Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

হোলি উদযাপনের অনন্য উপায় ১০ টি ভারতীয় স্থানে৷

হোলি, রঙের উত্সব হিসাবে পরিচিত, ভারতে একটি প্রাণবন্ত এবং লালিত উপলক্ষ, যা সাংস্কৃতিক এবং পৌরাণিক তাত্পর্য দ্বারা চিহ্নিত। এটি মন্দের উপর ভালোর বিজয়ের গল্প উদযাপন করে। দেশ জুড়ে, বিভিন্ন অঞ্চল হোলির রঙিন উৎসব উপভোগ করার অনন্য উপায় অফার করে। এখানে এমন 10টি স্থানের একটি নির্দেশিকা রয়েছে যেখানে উদযাপনগুলি মিস করা উচিত নয়।

বৃন্দাবন, উত্তরপ্রদেশ

বৃন্দাবনে, ফুলন কি হোলি একটি অনন্য উদযাপন যেখানে রঙিন গুঁড়োর পরিবর্তে ফুলের পাপড়ি ব্যবহার করা হয়। এই আধ্যাত্মিক স্থান, যেখানে ভগবান কৃষ্ণ তার শৈশব কাটিয়েছেন, হোলির সময় একটি নির্মল অথচ উত্সব পরিবেশ প্রদান করে।

বারসানা, উত্তরপ্রদেশ

বারসানা লাঠমার হোলির আয়োজন করে, যা হিন্দু পুরাণে গভীরভাবে নিহিত এবং রাধার জন্মস্থানে উদযাপন করা হয়। রাধা এবং কৃষ্ণের মধ্যে উত্তেজনার একটি কৌতুকপূর্ণ পুনর্ব্যবহারে মহিলারা লাঠি দিয়ে পুরুষদের তাড়া করে এবং মারধর করে।

জয়পুর, রাজস্থান

জয়পুরের এলিফ্যান্ট ফেস্টিভ্যাল হোলি উদযাপনে প্রাণবন্ততার একটি অতিরিক্ত স্তর যোগ করে। হাতি, রঙিন পোশাকে সজ্জিত, একটি বিশাল মিছিলের নেতৃত্ব দেয় এবং সেরা-সজ্জিত হাতির জন্য একটি বিশেষ সম্মান রয়েছে।

শান্তিনিকেতন, পশ্চিমবঙ্গ

শান্তিনিকেতনে, হোলি বসন্ত উৎসব বা বসন্ত উত্সব হিসাবে উদযাপিত হয়, এটি একটি ঐতিহ্য যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুরু করেছিলেন। শিক্ষার্থীরা আনন্দের রঙ নিক্ষেপে জড়িত হওয়ার আগে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।

উদয়পুর, রাজস্থান

উদয়পুরের রাজপরিবার শহরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরে একটি জমকালো উদযাপনের আয়োজন করে। উত্সবগুলির মধ্যে একটি রাজকীয় শোভাযাত্রা, স্থানীয় পারফরম্যান্স এবং একটি জমকালো ভোজ অন্তর্ভুক্ত।

হাম্পি, কর্ণাটক

ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে, হাম্পি বনফায়ার, সঙ্গীত, নৃত্য এবং আনন্দময় সমাবেশের সাথে প্রাণবন্ত হোলি উদযাপনের প্রস্তাব দেয়, যা মন্দের উপর ভালোর বিজয়ের প্রতীক।

দেরাদুন ও গোয়া

গোয়া এবং দেরাদুন উভয় স্থানেই উদযাপিত হোলি মু উৎসব, আধুনিক সঙ্গীত, শিল্প এবং সংস্কৃতির সাথে ঐতিহ্যবাহী মজার মিশ্রণ ঘটায়। এটি একটি নিরাপদ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ ইভেন্ট যেখানে পরিবেশ-বান্ধব রঙ, পারফরম্যান্স এবং রাস্তার খাবার রয়েছে।

আনন্দপুর সাহেব, পাঞ্জাব

হোলা মহল্লা, শিখ সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্সব, হোলি অনুসরণ করে। এতে মার্শাল আর্ট প্রদর্শনী রয়েছে যা স্ব-শৃঙ্খলা এবং সমতার উপর জোর দেয়।

কোচিন, কেরালা

কোচিনে, মঞ্জুল কুলি উৎসব কোঙ্কনি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রঙের জায়গায় হলুদ ব্যবহার করা হয়। উৎসবটি ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত, নৃত্য এবং ভোজ দিয়ে সমৃদ্ধ।

মণিপুর

মণিপুরের মেইতেই সম্প্রদায়ের দ্বারা উদযাপন করা ইয়োসাং উৎসবের মধ্যে রয়েছে নাচ, গান, গেমস এবং থাবাল চোংবা নাচ, যেখানে ছেলেরা এবং মেয়েরা রঙের উৎসবকে চিহ্নিত করে একটি বনফায়ারের চারপাশে নাচ করে।

ভারত জুড়ে এই 10টি স্থান একটি দর্শনীয় হোলির অভিজ্ঞতা প্রদান করে, যা দর্শকদের দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং উত্সবের চেতনায় ডুব দিতে দেয়। প্রতিটি অবস্থান স্থানীয় ঐতিহ্য এবং উদযাপনের একটি অনন্য আভাস প্রদান করে, হোলি উৎসবকে একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা করে তোলে।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

