Categories
রিভিউ

আজ ৩ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক CEDAW দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৫ – কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসন, মার্কিন পরীক্ষণমূলক পদার্থবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯০৫ – জন মিলস, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৯২৬ – মহানায়ক উত্তম কুমার,ভারতীয় সংস্কৃতির সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা।

১৯৩৭ – তপেন চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা।

১৯৪০ – পলিন কলিন্স, ইংরেজ অভিনেত্রী, নাইটহুড প্রাপক।

১৯৪৩ – ভ্যালেরি পেরিন, মার্কিন অভিনেত্রী ও মডেল।

১৯৪৪ – জিওফ আর্নল্ড, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৭১ – কিরণ দেসাই, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন সাহিত্যিক, ম্যান বুকার পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৭৯ – হুলিও সিজার, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৯০ – পল স্টার্লিং, আয়ারল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৮৫৬ – মার্কিন স্থপতি লুইস হেনরি সালিভ্যান।

১৮৬৪ – ব্রজেন্দ্রনাথ শীল,ভারতীয় বাঙালি দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও আচার্য।

১৮৯৮ – আবুল মনসুর আহমেদ, বাংলাদেশী সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক।

১৮৯৯ – ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট, অস্ট্রেলীয় জীববিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – বেলફાস্টে, প্রোটেস্ট্যান্ট অনুগতরা মেয়েদের ক্যাথলিক প্রাথমিক বিদ্যালয় হলি ক্রসের একটি পিকেট শুরু করলেন।

২০০৪ – বেসলা স্কুল অবরোধের ফলে ১৮৬ শিশু সহ ৩৩০ জনেরও বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

২০০৭ – দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো।

২০১০ – দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শেষে, ইউপিএস এয়ারলাইন্সের ৬ টি ফ্লাইটটি কার্গো হোল্ডে একটি ফ্লাইটের আগুনের সূত্রপাত করেছিল এবং নাদ আল শেবার কাছে ক্র্যাশ হয়ে উভয় ক্রু সদস্যকে হত্যা করেছিল। [৩]

২০১৬ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন, একসাথে বিশ্বের ৪০% কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী, উভয়ই প্যারিসের বৈশ্বিক জলবায়ু চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছে।

২০১৭ – উত্তর কোরিয়া তার ষষ্ঠ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক পরীক্ষা পরিচালনা করে।
১৯১৪ – আলবেনিয়ার যুবরাজ উইলিয়াম তার শাসনের বিরোধিতার কারণে মাত্র ছয় মাস পরে দেশ ত্যাগ করেন।

১৯১৪ – ফরাসী সুরকার আলবারিক ম্যাগনার্ড জার্মান সৈন্যদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে তার সম্পত্তি রক্ষার জন্য নিহত হন।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: গ্র্যান্ড কর্নো-র যুদ্ধের শুরু, ন্যানসি শহরের নিকটবর্তী উচ্চ স্থানে ফরাসি অবস্থানের বিরুদ্ধে জার্মান আক্রমণ।

১৯১৬ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: লিফার রবিনসন লন্ডনের উত্তরে কাফলির উপর দিয়ে জার্মান বিমান চলাচল-ল্যাঞ্জ এসএল ১১ ধ্বংস করেছেন; ব্রিটিশ মাটিতে প্রথম জার্মান বিমান চালানো হয়েছিল।

১৯১৮ – চেকোস্লাভাকিয়াকে স্বীকৃতি দেয় আমেরিকা।

১৯১৮ – ঐতিহাসিক দামেস্ক শহর বৃটিশ সেনারা দখল করে নেয়।

১৯২৫ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আমেরিকান নির্মিত অনমনীয় বিমান, ইউএসএস শেনানডোহাকে নোবেল কাউন্টি, ওহাইওয়ের একটি স্কল লাইনে ধ্বংস করা হয়েছিল। তার কমান্ডার জাচারি ল্যানসডাউন সহ তার ৪২ সদস্যের ক্রুদের মধ্যে চৌদ্দটি মারা গেছে।

১৯৩৩ – ইয়েভেগেনি আবালকভ প্রথম ব্যক্তি যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বোচ্চ পয়েন্টে পৌঁছেছিলেন, কমিউনিজম শিখ (বর্তমানে ইসমাইল সোমনি পীক নামে পরিচিত এবং তাজিকিস্তানে অবস্থিত) (৭৪৯৫ মি)।

১৯৩৫ – স্যার ম্যালকম ক্যাম্পবেল উটাহের বোনেভিল সল্ট ফ্ল্যাটে প্রতি ঘণ্টা ৩০৪.৩৩১ মাইল গতিতে পৌঁছেছে, তিনি ৩০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে প্রথম ব্যক্তি হয়ে উঠেছে।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া পোল্যান্ড আক্রমণ করার পরে জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে মিত্র দেশ গঠন করে। ভারতের ভাইসরয় যুদ্ধের ঘোষণাও দিয়েছিলেন, তবে প্রাদেশিক আইনসভায় পরামর্শ ছাড়াই।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স জার্মানির একটি নৌ অবরোধ শুরু করে যা যুদ্ধের শেষ অবধি স্থায়ী হয়। এটি আটলান্টিকের যুদ্ধের সূচনাও চিহ্নিত করে।

১৯৪১ – হলোকাস্ট: আউশভিটস কনসেন্ট্রেশন শিবিরের ডেপুটি ক্যাম্প কমান্ড্যান্ট কার্ল ফ্রিটস্চ সোভিয়েত পাউব্লিউদের জোর করে জাইক্লন বি ব্যবহারের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছিলেন।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: এর আগত তরলকরণের খবরের প্রতিক্রিয়ায় ডভ লোপাটিন লখভা (বর্তমান বেলারুশ) এর ঘেটে একটি বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: ব্রিটিশ এবং কানাডিয়ান সেনারা ইটালিতে অবতরণ করেছ্

১৯৪৪ – হলোকাস্ট: ডায়রিস্ট অ্যান ফ্র্যাঙ্ক এবং তার পরিবারকে ওয়েস্টারবার্কের ট্রানজিট শিবির থেকে আউশভিটস কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের শেষ পরিবহণ ট্রেনে রেখে তিন দিন পরে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

১৯৪৫ – ২ সেপ্টেম্বর জাপান দিবসকে কেন্দ্র করে বিজয়কে কেন্দ্র করে তিন দিনব্যাপী উদ্‌যাপন চীনে শুরু হয়।

১৯৫০ – “নিনো” ফারিনা ১৯৫০ ইতালীয় গ্র্যান্ড প্রিক্স জয়ের পরে প্রথম ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভারের চ্যাম্পিয়ন হন।

১৯৫৪ – পিপলস লিবারেশন আর্মি কিউময়ের প্রজাতন্ত্রের চীন-নিয়ন্ত্রিত দ্বীপপুঞ্জের গোলাবর্ষণ শুরু করে, তাইওয়ানের প্রথম সমুদ্র সঙ্কট শুরু করে।

১৯৫৫ – গাজায় রাষ্ট্রসংঘের যুদ্ধ বিরতি মেনে নেয় ইজরায়েল।

১৯৬৪ – মালয়েশিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি হয়।

১৯৬৭ – সুইডেনে ডেগেন এইচ: রাস্তায় ডানদিকে ড্রাইভিং থেকে বামদিকে ড্রাইভিং থেকে ট্র্যাফিক পরিবর্তন হয়।

১৯৭১ – কাতার একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠে।

১৯৭৬ – ভাইকিং প্রোগ্রাম: আমেরিকান ভাইকিং ২ মহাকাশযানটি মঙ্গলবার ইউটোপিয়া প্লানিতিয়ায় অবতরণ করেছে।

১৯৮১ – মহিলাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের সমস্ত ফর্ম দূরীকরণ সম্পর্কিত কনভেনশন, মহিলাদের অধিকারের আন্তর্জাতিক বিল, জাতিসংঘ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।

১৯৮৭ – বুরুন্ডিতে একটি অভ্যুত্থানের সময়, রাষ্ট্রপতি জিন-ব্যাপটিস্ট বাগাজাকে মেজর পিয়ের বায়োয়াকে পদচ্যুত করেন।

১৯৯৭ – ভিয়েতনাম এয়ারলাইন্সের ৮১৫ ফ্লাইট (টুপোলেভ টু -১৩৪) ফনম পেন বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়ে ,৪ জন নিহত হয়েছেন।

১৮১২ – ইন্ডিয়ানাতে কবুতর রুস্ট গণহত্যাতে চব্বিশ জন বন্দী নিহত হয়েছেন।

১৮১৪ – আলবেনিয়ার প্রিন্স উইলিয়াম ক্ষমতা ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

১৮৩৮ – ভবিষ্যত বিলোপবাদী ফ্রেডরিক ডগলাস দাসত্ব থেকে রক্ষা পেয়েছিল।

১৮৪৩ – গ্রিসের রাজা অটো এথেন্সে এক বিদ্রোহের পরে একটি সংবিধান দিতে বাধ্য হয়।

১৮৫৫ – আমেরিকান ভারতীয় যুদ্ধসমূহ: নেব্রাস্কাতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল উইলিয়াম এস হার্নির নেতৃত্বে ৭০০ সেনা গ্রেটটেন গণহত্যার প্রতিশোধ নিতে একটি সাইউক্স গ্রামে আক্রমণ চালিয়ে ১০০ জন পুরুষ, মহিলা এবং শিশুদের হত্যা করেছিল।

১৮৫৯ – মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ প্রথম অভিনীত হয়।

১৮৬১ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: কনফেডারেট জেনারেল লিওনিদাস পোल्क নিরপেক্ষ কেনটাকি আক্রমণ করেছেন, রাজ্য আইনসভাটিকে ইউনিয়নের সহায়তার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

১৮৬৬ – জেনেভায় কার্ল মার্কসের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী সংঘের প্রথম কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৭০ – ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধ: মেটজ অবরুদ্ধকরণ শুরু হয়, যার ফলে ২৩ অক্টোবর একটি স্থিতিশীল প্রুশিয়ান বিজয় হয়।

