Categories
বিবিধ

“খুনের আশঙ্কা করছি” — দলকেই জানালেন মালদার তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ — কাউন্সিলর দুলাল সরকার অরফে বাবলা খুনের পর থেকে মালদহের তৃনমুল কংগ্রেসের নেতাদের রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হতে পারেন, পাশাপাশি খুনের আশঙ্কা করছেন।কিছু দিন আগে দেখা গিয়েছিল মোথাবাড়ি এলাকায় তৃনমুল কংগ্রেসের প্রধান খুন হওয়ার আশঙ্কায় সাংবাদিকদের জানিয়েছিন।এবার মালদহের জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তথা পুরাতন মালদা পৌরসভার কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ হালদার, নিরাপত্তার রক্ষী চাইলেন। প্রসঙ্গত তৃণমূলের ডাকসাইটে নেতা তথা কাউন্সিলর দুলাল সরকার অরফে বাবলা খুন হয়ে যাবার পর থেকেই রাজ্যের শাসকদলের এই ভীতি বাড়ছে । যে কারণে মালদার অনেক তৃণমূল নেতারা নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। জেলার রাজনীতিতে বাবলার অনুগামী হিসেবেই পরিচিতি বিশ্বজিৎ । এবার তিনিও রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার খুনের আশঙ্কা করছেন । সে ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন । ইতিমধ্যেই দলকে তিনি জানিয়েছেন আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানো তোর।

Share This
Categories
বিবিধ

ভবানী পাঠকের স্মৃতি বিরাজিত বালুরঘাট চকভবানী বারোয়ারি কালিবাড়িতে অত্যন্ত রীতি ও নীতি সহকারে কালীপুজো অনুষ্ঠিত হলো।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা ;- প্রতিবছরের মতো এবছরও দীপান্বিতা অমাবস্যায় ভবানী পাঠকের স্মৃতি বিরাজিত বালুরঘাট চকভবানী বারোয়ারি কালিবাড়িতে অত্যন্ত রীতি ও নীতি সহকারে কালীপুজো অনুষ্ঠিত হলো। বালুরঘাট চক ভবানী বারোয়ারি কালিবাড়ির কালীপুজোর বিষয়ে পুজো কমিটির সদস্যদের কাছ থেকে জানাগেছে যে – আনুমানিক তেরোশো চৌদ্দ বঙ্গাব্দে কালীসাধক ভবানী পাঠক এখানে পঞ্চমুন্ডির আসন স্থাপন করে কালী সাধনা শুরু করেন। কালীসাধক ভবানী পাঠক উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের পাশাপাশি বালুরঘাটেও কালীপুজো করেছিলেন। ভবানী পাঠকের নাম অনুসারেই পরবর্তীকালে বালুরঘাটের এই এলাকার নাম হয় চকভবানী। অত্যন্ত রীতি ও নীতি সহকারে এখানকার পুজো হয়। প্রতিবছর পুজোতে জোড়া পাঁঠা বলি হয়। দীপান্বিতা অমাবস্যায় বাৎসরিক পুজোর পাশাপাশি সারাবছর মায়ের নিত্য পুজো হয়। এখানে প্রতিবছর কালীপুজোর পাশাপাশি দুর্গাপুজোর আয়োজন করা হয়। দুর্গাপুজো ও কালীপুজোতে চকভবানী এলাকার মানুষজনের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষজনও শামিল হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

লাড্ডু, পানীয় জল ও প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা কেন্দ্রের শুভ সূচনা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম কালী পূজা বলতেই, বুলবুলচন্ডীতে কালীপুজো।এই পুজা উপলক্ষে “ম্যাংগো সিটি প্রেস ক্লাব পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করা হলো সোমবার দুপুরে।

মালদার হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী বাজারে কালীপুজোকে কেন্দ্র করে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে “ম্যাংগো সিটি প্রেস ক্লাব”-এর উদ্যোগে এবং “আমরা সবাই” স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় সহায়তা কেন্দ্র খোলা হলো কালী পূজা উপলক্ষে বুলবুলচন্ডী বাজারে।

সোমবার দুপুরে প্রদীপ প্রজ্বলন ও ফিতে কেটে এই সহায়তা কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে শুভ সূচনা করেন উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।উদ্বোধনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে লাড্ডু ও পানীয় জল বিতরণ করা হয়।

সহায়তা কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের জন্য পানীয় জলের ব্যবস্থা, প্রাথমিক চিকিৎসা (ফার্স্ট এইড), এবং ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট সাংবাদিক, ব্যবসায়িক মহলের সদস্যরা ও সাধারণ মানুষ। জানা গেছে, এই শিবিরটি পরবর্তী ১৫ দর্শনার্থীদের জন্য পরিষেবা দেবেন।।

