Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ হিন্দি দিবস, জানুন কেন পালিত হয় দিনটি ও গুরুত্ব।

১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৯ তারিখের স্মরণে ভারতে হিন্দি দিবস পালিত হয় যেখানে ভারতীয় সংবিধানের খসড়া তৈরির সময়-ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে সরকারী মর্যাদা থাকা ভাষাগুলির উপর একটি সমঝোতা হয়েছিল।  খসড়া কমিটির সদস্য কে.এম. মুন্সি এবং এন. গোপালস্বামী আয়ঙ্গার পরে, সাধারণত মুন্সি-আয়ঙ্গার ফর্মুলা নামে অভিহিত সমঝোতা, দুই বিরোধী শিবিরের মধ্যে তিন বছরের বিতর্কের পর ভারতের সাংবিধানিক পরিষদ এর দ্বারা ভোট দেয়।  হিন্দি নায়করা চেয়েছিলেন হিন্দুস্তানি ভাষার আধুনিক স্ট্যান্ডার্ড হিন্দি রেজিস্টারকে ভারতের একমাত্র “জাতীয় ভাষা” হতে (ব্রিটিশ রাজের আগ পর্যন্ত গৃহীত উর্দু মান প্রতিস্থাপন);  দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিরা সংবিধানে ইংরেজিকে স্থান দেওয়ার জন্য পছন্দ করেছিলেন।  মুন্সি-আয়ঙ্গার সূত্র (i) হিন্দিকে ভারতের ফেডারেল সরকারের “সরকারি ভাষা” হিসেবে ঘোষণা করেছে;  (ii) ইংরেজি ১৫ বছরের জন্য একটি সহযোগী অফিসিয়াল ভাষা হতে হবে যার মধ্যে হিন্দির আনুষ্ঠানিক অভিধান তৈরি করা হবে;  এবং (iii) হিন্দু-আরবি সংখ্যার আন্তর্জাতিক রূপ যাতে সরকারী সংখ্যা।  আপস প্রস্তাব ভারতের সংবিধানের ৩৪৩-৩৫১ অনুচ্ছেদে পরিণত হয়, যা ২৬ জানুয়ারী ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়। ১৯৬৫ সালে, যখন ১৫ বছর পূর্ণ হয়, ভারত সরকার ঘোষণা করে যে ইংরেজি ভারতের “ডি ফ্যাক্টো আনুষ্ঠানিক ভাষা” হিসাবে অব্যাহত থাকবে।  ”

 

দিবসটির তাৎপর্য—

 

হিন্দি দিবস  প্ৰতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখে ভারতের হিন্দি ভাষাভাষী অঞ্চলে পালন করা হয়। সাধারণত এই দিবসটি ভারতের কেন্দ্ৰীয় সরকারের কাৰ্যালয়, ফাৰ্ম, বিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্ৰতিষ্ঠানে উদ্‌যাপন করা হয়। হিন্দি ভাষাকে প্রচার এবং চর্চা করা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য। ভোজ-আয়োজন, বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য কার্যাবলীর মধ্য দিয়ে এই দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। হিন্দি ভাষাভাষী লোকদের কাছে তাদের শিখর সন্ধান এবং ঐক্যের বাণী প্রচারের মাধ্যমে এটি তাদের দেশপ্রেমের স্মারকও হয়ে উঠে। ২০০৭ (এবং ২০১০) সালের ন্যাশনাল এনসাইক্লোপেডিনের মতে হিন্দি বিশ্বের প্রায় ২৯৫ (এবং ৩১০) মিলিয়ন লোকের মাতৃভাষা এবং বিশ্বের সবথেকে বেশি ব্যবহৃত ভাষাসমূহের মধ্যে চতুৰ্থ। ১৯৪৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারতের সংবিধান প্ৰস্তাবনা পরিষদে দেবনাগরী লিপিতে লিখা হিন্দিকে ভারতের সরকারি ভাষারূপে স্বীকৃতি দেয় বলে হিন্দি দিবস এই দিনে পালন করা হয়।  বাকী ভাষাসমূহ আঞ্চলিক সরকারি ভাষা হিসেবে ব্যবহার হয়।

 

বিভিন্ন অনুষ্ঠান—-

 

বিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠান ছাড়াও, এই দিবসের কিছু উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হল:

হিন্দি দিবসে নতুন দিল্লীর বিজ্ঞান ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি,  হিন্দির সাথে সম্পৰ্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শিতার জন্য পুরস্কার প্রদান করেন।

বিভাগীয় মন্ত্ৰী, বিভাগ, সরকারি প্ৰতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংককে রাজভাষা পুরস্কার প্ৰদান করা হয়।

২৫ মার্চ ২০১৫ তারিখের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তার আদেশে হিন্দি দিবসে বার্ষিক দুটি পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করেছে।  ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘ইন্দিরা গান্ধী রাজভাষা পুরস্কার’ ‘রাজভাষা কীর্তি পুরস্কার’ এবং ‘রাজীব গান্ধী রাষ্ট্রীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান মৌলিক পুস্তক লিখন পুরস্কার’ পরিবর্তিত হয়ে ‘রাজভাষা গৌরব পুরস্কার’-এ পরিবর্তিত হয়েছে।

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আজ কৌশিকী অমাবস্যা, জানুন কেন পালন করা হয় এই বিশেষ তিথি।

শাস্ত্র অনুযায়ী কৌশিকী অমাবস্যার গুরুত্ব অন্যান্য অমাবস্যার থেকে একটু আলাদা হয়। এই বিশেষ তিথিতে তারাপীঠ মন্দিরে পুজো করা হয় নিষ্ঠা ভরে। কৌশিকী অমাবস্যার অর্থ হল তারা নিশি। এই তিথি তন্ত্র সাধনার এক বিশেষ রাত। অমাবস্যার এই বিশেষ তিথিতে সাধক বামা ক্ষ্যাপা তারাপীঠের মহাশ্মশানের শিমূল গাছের তলায় মা তারার আরাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। মনে করা হয়, বিশেষ এই তিথিতে তারাপীঠে তারা মায়ের পুজো করলে সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হয়। এই কারনেই কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে হাজার হাজার পূণ্যার্থী আসেন মায়ের আশীর্বাদ পাওয়ার জন্য। এদিন তারাপীঠের শ্মশান এক অন্য রূপ নেয়।
আবার আজকের এই দিনে দশ মহাবিদ্যার অন্যতম দেবী তারা আজ বামদেবের সন্মুখে আবির্ভূত হন।

 

বামদেব পঞ্চমুন্ডির আসনে বসে আজকের দিনেই সিদ্ধিলাভ করেন। পশ্চিমবঙ্গের বীরভুম জেলায় অবস্থিত তারাপীঠ এ আজ এই উপলক্ষ্যে বিশাল উৎসব  হয়, তারা দেবীকে বৌদ্ধ ধর্মের অন্তর্গত বজ্রযানে নীলসরস্বতীও বলা হয়। লোকে বিশ্বাস করে এই তিথিতে ভাত খেতে নেই।

 

কৌশিকী অমাবস্যা, অন্য সব অমাবস্যার থেকে একটু আলাদা, কারণ তন্ত্র মতে ও শাস্ত্র মতে ভাদ্র মাসের এই তিথিটি একটু বিশেষ। অনেক কঠিন ও গুপ্ত সাধনা এই দিনে করলে আশাতীত ফল মেলে। সাধক কুলকুণ্ডলিনী চক্রকে জয় করে। বৌদ্ধ ও হিন্দু তন্ত্রে এই দিনের এক বিশেষ মাহাত্ম্য আছে। তন্ত্র মতে এই রাতকে ‘তারা রাত্রি’ও বলা হয়৷ এক বিশেষ মুহূর্তে স্বর্গ ও নরক দুইয়ের দরজা মুহূর্তের জন্য খোলে ও সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করেন ও সিদ্ধি লাভ করেন৷
শ্রীশ্রীচণ্ডীতে বর্ণিত মহা সরস্বতী দেবীর কাহিনীতে বলা আছে, পুরাকালে একবার শুম্ভ ও নিশুম্ভ কঠিন সাধনা করে ব্রহ্মাকে তুষ্ট করলে চতুরানন তাঁদের বর দেন, কোনও পুরুষ তাঁদের বধ করতে পারবেন না৷ শুধু কোনও অ-যোনি সম্ভূত নারী তাঁদের বধ করতে পারবেন। অর্থাৎ এমন এক নারী, যিনি মাতৃগর্ভ থেকে জন্ম নেননি, তাঁর হাতেই এই দুই অসুর ভাই-এর মৃত্যু হবে। পৃথিবীতে এমন নারী কোথায়? আদ্যা শক্তি মহামায়াও মেনকা রানির গর্ভে জন্ম নিয়েছেন, তাই তিনিও ওঁদের নাশ করতে পারবেন না। তা হলে উপায়?
পূর্ব জন্মে পার্বতী যখন সতী রূপে দক্ষ যজ্ঞ স্থলে আত্মাহুতি দেন, তার কারণে এই জন্মে ওঁর গাত্র বর্ণ কালো মেঘের মতো। তাই ভোলানাথ তাঁকে কালিকা ডাকতেন। একদিন দানব ভাইদের দ্বারা পীড়িত ক্লান্ত দেবতারা যখন কৈলাশে আশ্রয় নিলেন, শিব সব দেবতাদের সামনেই পার্বতীকে বললেন, “কালিকা তুমি ওদের উদ্ধার করো।” সবার সামনে ‘কালী’ বলে ডাকায় পার্বতী অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, অপমানিত ও ক্রোধিত মনে মানস সরোবরের ধারে কঠিন তপস্যা করলেন।তপস্যান্তে শীতল মানস সরোবরের জলে স্নান করে নিজের দেহের সব কালো পরিত্যাগ করলেন ও পূর্ণিমার চাঁদের মতো গাত্র বর্ণ ধারণ করলেন। ওই কালো কোশিকাগুলি থেকে এক অপূর্ব সুন্দর কৃষ্ণবর্ণ দেবীর সৃষ্টি হয়। ইনি দেবী কৌশিকী। আজ সেই তিথি, যে দিন এই দেবীর উৎপত্তি হয় এবং তিনি শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করেন। তাই এই অমাবস্যার নাম কৌশিকী অমাবস্যা। আবার আজকের এই দিনে দশ মহাবিদ্যার দ্বিতীয়া স্তরের অন্যতম দেবী তারা মর্ত ধামে আবির্ভূত হন। বীরভুম জেলায় অবস্থিত তারাপীঠে এই উপলক্ষে বিশাল উত্‍সব হয়।
বলা হয়, এই অমাবস্যা তিথিতে ক্ষণিকের জন্য খুলে যায় স্বর্গ এবং নরক এই দুইয়েরই দ্বার। আর আমাদের জন্য তার যে কোনও একটি নির্দিষ্ট হয় কর্মফলের উপরে ভিত্তি করে, বিশেষত এই অমাবস্যা তিথিতে আমরা কী করেছি, তার উপরে ভিত্তি করে। দেবী তারা অল্পতুষ্টা, কিন্তু মহাঋষি বশিষ্ঠকে রীতিমতো নিয়ম মেনে তাঁকে সাধনা করতে হয়েছিল তারাপীঠে, তবেই আবির্ভূতা হয়েছিলেন দেবী। তাই এই কৌশিকী অমাবস্যায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কী কী করা উচিত আর কী একেবারেই পরিহার করা উচিত, জেনে রাখা জরুরি।