১৮৭৫ – পোলো প্রথম অফিশিয়াল খেলা পরিচয় হওয়ার পরে আর্জেন্টিনায় খেলা হয়

১৮৭৮ – জনাকীর্ণ আনন্দের নৌকো প্রিন্সেস অ্যালিস থেমস নদীর বাইওয়াল ক্যাসেলের সাথে সংঘর্ষে জমে গেলে ৬৪০ এরও বেশি মারা যান।

১৮৭৯ – কাবুলে ব্রিটিশ রেসিডেন্সির অবরোধ: ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার লুই কাভাগনারি এবং ৭২২ জন গাইডকে কাবুলে ব্রিটিশ রেসিডেন্সির পক্ষ থেকে রক্ষা করার সময় আফগান সেনারা হত্যা করেছিল। তাদের বীরত্ব এবং আনুগত্য পুরো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের জুড়ে বিখ্যাত ও শ্রদ্ধেয় হয়ে ওঠে।

১৮৯৫ – জ্যানেট অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশনের বিপক্ষে ১২-০ ব্যবধানে জিততে ল্যাট্রোব অ্যাথলেটিক অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে খেলতে ড্যাভিড বেরি কর্তৃক তাকে ১০ মার্কিন ডলার প্রদান করার পরে জন ব্র্যালিয়ার প্রথম প্রকাশ্য পেশাদার আমেরিকান ফুটবল খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন।

১৭৫২ – ব্রিটেনে জুলীয় ক্যালেন্ডারের জায়গায় জর্জীয় ক্যালেন্ডার প্রবর্তিত হয়। ফলে ৩ সেপ্টেম্বর ১৪ সেপ্টেম্বর হয়।

১৭৭৭ – আমেরিকার বিপ্লব যুদ্ধ: কোচ ব্রিজের যুদ্ধের সময়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা প্রথমবারের মতো যুদ্ধে উড়েছিল।

১৭৮৩ – আমেরিকার বিপ্লব যুদ্ধ: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের কিংডম প্যারিসের চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

১৭৯৮ – সেন্ট জর্জের কেয়ের সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধ শুরু হয়েছিল স্পেন ও ব্রিটেনের মধ্যে বেলিজ উপকূলে।

১৬৫০ – ডানবারের যুদ্ধে রাজতন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বিজয় তৃতীয় ইংলিশ গৃহযুদ্ধের সময় নতুন মডেল সেনাবাহিনীর হয়ে এডিনবার্গের পথ উন্মুক্ত করে। [১]

১৬৫১ – ওয়ার্সেস্টারের যুদ্ধ তিনটি কিংডমের যুদ্ধের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য ক্রিয়া।

১৬৫৮ – অলিভার ক্রমওয়েলের মৃত্যু; রিচার্ড ক্রমওয়েল ইংল্যান্ডের লর্ড প্রোটেক্টর হন।

১৬৬৬ – দ্য রয়্যাল এক্সচেঞ্জ লন্ডনের গ্রেট ফায়ারে জ্বলে উঠল।

১৪১১ – সিলিম্ব্রিয়ার চুক্তি অটোমান সাম্রাজ্য এবং ভেনিস প্রজাতন্ত্রের মধ্যে সমাপ্ত হয়।

১২৬০ – প্যালেস্টাইনের আইন জলুতের যুদ্ধে মামলুকরা মঙ্গোলদের পরাজিত করে, তাদের প্রথম নির্ধারিত পরাজয় এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্যের সর্বাধিক বিস্তারের পয়েন্টকে চিহ্নিত করে।

১১৮৯ – ইংল্যান্ডের রিচার্ড প্রথম (ধ.শ.ধ. রিচার্ড “দ্য লায়নহার্ট”) ওয়েস্টমিনস্টারে মুকুট পেলেন।

৮৬৩ – আরব অভিযানের বিরুদ্ধে লালাকাঁর যুদ্ধে মেজর বাইজান্টাইন জয়।

৬৭৩ – ভিসিগথসের রাজা ওয়াম্বা নেমেসের (ফ্রান্স) গভর্নর ও সিংহাসনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিল্ডারিকের বিদ্রোহ স্থাপন করেছিলেন।

৫৯০ – পোপ গ্রেগরি আইয়ের গ্রেপ্তার (গ্রেগরি দ্য গ্রেট)।

৩০১ – সান মেরিনো, বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ এবং বিশ্বের বিদ্যমানতম প্রজাতন্ত্র এখনও বিদ্যমান, সেন্ট মেরিনাস প্রতিষ্ঠিত।

৩৩ খ্রিস্টপূর্ব – নওলোচাসের যুদ্ধে অষ্টাভিয়ের অ্যাডমিরাল মার্কাস ভিপাসানিয়াস আগ্রিপ্পা পম্পয়ের পুত্র সেক্সটাস পম্পিকে পরাজিত করেছিলেন, এভাবে পম্পেইয়ের প্রতিরোধের দ্বিতীয় ট্রায়মায়ারেটের সমাপ্তি ঘটে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – অশেষ প্রসাদ মিত্র,ভারতীয় বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী।

২০০৮ – মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশী কবি, সাহিত্যিক ও ভাষাবিজ্ঞানী।

২০১৮ – রমা চৌধুরী, বাংলাদের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীরাঙ্গনা।

১৯৩৩ – মৃগেন্দ্রনাথ দত্ত, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৬২ – মার্কিন কবি ই ই কামিংস।

১৯৬৩ – আইরিশ কবি ও নাট্যকার ফ্রেডেরিখ ম্যাকনিস।

১৯৬৯ – ভিয়েতনামের বিপ্লবী জননেতা হো-চি-মিন।

১৯৯৮ – অনুপ কুমার, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৮৮৩ – রাশিয়ার লেখক ইভান তুর্গেনেভ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সিডও দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

 

আজ আন্তর্জাতিক সিডও দিবস। শতাব্দীব্যাপী নারী আন্দোলনের অভিযাত্রা ও বিংশ শতাব্দীর মানবাধিকার আন্দোলনের অনুকূল পরিবেশে জাতিসংঘ নারী আন্দোলনের অগ্রগতির নানা উদ্যোগের ফসল ‘সিডও সনদ’। এই সনদ প্রণয়ন বা কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপ নারী জাতির মর্যাদাবিষয়ক কমিশন ও সাধারণ পরিষদের মধ্যে পাঁচ বছর ধরে বিভিন্ন সময় আলোচনা ও পর্যালোচনার পর গৃহীত হয় ‘সিডও সনদ’। বিভিন্ন রাষ্ট্র সনদে স্বাক্ষর শুরু করে ১৯৮০ সালে।

নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার কনভেনশন (CEDAW) হল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা 1979 সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।  নারীর অধিকারের একটি আন্তর্জাতিক বিল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, এটি 3 সেপ্টেম্বর 1981 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং 189টি রাজ্য এটি অনুমোদন করেছে।  কনভেনশনটি অনুসমর্থনকারী পঞ্চাশটিরও বেশি দেশ কিছু ঘোষণা, সংরক্ষণ এবং আপত্তির সাপেক্ষে তা করেছে, যার মধ্যে 38টি দেশ রয়েছে যারা প্রয়োগকারী নিবন্ধ 29 প্রত্যাখ্যান করেছে, যা কনভেনশনের ব্যাখ্যা বা প্রয়োগ সম্পর্কিত বিরোধ নিষ্পত্তির উপায়গুলিকে সম্বোধন করে।  অস্ট্রেলিয়ার ঘোষণায় তার ফেডারেল সাংবিধানিক ব্যবস্থার ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পালাও স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু চুক্তিটি অনুমোদন করেনি।  হলি সি, ইরান, সোমালিয়া, সুদান এবং টোঙ্গা CEDAW-তে স্বাক্ষরকারী নয়।

 

জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছর ‘সিডও’ দিবস পালিত হয়। নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ Convention on the Elimination of All forms of Discrimination(CEDAW)।নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়  Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination against Women, সংক্ষেপে যা  CEDAW হিসেবে পরিচিত। বাংলায় এটিকে চিহ্নিত করা হয় ‘নারীর প্রতি সব বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও)’। ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক সনদটি গৃহীত হলেও ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর করা শুরু হয়।

 

মহিলাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কমিটি, সাধারণত ‘CEDAW কমিটি’ হিসাবে সংক্ষেপে, জাতিসংঘের (UN) চুক্তি সংস্থা যা নারীর বিরুদ্ধে সকল প্রকার বৈষম্য দূরীকরণের কনভেনশন (CEDAW) তত্ত্বাবধান করে।  এই কমিটির গঠনটি CEDAW-এর 17 অনুচ্ছেদে রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল, যা কমিটির নিয়ম, উদ্দেশ্য এবং পরিচালনা পদ্ধতিও প্রতিষ্ঠা করে।  CEDAW-তে বর্ণিত নিয়মগুলি অনুসরণ করা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে কমিটি তার কার্যকালের পুরো বছর ধরে একাধিক সেশন করেছে।  সময়ের সাথে সাথে কমিটির অনুশীলনগুলি নারীর অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলির উপর বর্ধিত ফোকাসের কারণে বিকশিত হয়েছে।

 

CEDAW কার্যকর হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় 20টি অনুমোদন পাওয়ার পর 3 সেপ্টেম্বর 1981-এ মহিলাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল৷  CEDAW-এর 17 অনুচ্ছেদ কমিটি গঠন করেছে যাতে CEDAW-এর বিধানগুলি যে দেশগুলি স্বাক্ষর করেছে এবং এর দ্বারা আবদ্ধ হতে সম্মত হয়েছে তাদের দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছে।  কমিটির প্রথম নিয়মিত অধিবেশন 18 থেকে 22 অক্টোবর 1982 পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনে কমিটির প্রথম কর্মকর্তারা সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্বারা নির্বাচিত হন, মঙ্গোলিয়ার মিসেস এল. ইদার চেয়ারপারসন হন।  নির্বাচিত অন্য কর্মকর্তারা হলেন তিনজন ভাইস-চেয়ারপারসন: কানাডার এম. ক্যারন, যুগোস্লাভিয়ার জেড ইলিক এবং রুয়ান্ডার এল. মুকাইরাঙ্গা।  কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে গিয়ানার ডি.পি. বার্নার্ড নির্বাচিত চূড়ান্ত কর্মকর্তা ছিলেন।  এই অধিবেশন চলাকালীন, কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে তার প্রক্রিয়ার নিয়মগুলি গ্রহণ করার জন্য অনুমোদন করেছে৷

