Categories
বিবিধ

মুসলিম হয়েও হিন্দুদের উৎসবে অংশগ্রহণ—সম্প্রীতির নজির গড়লেন তৃণমূল নেতা মেহেমুদ খাঁন।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- পূর্ব বর্ধমান জেলা জামালপুরে দুর্গা পুজোর মতো কালী পুজোতেও একের পর এক পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন করেন জামালপুরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মা ধক্ষ্য মেহেমুদ খাঁন।
গত কাল তিনি নবগ্রামে কালী মাতা ক্লাবের ১২ হাত কালীর উদ্বোধন করেছিলেন। আজ তিনি বেত্রাগড় উত্তরপাড়া বারোয়ারী শীতলা মাতা ক্লাবের ও জৌগ্রাম পদ্মপুকুর যুব সংঘ যাদের এবছর পুজো ৩৪ তম বর্ষে পড়ল কালী পুজো উদ্বোধন করেন তিনি, এছাড়াও কাঠুরিয়া পাড়া সমাজবন্ধু ক্লাবের কালী পুজো উদ্বোধন করেন তিনি। বেত্রাগড়ে তিনি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলক কুমার মাঝি, জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষ, জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের উপ প্রধান সাহাবুদ্দিন মন্ডল ( পাঞ্জাব) সহ অন্যান্যরা। এখানে দুদিন ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান করা হবে। উপস্থিত থাকবেন চলচিত্র জগতের অন্যতম খ্যাতনামা অভিনেতা রজতাভ দত্ত। থাকবেন বিখ্যাত কিছু গায়ক গায়িকা। জমজমাট অনুষ্ঠান হবে দুদিন ধরে। জৌগ্রামে তাঁর সাথে ছিলেন অঞ্চল সভাপতি মৃদুল কান্তি মন্ডল, প্রধান মল্লিকা মন্ডল সহ অন্যান্যরা। মেহেমুদ খাঁন বলেন জামালপুরে ধর্মে ধর্মে কোনো ভেদাভেদ নাই। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তাই তিনি মুসলিম হয়েও হিন্দুদের পূজায় অংশ গ্রহণ করেন। তিনি পদ্মপুকুর ও বেত্রাগড় শিতলমাতা ক্লাব কে ধন্যবাদ জানান। তিনি আজ সকালে হালারার বিপত্তারিনী মায়ের মন্দির যান। সেখানে আজ মায়ের বিশেষ পুজো হয়। প্রচুর ভক্ত সমাগম হয় আজকের এই পুজোকে ঘিরে । স্থানীয় স্টোরের আলু বাছাই ছেলেদের উদ্যোগে ও অন্যান্যদের সাহায্যে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষকে বসিয়ে মায়ের ভোগ খাওয়ানো হয়। তিনি সেখানে কিছুটা সময় কাটিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ফিরে যান।

Share This
Categories
বিবিধ

স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে বাঁচল চাঁদের বিল, জীবন্ত থাকল কালীপুজোর ঐতিহ্য—২৫ বছরের সাফল্যের গল্প।

