Categories
রিভিউ

একজন কন্যাই পারে তার গোটা পরিবারকে একই সূত্রে বেঁধে রাখতে : আজ জাতীয় শিশুকন্যা দিবস।

কন্যা সন্তান আমাদের গর্ব এবং জাতির ভবিষ্যত। কন্যা সন্তানের ক্ষমতায়নের অর্থ আপনার ভবিষ্যতের ক্ষমতায়ন।

সমাজে মেয়েরা প্রতিমুহূর্তে যে লিঙ্গ বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছে সে সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এটি শুরু করা হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরে, ভারত সরকার মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এই কারণে কন্যা শিশুদের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়াও শুরু হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি উদ্যোগ হল ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘কন্যাশ্রী’ এবং আরও অন্যান্য। কন্যা রাই এখন এগিয়ে যাচ্ছে সমান তালে ।

 

তাই প্রতি বছর ২৪শে জানুয়ারী ভারতে জাতীয় শিশুকন্যা দিবস পালিত হয়। ভারতীয় সমাজে যাতে মহিলারা ভেদাভেদ বা বৈষম্যের শিকার না হন, সেদিকে  জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য নিয়ে ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ভারত সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক দিনটি উদযাপনের সূচনা করে। বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, শিশু লিঙ্গ অনুপাত এবং মহিলাদের জন্য এক স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ আবহ তৈরির জন্য সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়। দেশজুড়ে মৃলত সচেতনতা শিবির ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়, যেখানে তুলে ধরা হয় শিশু কন্যাদের স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ পরিবেশ দেওয়ার কথা এবং সরকার যে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা সমক্ষে উপস্থাপন করা।

উদ্দেশ্য–

 

দেশের মহিলারা যেন কোনভাবে বৈষম্যের সম্মুখীন না হয় সেজন্য জনগণকে  সচেতন করা।

শিশুকন্যাদের অধিকার  সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

নারী শিক্ষা ও তাদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির গুরুত্ব সম্পর্কে  সচেতন করা।

 

 

তাৎপর্য–‐

 

শিশুকন্যাদের শিক্ষা, পুষ্টি, বাল্য বিবাহ, আইনি অধিকার এবং চিকিৎসা যত্ন সুরক্ষা সম্মান ইত্যাদি বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান।

১) ভারতীয় সমাজে ক্রমবর্ধমান কন্যা ভ্রূণহত্যা ও শিশু হত্যার কারণে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপন শুরু হয়েছিল। ২) কন্যা ভ্রূণহত্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ৩) যাদের শিশু কন্যা আছে তাদের সরকার আর্থিক সহায়তা করছে এবং মেয়েদের বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করার কথাও ঘোষণা করেছে।
৪) এই দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল, কন্যা শিশুদের অধিকার এবং তাদের শিক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো। ৫) এই দিনটির আরেকটি লক্ষ্য হল, ভারতীয় সমাজে মেয়ে শিশুদের প্রতি অবিচারকে তুলে ধরা এবং তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার প্রচার করা। ৬) যেহেতু মেয়েরা প্রায়ই ভ্রূণহত্যা, শিশু হত্যা বা যৌন নির্যাতনের মতো সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়, তাই এই দিনটিতে মেয়েদের সুরক্ষা এবং তাদের অবস্থার উন্নতির দিকে আরও বেশি করে ফোকাস করা হয়। ৭) কন্যা সন্তানের পক্ষে নেওয়া একাধিক উদ্যোগের কারণে, দেশে ধীরে ধীরে নারীশিক্ষা ও মেয়েদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে।

 

 

উপসংহার: 

 

সর্বপরি,  কন্যা সন্তান হল দেবদূতের মতো, যে পরিবারে আসে সেই বাড়িতেই অফুরন্ত আনন্দ এবং ভালবাসায় ভরে ওঠে। কন্যা সন্তান জন্ম লক্ষির আগমন হিসেবে ধরা হয় একটি পরিবারে। পরিবারে সর্বদা সৌভাগ্য বিরাজ করে। একজন কন্যা তার পিতার হৃদয়ে বাস করে এবং মায়ের সত্যিকারের বন্ধু হয়ে ওঠে। তারা প্রত্যেক বাবা-মায়ের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। কন্যার জন্ম পিতা-মাতার জীবনকেও অনেকাংশে বদলে দেয়। বড় হয়ে সে তার পরিবারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয়। বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি এবং বাবার বাড়ি উভয় তরফেই সমান দায়িত্ব পালন করে। সর্বদা সবাইকে খুশি রাখতে এবং যেকোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে একজন কন্যাই। তাই, আপনার যদি কন্যা সন্তান থাকে তাহলে আপনি হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ। তাই সকলের উচিৎ একটি পরিবারে কন্যা ও পুত্র সন্তান কে সমান ভাবে গুরুত্ব দেওয়া। কন্যা সন্তান বলে তাকে অবহেলর চোখে কখনই দেখা উচিৎ নয়।

 

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় শিশুকন্যা দিবস (ভারত)

(খ) গণঅভ্যুত্থান দিবস (বাংলাদেশ)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮২৬ – জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর, অবিভক্ত ভারতের প্রথম ব্যারিস্টার।

 

১৮৭৭ – ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিখ্যাত বিপ্লবী, ঢাকা অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা পুলিনবিহারী দাস।

 

১৮৮৮ – (ক) নলিনীকান্ত ভট্টশালী, বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ, গবেষক, পণ্ডিত ও ঢাকা জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা।

(খ) ভিচকি বাউম, অস্ট্রিয় লেখক।

 

১৯০৯ – অ্যান টড, ইংরেজ অভিনেত্রী।

১৯১৩ – আমেরিকান সুরকার নরমান দেললো জইও।

 

১৯১৭ – আর্নেস্ট বোর্গনাইন, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৩০ – মাহমুদ ফার্শিয়ান, ইরানি বংশোদ্ভূত ফার্সি চিত্রশিল্পী ও অধ্যাপক।

১৯৪০ – জোয়াকিম গাউক, জার্মান রাজনীতিবিদ ও ১১তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৪১ – ড্যান শেচতম্যান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইসরাইলের রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

১৯৪২ – ইউসেবিও, প্রাক্তন পর্তুগীজ ফুটবলার।

১৯৪৫ – সুভাষ ঘাই, ভারতীয় পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৪৭ – (ক) মিশিও কাকু, আমেরিকান পদার্থ বিজ্ঞানী।

(খ) টোস্টাও, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৫০ – দানিয়েল ওতোই, ফরাসি অভিনেতা।

 

১৯৭০ – নিল জনসন, সাবেক জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার।

 

১৯৮৪ – রবিনিয়ো, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

১৯৮৭ – লুইস সুয়ারেজ, উরুগুয়ের ফুটবল।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৮ – ইংল্যান্ডে বয়স্কাউট আন্দোলনের সূচনা হয়।

