Categories
রিভিউ

আজ ০১ এপ্রিল, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০১ এপ্রিল। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ১ এপ্রিল অনেক দেশে এপ্রিল ফুলস্ ডে বা অল ফুলস্ ডে হিসেবে পরিচিত।
(খ) জাতীয় বিমান বাহিনী দিবস (ভারত)।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৭৮ – উইলিয়াম হার্ভে, রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতির অন্যতম উদ্ভাবক।

 

১৮০৯ – নিকোলাই গোগোল, রুশ ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

 

১৮১৫ – জার্মানি পুনর্গঠনের অন্যতম পুরোধা অটো ফন বিসমার্ক।

 

১৮৬৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রীয় রসায়নবিদ রিচার্ড আডলফ জিগমন্ডি।

 

১৮৭০ – অতুলচন্দ্র সেন, বাঙালি লেখক।

১৯০৭ – চেক সঙ্গীত রচয়িতা আকাশবাণীর সিগনচার টিউন স্রষ্টা ওয়াল্টার কফম্যান।

১৯০৮ – আব্রাহাম মাসলো, মার্কিন মনোবিজ্ঞানী।

১৯১৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন শল্যবিদ জোসেফ এডওয়ার্ড মুর।

 

১৯২৯ – আবেদ হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার বাদক ও সুরকার।

১৯৩১ – চিকিৎসক, প্রাবন্ধিক ও কথাশিল্পী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা ।

১৯৩২ – রশিদ চৌধুরী, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।

১৯৩৩ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিদ ক্লোদ কহেন-টানউডজি।

 

১৯৩৬ – পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার জনক আবদুল কাদের খান।

১৯৪৭ – মার্কিন লেখক ফ্রান্সিন প্রোস।

১৯৫৩ – সাবেক ইতালীয় ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার আলবের্তো জ্যাকহেরনি।

১৯৭৬ – জাপানি টেনিস খেলোয়াড় ইয়ুকা ইয়োশিদা।

১৯৮৩ – ফ্রাংক রিবেরি, ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৮৫ – মার্কিন অভিনেতা জশ জাকারম্যান।

১৯৯৩ – বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার জাহানারা আলম।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৫৫ – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বর্ণপরিচয় এর প্রথম ভাগ প্রকাশিত হয়।

১৮৬৭ – সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৮৬৯ – এই সময়কালে ভারতে আয়কর চালু হয়।

১৮৬৯ – নদিয়া টাউন কমিটি নামে নবদ্বীপ পৌরসভা স্থাপিত হয়।

১৮৭৮ – কলকাতা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১২ – ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরিয়ে নেয়া হয়।

১৯৩৫ – ১৯৩৪ সালের ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক আইন বলে আজকের দিনে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক স্থাপিত হয়েছিল।

১৯৩৬ – ভারতে ওড়িশা রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৭ – ভারত আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৯ – স্পেনের গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।

১৯৪২ – ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র জনযুদ্ধ প্রকাশিত হয়।

১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপে আগ্রাসন শুরু করে।

১৯৫৭ –

অল ইন্ডিয়া এয়ার (AIR) এর অন্যতম নাম রাখা হয় আকাশবাণী।

ভারতে পুরাতন মুদ্রা (৬৪ পয়সায় এক টাকা) বহাল রেখে দশমিক মুদ্রা (১০০ পয়সায় এক টাকা) চালু হয়।

১৯৬০ – যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের প্রথম আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে।

১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের এই দিনে পাকিস্তানি সেনারা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় এক হাজার বাঙালিকে হত্যা করে।

১৯৭৯ – ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

১৯৯২ – বসনিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৯৭ – প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাস করে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বিল পাস করা হয়।

১৯৯৮ – জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পবিত্র ঈদুলফিতর ও ঈদুল-আজহা উপলক্ষে জাতিসংঘের স্টাফদের জন্য ২ দিনের ছুটি বাধ্যতামূলক করে।

২০০১ – নেদারল্যান্ডসে সমকামীদের মধ্যে বিয়ে বৈধ করা হয়। এটি প্রথম দেশ, যেখানে এই আইন প্রণয়ন করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬২১ – ইতালিয়ান চিত্রশিল্পী ক্রিস্টফানো আলোরি।

 

১৯৭৯ – মার্কিন অভিনেত্রী বারবারা লুডডয়।

 

১৯৮৩ – কবি ও সাংবাদিক হাসান হাফিজুর রহমান।

 

১৯৮৪ – ইংরেজ লেখক এলিজাবেথ গউডগে।

১৯৯৪ – ফরাসি ফটোগ্রাফার রবার্ট ডইস্নেয়াউ।

 

২০০০ – একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী এবং বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।

 

২০১২ – তুর্কি অভিনেতা একরাম বোরা।

২০১৩ – ইরানি অভিনেত্রী আসাল বাদিঈ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

৩১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৯৬ – রেনে দেকার্ত, ফরাসি দার্শনিক ও আধুনিক দর্শনের জনক, গণিতজ্ঞ, বিজ্ঞানী।

 

১৯১৪ – অক্তাবিও পাজ, সাহিত্যে নোবেলজয়ী (১৯৯০) ম্যাক্সিকান কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

 

১৭১৩ – ইউট্র্যাক্ট নগরের সন্ধির মাধ্যমে স্পেনীয় উত্তরাধিকার সংক্রান্ত মহাযুদ্ধের অবসান হয়।

১৭২৭ – ইংরেজ পদার্থ ও গণিতবিদ বিশ্বের প্রধানতম বিজ্ঞানীদের অন্যতম আইজ্যাক নিউটনের মৃত্যু।

১৭৭৪ – কলকাতায় পোস্ট মাস্টার জেনারেলের পদ সৃষ্টি করা হয়।

১৮০৭ – খিদিরপুর থেকে প্রথম বাষ্পচালিত ব্রিটিশ-ভারতীয় জাহাজ জলে ভাসানো হয়।

 

১৮২৪ – প্রথম ভারতীয় টাকশালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

 

১৮৮২ – কলকাতায় প্রথম টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয়।

 

১৮৮৯ – প্যারিসে আইফেল টাওয়ার উদ্বোধন করা হয়।

১৯২১ – মঙ্গোলিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৫৪ – জেনারেল গিয়াপের নেতৃত্বে ভিয়েত মীন নামে পরিচিত ভিয়েতনামের বাহিনী দিয়েন বিয়েন ফুতে ফরাসি বাহিনীকে অবরোধের সূচনা করে।

