Categories
কবিতা

আত্মম্ভরি :: রাণু সরকার।।

দৃষ্টিকোণের বোবা জলটা পীড়নকর,
উপলব্ধি করলে বৃহৎ এক কাব্য,
ঠোঁট জুড়ে অকথিত ভাষা,
অথচ নাচ ঘরে শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী,
কিন্তু শরীর জুড়ে অঙ্কিত দাম্ভিকতা
সোহাগে বাড়ে আত্মম্ভরি!

Share This
Categories
কবিতা

অজ্ঞাত : রাণু সরকার।

রাস্তায় চলছিলাম, হঠাৎ সম্মুখে বর্তমান
অশীতিপর একজনকে চারজনায়
কাঁধে নিয়ে চললো,
দেখে মনের কুটিরে বসে পড়লো
অসংখ্য খণ্ড খণ্ড বাণীর সাথে চিত্র।

কীভাবে এলাম এখানে, অজ্ঞাত
গন্তব্যস্থল কোথায়- সেও অজানা
সেটা কষ্টের না মুক্তির ?
আমার কাছে জ্ঞানের অতীত।

চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী
বয়োজ্যষ্ঠরা স্বস্তিবচন দেন-
দীর্ঘায়ু হও,
সেটার প্রকৃত ব্যাঞ্জনাও- অজ্ঞাত ||

Share This
Categories
কবিতা

অপেক্ষা : রাণুর কবিতা।

তুমি এসেছিলে বুঝি?
আমি দেখিনি,
তবে তোমার পায়ের চিহ্ন রেখে গেছো।

এখন তুমি কোথায়, কত দূরে?
দু’জনের একসাথে যাবার কথা ছিলো এক নৌকায়!
কেনো আগে নিলে বিদায়,
পারঘাটে বাঁধা আছে একটি নৌকা-
হয়তো হবে আমারই,
মাল্লার নেই,
জেলেরা ফেলেছে জাল, অপেক্ষায় থাকা|

Share This
Categories
কবিতা

ঋতু করেছে বিধ্বস্ত : রাণু সরকার।

বেলা শেষে তরুণ রোদে পিঠ ঠেকিয়ে
সেলাই করছিলে বুঝি অতীতের কাব্য?

ঐ আর কী- কোন রকমে চালানোর মতো
জোড়াতালি দেওয়া!
কতদিন আর চলবে তাপ্পিতে?

বহু ব্যবহারে হয়েছে জ্যালজেলে-
তাপ্পি দেওয়ার আর ব্যবধান নেই।
কুটিরের অবস্থা দুর্বল- হবেই বা না কেনো,
ঋতু গুলো করেছে বিধ্বস্ত,
কারণটা জানা আছে নিশ্চয়ই!

অভিমানের আঘাতে নিজেকে করেছো
ক্ষতবিক্ষত!
বিরক্তির কারণ কে দিলো জোগান?

অষ্টপাদের জালে পড়েছি জড়িয়ে,
দিবারাত্র ঝাপসা!
সংযোগস্থল ভঙ্গুর হয়তো সহজেই
পড়বে ভেঙে!
কুটিরটি মন্থর গতিতে হচ্ছে নতশীর,
অস্পষ্ট দৃষ্টিতে কবে যেন অদৃষ্টের গর্ভে
হবো বিলীন।

প্রবীণ রাতের সমাপ্তি,
যুবতি ভোর অতীতের দোষগুণের
করে সম্যক বিচার ।

Share This
Categories
কবিতা

গর্ভবতী নদী ::: রাণু সরকার।।

গর্ভবতী নদীর বুকে
অনুদ্ধত নিরীহ ক্ষুদ্র তরঙ্গরাশি
হর্ষধ্বনিতে নেচে যায়-
তাতে প্রতিফলিত হয় সংখ্যাহীন চন্দ্ররশ্মি।
তখন যে তার বিরামকাল!
সোহাগের দোলাচলে অস্থিরচিত্ত!
তাই সে তরঙ্গহীন-
সম্পূর্ণ হৃদয় জুড়ে
আলোর বিচ্ছুরণ,
মন্থর গতিতে জাগায় শিহরণ!
রূপের দীপ্তিতে বিবশ হয় তার চেতনা!

