Categories
রিভিউ

আজ ৯ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৯ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – জেমস হিল্টন, ইংরেজ উপন্যাসিক।

১৯১৫ – সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি সংগীতজ্ঞ ও গায়ক।

১৯২০ – সন্তোষকুমার ঘোষ, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক।

১৯২১ – পলান সরকার, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশি সমাজকর্মী।

১৯২২ – হ্যান্স গেয়র্গ ডেমেল্ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯২৩ – ড্যানিয়েল কার্লটন গ্যাজডুসেক, পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত মার্কিন চিকিৎসক।

১৯২৪ – সিলভিয়া মাইলস, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৩৪ – নিকোলাস লিভারপুল, ডোমিনিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৯৪১ – ডেনিস রিচি, মার্কিন প্রোগ্রামার ও কম্পিটার বিজ্ঞানী, সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক।

১৯৪৯ – সুসিলো বামবাং ইয়ুধনো, ইন্দোনেশীয় জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

১৯৬০ – হিউ গ্রান্ট, ইংরেজ অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬৬ – আডাম সান্ডলের, আমেরিকান অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার ও প্রযোজক।

১৯৬৭ – অক্ষয় কুমার, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৮৩ – ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৭৬ – এমা ডি কোনাস, তিফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৮০ – মিশেল উইলিয়ামস, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৮৩ – ভিটোলো, স্প্যানিশ ফুটবলার।

১৯৮৭ – জোসোয়া হের্ডম্যান, ইংলিশ অভিনেতা।

১৯৮৮ – ম্যানুয়েলা আরবেলায়েজ, কলাম্বিয়ান মডেল।

১৯৮৮ – দানিয়ালো ডি’আম্ব্রোসিও, ইতালীয় ফুটবলার।

১৯৯১ – অস্কার দোস সান্তোস জুনিয়র, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

১৯৯৯ – অঞ্জন সাহা- তন্ময়, বাংলাদেশি কারাতে খেলোয়াড়।

১৮৫০ – ‘ভারতেন্দু’ হরিশ্চন্দ্র, আধুনিক হিন্দি সাহিত্যের জনক কবি ও নাট্যকার।

১৮৭২ – সরলা দেবী চৌধুরানী, বিশিষ্ট বাঙালি বুদ্ধিজীবী ও ভারতের এলাহাবাদে প্রথম মহিলা সংগঠন ‘ভারত স্ত্রী মহামণ্ডল’এর প্রতিষ্ঠাত্রী।

১৮৭৮ – দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র প্রখ্যাত শল্যচিকিৎসক ও সমাজসেবী।

১৮৮২ – অনুরূপা দেবী, বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৮৯৯ – ভিক্টোরিয়া ফেড্রিকা দ্য মারিশলার ই দ্য বোরবন, স্প্যানিশ রাজা ১ম জুয়ান কার্লোসের নাতনী।

১৭৫৪ – উইলিয়াম ব্লিঘ, ইংরেজ এডমিরাল, রাজনীতিবিদ ও নিউ সাউথ ওয়েল্স-এর ৪র্থ গভর্নর।

০৩৮৪ – হ্নোরিউস, রোমান সম্রাট।

০২১৪ – আউরেলিয়ান, রোমান সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – মিশরের প্রথম বহুদলীয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হোসনি মোবারককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা।

১৯১৫ – বিপ্লবী বাঘা যতীন [যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়] ও তার সহযোদ্ধারা ‘কোপতিপোদার যুদ্ধে’ ব্রিটিশবিরোধী সংঘর্ষে লিপ্ত হন।

১৯২০ – আলিগড়ের অ্যাংলো ওরিয়েন্টাল কলেজ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।

১৯২৩ – প্রজাতান্ত্রিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক রাজনৈতিক দল ‘রিপাবলিকান পিপল্স পার্টি’ প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৩৯ – বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) জাতীয় বীর ইউ উত্তামা ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে জেলের ভেতর অনশন ধর্মঘটে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৫ – চীন দখলকারী জাপানী বাহিনী আত্মসমর্পন করার পর একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৪৮ – পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী উত্তর কোরিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৬০ – ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে “সিন্ধু নদ জল চুক্তি” স্বাক্ষর।

১৯৬৯ – কানাডাতে অফিসিয়াল ল্যাংগুয়েজ অ্যাক্ট বাস্তবায়িত হয়। যার মাধ্যমে ফরাসী ভাষা ইংরেজি ভাষার সমান মর্যাদা পায়।

১৯৭০ – একটি ব্রিটিশ বিমান পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেষ্টাইন দ্বারা হাইজ্যাক করা হয়। বিমানটি জর্ডানের ডাওজন ফিল্ডে নেয়া হয়।

১৯৯১ – তাজিকিস্তান সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – পিএলও বা প্যালেষ্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন আনুষ্ঠানিক ভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

১৮৫০ – ৩১তম রাজ্য হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৮১ – আরব পাশার নেতৃত্বে মিশরের জাতীয়তাবাদীরা সংগঠিত হয়।

১৭৯১ – প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের নামানুসারে আমেরিকার রাজধানীর নামকরণ হয় ওয়াশিংটন ডিসি।

০৫৭২ – তৎকালীন দুই পরাশক্তি ইরান ও রোম সাম্রাজ্যের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – আহমেদ শাহ মাসুদ, আফগানিস্তানের অস্থায়ী সরকারের প্রধান বোরহান উদ্দীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

২০১২ – ভার্গিজ কুরিয়েন, ভারতে দুগ্ধ উৎপাদনে শ্বেত বিপ্লবের জনক।

২০১৪ – ফিরোজা বেগম,প্রথিতযশা নজরুলসঙ্গীত শিল্পী ও সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে তিনি নজরুল সঙ্গীতের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।।

১৯০১ – অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্‌-লোত্রেক, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর।

১৯৩৯ – ইউ উত্তামা, বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) জাতীয় বীর।

১৯৪১ – হান্স স্পেম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান করে প্রতিদিন।

১৯৬৩ -রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি ইতিহাসবিদ, জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৮ – অশোক বড়ুয়া, বাঙালি লেখক।

১৯৭৬ – মাও সে তুং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা।

১৯৭৮ – অধ্যাপক বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়,বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য।

১৯৮৪ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।

১৯৮৫ – পল জন ফ্লোরি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ।

১৯৮৯ – রাধারাণী দেবী, বাঙালি মহিলা কবি।

১৯৯৭ – বার্গেস মেরেডিথ, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৮৯১ – জুলস গ্রেভয়, ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।

১৮৯৮ – স্টেফানে মালার্মের, ফরাসি কবি ও সমালোচক।

১৫৬৯ – পিটার ব্রুয়েগেল এল্ডার, ডাচ চিত্রশিল্পী।

১৪৩৮ – এডওয়ার্ড, পর্তুগালের রাজা।

১৪৮৭ – চ্যেংগুয়া, চীনের সম্রাট।

১০৮৭ – প্রথম উইলিয়াম (ইংল্যান্ড), ইংরেজ রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ভারতীয় অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির পথে – একটি পর্যালোচনা : দিলীপ রায়।