১৯২৭ – তৎকালীন তরুণ পরিচালক আলফ্রেড হিচককের প্রথম ছবি দ্য প্লেজার গার্ডেন মুক্তি পায়।

১৯৪১ – ব্রিটিশ সেনাবাহিনী আবিসিনিয়া অভিযান শুরু করে।

১৯৫০ – (ক) আজকের দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে গানটিকে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহণ করা হয়।

(খ) ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৫২ – বোম্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু।

১৯৬৯ – পাকিস্তানের অপশাসনের বিরুদ্ধে ঢাকায় গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং কিশোর মতিউর পুলিশের গুলিতে শহীদ হন।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং টোঙ্গা।

১৯৭৪ – সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মুহাম্মদ উল্লাহ বাংলাদেশের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৭৯ – ইরানের অত্যাচারী শাসকের শাহের অনুচররা ইরানের বেশির ভাগ শহরে দুই জনের অধিক লোক একত্রিত হওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

১৯৮৪ – অ্যাপল ম্যাকিন্টশ বিক্রি শুরু হয়।

১৯৮৮ – ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিং পরলোকগমন করেন।

১৯৮৮ – চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার সমাবেশে পুলিশের হাতে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়।

১৮৪৮ – জেমস মার্শাল ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কাঠচেরাই কলে প্রথম সোনা আবিষ্কার করেন।

১৮৫৭ – ভারতে প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪ – লিওনিদাস, প্রাক্তন ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

 

২০০৬ – পিটার ল্যাডিফোগিড, ইংরেজ-মার্কিনী ভাষাবিজ্ঞানী।

 

২০১১ – ভীমসেন জোশী ভারতীয় মার্গ সঙ্গীত বা হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী।

২০১৪ – ইংরেজ অভিনেত্রী লিসা ডানিইলয়।

২০১৫ – বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ।

 

২০২২ – প্রখ্যাত ভারতীয় চিত্রশিল্পী ওয়াসিম কাপুর।

১৯৬৫ – সাহিত্যে নোবেলজয়ী উইন্‌স্টন চার্চিল, ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।

১৯৬৫ – সাহিত্যরত্ন মুনশি আশরাফ হোসেন, বাঙালি কবি ও পুথি সংগ্রাহক।

 

১৯৬৬ – হোমি জাহাঙ্গীর ভাভা প্রখ্যাত ভারতীয় পরমাণু বিজ্ঞানী।

১৯৮০ – ডাচ বংশোদ্ভূত জার্মান অভিনেত্রী লিল ডাগভার।

১৯৮৮ – ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিং।

১৯৯৪ – ফরাসি লেখক ইয়ভেস ন্যাভারে।

 

১৮৭১ – ভিলহেল্ম ভাইৎলিং, জার্মান কারুশিল্পী এবং উনিশ শতকের বিপ্লবী।

১৫৯৫ – অস্ট্রিয়ার রাজা দ্বিতীয় ফার্দিনান্দ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৩ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  পরাক্রম দিবস (ভারত)

(খ) নেতাজি জয়ন্তী (ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম ও ওডিশা রাজ্য)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৭১৯ – ইংরেজ গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক জন লান্ডেন।

১৭৫২ – ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক, সুরকার ও পথপ্রদর্শক মুযিও ক্লেমেন্টি।

১৭৮৩ – ফরাসী ওপন্যাসিক স্তাঁদাল।

 

১৮২৩ – প্যারীচরণ সরকার, একজন শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক এবং উনিশ শতকের বাঙলার পাঠ্যপুস্তক রচয়িতা।

 

১৮৬২ – ডেভিড হিলবার্ট, জার্মান গণিতবিদ।

 

১৮৭৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ অটো ডিলস।

১৮৯১ – ইতালীয় মার্কসবাদী তাত্ত্বিক আন্তোনিও গ্রামসি।

১৮৯১ – ভারতের বাঙালি গণিতজ্ঞ অমিয়চরণ ব্যানার্জি।

১৮৯৪ – ভারতের বাঙালি কবি ও লেখিকা জ্যোতির্ময়ী দেবী।

১৮৯৭ – নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ও আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক।

১৮৯৮ – সের্গে আইজেনস্টাইন, সোভিয়েত চলচ্চিত্র পরিচালক এবং চলচ্চিত্র তাত্ত্বিক।

১৯০৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি পদার্থবিজ্ঞানী হিদেকি ইউকাওয়া।

১৯১৫ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ উইলিয়াম আর্থার লিউইস।

১৯১৮ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান প্রাণরসায়নী ও ফার্মাকোলজিস্ট গারট্রুড বি. এলিওন।

১৯২১ – অর্থনীতির মহিলা অধ্যাপিকা অমিতা দত্ত।

১৯২৯ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান রসায়নবিজ্ঞানী জন চার্লস পোলানি।

১৯৩০ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিখ্যাত কবি ও বিশিষ্ট নাট্যকার ডেরেক এলটন ওয়ালকট।

১৯৩৪ – বরুণ সেনগুপ্ত, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও কলকাতার বাংলা দৈনিক “বর্তমান” এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯৪২ – রাজ্জাক, বাংলাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৪৭ – মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী, ইন্দোনেশিয়ার ৫ম প্রেসিডেন্ট।

১৯৫০ – আমেরিকান অভিনেতা, প্রযোজক ও সুরকার রিচার্ড ডিন অ্যান্ডারসন।

 

১৯৫২ – ওমর হেনরী, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৬৪ – গায়ানার অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট ভারাট জাগডেও।

 

১৯৭১ – এডাম প্যারোরে, নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক (ক্রিকেট)।

১৯৭৭ – কমল হীর, পাঞ্জাবী গায়ক ও সংগীতশিল্পী।

১৯৮৪ – আর্‌ইয়েন রবেন, ওলন্দাজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৫৫৬ – চীনের সানসি প্রদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

১৫৭০ – স্কটল্যান্ডের অন্তবর্তীকালীন শাসন আর্ল অব মোর খুন হন।

১৯১৩ – তুরস্কে অভ্যুত্থানে নাজিম পাশা নিহত হন ও শেবকেত পাশা নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

১৯১৯ – মুসোলিনি ইতালির ফ্যাসিবাদী পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

১৯২০ – ভারতীয় উপমহাদেশে বিমানযোগে পণ্য পরিবহন ও ডাকযোগাযোগ শুরু হয়।

১৯২২ – কানাডার টরেন্টো জেনারেল হাসপাতালে প্রথম ডায়াবেটিস বা বহুমুত্রে আক্রান্ত এক রোগীকে কৃত্রিম ইনস্যুলিন দেয়া হয়।

১৯৪৩ – ব্রিটিশ বাহিনী ত্রিপোলি অধিকার করে নেয়।

১৯৫০ – নেসেট কর্তৃক জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।

১৯৬৪ – ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি প্রকাশ করে।

১৯৬৭ – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আইভরি কোস্টের মধ্যেকার কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন।

