Categories
রিভিউ

আজ ০২ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০২ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস
(খ) বিশ্ব শিশুতোষ বই দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮০৫ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, ডেনীয় লেখক এবং কবি।  .
১৮৪০ – এমিল জোলা, ফরাসি ঔপন্যাসিক।  .
১৮৬২ – নিকোলাস মরি বাটলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।  .
১৮৯৮ – হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, কবি, নাট্যকার ও অভিনেতা।  .
১৯০২ – বিখ্যাত হিন্দুস্তানী খেয়াল সঙ্গীতজ্ঞ বড়ে গুলাম আলী খান।  .
১৯০৩ – ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খসরু, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী।

১৯১৪ – আলেক গিনেজ, ইংরেজ অভিনেতা।
১৯২৭ – পুশকাস, হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৪১ – ববি মুর, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৪৩ – বিন্দেশ্বর পাঠক, ভারতীয় সমাজবিজ্ঞানী, সামাজিক উদ্যোক্তা এবং সুলভ ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৮ – মোহাম্মদ নাসিম, বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৯৫৩ – দেব্রালি স্কট, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৬৩ – কার্ল বিটটিয়ে, ইংরেজ পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৭৩ – দিমিত্রি লিপারটভ, রাশিয়ান ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৭৫ – অ্যাডাম রদ্রিগেজ, মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯৮০ – গেভিন হাফেরনান, কানাডীয় পরিচালক ও চিত্রনায়ক।
১৯৮৩ – পোল কেপডেভিল, চিলির টেনিস খেলোয়াড়।
১৯৮৬ – ইব্রাহীম আফেলায়, ডাচ ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০০ – বিটোফেন তার প্রথম সিম্ফনির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন ভিয়েনায়।
১৮২৭ – যুক্তরাষ্ট্রে জোসেপ ডিক্সন প্রথম লিড পেন্সিল নির্মাণ করেন। তিনি ম্যাচাচুসেটস অঙ্গ রাজ্যের সালেমে পেন্সিল নির্মানের কারখানা স্থাপন করেন।
১৮৪৫ – সুর্যের প্রথম আলোকচিত্র গ্রহণ করা হয়েছিলো।
১৮৫১ – রামা (সপ্তম) থাইল্যান্ডের রাজা হন।
১৯১২ – ইল্ল-ফাটেড আরএমএস টাইটানিক সমুদ্রের ট্রায়াল শুরু করে।
১৯১৭ – তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আহবান জানান।
১৯৪১ – মরু শিয়াল হিসেবে খ্যাতিমান জার্মানীর বিখ্যাত লেফটেনেন্ট জেনারেল এডউইন রোমেল লিবিয়া পুনঃদখলের অভিযান শুরু করেন।
১৯৬৩ – মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৮২ – ফকল্যান্ডস যুদ্ধ: আর্জেন্টিনা ফক্‌ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আক্রমণ করে।
১৯৮৯ – সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ হাভানায় ভ্রমণ করেন ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে দেখা করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৭ – জার্মান লেখক জহান হাইনরিশ জং।

১৯১৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান লেখক পল হেইসা।
১৯২৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ থিওডোর উইলিয়াম রিচার্ডস।

১৯৩৩ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় ক্রিকেটার রণজিত সিংহ।

১৯৫৩ – কবি, সাংবাদিক, রাজনীতিক ও আইনজ্ঞ আসাফ আলী।

১৯৫৮ – জাপানি শিক্ষক ও সমাজ কর্মী জসেই টডা।
১৯৬৫ – অতুলচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৭২ – টেলিগ্রাফ ব্যবস্থার উদ্ভাবক মার্কিন আবিষ্কারক স্যামুয়েল মোর্স।
১৯৮৬ – আইনজীবী ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন।
১৯৯৪ – মার্কিন অভিনেত্রী বেটি ফুরনেসস।
১৯৯৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী হানেস উলফ গোস্তা আল্‌ফভেন।
২০০৫ – ইংরেজ অভিনেত্রী বেত্তী বলটন।
২০১২ – অস্ট্রেলিয়ান এক্সপ্লোরার, লেখক ও প্রকৌশলী ওয়ারেন বন্যথন।
২০১৪ – ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়ক ল্যন্ডসি হল্যান্ড।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব ।।।।

চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষায় অটিজম বা অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার স্নায়ুবিক বিকাশের প্রতিবন্ধকতার প্রতিফলন। বিশ্বজুড়েই এটি একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়।আজ ১৬তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস।

অটিজম বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দিনটি পালিত হয়।
একসময় অটিজম ছিল একটি অবহেলিত জনস্বাস্থ্য ইস্যু। এটি নিয়ে সমাজে নেতিবাচক ধারণা ছিল। তবে যত দিন গিয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে।
এই দিনটিতে জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তার সদস্য দেশগুলিকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে উৎসাহিত করে। দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক “৬২/১৯৯ ধারা অনুযায়ী মনোনয়ন লাভ করে। “বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস” প্রস্তাবটি ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছিল এবং সেটি গৃহীত হয়েছিল একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর। এটি প্রস্তাব করেছিলেন জাতিসংঘে কাতারের প্রতিনিধিবৃন্দ যাদের মধ্যে ছিলেন প্রিন্সেস শিখা মোজাহ বিনতে নাসের আল-মিসনদ এবং তার স্বামী, কাতার রাজ্যের আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি। সকল সদস্যরাষ্ট্র তাঁদের এ প্রস্তাবকে সমর্থন করে।
এই প্রস্তাবনাটি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিনা ভোটে পাশ এবং গৃহীত হয়েছিল। মূলত মানবাধিকার উন্নয়নে জাতিসংঘের পূর্ববর্তী উদ্যোগসমূহের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবেই এমনটি করা হয়েছিল। তাই, অটিজমে আক্রান্ত শিশু ও বয়স্কদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সহায়তার প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০০৭ সালে ২ এপ্রিলকে ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। ‘রূপান্তরের অভিযাত্রায় সবার জন্য নিউরোবান্ধব অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গঠন’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রোববার (২ এপ্রিল) পালিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস। ১৬তম বছরের মতো এবার পালিত হচ্ছে দিবসটি।

