Categories
রিভিউ

আজ ০৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আজ যাদের জন্মদিন—-

১১৩৩ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরি।

১৩২৪ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিড জন্মগ্রহণ করেন।
১৩২৬ – হাঙ্গেরির রাজা লুই আই জন্মগ্রহণ করেন।

১৫১২ – ফ্লেমিশ গণিতজ্ঞ, মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও দার্শনিক গেরারডুস মেরকাটর জন্মগ্রহণ করেন।
১৬৯৬ – ইতালীয় চিত্রশিল্পী জিওভান্নি বাতিস্তা টিয়েপলো জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭১ – পোলীয় রুশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক রোসা লুক্সেমবুর্গ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৭ – ব্রাজিলীয় সুরকার আতোর ভিলা-লোবোস।
১৮৯৮ – চীনা রাষ্ট্রনেতা চৌ এন-লাই।
১৯০২ – আজাদ আজাদ হিন্দ ফৌজের রানী ঝাঁসি রেজিমেন্টের সৈনিক নীরা আর্য।
১৯০৪ – কথাসাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০৫ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী বাঙালি ঔপন্যাসিক।
১৯০৮ – ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক রেক্স হ্যারিসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১১ – এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।
১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস টোবিন জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ – ইতালীয় অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার জেটি পাওলো পাসোলিনির জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২৮ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৩৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল কানেমান জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৭ – নাইজেরিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট ওলুস্যাগুন অবাসাঞ্জ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৯ – দিব্যেন্দু পালিত ভারতীয় বাঙালি লেখক।
১৯৪২ – স্পেনীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফেলিপে গনসালেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ – ইতালীয় শিল্পী, তিনি গীতিকার ও গিটার লুচো বাত্তিস্তি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৮ – হাঙ্গেরীয় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রধানমন্ত্রী গর্ডন বাজনাই জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭৪ – মার্কিন অভিনেত্রী এভা মেন্ডেস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৭ – রুশ টেনিস খেলোয়াড় আন্না চাকভেতাদজে জন্মগ্রহণ করেন।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৫৫৮ – ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়।
১৬৮৪ – তুরস্কের বিরুদ্ধে রোম পোল্যান্ড ও ভেনিসের লিঞ্জলীগ গঠন।
১৭৭০ – বোস্টনে (যুক্তরাষ্ট্র) জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা গণহত্যা ঘটায়।
১৭৯৩ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়।
১৮২২ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়।
১৮২৪ – ইঙ্গ-বার্মা যুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৩৩ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।
১৮৩৬ – মেক্সিকো আলামো আক্রমণ করে।
১৮৯৬ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী ক্রিসপি পদত্যাগ করেন।
১৮৯৭ – মার্কিন নিগ্রো অ্যাকাডেমি গঠিত হয়।
১৯১২ – স্পেনে স্টিমারডুবিতে ৫০০ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।
১৯১৮ – মস্কোকে রাশিয়ার রাজধানী করা হয়।
১৯৩৩ – জার্মানিতে নির্বাচনে এডলফ হিটলার ও তার নাৎসী পার্টির বহু আসনে জয়লাভ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর কিছুদিন পরই এক নায়কতন্ত্র ঘোষণা।
১৯৬৬ – জাপানের ফুজি পর্বতে ব্রিটিশ এয়ার লাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ যাত্রী নিহত।
১৯৮৪ – ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৮৭ – সিলেটের ওসমানী জাদুঘর উদ্বোধন।
১৯৯৮ – ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ চুক্তিতে উপনীত হয়।
২০০১ – হজ্বের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে ৩৫ হাজীর মৃত্যু।
২০০৭ – ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা সেক্টরে ইলেকট্রনিক টিকেটিং (ই-টিকেটিং) পদ্ধতি চালু।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৩৪ – আন্তোনিও ডা করেগিও, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৬২৫ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস।
১৮১৫ – ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের।
১৮২৭ – ইতালীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা।
১৮২৭ – পিয়ের লাপ্লাস, বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

১৮৭৮ – হরিচাঁদ ঠাকুর, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৪৪ – ম্যাক্স জেকব, ফরাসি কবি ও লেখক।
১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ও হিটলার বধের নায়ক জোসেফ স্টালিন।

১৯৬১ – নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

১৯৬৬ – রুশ মহিলা কবি আন্না আখমা তোভা।
১৯৬৭ – ইরানি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ ও ৬০তম প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৩ – অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত, বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৮২ – জন বেলুশি, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও চিত্রনাট্যকার ।

১৯৯৬ – খন্দকার মোশতাক আহমেদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
২০০৮ – জোসেফ ওয়েইযেনবাউম, জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও লেখক।

২০১৩ – হুগো চাভেজ, ভেনেজুয়েলার কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট।
২০১৬ – রে টমলিনসন, মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী।
২০২০ – হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার, পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) টাকা দিবস (বাংলাদেশ)
আজ যাদের জন্মদিন—-
ল
১৮৫৬ – বিদুষী কবি তরু দত্ত।

১৯৩২ – গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার গায়িকা মিরিয়াম মাকেবার।

