Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব শিশু দিবস, জানুন দিনটি কেন পালন করা হয় এবং দিনটির ইতিহাস।

বিশ্ব শিশু দিবস  ২০ নভেম্বর ২০২৩—-

 

শিশু দিবস একটি আন্তর্জাতিক পালিত দিন এবং কোনো সরকারি ছুটির দিন নয়।  জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ তাদের নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী শিশু দিবস পালন করে।
শিশু দিবস একটি গুরুতর বার্তা সহ একটি মজার দিন।  আন্তর্জাতিক শিশু দিবস আমাদের শিশুদের অধিকারের প্রচার ও উদযাপন করার সুযোগ দেয় যা তাদের জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তুলবে।

 

বিশ্ব শিশু দিবস ২০২৩ এর থিম—-

 

আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের থিম হল, “অন্তর্ভুক্তি, প্রত্যেক শিশুর জন্য”, “Inclusion, for every child”।  এই থিমের অর্থ হল যে কোন সমাজ, সম্প্রদায় বা জাতীয়তার প্রতিটি শিশু সমান অধিকারের অধিকারী।  এটি বিভিন্ন সভ্যতার শিশুদের মধ্যে বৈষম্য দূর করার উপরও জোর দেয়।  শুধু সাধারণ অধিকারই নয়, একটি বৈশ্বিক সমাজ সব ধরনের ত্বকের রঙের শিশুদেরকে স্বাগত জানায় এবং স্থান দেয়।
থিমের আরেকটি অত্যাবশ্যক দৃষ্টিভঙ্গি হল একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি ধাপ এগিয়ে নেওয়া যা আমাদের শিশুদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত এবং এটি প্রতিটি কুসংস্কার দূর করবে।  যে কোন পক্ষপাতিত্ব সমাজের সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর, এটি একটি শিশুর মনস্তত্ত্বের জন্যও দুর্বল প্রভাব ফেলতে পারে যাকে একটি সম্প্রদায় অগ্রহণযোগ্য বা অযোগ্য বলে মনে করে।  তাই, যুদ্ধ বা মহামারীর মতো যেকোনো মানবিক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যাকর্ষণ আমাদের শিশুদের কষ্ট না দেয় এবং আমরা সম্মিলিতভাবে আমাদের সহায়তা বা উদ্ধার মিশনে সমস্ত অঞ্চলের শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করব।
সমাজ এবং শিশু উভয়ই একসাথে বেড়ে ওঠে এবং একটি সমৃদ্ধ সমাজ তার বাসিন্দা শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের উপর নির্ভর করে।  অন্তর্ভুক্তির ধারণার সাথে, আমাদের বাচ্চাদের কল্যাণে সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করার আরও সুযোগ রয়েছে।  এমন অনেক সমাজ আছে যেখানে প্রাপ্তবয়স্ক শিশু এবং যুবকরা কিশোর-কিশোরীদের সমান অধিকার এবং ন্যায়সঙ্গততার সাথে লড়াই করছে।  তাই আমাদের একীকরণের উদ্দেশ্য হল তাদের বর্ণনাকে উত্সাহিত করা এবং আমাদের সমস্ত বাচ্চাদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্বের এক পতাকার নীচে নিয়ে আসা।
এই থিমটি একটি নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য প্রতিটি শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করে শিশুদের অধিকারের সমর্থন, উদযাপন এবং প্রচার করার জন্য জনসাধারণকে আহ্বান জানায়।

জাতিসংঘ (UN) প্রতি বছর বিশ্ব শিশু দিবসের জন্য শিশুদের মধ্যে সচেতনতা, একতাবদ্ধতা এবং শিশুদের কল্যাণের উন্নতির জন্য একটি নির্দিষ্ট থিম প্রদান করে।

 

শিশু দিবসের রঙ—-

 

শিশু দিবসে নীল রং শিশুদের অধিকারের প্রতীক।  আপনি ২০ শে নভেম্বর নীল হয়ে আপনার সমর্থন দেখাতে পারেন।

 

বিশ্ব শিশু দিবসের ইতিহাস—-

 

১৮৫৭ সালে, ডাঃ চার্লস লিওনার্ড এই দিনটিকে যুক্তরাজ্যে রোজ ডে নাম দিয়ে শুরু করেছিলেন।
১৯২০ সালে, তুরস্ক প্রজাতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে শিশু দিবসকে একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫০ সালে, অনেক দেশ ১ জুন, “শিশু সুরক্ষা দিবস” হিসাবে উদযাপন শুরু করে।
১৯৫৪ সালে জাতিসংঘ প্রতি বছর ২০ নভেম্বর তারিখের সাথে “সর্বজনীন শিশু দিবস” প্রতিষ্ঠা করে।  জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সমস্ত দেশকে শিশুদের অধিকার, একতাবদ্ধতা এবং শিশুদের কল্যাণের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য তাদের পছন্দের একটি উপযুক্ত তারিখে শিশুদের জন্য একটি দিবস উদযাপন করার নির্দেশ দিয়েছে।
২০ নভেম্বর, ১৯৫৯-এ, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকারের ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে এবং ২০ নভেম্বর, ১৯৮৯-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ শিশু অধিকার সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণ করে।
১৯৯০ সাল থেকে প্রতি ২০শে নভেম্বর এই ঘোষণা এবং কনভেনশনের বার্ষিকীও জাতিসংঘ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।

 

শিশু দিবসের ঘটনা—-

 

শিশু দিবস সুরক্ষা এবং শিশুদের অধিকারের কল্যাণের একটি গুরুতর বার্তা সহ একটি মজার দিন।

১৮৫৭ সালে ইউনাইটেড কিংডমে ডঃ চার্লস লিওনার্ড “রোজ ডে” নামে শিশু দিবস প্রথম শুরু করেছিলেন।

জাতিসংঘ ১৯৫৪ সালে শিশু দিবস প্রতিষ্ঠা করে।

জাতিসংঘ শিশু দিবসে প্রতি বছর একটি থিম প্রদান করে।

প্রতিটি দেশ শিশু দিবসের জন্য তাদের নিজস্ব পছন্দের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

 

স্কুলে বিশ্ব শিশু দিবসের কার্যক্রম—-

 