কর্তাভজা সম্প্রদায় ও কল্যাণীর সতীমার দোল মেলা।।।

যতদূর জানা যায়, আনুমানিক দুশো বছর আগে আউলিয়া সম্প্রদায়ের সতীমা অর্থাৎ সরস্বতী দেবী এই মেলার প্রবর্তন করেন । এপার বাংলা ও বাংলাদেশে যথেষ্ট জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষপাড়ার সতীমার দোল মেলা । খ্রিষ্টীয় অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি বাংলার অন্ত্যজ সম্প্রদায়ের মানুষদয়ের নিয়ে গড়ে ওঠে আউলচাঁদ সম্প্রদায় । এই সম্প্রদায়ের আদিগুরু ছিলেন আউলচাঁদ । তাঁর মৃত্যুর পর আউলচাঁদ সম্প্রদায়ের কর্তাপদ লাভ করেন রামশরণ পাল । তাঁরই স্ত্রী ছিলেন সরস্বতী দেবী যিনি পরবর্তীকালে সতী মা নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন ।
বাউল, কীর্তন, লোকগীতি, পল্লীগীতির সুরে প্রতি বছর মেলা জমে ওঠে । আখড়ায় আখড়ায় সারা রাত ধরে গানের আসর । শ্রোতারা অধিকাংশই গ্রাম ও মফঃস্বলের । বিভিন্ন জায়গায় তৈরী হয় লালন মঞ্চ । গানের পাশাপাশি বিশাল উনুন জ্বালিয়ে ক্ষুন্নিবৃত্তির ব্যবস্থা হয় ঐ আখড়াগুলিতে । দূরদূরান্ত থেকে মেলায় আগত মানুষদের আশ্রয়স্থল এই আখড়াগুলি ।
এবার আসছি কর্তাভজা সম্প্রদায় প্রসঙ্গে ।
কর্তাভজা সম্প্রদায় আঠারো শতকে বৈষ্ণববাদ ও সুফিবাদ থেকে বিকশিত একটি ক্ষুদ্র ধর্মীয় সম্প্রদায় । এই সম্প্রদায়ের মূল গুরু আউল চাঁদ ।
প্রথমেই বলি, আউলচাঁদ হলেন একজন বাঙালি ধর্ম প্রচারক ও কর্তাভজা সম্প্রদায়ের আদিগুরু । কিংবদন্তি বা লোকবিশ্বাস যে, গোরাচাঁদ অর্থাৎ শ্রীচৈতন্যদেব আউলচাঁদ রূপে পুনরায় আবির্ভূত হয়েছেন । গৃহী মানুষকে বৈরাগ্য ধর্ম শেখাতে শ্রীচৈতন্য আবির্ভূত হন আউল চাঁদ ফকির হয়ে । এখানে তাই কোনো জাতিভেদ নেই ।
আউলচাঁদের জন্ম-খ্রিষ্টাব্দ নিয়ে অনেক মতভেদ । শোনা যায়, তিনি হিন্দু না মুসলমান সেটা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি । তবে প্রচলিত লোক কাহিনী অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনা জেলার উলা গ্রামের (অনেকের মতে, নদীয়া জেলার প্রাচীন জনপদ উলা-বীরনগর) পান ক্ষেত থেকে একটি নবজাতক শিশুকে পাওয়া যায় । ক্ষেতের মালিক মহাদের বারুই ভগবানের আশীর্বাদ ভেবে তাঁকে লালন-পালন শুরু করেন । আউলচাঁদের পুরানো নাম পূর্ণচন্দ্র । সংস্কৃত ভাষা শেখানোর জন্য তাঁকে পাঠানো হয় সে-সময়কার বিখ্যাত বৈষ্ণবাচার্য হরিহরের কাছে । বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ণচন্দ্র নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান এবং নানাভাবে শিক্ষালাভ করেন । শেষ পর্যন্ত তিনি সিদ্ধিলাভ করেন । তাঁর নতুন নাম হয় ফকিরচাঁদ বা আউলচাঁদ । বড় হয়ে আউলচাঁদ গৃহত্যাগ করেন । বহু দেশ ঘোরার পর নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ায় রামশরণ পাল নামে এক ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি তাঁকে আশ্রয় দেন । আউল চাঁদের ২২জন শিষ্যের মধ্যে অন্যতম শিষ্য রামশরণ পাল । ২২জনের মধ্যে রামশরণ পাল আউলচাঁদের মৃত্যর পর গুরুপদ প্রাপ্ত হন । যারজন্য তাঁর নেতৃত্বে পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ায় প্রতিষ্ঠা করেন কর্তাভজা ধর্মের অন্যতম পীঠস্থান, যা পরবর্তী সময়ে সতী মায়ের মন্দির নামে সবার কাছে পরিচিত । রামশরণ পালের স্ত্রীর নাম সরস্বতী, যার নামেই এই মন্দির—-সতী মায়ের মন্দির । কথিত আছে, সরস্বতী’র প্রথম অক্ষর “স” আর শেষ অক্ষর “তী” অনুসারে সতী । আউলচাঁদের শিষ্য রামশরণ পাল গুরুর ভাবাদর্শকে ভিত্তি করে কর্তাভজা সম্প্রদায় গড়ে তোলেন । এইজন্য ভক্তের নিকট তিনি “কর্তা” এবং তাঁর স্ত্রী সরস্বতী দেবী “কর্তামা” নামে অভিহিত । রামশরণ পালের পর সরস্বতী দেবী এই সম্প্রদায়কে নেতৃত্ব দেন । রামশরণ পালের স্ত্রী কর্তাভজা সম্প্রদায়কে দিশা দেখান । রামশরণের স্ত্রী সরস্বতী দেবী ছিলেন অতীব ধর্মপরায়ণা । শোনা যায়, আউলচাঁদ হিম সাগরের জল ও ডালিম গাছের তলার মাটির সাহায্যে সরস্বতী দেবীকে অলৌকিক উপায়ে মৃত্যের হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন । আরও শোনা যায়, আউলচাঁদ নাকি রামশরণ পাল ও সরস্বতী দেবীর সন্তান হয়ে পরবর্তীতে জন্ম নেন “দুলাল চাঁদ” নামে । দুলাল চাঁদ (১৭৭৬-১৮৩৩) কর্তাভজা সম্প্রদায়কে সাংগঠনিক রূপ দেন । তিনি বহু পদ রচনা করে কর্তাভজা ধর্মমতকে একটা তাত্ত্বিক কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত করেন । পদগুলি ভাব-গীত-রূপে ভক্তদের নিকট সমাদৃত । কর্তাভজারা কোনো জাতিভেদ মানেন না । তাঁরা লোভ-মোহ-কাম-ক্রোধকে নৈতিক পাপ বলে মনে করেন । সৎ পথে থেকে এবং মিথ্যা কথা পরিহার করে নৈতিকভাবে ধর্মকর্ম করা তাঁদের প্রধান লক্ষ্য । তাঁর সময়ে কর্তাভজা সম্প্রদায়ের খ্যাতি বহুদূর পর্যন্ত গড়ায় । মাত্র ৪৮ বছর বয়সে দুলাল চাঁদের মৃত্যু হয় । এরপর তাঁর মা অর্থাৎ সরস্বতী দেবী কর্তা মা বা সতীমা নামে খ্যাতিলাভ করেন ।
নদীয়া জেলার ঘোষপাড়ার রামশরণ পালের আদি ভিটেটুকু ভক্তদের কাছে অতি পবিত্র । ভিটের পাশেই ডালিম গাছ । এই গাছের নীচে যেহেতু সতীমা সিদ্ধিলাভ করেছিলেন সেইজন্য ভক্তরা ডালিম গাছের ডালে ঢিল বেঁধে মানত করেন । মনস্কামনা পূরণ হওয়ার আশায় । বাতাসা, কদমা, চিড়ে, মুড়কি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে ভক্তদের সতীমাকে পুজো দেওয়ার রীতি । আজও সেই ট্রাডিশন অব্যাহত ।
জনশ্রুতি, শেষ বয়সে সরস্বতী দেবী সন্তানহারা হলে দোলপূর্ণিমার দিন গুরু পুজার আয়োজন করেন । সেই থেকে দোল পূর্ণিমার সূচনা । হাজার হাজার মানুষের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাউলেরা আসেন । তাই স্থানীয়ভাবে সতী মায়ের মেলাটা আউল-বাউলের মেলা বা আখড়া নামে পরিচিত ।
কর্তাভজা সম্প্রদায় মূর্তিপুজা এবং সকল প্রকার আনুষ্ঠানিক যাগযজ্ঞের বিরোধী । কর্তাভজা প্রচারক দুলাল চাঁদ রচিত ভাবের গীতে বলা হয়েছে—– “মানুষ ভজ, মানুষ চিন্ত, মানুষ কর সার, সকলি মানুষের খেলা মানুষ বই নাই আর ।“ কর্তাভজা সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য দিক হলো এখানে হিন্দু গুরুর মুসলমান শিষ্য যেমন আছেন, তেমনি আছেন মুসলমান গুরুর হিন্দু শিষ্য । এই সম্প্রদায়ে নারী পুরুষ নেতৃত্ব নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা হয় না । এই কারণে গুরুদেবের ভূমিকায় নারী পুরুষ উভয়কেই দেখা যায় । একই ভাবে তাঁরা বাউল সম্প্রদায়ের মতো জাতিভেদ প্রথা মানেন না । দুলাল চাঁদের ভাবের গীতে তাই বলা হচ্ছে—- “ভেদ নাই মানুষে মানুষে, খেদ কেন ভাই এদেশে ।”
সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল নিদর্শন দেখতে পাওয়া যায় কর্তাভজা সম্প্রদায়ে । এ-বিষয়ে কবি নবীন চন্দ্র সেনের বক্তব্য অত্যন্ত প্রনিধানযোগ্য । তাঁর মতে, “কর্তাভজা সম্প্রদায়ে কোনো জাতিভেদ নেই । সকলেই এক রন্ধনশালার পাক গ্রহণ করেন । ছোঁয়াছুয়ির দোষ এদের কাছে মুখ্য নয় । মানুষ সেবা তাঁদের মুখ্য বিবেচ্য বিষয় ।“
কর্তাভজাদের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো গুরুদেবের পুত্র অযোগ্য হলে তাঁরা তাকে গুরু নির্বাচন করতে চান না । তাঁদের নিয়মাবলী নামক ভাবের গীতে এই প্রসঙ্গে অভিমত ব্যক্ত করে বলা হয়েছে কর্তাভজা সম্প্রদায়ের সাধন ভজন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখেন এমন ব্যক্তিই গুরুদেব হবার অধিকারী । এই জায়গায় কর্তাভজা সম্প্রদায় বর্ণবাদ এবং ব্রাহ্মণ্যবাদের কবল থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছেন ।
আজও কর্তাভজা সম্প্রদায়ের মধ্যে সতীমায়ের কৃপা পাওয়ার নিরিখে যথেষ্ট উন্মাদনা । তাঁদের মধ্যে সরল বিশ্বাস ও ভক্তি আজও উজ্জীবিত । যার জন্য দোল পূর্ণিমার দিন সতী মায়ের মেলায় হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে । এদেশ ছাড়া বাংলাদেশ থেকেও মেলাপ্রাঙ্গনে অনেক মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো । বাউলদের সমারোহ আলাদা মাধুর্যে ভরপুর থাকে কল্যাণীর সতী মায়ের মেলা । (তথ্যসূত্র: সংগৃহীত) ।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) গণহত্যা দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২৫৯ – বাইজান্টাইন সম্রাট আন্ড্রনিকস দ্বিতীয় পালাইওলগস।