অটিজমের লক্ষণ—-

তার সমবয়সী শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায় না। এই রোগে আক্রান্ত শিশু কারো সাথেই, সে সমবয়সী হোক কিংবা অন্য যে কোনো বয়সী হোক তার সাথে সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। কিছু কিছু বাচ্চা আবার ১ থেকে ২ বছর বয়স পর্যন্ত খেলাধুলা কথাবার্তা সব ঠিক থাকে কিন্তু হঠাৎ করে কথা ও সামাজিক মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
গবেষণা বলছে, পরিবেশের প্রভাবের পাশাপাশি জিন শিশুর বৃদ্ধিকে এমনভাবে প্রভাবিত করতে পারে যাতে ASD দেখা দিতে পারে। সময়ের আগেই শিশুর জন্ম, পারিবারিক ইতিহাস, বাবা মায়ের বয়স বেশি হওয়ার কারণগুলিও রয়েছে এই রোগের নেপথ্যে।
এই রোগের লক্ষণ গুলি হলো , সামাজিক যোগাযোগ স্থাপনে অসুবিধা হয় শিশুদের এবং মুখের অভিব্যক্তির অভাব, চোখের যোগাযোগের অভাব, ডাকার পরে উত্তর দিতে দেরি হওয়া এবং অস্বাভাবিক সুরে কথা বলা। চলন্ত বস্তু বা বস্তুর কোনও অংশে মনোনিবেশ করাতে সমস্যা দেখা দেয়, রুটিন বা সময়সূচিতে সামান্য পরিবর্তন হলেই অনভ্যাসের জেরে বিরক্তি এবং নতুন পরিবেশে সামঞ্জস্য রক্ষার ক্ষেত্রে জটিলতার সম্মুখীন হয় শিশুরা। অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের সম্ভাবনাগুলোকে চিহ্নিত করে সঠিক পরিচর্যা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে মানবিক পরিবেশে গড়ে তোলা হলে তারাও পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে।
চিকিৎসকদের একাংশ বলেন যদি সময়মতো রোগ ধরা পড়ে এবং সংবেদনশীলভাবে তার যত্ন নেওয়া হয় তাহলে এই রোগ নিয়েও সুন্দর, সৃজনশীল জীবনযাপন করা যেতেই পারে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার শুরুর দিক থেকে বিষয়টির যত্ন নিলে আপনার শিশু সামাজিক, যোগাযোগ বাড়ানোর, কার্যকরী এবং আচরণগত নানান দক্ষতা শিখতে শুরু করে।প্রতিটি অভিভাবকের উচিত নিজেদের সন্তানের সঙ্গে আরও বেশি করে সময় কাটানো। সেই সঙ্গে মনোযোগ দিতে হবে সন্তানের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া অটিজমের লক্ষণগুলির উপরেও। যদি দেখা যায়, সন্তান স্বাভাবিক আচরণ করছে না, সে ক্ষেত্রে তার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া বাঞ্ছনীয়। আর এমন লক্ষণ দেখা দিলে তা নিয়ে একেবারেই গাফিলতি কিংবা অবহেলা করা ঠিক নয়। সময় মতো অটিজম শনাক্ত করা গেলে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই শিশুকে স্বাভাবিক জীবন দেওয়া যেতে পারে। আর লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অটিজমে আক্রান্ত শিশুর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় বড় শব্দ অথবা বাক্যের পরিবর্তে ছোট-ছোট শব্দ অথবা বাক্য ব্যবহার করে কথা বলা উচিত। আক্রান্ত শিশুকে অন্য কোনও শিশু কিংবা অন্য কারওর সঙ্গে তুলনা করা চলবে না। তাকে নতুন-নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করাতে হবে। অটিজমে আক্রান্ত শিশু রাগারাগি করলে তাকে বকুনি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়, বরং তাকে ভালোবেসে কথা বলেই সব কিছু বোঝানো উচিত।
সর্বপরি, অটিজমের চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে ওষুধ, আচরণগত শিক্ষা এবং মনস্তাত্বিক পদ্ধতি যেমন সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আচরণ এবং কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি।
উল্লেখ্য, বিশ্ব অটিজম দিবস স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সাতটি দিবসের মধ্যে অন্যতম। এইদিন সেইসকল পৃথক পৃথক অটিজম সংস্থাগুলি ঐক্যবদ্ধ হয় যারা বিশ্বজুড়ে এরকম মানসিক বিকাশসংক্রান্ত ব্যাধিতে আক্রান্তদের সম্পর্কে গবেষণা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রদান এবং তাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে কাজ করে।বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস বিশ্বব্যাপী অটিস্টিক ব্যক্তিদের অধিকারের সমর্থনের জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক তৈরি করা হয়েছিল দিনটি।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ ০১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) ১ এপ্রিল অনেক দেশে এপ্রিল ফুলস্ ডে বা অল ফুলস্ ডে হিসেবে পরিচিত।
(খ) জাতীয় বিমান বাহিনী দিবস (ভারত)।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৭৮ – উইলিয়াম হার্ভে, রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির অন্যতম উদ্ভাবক।

১৮০৯ – নিকোলাই গোগোল, রুশ ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

১৮১৫ – জার্মানি পুনর্গঠনের অন্যতম পুরোধা অটো ফন বিসমার্ক।

১৮৬৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রীয় রসায়নবিদ রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি।