স্কুল সমাবেশে বিশ্ব শিশু দিবসের গুরুত্ব ও ইতিহাস সম্পর্কে শিশুদের সচেতন করা।

নীল রঙে স্কুল এবং ল্যান্ডমার্ক বিল্ডিংগুলি আলোকিত করুন।

২০শে নভেম্বরের এই বিশেষ দিনে একটি নীল পোশাক পরুন।

আপনার কব্জির চারপাশে একটি নীল ফিতা পরুন।

এই দিনে নীল রঙের টুপি পরুন।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে আপনার প্রোফাইল ছবি নীল রঙে পরিবর্তন করুন।

উপস্থিত শিশুদের মূকনাটক শো।

শিশুদের তাদের অধিকার সম্পর্কে শিক্ষা দিন।

শিশুদের জন্য জাতিসংঘের বিভাগ ইউনিসেফ শিশুদের কল্যাণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে সেমিনার এবং অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

জগদ্ধাত্রী পূজার সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।

জগদ্ধাত্রী বা জগদ্ধাত্রী দুর্গা হিন্দু শক্তি দেবী। ইনি দেবী দুর্গার (পার্বতী) অপর রূপ। উপনিষদে তার নাম উমা হৈমবতী। বিভিন্ন তন্ত্র ও পুরাণ গ্রন্থেও তার উল্লেখ পাওয়া যায়। যদিও জগদ্ধাত্রী আরাধনা বিশেষত বঙ্গদেশেই প্রচলিত। আবার পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগর ও হুগলি জেলার চন্দননগর, গুপ্তিপাড়া জগদ্ধাত্রী উৎসব জগদ্বিখ্যাত। কার্তিক মাসের শুক্লা নবমী তিথিতে দেবী জগদ্ধাত্রীর বাৎসরিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু বাঙালির ধর্মীয় মানসে রাজসিক দেবী দুর্গা (পার্বতী) ও তামসিক কালীর পরেই স্থান সত্ত্বগুণের দেবী জগদ্ধাত্রীর।

জগদ্ধাত্রী কৃষ্ণনগর ও চন্দননগরের প্রাণাত্মিকা। কিন্তু এই জগদ্ধাত্রী পূজার সূচনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট কি তা নিয়ে রয়েছে বহু মতান্তর। ইদানীং কালে কৃষ্ণনগর রাজবাড়ি তথা নদীয়ার ব্রাহ্মশাসন গ্রামের জগদ্ধাত্রীপূজার কিছু কাহিনী পাঠক মহলে খুবই জনপ্রির হয়ে উঠেছে। উইকিপিডিয়াতেও লেখা আছে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের জগদ্ধাত্রী পূজা সূচনার কথা। মজার কথা হল এই পূজা আদৌ কবে ও কোথায় শুরু হয়েছিল তার ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ কি? কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির মতে এই পূজা মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় (১৭১০ খৃষ্টাব্দ) দ্বারা শুরু হয়েছে। তিনি নাকি তৎকালীন নবাবের কাছে কোন এক কারণে দুর্গা পূজার সময়ে বন্দি হন এবং পরে দুর্গা পূজার পর ছাড়া পেলে স্বপ্নাদেশে পরের মাসের অর্থাৎ কার্তিক শুক্লা নবমীতে এই পূজার প্রচলন করেন। সময়কাল নিয়ে মতভেদ থাকলেও অনুমানিক সূচনাকাল সর্বপ্রথম কৃষ্ণনগর। এর পর চন্দননগর বা অন্যান্য স্থানে জগদ্ধাত্রীপূজার সূচনা হয়।
এই কৃষ্ণচন্দ্রের পৌত্র ছিলেন গিরীশচন্দ্র রায়। তিনি নদীয়ার শান্তিপুরের কাছে ১০৮ঘর ব্রাহ্ম পরিবারকে থাকতে দিয়ে একটি গ্রামপত্তন করেন যার নাম “ব্রাহ্মশাসন”। তার পর থেকে শুরু হয় শান্তিপুরে জগদ্ধাত্রী পুরো প্রচলন।
জগদ্ধাত্রী সম্পূর্ণ তান্ত্রিক দেবী। বঙ্গ তান্ত্রিক সিদ্ধপুরুষ কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশবংশীয় মহাপন্ডিত তন্ত্রজ্ঞ সিদ্ধসাধক কৌলাবধূতাচার্য্য রঘুনাথ তর্কবাগীশ মহাশয় (কাল গ্রহ বিষৎ ষট্ চন্দ্র শাকে) অর্থাৎ ১৬১০ শতাব্দে বা ১৬৮১খৃষ্টাব্দে প্রায় ১৬০ টি তন্ত্র ও প্রায় শতাধীক বেদ বেদান্ত পুরাণাদি গ্রন্থ মন্থন করে রচনা করেন “আগমতত্ব বিলাস” নামক এক অনর্ঘ্য মহাপুস্তক। সেই পুস্তকে স্পষ্টতই জগদ্ধাত্রী দেবীর সম্পূর্ণ মূর্তিবিবরণ, পূজাকাল, পূজা পদ্ধতি, পূজার বীজ মন্ত্র,দীক্ষাবিধি সব সুনিপুণ ভাবে বিস্তৃত উল্লেখ করেছেন রঘুনাথ জি।
ইন্দ্রনারায়ণের দেহরক্ষার ৬-৭ বছর বহু আগে থেকে কৃষ্ণনগরে পূজার সূচনা হয়। চন্দননগরে আদি মা তথা আরো কিছু বারোয়ারী পূজা সহ আদি হালদার পাড়ার বারোয়ারীর পূজার সচিত্র তথ্য প্রকাশিত হয়। ১৯৬১সালে আনন্দবাজার পত্রিকায় স্পষ্টতই উল্লেখ আছে যে সেই পূজা প্রায় ৪০০বছরে প্রাচীন। সেই হিসাবে বর্তমান কাল ধরে সেই পূজা ৪৬০বছরে প্রাচীন।  তাহলে প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয় আদি হালদার পাড়ার পূজাটিও পূর্বে কোন এক সাধক পরিবারের পূজা ছিল। তারাও মানে যে আদিমা তাদের থেকেও প্রাচীন।অর্থাৎ আদিমায়ের প্রাচীনত্ব স্বীকৃত। ১৮২০সালে Friends of India নামক পত্রিকায় চন্দননগরে  জগদ্ধাত্রী পূজার উল্লেখ আছে। সেই স্থানে আছে রবার্টক্লাইভ চন্দননগরের চাউলপট্টিকে Granary of bengal বলে উল্লেখ করেছিলেন। এবং সেই সময় আদিমায়ের পূজার কথাও ছিল। ক্লাইভের ১৭৫৭ খৃষ্টাব্দে চন্দননগর অভিযানের কথা সকলেই জানেন। এতদ্দ্বারা প্রমাণ হয় যে কৃষ্ণচন্দ্রের বহুপরে আদিমায়ের পূজা প্রচলিত ছিল। নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের রাজত্বকাল থেকেই বঙ্গদেশে জগদ্ধাত্রী পূজার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।
জগদ্ধাত্রী পূজার নিয়মটি একটু স্বতন্ত্র। দুটি প্রথায় এই পূজা হয়ে থাকে। কেউ কেউ সপ্তমী থেকে নবমী অবধি দুর্গাপূজার ধাঁচে জগদ্ধাত্রী পূজা করে থাকেন। আবার কেউ কেউ নবমীর দিনই তিন বার পূজার আয়োজন করে সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজা সম্পন্ন করেন। এই পূজার অনেক প্রথাই দুর্গাপূজার অনুরূপ।
জগদ্ধাত্রী পূজা বাঙালি হিন্দু সমাজের একটি বিশিষ্ট উৎসব হলেও, দুর্গা বা কালীপূজার তুলনায় এই পূজার প্রচলন অপেক্ষাকৃত আধুনিক কালে ঘটে। অষ্টাদশ শতকে নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায় তার রাজধানী কৃষ্ণনগরে এই পূজার প্রচলন করার পর এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। যদিও দেবী জগদ্ধাত্রী যে বাঙালি সমাজে একান্ত অপরিচিত ছিলেন না, তার প্রমাণও পাওয়া যায়। শূলপাণি খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতকে কালবিবেক গ্রন্থে কার্তিক মাসে জগদ্ধাত্রী পূজার উল্লেখ করেন। পূর্ববঙ্গের বরিশালে খ্রিস্টীয় অষ্টম শতকে নির্মিত জগদ্ধাত্রীর একটি প্রস্তরমূর্তি পাওয়া যায়। বর্তমানে এই মূর্তিটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুতোষ সংগ্রহশালার প্রত্নবিভাগে রক্ষিত। কৃষ্ণচন্দ্রের রাজত্বকালের আগে নির্মিত নদিয়ার শান্তিপুরের জলেশ্বর শিবমন্দির ও কোতোয়ালি থানার রাঘবেশ্বর শিবমন্দিরের ভাস্কর্যে জগদ্ধাত্রীর মূর্তি লক্ষিত হয়। তবে বাংলার জনসমাজে কৃষ্ণচন্দ্রে পূর্বে জগদ্ধাত্রী পূজা বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেনি। কেবল কিছু ব্রাহ্মণগৃহে দুর্গাপূজার পাশাপাশি জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হত।

