Categories
রিভিউ

আজ ০৮ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৮ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক নারী দিবস, (জাতিসংঘ)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১৪ – কার্ল ফিলিপ এমানুয়েল বাখ, জার্মান সঙ্গীতস্রষ্টা।

 

১৮৫৪ – টম হোরান, আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৮৮৩ – ১৯৪৪ সালে নোবেলজয়ী জার্মানির ভৌত রসায়নবিদ অটো হান।

 

১৯০৮ – লোকনাথ বল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকারী এবং সূর্য সেনের সশস্ত্র বিপ্লবী।

 

১৯১৬ – বাঙালি সাহিত্যিক অন্নপূর্ণা গোস্বামী।

 

১৯৫৬ – রামকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।

 

১৯৭৪ – ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়, বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা।

 

২০০১ – আশিক সেখ তেঁতুলিয়া গ্রামের একজন ছাত্র।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১০১০ – কবি ফেরদৌসী তার বিখ্যাত মহাকাব্য শাহনামা সমাপ্ত করেন।

১০৮০ – পোপ গ্রেগরী জার্মানীর রাজা চতুর্থ হেনরীকে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতাচ্যুত করেন।

১৭২২ – গুলনাবাদ যুদ্ধের সময় ইরানের সম্রাট সাফাভিদ একজন আফগান সৈন্যের দ্বারা পরাজিত হন।

১৮১৭ – নিউ ইয়র্কের শেয়ার মার্কেটের প্রতিষ্ঠা।

১৮৩৬ – কলকাতায় পাবলিক লাইব্রেরির উদ্বোধন হয়।

১৮৬৫ – নর্থ সী ও আমস্টারডামের ভেতর সংযোগকারী খালের নির্মাণ কাজ শুরু।

১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল তার প্রথম টেলিফোনের পেটেন্ট গ্রহণ করেন।

১৮৯৪ – নিউইয়র্ক শহরে সর্বপ্রথম কুকুরের লাইসেন্স প্রদান।

১৯১১ – আজকের এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্থান পায়।

১৯১৭ – জ্যাজ রেকর্ড প্রথম বাজারে বিক্রি শুরু হয়।

১৯১৭ – পেট্রো গ্রাদে রুশ বিপ্লব শুরু।

১৯৩০ – মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।

১৯৪২ – ঢাকায় ফ্যাসিবিরোধী আন্দোলনে ছোট গল্পকার সোমেন চন্দ মিছিলে নিহত হন।

১৯৪৯ – ফ্রেন্স ইউনিয়নের অভ্যন্তরে ভিয়েতনামের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৫০ – সোভিয়েত ইউনিয়ন পারমাণবিক বোমার অধিকারত্ব দাবি করে।

১৯৫৪ – পূর্ববঙ্গ পরিষদের নির্বাচন; ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয়, ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৭টি ও মুসলিম লীগ ৯টি আসন পায়।

১৯৫৭ – ঘানা জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশে জাতীয় রক্ষীবাহিনী গঠনের সরকারি আদেশ জারী।

২০২০- বাংলাদেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৭০২ – তৃতীয় উইলিয়াম, ইংল্যান্ডের রাজা।

 

১৮৭৪ – মিলার্ড ফিল্‌মোর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ত্রয়োদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩০ – উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্‌ট্‌ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৭তম রাষ্ট্রপতি ও ১০ম প্রধান বিচারপতি।

১৯৩৫ – হাচিকো, বিশ্বস্ত কুকুর হাচিক।

 

১৯৪২ – সোমেন চন্দ, মার্ক্সবাদী, সাহিত্যিক।

 

১৯৯২ – অমিতা ঠাকুর রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ও কবি।

 

২০০২ – নিরঞ্জন ধর যুক্তিবাদী সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতাবাদী ঐতিহাসিক।

 

২০০৪ – আবু আব্বাস, প্যালেস্টাইন লিবারেশন ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাতা।

 

২০২১ – শাহীন আলম, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
নারী কথা রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

সূচনা—

আজ ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও দিনটি নানান আনুষ্ঠানিকতায় উদযাপিত হয়। নারীর অধিকার রক্ষায় বিশ্বব্যাপী সমতাভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে প্রতিবছর এই দিনে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস এর পূর্বনাম আন্তর্জাতিক কর্মজীবী নারী দিবস। সারা বিশ্বব্যাপী নারীরা একটি প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবস উদ্‌যাপন করে থাকেন। বিশ্বের এক এক প্রান্তে নারীদিবস উদ্‌যাপনের প্রধান লক্ষ্য এক এক প্রকার হয়। কোথাও নারীর প্রতি সাধারণ সম্মান ও শ্রদ্ধা উদ্‌যাপনের মুখ্য বিষয় হয়, আবার কোথাও মহিলাদের আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠাটি বেশি গুরুত্ব পায়।

 

নারী দিবসের রঙ—

নারীদের ওপর হওয়া বৈষম্য, নির্যাতনের বিরুদ্ধে করা প্রতিবাদে নারীদের জাগ্রত করাই নারী দিবস পালনের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য । নারী দিবসের রঙ নির্ধারিত হয়েছে বেগুনি এবং সাদা, যা নারীর প্রতীক। বেগুনি রঙ নির্দেশ করে সুবিচার ও মর্যাদা, যা দৃঢ়ভাবে নারীর সমতায়ন। ১৯৮৩ সালে পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ লেখক এবং নারীবাদী অ্যালিস ওয়াকারের প্রশংসিত উপন্যাস ‘দ্য কালার পারপল’ বইটি এই রঙ নির্ধারণে অনুপ্রেরণা জোগায়। এ বইতে তিনি নারীদের অধিকারের কথা তুলে ধরেছেন । ধারণা করা হয়, সেখান থেকেই নারীবাদী আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গেছে বেগুনি-সাদা রঙ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

 

নারী দিবসে জাতিসংঘের প্রতিপাদ্য—

 