শুচিতা

যে কোনও সাধনারই মূল কথা হল শুচিতা- শুধু নিজের নয়, একই সঙ্গে স্থানেরও। তাই এই দিন যেমন নিজেকে, তেমনই পরিষ্কার রাখতে হবে ঘরবাড়ি। সকালে উঠে ঘর ধুয়ে-মুছে স্নান করে নিতে পারলে ভাল, না হলে দিনের যে কোনও সময়েই তা করে নেওয়া যায়। এর পরেই শুরু হবে আরাধনা।

সিঁদুর, জবা

মহাতিথির পূজায় কিন্তু মহা আড়ম্বরের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র সিঁদুর আর জবাফুল দেবীর পায়ে অর্পণ করলেই হল। চাইলে ওম তারে তুত্তারে তুরে স্বাহা বীজমন্ত্র জপ করা যায়।

আহারে সংযম

তন্ত্রের মূল ভিত্তি পঞ্চ ম-কার। সেই রীতি মেনে মায়ের ভোগে তারাপীঠে অবশ্যই দেওয়া হবে মৎস্যভোগ, নিবেদন করা হবে মদ। কিন্তু তন্ত্রে এর রয়েছে দার্শনিক গুরুত্ব। তাই দেবীকে দেওয়া হচ্ছে বলেই আমরা কিন্তু এদিন মাছ বা আমিষ, মদ কোনওটাই গ্রহণ করতে পারব না। উপবাসে থাকতে পারলে ভাল, না হলে নিরামিষ আহারে সংযম পালন করতে হবে।
কৌশিকী অমাবস্যায় ভুলেও আমিষ ভোজন করতে বারণ করা হয়। শাস্ত্র মতে, এই দিনে আমিষ ভোজন করলে শরীরে নেগেটিভ এনার্জি বেড়ে যায়। এ দিন আমিষ ভোজন করলে চর্মরোগ এবং পেট-পাকস্থলী সম্পর্কিত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে, এমনটাই শাস্ত্রে বর্ণিত রয়েছে।

শারীরিক সংযম

পঞ্চ ম-কারের অন্যতম হল মৈথুন। কিন্তু গৃহস্থ যেহেতু তন্ত্রমতে আরাধনা করেন না, তাই এই তিথিতে শারীরিক সংযমে নিজেকে বাঁধতে হবে। মৈথুনে লিপ্ত হওয়া যাবে না। দৈবাৎ লিপ্ত হলে তা জীবনে বিড়ম্বনা ডেকে আনবে, গর্ভে সন্তান এলে তার জীবনও হয়ে উঠবে অশুভ।

দূরে যাত্রা নয়—

গর্ভবতী মহিলাদের এদিন বাড়ি থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়। কারণ এই নেগেটিভ এনার্জির প্রভাব গর্ভস্থ সন্তানের উপর পড়তে পারে। গেলে সঙ্গে রাখতে হবে তুলসিপাতা।

দীপদান–

দীপাবলি অমাবস্যার মতো কৌশিকী অমাবস্যাতেও দীপদানের রীতি আছে। এক্ষেত্রে দুটি তিলের তেলের প্রদীপ সন্ধ্যায় রাখতে হয় বাড়ির দরজার দুই পাশে, তা অশুভ শক্তিকে গৃহে প্রবেশে বাধা দেয়।

গোপন আচার—

বলা হয়, একটি জলশূন্য নারকেল নিয়ে, তাতে একটি ফুটো করে, সেই ফুটোর মধ্যে দিয়ে নারকেলে চিনি ভরে, ফুটো উপরের দিকে রেখে নারকেলটা যদি বাড়ি থেকে কিছু দূরে পুঁতে দেওয়া যায়, তবে জীবন থেকে সব বাধা দূর হয়। অসুবিধা হল- এই আচার পালন করতে হবে গোপনে, কেউ দেখে ফেলে লাভ হবে না।

দুধদান—

দীপদানের মতোই কৌশিকী অমাবস্যায় যদি কোনও কুয়ো বা গর্তে এক চামচ দুধ নিবেদন করা যায়, তবে তা জীবনে মঙ্গল বয়ে আনে।

তন্ত্র শাস্ত্রের ব্যাখা অনুযায়ী, এই তিথিতে মা তারার পুজো দিয়ে দ্বারকা নদীতে স্নান করলে শত জন্মের পুন্যলাভ হয়। আর এই কারণেই তারাপীঠে এই তিথিতে আয়োজন করা হয় বিশেষ পুজোর।

 

এই কৌশিকী অমাবস্যার দিন তান্ত্রিকরা তন্ত্র সাধনার জন্য বেছে নেন। এই সাধনা চলে গোটা রাত জুড়ে। তবে অনেকেই বলেন কৌশিকী অমাবস্যা নাকি ভীষণ জাগ্রত। এই দিনেই নাকি কিছুক্ষণের জন্য খুলে যায় স্বর্গের দরজা। এই নিয়েও রয়েছে অনেক কাহিনি।তন্ত্রের মাধ্যমেই সিদ্ধিলাভের আসায়  সারা রাত ধরে শ্মশানে তন্ত্র সাধনাতে মগ্ন হন সাধকরা। সারা রাত ধরে শ্মশানে চলা সাধনা ফলদায়ী হয়।  অনেকে বলেন শ্মশানের মধ্যে একটি হল মণিকর্ণিকা ঘাট। বিভিন্ন কারণের জন্যই কৌশিকী অমাবস্যার দিনটি আলাদা বলে ধরা হয়। এবং তারাপীঠের এই শ্মশানকেই বলা হয় মহাশ্মশান।

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৪ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) হিন্দি দিবস। (ভারত)

 

হিন্দি দিবস প্ৰতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ১৪ তারিখে ভারতের হিন্দি ভাষাভাষী অঞ্চলে পালন করা হয়। সাধারণত এই দিবসটি ভারতের কেন্দ্ৰীয় সরকারের কাৰ্যালয়, ফাৰ্ম, বিদ্যালয় এবং অন্যান্য প্ৰতিষ্ঠানে উদ্‌যাপন করা হয়। হিন্দি ভাষাকে প্রচার এবং চর্চা করা এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৯ – সুবোধ ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক।

সুবোধ ঘোষ একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। বিহারের হাজারিবাগে ১৯০৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস অধুনা বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের বহর গ্রামে। হাজারিবাগের সেন্ট কলম্বাস কলেজের ছাত্র ছিলেন। বিশিষ্ট দার্শনিক ও গবেষক মহেশ ঘোষের লাইব্রেরীতে পড়াশোনা করতেন।

 

১৯১৩ – জাকোব আর্বেঞ্জ, গুয়াতেমালার বিশিষ্ট বিপ্লবী ও ভূমিসংস্কার আন্দোলনের পুরোধা।

জুয়ান জ্যাকোবো আরবেনজ গুজমান (১৪ সেপ্টেম্বর ১৯১৩ – ২৭ জানুয়ারী ১৯৭১) ছিলেন একজন গুয়াতেমালার সামরিক কর্মকর্তা এবং রাজনীতিবিদ যিনি গুয়াতেমালার ২৫ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।  তিনি ১৯৪৪ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন, ১৯৫১ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি গুয়াতেমালার দ্বিতীয় গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে। তিনি দশ বছরের গুয়েতেমালান বিপ্লবের একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যেটি প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের কয়েক বছরের কিছু প্রতিনিধিত্ব করেছিল।  গুয়াতেমালার ইতিহাসে।  কৃষি সংস্কারের যুগান্তকারী কর্মসূচী আর্বেনজ রাষ্ট্রপতি হিসাবে প্রণীত হয়েছিল তা ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিল।

 

১৯২০ – লরেন্স রবার্ট ক্লাইন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ।

লরেন্স রবার্ট ক্লেইন (সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯২০ – অক্টোবর ২০, ২০১৩) একজন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ছিলেন।  পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে অর্থনীতির প্রবণতা পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য কম্পিউটার মডেল তৈরিতে তার কাজের জন্য, তিনি ১৯৮০ সালে অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে নোবেল মেমোরিয়াল পুরস্কারে ভূষিত হন বিশেষভাবে “তাদের ইকোনোমেট্রিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য  অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং অর্থনৈতিক নীতির বিশ্লেষণের জন্য।”  তার প্রচেষ্টার কারণে, এই ধরনের মডেল অর্থনীতিবিদদের মধ্যে ব্যাপক হয়ে উঠেছে।  হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মার্টিন ফেল্ডস্টেইন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন যে ক্লেইন “প্রথম এমন পরিসংখ্যান মডেল তৈরি করেছিলেন যেটি কিনসিয়ান অর্থনীতিকে মূর্ত করে,” টুলগুলি এখনও ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলি ব্যবহার করে৷

 

 

১৯২৮ – আলবের্তো কোর্দা, কিউবান আলোকচিত্র শিল্পী।

আলবের্তো কোর্দা (সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯২৮ – মে ২৫, ২০০১) একজন কিউবান আলোকচিত্র শিল্পী। ১৯৬০ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত এক শোকসভায় তিনি বিপ্লবী নেতা চে গেভারার একটি ছবি তোলেন যেটি পরবর্তীকালে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। অনেক সমালোচকের মতে “গেরিইয়েরো এরোইকো” নামে চে’র সেই প্রতিকৃতিটি হচ্ছে আলোকচিত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি এবং বিংশ শতাব্দীর একটি অসামান্য প্রতীক।

 

১৯৩৬ – ফরিদ মুরাদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও ফার্মাকোলজিস্ট।

ফরিদ মুরাদ (জন্ম: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬) একজন আলবেনীয় চিকিৎসক এবং ফার্মাকোলজিস্ট। তিনি ১৯৯৮ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। মুরাদ ১৯৩৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ইন্ডিয়ানায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব মেডিসিন-পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৭০ সালে ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল অব মেডিসিনে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭৫ সালে পূর্ণ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ১৯৮১ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।

 

 

১৯৪১ – রাম চাঁদ গোয়ালা, বাংলাদেশের প্রথম বাম-হাতি স্পিনার।

রাম চাঁদ গোয়ালা একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার ও প্রশিক্ষক। দেশের প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসাবে পরিচিত রাম চাঁদ বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রতিনিধিত্ব করার রেকর্ডের অধিকারী।

 

১৯৪৭ – স্যাম নিইল, আইরিশ নিউজিল্যান্ড অভিনেতা ও পরিচালক।

স্যার নাইজেল জন ডার্মট “স্যাম” নিল কেএনজেডএম ওবিই (জন্ম ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭) একজন নিউজিল্যান্ড অভিনেতা।  নিলের ৫৩ বছরের ক্যারিয়ারে নাটক এবং ব্লকবাস্টার উভয় ক্ষেত্রেই প্রধান ভূমিকা রয়েছে।  একজন “আন্তর্জাতিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি” হিসাবে বিবেচিত, তাকে তার প্রজন্মের অন্যতম বহুমুখী অভিনেতা হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

 

১৯৫৬ – কোস্তাস কারামানলিসের, গ্রিক আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১৮১ তম প্রধানমন্ত্রী।