১৯৬৫ – আনিসুল হক, একজন বাংলাদেশী লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১১৫২ – ফ্রেডেরিক বারবারোসা জার্মান রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৮৬ – ভ্লাদিস্লভ দ্বিতীয় পোল্যান্ডের রাজা নির্বাচিত হন।
১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৬৬৫ – ইল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।
১৭৮৪ – ফ্রান্সিস গ্লাডুইনের সম্পাদনায় ‘ক্যালকাটা গেজেট’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৭৮৯ – মার্কিন সংবিধান কার্যকর হয়।
১৮২৩ – গ্রীসের সেনারা ত্রিপোলিৎজা শহরে ১২ হাজার মুসলমানকে হত্যা করে।
১৮৩৬ – লর্ড অকল্যান্ড ভারতের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
১৮৪৮ – অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে হাঙ্গেরীর স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।
১৮৫৭ – কলকাতা টাউন হলে ফটোগ্রাফিক সোসাইটি অব বেঙ্গলের প্রথম আলোকচিত্র প্রদর্শনী হয়।
১৮৭৯ – নারীদের জন্য উচ্চশিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতায় ‘বেথুন কলেজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৯ – কমিনটার্ন (কমিউনিস্ট আনত্মর্জাতিক) গঠিত হয়।
১৯২৪ – ভারতের পতাকা সঙ্গীত ‘বিজয়ী বিশ্ব তিরঙ্গা প্যারা,ঝণ্ডা উঁচা রহে হমারা’ – শ্যামলাল গুপ্ত ’পার্ষদ’ রচনা করেন।
১৯৩১ – বন্দি মুক্তি দিবসে গান্ধী-আর উইন চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯৩৩ – ফ্রাঙ্কলিন ডেলানোর রুজাভেল্টের অভিষেক।
১৯৫১ – নয়া দিল্লিতে প্রথম এশিয়ান গেমস শুরু।
১৯৭০ – ভূমধ্যসাগরের বিভিয়েরায় ৫৭ যাত্রীসহ একটি ফরাসি ডুবোজাহাজ নিখোঁজ।
১৯৭১ – রেডিও পাকিস্তান ঢাকার পরিবর্তে ঢাকা বেতার কেন্দ্র নামকরণ করা হয়।
১৯৭২ – স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও একশত টাকার নোট চালু করা হয় ।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে শ্রীলঙ্কা।
১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে কাতার।
১৯৭৭ – রুমানিয়ায় ভূমিকম্পে সহস্রাধিক লোক নিহত। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ।
১৯৮৮ – বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ।
১৯৯০ – দক্ষিণ আফ্রিকার সিসকেইয়ের সরকার উৎখাত।
১৯৯১ – ইরাকে কুর্দি বিদ্রোহ শুরু।
১৯৯৮ – পাকিস্তান আকস্মিক বন্যায় ৩ শত লোক নিহত। দেড় হাজার নিখোঁজ।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১১৯৩ – সালাউদ্দিন, কুর্দি সুলতান।

১৫৫২ – অঙ্গদে, দ্বিতীয় শিখ গুরু।

১৮৫২ – নিকোলাই গোগোল, রুশ লেখক।

১৯২৫ – জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতজ্ঞ ও নাট্যকার।

১৯৩৯ – লালা হর দয়াল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় বিপ্লবী।

১৯৪১ – শের উড অ্যান্ডারসন, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯৬৩ – উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়াম, মার্কিন চিকিৎসক ও কবি।

১৯৬৭ – মোহাম্মাদ মোসাদ্দেক, ইরানীয় রাজনীতিবিদ ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
১৯৭৬ – ঔপন্যাসিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায় পরলোকগমন করেন।
১৯৭৮ – আবুল কালাম শামসুদ্দীন, বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সম্পাদক।

১৯৮৩ – ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা।
১৯৯০ – আলী শাফায়ী, ইরানীয় গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
২০১১ – সাইমন ভ্যান ডের মার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওলন্দাজ চিকিৎসক।

২০১২ – জন টেলর, মার্কিন অভিনেতা ও লেখক।
২০১৬ – নির্মল দাশ, বাঙালি অধ্যাপক ও ভাষাবিদ।
২০২১ – হোসেন তৌফিক ইমাম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

২০২২ – সর্বকালের সেরা বোলার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  বিশ্ব জন্ম-ত্রুটি দিবস (২০১৫ সাল থেকে পালিত) ৷
(খ) বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ৷
(গ) বিশ্ব শ্রবণ দিবস
(ঘ) আন্তর্জাতিক কর্ণসেবা দিবস ৷
(ঙ) স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস (বাংলাদশ) ৷
(চ) বিশ্ব বই দিবস ৷
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৩৯ – ভারতের মহান উদ্যোগপতি ও টাটা গ্রুপের সংস্থাপক জামশেদজী টাটা।

১৮৪৫ – গেয়র্গ কান্টর, জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক।

১৮৪৭ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্কটিশ বিজ্ঞানী এবং উদ্ভাবক।
১৮৯৩ – প্যারীমোহন সেনগুপ্ত বাঙালি কবি প্রবন্ধকার ও শিশুসাহিত্যিক ।

১৮৯৯ – বাংলা চলচ্চিত্রের স্বনামধন্য কমিক অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী।

১৯০৮ – শক্তিরঞ্জন বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী ও সমাজসেবী।

১৯৩১ – উস্তাদ গোলাম মুস্তফা খান , ভারতের হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী।

১৯৫০ – শেখ সাদী খান, বাংলাদেশী সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৫৭৫ – তুকারয়ের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট আকবরের বাহিনী বাংলার বাহিনীকে পরাজিত করে।
১৭০৭ – মুঘল সম্ৰাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যু হয়। যুবরাজ মুয়াজ্জম আওরঙ্গজেবের উত্তরাধিকারীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও বাহাদুর শাহ (প্রথম) নাম ধারণ করেন।
১৮৬১ – রাশিয়ায় ভূমিদাস প্রথা বিলুপ্তি করা হয়।
১৮৭৮ – যুদ্ধ অবসানের পর রুশ-তুর্কি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর।
১৯০৬ – অনুশীলন সমিতির মুখপাত্র ‘যুগান্তর’ প্রকাশিত হয়।
১৯২৪ – তুরস্কের জাতীয় পরিষদ কর্তৃক খিলাফত বিলুপ্ত ঘোষণা।
১৯৪৯ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিম্ন কর্মচারীদের ধর্মঘট।
১৯৬৫ – শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বড় ভাই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শিল্পকলা বিশারদ শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু।
১৯৬৯ – ভারতে প্রথম দ্রুতগামী রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেন (হাওড়া ও নতুন দিল্লীর মধ্যে) চালু হয়।
১৯৭১ – “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি” – কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচয়িত এই গানটিকে ঢাকা শহরের পল্টন ময়দানে ঘোষিত ইশতেহারে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৭১ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু।
১৯৭২ – বাংলাদেশ রাইফেলস প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় শ্রীলঙ্কা ও সোয়াজিল্যান্ড।
১৯৭৪ – তুর্কি ডিসি -১০ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৪৬ জন নিহত।
১৯৭৬ – বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশী’ জাতীয়তাবাদ প্রবর্তন করেন।
১৯৭৮ – জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা অনুমোদন।
১৯৯১ – এস্তোনিয়া ও লাতভিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।
২০০৫ – রাজধানীতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ যানজট নিরসনের অংশ হিসেবে ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সদরঘাট আশুলিয়া নৌপথ উদ্বোধন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৮১ – চতুর্থ শিখ গুরু রামদাসের মৃত্যু।

