Categories
রিভিউ

আজ ৩০ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩০ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বনিফেসিও দিবস

(খ) কমেমোরেশন দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – রাধারাণী দেবী,বিশ শতকের বাঙালি মহিলা কবি।

 

১৯০৮ – বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯১৫ – হেনরি টাউব, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯২৮ – অমর গঙ্গোপাধ্যায়, বাংলা নাট্যমঞ্চের বিখ্যাত অভিনেতা।

 

১৯৩৭ – রিডলি স্কট, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক।

 

১৯৪৩ – টেরেন্স মালিক, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৪৪ – জর্জ গ্রাহাম, স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

১৯৫৩ – নন্দিত সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী।

 

১৯৮৪ – নিগেল ডি জং, ডাচ ফুটবলার।

 

১৯৮৮ – ফিলিপ হিউজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৯১ – মোহাম্মাদ নাসির হোসেন, বাংলাদেশ।

 

১৮১৭ – টেওডোর মম্‌জেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান আইনজ্ঞ, ঐতিহাসিক ও পণ্ডিত।

 

১৮৩৫ – স্যামুয়েল ল্যাঙ্গহোর্ণ ক্লিমেন্স, একজন মার্কিন রম্য লেখক, সাহিত্যিক ও প্রভাষক। ইনি অবশ্য ‘মার্ক টোয়েইন’ নামে বেশি পরিচিত।

 

১৮৫৮ – স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি পদার্থ ও জীব বিজ্ঞানী।

 

১৮৬৯ – নিল্স গুস্তাফ দালেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী।

 

১৮৭৪ – উইন্‌স্টন চার্চিল, ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।

 

১৮৮৯ – এডগার ডগলাস আদ্রিয়ান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।

 

১৬৬৭ – বিখ্যাত আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফট।

 

১৫০৮ – আন্ড্রেয়া পালাডিও, ইতালীয় স্থপতি।

 

১৫৫৪ – ফিলিপ সিডনি, ইংরেজ সৈনিক, সভাসদ ও কবি।

 

১৪৮৫ – ইতালির মহিলা কবি ভোরোনিকা গামবারা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৭ – কলকাতায় জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হয়।

১৯৬২ – উথান্ট জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

১৯৬৬ – বারবাডোজ স্বাধীনতা লাভ করে।

 

১৯৭৩ – শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশে দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন সকল রাজবন্দীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৭ – আর্ন্তজাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল–IFAD প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৭ – হ্যাঁ–না ভোটে জিয়াউর রহমানের গণ আস্থা লাভ।

১৮৩৮ – মেক্সিকো ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮৬৩ – উমাচরণ ভট্টাচার্য মুদ্রিত মাসিক পত্রিকা ‘সচিত্র ভারত সংবাদ’ প্রাকাশিত হয়।

১৮৬৬ – শিকাগোতে প্রথম জলের নিচে হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

১৭৩১ – বেইজিংয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

১৭৭৬ – ক্যাপ্টেন কুক প্রশান্ত মহাসাগরে তৃতীয় ও শেষ অভিযান শুরু করেন।

১৭৮২ – ইংল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক) বাঙালি সাহিত্যিক ।

 

২০১২ – ইন্দ্র কুমার গুজরাল, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রধানমন্ত্রী।

 

২০১৪ – কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী।

 

২০১৭ – আনিসুল হক, বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

 

২০২১ – রফিকুল ইসলাম, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও জাতীয় (বাংলাদেশ) অধ্যাপক।

 

১৯০০ – অস্কার ওয়াইল্ড, আইরিশ প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি।

 

১৯০৯ – রমেশচন্দ্র দত্ত,ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩৩ – (ক) কবি মোজাম্মেল হক।

(খ) নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায় ।

 

১৯৩৫ – ফার্নান্দো পেশোয়া, তিনি ছিলেন পর্তুগিজ কবি, দার্শনিক ও সমালোচক।

 

১৯৫৩ – ফ্রান্সিস পিকাবিয়া, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও কবি।

১৯৭৯ – যেপপো মার্কস, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৮৪ – (ক)  অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবী।

 

(খ) প্রখ্যাত সংগতিয়া (তবলা বাদক) রাধাকান্ত নন্দী।

১৯৮৮ – মিশরের প্রখ্যাত ক্বারী আবদুল বাসেত মোহাম্মাদ আবদুস সামাদ।

 

১৯৮৯ – আহমাদউ আহিদজ, ক্যামেরুনের রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

১৯৯৪ – গায় ডেবরড, ফরাসি তাত্ত্বিক ও লেখক।

 

১৯৯৮ – আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী।

১৭১৮ – ফ্রান্সের রাজা দ্বাদশ চার্লস যুদ্ধে নিহত হন।

 

১৭৫৯ – মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর নিজ মন্ত্রীর হাতে নিহত হন।

১০১৬ – এডমন্ড আয়রনসিডে, ইংরেজ রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

বেলজিয়াম কাঁচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত হয় মঠবাড়ি ও দীনদয়াল বিগ্রহ বাড়ির মন্ডপসজ্জা।

আড়ম্বর থাকলেও নেই বৈদতিক আলো, গোটা মন্ডপ বেলজিয়াম কাঁচের ফানুসে মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোকিত হয় শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী মঠবাড়ি ও দীনদয়াল বিগ্রহ বাড়ির মন্ডপসজ্জা। শহরের মঠবাড়ি হোক কিংবা দীন দয়াল ঠাকুর বাড়ি। প্রায় প্রতিটি বিগ্রহ বাড়িতে ব্যবহৃত বেলজিয়াম কাচের ফানুসগুলোর একেকটির বয়স প্রায় ২০০ থেকে ৩৫০ বছর।

 

 

