Categories
কবিতা

নদীর কথা : শীলা পাল।

আমি জল ছলছল ছোট্ট
একটি নদী
এক আকাশ বিষাদ মেখে আশ্বিন এসে আমার সামনে এসে দাঁড়ায়।
আমি ছোট নদীটি
আপনমনে মনের সুখে ভেসে যাই স্রোতের টানে।
গাছগাছালির মধুর হাওয়া
আমার গায়ে আপনজনের দোলা মাখিয়ে আদর করে,
পাখিরা গান শুনিয়ে মনের মাঝে ঢেউ তুলে যায়।
এই শরতে এ কেমন মনখারাপী হাওয়া আমার প্রাণে এসে বাজলো
‘বিচার চাই বিচার চাই ‘
আমার চলার স্রোতের রঙ
রক্তের মত লাল হয়ে যেন বললো, দ্যাখ শারদীয় আকাশে রক্তমাখা মুখ ভাসে তাই তোমার জলেও
সেই রঙ।
এত অবিচার?
আমি ছোট নদী তবু আমার জলের তরঙ্গে তরঙ্গে ধিক্কার ছড়িয়ে দিলাম পৃথিবীর সর্বত্র।

Share This
Categories
কবিতা

নদীর কথা : শীলা পাল।

আমি জল ছলছল ছোট্ট
একটি নদী
এক আকাশ বিষাদ মেখে আশ্বিন এসে আমার সামনে এসে দাঁড়ায়।
আমি ছোট নদীটি
আপনমনে মনের সুখে ভেসে যাই স্রোতের টানে।
গাছগাছালির মধুর হাওয়া
আমার গায়ে আপনজনের দোলা মাখিয়ে আদর করে,
পাখিরা গান শুনিয়ে মনের মাঝে ঢেউ তুলে যায়।
এই শরতে এ কেমন মনখারাপী হাওয়া আমার প্রাণে এসে বাজলো
‘বিচার চাই বিচার চাই ‘
আমার চলার স্রোতের রঙ
রক্তের মত লাল হয়ে যেন বললো, দ্যাখ শারদীয় আকাশে রক্তমাখা মুখ ভাসে তাই তোমার জলেও
সেই রঙ।
এত অবিচার?
আমি ছোট নদী তবু আমার জলের তরঙ্গে তরঙ্গে ধিক্কার ছড়িয়ে দিলাম পৃথিবীর সর্বত্র।

Share This
Categories
কবিতা

কামনা : শীলা পাল।

যদি আমি দ্রৌপদী হতাম
পঞ্চ স্বামী কখনও চাইতাম না।
এতো মন রেখে কতো বুঝে শুনে
প্রতি পদে পদে সমঝোতা করা
নৈব নৈব চ।
শুধু আমার থাকতো প্রিয় সখা
মৃদু হেসে ভালোবেসে ডাকবে এসে
সখী ভালো আছো?
হাতে নিয়ে বাঁশি
বাজাবে আসি
মনে মনে তারে
দেব ভালবাসি
যা আছে দেওয়ার আমার ।
সুখে দুঃখে পাশে
মুহূর্তে দাঁড়াবে এসে
শুধাবেআমায়
সখী কি হয়েছে তোমার ।
আমার বেদনা যতো
নিয়ে নেবে নিজ বুকে
আমি যেন থাকি সুখে।

অলীক ভাবনা জানি
তবু তাহা প্রকাশে আনি
জানালাম নারীর কামনা খানি।

Share This
Categories
কবিতা

নদীর কথা : শীলা পাল।

আমি জল ছলছল ছোট্ট
একটি নদী
এক আকাশ বিষাদ মেখে আশ্বিন এসে আমার সামনে এসে দাঁড়ায়।
আমি ছোট নদীটি
আপনমনে মনের সুখে ভেসে যাই স্রোতের টানে।
গাছগাছালির মধুর হাওয়া
আমার গায়ে আপনজনের দোলা মাখিয়ে আদর করে,
পাখিরা গান শুনিয়ে মনের মাঝে ঢেউ তুলে যায়।
এই শরতে এ কেমন মনখারাপী হাওয়া আমার প্রাণে এসে বাজলো
‘বিচার চাই বিচার চাই ‘
আমার চলার স্রোতের রঙ
রক্তের মত লাল হয়ে যেন বললো, দ্যাখ শারদীয় আকাশে রক্তমাখা মুখ ভাসে তাই তোমার জলেও
সেই রঙ।
এত অবিচার?
আমি ছোট নদী তবু আমার জলের তরঙ্গে তরঙ্গে ধিক্কার ছড়িয়ে দিলাম পৃথিবীর সর্বত্র।

Share This
Categories
কবিতা

রিজার্ভেশন বাতিল করার বিষয়ে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য: ভারতে ইতিবাচক পদক্ষেপের জন্য ‘একটি হুমকি’।