 

 

।।সংগৃহীত : উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব শিশু দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি নিম্বার্ক সম্প্রদায়ের যোগসাধক, দার্শনিক ও ধর্মগুরু ধনঞ্জয়দাস কাঠিয়াবাবা।

 

১৭৫০ – টিপু সুলতান, ভারতীয় স্বাধীনতাকামী বীরপুত্র ।

১৮৩৭ – লিউনি ওয়াটার ম্যান, ফাউন্টেন পেন বা ঝরনা কলমের আবিষ্কর্তা মার্কিন বিজ্ঞানী।

 

১৮৫৮ – সেলমা লাগেরল্যোফ, নোবেলজয়ী সুইডিশ লেখিকা।

১৮৭৩ – উইলিয়াম কোবলেন্টজ, আমেরিকান পদার্থবিদ।

 

১৮৮৯ – এডউইন হাবল, মার্কিন জ্যোতির্বিদ।

১৯১৫ – হু ইয়াওবাং, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব।

 

১৯২০ – বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের খ্যাতিমান অভিনেতা কালী বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

১৯২৩ – নাদিন গার্ডিমার, দক্ষিণ আফ্রিকার নোবেলজয়ী সাহিত্যিক।

 

১৯৩২ – সুফিয়া আহমেদ, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও ভাষাসৈনিক।

 

১৯৬৩ – টিমোথি গাওয়ারস, ফীল্ডস মেডাল বিজয়ী কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৫ – ফ্রান্স, ব্রিটেন, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষর।

১৮১৮ – ভেনেজুয়েলা স্পেনের শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯১৭ – ইউক্রেনকে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৪০ – হাঙ্গেরি ত্রিদলীয় চুক্তি স্বাক্ষরকারী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৪৫ – ন্যুরেমবার্গ আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে নাৎসি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু।

১৯৬২ – সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবা থেকে ইলুশিন বোমারু প্রত্যাহার করতে সম্মত হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নেয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১০ – লিও তলস্তয়, খ্যাতিমান রুশ লেখক।

 

১৯৩৯ – দীনেশচন্দ্র সেন, লোকসাহিত্য বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকার।

 

১৯৮৪ – কবি ফয়েজ আহমদ।

 

১৯৯৯ – আমিন্‌তোরে ফান্‌ফানি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৯৯ – সুফিয়া কামাল, বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি, লেখক ও নারীবাদী।

 

২০১০ – মীর শওকত আলী, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার।

 

২০২২ – কলকাতার সিরিয়ালে বেশ পরিচিত মুখ ঐন্দ্রিলা শর্মা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব শৌচালয় দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব।

 

আজ ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’। প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর তারিখটি বিশ্ব টয়লেট দিবস হিসেবে পালন করা হয়। শতভাগ টয়লেট সুবিধা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি মাথায় রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন করে থাকে।উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিশ্বে টয়লেট ব্যবহার ও স্যানিটাইজেশন সম্পর্কে ক্যাম্পেইন শুরু করে ওয়ার্ল্ড টয়লেট অর্গানাইজেশন।

 