 

১৯৬৬ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন লুন টেন নামের প্রথম চন্দ্র প্রদক্ষিণকারী একটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।

 

১৯৭১ – সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদ সাবের নিহত হন।

১৯৭৯ – আরব লীগের সদস্যরা এই সংস্থায় মিশরের সদস্য পদ নাকচ করে দেয়।

১৯৭৯ – ইংল্যান্ডের রক্ষনশীল দলের এম.পি. এয়ারি নিভ কমন্সসভার বাইরে নিজ মোটর গাড়িতে বোমা বিস্ফোরনে প্রাণ হারান।

১৯৯১ – মধ্যরাতে ওয়ারশ জোট আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৩১ – জন ডান , ইংরেজ কবি।

 

১৬৬৩ – মোগল সেনাপতি মীর জুমলার প্রয়াত হন।

 

১৭২৭ – প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক আইজাক নিউটন।

 

১৯১৭ – এমিল ফন বেরিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী।

 

১৯৯১ – শিল্পপতি এ কে খান-এর মৃত্যু।

 

২০১৩ – ছোটদের বাংলা গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব চিকিৎসক দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং পালনের গুরুত্ব।

১৯৩৩ সালের ৩০ মার্চ জর্জিয়ার উইন্ডার ব্যার কাউন্টি অ্যালায়েন্স দিবসটি প্রথম উদযাপন করে। চিকিৎসকদের সম্মান জানাতে এই দিনটি উৎসর্গ করার ধারণা দেন ডা. চার্লস বি অ্যালমন্ডের স্ত্রী ইউডোরা ব্রাউন অ্যালমন্ড। চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিৎসক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

 

 

চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগীর সম্পর্ক হচ্ছে বিশ্ব চিকিৎসক দিবস এর অন্যতম উদ্দেশ্য।১৯৯০ সালে ৩০ অক্টোবর মার্কিন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশ (সিনিয়র) সেদেশে ৩০ মার্চকে জাতীয় ডাক্তার দিবস পালনের জন্য আইন পাস করেন। উদ্দেশ্য ছিল ডাক্তারি পেশাকে সম্মান জানানো। সেবা দিয়ে রোগীদের সারিয়ে তোলা এসব মহৎ মানুষদের কার্ড, ছোটো উপহার কিংবা সংবর্ধনা ইত্যাদি দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

 

 

মানুষের সেবা করার মতো মহৎ এই পেশাকে সম্মান জানাতে ১৯৩৩ সাল থেকে এই দিবস পালিত হচ্ছে। চিকিৎসক, সার্জনরা রোগীদের জন্য ২৪/৭ কাজ করেন। তাদের এই ত্যাগ এবং পরিশ্রমকে সম্মান জানাতে দিনটি উদযাপন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ১৮৪২ সালের ৩০ মার্চ শল্য চিকিৎসায় প্রথম ইথার অ্যানেস্থেসিয়া ব্যবহার করেছিলেন ডা. ক্রফোর্ড ডব্লিউ লং। ঘটনাটি স্মরণীয় করে রাখতে সেই দিনটিকেই তারা বেছে নিয়েছিলেন।

তবে ৩০ মার্চ বিশ্ব চিকিৎসক দিবস হলেও বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশ বছরের বিভিন্ন দিনে জাতীয় চিকিৎসক দিবস পালন করেন। তাদের দেশের একজন চিকিৎসককে উৎসর্গ করেন সেই দিনটিকে। স্পেন, কিউবা এবং আর্জেন্টিনায় ৩ ডিসেম্বর পালিত হয় চিকিৎসক দিবস। ডা. কার্লোস জুয়ান ফিনলের জন্মদিন উপলক্ষে পালিত হত দিনটি। তিনি মশাবাহিত ভাইরাস যে হলুদ জ্বরের কারণ সেটি আবিষ্কার করেছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ায় , বিভিন্ন তারিখ রয়েছে যেখানে জাতীয় ডাক্তার দিবস স্বীকৃত হতে পারে, সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণকারী ৩০ শে মার্চ ।

কুয়েতে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ৩ শে মার্চ পালিত হয়। কুয়েতি ব্যবসায়ী মহিলার জন্য এই উদযাপনের ধারণাটি এসেছিল; জাহরা সুলাইমান আল-মুসাভি। এবং তারিখটি তার কন্যা ডাঃ সুন্দুস আল-মাজিদির জন্মদিন হওয়ার কারণে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

ব্রাজিলে , জাতীয় ডাক্তার দিবস ১৮ অক্টোবর ছুটির দিন হিসাবে পালিত হয়, যেদিন ক্যাথলিক চার্চ সেন্ট লুকের জন্মদিন উদযাপন করে । চার্চের ঐতিহ্য অনুসারে প্রেরিত এবং ধর্মপ্রচারক সেন্ট লুক একজন ডাক্তার ছিলেন, যেমনটি নিউ টেস্টামেন্টে লেখা আছে।

জাতীয় চিকিত্সক দিবস ১ মে কানাডায় পালিত হয়। কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা কানাডায় অনুশীলন করা প্রথম মহিলা চিকিত্সক ডঃ এমিলি স্টো- এর স্বীকৃতির জন্য তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল । সিনেট পাবলিক বিল S-248 প্রণীত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটিকে স্বীকৃতি দেবে।

চাইনিজ ডাক্তার দিবস  [ zh ] বার্ষিক ১৯ আগস্ট চীনে একটি জাতীয় ছুটি হিসাবে পালিত হয় । তারিখটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং কমিশন (পিআরসি) দ্বারা ২০১৬ সালের চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য ও সুস্থতা সম্মেলনে নির্বাচিত হয়েছিল এবং ২০ নভেম্বর, ২০১৭-এ পিআরসি-এর স্টেট কাউন্সিল দ্বারা অনুমোদিত হয়েছিল ।

হরি ডক্টর ন্যাশনাল বা জাতীয় ডাক্তার দিবস প্রতি বছর ২৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় পালিত হয়। দিনটি ইন্দোনেশিয়ান ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন (আইডিআই) এর জন্মদিন উদযাপনের সাথেও চিহ্নিত।

ইরানে , আভিসেনার জন্মদিন (ইরানি মাস: শাহরিভার 1লা = আগস্ট ২৩) ডাক্তারদের জন্য জাতীয় দিবস হিসাবে স্মরণ করা হয় ।