১২৯৭ – বাইজান্টাইন আন্ড্রনিকস তৃতীয় পালাইওলগস সম্রাট।

১৮৫৭ – মহাকবি কায়কোবাদ।

১৮৮১ – হাঙ্গেরীয় পিয়ানোবাদক ও সুরকার বেলা বারটোক।

১৯০৬ – ইংরেজ ইতিহাসবিদ ও সাংবাদিক অ্যালান জন পার্সিভাল টেইলর।

১৯০৮ – ডেভিড লিন, ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯১৪ – নরম্যান বোরলাউগ, আমেরিকান কৃষি বিজ্ঞানী, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।

১৯১৯ – সুবোধকুমার চক্রবর্তী,রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত ভ্রমণকাহিনী লেখক।

১৯২০ – ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক পল স্কট।

১৯২১ – সিমন সিনিয়রে, ফরাসি অভিনেত্রী।

১৯২৪ – জাপানি অভিনেত্রী মাচিকো কিও।

১৯২৫ – গুণময় মান্না বাঙালি ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক।

১৯৪৭ – স্যার এলটন জন, ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও পিয়ানো বাদক।

১৯৪৮ – ভারতের অন্যতম চলচ্চিত্র অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক ফারুক শেখ।

১৯৬২ – আমেরিকান অভিনেত্রী মার্শা ক্রস।

১৯৬৫ – আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক ও প্রযোজক সারাহ জেসিকা পার্কার।

১৯৭৬ – ইউক্রেনীয় মুষ্টিযোদ্ধা ওলাডিমির ক্লিটসচক।

১৯৮৭ – নাইজেরিয়ান ফুটবলার ভিক্টর অবিনা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫০৫ – দেশে ফ্রানসিসকো দি আলমেইদা বাইশটি নৌযানের বহর নিয়ে ভারতে শক্তি সংহত করার জন্য পর্তুগাল থেকে যাত্রা করেন।

১৫৭০ – পোপ পঞ্চম পায়াম কর্তৃক ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথ ধর্মচ্যুত হন।

১৫৮৬ – সম্রাট আকবরের সভাকবি বীরবল নিহত হন।

১৬৩৪ – মেরিল্যান্ডে প্রথম বসতি স্থাপনকারীদের আগমন ঘটে।

১৮০৭ – ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দাসপ্রথা বিলোপ করে।

১৮৪৩ – টেমস নদীর বিখ্যাত সুড়ঙ্গ খোলা হয়।

১৮৬২ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়।

১৮৯৫ – ইতালীয় বাহিনী আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়া) দখল করে নেয়।

১৮৯৬ – আধুনিক অলিম্পিক ক্রীড়ার প্রথম স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।

১৮৯৮ – ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করায় স্বামী বিবেকানন্দ মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেলকে দীক্ষান্তে নিবেদিতা নামকরণ করেন।

১৯৫৭ – যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বিভাগ অশোভন বক্তব্যের অভিযোগ এনে অ্যালেন গিন্সবার্গের কবিতার কপি বাজেয়াপ্ত করে।

১৯৬১ – ব্রিটিশদের কাছ থেকে কুয়েত স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৯ – পাকিস্তানের একনায়ক আইয়ুব খান ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে নতুন সামরিক শাসন জারি হয়।

১৯৭১ – পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে বাঙালির উপর আক্রমণ শুরু করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৭১ – শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক গোবিন্দচন্দ্র দেব পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জ্যামাইকা।

১৯৭৫ – সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ তার ভ্রাতুস্পুত্র ফয়সাল বিন মুসাইদের গুলিতে রিয়াদের রাজপ্রাসাদে নিহত হন।

১৯৮৬ – গণঅভ্যুত্থানে বিশ বছরের অধিক ক্ষমতাসীন শাসক ফিলিপিনের মার্কোসের পতন ঘটে।

১৯৯৪ – হেবরনের ইস্রাহিম মসজিদে উগ্রপন্থী ইসরাইলিরা সেজদারত মুসল্লিদের ওপর গুলি চালালে ৬৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫শ’ জন আহত হয়।

২০০১ – মিশরের রাজধানী কায়রোতে ডি-৮-এর তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২৫ – ইতালীয় কবি ও লেখক গিয়াম্বাটিস্টা মেরিনো।

১৭৫৪ – একজন ইংরেজ কবি উইলিয়াম হ্যামিলটন।

১৮০১ – জার্মান কবি ও লেখক নোভালিশ।

১৯১৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি কবি ও সাহিত্যিক ফ্রেডেরিক মিস্ত্রাল।

১৯৫৫ – ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিকন্যা মোহিনী দেবী।

১৯৭৩ – লুক্সেমবার্গ বংশোদ্ভূত আমেরিকান ফটোগ্রাফার, চিত্রকর ও কিউরেটর এডওয়ার্ড স্টেইচেন।

১৯৭৫ – কিং ফয়সাল বিল আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের বাদশা।

১৯৭৬ – জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান চিত্রশিল্পী ও শিক্ষাবিদ জোসেফ আলবেরস।

২০১২ – ইতালীয় লেখক ও শিক্ষাবিদ আন্তোনিও এন্টোনিও টাবুচি।

২০২০ – নিমাই ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি আলোকচিত্রী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

প্রতি বছর ২৪ মার্চ যক্ষ্মা  দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ১৮৮২ সালের ২৪ মার্চ ডা. রবার্ট কক, যক্ষ্মা রোগের জীবাণু মাইক্রোব্যাটেরিয়াম টিউবারকিউলসিস আবিষ্কার করেন। যক্ষ্মা রোগের জীবাণু আবিষ্কারের ১০০ বছর পর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, জীবাণু আবিষ্কারের দিনটিকে স্মরণীয় করা ও যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ২৪ মার্চ বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত হচ্ছে।