কনস্টানটিনোস এ. কারামানলিস ( জন্ম ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬), সাধারণত কোস্টাস কারামানলিস নামে পরিচিত, একজন গ্রীক অবসরপ্রাপ্ত রাজনীতিবিদ যিনি গ্রীসের ১০ তম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ২০০৪ থেকে ২০০৯। এছাড়াও তিনি কেন্দ্রীয়-ডান নিউ ডেমোক্রেসি পার্টির সভাপতি ছিলেন , যেটি তার চাচা কনস্টান্টিনোস কারামানলিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত, ১৯৯৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এবং ১৯৮৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত হেলেনিক পার্লামেন্টের সদস্য হিসাবে।

 

 

১৯৬৫ – দিমিত্রি মেদভেদেভ, রাশিয়ান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় রাষ্ট্রপতি।

দিমিত্রি আনাতোলিয়েভিচ মেদভেদেভ লেনিনগ্রাদে জন্মগ্রহণকারী রাশিয়ার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ। ২০১২ সাল থেকে রাশিয়ার দশম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এরপূর্বে ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল মেয়াদে রাশিয়ার তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেশ পরিচালনা করেন দিমিত্রি মেদভেদেভ।

 

১৯৮৫ – আয়া উয়েটো, জাপানি অভিনেত্রী ও গায়ক।

আয়া উয়েটো হচ্ছেন একজন জাপানি অভিনেত্রী, গায়িকা এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। ১৯৯৭ সালে, আয়া উয়েটো সপ্তম জাপান বিশোজো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন, যেখানে তিনি বিশেষ জুরি পুরস্কার জিতেছিলেন। এর পরপরই, আয়া উয়েটো প্রতিভা সংস্থা অস্কার প্রমোশনে যোগদান করে এবং গান, নাচ ও অভিনয়মূলক শিক্ষা গ্রহণ শুরু করেন।

 

১৯৮৮ – কার্স্টেন হাগলুন্ড, আমেরিকান মডেল, ২০০৮ মিস আমেরিকা।

কার্স্টেন ইওরা মুলার-ডাবারম্যান (নি হ্যাগ্লুন্ড ; জন্ম ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮) একজন পাবলিক স্পিকার, খাওয়ার ব্যাধি সচেতনতা কর্মী, ভাষ্যকার এবং কার্স্টেন হ্যাগলুন্ড ফাউন্ডেশনের সভাপতি। তিনি মিস আমেরিকা ২০০৮ হিসাবে কাজ করেছেন ।

 

 

১৮৬৪ – রবার্ট সীসিল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।

এডগার অ্যালগারনন রবার্ট সেসিল (সেপ্টেম্বর ১৪, ১৮৬৪-নভেম্বর ২৪, ১৯৫৮) ব্রিটিশ আইনজীবী, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী, লীগ অফ নেশনস এর অন্যতম স্থপতি এবং এর বিশ্বস্ত ডিফেন্ডার, তিনি ছিলেন সেলিসবারির তৃতীয় মার্কেসের বিশিষ্ট পুত্র, যে  একজন ব্যক্তি যিনি তার কর্মজীবনে, দেশের সর্বোচ্চ পদগুলি দখল করেছেন: ডিসরাইলের অধীনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তিনবার প্রধানমন্ত্রী (১৮৮৫, ১৮৮৬-১৮৯২ এবং ১৮৯৫-১৯০২)।

 

১৮৭১ – ইয়োসেফ ব্লক, জার্মান সমাজতন্ত্রবাদী সাংবাদিক।

ইয়োসেফ ব্লক (ইংরেজি: Joseph Bloch) (১৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৭১ – ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৩৬) ছিলেন একজন জার্মান সমাজতান্ত্রিক সাংবাদিক। তিনি দীর্ঘদিন “Sozialistischen Monatshefte” পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি জার্মানির সমাজ-গণতান্ত্রিক দলের সবচেয়ে প্রভাবশালী ডানপন্থী ব্যক্তি ছিলেন।

 

 

১৮৮৮ – অনুকূলচন্দ্র ঠাকুর, বাঙালি ধর্ম সংস্কারক।

অনুকূলচন্দ্র চক্রবর্তী যিনি ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র নামেও পরিচিত ছিলেন একজন বাঙালি ধর্মগুরু। অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ নামক সংগঠনের প্রবর্তক। তিনি ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের পাবনা জেলার হিমায়তপুরে জন্মগ্রহণ করেন, যা বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্গত। ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৭৬৯ – আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্, জার্মানীর খ্যাতনামা সমাজ বিজ্ঞানী।

আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্‌ড্‌ট্ একজন জার্মান অভিযাত্রী ও বিজ্ঞানী। তিনি উদ্ভিজ্জ ভূগোলের উপর প্রচুর গবেষণা করেন যার মাধ্যমে জীবভূগোলের গোড়া পত্তন ঘটে আর তার ফলশ্রুতিতে বর্তমানে আমরা মানবীয় ভূগোল নামে ভূগোলের একটি নব শাখার বর্ণনা পাই।

 

১৭৯১ – ফ্রান্ৎস বপ, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

ফ্রান্‌ৎস বপ (জার্মান: Franz Bopp) (১৪ই সেপ্টেম্বর, ১৭৯১—২৩শে অক্টোবর, ১৮৬৭) একজন জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী। তিনি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাসমূহের তুলনামূলক গবেষণার একজন অগ্রপথিক ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বিপুল কাজ করেন। বপ সংস্কৃত ভাষা শিক্ষার জন্য ১৮১২ সালে প্যারিসে যান এবং সেখানে দীর্ঘ ৫ বছর তিনি ভাষাটি অধ্যয়ন করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এমই ( ME) বাজারে ছাড়ে।

২০০৩ – ইউরোপীয় ইউনিয়নে এস্তোনিয়ার অন্তর্ভুক্তি অনুমোদিত হয়।

১৯১৭ – রাশিয়াকে রিপাবলিক ঘোষণা করা হয়।

১৯৪৯ – ড. অ্যাডেনর জার্মানির প্রথম চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন।

১৯৫৯ – প্রথম মহাশূন্যযান সোভিয়েতের লুনিক-২ চাঁদে অবতরণ করে।

১৯৬০ – ‘অর্গানাইজেশন অব পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কাউন্ট্রিস’ (ওপেক) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৯ – আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি নূর মোহাম্মদ তারাকি সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হন।

১৯৮২ – লেবাননের রাষ্ট্রপতি বাসির গামায়েল নিহত হন।

 

১৯৮৪ – কলকতায় পাতাল ট্রেন চালু হয়।

১৯৮৪ সালে চালু হওয়া কলকাতা মেট্রো ভারতের প্রথম মেট্রো রেল পরিষেবা (দ্বিতীয় মেট্রো পরিষেবা দিল্লি মেট্রো চালু হয় ২০০২ সালে)। প্রাথমিকভাবে ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে এর পরিকল্পনা করা হলেও সত্তরের দশকে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়৷ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে চালু হওয়া কলকাতা মেট্রোর প্রথম ধাপটি ছিলো ভবানীপুর (বর্তমান নেতাজি ভবন) থেকে এসপ্ল্যানেড অবধি দীর্ঘায়িত ছিল। এটি দিল্লি মেট্রো, হায়দ্রাবাদ মেট্রো, চেন্নাই মেট্রো এবং নাম্মা মেট্রোর পর বর্তমানে ভারতের কর্মক্ষম পঞ্চম দীর্ঘতম মেট্রো যোগাযোগ ব্যবস্থা।

 

১৯৮৯ – এফ ডব্লু ডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ –  কলকাতায় পাতাল রেল চালু হয়।

১৮০৪ – আবহাওয়া গবেষণার কাজে প্রথম বেলুন ব্যবহার করা হয়।

১৮১২ – রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম একটি ভয়াবহ অগ্নীসংযোগের ঘটনা ঘটে।

১৮৬৭ – কার্ল মার্ক্স দাস কাপিটাল প্রকাশিত হয়।

১৩৮৯ – ওসমানিয় সৈন্যরা বাল্টিক অঞ্চলের সার্বিয়া অধিগ্রহণ করেন।

০৭৮৬ – আল হাদির মৃত্যুর পর তার ভাই হারুন অর রশিদ আব্বাসীয় খলিফা নিযুক্ত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৫ – ভ্লাদিমির ভল্কঅফ, ফরাসি লেখক।

২০১২ – ডন বিননি, নিউজিল্যান্ড চিত্রশিল্পী।

 

২০২০ – বাংলাদেশের বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা সাদেক বাচ্চু।

মাহবুব আহমেদ সাদেক একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, নাটক রচয়িতা, নাট্য নির্দেশক ও ডাক বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি সাদেক বাচ্চু মঞ্চনামে সর্বাধিক পরিচিত। বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিতি লাভ করলেও মঞ্চ, বেতার, টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন।

 

২০২০ – মহিউদ্দিন বাহার, বাংলাদেশী টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অভিনেতা ও সরকারি কর্মকর্তা।

মহিউদ্দিন বাহার (১৯৪৭-২০২০) একজন বাংলাদেশী টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অভিনেতা ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে অবসর নেন। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে সমাজের নানা অসংগতি নিয়ে নির্মিত নাটিকায় অভিনয় করেছেন। নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় তার স্বভাবসুলভ অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়তো।

 

 

১৯০১ – উইলিয়াম ম্যাকিন্‌লি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম রাষ্ট্রপতি। 

উইলিয়াম ম্যাকিন্‌লি (William McKinley) (জানুয়ারি ২৯, ১৮৪৩ – সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯০১) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫তম রাষ্ট্রপতি। ১৮৯৭ থেকে ১৯০১ সালে আততায়ীর গুলিতে নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

 

 

১৯১৬ – হোসে এচেগারাই, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্প্যানিশ প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও নাট্যকার।

হোসে এচেগারাই স্পেনের বিখ্যাত নাট্যকার, পুরপ্রকৌশলী, গণিতবিদ এবং রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯০৪ সালে অক্সিটান ভাষার খ্যাতিমান ফরাসি কবি ফ্রেদেরিক মিস্ত্রালের সাথে যৌথভাবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনিই প্রথম স্পেনীয় নাগরিক যিনি নোবেল পুরস্কারের সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

 

 

১৯২৭ – ইসাডোরা ডানকান, খ্যাতনাম্নী মার্কিন নৃত্যশিল্পী।

অ্যাঞ্জেলা ইসাডোরা ডানকান ছিলেন একজন মার্কিন নৃত্যশিল্পী। তিনি ইউরোপ জুড়ে নৃত্য পরিবেশন করে বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় জন্মগ্রহণ করা ও বেড়ে ওঠা ডানকান ২২ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত পশ্চিম ইউরোপ ও সোভিয়েত ইউনিয়নের বসবাস করতেন এবং নৃত্য পরিবেশন করতেন।

 

১৯৪০ – নীরদাকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী, খ্যাতনামা সেতারবাদক।

নীরদাকান্তের জন্ম ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ জুলাই ব্রিটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের ময়মনসিংহের কালীপুরে। পিতা ছিলেন জমিদার প্রমদাকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী। তার সঙ্গীত শিক্ষা শুরু হয় অগ্রজ জ্ঞানদাকান্তের কাছে। যিনি “বঙ্গীয় ভাতখণ্ডে” নামে সুপরিচিত ছিলেন। পরে ওস্তাদ এনায়েত খাঁর (১৮৯৪-১৯৩৮) শিষ্যত্ব গ্রহণ করে সেতার বাজনা শেখেন। তিনি ইমদাদখানি শৈলীর বিশিষ্ট ধারক ও বাহক হিসাবে ভারতীয় সঙ্গীত সমাজে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৩৯ খ্রীষ্টাব্দে এলাহাবাদে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মেলনে তার সেতারবাদন উচ্চ প্রশংসিত হয়। তিনি আকাশবাণী কলকাতা বেতার কেন্দ্রের একজন নিয়মিত সঙ্গীতশিল্পী ছিলেন।
অতি অল্প বয়সে ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ সেপ্টেম্বর নীরদাকান্তের প্রয়াণ ঘটে।