১৭০৩ – রবার্ট হুক, প্রকৃতি দার্শনিক ,স্থপতি ও বহুশাস্ত্রবিদ।

১৭০৭ – আওরঙ্গজেব, মুঘল সম্ৰাট।
১৯৮৩ – এর্জে, বেলজীয় কমিক্স লেখক ও চিত্রকর।

১৯৯২ – সুকুমার সেন, শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও গবেষক।

২০০০ – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী বিমল দাশগুপ্ত।

২০১৬ – মার্টিন ক্রো, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও লেখক।
২০২০ – শুদ্ধানন্দ মহাথের, বাংলাদেশী বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় পণ্ডিত।

২০২৩ – ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়, পাণ্ডব গোয়েন্দা সিরিজের গোয়েন্দাসাহিত্য খ্যাত ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস, জানুন দিনটি পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য।।।

৩ মার্চ পালিত বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২৫, বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কনভেনশন (CITES) এর বার্ষিকী উপলক্ষে, বন্যপ্রাণী রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে। বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২৫ এর প্রতিপাদ্য হল, “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অর্থায়ন: মানুষ এবং গ্রহের উপর বিনিয়োগ”, যা ক্রমবর্ধমান বিলুপ্তির সংকটের মধ্যে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য টেকসই তহবিলের জরুরি প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। দশ লক্ষেরও বেশি প্রজাতি ঝুঁকির মুখে থাকায়, বন্যপ্রাণী এবং বাস্তুতন্ত্র রক্ষার জন্য উদ্ভাবনী আর্থিক সমাধান নিশ্চিত করা অপরিহার্য। প্রকৃতির সৌন্দর্য উদযাপন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আরও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশ্বব্যাপী আন্দোলনে যোগদান করুন। বিশ্বব্যাপী উদযাপন সম্পর্কে আরও জানতে সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পড়ুন।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস – সংক্ষিপ্ত বিবরণ–

২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (UNGA) তাদের ৬৮তম অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ মার্চকে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে, যা ১৯৭৩ সালে বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংক্রান্ত কনভেনশন (CITES) স্বাক্ষরের স্মরণে । এই বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠানটি বন্যপ্রাণী এবং বাস্তুতন্ত্রের সমৃদ্ধি উদযাপনের জন্য নিবেদিত, একই সাথে পৃথিবীতে জীবন টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবেলা এবং মানুষের কার্যকলাপের ফলে প্রজাতির অবক্ষয় রোধ করার জরুরি প্রয়োজনীয়তার একটি শক্তিশালী স্মারক হিসেবে কাজ করে । এই হুমকিগুলির সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং সামাজিক প্রভাব রয়েছে , যা সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকে আগের চেয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। বন্যপ্রাণী সচেতনতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত, এই দিনটি CITES সচিবালয় দ্বারা সমন্বিত হয় , যা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২৫ এই আর্থিক উদ্ভাবন,

সরকার, এনজিও এবং বেসরকারি খাতের মুখোমুখি চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই জীববৈচিত্র্য তহবিল নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক উদযাপন ৩ মার্চ, ২০২৫ তারিখে জেনেভার প্যালেস ডেস নেশনসে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বব্যাপী সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২৫-এ জেনেভার ভূমিকা—-

জেনেভা বিশ্বব্যাপী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, জীববৈচিত্র্য এবং বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় নিবেদিতপ্রাণ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির আতিথেয়তা করে। CITES (বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের বিপন্ন প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলন) এর সদর দপ্তর হিসেবে, জেনেভা বিশ্বব্যাপী বন্যপ্রাণী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রজাতির বেঁচে থাকা নিশ্চিত করার কেন্দ্রবিন্দু।

জেনেভা সংরক্ষণ প্রচেষ্টার অগ্রভাগে রয়ে গেছে। IUCN, UNEP, WWF ইন্টারন্যাশনাল এবং UN-REDD প্রোগ্রামের মতো সংস্থাগুলি জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা, জলবায়ু পদক্ষেপ এবং টেকসই আর্থিক সমাধানের জন্য কাজ করে।

স্থানীয়ভাবে, জেনেভা সুরক্ষিত এলাকা, নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্প এবং প্রো ন্যাচুরা, ডাব্লিউডব্লিউএফ জেনেভা এবং বায়োপার্ক জেনেভার মতো উদ্যোগের মাধ্যমে নগর জীববৈচিত্র্যকে উৎসাহিত করে, যা শিক্ষা, সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণী পুনর্বাসনের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। প্রকৃতির জন্য ঋণ বিনিময়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বন্ড এবং ইকোসিস্টেম পরিষেবার জন্য অর্থ প্রদান (PES) এর মতো প্রচেষ্টা জীববৈচিত্র্য তহবিলের ব্যবধান পূরণ করতে সাহায্য করছে, বন্যপ্রাণীর জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করছে।

২০২৫ সালের বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করা হবে জেনেভায় ৩ মার্চ, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘের প্যালেস ডেস নেশনস- এ , একটি বিশ্বব্যাপী লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে, যা প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং টেকসই বিনিয়োগের প্রতি শহরের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী তথ্য

বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে আবাসস্থল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের কারণে ১০ লক্ষেরও বেশি প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্তির হুমকিতে রয়েছে।

মানুষের কার্যকলাপ জীববৈচিত্র্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। আজ, পৃথিবীর ৬০% স্তন্যপায়ী প্রাণী হল গবাদি পশু, ৩৬% মানুষ, এবং মাত্র ৪% হল সিংহ, হাতি এবং বাঘের মতো বন্য স্তন্যপায়ী প্রাণী।

রেইন ফরেস্ট, বনভূমি এবং অন্যান্য বনাঞ্চল বিশ্বের ৮০% স্থলভিত্তিক প্রজাতির বাসস্থান, যার মধ্যে রয়েছে ওরাংওটাং এবং জাগুয়ারের মতো বিরল এবং বিপন্ন প্রাণী।

যদিও প্রবাল প্রাচীর সমুদ্রের তলদেশের ১% এরও কম অংশ জুড়ে বিস্তৃত, তবুও ২৫% সামুদ্রিক প্রজাতির আবাসস্থল হল প্রবাল প্রাচীর, যা মাছ, সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং অন্যান্য সামুদ্রিক জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল প্রদান করে।

