Categories
বিবিধ

ঘোষপুকুর টোল প্লাজা কাণ্ডে বিতর্ক, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ।

শিলিগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা: শিলিগুড়ি মহকুমার ঘোষপুকুর টোল প্লাজা-কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে বিজেপি কর্মীদের কাজে নিয়োগের দাবিতে বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে একদল কর্মী টোল প্লাজায় বিক্ষোভ দেখান।
অভিযোগ উঠেছে, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বিশ্বনাথ রায়ের নেতৃত্বে বিক্ষোভ চলাকালীন টোল প্লাজার ম্যানেজারের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় এবং তাঁকে মারধর করা হয়। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
ঘটনাকে ঘিরে বিভিন্ন মহল থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে। অনেকেই দাবি করেছেন, কর্মসংস্থানের দাবি বা রাজনৈতিক প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হওয়া উচিত, কোনোভাবেই হিংসাত্মক ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে ঘটনার বিষয়ে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিও ও অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরই পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

অন্নপূর্ণার টাকা খুঁজতে গিয়ে কোটিপতি হওয়ার চমক, ফালাকাটায় স্টেটমেন্ট ঘিরে রহস্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার:- রাজ্য সরকারের অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতার টাকা অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে কি না, তা দেখতে গিয়েই জীবনের সবচেয়ে অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলেন এক গৃহবধূ। ব্যাংকের স্টেটমেন্টে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৪০ কোটি টাকা দেখে এক মুহূর্তের জন্য হতবাক হয়ে যান তিনি। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উত্তর ধুলাগাঁও গ্রামে। জানা গিয়েছে, উত্তর ধুলাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা স্বপ্না বর্মন অন্যান্য গ্রামবাসীর মতোই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা এসেছে কি না, তা যাচাই করতে ধুলাগাঁও বাজারের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখায় যান। সেখানে তাঁর অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট বের করতেই চমকে ওঠেন ব্যাংককর্মীরাও। স্টেটমেন্টে দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে প্রায় ৭৪০ কোটি টাকা। প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাসই করতে পারেননি স্বপ্না বর্মন। পরে হাতে প্রিন্ট করা স্টেটমেন্ট তুলে দেওয়া হলে সেখানে একই বিপুল অঙ্কের টাকা দেখে তিনিও হতবাক হয়ে পড়েন। অবিশ্বাস্য এই ঘটনার কথা জানাজানি হতেই মুহূর্তের মধ্যে গোটা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে খবর। কৌতূহলী প্রতিবেশীরা দলে দলে ভিড় জমান তাঁর বাড়িতে।ঘটনার খবর পৌঁছে যায় জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশের কাছেও। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলে এবং টাকার উৎস সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করে। পরে পুলিশের পরামর্শে তিনি আবার ব্যাংকের শাখায় যান এবং পুনরায় ব্যালেন্স পরীক্ষা করেন। সেখানেই সামনে আসে আসল সত্য। দেখা যায়, তাঁর অ্যাকাউন্টে কোনও ৭৪০ কোটি টাকা নয়, আগের মতোই রয়েছে মাত্র ২০২ টাকা। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে স্টেটমেন্টে ভুল ব্যালেন্স দেখিয়েছিল।জটেশ্বরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার জানান, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এমন বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে পুরো বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ বিবিধ

ফাতিমা শেখ: ভারতের প্রথম মুসলিম মহিলা শিক্ষিকা ও নারীশিক্ষার এক অগ্রদূত।।

ভারতের নারীশিক্ষা ও সমাজসংস্কারের ইতিহাসে ফাতিমা শেখ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি ছিলেন ভারতের প্রথম দিকের মুসলিম মহিলা শিক্ষিকাদের একজন এবং নারী ও পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষার জন্য আজীবন সংগ্রামকারী এক সাহসী নারী।

যে সময়ে নারীশিক্ষা, বিশেষ করে নিম্নবর্ণ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের শিক্ষা ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জের বিষয়, সেই সময় ফাতিমা শেখ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে। তাঁর কাজ ভারতীয় সমাজে শিক্ষা ও সমতার আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছিল।

## জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়

ফাতিমা শেখের জন্ম ১৮৩১ সালের দিকে মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে হয় বলে ঐতিহাসিক সূত্রে উল্লেখ করা হয়।

তাঁর পরিবারের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য খুব বেশি পাওয়া যায় না। তবে জানা যায়, তিনি একটি উদার ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহী পরিবারে বেড়ে উঠেছিলেন।

তাঁর ভাই ছিলেন উসমান শেখ, যিনি সমাজসংস্কারক জ্যোতিরাও ফুলে ও সাভিত্রীবাই ফুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।