১৮৭০ – অতুলচন্দ্র সেন, বাঙালি লেখক।
১৯০৭ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।
১৯০৮ – আব্রাহাম মাসলো, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।
১৯১৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন শল্যবিদ জোসেফ এডওয়ার্ড মুর।

১৯২৯ – আবেদ হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক ও সুরকার।
১৯৩১ – চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও কথাশিল্পী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা ।
১৯৩২ – রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৩৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ক্লোদ কহেন-টানউডজি।

১৯৩৬ – পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের খান।
১৯৪৭ – মার্কিন লেখক ফ্রান্সিন প্রোস।
১৯৫৩ – সাবেক ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার আলবের্তো জ্যাকহেরনি।
১৯৭৬ – জাপানি টেনিস খেলোয়াড় ইয়ুকা ইয়োশিদা।
১৯৮৩ – ফ্রাংক রিবেরি, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – মার্কিন অভিনেতা জশ জাকারম্যান।
১৯৯৩ – বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলম।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় এর প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়।
১৮৬৭ – সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
১৮৬৯ – এই সময়কালে ভারতে আয়কর চালু হয়।
১৮৬৯ – নদিয়া টাউন কমিটি নামে নবদ্বীপ পৌরসভা স্থাপিত হয়।
১৮৭৮ – কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ – ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেয়া হয়।
১৯৩৫ – ১৯৩৪ সালের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক আইন বলে আজকের দিনে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপিত হয়েছিল।
১৯৩৬ – ভারতে ওড়িশা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৭ – ভারত আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৯ – স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
১৯৪২ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র জনযুদ্ধ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আগ্রাসন শুরু করে।
১৯৫৭ –
অল ইন্ডিয়া এয়ার (AIR) এর অন্যতম নাম রাখা হয় আকাশবাণী।
ভারতে পুরাতন মুদ্রা (৬৪ পয়সায় এক টাকা) বহাল রেখে দশমিক মুদ্রা (১০০ পয়সায় এক টাকা) চালু হয়।
১৯৬০ – যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে।
১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক হাজার বাঙালিকে হত্যা করে।
১৯৭৯ – ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
১৯৯২ – বসনিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৯৭ – প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বিল পাস করা হয়।
১৯৯৮ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পবিত্র ঈদুলফিতর ও ঈদুল-আজহা উপলক্ষে জাতিসংঘের স্টাফদের জন্য ২ দিনের ছুটি বাধ্যতামূলক করে।
২০০১ – নেদারল্যান্ডসে সমকামীদের মধ্যে বিয়ে বৈধ করা হয়। এটি প্রথম দেশ, যেখানে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২১ – ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিস্টফানো আলোরি।

১৯৭৯ – মার্কিন অভিনেত্রী বারবারা লুডডয়।

১৯৮৩ – কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান।

১৯৮৪ – ইংরেজ লেখক এলিজাবেথ গউডগে।
১৯৯৪ – ফরাসি ফটোগ্রাফার রবার্ট ডইস্নেয়াউ।

২০০০ – একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।
২০১২ – তুর্কি অভিনেতা একরাম বোরা।
২০১৩ – ইরানি অভিনেত্রী আসাল বাদিঈ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

কাশি কমাতে হোক বা বাতের ব্যথা বাসক পাতার গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন।।।

কাশি কমাতে হোক বা বাতের ব্যথা বাসক পাতার গুনাগুন সম্পর্কে জেনে নিন।
বসাক পাতার ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে কথা বললে প্রথমেই বলা যায় যে, পাতা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ওষুধ তৈরিতে। তাজা এবং শুকনো পাতা উভয়ই ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বাসক পাতায় ভ্যাসিসিন (বসক পাতার গুণ) নামক একটি প্রাকৃতিক পদার্থ এবং কিছু প্রয়োজনীয় তেল রয়েছে।

