Categories
রিভিউ

আজ ১৪ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৪ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বিশ্ব পাই দিবস ৷

(খ) বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৫৪ – পাউল এরলিখ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান-ইহুদি চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী।

 

১৮৭৯ – আলবার্ট আইনস্টাইন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থ বিজ্ঞানী।

 

১৯১৬ – ভারতের কম্পিউটারের জনক সমরেন্দ্র কুমার মিত্র।

 

১৯৩৩ – মাইকেল কেইন, ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।

 

১৯৩৪ – আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী – ছড়ার গানকে জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে যাঁর বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।

 

১৯৬৫ – আমির খান, ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের অভিনেতা।

 

১৯৬৫ – রোহিত শেঠী : ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্রের পরিচালক, প্রযোজক ও উপস্হাপক।

 

১৯৮৬ – জেমি বেল, ইংরেজ অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৬৪ – স্যার স্যামুয়েল বেকার এ্যালবার্ট আফ্রিকার হ্রদ আবিষ্কার ও নামকরণ করেন।

১৮৯১ – ইংলিশ চ্যানেলে প্রথম ডুবোতাহাজ টেলিফোন লাইন স্থাপিত হয়।

১৯২৫ – প্রথম ট্রান্স আটলান্টিক রেডিও সম্প্রচার সম্পন্ন হয়।

১৯৩১ – আলম আরা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র আলম আরা মুক্তি পায়।

১৯৩৯ – কলকাতায় ‘নাট্যনিকেতন’ রঙ্গমঞ্চের উদ্বোধন হয়।

১৯৫৫ – ভিয়েতনামে ঐতিহাসিক দিয়েন বিয়েন ফুয়ের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭৩ – বিজ্ঞানী মণিলাল ভৌমিক এক্সিমার লেজারের কথা প্রথম ঘোষণা করেন ডেনভার অপ্টিক্যাল সোসাইটিতে।

১৯৭৫ – রোম সম্রাট প্রথম কার্দিনান্দ পোপের অনুমতি ছাড়াই অভিষেক অনুষ্ঠান করেন।

১৯৭৫ – রাষ্ট্রীয় সফরে আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ দাউদ ঢাকায় আগমন করেন।

১৯৭৮ – ইসরাইল মহড়ার অজুহাতে সৈন্য বাহিনীকে জড়ো করে এবং লেবাননের উপর আগ্রাসন চালায়।

১৯৮০ – ইসলামী ইরানের সংসদ মজলিসে শুরার প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ – তেহরানের জুমআর নামাজের সমাবেশে বিদেশীদের অনুচররা বোমা হামলা চালিয়েছিলো।

১৯৯০ – মিখাইল গর্বাচেভ সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৯২ – সোভিয়েত ইউনিয়নের ‘প্রাভদা’ পত্রিকার প্রকাশ বন্ধ হয়ে যায়।

২০০৭ – নন্দীগ্রাম গণহত্যার ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলিচালনায় ১৪জন গ্রামবাসী নিহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৬৮২ – ইয়াকব ভ্যান রাইস্‌ডেল, সপ্তদশ শতকের প্রখ্যাত ওলন্দাজ চিত্রশিল্পী।

 

১৮৮৩ – কার্ল মার্ক্স, প্রভাবশালী জার্মান সমাজ বিজ্ঞানী ও মার্ক্সবাদের প্রবক্তা।

 

১৮৯৯ – হের্মান স্টাইন্‌টল, জার্মান ভাষাতাত্ত্বিক ও দার্শনিক ছিলেন।

 

১৯৭৫ – যতীন্দ্রপ্রসাদ ভট্টাচার্য, একজন বাঙালি কবি ।

 

১৯৭৬ – পল্লীকবি জসিমউদ্দিন, একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক।

১৯৮১ – কেন ব্যারিংটন, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৯৫ – উইলিয়াম আলফ্রেড ফোলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৯৭ – বাঙালি কবি ও লেখক সামসুল হক।

২০১২ – হিমানীশ গোস্বামী বিশিষ্ট রসসাহিত্যিক, সাংবাদিক ও ব্যঙ্গচিত্রী ।

 

২০১৮ – স্টিভেন হকিং, ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৩ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৩ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৩৩ – যোশেফ প্রিস্টলি, ইংরেজ রসায়নবিদ।

 

১৮৪৪ – মনমোহন ঘোষ,কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম বাঙালি ব্যরিস্টার।

 

১৮৬১ – জলধর সেন, সাহিত্যিক ও সম্পাদক।

 

১৮৯২ – গোবর গোহ (যতীন্দ্রচরণ গুহ), ভারতীয় কুস্তিগীর ও পালোয়ান।

১৯০০ – গেওর্গে সেফেরিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

 

১৯১৪ – বাঙালি কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ সরোজ দত্ত।

 

১৯১৫ – ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক প্রতিভা বসু।

১৯১৬ – প্রবাসজীবন চৌধুরী, ভারতীয় সৌন্দর্যতত্ত্ব বিশারদ।

১৯৩০ –  বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিনের জন্ম।

 

১৯৩১ – চণ্ডী লাহিড়ী, ভারতীয় বাঙালি ব্যঙ্গচিত্রী ও লেখক।

১৯৩৬ – আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, কবি ও লেখক।

 

১৯৬৬ – ইসরাফিল আলম, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৪৫ – এই দিন থেকে জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সূচনা।

৬২৪- বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৭৫৮ – হেলির ধূমকেতু গ্রহকক্ষস্থ সূর্যের নিকটতম বিন্দুতে অবস্থান নেয়।

১৭৮১ – স্যার উইলিয়াম হার্শেল ইউরেনাস গ্রহ অবিষ্কার করেন।

১৭৯৯ – মেদিনীপুরে চুয়াড় বিদ্রোহ শুরু গোবর্ধন দিকপতির নেতৃত্বে।

১৮৭৮ – বিভিন্ন ভাষার সংবাদপত্রের জন্য ব্রিটিশ রাজ কর্তৃক সংবাদপত্র আইন প্রণীত হয়।

১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয়।

১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনির মৃত্যু।

১৯২২ – কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৯৩০ – সৌরমন্ডলের নবম গ্রহ প্লুটো আবিষ্কৃত হয়।

১৯৫৪ – ইন্দোচীনে দিয়েন বিয়েন ফু’র যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৭১ – শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে স্বাধীনতা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষুব্ধ শিল্পী সমাজের প্রথম মিছিল।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সুইজারল্যান্ড।

১৯৮৭ – ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠা।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৩৯ – সুবাদার সুজাউদ্দিন খান।

১৭৪৮ – সুইজারল্যান্ডের খ্যাতনামা গণিতবিদ ইয়োহান বার্নুয়ি।

 

১৮৮১ – রাশিয়ার জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার।

১৮৯৪ – জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হার্টজ।

১৯০১ – বেঞ্জামিন হ্যারিসন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৩তম রাষ্ট্রপতি।

১৯০৬ – মার্কিন নারী ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার অন্যতম পুরোধা নেত্রী সুসান ব্রাউলেন অ্যান্টনি।

 

