Categories
রিভিউ

আজ ১৪ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৪ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) পহেলা বৈশাখ (বাংলাদেশ)।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮৯ – ঐতিহাসিক আর্নল্ড জোসেফ টয়েনবি।

১৮৯১ – ভীমরাও রামজি আম্বেডকর হলেন একজন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী, আইনজ্ঞ এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা।
১৯০৪ – জন গিলগুড, ইংরেজ অভিনেতা ও মঞ্চ পরিচালক।
১৯০৭ – প্রভাস রায় স্বদেশী ও খিলাফত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
১৯০৭ – পূরণচাঁদ জোশী ভারতের কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের একজন এবং প্রথম সচিব।
১৯২২ – আলি আকবর খান মাইহার ঘরানার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।
১৯৪৭ – সাযযাদ কাদির, প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
১৯৬৪ – মান্না, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও প্রযোজক।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮২৮ – ওয়েবস্টার তার অভিধানের প্রথম সংস্করণ কপিরাইটভুক্ত করেন।
১৮৯০ – প্যান আমেরিকা জোট প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৪ – বম্বের (বর্তমানে মুম্বাই) ভিক্টোরিয়া ডাকে গোলাবারুদ র্ভতি জাহাজে বিস্ফোরণ, ১২ শতাধিক লোকের মৃত্যু।
১৯৫৮ – অরুণা আসফ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের প্রথম নারী মেয়র নির্বাচিত।
১৯৬১ – কিউবা সরকারের বিরুদ্ধে সেদেশের বিপ্লবীদের অভিযান শুরু হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় মাদাগাস্কার।
১৯৭৫ – বাংলাদেশে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ৬ দলীয় জোট গঠন।
১৯৮৬ – বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৮ – আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে সোভিয়েত সরকার জেনেভা চুক্তি স্বাক্ষর করে।
২০০২ – ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি দেশে ফিরে তার দায়িত্বভার নেন।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮০ – মারাঠা নেতা ছত্রপতি শিবাজী।
১৮৬৫ – যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন আততায়ীর গুলিতে আহত হন।
১৯২৫ – জন সিঙ্গার সার্জেন্ট, আমেরিকান চিত্রশিল্পী ।
১৯৩০ – ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি, রুশ এবং সোভিয়েত কবি, নাট্যকার, শিল্পী ও চলচ্চিত্র অভিনেতা।
১৯৬৩ – রাহুল সাংকৃত্যায়ন ভারতীয় সুপণ্ডিত ও স্বনামধন্য পর্যটক।
১৯৮৪ – অণিমা হোড় – একজন ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী, শ্রমিকনেত্রী এবং সমাজকর্মী।
১৯৮৬ – নীতীন বসু ভারতের বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯৮৬ – ফরাসী ঔপন্যাসিক ও নারীবাদী সিমন দ্য বোভোয়ার।
২০২১ – আব্দুল মতিন খসরু, বাংলাদেশের সাবেক আইনমন্ত্রী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১৩ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক) চৈত্র সংক্রান্তি
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫১৯ – ক্যাথরিন ডি’ মেডিকি, ফ্রান্সের দ্বিতীয় হেনরি এর ইতালীয় বংশোদ্ভূত ফরাসি স্ত্রী।

১৫৭০ – গায় ফাওকেস, ইংরেজ সৈনিক ও বারূদ চক্রান্ত পরিকল্পনাকারী।
১৭৪৩ – টমাস জেফারসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি।
১৯০৬ – স্যামুয়েল বেকেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ ফরাসি লেখক, নাট্যকার ও পরিচালক।
১৯০৯ – প্রখ্যাত কণ্ঠ শিল্পী ও সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।
১৯২২ – জুলিয়াস নয়েরে, তাঞ্জানিয়া শিক্ষাব্রতী ও রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।
১৯৩৯ – শেমাস্‌ হীনি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ কবি ও নাট্যকার।
১৯৪০ – জঁ-মারি গুস্তাভ ল্য ক্লেজিও, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি লেখক ও শিক্ষক।
১৯৪১ – মাইকেল স্টুয়ার্ট ব্রাউন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জেনেটিসিস্ট।
১৯৪৯ – ক্রিস্টোফার হিচেনস, ইংরেজ বংশোদ্ভূত আমেরিকান সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৫০ – রন পেরলমান, আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৬০ – রুডি ফোলার, সাবেক জার্মান ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।
১৯৬৩ – গ্যারি কাসপারভ, গ্র্যান্ড মাস্টার, দাবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।
১৯৭৮ – কার্লেস পুয়ল, তিনি স্প্যানিশ ফুটবলার।
১৯৮৩ – ক্লাউদিও আন্দ্রেস ব্রাভো মুনোজ, চিলির ফুটবলার।
১৯৮৪ – এন্দারস রোজেনক্রান্তজ লিন্ডেগার্দ, ডেনিশ ফুটবলার।
১৯৮৮ – অ্যান্ডারসন লুইজ দে অ্যাব্রু অলিভিয়েরা, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৪১ – যুক্তরাজ্যের রয়েল মিলিটারি একাডেমি স্থাপিত হয়।
১৭৭২ – ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।
১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কৃত ‘বর্ণপরিচয়’ প্রথম প্রকাশিত হয়। (১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২)
১৮৯৩ – গোকুলচন্দ্র নাগ ও দীনেশরঞ্জন দাশ সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৯ – রাওলাট আইনের প্রতিবাদে অমৃতসরে এক বিক্ষোভ সমাবেশে জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে ব্রিটিশ পুলিশ গুলি চালালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৪৮ – ভুবনেশ্বর ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী করা হয়।
১৯৬৪ – ইয়ান স্মিথ দক্ষিণ রোডেশিয়ার নতুন সরকার গঠন করেন।
১৯৬৬ – বিমান দূর্ঘটনায় ইরাকি কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও ইরাক ২য় রাষ্ট্রপতি আবদুস সালাম আরিফ মারা যান।
১৯৭৫ – লেবাননের গৃহ যুদ্ধের সময় খৃষ্টান উগ্রবাদী ফ্যালানজিষ্ট দলের আধাসামরিক বাহিনী একটি বাসে হামলা চালালে ৩০ জন ফিলিস্তিনী নিহত হয়।
১৯৭৫ – বৈরুতে মুসলামান ও খ্রিস্টানদের মধ্যে দাঙ্গা শুরু হয়।
১৯৯৭ – আইসিসি ক্রিকেটে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়।
২০০৪ – সুপারসনিক বিমান কনকর্ড শেষবারের মতো আকাশে ওড়ে।
২০২৩ – পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় এক বিশাল শঙ্খের আকারের বিশ্বমানের অডিটোরিয়াম ধনধান্য-র উদ্বোধন হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮২ – ব্রুনো বাউয়ের, জার্মান ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক।
১৯৪৪ – বাংলার খ্যাতনামা সাংবাদিক আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা প্রফুল্লকুমার সরকার।
১৯৪৫ – আর্নেস্ট কাসিরের, পোলিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯৫৬ – এমিল নল্ডে, ডেনিশ বংশোদ্ভূত জার্মান চিত্রকর ও শিক্ষাবিদ।
১৯৬৬ – জর্জ দুহামেল, ফরাসি লেখক।
১৯৭৩ – বলরাজ সাহনি, খ্যাতিমান ভারতীয় চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা।
১৯৭৫ – ফ্রাঙ্কইস টম্বাল্বায়ে, চাঁদের সৈনিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও প্রথম রাষ্ট্রপতি।
১৯৯৩ – ওয়ালেস স্টেগ্নার, আমেরিকান ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও প্রাবন্ধিক।
২০১৫ – এডুয়ার্ডো গালেয়ানো, উরুগুয়ের সাংবাদিক ও লেখক।
২০১৫ – গুন্টার গ্রাস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক, চিত্রকর, ভাস্কর এবং নাট্যকার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসব : গাজনের মুখোশ ও মেলার আড্ডা।।।

বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ল্যান্ডস্কেপের কেন্দ্রস্থলে, গাজন উত্সব ঐতিহ্য এবং ভক্তির গভীরে নিহিত একটি প্রাণবন্ত উদযাপন হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। এই বছর, উত্সবটি 13 এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তির সাথে শীর্ষে পৌঁছেছে, এটি একটি ইভেন্টকে চিহ্নিত করে যা বাংলার গ্রামীণ প্রাণবন্ততাকে প্রাণবন্ত করে।

ভগবান শিব এবং দেবী মনসাকে কেন্দ্র করে থিমযুক্ত, গাজন উৎসব বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ এবং আষাঢ় মাস জুড়ে বিস্তৃত, বিশ্বাস, উত্সব এবং সম্প্রদায়ের চেতনার সংমিশ্রণ প্রদর্শন করে।
উৎসবের অনন্য আকর্ষণ বিভিন্ন নামে বিভিন্ন অঞ্চল জুড়ে মানিয়ে নেওয়ার এবং অনুরণিত করার ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মালদায়, এটি গম্ভীরা নামে পরিচিত, যখন জলপাইগুড়িতে, এটি গোমিরা নামে পরিচিত। যাইহোক, গাজনের সারমর্ম তার নামগুলিকে অতিক্রম করে, বিস্তৃত আচার-অনুষ্ঠান, পরিবেশনা এবং পুনর্নবীকরণের সম্মিলিত অনুভূতির সাথে বাংলা বছরের শেষ উদযাপন করে।
মজার বিষয় হল, চৈত্র মাসের গাজন উত্সব বিশেষভাবে ভগবান শিবকে সম্মান করে, যা চরক পূজায় পরিণত হয়। এটি চৈত্রের শেষ সপ্তাহে বিস্তৃত, প্রতিফলন, তপস্যা এবং দেবতার প্রতি শ্রদ্ধার একটি সময়কে মূর্ত করে। উৎসবগুলি, ‘হুজুগে গাজন’-এর মতো বিভিন্ন নামে পরিচিত, বিশেষ করে যখন চৈত্র মাসের বাইরে শিবকে উৎসর্গ করা হয়, বাংলার বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক চিত্রকে তুলে ধরে।
মোটামুটি তিন দিনব্যাপী, উৎসবটি তিনটি স্বতন্ত্র আচার-অনুষ্ঠানে বিভক্ত: ঘট সন্ন্যাস, নীল পূজা এবং চরক। ভক্তরা উপবাসে লিপ্ত হয়, শিবের উপাসনার জন্য ফুল সংগ্রহ করে এবং সঙ্গীত ও নৃত্যের সাথে মিছিলে প্রতীকী শিব লিঙ্গ বহন করে, ভক্তি প্রকাশ করতে এবং আশীর্বাদ চাইতে প্রায়ই শারীরিক কষ্ট সহ্য করে।
গাজন উৎসব শুধু একটি ধর্মীয় উপলক্ষ নয় বরং এটি একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে মুখোশ নৃত্য, পৌরাণিক কাহিনীর নাটকীয় পুনর্বিন্যাস এবং শিব ও গৌরীর মতো দেবদেবীদের প্রাণবন্ত চিত্রায়ন রয়েছে। এটি এমন একটি সময় যখন লোককাহিনী, ঐতিহ্যবাহী গান এবং নৃত্য সম্প্রদায়গুলিকে একত্রিত করে, এমন একটি ঐতিহ্য উদযাপন করে যা বাংলার ভূ-প্রকৃতিতে উন্নতি লাভ করে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১২ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  মহাকাশে মানুষের প্রথম গমন উপলক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি বছর ইউরির রাত্র পালন করা হয়।
(খ) বৈসাবি উৎসবের ১ম দিন (বাংলাদেশ)

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৬৩ – প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যকার ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ।