ভারতের অর্থনীতি বৈচিত্র্যময়। কৃষিকাজ, হস্তশিল্প, বস্ত্রশিল্প, উৎপাদন, এবং বিভিন্ন সেবা ভারতের অর্থনীতির অংশ । ভারতের শ্রমশক্তির দুই-তৃতীয়াংশ প্রত্যক্ষভাবে কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষি থেকে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে । তবে সেবাখাত (Service Sector) ক্রমেই প্রসার লাভ করছে এবং ভারতের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ  হয়ে উঠছে । ডিজিটাল যুগের আবির্ভাবের পর ইংরেজিতে সাবলীলভাবে কথা বলতে পারদর্শী তরুণ ও শিক্ষিত লোকের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভারত আউটসোর্সিং, ক্রেতা সেবা ও কারিগরি সহায়তা দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে  । ভারত সফটওয়্যার ও আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে অতি-দক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে  । এছাড়া উৎপাদন, ওষুধ শিল্প, জীবপ্রযুক্তি, ন্যানোপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, জাহাজ নির্মাণ, বিমানভ্রমণ এবং পর্যটন শিল্পগুলিতেও ভবিষ্যতে জোরালো প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা  ।
স্বাধীনতা লাভের পর ইতিহাসের অধিকাংশ সময় জুড়ে ভারত সমাজবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে অর্থনীতি চালানোর চেষ্টা চলে । তখন অর্থনীতিতে বেসরকারী খাতের অংশগ্রহণ, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের উপর সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ ছিল । তবে ১৯৯০-এর দশকের শুরু থেকে ভারত ক্রমে উদারপন্থী অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে তার বাজারগুলি উন্মুক্ত করতে শুরু করে । সরকারি  শিল্পগুলির বেসরকারীকরণ বেশ ধীরে ধীরে  রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে । দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা ভারতের একটি প্রধান সমস্যা এবং এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা অর্জনের জন্য একটি বড় বাধা ।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য ১৯৯০ র দশক ভারতীয় অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ বাঁক হিসাবে চিহ্নিত । আশির দশকের শেষ এবং নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে দেশ যে ম্যাক্রো অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতার মুখোমুখি হয়েছিল, তা সরকারকে ১৯৯১ সালে কাঠামোগত সংস্কার প্রবর্তনে তৎপর করে । কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির সম্মিলিত বিপুল ঘাটতি, অর্থপ্রদানের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয় । এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উদ্দেশে ভারত, অর্থনৈতিক উদারীকরণ ও সংস্কারের পথে যাত্রা শুরু করে ।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বলতে নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের অর্থনীতিতে পণ্য ও সেবার উৎপাদন বৃদ্ধি বোঝায় । সাধারণত কোনো দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা  হারকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হিসাবে আখ্যায়িত করা হয় ।  প্রকৃত বৃদ্ধির হার ১৯৮০-এর দশকে গড়ে ৫.৫ শতাংশ,   আর্থিক বছর ১৯৯৩  ও ২০০০এর মধ্যে ৬.৩ শতাংশ উঠে আসে । বৈদেশিক বাণিজ্যে  উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, মোট পণ্য ও পরিষেবা,  বাণিজ্য-জিডিপি অনুপাত ১৯৯০ সালে ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০০০ সালে হয় ৩০.৬ শতাংশ ।
আমরা মাথা পিছু আয় বলতে কী বুঝি ? একটি দেশের মোট আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথা পিছু আয়ের হিসাব করা হয় ।  মাথাপিছু আয় প্রায়শই একটি সেক্টরের গড় আয় পরিমাপ করতে এবং বিভিন্ন জনসংখ্যার সম্পদের তুলনা করতে ব্যবহৃত হয় । মাথাপিছু আয় প্রায়ই একটি দেশের জীবন যাত্রার মান পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় । মাথাপিছু আয়কে গড় আয়ও বলা হয় ।   IMF ভারতের মাথা পিছু আয় সম্পর্কে আশাবাদী । তাদের মতে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১.৪৩ লক্ষ টাকা যেটা ডলারে মূল্য দাঁড়ায় ১৮৯৫ ডলার ।  অন্য কথায় একটি দেশের অভ্যন্তরে এক বছরে চূড়ান্তভাবে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারে সামষ্টিক মূল্যই হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন । আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হচ্ছে জিডিপি’র প্রবৃদ্ধি । জিডিপি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান সূচক ।  ভারতের জিডিপি ২০১৭ সালে ছিল বিশ্বে ৬ নম্বরে, কিন্তু ২০১৮তে ভারত গেলো ৭ নম্বরে । বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক বিকাশের গতি শ্লথ হওয়ার কারণে এবং মার্কিন ডলারের তুলনায় বারবার ভারতীয় মুদ্রামানের অবনমনের জন্যই   ২০১৭’র   চেয়ে জিডিপি’র নিরিখে ভারত পিছিয়ে পড়েছে ।
জিএনপিঃ GDP & GNP, প্রায় সমার্থক । তবে সামান্য পার্থক্য  রয়েছে । কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত  এক বছরে কোনো দেশের জনগণ মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য বা সেবা উৎপাদন করে তার অর্থমূল্যকে মোট জাতীয় উৎপাদন  বা জিএনপি বলে । জাতীয় উৎপাদনের মধ্যে দেশের অভ্যন্তরে বসবাসকারী ও কর্মরত বিদেশি ব্যক্তি ও সংস্থার উৎপাদন বা আয় অন্তর্ভূক্ত হবে না । তবে বিদেশে বসবাসকারী বা কর্মরত দেশি নাগরিক, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও আয় অন্তর্ভূক্ত হবে । জাতীয় আয়ের হিসাব থেকে একটি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অগ্রগতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায় । যে দেশের জিএনপি যত বেশী সে দেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে তত বেশী সমৃদ্ধ ।
এবার আসছি প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (FDI)  সংক্রান্তে । জানা যায় ২০১৮-১৯ সালে মোট প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ ১৪. ২ শতাংশ বেড়েছে ।   প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে পরিষেবা, মোটরগাড়ি ও রসায়ন ক্ষেত্রে । ভারতীয় ব্যঙ্কিং ক্ষেত্র দ্বিমুখী সমস্যার সম্মুখীন । কর্পোরেট ও ব্যাঙ্ক ব্যালান্স সীটে সমস্যার পাশাপাশি অনুৎপাদক সম্পদের পরিমাণ চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়েছে । অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক ঋন সহায়তা ২০১৬-১৭তে ছিল নিম্নমুখী । কৃষি সহযোগী ক্ষেত্রে ২০১৮-১৯এ  প্রকৃত বিকাশ হার কিছুটা কমলেও উৎপাদন ও নির্মাণ ক্ষেত্রে অগ্রগতির দরুন শিল্প বিকাশের হার তরান্বিত হয়েছে । এছাড়া ২০১৯ সালে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (FDI) আকর্ষণের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে ভারতের স্থান ছিল নবম ।  ভারত প্রায় ৫১০০ কোটি ডলার FDI পেয়েছে, খবরটা জানা গেছে জাতিসংঘের ব্যবসা বাণিজ্য বিভাগ থেকে । উন্নয়নশীল দেশগুলির মধ্যে FDI আকর্ষণকারী শীর্ষ পাঁচ দেশের তালিকায়  রয়েছে ভারত । এখানে একটি কথা প্রনিধানযোগ্য, বৈদেশিক বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, মোট পণ্য ও পরিষেবা বাজ্য-জিডিপি অনুপাত ১৯৯০ সালের ১৭.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০০০ সালে হয় ৩০.৬ শতাংশ ।
পরিকাঠামোর নিরিখে দীর্ঘদিনের ঘাটতি এবং রসদ সংক্রান্ত প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলায় ২০১৪ সাল থেকে বড় মাপের সরকারি ব্যয় হতে থাকে । ভারতের মতো বিশাল দেশে পরিকাঠামো উন্নয়নে ধারাবাহিক এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে, সরকার ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার পাইপলাইন (NIP) স্থাপন করেছে । এই দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিতে ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে প্রায় ১১১ কোটি  টাকার বিনিয়োগ করা হয়েছে পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির জন্য । এছাড়াও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে গত নয় বছরে অনেক সংস্কারমূলক ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । “আত্মনির্ভর ভারত” এবং “মেক ইন ইন্ডিয়া” এর মতো কর্মসূচিগুলির লক্ষ্য ভারতের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো এবং বিভিন্ন  শিল্পে রপ্তানীর প্রসার ঘটানো ।
এবার আসছি বিশেষজ্ঞরা কী বলছে । বিশ্বব্যাঙ্ক ভারতীয় অর্থনীতির উপর পূর্বাভাসে বলেছে, ভারতীয় অর্থনীতির গতি বাড়বে । অন্যদিকে মুডিজ ইনভেস্টরস সার্ভিস, এস অ্যান্ড পি’র মতো আন্তর্জাতিক রেটিং সংস্থাগুলি জানিয়েছে,  ২০২২-এ ভারতের জিডিপি ৩.৫ ট্রিলিয়ন (৩.৫ লক্ষ কোটি) মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে এবং আগামী কয়েক বছরে জি-২০ সদস্য দেশগুলির মধ্যে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারতীয় অর্থনীতি ।
পরিশেষে বলা যায় ভারতীয় অর্থনীতিতে গৃহীত নতুন যুগের সংস্কারগুলি অমৃতকালের প্রাণবন্ত বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করেছে । বিগত কয়েক বছরে যে মজবুত আর্থিক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়েছে, তা সুলভে ঋনদানের দক্ষ ব্যবস্থা করে উচ্চতর বিনিয়োগ ও ভোগের মাধ্যমে আগামী বছরগুলিতে শক্তিশালী অর্থনৈতিক বিকাশে অবদান রাখবে । অন্যদিকে আমরা জানি, সমস্ত ক্ষেত্রের মধ্যে উৎপাদন  ক্ষেত্রের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষমতা সবথেকে বেশী ।  ২০৩০ সালের মধ্যে এই ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৭ কোটি কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা  । উৎপাদন ক্ষেত্রের প্রকৃত বিকাশ হার পৌঁছাতে পারে ৯-১০ শতাংশে । উল্লেখ থাকে যে, ২০২২ সালে যা ছিল ৭-৮ শতাংশ ।    অর্থনৈতিক প্রসারণের এই দ্রুত গতির ফলে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতীয় GDP-এর আকার জাপানের GDP-কে ছাড়িয়ে যাবে, যা ভারতকে দ্বিতীয় বৃহত্তম করে তুলবে ৷  ২০২২ সালের মধ্যে, ভারতীয় জিডিপির আকার ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের জিডিপির চেয়েও বেশী । ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের জিডিপি জার্মানিকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে । সুতরাং ভারতীয় অর্থনীতি এখন প্রবৃদ্ধির পথে ।  (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ও যোজনা ৮/২৩) ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হলো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা বা ইউনেস্কো-ঘোষিত একটি আন্তর্জাতিক দিবস। ১৯৬৬ সালের ২৬ অক্টোবর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনের ১৪তম অধিবেশনে ৮ সেপ্টেম্বর তারিখকে “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়।ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সমাজের জন্য সাক্ষরতার গুরুত্ব এবং আরও সাক্ষর সমাজের প্রতি তীব্র প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য 1966 সালে UNESCO কর্তৃক 8ই সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (ILD) হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল। ১৯৬৭ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়। দিবসটির লক্ষ্য ব্যক্তি, সম্প্রদায় এবং সমাজের কাছে সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরা। বর্তমানে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র এ দিবসটি উদ্‌যাপন করে থাকে।জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা বা ইউনেস্কোর ঘোষণার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল “মর্যাদা এবং মানবাধিকারের বিষয় হিসাবে সাক্ষরতার গুরুত্ব জনগণকে স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য।”