১৯৩৬ – স্যার কেদারনাথ দাস কলকাতার খ্যাতনামা স্ত্রীরোগবিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসাশাস্ত্রের শিক্ষক ।

১৯৬৭ – ফ্রাঙ্ক ওরেল, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার ও জামাইকান সিনেটর।

১৯৬৮ – ইবরাহিম ইসমাইল চুন্দ্রিগড়, পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৭৬ – জসীম উদ্‌দীন,  একজন বাঙালি কবি, গীতিকার, ঔপন্যাসিক ও লেখক।

 

১৯৮৫ – বাঙালি কবি দীনেশ দাশ।

১৯৯৬ – ক্রিস্তফ কিয়েশ্‌লফ্‌স্কি, পোল্যান্ডের খ্যাতিমান চলচ্চিত্র নির্মাতা।

 

২০০৪ – বিলায়েত খাঁ ভারতের বিখ্যাত বাঙালি সেতার বাদক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
গল্প প্রবন্ধ রিভিউ

ভ্রমণ শব্দটির উৎস ও ইতিহাস – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

ভ্রমণ শব্দটির উৎস ইতিহাসের কালে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে । ভ্রমণ বা ট্রাভেল শব্দটার উৎপত্তি হয়েছে আদি ফরাসি শব্দ travail থেকে । ফরাসি শব্দ travail  অর্থ শ্রম, পরিশ্রম, (labor, toil, ) ইত্যাদি । আবার travailler অর্থ হচ্ছে কাজ, পরিশ্রম, শ্রম, যন্ত্রণা, কষ্ট,  (Work, labor, toil, suffering from painful efforts, troubles, ) ইত্যাদি । অনেকের মতে প্রাচীনকালে ভ্রমণ ছিল ভীষণ কষ্টকর । তাই travailler  শব্দটা কষ্টকর জ্ঞাতার্থে ব্যবহৃত হতে পারে ।  তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগের কষ্টকর  ভ্রমণ নির্ভর করছে  গন্তব্যস্থলের উপর । যেমন মাউন্ট এভারেস্টে ভ্রমণ ঝুঁকির ও কষ্টের ।
এবার আসছি, ভ্রমণ বলতে আমরা কী বুঝি ?  ভ্রমণের ব্যবহারিক অর্থ নানানরকম । যেমন প্রাতকালীন ভ্রমণ, বৈকালিন ভ্রমণ, নদীর পারে ভ্রমণ, জ্যেৎস্নার আলোয় ভ্রমণ, ট্রেনে-বাসে-উড়োজাহাজে-জলযানে ভ্রমণ, ইত্যাদি । যদি ভ্রমণের মাধ্যম ধরি তাহলে ভ্রমণ হতে পারে হাঁটা, কিংবা সাইক্লিং’এর মাধ্যমে  অথবা গাড়িতে যেমন পাবলিক পরিবহন, প্রাইভেট গাড়ি, রেল এবং বিমান ।   আক্ষরিক অর্থে আমরা যেটা বুঝি ভ্রমণ অর্থ বেড়ানো, ঘোরাঘুরি, এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় যাওয়া, অর্থাৎ পর্যটন করা । অন্য অর্থে দেশ ভ্রমণ । এছাড়া ভ্রমণ অর্থ যেটা বুঝি, সেটা হচ্ছে চিত্তবিনোদন, পর্যটন ও অবকাশ যাপন ।  ভ্রমণ মানুষের জীবনে আনে বৃহত্তের আহ্বান । আনে অজানা সৌন্দর্যের সংবাদ । অচেনার সান্নিধ্য মানুষ পায় বিষ্ময়ের শিহরণ । তাই ভ্রমণ শুধুমাত্র দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিদেশ ভ্রমণও সমানভাবে উল্লেখযোগ্য । তবে এটাও ঘটনা, মানুষের মধ্যে ভ্রমণের আবশ্যিক দিক নিজের দেশকে জানবার, বোঝবার, দেখার । কিছু মানুষ তথ্য জোগাড়ের জন্য গবেষণা ভ্রমণও করেন । নিজের জন্মস্থানের গাঁ-গঞ্জ-শহর-নগর থেকে বেরিয়ে দেশের ও বিদেশের দ্রষ্টব্য স্থানের ভৌগলিক অবস্থান, তার ইতিহাস, রাজনীতি বা তার নৃতত্ত্ব  জানাটা ভ্রমণের মুখ্য উদ্দেশ্য ।  তা ছাড়া দিনের পর দিন একই পরিবেশের জীবন যাপন থেকে ক্ষণিকের মুক্তি । একটু বৈচিত্র্যের আস্বাদনের উপলব্ধি, যে বৈচিত্র্য আমাদের দেয় অপরিসীম আনন্দ ।
যদি নিজের দেশ ভারতবর্ষকেই ধরা যায় তাহলে দেখা যাবে, একই দেশে বাস করা সত্ত্বেও বিভিন্ন প্রদেশের মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রকারভেদ । নানান ধর্ম, নানান জাতির মানুষের বসবাস । বিভিন্ন ভাষার বিভিন্ন বর্ণের মানুষ । প্রত্যেকের জাতিসত্বা, ভাষার প্রয়োগ, ধর্মের আচরণ, এমনকি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা আলাদা । যার জন্য ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের ভ্রমণের মাধ্যমে দেশকে চেনার, দেশের মানুষদের জানবার আকাঙ্খা প্রবল । দেশের বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে পরিচয়ের মাধ্যমে নানাবিধ অভিজ্ঞতা সঞ্চয় ও নতুন-নতুন জ্ঞান আহরণ সম্ভব । বিচিত্র আমাদের দেশ এবং বিচিত্র তার অধিবাসী । আরও বিচিত্র তাদের সাংস্কৃতিক জীবন যাপন এবং সামাজিক রীতিনীতি । আমদের দেশে কতো অরণ্য, সমুদ্র, পাহাড়, পর্বত । নিসর্গ প্রকৃতির কতো অফুরান বৈভব, কতো  পশু-পাখী, জীবজন্তু । ভ্রমণের মাধ্যমে সেগুলির পূর্ণভাবে উপলব্ধি ঘটে । এখানে বলা যেতে পারে, ভ্রমণ অন্য কথায় শিক্ষার একটি অঙ্গ ।
ভ্রমণের পরিধি নির্ধারণে অবশ্যই আর্থিক সঙ্গতির প্রসঙ্গ উল্লেখযোগ্য । ভারতবর্ষ আমাদের উন্নয়নশীল দেশ । এখানে মাথাপিছু আয় প্রয়োজনের তুলনায় খুব কম । ফলে মানুষের যতোটুকু আয় প্রায় ততোটুকুই সংসার নির্বাহের জন্য নিঃশেষিত হয়ে যায় । যার জন্য সংসার বাঁচিয়ে উদবৃত্তের পরিমাণ ভীষণ স্বল্প । তবুও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ সংসারের  খরচা বাঁচিয়ে  ঐ নগণ্য আয় থেকে ভ্রমণের জন্য জমিয়ে রাখে । অভিজ্ঞতার নিরিখে এটা পরিস্কার, চাকুরিজীবিদের মধ্যে ভ্রমণের নেশা তুলনামূলকভাবে বেশী । ভ্রমণের প্রতি তাঁরা বেশী সংবেদনশীল । দেখা গেছে চাকুরিজীবি মানুষ একনাগাড়ে ছয় মাস অফিস করলে হাঁফিয়ে ওঠেন । তখন তাঁদের শরীর-মন ক্ষণিকের জন্য একঘেয়েমি জীবনের অবসান ঘটানোর নিরিখে কোনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে  ভরা স্থানে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চান । সামর্থ অনুযায়ী তখন ব্যস্ততম কর্মজীবন থেকে ক্ষণিকের জন্য নিবৃত্তি । মুক্তির আস্বাদনের তাগিদে তাঁদের ভ্রমণ ।
ভ্রমণের  ক্ষেত্রে শারীরিক সুস্থতা ভীষণ জরুরি । আবার অনেকে ডাক্তারী পরামর্শ মতো হাওয়া বদলের জন্য ছোটেন । খুব স্বল্প সংখ্যক মানুষ বিশ্রাম নিতে বেড়ানোর দ্রষ্টব্যস্থানে বেড়াতে যান ।  কিছু ভ্রমণ পিপাসু মানুষের ধারণা, ভ্রমণের মাধ্যমে তাঁদের শরীরে তাজা অক্সিজেন ঢোকে । এইজন্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, উকিল, রাজনীতিবিদ, বরিষ্ঠ নাগরিক, ইত্যাদি পেশার মানুষ সাময়িক বিশ্রামের তাগিদে বিভিন্ন দ্রষ্টব্যস্থানে ভ্রমণ করেন । সুতরাং ভ্রমণের প্রেক্ষাপট চিন্তা করলে দেখা যায়, ভ্রমণ শুধুমাত্র চিত্ত বিনোদনের জন্য নয় । ভ্রমণ মানুষের মধ্যে সংঘটিত হয় বিভিন্ন প্রয়োজনে । এছাড়াও শিক্ষামূলক ভ্রমণ, ব্যবসা-বাণিজ্যিক ভ্রমণ, রোগ চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ, ধর্মীয়-ভ্রমণ,  সর্বজনবিদিত ।