 

যক্ষ্মা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য একটি দিন উৎসর্গ করা গুরুত্বপূর্ণ । কারণ এটি একটি পুরানো রোগ বলে মনে হলেও, বিশ্বের জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ এখনও এটিতে ভুগছে।

২০১৬ সালে, প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ টিবিতে সংক্রমিত হয়েছিল, সারা বিশ্বে ২ বিলিয়ন মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১.৭ মিলিয়নের টিবি-জনিত রোগে মৃত্যু হয়েছিল। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সারা বিশ্বের যক্ষ্মা সংক্রান্ত রিপোর্ট থেকে জানা যায়, এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাফল্য পেয়েছে ভারত।বিশ্বব্যাপী যক্ষ্মার প্রকোপ দূর করতে যক্ষ্মা দিবস  সচেতনতা সৃষ্টির সুযোগ আনে। এ দিবস  যক্ষ্মা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করে। সাম্প্রতিক সময়ে যক্ষ্মার সংক্রমণ ও যক্ষ্মারোগে মৃত্যুর ঘটনা প্রশংসনীয় হারে কমে এসেছে। ১৯৯০ সালের পর যক্ষ্মা রোগে নিহতের সংখ্যা ৪০ ভাগ কমে এসেছে। এখনও কমছে। দ্রুত যক্ষ্মা রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসার কারণে যক্ষ্মার প্রকোপ কমে আসছে। তবে এখনও যক্ষ্মা সারা বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

 

যক্ষ্মা বা যক্ষা (টিউবার্‌কিউলোসিস্‌ বা টিবি) একটি সংক্রামক রোগ যার কারণ মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস  নামের জীবাণু। “যক্ষ্মা” শব্দটা এসেছে “রাজক্ষয়” থেকে। ক্ষয় বলার কারণ এতে রোগীরা খুব শীর্ণ (রোগা) হয়ে পড়েন । যক্ষ্মা প্রায় যেকোনও অঙ্গে হতে পারে (ব্যতিক্রম কেবল হৃৎপিণ্ড, অগ্ন্যাশয়, ঐচ্ছিক পেশী ও থাইরয়েড গ্রন্থি)। যক্ষ্মা সবচেয়ে বেশী দেখা যায় ফুসফুসে। গরুর দুধ পাস্তুরায়ণ প্রচলনের আগে অন্ত্রেও অনেক বেশি হত।

একটি আশঙ্কাজনক তথ্য হচ্ছে, বিশ্বের ৪ ভাগের ১ ভাগ মানুষের শরীরে যক্ষ্মা রোগের জীবানু সুপ্ত থাকে। তার মানে হল ওই মানুষগুলো জীবানুতে আক্রান্ত। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা অসুস্থ হননি। এই আক্রান্তদের ৫-১৫ % শতাংশ  সারা জীবন ধরেই রোগের শিকার হবার আশঙ্কা থেকে যায়।

 

 

কারণ—

ডায়াবেটিসের রোগীদের মধ্যে যক্ষ্মা হওয়ার আশঙ্কা থাকে; ক্যান্সারও যক্ষ্মার অন্যতম কারণ; শরীরের কোনও অংশ ট্রান্সপ্লান্টের পর যে সমস্ত ওষুধ খাওয়া হয়, তার কারণেও যক্ষ্মায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়; পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব এই রোগের অন্যতম কারণ; যক্ষ্মা আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে এই রোগ হতে পারে; অধিক ধূমপান ও মাদকাসক্তিও যক্ষ্মার আর একটি কারণ।

 

লক্ষণ—

ফুসফুসে যক্ষ্মা হলে হাল্কা জ্বর ও কাশি হতে পারে। কাশির সঙ্গে গলার ভিতর থেকে থুতুতে রক্তও বেরোতে পারে। মুখ না ঢেকে কাশলে যক্ষ্মা সংক্রমণিত থুতুর ফোঁটা বাতাসে ছড়ায়। আলো-বাতাসহীন অস্বাস্থ্যকর বদ্ধ পরিবেশে মাইকোব্যাক্টেরিয়াম অনেকক্ষণ বেঁচে থাকে।
সাধারনত তিন সপ্তাহের বেশি কাশি, জ্বর, কাশির সাথে কফ এবং মাঝে মাঝে রক্ত বের হওয়া, ওজন কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি ফুসফুসের যক্ষার প্রধান উপসর্গ। যারা এইচ আইভি আক্রান্ত, অপুষ্টিতে ভোগে, ডায়বেটিস রয়েছে, অথবা যক্ষ্মা রোগীর সংস্পর্শে আসলে,তাদের অসুস্থ হবার সম্ভাবনা রয়েছে বেশি। থুতু নমুনা অণুবীক্ষণ যন্ত্র  দ্বারা যক্ষ্মার জীবানু রয়েছে কিনা, পরীক্ষা করা হয়। এছাড়া এক্সরে দ্বারা, জিন এক্সপার্ট মেশিন দিয়েও পরীক্ষা করা হয়।

নিরাময়ের কিছু ঘরোয়া উপচার—

কয়েকটি বিষয়ের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখলে এই রোগের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তার জন্য প্রয়োজন সঠিক সময় সঠিক পদক্ষেপ করা। চিকিৎসা না-করিয়ে ফেলে রাখলে এই রোগ উত্তোরত্তোর বৃদ্ধি পায়। সে ক্ষেত্রে কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যা যক্ষ্মা ধরা পড়ার প্রথম দিকে মেনে চললে, লাভ পাওয়া যেতে পারে।

রোজ সকালে দু-তিন কোয়া রসুন চিবিয়ে খান। এমন করলে যক্ষ্মার লক্ষণ কমে, মধু ও মাখন শরীরের ক্ষয় আটকায়; ১০০ গ্রাম মাখনে ২৫ গ্রাম মধু মিশিয়ে রোজ খান; খাবার খাওয়ার পর লবঙ্গের গুড়োয় মধু মিশিয়ে খেলে সুফল পেতে পারেন; ২৫০ গ্রাম দুধে অশ্বত্থ পাতা দিয়ে ফোটান; সকাল-সন্ধে সেই দুধ পান করুন;কলা যক্ষ্মা রোগীদের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; রসুনের রসের সঙ্গে আধ চামচ মধু মিশিয়ে খান,  রসুনের রস ফুসফুসকে মজবুত করে; যক্ষ্মা রুগীরা প্রতিদিন ১০০ বা ২০০ গ্রাম আঙুর খান।

 

 

যক্ষ্মা সম্পর্কে কিছু তথ্য—

 

অনেকেই জানেন না যে, যক্ষ্মা একটি নিরাময়যোগ্য রোগ। যা বছরের পর বছর ধরে সনাক্ত করা যায় না অনেক সময়। যা রোগীর জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ২০১১ সালে সারা পৃথিবীতে প্রায় ৮৭ লাখ মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মারা গেছে ১৪ লাখ। ৯৫ ভাগ মৃত্যু ঘটেছে গরিব ‍ও মধ্যআয়ের দেশসমূহে। গরিব শ্রেণির লোকেরা যক্ষ্মায় বেশি আক্রান্ত হয়েছে। তবে বায়ুবাহিত এ রোগ সব শ্রেণির মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

১৫-৪৪ বছর বয়সি নারীদের মৃত্যুর প্রধান তিনটি কারণের একটি যক্ষ্মা। ২০১১ সালে প্রায় পাঁচ লাখ শিশু যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে মারা গেছে ৬৪ হাজার।