বসাক পাতা ব্যবহার সাধারণত ঠান্ডা ও কাশি কমাতে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘদিন ধরে বুকে জমে থাকা কফকে তরল করতে বাসক পাতার রস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাসক পাতায় থাকা প্রাকৃতিক উপাদান বুকে জমে থাকা কফ গলিয়ে ব্রঙ্কাইটিসের সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়।
বাসক পাতার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন –
১। কাশি কমাতে বাসক পাতা
আগেই যেমন বলা হল সর্দি কাশি কমাতে বাসক পাতার ব্যবহার অনস্বীকার্য। যদি বহু পুরনো সর্দি বা কাশির সমস্যা থাকে, সেক্ষেত্রে দু-চারটি বাসক পাতা খুব ভাল করে ধুয়ে বেটে নিয়ে সেই রস যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে উপশম হয়। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে বাসক পাতা প্রচন্ড তেতো হয়। কাজেই এক চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ বাসক পাতার রস মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালিপেটে বেশ কয়েকদিন খেতে পারেন। এরপর অবশ্যই এক গ্লাস জল খাবেন। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই কাশি কমে যাবে।
২। যক্ষ্মা রোধে বাসক পাতা
বাসক পাতার ঔষধি গুণ গুলির মধ্যে একটি হল বাসক পাতা যক্ষ্মা বা টিউবারকিউলোসিস রোগ সারাতে সাহায্য করে। বাসক পাতায় অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান রয়েছে যা যক্ষ্মা কমাতে (বাসক পাতার গুনাগুন) সাহায্য করে। এছাড়াও ব্রঙ্কাইটিস ও হুপিং কাশির সমস্যা সমাধানেও বাসক পাতা সাহায্য করে।
৩। বাতের ব্যথায় উপশম করে
বাসক পাতার ঔষধিগুণ (Bashok Pata) গুলির মধ্যে আরও একটি হল এই পাতা বাতের ব্যথাও উপশম করতে সাহায্য করে। এতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে যা আরট্রাইটিস, বাতের ব্যথা, গাঁটে ব্যথা ইত্যাদি নিরাময় করতে সাহায্য করে। কয়েকটি বাসক পাতা (Basak Pata Benefits) বেটে তার সঙ্গে হলুদ ও চুন মিশিয়ে লাগালে বাতের ব্যথা কমে বলে অনেকে দাবী করেন।
৪। রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে
অনেকেরই মুখে ব্রণ হয় বা পেটে সমস্যা হয় অথবা নানারকম অ্যালারজির সমস্যা থাকে। এই সমস্যাগুলো বেশিরভাগ সময়েই তখন হয় যখন রক্ত পরিষ্কার থাকে না। বাসক পাতার (Bashok Pata) নিয়মিত সেবনে কিন্তু আমাদের শরীরের রক্ত পরিষ্কার হয়। শুধু তাই নয়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করতে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতেও সাহায্য করে।
৫। জ্বর হলে বাসক পাতা খান
জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে বাসক পাতা (Bashok Pata) যথেষ্ট সাহায্য করে। এছাড়াও অনেকসময়েই জ্বরের সঙ্গে সর্দি ও কাশির সমস্যা থাকে। সেক্ষেত্রে এক চামচ মধু, এক চামচ তুলসি পাতার রস এবং এক চামচ বাসক পাতার রস (Basak Pata Benefits) খেলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
৬। শ্বাসকষ্টে বাসক পাতা
বাসক পাতা কাশি, সর্দি, ব্রঙ্কাইটিস, হাপানি ইত্যাদি নিরাময় করতে সাহায্য করে। বাসক পাতার ঔষধি গুণ আমাদের শ্বাসনালী প্রশস্ত করতে (বাসক পাতার গুনাগুন) সাহায্য করে যার ফলে শ্বাসকষ্ট কমে এবং ব্রঙ্কাইটিস ও হাপানি রোগীদের উপশম পেতে সাহায্য করে। হাপানির ওষুধ তৈরি করতেও অনেকসময়ে বাসক পাতার ব্যবহার (Basak Pata Uses) দেখা যায়।
৭। শরীরের নানা ‘দোষ’ কাটাতে
আয়ুর্বেদ মতে আমাদের শরীরে নানা দোষ থাকে যার ফলে আমাদের নানারকমের শারীরিক সমস্যা ও অসুখ হয়। আয়ুর্বেদ অনুসারে, শরীরের সুস্থ থাকা নির্ভর করে বায়ু, পিত্ত এবং কফ, এই তিনটি বিষয়ের ভারসাম্যের উপর। এর কোনওটার মাত্রা যদি বেড়ে যায়, তা হলেই দেখা দেয় নানা সমস্যা। তবে বাসক পাতার (Bashok Pata) নিয়মিত সেবনে আমাদের শরীরে এই তিনটি বস্তুর ভারসাম্য বজায় থাকে এবং শরীর সুস্থ থাকে।
নিয়মিত বাসক পাতার রস খেলে খিঁচুনি বা মৃগীরোগ সারে বলে অনেকেই দাবী করেন।
অনেকের গায়ে খুব দুর্গন্ধ হয়, তাঁরা প্রতিদিন বাসক পাতা জলে ফুটিয়ে সেই জল দিয়ে স্নান করলে গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়।
।। সংগৃহীত।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ৩১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৯৬ – রেনে দেকার্ত, ফরাসি দার্শনিক ও আধুনিক দর্শনের জনক, গণিতজ্ঞ, বিজ্ঞানী।

১৯১৪ – অক্তাবিও পাজ, সাহিত্যে নোবেলজয়ী (১৯৯০) ম্যাক্সিকান কবি।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭১৩ – ইউট্র্যাক্ট নগরের সন্ধির মাধ্যমে স্পেনীয় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মহাযুদ্ধের অবসান হয়।
১৭২৭ – ইংরেজ পদার্থ ও গণিতবিদ বিশ্বের প্রধানতম বিজ্ঞানীদের অন্যতম আইজ্যাক নিউটনের মৃত্যু।
১৭৭৪ – কলকাতায় পোস্ট মাস্টার জেনারেলের পদ সৃষ্টি করা হয়।
১৮০৭ – খিদিরপুর থেকে প্রথম বাষ্পচালিত ব্রিটিশ-ভারতীয় জাহাজ জলে ভাসানো হয়।

১৮২৪ – প্রথম ভারতীয় টাকশালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৮৮২ – কলকাতায় প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়।

১৮৮৯ – প্যারিসে আইফেল টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়।
১৯২১ – মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৫৪ – জেনারেল গিয়াপের নেতৃত্বে ভিয়েত মীন নামে পরিচিত ভিয়েতনামের বাহিনী দিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি বাহিনীকে অবরোধের সূচনা করে।

১৯৬৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন লুন টেন নামের প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণকারী একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।

১৯৭১ – সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদ সাবের নিহত হন।
১৯৭৯ – আরব লীগের সদস্যরা এই সংস্থায় মিশরের সদস্য পদ নাকচ করে দেয়।
১৯৭৯ – ইংল্যান্ডের রক্ষনশীল দলের এম.পি. এয়ারি নিভ কমন্সসভার বাইরে নিজ মোটর গাড়িতে বোমা বিস্ফোরনে প্রাণ হারান।
১৯৯১ – মধ্যরাতে ওয়ারশ জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৩১ – জন ডান , ইংরেজ কবি।