Share This
Categories
বিবিধ

দাদুর শেখানো শিল্প বাঁচিয়ে চলছে মোহিত, ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিমাশিল্পী।

বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা : – মাত্র আট বছর বয়স। চোখে একরাশ স্বপ্ন, হাতে কাদামাটি ও রংতুলি। আর সেই হাতেই এখন রূপ পাচ্ছে মহাকালী। বালুরঘাটের আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র মোহিত মহন্ত এখন শহরের ছোট্ট আকর্ষণ। পাড়ার মানুষও অবাক হয়ে দেখছেন, কী নিপুণ হাতে এই খুদে শিল্পী গড়ে তুলছে দেবীমূর্তি।

মোহিতের হাতে এখন প্রায় দেড় ফুট উচ্চতার কালী প্রতিমা। নিজেই তৈরি করেছে, নিজেই রঙ দিচ্ছে। তবে এই প্রতিমায় পুজো নয়, শুধু দর্শনের জন্যই রাখবে সে বাড়ির সামনে। মোহিত হাসিমুখে বলে, ‘এটা আমার প্রথম কালী। পুজোর পরেও রাখব, বিসর্জন দেব না।’ এর আগে গণেশ, কার্তিক, শিব—অনেক প্রতিমাই তৈরি করেছে সে, কিন্তু সেগুলো জলে মিলিয়ে দিয়েছিল। শিল্পের সূত্রপাত অবশ্য পরিবারের ঐতিহ্যেই। মোহিতের দাদু বিপিন কামেত ছিলেন প্রতিমা শিল্পী। দাদুর কাছ থেকেই ছোটবেলায় শেখা সেই মাটির টান। পাঁচ বছর বয়স থেকেই শুরু। এখন দাদু আর নেই, কিন্তু দাদুর শেখানো হাতের কাজ যেন আজও বেঁচে আছে এই ছোট্ট নাতির মধ্যে। বর্তমানে মোহিত থাকে তার মাসি ও দিদার সঙ্গে। বাবা কৈলাস মহন্ত দিল্লির এক কুরিয়ার অফিসে কাজ করেন। মা শ্রাবণী কামেত মহন্তও রয়েছেন সেখানে। তবুও দূরে থেকেও ছেলের প্রতিভার খবর তাদের কাছে প্রতিদিনই পৌঁছে যায়। বাড়িতে এখন রং-তুলি, কাদা, বাঁশ—সব মিলিয়ে উৎসবের গন্ধ। কালীপুজোর আগে ব্যস্ততার মধ্যেই বলে মোহিত, ‘বড় হয়ে আমি বড় প্রতিমাশিল্পী হতে চাই। দাদুর মতো।’

মোহিতের মামা রোহিত কামেত নিজেও প্রতিমাশিল্পী। তিনি বলেন, ‘আমি এখন বালুরঘাটের একাধিক পুজো উদ্যোক্তার বড় প্রতিমা তৈরি করছি। আমার খুড়তুতো দিদির ছেলে মোহিত ছোটবেলা থেকেই প্রতিমা গড়ার প্রতি ভীষণ আগ্রহী। আমি যেমন আমার জেঠু অর্থাৎ মোহিতের দাদু বিপিন কামেতের কাছেই প্রতিমা তৈরির শিক্ষা পেয়েছি। ঠিক তেমনি দাদুর শেখানো শিল্পই ও এখন বয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এত অল্প বয়সেই ওর আগ্রহ দেখে সত্যি অবাক লাগে।’

মোহিতের কথায়, ‘আমি পাঁচ বছর বয়স থেকে প্রতিমা বানাচ্ছি। দাদুর কাছ থেকে শেখা প্রতিটি ধাপ এখনও মনে আছে। এই প্রথম কালী প্রতিমা বানাচ্ছি, যা পুজোর পরও রাখব। বড় হয়ে আমি এই শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।’

বালুরঘাটের মানুষের চোখে মোহিত যেন কেবল এক খুদে শিল্পী নয়, বরং ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিমাশিল্পীর প্রাথমিক রূপ। তার মাটির হাত, দাদুর শেখানো শিল্প আর মনোবল—সব মিলিয়ে এখন গড়ছে নতুন সম্ভাবনার ছবি। কেউ জানে না, হয়ত একদিন এই খুদের হাত থেকে জন্ম নেবে শহরের সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রতিমা।