ভ্রমণের স্থান, কাল, ইত্যাদির ব্যাপারে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের নিজস্ব চিন্তাভাবনাটা অগ্রগণ্য । কিছু মানুষের হিল  স্টেশনে ভ্রমণের প্রতি দুর্বলতা । তাই তাঁরা বিভিন্ন হিল এলাকা ভ্রমণের জন্য বেছে নেন । যেমন দার্জিলিং, সিমলা, উটি, কাশ্মীরের পহেল গাঁও-সোনমার্গ-গুলমার্গ, লে-লাদাখ,  মাউন্ট আবু,  কোহিমা, ইত্যাদি । শোনা যায়, হিল স্টেশনে বেড়ানোর আর একটা মজা সেটা হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য । সমতলভূমি থেকে পাহাড়ে উঠবার সময় রাস্তার দুধারে প্রকৃতির অকৃত্রিম সবুজের ভাণ্ডার । বিভিন্ন ধরনের গাছ গাছালির অফুরন্ত সমারোহ । যা দেখলে চোখ সরানো দায় ! তার উপর এক পশলা বৃষ্টি হলে রাস্তার দুইধারে বৃষ্টি স্নাত গাছ-গাছালির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মনোমুগ্ধকর । পাহাড়ী এলাকাতে প্রাকৃতিক সমারোহের প্রাচুর্য এত থাকলে কী হবে, সেখানকার মানুষের দৈণ্যদশা প্রকট । তাঁদের  অর্থনৈতিক অবস্থা তথৈ-ব-চ । শোচনীয় তাঁদের দৈনন্দিন জীবন যাপন । ক্ষেতি জমিতে ফসল উৎপাদনের হালহকিকৎ দুঃখজনক । যার জন্য তাঁরা পর্যটকের উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল । প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মানুষ পর্যটন ব্যবসার উপর নির্ভরশীল । কিছু কিছু পাহাড়ী এলাকায় পর্যটকের সংখ্যা খুবই কম ।   উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী এলাকা যেমন কোহিমা, ইম্ফল, আইজল, ইত্যাদি । অথচ এইসব হিল স্টেশনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কোনো অংশে কম নয় । ভ্রমণ পিপাসু মানুষের সংখ্যা ঐ সমস্ত এলাকায় বেশী মাত্রায় ভিড় করলে এলাকার জনগণের মধ্যে অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়তো । সুতরাং ভ্রমণের  ক্ষেত্রে দ্রষ্টব্যস্থান বাছাটাও  গুরুত্বপূর্ণ ।
সমুদ্র তীরবর্তী শহরে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষের চেয়ে বাঙালীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো । অনেক বাঙালী সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল হিসাবে প্রথমেই পুরী’কে  বাছেন । পুরীর সমুদ্রের উদ্দেশে ভ্রমণের আরও একটি কারণ পুরীর জগন্নাথ মন্দির দর্শন । আবার পুরীতে রয়েছে ঐতিহাসিক কোনারক যেখানে প্রচুর মানুষ ভিড় করেন । ইদানীংকালে দীঘার  সমুদ্র সৈকতে মানুষের ভিড়  নজরকাড়া । কেননা দীঘার সমুদ্রের পার আধুনিক সজ্জায় সুসজ্জিত । সরকারি দৃষ্টির সৌজন্যে  দীঘার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ এখন ভীষণ জনপ্রিয় । ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে আকর্ষণীয় হচ্ছে  সমুদ্রের বীচ । সমুদ্রের বীচের বালিতে পর্যটকদের হেঁটে অফুরন্ত  আনন্দ  । যার জন্য চেন্নাইয়ে ম্যারিনা বীচ, গোয়ার ক্যারাঙ্ঘুটে বীচ, মুম্বাইয়ের জুহু বীচ, কন্যাকুমারীর তিনটি সমুদ্রের সঙ্গমস্থলের বীচ, ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে আজও আকর্ষণীয় । তা ছাড়া সমুদ্রের সন্নিহিত অঞ্চলে ব্যবসা বাণিজ্যের বাড়-বাড়ন্ত চোখে পড়ার মতো ।
মন্দির, মসজিদ, গীর্জা, দর্শন ভ্রমণের অন্যতম উদ্দেশ্য । অনেক ভ্রমণার্থী  মন্দির দর্শনের পাশাপাশি মন্দিরের দেবতার পুজো দিতে উৎসাহী । ধর্মের প্রতি অনুরাগ মানুষের মধ্যে কমবেশী বিরাজিত  । সেই আকাঙ্খা থেকেই ধর্মীয় স্থানে ভ্রমণের ঈপ্সা । তা ছাড়া জানারও আকাঙ্খা প্রবল । যেমন দক্ষিণ ভারতে তিরুমালায়  মন্দির (বেঙ্কটেশ্বর), অসমে কাম্রুপ কামাক্ষার মন্দির, আজমীরে মসজিদ, কোহিমায় ক্যাথিড্রাল চার্চ, পুরীতে জগন্নাথ মন্দির, মুম্বাইতে মাতা লক্ষ্মী মন্দির, জম্মুতে কাটরায় বৈষ্ণদেবী মন্দির, ইত্যাদিতে ভ্রমণের আকাঙ্ক্ষা প্রবল ।
ভ্যালী এলাকায় ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ছুটছেন । শিমলা থেকে কিন্নর ভ্যালী, লাদাখে নুব্রা ভ্যালী,  মানুষের কাছে আজও আকর্ষণীয় । বড় দ্বীপ বলতে মাজুলি দ্বীপ । শোনা যায় মাজলি দ্বীপ এশিয়ায় বিখ্যাত । অসমের যোরহাট থেকে মাজুলি যাওয়া সহজ । বিশাল ব্রহ্মপুত্র নদের (ব্রহ্মপুত্র হচ্ছে পুরুষ নদী) মধ্যেখানে মাজুলি দ্বীপ । অনেকেই ছুটছেন মাজুলি দ্বীপ ভ্রমণে । এছাড়া আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে অনেকগুলি দেখার মতো দ্বীপ রয়েছে । হ্যাভলক দ্বীপ তার মধ্যে অন্যতম ।  উত্তর-পূর্ব রাজ্যে চা-বাগান উল্লেখযোগ্য । যেমন ডিব্রুগড়  জেলা  জুড়ে চা-বাগান । তা ছাড়া দার্জিলিঙের চা-বাগান বিশ্বখ্যাত । এইসব চা বাগানে মনে হয় প্রকৃতি সবুজ গালিচা পেতে রেখেছে । দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে জঙ্গলের সমারোহ ।  পশ্চিম বঙ্গের জলদাপাড়ার জঙ্গল, অসমের কাজিরাঙ্গার জঙ্গল উল্লেখযোগ্য ।  কাজিরাঙ্গার জঙ্গলের খ্যাতি বিশ্বজুড়ে । পশু, পাখী, জীব-জন্তুতে ভরা । কাজিরাঙ্গা জঙ্গলে গন্ডারের বিচরণ অন্যতম ।
জানার ও দেখার স্পৃহার শেষ নেই । সেটা রাঁচীর পাগলা গারদ হোক বা কারগিলের যুদ্ধস্থান হোক বা অমৃতস্বরের স্বর্ণমন্দির হোক । ভ্রমণ পিপাসু মানুষ সতত ছুটছেন তাঁদের একটানা দম-বদ্ধ জীবন থেকে সাময়িক মুক্তির খোঁজে ।
মানুষের মধ্যে ভ্রমণের সময় নির্ধারণ করা বড্ড কঠিন । পরীক্ষা বা পড়াশুনার ব্যস্ত সময়ে ভ্রমণের ইচ্ছা প্রসমিত থাকে  । তেমনি চাষীদের চাষের মরশুম, ব্যবসায়ীদের ব্যবসার ধামাকার সময় যেমন দুর্গা  পুজা, ইত্যাদির সময়, চাকুরিজীবিদের চাকরিস্থলে ছুটি গ্রান্ট না হলে, ভ্রমণের ইচ্ছা নৈব-নৈব-চ । এত কিছুর মধ্যও ভ্রমণ পিপাসু মানুষ ভ্রমণের তাগিদে দেশ বিদেশ ছুটছেন । কেননা ভ্রমণ মানুষকে সতেজ  ও  প্রফুল্ল রাখে  ।

