শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়া কিছু পুরুষ আছে তারা কখনোই জানেন না –
একটি রাত না ঘুমানোর কষ্ট কত গভীর হতে পারে একটি নারীর-
নিঃশব্দে কাঁদা চোখ জোড়া প্রতিদিন
ভোর দেখে- তারপর হাসিমুখে সংসারের
প্রতিটি কাজ সামলায়–
এটাই বুঝি একজন নারীর নীরব ত্যাগ।
আসবে তুমি-
আমার জীবনের যুদ্ধক্ষেত্রে?
পথটা কিন্তু রক্তরঞ্জিত ভীতিপ্রদ বেদনাবহ,
দিন কাটে যন্ত্রণাগ্রস্ত।
রাত? সে তো নিস্তব্ধ কৃষ্ণবর্ণের ভস্ম!
পারবে তুমি আসতে?
সর্বাঙ্গ চূর্ণবিচূর্ণ–
পারবে এই হৃদয় স্পর্শ করতে?
তোমার উপস্থিতি-
এই গহন রাত তোমার উপস্থিতি কাম্য!
অসবে তুমি রক্তরঞ্জিত যুদ্ধক্ষেত্রে?
দামোদর ব্যারেজে সকাল১০ টা,আমরা নেমেছি একটু চা জলপানের জন্য,জল,চা খেলাম,সঙ্গে উপাদেয় চপ ও মুড়ি,পাশে তপন সেনের পানের দোকান,পান খেলাম।
তপনদার সঙ্গে কিছু গল্প হলো,তখন কুয়াশার চাদরের দফারফা করছে সূর্য,পান বেচে তপনদার মাসিক ৫০০০আয়ে ৪জনের চলে;খাদ্যসাথী প্রকল্প আছে।
আমাদের গাড়ি বাঁকুড়ার দিকে,
সংসদ সেমিনার যাব,এখানে ফিতা বিখ্যাত,কিনবো,কিন্তু বিনা পয়সায় কিনলাম তপনদার মন,তপনদাও তাই,
চরাচরে তখন বিরাজমান শান্তি।
এটাই পশ্চিমবঙ্গ,এখানে মা মাটি মানুষের প্রাণ,এখানে মণিপুর,বাংলাদেশের নির্মমতা নেই, জঙ্গলের পাশ দিয়ে গাড়ি চলছে,জানালা দিয়ে মিষ্টি হাওয়া মুখ ছোঁয় প্রেমের আভা,দামোদরও মমতাময়।
————-
যে দেয়াল চেপে ধরে শ্বাস,
আমি সেই দেয়াল ভাঙব আজই—
রক্তের ভেতর জ্বলে ওঠা আগুন
দমাতে পারে কারা, বলো, কই?
যে হাত করে শৃঙ্খল শক্ত,
আমি সেই হাতেই আগুন ধরাব—
এক ফোঁটা অন্যায়ের ছায়াও যদি পড়ে,
মাটি কাঁপিয়ে উত্তর দেব, দাঁড়াব।
শব্দ চুরি ক’রে নেবে?
শ্বাস আটকে রাখবে?