 

এর মূল বিষয় হচ্ছে, নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ বা দূরীকরণ। যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক সব ক্ষেত্রে নারীর মানবাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। এটি আইনগত ভিত্তি নিয়ে একটি কনভেনশন আকারে রূপ লাভ করেছে। এ সনদটি মূলত তিনটি প্রেক্ষিত থেকে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেয়। ক. নারীর নাগরিক অধিকার ও আইনি সমতা নিশ্চিতকরণ, যার মাধ্যমে নারী গণজীবনে ও সমাজে পুরুষের সমপর্যায়ে সব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। খ. নারীর প্রজনন ভূমিকাকে সামাজিক ভূমিকা হিসেবে গণ্য করা, যাতে প্রজননের কারণে নারীকে কোণঠাসা না করে এ ক্ষেত্রে নারীর অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া। গ. আচার-প্রথা, সংস্কার ও বিধি যা নারীর জেন্ডার ভূমিকা নির্ধারণ করে, তা বাতিল করা। পরিবার ও সমাজে শুধু ‘মানুষ’ হিসেবে নারীকে গণ্য করা এবং পুরুষের ক্ষমতাভিত্তিতে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সিডও একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সনদ, যা শুধু নারী সংক্রান্ত।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  ভিয়েতনামের জাতীয় দিবস।

(খ) বিশ্ব নারিকেল দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – বিল সাঙ্কলয়, (স্কটিশ ফুটবলার ও ম্যানেজার)।

১৯২০ – (বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা বাঙালি কবি) বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

১৯২৩ – (ক)  পার্বতীকুমার সরকার,  (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি ভূতাত্ত্বিক)।

(খ) রেনে থম, (ফরাসি গণিতবিদ)।

১৯৩৩ – ম্যাথিইয়েউ কেরেকোউ, (লেবানিজ সৈনিক, রাজনীতিক ও প্রেসিডেন্ট)।

১৯৩৮ – গিউলিয়ানো গেমা, (ইতালিয়ান অভিনেতা)।

১৯৪৮ – ক্রিস্টা মকাউলিফে, (আমেরিকান শিক্ষাবিদ ও মহাকাশচারী)।

১৯৫২ – জিমি কনর্স, (প্রাক্তন মার্কিন টেনিস চ্যাম্পিয়ন)।

১৯৬৬ – সালমা হায়েক, (মেক্সিকান-মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র প্রযোজক)।

১৯৬৭ – আন্ড্রেয়াস মোয়েলার, (জার্মান সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার)।

১৯৭৭ – ফ্রেডেরিক কানোউটে, (মালির সাবেক ফুটবলার)।

১৯৮১ – ক্রিস ট্রেমলেট, (ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার)।

১৯৮২ – জোয়ি বার্টন, (ইংরেজ সাবেক ফুটবলার)।

১৯৮৮ – ইশান্ত শর্মা, (ভারতীয় ক্রিকেটার)।

১৯৮৮ – জাভি মার্টিনেজ, (স্প্যানিশ ফুটবলার)।

১৮১০ – উইলিয়াম সেমুর টেইলার, (মার্কিন শিক্ষাবিদ ও ইতিহাসবিদ)।

১৮৩৮ – ভক্তিবিনোদ ঠাকুর, (ভারতের বৈষ্ণবধর্মের সাধক, ধর্মগুরু, দার্শনিক)।

১৮৫৩ – উইলহেম অসওয়াল্ড, (নোবেল বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ)।

১৮৭৭ – ফ্রেডেরিক সডি, (ইংরেজ রসায়নবিদ)।

১৮৯৪ – জোসেফ রথ, (অস্ট্রীয় সাংবাদিক ও লেখক)।

১৭৭৮ – লুই বোনাপার্ট, (ফরাসি বংশোদ্ভূত ডাচ রাজা)।

১৬৭৫ – উইলিয়াম সামারভিল, (ইংরেজ কবি)।

১৫৪৮ – ভিন্সেঞ্জো স্কামজ্জি, (ইতালীয় স্থপতি)।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – চট্টগ্রামে চিলড্রেন ক্যান্সার হোম উদ্বোধন হয়।

১৯১৪ – রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবুর্গের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পেট্রোগার্ড।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে যুদ্ধের সূচনা করে।

১৯৩৯ – ব্রিটেনে ১৯ থেকে ৪১ বছর বয়সী পুরুষদের বাধ্যতামূলকভাবে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা হয়।

১৯৪৫ – (ক) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শেষ হয়। টোকিও উপসাগরে জাপান আত্মসমর্পণ করে।

(খ( – ভিয়েতনাম ফ্রান্সের থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৪৭ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিস নামক সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৯ – জাপানি আক্রমনে চীনের চান-কিঙ-এ ১৭০০ জন নিহত হয়।

১৯৫৮ – চীনের প্রথম টেলিভিশন স্টেশন পিকিং-এ চালু হয়।

১৯৭০ – নাসা (NASA) দুইটি অ্যাপোলো(Apollo) চন্দ্র অভিযান বাতিল ঘোষণা করে।

১৯৮১ – বেলিজ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৮৫ – চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ভারতবর্ষের অনন্য চলচ্চিত্র উৎকর্ষ কেন্দ্র নন্দন উদ্বোধন করেন।

১৯৯১ – যুক্তরাষ্ট্র এস্তেনিয়া, লাটভিয়া ও লিথুয়ানিয়া কে স্বীকৃতি দেয়।

১৮০১ – ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ওসমানীয় ও বৃটিশ সেনাদের ব্যাপক যুদ্ধের পর অবশেষে ফরাসী বাহিনী পরাজিত হয়ে মিশর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

১৮৭০ – ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধ: সেদানের যুদ্ধে প্রুশিয়া ফরাসি সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়ন ও তার ১০০,০০০ সৈন্যকে বন্দি করে।

১৭৫২ – যুক্তরাজ্য গ্রেগারিয়ান দিনপঞ্জি গ্রহণ করে নেয়।

১৭৯২ – ফরাসি বিপ্লব সময় বিপ্লবীরা তিনজন রোমান ক্যাথলিক বিশপ ও প্রায় দুইশত পুরোহিতদের হত্যা করে। এই ঘটনা সেপ্টেম্বর গনহত্যা নামে পরিচিত।

১৬৪৯ – ইতালির ক্যাস্টো শহর [পোপ দশম ইন্নোসেন্টের সৈন্যদের দ্বারা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়।

১৬৬৬ – লন্ডনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০,০০০ বাড়ি পুড়ে যায় (সেন্ট পলের ক্যাথেড্রাল সহ)। এই অগ্নিকাণ্ড প্রায় তিন দিন যাবৎ চলে।

৪৪ খৃস্টপূর্ব – মিশরের ফারাও সপ্তম ক্লিওপেট্রা তার পুত্র পঞ্চদশ টলেমি সিজারিয়নকে সহকারী শাসক হিসেবে ঘোষণা করেন।

৩১ খৃস্টপূর্ব – রোমান গৃহযুদ্ধ: গ্রীসের পশ্চিম উপকূলের অ্যাক্টিয়ামের যুদ্ধে অক্টোভিয়ান মার্ক আন্টনি ও ক্লিওপেট্রার সৈন্যদের পরাস্ত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – ক্রিশ্চিয়ান বার্নার্ড, (দক্ষিণ আফ্রিকান সার্জন ও শিক্ষাবিদ)।

২০০৯ – ইয়েদুগুরি সন্দিন্তি রাজশেখর রেড্ডি, (ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী)।

২০১০ – দিলীপ রায়, (ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা)।

২০১৩ – রোনাল্ড কোসে, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ বংশোদ্ভূত আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও লেখক)।

২০১৪ – নরম্যান গর্ডন, (দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার)।

২০২১ – (ভারতীয় অভিনেতা) সিদ্ধার্থ শুক্লা।

১৯১০ – হেনরি রুশো, (ফরাসি চিত্রশিল্পী)।

১৯১৩ – ওকাকুরা কাকুজো, (জাপানের প্রখ্যাত শিল্পী ও বাংলায় বিংশ শতকের গোড়ার দিকে নব উন্মেষের সূচনাকারী)।

১৯৩৩ – অনাথবন্ধু পাঁজা, (ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী)।

১৯৩৭ – চট্টো নামে পরিচিত বীরেন চট্টোপাধ্যায়, (আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন কমিউনিস্ট বিপ্লবী)।

১৯৪৬ – প্রমথ চৌধুরী, (বাংলা ভাষার সাহিত্যিক)।

১৯৫২ – বেণী মাধব দাস, (প্রাজ্ঞ বাঙালি পণ্ডিত, শিক্ষক, দেশপ্রেমিক এবং শরৎচন্দ্র বসু, সুভাষচন্দ্র সহ আরও অনেক প্রখ্যাত ব্যক্তির শিক্ষাগুরু)।

১৯৬৭ – আয়েত আলী খাঁ, (উপমহাদেশের প্রখ্যাত উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহার বাদক)।

১৯৬৯ – হো-চি-মিন, (ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী)।

১৯৭৩ – জে. আর. আর. টলকিন, (ইংরেজ ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার, কবি ও ভাষাতত্ত্ববিৎ)।

১৯৯১ – আলফান্সো গার্সিয়া রোব্লেয়া, (নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মেক্সিকান রাজনীতিবিদ ও কূটনীতিক)।

১৯৯২ – বারবারা ম্যাকলিন্টক, (নোবেলজয়ী মার্কিন জীববিজ্ঞানী)।

১৯৯৬ – মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, (ভারতীয় দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও মুফতি)।

১৯৯৭ – ভিক্টর ফ্রাঙ্কেল, (অস্ট্রিয়ান নিউরোলজিস্ট)।

১৮২০ – জিয়াকিং, (চীন সম্রাট)।

১৮৬৫ – উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন, (আইরিশ গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী)।

৪২১ – কনস্টানটিয়াস, (রোমান সম্রাট)।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটি পালনের গুরুত্ব।