## জ্যোতিরাও ও সাভিত্রীবাই ফুলের সঙ্গে পরিচয়

তৎকালীন সমাজে নিম্নবর্ণ ও নারীদের শিক্ষার বিরোধিতা ছিল প্রবল।

যখন জ্যোতিরাও ফুলে এবং সাভিত্রীবাই ফুলে নারীশিক্ষার উদ্যোগ নেন, তখন ফাতিমা শেখ তাঁদের পাশে দাঁড়ান।

সামাজিক বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি তাঁদের সহযোগিতা করেন।

## প্রথম কন্যাশিক্ষালয়ে ভূমিকা

১৮৪৮ সালে পুনেতে সাভিত্রীবাই ফুলে ও জ্যোতিরাও ফুলে যে কন্যাশিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা করেন, সেখানে ফাতিমা শেখ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি নিজেও শিক্ষকতার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং মেয়েদের পড়াতে শুরু করেন।

এই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মেয়েরা শিক্ষা লাভের সুযোগ পেত।

## নারীশিক্ষার জন্য সংগ্রাম

সেই সময় সমাজের একটি বড় অংশ মনে করত যে মেয়েদের পড়াশোনা করা উচিত নয়।

ফাতিমা শেখকে নানা সামাজিক বাধা ও সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

কিন্তু তিনি বিশ্বাস করতেন—

**”শিক্ষাই মানুষকে অজ্ঞতা ও বৈষম্যের অন্ধকার থেকে মুক্ত করতে পারে।”**

তাই তিনি সাহসের সঙ্গে নিজের কাজ চালিয়ে যান।

## ধর্মীয় সম্প্রীতির উদাহরণ

ফাতিমা শেখের জীবন ভারতীয় সমাজে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

একজন মুসলিম নারী হিসেবে তিনি হিন্দু সমাজসংস্কারক জ্যোতিরাও ও সাভিত্রীবাই ফুলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নারীশিক্ষার জন্য কাজ করেন।

তাঁদের এই সহযোগিতা দেখায় যে সমাজের উন্নতির জন্য ধর্মীয় বিভেদ নয়, মানবিকতা ও সহযোগিতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

## শিক্ষাদর্শন

ফাতিমা শেখ মনে করতেন শিক্ষা শুধুমাত্র ধনী বা উচ্চবর্ণের মানুষের জন্য নয়।

তিনি চেয়েছিলেন—

– মেয়েরা শিক্ষিত হোক।
– দরিদ্র শিশুরা পড়াশোনার সুযোগ পাক।
– সমাজে সমতা প্রতিষ্ঠিত হোক।
– মানুষ অন্ধ কুসংস্কার থেকে মুক্ত হোক।

## সমাজের বিরোধিতা

তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজ নারীশিক্ষাকে সহজভাবে গ্রহণ করেনি।

সাভিত্রীবাই ফুলের মতো ফাতিমা শেখকেও অপমান ও বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল।

কিন্তু তিনি নিজের লক্ষ্য থেকে সরে যাননি।

তাঁর দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে বড় সামাজিক পরিবর্তনের জন্য সাহস ও ধৈর্য প্রয়োজন।

## ইতিহাসে তাঁর গুরুত্ব

দীর্ঘদিন ফাতিমা শেখের অবদান সাধারণ মানুষের আলোচনার বাইরে ছিল।

কিন্তু আধুনিক গবেষণায় তাঁর অবদান নতুন করে সামনে এসেছে।

আজ তাঁকে ভারতের নারীশিক্ষা আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথিকৃৎ হিসেবে সম্মান করা হয়।

## ব্যক্তিত্ব ও আদর্শ

ফাতিমা শেখের জীবনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল—

### সাহস
সমাজের বিরোধিতা উপেক্ষা করে তিনি শিক্ষার কাজ চালিয়ে গিয়েছেন।

### মানবিকতা
তিনি ধর্ম, জাতি বা সামাজিক অবস্থার পার্থক্য না করে মানুষের উন্নতির কথা ভেবেছেন।

### শিক্ষার প্রতি বিশ্বাস
তিনি জানতেন শিক্ষা সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম।

### সহযোগিতার মনোভাব
তিনি অন্য সমাজসংস্কারকদের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করেছেন।

## বর্তমান প্রজন্মের জন্য শিক্ষা

ফাতিমা শেখের জীবন থেকে আমরা শিখতে পারি—

১. শিক্ষা সকল মানুষের মৌলিক অধিকার।

২. সামাজিক পরিবর্তনের জন্য ঐক্য ও সহযোগিতা দরকার।

৩. অন্যায় প্রথার বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে দাঁড়াতে হয়।

৪. নারীশিক্ষা সমাজের উন্নতির মূল চাবিকাঠি।

৫. মানবতা সব বিভেদের ঊর্ধ্বে।

## সম্মান ও স্মরণ

আজ ভারতসহ বিভিন্ন স্থানে ফাতিমা শেখকে নারীশিক্ষার অগ্রদূত হিসেবে স্মরণ করা হয়।

তাঁর নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার এবং বিভিন্ন উদ্যোগের নামকরণ করা হয়েছে।