১৯৬৮ – নিজ জলসীমায় গোয়েন্দাগিরির অভিযোগে উত্তর কোরিয়া কর্তৃক ইউএসএস পিউব্লো (এজিইআর-২) জাহাজ আটক।

১৯৭৯ – ইরানের শাহ সরকারের শেষ প্রধানমন্ত্রী শাপুর বখতিয়ার ইরানের বিমানবন্দরগুলো বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশ দেন।

১৯৮৯ – সোভিয়েত তাজাখস্তানে ভূমিকম্পে চৌদ্দ শতাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯২ – এল সালভেদরের সংসদ গৃহযুদ্ধে জড়িত গেরিলাদের সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শন করে বিল পাস করে।

১৯৯৬ – ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী আইজাক রাবনকে হত্যার পর আদালতে ইগল আমির স্বীকাররোক্তি দেন।

১৯৯৭ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১ম নারী হিসেবে মেডেলিন অলব্রাইট সেক্রেটারি অব স্ট্যাট নিযুক্ত হন।

২০০১ – বাংলাদেশে চতুর্থ আদমশুমারি শুরু হয়।

২০০২ – পাকিস্তানের করাচিতে সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল অপহৃত হন এবং পরবর্তীতে নিহত হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১০০২ – রোমান সম্রাট তৃতীয় অটো।

 

১৮০৬ – ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট(ছোট পিট)।

 

১৮৫৯ – কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯০৯ – নবীনচন্দ্র সেন, বাংলা সাহিত্যের একজন কবি।

 

১৯৪৪ – রাশিয়ান কবি ভিক্টর গুসেভ।

 

১৯৫৬ – হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত ইংরেজ পরিচালক ও প্রযোজক আলেকজান্ডার কোর্ডা।

১৯৭৬ – আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ সংগ্রামী শিল্পী ও গায়ক পল রোবসন।

১৯৮৩ – ইংরেজ ক্রিকেটার ফ্লপি ডিস্ক।

 

১৯৮৯ – সালভাদর দালি, স্পেনীয় চিত্রকর।

 

২০০৩ – আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়ক নিল কার্টার।

২০১২ – অমল বোস, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের একজন অভিনেতা।

 

২০১৫ – সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

পরাক্রম দিবস ও নেতাজি জয়ন্তী – একটি বিশেষে পর্যালোচনা।

সূচনা——

 

 

২৩শে জানুয়ারী পালিত, পরাক্রম দিবস স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনে স্মরণ করা হয়।  এই বার্ষিক উদযাপন একটি ঐতিহাসিক ঘটনার চেয়ে বেশি;  এটি এমন একজন নেতার চিরস্থায়ী উত্তরাধিকারের প্রমাণ যাঁর জীবন নির্ভীকতা এবং স্বাধীনতার অন্বেষণে অটল অঙ্গীকারকে মূর্ত করেছে।

 

 

সুভাষ চন্দ্র বসু জয়ন্তী ২০২৪ এর থিম—

সুভাষ চন্দ্র বসু জয়ন্তী ২০২৪-এর থিম হল “নেতাজি-দ্য ইন্সপিরেশন ফর এ নিউ ইন্ডিয়া”।  এই থিমটি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর উত্তরাধিকারকে সম্মান করে, জাতীয় বীর যিনি লক্ষ লক্ষ ভারতীয়কে তাদের দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন।  স্বাধীনতার প্রতি তার দৃঢ় সংকল্প, সাহস এবং অটল প্রতিশ্রুতি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, স্ব-শাসন অর্জনের জন্য তাদের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

সুভাষ চন্দ্র বসু জয়ন্তীর তাৎপর্য—-

সুভাষ চন্দ্র বসু জয়ন্তী হল একটি ভারতীয় জাতীয় ছুটির দিন যা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকী স্মরণ করে, একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, জাতীয়তাবাদী এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী যিনি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।  প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারী, নেতাজি বসুর দেশপ্রেমের দৃঢ় চেতনা, মুক্তির প্রতি তাঁর অটল ভক্তি এবং তাঁর দৃঢ় চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পরাক্রম দিবস পালন করা হয়।

 

 

সুভাষ চন্দ্র বসু জয়ন্তীর ইতিহাস—

পরাক্রম দিবসের উৎসটি ২০২১ সালে চিহ্নিত করা যেতে পারে যখন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৪ তম জন্মদিনকে ভারত সরকার একটি জাতীয় ছুটি হিসাবে মনোনীত করেছিল।  ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বোসের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।  ২৪ জানুয়ারী, ২০২১ তারিখে, ভারতে প্রথম পরক্রম দিবস পালন করা হয়েছিল বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে।  বেশ কিছু পাবলিক কার্যক্রম এবং শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি, ভারত সরকার আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

 

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১২ – কনরাড এমিল ব্লচ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রাণরসায়নবিদ।

১৯১৩ – বাঙালি সাহিত্যিক ও যষ্টিমধু পত্রিকার সম্পাদক কুমারেশ ঘোষ ।

 

১৯২৬ – স্টিভ রিভস, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯৩০ – সুচরিত চৌধুরী কথাসাহিত্যিক।

 

১৯৩৩ – শর্বরী রায়চৌধুরী, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি ভাস্কর।

১৯৪১ – প্লাকিড ডোমিংগো, স্প্যানিয় মর্ম ও পথপ্রদর্শক।

১৯৫৩ – পল অ্যালেন, মার্কিন ব্যবসায়ী এবং মাইক্রোসফট -এর সহপ্রতিষ্ঠাতা।

১৯৫৬ – জিনা ডেভিস, মার্কিন চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অভিনেত্রী ও প্রাক্তন ফ্যাশন মডেল।

১৯৫৮ – মাইকেল ওয়িনচত্ত, কানাডীয় অভিনেতা।

১৯৬৩ – হেকিম অলাজুওয়ন, নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৭৫ – নিকি বাট, সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও কোচ।

 

১৯৮১ – মাইকেল টেল, ব্রাজিলীয় গীতিকার ও গায়ক।

 

১৯৮৬ – সুশান্ত সিং রাজপুত, ভারতীয় অভিনেতা।

১৯৮৯ – হেনরিখ মখিটারয়ান, আর্মেনীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৩৭ – পূর্ব ভারতের বঙ্গোপসাগরে ভয়াবহ প্রাণঘাতি ঝড় তুফানে তিন লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়।

১৭৬২ – ইংল্যান্ড ও স্পেনের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৭৯৩ – জানুয়ারিতে ফরাসী সম্রাট ষোড়শ লুঁইকে শুলে চড়িয়ে হত্যা করা হয়।

১৮৪৬ – চার্লস ডিকেন্স সম্পাদিত ‘দি ডেইলি নিউজ’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৯৯ – ওপেলের অটোমোবাইল তৈরি শুরু হয়।