মৌমাছি, প্রজাপতি এবং পাখির মতো পরাগরেণু খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় খাদ্য ফসলের ৭৫% অবদান রাখে, যার মধ্যে রয়েছে ফল, শাকসবজি এবং বাদাম।

বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস ২০২৫ “বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অর্থায়ন: মানুষ ও গ্রহের উপর বিনিয়োগ” এই প্রতিপাদ্যের অধীনে জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য টেকসই তহবিলের জরুরি প্রয়োজনীয়তার উপর আলোকপাত করে। ১০ লক্ষেরও বেশি প্রজাতি ঝুঁকির মুখে থাকায়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বন্ড এবং প্রকৃতির জন্য ঋণ বিনিময়ের মতো উদ্ভাবনী সমাধানগুলি একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যত নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩রা মার্চ, ২০২৫ উদযাপনের সময়, আসুন আমরা পদক্ষেপ নিই—সংরক্ষণকে সমর্থন করি, সচেতনতা ছড়িয়ে দিই এবং বন্যপ্রাণী রক্ষাকারী নীতিমালার পক্ষে কথা বলি। প্রকৃতিতে বিনিয়োগ করার এখনই সময়!

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শ্রবণ দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির ইতিহাস ও গুরুত্ব।।।।

বিশ্ব শ্রবণ দিবস প্রতি বছর ৩ মার্চ পালন করা হয় কীভাবে বধিরতা এবং শ্রবণশক্তি হ্রাস রোধ করা যায় এবং সারা বিশ্বে কান ও শ্রবণশক্তির যত্ন নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা বিশ্বে ৮০%-এর বেশি কান ও শ্রবণ যত্নের চাহিদা পূরণ হয়নি।  শ্রবণশক্তিহীন শ্রবণশক্তি বিশ্বব্যাপী প্রায় ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বার্ষিক ব্যয় সৃষ্টি করে, ডব্লিউএইচও বলেছে, গভীরভাবে অন্তর্নিহিত সামাজিক ভুল ধারণা এবং কলঙ্কজনক মানসিকতা হল মূল কারণ যা শ্রবণশক্তি রোধ ও সমাধানের প্রচেষ্টাকে সীমিত করে।
কান এবং শ্রবণ যত্নের সাথে সম্পর্কিত মানসিকতার পরিবর্তন অ্যাক্সেস উন্নত করতে এবং শ্রবণশক্তিহীন শ্রবণশক্তি হ্রাসের ব্যয় হ্রাস করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫: থিম—–

বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫ খুব কাছাকাছি, এবং এই বছরের থিম হল ” মানসিকতার পরিবর্তন: কান ও শ্রবণ যত্নকে সকলের জন্য বাস্তবে পরিণত করতে নিজেকে শক্তিশালী করুন!” এই বছরের থিম ২০২৫ কে কেন্দ্র করে কান এবং শ্রবণ যত্নের প্রতি মানসিকতা পরিবর্তনের উপর ফোকাস করে।

বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫: ইতিহাস—–

বিশ্ব শ্রবণ দিবসের শিকড়গুলি ২০০৭ সালে চীনের বেইজিংয়ে শ্রবণ প্রতিবন্ধকতা প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সন্ধান করা যেতে পারে।
সম্মেলনটি শ্রবণ-সম্পর্কিত সমস্যাগুলির সমাধানের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টার সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।  ২০১৪ সালে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সমাবেশ ৩ মার্চকে বিশ্ব শ্রবণ দিবস হিসাবে মনোনীত করেছিল।  দুটি কানের আকৃতির প্রতীকী নির্বাচিত তারিখটি তখন থেকে শ্রবণ যত্ন এবং ব্যক্তি ও সম্প্রদায়ের উপর শ্রবণশক্তি হ্রাসের প্রভাবকে আলোকিত করার একটি বার্ষিক উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

বিশ্ব শ্রবণ দিবস ২০২৫ : তাৎপর্য——

শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং এর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা প্রচারে বিশ্ব শ্রবণ দিবসের অপরিসীম তাৎপর্য রয়েছে।  দিনটি প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং হস্তক্ষেপের গুরুত্বের উপর জোর দেয়, শ্রবণশক্তির পরিষেবাগুলিতে উন্নত অ্যাক্সেসের পক্ষে সমর্থন করে এবং শ্রবণশক্তি হ্রাস সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলায় সহযোগিতাকে উত্সাহিত করে।
কলঙ্ক কমানোর মাধ্যমে, যত্নের অ্যাক্সেসের জন্য ওকালতি করে, এবং শ্রবণশক্তি হ্রাসের অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে, বিশ্ব শ্রবণ দিবস এমন একটি বিশ্ব তৈরিতে অবদান রাখে যেখানে প্রত্যেকের ভাল শ্রবণ স্বাস্থ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ০২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।
দিবস—–
(ক)  জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস, বাংলাদেশ।
(খ) ভোটার দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৬০ – ক্যামিল ডেস্মউলিন্স, ফরাসি সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

১৭৯৩ – স্যাম হাউস্টন, মার্কিন সৈনিক, রাজনীতিক, টেক্সাস প্রজাতন্ত্রের ১ম রাষ্ট্রপতি।
১৮২০ – মুলতাতুলি, ডাচ লেখক।

১৮৮১ – অতুলচন্দ্র ঘোষ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, লোকসেবক সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ও পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভূক্তি আন্দোলনের মূখ্যস্থপতি।

১৮৯৪ – প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক শৈলবালা ঘোষজায়া।

১৮৯৫ – বাঙালি অভিনেত্রী নিভাননী দেবী।
১৮৯৮ – মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, সাহিত্যিক।
১৯১৯ – জেনিফার জোনস, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯২৩ – রিচার্ড উইলিয়াম টিম, রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজয়ী জীববিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

১৯৩১ – মিখাইল গর্বাচেভ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সোভিয়েত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।

১৯৩৩ – আনন্দজি ভিরজি শাহ, ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক ও কল্যাণজি-আনন্দজির জুটি।
১৯৩৭ – আব্দেল-আজিজ বউটেফ্লিকা, আলজেরীয় সৈনিক, রাজনীতিক ও ৫ম প্রেসিডেন্ট।
১৯৪২ – মীর হোসেইন মুসাভি, ইরানীয় স্থপতি, রাজনীতিবিদ ও ৭৯ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৫৫ – শোকো আসাহরা, জাপানের নতুন ধর্মীয় সংগঠন ওম শিনরিকিও’র প্রতিষ্ঠাতা।
১৯৬২ – জন ফ্রান্সিস বনজিওভি জুনিয়র, মার্কিন গায়ক, গীতিকার, গিটারবাদক ও প্রযোজক।
১৯৬৮ – ড্যানিয়েল ক্রেইগ, ইংরেজ অভিনেতা।