না—আমার বুকের ভেতর বজ্র গর্জে ওঠে,
যে গর্জন থামানোই যায় না, রেখে।
আমি জন্মেছি শুধু বাঁচতে নয়,
লড়তে—ভাঙতে—নতুন পথ বানাতে।
অতীতের কাঁটাঝোপ পুড়িয়ে
সকালের আলো নিজেই জ্বালাতে।
যারা ভেবে বসে ভয় দেখালে থেমে যাব,
তাদের ভুল ভাঙবে আজই—
আমার চোখের আগুন দেখে
তারাই শিখবে বিদ্রোহ কাকে বলে, ঠিক আজই।
গোয়া মানেই সাধারণত পার্টি, সঙ্গীত আর ভিড়ভাট্টার সমুদ্রসৈকত। কিন্তু যারা ভিড়ের কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে প্রকৃতির শান্ত সান্নিধ্যে কিছুটা সময় কাটাতে চান, তাদের জন্য মরজিম বিচ এক স্বর্গীয় স্থান। উত্তর গোয়ার এই সমুদ্রতট পরিচিত তার শান্ত পরিবেশ, সাদা বালি, নারকেলগাছের সারি এবং অনন্য জীববৈচিত্র্যের জন্য।
মরজিম বিচ গোয়ার আশেপাশের আরামবোল ও আশভেম বিচের কাছাকাছি, উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত। এটি বিদেশি পর্যটকদের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয়, বিশেষত রাশিয়ান পর্যটকদের জন্য এটি “লিটল রাশিয়া” নামে খ্যাত।
মরজিম বিচের অন্যতম আকর্ষণ হলো অলিভ রিডলি কচ্ছপ (Olive Ridley Turtles)। প্রতি বছর শীতকালে এই সমুদ্রসৈকতে কচ্ছপেরা এসে ডিম পাড়ে। স্থানীয় প্রশাসন ও পরিবেশ সংরক্ষণ সংগঠনগুলির প্রচেষ্টায় এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা হয়।
পর্যটকরা সুযোগ পেলে এই বিস্ময়কর দৃশ্য প্রত্যক্ষ করতে পারেন, তবে কচ্ছপের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিয়ম মানা অত্যন্ত জরুরি।
মরজিম শুধু কচ্ছপ নয়, এটি বিরল প্রজাতির পাখিদেরও আবাসস্থল। বিশেষত শীতকালে এখানে বিভিন্ন অভিবাসী পাখি যেমন – কিংফিশার, প্লোভার, স্যান্ডপাইপার প্রভৃতি দেখা যায়। তাই প্রকৃতিপ্রেমী ও পাখি পর্যবেক্ষকদের জন্য মরজিম এক অনন্য গন্তব্য।
মরজিম বিচে পর্যটকরা নানা ধরনের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন –
মরজিম বিচে প্রচুর বিচ শ্যাক ও ক্যাফে রয়েছে। এখানে –
সৈকতের ধারে বসে সাগরের ঢেউয়ের শব্দ শুনতে শুনতে খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতা একেবারে অন্যরকম।
গোয়ার মরজিম বিচ হলো শান্তিপ্রেমী ভ্রমণকারীদের জন্য এক স্বর্গ। এখানে নেই অযথা কোলাহল, নেই অতিরিক্ত ভিড়—আছে শুধু প্রকৃতি, সমুদ্র, পাখি আর কচ্ছপের আবাস। যারা কিছুটা নিভৃত, প্রকৃতিনির্ভর ভ্রমণের খোঁজ করছেন, তাদের জন্য মরজিম বিচ এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।
তোমার চোখে দেখি আমি অদ্ভুত এক নদী,
সেখানে ঢেউ উঠে শুধু আমার নাম খোদাই করে।
নীরব আকাশে হঠাৎ ঝরে তারার দল,
তোমার স্পর্শে যেন চাঁদ ডাকে রাতভর।
তোমার হাসি আমার হৃদয়ের একমাত্র গান,
যেন বসন্তের হাওয়া ছুঁয়ে যায় প্রাণ।
তোমার নীরবতা আমার কাছে অমূল্য রতন,
যেন পূর্ণিমার রাতে ভিজে থাকা বন।
তুমি আছো বলেই জীবন এত রঙিন,
তুমি ছাড়া আমি যেন অসমাপ্ত দিন।
প্রতিটি ভোরে সূর্যের আলোয় করি প্রতিজ্ঞা —
ভালোবাসব তোমায় যতদিন থাকবে প্রজ্ঞা।
ঘুমোলেই স্বপ্নেরা করে আমায় তাড়া,
শয্যা ত্যাগ করা মাত্রই জীবনটা হয় বাঁধনছাড়া।
চোখ মেলে দেখি বাস্তবতার সাথে করে সবাই গুঞ্জরণ,
দুঃখ-কষ্টের বাসস্থান কোথায়- কেউ কী জানেন?
দেখাই অতিশয় ব্যস্ততা তাই তাকিয়ে চলি সবার
দিকে সবাই,
কথা বলার সময়ের ভীষণ যে অভাব,
নিজের পথে চলাটা পছন্দ এটাই হলো আমাদের
স্বভাব।
হৃদয় হলো দুঃখের সাগর-ঝরে অশ্রুবর্ষণ রূপে
আসে যায় না কারোর কিছুই বন্দী তো সবাই অন্ধকূপে।
সাফল্যতায় আমাদের চোখ গেছে ধাঁধিয়ে
ভালো চিন্তা করতে গেলে ইন্দ্রিয় গুলো যায় হারিয়ে।
কারাগারে চেতনা রেখে চলছে সবাই গা ভাসিয়ে,
দেখায় কেমন দেখো যেন চিন্তায় বিভোর-
করতে কি পারলে কিছু তোমার সব চিন্তা দিয়ে?