 

।।কলমে : দিলীপ রয়।।

 

(তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত)

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া বাস্তবতা নিয়ে কিছু বিখ্যাত উক্তি।

০১। বাস্তবতা নিছক একটি মায়া, যদিও এটি খুব স্থায়ী ।

-আলবার্ট আইনস্টাইন।

০২। এক জনের কাছে পাগলামি আর অন্য জনের কাছে বাস্তবতা।

-টিম বার্টন।

০৩। পৃথিবীতে কঠিন বাস্তবের মধ্যে একটি বাস্তব হলো- মানুষ যখন সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছায় আর তখনই তার প্রিয় মানুষটি হারিয়ে যায়।

-রেদোয়ান মাসুদ

০৪। মনের অনেক দরজা আছে, সেখান দিয়ে অসংখ্যজন প্রবেশ করে এবং বের হয়ে যায় তাই সবাইকে মনে রাখা সম্ভব হয় না।

-টমাস কেস্পিস।

০৫। পৃথিবীতে কেউ কারো নয়, শুধু সুখে থাকার আশায় কাছে টানার ব্যর্থ প্রত্যয় আর দূরে চলে যাওয়ার এক বাস্তব অভিনয়।

-রেদোয়ান মাসুদ

০৬। জীবনকে যেমন মৃত্যুকেও তেমনি স্বাভবিক বলে মেনে নিতে হবে

-শহীদুল্লাহ্ কায়সার।

০৭। বেঁচে থাকি আশা করি কষ্ট পাই কাঁদি, লড়ি আর সবশেষে ভুলে যাওয়া.. যেন কোনদিন ছিলামই না

-মেরি বাশকিরভ সেভ।

০৮। বাস্তবতা কল্পনার অনেক কিছুই ফেলে দেয়।

-জন লেনন।

০৯।  বাস্তবতা এতই কঠিন যে কখনও কখনও বুকের মধ্যে গড়ে ওঠা পয়েন্ট টু-পয়েন্ট ভালোবাসাও অসহায় হয়ে যায়।

-হুমায়ূন আহমেদ।

১০। তোমাকে ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য আমার নেই, কারণ তোমাকে আমি আমার জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তোমাকে ধরে রাখার কোনো উপায় আমার কাছে জানা নেই, কারণ বাস্তবতার কাছে আমি বড় অসহায়।

-রেদোয়ান মাসুদ।

১১। যারা বলে অসম্ভব, অসম্ভব তাদের দুয়ারেই বেশি হানা দেয়।

-জন সার্কল।

১২। মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষগুলোই ধরণীর আসল রূপ দেখতে পায়

-হুমায়ূন আহমেদ।

১৩। সুন্দরী মেয়েরা পারিবারিক জীবনে সবচেয়ে বেশি অসুখী হয়, কারণ তাদের ওপর বহু পুরুষের অভিশাপ লেগে থাকে।

– রেদোয়ান মাসুদ

১৪। কিছু লোক আছে যারা স্বপ্নের জগতে বাস করে, কিছু লোক আছে যারা বাস্তবতার মুখোমুখি হয়; তারপরে এমন ব্যক্তিরা আছেন যাঁরা একটিকে অপরটিতে পরিণত করে।

-ডগলাস এভারেট।

১৫। মানুষকে ঠকাতে যাদের বুক কাঁপে, বিবেকে বাঁধে তাদের জীবনে কখনো সুখ হয় না, দুঃখই সারা জীবন তাদের আড়াল করে রাখে।

-রেদোয়ান মাসুদ।

১৬। যেহেতু আমরা বাস্তবতা পরিবর্তন করতে পারি না, আসুন আমরা চোখ পরিবর্তন করি যা বাস্তবতা দেখায়।