বিশ্ব শৌচাগার দিবস বা বিশ্ব টয়লেট দিবস হল প্রতিবছর ১৯ নভেম্বরে পালিত জাতিসংঘের একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক দিবস, যা বিশ্বব্যাপী পয়ঃনিষ্কাশন সংকট মোকাবেলায় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুপ্রেরণা যোগায়। সারা বিশ্বে ৪.২ বিলিয়ন মানুষ “নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন” ছাড়াই বাস করে এবং প্রায় ৬৭৩ মিলিয়ন মানুষ খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ এর অন্যতম লক্ষ্য “সবার জন্য জল ও পয়ঃনিষ্কাশনের উপলব্ধতা এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা”।বিশেষ করে, লক্ষ্য ৬.২ “খোলা জায়গায় শৌচকর্ম বিলোপ করা ও পয়ঃনিষ্কাশন এবং স্বাস্থ্যবিধি রপ্ত করা”। যখন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য প্রতিবেদন ২০২০ প্রকাশিত হয়, তখন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “আজ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ অত্যন্ত শোচনীয়” এবং এটি “২০৩০ সালের এজেন্ডা, মানবাধিকার উপলব্ধি এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তা অর্জনের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে”।
বিশ্ব শৌচালয় দিবস মানুষকে এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্য পদক্ষেপ নিতে অবহিত, জড়িত এবং অনুপ্রাণিত করার জন্য কাজ করে। সিঙ্গাপুর প্রস্তাবটি উপস্থাপন করার পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১৩ সালে বিশ্ব শৌচালয় দিবসকে জাতিসংঘের একটি দাপ্রিক দিন হিসেবে ঘোষণা করে (১৯৩ টি সদস্য রাষ্ট্রের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সামনে এর প্রথম প্রস্তাব)। এর আগে, ২০০১ সালে বিশ্ব শৌচালয় সংস্থা (সিঙ্গাপুর ভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থা) অনানুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব শৌচালয় দিবস প্রতিষ্ঠা করেছিল।

সারা বিশ্বে ৪.২ বিলিয়ন মানুষ “নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাশন” ছাড়াই বাস করে এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৭৩ মিলিয়ন মানুষ খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করে। খোলা জায়গায় শৌচকর্ম করা বিশেষভাবে নারী এবং মেয়েদের পক্ষে কঠিন। নারীরা অধিক গোপনীয়তার জন্য অন্ধকারকে বেছে নেয়, কিন্তু তারপরেও রাতে একা থাকলে আক্রমণের ঝুঁকি থেকে যায়।
এটা অনুমান করা হয় যে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী ডায়রিয়া সংক্রমণের মোট ঘটনার ৫৮% অনিরাপদ পানি, দুর্বল পয়ঃনিষ্কাশন এবং দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি অনুশীলনের (যেমন অপর্যাপ্ত হাত ধোয়া) কারণে হয়েছিল। এর ফলে পাঁচ বছরের কম বয়সী অর্ধ মিলিয়ন শিশু প্রতি বছর ডায়রিয়াতে মারা যায়। পয়ঃনিষ্কাশন প্রদানের ফলে ডায়রিয়াতে আক্রান্ত শিশুদের সম্ভাবনা ৭-১৭% এবং পাঁচ বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুর হার ৫-২০% হ্রাস পেয়েছে বলে অনুমান করা হয়।
২৮ জুলাই ২০১০ তারিখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পয়ঃনিষ্কাশন (শৌচালয়) সুবিধার অভাব জনস্বাস্থ্য, সম্ভ্রম এবং সুরক্ষার উপর প্রভাব ফেলে। মাটিবাহিত হেলমিনথিয়াসিস, ডায়রিয়া, শিস্টোসোমিয়াসিস এবং শিশুদের অস্বাভাবিক স্বল্পবৃদ্ধিসহ বহুবিধ রোগের কারণ ও বিস্তারের সঙ্গে শৌচালয়ের অভাব অনেকাংশে সম্পর্কিত।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৬ এর লক্ষ্য হল সকলের জন্য পয়ঃনিষ্কাশন বা স্যানিটেশন সরবরাহ করা।

 

।।সংগৃহীত: উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো গোটা বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস (International Men’s Day)।

আজ ১৯ নভেম্বরআন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস । দিনটি আমাদের সমাজের প্রতি পুরুষদের এই দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।  পুরুষদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেও এই দিনটি পালন করা হয়।  পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও তাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেক চাপ মোকাবেলা করতে হয়।  অফিসে কাজের চাপ ছাড়াও বাড়ির নানা দায়িত্ব, সন্তানদের ভবিষ্যৎ, ঋণের বোঝা নিয়ে ভাবতে হয় তাদের।  সারাদিন এত চাপ সত্ত্বেও তারা হাসতে থাকে।  পরিবারের অন্যদের খুশি রাখুন।  আমাদের চারপাশে এমন পুরুষরাই প্রকৃত পুরুষ।  তারাও আমাদের রোল মডেল।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের মতো গোটা বিশ্বে জায়গা করে নিয়েছে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস (International Men’s Day)। সমাজে পুরুষের অবদান কতটা উল্লেখযোগ্য, তা স্মরণ করে প্রতি বছর পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। গোটা বিশ্ব জুড়ে ১৯ নভেম্বর পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম পালিত হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। পরে পালটে যায় উদযাপনের দিন। তবে পুরুষ দিবস উদযাপনের দিনের বদল হলেও,  শুরুর দিন থেকে এখনও পর্যন্ত প্রত্যেক বছর এই বিশেষ দিনটিকে পালন করা হয় সাড়ম্বরে। থমাস ওসস্টার প্রথম ১৯৯২ সালে পুরুষ দিবস পালন করেন। প্রথমে ৭ ফেব্রুয়ারি এই দিনটিকে পালন করা হলেও পরে ১৯ নভেম্বর তারিখে পালটে ফেলা হয় এই বিশেষ দিনের তারিখ।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস প্রতি বছর ১৯ নভেম্বর তারিখে পালিত হয়। সারা বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে লিঙ্গ ভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবসটি উদ্‌যাপন করা হয়ে থাকে।
পুরুষ দিবস পালনের প্রস্তাব প্রথম করা হয় ১৯৯৪ সালে। তবে ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯২২ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পালন করা হতো রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে।
২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ‘ডিফেন্ডার অফ দ্য ফাদারল্যান্ড ডে’। রাশিয়া, ইউক্রেনসহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হতো। বলা যায়, নারী দিবসের অনুরূপভাবেই দিবসটি পালিত হয়। ষাটের দশক থেকেই পুরুষ দিবস পালনের জন্য লেখালেখি চলছে। ১৯৬৮ সালে আমেরিকান সাংবাদিক জন পি হ্যারিস নিজের লেখায় এ দিবসটি পালনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
নব্বই দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মাল্টায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে পুরুষ দিবস পালনের জন্য বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। যদিও অনুষ্ঠানগুলো খুব একটা প্রচার পায়নি। অংশগ্রহণও ছিল কম। পরবর্তী সময়ে ১৯ নভেম্বর পুরো বিশ্বে পুরুষ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসম্পাদনা
এই দিবসের উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছেঃ
পুরুষ ও বালকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি;
নারী-পুরুষের লৈঙ্গিক সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক প্রচারণা;
নারী-পুরুষের লৈঙ্গিক সাম্যতার প্রচার;
পুরুষদের মধ্যে ইতিবাচক আদর্শ চরিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরা;
পুরুষ ও বালকদের নিয়ে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সংস্কার ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরী;
পুরুষ ও বালকদের অর্জন ও অবদানকে উদ্‌যাপন;
সমাজ, পরিবার, বিবাহ ও শিশু যত্নের ক্ষেত্রে পুরুষ ও বালকদের অবদানকে তুলে ধরা।
গোটা বিশ্বে (World) প্রায় ৭০টি দেশে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। ভারত (India), আমেরিকা (US), রাশিয়া, চিন (China), ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া সহ একাধিক দেশে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। সমাজে পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি স্পষ্ট করতেই এই বিশেষ দিনটিকে পালন করা হয়। একজন পুরুষ হিসেবে সমাজে তাঁর দায়িত্ব, কর্তব্য কতটা এবং তিনি কীভাবে পালন করবেন, তা বোঝাতেই এই দিনটিকে উদযাপন করা হয়।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস মূলত ৬টি স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে তৈরি। কর্মক্ষেত্রে অবদানের পাশাপাশি সমাজ, সম্প্রদায়, পরিবার, বিবাহ, শিশু যত্ন এবং পরিবেশে পুরুষদের অবদান উদযাপিত হয় এদিন। এছাড়া, পুরুষের সামাজিক, মানসিক, শারীরিক এবং আধ্যাত্মিক সুস্থতার যত্ন নেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচিত হয় এমনকি, নানা ক্ষেত্রে তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার বিষয়ও তুলে ধরা হয় এদিন।
আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস লিঙ্গ সমতার কথা বলে। তাছাড়া, একটি উন্নত ও নিরাপদ বিশ্ব তৈরির লক্ষ্যেও পালিত হয় দিনটি। পুরুষ দিবসের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মৌলিক মানবিক মূল্যবোধ এবং পুরুষদের সচেতনতা প্রচার করা।
।।তথ্য সংগৃহীত: উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