১৯৭৭ – অ্যান্ড্রু জন স্ট্রস, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেট খেলোয়াড়।
১৯৭৯ – ডেমিয়েন ডাফ, আইরিশ ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮২ – কেভিন কুরানয়ি, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।
1994- সুমেধা ভৌমিক এর জন্মদিন
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৪৯৮ – ভাস্কো দা গামা মোজাম্বিক দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণ করেন।
১৫২৫ – হাঙ্গেরীর রাজধানী বুদাপেস্ট ওসমানীয় সেনারা দখল করে নেয় ।
১৮০১ – স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যে ‘কমলন যুদ্ধ’ শুরু।
১৮৯৬ – ফরাসী পদার্থ বিজ্ঞানী এন্টনী হেনরী বেকুইরেল প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তার বিষয়টি আবিষ্কার করেন।
১৯১৭ – পুয়ের্তো রিকো মার্কিন অধিকৃত অঞ্চলে পরিণত হয়।
১৯১৯ – মস্কোয় তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের প্রথম কংগ্রেস শুরু।
১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ম্যানিলা দখল করে।
১৯৪৪ – নেপলসে ট্রেন দুর্ঘটায় ৫২১ জনের মৃত্যু।
১৯৪৮ – সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত।
১৯৫২ – ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বিহারের (বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের সিন্ধ্রিতে সার কারখানার উদ্বোধন করেন।
১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা ফিরে পায়।
১৯৭১ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে ছাত্র সমাবেশে প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় গাম্বিয়া।
১৯৭৩ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়।
১৯৮৫ – আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৯১ – শ্রীলংকায় বোমা বিস্ফোরণে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিজয়সহ ২৯ জন নিহত।
১৯৯৫ – কোপেন হেগেনে সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব সম্মেলন শুরু হয়।
১৯৯৭ – পাকিস্তানে ২০ বছরেরও অধিক সময় পর রোববার সাপ্তাহিক ছুটি পালন শুরু।
১৯৯৯ – ঢাকায় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন সমাপ্তি।
২০০০ – ব্রিটেনে আটক চিলির সাবেক স্বৈরশাসক আগাস্তো পিনোশের মুক্তি লাভ।
২০০১ – আফগানিস্তানে প্রাচীন ও শান্তির দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধ মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়।
২০০৪ – ইরাকে যুদ্ধ: আল-কায়েদা ইরাকে আশুরা গণহত্যা চালায়, ১৭০ জন নিহত এবং ৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়।
২০২২ – গণপ্রজাতান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্তে জাতীয় স্লোগান হল – জয় বাংলা(২ রা মার্চ ২০২২ তারিখের গেজেট প্রঞ্জাপন অনুসারে)
এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-
৬৫৪ – আবুজর গিফারী, মহানবী এর বিশিষ্ট সাহাবী।

১৭৯১ – জন ওয়েসলি, পদ্ধতিবাদের জনক।

১৭৯৭ – হোরেস ওয়ালপলে, তিনি ছিলেন ইংরেজ ইতিহাসবিদ ও রাজনীতিবিদ।
১৮৪৫ – রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ, অভিধানকার ও পণ্ডিত।

১৯৩০ – ডি এইচ লরেন্স, ইংরেজ কথাসাহিত্যিক ও কবি।

১৯৩৯ – হাওয়ার্ড কার্টার, ইংরেজ মিশরতত্ত্ববিদ ও চিত্রশিল্পী।

১৯৪২ – টিলার ব্রুক, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।
১৯৪৯ – সরোজিনী নাইডু, ভারতীয় বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৯৮২ – ফিলিপ কে. ডিক, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক।
১৯৮৩ – বাঙালি সাহিত্যিক গিরিবালা দেবী প্রয়াত হন।
১৯৯১ – সার্জ গাইন্সবউরগ, তিনি ছিলেন ফরাসি গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা ও পরিচালক।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ০১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বীমা দিবস – জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে পালিত হয়।
(খ) বিশ্ব সিভিল ডিফেন্স দিবস – আন্তর্জাতিক।
(গ) আন্তর্জাতিক যুক্তিবাদী দিবস
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬১১ – জন পেল, ইংরেজ গণিতবিদ, জ্যামিতি বিশেষজ্ঞ ও জোতির্বিদ।

১৮৬১ – অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, বাঙালি ইতিহাসবিদ।

১৮৮৩ – কুমুদরঞ্জন মল্লিক, বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
১৮৯২ – রিয়ুনোসুকি অকুতাগাওয়া, সাহিত্যিক, জাপানি ছোট গল্পের জনক।
১৯০৩ – বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়, ভারতে ভেষজ সংস্কারের অন্যতম উদ্যোক্তা।

১৯০৭ – (ক)  সত্যপ্রিয় রায়, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক ও শিক্ষা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা।

(খ) মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, সাংবাদিক ও লেখক।
১৯১২ – চীনে কোটনিসের নেতৃত্বে ভারতের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ডাঃ বিজয় কুমার বসু, ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসার সূচনাকারী।
১৯১৮ – খন্দকার আবদুল হামিদ, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

১৯২৭ – আশরাফ সিদ্দিকী, বাংলাদেশি সাহিত্যিক, লোকগবেষক ও বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক।
১৯২৯ – সিরাজুদ্দীন হোসেন সাংবাদিক।

১৯৩০ – মনু মুখোপাধ্যায়, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বিখ্যাত অভিনেতা।
১৯৩১ – লামবের্তো দিনি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪০ – শাফাত জামিল বীর বিক্রম, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা।
১৯৪৩ -(ক)  সাহারা খাতুন, বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

