Categories
বিবিধ

বিড়ি শ্রমিকদের পাশে বসে বিড়ি বেঁধে অভিনব প্রচারে বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা :- বিড়ি শ্রমিকদের পাশে বসে নিজের হাতে বিড়ি বেঁধে এক অভিনব প্রচার সারলেন মোথাবাড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ এদিন বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ মোথাবাড়ি বিধানসভার রাজনগর মডেল এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে দেখেন এলাকার বেশ কিছু মহিলারা বসে বিড়ি বাঁধছেন, আর সেই দেখেই বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ তিনি নিজেই মাটিতে বসে তাদের সঙ্গে বিড়ি বাঁধতে শুরু করেন। মহিলা বিড়ি শ্রমিকদের কাছ থেকে বিড়ি বাধাও শিখলেন। বিড়ি শ্রমিকদের সঙ্গে বসে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা করেন তাদের সমস্যার কথা শুনেন। বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষ জানান, আজকে এই শ্রমিকদের সঠিক পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে না প্রায় এক হাজার বিড়ি বাঁধলে সামান্য টাকা দেয়া হয়, রাজ্যের কর্মসংস্থান নেই, বিড়ি বাধার কাজের টাকা পেতে গেলে দিতে হয় কাঠ মানি এমনটাই অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর তাই আগামী দিনে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসলে এই বিড়ি শ্রমিকদেরকে প্রতিদিন মজুরি হিসেবে ৩০০ টাকা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি মহিলাদের অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে ৩০০০ টাকা করে একাউন্টে দেওয়া হব l

যদিও মোথাবাড়ি বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী নিবারণ ঘোষের বক্তব্যে পাল্টা দিয়েছে তৃণমূলও মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান, বিজেপি শুধু মিথ্যা কথা বলে আমাদের সরকার বিড়ি শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়েছে, ভোটের সময় বিজেপি বিভিন্ন ধরনের নাটক শুরু করেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মালদা বিধানসভায় বিজেপির জয়ের দাবি, প্রচারে আত্মবিশ্বাসী গোপাল সাহা।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পশ্চিমবঙ্গ তথা মালদা বিধানসভার মানুষের একটাই কথা এবারে পরিবর্তন চাই। প্রত্যেক বারের মতো এবারও বিজেপি ব্যাপক হারে লিড দিবে এই বিধানসভা থেকে। এ রাজ্যে যে দুর্নীতিবাজ তৃণমূল সরকার চলছে, সেই তৃণমূল সরকারের পরিবর্তন সবাই চাইছে। ভোট প্রচার হাতে মাত্র আর দু দিন, সোমবার নিজের বিধানসভার ৮ মাইল হাট ঘুরে ঘুরে এমনটাই জানালেন মালদা বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী গোপাল চন্দ্র সাহা।