-নিকোস কাজান্টজাকিস।

১৭। আমাদের উদ্দেশ্য আমাদের বাস্তবতা তৈরি করে।

-ওয়েইন ডায়ার।

১৮। অনেক কিছু ফিরে আসে, ফিরিয়ে আনা যায়, কিন্তু সময়কে ফিরিয়ে আনা যায় না

-আবুল ফজল।

১৯। বাস্তবতা এমন লোকদের জন্য যারা ড্রাগের মুখামুখি হতে পারে না।

-লরেন্স জে পিটার।

২০। বাস্তবতা অনেক কল্পনা ছুঁড়ে দেয়।

– জন লেনন।

২১। বাস্তবতা হ’ল আমরা সবাই যে কল্পনার সাথে একমত হই।

-অজানা।

২২। জীবন যতক্ষণ আছে বিপদ ততক্ষণ থাকবেই

-ইমারসন।

২৩। সুখে থাকতে সবাই চায় কিন্তু কিছু মানুষের জীবনে সুখে থাকতে চাওয়াটাই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

-রেদোয়ান মাসুদ

২৪। জীবন তৃপ্তি দেয় যতটুকু, অতৃপ্তি দেয় তার চেয়ে বেশি

-ক্রিস্টিনা রসের্ট।

২৫। মৃত্যুর চেয়ে কঠিন হচ্ছে জীবন। কেননা দুঃখ-কষ্ট বিপদ আপদ কেবল জীবনেই ভোগ করতে হয় মৃত্যু তা থেকে মুক্তি দেয়।

-সক্রেটিস।

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) গ্লুকোমা দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৭৯ – সম্রাট গিওলিয়ানি, ফ্লোরেন্সের সম্রাট।

 

১৬৮৫ – জর্জ বার্কলি, আইরিশ বিজ্ঞানী।

 

১৮৮১ – আধুনিক তুরস্কের স্থপতি কামাল আতাতুর্কের জন্ম।

১৮৮৪ – অতুলচন্দ্র গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট আইনজীবী।

১৮৮৯ – মুহাম্মদ ইদ্রিস আল-সেনুসি, লিবিয়ার বাদশাহ।

১৯১১ – আবু জাফর শামসুদ্দীন, কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

 

১৯২৪ – উৎপলা সেন, প্রখ্যাত বাঙালি গায়িকা ।

 

১৯২৮ – ফজলে লোহানী, বাংলাদেশের টিভিব্যক্তিত্ব।

১৯৩৫ – রেহমান সোবহান, বাংলাদেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক।

 

১৯৮৪ – শ্রেয়া ঘোষাল সঙ্গীত শিল্পী।

২০০৩ – নাঈম আহমেদ, বাংলাদেশের শিল্পপতি অর্থনীতিবিদ

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৬৫ – ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ।

১৬০৯ – বারমুডা ইংল্যান্ডের কলোনি হয়।

১৭৮৯ – আমেরিকায় পোস্ট অফিস স্থাপিত হয়।

১৭৯৯ – অস্ট্রিয়া ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮৬৭ – শেষ ফরাসি সৈন্যদল মেক্সিকো ত্যাগ করে ।

১৮৯৪ – যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বোতলজাত কোকাকোলা বিক্রি শুরু হয়।

১৮৯৬ – নেদারল্যান্ডসে প্রথম চলচ্চিত প্রদর্শিত হয় ।

১৯০৪ – ইংল্যান্ডে প্রথম ইলেকট্রিক ট্রেন চালু হয় ।

১৯৩০ – ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে উপনিবেশিক শক্তি বৃটেনের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ বা অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৫৪ – ভারতের রাষ্ট্রভাষাগুলিতে রচিত সাহিত্যের উন্নতি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে ভারত সরকার কর্তৃক সাহিত্য অকাদেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৮ – দক্ষিণ আফ্রিকার ক্ষুদ্র দেশ মরিশাস ইংরেজদের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৯ – সুপারসোনিক যাত্রীবাহী বিমান কনকর্ড প্রথম উড্ডয়ন করে।

১৯৭২ – ঢাকা স্টেডিয়ামে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিদায়ী কুচকাওয়াজ।

১৯৮৯ – আজকের দিনে স্যার টিম বার্নার্স লি CERN-এর ল্যাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তথা World Wide Web (www) বৈশ্বিক তথ্য আদানপ্রদানের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমের অবতারণা করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১২৮৯ – জর্জিয়ার রাজা দ্বিতীয় দিমিত্রি।

 

১৯২৫ – চীনের নেতা সান ইয়াৎ সেন।

 

১৯৩৭ – ইংরেজ সাহিত্যিক ক্রিস্টোফার কডওয়েল।

 

১৯৬০ – পণ্ডিত ও প্রাবন্ধিক ক্ষিতিমোহন সেন।

 

১৯৭৭ – কেয়া চক্রবর্তী প্রখ্যাত মঞ্চ অভিনেত্রী ।

 

১৯৮৬ – বিশিষ্ট শিল্পপতি মির্জা আহমেদ ইস্পাহানী।

 

১৯৮৮ – কথাশিল্পী সমরেশ বসু (কালকূট)।

 

২০০৩ – স্পার্টাকাসের লেখক, বিশ্বখ্যাত ঔপন্যাসিক হাওয়ার্ড ফাস্ট।

 

২০১৩ – ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ও নকশাকার গণেশ পাইন।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

প্রতি বছর ১২ মার্চ বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস পালন করা হয়।  দিনটি গ্লুকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিবেদিত, চোখের রোগের একটি গ্রুপ যা অপটিক নার্ভকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।  এটি বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ, যা আনুমানিক চার মিলিয়নের মধ্যে তিনজনকে প্রভাবিত করে।
গ্লুকোমা সপ্তাহ প্রতি বছর উদযাপিত হয়, গ্লুকোমা দিবসের মাধ্যমে সপ্তাহের শেষ হয়।  আসুন জেনে নেই বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৪ উদযাপনের ইতিহাস, তাৎপর্য, থিম এবং উপায় সম্পর্কে।

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৪: থিম—-

 

বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ পালিত হচ্ছে ‘গ্লুকোমামুক্ত বিশ্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ’ ‘Uniting for a Glaucoma-Free World‘ প্রতিপাদ্যে।  এখন একটি অবস্থান নেওয়ার সময় এবং.  একটি বিশ্ব সম্প্রদায় হিসাবে ঐক্যবদ্ধ।

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৪: ইতিহাস—-

 