১৯৯৬-অতীত উদ্‌যাপন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ১৯৯৭-নারী এবং শান্তি, ১৯৯৮-নারী এবং মানবাধিকার, ১৯৯৯-নারী প্রতি সহিংসতামুক্ত পৃথিবী, ২০০০-শান্তি স্থাপনে একতাবদ্ধ নারী, ২০০১-নারী ও শান্তি : সংঘাতের সময় নারীর অবস্থান, ২০০২-আফগানিস্তানের নারীদের বাস্তব অবস্থা ও ভবিষ্যৎ, ২০০৩-লিঙ্গ সমতা ও সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, ২০০৪- নারী এবং এইহ আই ভি/ এইডস, ২০০৫- লিঙ্গ সমতার মাধ্যমে নিরাপদ ভবিষ্যত, ২০০৬-সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী, ২০০৭-নারী ও নারী শিশুর ওপর সহিংসতার দায়মুক্তির সমাপ্তি, ২০০৮-নারী ও কিশোরীদের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ, ২০০৯-নারী ও কিশোরীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে নারী-পুরুষের একতা, ২০১০-সমান অধিকার, সমান সুযোগ- সকলের অগ্রগতি, ২০১১-শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর সমান অংশগ্রহণ, ২০১২-গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়ন- ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের সমাপ্তি, ২০১৩-নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার এখনই সময়, ২০১৪-নারীর সমান অধিকার সকলের অগ্রগতির নিশ্চয়তা, ২০১৫- নারীর ক্ষমতায়ন ও মাবতার উন্নয়ন, ২০১৬-অধিকার মর্যাদায় নারী-পুরুষ সমানে সমান। ২০১৭- নারী-পুরুষ সমতায় উন্নয়নের যাত্রা, বদলে যাবে বিশ্ব কর্মে নতুন মাত্রা।২০১৮- সময় এখন নারীর: উন্নয়নে তারা, বদলে যাচ্ছে গ্রাম-শহরের কর্ম-জীবনধারা, ২০১৯-সবাই মিলে ভাবো, নতুন কিছু করো নারী-পুরুষ সমতার নতুন বিশ্ব গড়ো,  ২০২০- প্রজন্ম হোক সমতার, সকল নারী অধিকার, ২০২১-করোনাকালে নারী নেতৃত্ব গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব, ২০২২- যত্নসই আগামীকালের জন্য আজ লিঙ্গ সমতা, ২০২৩ – ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন।

 

যেভাবে এলো নারী দিবস—

 

সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি সমাজে নারী-পুরুষের সমতার বিষয়টি প্রতিবছর মনে করিয়ে দেয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এর সূচনা সেই ১৬২ বছর আগে। ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মজুরি বৈষম্য, নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ঠিক করা ও কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমে সরকারি বাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন সুতা কারখানার নারী শ্রমিকরা। সেই মিছিলে চলে সরকার লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত নারী সমাবেশে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হলো। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ; জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয়ঃ ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে লাগল। অতঃপর ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। সেই থেকেই ধীরে ধীরে ৮ মার্চ দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারী অধিকারের প্রতীকে পরিণত হয়। অনেক দেশই সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয় দিবসটিকে। অনেক দেশেই এই দিনটি নারীদের জন্য রাষ্ট্রীয় ছুটি হিসেবে পালন করে থাকে।

 

উপসংহার—

এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি নারীর সমঅধিকার আদায়ের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার অভীপ্সা নিয়ে। সারা বিশ্বের সকল দেশে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস।  আশা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক বিশ্ব গড়ার কাজে পুরুষের মতো সমান অবদান রাখার প্রত্যয় নিয়ে নারীর এগিয়ে চলা আগামীতে আরো বেগবান হবে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৭ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৭ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) সাধারণ ছুটি বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৫৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান চিকিৎসক জুলিয়াস ওয়াগনার-জারেগ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ।

 

১৮৯০ – মনোরঞ্জন গুপ্ত, বৃটিশ বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী ও আইন সভার সদস্য।

 

১৯০৪ – বাঙালি লেখক ও ঔপন্যাসিক ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায় ।

১৯০৭ – অখিলচন্দ্র নন্দী, ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ও সাম্যবাদী কর্মী।

 

১৯১১ – সচ্চিদানন্দ হীরানন্দ বাৎসায়ন ভারতের জনপ্রিয় হিন্দি কবি ও ঔপন্যাসিক ।

১৯১৪ – আমেরিকান অভিনেতা জনরদনী জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ।

 

১৯৩১ – শঙ্কু মহারাজ প্রখ্যাত বাঙালি ভ্রমণ সাহিত্যিক।

 

১৯৩৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান জীববিজ্ঞানী ডেভিড বাল্টিমোর জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯৩৯ – ফরাসি গায়ক ও গীতিকার দান্যেল গেরারদ জন্মগ্রহণ করেন ।

 

১৯৪৬ – ইংরেজ গায়ক, গীতিকার, কীবোর্ড প্লেয়ার ও প্রযোজক ম্যাথু ফিশার জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯৫০ – ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, বাংলাদেশি ইসলামি ব্যক্তিত্ব

১৯৫৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ অটো ডিলস জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯৫৫ – ভারতীয় অভিনেতা অনুপম খের জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯৬১ – আমেরিকান অভিনেত্রী মেরি বেথ ইভান্স জন্মগ্রহণ করেন ।

১৯৮৭ – ফরাসি ফুটবল খেলোয়াড় হাতেম বিন আরফা জন্মগ্রহণ করেন ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৩৫ – ব্রিটিশ রাজ ভারতে সরকারি অফিসে ফারসি ভাষা বিলোপ করে ইংরেজি ভাষা প্রচলন করে।

১৮৬১ – ঢাকা শহরের প্রথম সাপ্তাহিক ‘ঢাকা প্রকাশ’-এর আত্মপ্রকাশ।

১৮৭৬ – আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল তার তৈরি টেলিফোন পেটেন্ট করেন।

১৯১৭ – জ্যাজ রেকর্ড প্রথম বাজারে বিক্রি শুরু হয়।

১৯২৩ – তৃতীয় পেশোয়ার ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হয়।

১৯৭১ – রমনার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে মুক্তি সংগ্রামের আহ্বান জানিয়ে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।

১৯৭৩ – বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৮৫ – বিখ্যাত গান উই আর দ্য ওয়ার্ল্ড আন্তর্জাতিক ভাবে প্রকাশ পায়।

১৯৮৬ – চ্যালেঞ্জার দুর্ঘটনা ইউএসএস প্রিসার্ভারের ডুবুরীরা সাগর তলে চ্যালেঞ্জারের কেবিন ক্রুদের অবস্থান নিশ্চিত করে।