১৯৩৬ – রাজা অষ্টম এডওয়ার্ড ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৯৪৯ – চীনের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে চিয়াং কাই শেকের পদত্যাগ করেন।

১৯৫৪ – পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রথম মার্কিন জাহাজ নটিলাস সাগরে ভাসে।

১৯৬০ – বেগবর্ধক শক্তি আর ওজনশূণ্যতায় সৃষ্ট প্রভাব পরীক্ষা করার জন্য প্রথমবারের মতো তিন বছর বয়সী একটি বানরকে মহাকাশে প্রেরণ।

১৯৬৮ – উত্তর কোরিয়ার ৩১ কমান্ডো কর্তৃক দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসিডেন্ট প্রাসাদে হামলা। মুখোমুখি বন্দুকযুদ্ধে একজন ছাড়া এদের সবাই নিহত। এ সময় সংঘর্ষে দক্ষিণ কোরিয়ার নিহত হয় ৩৪ জন।

১৯৭০ – ইরাকে অভ্যুত্থান চেষ্টা নস্যাৎ। ১২ জনকে হত্যা।

১৯৭২ – মনিপুর, মেঘালয় ও ত্রিপুরা ভারতের পূর্ণ রাজ্যে পরিণত হয়।

১৯৭৫ – আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বময় ক্ষমতা অর্পণ করা হয়।

১৯৭৬ – লন্ডন-বাহরাইন এবং প্যারিস-রিওর মধ্যে ফ্লাইট চলাচলের মধ্য দিয়ে কনকর্ডের বাণিজ্যিক উড্ডয়ন শুরু হয়।

১৯৯৬ – ইয়াসির আরাফাত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

১৯৯৭ – সৌদি আরব থেকে বিতাড়িত ৯১২ বাংলাদেশীর দেশে প্রর্তাবর্তন করে।

২০০২ – কানাডিয়ান ডলার, আমেরিকান ডলারের তুলনায় সর্বকালের সর্বনিম্ন বিনিময় মূল্য পায়। (১ কানাডিয়ান ডলার = ০.৬১৭৯ আমেরিকান ডলার)

২০০৩ – মেক্সিকোর কোলিমা রাজ্যে ৭.৬ মাত্রার ভূ-কম্পনে ২৯জন নিহত এবং আনুমানিক ১০,০০০ লোক গৃহহীন হয়ে পড়ে।

২০০৫ – বেলাইজের বেলমোপান এলাকায় সরকারের নতুন করনীতির প্রতিবাদে দাংগা ছড়িয়ে পড়ে।

২০০৮ – কালো সোমবার হিসেবে বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে প্রতিষ্ঠিত। এফটিএসই ১০০-এর সূচক একদিনে সবচেয়ে বড় পতন ঘটে। ইউরোপীয় স্টক এক্সচেঞ্জগুলো ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ – এর পর সবচেয়ে খারাপ করে শেষ হয়। এশিয়ার শেয়ার মার্কেটগুলোর সূচক ১৪% কমে যায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫২৭ – স্প্যানিশ এক্সপ্লোরার জুয়ান ডে গ্রিজাল্ভা।

১৬০৯ – ফরাসি ইতিহাসবিদ ও পণ্ডিত জোসেফ জুস্টুস স্কালিগ।

১৭৩৩ – বার্নার্ড ম্যান্ডেভিল, অ্যাংলো-ওলন্দাজ দার্শনিক, রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাঙ্গ রচয়িতা।

১৮৩১ – জার্মান কবি ও লেখক লুডওয়িগ আচিম ভন আরনিম।

 

১৯০১ – টেলিফোনের উদ্ভাবক ইলিশা গ্রে।

১৯২৪ – রুশ বিপ্লবের মহান নেতা ও মার্কসবাদের অন্যতম রূপকার ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন।

১৯২৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান চিকিৎসক ক্যামিলো গলজি।

 

১৯৪৫ – রাসবিহারী বসু, ভারতে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের একজন বিপ্লবী নেতা এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সংগঠক।

১৯৫০ – জর্জ অরওয়েল, ব্রিটিশ সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক লেখক।

১৯৫৯ – সেসিল বি. ডামিল, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, সম্পাদক, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা।

 

১৯৫৯ – ভারতের প্রখ্যাত রসায়ন বিজ্ঞানী জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ।

 

১৯৬৫ – ইরানের প্রধানমন্ত্রী হাসান আলী মনসুর তেহরানে অজ্ঞাতনামা গুপ্তঘাতক কর্তৃক নিহত হন।

১৯৭০ – রাশিয়ান দার্শনিক ও লেখক আলেকজান্ডার হেরযেন।

১৯৭৮ – ইংরেজ পণ্ডিত ও লেখক ফেরদা উতলেয়।

 

১৯৯১ – কৃষকনেতা ও লেখক আবদুল্লাহ রসুল।

 

২০০৬ – কসোভোর প্রথম রাষ্ট্রপতি, প্রথম সারির কসোভো-আলবেনীয় রাজনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবী ও লেখক ইব্রাহিম রুগোভা।

 

২০১৩ – ইংরেজ পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার মাইকেল ওয়িনার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২০ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২০ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৭৩ – জার্মান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও অধ্যাপক সাইমন মারিউস জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৮৭৩ – ইয়োহানেস ভিলহেল্ম ইয়েনসেন, ডেনীয় ঔপন্যাসিক, কবি এবং প্রাবন্ধিক।

 

১৯০২ – বিপ্লবী তুর্কী কবি নাজিম হিকমত জন্মগ্রহণ করেন।

১৯২০ – ইতালীর প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ফেডেরিকো ফেনিনি জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯২১ – (ক) স্বনামধন্য বাঙালি চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, এবং সাহিত্য সমালোচক শিবনারায়ণ রায়।

 

(খ) স্প্যানিশ ফুটবলার টেলমো জারা জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯২৭ – লেখক আবদুস সাত্তার জন্মগ্রহণ করেন।

 

১৯৩১ – নোবেল বিজয়ী আমেরিকান পদার্থবিদ ডেভিড মরিস লী জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৪৯ – ইয়োরান প্যাশন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী।

 

১৯৫৬ – আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক বিল মাহের জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ – ইংরেজ কৌতুকাভিনেতা, গায়ক, গীতিকার ও গিটারিস্ট মিটচি বেন জন্মগ্রহণ করেন ।

 

১৯৮১ – ওয়েন হারগ্রিভস, একজন ইংরেজ পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়।

 

১৯৮৭ – হাফিজ খান, সফটওয়্যার ডেভেলাপার এবং প্রোগ্রামার.