নারকেল একটি অর্থকারী ফসল। এর উপকার, গুণাগুণ হিসেবের বাহিরে। জীবন জীবিকায় এর ভূমিকা আনস্বীকার্য। যে কোন দেশের অর্থনীতিটে নারকেল এক গুরুত্বপূর্ণ আবদান রাখে। এ এমন এক গাছ যার শুরু থেকে শেষ প্রতিটি অঙ্গই কাজেলগে কোনোনা কোনো ক্ষেত্রে। তাই এর গুরুত্ব বোঝাতে প্রতি বছর ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব জুড়ে পালিত হয় বিশ্ব নারকেল দিবস। এই দিনটা পালন করার মূল উদ্দেশ্য হল নারকেলের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং এর উপকারিতা বোঝানো।

 

নারকেল নামটি পর্তুগিজ শব্দ কোকো থেকে এসেছে। যার অর্থ মাথা বা মাথার খুলি এবং বলা বয় যে এটি ইন্দো-মালয় অঞ্চলের কোথও উদ্ভুত হয়েছে। নারকেল গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Cocos Nucifera। ৮২ ফুট বা ২৫ মিটার উচ্চতা হয়ে থাকে এই গাছের। বিশ্বব্যাপী নারকেল সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় তিনটি দেশে। যথা ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন। সংস্কৃত ভাষায় নারকেল গাছটিকে কল্পবৃক্ষ বা স্বর্গের গাছ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়।

 

নারকেল হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম ভার্সেটাইল ফল, এর একাধিক উপকারিতা আছে। এটা যেমন খাওয়া যায়, তেমনই আবার এর তেল রান্না থেকে ত্বক পরিচর্চায় ব্যবহার করা যায়। এই দিনটি সাধারণত এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিতে বিশেষ ভাবে পালিত হয়। কারণ এই অঞ্চলগুলিতে অধিক পরিমাণে নারকেল উৎপাদন হয়ে থাকে। নারকেলের স্বাস্থ্যোপযোগিতা ও বাণিজ্যিক লাভ সম্পর্কে জন সচেতনতা গড়ে তোলার জন্য বিশ্ব নারকেল দিবস পালিত হয়। ২০০৯ সালে এই দিনটি প্রথম পালিত হয়। তার পর থেকে প্রতিবছর ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব নারকেল দিবস পালিত হয়ে আসছে।

এশিয়া প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (APCC) ২০০৯ সালে এই দিবসটি প্রথম উদযাপন করে। তারপর থেকে, প্রতি বছর UN-ESCAP (United nations economic and social commission for Asia Pacific) এবং APCC একত্রে এই দিবসটি উদযাপন করে। দিবসটি পালনের লক্ষ্য হল, এই ফলের প্রচার এবং এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

আমরা জানি,  বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফলগুলির মধ্যে একটি হল নারকেল, পাশপাশি এই ফলের বহুমুখী প্রকৃতি এটিকে বাকি ফলের থেকে আলাদা করে তোলে। নারকেল বা ডাব আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। নারকেলের জল, দুধ এবং তেল আমাদের স্বাস্থ্য, ত্বক, চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারি। ডাব বা নারকেল দিয়ে বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারও তৈরি করা যায়। নারকেল দিবসে, নারকেল থেকে তৈরি বিভিন্ন প্রকার মিষ্টান্ন, নারকেল গাছ থেকে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী এই প্রদর্শনী তে রাখা হয়।

সারা বিশ্বে প্রায় অনেকগুলো দেশেই নারকেলের চাষ হয়। তার মধ্যে, মইক্রোনেসিয়া, ফিজি,ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া,থাইল্যান্ড,ভারত,ব্রাজিল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপিন্স অন্যতম। এর মধ্যে সর্বাধিক নারকেল উৎপাদন হয়, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, ও ব্রিজেলে।
এটা বিশ্বের একটি অন্যতম দরকারি গাছ এবং এটিকে প্রায়ই “জীবনের গাছ” হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এটি মানুষ খাদ্য, জ্বালানী, প্রসাধনী, ভেষজ ঔষধ সরবরাহ, দালান নির্মান সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করে এবং এর রয়েছে আরও নানাবিধ ব্যবহার।

নারকেল চাষের উপর ভারতের প্রায় কোটি মানুষের জীবিকা নির্ভর করে।  ভারতের কেরল,অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু তে সর্বাধিক নারকেলের চাষ দেখা যায়। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ নারকেল এখানেই চাষ হয়। সমুদ্রের পার্শবর্তী স্থানে,লবনাক্ত মাটিতেই নারকেলের চাষ ভালোভাবে হয়।
নারকেল এমন একটি ফল, যা পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এই গাছের কাঠ থেকে শুরু করে, পাতা, নারিকেলের ছোবড়া, জল, দুধ, মালা, সবটাই ব্যবহৃত হয় কোনও না কোনও কাজে। তাই অর্থনীতিতে নারিকেলের ভূমিকা যে অসীম তা কিন্তু অস্বীকার করা যায় না।

একটি নারকেল গাছে প্রত্যেক বছর ৭০-১০০ টি নারকেল উৎপন্ন হয়। ভারতবর্ষে প্রায় দেড় কোটি গাছ শুধুমাত্র কেরলেই আছে ,যার কারণে কেরল কে কোকোনাট ল্যান্ডও বলা হয়।

 

ডাব বা নারকেলের জল কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা যাক—

 

নারকেল একটি সুস্বাদু পুষ্টিকর ফল। এই ফল কাঁচাও খাওয়া যায়, এবং এর থেকে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও তৈরি হয়,যেমন কেক, লাড্ডু, বরফি ইত্যাদি। তাছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, পুজো তে, এবং রান্নাতেও ব্যাবহার করা হয়।

নারকেলের পাতা জ্বালানির কাজে ব্যবহার করা হয়,নারকেলের পাতা থেকে তৈরি হয় ঝাঁটা যা সর্বত্রই ব্যবহার করা হয়।
নারকেলের ছোবা থেকে তৈরি হয় দড়ি,সোফা, পাদানি এবং বিভিন্ন ব্যাবহারিক জিনিস।

নারকেল গাছ ও জ্বালানির কাজে ব্যবহার করা হয় এবং নারকেল গাছ চেরাই করে ছোটখাটো আসবাবপত্র ও তৈরি করা হয়।

নারকেল থেকে তৈরি হয় নারকেল তেল যা আমাদের চুলের জন্য উপযোগী।  যার ব্যবহার ভারতে এবং অন্যান্য দেশেও রয়েছে।
নারকেলের জল আমাদের শরীরের পক্ষে প্রচুর মাত্রায় উপযোগী।

নারকেলের জলে রয়েছে গ্লুকোজ, ভিটামিন সি,পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম যা আমাদের শরীরের ব্লাড প্রেসার কে নিয়ন্ত্রণে সহায়তা প্রদান করে।

কোলেস্টল এবং ফ্যাট ফ্রী হবার দরুন এটি হৃদয়ের পক্ষেও লাভদায়ক। এর মধ্যে থাকা আন্টি-অক্সিডেন্টের গুন শরীরের রক্ত সঞ্চালন কে সক্রিয় রাখে। এবং এটি শরীরের ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও কার্যকর।

নারকেলের জল আমাদের শরীরের থাইরয়েড হরমোন কে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

নারকেলের জল আমাদের কিডনির পক্ষেও উপযোগী, যদি প্রতিদিন নারকেলের জল খাওয়া যায় তাহলে কিডনিতে পাথর হবার সম্ভাবনা থাকে না।

তাছাড়া নারকেলের জল রূপচর্চার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়।

 

নারকেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়—

 

নিয়মিত নারকেল খাওয়া ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এতে অনেক ফাইবার থাকে।
ত্বকের প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে- নারকেল বা ডাবের জল এই জল পান করলে বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমানো যায় এবং ত্বকের টানটান ভাব বজায় থাকে। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে নারকেল। নিয়মিত নারিকেল খেলে ত্বক কোমল ও সুন্দর হয়। এছাড়াও নারকেল খেলে ত্বকে বলিরেখা পড়ে না।

হাড় মজবুত করে- ডাবের জল হাড় মজবুত এবং ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এর ফলে অল্প বয়সে অস্টিওপোরোসিস, আর্থ্রাইটিস, অস্টিওপেনিয়া ইত্যাদি হাড়ের রোগের সমস্যা রোধ করা যায়।
অ্যাসিডিটি প্রতিরোধ করে- ডাবের জল শরীরের পিএইচ স্তরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি অ্যাসিডিটি ও বুক জ্বালার হাত থেকে স্বস্তি দেয়।
চুলের টনিকের কাজ করে- চুল ঝরার সমস্যা থাকলে ডাবের জল পান করা শুরু করে দিন।
হজম শক্তি উন্নত করে- ডাবের জল প্রাকৃতিক উপায়ে সতেজতা প্রদান করে। পাশাপাশি শরীরে ব্লটিং ও গ্যাসের জন্য দায়ী সোডিয়ামের পরিমাণও কম করে। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি পাচনতন্ত্রকেও মজবুত করে।
ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে, হজম শক্তি উন্নত করার পাশাপাশি ডাবের জল শরীররে হাইড্রেট রাখে। এটি শরীরের হারিয়ে যাওয়া পুষ্টি উপাদানগুলিকে পুনঃস্থাপিত করে।
নিয়মিত নারকেল খেলে স্তন ক্যানসার, কোলন ক্যানসারসহ অন্যান্য ক্যানসারেরও ঝুঁকি কমে।
ডাবের জল পান করলে শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে নারকেল।
নারকেলের দুধ  হেপাটাইটিস সি, জন্ডিস ও লিভারের বিভিন্ন অসুখ সারাতে নারকেল দুধ কার্যকরী।
নিয়মিত নারকেল খেলে মাথায় খুশকি ও শুষ্কতা দূর হয়। এছাড়াও নারকেল তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয়।
নারকেলে বেশি ক্যালোরি থাকায় তা দ্রুত শরীরে শক্তি যোগায়। তাই কাজের মাঝে ক্লান্তি আসলে বা হালকা খিদে পেলে নারকেল খেলে তাৎক্ষণিক অ্যানার্জি বাড়বে।
নারকেলে থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। যা কোলেস্টেরল বাড়ায় না বরং আথেরোসক্লেরোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে হার্ট ভালো রাখতে সহায়তা করে।হৃদযন্ত্র ভালো রাখে নারকেল। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হৃদরোগের সমস্যা দূর করে।
নারকেল রক্তের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ কারণে ডায়াবেটিস রোগীরাও পরিমিত নারকেল খেতে পারেন। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