১৯৮৯ – ইরান ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সর্ম্পক ছিন্ন। সালমান রুশদীকে দুদেশের মধ্যে জটিলতার সৃষ্টি হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৩২ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি রাজনীতিবিদ ও ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন ।

 

১৯৫৪ – নীহারবালা, নৃত্যগীতে সুদক্ষা খ্যাতনাম্নী অভিনেত্রী।

 

১৯৮২ – বিমল ঘোষ, শিশু সাহিত্যিক।

 

১৯৮৮ – আমেরিকান অভিনেতা রবার্ট লিভিংস্টোন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ এডওয়ার্ড মিল্স পারসেল মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৯৯ – স্ট্যানলি কুব্রিক, একজন একাডেমি এওয়ার্ড বিজয়ী মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

 

২০০০ – ইংরেজ অভিনেতা চার্লস গ্রে মৃত্যুবরণ করেন।

 

২০০৯ – দক্ষিণ কোরিয়ার অভিনেত্রী জাং জা-ইয়েওন মৃত্যুবরণ করেন।

২০১৩ – উইলি সিটকেস আমেরিকান অভিনেতা মৃত্যুবরণ করেন।

 

২০১৭ – কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য, একজন ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী, দোহার ফোক ব্যান্ড।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

বিখ্যাত মানুষের বিখ্যাত কিছু উক্তি।

০১. “যুদ্ধের সবচেয়ে সেরা কৌশল হল, লড়াই করা ছাড়াই শত্রুকে পরাজিত করতে পারা”

– সান জু (লেখক, দি আর্ট অব ওয়ার)

০২. “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় একটি মাত্র পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে”

– লাও ঝু (বিখ্যাত চীনা দার্শনিক)

০৩. “সততা হল জ্ঞানী হওয়ার বইয়ের প্রথম অধ্যায়”

– থমাস জেফারসন

০৪. “আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে। এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো, দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো”

– এডিথ ওয়ারটন (বিখ্যাত লেখিকা)

০৫. “ বিখ্যাত না হয়ে জীবন কাটালেও সুন্দর জীবন কাটানো সম্ভব, কিন্তু জীবনের মত জীবন না কাটিয়ে বিখ্যাত হওয়া কখনও সুন্দর জীবন হতে পারে না”

– ক্লাইভ জেমস

০৬. “সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব মনে হয়”

– নেলসন ম্যান্ডেলা

০৭. “সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না”

– কনরাড হিলটন (প্রতিষ্ঠাতা, হিলটন হোটেল চেইন)

০৮. “নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো! নিজের যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো! নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল বা সুখী হতে পারবে না”

– নরম্যান ভিনসেন্ট পীল (লেখক, দার্শনিক)

০৯. “যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা বাস্তবায়নও করতে পারবে”

– ওয়াল্ট ডিজনি

১০. “মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।”

– আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

১১. “চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে”

– ড. এপিজে আব্দুল কালাম

১২. “একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের নামে তোমার কাছে কিছু বললে তাতে কান দিও না। সবকিছু নিজের হাতে যাচাই করো।”

– হেনরি জেমস (বিখ্যাত লেখক)

১৩. “বুদ্ধিমানেরা তখন কথা বলে যখন তাদের কিছু বলার থাকে। বোকারা কথা বলে কারণ তারা ভাবে তাদের কথা বলতে হবে”

– প্লেটো (দার্শনিক)

১৪. “আমরা ভেতর থেকে যেভাবে বদলাই, সে অনুযায়ীই আমাদের বাইরের বাস্তবতা বদলে যায়”

– প্লুতার্ক (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)

১৫. “সুখ কখনও সম্পত্তি বা অর্থের ওপর নির্ভর করে না। সুখের বাস আত্মার গহীনে”

– দেমোক্রিতাস (প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক)

১৬. “যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে, তার মৃত্যু নেই”

– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ

১৭. “ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে। বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে”

– প্রাচীন গ্রীক প্রবাদ

১৮. “সবচেয়ে বড় জ্ঞানের পরিচয় হল, তুমি কিছুই জানো না – এটা জানা”

– সক্রেটিস (গ্রীক দার্শনিক)

১৯. “সৎ কর্ম যত ছোটই হোক, তা কখনও বৃথা যায় না”

– দার্শনিক ঈশপ এর বিখ্যাত উক্তি

২০. “খারাপ মানুষের সঙ্গের চেয়ে একা থাকাও অনেক ভালো”

– জর্জ ওয়াশিংটন

২১. “যদি খুব ভালো কিছু করতে না পারো, তবে ছোট ছোট কাজ খুব ভালো করে করো”

– নেপোলিয়ন হিল

২২. “সব ধরনের অনিশ্চয়তা, হতাশা আর বাধা সত্ত্বেও নিজের সবটুকু দিয়ে সফল হওয়ার চেষ্টাই শক্তিমান মানুষকে দুর্বলদের থেকে আলাদা করে”

– থমাস কার্লাইল (স্কটিশ দার্শনিক ও গণিতবিদ)

২৩. “সুযোগ যদি তোমার দরজায় কড়া না নাড়ে, তবে নতুন একটি দরজা বানাও”

– মিল্টন বার্লে (বিখ্যাত অভিনেতা)

২৪. “জীবনে উন্নতি করার গোপন সূত্র হল কাজ শুরু করা”

– মার্ক টোয়েন (ইতিহাসের সফলতম লেখকদের একজন)

 

২৫. “একসাথে হওয়া মানে শুরু; একসাথে থাকা মানে উন্নতি; দীর্ঘ সময় একসাথে চলা মানে সাফল্য”

– এডওয়ার্ড এভরিট হ্যালি (বিখ্যাত লেখক)

২৬. “যারা নতুন কিছু খোঁজে না, একদিন তাদেরও কেউ খুঁজবে না”

– জে আর আর টলকিন (লেখক, লর্ড অব দ্য রিংস)

২৭. “বললে আমি ভুলে যাব। শেখালে মনে রাখব। সাথে নিলে আমি শিখব”