পূর্বস্থলী, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আজ দীপান্বিতা অমাবস্য্যা।আজ শ্যামা মায়ের পুজো। আজ আলোর উৎসব দীপাবলি। আপামর বাঙালি মেতে উঠেছে শ্যামা মায়ের পুজোর আরাধনায়। সারা রাজ্যের মত পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের বাঁশদহ ও চাঁদের বিলের পারে চুনো বিলে কালীপুজোয় মেতে উঠেছে এলাকার মানুষজন। উল্লেখ্য নাদন ঘাট থানার বিদ্যানগর ও সমুদ্রগড় পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে চাঁদের বিল ও বাঁশদহ বিল। একসময় এই বিল থেকে চুনো মাছ সহ অন্যান্য মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করত এই এলাকার বহু মৎস্যজীবী পরিবার। এছাড়াও বিল পারের জমিতে চাষাবাদ করেও ঘর সংসার চালাতেন বহু মানুষজন। ধীরে ধীরে মজে যাওয়ার কারণে বিলে জল ধারণ ক্ষমতা কমে যায় এবং কচুরিপানায় ঢেকে যায় গোটা বিল। ফলে মাছ উৎপাদন অনেকটাই কমে যায়। এর ফলে সমস্যায় পড়েন এলাকার মৎস্যজীবীরা। এরপর ২০০১ সালে মৎস্যজীবী ও চাষীদের পাশে দাঁড়ান বর্তমানে এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তখন তিনি মন্ত্রী বা বিধায়ক ছিলেন না। নিজের উদ্যোগে বিল এবং চুনো মাছ কৃষিকাজ বাঁচাতে বিল সংস্কারের উদ্যোগ নেন। সেই সময় তিনি এই চুনো বিলে কালি পুজো শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে এই বিল সংস্কার হয়। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এতে মৎস্যজীবীদের অনেক উপকার হয়। সেই থেকে চলে আসা এই চুনো বিলে কালীপুজো এবার ২৫ তম বছরে পদার্পণ করল। এই পুজোর কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। এখানে মাকে চুনো মাছের ভোগ নিবেদন করা হয়। এক দুরকম নয় মৌরালা, শোল, খোলসে, পুটি ,কই, টেংরা,বেলে, চাঁদা সহ বারো রকমের মাছের পদ সাজিয়ে ভোগ দেওয়া হয়। এখানে মাকে মাছের সাথে সাথে কাঁকরার ভোগ ও দেওয়া হয়। মইয়ে করে মাছের ভোগ নিয়ে আসা হয় মায়ের মন্দিরে। মন্দির প্রাঙ্গণে মাছ ধরার জাল সহ নানা সরঞ্জাম সাজানো থাকে। কথিত আছে চাঁদ সওদাগরের সপ্তডিঙ্গা এই বিলেই ডুবে গেছিল। সেই কারণেই এই বিলের নাম চাঁদের বিল। বিল সংস্কার করে মৎস্যজীবীদের জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম করা, চাষের জন্য পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যেই এই পুজো শুরু করেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। খড়ের ছাউনি থেকে পূজোর শুরু হলেও আজ এখানে একটি সুদৃশ্য মন্দির হয়েছে। আজ জেলাশাসক আয়েশা রানী এ ফিতে কেটে এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই বছরের পূজোর শুভ সূচনা করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

ঐতিহ্যের পুনর্জন্ম: ৪৫ ফুট উচ্চ মন্দিরে মা কালী, রায়দিঘিতে একসপ্তাহের উৎসবের সূচনা।

রায়দিঘি, নিজস্ব সংবাদদাতা:- দুই শতাব্দীর প্রাচীন ঐতিহ্য নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল রায়দিঘির খাড়ি মন্ডলপাড়ায়। এলাকাবাসীর উদ্যোগে ২০০ বছরের পুরোনো কালীমন্দিরকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য সোমবার অনুষ্ঠিত হল কলসযাত্রা। প্রায় হাজারখানেক মহিলা সহ গ্রামবাসী পায়ে হেঁটে প্রায় সাত কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে গঙ্গাজল নিয়ে আসেন নতুন মন্দির প্রাঙ্গণে। সকাল থেকেই উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে গোটা এলাকা।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দারা জানিয়েছেন, একসময় এই এলাকাটি ছিল ঘন জঙ্গলে ঘেরা। জঙ্গলের মধ্যে গ্রামবাসীরা কালীসাধনা করতেন। পরে ধীরে ধীরে সেই সাধনাস্থলেই শুরু হয় নিয়মিত কালীপুজো। ১৩৭৬ বঙ্গাব্দে (১৯৬৯ সালে) প্রথমবার এখানে একটি কালীমন্দির নির্মিত হয়। সময়ের প্রবাহে সেই মন্দির পুরোনো হয়ে পড়ে, তাই এবছর নতুন মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়।

নতুন মন্দিরের উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট এবং মায়ের মূর্তি ছয় ফুট উচ্চতার, স্থায়ীভাবে নির্মিত। উদ্বোধনের দিন থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠান। প্রতিদিনই স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, “আগে এখানে জঙ্গল ছাড়া কিছুই ছিল না। সেই জায়গা থেকেই আজ এই বিশাল মন্দির দাঁড়িয়েছে, এটা আমাদের গর্ব।”