তাঁর জীবন বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষাক্ষেত্রে কাজ করা মানুষদের অনুপ্রাণিত করে।

## উপসংহার

ফাতিমা শেখ ছিলেন এমন এক সাহসী নারী, যিনি নিজের সময়ের সামাজিক বাধা অতিক্রম করে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছিলেন। তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে একজন মানুষের কাজ সমাজের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।

নারীশিক্ষা, সামাজিক সমতা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি শুধু একজন শিক্ষিকা নন, তিনি ছিলেন জ্ঞান ও সমতার আন্দোলনের এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা।

Share This
Categories
বিবিধ

বাসন্তীতে তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ, পঞ্চায়েত অফিসে ঢোকার পথে বিক্ষোভের মুখে গৌর সর্দার।

বাসন্তী, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী ব্লকের মসজিদ বাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌর সর্দারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালো গ্রামবাসীরা। গৌড় সর্দারকে কাছে পেয়ে আজ উত্তেজিত জনতা ডিম দাদা গোবর চড়ে গলায় গামছা বেঁধে।

আজ সকালে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌর সর্দার যখন পঞ্চায়েত অফিসে আসে তখন গ্রামবাসীরা পঞ্চায়েত প্রধান গৌর সরদার কে পথ আটকে কাঁদা গোবর এবং ডিম ছুড়তে থাকে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ নির্বাচনের সময় গ্রামবাসীদের উপর অনেক অত্যাচার হুমকি মারধর করেছে এই গৌর সরদার। রাজ্যে পালাবদলের পর এই গৌর সর্দারকে এলাকায় দেখা যেত না। আর আজ যখন পঞ্চায়েত অফিসে আসে উত্তেজিত জনতা গৌড় সর্দারকে ঘিরে ধরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে বাসন্তী থানা পুলিশ। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে গৌড় সরদার কে উদ্ধার করে পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

ক্লাব ঘর ভাঙচুর ঘিরে উত্তেজনা হিঙ্গলগঞ্জে, পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

হিঙ্গলগঞ্জ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- হিঙ্গলগঞ্জের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম কালীতলার 253 নম্বর বুথে রয়েছে ৬২ বছরের পুরনো একটি ক্লাব। এই ক্লাবে দুর্গা পুজো থেকে আরম্ভ করে বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা হয়। সেই ক্লাব জোর করে দখল করার চেষ্টা করছেন এলাকার বেশ কিছু তৃণমূলের কর্মীরা। এর আগেও এই ক্লাব দখলের চেষ্টা করেছিল এই সমস্ত তৃণমূলের কর্মীরা। যা নিয়ে মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত ‌। গতকাল গভীর রাতে সেই ক্লাব ঘর ভেঙ্গে জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দিয়ে ক্লাব ঘরের দখল করার চেষ্টা করছে এলাকার বেশ কিছু তৃণমূলের কর্মীরা। গতকাল রাতে এই ঘটনার পর আজ দুপুরে এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দারা এই ক্লাব রক্ষা করার জন্য হাতে ফেস্টুন প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় হেমনগর কোস্টাল থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

বাসে লুকিয়ে মাদক পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ, কোলাঘাটে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার পুলিশের।

পূর্ব মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটে কলকাতাগামী বাস থেকে উদ্ধার হল ২৩ কিলো গাঁজা। জানা গেছে উড়িষ্যার দিক থেকে আসা কলকাতাগামী যাত্রীবাহি বাসের মধ্যে ছিল এই গাঁজা। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কোলাঘাট শরৎ সেতুর সামনে বাসটিকে আটকায়। এরপর বাসের ভেতর থেকে চার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং তাদের কাছ থেকে ২৩ কিলো গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।ধৃত চারজনের মধ্যে তিনজন মহিলা বলে জানা গেছে। তদন্ত শুরু করেছে কোলাঘাট থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে বেলদায় মাদক পাচার রুখল পুলিশ, বাজেয়াপ্ত লরি।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা থানার পুলিশের বড়সড় সাফল্য। ওড়িশা থেকে মালবোঝাই লরিতে করে কলকাতায় গাঁজা পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে জেলা পুলিশ, দাঁতন থানার পুলিশ এবং বেলদা থানার পুলিশের যৌথ বাহিনী খড়গপুর–বালেশ্বর ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের বেলদা থানার শ্যামপুরা এলাকায় অভিযান চালায়। সন্দেহভাজন একটি মালবোঝাই লরিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার ভিতর থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ গাঁজা।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বেলদা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (SDPO) আনন্দ মণ্ডল। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ১ কুইন্টাল ২৬ কেজি।
বাজেয়াপ্ত মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা।ঘটনায় লরির চালককে গ্রেফতার করেছে বেলদা থানার পুলিশ। পাশাপাশি গাঁজা পাচারে ব্যবহৃত মালবোঝাই লরিটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই গাঁজার চালান কোথা থেকে আনা হচ্ছিল এবং কলকাতায় কার কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা ছিল, সেই বিষয়েও তদন্ত চলছে।