– বেন্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিন

২৮. “সুখী জীবনের জন্য খুব অল্প কিছুর প্রয়োজন। এটা তোমার মধ্যেই আছে, এটা তোমার ভাবনার ধরন।”

– মার্কাস ইলেরিয়াস (প্রাচীন রোমান শাসক ও দার্শনীক)

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট ।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৬ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৬ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় পাট দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১২৫২ – ইতালির সাধু রোজ।

 

১৪৫৯ – জার্মান ব্যবসায়ী ও ব্যাংকার জ্যাকব।

 

১৪৭৫ – মাইকেলেঞ্জেলো, রেনেসাঁস যুগের একজন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি।

 

১৫০৮ – সম্রাট হুমায়ুন, দ্বিতীয় মুঘল সম্ৰাট।

 

১৭৮৭ – ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার, একজন জার্মান আলোকবিজ্ঞানী।

 

১৮০৬ – ইংরেজ কবি এলিজাবেথ বেরেট ব্রাউনিংয়।

 

১৮১২ – কবি-সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।

১৮৫১ – বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রসিদ্ধ বাঙালি চিত্রশিল্পী।

১৯২৭ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজের।

১৯২৮ – কলম্বিয়ার নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক গাব্রিয়েল মার্কুয়েজ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫২২ – জার্মানীর ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের দ্বিতীয় বারের মত বড় ধরনের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ।

১৭৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে রাস্টাড শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৭৫ – রঘুনাথ রাও ও ব্রিটিশ রাজের মধ্যে সুরাট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৭৯৯ – নেপোলিয়ন প্যালেস্টাইনের জাফা দখল করেন

১৮৩৬ – ১৩ দিনের অবরোধের পর মেক্সিকোর সেনাবাহিনীর হাতে টেস্কাসের সান এন্টোনিওর পতন। এ অভিযানে মোট নিহত হয় ১৮৬ জন।

১৮৯৯ – ফলিক্স হফম্যান অ্যাসপিরিন প্যাটেন্ট করেন ।

১৯০২ – ব্রিটিশ সেনারা দায়িত্ব পালনকালে বা অন্য সময়ে চশমা ব্যবহারের অধিকার পায়।

১৯১৫ – শান্তিনিকেতনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মহাত্মা গান্ধীর প্রথম সাক্ষাৎ।

১৯৩০ – লন্ডনে প্রথম হিমায়িত খাদ্য বিপণন শুরু হয়।

১৯৪৪ – মার্কিন বাহিনী দিবালোকে বার্লিনে বোমাবর্ষণ শুরু করে।

১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে ।

১৯৫৭ – ঘানা স্বাধীনতা লাভ করে ডক্টর কাওয়াম নকরোমোর নেতৃত্বে।

১৯৬১ – ভারতের প্রথম ইংরেজি ভাষার ব্যবসা সম্পর্কিত সংবাদপত্র দ্য ইকোনমিক টাইমস প্রকাশনা শুরু হয়।

১৯৭৪ – রোমক সম্রাট ও ফ্রান্সের রাজার মধ্যে ‘রাস্টার্ড শান্তি চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৭৫ – ইরান ও ইরাকের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিরসন সংক্রান্ত আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৯ – যশোরের টাউন হলে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে টাইম বোমা বিষ্ফোরণ।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০০ – জার্মান আবিস্কারক জি. ডায়মলার ৬৪ বছর বয়সে মারা যান ।

 

১৯০০ – ইংরেজ রসায়নবিদ জন ডালটনের মৃত্যু ।

 

১৯৬২ – অম্বিকা চক্রবর্তী, বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী।

 

১৯৭১ – মার্কিন ঔপন্যাসিক পার্ল এস বাকের মৃত্যু।

১৯৭৩ – নোবেলজয়ী প্রথম মার্কিন লেখিকা ও ঔপন্যাসিক পার্ল এস. বাক।

 

২০২১ – অডিও ক্যাসেট টেপ উদ্ভাবক খ্যাত ডাচ প্রকৌশলী লু ওটেনস।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

সন্দীপ মহেশ্বরীর বিখ্যাত কিছু উক্তি।

(১) যার যত সচেতনতা বেশি, তার সম্ভাবনাও তত বেশিই বৃহত্তর।

 

 

(২) যদি কোনো বোরিং জায়গায় আমাদের মনকে আমরা একাগ্র করতে সক্ষম হই, তাহলে ইন্টারেস্টিং জায়গা তো শুধু একটা খেলার সমান হয়ে যাবে।

 

(৩) কোনো কাজে যদি তুমি নিজের ১০০% দাও, তাহলে তুমি সাফল্য পাবেই।

 

(৪) তুমি দুনিয়াকে যেমন নজরে দেখবে, তেমনটাই তুমি হয়ে যাবে।

 

(৪) ব্যর্থতা এটাই প্রমান করে যে, আপনি চেষ্টা করছেন।

 

(৫) সর্বদা মনে রেখো, যা হয় তা ভালোর জন্যই হয়।

 

 

(৬) অর্থ ততটুকুই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা গাড়িতে পেট্রোল | না কম না বেশি।

 

(৭) যদি আপনি মহান হতে চান, তাহলে বারবার অনুমতি নেওয়া বন্ধ করুন।

 

(৮) জীবনে যদি কিছু করতে চাও তাহলে সত্যিটা বলো, ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে কথা বলোনা।

 

(৯) তুমি এটাই ভাবছো না যে; তোমার বাড়ির লোক কী ভাববে, তোমার আত্মীয়রা কি ভাববে? ভালোই তো ভেবেই যাও তবে।

 

(১০) শেখার উপর মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়। উপার্জন সর্বদা ভবিষ্যতে হওয়া সম্ভব কিন্তু শেখা শুধু বর্তমান মুহূর্তেই হয় | তাই শেখার উপরেই মনোযোগ দাও, উপার্জনের উপর নয়।

 

(১১) ময়দান ছেড়ে চলে যেওনা; প্রতীক্ষাও করোনা, শুধু চলতে থাকো।

 

(১২) মনে রাখবে, প্রত্যেক বড় কিছুর শুরুটা ছোট দিয়েই হয়।

 