১৬৬৩ – মোগল সেনাপতি মীর জুমলার প্রয়াত হন।

১৭২৭ – প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক আইজাক নিউটন।

১৯১৭ – এমিল ফন বেরিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী।

১৯৯১ – শিল্পপতি এ কে খান-এর মৃত্যু।
২০১৩ – ছোটদের বাংলা গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ৩০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) বিশ্ব চিকিৎসক দিবস।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৪৬ – ফ্রান্সিস্কো গোয়া, স্প্যানিশ চিত্রকর।

১৮৪৪ – পল ভের্লেন, ফরাসী কবি।

১৮৫৩ – ভিনসেন্ট ভ্যান গখ ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী।
১৮৭০ – বসুমতীর সম্পাদক ও লেখক সুরেশচন্দ্র সমাজপতি।
১৮৭৪ – নিকোলাই রদেস্কু, রোমানিয়ান সেনা কর্মকর্তা ও রাজনীতিবিদ।
১৮৯১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৌশলী ও যন্ত্র নির্মাতা আর্থার উইলিয়াম সিডনি হ্যাংরিটন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৯৯ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯০৮ – দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এ সম্মানিত প্রখ্যাত ভারতীয় অভিনেত্রী দেবিকা রাণী।

১৯৭৯ – নোরা জোন্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত জ্যাজ্‌ (jazz) সঙ্গীত শিল্পী, পিয়ানো বাদক এবং অভিনেত্রী।
১৯৮৬ – সার্জিও র‌্যামোস, স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮১২ – কলকাতায় এথেনিয়াম থিয়েটার নামে রঙ্গমঞ্চ খোলা হয়।
১৮৬৭ – রাশিয়ার কাছ থেকে আমেরিকার আলাস্কা খরিদ।
১৯৩০ – চীনে বামপন্থী চীনা সাহিত্যিক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ – শিক্ষাবিদ জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা শহীদ হন।
১৯৭৬ – ইসরাইল/প্যালেস্টাইন এলাকায় প্রথম ভূমি দিবস পালিত।
১৯৭৯ – ব্রিটিশ সাংসদ এ্যরি নীভ গাড়ি বোমা হামলায় নিহত।
১৯৮১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রনাল্ড রেগান গুলিবিদ্ধ হন।
১৯৯২ – সত্যজিৎ রায় অস্কার পুরস্কার ‘মাস্টার অব ফিল্ম মেকার’ লাভ করেন।
১৯৯৬ – বিএনপি সরকারের প্রথম সাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে পদত্যাগ।
২০০৬ – যুক্তরাজ্যে টেরোরিজন এ্যাক্ট – ২০০৬ আইন হিসাবে গৃহীত হয়।
২০০৯ – ১২ জন সশস্ত্র লোক পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত মানাওয়ান পুলিশ একাডেমী আক্রমণ করে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৬৩ – মীর জুমলা, মোগল সেনাপতি।
১৯৪৮ – ইরানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানতাপস এবং সংগ্রামী আলেম আয়াতুল্লাহিল উজমা সাইয়্যেদ হোসেইন তাবাতায়ী বুরোজার্দি মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৫৭ – দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার বাংলা ভাষার রূপকথার প্রখ্যাত রচয়িতা ও সংগ্রাহক।

১৯৬৫ – সতীনাথ ভাদুড়ী প্রথিতযশা বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৬৭ – মমতাজ বেগম, মহান বাংলা ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগ্রামী নারী।

১৯৭১ – এ. কে. এম. সামসুল হক খান জেলা প্রশাসক -কুমিল্লা জেলা।

২০০২ – আনন্দ বক্সী প্রখ্যাত ভারতীয় কবি,গীতিকার ও সুরকার।

২০০৫ – ফ্রেড কোরমাতসু, জাপানী বংশদ্ভূত মার্কিন এক্টিভিস্ট।

২০১৩ – ড্যানিয়েল হফম্যান, মার্কিন কবি ও শিক্ষাবিদ।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব ও তাত্‍পর্য।।।

১৯৩৩ সালের ৩০ মার্চ জর্জিয়ার উইন্ডার ব্যার কাউন্টি অ্যালায়েন্স দিবসটি প্রথম উদযাপন করে। চিকিত্‍সকদের সম্মান জানাতে এই দিনটি উত্‍সর্গ করার ধারণা দেন ডা. চার্লস বি অ্যালমন্ডের স্ত্রী ইউডোরা ব্রাউন অ্যালমন্ড। চিকিত্‍সা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিত্‍সক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