চাই যক্ষ্মামুক্ত জীবন ২০১২-১৩ সাল ছিল যক্ষ্মাবিরোধী দ্বিবার্ষিক ক্যাম্পেন চালানো হয়েছিল গোটা পৃথিবীতে। ওই দু’ বছর দিবসটি পালনের জন্য ‘যক্ষ্মা মুক্ত জীবন চাই’কে স্লোগান হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল।

 

তাই প্রতি বছর যক্ষ্মা রোগের ক্ষতিকর দিক বিশেষ করে স্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিণতি সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই রোগটি নির্মূলে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৪১ – নবাব ওয়াকার-উল-মুলক মৌলভী, নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

 

১৮৬৩ – খ্যাতনামা আইনবিদ, রাজনীতিবিদ লর্ড সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহ ।

১৮৭৪ – বিশ্বের অন্যতম সেরা জাদুকর হ্যারি হুডিনি।

১৮৮৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই।

১৯০৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ আডল্ফ ফ্রিড্রিশ ইয়োহান বুটেনান্ডট।

 

১৯০৯ – বাঙালি কবি নিশিকান্ত রায় চৌধুরী।

১৯১৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী জন কেন্ড্রেও।

 

১৯২৫ – কাজী নূরুজ্জামান, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

১৯২৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক, সুরকার ও নাট্যকার ডারিও ফো।

 

১৯৩০ – আমেরিকান অভিনেতা স্টিভ ম্যাকুইন।

১৯৩৩ – অরুণকুমার বসু, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও কালজয়ী বাংলা গানের স্রষ্টা।

১৯৪৪ – সার্বীয় শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রধানমন্ত্রী ভজিস্লাভ কস্টুনিকা।

১৯৪৯ – শ্রীলংকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১৩ তম প্রধানমন্ত্রী রনীল শ্রীয়ান বিক্রমাসিংহে।

 

১৯৬০ – জার্মান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেত্রী নেনা।

১৯৬১ – ডিন জোন্স, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৬৫ – দ্য আন্ডারটেকার, মার্কিন পেশাদার কুস্তীগির।

১৯৭৩ – আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক জিম পারসন্স।

১৯৭৭ – জেসিকা চ্যাস্টেইন, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।

 

১৯৭৯ – গ্রেম সোয়ান, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৮৭ – সাকিব আল-হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অল-রাউন্ডার।

 

১৯৮৭ – ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রামিরেস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩০৭ – আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি মালিক কাফুর দেবগিরি দুর্গ দখল করেন।

১৩৫১: ফিরোজ শাহ তুঘলক দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৭৯৩: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ঘোষিত হয়।

১৮৬১: লন্ডনে প্রথম ট্রাম চলাচল শুরু হয়।

১৯০২ – বাংলায় অনুশীলন সমিতি গঠিত হয়।

১৯১৮ – জার্মান বাহিনী সোমে নদী অতিক্রম করে।

১৯৩৩ – এড্লফ হিটলার জার্মানির একনায়ক হন।

১৯৪০ – শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক উত্থাপিত লাহোর প্রস্তাব মুসলিম লীগের সভায় গৃহীত হয়।

১৯৪৬ – লর্ড লরেঞ্জের নেতৃত্বে ব্রিটিশ কেবিনেট মিশন ভারতে আসে।

১৯৪৮ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাষ্ট্রভাষা উর্দুর পক্ষে ভাষণ দিয়ে ছাত্রদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন।

১৯৫৬ – পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৭ – যুক্তরাষ্ট্র এবং কিউবা সরাসরি আলোচনা শুরু করে।

১৯৮২ – বাংলাদেশে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন।

১৯৯৯ – ন্যাটো যুগোশ্লাভিয়ার সার্বিয় সেনা অবস্থানের উপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬০৩ – প্রথম এলিজাবেথ, ইংল্যান্ডের রানী।

১৭৭০ – আশরাফ আলি খান (নবাব)

 

১৭৭৬ – ইংরেজ সূত্রধর ও ঘড়ি-নির্মাতা জন হ্যারিসন।

১৮৮২ – একজন মার্কিন হেনরি ওয়েডসওরর্থ লংফেলো।

 

১৮৯৯ – বিলি বার্নস, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৪ – একজন ইংরেজ কবি এডউইন আর্নল্ড।

 

১৯০৫ – জুল ভার্ন, ফরাসি লেখক।

১৯৪৬ – রাশিয়ান দাবাড়ু আলেকসান্দর আলেখিন।

১৯৫০ – ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হ্যারল্ড ল্যাস্কির।

১৯৭১ – রেডিসন ব্লু রয়েল হোটেল ও আর্ফস সিটি হলের পরিকল্পক আর্নি জাকবসেন।

২০০২ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্জেন্টিনার প্রাণরসায়নী সিজার মিলস্টেইন।

 

২০০৫ – ভি বালসারা ভারতীয় সঙ্গীতপরিচালক,আবহসঙ্গীতপরিচালক ও যন্ত্র সঙ্গীত শিল্পী।

২০১০ – রন হামেন্স, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

২০১৩ – নিউজিল্যান্ড লেখক বারবারা অ্যান্ডারসন।

২০২০ – বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র অন্যতম প্রযোজক, প্রখ্যাত নির্মাতা মতিউর রহমান পানু।

 

২০২২ – বাঙালি অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর উত্তর সিকিমের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি অদ্ভুত গ্রাম – লাচুং।

লাচুং, ভারতের উত্তর সিকিমের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি অদ্ভুত গ্রাম, ৯৬০০ ফুট উচ্চতায় গর্বিতভাবে দাঁড়িয়ে আছে, যা পর্যটকদের প্রকৃতির কোলে নির্মল পালানোর প্রস্তাব দেয়। শ্বাসরুদ্ধকর নৈসর্গিক সৌন্দর্যের বৈশিষ্ট্যযুক্ত এই গ্রামটি সিকিমের রুক্ষ ভূখণ্ডের মধ্যে একটি বিস্ময়। গ্যাংটক থেকে লাচুং পর্যন্ত যাত্রাটি নিজেই একটি দুঃসাহসিক কাজ, যেখানে প্রতিটি মোড়ে প্রকৃতির মহিমা ফুটে ওঠে, যা এর দর্শকদের কাছে একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

একটি দর্শনীয় যাত্রা শুরু—

লাচুং যাওয়ার রাস্তাটি প্রকৃতির প্রাণবন্ত রঙে আঁকা একটি ক্যানভাস। ভ্রমণকারীরা যখন ঘূর্ণায়মান পথ দিয়ে হেঁটে বেড়ায়, তারা আকাশে চুম্বন করার জন্য ছুঁয়ে আসা সুউচ্চ পাইন, ফার এবং বিভিন্ন ধরণের রডোডেনড্রনের বিস্ময়কর দৃশ্য দ্বারা স্বাগত জানায়। তিস্তা নদী, তার উপনদী লাচুং এবং লাচেন সহ, যাত্রায় একটি সুরেলা ছন্দ যোগ করে, এই পাহাড়ি গ্রামের শান্ত পরিবেশকে বাড়িয়ে তোলে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আচ্ছন্ন একটি গ্রাম—

লাচুং, এর কম জনসংখ্যা এবং ঘন বন, প্রকৃতির গ্যালারিতে একটি মাস্টারপিস সেট বলে মনে হয়। এই মনোরম গ্রামটি কেবল শান্তির সন্ধানকারীদের জন্য নয় বরং এর লুকানো ধন অন্বেষণ করতে আগ্রহী অভিযাত্রীদের জন্যও একটি আশ্রয়স্থল। স্থানীয় গালিচা বুনন কেন্দ্র এবং রহস্যময় গুহাগুলি আবিষ্কৃত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা সাংস্কৃতিক রত্নগুলির মধ্যে মাত্র কয়েকটি, যা গ্রামের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের আভাস দেয়।