Share This
Categories
বিবিধ

স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটের আশ্বাস, মালদহে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা : – ভোট প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে মালদহে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক। মালদহ জেলা প্রশাসনিক ভবনে পৌঁছে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক। বৈঠকে রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক হিমাংশু কুমার লাল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে মনোজ আগরওয়াল। বৈঠকে উপস্থিত মালদহের জেলাশাসক, পুলিশ সুপারও। বৈঠক শেষে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল খতিয়ে দেখেন কন্ট্রোল রুমও। পরে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, পোলিং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বুথে কেউ ঢুকতে পারবে না ! যে ভোটার নেই, যার কাছে RO থেকে সার্টিফিকেট নেই। বিভিন্ন জায়গায় CAPF থাকবে। ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে, যেখানে গন্ডগোল হবে সেখানে যাবে। রাজ্য পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা দেখবে। BLO থেকে শুরু করে কার কি কাজ আছে আমরা কি ধরনের অ্যাকশন করব সমস্ত রাজনৈতিক দলকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদি বেশি গন্ডগোল হয়, অভিযোগ আসে আমরা রি-পোল জানাবো। ওসিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দুই এক জন সাসপেন্ড হয়েছে। তাদের সাথেও আমরা বৈঠক করব। কার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ আছে? সেটাও খতিয়ে দেখব। আইনের উপর কেউ নেই। এবার শান্তিপূর্ণ এবং স্বচ্ছ ভোট হবে, কেউ ভয় করবেন না। পরিযায়ী শ্রমিক যারা এখানে আসবেন ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু তাদের হয়ে অন্য কেউ ভোট দিতে পারবে না। ট্রাইব্যুনাল যাদেরকে অ্যাড করবে তাদের নাম আমরা ভোটার লিস্টে উঠেয়ে দিব। যাদের বাদ দিবে তাদের নাম কাটা যাবে। পোস্টাল ব্যালট শুরু হয়েছে। প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর ভোট দেওয়া নিশ্চিত করব আমরা। কন্ট্রোলরুম প্রত্যেক জেলাতে হচ্ছে, সিও দপ্তরে হচ্ছে। প্রত্যেক বুথ কভার হবে। প্রত্যেক বিধানসভায় তিনটি করে স্কিন থাকবে। প্রত্যেকটা সময় নজরদারি চালানো হবে। যারা নজরদারি চালাবেন তাদের নির্দিষ্ট সময় রিপোর্ট দিতে হবে কি দেখলেন না দেখলেন। যারা নজরদারি চালাচ্ছেন তাদের সম্পূর্ণ রিপোর্ট দিয়ে লিখিতভাবে বেড়াতে হবে। এবার তিন জায়গায় সিসিটিভি নজরদারি হচ্ছে। RO অফিসে হচছে DO অফিসে হচ্ছে এবং CO অফিসে হচ্ছে। বুথে CAPF যে থাকবে ভেতরে সে সবসময় নজর রাখবে কোন গন্ডগোল হলে সঙ্গে সঙ্গে খবর দিবে। আমরা সম্পূর্ণভাবে শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছতা রাখার প্রয়াস চালাচ্ছি। সিভিক ভলেন্টিয়াররা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো ডিউটিতে থাকবে না। তারা সাধারণ মানুষের মতো জীবন যাপন করবে। এবার খুব কড়া ও শক্ত নির্বাচন হবে।

Share This
Categories
বিবিধ

বসিরহাট দক্ষিণে প্রচার ঘিরে সংঘর্ষের অভিযোগ, পথে নামল কংগ্রেস।

বসিরহাট, নিজস্ব সংবাদদাতা :- কংগ্রেসের প্রচার ও ফ্লাগ ফেস্টুন লাগানোর সময় বাধা ও হামলার অভিযোগ ৷ অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাস্তা অবরোধ বিক্ষোভ ৷
ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার পিফা গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবক এলাকায় ৷ বসিরহাট দক্ষিণ বিধানসভার জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী আবু এসাক গাজীর অভিযোগ পিফা গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২৭ নম্বর বুথে দেবক গ্রামে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী প্রচার ও ফ্ল্যাগ ফেস্টুন লাগানোর সময় তৃণমূল নেতা কর্মীরা এসে হামলা চালায় বলেই অভিযোগ ৷ বেশ কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে আহত প্রায় তিনজন ৷ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসিরহাট মালঞ্চ রোড তেতুলতলা এলাকায় প্রায় 40 মিনিট রাস্তা অবরোধ ও বিক্ষোভ দেখায় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ৷ অবশেষে ঘটনাস্থলে আসে বসিরহাট থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ানরা ৷ পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে ন্যায় বিক্ষোভকারীরা ৷ ওই একই এলাকায় গত কয়েকদিন আগে বিজেপির প্রার্থী সৌর্য ব্যানার্জির প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রার্থী গিয়ে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আশ্বাসে অবরোধ উঠে যায়।বারবার এই ধরনের ঘটনা ঘটায় রাজনৈতিক উত্তাপ চড়ছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।

Share This
Categories
বিবিধ

১৫ লক্ষ টাকা কোথায়? জনসভা থেকে বিজেপিকে প্রশ্ন স্বপন দেবনাথের।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- নির্বাচনী জনসভা থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ সানালেন পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের মোল্লার বিল এলাকায় এদিন শনিবার সন্ধ্যে সাড়ে ছটা নাগাদ প্রার্থী স্বপন দেবনাথ এর সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বক্তা হিসাবে মমতা বালা ঠাকুর উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে উপস্থিত হতে পারেনি। এরপর মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তিনি বলেন নির্বাচনের আগে বিজেপি বলেছিল দেশের সমস্ত কালো টাকা উদ্ধার করে মানুষের একাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে। বিজেপি কি দিয়েছে? তারা বলেছিল বছরে ২ কোটি বেকারের চাকরি দেবো বেকাররা কি সত্যিই চাকরি পেয়েছে? প্রশ্ন মন্ত্রীর।