(১৩) কোনো কাজ করতে গিয়ে যদি তুমি বার বার হতাশ হয়ে যাও তাহলে সেই কাজের প্রতি তুমি অনুপ্রাণিত হবে কি করে? তুমি যত সেই কাজের সম্বন্ধে জানতে শুরু করবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হতে থাকবে | যতই তুমি সেই কাজের পসিটিভ দিকগুলোকে অনুসন্ধান করতে থাকবে ততই তুমি অনুপ্রাণিত হবে।

(১৪) সর্বদা শিখে যেতে হবে | যে শিখে যাচ্ছে সে জীবিত আছে আর যে শেখা বন্ধ করে দিয়েছে, সে একটা জ্যান্ত মৃতদেহ।

 

(১৫) মধ্যস্থতা একটা খুবই বিপজ্জনক জায়গা, আমরা এরমধ্যেই আটকে থেকে যাই | এরফলে আমরা উপরতলার মানুষদেরকে দেখে ঈর্ষা করে থাকি আর নিচেরতলার মানুষদেরকে দেখে খুশি হই।

 

 

(১৬) তোমায় শক্তিশালী হতে হবে, এইজন্য না যে তুমি কারোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারো বরং এইজন্যই যাতে তোমার উপর কেউ চাপ সৃষ্টি করতে না পারে।

 

 

(১৭) সবসময় মনে রাখবে তুমি তোমার সমস্যার থেকে অনেক বেশি বড়।

 

(১৮) যেইসব মানুষরা তাদের নিজেদের চিন্তাভাবনা বদল করেন না, তারা কোনো কিছুই বদলাতে পারবেন না।

 

(১৯) সফল ব্যক্তিরা অন্যদের থেকে মোটেই আলাদা নয়, শুধু তাদের চিন্তাভাবনা অন্যদের থেকে আলাদা।

 

(২০) চিন্তা না করে করা কাজ এবং কাজ না করে শুধু চিন্তা করা, আপনাকে ১০০% অসফলতা দেবে।

 

(২১) আপনি যদি সেই ব্যক্তির সন্ধানে থাকেন যে আপনার জীবন পরিবর্তন করে দেবে, তাহলে একবার আয়নার সামনে তাকিয়ে দেখুন।

 

———-‐—-‐————-সন্দীপ মহেশ্বরী।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০৫ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০৫ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১১৩৩ – ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় হেনরি।

 

১৩২৪ – স্কটল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় ডেভিড জন্মগ্রহণ করেন।

১৩২৬ – হাঙ্গেরির রাজা লুই আই জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৫১২ – ফ্লেমিশ গণিতজ্ঞ, মানচিত্রাঙ্কনবিদ ও দার্শনিক গেরারডুস মেরকাটর জন্মগ্রহণ করেন।

১৬৯৬ – ইতালীয় চিত্রশিল্পী জিওভান্নি বাতিস্তা টিয়েপলো জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৮৭১ – পোলীয় রুশ অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক রোসা লুক্সেমবুর্গ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৮৭ – ব্রাজিলীয় সুরকার আতোর ভিলা-লোবোস।

১৮৯৮ – চীনা রাষ্ট্রনেতা চৌ এন-লাই।

১৯০২ – আজাদ আজাদ হিন্দ ফৌজের রানী ঝাঁসি রেজিমেন্টের সৈনিক নীরা আর্য।

১৯০৪ – কথাসাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯০৫ – প্রভাবতী দেবী সরস্বতী বাঙালি ঔপন্যাসিক।

১৯০৮ – ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা ও গায়ক রেক্স হ্যারিসন জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯১১ – এয়ার মার্শাল সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম ভারতীয় চীফ অভ দ্যা এয়ার স্টাফ।

১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অর্থনীতিবিদ জেমস টোবিন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২২ – ইতালীয় অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার জেটি পাওলো পাসোলিনির জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯২৮ – শৈলেন্দ্র নারায়ণ ঘোষাল শাস্ত্রী,বাঙালি বৈদিক পণ্ডিত ও বৈদিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৩৪ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের অর্থনীতিবিদ ড্যানিয়েল কানেমান জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৭ – নাইজেরিয়ার সাবেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৫ম প্রেসিডেন্ট ওলুস্যাগুন অবাসাঞ্জ জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৯ – দিব্যেন্দু পালিত ভারতীয় বাঙালি লেখক।

১৯৪২ – স্পেনীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফেলিপে গনসালেস জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৩ – ইতালীয় শিল্পী, তিনি গীতিকার ও গিটার লুচো বাত্তিস্তি জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৬৮ – হাঙ্গেরীয় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রধানমন্ত্রী গর্ডন বাজনাই জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯৭৪ – মার্কিন অভিনেত্রী এভা মেন্ডেস জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৭ – রুশ টেনিস খেলোয়াড় আন্না চাকভেতাদজে জন্মগ্রহণ করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৩৯৭ – অক্সফোর্ডের নতুন কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৫৫৮ – ইউরোপে প্রথম ধূমপানে তামাক ব্যবহার শুরু হয়।

১৬৮৪ – তুরস্কের বিরুদ্ধে রোম পোল্যান্ড ও ভেনিসের লিঞ্জলীগ গঠন।

১৭৭০ – বোস্টনে (যুক্তরাষ্ট্র) জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ব্রিটিশ সৈন্যরা গণহত্যা ঘটায়।

১৭৯৩ – ফ্রান্সের সেনাবাহিনী অস্ট্রিয়ার কাছে পরাজিত হয়।

১৮২২ – ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘সমাচার চন্দ্রিকা’ প্রকাশিত হয়।

১৮২৪ – ইঙ্গ-বার্মা যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৩৩ – অবিভক্ত ভারতের প্রথম দুই মহিলা কাদিম্বিনী ও চন্দ্রমুখী বসু স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন।

১৮৩৬ – মেক্সিকো আলামো আক্রমণ করে।

১৮৯৬ – ইতালির প্রধানমন্ত্রী ক্রিসপি পদত্যাগ করেন।

১৮৯৭ – মার্কিন নিগ্রো অ্যাকাডেমি গঠিত হয়।

১৯১২ – স্পেনে স্টিমারডুবিতে ৫০০ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।

১৯১৮ – মস্কোকে রাশিয়ার রাজধানী করা হয়।

১৯৩৩ – জার্মানিতে নির্বাচনে এডলফ হিটলার ও তার নাৎসী পার্টির বহু আসনে জয়লাভ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। এর কিছুদিন পরই এক নায়কতন্ত্র ঘোষণা।