উচ্চতা হয় প্রায় দুই ফুটের মত। ঢেউ খেলানো বিভিন্ন আকৃতির রঙবাহারি কাচের উপর আঁকা থাকে বিভিন্ন নকশা। বেলজিয়াম কাচের ফানুসের প্রতিটির দাম ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কেন এত দাম? কারণ অবশ্যই তার সূক্ষ্ম কাজের কেরামতির জন্য। সারাবছর বাড়ির অন্দরমহলে সযত্নে রক্ষিত থাকে সেগুলো। রাস উৎসবের সন্ধ্যায় এই বেলজিয়াম ফানুস দিয়ে সাজানো হয় প্রতিটি বাড়ির মূল প্রাঙ্গন। ভেতরে টিমটিম করে জ্বলতে থাকে মোমবাতির আলো।

 

 

বাজারের সাধারণ মোম নয়, ফানুসের ভেতর বসানো হয় প্যারাসিন দিয়ে তৈরি সলতে পাকানো বিশেষ ধরনের মোম। এখনও বংশ-পরম্পরায় এই মোম তৈরি করেন শান্তিপুরের কয়েক ঘর মোমশিল্পী। ভাঙা রাসের দিন নগর পরিক্রমা দেখতে শহরের রাজপথে যে ভিড় উপচে পড়ে, আলো আঁধারির খেলা দেখতে বিগ্রহ বাড়ির রাস উৎসবে সেই ভিড়ে অন্তত তিনগুণ দর্শনার্থী থাকেন। নামে বেলজিয়াম ফানুস হলেও এগুলি একসময় নিয়ে আসা হয়েছিল ফ্রান্স এবং ভেনিস থেকে। এখনও সেখানে এই ফানুস তৈরি হয়। বিগ্রহবাড়ির সদস্যদের কথায়, এখন আর ইউরোপ থেকে বেলজিয়াম ফানুস নিয়ে আসা হয় না। পরিবর্তে জায়গা নিয়েছে শহর কলকাতায় তৈরি কাঁচের অন্যান্য ফানুস। দামে কম হলেও আভিজাত্যে  ধারেকাছেও যায় না।

 

 

রাসের তিনদিন সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন করে রাখা হয় শহরের মঠবাড়ি ও দীনদয়াল বাড়িকে। রাসের সময় অন্তত শতাধিক বেলজিয়াম কাচের ফানুসে আলোয় আলো হয়ে ওঠে এই বাড়ি। পরিবারের সদস্য সুশান্ত মঠ বলেন, দেখতে অতীব সুন্দর। কিন্তু ফানুসের ভেতর মোমবাতি বসানোর ধরণ একেবারেই সহজ নয়। অসাবধানতা কিংবা ভেতরের জ্বলন্ত মোমবাতি প্রায় এক ইঞ্চি ছোট হয়ে এলেই তাপের কারণে ভেঙে যেতে পারে সেগুলো। এভাবেই ৩০০ বছরের বহু পুরনো ফানুস ভেঙে গিয়েছে এই বাড়িতে। একসময় মঠবাড়িতে রাসের প্রাঙ্গণে নাকি অন্তত দেড়শখানা বেলজিয়াম কাঁচের ফানুস ঝোলানো হত।

 

 

আজ শুধুই যত্নের ওপর টিকে রয়েছে এই প্রথা। জানা গিয়েছে, ফানুসগুলোতে মোমবাতি জ্বালানোর ধরন যেমন আলাদা, তেমনিই মোমবাতি নেভানোর কায়দা। সরু আকৃতির একটি লাঠির মাথায় ন্যাকড়া বেঁধে স্পিরিটে চোবানো হয়। এরপর তাতে আগুন ধরিয়ে ঝুলন্ত ফানুসের ভেতরে থাকা মোমবাতি জ্বালানো হয়। স্থানীয় ভাষায় একে বলে ‘হুঁশ’। ঠিক একইভাবে লাঠির মাথায় ধাতব পাত্র ঝুলিয়ে কাচের ফানুসের উপরে আলতো চেপে ধরলে নিভে যায় মোমবাতি। এই পদ্ধতিকে স্থানীয়রা বলেন ফোঁস। শান্তিপুরের বাসিন্দারা বলছেন, এই শহরে রাসের মাহাত্ম্যের সঙ্গে যেন ওতপ্রোত সম্পৃক্ত হয়ে রয়েছে অভিজাত আলোকধারা।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৯ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্যালেস্টিনিয়ানদের সঙ্গে বিশ্ব সংহতি দিবস৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – মিলড্রেড হ্যারিস, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৩২ – জ্যাক শিরাক, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৬ – শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়,ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা।

 

১৯৪৪ – মানিক সরকার, ভারতীয় বাঙালি বংশোদ্ভূত আমেরিকান অ্যানিমেটর ও লেজারশিল্পী ।

 

১৯৭৩ – রায়ান গিগস, ওয়েলশ ফুটবলার।

১৮৭৪ – অ্যাগাস মোনেশ, পর্তুগিজ স্নায়ুতত্ত্ববিদ।

 

১৮৯৪ – বোরিস পিলনিয়াক, রুশ ঔপন্যাসিক।

 

১৪২৭ – ঝেংটংয়ে, চীনের রাজা ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন বিল-২০০৪ পাস হয়।

১৯১০ – ট্রাফিক বাতি প্যাটেন্ট হয়।

১৯১৩ – যুগোস্লাভিয়ায় মার্শাল টিটোর নেতৃত্বে এন্টি ফ্যাসিজম ফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯১৮ – লিথুয়ানিয়া প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষিত।

১৯৩২ – সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ফ্রান্সের চুক্তি হয়।

১৯৪৪ – আলবেনিয়া নাৎসি কবল থেকে মুক্ত হয়।

১৯৪৭ – পাশ্চাত্য ও ইহুদিবাদীদের প্রভাবাধীন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, ফিলিস্তিন ভূখন্ডকে বিভক্ত করার পক্ষে রায় দেয় এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বলে ঘোষণা করে।

১৯৮৮ – প্রলংকারী ঘূর্নিঝড় ও জলোচ্ছাসে বিধ্বস্ত হয় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ন জনপদ।

১৯৯৪ – নেপালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মহমোহন অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

১৯৯৬ – সীমান্ত সমস্যা চীন ভারত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৩৯ – গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ রসরাজ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৯৭ – ইংল্যান্ডের সারেতে প্রথম মোটরসাইকেল রেস হয়।