ইউমথাং উপত্যকার প্রবেশদ্বার—

লাচুং-এ একটি বিশ্রামের রাতের পর, যাত্রা শুধুমাত্র ২৩ কিমি দূরে মনোমুগ্ধকর ইয়ুমথাং উপত্যকার দিকে চলতে থাকে। ১১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, ইয়ুমথাং উপত্যকা ঋতুর সাথে রূপান্তরিত হয়, শীতকালে একটি মুগ্ধকারী সাদা তুষারস্কেপ থেকে উষ্ণ মাসগুলিতে প্রবাহিত নীল নদীর দ্বারা বিছিয়ে সবুজের একটি সবুজ কার্পেটে। উপত্যকার প্রবেশদ্বারে একটি উষ্ণ প্রস্রবণের উপস্থিতি দর্শনার্থীদের জন্য একটি প্রাকৃতিক ট্রিট।

ইয়ুমথাং এর বাইরে অন্বেষণ—-

দু: সাহসিক কাজ Yumthang উপত্যকায় শেষ হয় না; ভ্রমণকারীরা ইউমেসামডং বা জিরো পয়েন্টে যেতে পারেন, ২৩ কিমি দূরে একটি শ্বাসরুদ্ধকর লোকেল। চীনা সীমান্তের নিকটবর্তীতা প্রবেশাধিকারকে সীমিত করে, তবে এই ১৫০০০ ফুট উচ্চতায় ভ্রমণটি অতুলনীয় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পুরস্কৃত হয়। লাচুং থেকে আরেকটি পথ ২৪ কিমি দূরে একটি বরফের রাজ্য কাতাওতে নিয়ে যায়, স্থানীয় ড্রাইভার এবং ট্যুর এজেন্টদের দ্বারা সাজানো বিশেষ পারমিটের মাধ্যমে অ্যাক্সেসযোগ্য।

মৌসুমি জাঁকজমক এবং অ্যাক্সেসযোগ্যতা—-

ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লাচুং এর তুষারময় ল্যান্ডস্কেপ এবং আবার এপ্রিল-মে মাসে যখন ‘ভ্যালি অফ ফ্লাওয়ারস’ ইয়ুমথাং উপত্যকায় রডোডেনড্রন, প্রাইমুলা এবং অন্যান্য ফুলে ফুল ফোটে। সবুজ উপত্যকা এবং নীল নদী, তুষার-ঢাকা পাহাড়ের বিপরীতে স্থাপন করা, সারা বছর দর্শকদের কাছে টানতে থাকে। গ্যাংটক থেকে লাচুং পর্যন্ত ভ্রমণ বিভিন্ন প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমে উপভোগ করা যেতে পারে, যা একটি নির্বিঘ্ন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

গ্যাংটক থেকে যাত্রা—

ভ্রমণকারীরা ২ রাত এবং ৩ দিন বা ৩ রাত এবং ৪ দিন স্থায়ী প্যাকেজ ট্যুরের মাধ্যমে গ্যাংটক থেকে লাচুং তাদের যাত্রা শুরু করতে পারে। এই প্যাকেজগুলি, ইউমথাং উপত্যকায় পরিদর্শনকে সামঞ্জস্যপূর্ণ, একটি সর্ব-সমেত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে, মূল্য যথেষ্ট। যাত্রাটি সাধারণত লাচুং জিপ স্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়, এমজি মার্গ থেকে নামমাত্র ভাড়া দিয়ে, সমস্ত অভিযাত্রীদের জন্য অ্যাক্সেসযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

লাচুং-এ থাকার ব্যবস্থা—-

লাচুং-এ থাকার ব্যবস্থা ট্যুর প্যাকেজের মধ্যেই দেওয়া হয়, আরামদায়ক থাকার জন্য হোটেলের বিকল্পগুলির একটি পরিসর দেওয়া হয়। লাচুং-এর নির্মল রাত শুধুমাত্র বিশ্রামেরই প্রতিশ্রুতি দেয় না বরং তারার আলোর নিচে গ্রামের শান্ত পরিবেশে এক নিমগ্ন অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয়।

উত্তর সিকিম অভিযাত্রীদের জন্য ভ্রমণ টিপস—-

লাচুং সহ উত্তর সিকিমে ভ্রমণকারী যাত্রীদের গ্যাংটক থেকে পারমিট সুরক্ষিত করতে হবে, যা যথাযথ ডকুমেন্টেশন সহ সহজেই পাওয়া যেতে পারে। উপযুক্ত ওষুধ দিয়ে উচ্চতার জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং ঝামেলা-মুক্ত পারমিট প্রক্রিয়ার জন্য স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্টদের সাথে জড়িত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই সতর্কতা সিকিমের উত্তরের ভান্ডারের একটি মসৃণ এবং উপভোগ্য অন্বেষণ নিশ্চিত করে।

উপসংহারে, লাচুং এর প্রাকৃতিক দৃশ্য, সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধি এবং ইয়ুমথাং উপত্যকা এবং তার বাইরের দুঃসাহসিক পথ সহ প্রকৃতির আলিঙ্গনে একটি পালানোর প্রস্তাব দেয়। এই গ্রামটি, তার আশেপাশের বিস্ময় সহ, সিকিমের রুক্ষ ভূখণ্ডে লুকিয়ে থাকা সৌন্দর্যের প্রমাণ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে, যা বিশ্বজুড়ে ভ্রমণকারীদের ইঙ্গিত করে। প্রশান্তি বা দুঃসাহসিকতার সন্ধান করা হোক না কেন, লাচুং এবং এর পরিবেশগুলি এমন অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয় যা শ্বাসরুদ্ধকর হিসাবে স্মরণীয়।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব আবহাওয়া দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৮০ – বাসন্তী দেবী বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের এক ব্যক্তিত্ব দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সহধর্মিণী।

১৮৮১ – হাকিম হাবিবুর রহমান, ব্রিটিশ বাংলার বিশিষ্ট চিকিৎসক, লেখক, রাজনীতিবিদ।

১৯০০ – জার্মান মনোবিজ্ঞানী এরিখ ফ্রোমের।

 

১৯০২ – চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ ছদ্মনামে খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক ।

১৯০৪ – জোন ক্রফোর্ড, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯০৬ – মরিস অলম, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস বংশোদ্ভূত ইতালীয় ফার্মাকোলজিস্ট ড্যানিয়েল বভেট।

১৯১০ – আকিরা কুরোসাওয়া, জাপানী চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯১৬ – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯২২ – ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার উগো টোগনাযি।

১৯৩১ – রাশিয়ান দাবাড়ু ও লেখক ভিক্টর কোরচনোই।

১৯৪২ – অস্ট্রিয়ান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার মাইকেল হানেকে।

১৯৪৭ – ওয়াসিম, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৫২ – রেক্স টিলারসন, মার্কিন ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী ও কূটনীতিক।

১৯৫৬ – পর্তুগিজ শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ১১৫ তম প্রধানমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল বারোসো।

১৯৬৮ – ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ফার্নান্দো রুইজ হিয়েরো।

১৯৭৩ – পোলিশ ফুটবলার জেরযয় ডুডেক।

 

১৯৭৬ – ভারতীয় অভিনেত্রী, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ ও মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।

১৯৭৮ – আর্জেন্টিনার ফুটবল ওয়াল্টার স্যামুয়েল।

১৯৮৫ – আশেক ইলাহী চৌধুরী আইমন (আর্টিস) বাংলাদেশী আর্ট শিল্পী

 