নারকেল সম্পর্কে তথ্য—

(ক) ‘coconut’ শব্দটি ‘nut’ এবং পর্তুগিজ শব্দ ‘coco’ এর সমন্বয়ে উদ্ভূত।
(খ) বিশ্বে নারকেল উৎপাদনের ৯০ শতাংশই আসে এশিয়া থেকে।
(গ) ইন্দোনেশিয়া, Philippines, ব্রাজিল এবং শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় রপ্তানিকারক দেশ।

(ঘ) নারকেল পুরোপুরি পরিপক্ক হতে এক বছর সময় লাগে।

(ঙ) একটি নারকেল গাছ প্রতি বছর কমকরে প্রায় ১০০টি নারকেল দেয়।
তাই বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা ডাবের জলকে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। এই জল ত্বক, হৃদয়, চুল, রক্তচাপ এবং হজমের পক্ষে বিশেষ উপকারী। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে যে, স্পোর্টস ড্রিঙ্কসের তুলনায় এটি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর, কম ক্যালরি সম্পন্ন। তাই আজ এই বিশেষ দিনটিতে ডাব বা নারকেলের জল কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো ।
ভারতসহ মোট ১৮টি দেশ নিয়ে এপিসিসি সংস্থাটি গঠিত। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারকেল শিল্পের উন্নতির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থ ব্যবস্থাকে মজবুত করা। নারকেলের মূল্য ও উপকারিতা সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে পালিত হয় দিনটি। খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ, প্রসাধনী, নির্মাণ সামগ্রী ও অন্যান্য নানা কারণে ব্যবহৃত হয় নারকেল। এই নারকেল গাছকে প্রায়শই ‘Tree Of Life’ নামে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এশিয়া প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি) নারকেলের মূল্য ও সমাজে তাদের প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এই দিনটির প্রচার শুরু করে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও  বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

১ সেপ্টেম্বর, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

১ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  জ্ঞান দিবস (রাশিয়া)

(খ) বিদ্রোহ দিবস (লিবিয়া)

(গ) শিক্ষক দিবস (সিংগাপুর)

(ঘ) স্বাধীনতা দিবস (উজবেকিস্তান)

(ঙ) সংবিধান দিবস (স্লোভাকিয়া)

(চ) ইস্টার্ন অর্থোডক্স চার্চে এই দিনে বছর শুরু হয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৮ – আমির ইলাহি, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

১৯১১ – দেবেশ দাশ বাঙালি কথাসাহিত্যিক ।

১৯১৪ – মৈত্রেয়ী দেবী সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বাঙালি কবি, লেখক ও ঔপন্যাসিক।

১৯১৮ – মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

১৯২০ – রিচার্ড ফার্নসওয়ার্থ, মার্কিন অভিনেতা ও স্টান্ট।

১৯২৪ – শৈলেন মান্না ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন খ্যাতিমান ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৩৫ – (ক) ড.সরোজ ঘোষ বাঙালী সংগ্রহালয় সংস্থাপক ও বিজ্ঞানকে জনসাধারণ্যে লোকায়িত করণের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

(খ) মুস্তফা মনোয়ার, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।

১৯৩৯ – লিলি টমলিন, মার্কিন অভিনেত্রী, কৌতুকাভিনেত্রী, লেখিকা, গায়িকা ও প্রযোজক।

১৯৪৭ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি লেখক মিহির সেনগুপ্ত।

১৯৬২ – কফিল আহমেদ, বাংলাদেশী কবি, গায়ক এবং চিত্রশিল্পী।

১৯৬৫ – নচিকেতা চক্রবর্তী, ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৭১ – হাকান শুকুর, তুর্কি ফুটবলার যিনি স্ট্রাইকার অবস্থানে খেলেন।

১৯৯০ – টম ব্লান্ডেল, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার।

১৮৫৬ – সার্গেই উইনোগার্ডস্কি রুশ অণুজীব বিজ্ঞানী।

১৮৭৭ – ফ্রানসিস উইলিয়াম অ্যাস্টন, নোবেলজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

১৮৮৪ – হেনরি ফোরেল, সুইজারল্যান্ডীয় এন্টোমলজিস্ট।

১৮৯৬ অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মগুরু এবং ইসকন তথা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ, হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য।

১৮৯৭ – পরিমল গোস্বামী বাঙালি সাহিত্যিকে।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – রাশিয়ায় বেলসান স্কুলে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের অপহরণ করে।

১৯০৫ – ব্রিটিশরাজ বঙ্গভঙ্গের নির্দেশ জারি করে।

১৯১৪ – রাশিয়ার সেন্ট. পিটার্সবুর্গের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পেট্রোগার্ড়।

১৯২৩ – জাপানের টোকিও ও ইয়াকোহামায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই লক্ষ লোক নিহত হয়।

১৯২৮ – আলবেনিয়া রাজ্যে পরিণত হয়।

১৯৩৯ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাজি জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যুদ্ধের সূচনা করে।

১৯৬১ – সাবেক ইউগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেডে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ গ্রহণে জোট নিরপেক্ষ দেশগুলোর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬৯ – বাদশাহ ইদ্রিসকে ক্ষমতাচ্যুত করে মুয়াম্মর গাদ্দাফি ক্ষমতায় আসেন।

১৯৭৮ – বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল” বা বিএনপি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।

১৯৮৫ – ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার।

১৯৯১ – উজবেকিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯২ – জাকার্তায় দশম জোটনিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮১৮ – কলকাতায় নতুন স্কুল স্থাপনের উদ্দেশ্যে দেশীয় ও ইউরোপীয় শিক্ষানুরাগীদের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হয় ক্যালকাটা স্কুল সোসাইটি।

১৮৫৩ – উত্তমাশা অন্তরীন থেকে পৃথিবীর প্রথম ত্রিকোণ ডাকটিকিট ইস্যু করা হয়।

১৬৪৪ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস ৭২ বছর বয়সে মৃত্যু বরণ করেণ।

১১৭৪ – ইতালীর পিসা শহরে বিখ্যাত পিসার হেলান টাওয়ার নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – মুফতি আহমেদ কুফতার, সিরিয়ার গ্রান্ড।

১৯০৪ – আলফ্রেড রিচার্ডস, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৩০ – জীবন ঘোষাল, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী।

১৯৭০ – নোবেলজয়ী [১৯৫২] ফরাসি সাহিত্যিক ফ্রাঁসোয়া মরিয়াক।

১৯৭৫ – প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কণ্ঠ শিল্পী সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।

১৯৮১ – অ্যান হার্ডিং, মার্কিন মঞ্চ, চলচ্চিত্র, বেতার ও টেলিভিশন অভিনেত্রী।

১৯৮২ – হার্সেল কুরি মার্কিন গণিতবিদ।

১৭১৫ – চতুর্দশ লুই, ফ্রান্সের রাজা।

১৬৪৪ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুইস (৭২ বছর বয়স)।

১৬৪৮ – মারাঁ মের্সেন, ফরাসি ধর্মযাজক, দার্শনিক, গণিতবিদ ও সঙ্গীতজ্ঞ।

১৬৮৭ – হেনরি মুর, ইংরেজ দার্শনিক।

১৫৫৭ – জ্যাকস কার্টিয়ার, ফরাসি অভিযাত্রী। তাকে কানাডার অন্যতম আবিস্কারক মনে করা হয়।

১৫৭৪ – গুরু অমর দাস তৃতীয়

১৫৮১ – গুরু অমর দাস চতুর্থ

১১৫৯ – পোপ চতুর্থ অ্যাড্রেইন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩১ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩১ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  মালয়শিয়ার স্বাধীনতা দিবস

(খ) কিরগিজিস্তান-এর স্বাধীনতা দিবস

(গ) ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর স্বাধীনতা দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৩ – বার্নার্ড লভেল্, ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৩৬ – ভ্লাদিমির অরলভ, রাশিয়ান লেখক।

১৯০৭ – রামোন ডেল ফিরো ম্যাগসেসে, ফিলিপিনো অধিনায়ক, প্রকৌশলী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম সভাপতি।

১৯১৯ – অমৃতা প্রীতম, ভারতীয় কবি ও লেখক।

১৯২৮ – জেমস হ্যারিসন কোবার্ন, আমেরিকান অভিনেতা।

১৯৪৪ – ক্লাইভ লয়েড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৪৫ – ভ্যান মরিসন, উত্তর আইরিশ গায়ক ও গীতিকার।

১৯৪৯ – এইচ ডেভিড পলিতজার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৯ – রিচার্ড গিয়ার, আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৬০ – হাসান নাসরুল্লাহ, লেবাননের রাজনৈতিক ও আধাসামরিক প্রতিষ্ঠান, হিজবুল্লাহর তৃতীয় মহাসচিব।

১৯৬৩ – ঋতুপর্ণ ঘোষ, বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র নির্মাতা ।

১৯৬৯ – জাভাগাল শ্রীনাথ, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৭০ – নিকোলা গ্রুয়েভস্কি, ম্যাসাডোনিয়া অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৭ – জেফ হার্ডি, আমেরিকান কুস্তিগির ও গায়ক।

১৯৮২ – পেপে রেইনা, স্প্যানিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৫ – রোলানদো জর্জ পিরেস দা ফনসেকা, পর্তুগিজ ফুটবলার।

১৮৪৩ – গেয়র্গ ভন হেরটলিং, জার্মান শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম চ্যান্সেলর।

১৮৪৪ – শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসেবী চন্দ্রনাথ বসু।

১৮৭০ – মারিয়া মন্টেসরি,ইতালীয় চিকিৎসক এবং শিক্ষাবিদ, নিজের নামে প্রতিষ্ঠা করা শিক্ষা দর্শন – “মন্টেসরি শিক্ষাপদ্ধতি”র জন্য সুপরিচিত।