চিকিত্‍সা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিত্‍সক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।১৯৯০ সালে ৩০ অক্টোবর মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ (সিনিয়র) সেদেশে ৩০ মার্চকে জাতীয় ডাক্তার দিবস পালনের জন্য আইন পাস করেন। উদ্দেশ্য ছিল ডাক্তারি পেশাকে সম্মান জানানো। সেবা দিয়ে রোগীদের সারিয়ে তোলা এসব মহত্‍ মানুষদের কার্ড, ছোটো উপহার কিংবা সংবর্ধনা ইত্যাদি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
মানুষের সেবা করার মতো মহত্‍ এই পেশাকে সম্মান জানাতে ১৯৩৩ সাল থেকে এই দিবস পালিত হচ্ছে। চিকিত্‍সক, সার্জনরা রোগীদের জন্য ২৪/৭ কাজ করেন। তাদের এই ত্যাগ এবং পরিশ্রমকে সম্মান জানাতে দিনটি উদযাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৪২ সালের ৩০ মার্চ শল্য চিকিত্‍সায় প্রথম ইথার অ্যানেস্থেসিয়া ব্যবহার করেছিলেন ডা. ক্রফোর্ড ডব্লিউ লং। ঘটনাটি স্মরণীয় করে রাখতে সেই দিনটিকেই তারা বেছে নিয়েছিলেন।
তবে ৩০ মার্চ বিশ্ব চিকিত্‍সক দিবস হলেও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশ বছরের বিভিন্ন দিনে জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস পালন করেন। তাদের দেশের একজন চিকিত্‍সককে উত্‍সর্গ করেন সেই দিনটিকে। স্পেন, কিউবা এবং আর্জেন্টিনায় ৩ ডিসেম্বর পালিত হয় চিকিত্‍সক দিবস। ডা. কার্লোস জুয়ান ফিনলের জন্মদিন উপলক্ষে পালিত হত দিনটি। তিনি মশাবাহিত ভাইরাস যে হলুদ জ্বরের কারণ সেটি আবিষ্কার করেছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ায় , বিভিন্ন তারিখ রয়েছে যেখানে জাতীয় ডাক্তার দিবস স্বীকৃত হতে পারে, সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী ৩০ শে মার্চ ।
কুয়েতে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ৩ শে মার্চ পালিত হয়। কুয়েতি ব্যবসায়ী মহিলার জন্য এই উদযাপনের ধারণাটি এসেছিল; জাহরা সুলাইমান আল-মুসাভি। এবং তারিখটি তার কন্যা ডাঃ সুন্দুস আল-মাজিদির জন্মদিন হওয়ার কারণে বেছে নেওয়া হয়েছিল।
ব্রাজিলে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ১৮ অক্টোবর ছুটির দিন হিসাবে পালিত হয়, যেদিন ক্যাথলিক চার্চ সেন্ট লুকের জন্মদিন উদযাপন করে । চার্চের ঐতিহ্য অনুসারে প্রেরিত এবং ধর্মপ্রচারক সেন্ট লুক একজন ডাক্তার ছিলেন, যেমনটি নিউ টেস্টামেন্টে লেখা আছে।
জাতীয় চিকিত্সক দিবস ১ মে কানাডায় পালিত হয়। কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা কানাডায় অনুশীলন করা প্রথম মহিলা চিকিত্সক ডঃ এমিলি স্টো- এর স্বীকৃতির জন্য তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল । সিনেট পাবলিক বিল S-248 প্রণীত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটিকে স্বীকৃতি দেবে।
চাইনিজ ডাক্তার দিবস [ zh ] বার্ষিক ১৯ আগস্ট চীনে একটি জাতীয় ছুটি হিসাবে পালিত হয় । তারিখটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং কমিশন (পিআরসি) দ্বারা ২০১৬ সালের চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সম্মেলনে নির্বাচিত হয়েছিল এবং ২০ নভেম্বর, ২০১৭-এ পিআরসি-এর স্টেট কাউন্সিল দ্বারা অনুমোদিত হয়েছিল ।
হরি ডক্টর ন্যাশনাল বা জাতীয় ডাক্তার দিবস প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় পালিত হয়। দিনটি ইন্দোনেশিয়ান ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিআই) এর জন্মদিন উদযাপনের সাথেও চিহ্নিত।
ইরানে , আভিসেনার জন্মদিন (ইরানি মাস: শাহরিভার 1লা = আগস্ট ২৩) ডাক্তারদের জন্য জাতীয় দিবস হিসাবে স্মরণ করা হয় ।
মালয়েশিয়ায় , ডক্টর কানাগাসাবাই অনুসারে প্রতি বছর অক্টোবরের ১০ তারিখে ডাক্তার দিবস পালিত হয় । N. এটি প্রথম ২০১৪ সালে ফেডারেশন অফ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশন , মালয়েশিয়া দ্বারা চালু করা হয়েছিল ।
তুরস্কে , ১৯১৯ সাল থেকে প্রতি বছর ১৪ মার্চ মেডিসিন দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ভিয়েতনাম ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫৫ সালে ডাক্তার দিবস প্রতিষ্ঠা করে। দিবসটি ২৭ ফেব্রুয়ারি বা কখনও কখনও এই তারিখের কাছাকাছি তারিখে পালিত হয়।
১০ মার্চ ভেনেজুয়েলার ডাক্তার দিবস। এই দিনটি হোসে মারিয়া ভার্গাসকে সম্মান জানাতে বেছে নেওয়া হয়েছিল , যিনি শুধুমাত্র একজন অসামান্য চিকিত্সক ছিলেন না বরং ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতিও ছিলেন।
নেপাল ২০ ফাল্গুন (৪ মার্চ) নেপালী তারিখে নেপালী জাতীয় ডাক্তার দিবসও উদযাপন করে। নেপাল মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে নেপাল প্রতি বছর এই দিবসের আয়োজন করে আসছে। ডাক্তার-রোগীর যোগাযোগ, ক্লিনিকাল চিকিত্সা এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক স্বাস্থ্য প্রচার এবং যত্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশে জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর। ইরানে ২৩ অগাস্ট পালন করা হয় জাতীয় চিকিত্‍সক দিবস।
ভারতে এই দিনটি ১ জুলাই তারিখে কিংবদন্তি চিকিত্‍সক ও পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের (১ জুলাই, ১৮৮২ – ১ জুলাই, ১৯৬২) সম্মানার্থে পালন করা হয়। কিউবা তে ৩রা ডিসেম্বরে ও ইরানে ২৩এ অগাস্ট এই দিনটি পালন করা হয়।
চিকিত্‍সাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তিদের ভূমিকাকে সম্মান জানাতে জন্য ‘ চিকিত্‍সক দিবস’ পালন করা হয়। এদিন তাঁদের কাজ এবং দায়িত্বগুলি স্বীকৃতি দেওয়ার বিশেষ দিন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ২৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বোগান্ডা দিবস – সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।
(খ) যুব দিবস – তাইওয়ান।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৭ – জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও শিক্ষাবিদ।
১৯২৯ – উৎপল দত্ত, বাঙালি অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক।
১৯৩৫ – বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও প্রযোজক বীরেশ্বর সরকার।