Share This
Categories
বিবিধ

জঙ্গলের ভেতর থেকে জমিদার প্রাঙ্গণে—ঋষিপুর কালীতলার কালীপুজো আজও ভক্তিমুখর ঐতিহ্য।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ – মালদহের হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর অঞ্চলে কালিতলা এলাকায় মহা ধুমধামে পুঁজিতে হলো শ্রী শ্রী পঞ্চমুন্ডি বামা কালী। এই পুজোকে ঘিরে বিভিন্ন অলৌকিক কাহিনী যরিয়ে রয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান এই কালী বহু বছর আগে জমিদার আমলে জঙ্গলের মধ্যে কে বা কারা পুজো করে যেত জমিদার এই কালিতলা এলাকাকে পরিষ্কার করানোর সময় গাছের ভেতরে এই মায়ের পুজো চলত।কারা পুজো করতো তা কেউ জানেনা। জমিদার কালীতলা এলাকায় এই কালী পুজো শুরু করেন।যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মন্দির তৈরি করা হয়েছে। এই মায়ের উচ্চতা নিয়ম মেনে সুহাহাত প্রতিবছরই রাখা হয়।কালী পূজার রাতে চক্ষুদান করে এ পুজোর শুভ সূচনা হয়। সূর্য উদয়ের আগেই এই মায়ের বিসর্জন করা হয়।ঋষিপুর অঞ্চল ছাড়াও বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা এই মায়ের মন্দিরে ভীজমান স্থানীয় বাসিন্দারা জানান মায়ের আশীর্বাদে ভক্তদের মনোকামনা পূরণ করে।যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মায়ের মন্দির তৈরি করা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বিষপান করে আত্মহত্যা, তদন্তে নামল তপন থানা পুলিশ।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক কৃষক। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম মোস্তাক চৌধুরী (৫২)। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তপন থানার দাঁড়ালহাট এলাকায়। মঙ্গলবার বেলা ১২ টা ৩০ মিনিট নাগাদ গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট সদর হাসপাতালে পাঠায়।
জানা গিয়েছে তপন থানার দাঁড়ালহাট এলাকার বাসিন্দা মোস্তাক চৌধুরী। পেশায় তিনি কৃষক। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মানষিক অবসাদে ভুগছিলেন। গত শুক্রবার রাতে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হবার চেষ্টা করে। বিষয়টি পরিবারের লোকজনের নজরে আসলে তাকে উদ্ধার করে গঙ্গারামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে তাঁর চিকিৎসকা চলছিল। চিকিৎসা চলাকালীন সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার বেলা ১২ টা বেজে ৩০ মিনিট নাগাদ গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বালুরঘাট সদর হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনায় তপনের দাঁড়াল হাট এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

“দিল সে ফাউন্ডেশন”এর আরিয়ান দেখালেন নতুন পথ, মানবতার বার্তা ছড়াল খানাকুলে।

নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান:-প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নিজের জন্মদিনের কেক না কেটে পথচারীদের মুখে অন্ন তুলে দিয়ে অন্যভাবে পালন করলো আরিয়ান তাঁর নিজের জন্মদিন। রবিবার সকালে বিলাসবহুল পার্টি না করে ‘খানাকুল’ জুড়ে অসহায় এবং দুঃস্থ মানুষদের মুখে অন্ন তুলে দেন, এইভাবেই সে সবার মধ্যে দিয়ে আনন্দ ভাগ করে নেয়।
আরিয়ানের এই মানবিক উদ্যোগকে সমাজের সকল স্তরের মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।
“দিল সে ফাউন্ডেশন”এর অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে সকাল থেকে ‘খানাকুল’এর বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরিয়ে অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জন্মদিন মানে শুধু আনন্দ নয়, সেই আনন্দটুকু সমাজের অসহায় এবং দুঃস্থ মানুষদের ভাগ করে নেওয়াই হলো “দিল সে ফাউন্ডেশন”এর অন্যতম লক্ষ্য।
আরিয়ানের এই উদ্যোগে খুশি প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজকের দিনে যেখানে অনেকেই জন্মদিনে বিপুল অর্থ খরচ করেন। তরুণ একটা ছেলে এমন মানবিক বার্তা দেওয়ায় সত্যিই খুবই প্রশংসার যোগ্য।
আরিয়ান এবং তাঁর সদস্যদের একটাই উদ্দেশ্য যে, সমাজের অসহায় এবং দুঃস্থ মানুষের মুখে হাঁসি ফোটানোই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

Share This
Categories
বিবিধ

দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়, নজরকাড়া মণ্ডপ ও মূর্তিতে মুগ্ধ ধুপগুড়িবাসী।

ধুপগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- উত্তরবঙ্গের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী বিগ বাজেটের শ্যামাপূজো কমিটির অন্যতম ধুপগুড়ি এসটিএসসি ক্লাব। জলপাইগুড়ি জেলার অন্যতম একটি ক্লাব প্রত্যেক বছর নিজস্ব ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে সর্বস্ব দিয়ে মানুষের মন জয় করে থাকে।। এবছর তারা ৫৫ তম বর্ষে পদার্পণ করে মায়াপুরের ইসকনের চন্দ্রদ্বয় মন্দিরের আদলে পূজা মন্ডপ বানিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। কলকাতা টলিউডের অন্যতম অভিনেত্রী ঋত্বিকা সেন ও জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের একাধিক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের উপস্থিতিতে কালীপুজোর দুদিন আগে পূজা মন্ডপের শুভ উদ্বোধন করে আপামর জনসাধারণের জন্য তাদের এ বছরের পূজা মন্ডপ খুলে দেওয়া হলো। এদিন সন্ধ্যাবেলা পুজো মণ্ডপ খুলে দিতেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেল ধুপগুড়ির এস টি এস সি ক্লাবে। এদিন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী প্রয়াত জুবিন গর্গের স্মৃতিচারণের মাধ্যমে গোটা পূজা মন্ডপ সহ রাস্তার সমস্ত আলো নিভিয়ে, জুবিন গর্গের সেই বিখ্যাত গান স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা গাইয়ে শুভ সূচনা করা হয় ক্লাবের পূজার। ক্লাবের মূলমঞ্চে টলিউড অভিনেত্রী ছাড়াও তা নিয়েও শিল্পীদের নিয়ে একাধিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুধু পূজা মন্ডপি নয় পাশাপাশি মায়ের মূর্তিতেও নজর কাড়ার রূপ দেওয়া হয়েছে। ক্লাব কর্তাদের দাবি, বিগত বছর গুলির ন্যায় এবছরও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাবে ক্লাবে। তবে যাবতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ক্লাবের তরফে ।

Share This
Categories
বিবিধ

ভক্তদের ভালোবাসায় আপ্লুত রিম ঝিম গুপ্তা, দক্ষিণ দিনাজপুরে কালীপুজোর শুরুতেই উচ্ছ্বাসের ঢেউ।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কালীপুজো থেকে শুরু করে শহরের একের পর এক কালীমণ্ডপের উদ্বোধন করলেন পৌরপ্রধান অশোক কুমার মিত্র। সঙ্গে ছিলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিম ঝিম গুপ্তা। দু’জনে একসঙ্গে ফিতা কেটে বিভিন্ন পুজোমণ্ডপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের সময় চারিদিকে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। অভিনেত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য এলাকাবাসীর মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ। পাড়ার মানুষ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম— সকলে ভিড় জমান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। পৌরপ্রধান অশোক মিত্র জানান, “শহরের কালীপুজোগুলি আমাদের গর্বের ঐতিহ্য। সকলের সহযোগিতায় এ বছরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে পুজো হোক, এই কামনাই করি।” অন্যদিকে, অভিনেত্রী রিম ঝিম গুপ্তা স্থানীয় মানুষদের উচ্ছ্বাস দেখে মুগ্ধ হয়ে বলেন, “এখানকার মানুষের ভালোবাসা সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল।”
উৎসবের শুরুতেই এমন জমজমাট পরিবেশে শহরজুড়ে এখন বইছে কালীপুজোর আনন্দের হাওয়া।

Share This
Categories
বিবিধ

সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে ঐতিহাসিক রাজনগরের সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে এবারও কালীপুজো পালিত হচ্ছে ধুমধামে।

বীরভূম রাজনগর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- বীরভূম জেলা রাজনগরে প্রতি বছরের মতো এবছরও ঐতিহাসিক কেন্দ্র রাজনগরে প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মালিপাড়ার সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরে কালীপুজো উপলক্ষে সেবায়েত, পুরোহিত, ভক্ত ও বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যস্ততা তুঙ্গে৷ প্রাচীন এই মন্দিরটির সঙ্গে অতীতের বহু ইতিহাস, ঘটনা, কাহিনী জড়িয়ে৷ সেই সাথে রাজাদের প্রসঙ্গও উঠে আসে মন্দিরের প্রতিষ্ঠার কথা উঠে আসলে৷ এবারও অসংখ্য ভক্ত দর্শনার্থী মন্দিরে পুজো দিতে, মন্দির দর্শন করতে ভিড় জমাবেন তা বলাই যায়৷ আয়োজকরা বলেন, কালীপুজো উপলক্ষে মন্দির চত্বরে বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠানও আয়োজিত হবে৷ বিভিন্ন শ্রেণীর বিভিন্ন স্তরের মানুষ ও ভক্তবৃন্দের সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবেই সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে৷ প্রতিমা নিরঞ্জনের দিনও সকলের উপস্থিতি ও উৎসাহ থাকে যথেষ্ট৷ এমনটাই জানান সেবায়েত পরিবার ও ভক্তদের পক্ষে কয়েকজন৷ কিছুক্ষেত্রে এখানে সম্প্রীতির বিষয়ও চোখে পড়ে৷ বছরের অন্যান্য সময়েও বাইরে থেকে অনেকে আসেন প্রাচীন এই মন্দির দর্শনে৷ এমনটাই জানান মন্দির কর্তৃপক্ষ৷

Share This