Share This
Categories
কবিতা

কেউ আসে না :: রাণু সরকার।।

আজকাল তেমন একটা কেউ আসে না,
আসলে তাদের আসার অপেক্ষাতে তো আজ আর নেই,
কী আর থাকবো- ঝুড়িঝুড়ি প্রশ্ন নিয়ে আসে আমার কাছে।

আসলে এতো প্রশ্নের উত্তর রাখার মতো টুকরি নেই আমার-
আমি আবার এতো ভার বহন করতে পারিনা, কষ্ট হয় ভীষণ।

প্রাপ্তবয়স্ক হলে কি হবে- বহন করার ক্ষমতা আছে বেশ,এতোটুকুও ক্লান্তি নেই ওদের-
সেবার এসে অনেক প্রশ্ন রেখে গেলো, ভালোবেসে না রাগ করে জানিনা বাপু।

আলগোছে রেখেছি তুলে নাড়াচাড়া দেইনি-
আমি একটু আটপৌরে জীবন যাপন করে থাকি, জগৎ সম্পর্কে তেমন কোন কৌতুহল দেখাই না- যখন যা হবার হবে।
জীবন কী বুঝতে ঋতু লাগেনা।

Share This
Categories
কবিতা

আত্মম্ভরি : রাণু সরকার।

দৃষ্টিকোণের বোবা জলটা পীড়নকর,
উপলব্ধি করলে বৃহৎ এক কাব্য,
ঠোঁট জুড়ে অকথিত ভাষা,
অথচ নাচ ঘরে শ্রেষ্ঠ নৃত্যশিল্পী,
কিন্তু শরীর জুড়ে অঙ্কিত দাম্ভিকতা
সোহাগে বাড়ে আত্মম্ভরি!

Share This
Categories
কবিতা

কেউ আসে না : রাণু সরকার।

আজকাল তেমন একটা কেউ আসে না,
আসলে তাদের আসার অপেক্ষাতে তো আজ আর নেই,
কী আর থাকবো- ঝুড়িঝুড়ি প্রশ্ন নিয়ে আসে আমার কাছে।

আসলে এতো প্রশ্নের উত্তর রাখার মতো টুকরি নেই আমার-
আমি আবার এতো ভার বহন করতে পারিনা, কষ্ট হয় ভীষণ।

প্রাপ্তবয়স্ক হলে কি হবে- বহন করার ক্ষমতা আছে বেশ,এতোটুকুও ক্লান্তি নেই ওদের-
সেবার এসে অনেক প্রশ্ন রেখে গেলো, ভালোবেসে না রাগ করে জানিনা বাপু।

আলগোছে রেখেছি তুলে নাড়াচাড়া দেইনি-
আমি একটু আটপৌরে জীবন যাপন করে থাকি, জগৎ সম্পর্কে তেমন কোন কৌতুহল দেখাই না- যখন যা হবার হবে।
জীবন কী বুঝতে ঋতু লাগেনা।

Share This
Categories
কবিতা

অলীককল্পা : রাণু সরকার।

কল্পায় যাকে রেখেছিলে
তার সন্ধান পেয়েছো কি?

কপটাচারিণী রূপবতীর ছলে
পড়েছো বুঝেছি,
দেখছি একটা মালাও তো রেখেছো
তার জন্য!
খোপায় জড়িয়ে দেবে বুঝি!
সে কি তোমার কল্পাসৃষ্ট নাকি বাস্তব?

এনেছো মনে যেন হয় কুমোরটুলি
থেকে রূপসী সে নারী-
পারছোনা বুঝি নিশ্চল থাকতে
মিথ্যা কল্পায়সৃষ্টি করোনা তারে-
যে মালা গেঁথেছো বাস্তব হলে
দাও না তাকে পড়িয়ে !

নিজের হাতে করো প্রাণ প্রতিষ্ঠা!
শুভ কাজে কখনো করতে নেই দ্বিধা?
একবার অনুমতি নিয়ে নাও-সে যদি রাজি
থাকে!

ধীরে ধীরে করো অনুপ্রবেশ-
অন্তর সঞ্চারিত করে কর বিভূষণ
রেখোনা তারে কল্পায়!
মিষ্টি স্পর্শ করো শিল্পকুশলে
নাড়া দাও তার অনুভূতিতে
প্রাণ প্রতিষ্ঠা করো নিজের হাতে!

Share This
Categories
কবিতা

আত্মদর্প : রাণু সরকার।

আমরা সবাই জানি সংসারের সার
অলক্ষ্যে নির্দেশ করেন ঈশ্বর-
সবকিছু রেখে চলে যেতে হবে এও সর্বসাধারণের জানা
সময় যে দ্রুত ফুরায় সেও নয় অজানা।

তবে কেন সর্বসাধারণের আত্ম অহংকারের ঘোর,
দরিদ্র কে দিতে হলে কিছু করে হাতজোড়
রক্তের তেজ যতদিন আছে ততদিন বুঝি ক্ষমতার জোর।

মানুষকে- কেন ভাবতে পারে না মানুষ ঈশ্বর, কেন করিনা নিবেদন নর-নারায়ন?

দেখ আমরা আসন পেতে কত রকমের করি পূজন-
আমাদের বিশ্বাস প্রাণের প্রবাহ,
ঈশ্বরের ছোঁয়াতে কাটে হৃদয়ের দাহ।

আমাদের আবার কিসের বাড়ি কিসের ঘর
আমার আমিকে চিনতে কেটে যায় কত প্রহর।

শোন বলছি আমার কিছু কথা,
আমার আমিকে নিয়ে কোর না মাথা ব্যথা।

Share This