(ক)  আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস।

 

(খ) বিশ্ব শৌচালয় দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১১ – মিখাইল লোমোনোসভ, রুশ পদার্থবিদ, রসায়নবিদ ও জ্যোতির্বিদ।

 

১৮০৫ – সুয়েজ খালের নকশাকার ফরাসি প্রযুক্তিবিদ ভিকঁৎ ফ্যের্দিনা মারি দ্যা ল্যেসেপস ।

 

১৮২৮ – লক্ষ্মী বাঈ, ঝাঁসির রাণী ও ১৮৫৭ সালের ভারতীয় বিদ্রোহের পথিকৃৎ।

 

১৮৩১ – জেমস গারফিল্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিংশতিতম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৩৮ – ব্রাহ্ম সমাজের নেতা ও সমাজ সংস্কারক কেশবচন্দ্র সেন।

 

১৮৪৩ – রিচার্ড আভেনারিউস, ছজার্মান বংশোদ্ভূত সুইস দার্শনিক ও অধ্যাপক।

 

১৮৫২ – আম্মেম্বল সুব্বা রাও পাই, ভারতের বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কানাড়া ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৭৭ – (ক)  বাঙালি কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

(খ) ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বা নিরালম্ব স্বামী।

 

১৮৮৭ – জেমস ব্যাচেলার সামনার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯১৩ -অসিতবরণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা এবং গায়ক।

 

১৯১৪ – একনাথ রানাডে , ভারতের সমাজ সংস্কারক এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের এক সংগঠক।

১৯১৫ – আর্ল উইলবার সাদারল্যান্ড জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান ফার্মাকোলজিস্ট ও প্রাণরসায়নবিদ।

 

১৯১৭ – ইন্দিরা গান্ধী, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ভারতের প্রথম মহিলা ও তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৮ – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ভারতের একজন প্রখ্যাত মার্কসবাদী দার্শনিক।

 

১৯২৫ – সলিল চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি গীতিকার সুরকার।

 

১৯৩৬ – ইউয়ান ৎসে লি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তাইওয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

 

১৯৫০ – রেহানা সুলতান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৫১ – জিনাত আমান, ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী।

 

১৯৫৩ – সুবীর নন্দী, বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৯৫৪ – আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি, মিশরের ফিল্ড মার্শাল, রাজনীতিবিদ ও মিশরের ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

 

১৯৬১ – মেগ রায়ান, আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

 

১৯৬২ – জোডি ফস্টার, মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

 

১৯৭৫ – সুস্মিতা সেন, ভারতীয় অভিনেত্রী ও ১৯৯৪-এর মিস ইউনিভার্স।

১৯৮৫ – ক্রিস্টোফার ঈগলস, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৭ – সিলভিয়া সোলার এস্পিনসা, স্প্যানিশ টেনিস খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮১৬ – পোল্যান্ডের ওয়ারশ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৬৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গে তার বিখ্যাত স্বাধীনতার ভাষণ দেন।

১৯৪২ – সোভিয়েত ইউনিয়ন স্তালিনগ্রাদে জার্মান বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে।

১৯৭৭ – মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত অধিকৃত বায়তুল মোকাদ্দাস সফর করেন।

১৯৮২ – দিল্লিতে নবম এশিয়ান গেমস শুরু।

১৯৯০ – ওয়ারশ’ ও ন্যাটো জোটের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর নেতারা প্যারিসে এক চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পূর্ব ও প্রাচ্যের দুই ব্লকের মধ্যকার শীতল যুদ্ধের অবসান ঘটান।

১৯৯৯ – চীন প্রথমবারের মতো শেন ঝু স্পেসক্রাফট মহাকাশে প্রেরণ করে।

১৯৯৫ – বাংলাদেশ সরকার হুমায়ুন আজাদের নারী বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৬৫ – নিকোলাস পউসিন, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