১৭৭৫ – স্যার জেমস জে অদৃশ্য কালি আবিষ্কার করেন।

১৭৯২ – মার্ক উডের করা সমগ্র কলকাতার নকশা প্রথম প্রকাশ করেন মি. বেইলি।

১৫২০ – স্প্যানিশ নাবিক মাজলান নতুন একটি প্রণালীর সন্ধান পান।

১৫৯৬ – রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ সে দেশের মুদ্রা অবমূল্যায়িত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – জর্জ হ্যারিসন, বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন জনপ্রিয় গায়ক এবং গিটারিস্ট।

 

১৯২৪ – ইটালির মিউজিক কম্পোজার জিয়াকোমো পুচিনো।

১৯৪৯ – রস-সাহিত্যিক কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

১৯৫১ – প্রমথেশ চন্দ্র বড়ুয়া,ভারতের একজন বিখ্যাত অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্য লেখক।

 

১৯৮৭ – মোহাম্মদ তোয়াহা, বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী এবং রাজনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – জাহাঙ্গীর রতনজী দাদাভাই টাটা, ভারতের অগ্রগণ্য শিল্পপতি।

 

১৮১২ – ভারতীয় বাঙালি মুসলমান শিক্ষাব্রতী ও সমাজসেবী দানবীর হাজী মুহম্মদ মুহসীন।

 

১৬৪৩ – ইটালির বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ক্লাওদিও মোন্তেভেরদ।

 

১০৫৮ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৮ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৮ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – আলবার্তো মোরাভিয়া, ইতালীয় সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৯৩১ – গোলাম রহমান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

 

১৯৪৩ – (ক) রফিকুন নবী, বাংলাদেশী চিত্রকর ও কার্টুনিস্ট।

(খ) র‍্যান্ডি নিউম্যান, মার্কিন গায়ক-গীতিকার, সঙ্গীত সমন্বয়ক ও সুরকার।

১৯৫০ – রাসেল অ্যালান হাল্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৫৫- জিয়াদ আল-জাজা, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ।

 

১৯৬২ – জন স্টুয়ার্ট, আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক।

 

১৯৬৭ – আন্না নিকলে স্মিথ, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৬৯ – নিক নাইট, সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

 

১৯৭৫ – তাকাশি শিমডা, জাপানি ফুটবলার।

১৯৭৭ – ফেবিও গ্রসও, ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮৩ – নেলসন ভাল্ডে্য, প্যারাগুয়ের ফুটবলার।

 

১৯৮৭ – কারেন গিলান, স্কটিশ অভিনেত্রী।

১৯৯৯ – শ্রেষ্ঠা রায়, সোনারপুরের সুন্দরী।

১৮২০ – সমাজতাত্ত্বিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস।

 

১৮৮০ – আলেকজান্ডার ব্লক, রাশিয়ান কবি ও নাট্যকার।

১৮৮১ – স্টিফান য্বেইগ, অস্ট্রিয়ান লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

১৮৮৭ – আর্নেস্ট রহম, জার্মান সৈনিক ও সহ-প্রতিষ্ঠিত স্টুর্মাবটেইলুং এর।

 

১৭৫৭ – উইলিয়াম ব্লেক, ইংরেজ কবি ও চিত্রকর।

১৭৯৩ – কার্ল জোনাস লাভ আল্মকভিস্ট, সুইডিশ কবি, সুরকার ও সমালোচক।

১৬২৮ – জন বুনয়ান, ইংরেজ প্রচারক ও লেখক।

১১১৮ – প্রথম ম্যানুয়েল কম্নেনস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১২ – তুরস্কের নিকট থেকে আলবানিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬০ – মৌরিতানিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৭১ – ইরানের তিনটি দ্বীপ আবু মুসা,তাম্বে বোযোর্গ,তাম্বে কুচাক থেকে ব্রিটিশ দখলদার সেনারা চলে যাবার পর ইরান ঐ তিনটি দ্বীপের ওপর নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

১৮১৪ – কলকাতার চাঁদপাল ঘাটে ভারতের প্রথম প্রাটস্ট্যান্ট বিশপ টমাস ফ্যানশ মিডলটন পদার্পণ করেন।

১৮১৪ – লন্ডনের টাইমস পত্রিকা প্রথম স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ছাপা হয়।

১৮২১ – স্পেনের নিকট থেকে পানামা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৬৬০ – ইংল্যান্ডে রয়েল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৬৭৬ – ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তখনকার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পন্ডিচেরি বন্দর ফরাশিরা দখল করে নেয়।

১৫২০ – প্রথম ইউরোপীয়ান নাবিক হিসেবে ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করেন।

১৪৪৩ – সেকেন্দার বেগ তার বাহিনী নিয়ে মধ্য আলবেনিয়ার খ্রুজ অঞ্চল জয় করেন ও প্রথমবারের মতো আলবেনিয়ার পতাকা উত্তোলন করেন।

১০৯৮ – সিরিয়ায় খ্রিস্টানদের হাতে ৭০ হাজার মুসলমান নিহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও অবিভক্ত ঢাকার প্রথম মেয়র।

 

২০১০ – লেসলি নিলসেন, কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

২০১৪ – চেস্পিরিটো, মেক্সিক্যান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৩২ – অভিনেতা সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ (দানীবাবু)।

১৯৪৫ – ডুইট এফ. ডেভিস, আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৫৪ – এনরিকো ফের্মি, ইতালীয় পদার্থবিদ।

১৯৬০ – রিচার্ড রাইট, তিনি ছিলেন আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক ও কবি।

 

১৯৬২ – সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার কৃষ্ণচন্দ্র দে মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৬৮ – এনিড ব্ল্যটন, ইংরেজ লেখক ও কবি।

১৯৭১ – ওয়াসফি তাল নিহত হন, জর্দানের বাদশা।

 

১৯৮০ – বীরেন্দ্রনাথ সরকার,ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৮৯ – ফকির শাহাবুদ্দীন, বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল।

