Categories
বিবিধ

সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বাধা মানবে না গ্রামবাসীরা, কুচলিবাড়িতে হুঁশিয়ারি।

কোচবিহার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সীমান্তে কাঁটাতারহীন এলাকায় বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু হতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের তিনবিঘা সীমান্তের কুচলিবাড়ি এলাকায়। অভিযোগ, বিজিবির আপত্তি ও স্থানীয় একাংশ মানুষের বাধার জেরে জমি মাপজোকের কাজ ঘিরে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এরপর বিষয়টি বিএসএফের উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পাশাপাশি এলাকার বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদদেরও অবগত করা হয়। শনিবার সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে দুটি পৃথক ফ্ল্যাগ মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। একটি বৈঠক হয় বিজিবির সঙ্গে এবং অন্যটি হয় স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিজেপি বিধায়ককে নিয়ে।

বৈঠকে স্থানীয় ভারতীয় নাগরিকদের একাংশ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনবিঘা এলাকায় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজে কোনও বাধা মানা হবে না। প্রয়োজনে পুনরায় রক্তাক্ত আন্দোলনের পথেও হাঁটতে প্রস্তুত বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, বাংলাদেশি পক্ষের চাপে ভারতীয় সেনা বা ভারতবাসী মাথা নোয়াবে না।

দীর্ঘদিন ধরে ওই সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় গরু পাচার, মানব পাচার এবং অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা বেড়ে চলছিল বলে অভিযোগ। ফলে দেশের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছিল। অনুপ্রবেশকারীদের অবাধ যাতায়াতকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের চিন্তাও বাড়ে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সীমান্ত সংলগ্ন জমি দ্রুত বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমি হস্তান্তরের পরই বর্তমানে মাপজোকের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজও শুরু হবে।

আর সেই উদ্যোগকেই কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কুচলিবাড়ি সীমান্ত এলাকা।

Share This
Categories
বিবিধ

বুলডোজার মিছিল ঘিরে বীরপাড়ায় ব্যাপক জনসমাগম।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বুলডোজারে চেপে ধন্যবাদ যাত্রা হল আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট বিধানসভার অন্তর্গত বীরপাড়ায়। বুলডোজারের ছিলেন সাংসদ মনোজ টিজ্ঞা, বিধায়ক লক্ষণ লিম্বু। বীরপাড়ার সিংহানিয়া ময়দান থেকে শুরু হয় এই ধন্যবাদ যাত্রা। শেষ হয় বীরপাড়া চৌপথিতে। শয়ে শয়ে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছিল এই মিছিলে। এর আগে জেলায় বুলডোজার নিয়ে মিছিল হয়নি।এটাই ছিল এই মিছিলের আকর্ষণ।

মিছিল শেষে মনোজ টিজ্ঞা জানান, ” জনগণ দুহাত ভরে আশীর্বাদ দেওয়ার কারণে বিজেপির ২০৭টি আসন পেয়েছে। জনগণ আমাদের উপর আস্থা রেখেছে। এই কারণেই এই ধন্যবাদ যাত্রার আয়োজন। “

Share This
Categories
বিবিধ

দাসপুরে স্বাস্থ্য কর্মীদের দাবি শুনলেন বিধায়ক তপন কুমার দত্ত।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত বিধায়ক তপন কুমার দত্ত মহাশয় কে দাসপুর ১ এবং দাসপুর দুই CHM সংগঠনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা এবং সংবর্ধনার পাশাপাশি তাদের একগুচ্ছ দাবি জানালেন।
নবনির্বাচিত বিধায়কের কাছে আরজি করেন জাতি কর্ম সুনিশ্চয়তা ও উপযুক্ত বেতন পরিকাঠামো সাথে সাথে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি লাভ হয়, দাসপুরের বিধায়ক তপন দত্ত সমস্ত স্বাস্থ্য ও কর্মচারীদের কে সম্পূর্ণভাবে আশ্বাস দেন তাদের দাবি অবশ্যই বিধানসভায় এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছেই তুলে ধরবেন।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের সোনাখালী থেকে শুভেন্দু চক্রবর্ত্তীর রিপোর্ট, আনন্দ নিউজ, সবার আগে সবার পাশে।