এলাকাজুড়ে এখন একটাই প্রত্যাশা—নতুন কালীমন্দির আরও ঐতিহ্য ও ভক্তির কেন্দ্র হয়ে উঠুক আগামী দিনে।

Share This
Categories
বিবিধ

“ছোটদের মুখে হাসিই আমাদের পুরস্কার” — ডাউকিমারির সংগঠনের অনন্য মানবিক উদ্যোগ জলপাইগুড়িতে।

জলপাইগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- আসন্ন দীপাবলি উপলক্ষে ডাউকিমারি স্বপ্ন পূরণ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হোগলা পাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের দুঃস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ালো। দীপাবলির আগের দিন সংস্থার সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেন পূজার সামগ্রী। সংগঠনের সদস্যদের দাবি,ছোট্ট শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। বন্যায় সবকিছু হারানোর পর তাদের জীবনে একটু আনন্দ ফিরিয়ে আনতে পেরে আমরা আনন্দিত।” উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিল মোমবাতি, ধূপকাঠি, ফুলঝুরি এবং মিষ্টি। সংস্থা আরও জানিয়েছে, অতীতের মতো ভবিষ্যতেও তারা আর্ত মানুষের পাশে থাকবে।

Share This
Categories
বিবিধ

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দুঃস্থদের পাশে সহায়তা — পূজা মণ্ডপে একজায়গায় মিলছে ভক্তি ও সামাজিক উদ্যোগ।

মানিকচক, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- গ্রাম বাংলার ফেলে আসা দিনগুলিকে থিম করে কালীপূজায় তাক লাগাতে প্রস্তুত মলদহের মানিকচকের যুব সংঘ ক্লাবের কালীপূজা। থিম করা হয়েছে গ্রাম বাংলার ফেলে আসা দিন। এবছর ৪৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল মানিকচক যুব সংঘ ক্লাবের কালী পূজা। জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। আয়োজন মানুষের মন জয় করবে এমনটাই আশা পূজা উদ্যোক্তাদের।

মানিকচক ব্লক এলাকায় বহু কালীপূজা হলেও অন্যতম বড় কালীপূজা করে মানিকচক যুব সংঘ ক্লাবের কালীপূজা। তৈরি হচ্ছে প্রতিভা সাজিয়ে তোলা হচ্ছে পুজো মণ্ডপ। তবে অত্যাধুনিক যুগে পুরনো দিনের গ্রাম বাংলা কেমন ছিল সেই চিত্র এবারের পূজা মন্ডপে ফুটে উঠছে। এই চিন্তা ভাবনাকে সামনে রেখে পূজা উদ্যোক্তারা গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যই ফুটিয়ে তুলতে জোর কদমে কাজ চালাচ্ছে। ধনের কুঠির আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। যার ভেতরে থাকবে গ্রাম বাংলার বিভিন্ন ফেলে আসা ঐতিহ্য গুলি। চটের ওপরে চলছে মাটির প্রলেপ কারুকার্যের মধ্য দিয়ে প্রাচীন দিনগুলির স্মৃতিচারণ করবে উদ্যোক্তারা। এ বছর পূজার বাজেট প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা। প্রতিমা তৈরি হচ্ছে ২৫ ফুট উচ্চতার। জোর কদমে চলছে প্রতিভা থেকে মন্ডপ শয্যার কাজ। পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করলেও এ বছর নাচের প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উদ্যোক্তারা। চলছে অডিশন থেকে শুরু করে প্রতিযোগীদের বাছাই পর্ব।

উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, মায়ের বিশালাকারের মূর্তি তৈরি হচ্ছে। ছাগ বলিও হয়। পুজোকে কেন্দ্র করে সামাজিক মূলক বিভিন্ন কর্মসূচি দুস্থদের পাশে দাঁড়ানো তার সাথে সাংস্কৃতিক মূলক মানুষের মনোরঞ্জনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হয়। বিশালাকারের প্রতিমা হওয়ায় মন্ডপে সেই প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। যে ধরনের তারা প্রাচীন দিনগুলিকে ফুটিয়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে অবশ্যই দর্শনার্থীদের মন জয় করবে বলে আশা প্রকাশ করছেন।

Share This
Categories
বিবিধ

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন! নৈহাটী রেলমাঠে পুজোমণ্ডপের পাশে দাউদাউ করে জ্বলল ষ্টল।

