Categories
উপন্যাস

উপন্যাস : বৃষ্টিভেজা চিঠি (প্রথম পর্ব)।

প্রথম পর্ব — যে চিঠি কখনও পাঠানো হয়নি

শহরটা বৃষ্টিতে ভিজছিল।

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ। সারাদিনের গরমের পর সন্ধ্যা নামতেই আকাশ কালো হয়ে এসেছিল। তারপর হঠাৎ এমন বৃষ্টি নামল, যেন আকাশের বহুদিনের জমে থাকা অভিমান একসঙ্গে ঝরে পড়ছে।

কলকাতার পুরনো উত্তর শহরের সরু গলিগুলো জলমগ্ন।

রাস্তার দু’পাশের বাড়িগুলোর পুরনো দেওয়াল বেয়ে জল নামছে। কোথাও জানালার কাচে বৃষ্টির ফোঁটা, কোথাও বারান্দায় ভেজা জামাকাপড় বাতাসে দুলছে।

সেই বৃষ্টির মধ্যেই ছাতা মাথায় নিয়ে হাঁটছিল ঋদ্ধি।

বয়স আটাশ।

হাতে একটা পুরনো বাদামি রঙের ব্যাগ।

ব্যাগের ভেতর কয়েকটা বই, একটা নোটবুক, একটা কলম আর একটা চিঠি।

চিঠিটা তার নিজের লেখা।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়—

চিঠিটা সে কখনও পাঠায়নি।

আর আজ, সাত বছর পর, সেই চিঠিটাই তাকে নিয়ে যাচ্ছে এমন একটা বাড়ির সামনে, যেখানে যাওয়ার কথা সে কোনোদিন ভাবেনি।

বাড়িটার নাম—

শিউলি বাড়ি।

ঋদ্ধি গেটের সামনে দাঁড়িয়ে গেল।

লোহার গেটের গায়ে মরচে।

উপরে একটা ছোট্ট ফলক—

৪৭/বি, শিউলি লেন।

ঋদ্ধি গেট ঠেলে ভেতরে ঢুকল।

বাড়িটা অদ্ভুত সুন্দর।

পুরনো দিনের দোতলা বাড়ি।

সামনে একটা শিউলি গাছ।

বর্ষার কারণে ফুল নেই, কিন্তু গাছটার নিচে সাদা ফুলের শুকনো পাপড়ি জমে আছে।

ঋদ্ধি কিছুক্ষণ গাছটার দিকে তাকিয়ে রইল।

তারপর দরজায় কড়া নাড়ল।

একবার।

দু’বার।

তৃতীয়বার কড়া নাড়তেই দরজা খুলে গেল।

সামনে দাঁড়িয়ে এক বৃদ্ধা।

সাদা শাড়ি।

চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা।

বৃদ্ধা ঋদ্ধির দিকে তাকিয়ে বললেন,

“তুমি ঋদ্ধি?”

ঋদ্ধি অবাক হয়ে গেল।

“আপনি আমার নাম জানেন?”

বৃদ্ধা মৃদু হাসলেন।

“তোমাকে দেখতে অনেকটা তোমার বাবার মতো হয়েছে।”

ঋদ্ধির মুখ শক্ত হয়ে গেল।

“আপনি আমার বাবাকে চিনতেন?”

“চিনতাম।”

“কীভাবে?”

বৃদ্ধা দরজা আরও খুলে দিলেন।

“ভেতরে এসো। অনেক কথা বলার আছে।”

ঋদ্ধি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে ভেতরে ঢুকে পড়ল।


সাত বছর আগে।

তখন ঋদ্ধির বয়স একুশ।

কলেজের শেষ বছর।

সেই সময় তার জীবনে এসেছিল নীলা।

নীলা ছিল তার সহপাঠী নয়।

একই পাড়ায় থাকত।

প্রথম দেখা হয়েছিল বইয়ের দোকানে।

ঋদ্ধি একটা পুরনো উপন্যাস খুঁজছিল।

দোকানের শেষ তাক থেকে একটা বই নামাতে গিয়ে তার হাত আরেকজনের হাতের সঙ্গে ধাক্কা খেয়েছিল।

ঋদ্ধি বলেছিল,

“সরি।”

মেয়েটি বলেছিল,

“আপনি আগে নিন।”

“না, আপনি নিন।”

“কিন্তু বইটা আমি আগে ধরেছি।”

ঋদ্ধি হেসেছিল।

“তাহলে তো আপনি জিতে গেলেন।”

মেয়েটিও হেসেছিল।

সেই হাসিটা ঋদ্ধির মনে থেকে গিয়েছিল।

মেয়েটার নাম—

নীলা।

নীলার সঙ্গে পরিচয় বাড়তে সময় লাগেনি।

প্রথমে বই নিয়ে কথা।

তারপর সিনেমা।

তারপর গান।

তারপর বৃষ্টি।

তারপর—

ভালোবাসা।

ঋদ্ধি কখন যে নীলাকে ভালোবেসে ফেলেছিল, সে নিজেও জানত না।

নীলাও তাকে ভালোবাসত।

কিন্তু তাদের ভালোবাসায় একটা অদ্ভুত সমস্যা ছিল।

নীলা নিজের পরিবার সম্পর্কে খুব কম কথা বলত।

বিশেষ করে তার বাবা সম্পর্কে।

একদিন ঋদ্ধি জিজ্ঞেস করেছিল,

“তোমার বাবা কী করেন?”