গ্লুকোমা হল এমন একটি অবস্থা যা চোখের সামনের স্বচ্ছ স্তর কর্নিয়া এবং কনজাংটিভাকে প্রভাবিত করে।  এটি ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, লাল চোখ এবং ফোলা চোখ সহ বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।  কিছু ক্ষেত্রে, গ্লুকোমা সম্পূর্ণ অন্ধত্বও হতে পারে।
গ্লুকোমার কোনো একক কারণ না থাকলেও সবচেয়ে সাধারণ হল তরল জমা হওয়া যা অপটিক স্নায়ুর ওপর চাপ বাড়াতে পারে।  এর ফলে অপটিক নার্ভের ফাইবারগুলি মারা যেতে শুরু করতে পারে, যা সম্পূর্ণ, অপরিবর্তনীয় অন্ধত্বের দিকে পরিচালিত করে।  গ্লুকোমার অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বয়স, লিঙ্গ এবং জাতিগততা।
গ্লুকোমার প্রাথমিক সনাক্তকরণ দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করার মূল চাবিকাঠি।  এটি একজন চোখের ডাক্তার দ্বারা নিয়মিত চোখের পরীক্ষার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।  যত আগে গ্লুকোমা শনাক্ত হয়, তত সহজে চিকিৎসা করা যায় এবং স্থায়ী অন্ধত্ব হওয়ার সম্ভাবনা তত কম।
আপনার যদি গ্লুকোমার উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি থাকে, তাহলে আরও দৃষ্টিশক্তি হ্রাস রোধ করতে চোখের ডাক্তারের সাথে দেখা করা গুরুত্বপূর্ণ।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা আপনার দৃষ্টি সংরক্ষণ করতে এবং অন্ধ হওয়ার ঝুঁকি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করতে পারে।

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৪ : তাৎপর্য—-

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস এই অবস্থা এবং এর ঝুঁকির কারণ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে পালন করা হয়।  গ্লুকোমা শনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করাও এর লক্ষ্য।  প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি হ্রাস এবং অন্ধত্ব প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।
বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কয়েকটি কারণ এখানে রয়েছে:

গ্লুকোমা বিশ্বব্যাপী অন্ধত্বের একটি প্রধান কারণ।

এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী অবস্থা যা অপরিবর্তনীয় দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারে।

প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং চিকিত্সা দৃষ্টি ক্ষতি প্রতিরোধ করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রথম দিকে গ্লুকোমা সনাক্ত করার জন্য নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

গ্লুকোমার ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের, যেমন 40 বছরের বেশি বয়সী, তাদের নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করা উচিত।

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস ২০২৪ : উদযাপনের উপায়—-

 

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবস উদযাপন এবং অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করার অনেক উপায় রয়েছে।  এখানে কয়েকটি ধারনা:

বিশ্ব গ্লুকোমা দিবসের জন্য আপনার সমর্থন দেখাতে নীল পরিধান করুন।

আপনার সম্প্রদায়ের একটি গ্লুকোমা সচেতনতা ইভেন্টে যোগ দিন।

একটি গ্লুকোমা গবেষণা সংস্থাকে দান করুন।

গ্লুকোমা এবং কীভাবে এটি প্রতিরোধ করা যায় সে সম্পর্কে আরও জানুন।

আপনার গ্লুকোমার ঝুঁকি সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন এবং নিয়মিত চোখের পরীক্ষা করুন।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৮৭ – রুশ জেনারেল আইজাক নবোকভ।

 

১৮০৭ – ফরাসী চিত্রশিল্পী লুই বুলাঝেঁ।

 

১৮১২ – হরিচাঁদ ঠাকুর,বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৮৪০ – দার্শনিক, গণিতজ্ঞ ও বাংলা শর্টহ্যান্ড লিপির উদ্ভাবক দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর।

 

১৯১৫ – বিজয় হাজারে, ভারতীয় ক্রিকেটার।

 

১৯১৮ – শিশুসাহিত্যিক ও আকাশবাণীর ঘোষিকা ইন্দিরা দেবী।

 

১৯৩৭ – ভারতীয় বাঙালি মহিলা কবি বিজয়া মুখোপাধ্যায়।

 

১৯৩৯ – সাহিত‍্যিক বাণী বসু।

১৯৯৫ – চামপোকার জন্ম। অমিত চক্রবর্তী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৯৯ – তৈমুর লঙ সিন্ধুনদ অতিক্রম করে ভারতে আসেন।

১৫০২ – পার্সিয়ার শাহ প্রথম ইসমাইলের অভিষেক হয় ।

১৭০২ – প্রথম ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা দ্য কোরান্ট প্রকাশিত হয় ।

১৭৮৪ – মহিশুরে টিপু সুলতানের সাথে ইংরেজদের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত।

১৭৯৫ – কুর্দলার যুদ্ধে মারাঠাদের কাছে মোগল বাহিনী পরাজিত হয়।

১৮১২ – মার্শাম্যানের কলকাতার ছাপাখানা অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়।

১৮২৩ – আমেরিকায় প্রথম সাধারণ স্কুল চালু হয়।

১৯১১ – রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তার পরলোকগত স্বামীর নামে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯১৭ – ব্রিটিশ বাহিনীর বাগদাদ দখল।

১৯১৮ – মস্কো বিপ্লবী রাশিয়ার রাজধানী হয় ।

১৯১৯ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক।

১৯২০ – আমির ফয়সলের নিজেকে সিরিয়ার রাজা ঘোষণা।

১৯৩৫ – ব্যাংক অব কানাডা চালু হয় ।

১৯৩৮ – জার্মান বাহিনী অস্ট্রিয়ায় অনুপ্রবেশ করে।

১৯৪০ – যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্রিটেনে মাংসের রেশন চালু হয়।

১৯৪৮ – পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা না দেয়ায় পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। পুলিশ ৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করে।

১৯৪৯ – বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ব বাংলায় রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।

১৯৪৯ – দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার (পরে বাংলাদেশ অবজারভার) প্রকাশিত হয়।

১৯৬৬ – ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্নো সেনাবাহিনীর জেনারেল সুহার্তোর কাছে ব্যাপক ক্ষমতা অর্পণে বাধ্য হন। পরে সুকর্নোকে সরিয়ে সুহার্তো নিজেই প্রেসিডেন্ট হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গ্রিস।

১৯৭৪ – সিসিলির এটনা গিরিশৃঙ্গে অগ্নুৎপাত ঘটে।

১৯৭৭ – মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিবেদনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করায় ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার ২৫ বছরের সামরিক চুক্তি বাতিল করে।

১৯৭৯ – সেন্ট্রাল ট্রিটি অরগানাইজেশন বা সেন্টো থেকে ইরান নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেয়।

১৯৯০ – লিথুনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৯২ – পাঞ্জাবে শিখ জঙ্গীদের হাতে ১৭ হিন্দু শ্রমিক নিহত।

১৯৯৪ – এদুয়ার্দো ফ্রেই চিলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত।

১৯৯৯ – “ইনফোসিস” প্রথম ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানি হিসাবে নাসডাক স্টক মার্কেট অন্তর্ভুক্ত হয়।

২০০০ – ইউক্রেনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৮১ শ্রমিক নিহত।

২০০৪ – স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে তিনটি স্টেশনে ১০টি বোমা বিস্ফোরণে ১৯১ জন নিহত এবং দুই হাজারের বেশি আহত হয়।

২০০৬ – হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী স্লোবোদান মিলোসেভিচ পরলোকগমন করেন।

২০১৫ – মার্কিন-কিউবা সরাসরি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত ৷

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭৫৯ – ইংরেজ জেনারেল জন ফোর্বস।

১৮০৯ – ইংরেজ নাট্যকার ও কবি হান্না কাউলি।

 

১৮৭৩- শের আলী, তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভারতের ইংরেজ গভর্নর জেনারেল তথা বড়লাটকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

 