সহ্য করা যাচ্ছে নারে আর ভাই-অভিনয়ের
স্বপ্ন মেলা
অনেক তো হলো এবার থামাও-হাস্যকর সব
অভিনয়ের খেলা খেলা–
দেখতে চাই-সবাই যেন থাকে দুধে ভাতে-
দেখো দেখো-চলেযাচ্ছে কেমন পাশ কাটিয়ে
হোক না সবার কার্যসিদ্ধি তবে নিজের
ভালো নয় ভেস্তে দিয়ে-
সকলের জীবন সকলের মত ভাই-আমার জীবন থাক আমার হয়ে।
দেখোনা ভাই আর চলার ফাঁকে
কি তুমি পেলে-কত টুকু দিলে কাকে?
জীবনের চলার পথে পেলাম তো অনেক
কিছু
হারিয়েছে অনেক-তবু ছুটি কেনো মৃগতৃষ্ণার পিছু?
শেষ জীবনে ভালোবেসে দেখবে চোখে ঠুলি আঁটা
করার কিছু থাকবেনা আর ভাই অর্থহীন সব শূন্যতাটা।
অনেক দিন ওপাড়ে আঁধারে ছিলাম নিমজ্জিত,
কতদিন আর থাকা যায়-
তাই সময় বললো এপাড়ে আসতে,অনেক কাজ নাকি বাকি আছে- একরকম জোর করেই পাঠালো-
এলাম এক গোধূলিলগ্নে,
স্রোতের প্রবল বেগে ফেললো এপাড়ে।
কপালে কি যে লিখেছিলো বোঝার উপায় নেই,
চোখ দুটি তো কপালের নিচে কিকরে বুঝবো?
একে তো প্রচ্ছদে ঢাকা আবার সদ্যোজাত, কিকরে
বুঝবো কপালে কী আছে তখন কিছুই বুঝিনি।
তরর্জনীর ছাপ ছিলো বুঝলাম মন্থর গতিতে এতো বছর পর, আমাকে শাসানো হচ্ছে।
তোমার যতোটুকু কাজ ততটুকু করে তাড়াতাড়ি
ফিরে আসবে মায়া- মমতার সাথে বেশি বন্ধুত্ব করবে না, আসতে কষ্ট পাবে।
আমি বললাম এইতো এলাম রাতকে পিছে ফেলে
এখনো চোখেমুখে ক্লান্তির ঘোর কাটেনি এখনি
ফিরবো? তরর্জনীর সংকেত দিয়েই তো পাঠালাম
তুমি রাজি হলে, বললে ডাক দিলেই এক ছুটে চলে আসবে- ঠিক আছে ডাক এলেই চলে যাবো।
যাইহোক এ-পাড়ের রূপ দর্শন করে করে চোখে
এলো জল- কর্মে নিযুক্ত হোলাম, চোখ মুছে মুছে
চলছে দায়িত্ব পালন।
ভাবছি ওপাড়ে ভালোই ছিলাম- কেনো পাঠালো বা কেনো আসলাম? যত করি দর্শন তত হয় রাগ- পারি না সমুচিত জবাব দিতে করতে পারিনা বিরুদ্ধাচরণ, এভাবেই কেটে গেলো কতগুলো বছর।
হঠাৎ একদিন এলো ডাক ভাষাহীন এক সন্ধ্যায় তখন ক্লান্তিহীন পাকা কেশ, প্রণত শরীর চললাম গমনের গন্তব্যস্থলে।
অন্ত্যেষ্টি উৎসবের দিন তখন প্রশান্তচিত্তে করলো সবাই দায়িত্ব পালন, থাকতে পরিনি আমি তখন ছিলাম ও পাড়ের কাজে খুবই ব্যস্ত।
ভূমিকা:—
ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন ছিল কিছু মানুষের অব্যর্থ পরিশ্রম যার ফলেই ব্রিটিশদের থেকে ভারত রাজনৈতিক দিক থেকে মুক্তি পেয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে এমন ই এক বাঙালি বিপ্লবী ছিলেন অতীন্দ্রনাথ বসু।
পরিবার—
অতীন্দ্রনাথ বসু ১৮৭৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতার জোড়াবাগানের বসু পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।
তার পিতার নাম অপূর্বকৃষ্ণ বসু।অতীন্দ্রনাথের পুত্র উত্তর কলকাতার নেতৃস্থানীয় অমর বসু পিতার সকল কাজে যুক্ত ছিলেন।
কুস্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন—