১৯৯৯ – জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ এবং বুদ্ধিজীবী।

 

১৮৫৯ – ওয়াশিংটন আরভিং, মার্কিন ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার, ইতিহাসবেত্তা ও কূটনীতিক।

১৮৭০ – জন ফ্রেদেরিখ বাজিল, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও সৈনিক।

 

১৬৮০ – গিয়ান লরেনযো বিরনিনি, ইতালিয়ান ভাস্কর ও পেইন্টার।

 

১৬৯৪ – মাৎসু বাসো, জাপানি কবি।

১০৫৮ – পোল্যান্ডের ডিউক কেজিমিয়ের্জ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) শহীদ ডা. মিলন দিবস,বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ, ভারতীয় উপমহাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

 

১৯০৩ – লার্স অনসেজার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নরওয়েজিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯০৭ – হরিবংশ রাই বচ্চন, প্রখ্যাত ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক।

 

১৯১৩ – চিত্রনিভা চৌধুরী, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী।

 

১৯২৫ – মুনীর চৌধুরী, বাংলাদেশী ভাষাবিজ্ঞানী এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী।

১৯২৫ – আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ), ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ।

 

১৯৪০ – ব্রুস লী, চীনা মার্শাল আর্ট শিল্পী, শিক্ষক, অভিনেতা।

১৯৪০ – চীনের রাজা জিয়াওজিংয়ে।

 

১৯৫২ – বাপ্পী লাহিড়ী ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৫৪ – শ্রীলংকার বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল দল লিবারেশন টাইগার্স ফর তামিল ইলাম এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান নেতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ।

১৯৬৪ – রবার্ট ম্যান্সিনি, সাবেক ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৭৯ – টেমু টাইনিও, ফিনিশ ফুটবলার।

১৯৮৪ – সানা নিলসেন, সুইডিশ গায়িকা।

১৯৮৬ – সুরেশ কুমার রায়না, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৮৫৭ – চার্লস স্কট শেরিংটন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী, জীবাণুবিদ ও প্যাথলজিস্ট।

১৮৭০ – জুহ কুস্টি পাসিকিভি, ফিনল্যাণ্ডের ফিনিশ অধ্যাপক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৮৭৮ – যতীন্দ্রমোহন বাগচী, বাংলা ভাষার কবি।

 

১৮৮৮ – কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর,বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৮৯২ – আজিজুল হক, বাঙালি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

১৭০১ – অ্যান্ডার্স সেলসিয়াস, সুইডিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০১ – ওয়াশিংটন ডিসিতে আর্মি ওয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯১২ – আলবেনিয়ার জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়।

১৯১৪ – ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হয়।

১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধশেষে মিত্র ও সহযোগী শক্তির সাথে বুলগেরিয়ার নোই চুক্তি (Traité de Neuilly) স্বাক্ষরিত।

১৯৩২ – পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরকে আক্রমণ না করার চুক্তি করে।

১৯৪০ – আততায়ীর গুলিতে রুমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইয়ার্গাসহ ৬৪ জন নিহত হন।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মস্কোর উপকণ্ঠে জার্মানি ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাদের মধ্যে বিখ্যাত ট্যাংক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৪৩ – চার্চিল রুজভেল্ট ও স্টালিন তেহরান সম্মেলনে মিলিত হন।

১৯৮০ – ইরানের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের গোড়ার দিকে ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে এক অভিযানে ইরাকের নৌ বাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়।

১৯৯২ – এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।

১৯৯২ – তুর্কমেনিস্তান, কিরঘিযিস্তান, উজবেকিস্তান, কাযাকিস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান ও আজারবাইজান- অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা “ইকো”তে যোগ দেয়।

১৮৯৫ – বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তার সমুদয় সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।

১৫৮২ – উইলিয়াম শেকসপিয়ার বিয়ে করেন।

১০০১ – পেশাওয়ারের যুদ্ধ সংঘটিত।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৮ – বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও অষ্টম প্রধানমন্ত্রী।

 

২০১৪ – ফিলিপ হিউজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

২০২০ – আলী যাকের, বাংলাদেশি অভিনেতা, ব্যবসায়ী ও কলামিস্ট।

১৯৪০ – নিকলাএ ইওরগা, রোমানিয়ান ইতিহাসবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৩৪ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫৩ – ইউজিন ও’নিল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান নাট্যকার।

১৯৭১ – হারুনুর রশীদ (বীর প্রতীক), বাংলাদেশী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭৭ – ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকার সম্পাদক ছাত্রনেতা আতাউর রহমান।

 

১৯৮১ – লটে লেনয়া, অস্ট্রিয়ান গায়িকা ও অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – অসিতবরণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা এবং গায়ক।

 

১৯৯০ -শহীদ ডা. মিলন, প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ

১৯৯৮ – গবেষক ও লেখক নরেন বিশ্বাস ।

১৮৫২ – অগাস্টা অ্যাডা, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণার একজন প্রবর্তক।

১৫৭০ – জাকপ সান্সভিনো, ইতালিয়ান ভাস্কর ও স্থপতি।

১৫৯২ – সুইডেনের রাজা তৃতীয় জন।

খ্রিস্টপূর্ব ৮ অব্দ – হোরেস, রোমান সৈনিক ও কবি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৬ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক) বিশ্ব কেক দিবস।

 

(খ) সংবিধান দিবস (ভারত)

 

(গ) জাতীয় দুগ্ধ দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৯ – মুহম্মদ আবদুল হাই, ধ্বনি বিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক।

 

১৯২১ – ভার্গিজ কুরিয়েন , ভারতে দুগ্ধ উৎপাদনে শ্বেত বিপ্লবের জনক।

 

১৯৫৪ – ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ, শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী দল লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৭২ – অর্জুন রামপাল, ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক, মডেল এবং টেলিভিশন উপস্থাপক।

 

১৮৮৫ – দেবেন্দ্র মোহন বসু, প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান-প্রশাসক।

 

১৮৯০ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

 