 

১৯৭০ – রুডলফ করেনাপ, জার্মান দার্শনিক।

রুডলফ কার্নাপ (১৮ মে ১৮৯১ – ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭০) ছিলেন একজন জার্মান-ভাষী দার্শনিক যিনি ১৯৩৫ সালের আগে ইউরোপ এবং তার পরে যুক্তরাষ্ট্রে সক্রিয় ছিলেন।  তিনি ভিয়েনা সার্কেলের একজন প্রধান সদস্য এবং লজিক্যাল ইতিবাচকতাবাদের প্রবক্তা ছিলেন।  তাকে “বিংশ শতাব্দীর দার্শনিকদের মধ্যে একজন দৈত্য” হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

 

১৯৭১ – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক। 

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বিংশ শতাব্দীর এক বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। তিনি ৬৫টি উপন্যাস, ৫৩টি ছোটোগল্প-সংকলন, ১২টি নাটক, ৪টি প্রবন্ধ-সংকলন, ৪টি স্মৃতিকথা, ২টি ভ্রমণকাহিনি, একটি কাব্যগ্রন্থ এবং একটি প্রহসন রচনা করেন।

 

১৯৭৪ – ওয়ারেন হুল, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৭৫ -নরেন্দ্রনাথ মিত্র, বাংলা ভাষার অন্যতম ঔপন্যাসিক ও গল্পলেখক।

নরেন্দ্রনাথ মিত্র (30 জানুয়ারী 1916 – 14 সেপ্টেম্বর 1975) একজন ভারতীয় লেখক এবং কবি, যিনি বাংলা ভাষায় ছোট গল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। সত্যজিৎ রায় পরিচালিত মহানগরের মতো তার বেশ কিছু কাজ চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হয়েছে ।

 

১৯৭৯ – নূর মোহাম্মদ তারাকি, আফগান সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট।

নূর মুহাম্মদ তারাকি (১৫ জুলাই ১৯১৭ – ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯) ছিলেন একজন আফগান রাজনীতিবিদ। কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে পিপল’স ডেমোক্রেটিক পার্টি অব আফগানিস্তান (পিডিপিএ) গঠনের সময় তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। দলের প্রথম কংগ্রেসে তিনি মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৬৫ সালের আফগান সংসদীয় নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয়ী হতে পারেননি। ১৯৬৬ সালে তিনি দলের খবরের কাগজ খালকের প্রথম সংখ্যা প্রকাশ করেন। এর অল্পকাল পরে আফগান সরকার পত্রিকাটি বন্ধ করে দেয়। মীর আকবর খাইবারের হত্যাকান্ডের পর তারাকি, হাফিজউল্লাহ আমিন ও বাবরাক কারমাল সাওর বিপ্লবের সূত্রপাত করে আফগানিস্তানে কমিউনিস্ট শাসনের সূচনা করেন।

 

১৯৮২ – বাসির গামায়েল, লেবাননের রাষ্ট্রপতি।

Bachir Pierre Gemayel১০নভেম্বর ১৯৪৭ – ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮২) ছিলেন একজন লেবানিজ মিলিশিয়া কমান্ডার যিনি লেবাননের গৃহযুদ্ধে কাতায়েব পার্টির সামরিক শাখা লেবাননের বাহিনীকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং 1982 সালে লেবাননের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

 

১৯৮৪ – জ্যানেট গেনর, মার্কিন অভিনেত্রী ও চিত্রশিল্পী।

জ্যানেট গেনর ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী ও চিত্রশিল্পী। তিনি একাডেমি পুরস্কারের প্রথম আয়োজনে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে পুরস্কার লাভ করেন। গেনর স্বল্পদৈর্ঘ্য ও নির্বাক চলচ্চিত্রে অতিরিক্ত শিল্পী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

 

১৮৫১ – জেমস ফেনিমরে কুপার, আমেরিকান সৈন্য ও লেখক।

জেমস ফেনিমোর কুপার (সেপ্টেম্বর ১৫, ১৭৮৯ – ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৫১) ছিলেন ১৯ শতকের প্রথমার্ধের একজন আমেরিকান লেখক, যার ১৭ থেকে ১৯ শতক পর্যন্ত ঔপনিবেশিক এবং আদিবাসী চরিত্রগুলিকে চিত্রিত করে ঐতিহাসিক রোম্যান্স তাকে খ্যাতি ও খ্যাতি এনে দেয়।  তিনি তার শৈশব এবং জীবনের শেষ পনেরো বছর কুপারস্টাউন, নিউ ইয়র্ক-এ কাটিয়েছেন, যেটি তার পিতা উইলিয়াম কুপার তার মালিকানাধীন সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।  কুপার তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে এপিস্কোপাল চার্চের সদস্য হয়েছিলেন এবং এতে উদারভাবে অবদান রেখেছিলেন।  তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন বছর পড়াশোনা করেছেন, যেখানে তিনি লিনোনিয়ান সোসাইটির সদস্য ছিলেন।

 

১৭১২ – জিওভান্নি ডোমেনিকো ক্যাসিনি, ইতালীয় ফরাসি গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী।

জিওভান্নি ডোমেনিকো ক্যাসিনি একজন ইতালীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী এবং জ্যোতিষী। তার অপর নাম হচ্ছে জিয়ানডোমেনিকো ক্যাসিনি। তিনি সানরেমো অঞ্চলের নিকটবর্তী পেরিনালদোতে জন্মগ্রহণ করেন। তখন ইতালীর এই অঞ্চল নিয়ে জেনোয়া প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়েছিলো এবং এর কার্যকাল চলছিল।

 

১৬৩৮ – জন হার্ভার্ড, ইংরেজ বংশোদ্ভূত আমেরিকান মন্ত্রী ও সমাজসেবী।

জন হার্ভার্ড (১৬০৭-১৬৩৮) ছিলেন ঔপনিবেশিক নিউ ইংল্যান্ডের একজন ইংরেজ ভিন্নমত পোষণকারী মন্ত্রী যার মৃত্যুশয্যা ম্যাসাচুসেটস বে কলোনি দ্বারা দুই বছর আগে প্রতিষ্ঠিত “স্কুল বা কলেজ”-এর প্রতি কৃতজ্ঞতার সাথে গৃহীত হয়েছিল যে ফলস্বরূপ আদেশ দেওয়া হয়েছিল যে “কলেজ সম্মত হয়েছে”  আগে হার্ভার্ড কলেজ নামে কেমব্রিজ শালবীতে নির্মিত হয়েছিল।”  জন হার্ভার্ড ইংল্যান্ডের সাউথওয়ার্কে জন্মগ্রহণ করেন।  কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমানুয়েল কলেজের স্নাতক, তিনি ১৬৩৭ সালে নিউ ইংল্যান্ডে চলে আসেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত বলে মনে করে- যাদের প্রচেষ্টা এবং অবদান তার প্রথম দিনগুলিতে “এর স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করে” – এবং একটি  তার সম্মানে মূর্তি হার্ভার্ড ইয়ার্ডের একটি বিশিষ্ট বৈশিষ্ট্য।

 

 

১৩২১ – দান্তে আলিগিয়েরি, ইতালিয় কবি।

 

দুরান্তে দেইলি আলিগিয়েরি বা দান্তে ছিলেন এক বিখ্যাত ইতালীয় কবি। দান্তের জন্ম ইতালির ফ্লোরেন্সে। তার পরিবার তেমন একটা বিত্তশালী না হলেও অভিজাত হিসেবে পরিচিত ছিল। ব্রুনেত্তো লাটিনি এর কাছে তিনি ক্ল্যাসিক্যাল লিবারেল আর্টস এর জ্ঞান লাভ করেন। এর মধ্যে ল্যাটিন এবং গ্রিক ভাষা সংক্রান্ত জ্ঞানও ছিল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

 

১৯০৪ – সৈয়দ মুজতবা আলী, বাংলাদেশী বাঙালি সাহিত্যিক।

 

সৈয়দ মুজতবা আলী (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯০৪ – ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪) একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক। তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, অনুবাদক ও রম্যরচয়িতা। তিনি তার ভ্রমণকাহিনির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। বহুভাষাবিদ সৈয়দ মুজতবা আলীর রচনা একই সঙ্গে পাণ্ডিত্য এবং রম্যবোধে পরিপুষ্ট।[

 

 

১৯১৬ – রুয়াল দাল, ওয়েল্‌সীয় সাহিত্যিক।

রুয়াল দাল (নরওয়েজীয়: Roald Dahl) (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯১৬ – ২৩ নভেম্বর, ১৯৯০) একজন ওয়েল্‌সীয় ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্প লেখক; তিনি বড়-ছোট সবার জন্যই লিখেছেন। তার বই বিশ্বব্যাপী ২৫ কোটিরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে।তার সব থেকে বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে চার্লি অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টোরি, জেমস অ্যান্ড দ্য জায়েন্ট পীচ (James and the Giant Peach), মাটিল্ডা (Matilda), দ্য উইচেস (The Witches), দ্য বি.এফ.জি (The BFG) এবং কিস্‌ কিস্‌ (Kiss Kiss) রয়েছে। ইংরেজিতে অনেক সময় তার নাম রোল্ড বা রোয়াল্ড ডাল হিসেবে উচ্চারণ করা হয়। তার অনেক বইয়ে কুয়েন্টিন ব্লেক ছবি এঁকেছেন।

 

 

১৯৬৯ – শেন ওয়ার্ন, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার, এবং হ্যাম্পশায়ারের অধিনায়ক।

 

শেন কেইথ ওয়ার্ন (১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ – ৪ মার্চ ২০২২) ছিলেন ভিক্টোরিয়ার ফার্নট্রি গুল্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার, যিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেছিলেন। তাকে ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা বোলার বিবেচনা করা হয়ে থাকে। ওয়ার্ন ১৯৯৪ সালে উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক-এ বর্ষসেরা উইজডেন ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

১৯৭৩ – ফাবিও কান্নাভারো, ইতালীয় ফুটবলার।

ফ্যাবিও ক্যানাভারো (জন্ম ১৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩) একজন ইতালীয় পেশাদার ফুটবল কোচ এবং প্রাক্তন খেলোয়াড়।  তাকে সর্বকালের সেরা ডিফেন্ডারদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

 

১৯৮৯ – টমাস মুলার, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

থমাস মুলার হলেন জার্মানির জাতীয় ফুটবল দলের একজন খেলোয়াড়। তিনি একজন স্ট্রাইকার। ফিফার জরিপে ২০১০ এর আসরে সবচেয়ে উদীয়মান তরুণ খেলোয়াড় হলো জার্মানির মিডফিল্ডার থমাস মুলার। একাটি জরিপের মাধ্যমে এ তরুণ খেলোয়াড়কে নির্বাচন করে ফিফা। ২০০৮ সালে ইউরো সেরা মুলার এ আসরে চারটি গোল করে ফেবারিটের তালিকায় চলে আসেন।

 