মালয়েশিয়ায় , ডক্টর কানাগাসাবাই অনুসারে প্রতি বছর অক্টোবরের ১০ তারিখে ডাক্তার দিবস পালিত হয় । N. এটি প্রথম ২০১৪ সালে ফেডারেশন অফ প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার অ্যাসোসিয়েশন , মালয়েশিয়া দ্বারা চালু করা হয়েছিল ।

 

 

তুরস্কে , ১৯১৯ সাল থেকে প্রতি বছর ১৪ মার্চ মেডিসিন দিবস হিসেবে পালিত হয়।

ভিয়েতনাম ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৫৫ সালে ডাক্তার দিবস প্রতিষ্ঠা করে। দিবসটি ২৭ ফেব্রুয়ারি বা কখনও কখনও এই তারিখের কাছাকাছি তারিখে পালিত হয়।

 

 

১০ মার্চ ভেনেজুয়েলার ডাক্তার দিবস। এই দিনটি হোসে মারিয়া ভার্গাসকে সম্মান জানাতে বেছে নেওয়া হয়েছিল , যিনি শুধুমাত্র একজন অসামান্য চিকিত্সক ছিলেন না বরং ভেনেজুয়েলা প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতিও ছিলেন।

 

 

নেপাল ২০ ফাল্গুন (৪ মার্চ) নেপালী তারিখে নেপালী জাতীয় ডাক্তার দিবসও উদযাপন করে। নেপাল মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে নেপাল প্রতি বছর এই দিবসের আয়োজন করে আসছে। ডাক্তার-রোগীর যোগাযোগ, ক্লিনিকাল চিকিত্সা এবং সম্প্রদায়-ভিত্তিক স্বাস্থ্য প্রচার এবং যত্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

 

 

বাংলাদেশে জাতীয় চিকিৎসক দিবস পালিত হয় ২৪ অক্টোবর। ইরানে ২৩ অগাস্ট পালন করা হয় জাতীয় চিকিৎসক দিবস।

 

 

ভারতে এই দিনটি ১ জুলাই তারিখে কিংবদন্তি চিকিৎসক ও পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের (১ জুলাই, ১৮৮২ – ১ জুলাই, ১৯৬২) সম্মানার্থে পালন করা হয়। কিউবা তে ৩রা ডিসেম্বরে ও ইরানে ২৩এ অগাস্ট এই দিনটি পালন করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত সকল ব্যক্তিদের ভূমিকাকে সম্মান জানাতে জন্য ‘ চিকিৎসক দিবস’ পালন করা হয়। এদিন তাঁদের কাজ এবং দায়িত্বগুলি স্বীকৃতি দেওয়ার বিশেষ দিন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বোগান্ডা দিবস – সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক।

(খ) যুব দিবস – তাইওয়ান।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৯০ – জন টাইলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দশম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯২৭ – জন রবার্ট ভেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ ফার্মাকোলজিস্ট ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯২৯ – উৎপল দত্ত, বাঙালি অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক।

 

১৯৩৫ – বাঙালি গীতিকার, সুরকার ও প্রযোজক বীরেশ্বর সরকার।

 

১৯৩৯ – নভেরা আহমেদ, বাংলাদেশি ভাস্কর। (মৃ. ২০১৫)

১৯৪১ – জোসেফ হুটন টেইলর জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিদ।

১৯৫১ – শাফী ইমাম রুমী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম বীর মুক্তিযোদ্ধা ৷

১৯৬০ – অ্যানাবেলা সচিওরা শাইওরা, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৭৩ – মার্ক ওভারমার্স, ডাচ ফুটবলার।

 

১৯৮০ – ক্রিস ডি এলিয়া, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৮৪ – ফিলিপ হানা, ইংরেজ গায়ক।

১৯৯৪ – সুলি, দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৯৫ – পিয়ানো বাদক হিসেবে বেটোভেনের আত্মপ্রকাশ।

১৭৯৮ – সুইজারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।

১৭৯৯ – দাসপ্রথা উচ্ছেদে নিউ ইয়র্কে আইন পাস হয়।

১৮০৭ – জার্মান জ্যোর্তিবিদ উইলহেম অলবার্স ক্ষুদ্রতম গ্রহ ভেস্টা আবিষ্কার করেন।

১৮৪৯ – লর্ড ডালহৌসি সমগ্র পাঞ্জাবকে ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত করে ঘোষণাপত্র প্রচার করেন।

১৮৫৪ – ডিরোজিও শিষ্য রামগোপাল ঘোষ ভারতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করেন।

১৮৫৭ – ব্যারাকপুর সেনা ব্যারাকে মঙ্গল পান্ডে গুলি ছুড়ে সিপাহী বিদ্রোহের সূচনা করেন।

১৮৭১ – রানি ভিক্টোরিয়া লন্ডনের আলবার্ট হল উদ্বোধন করেন।

১৯২০ – ব্রিটিশবিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৭৩ – সর্বশেষ মার্কিন সেনাদলের ভিয়েতনাম ত্যাগ।

১৯৭৪ – চালকবিহীন মার্কিন নভো অনুসন্ধান যান মেরিনার টেন বুধ গ্রহ ভ্রমণ করে।

১৯৮৪ – আতাউর রহমান খান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত।

১৯৯১ – বিশ্বের প্রাচীনতম কমিউনিস্ট পার্টি ব্রিটেন কমিউনিস্ট পার্টির নাম বদলে ‘ডেমোক্র্যাটিক লেফট’ রাখা হয়।

২০১৫ – অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে একাদশ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়৷ নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়া ৫ম বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৭২ – ইমান্যুয়েল সুইডেনবার্গ, সুইডিস জ্যোতির্বিদ, দার্শনিক ।

 

১৯১২ – সুমেরু অভিযাত্রী রবার্ট স্কট।

 

১৯৪৮ – হ্যারি প্রাইস, ইংরেজ লেখক।

১৯৭০ – আন্না লউইসে স্ট্রং,আমেরিকান সাংবাদিক।

 

১৯৭১ – বাঙালি আইনজীবী সমাজকর্মী, ভাষা সৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

 

১৯৭৮ – ইবরাহীম খাঁ, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজ সংস্কারক।

 

১৯৮৭ – প্রখ্যাত বাঙালি সরোদশিল্পী তিমির বরণ ভট্টাচার্য।

১৯৮৯ – বার্নার্ড বলিয়ের, ফরাসি অভিনেতা।

২০০৫ – মিলতস সাছতউরিস,গ্রিক কবি।

 