১৮৭৯ – আল্‌মা মাহ্‌লের, অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান সুরকার ও চিত্রশিল্পী।

১৮৮৮ – কানাইলাল দত্ত, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৮৯৭ – ফ্রেডরিক মার্চ, আমেরিকান লেফটেন্যান্ট, অভিনেতা ও গায়ক।

১৮২১ – হারমান ভন হেল্মহোল্টয, জার্মান চিকিৎসক ও পদার্থবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৫ – ইরাকের কাজেমাইন শহরে এক শোকানুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ইরাকি মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়।

১৯০৫ – বঙ্গভঙ্গ বিল পাস হয়।

১৯০৭ – ইংল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যে ইঙ্গ-রুশ মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৭ – মালয়েশিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৯ – কলকাতায় খাদ্যের দাবিতে কৃষক মিছিলে ভারতের কংগ্রেস সরকারের গুলি চালনায় ৮০ জন নিহত হয়।

১৯৬২ – লাতিন আমেরিকার দেশ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৩ – ক্রেমলিন ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে হট লাইন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯৬৫ – মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম উত্তোলন করা হয়।

১৯৬৮ – ভারতে তৈরী উপগ্রহ ‘রোহিনী’ আকাশপথে যাত্রা করে।

১৯৬৮ – ইরানের খোরাশানে মারাত্মক ভূমিকম্পে ১৮ হাজার নিহত হয়।

১৯৭১ – সঙ্গীতশিল্পী আলতাফ মাহমুদ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭৫ – গণচীন কর্তৃক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান।

১৯৯১ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রজাতন্ত্র কিরগিজিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে।

১৮৪৮ – সংবাদপত্রে প্রথমবারের মত আবহাওয়া বার্তা ছাপা শুরু করে।

১৮৫৮ – ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ব্রিটিশ সরকার ভারতের শাসনভার গ্রহণ করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – জর্জ পোর্টার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ।

২০০৫ – জোসেফ রটব্লাট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ পদার্থবিদ।

২০০৮ – কেন ক্যাম্পবেল, ইংরেজ লেখক, অভিনেতা, পরিচালক ও কৌতুকাভিনেতা।

২০১৩ – ডেভিড প্যারাডাইন ফ্রস্ট, ইংরেজ রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

২০২০ – মহামান্য প্রণব মুখোপাধ্যায়,ভারতের প্রথম বাঙালি ও ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি।

১৯২০ – উইলহেম উন্ট, জার্মান চিকিৎসক, মনোবৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক।

১৯৪১ – মারিনা টসভেটাভা, রাশিয়ান কবি ও লেখক।

১৯৬৩ – জর্জ ব্রাকুয়ে, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।

১৯৭১ –

বশীশ্বর সেন,খ্যাতনামা ভারতীয় বাঙালি কৃষি বিজ্ঞানী।

আবদুল হালিম চৌধুরী জুয়েল, ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম, ক্রিকেটার।

১৯৭৩ – জন ফোর্ড, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৮৫ – ফ্রাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জীববিজ্ঞানী।

১৯৮৬ – উরহো কেকোনেন, ফিনিশ সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৮ম সভাপতি।

১৯৯৩ – স্টেলা ক্রামরিশ, অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন ইতিহাসবিদ ও কিউরেটর যিনি মূলত ভারতীয় শিল্পের ইতিহাস নিয়ে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।

১৯৯৭ – প্রিন্সেস ডায়ানা, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন যুবরাজ্ঞী।

১৮১১ – লুই আন্তনিও ডি বোউগাইনভিলে, ফরাসি নৌসেনাপতি ও এক্সপ্লোরার।

১৮১৪ – আর্থার ফিলিপ, ইংরেজ এডমিরাল, রাজনীতিবিদ ও নিউ সাউথ ওয়েল্স-এর ১ম গভর্নর।

১৮৬৪ – ফের্দিনান্দ লাসালে, জার্মান বিচারক, দার্শনিক, এবং সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মী।

১৮৬৭ – শার্ল বোদলেয়ার, ফরাসী কবি।

১৭৯৫ – ফ্রাসোয়া-আঁদ্রে ডানিকান ফিলিডোর, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইংরেজ দাবা খেলোয়াড় ও সুরকার।

১৬৮৮ – জন বুনয়ান, ইংরেজ প্রচারক, ধর্মতত্ত্ববিদ ও লেখক।

১৪২২ – পঞ্চম হেনরি, ইংল্যান্ডের রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

ইতিহাস গর্ভে ফিরে দেখা! : তন্ময় সিংহ রায়।।।

”ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা, যমের দুয়ারে পড়ল কাঁটা।
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা!”

 

এই রাখি’র বন্ধনে কিভাবে মানুষ বাঁধা পড়ল? পুরাণ থেকে ইতিহাস গর্ভে এ নিয়ে
রয়ে গেছে বেশ কিছু রহস্যময় ও উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ!
এবারে উঁকি মারা যাক পৌরাণিক সেই কাহিনীগুলি’র দরজায়!
প্রথমত, হিন্দু ধর্মের মহাকাব্যদ্বয়ের মধ্যে মহাভারতে লুকিয়ে থাকা রাখি বন্ধনের যে ঘটনা আমরা দেখতে পাই তা হল,
কথিত আছে রাজসূয় যজ্ঞের সময় শিশুপালকে হত্যার পরে স্বয়ং শ্রী-কৃষ্ণের একটি আঙুল কেটে ঝরতে থাকে রক্ত!
এমতবস্থায়, পঞ্চপান্ডবের স্ত্রী দ্রৌপদী
তখন তাঁর শাড়ির আঁচল খানিকটা ছিঁড়ে কৃষ্ণের আঙুলে বেঁধে দেন ও অভিভূত কৃষ্ণ তাঁর অনাত্মীয়া, কিন্তু বোন হিসাবে মেনে নেওয়া দ্রৌপদীকে পরিবর্তে
প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভবিষ্যতে সর্বরকম বিপদে তিনি রক্ষা করবেন তাঁকে।
এই ঘটনার বহু বছর পর, পাশাখেলায় হারের মাধ্যমে কৌরবরা যখন দ্রৌপদীকে অপমান করে তাঁর বস্ত্রহরণ করতে উদ্যত হন, সে মুহুর্তে  কৃষ্ণ অসমাপ্ত বস্ত্র সরবরাহের দ্বারা দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা করে বজায় রাখেন সেই প্রতিদান।

দ্বিতীয়ত, যমুনা তাঁর ভাই স্বয়ং যমের হাতে  বেঁধে দিয়েছিলেন রাখি।

তৃতিয়ত, শুভ ও লাভ নামে গণেশের পুত্রদ্বয়
এক সময় বায়না ধরে যে, নিজেদের বোনের হাতে তারা পরাতে চায় রাখি!
এ পরিস্থিতিতে উপায়ান্তর না দেখে গণেশ তাঁর দুই স্ত্রী ঋদ্ধি ও সিদ্ধি’র অন্তর থেকে নির্গত অগ্নি থেকে সৃষ্টি করেন বোনরূপি সন্তোষী মা-কে, যিনি সন্তোষের অধিষ্ঠাত্রী দেবী নামে অভিহিত হিন্দুধর্মের একজন অ-শাস্ত্রীয় ও লৌকিক নবীন দেবী।

এবারে আলোকপাত করা যাক কিংবদন্তী’র ইতিহাস কি বলছে সে বিষয়ে,
প্রথমত, শত্রুর হাত থেকে নিজের রাজ্যের মান-মর্যাদা রক্ষা করার একান্ত উদ্দ্যেশ্যে,
মুঘল সম্রাট বাবর পুত্র সম্রাট হুমায়ুনের কাছে একবার সাহায্যপ্রার্থী হন চিতোরের বিধবা রানি কর্ণবতী এবং সেই সময়ে তিনি একটি রাখিও পাঠান হুমায়ুনকে। এ বিষয়কে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে এই ঘটনা পরিনত হয় উৎসবে এবং এর জনপ্রিয়তা হতে থাকে ক্রমবর্ধমান!

দ্বিতীয়ত, গ্রীক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণ ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিশেষত এই কারণে বলে আমার মনে হয় যে, এর ফলে গ্রিকদের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও চিন্তাধারার সাথে পরিচিত হয়ে ওঠার একটি সুযোগ আমরা পাই।
যাইহোক, বর্তমান ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া ঝিলাম নদী (ঋগ্বেদে বিতস্তা নদী) সংলগ্ন উপকূলে গ্রিকদের বশ্যতা স্বীকার না করা ঝিলাম রাজ পুরুর সাথে ৩২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে আলেকজান্ডারের তুমুল যুদ্ধের ফলে সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন পুরু।
কিন্তু ইতিহাস বলছে, তাঁর স্বামীর প্রাণ সংশয় হতে পারে, এই আশঙ্কা করে আলেকজান্ডারের স্ত্রী রোক্সানা পুরুর কাছে যান এবং তাঁর হাতে বেঁধে দেন একটি পবিত্র সুতো ও পরিবর্তে পুরু
আলেকজান্ডারের কোনও ক্ষতি করবেন না বলে কথাও দেন।

এদিকে আধুনিক ইতিহাসে চোখ রাখলে আমরা দেখতে পাই,
১৯ শতকে বাংলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চরম পর্যায়ে থাকাটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কাছে হয়ে উঠেছিল অপরিমিত ভয়ের একটি বিশেষ কারণ, আর যে কোনো উপায়ে এই  আন্দোলনকে দমন করার বিভিন্ন পথ খুঁজতে গিয়েই ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, তারা বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করে ঐক্য শক্তিকে হ্রাস করবে। এ হেন জটিল ও মর্মান্তিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ সহ গোটা ভারতের বিভিন্ন বিশিষ্টজন ও নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছিলেন এবং শুরু করেছিলেন বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে এক সংঘবদ্ধ প্রতিবাদী আন্দোলন!
অতএব ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ প্রতিরোধের উদ্দ্যেশ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোলকাতা, সিলেট
ও ঢাকা ইত্যাদি থেকে হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম ভাই-বোনকে আহ্বান করেছিলেন ঐক্যতার প্রতীক হিসাবে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করার জন্যে!
বলাবাহুল্য সে সময় দেশে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতাও যেন পৌঁছেছিল একেবারে চরম পর্যায়ে!
বলার আর কোনো অপেক্ষা রাখে না যে,
ধর্মীয় অরাজকতা সে সময়েও ছিল, আজও বজায় আছে তা বহাল তবিয়তে!