১৯৬৬ – জাপানের ফুজি পর্বতে ব্রিটিশ এয়ার লাইন্সের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২৪ যাত্রী নিহত।

১৯৮৪ – ভূটানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৮৭ – সিলেটের ওসমানী জাদুঘর উদ্বোধন।

১৯৯৮ – ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড ‘উত্তর আয়ারল্যান্ড’ চুক্তিতে উপনীত হয়।

২০০১ – হজ্বের সময় মিনায় পদদলিত হয়ে ৩৫ হাজীর মৃত্যু।

২০০৭ – ঢাকা-ব্যাংকক-ঢাকা সেক্টরে ইলেকট্রনিক টিকেটিং (ই-টিকেটিং) পদ্ধতি চালু।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৩৪ – আন্তোনিও ডা করেগিও, ইতালীয় চিত্রশিল্পী।

 

১৬২৫ – ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমস।

১৮১৫ – ‘প্রাণী চুম্বকত্বের’ (ম্যাসমেরিজম) প্রবক্তা ফ্রানৎস ম্যাসমের।

১৮২৭ – ইতালীর বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টা।

১৮২৭ – পিয়ের লাপ্লাস, বিখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ।

 

১৮৭৮ – হরিচাঁদ ঠাকুর, বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪৪ – ম্যাক্স জেকব, ফরাসি কবি ও লেখক।

১৯৫৩ – সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা ও হিটলার বধের নায়ক জোসেফ স্টালিন।

 

১৯৬১ – নাট্যকার শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।

 

১৯৬৬ – রুশ মহিলা কবি আন্না আখমা তোভা।

১৯৬৭ – ইরানি রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, রাজনীতিবিদ ও ৬০তম প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭৩ – অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত, বাঙালি লেখক ও শিক্ষাবিদ।

১৯৮২ – জন বেলুশি, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও চিত্রনাট্যকার ।

 

১৯৯৬ – খন্দকার মোশতাক আহমেদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

২০০৮ – জোসেফ ওয়েইযেনবাউম, জার্মান কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও লেখক।

 

২০১৩ – হুগো চাভেজ, ভেনেজুয়েলার কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট।

২০১৬ – রে টমলিনসন, মার্কিন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও বিশ্বের প্রথম ই-মেইল প্রবর্তনকারী।

২০২০ – হাভিয়ের পেরেজ ডে কুয়েইয়ার, পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৫ম মহাসচিব

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০২ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০২ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস, বাংলাদেশ।

(খ) ভোটার দিবস, বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭৬০ – ক্যামিল ডেস্মউলিন্স, ফরাসি সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

 

১৭৯৩ – স্যাম হাউস্টন, মার্কিন সৈনিক, রাজনীতিক, টেক্সাস প্রজাতন্ত্রের ১ম রাষ্ট্রপতি।

১৮২০ – মুলতাতুলি, ডাচ লেখক।

 

১৮৮১ – অতুলচন্দ্র ঘোষ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, লোকসেবক সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ও পুরুলিয়া জেলার বঙ্গভূক্তি আন্দোলনের মূখ্যস্থপতি।

 

১৮৯৪ – প্রখ্যাত বাঙালি ঔপন্যাসিক শৈলবালা ঘোষজায়া।

 

১৮৯৫ – বাঙালি অভিনেত্রী নিভাননী দেবী।

১৮৯৮ – মোহাম্মদ বরকত উল্লাহ, সাহিত্যিক।

১৯১৯ – জেনিফার জোনস, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯২৩ – রিচার্ড উইলিয়াম টিম, রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার বিজয়ী জীববিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩১ – মিখাইল গর্বাচেভ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সোভিয়েত আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।

 

১৯৩৩ – আনন্দজি ভিরজি শাহ, ভারতীয় সঙ্গীত পরিচালক ও কল্যাণজি-আনন্দজির জুটি।

১৯৩৭ – আব্দেল-আজিজ বউটেফ্লিকা, আলজেরীয় সৈনিক, রাজনীতিক ও ৫ম প্রেসিডেন্ট।

১৯৪২ – মীর হোসেইন মুসাভি, ইরানীয় স্থপতি, রাজনীতিবিদ ও ৭৯ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫৫ – শোকো আসাহরা, জাপানের নতুন ধর্মীয় সংগঠন ওম শিনরিকিও’র প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৬২ – জন ফ্রান্সিস বনজিওভি জুনিয়র, মার্কিন গায়ক, গীতিকার, গিটারবাদক ও প্রযোজক।

১৯৬৮ – ড্যানিয়েল ক্রেইগ, ইংরেজ অভিনেতা।

 

১৯৭৭ – অ্যান্ড্রু জন স্ট্রস, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৭৯ – ডেমিয়েন ডাফ, আইরিশ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮২ – কেভিন কুরানয়ি, জার্মান ফুটবল খেলোয়াড়।

1994- সুমেধা ভৌমিক এর জন্মদিন

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৮ – ভাস্কো দা গামা মোজাম্বিক দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণ করেন।

১৫২৫ – হাঙ্গেরীর রাজধানী বুদাপেস্ট ওসমানীয় সেনারা দখল করে নেয় ।

১৮০১ – স্পেন ও পর্তুগালের মধ্যে ‘কমলন যুদ্ধ’ শুরু।

১৮৯৬ – ফরাসী পদার্থ বিজ্ঞানী এন্টনী হেনরী বেকুইরেল প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তার বিষয়টি আবিষ্কার করেন।

১৯১৭ – পুয়ের্তো রিকো মার্কিন অধিকৃত অঞ্চলে পরিণত হয়।

১৯১৯ – মস্কোয় তৃতীয় কমিউনিস্ট আন্তর্জাতিকের প্রথম কংগ্রেস শুরু।

১৯৪২ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ম্যানিলা দখল করে।

১৯৪৪ – নেপলসে ট্রেন দুর্ঘটায় ৫২১ জনের মৃত্যু।

১৯৪৮ – সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত।

১৯৫২ – ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু বিহারের (বর্তমানে ঝাড়খণ্ডের সিন্ধ্রিতে সার কারখানার উদ্বোধন করেন।