(খ) শাহজাহান সিরাজ, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী।
১৯৪৫ – প্রবীর ঘোষ, কলকাতাভিত্তিক ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির প্রধান এবং হিউম্যানিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি।
১৯৫৬ – ডালিয়া গ্রাইবস্কেইট, লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপতি ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ।
১৯৬৫ – মতিউর রহমান মল্লিক, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।
ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-
১৪৯৮ – ভাস্কো দা গামা মোজাম্বিক আবিষ্কার করেন।
১৬৪০ – ভারতের কাছ থেকে ব্রিটিশদের মাদ্রাজে বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি লাভ।
১৮১১ – মামলুকদের পরাস্ত করে মোহাম্মদ আলীর মিশরের ক্ষমতারোহন।
১৮১৫ – এলবা দ্বীপ থেকে পলায়নের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ১০০ দিনের শাসনকাল শুরু হয়।
১৮১৯ – শ্রীরামপুরে উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ড “ব্যাংক অফ শ্রীরামপুর” প্রতিষ্ঠা করেন।
১৮৪৮ – ভারতে ভূমিকম্পে ১ হাজার জনের প্রাণহানি।
১৯০১ – অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনী গঠিত হয়।
১৯০৭ – ভারতে সর্বপ্রথম ইস্পাত কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ – আলবার্ট বেরী প্রথম উড্ডীয়মান বিমান থেকে প্যারাসুটের মাধ্যমে নামেন।
১৯১৪ – চীন আন্তর্জাতিক পোস্টাল ইউনিয়নে যোগদান করে।
১৯১৯ – কোরিয়ায় জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত।
১৯৪৯ – রাশিয়ান বিমান দুর্ঘটনায় ৩৮৫ জন নিহত।
১৯৫০ – তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে চিয়াং কাইশেকের পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ।
১৯৭১ – স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
১৯৭১ – ইয়াহিয়া খান কর্তৃক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্ঠকাল স্থগিত ঘোষণা।
১৯৮৫ – বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদ কর্তৃক রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা।
১৯৯০ – লিথুনিয়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৯৭ – বাংলাদেশে প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিং সার্ভিস চালু।
২০০১ – প্রধান বিচারপতি পদে মাহমুদুল আমীন চৌধুরীর শপথ গ্রহণ।
২০০৮ – গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলা দুজন মহিলা ও চারটি শিশুসহ অন্তত ৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১১ – ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ, ডাচ জৈব রসায়নবিদ, রসায়নে প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯২৪ – গোপীনাথ সাহা, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বাঙালি বিপ্লবী।

১৯৪৩ – আলেকজেন্ডার ইরসিন, ফ্রান্স-সুইস চিকিৎসক ও ব্যাকটেরিওলজিস্ট এবং ইরসিনিয়া পেস্টিস-এর আবিস্কারক।

১৯৮৯ – বসন্তদাদা পাতিল, মহারাষ্ট্রের ৬ষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী এবং ১০ম গভর্নর।

১৯৯৪ – মনমোহন দেসাই প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক ।
১৯৯৫ – জর্জেস জে এফ কোহলার, জার্মান জীববিজ্ঞানী, চিকিত্সাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

২০১৯ – পলান সরকার, বাংলাদেশি সমাজকর্মী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব সিভিল ডিফেন্স দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।

“যতদিন আমরা সবচেয়ে খারাপের জন্য সন্তোষজনকভাবে প্রস্তুত থাকি ততক্ষণ আমরা কেবলমাত্র সেরাটির জন্য আশা করতে পারি।”  বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবসটি তার বার্তা সম্পর্কে উপরে উল্লিখিত উদ্ধৃতিটির লক্ষ্য কী তা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কথা বলে।  এই দিবসের একটি দিক প্রতিরক্ষা এবং সিভিল সার্ভিসে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান করা, তাদের সম্মান এবং নিঃস্বার্থ সেবা নিঃসন্দেহে।  বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবস ২০২৫-এর আরেকটি প্রধান উদ্দেশ্য হল নাগরিক প্রস্তুতি এবং নাগরিক সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।  আমরা এই ব্লগে এই দিনের বিস্তারিত মধ্যে যান.  আরও জানতে পড়া চালিয়ে যান।

বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবস ২০২৫-এর প্রতিপাদ্য

বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবস ২০২৫-এর আনুষ্ঠানিক প্রতিপাদ্য হল:

“বেসামরিক প্রতিরক্ষা, জনগণের জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা”
এই প্রতিপাদ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেয়। এটি কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা এবং সম্ভাব্য বিপদ থেকে মানুষকে রক্ষা করার জন্য সক্রিয় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়। এই প্রতিপাদ্য সরকার এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কৌশল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করে।

 

তাৎপর্য——-

এই দিনটি নাগরিক প্রতিরক্ষা এবং জাতীয় দুর্যোগ-প্রতিরোধ পরিষেবাগুলির কৃতিত্বকে সম্মান করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।  একই বিষয়ে আলোকপাত করে, আমরা এই দিনটিকে গুরুত্বপূর্ণ করার কিছু কারণও শেয়ার করেছি।
দিনটি অপ্রত্যাশিতভাবে উদ্ভূত জরুরী পরিস্থিতি প্রতিরোধ, পরিচালনা এবং পরিচালনা করার জন্য প্রস্তুত থাকার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।  অধিকন্তু, এটি বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষায় নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির ভূমিকাও তুলে ধরে।
আরও, এই দিনটি জরুরী ব্যবস্থাপনায় জড়িত প্রধান স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতামূলক সম্ভাবনার প্রচার করে।  সম্প্রদায়, সরকার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এবং স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করা যেমন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্প, যথাযথ স্থাপনা এবং সম্পদের ব্যবহার সম্ভব হয়।
সিভিল ডিফেন্স সংস্থাগুলি জরুরী পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার এবং নাগরিক সুরক্ষা প্রদানের দায়িত্ব পালনে যে চ্যালেঞ্জগুলি এবং সমস্যাগুলির মুখোমুখি হতে পারে তা তুলে ধরার জন্যও দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ।
এছাড়াও, সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হল যে দিনটি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির অনেক অর্জন উদযাপনের জন্য সময় নেয়।