২০০৫ – জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পী খালিদ হাসান মিলু।

২০০৯ – অ্যান্ডি হাল্লেত্ত, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

২০১১ – ইয়াকভস কাম্বানেলিস, গ্রিক কবি, নাট্যকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার ও ঔপন্যাসিক।

 

২০১৪ – মাক প্লাট, আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও নৃত্যশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

ঘুরে আসুন ভারতের পাঁচটি দর্শনীয় স্থান।

ভারতে বিভিন্ন গন্তব্যের আবাসস্থল, প্রতিটি ভ্রমণকারীদের জন্য অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর মধ্যে, পাঁচটি স্থান তাদের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং দুঃসাহসিকতার জন্য আলাদা, যা তাদের অবশ্যই দেখার জায়গা করে তোলে। কেরালার নির্মল ব্যাকওয়াটার থেকে শুরু করে কর্ণাটকের ঐতিহাসিক ধ্বংসাবশেষ পর্যন্ত, এই গন্তব্যগুলির প্রতিটি কী অফার করে তার এক ঝলক এখানে দেওয়া হল।

মেঘালয়: একটি প্রাকৃতিক স্বর্গ

মেঘালয়, উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য, প্রাচীন জলপ্রপাত, হ্রদ এবং নদী দ্বারা বেষ্টিত, এটি প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য একটি আশ্রয়স্থল। মেঘালয়ের সবুজ দৃশ্য, বিশেষ করে শিলং, চেরাপুঞ্জির লিভিং রুট ব্রিজ এবং ডাউকির স্বচ্ছ জলের মতো জায়গায় পর্যটকদের জন্য একটি বড় আকর্ষণ। এই অঞ্চলটি একটি অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি দেয় এর হাইকিং ট্রেইল এবং বোটিং সুযোগের সাথে।

কর্ণাটক: উপকূলীয় সৌন্দর্য এবং ঐতিহ্য

কর্ণাটক, তার উপকূলীয় পারিপার্শ্বিকতার জন্য পরিচিত, বর্ষা মৌসুমে মনোমুগ্ধকর। হাম্পির ইউনেস্কো হেরিটেজ সাইট সহ এই রাজ্যটি ঘুরে দেখার জন্য শীতের মাসগুলি আদর্শ। গোকর্ণ, মালপে এবং মুরুদেশ্বরের মতো সমুদ্র সৈকতগুলি সুস্বাদু সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগের পাশাপাশি একটি আনন্দদায়ক পালানোর সুযোগ দেয়।

পন্ডিচেরি: প্রাচ্যের ফ্রেঞ্চ রিভেরা

একবার ফরাসি উপনিবেশ, পন্ডিচেরিতে শীতকালীন ছুটির জন্য আদর্শ সুন্দর সৈকত রয়েছে। দর্শনার্থীরা সৈকতে সূর্যোদয়ের হাঁটা উপভোগ করতে পারেন বা শীতের অলস দিনে ককটেল দিয়ে আরাম করতে পারেন। শহরের মনোমুগ্ধকর ক্যাফে এবং রেস্তোরাঁগুলি, অরোভিলের শান্ত পরিবেশের সাথে, যারা শান্তি এবং বিশ্রাম চায় তাদের জন্য এটি একটি নিখুঁত গন্তব্য করে তোলে৷

রাজস্থান: আর্কিটেকচারাল মার্ভেলস এবং কালচারাল স্প্লেন্ডার

রাজস্থানের সৌন্দর্য কথায় বলা কঠিন, প্রতিটি শহরই অনন্য কিছু অফার করে। রাজ্যটি তার অত্যাশ্চর্য স্থাপত্য এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। উদয়পুরের মনোরম হ্রদ থেকে জয়সালমিরের সোনালি মরুভূমি পর্যন্ত, রাজস্থান শীতল মাসগুলিতে সবচেয়ে ভাল পরিদর্শন করা হয়। আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে জয়পুর, যোধপুর এবং উদয়পুরের রাজকীয় দুর্গ এবং প্রাসাদ, সেইসাথে জয়সালমিরের মরুভূমিতে ক্যাম্পিং এবং পুষ্করে হট এয়ার বেলুন রাইড।

কেরালা: নির্মল ব্যাকওয়াটার এবং লাশ ল্যান্ডস্কেপ

কেরালা, তার ব্যাকওয়াটার, সৈকত, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং মনোরম পাহাড়ের জন্য পরিচিত, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতের মাসগুলিতে ভ্রমণকারীদের জন্য একটি শীর্ষ বাছাই। রাজ্য হাউসবোটে রাইড, চা বাগানে হাঁটার এবং ঐতিহ্যবাহী কথাকলি নৃত্য পরিবেশনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ দেয়। ব্যাকওয়াটারের অ্যাডভেঞ্চার হোক বা পাহাড়ের প্রশান্তি, কেরালায় প্রত্যেকের জন্যই কিছু না কিছু আছে।

ভারতের এই গন্তব্যগুলি সংস্কৃতি, অ্যাডভেঞ্চার এবং বিশ্রামের একটি সমৃদ্ধ মিশ্রণের প্রতিশ্রুতি দেয়, যা দেশের বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য অন্বেষণ করতে চাওয়া ভ্রমণকারীদের জন্য আদর্শ করে তোলে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বিশ্ব থিয়েটার দিবস নিয়ে কিছু কথা।

প্রতি বছর ২৭ মার্চ বিশ্ব থিয়েটার পালিত হয়। থিয়েটার শুধুমাত্র বিনোদনই প্রদান করে না। এটি একটি শিল্প। পৃথিবীর আদিম কাল থেকেই মানুষের নিজের গল্প বলার তাগিদটা অদম্য। তাই থিয়েটারের মত সৃজনশীল মাধ্যমের অন্ত নেই। শিক্ষা প্রদান করতে ও অনুপ্রেরণা জোগাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থিয়েটার। থিয়েটারের ভূমিকা জনসমক্ষে তুলে ধরতেই হয় বিশ্ব থিয়েটার দিবস।আন্তর্জাতিক থিয়েটার ইন্সটিটিউটের দ্বারা ১৯৬১ সালে সর্বপ্ৰথম এই দিবসটির প্রচলন শুরু হয়েছিল।

 

ইতিহাস-‐–

 