১৯৫৬ – মরক্কো ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা ফিরে পায়।

১৯৭১ – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে ছাত্র সমাবেশে প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় গাম্বিয়া।

১৯৭৩ – বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়।

১৯৮৫ – আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ – শ্রীলংকায় বোমা বিস্ফোরণে উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিজয়সহ ২৯ জন নিহত।

১৯৯৫ – কোপেন হেগেনে সামাজিক উন্নয়ন সম্পর্কিত বিশ্ব সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৯৭ – পাকিস্তানে ২০ বছরেরও অধিক সময় পর রোববার সাপ্তাহিক ছুটি পালন শুরু।

১৯৯৯ – ঢাকায় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন সমাপ্তি।

২০০০ – ব্রিটেনে আটক চিলির সাবেক স্বৈরশাসক আগাস্তো পিনোশের মুক্তি লাভ।

২০০১ – আফগানিস্তানে প্রাচীন ও শান্তির দূত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধ মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলা হয়।

২০০৪ – ইরাকে যুদ্ধ: আল-কায়েদা ইরাকে আশুরা গণহত্যা চালায়, ১৭০ জন নিহত এবং ৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়।

২০২২ – গণপ্রজাতান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্তে জাতীয় স্লোগান হল – জয় বাংলা(২ রা মার্চ ২০২২ তারিখের গেজেট প্রঞ্জাপন অনুসারে)

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

৬৫৪ – আবুজর গিফারী, মহানবী এর বিশিষ্ট সাহাবী।

১৭৯১ – জন ওয়েসলি, পদ্ধতিবাদের জনক।

 

১৭৯৭ – হোরেস ওয়ালপলে, তিনি ছিলেন ইংরেজ ইতিহাসবিদ ও রাজনীতিবিদ।

১৮৪৫ – রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ, অভিধানকার ও পণ্ডিত।

 

১৯৩০ – ডি এইচ লরেন্স, ইংরেজ কথাসাহিত্যিক ও কবি।

 

১৯৩৯ – হাওয়ার্ড কার্টার, ইংরেজ মিশরতত্ত্ববিদ ও চিত্রশিল্পী।

 

১৯৪২ – টিলার ব্রুক, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৪৯ – সরোজিনী নাইডু, ভারতীয় বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী।

১৯৮২ – ফিলিপ কে. ডিক, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক।

১৯৮৩ – বাঙালি সাহিত্যিক গিরিবালা দেবী প্রয়াত হন।

১৯৯১ – সার্জ গাইন্সবউরগ, তিনি ছিলেন ফরাসি গায়ক, গীতিকার, অভিনেতা ও পরিচালক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ০১ মার্চ, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ০১ মার্চ । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বীমা দিবস – জাতীয়ভাবে বাংলাদেশে পালিত হয়।

(খ) বিশ্ব সিভিল ডিফেন্স দিবস – আন্তর্জাতিক।

(গ) আন্তর্জাতিক যুক্তিবাদী দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬১১ – জন পেল, ইংরেজ গণিতবিদ, জ্যামিতি বিশেষজ্ঞ ও জোতির্বিদ।

 

১৮৬১ – অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, বাঙালি ইতিহাসবিদ।

 

১৮৮৩ – কুমুদরঞ্জন মল্লিক, বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।

১৮৯২ – রিয়ুনোসুকি অকুতাগাওয়া, সাহিত্যিক, জাপানি ছোট গল্পের জনক।

১৯০৩ – বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়, ভারতে ভেষজ সংস্কারের অন্যতম উদ্যোক্তা।

 

১৯০৭ – (ক)  সত্যপ্রিয় রায়, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক ও শিক্ষা আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা।

 

(খ) মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, সাংবাদিক ও লেখক।

১৯১২ – চীনে কোটনিসের নেতৃত্বে ভারতের মেডিক্যাল মিশনের অন্যতম সদস্য ডাঃ বিজয় কুমার বসু, ভারতে আকুপাংচার চিকিৎসার সূচনাকারী।

১৯১৮ – খন্দকার আবদুল হামিদ, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯২৭ – আশরাফ সিদ্দিকী, বাংলাদেশি সাহিত্যিক, লোকগবেষক ও বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক।

১৯২৯ – সিরাজুদ্দীন হোসেন সাংবাদিক।

 

১৯৩০ – মনু মুখোপাধ্যায়, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের বিখ্যাত অভিনেতা।

১৯৩১ – লামবের্তো দিনি, ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৯৪০ – শাফাত জামিল বীর বিক্রম, মুক্তিযোদ্ধা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা।

১৯৪৩ -(ক)  সাহারা খাতুন, বাংলাদেশি আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশের প্রথম নারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

(খ) শাহজাহান সিরাজ, বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী।

১৯৪৫ – প্রবীর ঘোষ, কলকাতাভিত্তিক ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির প্রধান এবং হিউম্যানিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি।

১৯৫৬ – ডালিয়া গ্রাইবস্কেইট, লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রপতি ও প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ।

১৯৬৫ – মতিউর রহমান মল্লিক, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৪৯৮ – ভাস্কো দা গামা মোজাম্বিক আবিষ্কার করেন।

১৬৪০ – ভারতের কাছ থেকে ব্রিটিশদের মাদ্রাজে বাণিজ্য কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি লাভ।

১৮১১ – মামলুকদের পরাস্ত করে মোহাম্মদ আলীর মিশরের ক্ষমতারোহন।

১৮১৫ – এলবা দ্বীপ থেকে পলায়নের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টের ১০০ দিনের শাসনকাল শুরু হয়।

১৮১৯ – শ্রীরামপুরে উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান ও উইলিয়াম ওয়ার্ড “ব্যাংক অফ শ্রীরামপুর” প্রতিষ্ঠা করেন।

১৮৪৮ – ভারতে ভূমিকম্পে ১ হাজার জনের প্রাণহানি।

১৯০১ – অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনী গঠিত হয়।

১৯০৭ – ভারতে সর্বপ্রথম ইস্পাত কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১২ – আলবার্ট বেরী প্রথম উড্ডীয়মান বিমান থেকে প্যারাসুটের মাধ্যমে নামেন।

১৯১৪ – চীন আন্তর্জাতিক পোস্টাল ইউনিয়নে যোগদান করে।

১৯১৯ – কোরিয়ায় জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের সূত্রপাত।