১৮৭৫ – অতুলচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।
১৮৮৪ – অট্টো মেয়ারহফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান চিকিৎসক ও প্রাণরসায়নবিদ।
১৮৮৫ – রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি ইতিহাসবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং লেখক।
১৯০৩ – জান টিনবারগেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ অর্থনীতিবিদ।
১৯০৮ – ভার্জিনিয়া চেরিল, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।
১৯১৭ – (ক)  হেলেন ফরেস্ট, মার্কিন গায়ক।
(খ) বিনু মানকড়, ভারতীয় ক্রিকেটার।
১৯২৮ – বিখ্যাত শিল্পী ও চিত্রশিল্পী আকবর পদমসি।
১৯৩৩ – মন্টসেরাট কাবালে, স্প্যানিশ সরু ও অভিনেত্রী।

১৯৪০ – (ক)  বশির আহমদ, বাংলাদেশী গায়ক।
(খ) হার্বি হ্যানকক, আমেরিকান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৪১ – ববি মুর, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।
১৯৪২ – জ্যাকব গেদলেইলেকিসা জুমা, দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।
১৯৪৬ – দেবারতি মিত্র, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি।
১৯৪৭ – ডেভিড লেটারম্যান, আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টক শো হোস্ট।
১৯৪৮ – ইয়শকা ফিশার, জার্মান শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।
১৯৫৪ – প্রখ্যাত ভারতীয় নাট্যশিল্পী, নাট্যকার ও পরিচালক সফদার হাশমি।
১৯৫৬ – অ্যান্ডি গার্সিয়া, কিউবান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৭১ – শানেন ডোহার্টি, আমেরিকান অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।
১৯৭৯ – মাটেজা কেযমান, সার্বীয় ফুটবলার।
১৯৭৯ – জেনিফার মরিসন, আমেরিকান অভিনেত্রী।
১৯৭৯ – ক্লেয়ার ডেইন্স, মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৮৭ – ব্রুকলিন ডেকার, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।
১৯৮৮ – রিকার্দো গাব্রিয়েল আলবারেস, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১২০৪ – ক্রুসেডের বাহিনী কনস্তানতিনোপল (ইস্তাম্বুল) দখল করে নেয়।
১৫৩১ – এসমল কালদিক নামে জার্মান প্রটেস্টটানদের মধ্যে সামরিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।
১৬৩৩ – গ্যালিলিও গ্যালিলির বিচার শুরু হয়।
১৮০১ – উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
১৮৬১ – আমেরিকার গৃহযুদ্ধের (১৮৬১-১৮৬৫) আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ঘটে।
১৮৬৭ – জাপানি সংস্কারবাদী মোৎসিহিতু সম্রাট হিসেবে ক্ষমতাসীন হন।
১৯১৯ – রাওলাট আইন-এর প্রতিবাদে কলকাতা, লাহোর, বোম্বাই ও অমৃতসরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
১৯৩২ – স্পেনে বাদশাহী শাসনের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫৫ – পোলিও টিকার উন্নয়ন সাধন করেন ডা. জোনাস সল্ক এবং নিরাপদ ও কার্যকরী বলে ঘোষণা করেন ।
১৯৬১ – বিশ্বের প্রথম মহাকাশ নভোচারী ইউরি গাগারিন মহাশূন্যে পাড়ি দেন।
২০২৩ – গঙ্গানদীর নীচের সুড়ঙ্গপথে কলকাতা মেট্রোর ( ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো – গ্রীন লাইন) প্রথম ট্রায়াল রান শুরু হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৮২ – মেটাস্টাসিও, ইতালিয়ান কবি।
১৮১৭ – চার্লস মেসিয়ের, ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।
১৯৪৫ – ফ্রাংক্‌লিন ডেলানো রুজ্‌ভেল্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম রাষ্ট্রপতি।
১৯৬২ -ভারতরত্ন এম বিশ্বেশ্বরাইয়া,ভারতের প্রখ্যাত সিভিল ইঞ্জিনিয়ার,দক্ষ প্রশাসক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনেতা।
১৯৭৫ – ফতেহ লোহানী, বাংলাদেশী অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও সাংবাদিক।
১৯৮১ – জো লুইস, আমেরিকান মুষ্টিযোদ্ধা।
১৯৯৭ – জর্জ ওয়াল্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান স্নায়ু।
২০১১ – শচীন ভৌমিক,হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন বিখ্যাত গল্প লেখক এবং চিত্রনাট্যকার ।
২০১২ – মোহিত চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার ।
২০১২ – লিন্ডা কুক, মার্কিন অভিনেত্রী।
২০১৫ – ইব্রাহিম সুলাইমান মুহাম্মদ আরবায়শ, সৌদি আরব সন্ত্রাসী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

নদীয়ার শান্তিপুরের অষ্টক গান : এক প্রাচীন সংস্কৃতির পুনর্জীবনের গল্প।।।

পশ্চিমবঙ্গের ও বাংলাদেশের প্রাচীন লোকজ সংস্কৃতির একটি অন্যতম প্রধান ধারা। এটি সাধারণতঃ ‘বাঙালি হিন্দু’ সমাজে চৈত্র সংক্রান্তির নানাবিধ আচার-অনুষ্ঠানের সময় পরিবেশিত হয়ে থাক। সাধারণভাবে, চৈত্র মাসের শেষ-তিন দিন “গাজন উৎসবে “শিবের গাজন” উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষতঃ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সংগঠিত লোক মেলায় বিভিন্ন ধরনের গান ও আচার-অনুষ্ঠানাদিতে অন্যতম প্রধান আনুষঙ্গিক পরিবেশনা হিসেবে আয়োজন করা হয় অষ্টক গীত ও নৃত্য।ঠিক কি কারণে বা কোথা থেকে “অষ্টক” নাম উদ্ভব ঘটেছে সে সম্পর্কে সঠিকভাবে কোনো তথ্য জানা যায় না; বরং এই বিষয়ে নান-ধরনের মতামত প্রচলিত রয়েছে।