 

পৃথিবীর প্রায় ৭৭৫ মিলিয়ন অধিবাসীর ন্যূনতম প্রয়োজনীয় অক্ষরজ্ঞানের অভাব রয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি পাঁচ জনে একজন এখনও শিক্ষিত নন এবং এই জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই নারী। বিশ্বের প্রায় ৬০.৭ মিলিয়ন শিশু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত এবং আরও অনেকের শিক্ষায় অনিয়মিত বা শিক্ষা সমাপ্ত হওয়ার আগেই ঝরে পড়ে।

প্রথম আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের পর থেকে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় সাক্ষরতার হারের উন্নতিতে অনেক অগ্রগতি সাধিত হলেও, নিরক্ষরতা একটি বৈশ্বিক সমস্যা রয়ে গেছে।  বিশ্বজুড়ে 750 মিলিয়নেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা পড়তে পারেন না বলে মনে করা হয়।  নিরক্ষরতার অভিশাপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর কোনো জাতি বা সংস্কৃতিকে রেহাই দেয় না, যেখানে আনুমানিক 32 মিলিয়ন আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক নিরক্ষর। ইউনেস্কোর “সকলের জন্য শিক্ষার বৈশ্বিক নিরীক্ষণ রিপোর্ট (২০০৬)” অনুসারে, অঞ্চলভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম (৫৮.৬%); এরপরেই রয়েছে সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের অবস্থান (৫৯.৭%)। বিশ্বের সবচেয়ে কম সাক্ষরতার হারের দেশগুলো হলো বুর্কিনা ফাসো (১২.৮%), নাইজার (১৪.৪%) ও মালি (১৯%)। প্রতিবেদনে দেশগুলোর নিরক্ষরতার হারের সাথে চরম দারিদ্র‍্য এবং নারীদের সামাজিক অবস্থানের সাথে নিরক্ষতার সুস্পষ্ট সম্পর্ক পরিলক্ষিত হয়।

 

26 অক্টোবর 1966 তারিখে যখন ইউনেস্কো বিশ্বব্যাপী নিরক্ষরতার সমস্যাগুলি দূর করার জন্য 8 সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছিল।  মূল উদ্দেশ্য ছিল শুধুমাত্র নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে লড়াই করা নয় বরং এটিকে ব্যক্তি ও সমগ্র সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা।  এই দিবসের মূল লক্ষ্য ছিল সাক্ষরতা বৃদ্ধি করা।  বিশ্বব্যাপী প্রতিটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরক্ষরতা দূর করাই হল আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৮ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৮ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – অমলেন্দু দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯১২ – কমরুদ্দীন আহমদ, লেখক ও রাজনীতিক।

১৯১৮ – ডেরেক রিচার্ড বার্টন, নোবেলজয়ী জৈবরসায়নবিদ বিজ্ঞানী ।

১৯১৯ – নিরঞ্জন ধর, যুক্তিবাদী সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতাবাদী ঐতিহাসিক।

১৯২৬ – ভুপেন হাজারিকা, স্বনামধন্য ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৩৩ – আশা ভোঁসলে, ভারতীয় গায়িকা।

১৯৪৫ – শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী।

১৯৫৫ – ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।

১৯৫৬ – অঞ্জু ঘোষ, বাংলাদেশি অভিনেত্রী।

১৮৩০ – ফ্রেদেরিক মিস্ত্রাল, নোবেলজয়ী [১৯০৪] ফরাসি কবি।

১৮৯২ – হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী, বাঙালি রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী।

১৭৬৭ – আউগুস্ট ভিলহেল্ম ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি, অনুবাদক ও সমালোচক।

১৫৮৮ – মারাঁ মের্সেন, ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল তার অভিষেক টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড করেন।

২০২২ – দিল্লির ইন্ডিয়া গেটে উন্মোচিত হল নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ২৮ ফুট উচ্চতার কালো গ্রানাইটের মূর্তি।

১৯০৩ – বুলগেরিয়ার ৫০ হাজার মানুষকে হত্যা করে তুর্কিরা।

১৯০৭ – সান ইয়াত্ সেন চীনে প্রজাতান্ত্রিক আন্দোলন কুয়োমিনটাং গঠন করেন।

১৯৪১ – জার্মানীর নাৎসী বাহিনী তিন মাস ধরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে হামলা চালানোর পর লেলিনগ্রাড অবরোধ করতে সক্ষম হয়।

১৯৪৩ – মিত্র শক্তির কাছে ইতালি নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫১ – সান ফ্রান্সিসকোতে ৪৯টি দেশ জাপানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৫২ – জেনেভায় বিশ্বের ৩৫টি দেশের গ্রন্থস্বত্ব কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৫৪ – ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার যৌথ প্রতিরক্ষা বিষয়ক সিটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৬১ – সন্ধ্যায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট দ্য গল একটি গুপ্তহত্যার ঘটনায় রক্ষা পান ।

১৯৬২ – চীন-ভারত সীমান্ত সংঘর্ষ শুরু হয়।

১৯৬৬ – জাতিসংঘের ই.এস.সি সংস্থার ১৪তম অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, প্রত্যেক বছরের ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালন করা হবে।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জায়ারে।

১৯৮১ – যুগোশ্লাভিয়া থেকে মেসিডোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৩ – চীনের লাওনিং প্রদেশের ২০ বছর বয়সী যুবক খেলোয়াড় ওয়াং জুনসিয়া এবং ইয়ুনন্নান প্রদেশের ২৬ বছর বসয়ী খেলোয়াড় চোং হুয়াটি নারী ১০ হাজার মিটার দৌড় প্রতিযোগিতায় বিশ্ব রেকর্ড ভাঙ্গেন।

১৮৩১ – চতুর্থ উইলিয়ম গ্রেট ব্রিটেনের সম্রাট পদে অধিষ্ঠিত হন।

১৮৮৬ – দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গের পত্তন হয়।

১৭৬৩ – ব্যাপক সংঘর্ষ ও সহিংসতার পর প্যারিস সমঝোতা অনুযায়ী শেষ পর্যন্ত কানাডা ফরাসী দখলদারিত্ব থেকে মুক্ত হয় এবং বৃটেন ঐ চুক্তির প্রতি সমর্থন জানায়।

১৫০৪ – মিকেলাঞ্জেলার ডেভিড চিত্রকর্মটি ফ্লোরেন্সে উন্মোচিত করা হয়।

১৫১৪ – ‘অরসা’ যুদ্ধ, শতাব্দীর একটি বড় যুদ্ধ এটি। লিথুনিয়ান এবং পোল্স রুশ সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছিল।

১৫৮৮ – ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ মারাঁ মের্সেন জন্মগ্রহন করেন।

১৪৪৯ – ‘তুমু’ যুদ্ধে মঙ্গোলিয়ানরা চায়নিজ রাজত্ব দখলে নেয়।

১৩৮০ – কুলিকভোর যুদ্ধে রুশ সৈন্যরা তাতার এবং মঙ্গল সৈন্যের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে তাদের অগ্রযাত্রা রুখে দেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৯ – ইউসুফ মুতালা, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও দায়ী।

২০২২ – বৃটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।

১৯৩৩ – প্রথম ফয়সাল, আরব বিদ্রোহের অন্যতম নেতা এবং ইরাকের প্রথম বাদশাহ।

১৯৩৯ – স্বামী অভেদানন্দ, হিন্দু সন্ন্যাসী, রামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪৩ – জুলিয়াস ফুচিক, চেক লেখক, সমালোচক, সাংবাদিক ও বামপন্থী স্বাধীনতা সংগ্রামী ।