১৮৯৪ – রাজকৃষ্ণ রায় বিশিষ্ট নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।

 

১৯১৯ – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক।

১৯৩১ – জার্মান চিত্রপরিচালক ফ্রিডখি সুর্নাউ।

 

১৯৫৫ – নোবেল বিজয়ী স্কটিশ অণুজীব বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।

 

১৯৯১ – ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা অধ্যক্ষ আবুল কাশেম।

 

২০০৬ – হেগ অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত ৬৩ বছর বয়সী স্লোবোদান মিলোসেভিচের মৃত্যু হয়।

 

২০২০ – সন্তু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

জীবন বদলে দেওয়া মনীষীদের সেরা কিছু বাণী।

১) “মানুষের অন্তর্নিহিত পরিপূর্ণ বিকাশই হল শিক্ষা।”  – স্বামী বিবেকানন্দ।

 

২)  “জীবন ও সময় হলো পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। জীবন শেখায় সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে আর সময় শেখায় জীবনের মুল্য দিতে।” – এ.পি.জে আব্দুল কালাম

৩) “আমরা যে মানবজীবন পেয়েছি তা হল আদর্শ মানবজীবন গড়ে তোলার উপকরণ।” – সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন

৪)  “মানুষের কথা-বার্তায় ক্রোধ বা রাগের পরিমান খাবারের লবনের মত। যা পরিমিত হলে রুচিকর, অপরিমিত হলে ক্ষতিকর।” – প্লেটো

৫)  “অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায়।” – শেক্সপিয়র

৬)  “মূর্খের উপাসনা অপেক্ষা জ্ঞানীর নিদ্রা শ্রেয়।” – আল হাদিস

৭)  “মনুষ্যত্বের শিক্ষাটাই চরম শিক্ষা আর সমস্তই তার অধীন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৮) ”সুখে থাকাই জীবনের চরম সার্থকতা নয় বরং কাউকে সুখে রাখতে পারাটাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।” – রেদোয়ান মাসুদ।

৯)  “দেশপ্রেমিকের রক্তই স্বাধীনতা বৃক্ষের বীজ স্বরূপ।” – টমাস ক্যাম্পবেল।

১০)  “নদীতে স্রোত আছে তাই নদী বেগবান, জীবনে দ্বন্দ্ব আছে তাই জীবন বৈচিত্র্যময়।” – টমাস মুর।

১১) “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।” – শেখ মুজিবুর রহমান

১২)  “প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন।” – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১৩) “জ্ঞানীকে চেনা যায় নীরবতা থেকে, আর মূর্খকে তার বক্তব্য থেকে।” – পিথাগোরাস।

১৪)  “আমাদের সমস্ত স্বপ্ন সত্যি হতে পারে যদি আমরা তাদের অনুসরণ করার সাহস পাই।” – ওয়াল্ট ডিজনি

১৫) “বিদ্বান সকল গুণের আধার, অজ্ঞ সকল দোষের আকার। তাই হাজার মূর্খের চেয়ে একজন বিদ্বান অনেক বেশি কাম্যস” – চাণক্য

১৬) “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না।” – কনরাড হিলটন।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১০ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১০ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৭২ – ফ্রিড্‌রিশ ফন শ্লেগেল, জার্মান কবি।

 

১৭৮৪ – ভারতীয় পণ্ডিত ও কলকাতা হিন্দু সমাজের বিশিষ্ট নেতা স্যার রাজা রাধাকান্ত দেববাহাদুর।

 

১৮১০ – স্যামুয়েল ফার্গুসন, আইরিশ কবি।

১৮৭৩ – ইয়াকপ ওয়াসায়মান, জার্মান ঔপন্যাসিক।

১৮৮৮ – ব্যারি ফিটজগেরাল্ড, তিনি ছিলেন আইরিশ অভিনেতা।

 

১৯১১ – ওয়ার্নার অ্যান্ডারসন, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

১৯২৩ – ভ্যাল লজ্‌স্‌ডন ফিচ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩২ – আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী উড়ুপি রামচন্দ্র রাও জন্ম গ্রহণ করেন।

 

১৯৩৬ – সেপ ব্লাটার, ফিফার ৮ম প্রেসিডেন্ট (বর্তমান)।

 

১৯৪২ – সমরেশ মজুমদার ভারতের বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক।

১৯৫০ – মাহফুজ উল্লাহ, বাংলাদেশি লেখক, সাংবাদিক, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও পরিবেশবিদ।

১৯৫৬ – রবার্ট লয়েওয়েল্ল্যন, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও লেখক।

১৯৬৮ – ফেলিচে এরিনা, তিনি অস্ট্রেলিয়ান লেখক।

 

১৯৭০ – ওমর আব্দুল্লাহ, ভারতীয় রাজনীতিবিদ।

 

১৯৭৮ – নিল আলেকজান্ডার, তিনি স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮৪ – অলিভিয়া ওয়াইল্ড, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও প্রযোজক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৮৫ – সম্রাট আকবরের ফরমান জারি : আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী উদ্ভাবিত বাংলা ফসলী সন প্রবর্তিত হয়। এই সনই বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন।

১৬২৪ – ইংল্যান্ড ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮০১ – প্রথম ব্রিটিশ লোকগণনা শুরু হয়।

১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তার নব আবিস্কৃত টেলিফোনের মাধ্যমে প্রথম বার্তা প্রেরণ করেন।

১৯০৭ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সাপ্তাহিক ‘স্বরাজ’ সম্পাদনা শুরু করেন।

১৯১৯ – মিশর তেকৈ সাঈদ জগলুল পাশাকে বহিষ্কারের ফলে কায়রোতে জাতীয়তাবাদের দাঙ্গা শুরু।

১৯৩৪ – ব্রিটিশ রাজ বাংলার কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪২ – জাপানিরা রেঙ্গুন দখল করে নেয়।

১৯৪৫ – যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারফোর্স জাপানে ফায়ার বোমা নিক্ষেপ করে। এতে লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যার বেশির ভাগই বেসামরিক।

১৯৫৬ – বৈমানিক পিটার টুইস প্রথম মানব যিনি ঘণ্টায় ১০০০ মাইল বেগে বিমান চালনা করেন।

১৯৬৯ – মার্টিন লুথার কিং-এর হত্যাকারী জেমস আর্ল রে-কে যুক্তরাষ্ট্রের মেফিস আদালত ৯৯ বছরের সাজা প্রদান করেন।

১৯৭০ – ভিয়েতনামের মাইলাই গ্রামে বর্বরোচিত গণ-হত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন আরর্নেস্ট মেডিনা এবং অপর চার সৈন্যকে অভিযুক্ত করা হয়।

১৯৭১ – ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ভারতের কংগ্রেস পার্টি সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক বিজয় লাভ করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে সোয়াজিল্যান্ড।

১৯৭৪ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত।

১৯৯৩ – মিশরে মৌলবাদ দমন অভিযান। পুলিশের গুলিতে ২০ মুসলমানের প্রাণহানি।

২০০০ – দক্ষিণ আমেরিকার আন্দাজ পর্বতমালার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকার এক মরুভূমিতে পৃথিবীর বৃহত্তম ডাইনোসোরের কঙ্কাল আবিষ্কার।