নীলা চুপ করে গিয়েছিল।

অনেকক্ষণ পর বলেছিল,

“আমার বাবা নেই।”

“মানে?”

“তিনি মারা গেছেন।”

“কবে?”

নীলা জানালার বাইরে তাকিয়ে বলেছিল,

“অনেক বছর আগে।”

ঋদ্ধি আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি।

কিন্তু কয়েকদিন পর সে জানতে পেরেছিল—

নীলার বাবা মারা যাননি।

তিনি নিখোঁজ।

সতেরো বছর আগে।

তারপর আর কোনো খবর নেই।

নীলার মা এই বিষয় নিয়ে কারও সঙ্গে কথা বলতে চাইতেন না।

ঋদ্ধি তখনও বুঝতে পারেনি, এই নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তার নিজের পরিবারের একটা সম্পর্ক আছে।


বৃদ্ধা একটা কাঠের চেয়ার দেখিয়ে বললেন,

“বসো।”

ঋদ্ধি বসে পড়ল।

বৃদ্ধা সামনে এসে একটা পুরনো অ্যালবাম রাখলেন।

“এটা তোমার জন্য।”

ঋদ্ধি অ্যালবাম খুলল।

প্রথম কয়েকটা পাতায় পুরনো ছবি।

একটা পরিবার।

একটা ছোট মেয়ে।

একজন যুবক।

আর—

ঋদ্ধির বাবা।

ঋদ্ধির হাত থেমে গেল।

“এটা কী?”

বৃদ্ধা বললেন,

“তোমার বাবা আর নীলার বাবা একসঙ্গে কাজ করতেন।”

“কোথায়?”

“একটা প্রকাশনা সংস্থায়।”

ঋদ্ধি ছবিগুলো উল্টাতে লাগল।

একটা ছবিতে তার বাবা আর আরেকজন যুবক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে।

পেছনে লেখা—

“শারদীয়া পত্রিকার সম্পাদনা বিভাগ — ২০০৫।”

ঋদ্ধি ধীরে বলল,

“নীলার বাবা কি লেখক ছিলেন?”

“হ্যাঁ।”

“তাহলে তিনি কোথায় হারিয়ে গেলেন?”

বৃদ্ধা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।

“এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তোমাকে এখানে ডেকেছি।”

ঋদ্ধি চমকে তাকাল।

“আপনি আমাকে ডেকেছেন?”

“হ্যাঁ।”

“কিন্তু আমি তো—”

বৃদ্ধা তাকে থামিয়ে দিলেন।

“তুমি ভাবছ, তুমি নিজের ইচ্ছায় এখানে এসেছ?”

ঋদ্ধি চুপ।

বৃদ্ধা বললেন,

“তোমার কাছে যে চিঠিটা আছে, সেটা দেখাও।”

ঋদ্ধির বুক ধক করে উঠল।

সে ব্যাগ খুলল।

চিঠিটা বের করল।

সাদা কাগজ।

সাত বছর পুরনো।

চিঠির ওপর লেখা—

“নীলার জন্য।”

কিন্তু চিঠিটা কখনও নীলার হাতে পৌঁছায়নি।

কারণ যেদিন ঋদ্ধি চিঠিটা লিখেছিল, সেদিনই নীলা হঠাৎ শহর ছেড়ে চলে গিয়েছিল।

কোনো বিদায় নেই।

কোনো ফোন নেই।

কোনো মেসেজ নেই।

শুধু একটা ছোট্ট কাগজ রেখে গিয়েছিল—

“আমাকে খুঁজো না।”

ঋদ্ধি চিঠিটা কখনও পাঠায়নি।

সাত বছর ধরে নিজের কাছে রেখেছিল।

আজ সকালে তার বাড়িতে একটা খাম এসেছিল।

খামের ভেতর ছিল একটা মাত্র লাইন—

“যে চিঠি তুমি পাঠাওনি, তার উত্তর জানতে চাইলে শিউলি বাড়িতে এসো।”

নিচে কোনো নাম ছিল না।

ঋদ্ধি বৃদ্ধার দিকে তাকাল।

“আপনি এই চিঠি সম্পর্কে কীভাবে জানেন?”