১৯৪৯- রিচার্ড স্ট্রস, জার্মানীর বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৫৫ – অমলেন্দু দাশগুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৬৫ – হেরমান স্টাউডিঞ্জার, নোবেলজয়ী [১৯৫৩] জার্মান রসায়নবিদ।

১৯৮৭ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৭ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৭ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – ডেভিড প্যাকার্ড, (মার্কিন প্রকৌশলী ও ব্যবসায়ী, হিউলেট প্যাকার্ড কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা)।

১৯১৩ – স্যার জন অ্যান্থনি কোয়েল, (ইংরেজ অভিনেতা ও মঞ্চ নির্দেশক)।

১৯১৭ – (নোবেলজয়ী [১৯৭৫] অস্ট্রেলীয় জৈবরসায়নবিদ) জন কর্নফোর্থ।

১৯২০ – আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, (বাঙালি সাহিত্যিক)।

১৯২৫ – (ভারতীয় অভিনেত্রী, গায়ক, এবং পরিচালক) ভানুমতি রামকৃষ্ণ।

১৯২৭ – (ইংরেজি লেখক এবং চিত্রকর) এরিক হিল।

১৯৩৪ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, (পশ্চিমবঙ্গের একজন জনপ্রিয় বাঙালি লেখক এবং কবি)।

১৯৫৪ – (বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নকর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব) শাইখ সিরাজ।

১৯৬৮ – মার্সেল দেসায়ি, (ফরাসি ফুটবলার)।

১৯৮৭ – ইভান রেচেল উড, (মার্কিন অভিনেত্রী, মডেল ও সঙ্গীতজ্ঞ)।

১৮২৬ – রাজনারায়ণ বসু, (বাঙালি চিন্তাবিদ এবং সাহিত্যিক)।

১৮৭০ – (রুশ কথাসাহিত্যিক) আলেকসান্দর কুপ্রিন।

১৮৭০ – (আমেরিকান ক্রীড়াবিদ) টমাস কার্টিস।

১৮৭৭ – (আইরিশ বেসবল প্লেয়ার) মাইক নিল।

১৮৮৭ – গোপিনাথ কবিরাজ, (বাঙালি সংস্কৃত- তন্ত্র পণ্ডিত ও দার্শনিক)।

১৮৯২ – কুমুদশঙ্কর রায় (প্রখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী)।

১৮৯৪ – ভিক রিচার্ডসন, (অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ক্রিকেটার)।

১৭০৭ – জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ, (ফরাসি প্রকৃতিবিদ, গণিতজ্ঞ, জীববিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ এবং লেখক)।

১৫৩৩ – প্রথম এলিজাবেথ, (ইংল্যান্ডের রাণী)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – মিশরে তার প্রথমবারের মতো বহুদলীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০০৮ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বৃহত্তম বন্ধকী অর্থ সংস্থাগুলি, ফ্যানি মে এবং ফ্রেডি ম্যাকের নিয়ন্ত্রণ নেয়।

২০১০ – সেনাকাকু দ্বীপপুঞ্জের কাছে বিতর্কিত জলে দুটি চীনা জাপানী কোস্টগার্ডের টহল নৌকার সাথে একটি চীন ফিশিং ট্রলার সংঘর্ষে।

২০১১ – রাশিয়ায় একটি বিমান দুর্ঘটনায় লোকোমোটিভ ইয়ারোস্লাভল কন্টিনেন্টাল হকি লীগ দলের প্রায় পুরো রোস্টার সহ ৪৩ জন নিহত হয়েছেন।

২০১২ – কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরানে তার দূতাবাস বন্ধ করে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং পারমাণবিক পরিকল্পনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ওটাওয়া থেকে ইরানি কূটনীতিকদের বহিষ্কারের আদেশ দিয়েছে।

২০১৭ – ৮.২ মেগাওয়াট ২০১৭ এর চিয়াপাসের ভূমিকম্প দক্ষিণ মেক্সিকোতে আঘাত হানে, কমপক্ষে ৬০ জন মারা যায়।

২০১৭ – ইক্যুফ্যাক্স একটি সাইবার-অপরাধ পরিচয় চুরির ঘটনাটি প্রায় ১৪৫ ১-২২ মিলিয়ন মার্কিন গ্রাহককে প্রভাবিত করার সম্ভাব্য ঘোষণা করে।

২০১৯ – ইউক্রেনীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ওলেগ সেন্টসভ এবং ৬৬ ৬৬ জনকে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে বন্দী বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

১৯০৪ – দলাইলামার সঙ্গে ব্রিটেনের চুক্তি হয়।

১৯১১ – ফরাসি কবি গিলাউম আপোলিনিয়ার লুভের যাদুঘর থেকে মোনা লিসা চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী হন।

১৯১৯ – মহাত্মা গান্ধীর সম্পাদনায় প্রথম “নবজীবন” গুজরাটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়।

১৯২১ – আটলান্টিক সিটিতে, নিউ জার্সিতে, প্রথম মিস আমেরিকা পেজেন্ট, দুই দিনের ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২১ – ক্যাথলিক গির্জার জনগণের বৃহত্তম প্রেরণিক সংগঠন, মেরি অফ লেজিয়ান আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

১৯২৩ – আন্তর্জাতিক অপরাধী পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল) গঠিত হয়।

১৯২৭ – প্রথম সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক টেলিভিশন সিস্টেম ফিলো ফার্নস ওয়ার্থ অর্জন করেছে।

১৯২৯ – স্টিমার কুরু ফিনল্যান্ডের ট্যাম্পেরের কাছে নসিজিব্ধরভি হ্রদে ক্যাপসেজ করেছিলেন এবং ডুবেছিলেন। একশত ছত্রিশ জন প্রাণ হারিয়েছে।

১৯৩১ – লন্ডনে দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩২ – চকো যুদ্ধের প্রথম বৃহত্তম যুদ্ধ বোকারেরেনের যুদ্ধ শুরু হয়েছে।

১৯৩৬ – সর্বশেষ থাইলাসিন, বেনিয়ামিন নামে এক মাংসাশী মার্সুপিয়াল, তাসমানিয়ার হোবার্ট চিড়িয়াখানায় তার খাঁচায় একা মারা যান।

১৯৪০ – রোমানিয়া দক্ষিণ ডোব্রুজাকে ক্রেওভার চুক্তির অধীনে বুলগেরিয়ায় ফিরিয়ে দেয়।

১৯৪০ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মান লুফটওয়াফ ব্লিটজ শুরু করে, লন্ডন এবং অন্যান্য ব্রিটিশ শহরগুলিতে টানা ৫০ টিরও বেশি রাতে বোমা মেরেছিল।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: মিলনে বে যুদ্ধের সময় জাপানি সামুদ্রিকরা সরে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

১৯৪৩ – হিউস্টনের উপসাগরীয় হোটেলে আগুনে ৫৫ জন নিহত হয়েছিল।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: জার্মানির ১৭ তম আর্মি দক্ষিণ রাশিয়ার কুবান ব্রিজহেড (তামান উপদ্বীপ) সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করে এবং ক্র্যাচিয়ায় ক্র্যাচ স্ট্রেইট পেরিয়ে পাড়ি জমান।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ১৯৪১ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে ওয়েক আইল্যান্ডে জাপানী বাহিনী আমেরিকা সামুদ্রিকদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল।

১৯৪৫ – ১৯৪৫ এর বার্লিন বিজয় প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪৭ – ৬-৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে অসাম্প্রদায়িক যুব সংগঠন গণতান্ত্রিক যুবলীগের প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯৫৩ – নিকিতা ক্রুশ্চেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সচিব নির্বাচিত হন।

১৯৬৫ – ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময়, চীন ঘোষণা করেছিল যে তিনি ভারতের সীমান্তে তার সেনা আরও শক্তিশালী করবে।

১৯৬৫ – ভিয়েতনাম যুদ্ধ: আগস্টের অপারেশন স্টারলাইটের অনুসরণে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিনস এবং দক্ষিণ ভিয়েতনামী বাহিনী বাতাঙ্গান উপদ্বীপে অপারেশন পিরানহা শুরু করে।

১৯৭০ – জর্ডানে আরব গেরিলা এবং সরকারী বাহিনীর মধ্যে লড়াই শুরু হয়েছিল।

১৯৭০ – বিল শোয়েমর জনি লংডেনের রেকর্ডকে পরাজিত করে ডেল মার রেসট্র্যাকের ঘোড়দৌড়ের ইতিহাসের বিজয়ী জকি হয়ে উঠল

১৯৭৭ – পানামা খালের অবস্থা নিয়ে পানামা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টরিরিওস – কার্টার চুক্তি স্বাক্ষরিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০ শতকের শেষে পানামায় খালের নিয়ন্ত্রণ স্থানান্তর করতে সম্মত হয়েছে।