বিশ্ব নাগরিক প্রতিরক্ষা দিবস কিভাবে পালন করবেন?—

নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করে কেউ এই দিবসটি পালনে অংশ নিতে পারেন।
জরুরী পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার মূল বিষয়গুলি যেমন C.P.R. সম্পর্কে জানতে মানুষ এই দিবসটির উপলক্ষ্য ব্যবহার করতে পারে।  যাদের প্রয়োজন তাদের জরুরী প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।
আপনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের স্যালুট দিতে বা তাদের নিঃস্বার্থ সেবার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করতে পারেন।
উপরন্তু, কেউ এমনকি তাদের স্থানীয় বা রাষ্ট্রীয় নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলিতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বেছে নিতে পারে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।।।।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫: এটি ২৮ ফেব্রুয়ারি ডক্টর সিভিকে শ্রদ্ধা জানাতে পালিত হয়।  রামন তার রামন প্রভাব আবিষ্কারের জন্য।  আসুন আমরা জাতীয় বিজ্ঞান দিবস, এর ২৯২৪ সালের থিম, ইতিহাস, কীভাবে এটি উদযাপন করা হয় এবং এর তাত্পর্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।
জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫: ‘রমন প্রভাব’ আবিষ্কারের স্মরণে ২৮ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়।  ১৯৮৬ সালে, ভারত সরকার ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস (NSD) হিসাবে মনোনীত করেছিল।  এই দিনে, স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটা রমন, যিনি সিভি রমন নামেও পরিচিত, ‘রমন প্রভাব’ আবিষ্কারের ঘোষণা দেন যার জন্য তিনি ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন মানুষের জীবনকে নানাভাবে বদলে দিয়েছে।  বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে উন্নত ও সহজ করেছে।  রোবট, কম্পিউটার, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি শুধুমাত্র বিজ্ঞানের সাহায্যেই উদ্ভাবিত হয়েছে।  তাই আমাদের জীবনে বিজ্ঞানের গুরুত্ব অপরিসীম।  বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও ভারত অনেক অবদান রেখেছে।  অনেক মহান বিজ্ঞানী ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভারতকে স্বীকৃতি দিয়েছেন এবং ভারতকে একটি পৃথক স্থানও তৈরি করেছেন।
১৯২৮ সালে, একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী, স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটা রমন রমন প্রভাব নামে পরিচিত একটি ঘটনা আবিষ্কার করেন।  ১৯৩০ সালে তার অসাধারণ আবিষ্কারের জন্য তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়, যা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম নোবেল পুরস্কার ছিল।  এই আবিষ্কারের জন্য প্রতি বছর জাতীয় বিজ্ঞান দিবস পালিত হয়।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫: থিম—

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ এর থিম

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস প্রতি বছর একটি নতুন অনন্য প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়। ২০২৫ সালের প্রতিপাদ্য হল “VIKSIT ভারতের জন্য বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের জন্য ভারতীয় যুবদের ক্ষমতায়ন।” এই প্রতিপাদ্য বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিতব্য সেমিনার এবং আলোচনার কর্মপদ্ধতির রূপরেখা প্রদান করে।

এই দিনটিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কবে?
স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটা রমন ছিলেন একজন তামিল ব্রাহ্মণ যিনি ১৯০৭ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গে কাজ করেছিলেন।  এখানে, তিনি পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছিলেন, যার মধ্যে একটি হল রামন প্রভাব, যা ভারতীয় ইতিহাসে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত।
১৯৮৬ সালে, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কমিউনিকেশন (এনসিএসটিসি) ভারত সরকারকে ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে মনোনীত করতে বলেছিল।  সরকার এটি গ্রহণ করেছিল এবং ২৮ ফেব্রুয়ারিকে ১৯৮৬ সালে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছিল। প্রথম জাতীয় বিজ্ঞান দিবস 28 ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৭-এ পালিত হয়েছিল।
এটি এমন একটি ঘটনা যেখানে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটে যখন আলোর রশ্মি অণু দ্বারা বিচ্যুত হয়।  রাসায়নিক যৌগের ধুলো-মুক্ত, স্বচ্ছ নমুনা থেকে আলোর একটি রশ্মি ভ্রমণ করে, তখন আলোর একটি ছোট ভগ্নাংশ আপতিত আলো ছাড়া অন্য দিকে আবির্ভূত হয়।  বিক্ষিপ্ত আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেশিরভাগই অপরিবর্তিত থাকে, এবং ছোট অংশে, যদি তরঙ্গদৈর্ঘ্য ঘটনা আলোর থেকে আলাদা হয় তবে তা রমন প্রভাবের কারণে হয়।
জাতীয় বিজ্ঞান দিবস কীভাবে পালিত হয়?
কর্মশালা, বিজ্ঞান চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী, থিম এবং ধারণার উপর ভিত্তি করে একটি প্রদর্শনী, লাইভ প্রজেক্ট, বিতর্ক, কুইজ প্রতিযোগিতা, সেমিনার ইত্যাদির আয়োজন করে সমগ্র জাতি এটিকে একটি বিজ্ঞান উত্সব হিসাবে উদযাপন করে। এর মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে বৈজ্ঞানিক মেজাজ প্রদান করা।  সব বয়সের মানুষ।  বিপুল সংখ্যক লোক একত্রিত হয় এবং জাতীয় বিজ্ঞান দিবস উদযাপনে প্রচুর উত্সাহের সাথে যোগ দেয় এবং কুইজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক, প্রকল্প ইত্যাদির মতো কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫, সংক্ষিপ্তসার, থিম, দিবস।।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ প্রতি বছর ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৫ তারিখে পালিত হয়। এই বছর এর প্রতিপাদ্য হল “বিকশিত ভারতের জন্য বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের জন্য ভারতীয় যুবদের ক্ষমতায়ন”। এই দিবসের লক্ষ্য “রমন প্রভাব” এর মতো বৈজ্ঞানিক সাফল্যকে সম্মান জানানো এবং তরুণদের মধ্যে উদ্ভাবনকে অনুপ্রাণিত করা। এই প্রবন্ধে, আমরা এই দিবসের তাৎপর্য, উদ্দেশ্য এবং অবদানের দিকে নজর দেব।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ সংক্ষিপ্ত বিবরণ

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ হল সেই দিন যেদিন স্যার সিভি রমন ১৯২৮ সালে রমন প্রভাব আবিষ্কার করেছিলেন। এর লক্ষ্য হল বিতর্ক, প্রদর্শনী, কুইজ এবং সেমিনারের মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা দক্ষতা প্রচার করা। এই দিনটি বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি তুলে ধরে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে বিজ্ঞানে ক্যারিয়ার গড়তে অনুপ্রাণিত করে।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ সংক্ষিপ্ত বিবরণ
তারিখ—