বৃদ্ধা বললেন,

“কারণ চিঠিটা নীলার কাছে পৌঁছেছিল।”

ঋদ্ধি যেন শুনতেই পেল না।

“কী?”

“তুমি চিঠিটা পাঠাওনি। কিন্তু সেটা তার কাছে গিয়েছিল।”

“কে দিয়েছিল?”

বৃদ্ধা বললেন,

“তোমার বাবা।”

ঋদ্ধি উঠে দাঁড়াল।

“আমার বাবা?”

“হ্যাঁ।”

“কিন্তু তিনি তো জানতেনই না যে আমি নীলাকে ভালোবাসি।”

বৃদ্ধা মৃদু হাসলেন।

“তুমি যতটা ভাবো, তোমার বাবা তার চেয়ে অনেক বেশি জানতেন।”

ঋদ্ধির মাথায় যেন বজ্রপাত হলো।

“আমার বাবা নীলাকে চিনতেন?”

“খুব ভালো করে।”

“কী সম্পর্ক ছিল?”

বৃদ্ধা উত্তর দিলেন না।

তিনি অ্যালবামের একটা ছবি খুলে দেখালেন।

ছবিতে নীলার বাবা, ঋদ্ধির বাবা এবং আরেকজন মহিলা দাঁড়িয়ে।

মহিলার কোলে ছোট্ট নীলা।

ছবির পেছনে লেখা—

“আমাদের তিনজনের গোপন চুক্তির দিন।”

ঋদ্ধি বলল,

“তিনজন?”

“হ্যাঁ।”

“তৃতীয় মানুষটি কে?”

বৃদ্ধা বললেন,

“তোমার মা।”

ঋদ্ধির বুক কেঁপে উঠল।

“আমার মা?”

“তোমার বাবা, তোমার মা আর নীলার বাবা—তিনজন মিলে একটা গোপন বিষয় লুকিয়ে রেখেছিলেন।”

“কী বিষয়?”

বৃদ্ধা উঠে দাঁড়ালেন।

“সেটা জানতে হলে তোমাকে ওপরের ঘরে যেতে হবে।”

“কেন?”

“কারণ সেই ঘরটা তোমার মায়ের।”

ঋদ্ধি ধীরে ধীরে সিঁড়ির দিকে এগোল।

প্রতিটি ধাপে পায়ের শব্দ হচ্ছে।

পুরনো বাড়ি।

দেয়ালে পুরনো ছবি।

একটা ছবির সামনে এসে সে থেমে গেল।

ছবিতে তার মা।

কিন্তু তার পাশে—

নীলা।

ছোট্ট নীলা।

ঋদ্ধি অবাক হয়ে গেল।

“এটা কবে?”

বৃদ্ধা বললেন,

“তুমি জন্মানোর অনেক আগে।”

“আমার মা নীলাকে চিনতেন?”

“শুধু চিনতেন না।”

বৃদ্ধা নিচু গলায় বললেন,

“তিনি নীলাকে নিজের মেয়ের মতো ভালোবাসতেন।”

ঋদ্ধি আর কিছু বলতে পারল না।

দোতলার একটা ঘরের সামনে এসে বৃদ্ধা থামলেন।

“এই ঘরে ঢুকো।”

দরজা খুলতেই পুরনো বইয়ের গন্ধ।

একটা কাঠের টেবিল।

একটা আলমারি।

জানালার পাশে একটা চেয়ার।

সবকিছুর ওপর ধুলো।

ঋদ্ধি টেবিলের কাছে গেল।

সেখানে একটা ডায়েরি রাখা।

ডায়েরির ওপর তার মায়ের নাম।

“মাধুরী সেন।”

ঋদ্ধি ডায়েরিটা খুলল।

প্রথম কয়েক পৃষ্ঠা সাধারণ কথা।

তারপর একটা তারিখ—

১২ আগস্ট, ২০০৫।

নিচে লেখা—

“আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নীলাকে সত্যিটা জানানো যাবে না।”

ঋদ্ধির হাত কেঁপে উঠল।

পরের পৃষ্ঠা—

“অরুণ বলছে, একদিন সত্যি প্রকাশ করতেই হবে। কিন্তু এখন নয়।”

অরুণ—

তার বাবার নাম।

আরেক পৃষ্ঠা—

“নীলার বাবার কাছে যে চিঠিগুলো আছে, সেগুলো যদি ভুল হাতে পড়ে, তাহলে শুধু আমাদের নয়, ঋদ্ধির জীবনও বিপদে পড়বে।”

ঋদ্ধি হঠাৎ ডায়েরি বন্ধ করে দিল।

তার বুক ধড়ফড় করছে।

“আমার জীবন কেন বিপদে পড়বে?”

বৃদ্ধা দরজায় দাঁড়িয়ে ছিলেন।

তিনি বললেন,

“কারণ তুমি সেই রহস্যের উত্তরাধিকারী।”

“কীসের?”