Share This
Categories
বিবিধ

প্রার্থীর পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে উত্তপ্ত নাদনঘাটের সমুদ্রগড় এলাকা।।

পূর্ব বর্ধমান, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পূর্ব বর্ধমানের নাদনঘাট থানার অন্তর্গত সমুদ্রগড় স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে পোস্টারকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে লাগানো পোস্টারের উপরেই লাগানো হয়েছে বিজেপির পোস্টার। শুধু তাই নয়, তৃণমূল নেত্রীর ছবির উপরেই প্রধানমন্ত্রীর ছবি বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মধ্যে। এদিন রবিবার আনুমানিক বেলা ১.৩০ নাগাদ
তৃণমূল দাবি করে , এটি পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রচার ব্যাহত করার চেষ্টা। পাশাপাশি তারা অভিযোগ করেছেন, তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথের বেশ কিছু পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে বা নষ্ট করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে।যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় রক্তাক্ত পারিবারিক ট্র্যাজেডি, মৃত দম্পতি।।

মুর্শিদাবাদ, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার পোষপাড়া পছিপাড়া এলাকায় স্ত্রীকে খুন করে স্বামীর আত্মহত্যার ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতরা হলেন তাপস দাস ও তাঁর স্ত্রী তাপসী দাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী তাপস দাস বটি দিয়ে স্ত্রী তাপসী দাসের মাথায় ও গলায় আঘাত করেন। গুরুতর জখম হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকেন তাপসী। অভিযোগ, স্ত্রীকে খুন করার পর কিছুক্ষণ পরেই তাপস দাস ঘরের চিলেকোঠায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন।

ঘটনার খবর পেয়ে বড়ঞা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুটি দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দী মহকুমা হাসপাতালে পাঠায়।

মৃত তাপসীর বোন শিলা দাস অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাপস দাস তাঁর দিদিকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এদিন সেই নির্যাতনেরই চরম পরিণতি ঘটেছে বলে তাঁর দাবি।

মৃত দম্পতির দুই মেয়ে রেনুকা দাস ও পাপিয়া দাসও অভিযোগ করেন, তাঁদের বাবা তাঁদের মাকে খুন করেছেন এবং পরে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। মা-বাবা দুজনকেই একসঙ্গে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছে দুই মেয়ে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তারা জানায়, “মা-বাবা দুটোই আজ পৃথিবীতে নেই, আমরা কীভাবে বাঁচব?”

অন্যদিকে, তাপসী দাসের কাকা মতন দাস অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে শাশুড়ি ও ননদেরও যোগ থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে বড়ঞা থানার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বড়ঞা থানার পুলিশ।

Share This
Categories
বিবিধ

গেরুয়া ঢেউয়ে বালুরঘাট, প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়ের পাশে নীতিন নবীন।

নিজস্ব সংবাদদাতা, বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বালুরঘাট শহরে চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়ের সমর্থনে নির্বাচনী রোড শো করলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ নীতিন নবীন।

বালুরঘাট শহরের হিলি মোড় থেকে শুরু হয়ে রোড শোটি মঙ্গলপুর, বড়বাজার, ডানলোপ মোড়, থানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সুসজ্জিত গাড়িতে প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়কে পাশে নিয়ে রাস্তার দু’ধারের জনতাকে হাত নেড়ে অভিবাদন জানান নীতিন নবীন। গেরুয়া পতাকা, বেলুন, পদ্মফুল চিহ্নের কাটআউটে ঢেকে যায় গোটা রোড শো।

‘জয় শ্রীরাম’, ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’, ‘নীতিন নবীন জিন্দাবাদ’, ‘বিদ্যুৎ দা জিন্দাবাদ’ স্লোগানে কেঁপে ওঠে শহর। রাস্তার দু’ধারে, বাড়ির ছাদে, দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে উৎসাহী জনতা ফুল ছিটিয়ে দুই নেতাকে স্বাগত জানান। ঢাক-ঢোল সহকারে চলে মিছিল।