শুক্রবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ইতিহাস

১৯৮৬ সালে, NCSTC ২৮শে ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে ঘোষণা করার প্রস্তাব করে।

উদ্দেশ্য—

বৈজ্ঞানিক মেজাজ, সচেতনতা এবং দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের গুরুত্ব প্রচার করে।

থিম—

ভিকসিত ভারতের জন্য বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের জন্য ভারতীয় যুবদের ক্ষমতায়ন।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ এর থিম —

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস প্রতি বছর একটি নতুন অনন্য প্রতিপাদ্য নিয়ে পালিত হয়। ২০২৫ সালের প্রতিপাদ্য হল “VIKSIT ভারতের জন্য বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের জন্য ভারতীয় যুবদের ক্ষমতায়ন।” এই প্রতিপাদ্য বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিতব্য সেমিনার এবং আলোচনার কর্মপদ্ধতির রূপরেখা প্রদান করে।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের ইতিহাস —

১৯৮৭ সালে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও যোগাযোগ পরিষদ কর্তৃক প্রস্তাবিত জাতীয় বিজ্ঞান দিবস প্রথমবারের মতো পালিত হয়। সরকার এই প্রস্তাব গ্রহণ করে এবং রমন প্রভাবের আবিষ্কারকে তুলে ধরার জন্য ২৮শে ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের গুরুত্বকে সম্মান জানাতে এবং ভারতীয় বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্য এবং বৈশ্বিক জ্ঞানে বিজ্ঞানীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত প্রতি বছর এই দিবসটি উদযাপন করে।

রমন প্রভাব কী?

১৯২৮ সালে সিভি রমন এবং কেএস কৃষ্ণন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত, রমন এফেক্টের অধীনে, পদার্থের অণুগুলির সাথে মিথস্ক্রিয়া করার সময় আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিবর্তন ঘটে। এই আবিষ্কারে, প্রভাবটি প্রমাণ করে যে আলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে পারে, যা আণবিক কম্পন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য বহন করে। আবিষ্কারের পর থেকে, এই আবিষ্কার চিকিৎসা, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা এবং পদার্থের গঠন এবং বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এই আবিষ্কার তাকে ১৯৩০ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার জিতে নিতে সাহায্য করেছিল।

সিভি রমন কে ছিলেন?

স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, যাকে সিভি রমন নামেও স্মরণ করা হয়, তিনি একজন ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন যিনি বর্ণালী এবং আলোকবিদ্যায় বিরাট অবদান রেখেছিলেন। রমন প্রভাব আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩০ সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন এবং আধুনিক বর্ণালীবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। রমন গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তিনি ব্যাঙ্গালোরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সিভি রমনের অবদান

স্যার সিভি রমন পদার্থবিদ্যা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্থায়ী প্রভাব ফেলেছেন:

রমন এফেক্ট (১৯২৮): আলোর বিচ্ছুরণ এবং অণুর সাথে এর মিথস্ক্রিয়া ব্যাখ্যা করে তিনি পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরষ্কার (১৯৩০) অর্জন করেন।

ধ্বনিবিদ্যা: বাদ্যযন্ত্র এবং তরঙ্গ প্রচারের উপর গভীর গবেষণা পরিচালনা করেছেন।

আণবিক গঠন: স্ফটিক এবং তরল গঠন সম্পর্কে উন্নত ধারণা।

হীরা এবং ইরিডিসেন্ট পদার্থ: হীরার গঠন এবং ইরিডিসেন্ট পদার্থের আলোকীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করেছেন।

সাহিত্য অবদান: আলোর আণবিক বিবর্তন, শাব্দিক স্মৃতিকথা এবং কেন আকাশ নীল (সহ-লেখক) সহ গুরুত্বপূর্ণ রচনাগুলি রচনা করেছেন।

প্রতিষ্ঠান নির্মাণ: ভারতে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি বৃদ্ধির জন্য রমন গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ এর তাৎপর্য

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৫ ভারতে বৈজ্ঞানিক সচেতনতা এবং উদ্ভাবন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ তা এখানে দেওয়া হল:

বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতা সম্মান: ভারতীয় বিজ্ঞানীদের, বিশেষ করে সিভি রমনের অবদান উদযাপন করে।

বৈজ্ঞানিক কৌতূহলকে অনুপ্রাণিত করা: শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান এবং গবেষণা অন্বেষণ করতে উৎসাহিত করে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি: বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য প্রদর্শন করে।

বিজ্ঞান ও সমাজের সংযোগ: বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণা বৃদ্ধি করে।

গবেষণা ও শিক্ষা জোরদার করা: তরুণদের STEM ক্যারিয়ার গড়তে অনুপ্রাণিত করে।

এই বছরের উদযাপন ভারতের বৈজ্ঞানিক সাফল্য এবং রমন প্রভাবের স্থায়ী প্রভাব তুলে ধরবে। জাতীয় বিজ্ঞান দিবস পালনের মাধ্যমে, ভারত বৈজ্ঞানিক চিন্তাভাবনা এবং উদ্ভাবনের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

প্রশ্ন ১. কেন ২৮শে ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
উত্তর. ১৯২৮ সালের ২৮শে ফেব্রুয়ারী সিভি রমনের রমন প্রভাব আবিষ্কারের স্মরণে।
প্রশ্ন ২. জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২০২৪ এর থিম কী?
উত্তর. ভিকসিত ভারতের জন্য আদিবাসী প্রযুক্তি।
প্রশ্ন ৩. বিশ্ব বিজ্ঞান দিবস কেন পালিত হয়?
উত্তর. সমাজে বিজ্ঞানের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে জনসাধারণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করা।
প্রশ্ন ৪. জাতীয় বিজ্ঞান দিবস কে চালু করেছিলেন?
উত্তর. ১৯৮৬ সালে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যোগাযোগ পরিষদ (NCSTC)।
প্রশ্ন ৫. জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের জনক কে?
উত্তর: সিভি রমন, কারণ এই দিনটি রমন প্রভাব আবিষ্কারের সম্মানে পালিত হয়।
প্রশ্ন ৬. বিজ্ঞানের জনক কে ছিলেন?
উত্তর. গ্যালিলিও গ্যালিলি, আধুনিক বিজ্ঞানে তাঁর মৌলিক অবদানের জন্য।

Share This