আন্তর্জাতিক থিয়েটার ইন্সটিটিউট (আইটিই) কর্তৃক ১৯৬১ সালে বিশ্ব থিয়েটার দিবসের প্রবর্তন হয়। প্রতিবছর ২৭ মার্চ আইটিই কেন্দ্রসমূহ এবং আন্তর্জাতিক থিয়েটার কমিটি দিবসটি পালন করে। দিবসটি উদ্‌যাপন করতে বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চনাটক অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হয়। এর মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য একটি বিষয় হচ্ছে- এই দিবস উদ্‌যাপন লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক থিয়েটার ইন্সটিটিউটে একজন তারকা মঞ্চনাটকের মাধ্যমে, আইটিইর শান্তির সংস্কৃতি বিষয়ক এক বিশেষ বাৰ্তা প্রেরণ করে। প্ৰথম বিশ্ব থিয়েটার দিবসের আন্তর্জাতিক বাৰ্তা ১৯৬২ সালে ফ্রান্সের জিন কোকটিয়াও লিখেছিলেন। প্ৰথমে হেলসিঙ্কি এবং তারপর ভিয়েনায় ১৯৬১ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত আইটিইর নবম আলোচনাসভায় আন্তর্জাতিক থিয়েটার ইন্সটিটিউটের ফিনিশ কেন্দ্রের পক্ষে অধ্যক্ষ আর্ভি কিভিমায় বিশ্ব থিয়েটার দিবস উদ্‌যাপনের প্রস্তাব দেন। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান কেন্দ্রসমূহে এটাকে সমৰ্থন দেয়ার পরই দিবসটির বিশ্বব্যাপি প্রচলন শুরু হয়।

 

থিম—

 

বিশ্ব থিয়েটার দিবস উদযাপন এবং থিয়েটার শিল্পের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির একটি দিন। এটি করার জন্য, প্রতি বছর ২৭ মার্চ, বিগত ৫৯ বছর ধরে একটি থিম অনুসরণ করা হয়। বিশ্ব থিয়েটার দিবস ২০২৪-এর থিম হল “থিয়েটার এবং শান্তির সংস্কৃতি।” ITI প্রতি বছর বিশ্ব থিয়েটার দিবসের জন্য কোনো নির্দিষ্ট থিম নির্ধারণ করে না। প্রতি বছর, বিশ্ব থিয়েটার দিবসের প্রতিপাদ্য হল “থিয়েটার এবং শান্তির সংস্কৃতি”। অনেক উদযাপন আইটিআই কেন্দ্রে এবং বিশ্বজুড়ে মনোনীত স্থানে ঘটে এবং আইটিআই এই দিনটি উদযাপনকারী প্রত্যেককে তাদের প্রচারের জন্য তাদের সৃজনশীলতা ব্যবহার করতে উত্সাহিত করে।

 

বিশ্ব থিয়েটার দিবস ২০২৪: তাৎপর্য

 

এই বিশ্ব থিয়েটার দিবসের মূল লক্ষ্য হল থিয়েটারকে তার সমস্ত আকারে প্রচার করা, মানুষকে থিয়েটারের মূল্য সম্পর্কে সচেতন করা, থিয়েটার সম্প্রদায়গুলিকে তাদের কাজকে বৃহৎ পরিসরে প্রচার করতে সক্ষম করা, থিয়েটারকে এর সমস্ত রূপ উপভোগ করা এবং অন্যদের সাথে থিয়েটারের জন্য আনন্দ ভাগ করুন। বিশ্ব থিয়েটার দিবস আমাদের থিয়েটারের বিভিন্ন রূপ উদযাপন করার এবং আমাদের সমাজে তাদের তাত্পর্য উপলব্ধি করার সুযোগ দেয়। থিয়েটারের এই ফর্মগুলির মধ্যে অনেকগুলি শতাব্দী ধরে টিকে আছে, যখন কিছু সময়ের সাথে সাথে নতুন আকারে বিকশিত হয়েছে। যদিও কিছু অন্যদের চেয়ে বেশি বিখ্যাত, এই সমস্ত শিল্প ফর্ম শিক্ষা, বিনোদন, উদ্দীপনা এবং শিথিলকরণের জন্য অপরিহার্য। দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য হল থিয়েটারের মূল্য ও সৌন্দর্য সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। এই কারণেই আন্তর্জাতিক থিয়েটার সম্প্রদায় নাটক ও সঙ্গীতের প্রাচীন নৈপুণ্যকে উন্নীত করার জন্য প্রতি বছর পারফরম্যান্স, বক্তৃতা এবং পুরস্কার উপস্থাপনের পরিকল্পনা করে।

 

নাটক বা থিয়েটার সব সময় মানুষের মনে ও চেতনায় এক উচ্চ স্থান পেয়ে এসেছে। নাটক বলতেই আমাদের মনে আসে শেকসপিয়রের নাম। তাঁকে বলা হয় বিশ্বের অগ্রণী নাট্যকার। তবে নাটক মানে শুধু শেকসপিয়র নন, কালিদাস, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বাদল সরকার, বিজন ভট্টাচার্য, দীনবন্ধু মিত্রের মতো অনেকের নামই আসে। ভারত এমন একটি দেশ, সেখানে সব কিছুরই নিজস্ব রূপ আছে। গ্রীক ঘরানার নাটক নিজ গুণে কবেই ভারতের একান্ত হয়ে উঠেছে। সংস্কৃত সাহিত্যের শুদ্রক রচিত ‘মৃচ্ছকটিক’, কালিদাস রচিত ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’, ভবভূতির ‘উত্তর রামচরিত’ সেই নির্দশনই বহন করে চলেছে।

 

গুরুত্ব—

 

থিয়েটার হল এটি শিল্প রূপ। যা শুধু মাত্র বিনোদনই নয়। ব্যক্তিদের শিক্ষিত ও অনুপ্রাণিত করে।। নাটকের মাধ্যমে, থিয়েটার সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা আনে, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে উন্নীত করে এবং সহানুভূতি ও বোঝাপড়াকে উৎসাহিত করে। এটি ব্যক্তিদের তাদের দৃষ্টিভঙ্গি চ্যালেঞ্জ করে এবং কথোপকথন এবং আলোচনার জন্য একটি স্থান প্রদান করে সমালোচনামূলক চিন্তার দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করে।

 

উপসংহার—

 