১৮৮৬ – রবার্ট রবিনসন, নোবেলজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

রবার্ট রবিনসন (জন্ম: ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৬ – মৃত্যু: ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫) একজন ব্রিটিশ জৈব রসায়নবিদ। তিনি ১৯৪৭ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। রবিনসন ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯০৬ সালে বিএসসি এবং ১৯১০ সালে ডিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯১২ সালে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশুদ্ধ ও ফলিত জৈব রসায়নের প্রথম পূর্ণ অধ্যাপক নিযুক্ত হন। তিনি ১৯১৫ সালে ব্রিতেনে ফিরে লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। ১৯২১ সালে তিনি সেন্ট অ্যান্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নের অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। ১৯২২ সালে তিনি ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে জৈব রসায়নের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ১৯২৮ সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে জৈব রসায়নের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৩০ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়নের পূর্ণ অধ্যাপক নিযুক্ত হন। ১৯৪৫ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত রয়েল সোসাইটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।

 

১৮৮৭ – লেওপল্ড রুজিচকা, রসায়নে নোবেলজয়ী সুইস বিজ্ঞানী।

লেওপল্ড রুজিচকা (১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৭-২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৬) একজন ক্রোয়েশীয়-সুইস বিজ্ঞানী ছিলেন, যিনি ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। কর্মজীবনের অধিকাংশই তিনি সুইজারল্যান্ডে অতিবাহিত করেন। তিনি বিজ্ঞান, চিকিৎসা ও আইন বিষয়ে আটটি সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন। এছাড়াও তিনি সাতটি পুরস্কার ও পদক এবং চব্বিশটি রাসায়নিক, প্রাণরাসায়নিক ও অন্যান্য বৈজ্ঞানিক সমিতির সদস্যপদ অর্জন করেছিলেন।

 

১৬৯৪ – (ক) জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন,বাঙালী শ্রুতিধর ও পণ্ডিত।

 

জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন (১৩ সেপ্টেম্বর, ১৬৯৪ – ১৯ অক্টোবর ১৮০৭) একজন বাঙালী শ্রুতিধর ও পণ্ডিত। জন্মস্থান ত্রিবেণী, হুগলি। তাঁর পিরর নাম পণ্ডিত রুদ্রদেব তর্কবাগীশ। পিতা ও জেষ্ঠতাত ভবদেব ন্যায়ালঙ্কারের নিকট ব্যাকরণ ও স্মৃতি শাস্ত্র শিক্ষা, মুখে মুখেই ব্যকরনের সূত্রগুলি শিখে ফেলেছিলেন অতি অল্প বয়েসে। পরে রঘুদেব বাচষ্পতির কাছে আইনের পাঠ নেন। ত্রিবেনীতে তার টোল বা চতুষ্পাঠী ছিল। তার অসামান্য স্মৃতিশক্তির গল্প প্রায় প্রবাদের আকারে প্রতিষ্ঠিত। সেযুগে নবদ্বীপ সংস্কৃত চর্চা ও বিদ্যার পীঠস্থান হলেও ত্রিবেনীর জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন ছিলেন পণ্ডিতশ্রেষ্ঠ যিনি নবদ্বীপের খ্যাতি একাকী ম্লান করে দিয়েছিলেন। তবে কলকাতার মহারাজ নবকৃষ্ণ দেব আয়োজিত সভায় এক নৈয়ায়িক দিগবিজয়ের উদ্দেশ্যে আসলে সেই সভায় উপস্থিত নবদ্বীপের পণ্ডিতমণ্ডলীর নৈয়ায়িক শিবনাথ বিদ্যাবাচস্পতি ও বংশবাটীর জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন কেউই আগত নৈয়ায়িকের সঙ্গে যুক্তিতে পেরে উঠতে পারে না। তখন নবদ্বীপের পণ্ডিত বুনো রামনাথ সেখানে উপস্থিত হয়ে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে তাঁকে পরাজিত করে নবদ্বীপের ন্যায়চর্চার মান বজায় রাখেন।

 

১০৮৭ – জন দ্বিতীয় কমনেনাস, বাইজেনটাইন সম্রাট।

জন II কোমনেনোস বা কমনেনাস ( ১৩ সেপ্টেম্বর ১০৮৭ – ৮ এপ্রিল ১১৪৩) ছিলেন বাইজান্টাইন সম্রাট যিনি ১১৩৮ সাল থেকে ” জন বা জন ” নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ছিলেন সম্রাট অ্যালেক্সিওস I Komnenos এবং Irene Doukaina এর জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের কমনেনিয়ান পুনরুদ্ধারের সময় শাসনকারী দ্বিতীয় সম্রাট. যেহেতু তিনি একজন শাসক সম্রাটের কাছে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তিনি একটি পোরফাইরোজেনেটোসের মর্যাদা পেয়েছিলেন । জন একজন ধার্মিক এবং নিবেদিতপ্রাণ রাজা ছিলেন যিনি অর্ধ শতাব্দী আগে মানজিকার্টের যুদ্ধের পরে তার সাম্রাজ্যের ক্ষতি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – তুরস্কে ভূমিকম্পে ১০৮ জনের মৃত্যু।

২০০১ – পূর্ব তিমুরে পার্লামেন্ট সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এটাই প্রথম পার্লামেট।

২০০৮ – দিল্লীতে এক সিরিজ বোমা হামলায় ৩০ নিহত ও ১৩০ জন আহত হয়।

১৯২২ – লিবিয়ার আজিজিয়ায় পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয় ১৩৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

 

১৯২৯ – ৬৩ দিন অনশনের পর বিপ্লবী যতীন দাস লাহোর কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪০ – বাকিংহাম প্যালেসে বোমাবর্ষণ করে জার্মানি।

১৯৪৩ – জেনারেল চিয়াং কাইশেক চীনা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন।

১৯৪৮ – ভারতের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বল্লভভাই পাতিল স্বাধীন হায়দ্রাবাদ রাজ্যকে ভারতের সাথে যুক্ত করতে হায়দ্রাবাদে সেনাবাহিনীকে প্রবেশের অনুমতি দেন।

 

১৯৫৯ – চাঁদের উদ্দেশে রাশিয়ার লুনিক-২ নামক রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়।

লুনা ২, মূলত দ্বিতীয় সোভিয়েত মহাজাগতিক রকেটের নাম এবং সমসাময়িক মিডিয়ায় ডাকনাম লুনিক ২, ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের লুনা প্রোগ্রাম মহাকাশযানের মধ্যে ষষ্ঠ যা চাঁদে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে, E-1 নং 7।  এটি ছিল প্রথম মহাকাশযান যা চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছেছিল এবং অন্য কোন মহাকাশীয় বস্তুর সাথে যোগাযোগ করার জন্য মানবসৃষ্ট প্রথম বস্তু।

 

১৯৯৫ – শ্রীলঙ্কায় এক বিমান দুর্ঘটনায় ৭৫ জন নিহত হন।

১৯৯৮ – বুরকিনো যশো স্থলমাইন নিষিদ্ধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

১৮৪৭ – আমেরিকা-মেক্সিকো যুদ্ধে মেক্সিকো দখল করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

১৮৯৮ – প্যারিসের ২০ হাজার রাজমিস্ত্রি ধর্মঘট করে।

 

১৭৮০ – বহুতল ভবনে উঠানামা করার জন্য ব্যবহৃত লিফট বা এলিভেটর আবিস্কৃত হয়।

লিফট  বা এলিভেটর হলো একধরনের যন্ত্র যা উল্লম্বভাবে বিভিন্ন স্তরের মধ্যে মানুষ ও পণ্য স্থানান্তরিত করে। এটি সাধারণত ট্র্যাকশন কেবলকে চালিত করে এমন বৈদ্যুতিক মোটর দ্বারা কিংবা হোইস্টের মতো কাউন্টারওয়েট ব্যবস্থা দ্বারা চালিত হয়, যদিও কিছু লিফট উদপ্রবাহ জ্যাকের মতো চোঙাকার পিস্টনকে তোলার জন্য উদপ্রবাহ প্রবাহীকে পাম্প করে।

 

১৭৮৮ – নিউ ইয়র্ক সিটি আমেরিকার প্রথম রাজধানী হয়।

১৭৮৯ – মার্কিন সরকার নিউ ইয়র্ক ব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ নেয়।

১৬০৯ – অভিযাত্রী হেনরী হাডসন আমেরিকার নিউ জার্সিতে একটি নদী খুঁজে, পরবর্তীতে নদীটির নাম রাখা হয় হাডসন নদী।

১৫০১ – মাইকেল এঞ্জেলো বিখ্যাত ডেভিড মূর্তি নির্মাণ শুরু করেন।

১২৫০ – ক্রসেড যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় খ্রিস্টান ও মুসলমানদের মধ্যে ঐতিহাসিক মানসুরিয়ে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

১১২৫ – ডিউক লোথারিয়াস জার্মানির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – আনোয়ার হোসেন, বাংলা চলচ্চিত্রের ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ খ্যাত কিংবদন্তি অভিনেতা।

আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশের একজন চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি চলচ্চিত্র ভুবনে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও মুকুটহীন নবাব নামে খ্যাত। তিনি ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক, নাট্যধর্মী, লোককাহিনীভিত্তিক, পোশাকি ফ্যান্টাসি, সাহিত্যনির্ভর, শিশুতোষ, পারিবারিক মেলোড্রামা, বক্তব্যধর্মীসহ বিভিন্ন ধরনের চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

 

 

১৯১০ – রজনীকান্ত সেন, বিশিষ্ট বাঙালি কবি এবং সুরকার।

 

রজনীকান্ত সেন (২৬ জুলাই, ১৮৬৫ – ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১০) প্রখ্যাত কবি, গীতিকার এবং সুরকার হিসেবে বাঙালি শিক্ষা-সংস্কৃতিতে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি “কান্তকবি” নামেও পরিচিত। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের সমসাময়িক এই গীতিকারের গানগুলো খুবই জনপ্রিয়। ঈশ্বরের আরাধনায় ভক্তিমূলক ও দেশের প্রতি গভীর মমত্ববোধ বা স্বদেশ প্রেমই তাঁর গানের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও উপজীব্য বিষয়। বঙ্গভঙ্গ আদেশ রদের জন্য ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে যে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় সেই সময় কান্ত কবি রচনা করলেন বিখ্যাত গান ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেরে ভাই’ এই গান বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা দিত। অবশ্য তিনি অনেক হাসির গান লিখেছেন। তার বিখ্যাত দুটি কাব্যগ্রন্থ ‘বাণী’ এবং ‘কল্যাণী’। অনেক গানে তিনি সুরও দিয়েছেন।

 

১৯২৪ – ভূপেন্দ্রনাথ বসু, ভারতীয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং ১৯১৪ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি।

 

ভূপেন্দ্রনাথ বসু ১৮৫৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের খানাকুলে রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৮৭৫ সালে খানাকুলের কৃষ্ণনগর স্কুলে ভর্তি হন। তারপর তিনি ১৮৮০ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং অ্যাটর্নি পরীক্ষার নিমিত্ত শিক্ষানবীশ হন। শিক্ষানবীশ থাকা কালেই ১৮৮১ সালে তিনি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ১৮৮৩ সালে অ্যাটর্নি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইন ডিগ্রির অসামান্য সাফাল্য অর্জন করেন। তিনি বি.এন.বসু অ্যান্ড কোম্পানি নামে ল ফার্ম প্রতিষ্ঠা করেন, যার অফিস কলকাতার ওল্ড পোস্ট অফিস স্ট্রিটে এখনও “Temple Chamber” নামে পরিচিত।

