট এই হৃদয়ে- আজ বিশ্ব জুড়ে হাহাকারের ধ্বনি, হঠাৎ করে মৃদু হেসে বলি আবার এসো মা তুমি।

Share This
Categories
কবিতা

আতর বাড়ি :: রাণু সরকার।।

এই মেয়ে, শোন-
কেনোরে তুই, আতর দিয়ে গা ধুয়েছিস?
তোর গায়ের গন্ধে পাড়ায় থাকা দায় হয়েছে-
সবাই করে কানাকানি,এই গন্ধ কি লুকিয়ে রাখা যায়-
রাতবিরেতে দরজা এঁটে থাকবি তুই খাটে সেঁটে।

শোন বাবু, মাটা আমার গেলো মরে,
ছ’মাস পরে গেলো বাপটাও-
বাপের ছিলো টানের রোগ-কাজ ছিলো তার পরের রিক্সা টানা।

চলছিলো বেশ বাপ-বেটিতে,
বাপের আমি ছিলাম চোখের মনি, একা ফেলে গেলো চলে।

জানিস বাবু গভীর রাতে দমকা বাতাস
গন্ধ নিয়ে-ঢোকে আমার দরজা ঠেলে,
রঙবেরঙের ডালপালা সব গুঁতায় তারা ঘাড়ে-পিঠে।

ভোরের আলো ফোটার আগেই দমকা বাতাস পালায় ছুটে-
ভোরের আলো ফুটলে পরে গায়ের ক্ষত জ্বলতে থাকে–

ক্ষতরা সব আমায় দেখে ব্যথায় ব্যথায় দিন যে কাটে,
ভয়ে ভয়ে থাকি রাত যেন আর না আসে
বলতে পারো বাবুমশাই আমার কি দোষ?
কোন পাপেতে ডুবে আছি-
নিয়ে যাবে বাবুমশাই, তোমার বাড়ি?

সব কাজ করে দেবো গিন্নি মাকে-
সব কাজ আমি করতে পারি,
গায়ে আমার ব্যথা-ভীষণ কষ্ট হয়-
তোমার কাছে আমার কষ্ট একটুও কি কষ্ট নয়?

তোমারও তো মেয়ে আছে,
নেবে আমায় বাবুমশাই, তোমার সাথে?

এই বয়সে তোকে নিলে বদনাম হবে-
তুই যেমন আছিস তেমনই থাক-
আসবো না আর বলতে তোকে-
তোকে নিলে আমার বাড়ির নাম যে দেবে আতর বাড়ি।

Share This
Categories
কবিতা

আতর বাড়ি :: রাণু সরকার।।

এই মেয়ে, শোন-
কেনোরে তুই, আতর দিয়ে গা ধুয়েছিস?
তোর গায়ের গন্ধে পাড়ায় থাকা দায় হয়েছে-
সবাই করে কানাকানি,এই গন্ধ কি লুকিয়ে রাখা যায়-
রাতবিরেতে দরজা এঁটে থাকবি তুই খাটে সেঁটে।

শোন বাবু, মাটা আমার গেলো মরে,
ছ’মাস পরে গেলো বাপটাও-
বাপের ছিলো টানের রোগ-কাজ ছিলো তার পরের রিক্সা টানা।

চলছিলো বেশ বাপ-বেটিতে,
বাপের আমি ছিলাম চোখের মনি, একা ফেলে গেলো চলে।

জানিস বাবু গভীর রাতে দমকা বাতাস
গন্ধ নিয়ে-ঢোকে আমার দরজা ঠেলে,
রঙবেরঙের ডালপালা সব গুঁতায় তারা ঘাড়ে-পিঠে।

ভোরের আলো ফোটার আগেই দমকা বাতাস পালায় ছুটে-
ভোরের আলো ফুটলে পরে গায়ের ক্ষত জ্বলতে থাকে–

ক্ষতরা সব আমায় দেখে ব্যথায় ব্যথায় দিন যে কাটে,
ভয়ে ভয়ে থাকি রাত যেন আর না আসে
বলতে পারো বাবুমশাই আমার কি দোষ?
কোন পাপেতে ডুবে আছি-
নিয়ে যাবে বাবুমশাই, তোমার বাড়ি?