১৯৩৯ – নভেরা আহমেদ, বাংলাদেশি ভাস্কর। (মৃ. ২০১৫)
১৯৪১ – জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ।
১৯৫১ – শাফী ইমাম রুমী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা ৷
১৯৬০ – অ্যানাবেলা সচিওরা শাইওরা, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৭৩ – মার্ক ওভারমার্স, ডাচ ফুটবলার।

১৯৮০ – ক্রিস ডি এলিয়া, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৮৪ – ফিলিপ হানা, ইংরেজ গায়ক।
১৯৯৪ – সুলি, দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৭৯৫ – পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ।
১৭৯৮ – সুইজারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।
১৭৯৯ – দাসপ্রথা উচ্ছেদে নিউ ইয়র্কে আইন পাস হয়।
১৮০৭ – জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন।
১৮৪৯ – লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন।
১৮৫৪ – ডিরোজিও শিষ্য রামগোপাল ঘোষ ভারতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করেন।
১৮৫৭ – ব্যারাকপুর সেনা ব্যারাকে মঙ্গল পান্ডে গুলি ছুড়ে সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা করেন।
১৮৭১ – রানি ভিক্টোরিয়া লন্ডনের আলবার্ট হল উদ্বোধন করেন।
১৯২০ – ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭৩ – সর্বশেষ মার্কিন সেনাদলের ভিয়েতনাম ত্যাগ।
১৯৭৪ – চালকবিহীন মার্কিন নভো অনুসন্ধান যান মেরিনার টেন বুধ গ্রহ ভ্রমণ করে।
১৯৮৪ – আতাউর রহমান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।
১৯৯১ – বিশ্বের প্রাচীনতম কমিউনিস্ট পার্টি ব্রিটেন কমিউনিস্ট পার্টির নাম বদলে ‘ডেমোক্র্যাটিক লেফট’ রাখা হয়।
২০১৫ – অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে একাদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়৷ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া ৫ম বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৭২ – ইমান্যুয়েল সুইডেনবার্গ, সুইডিস জ্যোতির্বিদ, দার্শনিক ।
১৯১২ – সুমেরু অভিযাত্রী রবার্ট স্কট।

১৯৪৮ – হ্যারি প্রাইস, ইংরেজ লেখক।
১৯৭০ – আন্না লউইসে স্ট্রং,আমেরিকান সাংবাদিক।

১৯৭১ – বাঙালি আইনজীবী সমাজকর্মী, ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

১৯৭৮ – ইবরাহীম খাঁ, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।

১৯৮৭ – প্রখ্যাত বাঙালি সরোদশিল্পী তিমির বরণ ভট্টাচার্য।
১৯৮৯ – বার্নার্ড বলিয়ের, ফরাসি অভিনেতা।
২০০৫ – মিলতস সাছতউরিস,গ্রিক কবি।
২০০৫ – জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী খালিদ হাসান মিলু।
২০০৯ – অ্যান্ডি হাল্লেত্ত, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।
২০১১ – ইয়াকভস কাম্বানেলিস, গ্রিক কবি, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক।
২০১৪ – মাক প্লাট, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৮৬২ – আরিস্টিডে ব্রিয়ান্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রাজনীতিবিদ ও সবেক ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।

১৯০৭ – প্রগতিশীল লেখক ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেন।

১৯০৯ – বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি শিল্পী সন্তোষ সেনগুপ্ত।

১৯২৭ – বীণা মজুমদার, নারীবাদী ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩০ – (ক) মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি ধ্রুপদী কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

(খ) জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

১৯৩৬ – মারিও বার্গাস ইয়োসা, নোবেলজয়ী পেরুর লেখক।

১৯৩৭ – ড.পবিত্র সরকার, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

১৯৪৯ – লেসলি ভ্যালিয়ান্ট, খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

১৯৬৮ – নাসের হুসেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৭৫ – অক্ষয় খান্না, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৭৯ – শাকিব খান, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, গায়ক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৮০০ – আইরিশ পার্লামেন্টে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির আইন অনুমোদিত হয়।
১৮০৯ – ব্যাটল অব মেডেলিনে ফ্রান্স স্পেনকে পরাজিত করে।
১৮৫৪ – ব্রিটেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৩০ – কনস্টান্টিনোপলের নাম ইস্তাম্বুল ও অ্যাঙ্গোরার নাম আঙ্কারা করা হয়।
১৯৩৯ – প্রায় তিন বছর যুদ্ধের পর স্পেনের গৃহযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।
১৯৪১ – সুভাষচন্দ্র বসু গোপন সাবমেরিন যাত্রা শেষে বার্লিন পৌঁছান।
১৯৪২ – রাসবিহারী বসু জাপানের টোকিওতে ভারত স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে ভাষণ দেন। তিনি ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তাইওয়ান।
১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লেবানন।
১৯৭৪ – আজকের দিনে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
২০০১ – দিনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কিয়োটো প্রোটোকল থেকে মার্কিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন।
২০১০ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল রবি আজিয়াটা কোম্পানি নামে আত্মপ্রকাশ করে।
২০১৯ – ঢাকার বনানীতে এফআর টাওয়ারে আগুন লেগে ২৫ জন নিহত হন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১৭ – আলবার্ট পিংকহ্যাম রাইডার, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।

১৯৪১ – ইংরাজী ভাষার সাহিত্যিক ভার্জিনিয়া উল্‌ফ।

১৯৬৯ – ডোয়াইট্‌ ডি. আইজেনহাওয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৮৫ – মার্ক শাগাল, রুশ চিত্রশিল্পী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২৭ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) বিশ্ব থিয়েটার দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮৫ – ফ্রান্সের রাজা সপ্তদশ লুই।