 

১৯২৯ – যতীন্দ্র নাথ দাস, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

যতীন্দ্র নাথ দাস, ছিলেন একজন ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং বিপ্লবী ভগৎ সিংয়ের সহকর্মী। আত্মত্যাগী, সাহসী মানুষটি লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত হয়ে ১৯২৯ সালের ১৪ই জুন গ্রেপ্তার হন। জেলবন্দীদের অধিকারের দাবিতে ওই বছরই ১৩ই জুলাই অনশন শুরু করেন তিনি। ৬৩ দিন অনশনের পর ১৩ই সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে জেলেই মৃত্যু হয় তার।

 

১৮৭২ – লুডউইগ ফয়েরবাক, জার্মানীর একজন বস্তুবাদী দার্শনিক।

 

লুডভিগ আন্দ্রেয়াস ফন ফুরবাখ (২৮ জুলাই ১৮০৪ – ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮৭২) ছিলেন একজন জার্মান নৃতত্ত্ববিদ এবং দার্শনিক, যিনি তাঁর বই দ্য এসেন্স অফ ক্রিশ্চিয়ানটির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যেটি খ্রিস্টধর্মের একটি সমালোচনা প্রদান করেছিল যা চার্লস ডারউইন সহ পরবর্তী চিন্তাবিদদের প্রজন্মকে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করেছিল।  , সিগমুন্ড ফ্রয়েড, ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস, রিচার্ড ওয়াগনার এবং ফ্রিডরিখ নিটশে।
তরুণ হেগেলীয় চেনাশোনাগুলির একজন সহযোগী, ফুরবাখ নাস্তিকতা এবং নৃতাত্ত্বিক বস্তুবাদের পক্ষে ছিলেন।  তার অনেক দার্শনিক লেখায় ধর্মের সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ দেওয়া হয়েছে।  তাঁর চিন্তাধারা ঐতিহাসিক বস্তুবাদের বিকাশে প্রভাবশালী ছিল, যেখানে তিনি প্রায়শই হেগেল এবং মার্কসের মধ্যে সেতু হিসেবে স্বীকৃত।

 

 

১৫৯৮ – স্পেনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ।

 

ফিলিপ II (২১ মে ১৫২৭ – ১৩ সেপ্টেম্বর ১৫৯৮), ফিলিপ দ্য প্রুডেন্ট (স্প্যানিশ: ফেলিপে এল প্রুডেন্ট) নামেও পরিচিত), ১৫৫৬ সাল থেকে স্পেনের রাজা, ১৫৮০ সাল থেকে পর্তুগালের রাজা এবং নেপলস-এর রাজা ৫ এবং ৫ সিআইসি-এর মৃত্যু পর্যন্ত ছিলেন  ১৫৯৮ সালে। তিনি ১৫৫৪ সালে রানী মেরি I-এর সাথে তার বিবাহ থেকে ১৫৫৮ সালে তার মৃত্যু পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের জুরি উক্সোরিস রাজা ছিলেন। তিনি ১৫৪০ সাল থেকে মিলানের ডিউকও ছিলেন। ১৫৫৫ থেকে, তিনি ছিলেন ভিনসেভেনের সাতটি দেশের প্রভু  .

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

পন্ডিচেরির কয়েকটি দর্শনীয় স্থান।

 

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।। তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে  রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো  পন্ডিচেরি। পন্ডিচেরির এমন কিছু জায়গা রয়েছে যা ভ্রমণ পিপাসু মানুষ দের আকৃষ্ট করবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই সকল জায়গা গুলি সম্পর্কে কিছু কথা—

 

পন্ডিচেরি স্থাপত্য এবং সংস্কৃতির অনন্য শৈলী সহ একটি সুন্দর জায়গা।  শহরটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফরাসিদের কাছ থেকে ১৯৬৪ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।  কিন্তু আপনি এখনও এখানে ফরাসি সংস্কৃতির অবশিষ্টাংশ দেখতে পারেন।  পুরানো বোগেনভিলিয়া-ড্রাপ করা ফ্রেঞ্চ-স্টাইলের বাড়ি, গীর্জা, এবং কিছু সদ্য নির্মিত ফ্রেঞ্চ-স্টাইলের দোকান এবং উজ্জ্বল রঙের ক্যাফেগুলি পন্ডিচেরিকে ব্যতিক্রমী করে তুলেছে।  পন্ডিচেরিতে থাকার সময় আপনার যে সেরা জায়গাগুলি দেখতে হবে তা এখানে রয়েছে-

 

 

অরোভিল——

 

অরোভিল, ভোরের শহর, শ্রী অরবিন্দের আধ্যাত্মিক সহযোগী মীরা আলফাসা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ভবিষ্যৎ জনপদ।  এই আশ্রমটি কোন পক্ষপাত ছাড়াই সকল স্তরের মানুষকে একত্রিত করার উদ্দেশ্য নিয়ে নির্মিত হয়েছিল।  অরোভিলের কেন্দ্রে বিশাল গোল্ডেন গ্লোবের মতো কাঠামো।  মাতৃমন্দির, ধ্যানের জায়গা।  এই আশ্রমটি তৈরি করার সময়, ১২৪টি দেশ থেকে মাটি আনা হয়েছিল এবং মিশ্রিত করা হয়েছিল এবং একটি কলসে রাখা হয়েছিল যা এখন ধ্যান কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে।

 

শ্রী অরবিন্দ আশ্রম—-

 

রুয়ে দে লা মেরিনে অবস্থিত শ্রী অরবিন্দ আশ্রম ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আশ্রম।  এটি বিখ্যাত আধ্যাত্মিক দার্শনিক ঋষি শ্রী অরবিন্দ ১৯২৬ সালে একটি বড় আধ্যাত্মিক উপলব্ধির পরে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।  আশ্রমে সুন্দর লাইব্রেরি আছে, এবং মানুষের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের আয়োজন করে।  এই স্থানটি আধ্যাত্মিক প্রবণতা সহ লোকেদের জন্য একটি দর্শনীয় স্থান।

 

যীশুর পবিত্র হৃদয়ের ব্যাসিলিকা—

 

ব্যাসিলিকা খ্রিস্টানদের জন্য বিখ্যাত তীর্থস্থানগুলির মধ্যে একটি।  এটি একটি সুন্দর গির্জা যা এর মার্জিত গথিক স্থাপত্যের জন্য পরিচিত।  এটিতে ২৮ জন সাধুর কাঁচের ছবি এবং আরও অনেক কাচের প্যানেল রয়েছে যা যিশু খ্রিস্টের জীবন দেখায়।  এটি পন্ডিচেরির একটি বড় পর্যটন আকর্ষণ।

 

ফরাসি যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ—

 

গউবার্ট অ্যাভিনিউতে অবস্থিত, এই যুদ্ধ স্মৃতিসৌধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় দেশের জন্য প্রাণ দেওয়া ফরাসি ভারতীয়দের জন্য উৎসর্গ করা হয়।  অনেক পর্যটক এই সাইটটি পরিদর্শন করেন এবং প্রতি ১৪ জুলাই বাস্তিল দিবস (ফরাসি জাতীয় দিবস) উপলক্ষে স্মৃতিসৌধটি আলো দিয়ে সজ্জিত করা হয় এবং স্থানীয়রা এবং পর্যটকরা তাদের শ্রদ্ধা জানাতে এখানে জড়ো হয়।

 

প্যারাডাইস সৈকত—

 

 

একটি উপকূলীয় শহর হওয়ায়, পন্ডিচেরিতে প্রচুর সমুদ্র সৈকত রয়েছে যা দেখার মতো।  সেখানে ভ্রমণের জন্য সেরা সমুদ্র সৈকত হল প্যারাডাইস বিচ।  এটি একটি অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ জায়গা, চুননাম্বারে কুড্ডালোর রাস্তার পাশে অবস্থিত।  এটি ঘন ম্যানগ্রোভ বন দ্বারা বেষ্টিত, যা ব্যাক ওয়াটারকে সবুজ দেখায়।  পন্ডিচেরিতে সপ্তাহান্তে ছুটি কাটাতে এটি একটি নিখুঁত গন্তব্য।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১২ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব মনোসংযোগ দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – উইলিস ইউগেন ল্যাম্ব, নোবেলজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ।

১৯১৩ – জেসি ওয়েন্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৌড়বিদ।

১৯১৬ – ওয়েল্সীয় সাহিত্যিক রুয়াল দাল।

১৯২৩ – অরুণাচল বসু একজন বাঙালি কবি এবং অনুবাদক।

১৯৩১ – নিমাইসাধন বসু, বিশিষ্ট বাঙালি ইতিহাসবিদ।

১৯৩৭ – লিওনেল জস্প্যাঁ, ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৩ – ইতালীয় ফুটবলার ফাভিয়ো কানাভারো।

১৯৭৭ – নাথান ব্রাকেন, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার।

১৯৮৯ – জার্মান ফুটবলার থমাস মুলার।

১৮৬৫ – আফ্রো-আমেরিকান বিজ্ঞানী জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার।

১৮৮৬ – রবার্ট রবিনসন, নোবেলজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৮৮৭ – রসায়নে নোবেলজয়ী [১৯৩৯] সুইস বিজ্ঞানী পিওপোল্ড রুৎসিকা।

১৮৯৪ – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, জনপ্রিয় বাঙালী কথাসাহিত্যিক।

১৮৯৭ – এরিন জুলিও কুরি, প্রখ্যাত ফরাসী রসায়ন ও পদার্থবিদ।

১৬৯৪ – কোরিয়ার শাসক ইয়ংজো জোসেওন।

১০৮৭ – বাইজেনটাইন সম্রাট জন দ্বিতীয় কমনেনাস।

৭৮৬ – আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন ইবনে হারুন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – তুরস্কে ভূমিকম্পে ১০৮ জনের মৃত্যু।

২০০১ – পূর্ব তিমুরে পার্লামেন্ট সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এটাই প্রথম পার্লামেন্ট।

২০০২ – চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে সংঘর্ষে ৮ ছাত্রলীগ নেতা নিহত।

২০০৩ – যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ভুল করে আট ইরাকি পুলিশকে হত্যা করে।

২০০৮ – দিল্লীতে এক সিরিজ বোমা হামলায় ৩০ নিহত ও ১৩০ জন আহত হয়।

১৯০৫ – নরওয়ের স্বাধীনতার শর্তাবলী ঘোষিত হয়।

১৯১২ – যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো বিদেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

১৯১৫ – ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অভিযোগে গদর পার্টির ২৪ জন কর্মীর ফাঁসি হয়।

১৯১৯ – অ্যাডলফ হিটলার জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেন।

১৯২০ – কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাফ্ফর আহমদের সম্পাদনায় দৈনিক ‘নবযুগ’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯২২ – লিবিয়ার আজিজিয়ায় পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হয় ১৩৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

১৯২৪ – চীনে গৃহযুদ্ধ বাঁধে।

১৯৪০ – বাকিংহাম প্যালেসে বোমাবর্ষণ করে জার্মানি।

১৯৪১ – মস্কোতে ইঙ্গ-রুশ চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৪১ – মস্কোতে প্রথমবারের মতো জার্মান বাহিনী বোমা বর্ষণ করে।