১৯৭৭ – কানাডার অন্টারিওয়ের ব্যারি শহরে ৩০০ মিটার লম্বা সিকেভিআর-টিটি ট্রান্সমিশন টাওয়ারটি একটি কুয়াশায় একটি হালকা বিমানের ধাক্কায় পড়েছিল এবং এটি ধসে পড়েছিল। বিমানটিতে আরোহী সবাই মারা গেছে।

১৯৭৮ – লন্ডনের ওয়াটারলু ব্রিজের ওপারে চলার সময়, বুলগেরিয়ান অসন্তুষ্ট জর্জি মার্কভকে বুলগেরিয়ান গোপন পুলিশ এজেন্ট ফ্রান্সেস্কো গুলিনো দ্বারা বিশেষভাবে নকশাকৃত ছাতা থেকে গুলি করা একটি রিকিনের গুলি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

১৯৭৯ – ক্রিসলার কর্পোরেশন দেউলিয়ারতা এড়াতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চেয়েছিল।

১৯৮১ – ব্রিটিশ উদ্ভিদ সংস্থা, গুথ্রি সফলভাবে শেয়ার কেনার পরে প্রধান শেয়ারহোল্ডার হওয়ার পরে মালয়েশিয়ার সরকার তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। একে ‘ডন রাইড আক্রমণ’ নামে পরিচিত।

১৯৮৪ – গোজোর সমুদ্রের অবধি অবৈধ আতশবাজি বিক্রি করার সময় মাল্টিজের টহলরত নৌকোয় একটি বিস্ফোরণে সাত সেনা এবং পুলিশ নিহত হয়েছিল।

১৯৮৬ – ডেসমন্ড টুটু কেপটাউনের অ্যাংলিকান ডায়োসিসের নেতৃত্বে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মানুষ হন।

১৯৮৮ – মহাকাশের প্রথম আফগান আবদুল আহাদ মহম্মদ মীর মহাকাশ স্টেশনে নয় দিন পর পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

১৯৯৬ – রেপার এবং হিপহপ শিল্পী টুপাাক শাকুর নেভাদারার লাস ভেগাসে একটি ড্রাইভ বাই শুটিংয়ে প্রাণঘাতী গুলিবিদ্ধ হন রং ছয় দিন পর তার চোটে তিনি মারা যান।

১৯৯৭ – লকহিড মার্টিন এফ -২২ র‌্যাপ্টরের প্রথম ফ্লাইট।

১৯৯৯ – .০.০ মেগাওয়াট এথেন্সের ভূমিকম্পে অঞ্চলটি আইএক্স (সহিংস) সর্বাধিক মার্কাল্লি তীব্রতায় প্রভাবিত হয়েছিল, ১৪৩ জন মারা গিয়েছিল, ৮০০-১,৬০০ আহত হয়েছিল এবং ৫০,০০০ গৃহহীন হয়েছিল।

১৮১২ – রাশিয়ায় ফরাসী আগ্রাসন: নেপোলিয়োনিক যুদ্ধের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, বোরোডিনো যুদ্ধ মস্কোর কাছে লড়াই করা হয়েছিল এবং এর ফলে ফরাসিদের বিজয় হয়েছিল।

১৮১৮ – সুইডেনের তৃতীয় কার্ল – নরওয়ে ট্রানড্রিমের নরওয়ের রাজা হলেন।

১৮২২ – ডম পেড্রো প্রথম সাও পাওলোতে ইপিরাঙ্গা ব্রুকের তীরে ব্রাজিলকে পর্তুগাল থেকে স্বাধীন ঘোষণা করে।

১৮৫৭ – মাউন্টেন মেডোস গণহত্যা: মরমন বন্দোবস্তকারীরা শান্তিপূর্ণ, অভিবাসী ওয়াগন ট্রেনের বেশিরভাগ সদস্যকে জবাই করে।

১৮৬০ – ইতালিয়ান একীকরণ: জিউসেপ গারিবলি নেপলসে প্রবেশ করেছে।

১৮৬৩ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: কুইনসি এ গিলমোরের অধীনে ইউনিয়ন সৈন্যরা-সপ্তাহের অবরোধের পরে মরিস দ্বীপে ফোর্ট ওয়াগনারকে ধরে ফেলল।

১৮৬৪ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: ইউনিয়ন জেনারেল উইলিয়াম টেকুমসেহ শেরম্যানের আদেশে আটলান্টা সরিয়ে নেওয়া হয়।

১৮৭৬ – মিনেসোটা, নর্থফিল্ডে জেসি জেমস এবং জেমস – ইয়ংগার গ্যাং শহরের ব্যাঙ্ক ছিনতাই করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সশস্ত্র নাগরিকরা তাড়িয়ে দেয়।

১৭০৬ – স্প্যানিশ উত্তরাধিকার যুদ্ধ: তুরিনের অবরোধের অবসান ঘটল, যার ফলে উত্তর ইতালি থেকে ফরাসি বাহিনীকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

১৭৬৪ – পোলিশ-লিথুয়ানিয়ান কমনওয়েলথের শেষ শাসক হিসাবে স্টিনিসো আগস্ট পোনিয়াটস্কি নির্বাচন।

১৭৭৬ – আমেরিকান পড়ষড়হপনিবেশিক প্রতিবেদন অনুসারে, নিউজয়র্ক হারবারের এইচএমএস ধমগলের ঝাঁকের সাথে টাইম বোমা সংযুক্ত করার চেষ্টা করে এজরা লি টার্টলে বিশ্বের প্রথম সাবমেরিন আক্রমণ করেছিলেন (এই হামলার কোনও ব্রিটিশ রেকর্ড বিদ্যমান নেই)।

১৭৭৮ – আমেরিকার বিপ্লব যুদ্ধ: ফ্রান্স ব্রিটিশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডোমিনিকাকে আক্রমণ করেছিল, ব্রিটিশ এমনকি যুদ্ধে ফ্রান্সের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অবগত হওয়ার আগে।

১৬৫২ – প্রায় ১৫,০০০ হান কৃষক এবং মিলিশিয়া তাইওয়ানের ডাচ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল।

১৬৯৫ – হেনরি প্রত্যেকটি গ্র্যান্ড মুঘল জাহাজ গঞ্জ-ই-সাওয়াই দখল করে ইতিহাসের অন্যতম লাভজনক জলদস্যুদের আক্রমণ চালায়। জবাবে, সম্রাট আওরঙ্গজেব ভারতে সমস্ত ইংরেজী বাণিজ্য শেষ করার হুমকি দিয়েছিলেন।

১৫৭১ – নরফোকের চতুর্থ ডিউক টমাস হাওয়ার্ডকে ইংল্যান্ডের রানী প্রথম এলিজাবেথকে হত্যার রিডলফির ষড়যন্ত্রের ভূমিকার জন্য এবং তাকে স্কটসের রানী মেরির সাথে প্রতিস্থাপনের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

১৩০৩ – গিলাইম ডি নোগারেট ফ্রান্সের চতুর্থ ফিলিপের পক্ষে পোপ বনিফেস অষ্টম বন্দিকে নিয়েছিলেন।

১২২৮ – পবিত্র রোমান সম্রাট ফ্রেডেরিক দ্বিতীয় ইস্রায়েলের একরে অবতরণ করলেন এবং ষষ্ঠ ক্রুসেড শুরু করলেন, যার ফলস্বরূপ জেরুজালেম রাজ্যের শান্তিপূর্ণ পুনঃস্থাপনের ফলস্বরূপ।

১১৫৯ – পোপ আলেকজান্ডার তৃতীয় নির্বাচিত হয়েছে।

১১৯১ – তৃতীয় ক্রুসেড: আরসুফের যুদ্ধ: আরসুফের কাছে সালাউদ্দিনকে পরাজিত করেছিলেন ইংল্যান্ডের রিচার্ড প্রথম।

৮৭৮ – লুই দ্য স্ট্যামেরারকে পশ্চিম ফ্রান্সিয়ার রাজা হিসাবে পোপ জন পঞ্চম জন দ্বারা অভিষেক করা হয়েছিল।

৭০ – তিতের অধীনে একটি রোমান সেনাবাহিনী জেরুজালেম দখল করে এবং লুণ্ঠন করেছিল।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১০ – (আমেরিকান লেখক) বারবারা হল্যান্ড।

২০১২ – (পাকিস্তানি ফুটবলার) আব্দুল গাফুর।

২০২২ – নিত্যপ্রিয় ঘোষ, (ভারতীয় বাঙালি প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র গবেষক)৷

১৯০৭ – (প্রথম সাহিত্যে নোবেলজয়ী [১৯০১] ফরাসি কবি) সুলি প্রুদহোম।

১৯১০ – (ইংরেজি চিত্রশিল্পী উইলিয়াম) হলমেন হান্ট।

১৯৩২ – শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী , (বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক, দেশপ্রেমিক ও বক্তা)।

১৯৪৯ – (মেক্সিকান চিত্রশিল্পী) হোস ওরোস্কা।

১৯৭৬ – সুরেন্দ্রমোহন ঘোষ (স্বাধীনতা সংগ্রামী ও যুগান্তর দলের অন্যতম কাণ্ডারি) ।

১৯৯১ – এডউইন মাটিসন ম্যাকমিলান (নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী)।

১৯৯৭ – (জায়ারের একনায়ক) মবুতু সেসে সেকো।

১৯৯৯ – পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, (প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালি গীতিকার ও সুরকার) ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৬ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৬ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) ডায়াবেটিস সেবা দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৬ – লুইস ফেদেরিকো লেলইর, আর্জেন্টিনীয় চিকিৎসক ও জৈবরসায়নবিদ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯১৩ – লিওনিদাস, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯১৭ – (ক) বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী,ভারত সরকারের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ও পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম পথিকৃৎ।

(খ) জর্জ মান, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯১৮ – জগন্ময় মিত্র,ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯২০ – শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি,কথা-সাহিত্যিক ও নাট্যকার৷

১৯৪২ – রিচার্ড হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৪৯ – রাকেশ রোশন, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার ও চিত্র সম্পাদক।

১৯৬৪ – রোজি পেরেজ, মার্কিন অভিনেত্রী, সমাজকর্মী, আলাপচারিতা অনুষ্ঠান সঞ্চালক, লেখিকা, নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য পরিচালক।

১৯৬৮ – সাঈদ আনোয়ার, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯৭২ – ইদ্রিস এলবা, ইংরেজ অভিনেতা, প্রযোজক, সঙ্গীতজ্ঞ ও ডিজে।

১৯৭৬ – নাওমি হ্যারিস, ইংরেজ অভিনেত্রী।

১৯৯৫ – মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

১৮৭৬ – জন জেমস রিকার্ড ম্যাক্লিয়ড, স্কটিশ প্রাণরসায়নবিদ এবং শারীরতত্ত্ববিদ।

১৮৮৯ – শরৎচন্দ্র বসু , বাঙালি জাতীয়তাবাদী, পেশায় ব্যারিস্টার এবং ভারতের স্বাধীনতা কর্মী।

১৮৯২ – এডওয়ার্ড ভিক্টর অ্যাপলটন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৫ – আটলান্টা জীবন বীমা কম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০৮ – কলকাতায় সর্বপ্রথম কলকাতা গাণিতিক সমিতি গঠিত হয়।

১৯৬৫ – প্রথম পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৬৮ – দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ সোয়াজিল্যান্ড বৃটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৯৮ – বঙ্গবন্ধুকে ডায়াবেটিক সোসাইটির মরণোত্তর স্বর্ণপদক প্রদান, প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক প্রদান শুরু।

১৮৭৯ – লন্ডনে ব্রিটেনের প্রথম টেলিফোন একচেঞ্জ স্থাপিত হয়।

১৮৮০ – ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রিকেট টেস্ট ম্যাচ শুরু।

১৭১৬ – বোস্টনে প্রথম বাতিঘর স্থাপিত হয়।

১৭৭৮ – হুগলীতে প্রথম বাংলা ছাপাখানা স্থাপন।

১৬৫৭ – মোগল সম্রাট শাহজাহান আকস্মিক অসুস্থ হয়ে পড়লে সিংহাসন নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৭ – লতফি জাদেহ, ইরানী ও আজারবাইজানী বংশোদ্ভূত মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

১৯০৭ – সুলি প্রুদোম, ফরাসি সাহিত্যিক।

১৯৫৯ – এডমুন্ড গোয়েন, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৭২ – উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, প্রখ্যাত বাঙালি সেতার ও সানাই বাদক হিসাবে পরিচিত সঙ্গীতজ্ঞ।

১৯৮২ – অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় খ্যাতনামা গণিতের অধ্যাপক। নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালামের শিক্ষক।

১৯৮৯ – মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক), বাংলাদেশী চিকিৎসক এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৯০ – লেন হাটন, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৯৬ – সালমান শাহ, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেতা।

১৯৯৭ – পি. এইচ. নিউবি, ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও বিবিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

১৯৯৮ – আকিরা কুরোসাওয়া, জাপানি চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

মূল্যবান মনুষ্য জীবন ও বিনিময় প্রতিদান : স্বামী আত্মভোলানন্দ।

ওঁ নমঃ শ্রী ভগবতে প্রণবায় ….।

 

***আমাদের সুন্দর ভারতীয় সমাজে অনন্তকাল ধরে ঋষি, মুনি, সাধু, সন্ন্যাসী, প্রাচীনকালে হইতে অনেক বিখ্যাত দার্শনিক, অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী, অনেক বিখ্যাত মহাপুরুষ, সাধুমহাত্মা, মহামানব, অনেক বিখ্যাত মানুষ,সময়ে সময়ে নিজেদের প্রভাব, মহিমা, জ্ঞানের, তপস্যার, আবিস্কারের অবদান রেখে গেছেন এই পৃথিবীতে মানব সমাজের জন্য, আমাদের জন্য। যেমন, উদাহরণ স্বরূপ সুদুর অতীতে রাজা রামমোহন রায়, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, স্বামী বিবেকানন্দ, স্বামী প্রণবানন্দ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা আরো অনেক মহামানব।বিনিময়ে তাদের কেউ কি তপস্যার মূল্য, সাধনার মূল্য, কঠোর পরিশ্রমের মূল্য চেয়েছেন? না পেয়েছেন? না আমরা কিছু দিয়েছি কোনোদিন?না দিতে পারবো?

সৌন্দর্যময় আমাদের এই পৃথিবী সকল নৈসর্গিক উপাদানে সমৃদ্ধ। এই মনোরম , অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অনন্তকাল ধরে আমাদের  চিত্তে আনন্দের অমৃতধারা জাগিয়ে তুলছে। এরই বহিঃপ্রকাশ  আমাদের নানা অনুভবে ও অনুভূতিতে। দিনে দিনে কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই শিক্ষা স্বাস্থ্য ও আবাসন গড়ে উন্নত হওয়ার পথে আমাদের সমাজ ও আধুনিক সভ্যতা। যে অরণ্যঘেরা পৃথিবীতে তিলে তিলে মানুষ গড়ে তুলেছে আধুনিক সভ্যতা। আবার আধুনিক সভ্যতা মানুষের ক্রোধেই দাবানলের মতো জ্বলে পুড়ে সভ্যতার বিনাশ হওয়ার পথে  আজ আমাদের সুন্দর সমাজ।

আমরা মানুষ যদি মেঘের দিকে তাকায়, নদীর দিকে তাকায়, দেখি? মেঘ সারা পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ায় জল-বৃষ্টি দেয়।নদী গুলি বিশাল জমিতে সেচ দেয়, জল দেয় এবং সমস্ত বিশ্বের পানীয় জল,সবুজ, ফসল উপহার দেয়। উদ্ভিদ,গাছ, বন,অকৃপণ ভাবে আমাদের অক্সিজেন, ছায়া, আশ্রয়,সবুজ ফসল, সবজি, ফুল, ফল, ইত্যাদি উপহার দেয়, আমরা মানুষ সেখানে বাস করি বহু বছর ধরে এবং গাছ কাটি, আমরা  নদীকে দূষিত করি, জমিকে দূষিত করি, উদ্ভিদকে, নদীকে মেঘকে এর ক্ষতি পূরণ কে দিয়েছে ? নদীকে মেঘকে উদ্ভিদকে তাদের কঠোর পরিশ্রমের মূল্য কে দি? আমরা মানুষ সামান্য কারও  উপকার করে বলি—“অনেক করেছি,কিন্তু বিনিময়ে কি পেলাম?”