১৯৮৬ – কঙ্গনা রানাওয়াত, ভারতীয় অভিনেত্রী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৫১ – ফিরোজ শাহ তুঘলকের দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ।

১৬৫২ – হল্যান্ডের নৌ বাহিনীর উপর প্রচন্ড হামলা শুরু করে।

১৭৫৭ – রবার্ট ক্লাইভের চন্দননগর দখল।

১৭৯৩ – চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ঘোষিত হয়।

১৮০১ – রাশিয়ার জার প্রথম পল নিহত।

১৯১৭ – ভাইসরয় লর্ড চেমস ফোর্ড কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা।

১৯১৮ – জামার্ন বাহিনী তাদের নব নির্মিত কামানের সাহায্যে প্যারিসের উপর গোলাবর্ষণ করে।

১৯১৮ – লিথুনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২০ – গভর্নর জেনারেল কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুমোদন।

১৯৩৩ – এ্যাডলফ হিটলার জার্মানীর একনায়ক হন।

১৯৪০ – আবুল কাশেম ফজলুল হক নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

১৯৫৬ – পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গ্রহণ করা হয়।

১৯৬৬ – শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ছয় দফা প্রস্তাব আনুষ্ঠানিক ভাবে উত্থাপন করেন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বতসোয়ানা।

১৯৭৬ – নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত (মানবাধিকার) আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর।

১৯৯৮ – রুশ প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন কর্তৃক আকস্মিকভাবে তার মন্ত্রিসভা বরখাস্ত।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৮৭ – অ্যাংলো-আইরিশ মিশনারি সোসাইটির ধর্মযাজকেরা এবং নীল দর্পণ নাটকের ইংরাজী অনুবাদক জেমস লঙ।

১৯১০ – নাডার, ফরাসি ফটোগ্রাফার, সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৯১১- ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

 

১৯৩১ – (ক)  ভগৎ সিং, প্রসিদ্ধ বিপ্লবী শহীদ।

 

(খ ) সুখদেব থাপর, স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী শহীদ।

 

(গ) শিবরাম রাজগুরু,ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী শহীদ।

১৯৩৫ – ফ্লোরেন্স মুর, আমেরিকান অভিনেত্রী।

 

১৯৪৮ – বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ বেনী মাধক বড়ুয়া।

১৯৫৩ – ফরাসি চিত্রশিল্পী ও অঙ্কনশিল্পী রাউল ডুফয়।

 

১৯৬৫ – ভারতীয় মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী সুহাসিনী গঙ্গোপাধ্যায়।

১৯৯২ – ফ্রিড্‌রিখ হায়েক, অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ।

 

১৯৯৫ – শক্তি চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও লেখক।

 

২০০১ – প্রখ্যাত বাঙালি কবি, অনুবাদক ও ঔপন্যাসিক লোকনাথ ভট্টাচার্য।

২০০৭ – আমেরিকান গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক পল জোসেফ কোহেন ।

 

২০০৭ – সূর্যেন্দুবিকাশ করমহাপাত্র, বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী।

২০০৮ – শহীদুল জহির, বাংলাদেশি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

 

২০১১ – এলিজাবেথ টেলর, ব্রিটিশ-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

২০১২ – সোমালিয়ার রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট আব্দুলাহি ইউসুফ আহমেদ।

২০১৪ – স্প্যানিশ আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী অ্যাডলফ সুয়ারেজ।

২০১৫ – লি কুয়ান ইউ, আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক৷

 

২০১৯ – শাহনাজ রহমতুল্লাহ, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব জল দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১২ – ইংলিশ লেখক এডওয়ার্ড মূর।

 

১৮৫৭ – ফরাসি গণিতবিদ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৪ তম প্রেসিডেন্ট পল ডুমের।

 

১৮৬৮ – রবার্ট মিলিকান, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৮৮৩ – যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং গবেষক।

 

১৮৯৪ – ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাস্টারদা সূর্য সেন।

 

১৯১৮ – (ক)  অমিয়ভূষণ মজুমদার,বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

গিয়ানা রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট চেডি জাগান।

১৯২১ – ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার নিনো মানফ্রেডি।

 

১৯৩১ – উইলিয়াম শ্যাটনার, কানাডীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৩১ – বার্টন রিখটার, নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৮ – ইংরেজ পরিচালক ও সুরকার অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবের।

১৯৫৫ – লাটভিয়ার চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম সভাপতি ভাল্ডিস যাটলেরস।

 

১৯৭৬ – রিজ উইদারস্পুন, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৩৯ – নাদির শাহ্ ভারতের দিল্লি দখল করেন এবং শহরের মূল্যবান বস্তু লুটপাট করেন।

১৭৯৩ – বাংলা ও বিহারে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।

১৮২৪ – লন্ডনে ন্যাশনাল গ্যালারি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮২ – বহুগামিতা নিষিদ্ধ করে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস।

১৮৮৮ – ইংলিশ ফুটবল লীগ গঠিত হয়।

১৮৯৮ – অবিভক্ত ভারতে ফৌজদারি কার্যবিধি প্রবর্তন।

১৯০৪ – নিউইয়র্ক ইলাসট্রেটেড মিরর পত্রিকার মাধ্যমে পত্রিকায় বিশ্বের প্রথম রঙিন ছবি মুদ্রণের ঘটনা ঘটে।

১৯১২ – বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভেঙ্গে বিহার রাজ্য গঠিত হয়।

১৯৪২ – স্টাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে।

১৯৪৫ – কায়রো সনদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আরব লীগ গঠিত।

১৯৪৬ – জর্দানের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৪৭ – লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভাইসরয় পদে নিযুক্ত হয়ে ভারতে আসেন।

১৯৫৭ – ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা (১ লা চৈত্র,১৮৭৯) চালু হয়।

১৯৮২ – নাসার স্পেস-শাটল ‘কলম্বিয়া’ উৎক্ষেপণ করা হয় তৃতীয়বারের মতো।

১৯৮৫ – বিশ্বের ওজোন স্তর সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করা হয়।

২০০৪ – ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমদ ইয়াসিন ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় শহীদ হন।

২০১২ – এশিয়া কাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হারে বাংলাদেশ ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮৭ – ইতালীয় ফরাসি সুরকার ও কন্ডাকটর জাঁ-ব্যাপ্টিস্টে লুলয়।

১৮৩২ – ইয়োহান ভল্‌ফগাং ফন গোটে, জার্মান লেখক ও কবি।

 

১৯৫৫ – ভারতের শিল্প ও স্থাপত্যের ইতিহাসকার পার্সি ব্রাউন।

 

১৯৭৭ – কমিউনিস্ট নেতা এ কে গোপালন।

 

১৯৯৭ – পণ্ডিত প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়,প্রখ্যাত বাঙালি উচ্চাঙ্গ কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

 

২০০১ – আমেরিকান অ্যানিমেটর, পরিচালক, প্রযোজক, ভয়েস অভিনেতা ও হানা-বারবেরার সহ-প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম হানা।

২০০৪ – ফিলিস্তিনি আধ্যাত্মিক নেতা ও হামাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদ ইসমাইল হাসান ইয়াসিন।

২০০৫ – জাপানি আর্কিটেক্ট কেনযো টাঙ্গে।

 

২০১০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ জীববিজ্ঞানী ও ফার্মাকোলজিস্ট জেমস হোয়াইট ব্ল্যাক।

২০১৩ – কিউবান বংশোদ্ভূত সুইডিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার বেবো ভাল্ডেস।

 