১৮২৮ – অষ্ট্রিয়ার খ্যাতনামা সঙ্গীতজ্ঞ ফ্রান্তেয সোবের্ট।

 

১৮৩১- তিতুমীর, প্রকৃত নাম সৈয়দ মীর নিসার আলী, ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী।

১৮৫০ – রিচার্ড মেন্টর জনসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান কর্নেল, আইনজীবী ও রাজনীতিক।

১৯৪২ – ব্রুনো সচুলয, পোলিশ চিত্রশিল্পী ও সমালোচক।

 

১৯৫৫ – ড: পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দে আনন্দ পুরস্কারে সম্মানিত চিকিৎসক।

১৯৮৮ – জাতীয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের রূপকার ও চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান।

১৯৮৯ – এম এ জলিল, বাংলাদেশের একজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ ও সামরিক কর্মকর্তা

২০০৪ – জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও অধ্যাপক।

 

২০০৭ – সঞ্জীব চৌধুরী, সাংবাদিক, সঙ্গীত শিল্পী, প্রথা বিরোধী মানুষ, দলছুট ব্র্যান্ডের গায়ক ছিলেন।

২০১১ – ব্যাসিল ডি’অলিভেইরা, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার

 

২০১৩ – ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী ও অধ্যাপক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১৮ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৬ – জর্জ ওয়াল্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান নিউরোবায়োলজি ও একাডেমিক।

 

১৯১০ – বটুকেশ্বর দত্ত ঊনিশ শতকের প্রথমদিকের বাঙালি ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী এবং ভারতীয় মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯১৭ – পেড্রো ইনফ্যান্টে, মেক্সিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৩৫ – রব্নি হল, অস্ট্রেলিয়ান লেখক ও কবি।

 

১৯৩৬ – কবি জিয়া হায়দার ।

 

১৯৩৯ – মার্গারেট অ্যাটউড, কানাডীয় ঔপন্যাসিক, কবি ও সমালোচক।

 

১৯৬৩ – পিটার স্মাইকেল, ডেনিশ ফুটবলার

 

১৯৭০ – পেটার উইলসন, অস্ট্রেলিয়ান মডেল ও অভিনেত্রী।

 

১৯৭২ – জুবিন গর্গ, ভারতীয় গায়ক, সুরকার, গীতিকার, সুর প্রযোজক, চিত্রপরিচালক, মানবহিতৈষী।

 

১৯৮৩ – মাইকেল ডসন, ইংরেজ ফুটবল।

 

১৯৮৮ – মোঃ শাহ্ জালাল, বাঙালি বণিক।

 

১৯৯২ – নাথান ক্রেস্‌, আমেরিকান অভিনেতা।

 

১৯৯৩ – ঝাং জেতিয়ান, চীনা ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকার

 

১৮৬১ – আমেরিকান সাংবাদিক ডরোথি ডিস্ক ।

 

১৮৯৭ – প্যাট্রিক মেইনার্ড স্টুয়ার্ট ব্ল্যাকেট, ব্যারন ব্ল্যাকেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৮৯৮ – প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ বিশ্বভারতীর তৃতীয় উপাচার্য প্রবোধচন্দ্র বাগচী।

 

১৭৮৭ – ফরাসী পদার্থবিজ্ঞানী ও চিত্রশিল্পী লুই ডাগুয়েরে।

 

১৬৪৭ – পিয়ের বেল, ফরাসী দার্শনিক ও গ্রন্থকার ।

 

১৫২২ – লামোরাল, কাউন্ট অফ এগমন্ট।

 

১৫৭১ – হিপোলিটাস গুয়ারিনোনিয়াস, ইতালীয় চিকিৎসক ও বহুমুখী প্রতিভাধর।

 

১৫৭৬ – দ্বিতীয় ফিলিপ লুডউইগ, কাউন্ট অফ হানাউ-মুঞ্জেনবার্গ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৩ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পানামা প্রজাতন্ত্রের মধ্যে পানামা খাল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯০৯ – আমেরিকা দুটি যুদ্ধজাহাজ পাঠায় নিকারাগুয়ায়।

১৯১৮ – সোভিয়েত রাশিয়া থেকে বের হয়ে লাটভিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২৬ – জর্জ বার্নার্ড শ’ নোবেল পুরস্কারের অর্থ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান।

১৯৪৮ – ভারতের পাটনার কাছে গঙ্গায় নৌকাডুবিতে ৫০০ যাত্রীর সলিল সমাধি।

১৯৫৬ – মরোক্কো স্বাধীনতা অর্জন করে।

১৯৬১ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি দক্ষিণ ভিয়েতনামে ১৮ হাজার সেনা পরিদর্শক পাঠান।

 

১৯৬৩ – কর্নেল আবদুস সালাম আরেফ ইরাকের ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

 

১৯৬৬ – সালের এই দিনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সালে উদ্বোধন করা হয়।

১৯৯৯ – তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ৫৪ জাতি ইউরোপীয় নিরাপত্তা শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮২০ – মার্কিন নৌ ক্যাপ্টেন নাথানিয়েন পালমান এন্টার্কটিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৩৯ – বিদেশী উপনিবেশবাদীদের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার জনগণের দ্বিতীয় দফা প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৫৭ – বাংলাদেশের চট্টগ্রামে ৩৪ দেশীয় পদাতিক বাহিনীর সিপাহি দল বিদ্রোহের মাধ্যমে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলন শুরু হয়।

 

১৭২৭ – মহারাজা দ্বিতীয় জয় সিং রাজস্থানের জয়পুর শহর পত্তন করেন। ভারতের জয়পুরশহরের নকশা করেন বাংলার স্থাপত্যশিল্পী বিদ্যাধর ভট্টাচার্য।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৮ – হাজী আব্দুল ওয়াহাব, দাঈয়ে ইসলাম, পাকিস্তান।

 

১৯২২ – মার্সেল প্রুস্ত্‌, ফরাসি বুদ্ধিজীবী, ঔপন্যাসিক, প্রবন্ধকার ও সমালোচক।

 

১৯৪১ -ওয়ালথার নেরন্সট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৫২ – ফরাসী কবি পল এল্যুয়ার ।

১৯৬২ -নিলস বোর, ডেনিশ নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ ও ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৬৯ – বিমানবিহারী মজুমদার , ভাগবতরত্ন,বাঙালি সাহিত্যিক ও গবেষক।