Share This
Categories
বিবিধ

মানসিক হেনস্থা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগে চাপে একাধিক বিডিও।

নিজস্বসংবাদদাতা, বিশেষ প্রতিবেদন :- রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু ব্লক স্তরের প্রশাসনিক মানসিকতায় বিন্দুমাত্র বদল আসেনি— এই অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফুঁসছেন একাধিক ব্লকের সরকারি কর্মচারীরা। অভিযোগের তির খোদ ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও (BDO)-দের দিকে, যাঁরা বিগত সরকারের আমল থেকেই স্বপদে বহাল রয়েছেন।

কর্মীদের অভিযোগ, ওই বিডিওদের আচরণ অত্যন্ত কর্কশ এবং অসহযোগিতাপূর্ণ। সামান্য কারণেও অধস্তন কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মানসিক হেনস্থা এবং প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। নতুন সরকার আসার পর কর্মসংস্কৃতি বদলের আশা করেছিলেন কর্মীরা, কিন্তু আড়াই বছর কেটে গেলেও এই আধিকারিকদের চেয়ারে কোনো পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভের পারদ চড়েছে।

সরকারি কর্মীদের একাংশের বক্তব্য, শাসকদল বদলালেও স্থানীয় প্রশাসনের এই শীর্ষ কর্তাদের ‘দাদাগিরি’ কমেনি। বরং তাঁদের একনায়কতন্ত্রের কারণে ব্লকের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। মানসিক চাপের মুখে পড়ে অনেকেই ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না। অবিলম্বে ওই বিডিও-দের অপসারণ বা বদলির দাবি জানিয়েছেন কর্মীরা। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে আগামীদিনে মহকুমা শাসক বা জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।

Share This
Categories
বিবিধ

সরকারি জমি ও জলাশয় দখলের অভিযোগ, নিশানায় প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রীর স্বামী।

ধুপগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে সরকারি জমি ও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার দাবিতে সোচ্চার হলেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। তৎকালীন তৃণমূল নেতাদের ভয়ে এতদিন যাঁরা মুখ খুলতে সাহস পাননি, প্রশাসন বদলে যেতেই তাঁরা এখন ক্যামেরার সামনে এসে প্রকাশ্যে ওই বেআইনি নির্মাণে বুলডোজার চালানোর দাবি জানাচ্ছেন।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালে। ধূপগুড়ি থানার অন্তর্গত মাগুরমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের নাথুয়া-ধূপগুড়ীগামী রাজ্য সড়কের পাশে সরকারি জায়গা দখল এবং একটি জলাশয় ভরাট করে কংক্রিটের ছাদ বাড়ি বানানোর অভিযোগ ওঠে। সেই সময় ‘আমরা সময় কলকাতা’-য় খবরটি সম্প্রচারিত হওয়ার পর ধূপগুড়ি ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর তৎপরতা দেখায় এবং কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। কিন্তু অভিযোগ, তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে প্রশাসনের একাংশের মদতে দিনের আলোতেই ফের কাজ শুরু করে বহুতলটি সম্পূর্ণ করা হয় এবং ব্যবহারও শুরু হয়।স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজেপির অভিযোগের তির মাগুরমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন তৃণমূল সদস্যার স্বামী মাধব রায়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, স্থানীয় এক ব্যক্তির থেকে পুকুরের সামান্য অংশ কিনে, তার আড়ালে বিস্তর সরকারি জমি ও পুরো জলাশয়টিই বেআইনিভাবে ভরাট করে এই নির্মাণ সম্পন্ন করেন তিনি।এতদিন ক্ষমতা ও ভয়ে মাগুরমারীর বাসিন্দারা প্রতিবাদ করতে না পারলেও, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসতেই ছবিটা বদলেছে। গ্রামবাসীদের দাবি, তৃণমূল জমানার এই সমস্ত বেআইনি কীর্তি অবিলম্বে গুঁড়িয়ে দিক প্রশাসন। এখন দেখার, নতুন সরকারের জমানায় ধূপগুড়ির এই বিতর্কিত অবৈধ নির্মাণের ওপর সত্যিই প্রশাসনের বুলডোজার চলে কি না।