Share This
Categories
বিবিধ

ব্যাগে লুকিয়ে পাচারের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, রতুয়ায় উদ্ধার ৩০ বোতল বেআইনি কাফ সিরাপ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:— ব্যাগে করে নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ পাচারের সময় এক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করল মালদার রতুয়া থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত পাচারকারীর নাম ইসরাফুল সেখ। বয়স ৪০ বছর। বাড়ি কালিয়াচকের বাখরপুর এলাকায়। বৃহস্পতিবার রাতে সে মানিকচকের দিক থেকে হাতে একটি ব্যাগ নিয়ে রতুয়ার দিকে যাচ্ছিল। ওই সময় রতুয়া থানার পুলিশ বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে তাকে পাকড়াও করে। তল্লাশিতে ধৃতের ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ৩০ বোতল নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং শুক্রবার ধৃতকে পেশ করে চাঁচল মহকুমা আদালতে।

Share This
Categories
বিবিধ

ছোট্ট মনুশ্রীর জীবনের আশায় বড় উদ্যোগ, চিকিৎসার জন্য পাশে দাঁড়াল ত্রিপুরার সাংবাদিকরা।

ত্রিপুরার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- ক্যামেরা এবং কলমের গণ্ডি পেরিয়ে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল ত্রিপুরার সাংবাদিকদের প্রথম সারির সংগঠন জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ত্রিপুরা। ‘স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফি’ (SMA Type-1) নামক একটি কঠিন রোগে আক্রান্ত ২২ মাসের শিশুকন্যা মনুশ্রী চৌধুরীর জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিল ‘জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ত্রিপুরা’। আগরতলার হাঁপানিয়া চৌমুহনি পাড়া এলাকার বাসিন্দা ধ্রুব চৌধুরীর একমাত্র শিশুকন্যা মনুশ্রীর এই মরণব্যাধির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকদের মতে, এই মারাত্মক রোগ থেকে মনুশ্রীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে প্রয়োজন একটি অত্যন্ত বিশেষ জীবনদায়ী ইনজেকশন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৮ কোটি টাকা। একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করা প্রায় অসম্ভব। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ছোট্ট মনুশ্রীর জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে এসেছে ভারতবর্ষের বৃহত্তম সাংবাদিকদের সংগঠন ‘ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টস ইন্ডিয়া’ (NUJI)-র অন্তর্ভুক্ত ‘জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব ত্রিপুরা’। আজ সংগঠনের সভাপতি বিক্রম কর্মকার এবং সাধারণ সম্পাদক মিঠুন আচার্যী মনুশ্রীর বাড়িতে যান। তাঁরা শিশুটির মায়ের সাথে দেখা করে পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সংগঠনের তরফ থেকে প্রাথমিক আর্থিক সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দেন। পেশাগত কর্তব্যের বাইরে গিয়ে সাংবাদিকদের এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মনুশ্রীর পরিবারসহ গোটা ত্রিপুরার জনগণ। সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্য ও দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, যে যার সাধ্যমতো যেন ছোট্ট মনুশ্রীর চিকিৎসায় আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। সকলের সম্মিলিত একটি ছোট প্রয়াসই পারে ২২ মাসের এই নিষ্পাপ শিশুকে নতুন করে জীবনের আলো দেখাতে।

Share This
Categories
বিবিধ

মিড ডে মিলের খাবার ছাত্রছাত্রীদের না দিয়ে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, নবদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে উত্তেজনা।

মুর্শিদাবাদ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার কুলি গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে নবদুর্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের খাবার নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় গ্রামবাসী ও একাধিক অভিভাবকের দাবি, বিদ্যালয়ের কিছু ছাত্রছাত্রী খাবার নিতে গেলেও তাদের খাবার দেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ, অবশিষ্ট খাবার বালতিতে ভরে বিদ্যালয় থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

অভিভাবকদের বক্তব্য, বিষয়টি একাধিকবার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, ছাত্রছাত্রীদের প্রাপ্য খাবার যেন সঠিকভাবে বিতরণ করা হয় এবং গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার একটি ভিডিওতেও দেখা যাচ্ছে দুই মহিলা দুই হাতে দুটি করে বালতি ভর্তি খাবার নিয়ে বিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা তাঁদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তাঁরা কোনও উত্তর না দিয়ে খাবার ভর্তি বালতি নিয়ে সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও গ্রামবাসীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এবং মিড ডে মিল প্রকল্পে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এই অভিযোগগুলি স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Share This