কেউ বলেন, “এতে আটটি বৈষ্ণবীয় প্রসঙ্গ থাকায়”; কেউ বলেন, “প্রতি দলে আট জনে মিলে রাধা-কৃষ্ণের উক্তি-প্রত্যুক্তিমূলক নাট্যধর্মী গীত পরিবেশন করায়”; কারো মতে, “এটি শ্রীকৃষ্ণের অষ্টপ্রহরের লীলা-সংক্রান্ত নাট্যগীতি হওয়ায়”- একে “অষ্টক গীত বা নৃত্য” বলা হয়। আবার এ সম্পর্কে কোন কোন গবেষকের মতে, “এ-সব গানে সনাতন ধর্মীদের অষ্ট-অবতার রাধা, কৃষ্ণ, সুবল, বিশাখা, ললিতা, বৃন্দা, বড়িমাই ও বলরাম-এর বিভিন্ন কার্য-চরিত্রের সমন্বয় ঘটেছে বলে এটি অষ্টক গীত বা নৃত্য বলে পরিচিত”; আবার কেও কেও বলেন, “অবতার শ্রীকৃষ্ণ তার অষ্ট বা আটজন শখীকে নিয়ে লীলা করতেন এবং এ-গানে সেই উপাখ্যান আলোচিত হয় বলে একে অষ্টক গীত / নৃত্য বলে”। অন্য-দিকে, বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এই গীত / নৃত্যে “বাসলী দেবী”-এর বন্দনাও রয়েছে, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন বড়ু চন্ডীদাস রচিত “শ্রীকৃষ্ণকীর্তন” কাব্যের ভণিতায়ও লক্ষণীয়; তাই বলা যায় উৎস যা-ই হোক না কেন, লোক-সংস্কৃতির এই ধারাটি সুদূর প্রাচীন কাল হতে এদেশের লোক-মানসের সাথে প্রচলিত প্রথার একটি অংশ হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে।

সেরকমই নদীয়ার শান্তিপুরে প্রায় ৭০বছর ধরে চিরাচরিত ভাবে হয়ে আসছে অষ্টক গানের আসর। বিভিন্ন সাজে সুসজ্জিত হয়ে মানুষের বাড়ি থেকে বিভিন্ন জায়গায় পরিবেশিত হচ্ছে অষ্টক গান। এলাকার মানুষ খুবই খুশি এই প্রাচীন রীতির কারণে। উদ্যোক্তারা জানাচ্ছে হারিয়ে যেতে বসেছে এই প্রাচীন সংস্কৃতি তবে তারা গুটি কয়েক মানুষ আজও আই রীতিকে বাঁচিয়ে রাখার প্রানপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার যুব সমাজো আজ হাত বাড়িয়েছে আই রীতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।।।

প্রতি বছর ১১ এপ্রিল জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস হিসেবে পালিত হয়। জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হল নারীর মাতৃত্বের সুরক্ষা প্রচার করা। এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হল নিরাপদ গর্ভধারণ, প্রসবের সময় এবং সমস্যাগুলির সম্মুখীন হওয়া সম্পর্কে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া।

জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস-
২০০৩ সালের ১১ এপ্রিল ভারত সরকার জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উদযাপন শুরু করেছিল। এই দিনটি উদযাপনের ঘোষণা করার সময়, সরকার বলেছিল যে এই বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন যাতে কোনও মহিলার গর্ভাবস্থা এবং প্রসবের সময় মারা না যায়। ভারতে সন্তান প্রসবের কারণে মারা যাওয়া মহিলাদের অবস্থা খুবই নাজুক।
বিশ্বে মাতৃমৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি ভারতে। পরিসংখ্যান অনুসারে, ভারতে ১২ শতাংশ মহিলা গর্ভাবস্থা, প্রসবের সময় এবং প্রসবের পরে জটিলতার কারণে মারা যায়। তাই নিরাপদ ও সুস্থ মাতৃত্ব নিশ্চিত করার জন্য নারীদের গর্ভাবস্থা, শ্রম এবং প্রসব-পরবর্তী যত্ন সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে, আসুন এই দিবসের প্রতিপাদ্য এবং ইতিহাস সম্পর্কে জানি।

জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস থিম ২০২৫–

হোয়াইট রিবন অ্যালায়েন্স (WRAI) প্রতি বছর গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলাদের জন্য মাতৃত্বকালীন সুযোগ-সুবিধা এবং সঠিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য একটি থিম নির্বাচন করে। এই কার্যক্রমের লক্ষ্য সহজ – প্রতিটি মহিলার গর্ভাবস্থা এবং প্রসবের সময় বেঁচে থাকার এবং বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে এই সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ২০২৫ সালের থিম হল “মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবায় সমতা: কোন মাকে পিছনে না রেখে”।

জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের ইতিহাস–

আমরা যদি এই দিনের ইতিহাসের দিকে তাকাই, হোয়াইট রিবন অ্যালায়েন্স ইন্ডিয়ার অনুরোধে ২০০৩ সালে এই দিনটি উদযাপন শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে প্রতি ২ বছর পর এই দিনটি সারা দেশে একটি বিশেষ থিমে পালিত হয়। জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার অনেক ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গর্ভাবস্থা, প্রসব এবং প্রসবের পরে কেন তাদের আরও যত্নের প্রয়োজন সে সম্পর্কে মহিলাদের তথ্য দেওয়ার জন্য মেডিকেল দলগুলি শহর, গ্রাম এবং শহরে যায়।

জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবসের তাৎপর্য-

সচেতনতা বৃদ্ধি: জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস গর্ভাবস্থার জটিলতা, সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি এবং মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার অপর্যাপ্ত অ্যাক্সেস সহ মায়েদের সম্মুখীন হওয়া অগণিত চ্যালেঞ্জগুলির উপর আলোকপাত করে।
বর্ধিত মাতৃস্বাস্থ্যসেবা পরিষেবার জন্য ওকালতি: দিনটি সরকার, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী এবং সম্প্রদায়ের জন্য প্রসবপূর্ব যত্ন, দক্ষ জন্ম পরিচারক এবং প্রসবোত্তর সহায়তার অ্যাক্সেস বাড়ানোর জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে, যার ফলে নিরাপদ গর্ভধারণ এবং প্রসবকালীন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা যায়।
স্বাস্থ্যকর গর্ভধারণের অভ্যাসের প্রচার: জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস স্বাস্থ্যকর গর্ভাবস্থার অভ্যাসগুলি যেমন সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত চেক-আপ, এবং প্রত্যাশিত মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যের অ্যাক্সেস, মা ও শিশু উভয়ের জন্য স্বাস্থ্যকর ফলাফলকে উৎসাহিত করার তাত্পর্যকে তুলে ধরে।
মাতৃত্ব উদযাপন: এই দিনটি সমাজে তাদের অতুলনীয় অবদানের জন্য মায়েদের উদযাপন এবং সম্মান করার একটি মুহূর্ত দেয়, ভবিষ্যত প্রজন্মের লালনপালনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়।”

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।

আজ ১১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  জাতীয় নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস (ভারত)
(খ) আন্তর্জাতিক লুই লুই দিবস
(গ) বিশ্ব পার্কিনসন দিবস

আজ যাদের জন্মদিন—-

১০৪৫ – সেপ্টিমিউস সেভেরাস, রোমান সম্রাট।

১৭৫৫ – জেমস পার্কিনসন, পার্কিনসন রোগের উদ্ভাবক।
১৭৭০ – জর্জ ক্যানিং, ইংরেজ আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।
১৮২৫ – ফের্দিনান্দ লাসালে, একজন জার্মান বিচারক, দার্শনিক, এবং সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মী।
১৮৬৯ – কস্তুরবা গান্ধী , ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও মহাত্মা গান্ধীর পত্নী।
১৮৬৯ – গুস্তাভ ভিগেলান্ড, নরওয়েজিয়ান ভাস্কর ও নোবেল শান্তি পুরস্কার পদক ডিজাইনার।

১৮৮৭ – যামিনী রায় ভারতীয় চিত্রশিল্পী ও কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় অনুগামী ।
১৮৯৩ – ডিন আচেসন, আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৫১ তম রাজ্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
১৯০৪ – কুন্দনলাল সায়গল ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা।
১৯১১ – খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি সুরকার, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক অনুপম ঘটক।
১৯২০ – ইতালি এমিলিও কলম্বো, ইতালীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৪০ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৪০ – টমাস হ্যারিস, আমেরিকান লেখক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৫৩ – অ্যান্ড্রু ওয়াইল্‌স, ইংরেজ গণিতবিদ।
১৯৫৩ – গায় ভেরহফস্টাডট, বেলজিয়ান রাজনীতিবিদ ও ৪৭ তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৬৩ – বিলি বাউডেন, নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ার।
১৯৭৪ – আলেক্স করেটজে, স্প্যানিশ সাবেক টেনিস খেলোয়াড় ও কোচ।
১৯৮০ – কেইজি টামাডা, জাপানের ফুটবলার।
১৯৮১ – আলেসান্ড্রা আম্ত্রসিও, ব্রাজিলের মডেল ও অভিনেত্রী।
১৯৮২ – ইয়ান বেল, ইংরেজ ক্রিকেটার।
১৯৯১ – থিয়াগো আলকান্তারা, স্পানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০৯ – বাস্ক রোডসের যুদ্ধে ফরাসী বহরের উপর একটি অসম্পূর্ণ ব্রিটিশ জেমস, লর্ড গাম্বিয়ারের কোর্ট-মার্শালের ফলাফল।
১৮১৪ – ফন্টেইনব্লেউ চুক্তি নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ জোটের যুদ্ধ সমাপ্ত করে এবং তাকে প্রথমবারের মতো নিঃশর্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য করে।
১৮৫৬ – রিভাসের দ্বিতীয় যুদ্ধ: হুয়ান সান্তামারিয়া হোস্টেলটি পুড়িয়ে দিয়েছে যেখানে উইলিয়াম ওয়াকারের ফিলিস্ত্রিরা আটকানো হয়েছিল।
১৮৫৯ – ফ্রান্সের বিশিষ্ট শিল্পী ও পদার্থ বিজ্ঞানী ফার্ডিনান্ড কাররে ‘কৃত্রিমভাবে ঠান্ডা উৎপাদন করার যন্ত্র’ আবিষ্কার করেন।
১৮৬১ – আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৬৮ – প্রাক্তন শাগুন টোকুগাওয়া যোশিনোবু এডো ক্যাসেলকে সাম্রাজ্যবাহিনীর কাছে সমর্পণ করেছিলেন, টোকুগাওয়া শোগুনেটের শেষের দিকে চিহ্নিত করে।
১৮৭৬ ​​- উপকারী এবং প্রতিরক্ষামূলক অর্ডার অফ এলকস সজ্জিত।
১৮৮১ – স্পেলম্যান কলেজ আটলান্টা, জর্জিয়া আটলান্টা ব্যাপটিস্ট মহিলা সেমিনারি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত, আফ্রিকান-আমেরিকান মহিলাদের জন্য উচ্চশিক্ষার একটি ইনস্টিটিউট।
১৮৯৯ – যুক্তরাষ্ট্র স্পেনের সঙ্গে যুদ্ধের পর স্বাক্ষরিত ‘প্যারিস চুক্তি’ অনুসারে ফিলিপাইন কে নিজেদের দখলে নেয়।
১৯০৫ – আইনষ্টাইন তার আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (থিওরী অফ রিলেটিভিটি) প্রকাশ করেন
১৯০৮ – ইম্পেরিয়াল জার্মান নেভি দ্বারা নির্মিত সর্বশেষ সাঁজোয়া ক্রুজার এসএমএস ব্লুচার চালু হয়েছিল।
১৯০৯ – তেল আভিভ শহরটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২
১৯১৯ – আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২১ – আমির আবদুল্লাহ সদ্য নির্মিত ব্রিটিশ সুরক্ষিত ট্রান্সজোরডানে প্রথম কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৩১ – আজকের দিনে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে অমর চৌধুরী পরিচালিত, মদন থিয়েটার কোম্পানির প্রযোজনায় সৃষ্ট প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র জামাই ষষ্ঠী মুক্তি পায়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৯৫ – ইউলিয়ুস লোটার মাইয়ার, জার্মান রসায়নবিদ।