ক্রমবিবর্তনের মধ্যে দিয়ে একবিংশের ঠিক যে জায়গায় এসে পৌঁছেছে এই উৎসব তা এরূপ,
শ্রাবণ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে হিন্দু ভাই-বোনদের মধ্যে অত্যন্ত নিষ্ঠাভরে পালন করা হয় এই রাখী বন্ধন নামক উৎসবটি!
উৎসবের ধরণ হিসাবে উল্লেখ্য, সেই বিশেষ দিনে দিদি বা বোনেরা তাঁদের ভাই বা দাদা’র আ-জীবন মঙ্গল কামনা’র উদ্দ্যেশ্যে হাতের কব্জিতে বেঁধে দেয় রাখী নামক একটি পবিত্র সুতোর বন্ধন! পরিবর্তে ভাই বোনকে দেয় কিছু উপহার ও শপথগ্রহণ করে বা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় সারাজীবন বোনকে রক্ষা করায়!
এখানে একটি বিষয় জানানো ভালো, সেই ভাই-বোন যে একই মায়ের গর্ভের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।
হিন্দু ছাড়াও জৈন ও শিখ প্রভৃতিরা পালন করে থাকেন এই উৎসব!
সর্বশেষ এই যুক্তি পরিলক্ষিত যে, রাখিকে ভাই-বোনের উত্‍সব হিসাবে মনে করা হলেও ইতিহাসে কিন্তু, পুরুষকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করার শুভ প্রতীক হিসাবে তাঁদের কব্জিতে মহিলাদের সুতো বেঁধে দেওয়ার একটি যোগসূত্র থেকেই যাচ্ছে।
আর হয়তো এগুলিই পরে রূপ নেয় রাখি বন্ধন উত্‍সবের!!

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ৩০ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

 

(ক)  আন্তর্জাতিক ভিকটিমস অব এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্স দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯৫১ – (ক)  ভারতীয় বাঙালি ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত।

(গ) ডানা রসেমারয় সচালন, ইংরেজ বংশোদ্ভূত আইরিশ গায়ক ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬৩ – মাইকেল চিক্লিস, আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭২ – (ক) শ্রীলেখা মিত্র, ভারতীয় বাঙালী চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

(খ) চেক প্রাজন্ত্রের ফুটবলার ও সাবেক অধিনায়ক পাভেল নেদভেদ।

(গ) – ক্যামেরন ডাইজ অভিনেত্রী ও ফ্যাশন মডেল।

১৯৮২ – এন্ডি রডিক আমেরিকান টেনিস তারকা।

১৯৮৩ – ইমানুয়েল কুলিও, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৮৫ – হোলি ওয়েস্টন, ইংরেজ অভিনেত্রী।

১৯১২ – এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ।

১৯১৩ – রিচার্ড স্টোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ অর্থনীতিবিদ এবং পরিসংখ্যানবিদ।

১৯১৭ – ব্রিটিশ রাজনীতিক ডেনিস হিলি।

১৯৩০ – ওয়ারেন বাফেট, মার্কিন ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী এবং জনহিতৈষী ব্যক্তি।

১৮৪৪ – শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসেবী চন্দ্রনাথ বসু।

১৮৫২ – ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ রসায়নবিদ।

১৮৫৬ – কার্ল ডেভিড টলমে রুঙ্গে, জার্মান গণিতবিদ ও পদার্থবিদ।

১৮৭১ – আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নিউজিল্যান্ড ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৮৪ – থিওডোর সভেডবার্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ রসায়নবিদ ও পদার্থবিদ।

১৭৯৭ – ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন’ গ্রন্থের লেখিকা ও কবি শেলির স্ত্রী মেরি ওলস্টোনক্র্যাফট শেলি।

১৫৬৯ – জাহাঙ্গীর, মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৭ – রাশিয়া ও বৃটিশ উপনিবেশবাদী সরকার এক চুক্তির মাধ্যমে ইরানকে তিন অংশে বিভক্ত করে।

১৯০৯ – বার্গেস শেল জীবাশ্ম চার্লস ডুলিটল ওয়ালকোট আবিষ্কার করেছিলেন।

১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: জার্মানরা ট্যানেনবার্গের যুদ্ধে রাশিয়ানদের পরাজিত করেছিল।

১৯১৬ – আর্নেস্ট শ্যাকলটন অ্যান্টার্কটিকার এলিফ্যান্ট দ্বীপে আটকা পড়ে থাকা তার সমস্ত লোকের উদ্ধার কাজটি শেষ করেছেন।

১৯১৭ – ভিয়েতনামের কারাগারের রক্ষীরা স্থানীয় ফরাসী কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে থিয়ে নগুইন অনুশাসনে ট্রানহান কান সেনের বিদ্রোহের নেতৃত্বে।

১৯১৮ – ফ্যানি কাপলান বলশেভিক নেতা ভ্লাদিমির লেনিনকে গুলি করে মারাত্মকভাবে আহত করেছিলেন, তিনি বলশেভিকের সিনিয়র অফিসার মাইসেই উরিটস্কি হত্যার পাশাপাশি কয়েকদিন আগে ডিক্রিমিকে অনুরোধ করেছিলেন

১৯৩৩ – এয়ার ফ্রান্স গঠিত হয়।

১৯৪১ – জার্মান বাহিনী লেনিনগ্রাদ অবরোধ করে।

১৯৪৫ – হংকং বৃটিশ বাহিনীর সহায়তায় জাপানের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৬ – সোভিয়েত ইউনিয়ন পারমাণবিক পরীক্ষা করে।

১৯৫৭ – যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক পরীক্ষা করে।

১৯৭১ – দিল্লীতে বাংলাদেশ মিশনের উদ্বোধন।

১৯৯১ – আযারবাইজান প্রজাতন্ত্র সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯৭ – বসনিয়ায় মুসলিম ক্রোয়েট চুক্তি স্বাক্ষর।

১৯৯৯ – পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতার পক্ষে ভোট দেয়।

১৮০০ – গ্যাব্রিয়েল প্রসেসার ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে একটি পরিকল্পিত দাস বিদ্রোহ স্থগিত করে, তবে তা ঘটানোর আগেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

১৮১৩ – কুলমের প্রথম যুদ্ধ: ফরাসি বাহিনী অস্ট্রিয়ান-প্রুশিয়ান-রাশিয়ান জোটের কাছে পরাজিত।

১৮৩০ – বুলগেরিয়ার রাজপুত্র ওথো গ্রিসের রাজা নির্বাচিত হন।

১৮৩৫ – অস্ট্রেলিয়া: মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া প্রতিষ্ঠিত।

১৮৫০ – হনুলুলু শহরের মর্যাদা পায়।

১৮৬০ – ব্রিটেনে প্রথম ট্রাম চালু হয়।

১৮৬২ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: রিচমন্ডের যুদ্ধ: জেনারেল উইলিয়াম “বুল” নেলসনের অধীনে এডমন্ড কার্বি স্মিথের অধীনে ইউনিয়ন বাহিনী সেনা সদস্যরা।

১৮৭৩ – অস্ট্রিয়ান অভিযাত্রী জুলিয়াস ফন পেয়ার এবং কার্ল ওয়েপ্রেক্ট আর্কটিক সাগরে ফ্রেঞ্চ জোসেফ ল্যান্ডের দ্বীপপুঞ্জটি আবিষ্কার করেন।

১৮৯৬ – ফিলিপাইনের বিপ্লব: সান জুয়ান দেল মন্টির যুদ্ধে স্প্যানিশ জয়ের পরে ফিলিপাইনের আটটি প্রদেশকে স্পেনীয় গভর্নর-জেনারেল জেনারেল রামন ব্লাঙ্কো ই এরেনাস সামরিক আইনে ঘোষণা করেছিলেন।

১৭২১ – লিস্টাভ-এর শান্তি চুক্তি সম্পাদিত।

১৭২৭ – গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় রাজা জর্জের জ্যেষ্ঠ কন্যা অ্যানিকে প্রিন্সেস রয়্যাল উপাধি দেওয়া হয়।

১৭৯১ – এইচএমএস পান্ডোরা আগের দিন বাইরের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের উপর দৌড়ে যাওয়ার পরে ডুবে গেছে।

১৭৯৯ – দ্বিতীয় কোয়ালিশনের যুদ্ধের সময় স্যার রাল্ফ অ্যাবারক্রম্বি এবং অ্যাডমিরাল স্যার চার্লস মিচেলের কমান্ডে পুরো ডাচ বহরটি ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে ধরা হয়েছিল।

১৫৭৪ – গুরু রাম দাস চতুর্থ শিখ গুরু / মাস্টার হন।

১৫৯৪ – স্কটল্যান্ডের কিং জেমস প্রিন্স হেনরির ব্যাপটিজমে একটি মাস্ক ধারণ করেছিলেন।

১৪৬৪ – পোপ পল দ্বিতীয় পোপ পিয়াস দ্বিতীয়র উত্তরাধিকার হিসেবে এবং ২১১ তম পোপ হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।

১৩৬৩ – পয়য়াং হ্রদের পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যেখানে দুই চীনা বিদ্রোহী নেতার (চেন ইউলিয়ানং এবং জু ইউয়ানজ্যাং) সেনাবাহিনী ইউয়ান রাজবংশকে সমর্থন করবে কে তা সিদ্ধান্ত নিতে মিলিত হয়।

১২৮২ – তৃতীয় আরাগোন পিটার ত্রাপানিতে সিসিলিয়ান ভেস্পারদের যুদ্ধে হস্তক্ষেপ করতে নামেন।

৭০ খ্রিস্টপূর্ব- হেরোদের মন্দির ধ্বংস করার পরে টাইটাস জেরুজালেম অবরোধের অবসান ঘটিয়েছিলেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

 