১৮৯৬ – গোকুলানন্দ গীতিস্বামী, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৮৯৮ – নোবেলজয়ী জার্মান রসায়নবিদ কার্ল জিগলার।

 

১৭৩১ – উইলিয়াম কাউপার, ইংরেজ কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – নেপালে মাওবাদী বিদ্রোহীদের হামলায় ২৮০ জনের প্রাণহানী।

২০০৪ – জাতীয় শিক্ষা-সংস্কৃতি আন্দোলন নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ।

২০০৮- ভারতের মুম্বাই শহরে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর মদতে জঙ্গী হামলা অনুষ্ঠিত হয়।

১৯০৭ – লর্ড কার্নারভন তাকে ভ্যালি অব দি কিংসে খনন কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব প্রদান করেন।

১৯২২ – ব্রিটিশ প্রত্নবিদ হাওয়ার্ড কার্টার এবং লর্ড কার্নারভন মিসরের ভ্যালি অব দি কিংসে অবস্থিত তুতাংখামেনের সমাধিগৃহে প্রবেশ করেন।

১৯২২ – দুই রঙ বিশিষ্ট টেকনিকালারে নির্মিত প্রথম ছবি টোল অব দ্য সী মুক্তি পেয়েছিলো।

১৯৪৩ – যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন এবং অধূনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন তেহরানে বৈঠকে বসে। বৈঠকে জার্মানির সাথে যুদ্ধ পরিচালনার ব্যাপার সহ মিত্র পক্ষের দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান এবং নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা হয়।

১৯৪৯ – ভারতীয় গণপরিষদে ভারতের সংবিধান অনুমোদিত হয়।

১৯৫০ – চীনের বাহিনীর আক্রমণের ফলে কোরিয়া যুদ্ধের প্রকৃতি বদলে গিয়েছিলো।

১৯৫৫ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন অভাবনীয় শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

১৯৭৬ – ‘মাইক্রোসফট’ নামটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

১৯৮৯ – ৪২ বছর পর জার্মানিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্র তীরবর্তী বৃহত্তম একটি বিমান ঘাঁটি ফিলিপাইনের হাতে তুলে দেয়।

 

১৯৯২ – টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কমবয়েসী ক্রিকেটার হিসেবে [১৯ বছর ২২ দিন] শচীন টেন্ডুলকার ১ হাজার রান করেন।

১৭০৩ – ইংল্যান্ডে এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড়ে ৮ হাজার লোকের জীবনহানি ঘটে।

১৩৭৯ – ইংল্যান্ডে অক্সফোর্ড নিউ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – রবীন্দ্রজীবনকার প্রশান্তকুমার পাল।

 

২০১৭ – রাহিজা খানম ঝুনু, বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যশিক্ষক।

 

১৯২৩ – গণিতবিদ যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী।

 

১৯৪৯ – সমাজতাত্ত্বিক বিনয় কুমার সরকার।

 

১৯৫০ – প্রখ্যাত শল্যচিকিৎসক ও সমাজসেবী দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র।

১৮৫৭ – সুইস ভাষাবিজ্ঞানী ফের্দিনা দে সোসুর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব কেক দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও ইতিহাস।

ভূমিকা–

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবস প্রতি বছর ২৬শে নভেম্বর পালিত হয়।  কেক হল একটি বেকড খাবার যা সাধারণত ময়দা, চিনি এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি।  তাদের প্রাচীনতম ফর্মগুলিতে, কেকগুলি ছিল রুটির পরিবর্তন, একটি আরও পরিশীলিত প্রকার, কিন্তু আজকাল, কেকগুলি পেস্ট্রি, পাই, ইত্যাদির মতো বিস্তৃত বেকড মিষ্টিকে কভার করে।  কেক প্রায়ই আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়, যেমন বিবাহ, বার্ষিকী, এবং জন্মদিন।  অসংখ্য কেকের রেসিপি রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলি শতাব্দী পুরানো।

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবসের ইতিহাস—-

 

আমাদের প্রিয় মিষ্টান্ন, কেক, একটি চমত্কার দীর্ঘ ইতিহাস আছে.  ‘কেক’ শব্দটি নিজেই ভাইকিং-এর উৎপত্তি, এবং প্রাচীন নর্স শব্দ ‘কাকা’ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। গ্রীকদেরও তাদের নিজস্ব কেক ছিল যা ডিম, দুধ, বাদাম এবং মধুর মতো অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশ্রিত ময়দা ব্যবহার করে বেক করা হত।  তাদের কাছে ‘সাতুরা’ নামে একটি কেকও ছিল, যা সমতল ছিল এবং একটি ভারী সামঞ্জস্য ছিল।
রোমান শাসনের সময় “কেক” শব্দটি একটি ভিন্ন নাম ধারণ করেছিল এবং এটি ছিল ‘প্ল্যাসেন্টা’, একটি গ্রীক খাবার যা তাদের কেকের শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।  একটি প্ল্যাসেন্টা ময়দার অনেক স্তর থেকে তৈরি করা হয়েছিল এবং সাধারণত একটি পেস্ট্রি বেস বা পেস্ট্রি কেসের ভিতরে বেক করা হত।  গ্রীকরা এটিকে খামির করার জন্য বিয়ার ব্যবহার করত এবং ছাগলের দুধ ব্যবহার করে তৈরি পনিরের মিশ্রণে অন্তর্ভুক্ত ছিল।  মৌলিক রুটির ময়দা কখনও কখনও মাখন, ডিম এবং মধু দিয়ে সমৃদ্ধ করা হত, একটি পরিশীলিত ধরণের রুটি হিসাবে যা একটি মিষ্টি এবং কেকের মতো বেকড ভাল উত্পাদন করে।  রান্নার এই পদ্ধতিটি একটি সাধারণ প্রাচীন রোমান অনুশীলন ছিল।
ইংল্যান্ডে প্রাথমিক কেকগুলিও নিয়মিত রুটি হিসাবে শুরু হয়েছিল, তাদের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট পার্থক্য ছিল তাদের আকৃতি, অর্থাৎ কেকগুলির আরও গোলাকার, সমতল আকৃতি।  আরেকটি পার্থক্য হল উৎপাদন পদ্ধতি, যেখানে কেকগুলি বেক করার সময় উল্টে দেওয়া হয়, রুটির বিপরীতে যা পুরো বেকিং প্রক্রিয়া জুড়ে সোজা রেখে দেওয়া হয়।