Share This
Categories
বিবিধ

হিন্দু-মুসলিমের যৌথ অংশগ্রহণে মানবিক উদ্যোগ, আয়োজনে বিজেপি যুব মোর্চা।

নাদনঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা:- এদিন ভারতীয় জনতা পার্টির যুব মোর্চার উদ্যোগে শ্রীরামপুর নাদনঘাটের ৩ নম্বর মণ্ডলে এক বৃহৎ রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মানবিক এই কর্মসূচিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিশেষভাবে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের যৌথ উপস্থিতি সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল ছবি তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী স্মৃতিকণা বসু, পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক প্রাণকৃষ্ণ তপাদার, কাটোয়া সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি প্রদ্যুৎ ভৌমিক, সুভাষ পাল সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজকদের বক্তব্য, সমাজের সকল বিভেদ ভুলে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে ভারতীয় জনতা পার্টি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলেও জানানো হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

কাটমানি নিয়ে কাজ বিক্রির অভিযোগ, সরব মালদার বিজেপি জেলা পরিষদ সদস্যরা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—- মালদা জেলা পরিষদে ঠিকাদার সিন্ডিকেট রাজ ও টেন্ডার দুর্নীতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ।
তৃণমূল পরিচালিত মালদা জেলা পরিষদে‌ বছরের পর বছর ধরে চলছে সিন্ডিকেট রাজ। চলছে টেন্ডার দুর্নীতি। কোন সাধারণ ঠিকাদার এখানে জেলা পরিষদ থেকে সরাসরি কাজ পায় না। তৃণমূলের আশ্রয় থাকা কিছু সিন্ডিকেট মাফিয়া সমস্ত ঠিকাদারি কাজ নিজেদের নামে করে নেয়। এরপর ১২ থেকে ২২% কাঠ মানি নিয়ে সেই কাজ বাজারে বিক্রি করা হয়। বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি চলছে। এর সাথে জড়িত বর্তমান তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য থেকে শুরু করে সভাধিপতি কর্মাধ্যক্ষ ও কিছু আধিকারিক। এই অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দারস্থ হয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের চার বিজেপি সদস্য। আর এই ঘটনা জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য।
তৃণমূল পরিচালিত মালদা জেলা পরিষদ, বছরের পর বছর ধরে চলছে টেন্ডার দুর্নীতি। কোটি কোটি টাকা গেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কিছু আধিকারিকদের পকেটে।
আর এত পরিমান কাঠ মানি নেওয়া হয় যে সাধারণ একজন ঠিকাদারের সঠিকভাবে কাজ করার কোন উপায় থাকেনা। ফলে কোন কাজ ছয় মাসের বেশি টেকসই হয় না। ঈদ শুরু করতে হবে দাবী বিজেপির জেলা পরিষদের সদস্যদের। অভিযোগ অস্বীকার করে
সবাই একসাথে কাজ করি, আহ্বান জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি তৃণমূল নেতা এটিএম রফিকুলের।
ইতিমধ্যেই বিজেপির চার জেলা পরিষদ সদস্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে গতি, হবিবপুরে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদান।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:– নতুন রাজ্য সরকারের নির্দেশে মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উন্মুক্ত স্থানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য অবশেষে জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পূর্ণ করে সোমবার হবিবপুর ব্লকের সীমান্তবর্তী এলাকার তাঁরকাটা দেওয়া জন্য জমির ২১৪ জন মালিকের হাতে চেক তুলে দেওয়া হলো ।সেই সব জমির মালিকদের জমির পরিমাণ অনুযায়ী তাদের সরকারি প্রাপ্য টাকার চেক তুলে দেওয়া হল।সোমবার দুপুরে হবিবপুর ব্লকের জিতু মঞ্চে এই জমি চেক বিলি করা হয়।এদিন উপস্থিত ছিলেন, হবিবপুর বিধানসভার বিধায়ক জয়েল মুর্মু হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুখীরানী সাহা, হবিবপুর বিডিও কৃষ্ণকান্ত মন্ডল সহ বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকেরা।