 

১৯৭৮ – ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ডি.জি.নামে পরিচিত বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৯৮১ – শিল্পী আনোয়ারুল হক ।

১৯৮২ – এ কে নাজমুল করিম, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী।

১৯৯১ – চেকোসস্নাভ কমিউনিস্ট নেতা গুস্তাফ হুসাক ।

১৯৯৯ -পল বওলেস, আমেরিকান সুরকার ও লেখক।

১৮৮৬ – চেস্টার এ. আর্থার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২১তম রাষ্ট্রপতি।

১৭৭৭ – জার্মান নাট্যকার হিনরিখ ফন কিশ ।

 

১০৫৩ – অতীশ দীপঙ্কর ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় মৃগীরোগ সচেতনা দিবস । (ভারত)

 


(খ) আনফ্রেন্ড দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৫ – রক হাডসন, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯২৮ – বিশ্বের সাবেক এক নম্বর ব্যাটসম্যান কলিন ম্যাকডোনাল্ড।

 

১৯৩৬ –  তারাপদ রায়, বাঙালি লেখক,কবি ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯৪২ – মার্টিন স্কোরসেজি, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৫২ – রুনা লায়লা, বাংলাদেশী খ্যাতিমান গায়িকা।

১৯৫৩ – মিজু আহমেদ, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৬ – ন্যানি, পর্তুগীজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৭ – ওয়াশিংটন ডিসিতে টর্নেডো আঘাত হানে।

 

১৯৩৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দেয়।

 

১৯৭০ – বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

১৯৮২ – ইরাকের সাদ্দাম বিরোধী ইসলামী দল ও সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ গঠিত হয়।

১৮০০ – ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৩১ – ভেনিজুয়েলা ও ইকুয়েডর বৃহত্তর কলম্বিয়া থেকে আলাদা হয়।

 

১৮৫৭ – স্যার কলিন ক্যাম্পবেল সিপাহি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে লক্ষ্মৌ উদ্ধার করেন।

 

১৮৬৯ – প্রথম বাইসাইকেল রেসে জয়ী হন জেমস মুর।

 

১৮৭০ – ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের পর ঐক্যবন্ধ জার্মানি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 

১৭৯৬ – নেপোলিয়ন অস্ট্রিয়ানদের পরাজিত করেন।

 

১৫২৫ – সিন্ধু প্রদেশের মধ্য দিয়ে মোগল সম্রাট বাবর ভারতে তার পঞ্চম অভিযান পরিচালনা করে ভারত বিজয় করেন।

 

১৫৫৮ – প্রথম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১২৯২ – জন বালিয়ন স্কটল্যান্ডের রাজা হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ -ফেরেন্তস পুশকাস,হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

 

২০২০ – বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত।

 

১৯১৭ – অগুস্ত রদ্যাঁ, আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।

 

১৯২৮ – লালা লাজপত রায়,পাঞ্জাব কেশরি নামে সুপরিচিত ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯৩১ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যেরইতিহাস রচয়িতা।

 

১৯৭১ – দেবকী কুমার বসু, বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

 

১৯৭৩ – ঋষি অরবিন্দের শিষ্যা শ্রীমা লোকান্তরিত হন।

 

১৯৭৬ – আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৯৮৩ – অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট নজরুলগীতি গায়িকা ও চিকিৎসক।

 

১৯৮৮ – ভারতীয় বাঙালি কবি ও লেখিকা জ্যোতির্ময়ী দেবী।

 

১৮৫৮ – রবার্ট ওয়েন, ব্রিটিশ সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের পথিকৃৎ।

 

১১৮৮ – উসামা ইবনে মুনকিজ, একজন সিরীয় মুসলিম কবি, লেখক, ফারিস ও কূটনৈতিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস প্রতি বছর 16 নভেম্বর সারা বিশ্বে পালিত হয়। অসহিষ্ণুতার বিপদ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি পালন করা হয়। 1996 সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল। 1995 সালকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের অসহিষ্ণুতা বর্ষ হিসাবে ঘোষণা করেছিল। যেখানে সন্ত্রাস, বর্ণবাদ, সহিংসতার মতো অনেক বিষয় আজ বিশ্বে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, কিছু দেশে জাতি, ধর্ম, সংখ্যালঘু, উদ্বাস্তু এবং অভিবাসীদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব কারণই দেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। এই সমস্ত পরিস্থিতিতে, বিশ্ব সহনশীলতা দিবস পালিত হয় মানবতাকে বাঁচাতে এবং শান্তি ও সম্প্রীতির প্রচারের জন্য। বিশ্বে শান্তির পাশাপাশি সম্প্রীতি সৃষ্টি করাই এ দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য। কেন মানুষকে সহনশীল থাকতে হবে তা নিয়েও এই দিনে সচেতনতা ছড়ানো হয়। আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস সমাজে অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে। সহনশীলতা দিবস উদযাপন এবং কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সমাজে ঘৃণা ও শত্রুতা অবসানের কাজ।

 

মানব সমাজ স্বাভাবিকভাবেই বৈচিত্র্যময় এবং এই বৈচিত্র্যময় বিশ্বে, বিভিন্ন মতামত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারণার আদান-প্রদান এবং সম্প্রীতি নিশ্চিত করার জন্য মানুষের মধ্যে সহনশীলতা প্রয়োজন।  সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার উপস্থিতি সংঘাতের পথ প্রশস্ত করে না।  বরং একটি সহনশীল পরিবেশ এই সামাজিক বাস্তবতাকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের সহজাত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  এই পৃথিবীটা বাস করার জন্য অনেক ভালো জায়গা হবে যদি আমরা সবাই আমাদের জীবনে একটু বেশি সহনশীল হতে পারি।
এমন একজন মানুষকে কখনই দুর্বল মনে করবেন না যে সহ্য করে কারণ সে সবার চেয়ে শক্তিশালী এবং আমাদের অবশ্যই তাকে সম্মান করতে হবে।  আপনি যদি সহ্য করতে পারেন তবে আপনাকে অবশ্যই কোনওভাবে শান্তিতে অবদান রাখতে হবে।  একটি উন্নত বিশ্বের জন্য আমাদের সকলকে অসহিষ্ণুতার অনুশীলন করতে হবে।

 

 

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের  ইতিহাস—

 