তাই, কেউ  আপনাকে খারাপ বললেও  আপনি মন  খারাপ করবেন  না, অভিশাপ দিলেও ভয়  করবেন না,কিন্তু ,আপনি শত্রু মিত্র সবার জন্য ঈশ্বরের কাছে  মঙ্গল কামনা করবেন। তাই, আমাদের জীবনে পড়ে গেলে ক্ষতি নেই। কিন্তু পড়ে গিয়ে আবার জীবনে উঠে দাঁড়ানো, ঘুরে দাঁড়ানোই জীবন। হার মানা চলবেনা।আমাদের প্রত্যেকের সর্ব্বদা স্মরণ রাখা প্রয়োজন, আমাদের কথা ও ব্যবহার  মিত্রকে শত্রু ও আপনকে পর করে, আবার কথা ও ব্যবহারই শত্রুকে মিত্র, পরকে আপন করে। নীরবতা এবং হাসি দুটোই জীবনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়। হাসি যেমন সমস্যা মেটাতে সাহায্য করে, নীরবতা সেই সমস্যাগুলিকে এড়িয়ে চলতে শেখায়।আবার,রেগে গিয়ে চিৎকার করে কথা বলা মানুষের মন সরল হয়, কিন্ত যারা রেগে গেলে ও হাসি হাসি মুখে চলাফেরা করে তারা শয়তানের থেকেও ভয়ংকর হয়।
কারণ,*মানুষের জীবনী একধরনের সাহিত্য যা কোন মানুষের জীবনের উপর লেখা হয়। জীবনী কখনও কাল্পনিক হয় না। দোষ-গুন,ভালো-খারাপ  মানুষের  সব দিয়েই জীবনী হয়।প্রতিদান, বিনিময়ে দিয়ে নয়।*

তাই, পৃথিবীতে সবথেকে কঠিন কাজ মানুষকে খুশি রাখতে পারা, কারণ, মানুষের সামান্য একটু স্বার্থে আঘাত লাগলেই, পূর্বের সব উপকারের কথা মানুষ ভুলে যায়।এই সুন্দর প্রকৃতি ও মানুষকে খুশি রাখতে পারে নি? আমরা মানুষ ভয়ংকর স্বার্থপর। কোন কোন সময় খুব ভয় পেলে একা ঘরে  আছেন ভাববেন না, তখন ভেবে নেবেন আপনার  পাশে সবসময় দুই জন থাকেন  ভগবান আর শয়তান , আপনি  যাকে বেশি পছন্দ করবেন  সেই আপনার  পাশে থাকবে, আপনার  ভালোবাসার উপর নির্ভর করবে সেটা কে? ভগবান না শয়তান আপনার পাশে আছেন।সেটা, আপনার অনুভবের, ভাবনার, ভালোবাসার উপর নির্ভর করবে। দান প্রতিদান এর উপর নয়।

আমরা এই সুন্দর পৃথিবীতে কতটুকু বাঁচবো আর কতদিনই বা বাঁচবো ? টিক টিক করে করে সেকেন্ড, মিনিট, ঘন্টা দিন,রাত কিন্তু চলে যাচ্ছে! মৃত্যু খুব সন্তর্পণে এগিয়ে আসছে! এতো অল্প দিনের জীবনে হিংসা, বিদ্বেষ, রাগ, অভিমান, উষ্কানী মূলক কাজ-কর্ম, সম্পত্তি নিয়ে রেষারেষি, ঘৃণা, কষ্ট, মন খারাপ,এই সব ব্যাপার স্যাপার গুলোতে দয়া করে কেউ সময় নষ্ট করবেন না। ভালো বই পড়ুন, রাত জেগে আকাশ দেখুন, ভোরের সূর্যোদয় দেখুন, নদীর ঢেউ অনুভব করুন, প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত একজন মানুষকে ভালো থাকার জন্য সাহায্য করুন, সন্ধ্যায় পাখিরা কিভাবে ঘরে ফেরে দেখুন, পৃথিবী কতো সুন্দর সেটা অনুভব করুন, নি:শ্বাস কতোটা সুন্দর সেটা অনুভব  করুন,  ভগবান, স্রষ্টাকে স্মরণ করুন। কোনও প্রতিদান, বিনিময়, চাওয়া পাওয়ার প্রয়োজন হবে না।

কারণ,*অন্যায় করলে আমাদের শাস্তি হবেই,পাপ বাপকে ও  ছাড়েনা, এই জন্মের পাপ এই জন্মেই ভোগ করে যেতে হবে, সে আপনি  যত বড়োই হওন না কেনো ।*  তাই ,*মনের গোপনে একটি সুন্দর সুরভিত ফুল রেখো মনে মনে, দলে দলে আসবে প্রজাপতি মনের বাগানে, দেখো মনটি মুহূর্তে পরিণত হবে সুরভিত ফুলের বাগানে।* তাই, বিনিময়, প্রতিদান, চাওয়া পাওয়ার বাসনা থেকে যে মানুষ নিজেকে  দুরে রাখতে পারবেন, মনে রাখবেন, সুন্দর  মূল্যবান  মনুষ্য  জীবনে এই পৃথিবীতে তিনি আসল শান্তি-সুখের জগতে প্রবেশ এর পথ খুঁজে পেলেন।
জগৎগুরু ভগবান স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজের শুভ ও মঙ্গলময় আশির্বাদ সকলের শিরে বর্ষিত হোক! এই প্রার্থনা করি…***
ওঁ গুরু কৃপা হি কেবলম্ ….!
স্বামী আত্মভোলানন্দ

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

মাদার তেরেসার  ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ সালে ইহধাম ত্যাগ করে দিব্যধামে পদার্পণ করেন। মহীয়সী এই ব্যক্তিত্বের মৃত্যু দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে জাতিসংঘের ২০১২ সালের ১৭ ডিসেম্বর সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন নং- এ/আরইএস/৬৭/১০৫: খসড়া এ/৬৭/এল.৪৫ ধারায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস পালনের ঘোষণা দেয়।

 

আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস হল একটি আন্তর্জাতিক দিবস যা প্রতি বছর ৫ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়।  এটি ২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের দ্বারা ঘোষণা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য হল সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং সারা বিশ্বে ব্যক্তি, দাতব্য, জনহিতকর ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির জন্য তাদের নিজস্ব জন্য দাতব্য সংক্রান্ত কার্যকলাপের জন্য একটি সাধারণ প্ল্যাটফর্ম প্রদান করা  স্থানীয়, জাতীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্দেশ্য।

আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবসটি ২০১১ সালে হাঙ্গেরিয়ান পার্লামেন্ট এবং সরকার দ্বারা সমর্থিত একটি হাঙ্গেরিয়ান নাগরিক সমাজের উদ্যোগ হিসাবে কল্পনা করা হয়েছিল, দৃশ্যমানতা বাড়ানোর জন্য, বিশেষ ইভেন্টগুলি সংগঠিত করতে এবং এইভাবে সংহতি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং দাতব্যের জন্য জনসমর্থন বৃদ্ধি করতে।
5 সেপ্টেম্বর কলকাতার মাদার তেরেসার মৃত্যু বার্ষিকীকে স্মরণ করার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল, যিনি ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন “দারিদ্র্য এবং দুর্দশা কাটিয়ে ওঠার সংগ্রামে গৃহীত কাজের জন্য, যা শান্তির জন্য হুমকিস্বরূপ।”
১৭ ডিসেম্বর ২০১২-এ, হাঙ্গেরির একটি প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়ায়, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৫ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস হিসেবে মনোনীত করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে।  রেজোলিউশনটি ৪৪টি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র (আলবেনিয়া, অ্যাঙ্গোলা, অস্ট্রেলিয়া, বেলারুশ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, কম্বোডিয়া, চিলি, ক্রোয়েশিয়া, ডোমিনিকান রিপাবলিক, ইরিত্রিয়া, এস্তোনিয়া, জর্জিয়া, হরিয়া, উং-ডুয়ে-এ, উং-ডুয়ে-এ, জর্জিয়া-তে সহ-স্পন্সর করেছে।  , আয়ারল্যান্ড, ইসরায়েল, ইতালি, জর্ডান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাটভিয়া, লেবানন, লিথুয়ানিয়া, লাক্সেমবার্গ, ম্যাসিডোনিয়া, মাদাগাস্কার, মাল্টা, মন্টিনিগ্রো, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, সাইউব কোরিয়া, সাইউব কোরিয়া, রোপনিয়ার কোরিয়া , সিঙ্গাপুর, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া  , থাইল্যান্ড, তুরস্ক, ইউক্রেন) জাতিসংঘের পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপের প্রতিনিধিত্ব করে।
তার রেজোলিউশনে, সাধারণ পরিষদ সদস্য রাষ্ট্র, জাতিসংঘ ব্যবস্থার সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থা, স্টেকহোল্ডারদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের এনজিওগুলিকে দাতব্য প্রতিষ্ঠানকে উত্সাহিত করে একটি উপযুক্ত পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস উদযাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে, শিক্ষা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম সহ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৫ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৫ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  শিক্ষক দিবস (ভারত)

(খ) আন্তর্জাতিক দাতব্য দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২১ – খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি কার্টুনিস্ট রেবতীভূষণ ঘোষ।

১৯২৯ – মোহিনী চৌধুরী খ্যাতনামা বাঙালি কবি, গীতিকার ও চিত্র পরিচালক।

১৯৩৯ – জর্জ লেজনবি, অস্ট্রেলীয় অভিনেতা ও সাবেক মডেল।

১৯৪০ – রাকেল ওয়েলচ, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা।

১৯৫১ – মাইকেল কিটন, মার্কিন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক।

১৯৫২ – বিধু বিনোদ চোপড়া, ভারতীয় চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, ও অভিনেতা।