থিয়েটার, একটি নির্দিষ্ট স্থানে বা  মঞ্চে, লাইভ দর্শক, লাইভ  অভিনয়, অভিনেতা ও অভিনেত্রীর মাধ্যমে প্রকৃত অভিজ্ঞতা লাভ করার, সমন্বিত শিল্প। তাই সিনেমা বা সিরিয়াল কখনই থিয়েটারের জায়গা নিতে পারেনি। বলা হয় একজন থিয়েটার অভিনেতা এতটা দক্ষ হন, যে সব মাধ্যমেই তিনি মানানসই। আজ বিশ্ব থিয়েটার দিবস সব নাট্য শিল্পীদের কাছে বিশেষ আনন্দের। বিভিন্ন নাটকের মাধ্যমে এই দিনটি পালন করা হয়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৬২ – আরিস্টিডে ব্রিয়ান্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রাজনীতিবিদ ও সবেক ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী।

১৮৬৮ – রুশ, সোভিয়েত লেখক, সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদী সাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা মাক্সিম গোর্কি।

 

১৯০৭ – প্রগতিশীল লেখক ও বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সত্যেন সেন।

 

১৯০৯ – বিশিষ্ট রবীন্দ্র সঙ্গীত ও নজরুলগীতি শিল্পী সন্তোষ সেনগুপ্ত।

 

১৯২৭ – বীণা মজুমদার, নারীবাদী ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩০ – (ক) মীরা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি ধ্রুপদী কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

 

(খ) জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৩৬ – মারিও বার্গাস ইয়োসা, নোবেলজয়ী পেরুর লেখক।

 

১৯৩৭ – ড.পবিত্র সরকার, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

 

১৯৪৯ – লেসলি ভ্যালিয়ান্ট, খ্যাতিমান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

 

১৯৬৮ – নাসের হুসেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯৭৫ – অক্ষয় খান্না, ভারতীয় অভিনেতা।

 

১৯৭৯ – শাকিব খান, একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, গায়ক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮০০ – আইরিশ পার্লামেন্টে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সংযুক্তির আইন অনুমোদিত হয়।

১৮০৯ – ব্যাটল অব মেডেলিনে ফ্রান্স স্পেনকে পরাজিত করে।

১৮৫৪ – ব্রিটেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে ক্রিমিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৩০ – কনস্টান্টিনোপলের নাম ইস্তাম্বুল ও অ্যাঙ্গোরার নাম আঙ্কারা করা হয়।

১৯৩৯ – প্রায় তিন বছর যুদ্ধের পর স্পেনের গৃহযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।

১৯৪১ – সুভাষচন্দ্র বসু গোপন সাবমেরিন যাত্রা শেষে বার্লিন পৌঁছান।

১৯৪২ – রাসবিহারী বসু জাপানের টোকিওতে ভারত স্বাধীন করার আহ্বান জানিয়ে ভাষণ দেন। তিনি ভারতের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী নেতা ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় তাইওয়ান।

১৯৭৩ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় লেবানন।

১৯৭৪ – আজকের দিনে বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

২০০১ – দিনটিতে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ কিয়োটো প্রোটোকল থেকে মার্কিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন।

২০১০ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল রবি আজিয়াটা কোম্পানি নামে আত্মপ্রকাশ করে।

২০১৯ – ঢাকার বনানীতে এফআর টাওয়ারে আগুন লেগে ২৫ জন নিহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১৭ – আলবার্ট পিংকহ্যাম রাইডার, আমেরিকান চিত্রশিল্পী।

 

১৯৪১ – ইংরাজী ভাষার সাহিত্যিক ভার্জিনিয়া উল্‌ফ।

 

১৯৬৯ – ডোয়াইট্‌ ডি. আইজেনহাওয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৮৫ – মার্ক শাগাল, রুশ চিত্রশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৭ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বিশ্ব থিয়েটার দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮৫ – ফ্রান্সের রাজা সপ্তদশ লুই।

১৮৪৫ – ভিলহেল্ম কনরাড র‌ন্টগেন, জার্মান পদার্থবিদ।

 

১৮৪৭ – অটো ভালাখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬৩ – মোটর গাড়ির নকশাকার প্রনেতা স্যার ফ্রেডরিখ হেনরি রয়েস।

 

১৮৭১ – জার্মান লেখক ও কবি হাইনরিখ মান।

১৮৯৯ – গ্লোরিয়া সোয়ানসন, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

 

১৯০১ – এইসাকু সাতো, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রাজনীতিবিদ ও ৬১ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯১২ – জেমস ক্যালাহান, ইংরেজ লেফটেন্যান্ট, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯১৭ – (ক)  কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও শিশু সাহিত্যিক।

 

(খ( ) নবেন্দু ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৪১ – স্লোভাকিয়া আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট ইভান গাস্পারভিক।

১৯৪২ – জন এডওয়ার্ড সালস্টন, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ জীববিজ্ঞানী।

 

১৯৬০ – মল্লিকা সেনগুপ্ত, বাঙ্গালী কবি ও সমাজকর্মী।

১৯৬৩ – কোয়েন্টিন টারান্টিনো, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অভিনেতা।

১৯৭২ – জিমি ফ্লয়েড হ্যাসেলবেইংক্‌, হল্যান্ডের একজন কৃতি ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৭ – রাশিয়ান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী পলিনা গ্যাগারিন।

 

১৯৮৮ – আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা ব্রেন্ডা সং।

১৯৮৮ – জাপানি ফুটবলার আটসুটো উচিদা।

১৯৯০ – নেসার বারাযাইত, নেদারল্যান্ড এর পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৬৬৮ – বোম্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে।

১৭৮২- দ্বিতীয় রকিংহ্যাম মন্ত্রণালয় ব্রিটেনে অফিস গ্রহণ করে এবং আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের জন্য আলোচনা শুরু করে।

১৭৯৪ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার স্থায়ী নৌবাহিনী স্থাপন করে এবং ছয়টি ফ্রিগেটের বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেয়।

১৮০৯- উপদ্বীপ যুদ্ধ: সিউদাদ রিয়েলের যুদ্ধে একটি সংযুক্ত ফ্রাঙ্কো-পোলিশ বাহিনী স্প্যানিশদের পরাজিত করেছিল।

১৮১৪ – ১৮১২ এর যুদ্ধ: সেন্ট্রাল আলাবামায়, জেনারেল অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের নেতৃত্বে মার্কিন বাহিনী হর্সশি বেন্ডের যুদ্ধে ক্রিককে পরাস্ত করেছিল।

১৮৯৯ – মেরিলাও নদীর যুদ্ধে ফিলিপাইন-আমেরিকান যুদ্ধের সময় এমিলিও আগুইনাল্ডো একমাত্র ফিলিপিনো বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