১৯৮৮ – স্প্যানিশ ফুটবলার জেফফ্রেন সুয়ারেজ জন্মগ্রহণ করেন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – ঢাকার পল্টনে সিপিবি’র মহাসমাবেশে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে ৯ জন নিহত হয়।

২০০৪ – তিনগিরিখাত প্রকল্পের জলাধারে যথাযথভাবে পানি মজুদ রাখার সুবিধার জন্য প্রথমবার বিস্ফোরণ সাফল্যের সঙ্গে শেষ হয়।

২০০৯ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম এবং প্রথম আফ্রো-আমেরিকান রাষ্ট্রপতি হিসেবে বারাক ওবামার শপথ গ্রহণ।

২০২১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে জোসেফ আর বাইডেন এর শপথ গ্রহণ।

২০২১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম উপ রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস এর শপথ গ্রহণ।

১৯০৫ – দক্ষিণ আফ্রিকার ট্রান্সভালের প্রিমিয়ার খনিতে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরা পাওয়া যায়।যার ওজন ছিল ৩.১০৬ ক্যারট।

১৯২৫ – ব্রিট্রেন ও চীনের পিকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৩৪ – আলোকচিত্র এবং ইলেকট্রনিকস্‌ কোম্পানী হিসেবে ফুজিফিল্ম কোম্পানীর যাত্রা শুরু।

১৯৪৪ –  বার্লিনে ব্রিটেন ২,৩০০ টন বোমা নিক্ষেপ করে।

১৯৫৫ –  চীন-আফগানিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৬৮ – ইরাকের প্রেসিডেন্ট আরেফ ক্ষমতাচ্যুত হন; আর বারেকের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়।

১৯৬৯ – তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) পুলিশ কর্তৃক আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান নিহত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য এ ঘটনাটি বেশ প্রভাব বিস্তার করেছিল বলে ইতিহাসবেত্তাদের ধারণা। শহীদ আসাদকে ঘিরেই বাংলাদেশের আধুনিক কবি শামসুর রাহমান রচনা করেছেন আসাদের শার্ট কবিতাটি।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় বার্বাডোস।

১৯৮১ – মাদার তেরেসা ঢাকা আগমন করেন।

১৯৮৬ – লেসোথোর প্রধানমন্ত্রী লিয়াবুয়া ক্ষমতাচ্যুত হন।

১৯৮৯ – নগরবাড়ী ঘাটে ফেরি দুর্ঘটনায় অভিনেত্রী টীনা খানসহ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের ব্যতিক্রমী নক্ষত্র আলমগীর কবির মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৯ – জর্জ বুশ যুক্তরাষ্ট্রের ৪১ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

১৯৯১ – সুদানে শরিয়া আইন জারি হয়।

১৯৯২ – চীন-বেলারুস কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৩ – বিল ক্লিনটনের যুক্তরাষ্ট্রের ৪২ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

১৯৯৫ – তাজমহলকে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে রক্ষাকল্পে ৮৪ টি শিল্প কারখানা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

১৯৯৭ – ক্লিনটনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হয়।

১৯৯৭ – বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা শুরু হয়।

১৯৯৯ – ইন্টারনেট ব্যবহার বিশেষ করে সাইবার ক্যাফেতে ইন্টারনেট সেবার ওপর চীনা সরকারের বিধিনিষেধ আরোপের খবর ফাঁস হয়।

১৮১৭ – কলকাতায় হিন্দু কলেজ স্থাপিত হয়।

১৮৪১ – হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আওতাধীন হয়।

১৮৭০ –  বেঙ্গল গেজেট প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৯২ – আমেরিকার স্প্রিং ফিল্ডে প্রথম বাস্কেটবল খেলা হয়।

১৭৫৭ – নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা হুগলি আক্রমণ করেন।

১২৬৫ – ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯০০ – ব্রিটেনের বিখ্যাত লেখক, কবি, সাহিত্য সমালোচক ও শিল্পী জন রাসকিন মৃত্যুবরণ করেন।

১৯০১ – বেলজিয়ামের বিশিষ্ট আবিষ্কারক ও পদার্থবিজ্ঞানী জেনোবে গ্রাম ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

১৯০৪ – সূর্যকুমার সর্বাধিকারী, প্রখ্যাত চিকিৎসক ও ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিনের প্রথম ভারতীয় ডিন ও মানবতাবাদী ব্যক্তিত্ব ।

 

১৯৫৪ – ইংরেজ ক্রিকেটার ফ্রেড রুট মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৬৯ – আমানুল্লাহ আসাদুজ্জামান, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান: বাংলাদেশ) একজন শহীদ ছাত্রনেতা।

১৯৭৯ – ডেনিশ গায়ক ও গীতিকার গুস্টাভ ওয়িনক্লের মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৪ – বিশ্বের সেরা সাঁতারু ও টারজান চরিত্রাভিনেতা জনি ওয়েসমুলার মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৮৮ – পশতুন বংশোদ্ভূত ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রবাদপুরুষ সীমান্ত গান্ধী (খান আবদুর গাফফার) মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৮ – গ্রিক লেখক ডরা স্ট্রাটউ মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৮৯ – ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী অনুশীলন সমিতির সভ্য, ‘অনুশীলন সমিতির ইতিহাস’ রচয়িতা জীবনতারা হালদার প্রয়াত হন।

 

১৯৯৩ – অড্রে হেপবার্ন, খ্যাতিমান মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৯৪ – স্যার আলেক্সান্ডার ম্যাথিউ বাজবি, একজন স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ম্যানেজার।

২০১৩ – জাপানি কবি টয় শিবাটা মৃত্যুবরণ করেন।

২০২১ – বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রকৌশলী খালেদা শাহারিয়ার কবির।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

অজ কোকবোরোক দিবস (ত্রিপুরি ভাষা দিবস), জানুন এর ইতিহাস, তাৎপর্য।

কোকবোরোক দিবস হল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ১৯ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক পালন। এটি রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের দ্বারা কথ্য কোকবোরোক ভাষা উদযাপন করে এবং ১৯৭৯ সালে ত্রিপুরার একটি সরকারী ভাষা হিসাবে এর স্বীকৃতিকে স্মরণ করে।
ভারত একটি বহুভাষিক দেশ যেখানে বিভিন্ন ভাষা পরিবারের ভাষা বলা হয়।  আনুমানিক ৭৮% ভারতীয়রা ইন্দো-আর্য ভাষায় কথা বলে এবং বাকি জনগোষ্ঠীর দ্বারা কথিত ভাষাগুলি দ্রাবিড়, অস্ট্রোএশিয়াটিক, চীন-তিব্বতি, ক্রা-দাই এবং অন্যান্য ভাষা পরিবারের অন্তর্গত।  কোকবোরোক চীন-তিব্বতীয় পরিবারের অন্তর্গত;  এর “নিকটতম আত্মীয়” হল আসাম, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম এবং মেঘালয়ে বোডো, ডিমাসা এবং কাছারি ভাষা।
কোকবোরোক ভাষার নামের অর্থ “বোরোক জনগণের ভাষা”।  বোরোক জনগণ, ত্রিপুরী জনগণ নামেও পরিচিত, হল টুইপ্রা রাজ্যের আদি বাসিন্দা যা উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের অংশে অবস্থিত ছিল।  ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার পর, টুইপ্রা ব্রিটিশ ভারতের একটি রাজকীয় রাজ্যে পরিণত হয়।  ১৯৪৯ সালে, এটি ত্রিপুরা রাজ্য হিসাবে ভারতের ইউনিয়নে যোগদান করে।

