Categories
রিভিউ

আজ ২৪ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – হাতেম আলী খান, একজন যুক্তফ্রন্ট দলীয় রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য।

 

১৯২৬ – নোবেলজয়ী  চীনা-মার্কিন পদার্থবিদ সুং দাও লি।

 

১৯৩০ – কেন ব্যারিংটন, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯৩১ – রবি ঘোষ, বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৫৯ – খিজির আহমেদ চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক।

 

১৮৬০ – গণিতজ্ঞ কালীপদ বসু।

 

১৮৬৪ – অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্‌-লোত্রেক, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর।

 

১৭৮৪ -জ্যাকারি টেইলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৬৩২ – হল্যান্ডের বিখ্যাত দার্শনিক ও সমাজ-বিজ্ঞানী বারুখ ডি স্পিনোজা।

 

১৬৫৫ – সুইডেনের রাজা একাদশ চার্লস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – ইউক্রেনের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০১২ – বাংলাদেশের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর এলাকার তাজরীন পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আহত হন আরও তিন শতাধিক শ্রমিক।

১৯১৪ – বেনিটো মুসোলিনি ইতালির সোশ্যালিস্ট পার্টি ত্যাগ করেন।

১৯২৩ – বেলজিয়ামে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু।

১৯২৬ – ভারতের পণ্ডিচেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম।

১৯৩৩ – বঙ্কিমচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর বিখ্যাত সাহিত্য-সাপ্তাহিক ‘দেশ’ প্রথম প্রকাশিত।

১৯৫০ – ইরানের জাতীয় সংসদের জ্বালানী তেল বিষয়ক কমিটি ইরান অয়েল কোম্পানী ও বৃটেনের মধ্যে সম্পূরক চুক্তি নাকচ করে।

১৯৯৫ – দেড় বছরাধিকাল ধরে সংসদ বয়কট আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।

১৮০০ – ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রকৃত কর্মযাত্রার সূচনা।

১৮৩১ – বিখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থ-বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে বৈদ্যুতিক আবেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৫৯ – চার্লস ডারউইনের অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস বইটি প্রকাশিত হয়।

১৭১৫ – টেমস নদীর পানি জমে বরফ হয়ে গিয়েছিল।

১৭৫৯ – বিসুভিয়াসে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।

১৬৩৯ – ডেরিনিয়ার হরফ প্রথমবারের মত শুক্রগ্রহের গতিবিধি লক্ষ্য করেন।

১৬৪২ – আবেল তাসম্যান তাসমানিয়া আবিষ্কার করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৭ – সাধক সংগীতশিল্পী ও নন্দিত বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী।

 

১৯৩৪ – বীরেন্দ্রনাথ শাসমল,ভারতের বাঙালি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা।

 

১৯৪৯ – বিনয় কুমার সরকার, ভারতীয় সমাজ বিজ্ঞানী।

 

১৯৬৩ – লি হার্ভে অসওয়াল্ড, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি’র আততায়ী।

 

১৯৮২ – বারাক ওবামা সিনিয়র। কেনিয়ার অর্থনীতিবিদ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাবা।

১৮৮৪ – বাংলা নাটকের প্রথম যুগের নাট্যকার হরচন্দ্র ঘোষ।

 

১৫০৪ – স্পেনের ক্যাস্টিলের রানী প্রথম ইসাবেলা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৩ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি অবসান দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৫৩ – ইতালির চিকিৎসক প্রোসপেরো আলপিনি।

১৭৬০ – ফ্রাঞ্চইস-নয়েল বাবেউফ, ফরাসি সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

 

১৮০৪ – ফ্রাংক্‌লিন পিয়ের্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি।

১৮৩৭ – জোহানেস ডিডেরিক ভ্যান ডার ওয়ালস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও তাপগতিবিদ্যা বিশারদ।

১৮৬০ – ইয়ালমার ব্রান্তিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৮৭ – হেনরি মোসলে, ইংরেজ পদার্থবিদ।

 

১৮৯৭ – নীরদচন্দ্র চৌধুরী, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলা (বর্তমান বাংলাদেশের) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী। খ্যাতনামা ও জনপ্রিয় বাঙালি লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯০৭ – (ক) বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য, যিনি বাণীকুমার নামেই পরিচিত বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, গীতিকার, প্রযোজক ও নাট্য পরিচালক।

 

(খ) প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ ও শিক্ষাবিদ হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।

(গ) রুন রুন শাও, চীনা বংশোদ্ভূত হংকং ব্যবসায়ী, মানবপ্রেমিক ও শাও ব্রাদার্স স্টুডিও এর প্রতিষ্ঠিাতা।

১৯২২ – ম্যানুয়েল ফ্রাগা ইরিবারনে, স্প্যানিশ রাজনীতিবিদ।

১৯২৫ – সাবেক প্রধানন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান ।

 

১৯২৬ – সত্য সাঁই বাবা , পূর্বাশ্রমের নাম সত্যনারায়ণ রাজু) ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু, আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩০ – গীতা দত্ত, বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৩৫ – ভ্লাডিস্লাভ ভোল্কভ, রাশিয়ান প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।

১৯৪১ – ফ্রাঙ্কো নিরো, ইতালিয়ান অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯৫০ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, বাঙালি লেখক,ইতিহাসবেত্তা ও ভারততত্ববিদ।

১৯৫৫ – লুডোভিকো ইনাউডি, ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৬৬ – ভিনসেন্ট ক্যাসেল, ফরাসি অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭১ – খালেদ আল-মুয়াল্লিদ, সৌদি আরব ফুটবল।

১৯৯১ – আহমেদ শেহজাদ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৪৪ – ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কার্টারেট পদত্যাগ করেন।

১৭৮৩ – অ্যানাপোলিস মেরিল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হয়।

১৮৭৩ – ফরাসী সেনারা ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় দখল করে নেয়।

১৮৯০ – নেদারল্যান্ড থেকে লুক্সেমবার্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯১৪ – যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মেক্সিকো থেকে সরে আসে।

১৯১৬ – প্রথম কার্ল অস্ট্রিয়ার সিংহাসন আরোহণ করেন।

১৯১৯ – দিল্লীতে প্রথম নিখিল ভারত খিলাফত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২২ – রাজদ্রোহের অভিযোগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেফতার হন এবং সরকার কর্তৃক তার বই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৩৬ – লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯৬৪ – ব্রিটেনে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক বেতার কেন্দ্র চালু হয়।

১৯৯৫ – বসনিয়া শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৭ – ভারতে সরকারি সম্প্রচার সংস্থা প্রসার ভারতী গঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩১৮ – জাপানের গণিতবিদ ইয়োরিইয়ুকি।

১৪৫৭ – লাডিস্লাউস পুস্থুমউস, হাঙ্গেরিয়ান রাজা।

 

১৫১১ – মাহমুদ শাহ্, গুজরাটের শাসক।

১৫৭২ – ব্রনযিনো, ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও কবি।

১৬৮২ – ক্লাউডে লরাইন, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও খোদকার।

 

১৮৮৩ – প্যারীচাঁদ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।

 

১৯৩৭ – জগদীশ চন্দ্র বসু বাঙালি বিজ্ঞানী।

 

১৯৭০ – তুন ইউসুফ বিন ইসহাক, সিঙ্গাপুরের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৭৬ – ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক আন্দ্রে মালরো।

১৯৮৭ – রাজেন তরফদার বাংলা চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট পরিচালক, শিল্পনির্দেশক চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯০ – রুয়াল দাল, ওয়েল্‌সীয় সাহিত্যিক।

১৯৯৫ – লুই মালে, ফরাসি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৩ – দিলীপকুমার বিশ্বাস প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের একজন দিকপাল ঐতিহাসিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি অবসান দিবস।

আজ আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি দিবস।  দায়মুক্তির অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস ২৩ নভেম্বর, ২০১১ বিশ্বজুড়ে জোরপূর্বক নীরব শিল্পী, সাংবাদিক, সঙ্গীতশিল্পী এবং লেখকদের বিচার দাবি করার একটি দিন। মতপ্রকাশের বিনিময়ের স্বাধীনতা।  অপরাধীদের দায়মুক্তি বিশ্বজুড়ে বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার একটি বড় কারণ।  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতি ১০টি অপরাধের মধ্যে মাত্র একজনের শাস্তি হয়।  ফলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ দিন দিন বাড়ছে।  দায়মুক্তির এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রতি বছর জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের দায়মুক্তির অবসানের আন্তর্জাতিক দিবস’ দিবসটি সারা বিশ্বে পালিত হয়।

প্রাথমিকভাবে, ‘মাগুইন্দানাও গণহত্যা’ স্মরণে ২৩ নভেম্বর দায়মুক্তি প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।  পরে ২০১৩ সালে ২রা নভেম্বর দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।  ওই বছরের নভেম্বরের এই দিনে, মালিতে ভারলন এবং ডুপন্ট নামে দুই সাংবাদিক নিহত হন, এমন একটি ঘটনায় দেশটির একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দল এবং আল কায়েদাকে দায়ী করা হয়।  এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি মালি পুলিশ।  একই বছরের ডিসেম্বরে, IFEX-এর সমর্থনে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক সভায় 2শে নভেম্বরকে দায়মুক্তি প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

 

দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে সাংবাদিক হত্যার সঙ্গে কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি জড়িত থাকে।  ফলে তারা আদালতে গিয়েও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার পান না।  IFEX আশা করে যে বার্ষিক দায়মুক্তি দিবস পালনের মাধ্যমে, এটি এমনভাবে শাস্তিবিহীন মৃত্যুর প্রতি বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণ করবে যাতে বিচার করতে অনীহা দেখিয়েছে এমন দেশগুলোর সরকারও তা করতে বাধ্য হবে।  বলা হয়, দেশের পুলিশ প্রশাসন ও আইন আদালতে যখন একজন ব্যক্তি সুষ্ঠু বিচার থেকে বঞ্চিত হন, তখন সাংবাদিকের কলমই তার শেষ ভরসা হয়ে তার পাশে দাঁড়ায়।  সেই কলম-সৈনিকরা যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে তাদের কলম কীভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবে?  সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধরনের জনসচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়াও এই আন্তর্জাতিক দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবসে সারা বিশ্বের সংবাদপত্রগুলো বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করে, সম্পাদকরা বিবৃতি প্রকাশ করে, বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব কর্মসূচি উপস্থাপন করে।  এতে করে সরকার বা প্রভাবশালীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপে ধামাচাপা পড়ে যাওয়া হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষও নতুন করে আলোচনায় উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।  ফলে চাপা সত্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে।  তাছাড়া সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিগত দিনে সাংবাদিক হত্যার তদন্তের দাবি জানিয়ে নিজ নিজ দেশের সরকারের কাছে স্মারকলিপি পাঠানো হয়।  জাতিসংঘও আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বিশ্বের দেশগুলিতে স্মারকলিপি পাঠায়, বিশেষ করে সাংবাদিক হত্যার জন্য উচ্চ দায়মুক্তির হার রয়েছে।  পরের বছর ওই সব দেশে খুনের বিচারের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে বৈশ্বিক সংস্থাটি।  ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে ভাবমূর্তি সংকটে পড়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা সাংবাদিক হত্যার বিচারের চেষ্টা করছেন।

 

প্রতি বছর দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকদের সব মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করা হয় এবং সেই হত্যাকাণ্ডের ন্যায্য বিচার দাবি করা হয়, যাতে অপরাধী একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি না করতে পারে,  অথবা অন্য কেউ একই অপরাধ করার সাহস করে না।  এই দিনে, #EndImpunity, #JournoSafe এবং #TruthNeverDies হ্যাশট্যাগগুলির সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতামূলক আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।  তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের এই যুগে যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে প্রচার প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধি।  শুধু আইন প্রয়োগ করে সাংবাদিকদের রক্ষা করা সম্ভব নয়।  তাই এই আন্তর্জাতিক দিবসের গুরুত্ব বাড়ছে।
চলতি দশকে বিশ্বজুড়ে নিহত সাংবাদিকদের ৪৫ শতাংশই হয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে, বাকি ৫৫ শতাংশ হয়েছে শান্তিপূর্ণ এলাকায়।  যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার চেয়ে শান্তিপূর্ণ এলাকায় বেশি সাংবাদিক নিহত হওয়ার চেয়ে খারাপ খবর আর কী হতে পারে?  এটি পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য দুঃসংবাদ, অন্যদিকে এটি সাংবাদিকদের কলম আটকাতে অপরাধীদের তৎপরতার দিকেও ইঙ্গিত করে।  তাই সাংবাদিকদের হত্যার জন্য দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন।  এ দিনকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী মানুষের সচেতনতা বাড়বে, প্রতিটি অহেতুক হত্যার বিচার হবে, কলম সৈনিকদের পেশা নিরাপদ হবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬০২ – স্পেনের রানি এলিজাবেথ।

 

১৭৮৭ – রাস্‌মুস রাস্ক, ডেনীয় ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত।

১৮১৯ – জর্জ ইলিয়ট, ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

 

১৮৬৯ – আঁদ্রে জিদে, নোবেলজয়ী (১৯৪৭) ফরাসি কথাশিল্পী ও সমালোচক।

১৮৭০ – হ্যারি গ্রাহাম, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৮৮৬ – বেণী মাধব দাস, প্রাজ্ঞ বাঙালি পণ্ডিত, শিক্ষক ও দেশপ্রেমিক। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর প্রিয় শিক্ষক।

 

১৮৯০ – শার্ল দ্য গ্যলে, ফরাসী রাষ্ট্রনায়ক।

 

১৮৯৪ – পুলিনবিহারী সরকার, ভারতের বাঙালি বিশ্লেষক অজৈব রসায়নের গোড়াপত্তনকারী বিজ্ঞানী।

১৯০৪ – নোবেলজয়ী [১৯৭০] ফরাসি পদার্থবিদ লুই নিল।

 

১৯১৬ – শান্তি ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী।

১৯১৭ – শরীরবিদ্যা/ভেষজশাস্ত্রে নোবেলজয়ী [১৯৭৩] ব্রিটিশ জীবজিজ্ঞানী স্যার অ্যানড্রু ফিল্ডিং হাক্সেলে।

১৯৪৮ – সরোজ খান,বলিউডের প্রখ্যাত নৃত্য পরিচালক।

১৯৬২ – রেজাউদ্দিন স্টালিন, বাংলাদেশী কবি, লেখক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৫ – শাকুর মজিদ, বাংলাদেশী স্থপতি, নাট্যকার, তথ্যচিত্র নির্মাতা ও চিত্রগ্রাহক।

১৯৬৭ – মার্ক রাফালো, হাল্ক খ্যাত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৮৪ – স্কার্লেট জোহ্যানসন, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১২২১ – দ্বিতীয় ফ্রেডরিক জার্মানির রাজা হন।

১৭০৭ – যুবরাজ জন উইলেম ফ্রিসো ফ্রাইসল্যান্ডের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।

১৮৫৬ – বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।

১৮৫৭ – সিপাহি বিদ্রোহের এক পর্যায়ের ঢাকার লালবাগ দুর্গে সিপাহি ও ইংরেজদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

১৮৭৭ – টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

১৯১০ – লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের ভাইসরয় পদে লর্ড মিন্টোর স্থলাভিষিক্ত হন।

১৯২২ – ব্রিটিশ লেবার পার্টি রামসে ম্যাকডোনাল্ডকে নেতা নির্বাচন করে।

১৯২৪ – ইংল্যান্ড মিসরীয়দের সুদান থেকে বেরিয়ে যেতে বলে।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে লেবানন স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহর সফরের সময় একজন মার্কিন নাগরিকের গুলিতে নিহত হন।

১৯৭৯ – খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলায় কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিক্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।

১৯৯০ – ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থেচার পদত্যাগ করেন।

১৯৯০ – বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।

১৯৯১ – মিশরীয় উপপ্রধানমন্ত্রী ড. বুত্রো বুত্রোস ঘালি জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পান।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩১৮ – রাশিয়ার রাজকুমার মিখাইল।

 

১৭৭৪ – রবার্ট ক্লাইভ, ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালনকারী।

 

১৯০৮ – বিপ্লবী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক বিপ্লবী-শহীদ।

 

১৯১৬ – মার্কিন কথাসাহিত্যিক জ্যাক লন্ডন।

 

১৯৪৪ – আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন, বিজ্ঞানী।

 

১৯৪৬ – আলবার্ট রোজ-ইন্স, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

 

১৯৪৮ – ফখরুদ্দিন পাশা, মদিনার শেষ উসমানীয় গভর্নর।

 

১৯৬৩ – জন এফ. কেনেডি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৮৭ – সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাস।

 

২০০৬ – অসীমা চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি জৈব রসায়নবিদ ও উদ্ভিদ রসায়নবিদ।

 

২০১৬ – কর্ণাটকী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী এম বালামুরলীকৃষ্ণ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ববিশ্ব টেলিভিশন দিবস

(খ) সশস্ত্র বাহিনী দিবস (বাংলাদেশ)

 

(গ) COPD (Chronic Obstructive Pulmonary Diseases) দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার হরেন ঘটক।

 

১৯২১ – (ক) প্রণোদিত প্রজননের জনক ড.হীরালাল চৌধুরী,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি মৎসবিজ্ঞানী।

 

(খ) – বেটি উইলসন, অস্ট্রেলীয় মহিলা ক্রিকেটার।

 

১৯৬৬ – কবির বকুল, বাংলাদেশের গীতিকার।

 

১৯৯১ – আলমাজ আয়ানা, ইথিওপীয় প্রমিলা দূরপাল্লার দৌড়বিদ।

 

১৮১৮ – মার্কিন নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান।

 


১৬৯৪ – ভলতেয়ার, ফরাসি লেখক ও দার্শনিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – ন্যাটো সদস্য হওয়ার জন্য বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়াকে আমন্ত্রণ জানায়।

১৯১৮ – জার্মান সামরিক নৌবহর মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

 

১৯৪৫ – ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ছাত্র-শোভাযাত্রায় যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে ছাত্রকর্মী রামেশ্বর ও আবদুল সালাম নিহত হন।

১৯৪৭ – স্বাধীন ভারতে আজকের দিনে জাতীয় পতাকা সংবলিত ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।

১৯৭১ – বাংলাদেশ-ভারত মিত্র বাহিনী গঠিত হয়।

১৯৭৯ – উগ্রপন্থীরা মক্কার কাবা মসজিদ দখল করে নেয়।

 

১৯৯৪ – নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ওলে সোয়েঙ্কা নাইজেরিয়া ত্যাগ করেন।

১৮০৬ – ঐতিহাসিক বার্লিন আদেশ জারি করা হয়।

 

১৮৭৭ – টমাস আলভা এডিসন ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন।

১৭৮৩ – মন্টগোলফার ভ্রাতৃদ্বয় প্রথম বেলুনে করে আকাশে উড্ডয়ন করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৯৫ – সবিতাব্রত দত্ত, নবনাট্য যুগের বিশিষ্ট অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৯৬ – আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী), নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পাকিস্তানি তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৭০ – নোবেলজয়ী ভারতীয় পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন।

১৯৭৪ – পুণ্যলতা চক্রবর্তী, শিশু সাহিত্যিক।

 

১৯৮৬ – সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি সংগীতজ্ঞ ও গায়ক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে এই দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা সহকারে পালন করা হয়ে থাকে। সাংবাদিক, লেখক, ব্লগাররা টেলিভিশন সম্পর্কে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে কিমবা প্রিন্ট মিডিয়ায় টেলিভিশনের ভূমিকা ও  গুরুত্ব সম্পর্কিত নানা লেখালেখি, মতামত ছড়িয়ে দেওয়া হয়। স্কুল-কলেজে, কখনও বা পাবলিক সেমিনারের আয়োজন করে বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ করে আনা হয় টেলিভিশনের নানা দিক নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক আলোচনার জন্য। এছাড়াও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সম্মেলন এবং বক্তৃতার আয়োজনও করা হয় এই বিশেষ দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্যে।

টেলিভিশন শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক ও লাতিন শব্দের সম্মিলনে। গ্রিক শব্দ ‘টেলি’ অর্থ দূরত্ব আর লাতিন শব্দ ‘ভিশন’ অর্থ দেখা। টেলিভিশনে একই সঙ্গে ছবি দেখা ও শব্দ শোনা যায়। বিশ্ব টেলিভিশন দিবস আজ।
বলা যায়, টেলিভিশনই প্রথম বিশ্বটাকে মানুষের ঘরের মধ্যে এনেছিল। যার মাধ্যমেই হয় তথ্য ও বিনোদনের এক বিস্ময়জাগানিয়া অগ্রগতি। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে টেলিভিশন প্রযুক্তিও।

ব্রিটিশবিজ্ঞানী জন লগি বেয়ার্ড ১৯২৬ সালে প্রথম টেলিভিশন আবিষ্কার করেন। এর পর রুশ বংশোদ্ভুত প্রকৌশলী আইজাক শোয়েনবারগের কৃতিত্বে ১৯৩৬ সালে প্রথম টিভি সম্প্রচার শুরু করে বিবিসি। টেলিভিশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু হয় ১৯৪০ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর টেলিভিশনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সূচিত হয়। গত শতাব্দীর ৫০ এর দশকে টেলিভিশন গণমাধ্যমের ভূমিকায় উঠে আসে।
বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড-এর টেলিভিশন আবিষ্কারের দিনটি ছিলো ২১ নভেম্বর। তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ আয়োজিত এক ফোরামে ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে পালনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসাবে ঘোষণা করে, যে তারিখে ১৯৯৬ সালে বিশ্ব টেলিভিশন ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

যোগাযোগ স্থাপনে, বিচিত্র সংস্কৃতির প্রচারে এবং সর্বোপরি বিশ্বায়নে টেলিভিশনের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ সেটি মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এবং সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতেই এই বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উদযাপন করা হয় বিশ্বজুড়ে। মানবসভ্যতার এক চমক লাগানো আবিষ্কার হল এই টেলিভিশন। সারা বিশ্বকে নিজের ঘরের মধ্যে নিয়ে আসা যাবে এক লহমায়, মানুষ হয়তো একসময় স্বপ্নেও তা ভাবেনি। ১৯২৬ সালে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন স্কটিশ বৈজ্ঞানিক জন লগি বেয়ার্ড(John Logie Baird)।  কিন্তু মানুষ আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হয়েছে, ইন্টারনেটের যুগে এসে তাই ক্রমে টেলিভিশনের মায়া খানিক ফিকে হয়ে গেছে। কিন্তু এ কথা এখনও ভীষণ সত্যি যে টেলিভিশনের মতো এত শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম খুব কমই আছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২০১৭ সালে টিভি পরিবারের সংখ্যা ছিল ১.৬৩ মিলিয়ন। ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে হতে পারে ১.৭৪ মিলিয়ন। তথ্য-বিনোদনের এক উৎকৃষ্ট মাধ্যম তো বটেই, অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে গণতন্ত্রের বিকাশসাধনের জন্য টেলিভিশনের স্বাধীনতা খুবই প্রয়োজনীয়। সংবাদমাধ্যমের ক্ষমতা তো এখন সর্বজনবিদিত। সুতরাং টেলিভিশন যে আজও একটি প্রভাবশালী মাধ্যম সেবিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। দেশের রাজনৈতিক এমনকি অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনেও টেলিভিশনের ভূমিকা কম নয়। জনমত গঠনের কাজেও টেলিভিশনের অবদান অনস্বীকার্য।

উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালের ২১ নভেম্বর জাতিসংঘের প্রথম বিশ্ব টেলিভিশন ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই দিনটির স্মরণেই সেই বছরই ১৭ই ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘ ২১শে নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বিশ্বশান্তি ও সুরক্ষা বজায় রাখার ক্ষেত্রে, মানুষকে প্রভাবিত করতে, এমনকি সামাজিক বা অর্থনৈতিক নানা বিষয়ের খবরাখবর তুলে ধরতে টেলিভিশন যে অভূতপূর্ব অবদান তা অনুধাবন করেই, টেলিভিশনের প্রয়োজনীয়তা এবং  উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে আরও বেশি সচেতন করে তোলবার জন্যই এমন একটি দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল জাতিসংঘ।

।।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা রিভিউ

প্রায় শতাধিক বছর ধরে চলে আসছে কুলাডাবর গ্রামের জগদ্ধাত্রী পুজো ।

হেমন্তের শুক্লপক্ষ নবমী তিথিতে শ্রী শ্রী জগদ্ধাত্রী মাতার পুজো হয়। করিন্দাসুর কে বধ করার জন্য মা দূর্গা জগদ্ধাত্রী রূপ ধারণ করেছিলেন ।নবমী তিথিতে তান্ত্রিক মতে ত্রিসন্ধ্যা পুজো হয় । সকালে সপ্তমী বিহিত পুজো, দুপুরে অষ্টমী এবং রাত্রে নবমী বিহিত পুজো হয় ।

পুজোয় কুস্মান্ড, ইক্ষুদণ্ড ইত্যাদি বলি দেওয়া হয় । মা জগদ্ধাত্রীর দুই পাশে নারদ ও  মার্কন্ডেয় ঋষি   এবং জয়া ও বিজয়া । মা সিংহের উপর উপবেশন করে করিন্দাসুর কে বধে উদ্দত । মায়ের গায়ের রং সকল বেলার সূর্যের রং এর মতো । মায়ের ধ্যানের মন্ত্রের মধ্যেও তা আছে -” বালার্ক সাদৃশ্যাংতনু “। মা “রক্ত বস্ত্র পরিধানাং “।

 

 

বঙ্গদেশে নাদিয়ার কৃষ্ণচন্দ্র মহারাজ জগদ্ধাত্রী পুজো প্রচলন করেছিলেন বলে জানা যায় । শ্রীরামকৃষ্ণর সহধর্মিনী মা সারদামনি
জইরামবাটিতে জগদ্ধাত্রী পুজো করেছিলেন ।

ছোটনাগপুর মালভূমির অন্তর্গত বাঁকুড়া জেলার অধীন জিড়রা গ্রামপঞ্চায়তের কুলাডাবর গ্রামে জগদ্ধাত্রী পুজো প্রায় শতাধিক বছর ধরে চলে আসছে ।

তার আগে এই পুজো এই গ্রাম থেকে পশ্চিমে 5-6 মাইল দূরে বিগত বিহার রাজ্যের মানভূম জেলার বারমাগুড়া অথবা শিয়ালডাঙ্গা গ্রামে হতো । বর্তমানে গ্রামটি পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া গ্রামের অন্তর্গত । এই পুজো স্রাবর্ন গোত্রীয় ব্রাহ্মণ গঙ্গোপাধ্যায় উপাধীধারী “আচার্য রাজউপাধি ধারী ” দের পুজো । গঙ্গোপাধ্যায় উপাধি ধারী ব্রাহ্মণ দের ভূতপূর্ব বসবাস ছিলো হুগলি জেলার  আমাটা গ্রামে ।

 

 

পঞ্চকোটাধীপতি কাশিপুর মহারাজ গঙ্গোপাধ্যায় ব্রাহ্মণ দের জমিদারি দান করে বসবাসের ব্যাবস্থা করেন এই এলাকায়। এই মহারাজের দেওয়া উপাধি “আচার্য্য”। এই কুলাডাবর গ্রামে গদাধর আচার্য্য ও তার পুত্র কাশীনাথ আচার্য্য বসবাস করার জন্য মনস্থির করেন । কাশীনাথ আচার্যের 7জন ছেলে – ভৈরব, গোপাল, বামাপদ, শ্যাম, নন্দ, অনন্ত, রক্ষাকর । কুলাডাবর গ্রামে তৃতীয় সন্তান বামাপদ আচার্য্য কে জমিদারি দেখা শুনার জন্য  প্রেরণ করেন । পরে অনন্যা ছয় ভাই কুলাডাবর এসে বসবাস করতে থাকেন ।

বামাপদ মারা যাওয়ার পর তাহার দুই পুত্র রাবিলোচন ও জয়রাম জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেন | রাবিলোচন এর কোনো পুত্র, কন্যা না থাকায় তিনি মায়ের পুজোর খরচ নিমিত্ত ছয় বিঘা কৃষি যোগ্য জমির ব্যাবস্থা করেন ||

উক্ত জমির ও জয়রাম আচার্য্য এর পৌত্র ও প্রো পৌত্র গন নিজেরাই অর্থ দিয়ে পুজোর কার্য ও অথিতি অভ্যাগতদের ভোজনের ব্যাবস্থা করে এসেছেন।

 

 

বহূ মানুষ পাশাপাশি গ্রাম থেকে পুজো উপলক্ষেই এই গ্রামে অথিতি হিসেবে আসেন। এই পুজোয় মায়ের প্রতিমা মৃন্ময়মূর্তি, একচালা ডাকে সজ্জিত ।

শিয়ালডাঙ্গা গ্রাম থেকে মাটি এনে মায়ের মূর্তি গড়ে তোলা হয় । পূর্বে কর্মকার পরিবারের শিল্পীরা এবং বর্তমানে পালপারিবারে শিল্পী “নিমাই পাল ” মায়ের মূর্তি গড়েন। এই পুজোয় মনিহারা গ্রামের চক্রবর্তী পরিবার বংশ পরম্পরায় এই পুজোর সাথে যুক্ত পুরোহিত হিসাবে । বর্তমানে সন্তোষ চক্রবর্তী (ভট্টাচার্য )মহাশয় পুরোহিত কার্যে নিযুক্ত থাকেন।

নবমীর সকাল বেলায় পুরোহিত মহাশয় “কাশির বাঁধ ” হইতে বারী আনেন। এই সময় বহূ ভক্ত স্নান করে মা এর মন্দির পর্যন্ত ডন্ডি  দিয়ে আসেন।

 

 

বর্তমানে এই ডন্ডির রাস্তা টি সুন্দর ভাবে সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই গ্রামে জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে মেলাও বসে। সমস্ত গ্রাম আলোকসজ্জায় সজ্জিত থাকে । কলকাতার সুবিখ্যাত যাত্রাপার্টির যাত্রানুষ্টান ও সংস্কৃতিক অনুষ্টান অনুষ্টিত হয়। পুজো উপলক্ষে বহূ আত্মীয় ও যারা বাইরে থাকেন তারা সবাই পুজোর সময় সমবেত হন। পুজোর সময় কয়েক দিন গ্রাম টা যেন জাকজমকপূর্ণ ও আনন্দ মুখরিত থাকে । এরপর অবশেষে ক্লান্ত মনে, অশ্রু নেত্রে গ্রামের কাশীরবাঁধে মাকে নিমজ্জিত করা হয়।

 

।। কলমে : আবদুল হাই,বাঁকুড়া।।

 

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব শিশু দিবস, জানুন দিনটি কেন পালন করা হয় এবং দিনটির ইতিহাস।

বিশ্ব শিশু দিবস  ২০ নভেম্বর ২০২৩—-

 

শিশু দিবস একটি আন্তর্জাতিক পালিত দিন এবং কোনো সরকারি ছুটির দিন নয়।  জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ তাদের নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী শিশু দিবস পালন করে।
শিশু দিবস একটি গুরুতর বার্তা সহ একটি মজার দিন।  আন্তর্জাতিক শিশু দিবস আমাদের শিশুদের অধিকারের প্রচার ও উদযাপন করার সুযোগ দেয় যা তাদের জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলবে।

 

বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৩ এর থিম—-

 

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের থিম হল, “অন্তর্ভুক্তি, প্রত্যেক শিশুর জন্য”, “Inclusion, for every child”।  এই থিমের অর্থ হল যে কোন সমাজ, সম্প্রদায় বা জাতীয়তার প্রতিটি শিশু সমান অধিকারের অধিকারী।  এটি বিভিন্ন সভ্যতার শিশুদের মধ্যে বৈষম্য দূর করার উপরও জোর দেয়।  শুধু সাধারণ অধিকারই নয়, একটি বৈশ্বিক সমাজ সব ধরনের ত্বকের রঙের শিশুদেরকে স্বাগত জানায় এবং স্থান দেয়।
থিমের আরেকটি অত্যাবশ্যক দৃষ্টিভঙ্গি হল একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি ধাপ এগিয়ে নেওয়া যা আমাদের শিশুদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত এবং এটি প্রতিটি কুসংস্কার দূর করবে।  যে কোন পক্ষপাতিত্ব সমাজের সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর, এটি একটি শিশুর মনস্তত্ত্বের জন্যও দুর্বল প্রভাব ফেলতে পারে যাকে একটি সম্প্রদায় অগ্রহণযোগ্য বা অযোগ্য বলে মনে করে।  তাই, যুদ্ধ বা মহামারীর মতো যেকোনো মানবিক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যাকর্ষণ আমাদের শিশুদের কষ্ট না দেয় এবং আমরা সম্মিলিতভাবে আমাদের সহায়তা বা উদ্ধার মিশনে সমস্ত অঞ্চলের শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করব।
সমাজ এবং শিশু উভয়ই একসাথে বেড়ে ওঠে এবং একটি সমৃদ্ধ সমাজ তার বাসিন্দা শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের উপর নির্ভর করে।  অন্তর্ভুক্তির ধারণার সাথে, আমাদের বাচ্চাদের কল্যাণে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার আরও সুযোগ রয়েছে।  এমন অনেক সমাজ আছে যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক শিশু এবং যুবকরা কিশোর-কিশোরীদের সমান অধিকার এবং ন্যায়সঙ্গততার সাথে লড়াই করছে।  তাই আমাদের একীকরণের উদ্দেশ্য হল তাদের বর্ণনাকে উত্সাহিত করা এবং আমাদের সমস্ত বাচ্চাদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বের এক পতাকার নীচে নিয়ে আসা।
এই থিমটি একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য প্রতিটি শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করে শিশুদের অধিকারের সমর্থন, উদযাপন এবং প্রচার করার জন্য জনসাধারণকে আহ্বান জানায়।

জাতিসংঘ (UN) প্রতি বছর বিশ্ব শিশু দিবসের জন্য শিশুদের মধ্যে সচেতনতা, একতাবদ্ধতা এবং শিশুদের কল্যাণের উন্নতির জন্য একটি নির্দিষ্ট থিম প্রদান করে।

 

শিশু দিবসের রঙ—-

 

শিশু দিবসে নীল রং শিশুদের অধিকারের প্রতীক।  আপনি ২০ শে নভেম্বর নীল হয়ে আপনার সমর্থন দেখাতে পারেন।

 

বিশ্ব শিশু দিবসের ইতিহাস—-

 

১৮৫৭ সালে, ডাঃ চার্লস লিওনার্ড এই দিনটিকে যুক্তরাজ্যে রোজ ডে নাম দিয়ে শুরু করেছিলেন।
১৯২০ সালে, তুরস্ক প্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে শিশু দিবসকে একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫০ সালে, অনেক দেশ ১ জুন, “শিশু সুরক্ষা দিবস” হিসাবে উদযাপন শুরু করে।
১৯৫৪ সালে জাতিসংঘ প্রতি বছর ২০ নভেম্বর তারিখের সাথে “সর্বজনীন শিশু দিবস” প্রতিষ্ঠা করে।  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সমস্ত দেশকে শিশুদের অধিকার, একতাবদ্ধতা এবং শিশুদের কল্যাণের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তাদের পছন্দের একটি উপযুক্ত তারিখে শিশুদের জন্য একটি দিবস উদযাপন করার নির্দেশ দিয়েছে।
২০ নভেম্বর, ১৯৫৯-এ, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকারের ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে এবং ২০ নভেম্বর, ১৯৮৯-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকার সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণ করে।
১৯৯০ সাল থেকে প্রতি ২০শে নভেম্বর এই ঘোষণা এবং কনভেনশনের বার্ষিকীও জাতিসংঘ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

 

শিশু দিবসের ঘটনা—-

 

শিশু দিবস সুরক্ষা এবং শিশুদের অধিকারের কল্যাণের একটি গুরুতর বার্তা সহ একটি মজার দিন।

১৮৫৭ সালে ইউনাইটেড কিংডমে ডঃ চার্লস লিওনার্ড “রোজ ডে” নামে শিশু দিবস প্রথম শুরু করেছিলেন।

জাতিসংঘ ১৯৫৪ সালে শিশু দিবস প্রতিষ্ঠা করে।

জাতিসংঘ শিশু দিবসে প্রতি বছর একটি থিম প্রদান করে।

প্রতিটি দেশ শিশু দিবসের জন্য তাদের নিজস্ব পছন্দের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

 

স্কুলে বিশ্ব শিশু দিবসের কার্যক্রম—-

 

স্কুল সমাবেশে বিশ্ব শিশু দিবসের গুরুত্ব ও ইতিহাস সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা।

নীল রঙে স্কুল এবং ল্যান্ডমার্ক বিল্ডিংগুলি আলোকিত করুন।

২০শে নভেম্বরের এই বিশেষ দিনে একটি নীল পোশাক পরুন।

আপনার কব্জির চারপাশে একটি নীল ফিতা পরুন।

এই দিনে নীল রঙের টুপি পরুন।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে আপনার প্রোফাইল ছবি নীল রঙে পরিবর্তন করুন।

উপস্থিত শিশুদের মূকনাটক শো।

শিশুদের তাদের অধিকার সম্পর্কে শিক্ষা দিন।

শিশুদের জন্য জাতিসংঘের বিভাগ ইউনিসেফ শিশুদের কল্যাণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সেমিনার এবং অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

জগদ্ধাত্রী পূজার সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।

জগদ্ধাত্রী বা জগদ্ধাত্রী দুর্গা হিন্দু শক্তি দেবী। ইনি দেবী দুর্গার (পার্বতী) অপর রূপ। উপনিষদে তার নাম উমা হৈমবতী। বিভিন্ন তন্ত্র ও পুরাণ গ্রন্থেও তার উল্লেখ পাওয়া যায়। যদিও জগদ্ধাত্রী আরাধনা বিশেষত বঙ্গদেশেই প্রচলিত। আবার পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর ও হুগলি জেলার চন্দননগর, গুপ্তিপাড়া জগদ্ধাত্রী উৎসব জগদ্বিখ্যাত। কার্তিক মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে দেবী জগদ্ধাত্রীর বাৎসরিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু বাঙালির ধর্মীয় মানসে রাজসিক দেবী দুর্গা (পার্বতী) ও তামসিক কালীর পরেই স্থান সত্ত্বগুণের দেবী জগদ্ধাত্রীর।

জগদ্ধাত্রী কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরের প্রাণাত্মিকা। কিন্তু এই জগদ্ধাত্রী পূজার সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট কি তা নিয়ে রয়েছে বহু মতান্তর। ইদানীং কালে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি তথা নদীয়ার ব্রাহ্মশাসন গ্রামের জগদ্ধাত্রীপূজার কিছু কাহিনী পাঠক মহলে খুবই জনপ্রির হয়ে উঠেছে। উইকিপিডিয়াতেও লেখা আছে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের জগদ্ধাত্রী পূজা সূচনার কথা। মজার কথা হল এই পূজা আদৌ কবে ও কোথায় শুরু হয়েছিল তার ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ কি? কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির মতে এই পূজা মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় (১৭১০ খৃষ্টাব্দ) দ্বারা শুরু হয়েছে। তিনি নাকি তৎকালীন নবাবের কাছে কোন এক কারণে দুর্গা পূজার সময়ে বন্দি হন এবং পরে দুর্গা পূজার পর ছাড়া পেলে স্বপ্নাদেশে পরের মাসের অর্থাৎ কার্তিক শুক্লা নবমীতে এই পূজার প্রচলন করেন। সময়কাল নিয়ে মতভেদ থাকলেও অনুমানিক সূচনাকাল সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগর। এর পর চন্দননগর বা অন্যান্য স্থানে জগদ্ধাত্রীপূজার সূচনা হয়।
এই কৃষ্ণচন্দ্রের পৌত্র ছিলেন গিরীশচন্দ্র রায়। তিনি নদীয়ার শান্তিপুরের কাছে ১০৮ঘর ব্রাহ্ম পরিবারকে থাকতে দিয়ে একটি গ্রামপত্তন করেন যার নাম “ব্রাহ্মশাসন”। তার পর থেকে শুরু হয় শান্তিপুরে জগদ্ধাত্রী পুরো প্রচলন।
জগদ্ধাত্রী সম্পূর্ণ তান্ত্রিক দেবী। বঙ্গ তান্ত্রিক সিদ্ধপুরুষ কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশবংশীয় মহাপন্ডিত তন্ত্রজ্ঞ সিদ্ধসাধক কৌলাবধূতাচার্য্য রঘুনাথ তর্কবাগীশ মহাশয় (কাল গ্রহ বিষৎ ষট্ চন্দ্র শাকে) অর্থাৎ ১৬১০ শতাব্দে বা ১৬৮১খৃষ্টাব্দে প্রায় ১৬০ টি তন্ত্র ও প্রায় শতাধীক বেদ বেদান্ত পুরাণাদি গ্রন্থ মন্থন করে রচনা করেন “আগমতত্ব বিলাস” নামক এক অনর্ঘ্য মহাপুস্তক। সেই পুস্তকে স্পষ্টতই জগদ্ধাত্রী দেবীর সম্পূর্ণ মূর্তিবিবরণ, পূজাকাল, পূজা পদ্ধতি, পূজার বীজ মন্ত্র,দীক্ষাবিধি সব সুনিপুণ ভাবে বিস্তৃত উল্লেখ করেছেন রঘুনাথ জি।
ইন্দ্রনারায়ণের দেহরক্ষার ৬-৭ বছর বহু আগে থেকে কৃষ্ণনগরে পূজার সূচনা হয়। চন্দননগরে আদি মা তথা আরো কিছু বারোয়ারী পূজা সহ আদি হালদার পাড়ার বারোয়ারীর পূজার সচিত্র তথ্য প্রকাশিত হয়। ১৯৬১সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় স্পষ্টতই উল্লেখ আছে যে সেই পূজা প্রায় ৪০০বছরে প্রাচীন। সেই হিসাবে বর্তমান কাল ধরে সেই পূজা ৪৬০বছরে প্রাচীন।  তাহলে প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয় আদি হালদার পাড়ার পূজাটিও পূর্বে কোন এক সাধক পরিবারের পূজা ছিল। তারাও মানে যে আদিমা তাদের থেকেও প্রাচীন।অর্থাৎ আদিমায়ের প্রাচীনত্ব স্বীকৃত। ১৮২০সালে Friends of India নামক পত্রিকায় চন্দননগরে  জগদ্ধাত্রী পূজার উল্লেখ আছে। সেই স্থানে আছে রবার্টক্লাইভ চন্দননগরের চাউলপট্টিকে Granary of bengal বলে উল্লেখ করেছিলেন। এবং সেই সময় আদিমায়ের পূজার কথাও ছিল। ক্লাইভের ১৭৫৭ খৃষ্টাব্দে চন্দননগর অভিযানের কথা সকলেই জানেন। এতদ্দ্বারা প্রমাণ হয় যে কৃষ্ণচন্দ্রের বহুপরে আদিমায়ের পূজা প্রচলিত ছিল। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজত্বকাল থেকেই বঙ্গদেশে জগদ্ধাত্রী পূজার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
জগদ্ধাত্রী পূজার নিয়মটি একটু স্বতন্ত্র। দুটি প্রথায় এই পূজা হয়ে থাকে। কেউ কেউ সপ্তমী থেকে নবমী অবধি দুর্গাপূজার ধাঁচে জগদ্ধাত্রী পূজা করে থাকেন। আবার কেউ কেউ নবমীর দিনই তিন বার পূজার আয়োজন করে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজা সম্পন্ন করেন। এই পূজার অনেক প্রথাই দুর্গাপূজার অনুরূপ।
জগদ্ধাত্রী পূজা বাঙালি হিন্দু সমাজের একটি বিশিষ্ট উৎসব হলেও, দুর্গা বা কালীপূজার তুলনায় এই পূজার প্রচলন অপেক্ষাকৃত আধুনিক কালে ঘটে। অষ্টাদশ শতকে নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় তার রাজধানী কৃষ্ণনগরে এই পূজার প্রচলন করার পর এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। যদিও দেবী জগদ্ধাত্রী যে বাঙালি সমাজে একান্ত অপরিচিত ছিলেন না, তার প্রমাণও পাওয়া যায়। শূলপাণি খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতকে কালবিবেক গ্রন্থে কার্তিক মাসে জগদ্ধাত্রী পূজার উল্লেখ করেন। পূর্ববঙ্গের বরিশালে খ্রিস্টীয় অষ্টম শতকে নির্মিত জগদ্ধাত্রীর একটি প্রস্তরমূর্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে এই মূর্তিটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ সংগ্রহশালার প্রত্নবিভাগে রক্ষিত। কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালের আগে নির্মিত নদিয়ার শান্তিপুরের জলেশ্বর শিবমন্দির ও কোতোয়ালি থানার রাঘবেশ্বর শিবমন্দিরের ভাস্কর্যে জগদ্ধাত্রীর মূর্তি লক্ষিত হয়। তবে বাংলার জনসমাজে কৃষ্ণচন্দ্রে পূর্বে জগদ্ধাত্রী পূজা বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি। কেবল কিছু ব্রাহ্মণগৃহে দুর্গাপূজার পাশাপাশি জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হত।

 

 

।।সংগৃহীত : উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব শিশু দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের যোগসাধক, দার্শনিক ও ধর্মগুরু ধনঞ্জয়দাস কাঠিয়াবাবা।

 

১৭৫০ – টিপু সুলতান, ভারতীয় স্বাধীনতাকামী বীরপুত্র ।

১৮৩৭ – লিউনি ওয়াটার ম্যান, ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলমের আবিষ্কর্তা মার্কিন বিজ্ঞানী।

 

১৮৫৮ – সেলমা লাগেরল্যোফ, নোবেলজয়ী সুইডিশ লেখিকা।

১৮৭৩ – উইলিয়াম কোবলেন্টজ, আমেরিকান পদার্থবিদ।

 

১৮৮৯ – এডউইন হাবল, মার্কিন জ্যোতির্বিদ।

১৯১৫ – হু ইয়াওবাং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব।

 

১৯২০ – বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের খ্যাতিমান অভিনেতা কালী বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

১৯২৩ – নাদিন গার্ডিমার, দক্ষিণ আফ্রিকার নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।

 

১৯৩২ – সুফিয়া আহমেদ, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও ভাষাসৈনিক।

 

১৯৬৩ – টিমোথি গাওয়ারস, ফীল্ডস মেডাল বিজয়ী কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৫ – ফ্রান্স, ব্রিটেন, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষর।

১৮১৮ – ভেনেজুয়েলা স্পেনের শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯১৭ – ইউক্রেনকে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৪০ – হাঙ্গেরি ত্রিদলীয় চুক্তি স্বাক্ষরকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৪৫ – ন্যুরেমবার্গ আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু।

১৯৬২ – সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে ইলুশিন বোমারু প্রত্যাহার করতে সম্মত হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১০ – লিও তলস্তয়, খ্যাতিমান রুশ লেখক।

 

১৯৩৯ – দীনেশচন্দ্র সেন, লোকসাহিত্য বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।

 

১৯৮৪ – কবি ফয়েজ আহমদ।

 

১৯৯৯ – আমিন্‌তোরে ফান্‌ফানি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৯৯ – সুফিয়া কামাল, বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি, লেখক ও নারীবাদী।

 

২০১০ – মীর শওকত আলী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার।

 

২০২২ – কলকাতার সিরিয়ালে বেশ পরিচিত মুখ ঐন্দ্রিলা শর্মা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This