১৯২০ – বাঙালি লেখিকা শরৎকুমারী চৌধুরাণী।
১৯২৬ – লুথার বুরবাঙ্ক, আমেরিকান উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।
১৯৭৭ – জ্যাক প্রেভেরট, ফরাসি কবি ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৮৩ – দোলোরেস দেল রিও, মেক্সিকান অভিনেত্রী।
১৯৮৫ – ইনভের হক্সহা, আলবেনিয় শিক্ষাব্রতী, রাজনীতিবিদ ও ২১ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৮৭ – এরিকসন কডওয়েল, মার্কিন ঔপন্যাসিক।
২০০৫ – লুচিয়েন লরেন্ট, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।
২০০৭ – কার্ট ভনেগাট, আমেরিকান ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও নাট্যকার।
২০১২ – আহমেদ বেন বিল্লা, আলজেরিয়ার সৈনিক, রাজনীতিক ও ১ম প্রেসিডেন্ট।
২০১৩ – জনাথন উইনটার্স, আমেরিকান কৌতুকঅভিনেতা, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।
২০২১ – একুশে পদকে সম্মানিত বাংলাদেশী রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী মিতা হক।
২০২৩ – গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব পার্কিনসন দিবস, জানুন দিনটির ইতিহাস, গুরুত্ব ও তাৎপর্য।।।

পারকিনসন্স রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর ১১ এপ্রিল বিশ্ব পার্কিনসন দিবস পালন করা হয়। দিবসটি ডাঃ জেমস পারকিনসনের জীবনকে সম্মান করার জন্যও উত্সর্গীকৃত, যিনি ১৮১৭ সালে নিউরোডিজেনারেটিভ ডিসঅর্ডারের প্রথম কেস আবিষ্কারের কৃতিত্ব পান। পারকিনসন্স রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব পারকিনসন দিবস পালন করা হয়, একটি নিউরোডিজেনারেটিভ ডিসঅর্ডার যা কম্পন, অনমনীয়তা সৃষ্টি করে।

, bradykinesia, এবং অন্যান্য আন্দোলন-সম্পর্কিত উপসর্গ। পারকিনসন্স রোগের নতুন চিকিত্সা এবং নিরাময়ের জন্য গবেষণা প্রচারের জন্যও দিবসটি উত্সর্গীকৃত।
এবার আসুন জেনে নেই থিম, ইতিহাস, তাৎপর্য এবং বিশ্ব পারকিনসন দিবস ২০২৫ উদযাপনের উপায়গুলো বিস্তারিতভাবে।

ওয়ার্ল্ড পার্কিনসন ডে ২০২৫: থিম-

২০২৫ সালের বিশ্ব পার্কিনসন দিবসের প্রতিপাদ্য হল “সচেতনতার মাধ্যমে ক্ষমতায়ন”। এই প্রতিপাদ্যের লক্ষ্য হল পারকিনসন রোগ, এর লক্ষণ এবং প্রাথমিক রোগ নির্ণয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে সম্প্রদায়গুলিকে শিক্ষিত করা। রোগীদের জীবিত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া এবং সমাজ কীভাবে তাদের চাহিদাগুলিকে আরও ভালভাবে সমর্থন করতে পারে তার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা। সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বোধগম্যতা প্রচারের মাধ্যমে, লক্ষ্য হল এই নিউরোডিজেনারেটিভ ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবন উন্নত করা ।

ওয়ার্ল্ড পার্কিনসন ডে ২০২৫ : ইতিহাস-

বিশ্ব পারকিনসন দিবসের ইতিহাস ১৯৯৭ সাল থেকে শুরু হয় যখন ইউরোপিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর পার্কিনসন ডিজিজ (বর্তমানে পারকিনসন্স ইউরোপ নামে পরিচিত) প্রথম প্রস্তাব করেছিল যে ১১ এপ্রিলকে বিশ্ব পার্কিনসন দিবস হিসাবে মনোনীত করা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)ও এই উদ্যোগের সহ-স্পন্সর করেছে।
সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি, বিশ্ব পারকিনসন দিবস পারকিনসন রোগ বোঝার এবং চিকিত্সার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে তা উদযাপন করার একটি সুযোগও দেয়।
বিগত কয়েক দশক ধরে, আমাদের অবস্থা বোঝার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, এবং নতুন চিকিত্সা তৈরি করা হয়েছে যা পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে সাহায্য করেছে।

ওয়ার্ল্ড পার্কিনসন ডে ২০২৫ : তাৎপর্য-

বিশ্ব পারকিনসন দিবসের তাৎপর্য স্পষ্ট হয় যে এটি পারকিনসন রোগ এবং ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। দিবসটি এই অবস্থার নিরাময়ের জন্য এবং পারকিনসন রোগে আক্রান্তদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য গবেষণার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার একটি সুযোগও দেয়।
এই বিশ্ব পারকিনসন দিবসে, আশা করা যায় যে বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তিদের দ্বারা করা প্রচেষ্টা পারকিনসন রোগ এবং ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে সহায়তা করবে। এটি শুধুমাত্র এই অবস্থার নিরাময় খুঁজে পেতে সাহায্য করবে না কিন্তু পারকিনসন্স রোগে আক্রান্তদের জন্য আরও একটি সহায়তা ব্যবস্থা তৈরি করতেও সাহায্য করবে।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ভাইবোনের বন্ধন উদযাপন : ভালবাসা এবং আনন্দের দিন।।।