যদিও ককবোরোক রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার মাতৃভাষা, তবে তিন দশক ধরে বাংলাই ত্রিপুরার একমাত্র সরকারী ভাষা ছিল।  ১৯৪৯ সালের ১৯ জানুয়ারি পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়, যখন শেষ পর্যন্ত বাংলার পাশাপাশি কোকবোরোককে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।  এই অনুষ্ঠানের বার্ষিকী এখন ত্রিপুরায় কোকবোরোক দিবস হিসেবে পালিত হয়।  এটি রাজ্য সরকার কর্তৃক আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য কার্যক্রমের সাথে উদযাপিত হয়।
মূলত, কোকবোরোক একটি একক ভাষা নয় বরং বেশ কয়েকটি ভাষা এবং উপভাষার জন্য একটি ছাতা পরিভাষা, যার মধ্যে কিছু এমনকি পারস্পরিকভাবে বোধগম্য নয় (একইভাবে, চীনা ভাষা বৈচিত্র্যের একটি গ্রুপ)।  দেববর্মা হল কোকবোরোকের একটি মর্যাদাপূর্ণ উপভাষা যা সকলের দ্বারা বোঝা যায় এবং সকল স্তরে সাহিত্য ও শিক্ষার মান হিসাবে বিবেচিত হয়।
ইউনেস্কোর অ্যাটলাস অফ দ্য ওয়ার্ল্ডস ল্যাঙ্গুয়েজ ইন ডেঞ্জার অনুসারে, কোকবোরোক একটি অরক্ষিত ভাষা, যার অর্থ হল বেশিরভাগ শিশু এটি কথা বলে, তবে এর ব্যবহার নির্দিষ্ট ডোমেনে সীমাবদ্ধ।  ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বক্তার সংখ্যা ৬৯৫০০০ অনুমান করা হয়েছে।

 

।। তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৯ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৯ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ককবরক দিবস (ত্রিপুরা, ভারত)।

(খ) জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস (বাংলাদেশ)।

(গ) জাতীয় শিক্ষক দিবস (বাংলাদেশ)।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২০ – পেরেজ দ্য কুয়েলার, জাতিসংঘের পঞ্চম মহাসচিব।

 

১৯২২ – আর্থার মরিস, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়।

১৯৩১ – ওস্তাদ বাহাদুর হোসেন খান, বাংলাদেশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতশিল্পী, সুরকার ও সরোদ বাদক।

 

১৯৩৫ – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও আবৃত্তিকার।

 

১৯৩৬ – জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনা প্রধান ও বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

 

১৯৫৯ – ডেনিস কুপার, মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং প্রোগ্রামার।

 

১৮০৯ – এডগার অ্যালান পো, মার্কিন লেখক।

 

১৮১৩ – হেনরি বেসিমা, বিজ্ঞানী, লোহা গলানো চুল্লির উদ্ভাবক।

১৮২২ – যদুনাথ পাল,খ্যাতনামা মৃৎশিল্পী।

১৮৯২ – সুরেন্দ্র লাল দাশ, সঙ্গীতশিল্পী।

 

১৭৩৬ – জেমস ওয়াট, স্কটিশ রসায়নবিদ এবং প্রকৌশলী।

১৭৯৮ – অগুস্ত কোঁত, ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৬ – নাসার নামবিহীন একটি স্পেসক্রাফট প্লুটো যাবার পথে ব্লাস্ট হয়।

২০১২ – হংকংভিত্তিক ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট মেগাআপলোড এফবিআই বন্ধ করে দেয়।

১৯১৫ – ব্রিটেনের উপর প্রথম বিমান হামলা চালানো হয়।

১৯২৬ – মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪২ – জার্মান সার্মা দখল করে।

১৯৬৬ – ইন্দিরা গান্ধী ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

১৯৭৫ – ভারতের হিমাচল প্রদেশে ভূমিকম্প হয়।

১৯৭৯ – ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা হজরত ইমাম খোমেনী (রহ) স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ঘোষণা প্রদান করেন।

১৯৮১ – ইরানে জিম্মিসঙ্কট: ১৪ মাস বন্দীদশায় কাটানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ৫২ মার্কিন নাগরিকের মুক্তিলাভ।

১৯৮৩ – Apple Inc. প্রথমবারের মত পার্সোনাল কম্পিউটার এ গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস এবং মাউস ব্যবহারের ঘোষণা দেয়।

১৯৮৬ – প্রথমবার আইবিএম কম্পিউটার পিসি ভাইরাস পাওয়া যায়,যা তৈরি করেছিল দুইজন পাকিস্তানি নাগরিক।

১৯৮৮ – চীনে বিমান দুর্ঘটনায় ১০৮ জনের মৃত্যু হয়।

১৯৯১ – উপসাগরীয় যুদ্ধ, ইরাক ইসরায়েলে দ্বিতীয় স্কাড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতে ১৫ জন আহত হয়।

১৯৯৩ – চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়াজাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৯৭ – দীর্ঘ ৩১ বছর পর প্যালেস্টাইনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত প্রথম প্যালেস্টাইনে পা রাখলে তাকে বীরোচিত সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়।

১৮২৫ – রায়ত বিদ্রোহের এক পর্যায়ে শেরপুরে জমিদারদের বরকন্দাজদের বিরুদ্ধে রায়তদের সশস্ত্র সংঘর্ষ হয়।

১৮৩৯ – ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইয়েমেনের বন্দর নগরী এডেন দখল করে।

১৮৪০ – নাবিক ক্যাপ্টেন চার্লস আমেরিকা উপকূল আবিষ্কার করেন।

১৮৫৯ – ফ্রান্স সারদিনিয়া জোটের চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

১৮৮৩ – টমাস এডিসন, প্রথমবারের মত তার ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক বাতি তৈরি করেন।

১৮৯৩ – ইবসেনের নাটক দ্য মাস্টার বিল্ডার প্রথম মঞ্চস্থ হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০২ – ভাভা, ব্রাজিলীয় ফুটবলার।

২০০৪ – ডেভিড হুকস, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

 

২০১৯ – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক।

২০২১ – বিশিষ্ট অভিনেতা, নাট্য পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান দিলু।

 

২০২২ – (ক) বাংলাদেশের স্পাই থ্রিলার জগতে জনপ্রিয়তম চরিত্র ‘মাসুদ রানা’র স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন।

(খ) ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী গোরা সর্বাধিকারী।

(গ) প্রভাত চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি পোস্ট-মডার্ন কবি।

১৯০৫ – মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মধর্ম প্রচারক ও দার্শনিক।