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও তোষণের রাজনীতি থেকে মুক্তি চাইছে মানুষ। বালুরঘাটের এই জনসমুদ্র প্রমাণ করছে পরিবর্তন আসন্ন। ডাবল ইঞ্জিন সরকারই বাংলায় প্রকৃত উন্নয়ন ও সুরক্ষা দিতে পারবে। বিদ্যুৎ কুমার রায়কে পদ্মফুলে ভোট দিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করুন।”

প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায় বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতি আমাদের মনোবল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল। বালুরঘাটে শিল্প, কর্মসংস্থান, কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে বিজেপিই একমাত্র ভরসা।”

দলীয় সূত্রে খবর, সর্বভারতীয় সভাপতির এই রোড শো-র মাধ্যমে জেলার ৬টি বিধানসভাতেই কর্মীদের চাঙ্গা করার বার্তা দিল বিজেপি। রোড শোতে জেলা সভাপতি, জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতৃত্ব, মহিলা মোর্চা, যুব মোর্চার কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। গোটা কর্মসূচিকে ঘিরে শহরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ-প্রশাসন।

Share This
Categories
বিবিধ

মঙ্গলপুর থেকে বাজার পর্যন্ত রোড শো, বালুরঘাটে বিজেপির জোর প্রচার।

বালুরঘাট, নিজস্ব সংবাদদাতা:- বালুরঘাটে রবিবার ৩৯ নম্বর বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ কুমার রায়ের সমর্থনে একটি বিশাল রোড শো অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি নীতিন নবীন। মঙ্গলপুর এলাকা থেকে শুরু হওয়া রোড শোটি বাসস্ট্যান্ড ও বালুরঘাট বাজার সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পথ পরিক্রমা করে। রাস্তাজুড়ে সমর্থকদের ভিড় এবং উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।

রোড শো চলাকালীন নীতিন নবীন হাত নেড়ে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বিদ্যুৎ কুমার রায়কে সমর্থন করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রার্থীর হাত ধরে পথচলতি মানুষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং ভোটের ময়দানে তার পক্ষে জনসমর্থন গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানান, যাতে তারা বিদ্যুৎ বাবুকে ভোট দিয়ে জয়ী করেন এবং বালুরঘাটের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত করেন।

Share This
Categories
বিবিধ

তপনের ডাঙ্গায় পদ্ম শিবিরের শক্তি প্রদর্শন, প্রচারে দুই বিজেপি প্রার্থী।

নিজস্ব সংবাদদাতা, তপন, নিজস্ব সংবাদদাতা:- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে তপন বিধানসভার ডাঙ্গা অঞ্চলের ট্যাংক মোড় বাজার সংলগ্ন এলাকায় প্রচার অভিযান চালাল ভারতীয় জনতা পার্টি। প্রচারে উপস্থিত ছিলেন তপন বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বুধরাই টুডু এবং কুমারগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী শুভেন্দু সরকার।

ট্যাংক মোড় এলাকা চত্বর বিজেপির পতাকা, ব্যানার ও পদ্মফুল চিহ্নের ফেস্টুনে সেজে ওঠে। দুই বিধানসভার প্রার্থীকে একসঙ্গে দেখতে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে। ‘জয় শ্রীরাম’, ‘বিজেপি জিন্দাবাদ’ স্লোগানে সরগরম হয় বাজার এলাকা।

প্রচার চলাকালীন সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে জনসংযোগ করেন দুই প্রার্থী। বুধরাই টুডু বলেন, “তপনের মানুষ তৃণমূলের দুর্নীতি ও সন্ত্রাস থেকে মুক্তি চাইছে। আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলে পানীয় জল, সেচ, স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশা। ডাবল ইঞ্জিন সরকার গড়লে ডাঙ্গা সহ গোটা তপনের চেহারা বদলে যাবে।”

কুমারগঞ্জ বিধানসভার বিজেপি মনোনীত প্রার্থী শুভেন্দু সরকার বলেন, “দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপির পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম, যুবকদের কর্মসংস্থান ও মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমাদের অঙ্গীকার। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে পদ্মফুলে ভোট দিন।”

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার একাধিক বিধানসভায় যৌথ প্রচারের কৌশল নিয়েছে বিজেপি। ট্যাংক মোড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রচারের মাধ্যমে গ্রামীণ ও ব্যবসায়ী ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে চাইছে দল।

প্রচার অভিযানে বিজেপির জেলা স্তরের কার্যকর্তা এবং বুথ স্তরের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Share This