“একটা সত্যির।”

“কোন সত্যি?”

বৃদ্ধা ধীরে ধীরে বললেন,

“নীলার বাবা নিখোঁজ হননি।”

ঋদ্ধি স্থির হয়ে গেল।

“তাহলে?”

“তাকে নিখোঁজ করা হয়েছিল।”

“কে?”

বৃদ্ধা জানালার বাইরে তাকালেন।

“যে মানুষটা গত সাত বছর ধরে তোমাকে নজরে রেখেছে।”

ঋদ্ধির গলা শুকিয়ে গেল।

“কে?”

বৃদ্ধা এবার তার দিকে তাকালেন।

“তোমার নিজের বাবা।”

ঋদ্ধি পিছিয়ে গেল।

“অসম্ভব।”

“তোমার বাবা সাত বছর আগে মারা যাননি।”

ঋদ্ধির মুখ সাদা হয়ে গেল।

“কিন্তু… আমার বাবা তো—”

“যে মানুষটাকে তুমি মৃত ভেবেছ, সে এখনও বেঁচে আছে।”

ঘরের বাতাস যেন হঠাৎ ভারী হয়ে গেল।

ঋদ্ধি কাঁপা গলায় বলল,

“আপনি কীভাবে জানেন?”

বৃদ্ধা উত্তর দেওয়ার আগেই নিচতলা থেকে একটা শব্দ এল।

ঠক।

তারপর আরেকটা।

ঠক।

কেউ দরজায় কড়া নাড়ছে।

বৃদ্ধা হঠাৎ ভয় পেয়ে গেলেন।

“ও এসে গেছে।”

“কে?”

বৃদ্ধা ফিসফিস করে বললেন,

“যাকে তুমি এতদিন মৃত বলে জানো।”

ঋদ্ধি সিঁড়ির দিকে তাকাল।

নিচে অন্ধকার।

দরজায় আবার শব্দ।

ঠক।

ঠক।

তারপর একটা পুরুষের কণ্ঠ—

“মাধুরী…”

ঋদ্ধির শরীর অবশ হয়ে গেল।

এই কণ্ঠ সে চেনে।

শৈশবের অসংখ্য রাত থেকে চেনে।

তার বাবার কণ্ঠ।

কিন্তু তার বাবা তো—

সাত বছর আগে মারা গেছেন।

নিচ থেকে আবার সেই কণ্ঠ ভেসে এল—

“দরজা খোলো।”

ঋদ্ধি বৃদ্ধার দিকে তাকাল।

বৃদ্ধা ঠোঁটে আঙুল রাখলেন।

তারপর ডায়েরির শেষ পাতাটা খুলে দিলেন।

শেষ পাতায় মাত্র একটা বাক্য—

“ঋদ্ধি যদি কখনও জানতে পারে তার বাবা বেঁচে আছেন, তাকে নীলার কাছে পাঠিও। কারণ সত্যিটা একমাত্র নীলাই জানে।”

ঋদ্ধির বুকের মধ্যে ঝড় বয়ে গেল।

নীলা বেঁচে আছে?

সাত বছর ধরে যার কোনো খবর নেই—

সে কি সত্যিই কোথাও আছে?

আর যদি থাকে—

তাহলে কেন তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল?

নিচে দরজায় এবার প্রচণ্ড আঘাত পড়ল।

ধাম!

বৃদ্ধা ফিসফিস করে বললেন,

“পেছনের দরজা দিয়ে বেরোতে হবে।”

ঋদ্ধি বলল,

“নীলা কোথায়?”

বৃদ্ধা উত্তর দিলেন—

“যেখানে তোমার পাঠানো সেই চিঠির শেষ লাইনটা লেখা হয়েছিল।”

“কোথায়?”

বৃদ্ধা একটা কাগজ তার হাতে দিলেন।

কাগজে একটা ঠিকানা।

ঋদ্ধি পড়ল—

“শিউলি নদীর ওপারে, নীলকুঠি।”

তারপর নিচে লেখা—

“আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।”

আর লেখাটা—

নীলার হাতের লেখা।

ঋদ্ধি কাগজটা শক্ত করে ধরে দরজার দিকে তাকাল।

নিচে তখন কেউ চিৎকার করছে—

“ঋদ্ধি! আমি জানি তুমি ভেতরে আছ!”

কণ্ঠটা তার বাবার।

কিন্তু এবার সেই কণ্ঠে একটা অদ্ভুত হাসি।

ঋদ্ধি বুঝতে পারল—

সাত বছর আগে যে গল্পটা শেষ হয়ে গিয়েছিল বলে সে ভেবেছিল,

সেটা আসলে সেদিনই শুরু হয়েছিল।

চলবে…

Share This

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *