Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব জল দিবস, জানুন দিনটি পালনের সংরক্ষণের গুরুত্ব ও তাত্‍পর্য।।।

‘জলের অপর নাম জীবন’ অথবা ‘No Water, No Life’ ছোট থেকে সব পাঠ্য বইয়ে উল্লেখ পেয়েছি এমন কথার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ বুঝেছে আমাদের জীবনে জলের গুরুত্ব কতখানি। পরিশুদ্ধ জল ছাড়া যে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা সম্ভব নয়, তা সকলেই জানেন। সে কারণে, জল অপচয় বন্ধ করতে নিত্যদিন নানা রকম ক্যাম্পেনিং দেখা যায় কোথাও না কোথাও।

আজ আরও একবার জলের গুরুত্ব বোঝানোর পালা। কারণ আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জল দিবস (World Water Day)।
পানীয় জলের গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতি বছর 22 মার্চ বিশ্ব জল দিবস পালন করা হয়। জল আমাদের জীবনের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সেচ, রান্না, ধোয়া, পান করা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়। জল ভাল স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য কারণ এটি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে, স্বাভাবিক কার্যকারিতা পরিচালনা করে, হজমে সহায়তা করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থগুলিকে বাইরে বের করে দিতে সহায়তা করে।
আমাদের অবশ্যই আমাদের এই জলসম্পদকে রক্ষা করতে হবে এবং সেগুলি কার্যকরভাবে এবং যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।
বিশ্ব জল দিবস জলের গুরুত্বকে তুলে ধরার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক বার্ষিকভাবে উদযাপিত একটি দিন (সর্বদা ২২ মার্চ)। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ সভা ২২ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব জল দিবস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনের (ইউএনসিইডি) এজেন্ডা ২১-এ প্রথম বিশ্ব জল দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবটি উত্থাপিত হয়। ১৯৯৩ সালে প্রথম বিশ্ব জল দিবস পালিত হয় এবং তার পর থেকে এই দিবস পালনের গুরুত্ব ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলি এই দিনটিকে নিজ নিজ রাষ্ট্রসীমার মধ্যে জাতিসংঘের জলসম্পদ সংক্রান্ত সুপারিশ ও উন্নয়ন প্রস্তাবগুলির প্রতি মনোনিবেশের দিন হিসেবে উত্‍সর্গ করেন। প্রতি বছর বিশ্ব জল দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার যে কোনো একটি বিশেষ কর্মসূচি পালন করে থাকে। ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ-জল বিশ্ব জল দিবসের থিম, বার্তা ও প্রধান সংস্থা নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছে। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলির পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও পরিচ্ছন্ন জল ও জলসম্পদ রক্ষা সম্পর্কে জনসচেতনতা গড়ে তোলার জন্য এই দিন বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করেন। ২০০৩, ২০০৬ ও ২০০৯ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব জল উন্নয়ন প্রতিবেদন বিশ্ব জল দিবসেই প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৫ সালের বিশ্ব জল দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল- পানির সহজ প্রাপ্তি, টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি। ১৯৯৩ সালে থেকে প্রতি বছর ২২ মার্চ জল নিয়ে গণসচেতনতা তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ শুরু হয়েছে দেশ বিদেশে। শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বেই ভূগর্ভস্থ জলস্তর নামছে তো নামছেই। সারা পৃথিবীর প্রায় ২৫ শতাংশ ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলন করে ভারত। ভারত আর কিছুতে না হোক, এই ক্ষেত্রে আমেরিকা ও চিনের থেকে এগিয়ে রয়েছে। ভারতের ক্ষেত্রে ২০০২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ভূগর্ভস্থ জলস্তরের উচ্চতা কমেছে ভয়াবহ ভাবে, প্রতি বছরে ১০-২৫ মিমি। গড়ে ভারতের ভূগর্ভস্থ জলস্তর কমেছে ৫৪ শতাংশ। চিন্তার বিষয় হল, চাষ আবাদের ক্ষেত্রে ভারতে যে জল ব্যবহৃত হয়, তার ৭০ শতাংশের এর উত্‍স হল ভূগর্ভস্থ জল। তথ্য অনুসারে, যদি এই ভাবে ভূগর্ভস্থ জলস্তরের উচ্চতা কমতে থাকে, তাহলে ভারতের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের বেশি মানুষের জন্য পানীয় জলের গুরুতর সমস্যা হবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি মোটেই আশাপ্রদ নয়। ইতিমধ্যেই প্রচুর মানুষ আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেক জায়গায়, যার মধ্যে কলকাতাও রয়েছে, যেখানে টিউবওয়েলের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ জলের উত্তোলন এক প্রকার নিষিদ্ধ।
ভূগর্ভস্থ জলসীমা কমে যাওয়ার ফলাফল
ভূগর্ভস্থ জল কমে যাওয়ার পেছনে অনেকগুলি কারণ দায়ী এই পরিস্থিতির জন্য। যার মধ্যে অন্যতম হল মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ভূগর্ভস্থ জল উত্তোলন করা। এর ফলে কুয়ো, পাতকুয়ো শুকিয়ে যাচ্ছে খুব দ্রুত। পুকুর, খাল বিল, নদীর অবস্থাও খারাপ। গুণগত মানের দিক থেকেও দেখা গিয়েছে, ভূগর্ভস্থ জলের অবস্থা ভালো নয়। পানীয় জলের সংকট ইতিমধ্যেই গ্রীষ্মের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এখনই সচেতন হতে হবে সকলকে।
কী করতে হবে সামনের দিনের জন্য-
এই সমস্যা এক সময় ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পরে যদি এমন চলতে থাকে। তাই ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা ভেবে আমাদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে প্রচুর গাছ লাগাতে হবে। এর সত্যি কোনও বিকল্প নেই। তবে এই ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ইউক্যালিপটাসের মতো গাছ, যেগুলি ভীষণ পরিমাণে ভূগর্ভস্থ জল শুষে নেয়, এরকম গাছ এড়িয়ে যাওয়া উচিত, জমিতে ক্যামিক্যাল ব্যবহার করা চলবে না। কাপড় কাচা বা ধোয়ার ক্ষেত্রে যত্নবান হতে হবে। কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতো ভূগর্ভস্থ জল পাম্প করে তোলা চলবে না। জলের অপব্যবহার করা যাবে না। অনেকে রাস্তা ঘটে পানীয় জলের ট্যাপ খুলে রেখে চলে যায়। সে বিষয়ে সচেতন হতে হবে। এতে দেশের ক্ষতি, আমাদের ক্ষতি সেটা বুঝতে হবে সকলকে। সর্বপরি সঠিক প্রচার ও জল নিয়ে অনেক অনেক সচেতনতা মূলক পোগ্রাম করতে হবে নিয়ম করে। বোঝাতে হবে আগামী দিনে জল এক ভঙ্কর সঙ্কট হিসেবে দেখা দিতে পারে আমরা সকলে যদি সচেতন না হই।
অনেকেই ভাবতে পারেন যে পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতংশ তো জল দিয়ে তৈরি, তাহলে জল নিয়ে চিন্তার কী আছে? বাস্তব হল, এর মধ্যে ব্যবহারযোগ্য জলের শতাংশের হিসেব বেশ কম। তার পাশাপাশি পানীয় জলের পরিমাণ আরোও কম। ইতিমধ্যেই প্রথম বিশ্বের অনেক দেশেই দেখা গিয়েছে, সাধারণ মানুষকে জল কিনতে হচ্ছে প্যাকেটে। ভারতের মতো দেশে মাথা পিছু জল ব্যবহার নিয়ে কোনও ধারণা নেই। কিন্তু শেষের সেদিন কিন্তু বেশ ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই আর গাফিলতি বা পিছিয়ে থাকা নয়, জল নিয়ে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে এগোতে হবে সবাইকে।
সর্বপরি, দিনটি পরিশুদ্ধ জল রক্ষার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির একটি বিশেষ দিন হিসেবে স্থির করা হয়েছে। বিশ্ব জল দিবসে (World Water Day), বিশ্বব্যাপী লোকেরা পরিষ্কার জলের গুরুত্ব এবং জলকে অত্যাবশ্যক সম্পদ হিসেবে রক্ষা করার জন্য জনসচেতনা বৃদ্ধির দিন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
তাই এই সমস্যা এক সময় ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পরে যদি এমন চলতে থাকে। তাই ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা ভেবে আমাদের এখন থেকেই সচেতন হতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের পথ খুজে বের করে নির্দিষ্ট লক্ষ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক) বিশ্ব জল দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১২ – ইংলিশ লেখক এডওয়ার্ড মূর।

১৮৫৭ – ফরাসি গণিতবিদ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৪ তম প্রেসিডেন্ট পল ডুমের।

১৮৬৮ – রবার্ট মিলিকান, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৮৩ – যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং গবেষক।

১৮৯৪ – ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাস্টারদা সূর্য সেন।

১৯১৮ – (ক)  অমিয়ভূষণ মজুমদার,বাঙালি কথাসাহিত্যিক।
গিয়ানা রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট চেডি জাগান।
১৯২১ – ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার নিনো মানফ্রেডি।

১৯৩১ – উইলিয়াম শ্যাটনার, কানাডীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা।
১৯৩১ – বার্টন রিখটার, নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৪৮ – ইংরেজ পরিচালক ও সুরকার অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবের।
১৯৫৫ – লাটভিয়ার চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম সভাপতি ভাল্ডিস যাটলেরস।

১৯৭৬ – রিজ উইদারস্পুন, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৩৯ – নাদির শাহ্ ভারতের দিল্লি দখল করেন এবং শহরের মূল্যবান বস্তু লুটপাট করেন।
১৭৯৩ – বাংলা ও বিহারে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।
১৮২৪ – লন্ডনে ন্যাশনাল গ্যালারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৮২ – বহুগামিতা নিষিদ্ধ করে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস।
১৮৮৮ – ইংলিশ ফুটবল লীগ গঠিত হয়।
১৮৯৮ – অবিভক্ত ভারতে ফৌজদারি কার্যবিধি প্রবর্তন।
১৯০৪ – নিউইয়র্ক ইলাসট্রেটেড মিরর পত্রিকার মাধ্যমে পত্রিকায় বিশ্বের প্রথম রঙিন ছবি মুদ্রণের ঘটনা ঘটে।
১৯১২ – বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভেঙ্গে বিহার রাজ্য গঠিত হয়।
১৯৪২ – স্টাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে।
১৯৪৫ – কায়রো সনদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আরব লীগ গঠিত।
১৯৪৬ – জর্দানের স্বাধীনতা লাভ।
১৯৪৭ – লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভাইসরয় পদে নিযুক্ত হয়ে ভারতে আসেন।
১৯৫৭ – ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা (১ লা চৈত্র,১৮৭৯) চালু হয়।
১৯৮২ – নাসার স্পেস-শাটল ‘কলম্বিয়া’ উৎক্ষেপণ করা হয় তৃতীয়বারের মতো।
১৯৮৫ – বিশ্বের ওজোন স্তর সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করা হয়।
২০০৪ – ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমদ ইয়াসিন ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় শহীদ হন।
২০১২ – এশিয়া কাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হারে বাংলাদেশ ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮৭ – ইতালীয় ফরাসি সুরকার ও কন্ডাকটর জাঁ-ব্যাপ্টিস্টে লুলয়।
১৮৩২ – ইয়োহান ভল্‌ফগাং ফন গোটে, জার্মান লেখক ও কবি।

১৯৫৫ – ভারতের শিল্প ও স্থাপত্যের ইতিহাসকার পার্সি ব্রাউন।

১৯৭৭ – কমিউনিস্ট নেতা এ কে গোপালন।

১৯৯৭ – পণ্ডিত প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রখ্যাত বাঙালি উচ্চাঙ্গ কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

২০০১ – আমেরিকান অ্যানিমেটর, পরিচালক, প্রযোজক, ভয়েস অভিনেতা ও হানা-বারবেরার সহ-প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম হানা।
২০০৪ – ফিলিস্তিনি আধ্যাত্মিক নেতা ও হামাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদ ইসমাইল হাসান ইয়াসিন।
২০০৫ – জাপানি আর্কিটেক্ট কেনযো টাঙ্গে।

২০১০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ জীববিজ্ঞানী ও ফার্মাকোলজিস্ট জেমস হোয়াইট ব্ল্যাক।
২০১৩ – কিউবান বংশোদ্ভূত সুইডিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার বেবো ভাল্ডেস।

২০২২ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ২১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবস
(খ) বিশ্ব কবিতা দিবস
(গ) বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস
(ঘ) বিশ্ব পুতুলনাট্য দিবস
(ঙ) বিশ্ব বন দিবস
(চ) সুগন্ধ দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৬০৯ – দ্বিতীয় কাজিমিয়ের্জ, পোল্যান্ডের রাজা।

১৬৮৫ – জোহান সেবাস্টিয়ান বাখ, জার্মান সুরকার।

১৭৬৮ – জোসেফ ফুরিয়ে, প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৬১ – শ্রীশচন্দ্র বসু প্রখ্যাত ভারতীয় বহুভাষাবিদ ও পণ্ডিত ব্যক্তিত্ব।

১৮৮৪ – জর্জ ডেভিড বার্কফ,মার্কিন গণিতবিদ।

১৮৮৭ – মানবেন্দ্র নাথ রায়, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা।

১৯১৬ – ওস্তাদ বিসমিল্লাহ খান সাহেব, ভারতীয় সানাই বাদক।

১৯৪৯ – শ্লাভোস্ জিজেক, স্লোভেনীয় সমাজতাত্ত্বিক, দার্শনিক এবং সংস্কৃতি সমালোচক।

১৯৫৫ – বব বেন্নেট আমেরিকান গায়ক, গীতিকার।

১৯৬১ – লোথার ম্যাথেয়াস, প্রসিদ্ধ জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৭৮ – রাণী মুখার্জী, ভারতীয় অভিনেত্রী।
১৯৮৫ -আশেক ইলাহী চৌধুরী আইমন, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম, আর্ট শিল্পী
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১৮৮ – জাপান সম্রাট আঙ্কুটুর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
১৪১৩ – পঞ্চম হেনরি ইংল্যান্ডের রাজা হিসেবে অভিষিক্ত হন।
১৬১০ – রাজা প্রথম জেমস হাউস অব কমন্সে বক্তব্য দেন।
১৭৯১ – ব্রিটিশ সৈন্যরা টিপু সুলতানের কাছ থেকে ব্যাঙ্গালোর দখল করে নেয়।
১৮০১ – আলেকজান্দ্রিয়ার যুদ্ধে জেনারেল এবারক্রম্বির নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনী ফরাসিদের পরাজিত করে ।
১৮২৯ – স্পেনে ভূমিকম্পে ৬ হাজার লোক নিহত।
১৮৩৬ – কলকাতায় প্রথম গ্রন্থাগার(ক্যালকাটা পাবলিক লাইব্রেরি) স্থাপিত হয়।
১৮৫৭ – টোকিওতে ভূমিকম্পে ১ লাখ ৭ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
১৯১৭ – বিপ্লবী বাহিনীর হাতে রাশিয়ার জার সস্ত্রীক গ্রেফতার হন।
১৯১৯ – সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৪৮ – রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা দেন যে উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। উপস্থিত জনতা না, না বলে তার উক্তির প্রতিবাদ জানায়।

১৯৬৫ – মার্টিন লুথার কিং নাগরিক অধিকার মার্চ শুরু করেন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লেসোথো।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
১৯৭৫ – ইথিওপিয়ায় সামরিক সরকার কর্তৃক রাজকীয় সম্রাটের পদ বিলোপ।

১৯৭৭ – পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিজ আসনে পরাজিত হওয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পদত্যাগ।
১৯৮৫ – বাংলাদেশে গণভোট হয়।
১৯৯০ – দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে নামিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯১ – কুয়েতি তেলকুপের ধোঁয়ায় সৌদি বিমান বিধ্বস্ত। ৯৮ জন নিহত।
২০০২ – বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধুর ছবি অপসারণ বিল পাস।
২০০৬ – টুইটার প্রতিষ্ঠিত হয় ৷

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৭৬ – হেনরি সভ্যাল, ফরাসি ইতিহাসবিদ।

২০০৩ – অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, অধ্যাপক,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার, গবেষক ও পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির ভূতপূর্ব সভাপতি।
২০২৩ – একুশে পদকপ্রাপ্ত ও টিএসসির স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরের ভাস্কর শামীম শিকদার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জানুন আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবস ও বিশ্ব কবিতা দিবস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।।।

জানুন আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবস ও বিশ্ব কবিতা দিবস সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।।।

(ক) আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবস

(খ) বিশ্ব কবিতা দিবস

(ক) আন্তর্জাতিক জাতি বৈষম্য বিলোপ দিবস-

জাতিগত বৈষম্য দূরীকরণের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস প্রতি বছর ২১শে মার্চ পালন করা হয়। সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সাধারণ পরিষদ ১৯৬৬ সালের ২৬শে অক্টোবর একটি রেজুলেশন গৃহীত হয় এবং ২১শে মার্চকে বার্ষিক স্মরণীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

আন্তর্জাতিক জাতিগত বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবসে জাতি, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
বর্ণবৈষম্য প্রথম শুরু হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। ১৯৬০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার সার্পভিলে জাতিগত বর্ণ বৈষম্যের বিল পাশের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলের আয়োজন করে। যেখানে পুলিশ বিনা কারণে নির্বিচারে সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালায়। এতে ৬৯ জন প্রাণ হারান এবং ১৭৮ মানুষ আহত হন।
এই ঘটনার পর ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পৃথিবীর সমস্ত দেশ থেকে জাতিভেদ ও বর্ণবৈষম্যের মত ভয়ানক ব্যাধিকে নির্মূল করতে সোচ্চার হয়। এই বিষয়ের উপর জাতিসংঘ নানা কর্মসূচি শুরু করে। অবশেষে ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রথম ২১ শে মার্চ দিনটিকে আন্তর্জাতিক জাতিগত বর্ণবৈষম্য বিলোপ দিবস হিসাবে পালনের আহ্বান জানায়।
২০০১ সালে জাতিগত ভেদাভেদ ও বর্ণবাদ বিরোধী বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীকালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান শহরে আবার একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যার মূল লক্ষ্য ছিল জাতি ও বর্ণের সমস্যাকে দূরীভূত করা। এবং নতুনভাবে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এক আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি নেওয়া।
(খ) বিশ্ব কবিতা দিবস-
১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ মার্চ তারিখটিকে বিশ্ব কবিতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এই দিবস পালনের উদ্দেশ্য হল বিশ্বব্যাপী কবিতা পাঠ, রচনা, প্রকাশনা ও শিক্ষাকে উত্‍সাহিত করা। ইউনেস্কোর অধিবেশনে এই দিবস ঘোষণা করার সময় বলা হয়েছিল, “এই দিবস বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কবিতা আন্দোলনগুলিকে নতুন করে স্বীকৃতি ও গতি দান করবে।” পূর্বে অক্টোবর মাসে বিশ্ব কবিতা দিবস পালন করা হত। প্রথম দিকে কখনও কখনও ৫ অক্টোবর এই উত্‍সব পালিত হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে রোমান মহাকাব্য রচয়িতা ও সম্রাট অগস্টাসের রাজকবি ভার্জিলের জন্মদিন স্মরণে ১৫ অক্টোবর এই দিবস পালনের প্রথা শুরু হয়। অনেক দেশে আজও অক্টোবর মাসের কোনো দিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কবিতা দিবস পালন করা হয়। এই দিবসের বিকল্প হিসেবে অক্টোবর অথবা নভেম্বর মাসের কোনো দিন কবিতা দিবস পালনেরও প্রথা বিদ্যমান।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব বন দিবস, জানুন আমাদের গ্রহকে টিকিয়ে রাখতে বনের ভূমিকা।

প্রতি বছর ২১শে মার্চ পালিত হয়, বিশ্ব বন দিবস আমাদের গ্রহকে টিকিয়ে রাখতে বনের ভূমিকার একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে। আমরা শ্বাস নিই বাতাসকে বিশুদ্ধ করা থেকে শুরু করে অগণিত প্রজাতির আবাসস্থল, বন শুধু ফুসফুস নয় পৃথিবীর অভিভাবক। আমরা বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, আসুন আমরা এই বিশ্বব্যাপী ইভেন্টের তাত্‍পর্য এবং ইতিহাসকে আরও গভীরে ডুবে যাই।

বিশ্ব বন দিবস কি?
আপনি একটি নোটবুকে লিখুন, একটি বাড়ি তৈরি করুন বা আপনার প্রতিদিনের ওষুধ গ্রহণ করুন, এই সমস্ত কাজে বন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবুও, আমরা সবসময় এই কার্যকলাপ এবং বনের মধ্যে সংযোগ তৈরি করি না। তাই, আমাদের জীবনে বনের অবদানকে স্মরণ করার জন্য ২১শে মার্চকে আন্তর্জাতিক বন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
তদুপরি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বন উজাড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সাথে, বনের তাত্‍পর্য এবং কীভাবে তারা পৃথিবীতে জীবনচক্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে তা বোঝা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বিশ্ব বন দিবস ২০২৫ এর থিম —-

২০২৫ সালের বিশ্ব বন দিবসের প্রতিপাদ্য হল “বন এবং খাদ্য” যা খাদ্য ব্যবস্থায় বনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এর লক্ষ্য হল খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি এবং জীবিকা নির্বাহে বনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা। খাদ্য সরবরাহের পাশাপাশি, বন জ্বালানি, আয় এবং কর্মসংস্থানও প্রদান করে, একই সাথে সুস্থ মাটি বজায় রাখে এবং জলের উৎস রক্ষা করে। এই বছরের প্রতিপাদ্য নীতিনির্ধারকদের জলবায়ু পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে বনকে রেখে নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে।

বনের গুরুত্ব ——

মানুষের বেঁচে থাকা এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য বন অপরিহার্য, যা অসংখ্য সুবিধা প্রদান করে:

খাদ্য ও ঔষধ: তারা ফল, বাদাম, বীজ, মাশরুম এবং মধু সরবরাহ করে, যা বিশ্বব্যাপী ৫ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের খাদ্য ও ঔষধি চাহিদা পূরণ করে।

রান্নার জ্বালানি: কাঠ এবং ঐতিহ্যবাহী জ্বালানি ২ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের, বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায়, রান্নার প্রধান উৎস হিসেবে রয়ে গেছে।

কৃষি সহায়তা: বন মাটি সমৃদ্ধ করে, জল ধরে রাখে এবং পরাগরেণুদের আবাসস্থল প্রদান করে, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

গ্রামীণ জীবিকা: গ্রামীণ পরিবারের আয়ের প্রায় ২০% অবদান রাখে, যা একটি বৈচিত্র্যময় এবং পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করে।

পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা: বনভূমি মিঠা পানির সরবরাহ করে, পানির গুণমান উন্নত করে এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ভারতে বনায়ন——-

ভারতের একটি সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময় বন বাস্তুতন্ত্র রয়েছে, যা তার মোট ভূমির ২১.৭১% জুড়ে রয়েছে (ইন্ডিয়া স্টেট অফ ফরেস্ট রিপোর্ট ২০২৩)। এই বনগুলিকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট, পর্ণমোচী বন, ম্যানগ্রোভ, আলপাইন বন এবং কাঁটাযুক্ত বনে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

বন ও বৃক্ষরোপণ: ভারতের মোট বন ও বৃক্ষরোপণের পরিমাণ ৮,২৭,৩৫৭ বর্গ কিমি (২৫.১৭%), যার মধ্যে ১,১২,০১৪ বর্গ কিমি বৃক্ষরোপণ রয়েছে।

বনাঞ্চল বৃদ্ধি: ২০২১ সালের তুলনায় বনাঞ্চল ১৫৬ বর্গ কিলোমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রধান বনাঞ্চলযুক্ত রাজ্য: মধ্যপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ছত্তিশগড়, ওড়িশা এবং মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে, যেখানে ছত্তিশগড়, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা এবং রাজস্থান ২০২১ সাল থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্বন মজুদ এবং সংরক্ষণ: ভারতের বনাঞ্চল ৭,২৮৫.৫ মিলিয়ন টন কার্বন সঞ্চয় করে, যা অতিরিক্ত ২.২৯ বিলিয়ন টন কার্বন সিঙ্কে অবদান রাখে।

অর্থনৈতিক অবদান: কাঠ, অ-কাঠজাত বনজ পণ্য (NTFP), ঔষধি গাছপালা এবং ইকোট্যুরিজমের মাধ্যমে বন ভারতের অর্থনীতিকে সমর্থন করে।

সংরক্ষণ প্রচেষ্টা: জাতীয় বনায়ন কর্মসূচি (NAP), সবুজ ভারত মিশন এবং যৌথ বন ব্যবস্থাপনা (JFM) এর মতো সরকারি উদ্যোগগুলি বনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্ব বন দিবস ২০২৫ এর তাৎপর্য—–

বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৫ বন এবং খাদ্য নিরাপত্তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের উপর জোর দেয়। এর লক্ষ্য হল:

কৃষি ও মানব স্বাস্থ্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে বনের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করুন।

বন এবং জীববৈচিত্র্যের সমন্বয়ে টেকসই কৃষিকাজকে উৎসাহিত করুন।

বন উজাড় এবং আবাসস্থলের ক্ষতি মোকাবেলায় সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করুন।

বনায়ন এবং বন সুরক্ষার জন্য সরকারি উদ্যোগগুলি তুলে ধরুন।

পরিবেশ সংরক্ষণে ব্যক্তিগত পদক্ষেপকে অনুপ্রাণিত করুন।

এই দিনটি বন কীভাবে খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু স্থিতিশীলতা এবং জীববৈচিত্র্যকে সমর্থন করে তার একটি স্মারক হিসেবে কাজ করে। বনের গুরুত্ব বোঝা আমাদের আরও টেকসই ভবিষ্যতের দিকে কাজ করতে সাহায্য করে।

কিভাবে বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪ মন দিয়ে উদযাপন করবেন?
একটি গাছ লাগানোর চেয়ে আন্তর্জাতিক বন দিবস উদযাপনের ভাল উপায় আর কী হতে পারে? আপনার স্থানীয় সম্প্রদায়ের বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন বা আপনার বন্ধু এবং পরিবারের সাথে একটি বৃক্ষ রোপণ ইভেন্টের আয়োজন করুন। এটি শুধুমাত্র বন পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে না কিন্তু আমাদের কার্বন পদচিহ্ন কমাতেও অবদান রাখে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।।।

আমাদের জীবনের অন্যান্য লক্ষ্যগুলির মতোই, সুখ একটি মৌলিক মানব লক্ষ্য। আমাদের অবশ্যই সবসময় সুখী এবং সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করতে হবে এবং একটি ইতিবাচক পরিবেশের মাধ্যমে আমাদের চারপাশে অন্যদের খুশি করার জন্য আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে।

সুখ একটি মানুষের অস্তিত্বের মূল।

আমরা যদি সুখী এবং ইতিবাচক হই, তবে আমরা যা আছে তাতে সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা করতে পারি এবং আমাদের চারপাশে সুখ ছড়িয়ে দিতে পারি। সুখ একটি মৌলিক মানব লক্ষ্য, যা জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত। ভুটানই এই ধারণার সূচনা করেছিল। এখন থেকে, ২০ শে মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস হিসাবে পালিত হয়, বিশ্বব্যাপী সুখকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। বর্তমান সময়ে, সুখী হওয়া একটি বিশ্বব্যাপী প্রচারে পরিণত হয়েছে। একজনের জীবনে সুখের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ২০১৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস পালিত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সুখ দিবসের ইতিহাস–

যারা ধারণার সাথে পরিচিত নন তাদের কাছে আন্তর্জাতিক সুখ দিবস নামে একটি উত্সব কিছুটা শিশুসুলভ মনে হতে পারে। সম্ভবত আপনি কল্পনা করছেন বাচ্চারা ‘যদি আপনি খুশি হন এবং আপনি এটি জানেন’ গান গাইছেন বা লোকেরা হাসিখুশি সূর্য এবং রংধনুতে আনন্দে নাচছে। জাতিসংঘ এবং এর অংশীদার অলাভজনক সংস্থা অ্যাকশন ফর হ্যাপিনেস, যা ১৬০টি দেশের ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত, আমাদের জন্য আন্তর্জাতিক সুখ দিবস উদযাপন করা সম্ভব করেছে। আন্দোলনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হল এই সত্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যে উন্নয়নের সাথে কেবল মুনাফা বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা নয় বরং মানুষের মধ্যে মঙ্গল ও সুখের প্রচার করা।
২০১১ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ একটি রেজোলিউশন গৃহীত হয়েছিল যা এটিকে একটি “মৌলিক মানব লক্ষ্য” হিসাবে সুখকে অর্থনৈতিক সুযোগের মতো অগ্রাধিকার দেয়। বিশ্বের উদ্বোধনী আন্তর্জাতিক সুখ দিবসটি দুই বছর পরে ২০১৩ সালে পালিত হয়েছিল যখন জাতিসংঘের ১৯৩ জন সদস্য অংশ নিয়েছিল এবং তখন থেকে এটি প্রসারিত হয়েছে।

২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক সুখ দিবসের থিম কী?

তাছাড়া, আপনি কি জানেন যে জাতিসংঘ আসলে এই বিশেষ আন্তর্জাতিক সুখ দিবসটি প্রতিষ্ঠা করেছিল শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির উপর মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে মানুষের সুখকে স্বীকৃতি দেওয়ার এবং উন্নত করার জন্য? এছাড়াও, এই বছরের আন্তর্জাতিক সুখ দিবসের প্রতিপাদ্য হল “যত্ন এবং ভাগাভাগি”।

আন্তর্জাতিক সুখ দিবসের তাৎপর্য——-

তাছাড়া, আপনি কি জানেন যে এই বিশেষ আন্তর্জাতিক সুখ দিবসটি প্রতিটি ব্যক্তিকে উৎসাহিত করে – সে পরিবার, স্কুল ছাত্র, অফিস সহকর্মী, অথবা সমগ্র সম্প্রদায় – তাদের জীবনে সত্যিকার অর্থে আনন্দ এবং অর্থ কী নিয়ে আসে তার উপর একটু বিরতি নিতে, প্রতিফলিত করতে এবং আরও বেশি মনোযোগ দিতে? এটি আপনার অগ্রাধিকারের উপর নির্ভর করে – আপনি কীভাবে দিনটি কাটাতে চান – তা আপনার প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো, অভাবী কাউকে সাহায্য করা, কৃতজ্ঞতা অনুশীলন করা, অথবা জীবনের সেই সমস্ত ছোট মুহূর্তগুলিকে উপলব্ধি করা।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ২০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  আন্তর্জাতিক সুখ দিবস
(খ) বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস (২০১৩ থেকে)
(গ) খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬১৫ – মোঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রথম পুত্র।
দারাশিকো।
১৮২৮ – হেনরিক ইবসেন, একজন নরওয়েজীয় নাট্যকার যিনি আধুনিক বাস্তবতাবাদী নাটকের সূত্রপাত করেছেন।

১৮৪২ – গুরুপ্রসাদ সেন, পূর্ববঙ্গের অধুনা বাংলাদেশের প্রথম এম.এ. এবং বিহারের প্রথম ইংরাজী দৈনিক ‘বিহার হেরল্ড’ এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯২০ – চিন্ময় লাহিড়ী, বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ।

১৯২৯ – বাংলা ছড়ার গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

১৯৬৬ – অলকা যাজ্ঞিক, ভারতীয় নেপথ্য গায়িকা।

১৯৮৯ – তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৮৬ – কলকাতার সুতানটি গ্রামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলন করা হয়।
১৭৩৯ – নাদির শাহ দিল্লি দখল করেন।
১৮১৪ – যুবরাজ উইলিয়াম ফ্রেডরিক নেদারল্যান্ডসের রাজা হন।
১৯৩৫ – ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৯১ – হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯২৫ – জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন উপনিবেশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।

১৯২৬ – কাজী ইমদাদুল হক, ব্রিটিশ ভারতের বাঙালি কবি।
১৯৪৪ – মন্মথনাথ ঘোষ (বিদ্যাবিনোদ), বাঙালি শিল্পোদ্যোগী ও সাহিত্যিক।

১৯৬২ – বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।
১৯৭৩ – শ্যামাপদ গোস্বামী প্রখ্যাত বাঙালি সাঁতারু।

১৯৮৮ – অখিলবন্ধু ঘোষ বিশিষ্ট বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী।

১৯৯১ – রমা চৌধুরী ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও লেখিকা ।

১৯৯৩ – বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ।

২০১৩ – বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সিঙ্গাপুরে পরলোকগমন।

২০১৪ – ভারতের বিখ্যাত রম্যলেখক ও সাংবাদিক খুশবন্ত সিং।
২০১৭ – লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা।

২০২০ – পি. কে. ব্যানার্জি নামে সুপরিচিত ভারতীয় ফুটবলার ও প্রশিক্ষক প্রদীপকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব।।।

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস (WOHD) প্রতি বছর 20 মার্চ পালন করা হয়। দিনটি মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য ভাল মুখের স্বাস্থ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিবেদিত। বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের মূল লক্ষ্য হল মানুষকে তাদের দাঁত ও মাড়ির যত্ন নেওয়ার জন্য জ্ঞান, সরঞ্জাম এবং আত্মবিশ্বাস দিয়ে ক্ষমতায়ন করা।

এটি করার মাধ্যমে, এটি আশা করা যায় যে লোকেরা তাদের মুখের স্বাস্থ্যের আরও ভাল যত্ন নেবে।
বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের তাৎপর্য হল প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিশু উভয়ের জন্য ভাল মৌখিক স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের গুরুত্ব তুলে ধরা। আমাদের দাঁত ও মাড়ির যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আমরা দাঁতের ক্ষয়, মাড়ির রোগ এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করতে পারি। যারা তাদের মুখের স্বাস্থ্যের ভালো যত্ন নেয় না তাদের জন্য এটি গুরুতর স্বাস্থ্যের পরিণতি হতে পারে।

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৫ তারিখ—
এই বছর, ২০ মার্চ ২০২৪ বুধবার বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হবে।

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৫ থিম—

২০২৫ সালের বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের থিম ছিল, “একটি সুখী মুখ একটি সুখী শরীর”। এই দিনটি প্রতি বছর ২০ মার্চ পালন করা হয়।

এই বছর, ২০২৫ সালে, বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হল ” একটি সুখী মুখ … একটি সুখী শরীর “। এই প্রতিপাদ্যটি মানসিক স্বাস্থ্য এবং দাঁতের স্বাস্থ্যের মধ্যে যোগসূত্রের উপর জোর দেয়। মাড়ির রোগ, গহ্বর এবং দাঁত ক্ষয় দুর্বল মৌখিক স্বাস্থ্যবিধির কারণে হতে পারে, যা সামাজিক সম্পর্ক, আত্মসম্মান এবং সাধারণ মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস—–

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের ইতিহাস ২০০৭ সালে, যখন এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর আগে, বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল কিন্তু যেহেতু এই তারিখটি FDI প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ চার্লস গডনের জন্মদিনের (১২ সেপ্টেম্বর) সাথে মিলে যায়, তাই ২০১৩ সালে, বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের তারিখ পরিবর্তন করে নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০ মার্চ।
বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে, এফডিআই জাতীয় ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন সংস্থা, সরকার এবং মিডিয়ার সদস্যদের জাতীয় ও বৈশ্বিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য উত্সাহিত করছে। ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হল ডেন্টাল এবং ওরাল স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা যা সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে, শিক্ষার মাধ্যমে এবং সঠিক জ্ঞান প্রদানের মাধ্যমে এড়ানো যায়। বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের লক্ষ্য প্রতিরোধ, সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা কার্যক্রমের জন্য তহবিল সরবরাহ করা এবং সহায়তা করা।

বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের গুরুত্ব (WOHD)–

২০১৭ সালে, বিশ্বের জনসংখ্যার ৩৫০ কোটিরও বেশি মানুষ মুখের রোগে ভুগছিলেন। গ্লোবাল বার্ডেন অফ ডিজিজ ২০১৯-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে স্থায়ী দাঁতে (প্রাপ্তবয়স্কদের দাঁত) চিকিৎসা না করা দাঁতের ক্ষয় বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে প্রচলিত স্বাস্থ্য সমস্যা। অনুমান করা হয়েছিল যে ভারতের ৫০-৬০% জনসংখ্যা দাঁতের ক্ষয়জনিত রোগে ভুগছে, যার ফলে তাদের জীবনযাত্রার মান হ্রাস পাচ্ছে।

মৌখিক স্বাস্থ্যের অবস্থার চিকিৎসা বেশ ব্যয়বহুল এবং সাধারণত স্বাস্থ্য কভারেজের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাছাড়া, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিতে উন্নতমানের মৌখিক স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার অ্যাক্সেস খুব কম। এছাড়াও, চিকিৎসা না করা দাঁতের ক্ষয় অস্বস্তি, ঘুমাতে এবং খেতে অসুবিধা, হাসপাতালে ভর্তি বা দাঁতের পরিদর্শন, আক্রমণাত্মক চিকিৎসা এবং পদ্ধতিগত স্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

উপরে উল্লিখিত বিষয়গুলি বিবেচনা করে, দাঁতের সমস্যা এবং এর সাথে সম্পর্কিত জটিলতা এড়াতে দাঁতের যত্ন সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অতএব, বিশ্ব মৌখিক স্বাস্থ্য দিবসের লক্ষ্য হল সচেতনতা প্রদান করা এবং দাঁতের সমস্যার জন্য স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রচারের মাধ্যমে ভাল মৌখিক যত্নের গুরুত্বকে আলোকিত করা।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮১৩ – স্কটিশ চিকিৎসক খ্রীষ্ট ধর্মপ্রচারক ও মহান মানবতাবাদী অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন।

১৮২১ – ব্রিটিশ সৈনিক, ভূগোলবিদ ও কূটনীতিক রিচার্ড ফ্রান্সিস বার্টন।

১৯০২ – ভূপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৯১৯ – বাঙালি কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর।

১৯৪৩ – মারিও মোলিনা, ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে রসায়নে যৌথভাবে নোবেলজয়ী মেক্সিকান রসায়নবিদ।

১৯৫২ – হার্ভি ওয়াইনস্টিন, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৫৫ – ব্রুস উইলিস, জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা, প্রজোযক ও সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৭৩ – অ্যাশলি জাইলস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭৬ – ইতালিয়ান ফুটবলার আলেসান্দ্রো নেস্টা।
১৯৮৪ – ভারতীয় মডেল ও অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত ।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৯৪৪ – উত্তর-পূর্ব ভারতে আজাদ হিন্দ ফৌজ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।
১৯৪৮ – পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
১৯৭১ – পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জয়দেবপুর তথা গাজীপুরের বীর জনতা৷
১৯৭২ – বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২৫ বছরের শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯১ – বেগম খালেদা জিয়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
২০১৭ – বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের শততম টেস্ট খেলে জয় দিয়ে শততম টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখে।
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০৯ – ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী চারুচন্দ্র বসু।

১৯৪৭ – আজিজুল হক, বাঙালি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক ছিলেন।
১৯৫০ – এডগার রাইস বারোজ, মার্কিন সাহিত্যিক, টারজান সিরিজের জনক।
১৯৭৩ – হেমেন গাঙ্গুলী ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক।
১৯৮৭ – লুই দ্য ব্রয়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৯৭ – পূর্ণেন্দু পত্রী বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।

২০০১ – আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ. বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।
২০০৮ – ব্রিটিশ অভিনেতা পল স্কোফিল্ড।

২০০৮ – ব্রিটিশ সায়েন্সফিকশন লেখক আর্থার সি ক্লার্ক ।
২০১৬ – বাংলাদেশের প্রথম নিউরো সার্জন ডা. রশিদ উদ্দিন ।

২০১৯ – রমেন রায় চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা।
২০২২ – বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ।

২০২২ – বাংলা একাডেমির ফেলো, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক দিলারা হাশেম।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ

গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–

(ক) অর্ডন্যান্স কারখানা দিবস (ভারত)।
আজ যাদের জন্মদিন—-
১৮২৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম র্যান্ডাল ক্রেমার জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৩৭ – গ্রোভার ক্লিভ্‌ল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২তম এবং ২৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৫৮ – ডিজেল ইঞ্জিনের উদ্ভাবক একজন জার্মান উদ্ভাবক রুডলফ ডিজেল জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬৯ – ইংরেজ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইন জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৪ – রাশিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ নিকোলাই বেরডয়াভ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৭ – অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও প্রকৌশলী ক্লিমেন্ট ক্লেম হিল জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০১ – শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ।
১৯০৩ – ইতালীয় সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী গালেয়াযো কিয়ান জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১০ – শিশু সাহিত্যিক বিমল ঘোষ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১২ – বিমল মিত্র, লেখক, ঔপন্যাসিক।
১৯২৬ – হিমানীশ গোস্বামী বিশিষ্ট রস সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও ব্যঙ্গচিত্রী ৷
১৯২৮ – রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রেসিডেন্ট ফিদেল ভালদেজ রামোস জন্মগ্রহণ করেন। ।
১৯৩৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ফ্রেদেরিক উইলেম ডি ক্লার্ক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৮ – ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক শশী কাপুর জন্মগ্রহণ করেন। ।
১৯৩৯ – রন অ্যাটকিনসন,সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়
১৯৪৭ – ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ডেভিড লয়েড জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৯ – ফরাসি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার লুক বেসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ – আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাপার কুইন লাতিফা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮১ – জার্মান ফুটবলার টম স্টারকে জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – আর্জেন্টিনার ফুটবলার জন্মগ্রহণ মাউরো যারাটে করেন।
১৯৯৬ – ম্যাডেলিন ক্যারল, একজন বিখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৮৬ – কলকাতায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জেনারেল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্থাপিত হয়।
১৮০০ – শ্রীরামপুর মিশনে বাংলা ভাষায় প্রথম বই ‘সমাচার’ প্রকাশিত হয়।
১৮৭১ – ফ্রান্সে শ্রমজীবী মানুষের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্যারি কমিউন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৪ – চলো দিল্লি ধ্বনি মুখে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারত-বর্মা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মাটিতে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে।
১৯৬৫ – সোভিয়েত নভোচারী আলেক্সি লিওনভ মহাশূন্যে মানুষের পদচারণার প্রথম ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
১৯৯৪ – বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ওয়াশিংটনে বসনিয়া-মুসলিম-ক্রোট ফেডারেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
২০২০ – করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রথম রোগীর মৃত্যু ঘটে।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৪৫ – রবার্ট ওয়ালপলে, ইংরেজ পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৮৭১ – অগাস্টাস ডি মর্গান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ গণিতবিদ।
১৯০৭ – মারকেলিন বেরথেলট, ফরাসি রসায়নবিদ, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী।

১৯৭৪ – বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি।

১৯৭৯ – আবুল মনসুর আহমেদ, বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।
১৯৮০ – এরিক ফরম্, জার্মান মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।
১৯৯৬ – অডসেয়াস এলয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

২০০৭ – বব উলমার, ভারতীয় সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

২০০৮ – অ্যান্টনি মিনজেলা, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।
২০০৯ – নাতাশা রিচার্ডসন, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০২২ – সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্র গবেষক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This