২০০১ – আফম আহসানউদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশের ১১ তম রাষ্ট্রপতি।

২০০৬ – নাগিব মাহফুজ, নোবেল বিজয়ী মিশরীয় সাহিত্যিক।

২০১৩ – শেমাস্‌ হীনি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ কবি ও নাট্যকার।

২০১৭ – আব্দুল জব্বার, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।

১৯১১ – হরিনাথ দে বহুভাষাবিদ ভারতীয় বাঙ্গালী পণ্ডিত।

১৯২৮ – ভিলহেল্ম ভিন, ১৯১১ সালের নোবেলজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।

১৯৭৬ – যাদুগোপাল মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী, অনুশীলন সমিতির অবিসংবাদী নেতা ও প্রখ্যাত চিকিৎসক।

১৯৮১ – নীহাররঞ্জন রায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি ইতিহাসবিদ, সাহিত্য সমালোচক ও শিল্পকলা-গবেষক পণ্ডিত।

১৯৮১ – ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আল রাজাই ও প্রধানমন্ত্রী মোহম্মদ জাভেদ বাহোনার পিপলস মোজাহিদিন অব ইরানের বোমা হামলায় নিহত হন।

১৯৮৭ – ফিলিস্তিনের খ্যাতনামা কার্টুনিষ্ট নাজিউল আলী লন্ডনে ইহুদীবাদী ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের হাতে নিহত হন।

১৮৬৮ – প্রসন্নকুমার ঠাকুর, ঊনবিংশ শতকের বাংলার সমাজ সংস্কারক ও হিন্দু কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

১৮৭৭ – তরু দত্ত, ইংরাজী ও ফরাসি ভাষার ভারতীয় বাঙালি কবি।

১৬৫৯ – দারা শিকোহ, আওরঙ্গজেবের ঘাতকের হাতে।

১৪৮৩ – ফ্রান্সের রাজা একাদশ লুই।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

হকি খেলোয়াড় ধ্যান চাঁদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছর ২৯ আগস্ট ভারতে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উৎযাপিত হয়।খেলার জগতের প্রতিটি খেলোয়াড় দের জীবনে এই দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। এই বিশেষ দিন টিতেই অর্জুন, দ্রোনাচার্জ, রাজীব খেলরত্ন, ধ্যান চাঁদ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রতিটি ব্যক্তির জীবনে খেলাধুলা এবং খেলাধুলার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রতি বছর এই দিবসটি উদযাপিত হয়। আসলে দিনটি কিংবদন্তি হকি খেলোয়াড় মেজর ধ্যান চাঁদের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে (এলাহাবাদ) ১৯০৫ সালের ২৯ অগাস্ট জন্ম হয়  ধ্যানচাঁদের। ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির হয়ে হকি খেলেছিলেন ধ্যানচাঁদের পরিবারের সদস্যরা। বাবা সোমেশ্বর সিংহ সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন।  মাত্র ১৬ বছর বয়সে ১৯২২ সালে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মিতে যোগ দিয়েছিলেন ধ্যানচাঁদ। সময়ের অভাবে রাতের দিকে অনুশীলনে মগ্ন থাকতেন কিংবদন্তি এই হকি তারকা। রাতের দিকে অনুশীলন করতেন বলে তাঁর সতীর্থরা ‘চাঁদ’ নামে সম্বোধন করতেন ধ্যানচাঁদকে। তিনি পঞ্জাব রেজিমেন্টের মেজর পদে উন্নিত হয়েছিলেন।  ১৯৩২ সালে গোয়ালিয়রের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করেন ধ্যানচাঁদ। একদম ছোটবেলায় কুস্তিতে মূলত আগ্রহ ছিল ধ্যানচাঁদের। যদিও পরে হকিতে মনোনিবেশ করেন।

 

ইংরেজদের অধীনস্ত ভারতীয় হকি দলের হয়ে ১৯২৮, ১৯৩২ ও ১৯৩৬ অলিম্পিক খেলেন।  প্রতিবারই দেশকে সোনা এনে দিয়েছিলেন তিনি। ১৯২৬—১৯৪৯ পর্যন্ত তার ক্যারিয়ার জীবনে তিনি মোট ৫৭০টি গোল করেন।
আন্তর্জাতিক হকি অঙ্গনে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি তিনি একাধিকবার তার দেশকে সাফল্যের শীর্ষে নিতে অবদান রেখেছেন। তিনি ভারতীয় এবং বিশ্ব হকির এক কিংবদন্তিতুল্য ব্যক্তিত্ব। তার স্মরণে ভারতের ক্রীড়াঙ্গনে আজীবন কৃতিত্বের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার— মেজর ধ্যানচাঁদ পুরষ্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে এবং তার জন্মদিনেই দেশটিতে জাতীয় ক্রীড়া দিবস উৎযাপন করা হয়।  শোনা যায়, হিটলার ধ্যানচাঁদের খেলা দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তাঁকে জার্মান নাগরিকত্ব দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা নিতে অস্বীকার করেন ধ্যানচাঁদ। তাকে মেডেল পরিয়ে পুরষ্কৃত করেন রাষ্ট্র নায়ক হিটলার । তার পর স্টেডিয়ামে থেকে জিজ্ঞাসা করেন হিটলার, ভারতে কি করেন তিনি ? ধ্যান চাঁদ বলেন ভারতের সেনাবাহিনী তে যুক্ত তিনি । তারপর হিটলার তাকে জার্মানির সেনাবাহিনী তে উচ্চ পদের জন্য আমন্ত্রণ জানান । তবে ধ্যান চাঁদ তার আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন । তার আত্মজীবনী ” গোল ” বই টিতে এই ঘটনার কথা লিপিবদ্ধ আছে ।

 

কিংবদন্তি এই হকি তারকার নামে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় মূর্তি গড়া হয়েছে।

১৯৫৬ সালে তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত হন।

১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিক্সে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ধ্যানচাঁদ। সেবারই হকির জাদুকর হিসেবে নামকরণ হয় ধ্যানচাঁদের।

নয়া দিল্লিতে তার নামে একটি জাতীয় হকি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঝাঁসি তে তার নামেই রয়েছে জাতীয় হকি একাডেমি।

 

আজকের দিনেই রাষ্ট্রপতি অর্জুন ও রাজীব খেলরত্ন পুরস্কার, দ্রোণাচার্য পুরস্কার তুলে দেন ক্রীড়াজগতে দেশের কৃতিদের হাতে। ক্রীড়া সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দেশের ক্রীড়া সংস্কৃতি ও জাতীয় ক্রীড়া দলগুলোর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বাড়াতে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে , স্কুলে এই দিন টি পালন করা হয়। তবে ভারতের মতন জাতীয় ক্রীড়া দিবস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময়ে উৎযাপিত হয়ে থাকে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

২৯ আগস্ট, ইতিহাসের আজকের এই দিনে যা ঘটেছিল।

আজ ২৯ আগস্ট। ইতিহাস ঘেটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনে ঘটেছে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আসুন আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় একনজরে দেখে নিই।  ইতিহাসের আজকের এই দিনে কী কী ঘটেছিল, কে কে জন্ম নিয়েছিলেন ও মৃত্যুবরণ করেছিলেন——-

 

দিবস—–

(ক)  জাতীয় ক্রীড়া দিবস (ভারত)

(খ) খনি শ্রমিক দিবস (ইউক্রেন)

(গ) পারমাণবিক পরীক্ষা বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – ভারনার ফ্রোসমান, নোবেলজয়ী [১৯৫৬] জার্মান চিকিৎসক।

১৯০৫ – ধ্যানচাঁদ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় হকি খেলোয়াড়।

১৯০৮ – ভেরিয়ার এলউইন, ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় নৃতত্ত্ববিদ, নৃতাত্ত্বিক এবং উপজাতীয় কর্মী।

১৯১৫ – ইনগ্রিড বার্গম্যান, সুইডিশ চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯২৩ – রিচার্ড স্যামুয়েল অ্যাটনবারা,ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা।

১৯৫৮ – মাইকেল জ্যাকসন, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার এবং ড্যান্সার।

১৮৬২ – মোরিস মাতরলাঁক, নোবেলজয়ী [১৯১১] কবি ও নাট্যকার।

১৬৩২ – জন লক, প্রভাবশালী ইংরেজ দার্শনিক।

৫৭০ – মুহাম্মাদ, ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯৪৭- ভীমরাও রামজি আম্বেডকরকে ভারতীয় সংবিধান খসড়া সমিতির সভাপতি করা হয়।

১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়ন হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

১৯৫৬ – খাদ্যের দাবিতে ঢাকায় ‘ভুখা মিছিল’ হয়।

১৯৯১ – সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সংসদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।

১৮২৫- পর্তুগাল ব্রাজিলের স্বাধীনতা স্বীকার করে নেয়।

১৮৩১- মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৩৫ – অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন নগর স্থাপিত হয়।

১৮৪২ – নানকিন চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অ্যাংলো-চীন যুদ্ধ শেষ হয়। চুক্তির শর্ত অনুসারে হংকং ভূখণ্ড ব্রিটেনকে লিজ দেওয়া হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০২১ – বুদ্ধদেব গুহ, প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯৬০ – জর্ডানের প্রধানমন্ত্রী হাজ্জা মাজালি।

১৯৬৬ – সাইয়েদ কুতুব, একজন মিশরীয় ইসলামী চিন্তাবিদ এবং বিপ্লবী রাজনৈতিক সংগঠক।

১৯৭৬ – (১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ) কাজী নজরুল ইসলাম, বাঙালি লেখক, সাহিত্যিক, বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি।

১৯৮২ – ইনগ্রিড বার্গম্যান, সুইডিশ চলচ্চিত্রাভিনেত্রী।

১৯৯৪ – তুষারকান্তি ঘোষ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি সাংবাদিক।

১৯৯৭ – কংসারী হালদার, পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার তেভাগা আন্দোলনের খ্যাতনামা নেতা ও এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯৯৯ – মোহনানন্দ ব্রহ্মচারী, ভারতীয় বাঙালি ধর্মগুরু ও যোগী পুরুষ।

১৬০৪ – হামিদা বানু বেগম, মোগল সম্রাজ্ঞী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This