১৯১৫- যুক্তরাষ্ট্রে চিহ্নিত প্রথম রোগের স্বাস্থ্যকর ক্যারিয়ার টাইফয়েড মেরিকে দ্বিতীয়বারের জন্য পৃথকীকরণ করা হয়, যেখানে তিনি তার সারাজীবন থাকতেন।

১৯১৮ – বেসারাবিয়া জাতীয় কাউন্সিল রোমানিয়ার কিংডমের সাথে ইউনিয়নের ঘোষণা দেয়।

১৯১৯ – আমানুল্লাহ কর্তৃক আফগানিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

১৯৩৮- দ্বিতীয় চীন-জাপানিজ যুদ্ধ: তাইয়েরজুয়াংয়ের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, বেশ কয়েক সপ্তাহ পরে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম বড় জয় লাভ করেছিল major

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: যুগোস্লাভ এয়ার ফোর্সের আধিকারিকরা একটি রক্তহীন অভ্যুত্থানে সরকারপন্থী অ্যাকসিস সরকারকে পরাস্ত করেছিলেন।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: কোমন্ডারস্কি দ্বীপপুঞ্জের যুদ্ধ: আলেউটিয়ান দ্বীপপুঞ্জে যুদ্ধ শুরু হয় যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী জাপানিদের কিস্কায় একটি চৌকি জোরদার করার প্রচেষ্টা জাপানিদের বাধা দেয়।

১৯৪৫ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: অপারেশন স্টারভেশন, জাপানের বন্দর ও নৌপথের বিমান খনন শুরু হয়। অ্যাক্সিস পাওয়ার্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে আর্জেন্টিনা।

১৯৬৮ – রুশ নভোচারী, তিনি ছিলেন মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্য প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। ১৯৬৯ – মেরিনার ৭ উদ্বোধন করা হয়।

১৯৭১ – চট্টগ্রামের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবের পক্ষে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।

১৯৯৮- খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহারের জন্য ভায়াগ্রাটিকে অনুমোদন দেয়, যুক্তরাষ্ট্রে এই শর্তটির জন্য অনুমোদিত প্রথম বড়ি।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮৯৮ – শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারক স্যার সৈয়দ আহমদ।

 

১৯১৮ – হেনরি অ্যাডাম্‌স, একজন মার্কিন ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক।

১৯৪৪ – লোকগীতি সংগ্রাহক ও কবি আশুতোষ চৌধুরী।

 

১৯৬৬ – পান্নালাল ভট্টাচার্য প্রখ্যাত বাঙালি শ্যামাসঙ্গীত শিল্পী।

১৯৬৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক রসায়নবিদ জারস্লাভ হেয়রোভস্ক্যা।

১৯৬৮ – ইউরি গ্যাগারিন, রুশ নভোচারী, মহাকাশচারী প্রথম ব্যক্তি প্রশিক্ষনের সময় বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন।

 

১৯৭১ – জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী।

১৯৭২ – এম. সি. এশ্যর, একজন ওলন্দাজ চিত্রলেখ শিল্পী।

 

১৯৭৩ – ভূপতি মজুমদার স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা।

১৯৮২ – ফজলুর রহমান খান, বাংলাদেশের বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী।

১৯৮৬ – আবদুল হাই আরিফী, আশরাফ আলী থানভীর শিষ্য।

 

১৯৮৯ – শান্তি ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী।

২০০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ পল ক্রিশ্চিয়ান লতেরবার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৬ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (১৯৭১)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৯৩ – ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়, ডি.জি. নামে পরিচিত বাংলা সিনেমা জগতের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৯০৭ – মহাদেবী বর্মা, হিন্দি ভাষার ছায়াবাদ ঘরানার কবি।

 

১৯১৩ – পল এর্ডশ, অতিপ্রজ (prolific) হাঙ্গেরীয় গণিতবিদ।

 

১৯২৬ – খালেক নওয়াজ খান, ভাষাসৈনিক ও বাঙালি রাজনীতিবিদ, পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

 

১৯৩১ – লিওনার্ড নিময়, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৪১ – রিচার্ড ডকিন্স, ইংরেজ বিবর্তনবাদ বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান লেখক।

 

১৯৭৩ – লরেন্স “ল্যারি” পেইজ মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ইন্টারনেট উদ্যোক্তা এবং গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৭৪ – কলকাতায় হাই কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৭১ – প্যারি কমিউন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৫ – নিউইয়র্কে বাণিজ্যিকভাবে চলচ্চিত্রের জন্যে ফিল্ম প্রস্তুত শুরু।

১৯৪৮ – পশ্চিমবঙ্গে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি বেআইনি ঘোষিত।

১৯৫২ – জুমো কেনিয়াত্তার নেতৃত্বে কেনিয়ায় ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরু হয়।

১৯৫৩ – যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসাবিদ এবং চিকিৎসা গবেষক ডা. জোনাস সাল্ক ঘোষণা করেন তিনি পোলিও রোগের টিকা নিয়ে পরীক্ষায় সফল হয়েছেন।

১৯৭১ – বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭২ – বাংলাদেশ প্রথম স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন করে।

১৯৭৯ – মিসরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যস্থতা একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন।

১৯৯২ – বাংলাদেশ-ভারত ৩ বিঘা নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৬ – সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল পাস।

১৯৯৭ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন কার্যক্রম শুরু করে।

১৯৯৭ – সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ব্যাপক আয়োজনে বহুল আলোচিত শিখা চিরন্তন স্থাপন।

১৯৯৮ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল (বর্তমানে রবি) চট্টগ্রামে সেবাদান কার্যক্রম শুরু করে।

২০১৫ – গুগল অনুবাদে বাংলা ভাষার সাত লাখ শব্দ যোগ করে রেকর্ড সৃষ্টি ৷

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮২৭ – লুড‌উইগ ভ্যান বেইটোভেন, জার্মান সুরকার এবং পিয়ানো বাদক।

 

১৯৭১ – অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য, বাঙালি শিক্ষাবিদ।

 

১৯৭১ – আতাউর রহমান খান খাদিম, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ।

 

১৯৭১ – গোবিন্দ চন্দ্র দেব, বাংলাদেশী বুদ্ধিজীবী।

 

১৯৯৯ – আনন্দ শঙ্কর, প্রখ্যাত সুরস্রষ্টা ও অর্কেস্ট্রাবাদক।

 

২০০৯ – গোবিন্দগোপাল মুখোপাধ্যায়, মহামহোপাধ্যায় উপাধি ও রাষ্ট্রপতি সম্মানে ভূষিত সংগীত শিল্পী।