নদীয়া, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- নৈহাটী রেলমাঠে কালীপুজোর প্যান্ডেলের সামনে খাবার ষ্টল আগুনে ভষ্মীভূত। ঘটনাস্থলে দমকলের ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে শট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। দুটি রান্নার সিলিন্ডার আগুনে বাষ্ট করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

বালুরঘাট সাড়ে তিন নম্বর মোড় ক্লাবের হীরক জয়ন্তী বর্ষের কালীপুজোতে প্রবীণ নাগরিকদের সম্মাননা জ্ঞাপন ও আলোচনা সভার আয়োজন করলো।

দক্ষিণ দিনাজপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বালুরঘাট সাড়ে তিন নম্বর মোড় ক্লাবের এবছর হীরক জয়ন্তী বর্ষ, এই ক্লাব হীরক জয়ন্তী বর্ষের কালীপুজোতে আজ একুশে অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল চারটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত ক্লাবের নিজস্ব সভাঘরে প্রবীণ নাগরিকদের সম্মাননা জ্ঞাপন ও আলোচনা সভার আয়োজন করলো। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সাড়ে তিন নম্বর মোড় ক্লাবের সভাপতি অরিন্দম চক্রবর্তী। দক্ষিণ দিনাজপুর প্রবীণ নাগরিক কল্যাণ মঞ্চ এই আলোচনা সভাটিকে পরিচালনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে। এদিনের সভায় প্রবীণ নাগরিকদের প্রাত্যহিক জীবনে বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের এখনো সমাজে গুরুত্ব আছে এবং তাঁরাও সমাজকে অনেককিছু দিতে পারে সেই বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়াও সরকারি ক্ষেত্রে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ সুবিধাগুলো তাঁরা না জানার কারণে পায় না সেই বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি সমাজে সঙ্গীত ও সংস্কৃতির একাল সেকাল নিয়েও একটি মনোজ্ঞ আলোচনা হয়। আলোচনা সভায় দক্ষিণ দিনাজপুর প্রবীণ নাগরিক কল্যাণ মঞ্চের পক্ষ থেকে মঞ্চের সভাপতি সরোজ কুমার কুন্ডু, মঞ্চের প্রাক্তন সভাপতি তথা রাজ্য কমিটির সদস্য চঞ্চল কুমার শিকদার, মঞ্চের প্রাক্তন সভাপতি অরুন কুমার সেন, বিশিষ্ট আইনজীবী প্রদীপ্ত কিরণ সরকার, লেখক ও সমাজসেবী কৃষ্ণপদ মন্ডল, বিশিষ্ট নাট্য ব্যক্তিত্ব প্রদোষ মিত্র প্রমুখ ব্যক্তিরা বক্তব্য রাখেন। বালুরঘাট শহর ও শহরতলীর বহু প্রবীণ নাগরিক ব্যক্তি আজকের এই আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে আলোচনা সভাটিকে সাফল্যমন্ডিত করে। আলোচনা সভাটি পরিচালনার পাশাপাশি সঞ্চালনা করেন সাড়ে তিন নম্বর মোড় ক্লাবের পুজো কমিটির সভাপতি দুর্গা শংকর সাহা।

Share This
Categories
বিবিধ

উমরপুর বাসস্ট্যান্ডে মহিলার ব্যাগ থেকে ৫টি পিস্তল ও ৫টি অতিরিক্ত ম্যাগাজীন ২৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য।

রঘুনাথগঞ্জ, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের বড়সড় সাফল্য। ৫টি পিস্তল ও ২৪ রাউন্ড কার্তুজ সহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করলো জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। রবিবার বিকেলেই উমরপুরের ফারাক্কাগামী বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত মহিলার নাম সাধনা হালদার। তার বাড়ি লালগোলা থানার কৃষ্ণপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফারাক্কার এনটিপিসি এলাকা থেকে অস্ত্রগুলি সংগ্রহ করে সেগুলি মুর্শিদাবাদের শেষপ্রান্ত সাগরপাড়া অঞ্চলে পাচারের পরিকল্পনা ছিল সাধনার। নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর পেয়ে আগেই ওঁত পেতে ছিল রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। পরিকল্পনা অনুযায়ী উমরপুরে গাড়ি বদলের মুহূর্তেই পুলিশ তাকে ঘিরে ফেলে গ্রেফতার করে। অস্ত্র কারবার চক্রে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে। সোমবার ধৃত ওই মহিলাকে জঙ্গিপুর আদালতে পাঠানো হবে পুলিশের পক্ষ থেকে।