১৯২৪ – সরোজ নলিনী দত্ত, ভারতীয় নারীবাদী এবং সমাজ সংস্কারক।

 

১৯২৬ – দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর,বাংলা শর্টহ্যান্ড লিপির উদ্ভাবক।

১৯২৭ – স্যার কৈলাসচন্দ্র বসু,ভারতের চিকিৎসাশাস্ত্রে সবচেয়ে সম্মানিত ও প্রথম স্যার উপাধিপ্রাপ্ত চিকিৎসক।

১৯৫৪ – থিওডর কালুজা, জার্মান গণিতবিদ এবং পদার্থবিদ।

 

১৯৬৬ – মেজর সত্য গুপ্ত, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও সমাজসেবী।

১৯৭৮ – বিজন ভট্টাচার্য, বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।

 

১৯৯২ – মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, বাঙালি গায়ক ও সুরকার।

 

১৮৮৬ – রামনারায়ণ তর্করত্ন, বাংলার প্রথম মৌলিক নাট্যকার ও হরিনাভি বঙ্গনাট্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৮ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৮ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৮৪২ – মহাদেব গোবিন্দ রাণাডে,প্রখ্যাত ভারতীয় বিচারপতি, লেখক ও সমাজ সংস্কারক ।

 

১৮৫৪ – টমাস আউগুস্তুস ওয়াটসন, একজন আমেরিকান যিনি আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেলের সহকারী ছিলেন এবং টেলিফোন আবিষ্কারের অন্যতম প্রবর্তক হিসেবে স্বীকৃত।

১৮৬৭ – নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর।

১৮৭৮ – সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন।

১৮৮২ – এ. এ. মিলনে, ইংরেজ লেখক, কবি ও নাট্যকার।

১৯০৩ – প্রখ্যাত রসায়নবিদ,গবেষক ও লেখক দুঃখহরণ চক্রবর্তী।

 

১৯১৭ – আজিজুর রহমান, বাংলাদেশী কবি এবং গীতিকার।

১৯২১ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি আমেরিকান পদার্থবিদ ইয়োইচিরো নাম্বু।

 

১৯৩৫ – মমতাজউদ্দীন আহমেদ, বাংলাদেশি নাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৩৭ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ জন হিউম।

১৯৪৫ – মোনাজাত উদ্দিন, একুশে পদক বিজয়ী বাংলাদেশী সাংবাদিক।

১৯৪৯ – স্থবির দাশগুপ্ত, ভারতীয় বাঙালি ক্যান্সার রোগ বিশেষজ্ঞ।

 

১৯৫৪ – পার্থ প্রতিম মজুমদার, প্রখ্যাত মূকাভিনয় শিল্পী।

১৯৬০ – মার্ক রাইল্যান্স, ইংরেজ অভিনেতা, মঞ্চ পরিচালক এবং নাট্যকার।

১৯৮৪ – জাপানি ফুটবলার মাকটো হাসেবে।

১৯৮৮ – জার্মান টেনিস খেলোয়াড় আঙ্গেলিকুয়ে কেরবের।

১৯৯০ – বাংলাদেশি তরুণ প্রজন্মের সঙ্গীত শিল্পী হৃদয় খান।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

৪৭৪ – দ্বিতীয় লিও এক বছরের থেকেও কম সময়ের জন্য বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সম্রাট হন।

১৪৮৬ – এলিজাবেথ অব ইয়র্কের সঙ্গে ইংল্যান্ডের রাজা সপ্তম হেনরী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৫৩৫ – স্পেনীয় দখলদার (Spanish conquistador) ফ্রান্সিস্‌কো পিজারো পেরুর রাজধানী, লিমা আবিষ্কার করেন।

১৬৪২ – প্রথম ইউরোপীয় হিসাবে আবেল তাসমান নিউজিল্যান্ডে পা রাখেন।

১৬৭০ – ওয়েল্‌শ্‌ অ্যাডমিরাল স্যার হেনরী মোরগেন পানামা দখল করেন।

১৭০১ – প্রথম ফ্রেডরিক প্রুশিয়ার রাজা হন।

১৭৭৮ – ইংরেজ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক হাওয়াই দ্বীপ আবিষ্কার করেছিলেন।

১৮৬২ – বঙ্গীয় আইন পরিষদ গঠিত হয়।

১৮৭১ – ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে প্রথম ভিলহেল্ম জার্মানীর প্রথম সম্রাট ঘোষিত হন।

১৯১২ – বৃটিশ অভিযাত্রী রবার্ট ফ্যালকন স্কট দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন। তিনি প্রথম দক্ষিণ মেরুতে পর্দাপন করেছিলেন বলে প্রথমে ভাবলেও পরে বুঝতে পারেন তার ভুল হয়েছে।

১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ – ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে প্যারিস শান্তি সম্মেলন শুরু হয়।

১৯৩৮ – সুভাষচন্দ্র বসু ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হন।

১৯৪৪ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ – সোভিয়েত ইউনিয়নের বাহিনী রাশিয়ার লেনিনগ্রাড শহরটিকে নাৎসি জার্মান বাহিনীর কবল থেকে মুক্তি করে।

১৯৪৮ – হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা বন্ধ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধী তার ১২১ ঘণ্টার অনশনের অবসান ঘটিয়েছিলেন।

১৯৫০ – ভারত ধর্মনিরপক্ষে গণরাষ্ট্র হিসাবে ঘোষিত হয় ।

১৯৫৬ – জাপান জাতিসংঘে যোগদান করে।

১৯৭৮ – নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে বন্দিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগে যুক্তরাজ্য সরকার ইউরোপের মানবাধিকার আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়।

১৯৭৯ – ইরানের বিপ্লবী জনগণ স্বৈরচারী শাহ সরকারের শেষ প্রতিনিধি অর্থাৎ শাপুর বখতিয়ারের সরকারের বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ করে।

১৯৯৭ – একাকী এবং কারো সাহায্য ছাড়াই প্রথম ব্যক্তি হিসেবে অ্যান্টার্কটিকা পাড়ি দেন নরওয়ের বোর্জ অসল্যান্ড।

১৯৯৮ – দ্রুজ রিপোর্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও মনিকা লিউনস্কির সম্পর্ক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়।

২০০২ – সিয়েরালিয়নে গৃহযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

২০০৬ – সংযুক্ত আবর আমিরাতে প্রথম কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩৬৭ – প্রথম পিটার, পর্তুগালের রাজা।

 

১৬৭৭ – জান ভান রিয়েবেক, ডাচ রাজনীতিবিদ ও কেপ টাউনের প্রতিষ্ঠাতা ।

 

 

১৮৬২ – জন টাইলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দশম রাষ্ট্রপতি।

১৯৩৬ – নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ লেখক ও কবি রুডইয়ার্ড কিপলিং।

 

১৯৪৭ – কুন্দনলাল সায়গল,ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা।

 