১৯৯৩ সালে, ইউনেস্কোর উদ্যোগে, জাতিসংঘ ১৯৯৫ সালকে “সহনশীলতার বছর” হিসাবে ঘোষণা করে।  ইউনেস্কোর ১৯৯৫ সালের সহনশীলতার নীতির ঘোষণা ছিল যে সহনশীলতা হল আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, আমাদের অভিব্যক্তির ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়গুলির সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং উপলব্ধি।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।  এক বছর পরে ১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় ১৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস এবং এটি প্রতি বছর পালিত হবে।  আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের জন্য সাধারণ থিমটি সমস্ত বছর ধরে প্রয়োগ করা হয়।  জাতিসংঘ সাধারণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।  সাধারণ থিম হল “সহনশীলতা হল সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, প্রকাশের ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়”।

 

গুরুত্ব—–

 

ইউনেস্কো ঘোষিত এ দিবস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হচ্ছে বহুমুখী সমাজে সহনশীলতা শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মানুষের সুষম ও শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-যাপন নিশ্চিত করা।  ইউনেস্কোর উদ্যোগে, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে ১৯৯৫ সাল ‹আন্তর্জাতিক সহনশীলতা বর্ষ› উদযাপন করা হবে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ২৮তম অধিবেশনে ‹সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণা› গৃহীত এবং প্রতি বছরের ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এক প্রস্তাবে বিভিন্ন দেশের সরকারকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। যাতে শিক্ষা ও প্রচারসহ বিভিন্ন উপায়ে সহনশীলতার দিকটিকে সবার কাছে তুলে ধরা যায়।

জন এফ কেনেডি বলেছেন, “সহনশীলতা বোঝায় নিজের বিশ্বাসের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব নয়। বরং এটি অন্যের নিপীড়ন বা নিপীড়নের নিন্দা করে।” আবার টিমোথি কেলার এর মতে, “সহনশীলতা বিশ্বাস না থাকা নিয়ে নয়। এটি আপনার সাথে একমত না এমন লোকেদের সাথে আচরণ করার জন্য আপনার বিশ্বাসগুলি আপনাকে কীভাবে পরিচালিত করে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 তাৎপর্য—

 

আসুন আমরা আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 এর তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।

UNESCO 1995 সালে US$100000 এর পরিমাণ দিয়ে “The UNESCO-Madanjit Singh Prize” তৈরি করে। প্রতি দুই বছর অন্তর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে ব্যক্তি বা সংস্থাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে সহনশীলতা এবং নিপীড়ন ও অবিচারের অবসান সম্পর্কে বিতর্ক এবং বক্তৃতা পরিচালিত হবে।

বিশ্বব্যাপী সহনশীলতার ধারণা বাস্তবায়নের জন্য স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠানে এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সহনশীলতার সাধারণ থিম নিয়ে আলোচনা করা হবে।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে, অফিস, স্কুল, কলেজ ইত্যাদিতে আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি রেজোলিউশন নিতে হবে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় প্রেস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

প্রতি বছর, ভারত প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার সম্মানে ১৬ নভেম্বর জাতীয় প্রেস দিবস পালন করে।  জাতীয় প্রেস দিবস ভারতে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের প্রতীক।

১৯৬৬ সালে ১৬ নভেম্বর প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা হয়। এই দিনের স্মরণে প্রতিবছর ১৬-ই নভেম্বর জাতীয় সাংবাদিকতা দিবস উদযাপিত হয়। জাতীয় সাংবাদিকতা দিবসে ভারতে একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সংবাদের প্রতীক, যেহেতু প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া নৈতিক প্রহরী হিসাবে কাজ করে। এটিও নিশ্চিত করে যে সংবাদ প্রতিষ্ঠানটি কোনও বহিরাগত কারণের প্রভাব বা হুমকির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়। দেশের সংবিধানে “বাকস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার অধিকার” সরবরাহ করে।

 

জাতীয় প্রেস ডে: ইতিহাস—-

 

ভারতের প্রথম প্রেস কমিশন 1954 সালের নভেম্বরে একটি সভা পরিচালনা করে এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য দায়ী একটি কমিটি বা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করে।  প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা বুঝতে পেরেছিল যে প্রেসের মুখোমুখি হওয়া সমস্যা এবং সমস্যাগুলি মোকাবেলা করার জন্য একটি সঠিক ব্যবস্থাপনা সংস্থা তৈরি করা উচিত।
১৯৬৬ সালের নভেম্বরে, মিডিয়া এবং প্রেসের সঠিক পরিচালনার জন্য এবং বিচারপতি জে আর মুধোলকরের অধীনে প্রেসের সমস্যাগুলি দেখাশোনার জন্য প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ভারতের সরকারী প্রেস কাউন্সিল ৪ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ সালে সক্রিয় হয়েছিল। তারপর থেকে, ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ তারিখটিকে ভারতীয় প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার স্মরণে জাতীয় প্রেস দিবস হিসাবে পালিত করা হয়।

 

 

 

এদিন প্রেস কাউন্সিলের মূল অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য পুরস্কার প্রদান, স্মারক পুস্তিকা প্রকাশ, সমকালীন পরিস্থিতি আলোচনা সভা ইত্যাদির আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।
সংবাদ পরিবেশনে ও সাংবাদিকতায় গণমাধ্যমগুলির নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা যেমন আবশ্যক, তেমনি দেশের শাসকেরও তাদের সমালোচনায় সহিষ্ণু হওয়ার প্রয়োজন। এসবই প্রেস দিবসে মোটামুটি আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হিসাবে পরিলক্ষিত হয়।

দেশের সংবিধান “বাকস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতার ও তথ্যের অধিকার” প্রদান করে। তবে সংবিধানের ১৯ (১) (ক) অনুচ্ছেদে প্রেসের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও এটি অভিপ্রেত।

 

জাতীয় প্রেস দিবসের গুরুত্ব—

 

প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া হল একটি স্বাধীন সরকারী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা যা ভারতে প্রেসের যত্ন নেয়।  জাতীয় পেস দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট কারণ এটি কাজ করে:—

 

(ক)  সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা।

(খ) জনস্বার্থ প্রচার করা।

(গ) সাংবাদিকতার উচ্চ মান বজায় রাখা

এটি নিশ্চিত করে যে প্রেস তার ক্ষমতার অপব্যবহার না করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This