সব কাজ করে দেবো গিন্নি মাকে-
সব কাজ আমি করতে পারি,
গায়ে আমার ব্যথা-ভীষণ কষ্ট হয়-
তোমার কাছে আমার কষ্ট একটুও কি কষ্ট নয়?

তোমারও তো মেয়ে আছে,
নেবে আমায় বাবুমশাই, তোমার সাথে?

এই বয়সে তোকে নিলে বদনাম হবে-
তুই যেমন আছিস তেমনই থাক-
আসবো না আর বলতে তোকে-
তোকে নিলে আমার বাড়ির নাম যে দেবে আতর বাড়ি।

Share This
Categories
কবিতা

কোথায় পাবো তারে :::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।।

মস্তিকের কোষে কোষে প্রবাহিত তরঙ্গ,
জীবনযুদ্ধে কালজয়ের আহবান,
পৃথিবী কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে একদিন কৃষ্ণ গবাক্ষে প্রস্থান,
রুদ্ধ নিঃশ্বাসে পূর্ণ বিষাক্ত বায়ুমণ্ডল , আজ এই কালবেলায়।

বিসর্জনের ডুলি ভরা ঢাকের কান্না নীল কণ্ঠ পাখির চোখেও-
নিরঞ্জনে দুঃখহীন আনন্দের স্রোতে অশ্লীল নীল জল,
বুকেতে জ্যোৎস্না লুকিয়ে এতযে উৎশৃঙ্খল মিলন সঙ্গম-
তুমি সতী পতিহীনা পরকিয়ায় সিঁদুর গ্রহণ।

উন্মত্ত ,ক্ষিপ্ত এলোকেশী রক্ত রাঙানো একহাত জিভ,
বুক স্পর্শ পদতলে সর্বনাশের লজ্জায় মরণ। তবুও সময় –
অবৈধতায় উত্থাল,পাথাল , মরে গেছে লজ্জাস্মরণ,
ইতিহাস রচে কলম কারিগর পাতায়,পাতায় অষ্ট প্রহর।

এখনও উপোস বাহাত্তুরে থুত্থুরে, বুকেতে স্নেহ,
ঘর, গৃহস্থলী হৃদয়ে রক্ষিত ,বারব্রত মঙ্গল ঝরায়।
শতযোনি ছিন্নভিন্ন লুক্কাইয়িত খুশি মেখে, মেখে ,
ক্ষমাহীন আগামী,অপ্রতিহত উদগ্র, হিংস্র উত্তরাধিকার …।

সংরক্ষিত/প্রবীর কুমার চৌধুরী।

Share This
Categories
কবিতা

কালবেলায় অবগাহন ::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।।

আজানুলম্বিত বাহু মেলে মস্তিষ্কে হাত রাখে বিধাতা
হস্তেনির্গত বিষধর সাপ যেন বহুফনায় করে দংশন
নীলকণ্ঠ নহি,নীলাক্রান্ত মৃত্যুই প্রাত্যহিক উপসংহার।
তোমার আলিঙ্গনে নত মাথা, মিথ্যা অভিনয়ে শৃঙ্খল পরাও হে কালকূট।

এ কালবেলা সরিয়ে চাদর ঘুমন্ত দাবনায় রাখে মাথা,
কামনায় আবৃত চোখে প্রস্ফুটিত স্তন পান করে জিঘাংসায়
নগ্নতায় ভরায় এ ধরণীর নির্মল সিঁথির সিঁদুর
তারপর বেশ্যাদ্বারের মাটি শুষে নেয় সহস্র সতীর অশ্রুবিন্দু।

শুস্ক নদীতে পচা, গলা,ফোলা প্রাণহীন শবেদের অবগাহন,
বালুকায় অষ্টপ্রহর ভাঙা গড়ার চিরাচরিত ইতিহাস।
অগ্নিদগ্ধ দক্ষিণা বাতাসের তৃপ্তিহীন দীর্ঘশ্বাস বাতায়নে,
শতসহস্র পরিযায়ী পাখি ফিরে যায় ক্ষত বিক্ষত ডানা মেলে।