১৯৫১ – যতীন্দ্রমোহন রায়, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।

১৯৫৫ – পাকিস্তানি লেখক ও চিত্রনাট্যকার সাদাত হাসান মান্টোর।

 

১৯৮৩ – মীরা দত্তগুপ্ত ,ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবী ও জননেত্রী।

 

১৯৯২ – (ক)  সুবোধকুমার চক্রবর্তী, রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত ভ্রমণকাহিনী লেখক।

(খ) হামিদুল হক চৌধুরী, রাজনীতি ও আইনজীবী ।

১৯৯৫ – আডল্‌ফ ফ্রিড্‌রিশ ইয়োহান বুটেনান্ড্‌ট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।

১৯৯৬ – এন. টি. রামা রাও, ভারতীয় অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ, অন্ধ্রপ্রদেশ-এর ১০ তম মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০০৩ – হরিবংশ রাই বচ্চন, প্রখ্যাত ভারতীয় হিন্দি কবি।

২০১৭ – র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট, ইংল্যান্ডের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক মহিলা ক্রিকেট তারকা।

 

২০১৮ – চন্ডী লাহিড়ী, প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট।

 

২০২২ – নারায়ণ দেবনাথ,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ জানুয়ারী, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ জানুয়ারি । এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫০৪ – পোপ চতুর্থ পায়াস।

১৭০৬ – মার্কিন বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন।

 

১৮৬৩ – রুশ অভিনেতা, নাট্যকার ও পরিচালক কনস্তানতিন স্তানিস্লাভস্কি।

১৮৯৫ – স্বাধীনতা সংগ্রামী,বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী বিজয়কুমার ভট্টাচার্য ।

 

১৯০৯ – আশুতোষ ভট্টাচার্য, বিশিষ্ট বাংলা সাহিত্য ও লোকসংস্কৃতি গবেষক ও অধ্যাপক।

১৯১৩ – রাডার যন্ত্রের পুরোধা স্যার এ্যাডওয়ার্ড ফেনিশি।

১৯৩০ – ক্ষেত্র গুপ্ত, বাঙালি অধ্যাপক, সমালোচক ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯৩৩ – প্রিন্স সদরউদ্দিন আগা খান।

১৯৪২ – মোহাম্মদ আলী, বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা।

 

১৯৪৫ – জাভেদ আখতার, ভারতীয় কবি, গীতিকার এবং স্ক্রিপ্ট রাইটার।

 

১৯৫১ – সন্তু মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৫৩ – অঞ্জন দত্ত, ভারতীয় গায়ক , গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক।

১৯৬২ – জিম ক্যারি, কানাডীয় বংশোদ্ভুত মার্কিন অভিনেতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৮ – ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ফ্লাইট ৩৮ লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পড়ে যাতে প্রথম কোন বোয়িং ৭৭৭ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায় কোন প্রাণহানি ছাড়াই।

১৯২৩ – পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃর্পক্ষ অবৈধভাবে একজন বিপ্লবী বিক্ষককে গ্রেফতার প্রতিবাদে ছেই ইয়েন পেই পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ করেন।

১৯৪৫ – সোভিয়েত রাশিয়ার সৈন্য বাহিনী পোলান্ডের রাজধানী ওয়ারশকে জার্মান দখল থেকে মুক্ত করে। ইউরোপে যুদ্ধ শুরুর দিন থেকেই ওয়ারশতে যুদ্ধ আরম্ভ হয়।

১৯৪৫ – সোভিয়েত সেনারা অগ্রসর হলে জার্মান নাজি বাহিনী কুখ্যাত আউচভিচ কনসেনট্রেশন ক্যাম্প ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯৪৬ – জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রথম অধিবেশন

১৯৫৩ – ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে মুনীর চৌধুরীর কবর নাটক রচনা শেষ হয়।

১৯৫৯ – সেনেগাল ও ফরাসি সুদান একীভূত হয়ে মালি ফেডারেল স্টেট গঠন করে।

১৯৬১ – কঙ্গোর জননায়ক প্যাট্রিস লুমুম্বা নিহত হন।

১৯৬৬ – স্পেনের কাছে ভূমধ্যসাগরের আকাশে মার্কিন বি-ফিফটি টু বম্বারের সাথে কেসি-ওয়ান থ্রি ফাইভ জেট ট্যাংকারের সংঘর্ষ হয়।

১৯৭০ – পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

১৯৮৭ – দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা তথা ‘সার্ক’ সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ – পঞ্চম হ্যারল্ড নরওয়ের রাজা হিসাবে অভিষিক্ত হন।

১৯৯১ – উপসাগরীয় যুদ্ধে অপারেশন ডেসার্ট হার্ট শুরু হয়। ইরাক এদিন ৮টি স্কাড ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে নিক্ষেপ করে।

১৯৯৫ – জাপানের ওসাকা কোবে অঞ্চলে ভূমিকম্পে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি লোকের প্রাণহানি ঘটে ও বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৮৪১ – বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত চূড়ার নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়েছিলো।

১৮৬৩ – ভার্জিনিয়াতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

১৮৯৩ – হাওয়াই প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।

১৬০৫ – ডন কুইক্সোট প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৫৮৪ – বোহেমিয়া গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রহণ করে।

১৫৯৫ – ফ্রান্সের চতুর্দশ হেনরিক প্লেন যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

১২৫৮ – মঙ্গোলরা বাগদাদ নগরী অধিকার করে ও ধ্বংসযজ্ঞে লিপ্ত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৫৯৮ – রাশিয়ার জার প্রথম ফিয়োডর।

 

১৮৯১ – (ক) রামচন্দ্র দত্ত ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের অন্যতম গৃহীভক্ত।

(খ) মার্কিন ইতিহাসের জনক জর্জ ব্যানক্রাফ্ট।

১৮৯৩ – রাদারফোর্ড বি. হেইজ্‌, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩০ – গওহর জান,ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী।

 

১৯৪০ – ভারতে ফুটবল খেলার জনক নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী।

১৯৬১ – কঙ্গোর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্যাট্রিস লুমুম্বা।

১৯৭৬ – ইতালীয় চলচ্চিত্র পরিচালক ও লেখক লুকিনো ভিসকেন্তি।

১৯৭৮ – শিক্ষাবিদ ও জাতীয়তাবাদী তাত্ত্বিক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।

২০০৩ – ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী সমরেশ রায়।

 

২০১০ – জ্যোতি বসু, ভারতীয় বাঙালি কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী।

 

২০১১ – গীতা দে, বাংলা চলচ্চিত্র, থিয়েটার এবং বাঙালি লোকনাট্যের ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

 

২০১৪ – সুচিত্রা সেন, ভারতীয় বাঙালি অভিনেত্রী।

 

২০১৫ – গোবিন্দ হালদার, বাঙালি গীতিকার।

 

২০২২ – ভারতীয় বাঙালি লেখক মিহির সেনগুপ্ত।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This