১৯৪৩ – জার্মানি মুসোলিনিকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে।

১৯৪৩ – জেনারেল চিয়াং কাইশেক চীনা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হন।

১৯৪৪ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জার্মানির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪৮ – ভারতের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল স্বাধীন হায়দ্রাবাদ রাজ্যকে ভারতের সাথে যুক্ত করতে হায়দ্রাবাদে সেনাবাহিনীকে প্রবেশের অনুমতি দেন।

১৯৫৯ – সোভিয়েত মহাকাশযান লুনিক-২ চাঁদে অবতরণ করে।

১৯৬১ – পরমাণু পরীক্ষা বিরোধী বার্ট্রান্ড রাসেল ও আর্নল্ড ওয়েস্কার গ্রেফতার হন।

১৯৭৪ – সামরিক অভুত্থানে ইথিওপিয়ার সম্রাট হাইলে সেলাসি ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৭৫ – ব্রিটেনে নগ্ন দৌড়ের ঘটনা দেখা দেয়।

১৯৭৫ – ব্রিটিশ কমনওয়েলডের রাগবির ফাইনাল খেলা চলছিল।

১৯৮০ – তুরস্কে সেনা অভ্যুত্থান হয়।

১৯৯০ – মস্কোয় দুই জার্মানির একত্রীকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯১ – হংকংয়ের ছিডে বিমানবন্দরে হংকংয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় টাকা ছিনতাই ঘটনা ঘটে।

১৯৯৩ – যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে ইসরাইল ও পিএলও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সীমিত স্বায়ত্বশাসন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৩ – জাপানের উত্তরাঞ্চলের ৭.৮ মাত্রার এক ভূমিকম্পে ১৯৬ জন মারা যান।

১৯৯৫ – শ্রীলঙ্কায় এক বিমান দুর্ঘটনায় ৭৫ জন নিহত হন।

১৯৯৮ – বুরকিনো যশো স্থলমাইন নিষিদ্ধ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

১৯৯৮ – ফ্রান্সের প্যারিসে ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়, সেই খেলায় ফ্রান্স ব্রাজিলকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে। ম্যাচটি সারা বিশ্বে ১.৭ বিলিয়ন লোক প্রত্যক্ষ করে।

১৯৯৯ – শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় আগমন।

১৮২৩ – ভারতে তৈরি প্রথম বাষ্পীয় জাহাজ ‘ডায়না’ আনুষ্ঠানিকভাবে কলকাতা বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে।

১৮৪৭ – আমেরিকা-মেক্সিকো যুদ্ধে মেক্সিকো দখল করে আমেরিকা।

১৮৪৮ – সুইজারল্যান্ড ফেডারেল স্টেটে পরিণত হয়।

১৮৭৮ – ব্রিটিশ সেনারা সাইপ্রাস দখল করে।

১৮৯৮ – প্যারিসের ২০ হাজার রাজমিস্ত্রি ধর্মঘট করে।

১৭০০ – গ্রিনল্যান্ড গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে।

১৭৮০ – বহুতল ভবনে উঠানামা করার জন্য ব্যবহৃত এলিভেটর বা লিফ্ট আবিস্কৃত হয়।

১৭৮৮ – নিউ ইয়র্ক সিটি আমেরিকার প্রথম রাজধানী হয়।

১৭৮৯ – মার্কিন সরকার নিউ ইয়র্ক ব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ নেয়।

১৬০৯ – অভিযাত্রী হেনরী হাডসন আমেরিকার নিউ জার্সিতে একটি নদী খুঁজে, পরবর্তীতে নদীটির নাম রাখা হয় হাডসন নদী। স্থানীয় আদিবাসীরা নদীটিকে ডাকতো মু-হে-কুন-নে-তুক (Muh-he-kun-ne-tuk) নামে।

১৬৭৪ – শিবাজি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সঙ্গে মৈত্রী চুক্তি করেন।

১৬৮৩ – অষ্ট্রিয়া ও পোল্যান্ডের সেনাদের সাথে ওসমানীয় বাহিনীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৫০১ – মাইকেল এঞ্জেলো বিখ্যাত ডেভিড মূর্তি নির্মান শুরু করেন।

১৫৪৩ – ইংল্যান্ডের রাজা অষ্টম হেনরি ষষ্ঠবারের মতো বিয়ে করেন।

১৫৭৬ – হোসেন কুলি খান বাংলার শাসক নিযুক্ত হন।

১৫৮০ – স্লাভিক ভাষায় বাইবেল প্রকাশিত হয়।

১৪৪২ – আলফনসো নেপলসের রাজা হন।

১২৩৩ – ক্রুসেডার নৌ-সেনারা মিশরের ঐতিহাসিক আলেক্সান্দার বন্দরটি অবরোধ করে।

১২৫০ – ক্রসেড যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় খ্রিস্টান ও মুসলমানদের মধ্যে ঐতিহাসিক মানসুরিয়ে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

১১০৯ – ক্রুসেডাররা ত্রিপোলি নগরী দখল করে।

১১২৫ – ডিউক লোথারিয়াস জার্মানির রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।

১০৯৬ – পিটার দি হারমিটের অধীনস্থ একদল ক্রুসেডার বুলগেরীয়ার সোফিয়ায় পৌঁছায়।

৭১১ –  তারেক বিন যিয়াদ তার বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – শাহ আবদুল করিম, বাংলাদেশি বাউল গানের শিল্পী।

২০১৪ – প্রণোদিত প্রজননের জনক ড.হীরালাল চৌধুরী,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি মৎসবিজ্ঞানী।

১৯০২ – ইতালির সন্ত জোহানেস গোয়ালবার্তাস।

১৯৮১ – ইউজিনিও মন্তাল, নোবেলজয়ী ইতালিয় কবি ও গল্পকার।

১৯৯১ – ইরানের বিশিষ্ট মনীষী আল্লামা সাইয়্যেদ তাহের সাইয়্যেদযাদেহ হাশেমী।

১৯৯২ – অ্যান্থনি পারকিন্স, মার্কিন অভিনেতা।

১৮৭২ – জার্মান বস্তুবাদী দার্শনিক ল্যুদভিক ফয়েরবাখ।

১৫৯৮ – স্পেনের রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১১ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – কবি সুফী মোতাহার হোসেন।

১৯০৮ – বিনয় বসু, ব্রিটিশ বিরোধী বাঙালি বিপ্লবী।

১৯১১ – লালা অমরনাথ, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯২৪ – তাপস সেন , আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি আলোকসম্পাত শিল্পী।

১৯৫০ – শাহাবুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশী চিত্রশিল্পী।

১৯৫৩ – শহীদুল জহির, বাংলাদেশি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

১৯৬৯ – কনক চাঁপা, বাংলাদেশী কন্ঠশিল্পী।

১৯৭০ – কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি লোকসঙ্গীত শিল্পী ও লোকসঙ্গীত গবেষক।

১৮৪৯ – উইলিয়াম কুপার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৮৬২ – ও হেনরি, প্রখ্যাত মার্কিন ছোট গল্পকার।

১৮৭৭ – জেমস জিন্স, ৩/৩৩ প্রখ্যাত ইংরেজ প্রাবন্ধিক ও বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক।

১৮৮৫ – ডেভিড হারবার্ট লরেন্স, ইংরেজ সাহিত্যিক।

১৮৯৫ – বিনোবা ভাবে , ভারতে অহিংসা ও মানবাধিকারের প্রবক্তা ও সমর্থক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক শহরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এ দুইটি ও পেন্টাগনে ১টি উগ্রবাদীর সালাফিবাদ জঙ্গি সংগঠন – আল কায়েদা সন্ত্রাসী বিমান হামলায় আঘাত করে এবং ৩০০০ এর অধিক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটে। এছাড়া আর একটি বিমান ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ৯৩ পেন্সিল্‌ভেনিয়ায় ভূপাতিত হয়।

২০০৭ – প্রথম টুয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকায় শুরু হয়।

২০১৫ – ‎মক্কা ক্রেন দুর্ঘটনায় নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্রাম্যমাণ ক্রেন ভেঙে পড়ে যার ফলে ১০৭ জন মারা যান এবং ২৩৮ জন আহত হন।

১৯০৯ – ম্যাক্স উলফ হ্যালির ধূমকেতু নতুন কারে আবিষ্কার করেন।

১৯২৬ – কলকাতায় নাখোদা মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৯৪৮ – নিজামের হায়দারাবাদ রাজ্যের দখল নেয় ভারত সরকার।

১৯৭০ – আন্তর্জাতিক ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৩ – চিলির নির্বাচিত সরকারের প্রধান ও প্রগতিশীল দেশনায়ক সালভেদর আলেন্দেকে হত্যা করে প্রতিবিপ্লবীরা ক্ষমতা দখল করে।

১৮৫৩ – প্রথম বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ চালু হয়।

১৮৭৫ – সংবাদপত্রে প্রথম কার্টুন স্ট্রিপ প্রকাশিত হয়।

১৮৯৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে প্রথম বিশ্ব মহা ধর্ম সম্মেলনে ভারতবর্ষের প্রতিনিধি হয়ে স্বামী বিবেকানন্দ তার ঐতিহাসিক বক্তৃতাটি দিয়েছিলেন। শুরু করেছিলেন এইভাবে – আমেরিকার ভাইবোনেরা। দর্শকবৃন্দ তার গুণমুগ্ধ হয়ে পড়েন।

১৮৯৫ – বার্মিংহাম থেকে এফএ কাপ চুরি হয়ে যায়।

১৩০৪ – তৃতীয় উইলিয়াম হল্যান্ডের আর্ল মনোনীত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৪৮ – মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান মুসলিম নেতা।

১৯৫৮ – রবার্ট সার্ভিস, বিখ্যাত কানাডীয় কবি।

১৯৭১ – নিকিতা ক্রুশ্চেভ, সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক।

১৯৮৭ – মহাদেবী বর্মা, প্রখ্যাত হিন্দি ভাষার কবি।

১৯৮৭ – মণিকুন্তলা সেন, প্রগতিবাদী রাজনৈতিক নেত্রী।

১৮২৩ – ডেভিড রিকার্ডো, অর্থনীতিবিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

মূল্যবান মনুষ্য জীবন ও দেহ মন্দির : স্বামী আত্মভোলানন্দ।

ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রণবায় ।
—————————————–
***সর্বোত্তম জীবন হল সেই জীবন যা অন্যের দ্বারা কিছুই না করে সুখে যাপন করা হয় l’এই চলমান জীবনে কেউ না আছে আমাদের  থেকে  এগিয়ে না কেউ  পিছিয়ে ৷ এখানে কেউ  বেশী উন্নত নই ৷ আবার কেউ নই অকাট মূর্খ ৷ জীবন একবারে আমাদের  সঠিক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে রেখেছে ৷ সেই জায়গায় কোথাও আমরা শিক্ষক আবার কোথাও ছাত্র ৷ জীবন আসলে সেটা নয় যা তুমি পেয়েছো , জীবন তো সেটাই,যা তুমি তোমার মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে তৈরি করেছো l
কেউই আসলে খারাপ হয় না জানো, খারাপ হয় শুধু সময়টা । আর সেই খারাপ সময়টা অনেকটা উড়ো মেঘের মতো । তাই মেঘ কেটে গেলেই আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। সূর্য ওঠে। ফুল ফোটে । পাখিরা ওড়ে মুক্ত আকাশে । জীবন ও তাই, জীবন একটা সফর !
মানুষ কখনোই ব্যর্থ হয় না, হয়তো সে সফল হয় নয়তো সে অভিজ্ঞতা অর্জন করে ।জীবন একটি বই
কিছু অধ্যায় দুঃখজনক। কিছু খুশি, এবং কিছু উত্তেজনাপূর্ণ৷ কিন্তু আপনি যদি পৃষ্ঠাটি না উল্টান তবে আপনি কখনই জানতে পারবেন না যে পরবর্তী অধ্যায়টি কী রয়েছে৷