Share This
Categories
বিবিধ

চিত্রা সিনেমা হল দখল ইস্যুতে উত্তেজনা, পুলিশের উপস্থিতিতে ভিতরে প্রবেশ করল সংস্থা।

বোলপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা :- সারা দেশে যখন একের পর এক ছোট সিনেমা হলের পর্দা চিরতরে নেমে যাচ্ছে, তখন বোলপুর শহরের হৃদয়স্থলে এক ছোট সিনেমা হলকে নতুন করে জীবিত করার স্বপ্নে বিভোর হয়েছিলেন বেশ কিছু মানুষ। কিন্তু সেই স্বপ্নে পড়েছে বড় ধাক্কা। জায়গা জবরদখলের অভিযোগে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে বোলপুরের প্রখ্যাত চিত্রা সিনেমা হলকে ঘিরে।

বহু বছর ধরে বোলপুরবাসীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল এই ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল। বাংলা ও হিন্দি সিনেমার পাশাপাশি মাঝে মাঝে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও জমজমাট থাকত এই প্রেক্ষাগৃহ। কিন্তু করোনা মহামারীর ধাক্কায় বন্ধ হয়ে যায় হলের পর্দা। এরপর থেকেই শুরু হয় জমি ও দখল নিয়ে এক দীর্ঘ আইনি লড়াই।

সূত্রের খবর, SSR সিনেমাস প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক সংস্থা সেই বন্ধ সিনেমা হলটি লিজে নিয়ে আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নেয়। সংস্থার পরিকল্পনা ছিল দুই স্ক্রিন বিশিষ্ট একটি আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স তৈরি করা—যেখানে শুধু সিনেমাপ্রেমীরাই নয়, স্থানীয় বহু মানুষও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।

কিন্তু ঠিক সেখানেই বাধা। অভিযোগ, করোনা পর্বে হল বন্ধ থাকার সুযোগে দীপঙ্কর ভকত নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে জায়গাটি অবৈধভাবে দখল করে নেন।

এদিন, রবিবার সকালে SSR সিনেমাস-এর কর্তৃপক্ষ বৈধ কাগজপত্র ও চাবি নিয়ে সিনেমা হলটি পুনরায় খোলার উদ্যোগ নেন। অভিযোগ, তখনই দীপঙ্কর ভকতের সঙ্গে তাদের বচসা বাধে। আরো অভিযোগ তিনি কোম্পানির কর্মীদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেননি।

তবে সংস্থার আধিকারিকরা পুলিশের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়া মেনেই ভিতরে প্রবেশ করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে রতন সাহা বলেন, “কোর্টের রায়কে অমান্য করেছেন ওই ব্যক্তি। আমরা সবকিছু আইন মেনে করছি। পুলিশ ও পৌরসভাকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।”

অন্যদিকে, দীপঙ্কর ভকত সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “আমি কোনও অবৈধ দখল করিনি। সবটাই ভিত্তিহীন প্রচার।”

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সিনেমা হলটি চালু হলে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন যুবক-যুবতীর চাকরির সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে চিত্রা মোড়ের ব্যবসায়িক প্রাণও ফের জেগে উঠবে বলে আশাবাদী তারা।

এখন প্রশ্ন একটাই—আইনি জটিলতার অন্ধকার কাটিয়ে কবে ফের আলো জ্বালাবে, বোলপুর শহরের প্রাচীন সিনেমা হল – চিত্রা সিনেমা। না কি দখলদারি ও মামলার টানাপোড়েনে অন্ধকারেই থাকবে চিত্রা সিনেমা?