ভাইবোনদের মধ্যে ভাগ করা অনন্য এবং আজীবন বন্ধন উদযাপন করার জন্য ভাইবোন দিবস একটি বিশেষ উপলক্ষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মতো দেশে প্রতি বছর ১০ এপ্রিল এই দিনটি পালিত হয়। এদিকে, ইউরোপ ৩১শে মে উদযাপন করে। এই দিনটির লক্ষ্য হল ভাই ও বোনের মধ্যে অবর্ণনীয় সংযোগ এবং ভালবাসাকে সম্মান করা, এটি সারা বিশ্বের পরিবারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত করে তোলে।

ক্লডিয়া এভার্টের আন্তরিক উদ্যোগ থেকে উদ্ভূত, যিনি তার ভাইবোনদের প্রতি ভালবাসাকে অমর করে রাখতে চেয়েছিলেন, ভাইবোন দিবসটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ এপ্রিল, ১৯৯৭ তারিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিত হয়েছিল। ক্লডিয়ার দৃষ্টি ছিল এমন একটি দিন প্রতিষ্ঠা করা যা বাবা দিবস এবং মা দিবসের সময় পিতামাতার বন্ধনের প্রতিষ্ঠিত স্বীকৃতিকে প্রতিফলিত করে। তার স্বপ্ন মহাদেশ জুড়ে অনুরণন খুঁজে পেয়েছিল, যা এই দিনটির ব্যাপক উদযাপনের দিকে পরিচালিত করে।
ইউরোপীয় বৃহৎ পরিবার কনফেডারেশন (ELFAC) ২০১৪ সালে ভাইবোন দিবস গ্রহণ করেছে, ৩১শে মে তার সদস্য দেশগুলিতে উদযাপনের আনুষ্ঠানিক তারিখ হিসাবে চিহ্নিত করেছে। ২০১৬ এবং ২০১৭ সালে পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি যখন ‘দিয়া ডস ইরমাওস’ বা ভাইবোন দিবসকে আরও জনপ্রিয় করে তোলেন তখন এই উদ্যোগটি একটি উল্লেখযোগ্য উত্সাহ পায়।
ভাইবোন দিবস উদযাপনের গুরুত্ব—
ভাইবোনদের মধ্যে বন্ধন অতুলনীয়, প্রায়শই আমাদের মধ্যে অনেকের অভিজ্ঞতা প্রথম এবং সবচেয়ে স্থায়ী সম্পর্ক হিসেবে কাজ করে। ভাগ করা শৈশবের স্মৃতি থেকে শুরু করে প্রয়োজনের সময়ে একে অপরের সমর্থন হওয়া পর্যন্ত, ভাইবোনের সম্পর্ক আমাদের মানসিক বিকাশের ভিত্তি। ভাইবোন দিবস এই লালিত মুহুর্তগুলিকে প্রতিফলিত করার এবং আমাদের জীবনে ভাই ও বোনদের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার একটি সুযোগ প্রদান করে।
এটি সহজ অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে হোক না কেন, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এবং টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আন্তরিক বার্তা শেয়ার করা হোক বা শেয়ার করা অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য একসাথে আসা, এই দিনটি উদযাপন করার অনেক উপায় রয়েছে। ভারতে, ভাইবোন দিবসের সারমর্মটি রক্ষা বন্ধন দিবসের উত্সবের সময় ধরা হয়, ভাইবোনের সম্পর্কের সাংস্কৃতিক তাত্পর্যকে আরও জোর দেয়।
এটি উদযাপনের জন্য একটি বিশ্বব্যাপী অভিন্ন তারিখের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও, ভাইবোন দিবসের সারমর্মটি সামঞ্জস্যপূর্ণ – আমাদের জীবনে ভাইবোনদের অপূরণীয় ভূমিকাকে স্বীকার করা এবং উদযাপন করা। আত্মবিশ্বাসী, রক্ষক এবং আজীবন বন্ধু হওয়া থেকে, ভাইবোনরা আমাদের যাত্রার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ গঠন করে, নিঃশর্ত ভালবাসা এবং সমর্থন প্রদান করে।
আমরা ভাইবোন দিবসের কাছে আসার সাথে সাথে আমাদের ভাই ও বোনদের সাথে আমরা যে বন্ধন ভাগ করি তা লালন ও লালন করার জন্য এটি একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে। এটি এমন একটি দিন যা পার্থক্যকে দূরে সরিয়ে রাখে, একসাথে আসে এবং অনন্য সম্পর্ক উদযাপন করে যা আমাদের জীবনকে গভীর উপায়ে আকার দেয়। একটি চিন্তাশীল উপহার, একটি ভাগ করা স্মৃতি, বা দয়ার একটি সাধারণ কাজের মাধ্যমে হোক না কেন, আসুন এই উপলক্ষটি আমাদের ভাইবোনদের সাথে বন্ধনকে শক্তিশালী করতে ব্যবহার করি।
উপসংহারে, ভাইবোন দিবসটি ক্যালেন্ডারে একটি তারিখের চেয়ে বেশি; আমরা আমাদের ভাইবোনদের সাথে যে জটিল, পুরস্কৃত এবং প্রেমময় সম্পর্কগুলি ভাগ করি তাকে সম্মান করার এটি একটি সুযোগ। এটি আনন্দ উদযাপন করার, চ্যালেঞ্জগুলি নেভিগেট করার এবং ভাইবোনদের ভাগ করে নেওয়া অটুট বন্ধনকে লালন করার সময়। সুতরাং, আসুন এই দিনটিকে খোলা হৃদয়ে আলিঙ্গন করি এবং এটিকে আমাদের ভাই ও বোনদের জন্য একটি স্মরণীয় করে তুলি।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।।।।