১৯৫৪ – রিচার্ড অস্টিন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার।

১৯৭০ – মোহাম্মদ রফিক, বাংলাদেশী ক্রিকেটার।

১৯৭৯ – আয়ান আলি খান, ভারতীয় শাস্ত্রীয় যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী (সরোদিয়া)।

১৯৯১ – ইমরান মাহমুদুল হক, বাংলাদেশি সংগীত শিল্পী।

১৮৮৮ – ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ আদর্শ শিক্ষক দার্শনিক ও ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি ও দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ।

১৭৭৪ – ডেভিড ফ্রেডরিখ, জার্মান চিত্রকর, ক্যাস্পার।

১১৮৭ – অষ্টম লুইস, ফ্রান্সের রাজা।

৬৯৯ – ইমাম আবু হানিফা, ইরাকি বিশেষজ্ঞ এবং ইসলামী ব্যক্তিত্ব।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – টাভালু জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯০৫ – রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯১০ – ১৫৭ টি গান ও কবিতার সংকলন গীতাঞ্জলি প্রথম বাংলায় প্রকাশিত হয়।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

১৯৬০ – রোম অলিম্পিক আসরে মোহাম্মদ আলী বক্সিংয়ে স্বর্ণপদক লাভ করেণ।

১৯৬২ – ভারতে শিক্ষক দিবস উদ্‌যাপন শুরু হয় ।

১৯৭১ – বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শহীদ হন।

১৯৭২ – মিউনিখ গণহত্যা; ব্লাক সেপ্টেম্বর নামক একটি প্যালেস্টাইন স্বাধীনতাকামী দল মিউনিখ অলিম্পিক গেমসে ১১ জন ইসরায়েলিকে হত্যা করে।

১৭৬২ – ব্রিটিশ বাহিনী বাজমহলের কাছাকাছি উদয়নালায় মীর কাসিমকে পরাজিত করে।

১৭৬৩ – ব্রিটিশ বাহিনী বাজমহলের কাছাকাছি উদয়নালায় মীর কাশিমকে পরাজিত করে।

১৬১২ – চারটি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নৌবাহিনী গঠন।

১৬৬৬ – লন্ডনের অগ্নিকান্ডের সমাপ্তি। তিনদিন যাবৎ চলা এই অগ্নিকান্ডে ১০০০০ বাড়ি পুড়ে যায়। এতে প্রায় ১৬ জনের প্রাণহানি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – সাইফুর রহমান, বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ।

২০১৬ – লিন্ডসে টাকেট, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯০৮ – অর্ধেন্দুশেখর মুস্তফি , বাঙালি অভিনেতা, নাট্য লেখক এবং মঞ্চ ব্যক্তিত্ব।

১৯৩০ – নিরালম্ব স্বামী, প্রকৃত নাম যতীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ ঘোষের সহযোগী ভারতের জাতীয়তাবাদী স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৭১ – বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।

১৯৭৪ – আব্দুল আলীম, লোক সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী।

১৯৭৫ – আব্দুল আলীম, লোক সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী।

১৯৯৫ – সলিল চৌধুরী খ্যাতনামা ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক, গীতিকার, সুরকার এবং গল্পকার।

১৯৯৭ – মাদার তেরেসা, আলবেনীয় ভারতীয় মিশনারী শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৮৫৭ – অগুস্ত কোঁত, ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী।

১৮৫৯ – শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী সুলেমান বন্দরনায়েক নিহত।

১৭৮৬ – পর্যটক জন হ্যানয় , ইংরেজ ব্যবসায়ী।

১৫৬৬ – তুর্কী সুলতান সোলাইমান আজম।

১১৬৫ – নিযো, জাপানের সম্রাট।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

৪ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৪ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – প্রেমেন্দ্র মিত্র,কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্য-ব্যক্তিত্ব।

১৯০৬ – ম্যাক্স ডেলবুর্ক, নোবেল বিজয়ী জার্মান চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞানী।

১৯০৮ – আমেরিকান প্রখ্যাত কৃষ্ণাঙ্গ লেখক রিচার্ড রাইট।

১৯১৭ – হেনরী ফোর্ড দ্বিতীয়, মার্কিন শিল্পপতি।

১৯২৭ – জন ম্যাকার্থি, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।

১৯৩১ – মিট্‌জি গেনর, মার্কিন অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী।

১৯৩৩ – রিচার্ড এস. কাস্তেলানো, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৩৪ – ক্লাইভ গ্রেঞ্জার, নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ

১৯৩৮ – লিওনার্ড ফ্রে, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৫২ – ঋষি কাপুর, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক এবং পরিচালক ।

১৯৫৪ – সাবিনা ইয়াসমিন, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৭১ – ল্যান্স ক্লুজনার, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৮২৫ – ভারতের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ দাদাভাই নওরোজি।

১৮৪৬ – ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম, মার্কিন স্থপতি।

১৮৮০ – ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, সমাজতান্ত্রিক ও গবেষক।

১৮৯০ – এস ওয়াজেদ আলী, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৯৪ – জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ,ভারতীয় বাঙালি রসায়ন বিজ্ঞানী শিক্ষক ও উদ্ভাবক।

১৫১৪ – বিখ্যাত ফরাসী ভাস্কর ‘জন গুজান’।

১৫৬৩ – ওয়াংলি, চীনা সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৪ – ব্রিটিশদের সঙ্গে দালাই লামার বাণিজ্যিক চুক্তি হয়।

১৯০৯ – লন্ডনের কাছে ক্রিস্টল প্যালেপে বিশ্বের প্রথম বয় স্কাউট র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

১৯১১ – বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩০- লন্ডনে কেম্ব্রিজ থিয়েটার চালু হয়।

১৯৩২ – ভিয়েনায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৪০ – ব্রিটেনের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি সৈন্যরা ওয়েক দ্বীপে আত্মসমর্পণ করে।

১৯৫৬- আই বি এম THE IBMRAMAC305 নামক কমপিউটর বাজারে আনে যেটা চৌম্বকীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

১৯৭২ – মিউনিখের অলিম্পিক গণহত্যা, ইসরাইলী অ্যাথলেটদের প্যালেস্টাইনীরা জিম্মি করে।

১৯৮৭ – রাজস্থানে অষ্টাদশী রূপ কানওয়ার ‘সতী’ হবার জন্য স্বামীর চিতায় জীবন্ত দগ্ধ হয়।

১৯৯৫ – বেজিংয়ে ১৮০টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে চতুর্থ বিশ্ব নারী সম্মেলন শুরু হয়।

১৮৩৩ – সংবাদপত্র বিতরনের জন্য বাচ্চা ছেলে নিয়োগ করা হয়।

১৮৬৬ – হাওয়াইতে প্রথম সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়।

১৮৭০ – ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়নকে অপসারণ করে তৃতীয় প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।

১৮৮২- মার্কিন বিজ্ঞানী এডিসন বিদ্যুৎ বিতরন ব্যবস্থা আবিষ্কার করেন।।

১৮৮৫- নিউ ইয়র্কে প্রথম ক্যাফেটারিয়া চালু হয়।

১৮৮৮- জর্জ ইস্টম্যান ক্যামেরার রোল ফিল্ম প্যাটেন্ট করেন।

১৮৯৪ – নিউইয়র্ক শহরে ১২,০০০ দর্জি ধর্মঘট করে।

১৪৯২ – ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অভিমুখে যাত্রা করেন।

১২৬০ – ক্যালিফোর্নিয়া, লস এঞ্জেলেস প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪৭৬ – সর্বশেষ পশ্চিমা রোমান সম্রাট রোমুলাস অগাস্টাস ক্ষমতা হারান। তখন ওডোয়াসের (Odoacer) নিজেকে ইতালির রাজা ঘোষণা করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৩ – জগন্ময় মিত্র,ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

২০০৪ – বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও প্রযোজক বীরেশ্বর সরকার।

২০০৬ – স্টিভ আরউইন, অস্ট্রেলীয় প্রকৃতিবাদী ও টিভি ব্যক্তিত্ব

২০১১ – অজিত রায়, বাংলাদেশী সংগীতশিল্পী, সুরকার ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগঠক

২০১২ – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ, একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক।

২০২২ — গাজী মাজহারুল আনোয়ার, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, সুরকার, ও গীতিকার।

১৯৫৭ – অমরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী।

১৯৬৪ – লোকনাথ বল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী এবং সূর্য সেনের সশস্ত্র বিপ্লবী।

১৯৬৫ – জার্মান দার্শনিক আলবার্ট সুইৎসার।

১৯৭৮ – সাংবাদিক ও লেখক মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ।

১৯৮৯ – ফ্রান্সের লেখক জ র্জেস সিমেনন।

১৭৬৭ – ইংরেজ রাজনীতিক চার্লস টাউনশিপ।

১০৬৩ – পারস্য ও বাগদাদ বিজয়ী তঘরুল।

৭৯৯ – শিয়া ইমাম মুসা আল কাজিম।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This