Share This
Categories
বিবিধ

মানসিক ভারসাম্য থেকে আত্মরক্ষা — রাজনগরের স্কুলে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশংসা কুড়োলেন স্বেচ্ছাসেবীরা।

বীরভূম-রাজনগর, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- Help Us Help Them নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে স্কুলের বাচ্চাদের মানসিক সুস্থতার জন্য ও আত্ম রক্ষার কৌশল শেখাতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ‘ ‘কালারিপায়াত্তু’ তথা ‘কালাহারি’র মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে৷ সংস্থার পক্ষ থেকে বীরভূম জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার নৃপেন্দ্রনাথ সৌ এবিষয়ে মিডিয়াকে প্রতিক্রিয়া জানান৷ জানা গিয়েছে, এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দ্বারা পশ্চিমবঙ্গের ১০০ টি স্কুলে, বীরভূমের ১০ টি স্কুলে পঠন পাঠনের মান উন্নয়ন, বাচ্চাদেরকে হাতে কলমে আনন্দদায়ক শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে স্কুলগুলিতে বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে৷ মার্শাল আর্ট হিসাবে ‘ কালারি পায়াত্তু ‘ বা ‘কালাহারি’ প্রতিরক্ষা কৌশল, নৃত্য, যোগ ব্যায়াম, নিরাময় পদ্ধতি এবং ফিজিওথেরাপিউটিক চিকিৎসার এক অনন্ব সমন্বয়৷ বাচ্চাদের মানসিক সুস্থতার জন্য ও আত্ম রক্ষার কৌশল শেখাতে কালারি পায়াত্তুর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে৷ খয়রাশোল শিশুভারতী বিদ্যামন্দির, রাজনগর অমিতা বিদ্যানিকেতনে একই দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়৷ প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠরত বাচ্চাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ৷ অমিতা বিদ্যানিকেতনে কলকাতা থেকে আগত শিক্ষিকা মিতা বাড়ুই প্রশিক্ষণ দেন৷ সপ্তাহে একদিন বিনা মূল্যে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নিয়মিত৷ এতে খুশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঠাকুরদাস ভান্ডারী ও অভিভাবকরা৷ এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন অনেকে৷
বীরভূমের রাজনগর থেকে মহম্মদ সফিউল আলমের রিপোর্ট বঙ্গ এক্সপ্রেস নিউজHelp Us Help Them নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে স্কুলের বাচ্চাদের মানসিক সুস্থতার জন্য ও আত্ম রক্ষার কৌশল শেখাতে বিশেষ প্রশিক্ষণ ‘ ‘কালারিপায়াত্তু’ তথা ‘কালাহারি’র মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে৷ সংস্থার পক্ষ থেকে বীরভূম জেলা প্রোগ্রাম ম্যানেজার নৃপেন্দ্রনাথ সৌ এবিষয়ে মিডিয়াকে প্রতিক্রিয়া জানান৷ জানা গিয়েছে, এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দ্বারা পশ্চিমবঙ্গের ১০০ টি স্কুলে, বীরভূমের ১০ টি স্কুলে পঠন পাঠনের মান উন্নয়ন, বাচ্চাদেরকে হাতে কলমে আনন্দদায়ক শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে স্কুলগুলিতে বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে৷ মার্শাল আর্ট হিসাবে ‘ কালারি পায়াত্তু ‘ বা ‘কালাহারি’ প্রতিরক্ষা কৌশল, নৃত্য, যোগ ব্যায়াম, নিরাময় পদ্ধতি এবং ফিজিওথেরাপিউটিক চিকিৎসার এক অনন্ব সমন্বয়৷ বাচ্চাদের মানসিক সুস্থতার জন্য ও আত্ম রক্ষার কৌশল শেখাতে কালারি পায়াত্তুর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে৷ খয়রাশোল শিশুভারতী বিদ্যামন্দির, রাজনগর অমিতা বিদ্যানিকেতনে একই দৃশ্য লক্ষ্য করা যায়৷ প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পাঠরত বাচ্চাদের জন্য এই প্রশিক্ষণ৷ অমিতা বিদ্যানিকেতনে কলকাতা থেকে আগত শিক্ষিকা মিতা বাড়ুই প্রশিক্ষণ দেন৷ সপ্তাহে একদিন বিনা মূল্যে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নিয়মিত৷ এতে খুশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ঠাকুরদাস ভান্ডারী ও অভিভাবকরা৷ এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন অনেকে৷

Share This