এবিষয়ে হবিবপুর বিধান সভার বিধায়ক জুয়েল মূমূ বলেন,নতুন সরকার গঠনের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, ঘোষণা করেছিলেন ৪৫ দিনের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন করতে হবে সে কথা অনুযায়ী হবিবপুর বিধানসভার কাজ শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করতে এই উদ্যোগ।

Share This
Categories
বিবিধ

কড়া নিরাপত্তায় মালদার হোল্ডিং সেন্টার, সিসিটিভি নজরদারিতে ৯ জন।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- মালদায় চালু হয়ে গেল হোল্ডিং সেন্টার।ইংরেজবাজার শহরের চন্দনপার্ক, এটাই মালদা জেলার একমাত্র হোল্ডিং সেন্টার। রবিবার বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত ৯ জনকে এনে রাখা হয়েছে এই হোল্ডিং সেন্টারে। যার মধ্যে ৩ মহিলা ও ৬ নাবালক ও নাবালিকা আছে। এদের গাজোল থানার পান্ডুয়া থেকে ধরে আনা হয়েছে ।নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। ১২ জন পুলিশ, ৩ জন সিভিল ডিফেন্স, ৩ সিভিক ও রান্নার জন্য রাঁধুনি নিযুক্ত করা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

পরিচ্ছন্ন হাসপাতাল গড়ার বার্তা, বেদরাবাদে বিশেষ স্বচ্ছতা কর্মসূচি।।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আজ বৈষ্ণবনগর বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে বৈষ্ণবনগর 54 বিধানসভার বিধায়ক রাজু কর্মকারের উদ্যোগে বেদরাবাদ হাসপাতাল চত্বরে স্বচ্ছতা অভিযান কর্মসূচি ৷ মালদার কালিয়াচক তিন নম্বর ব্লকের বৈষ্ণবনগর বিধানসভার অন্তর্গত বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত বিধায়কের পাশাপাশি কালিয়াচক 3 ব্লক মেডিকেল অফিসার অফ হেলথ তথা BMOH ড: এস.কে আবদুল্লাহ ৷ এই উদ্যোগে আজ হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। হাসপাতালের চারপাশে জমে থাকা আবর্জনা সরানো, নিকাশি ব্যবস্থা পরিষ্কার করা এবং রোগী ও সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এছাড়াও এই স্বচ্ছতা অভিযানে আজ হাসপাতালের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রতিনিধি, দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দেখা যায় বিধায়ক নিজেই ঝাড়ু হাতে ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার করার কাজে হাত লাগান এমনকি সকলের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বার্তা তুলে ধরেন। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার আবেদন জানান।
বিধায়ক রাজু কর্মকার জানান, হাসপাতাল এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিদিন বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন তাই হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, শুধু প্রশাসনের উপর নির্ভর না করে সমাজের প্রতিটি মানুষের উচিত নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব নেওয়া তাছাড়া BMOH Dr. Sk আবদুল্লাহ জানান হাসপাতালে বিধায়কের এই ধরনের উদ্যোগ সত্যিই খুব প্রশংসনীয় ও অভিনব আমরা এই উদ্যোগে অত্যন্ত খুশি আগামী দিনে আমরা হাসপাতালের পরিবেশ আরও স্বচ্ছ ও সুন্দর করে গড়ে তুলবো এবং যা যা ঘাটতি ও অভাব রয়েছে সেই দিকটা লক্ষ্য থাকবে ।

Share This