১৯৪৯ – রাশিয়ান বিমান দুর্ঘটনায় ৩৮৫ জন নিহত।

১৯৫০ – তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে চিয়াং কাইশেকের পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ।

১৯৭১ – স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

১৯৭১ – ইয়াহিয়া খান কর্তৃক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্ঠকাল স্থগিত ঘোষণা।

১৯৮৫ – বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদ কর্তৃক রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা।

১৯৯০ – লিথুনিয়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯৭ – বাংলাদেশে প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিং সার্ভিস চালু।

২০০১ – প্রধান বিচারপতি পদে মাহমুদুল আমীন চৌধুরীর শপথ গ্রহণ।

২০০৮ – গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের অব্যাহত বিমান হামলা দুজন মহিলা ও চারটি শিশুসহ অন্তত ৩২ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯১১ – ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ, ডাচ জৈব রসায়নবিদ, রসায়নে প্রথম নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৯২৪ – গোপীনাথ সাহা, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বাঙালি বিপ্লবী।

 

১৯৪৩ – আলেকজেন্ডার ইরসিন, ফ্রান্স-সুইস চিকিৎসক ও ব্যাকটেরিওলজিস্ট এবং ইরসিনিয়া পেস্টিস-এর আবিস্কারক।

 

১৯৮৯ – বসন্তদাদা পাতিল, মহারাষ্ট্রের ৬ষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রী এবং ১০ম গভর্নর।

 

১৯৯৪ – মনমোহন দেসাই প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক ।

১৯৯৫ – জর্জেস জে এফ কোহলার, জার্মান জীববিজ্ঞানী, চিকিত্সাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

২০১৯ – পলান সরকার, বাংলাদেশি সমাজকর্মী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব সিভিল ডিফেন্স দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও গুরুত্ব।

“যতদিন আমরা সবচেয়ে খারাপের জন্য সন্তোষজনকভাবে প্রস্তুত থাকি ততক্ষণ আমরা কেবলমাত্র সেরাটির জন্য আশা করতে পারি।”  বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবসটি তার বার্তা সম্পর্কে উপরে উল্লিখিত উদ্ধৃতিটির লক্ষ্য কী তা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কথা বলে।  এই দিবসের একটি দিক প্রতিরক্ষা এবং সিভিল সার্ভিসে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সম্মান করা, তাদের সম্মান এবং নিঃস্বার্থ সেবা নিঃসন্দেহে।  বিশ্ব বেসামরিক প্রতিরক্ষা দিবস ২০২৪-এর আরেকটি প্রধান উদ্দেশ্য হল নাগরিক প্রস্তুতি এবং নাগরিক সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।  আমরা এই ব্লগে এই দিনের বিস্তারিত মধ্যে যান.  আরও জানতে পড়া চালিয়ে যান।

 

 

 

বিশ্ব নাগরিক প্রতিরক্ষা ২০২৪ থিম-‐–

 

I.C.D.O প্রতি বছর এই দিবসের থিম প্রদানের জন্য কাজ করে, দিনের কার্যক্রম পরিচালনা করে।  এ বছরের থিম নিচে উল্লেখ করা হলো।

“বীরদের সম্মান করুন এবং সুরক্ষা দক্ষতা প্রচার করুন”

 

এই দিবসের সাধারণ লক্ষ্য যেমন দুর্ঘটনা ও বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে নাগরিক সুরক্ষা, আত্মরক্ষা এবং প্রস্তুতিমূলক প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা, একইভাবে ২০২৪ সালের থিম পর্যন্ত প্রসারিত;  যেখানে এটি বীরদের সম্মান জানানোর কথা উল্লেখ করে যারা জরুরী পরিস্থিতিতে আক্রমণ এবং আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করে।  বিশ্বের নেতৃস্থানীয় শিল্প বিশেষজ্ঞদের ঐক্য ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি এবং তাদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে।

 

তাৎপর্য——-

 

এই দিনটি নাগরিক প্রতিরক্ষা এবং জাতীয় দুর্যোগ-প্রতিরোধ পরিষেবাগুলির কৃতিত্বকে সম্মান করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।  একই বিষয়ে আলোকপাত করে, আমরা এই দিনটিকে গুরুত্বপূর্ণ করার কিছু কারণও শেয়ার করেছি।

দিনটি অপ্রত্যাশিতভাবে উদ্ভূত জরুরী পরিস্থিতি প্রতিরোধ, পরিচালনা এবং পরিচালনা করার জন্য প্রস্তুত থাকার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।  অধিকন্তু, এটি বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষায় নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির ভূমিকাও তুলে ধরে।

আরও, এই দিনটি জরুরী ব্যবস্থাপনায় জড়িত প্রধান স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতামূলক সম্ভাবনার প্রচার করে।  সম্প্রদায়, সরকার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এবং স্টেকহোল্ডারদের একত্রিত করা যেমন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্প, যথাযথ স্থাপনা এবং সম্পদের ব্যবহার সম্ভব হয়।

সিভিল ডিফেন্স সংস্থাগুলি জরুরী পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার এবং নাগরিক সুরক্ষা প্রদানের দায়িত্ব পালনে যে চ্যালেঞ্জগুলি এবং সমস্যাগুলির মুখোমুখি হতে পারে তা তুলে ধরার জন্যও দিনটি তাৎপর্যপূর্ণ।

এছাড়াও, সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ হল যে দিনটি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির অনেক অর্জন উদযাপনের জন্য সময় নেয়।

 

বিশ্ব নাগরিক প্রতিরক্ষা দিবস কিভাবে পালন করবেন?—

 

নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করে কেউ এই দিবসটি পালনে অংশ নিতে পারেন।

জরুরী পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসার মূল বিষয়গুলি যেমন C.P.R. সম্পর্কে জানতে মানুষ এই দিবসটির উপলক্ষ্য ব্যবহার করতে পারে।  যাদের প্রয়োজন তাদের জরুরী প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা।

আপনি বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের স্যালুট দিতে বা তাদের নিঃস্বার্থ সেবার জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করতে পারেন।

উপরন্তু, কেউ এমনকি তাদের স্থানীয় বা রাষ্ট্রীয় নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলিতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে বেছে নিতে পারে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This