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবসের কার্যক্রম–

 

(ক)  কেক বানাও–

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবস উদযাপনের অন্যতম সেরা উপায় হল কিছু কেক বেক করা।  এখন অনেকগুলি অনলাইন রেসিপি রয়েছে যা সহজেই পাওয়া যায়, তাই আপনাকে রান্নার বই খুঁজতে বিরক্ত করতে হবে না।

 

(খ) কিছু কেক খান–

 

অবশ্যই, আন্তর্জাতিক কেক দিবসে আপনার কিছু কেক উপভোগ করা উচিত।  আপনি যদি না করেন তবে এটি একটি পরম লজ্জা হবে।

 

(গ) মজা অনলাইন শেয়ার করুন—

 

আপনি যে রেসিপিটি নিয়ে এসেছেন, আপনার কিছু কেক বানানোর ভিডিও বা আপনার মুখরোচক স্লাইস উপভোগ করার একটি ছবি হোক না কেন, এটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে ভুলবেন না।  #InternationalCakeDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।

 

কেন আমরা আন্তর্জাতিক কেক দিবস ভালোবাসি—

 

(ক) কেক সুস্বাদু–

 

কেক সঠিকভাবে তৈরি করলে খুব সুস্বাদু হয়।  এই আন্তর্জাতিক কেক দিবসে আপনি যতটা চান ততটা উপভোগ করুন।

 

(খ) কেক আক্ষরিক অর্থে সুখ প্রদান করে—

 

এটি একটি পৌরাণিক কাহিনী নয়।  কেক খেলে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয় যা সুখের জন্য দায়ী।

 

(গ) কেক স্বাস্থ্যকর–

 

সঠিকভাবে খাওয়া হলে কেক আসলে বেশ স্বাস্থ্যকর।  কারণ এতে উচ্চ পুষ্টিগুণ রয়েছে।

 

।। তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

শ্বেত বিপ্লবের স্থপতি ডক্টর ভার্গিস কুরিয়েনের ও জাতীয় দুগ্ধ দিবস – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

দুধ অত্যন্ত পুষ্টিকর।  ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে ভরপুর দুধ শরীরের পুষ্টিতে অবদান রাখে।  প্রতিদিন দুধ এবং দুগ্ধজাত দ্রব্য খাওয়ার একাধিক উপকারিতা রয়েছে।  হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে এবং জ্ঞানীয় পতনের ঝুঁকি কমায়।  এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যকে শক্তিশালী করতেও সাহায্য করে।  দুধ খাওয়ার গুরুত্ব এবং এটি কীভাবে আমাদের উপকার করতে পারে সে সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর জাতীয় দুধ দিবস পালিত হয়।

 

জাতীয় দুধ দিবস হল ভারতে উদযাপিত একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান।  দুধকে ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়।  ক্যালসিয়াম ছাড়াও, দুধ প্রোটিন, ভিটামিন ডি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির একটি চমৎকার উৎস।  এটি হাড়, পেশী এবং শরীরের সামগ্রিক বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  এটি শক্তি প্রদান করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।  ভারত একটি বিশাল দুগ্ধ শিল্প চালায় যা ভারতের জিডিপির প্রায় ৫.৩% অবদান রাখে।  দুগ্ধ শিল্পে ডক্টর ভার্গিস কুরিয়েনের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ২৬ নভেম্বর জাতীয় দুধ দিবস পালিত হয়।

 

ভারতে জাতীয় দুধ দিবস কবে পালিত হয়?

 

এটি ২৬ নভেম্বর পালিত হয়। জাতীয় দুধ দিবস হল একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান যা ডাঃ ভার্গিস কুরিয়েনের জন্মবার্ষিকী স্মরণে উদযাপন করা হয়।  তাকে সম্মান জানানোর জন্য এটি উদযাপন করা হয় কারণ তিনি শ্বেত বিপ্লব এনেছিলেন এবং ভারতের দুগ্ধ শিল্পকে একটি স্বনির্ভর শিল্পে পরিণত করেছিলেন।  তার অবদানের কারণে, তাকে “শ্বেত বিপ্লবের জনক” হিসাবেও উল্লেখ করা হয়।
এই দিনটি ন্যাশনাল ডেইরি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NDDB) এবং ইন্ডিয়ান ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন (IDA) দ্বারা শুরু হয়েছিল।  ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বর প্রথম জাতীয় দুধ দিবস পালিত হয়।

 

ডাঃ ভার্গিস কুরিয়ান কে ছিলেন?

 

ডাঃ ভার্গিস কুরিয়েন একজন ভারতীয় ছিলেন যার জন্ম ২৬ নভেম্বর ১৯২১ সালে। তিনি একটি সিরিয়ান খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  আমরা তাকে শ্বেত বিপ্লবের জনক হিসেবে গণ্য করি কারণ তিনি দুগ্ধ শিল্পের দৃশ্যপট পরিবর্তন করেছেন কারণ তিনি সফলভাবে বিশ্বের বিস্তৃত প্রকল্প অর্থাৎ অপারেশন ফ্লাডের নেতৃত্ব দিয়েছেন।  একটি বিখ্যাত দুগ্ধ ব্র্যান্ড Amul তার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৯৯৮ সালে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী হয়ে ওঠে।
ভার্গিস কুরিয়েন পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং পদ্মবিভূষণের মতো অনেক পুরস্কারে ভূষিত হন।  তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার এবং কৃষি রত্ন দিয়েও ভূষিত হন।

 

জাতীয় দুধ দিবস থিম ২০২৩–

 

প্রতিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস একটি নির্দিষ্ট থিমকে ঘিরে পালিত হয়।  কিন্তু জাতীয় দুগ্ধ দিবসের কোনো প্রতিপাদ্য নেই।  এটি সাধারণভাবে দুধের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উদযাপিত হয়, এবং দুগ্ধ শিল্পের পরিবর্তন এবং লোকেরা ভারতে দুধ বিপ্লবের জনককে শ্রদ্ধা জানায়।
যদিও বিশ্ব দুধ দিবসের একটি থিম রয়েছে।  এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২৩ এর থিম হল ‘দুগ্ধ কীভাবে তার পরিবেশগত পদচিহ্ন কমিয়ে দিচ্ছে, সেইসঙ্গে পুষ্টিকর খাবার এবং জীবিকাও সরবরাহ করছে’।

 

জাতীয় দুধ দিবস: ইতিহাস ও তাৎপর্য—

 

জাতীয় দুগ্ধ দিবস ভারতের শ্বেত বিপ্লবের স্থপতি ডক্টর ভার্গিস কুরিয়েনের জন্মবার্ষিকীকে স্মরণ করে।  ডাঃ ভার্গিস কুরিয়েন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে আসার পর দুগ্ধ শিল্পে তার যাত্রা শুরু করেন।  কয়রা জেলা দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় লিমিটেড প্রতিষ্ঠায় তার অবদান প্রশংসিত।  কোম্পানিটি পরবর্তীকালে দেশের সবচেয়ে স্বীকৃত ব্র্যান্ডগুলির মধ্যে বিকশিত হয়: আমুল।  ডক্টর কুরিয়েনও শ্বেত বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যা সম্পূর্ণরূপে সামরিক ল্যান্ডস্কেপ পরিবর্তন করেছিল।
এটি তিনটি পর্যায়ে অপারেশন ফ্লাডের মাধ্যমে করা হয়েছিল, যা একটি দেশব্যাপী দুগ্ধ নেটওয়ার্ক তৈরি, দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সমস্ত কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।  ২০১৪ সালে, ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (NDDB), ইন্ডিয়ান ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন (IDA) এবং ২২টি রাজ্য-স্তরের দুগ্ধ ফেডারেশন ডাঃ ভার্গিস কুরিয়েনের জন্মবার্ষিকীতে জাতীয় দুগ্ধ দিবস উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  তাই প্রতি বছর ২৬ নভেম্বর বিশেষ দিনটি পালিত হয়।

দুধ বিপ্লবের কিছু সুবিধা নীচে তালিকাভুক্ত করা হল:

দুধ বিপ্লবের সুবিধা?

 

বিপ্লব দেশে দুধ উৎপাদন বাড়াতে ভারতকে সমর্থন করেছিল।

এটি দুগ্ধ শিল্পে কাজ করার মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ খাতকে আরও বেশি আয় করতে সহায়তা করেছে।

উচ্চ উৎপাদনের কারণে, অপারেশন খরচ হ্রাস পেয়েছে যা পণ্যগুলিকে ভোক্তাদের জন্য যুক্তিসঙ্গত করেছে।

২০১৬-১৭ সালে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম দুধ উৎপাদনকারী হয়ে ওঠে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আজ নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অবসান ঘটানোর আর্ন্তজাতিক দিবস – জানব আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় তাদের অবস্থান আজ কোথায়!

আজ ২৫ নভেম্বর সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর দ্য এলিমিনেশন অব ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন’ বা আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। দিন দিন বাড়ছে নারীর প্রতি নির্যাতনের মাত্রা। পরিবার, সমাজ কোথাও রেহাই পাচ্ছেন না তারা। নারী নির্যাতন বলতে নারীদের ওপর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যে কোনো ধরনের নিপীড়ন ও নির্যাতনকে বোঝায়।
নারীর প্রতি সহিংসতার অবসান ঘটানোর আন্তর্জাতিক দিবস হলো জাতিসংঘ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি বিশেষ দিবস যার লক্ষ্য হলো নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর লাতিন আমেরিকার দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়সংগত আন্দোলন করার জন্য প্যাট্রিয়া, মারিয়া তেরেসা ও মিনার্ভা মিরাবেল—এই তিন বোনকে হত্যা করা হলে তাদের স্মরণে ১৯৮১ সাল থেকে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

নারী পুরুষের সম-অধিকারের দাবিতে গলা ফাটানো চিৎকার আজকের নয়। বহুকাল আগে থেকেই শুরু হয়েছে এই জাগরণ।বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০০ জনে ৭ জন নারী কোনো না কোনোভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ৭ শতাংশ নারী সরাসরি ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। উন্নত-অনুন্নত সব দেশে নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র আরও অমানবিক।
এই দিবস পালনের পেছনে রয়েছে এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর লাতিন আমেরিকার দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন করার জন্য প্যাট্রিয়া, মারিয়া তেরেসা ও মিনার্ভা মিরাবেল নামের তিন বোনকে হত্যা করা হলে তাদের স্মরণে ১৯৮১ সাল থেকে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবছর ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপনে নানা কর্মসূচি নেয়।
মানবসভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে নারীর অবদানকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।   লাখ লাখ বছর আগে গুহাবাসী নারী-পুরুষ যৌথ প্রচেষ্টায় যে জীবন শুরু করেছিল, তা ক্রমেই বিকশিত হয়ে আজকের সভ্যতার সৃষ্টি। নারী-পুরুষের স্বার্থ এক ও অভিন্ন।
তাই নারীকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে না দেখে তার সঠিক মর্যাদা তাকে দিতে হবে। সকল অভিশাপ থেকে নারীকে মুক্ত করতে হবে। নারীরা প্রতিনিয়ত কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতিত নারীদের অধিকাংশই নীরবে নির্যাতন সহ্য করেন। এই নির্যাতন নারীর অগ্রগতির পথে একটি মারাত্মক হুমকি বা বাধা।
নারীর ওপর নির্যাতনের প্রভাব সমাজের সব ক্ষেত্রে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাই নারীর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অবসান ঘটানোর আর্ন্তজাতিক দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – বা জীন, চীনা লেখক।