Share This
Categories
কবিতা

মনের মানুষ গুরু মহারাজ : রাণু সরকার।

ঘুরিফিরি একতারা হাতে,
বুলি চলে তরঙ্গের সাথে,
অন্তরঙ্গ বন্ধু টুং টাং
চায় বাজতে।

নদীর ঘাটে বসে,
তাকিয়ে থাকি উদাস মনে,
পড়বো তার শ্রীচরণে,
দেখা যদি পাই কোনক্রমে।

ঘুম আসে না রাত্রি হলে,
তাকিয়ে থাকি জানালা খুলে,
সকালসন্ধ্যা জপি তারে,
আসে না সে আমার দ্বারে।

দূর হতে দেখি তারে অস্পষ্ট চোখে,
পাষাণ সে আসে না তবু আমার সম্মুখে।

ওগো, আমার মনের মানুষ
আমি দেখতে চাই তোমায়!
তোমার দেখা না পেলে প্রাণের
পাখি যাবে উড়ে
খাঁচাটি মিশবে কালো ধোঁয়ায়।

প্রাণপাখি যাবো যাবো করছে
স্বজনেরা কে কোথায় আছো
এসো কাছে,
মনের মানুষ,স্মরণ করিয়ে দিও
তোমার নাম মনে করে,
অতি কষ্টে খাঁচার মায়া ত্যাগ করে
পাখি দিলো উড়াল খাঁচা চললো
পালকি চড়ে।

সোনার খাঁচা পুড়ে হলো এক মুঠো ছাই,
কিছু ভুল ছিলো হয়তো আমার দেখা দিলো না তাই।

Share This
Categories
কবিতা

মানবিকতা : রাণু সরকার।

অন্ধকূপে ডুবে যাচ্ছে মানবিকতা,
খুঁজে পাওয়া যাবে না ভবিষ্যতে পরিমাপন যন্ত্রের সাহায্যেও,
অধঃপতিত অবস্থায় এখন বর্তমান,
সংকটের বন্ধনে আছে আবদ্ধ।

মানব জীবনের সম্মুখে সংকটকাল-
জীবন্ত মানুষ ঘুরে বেড়ায় মৃত্যুর দরবারে,
গোপন পথেও চলছে প্রতারণা,
হারিয়ে ফেলছে সভ্যতার অঙ্গীকার।
মানুষের পরিচয় দিতে কষ্ট হয়-
নব প্রজন্মের কাছে,
বারেবারে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

মানবিকতা এখন ক্ষতবিক্ষত,
কারাবন্দি অবস্থায় জানা নেই তার গন্তব্যস্থল,
ঠায় দাঁড়িয়ে তাই দিন গোনে মুক্তির।
তবে, মুক্তি কি পাবে মনে সংশয় জাগে।

Share This
Categories
কবিতা

চির তরুণী : রাণু সরকার।।

ঊর্ধ্বে অসীম আকাশকুসুম-
প্রকৃত প্রেমের পাত্র,
নিম্নে বিপুলায়তন ভূখণ্ড-
যেন মনে হয় চির তরুণী
এক রমনী,
বহুদূরের অতীত থেকে নিগড়
প্রেমনদীর দিশেহারা ভাব,
আঁধারে চলে তাদের দুর্দমনীয়
রসজনিত শৃঙ্গার,
তখন ধরিত্রী হয়
রজঃস্বলা-
নিঃশব্দে অন্যের অলক্ষ্যে
অঙ্গবিক্ষেপ করে গোপনে।

তখন ধরাধাম বৃষ্টিমুখর–
তাদের যৌনমিলনে
গড়ে ওঠে প্রাণিজগৎ,
সৃষ্ট হয় জীবজগতের ধারণকারী মেদিনী-
তিনি হলেন পালিকা ধরিত্রী মাতা।

Share This
Categories
কবিতা

তৃষ্ণালু ::: রাণু সরকার।।

বশীকৃত এ মন কিসের ছলনে
হলো মতিভ্রংশ,
ইতস্তত ভ্রমণে দেখেছি বহুবিচিত্র
বর্ণের সমারোহ।

হায় রে- তটিনী তুমি গর্ভিণী,
এই তো বিহান বেলায় ছিলে
ঋতুমতী!
স্নেহদৃষ্টি আছে পরিপূর্ণ কিন্তু
বড্ড তৃষ্ণালু-
কোন ঘাটে মিটবে সম্ভোগ?
ক্ষরণশীল হলে রসসম্ভোগে
হতো পরিতৃপ্ত!

Share This
Categories
কবিতা

মন :: রাণু সরকার।।

মন থাকে অন্দরমহলে অন্তঃপুর
তার মনঃপূত স্থান,
প্রতীতিকে আলিঙ্গন করে থাকে
ভাবনার স্বপ্নাবেশ।

মনস্তাপ ও ক্লেশ সে তো নিজেরই
থাকে,
এদের বারংবার অনুরোধ উপরোধ
অন্তরের কাছে হয় বোঝা।

ভারবাহী অন্তর সহ্যশক্তি হারিয়ে সে
তখন কম্পমান,
তখন ত্যাগপূর্বক দেবতার শ্রীচরণে করে সমর্পণ।

Share This