 

২০১৫ – টমাস ট্রান্সট্রোমার, নোবেল বিজয়ী সুয়েডীয় কবি ও অনুবাদক।

২০১৫ – ফ্রেড রবশাহম, নরওয়ের চলচ্চিত্র অভিনেতা।

২০১৫ – ইয়ান মইয়ার, স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ঘুরে আসুন  পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির।

ঘুরতে কে না ভালোবাসে। বিশেষ করে বাঙালিরা সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ে ভ্রমনের নেশায়। কেউ পাহাড়, কেউ সমুদ্র আবার কেউ প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থান ভালোবাসে ভ্রমণ করতে। প্রকৃতি কত কিছুই না আমাদের জন্য সাজিয়ে রেখেছে। কতটুকুই বা আমরা দেখেছি। এ বিশাল পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুই দেখিনি। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় আজ গোটা পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়় এলেও প্রকৃতিকে চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করা এ এক আলাদা রোমাঞ্চ, আলাদা অনুভূতি যার রেষ হৃদয়ের মনিকোঠায় থেকে যায় চিরকাল।।

তাইতো আজও মানুষ বেরিয়ে পড়়ে প্রকৃতির কে গায়ে মেখে রোমাঞ্চিত হওয়ার নেশায়। কেউ চায় বিদেশে ভ্রমণে, আবার কেউ চায় দেশের বিভিন্ন স্থান ভ্রমণে। এমনি এক ভ্রমণ এর জায়গা হলো পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির।

 

স্বর্ণ মন্দির, যা শ্রী হরমন্দির সাহেব নামেও পরিচিত, পাঞ্জাবের অমৃতসরে আধ্যাত্মিকতা এবং ঐক্যের আলোকবর্তিকা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এই শ্রদ্ধেয় স্থানটি, 16 শতকে চতুর্থ শিখ গুরু গুরু রাম দাস দ্বারা সূচিত এবং 1604 খ্রিস্টাব্দে গুরু অর্জন দেব দ্বারা সম্পন্ন করা হয়েছিল, এটি একটি সম্মানিত মুসলিম সাধক হযরত মিয়াঁ মীর কর্তৃক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের সাথে অন্তর্ভুক্তির প্রতীক। মন্দিরটি কেবল বিভিন্ন কোণ থেকে অনুগামীদেরই আকর্ষণ করে না বরং এর স্থাপত্য, আচার-অনুষ্ঠান এবং ল্যাঙ্গার পরিষেবার মাধ্যমে শিখ ধর্মের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকেও প্রদর্শন করে।

সর্বোত্তম পরিদর্শন সময়কাল–

অক্টোবর এবং মার্চের মধ্যে আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেওয়া হয় যখন আবহাওয়া মনোরম হয়, 10°C থেকে 25°C পর্যন্ত। এই সময়টি নভেম্বরে গুরু নানক জয়ন্তী, এপ্রিলে বৈশাখী এবং অক্টোবর এবং নভেম্বরের মধ্যে দীপাবলির মতো উল্লেখযোগ্য উত্সবগুলির সাথেও মিলিত হয়, যা একটি অনন্য সাংস্কৃতিক নিমজ্জন প্রদান করে।

স্বর্ণ মন্দিরের অনন্য দিক–

অমৃত সরোবর দ্বারা বেষ্টিত, মন্দিরটি আধ্যাত্মিক শুদ্ধির জন্য একটি স্থান হিসাবে কাজ করে। এর ল্যাঙ্গার, একটি সম্প্রদায়ের রান্নাঘর, দর্শকদের বিনামূল্যে খাবার সরবরাহ করে, সমতা এবং নিঃস্বার্থতার নীতিগুলি তুলে ধরে। গোল্ডেন টেম্পল বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে বড় বিনামূল্যের রান্নাঘরের একটি হিসেবে বিখ্যাত, শিখ ঐতিহ্যের নম্রতার ওপর জোর দেয়।

প্রস্তাবিত সেবাসমূহ—

দর্শনার্থীরা দর্শনের মাধ্যমে মন্দিরের সৌন্দর্য অনুভব করতে পারেন, লঙ্গরে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং অখন্ডপাঠের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। কীর্তন সঙ্গীত আধ্যাত্মিক পরিবেশকে উন্নত করে, যখন প্রসাদ বিতরণ ঐশ্বরিক কৃপাকে চিহ্নিত করে। অতিরিক্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা সহায়তা, হুইলচেয়ার সমর্থন, এবং বিনামূল্যে পানীয় জল, সকলের জন্য আরামদায়ক পরিদর্শন নিশ্চিত করা।

আরতি অনুষ্ঠান—

দরবার সাহেবের মধ্যে সকাল এবং সন্ধ্যায় দৈনিক আরতিতে যোগদান একটি নিমগ্ন অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর জমকালো সাজসজ্জার সাথে, অনুষ্ঠানটি উপস্থিতদের ভক্তি ও শ্রদ্ধায় আচ্ছন্ন করে, একটি উল্লেখযোগ্য আধ্যাত্মিক ব্যস্ততা চিহ্নিত করে।

কাছাকাছি আকর্ষণ—-

অমৃতসর, স্বর্ণ মন্দিরের আবাসস্থল, জালিয়ানওয়ালা বাগ, পার্টিশন মিউজিয়াম, দুর্গিয়ানা মন্দির, মহারাজা রঞ্জিত সিং মিউজিয়াম, রাম বাগ গার্ডেন, খালসা কলেজ, গোবিন্দগড় ফোর্ট, অকাল তখত এবং মাতা লাল দেবী মন্দির সহ অন্বেষণ করার মতো বেশ কয়েকটি পর্যটন স্পট রয়েছে। এই সাইটগুলি এই অঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির একটি আভাস দেয়।

গোল্ডেন টেম্পল কেবল শিখ বিশ্বাস এবং ঐতিহ্যের প্রতীক নয় বরং মানবতা, ঐক্য এবং নিঃস্বার্থতার চিরন্তন চেতনার প্রমাণ হিসেবেও দাঁড়িয়ে আছে। এর অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি এবং পরিষেবাগুলি দর্শনার্থীদের আধ্যাত্মিক এবং শারীরিক সুস্থতার জন্য পূরণ করে, এটিকে ভারতে অবশ্যই একটি পবিত্র ল্যান্ডমার্কে পরিদর্শন করতে হবে৷

Share This