আজ ১০ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

দিবস—–

(ক)  বিশ্ব হোমিওপ্যাথি দিবস।
(খ ) আন্তর্জাতিক ভাইবোন দিবস।
(গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস, বাংলাদেশ।
আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৮৩ – হুগো গ্রোশিয়াস, ডাচ দার্শনিক ও আইনজ্ঞ।

১৭৫৫ – স্যামুয়েল হ্যানিম্যান, জার্মান বংশোদ্ভূত ফরাসি চিকিৎসক ও শিক্ষাবিদ।
১৮২৯ – দীনবন্ধু মিত্র, প্রখ্যাত বাঙালি নাট্যকার, নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা।
১৮৪৭ – জোসেফ পুলিৎজার, হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সাংবাদিক, প্রকাশক ও রাজনীতিবিদ।
১৮৬৮ – জর্জ আরলিস, ইংরেজ নাট্যকার ও অভিনেতা।
১৮৭৩ – কয়স্টি কালিও, ব্যাংকার, রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।
১৮৮৭ – বের্নার্ডো হউসায়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্জেন্টিনার শারীরবিজ্ঞানী।
১৮৯৫ – বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক সীতা দেবী।
১৮৯৭ – ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ স্বাধীনতা সংগ্রাম গান্ধীবাদী নেতা ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেন।
১৯০১ – অমিয় চক্রবর্তী, বাঙালি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।
১৯১৭ – রবার্ট বার্নস উডওয়ার্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।
১৯২৭ – মার্শাল ডাব্লিউ নিরেনবার্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ ও জেনেটিসিস্ট।
১৯২৮ – অশোক মিত্র, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, বামপন্থী লেখক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
১৯৩১ – নিমাই ভট্টাচার্য, ভারতীয় বাঙালি লেখক।
১৯৩২ – (ক)  কিশোরী আমোনকর, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের খেয়াল, ঠুমরি,ভজন ইত্যাদির কণ্ঠসঙ্গীতশিল্পী।
(খ) ওমর শরীফ, মিশরীয় অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৫২ – স্টিভেন ফ্রেদেরিক সীগাল, মার্কিন অভিনেতা, প্রযোজক ও মার্শাল আর্টিস্ট।
১৯৬৩ – ডরিস লেউটারড, তিনি সুইস আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও রাষ্ট্রপতি।
১৯৭৩ – রোবের্তো কার্লোস, ব্রাজিলীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৮৪ – ম্যান্ডি মুর, মার্কিন গায়িকা, গীতিকার ও অভিনেত্রী।
১৯৮৫ – বারখাদ আবদি, সোমালীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও পরিচালক।
১৯৮৬ (ক)  ফের্নান্দো রুবেন গাহো, আর্জেন্টিনার ফুটবল খেলোয়াড়।
(খ ) ভিনসেন্ট কোম্পানি, বেলজীয় ফুটবল খেলোয়াড়।
১৯৯০ – অ্যালেক্স পেটিফার, ইংরেজ অভিনেতা।

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৩৩ – লন্ডনের দোকানে প্রথম আনারস বিক্রি শুরু হয়।
১৭১০ – ইংল্যান্ডে কপিরাইট আইন চালু হয়।
১৮১৬ – আমেরিকায় দ্বিতীয় ব্যাংক চালু হয়।
১৮২৫ – হাওয়াইতে প্রথম হোটেল চালু হয়।
১৮৩৫ – চার্লস ডারউইন সান্তিয়াগোতে ফিরে আসেন।
১৮৭৫ – মুম্বাইয়ে আর্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১২ – আজকের দিনে সাউদাম্পটন থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে টাইটানিক।
১৯১৯ – মেক্সিকোর খ্যাতনাম বিপ্লবী ইমিলিয়ানো জাপাটা এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নিহত হন।
১৯৪৬ – ফরাসী সেনাদের সর্বশেষ দলটি লেবানন ত্যাগ করে।
১৯৭১ – প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়।
১৯৭২ – ইরানে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়।
১৯৭২ – জীবাণু অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৭২ – নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যান গ্লেন টার্নার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৫৯ রান করেন।
১৯৭৩ – লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইহুদীবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাতে তিনজন সংগ্রামী ফিলিস্তিনী শাহাদাত বরণ করেন।
১৯৮২ – ভারতীয় যোগাযোগ উপগ্রহ যা ভারতীয় জাতীয় উপগ্রহ সিস্টেমের অংশ “ইনস্যাট ১এ“ উৎক্ষেপণ করা হয়।

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১৩ – জোসেফ লুই লাগরাঙ্গে, ইতালীয় গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিদ।
১৯৩১ – জিবরান খলিল জিবরান, আমেরিকান কবি, চিত্রশিল্পী ও দার্শনিক।
১৯৫৪ – ওগ্যুস্ত ল্যুমিয়ের, ফরাসি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের অগ্রদূত।
১৯৫৫ – পিয়ের তাঁয়ার দ্য শারদাঁ, তিনি ছিলেন ফরাসি যাজক, ধর্মতত্ত্ববিদ ও দার্শনিক।
১৯৬২ – মাইকেল কার্টিজ, হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
১৯৬৪ – শামসুন নাহার মাহমুদ, বাংলাদেশী নারী মুক্তি আন্দোলনের নেত্রী ও সাহিত্যিক
১৯৭৯ – নিনো রোটা, ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।
১৯৮৪ – সুমথনাথ ঘোষ, জনপ্রিয় বাঙালি ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
১৯৯৫ – মোরারজি দেসাই, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রধানমন্ত্রী।
২০১৩ – বিনোদ বিহারী চৌধুরী, বাংলাদেশী সমাজ কর্মী।
২০১৩ – রবার্ট জি. এডওয়ার্ডস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী।
২০১৫ – রিচি বেনো, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This