অতীন্দ্রনাথ নিজে একজন কুস্তিগীর ছিলেন। ময়মনসিংহের রাজা জগৎকিশোর আচার্য চৌধুরী ছিলেন তার শিক্ষাগুরু। সিমলা ব্যায়াম সমিতির প্রাঙ্গনে ভারতীয় প্রথায় কুস্তি প্রতিযোগিতার আয়োজন তিনিই প্রথম করেছিলেন।
স্বদেশী মেলার আয়োজন—
অতীন্দ্রনাথ বসু যুবকদের দেহে ও মনে শক্তিমান করে তোলার উদ্দেশ্যে সিমলা ব্যায়াম সমিতি।
বিপ্লবী কর্মকান্ড—।
যুগান্তর বিপ্লবী দলের অন্যতম নেতৃস্থানীয় ছিলেন অতীন্দ্রনাথ বসু । তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে কয়েকবার কারাবরণ করেছিলেন, পাশাপাশি তাঁকে ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে পরবর্তী পাঁচবছর ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী কেন্দ্র পরিচালনার অপরাধে নির্বাসনদণ্ড ভোগ করতে হয়।১৯৩২ খ্রিষ্টাব্দে ইংরেজ সরকার সিমলা ব্যায়াম সমিতিকে শরীরচর্চার আড়ালে বিপ্লবী তৈরির আখড়া সন্দেহ করে এটিকে বেআইনি বলে ঘোষণা করে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত, ডাঃ জে. এম. দাশগুপ্ত প্রভৃতি নেতৃবর্গ সিমলা ব্যায়াম সমিতির কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
বিদ্যালয় স্থাপন—
তিনি রবীন্দ্রনাথের পরামর্শে ‘মহেশালয়’ নামের একটি বিদ্যালয় স্থাপনা করেছিলেন। ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি ‘ভারত ভান্ডার’ নামের একটি সংস্থা তৈরি করেন।
অতীন্দ্রনাথ যুবকদের দেহে ও মনে শক্তিমান করে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২রা এপ্রিল সিমলা ব্যায়াম সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
দুর্গা পূজা ও স্বদেশী মেলার আয়োজন—
১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সার্বজনীন দুর্গা পূজার প্রচলন করেন যাতে দেশের মানুষ বিভেদ ভুলে একত্রে উৎসবে মেতে উঠতে পারে। এই পূজা প্রাঙ্গনে স্বদেশী মেলারও আয়োজন হত। অতীন্দ্রনাথ যুবকদের দেহে ও মনে শক্তিমান করে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দের ২রা এপ্রিল সিমলা ব্যায়াম সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।
মৃত্যু—
মহান এই বিপ্লবী ১৯৬৫ সালের ১০ জুন মৃত্যুবরণ করেন। কিন্তু আজও তিনি স্মরনীয় হয়ে রয়েছেন তাঁর কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে।
।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট।।
খুঁজে পাচ্ছি না আমার অনেক কিছু
আমার আদুরে সকাল ,যখন চোখ বুজে
মনে হত আরেকটু শুয়ে থাকি
খুঁজে পাচ্ছি না সেই ভালোলাগার মুহূর্তগুলো ।
ছোট ছোট অনেক ভালো লাগা কেমন করে
হারিয়ে গেছে বুঝতে পারি নি ,প্রথম ভোরের
শিশিরে কতদিন যে পা ফেলি নি
ইচ্ছে গুলো কেমন করে যেন হারিয়ে যায় !
ভাবি সবকিছু র একটা সময় থাকে
তা পেরিয়ে গেলেই সব মলিন হয়ে যায়।