মৃগনাভির গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে মৃগ সারা জঙ্গলের দূর দীগন্ত ছুটে ছুটে একসময় ক্লান্ত হয়ে নিজের এলাকায় ফিরে আসে।ক্লান্ত বিষন্ন শরীরে বিশ্রাম নিতে তার চেনা মাটিতে বসে পড়ে ।তারপর যখন নিজের মুখ জিভ  দিয়ে গা পরিষ্কার করতে থাকে, একদা বুঝতে পারে যে, এতদিন ধরে সে যে মনমাতানো পাগল করা সুবাসের উৎস খুঁজতে  সারা বন-জঙ্গল তন্য তন্য করে পাড়ি দিয়েছে, তার উৎস দূর দূরন্তে নেই । যে গন্ধ সে খুঁজে বেড়িয়েছে এতদিন, তা তার নিজের নাভি থেকেই নির্গত হচ্ছে। ঐ গন্ধ প্রাণ ভরে শুঁকতে শুঁকতে পরম শান্তিতে সে ঘুমাতে থাকে । আর অকারণ ছুটতে হয়না তাকে ।

সাধনের জন্য নিজের পরিসরেই সব মন্দির পীঠ অবস্থান করে। যারা সত্যিকার সাধন ভজনে লিপ্ত তারা সাধ্যাতীত তীর্থ ভ্রমনে লিপ্ত হন না।পকেটের টাকা দিয়ে ভগবান বা ঈশ্বর  কাউকেই কেনা যায় না। নিজের পরিসরে বিরাজ করেই তাঁকে ডাকার মত ডাকতে পারলেই সব তীর্থ একাকার হয় নিজের মধ্যেই ।
যেমন নেপালের দেবদেবী কেবল নেপালে বন্দী নয়।ভারতের দেবদেবী কেবল ভারতে বন্দী নয়। তিনি ঈশ্বর,  তাই তিনি প্রতি অনুতেই বিরাজমান।
“তোরে ডাকার মতো ডাকতে যদি পারি, আসবি নি তোর এমন সাধ্য নেই। আমি মন্ত্র-তন্ত্র কিছুই জানিনে মা ।।”
অহংকার বর্জন করে তাঁকে ভালোবাসা দিয়ে ডাকলেই তিনি তুষ্ট ।***
ॐ গুরু কৃপাহি কেবলম….!

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস (WSPD) ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর সাথে মিলিত হয়ে আত্মহত্যা প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক সমিতি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বরের লক্ষ্য এই বিষয়ের উপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করা, কলঙ্ক কমানো এবং সংগঠন, সরকার এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, একটি একক বার্তা দেয় যে আত্মহত্যা প্রতিরোধযোগ্য।

 

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস (WSPD) হল একটি সচেতনতা দিবস যা সর্বদা প্রতি বছর ১০ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়, আত্মহত্যা প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী প্রতিশ্রুতি এবং পদক্ষেপ প্রদানের জন্য, ২০০৩ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কার্যক্রম। আত্মহত্যা প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা (IASP) সহযোগিতা করে।  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং World Federation for Mental Health (WFMH)-এর সাথে বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের আয়োজন করা।  ২০১১ সালে আনুমানিক ৪০ টি দেশ এই উপলক্ষে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।  ২০১৪ সালে প্রকাশিত WHO-এর মানসিক স্বাস্থ্য অ্যাটলাস অনুসারে, কোনো নিম্ন-আয়ের দেশে জাতীয় আত্মহত্যা প্রতিরোধের কৌশল নেই, যেখানে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশগুলির ১০%-এরও কম এবং উচ্চ-মধ্যম ও উচ্চ-আয়ের দেশগুলির প্রায় এক তৃতীয়াংশ ছিল৷

 

১০ সেপ্টেম্বর দুনিয়াজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস। গোটা দুনিয়াজুড়ে আত্মহত্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় দিনটি। ২০২২ সালের বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবসের স্লোগান ‘কাজের মাধ্যমে আশা তৈরি করা’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা WHO-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর গোটা বিশ্বে ৭ লক্ষ ৩ হাজার জন মানুষ আত্মঘাতী হন। এর বাইরেও কয়েক কোটি মানুষ রয়েছেন, যাঁরা ভয়াবহ অবসাদের সঙ্গে লড়াই চালাতে চালাতে প্রতিনিয়ত আত্মহত্যার কথা ভাবেন।

গত বছর, অর্থাৎ, ২০২১ সালে ভারতে মোট ১ লক্ষ ৬৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেন। এর আগে, এক বছরে এত মানুষ আত্মহত্যা করেননি কখনও এই দেশে। NCRB রিপোর্টে আরও একটি উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এসেছে। কোভিড অতিমারির আগে দেশজুড়ে আত্মহত্যার সংখ্যা ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশজুড়ে আত্মহত্যার সংখ্যার থেকে কম ছিল। কোভিডের ফলে বেড়েছে সামগ্রিক অবসাদ।

তবু, আত্মহত্যার থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। নিজের মানসিক স্বস্থ্যকে গুরুত্ব দিতে হবে সবসময়। দরকারে সাহায্য নিতে হবে কাউন্সেলারের। একে অপরের কাছে পৌঁচে গিয়ে, পাশে দাঁড়িয়ে, হাতে হাত ধরে গড়ে তুলতে হবে আত্মহত্যা-মুক্ত এক দুনিয়া- এমন আশার সুরও শোনা যায় এই বিশেষ দিনটিতে।

“কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করা”

আত্মহত্যা একটি প্রধান জনস্বাস্থ্য সমস্যা যার সুদূরপ্রসারী সামাজিক, মানসিক এবং অর্থনৈতিক পরিণতি রয়েছে।  এটি অনুমান করা হয় যে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৭০০০০০ টিরও বেশি আত্মহত্যা হয় এবং আমরা জানি যে প্রতিটি আত্মহত্যা আরও অনেক লোককে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
২০২১-২০২৩ সাল পর্যন্ত বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের ত্রিবার্ষিক থিম হল “কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করা”।  এই থিমটি কর্মের জন্য একটি শক্তিশালী আহ্বান এবং অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে আত্মহত্যার একটি বিকল্প রয়েছে এবং আমাদের কর্মের মাধ্যমে আমরা আশাকে উত্সাহিত করতে পারি এবং প্রতিরোধকে শক্তিশালী করতে পারি।
কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করার মাধ্যমে, আমরা আত্মঘাতী চিন্তার সম্মুখীন হওয়া লোকেদের কাছে ইঙ্গিত দিতে পারি যে আশা আছে এবং আমরা তাদের যত্ন করি এবং তাদের সমর্থন করতে চাই।  এটি আরও পরামর্শ দেয় যে আমাদের কাজগুলি, যত বড় বা ছোট হোক না কেন, যারা সংগ্রাম করছে তাদের আশা দিতে পারে।
অবশেষে, এটি একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে যে আত্মহত্যা প্রতিরোধ একটি জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকার এবং আত্মহত্যার মৃত্যুর হার হ্রাস করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।  WHO তার অংশীদারদের সাথে কাজ চালিয়ে যাবে যাতে দেশগুলিকে এই দিকে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে।
।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ১০ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস৷

(খ) দারিদ্রের বিরুদ্ধে সাদা ফিতা দিবস৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২২ – ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য ,প্রখ্যাত বাঙালী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার।

১৯২০ – সি আর রাও,পরিসংখ্যানে আন্তর্জাতিক পুরস্কারে (গণিতে নোবেল) সম্মানিত ভারতীয়-আমেরিকান পরিসংখ্যানবিদ।

১৯৪১ – এটিএম শামসুজ্জামান, বাংলাদেশী অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক।

১৯৮৬ – ইয়ন মর্গ্যান, আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়।

১৮৩৯ – চার্লস স্যান্ডার্স পেয়ার্স, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

১৮৭২ – কুমার শ্রী রঞ্জিতসিংজী, কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও ভারতীয় রাজা। তিনি ইংল্যান্ডের পক্ষে ১৫টি টেস্ট ম্যাচ খেলেন।

১৮৮৭ – গোবিন্দবল্লভ পন্থ , ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও আধুনিক ভারতের রূপকার।

১৮৮৯ – পুণ্যলতা চক্রবর্তী, বাঙালি শিশুসাহিত্যিক।

১৮৯০ – অসিত কুমার হালদার ,বাংলা স্কুলের ভারতীয় চিত্রশিল্পী এবং শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম সহকারী।

১৮৯২ – আর্থার কম্পটন,১৯২৭ নোবেলজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৭৭১ – মঙ্গো পার্ক, আফ্রিকা আবিষ্কারক অভিযাত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘের ১৯০তম সদস্য রাষ্ট্র হয়।

২০০৮ – বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার চালু করা হয়।

১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্র ও সহযোগী শক্তিদের সাথে অস্ট্রিয়ার সাঁ-জের্‌মাঁ চুক্তি (Traîte de Saint-Germain) স্বাক্ষরিত।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কানাডা জার্মানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের জোটে যোগ দেয়।

১৯৬৭ – জিব্রাল্টারের জনগণ স্পেনের অংশ হওয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের অধীনেই থাকার পক্ষে ভোট দেয়।

১৯৭৪ – পর্তুগালের কাছ থেকে আফ্রিকার দেশ গিনি-বিসাউ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ – যুগোশ্লাভিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ম্যাসিডোনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৩ – দীর্ঘ ৪৫ বছরের বৈরিতার অবসান ঘটিয়ে ইসরাইল ও পিএলও পরস্পরকে স্বীকৃতি দেয়।

১৮২৩ – দক্ষিণ আমেরিকার একাধিক দেশের স্বাধীনতার অগ্রাধিনায়ক সিমন বলিভার পেরুর রাষ্ট্রপতি হন।

১৮৯৮ – অষ্ট্রিয়ার সম্রাজ্ঞী এলিজাবেথকে হত্যা করা হয়।

১৭৯৪ – কলকাতায় বিলাতের অনুরূপ মিউনিসিপ্যাল স্বাস্থ্যবিধি চালু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১৫ – বাঘা যতীন, বাঙালি বিপ্লবী।

১৯২৩ – সুকুমার রায়, বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ শিশু সাহিত্যিকদের একজন।

১৯৪৩ – ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম চারজন শহীদ- সত্যেন্দ্রচন্দ্র বর্ধন, ভাক্কম আব্দুল খাদের, ফৌজি সিং, আনন্দন।

১৯৭৫ – জর্জ প্যাগেট থমসন, নোবেলজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ।

১৯৮৮ – অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়,ভারতীয় বাঙালি লেখক ও প্রাবন্ধিক।

১৮০৬ – ইয়োহান ক্রিস্টফ আডেলুং, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।

১৭৯৭ – মেরি ওলস্টোনক্রাফট, ইংরেজ নারীবাদী লেখিকা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This