১৮৪৫ – ভিলহেল্ম কনরাড র‌ন্টগেন, জার্মান পদার্থবিদ।

১৮৪৭ – অটো ভালাখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৮৬৩ – মোটর গাড়ির নকশাকার প্রনেতা স্যার ফ্রেডরিখ হেনরি রয়েস।

১৮৭১ – জার্মান লেখক ও কবি হাইনরিখ মান।
১৮৯৯ – গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

১৯০১ – এইসাকু সাতো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রাজনীতিবিদ ও ৬১ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯১২ – জেমস ক্যালাহান, ইংরেজ লেফটেন্যান্ট, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯১৭ – (ক)  কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও শিশু সাহিত্যিক।

(খ( ) নবেন্দু ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৪১ – স্লোভাকিয়া আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট ইভান গাস্পারভিক।
১৯৪২ – জন এডওয়ার্ড সালস্টন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীববিজ্ঞানী।

১৯৬০ – মল্লিকা সেনগুপ্ত, বাঙ্গালী কবি ও সমাজকর্মী।
১৯৬৩ – কোয়েন্টিন টারান্টিনো, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা।
১৯৭২ – জিমি ফ্লয়েড হ্যাসেলবেইংক্‌, হল্যান্ডের একজন কৃতি ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৭ – রাশিয়ান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী পলিনা গ্যাগারিন।

১৯৮৮ – আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা ব্রেন্ডা সং।
১৯৮৮ – জাপানি ফুটবলার আটসুটো উচিদা।
১৯৯০ – নেসার বারাযাইত, নেদারল্যান্ড এর পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৬৮ – বোম্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে।
১৭৮২- দ্বিতীয় রকিংহ্যাম মন্ত্রণালয় ব্রিটেনে অফিস গ্রহণ করে এবং আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা শুরু করে।
১৭৯৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্থায়ী নৌবাহিনী স্থাপন করে এবং ছয়টি ফ্রিগেটের বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেয়।
১৮০৯- উপদ্বীপ যুদ্ধ: সিউদাদ রিয়েলের যুদ্ধে একটি সংযুক্ত ফ্রাঙ্কো-পোলিশ বাহিনী স্প্যানিশদের পরাজিত করেছিল।
১৮১৪ – ১৮১২ এর যুদ্ধ: সেন্ট্রাল আলাবামায়, জেনারেল অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের নেতৃত্বে মার্কিন বাহিনী হর্সশি বেন্ডের যুদ্ধে ক্রিককে পরাস্ত করেছিল।
১৮৯৯ – মেরিলাও নদীর যুদ্ধে ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধের সময় এমিলিও আগুইনাল্ডো একমাত্র ফিলিপিনো বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
১৯১৫- যুক্তরাষ্ট্রে চিহ্নিত প্রথম রোগের স্বাস্থ্যকর ক্যারিয়ার টাইফয়েড মেরিকে দ্বিতীয়বারের জন্য পৃথকীকরণ করা হয়, যেখানে তিনি তার সারাজীবন থাকতেন।
১৯১৮ – বেসারাবিয়া জাতীয় কাউন্সিল রোমানিয়ার কিংডমের সাথে ইউনিয়নের ঘোষণা দেয়।
১৯১৯ – আমানুল্লাহ কর্তৃক আফগানিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
১৯৩৮- দ্বিতীয় চীন-জাপানিজ যুদ্ধ: তাইয়েরজুয়াংয়ের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, বেশ কয়েক সপ্তাহ পরে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম বড় জয় লাভ করেছিল major
১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: যুগোস্লাভ এয়ার ফোর্সের আধিকারিকরা একটি রক্তহীন অভ্যুত্থানে সরকারপন্থী অ্যাকসিস সরকারকে পরাস্ত করেছিলেন।
১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: কোমন্ডারস্কি দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ: আলেউটিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যুদ্ধ শুরু হয় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জাপানিদের কিস্কায় একটি চৌকি জোরদার করার প্রচেষ্টা জাপানিদের বাধা দেয়।
১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: অপারেশন স্টারভেশন, জাপানের বন্দর ও নৌপথের বিমান খনন শুরু হয়। অ্যাক্সিস পাওয়ার্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা।
১৯৬৮ – রুশ নভোচারী, তিনি ছিলেন মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্য প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। ১৯৬৯ – মেরিনার ৭ উদ্বোধন করা হয়।
১৯৭১ – চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবের পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
১৯৯৮- খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহারের জন্য ভায়াগ্রাটিকে অনুমোদন দেয়, যুক্তরাষ্ট্রে এই শর্তটির জন্য অনুমোদিত প্রথম বড়ি।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৯৮ – শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক স্যার সৈয়দ আহমদ।

১৯১৮ – হেনরি অ্যাডাম্‌স, একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক।
১৯৪৪ – লোকগীতি সংগ্রাহক ও কবি আশুতোষ চৌধুরী।

১৯৬৬ – পান্নালাল ভট্টাচার্য প্রখ্যাত বাঙালি শ্যামাসঙ্গীত শিল্পী।
১৯৬৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক রসায়নবিদ জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্যা।
১৯৬৮ – ইউরি গ্যাগারিন, রুশ নভোচারী, মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।

১৯৭১ – জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী।
১৯৭২ – এম. সি. এশ্যর, একজন ওলন্দাজ চিত্রলেখ শিল্পী।

১৯৭৩ – ভূপতি মজুমদার স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা।
১৯৮২ – ফজলুর রহমান খান, বাংলাদেশের বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী।
১৯৮৬ – আবদুল হাই আরিফী, আশরাফ আলী থানভীর শিষ্য।

১৯৮৯ – শান্তি ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী।
২০০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ পল ক্রিশ্চিয়ান লতেরবার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This