২০২০ – জয় বাংলাকে হাইকোর্ট কর্তৃক বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ঘোষণা

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৮১১ – হেনরী ক্যাভেল ভিলন, বিজ্ঞানী।

১৮৭২ – মাৎসিনি, ইতালীয় জাতীয়তাবাদী নেতা।

১৮৯৭ – ভারতের মহারাষ্ট্রের সমাজ সংস্কারক শিক্ষাব্রতী ও কবি সাবিত্রীবাই ফুলে প্রয়াত হন।

১৯৪০ – মিখাইল বুলগাকভ, রুশ নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক।

১৯৬৬ – ফ্রাঙ্ক ও’কনার, আইরিশ ছোট গল্পকার।

১৯৬৬ – ফ্রিৎস জের্নিকে, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯৭২ – বিদগ্ধ সাহিত্যিক ও ইতিহাসবেত্তা হরিহর শেঠ।

 

১৯৮০ – সুবোধ ঘোষ, বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

১৯৮৩ – আতিকুজ্জামান খান, বাংলাদেশী কূটনীতিক, সাংবাদিক এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার।

 

১৯৮৮ – অ্যান্ডি গিব্ব, তিনি ছিলেন ইংরেজি থেকে অস্ট্রেলিয়ান গায়ক।

১৯৯৮ – লয়েড ব্রিজেস, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা।

 

২০০৩ – নীলুফার ইয়াসমীন, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী।

 

২০১২ – ফ্রাঙ্ক শেরউড রোল্যান্ড, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৯ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৯ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৪৫২ – আমেরিগেডেস পুচি, নৌ-অভিযাত্রী,তার নামানুসারে আমেরিকার নামকরণ করা হয়।

১৪৫৪ – আমেরিগও ভেসপুসি, ইতালীয় মানচিত্রকর এবং এক্সপ্লোরার।

১৭৬৭ – উইলিয়াম কচেট, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক।

 

১৮০৯ – পাগলা কানাই,মরমী কবি।

 

১৮১৪ – টারাস শেভচেঙ্কো, ইউক্রেনীয় কবি ও নাট্যকার।

১৮৯০ – ভ্যাচেস্লাভ মলোটভ, রাশিয়ান রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রী।

 

১৯০৭ – মির্চা এলিয়াদ, রুমানিয়ার লেখক।

 

১৯২৩ – ওয়াল্টার কোন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ।

 

১৯২৯- জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৪ – কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশের স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী।

১৯৩৪ – ইউরি গ্যাগারিন, রাশিয়ান কর্নেল, পাইলট ও মহাকাশচারী।

১৯৪২ – জন কালে, ওয়েলশ গায়ক, গীতিকার, ভিওলা বাদক ও প্রযোজক।

১৯৪৩ – রবার্ট জেমস ববি ফিশার, আমেরিকান দাবা খেলোয়াড় ও লেখক।

 

১৯৫১ – জাকির হুসেইন (তবলা বাদক), ভারতীয় তবলা বাদক, সুরকার ও অভিনেতা।

১৯৫৫ – অরনেলা মুতী, ইতালীয় অভিনেত্রী।

১৯৫৯ – তাকাকি কাজিটা, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি পদার্থবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

১৯৬৪ – জুলিয়েটেবিনচে, তিনি ফরাসি অভিনেত্রী।

১৯৬৮ – ইয়ুরি জর্কেফ, ফরাসি ফুটবলার।

১৯৭৫ – হুয়ান সেবাস্তিয়ান ভেরন, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

১৯৮৩ – মাইটে পেরনি, মেক্সিক্যান গায়ক, গীতিকার ও অভিনেত্রী।

১৯৯০ – দালি ব্লিন্ড, ডাচ ফুটবলার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০৭৪ – পোপ সপ্তম গ্রেগরী বিবাহিত পাদ্রীদের ধর্মচ্যুত করেন।

১৪৫১ – আমেরিগো ভেসপুচির জন্ম, তার নামেই আমেরিকার নামকরণ করা হয়।

১৭৭৬ – আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ রচিত “দ্য ওয়েল্থ অব নেশন্স” প্রকাশিত হয়।

১৮৫৮ – সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর (২) রেঙ্গুনে নির্বাসিত হন।

১৮৭২ – ব্রাহ্মধর্ম বোধিনী সভা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০২ – ব্রিটিশ সেনারা দায়িত্ব পালনকালে বা অন্য সময়ে চশমা ব্যবহারের অধিকার পায়।

১৯১৮ – রাশিয়ার রাজধানী পেত্রোগ্রাদ থেকে মস্কোতে স্থানান্তরিত হয়।

১৯৩০ – লন্ডনে প্রথম হিমায়িত খাদ্য বিপণন শুরু হয়।

১৯৪৪ – মার্কিন বাহিনী দিবালোকে বার্লিনে বোমাবর্ষণ শুরু করে।

১৯৫৬

মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে।

আবুল কাসেম ফায়জুল হক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিযুক্ত হন।

১৯৬১ – সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-৯ নভোযানের মাধ্যমে মহাশূন্যে প্রথমবারের মতো লাইকা নামের একটি কুকুর প্রেরণ করে।

২০১৫ – বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উন্নীত ৷

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩৫৪ – আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ হাসান সাদর, বিখ্যাত আলেম।

১৬৬১ – কার্ডিনাল মাযারিন, ইতালীয় ফরাসি শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

 

১৮৫১ – হান্স ক্রিশ্চিয়ান অরস্টেড, ডেনিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।

১৮৫৮ – মদনমোহন তর্কালঙ্কার, কবি, পণ্ডিত ও নাট্যকার।

১৮৯৭ – সাইয়িদ জামাল উদ্দিন আফগানি, আফগান ভাবাদর্শী ও একটিভিস্ট।

১৯৭৪ – আর্ল উইলবার সাদারল্যান্ড জুনিয়র, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান শারীরবিজ্ঞানী।

১৯৮১ – ম্যাক্স ডেলবুর্ক, ১৯৬৯ সালে নোবেল বিজয়ী চিকিৎসাবিজ্ঞানী।

 

১৯৮৩ – উল্ফ ভন ইউলার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ শারীরবিজ্ঞানী।

১৯৮৮ – কার্ট গেয়র্গ কিয়েসিঙ্গের, জার্মান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ।

১৯৯২ – মেনাখেম বেগিন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলি রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী।

১৯৯৪ – ফার্নান্দো রেয়, স্প্যানিশ অভিনেতা।

 

১৯৯৪ – দেবিকা রাণী ভারতের’ফার্স্ট লেডি অফ ইণ্ডিয়ান স্কিন’খ্যাত অভিনেত্রী।

 

১৯৯৬ – জর্জ বার্নস, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

২০১২ – জয় মুখার্জি, ভারতের চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।

 

২০১৪ – মোহাম্মদ ফাহিম, তিনি ছিলেন আফগান ফিল্ড মার্শাল, রাজনীতিবিদ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট।

 

২০১৫ – অ্যালেক্সিস ভাস্টিনে, ফরাসি মুষ্টিযোদ্ধা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This