গাছের ঝরা পাতার দীর্ঘশ্বাস ,দূষণ,শোষণ আর লোভে মৃত্যুর দিন গোনে ,
প্রতি প্রভাতে গণিকার ঘুম ভাঙে শত ব্যথার পাঁজরে,
পুরুষের প্রতিস্পধী দেবী মাটি খোঁজে কুমারের টুলিতে, টুলিতে,
অনুশোচনায় চোখ মোছে পরাধীন,অদৃশ্য বেড়ি পায়ে নব্য সতী।

সোনালী ধান প্রেতাত্মা হয়ে ঘুরে বেড়ায় সবুজ শস্য ক্ষেতে,
প্রাণহীন কাকতাড়ুয়া মহাশূন্যে হাত মেলে দীর্ঘ তপস্যায়।
আজ হয়তো কোন পোয়াতির গর্ভে অপেক্ষায় নির্ভীক-
পুরুষাকার, হয়তো দেশাত্ববোধের আগামী রূপকার।

সংরক্ষিত/ প্রবীর কুমার চৌধুরী।

Share This
Categories
কবিতা

জাগুগ চেতনা ::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।।

এসো ঈগলডানার অন্ধকারে
চোখের মুক্ত আলোয়
মাটিতে ছড়ানো যত কবিতার উর্ন-কঙ্কাল সরিয়ে
একটা আস্তানা গড়ে তুলি
যেখানে পরম সুখে বাস করবে আগামীর কবিতা
তারপর নিভৃতে,অন্তরালে সৃষ্টি করুক সত্যের অভিধান।

শৈশব থেকে উৎক্ষিপ্ত দীর্ঘশ্বাস-
আকাশ,বাতাস কাঁপায় একটাই প্রশ্ন
তাদের মুখরেখায় শান্ত নীল দীপ্ত প্রতিবাদের বর্ণছটা-
দুহাতে কেন অদৃশ্য শৃঙ্খল, কেন পবিত্র মাটিতে এত শব?
নীরব সময়ের সান্ত্রী,জিভহীন ,বাকরোহিত মুখবিবর
অসহায় মানবতা ককিয়ে ওঠে – আমরাই দায়ী।

আশে পাশের স্তরে,স্তরে তমসায় স্তাবকের কোলাহলে-
বন্ধ ঘড়ির হাতদুটি দুঃসহ নতজানু
আজ এসো আবেগহীন পথচলি, আবেগ যেন জন্মশত্রু
চেতনা প্রবাহের ভিতর জেগে উঠুক ক্রোধ, প্রতিবাদ
অগণিত সবুজপত্রে উচ্চারিত হোক অমোঘ সত্য
পাহাড় কেটেই শুরু হোক নবজীবনের চলার পথ।

নতজানু মাথারা উঠুক আকাশে
মৃত্যুর কোলে মাথা রেখে,বার,বার বলবো-
এ পৃথিবী আমাদের,আমরাই গড়বো
অকালে যাঁরা চলে গেলেন, সেই মৃত্যুর দায় বইবো।

সংরক্ষিত।

Share This
Categories
কবিতা

এখনও প্রতীক্ষায় ::: প্রবীর কুমার চৌধুরী।।।

তোমার দংস্ট্র,বিষিয়েছে প্রেম ,
বিষুবরেখা থেকে সূর্যের দক্ষিণে –
বাঁচার আকুল আর্তনাদে ভেসে যাই আমি ,
দণ্ডপাণি এসেছে ,হেসেছে অকালেই ।

তোষামোদি যত চাটুকার –
স্বার্থের অন্বেষণে ঘুরে মরে পথময় ,
ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্য নেই আছে শুধু ত্রিপাপ।
ত্রিদিব বিষিয়েছে ত্রিদোষ অনুকার ।

আছে কি কোন ত্রিকালজ্ঞ –
বলে দেবে আগামী ভবিষ্যত ?
অক্ষমতার দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে –
এখন প্রতিবাদহীন প্রতিবন্দি আমরা ।

স্নেহ,মায়া,মমতা দুয়ারের বাইরে অপেক্ষা রত-
প্রবেশ নিষেধ নোটিশ হাতে অনুপরিবার ,
আজকের শিশুর মুখের হারানো নিষ্পাপ হাসি –
ফিরবে কি ঠাকুমার ঝুলি হাতে,বৃদ্ধ,বৃদ্ধার প্রবেশাধিকার?

সংরক্ষিত / প্রবীর কুমার চৌধুরী ২৩-১১-১৮

Share This