২০২২ – বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব পুতুলনাট্য দিবস নিয়ে কিছু কথা।

বিশ্ব পুতুল দিবস 2024—–

বিশ্ব পাপেট্রি দিবস প্রতি বছর 21 মার্চ পালিত হয়। এ বছর আমরা বৃহস্পতিবার দিবসটি পালন করব।
এই দিনটি পুতুলশিল্পের জন্য উত্সর্গীকৃত এবং এটি সারা বিশ্বে বসবাসকারী পুতুলদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোরও একটি সুযোগ। বিশ্ব পুতুল দিবস প্রথম 2003 সালে ইউনিয়ন ইন্টারন্যাশনাল দে লা ম্যারিওনেট (UNIMA) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

বিশ্ব পুতুল দিবস 2024: ইতিহাস——

পুতুলের ইতিহাস 2500 খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিন্ধু উপত্যকা সভ্যতায় ফিরে পাওয়া যায়। প্রত্নতাত্ত্বিকদের দ্বারা বিচ্ছিন্ন মাথা সহ একটি পোড়ামাটির পুতুল পাওয়া গেছে। এই পুতুলটি একটি স্ট্রিং দ্বারা চালিত হতে সক্ষম ছিল এবং এটি একটি খুব জনপ্রিয় বিনোদন যা সাধারণ মানুষের জন্য সঞ্চালিত হয়েছিল।

মিশরে পুতুলের প্রথম প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণও পাওয়া গিয়েছিল 2000 খ্রিস্টপূর্বাব্দে। এই পুতুলগুলি কাঠের তৈরি এবং তারা স্ট্রিং দ্বারা পরিচালিত হত।
16 শতকে, ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ “পাঞ্চ এবং জুডি” পুতুলের উদ্ভব হয়েছিল ইতালীয় কমিডিয়া ডেল’আর্ট থেকে। পুতুলের এই রূপটি সাধারণ মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং 19 শতকের মধ্যে এটি বিকশিত হতে থাকে।

 

বিশ্ব পুতুল দিবস 2024: তাৎপর্য——-

বিশ্ব পুতুলশিল্প দিবস হল একটি বৈশ্বিক সম্প্রদায় হিসাবে পাপেট্রি শিল্পকে স্বীকৃতি দেওয়ার এবং বিশ্বজুড়ে পুতুলশিল্পের চর্চার বৈচিত্র্য উদযাপন করার একটি সুযোগ। এটি পুতুলের ঐতিহ্যবাহী ঐতিহ্য বজায় রাখার এবং রক্ষা করার গুরুত্বের প্রতি প্রতিফলিত করার একটি দিন।

এই দিনটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে পুতুলশিল্প সমস্ত ধরণের সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত বাধা অতিক্রম করে। এটি মানুষকে খুশি করে এবং তাদের দৈনন্দিন চাপ থেকে বিভ্রান্ত করে।

বিশ্ব পুতুল দিবস আমাদের শৈশবে ফিরিয়ে নিয়ে যায় যেখানে আমরা পুতুল এবং জড় বস্তুর সাথে খেলতাম এবং তাদের নাম দিয়েছিলাম। আমাদের মধ্যে থাকা শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এই দিনটি পালন করা উচিত।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব বন দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

প্রতি বছর ২১শে মার্চ পালিত হয়, বিশ্ব বন দিবস আমাদের গ্রহকে টিকিয়ে রাখতে বনের ভূমিকার একটি অনুস্মারক হিসাবে কাজ করে।  আমরা শ্বাস নিই বাতাসকে বিশুদ্ধ করা থেকে শুরু করে অগণিত প্রজাতির আবাসস্থল, বন শুধু ফুসফুস নয় পৃথিবীর অভিভাবক।  আমরা বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪-এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, আসুন আমরা এই বিশ্বব্যাপী ইভেন্টের তাৎপর্য এবং ইতিহাসকে আরও গভীরে ডুবে যাই।

 

বিশ্ব বন দিবস কি?

 

আপনি একটি নোটবুকে লিখুন, একটি বাড়ি তৈরি করুন বা আপনার প্রতিদিনের ওষুধ গ্রহণ করুন, এই সমস্ত কাজে বন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  তবুও, আমরা সবসময় এই কার্যকলাপ এবং বনের মধ্যে সংযোগ তৈরি করি না।  তাই, আমাদের জীবনে বনের অবদানকে স্মরণ করার জন্য ২১শে মার্চকে আন্তর্জাতিক বন দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
তদুপরি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বন উজাড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সাথে, বনের তাৎপর্য এবং কীভাবে তারা পৃথিবীতে জীবনচক্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে তা বোঝা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

 

বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪ থিম—-

 

বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪-এর থিম হল ‘বন এবং উদ্ভাবন: একটি উন্নত বিশ্বের জন্য নতুন সমাধান’ যেমন বনের উপর সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব (CPF) দ্বারা বেছে নেওয়া হয়েছে।  থিমটি উদ্ভাবনের জগতে এবং এর বিপরীতে বনভূমি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা প্রতিফলিত করে।  এটির লক্ষ্য হল যে চাপের চ্যালেঞ্জগুলিকে হাইলাইট করা যা বন সংরক্ষণ করা কঠিন করে তুলছে এবং বন সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারকে উন্নীত করার সমাধানগুলি।
তদুপরি, বিশ্ব বন দিবস 2023 এর থিম ছিল ‘বন এবং স্বাস্থ্য’ এবং এর লক্ষ্য ছিল আমাদের বিশুদ্ধ জল, বায়ু এবং খাদ্য সরবরাহে বনের ভূমিকার উপর আলোকপাত করা।

 

বিশ্ব বন দিবসের তাৎপর্য—-

 

বিশ্ব বন দিবসের তাৎপর্য এই যে এটি বিশ্বব্যাপী সম্প্রদায়, সরকার এবং সংস্থাগুলিকে বনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার সুযোগ দেয়।  যেহেতু বন বাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অগণিত উদ্ভিদ ও প্রাণী প্রজাতিকে সমর্থন করে, তাই তাদের অবদানের প্রশংসা করা গুরুত্বপূর্ণ।  দিনটি এবং বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪ এর থিম সম্পর্কে আরও জানতে পড়তে থাকুন।

 

আন্তর্জাতিক বন দিবসের ইতিহাস—-

 

বিশ্ব বন দিবসের শিকড়গুলি ১৯৭১ সালে ফিরে যায় যখন ইউরোপীয় কনফেডারেশন অফ এগ্রিকালচারের সাধারণ পরিষদ বন উদযাপনের জন্য বিশেষভাবে উত্সর্গীকৃত একটি দিবস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিল।  এইভাবে, ২১শে মার্চকে জাতিসংঘ কর্তৃক আন্তর্জাতিক বন দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  এছাড়াও, দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ এটি দক্ষিণ এবং উত্তর গোলার্ধে শরৎ এবং ভার্নাল ইকুইনক্সের সাথে মিলে যায়।

 

কিভাবে বিশ্ব বনায়ন দিবস ২০২৪ মন দিয়ে উদযাপন করবেন?

 

 

 

একটি গাছ লাগানোর চেয়ে আন্তর্জাতিক বন দিবস উদযাপনের ভাল উপায় আর কী হতে পারে?  আপনার স্থানীয় সম্প্রদায়ের বৃক্ষ রোপণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন বা আপনার বন্ধু এবং পরিবারের সাথে একটি বৃক্ষ রোপণ ইভেন্টের আয়োজন করুন।  এটি শুধুমাত্র বন পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে না কিন্তু আমাদের কার্বন পদচিহ্ন কমাতেও অবদান রাখে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This