১৯০৮ – নাট্যকার নূরুল মোমেন।

১৯১৫ – অগাস্টো পিনোশের, চিলির জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৩০তম প্রেসিডেন্ট।

১৯১৫ – রন হামেন্স, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯১৯ – ধ্বনি বিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের জন্ম।

 

১৯২০ – রিকার্ডো মন্টাল্বান, মেক্সিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও পরিচালক।

১৯২৩ – মাউন কইভিস্টো, ফিনিশ মহাজন, রাজনীতিবিদ ও ৯ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৯২৫ – নারায়ণ দেবনাথ, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী।

 

১৯৩১ – মিন্টু দাশগুপ্ত বাংলা প্যারোডি গানের রচনাকার ও গায়ক।

 

১৯৩৩ – শক্তি চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি কবি।

 

১৯৩৪ – ভৈরব গঙ্গোপাধ্যায়, বিশিষ্ট বাঙালি যাত্রা পালাকার।

 

১৯৪৬ – ইউসুফ মুতালা, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও দায়ী।

 

১৯৫২ – ইমরান খান, পাকিস্তানি ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬২ – হিরনবু সাকাগুচি, জাপানি খেলা ডিজাইনার ও মিস্টওয়াল্কারের প্রতিষ্ঠিাতা।

 

১৯৭৭ – গুইলেরমো কানাস, আর্জেন্টিনার টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮১ -জাবি আলোনসো, স্পেনীয় ফুটবলার।

১৯৮৪ – গাস্পারড উলিয়েল, ফরাসি মডেল ও অভিনেতা।

 

১৯৮৬ – ক্রেগ গার্ডনের, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।।

১৮৪১ – আর্নেস্ট সচ্রডের, জার্মান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৯৫ – লুডভিক সভোবডা, চেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৮ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৮৯৮- দেবকী কুমার বসু, বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

১৫৬২ – লাফান ডি ভেগা, স্পেনীয় নাট্যকার ও কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সুইস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে ২৪ জন নিহত হয়।

২০০৪ – রাতে তাজমহল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

২০০৭ – উপদেষ্টা পরিষদ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রস্তাবিত আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস অধ্যাদেশ ২০০৭ অনুমোদন করে।

১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পোল্যান্ড দখলকারী দেশগুলো অর্থাৎ রাশিয়া, জার্মানি ও অষ্ট্রিয়া পরাজিত হওয়ার পর পোল্যান্ড আবারও স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৩৬ – জার্মানি ও জাপান কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় উত্তর ভিয়েতনাম এবং ইথিওপিয়া।

১৯৭৫ – দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সুরিনাম হল্যান্ডের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রতীরবর্তী বৃহত্তর একটি বিমান ঘাঁটি ফিলিপিন্সের হাতে তুলে দেয়।

১৯৯১ – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একাডেমিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

১৯৯২ – চেক পার্লামেন্ট চেকযুক্তরাষ্ট্র বিভাজন বিল অনুমোদন করা হয়।

১৯৯৬ – পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন।

১৮১৩ – জেনারেল হেস্টিংসের উপস্থিতিতে কলকাতার বিখ্যাত চৌরঙ্গী থিয়েটারের উদ্বোধন হয়।

১৮৩৮ – ভারতের করিঙ্গ (বন্দর শহর) শহরে সাইক্লোন আঘাত করে। ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে পুরো শহর তছনছ হয়ে যায়। প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়।

১৮৩৯ – ভারতের করিঙ্গ (বন্দর শহর) শহরে ঘূর্ণিঝড় আঘাত করে। ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে পুরো শহর তছনছ হয়ে যায়। প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়।

১৮৭৫ – ব্রিটেন মিশরে খতিবের কাছ থেকে সুয়েজ খালের ৪৪ শতাংশ মালিকানা কিনে নেয়।

১৮৮০ – ফরাসী বিজ্ঞানী লাভরান ম্যালেরিয়া রোগের কারণ আবিষ্কার করেন।

১৭৫৯ – একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত করে বৈরুত ও দামেস্কে । তাতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

১৫৩৮ – পর্তুগিজ নৌবাহিনী ভারত থেকে নৌ-সেনাদের সরিয়ে নিয়ে যায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – উইলিয়াম অ্যান্থনি ফোকেস, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

২০১৬ – ফিদেল কাস্ত্রো , কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী।

 

২০২০ – (ক) ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা।

(খ) বাঙালি প্রাবন্ধিক, নাট্যগবেষক, শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনের অধ্যক্ষ স্বপন মজুমদার।

১৯১১ – ফরাসি মার্কসবাদী নেতা পল লাফাগ।

১৯২৫ – যদুনাথ পাল,খ্যাতনামা মৃৎশিল্পী।

১৯৪১ – বিনয় কুমার, সমাজতাত্ত্বিক।

১৯৫০ – ইয়োহানেস ভিলহেল্ম ইয়েনসেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডেনিশ লেখক ও নাট্যকার।

১৯৫৬ – অলিয়েক্সান্দ্র পেত্রভিচ দোভজেন্‌কো, ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত রুশ পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৫৯ – জেরার্ড ফিলিপ, ফরাসি অভিনেতা।

১৯৭০ – ইয়ুকিও মিশিমা, জাপানি লেখক, অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৭৩ – লরেন্স হার্ভি, লিথুয়ানীয় ব্রিটিশ অভিনেতা।

১৯৭৪ – উ থান্ট, জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব।

 

১৯৮১ – রাইচাঁদ বড়াল,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৯০ – ভারতের ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক মহম্মদ ইলিয়াস

১৯৯৭ – হাস্টিংস বান্ডা, মালাউইর চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫৭ – সিপাহী বিদ্রোহ দমনকারী ব্রিটিশ সেনা অফিসার স্যার হেনরি হ্যাভলক।

১৮৮৫ – টমাস এ. হেন্ড্রিক্স, মার্কিন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ২১তম উপ-রাষ্ট্রপতি।

১৫৬০ – আন্দ্রেয়া ডরিয়া, ইতালীয় এডমিরাল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This