Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

মানব জীবনে “সহিষ্ণুতা” আনয়নে শিক্ষা ও আধ্যাত্মিকতার প্রভাব : একটি সমীক্ষা ::  দিলীপ রায় (৯৪৩৩৪৬২৮৫৪)।

“সহিষ্ণুতা” মানুষের অন্তরের একটি মূল্যবান সম্পদ । এটি এমন একটি মানসিক ও নৈতিক শক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তি অন্যের মতামত, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জীবনধারাকে সম্মান করতে শেখে । পরিবেশ, পারিবারিক মূল্যবোধ, শিক্ষা এবং আধ্যাত্মিক চর্চার প্রভাবে সহিষ্ণুতা বিকশিত হয় এবং ক্রমে মানুষের চরিত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয় ।
সহিষ্ণুতাʼর অভাব মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে । যখন মানুষ অসহিষ্ণু হয়ে ওঠে, তখন তার মন অস্থির ও বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। বিক্ষিপ্ত মন ধীরে ধীরে বিচারশক্তিকে ক্রমশ দুর্বল করে দেয় । ফলে ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় এবং কর্তব্য-অকর্তব্যের বোধ ক্ষীণ হতে থাকে । একসময় ব্যক্তি হিতাহিতজ্ঞানশূন্য হয়ে এমন কাজও করতে পারে, যা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর । এই কারণেই সহিষ্ণুতা মানবজীবনের একটি অপরিহার্য গুণ । বলা চলে মূল্যবান সম্পদ ।
বর্তমান বিশ্বে আমরা জাতি, ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতিগত বিভেদের নানা উদাহরণ দেখতে পাই । সামান্য মতভেদ থেকেও অনেক সময় বিরোধ ও সংঘাতের সৃষ্টি হয় । আমরা জানি সহিষ্ণুতার বিপরীত হলো অসহিষ্ণুতা, যা মানুষকে বিভক্ত করে । অপরদিকে সহিষ্ণুতা মানুষকে একত্রিত করে এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করে । তাই সহিষ্ণুতা বিকাশের জন্য সুশিক্ষার বিকল্প নেই ।
( ২ )
প্রকৃত শিক্ষা কেবল তথ্য ও জ্ঞান প্রদান করে না । এটি মানুষের চরিত্র গঠনে সাহায্য করে, নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে এবং সহমর্মিতা, সহানুভূতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা দেয় । একজন শিক্ষিত ব্যক্তি সাধারণত ভিন্ন মত বা বিশ্বাসকে গ্রহণ করার মানসিকতা অর্জন করেন । সুতরাং সহিষ্ণু সমাজ গঠনে শিক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । বলা চলে একটা অপরিহার্য মাধ্যম ।
তবে শিক্ষার পাশাপাশি আধ্যাত্মিকতার গুরুত্বও অনস্বীকার্য । আধ্যাত্মিকতা মানুষের অন্তর্জগতকে শুদ্ধ করে এবং আত্মজ্ঞান লাভের পথ দেখায় । এর মাধ্যমে মানুষ নিজের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করতে শেখে এবং অন্যের প্রতি সহমর্মী ও শ্রদ্ধাশীল হয় । আধ্যাত্মিক চর্চা অহংকার, ক্রোধ, হিংসা ও বিদ্বেষ কমিয়ে প্রেম, দয়া, ক্ষমাশীলতা ও মানবিকতা বৃদ্ধি করে । ফলে ব্যক্তি সহজেই ভিন্নতাকে মেনে নিতে পারে ।
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব আধ্যাত্মিক জীবনের বিকাশে নির্জনবাস ও সাধুসঙ্গের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন । তাঁর মতে, “মনে-বনে-কোণে” ঈশ্বরচিন্তা করা উচিত । এখানে ‘বন’ বলতে নির্জন পরিবেশ, ‘কোণে’ বলতে গৃহের শান্ত স্থান এবং ‘মনে’ বলতে অন্তরের একাগ্রতাকে বোঝানো হয়েছে । তিনি মনে করতেন, মানুষের মনই বন্ধন ও মুক্তির প্রধান কারণ । সংস্কৃত শাস্ত্রে বলা হয়েছে— “মন এব মনুষ্যাণাং কারণং বন্ধমোক্ষয়োঃ” — অর্থাৎ মনই মানুষের বন্ধন ও মুক্তির কারণ । বিষয়াসক্ত মন মানুষকে বন্ধনের দিকে নিয়ে যায়, আর সংযত ও শুদ্ধ মন মুক্তির পথে পরিচালিত করে ।
বর্তমান দ্রুতগতির জীবনে আধ্যাত্মিক চর্চা অনেকের কাছে কঠিন বলে মনে হতে পারে । কিন্তু ব্যস্ততার মধ্যেও আত্মসমালোচনা, প্রার্থনা, ধ্যান, সৎচিন্তা এবং নৈতিক জীবনযাপনের মাধ্যমে আধ্যাত্মিকতার বিকাশ সম্ভব । এই চর্চা মানুষকে মানসিক স্থিতি প্রদান করে এবং সহিষ্ণুতার ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে ।
( ৩ )

পরিশেষে বলা যায়, মানবজীবনে সহিষ্ণুতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষা ও আধ্যাত্মিকতা পরস্পরের পরিপূরক । শিক্ষা মানুষকে জ্ঞান ও যুক্তিবোধ প্রদান করে, আর আধ্যাত্মিকতা তাকে মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে । শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য মানুষকে মানুষ করে তোলা । আর আধ্যাত্মিকতা সেই মানবিকতার গভীরতর বিকাশ ঘটায় । তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষা ও আধ্যাত্মিকতার সমন্বিত বিকাশ অপরিহার্য । (তথ্যসূত্রঃ সংগৃহীত ও উদ্বোধন (আশ্বিন ১৪২৩) ।

Share This
Categories
বিবিধ

ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সরব সমিতি, সংবর্ধনা মঞ্চে স্মারকলিপি তুলে দিলেন মন্ত্রীকে।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:- মালদা জেলা ও পাকুয়াহাট ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে নতুন বিজেপি সরকারের, উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু ও হবিবপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মুকে সংবর্ধনা জানালেন পাকুয়াহাট ব্যবসায়ী সমিতি। রবিবার পাকুয়াহাট বিডিও অফিসের কমিউনিটি হলে এই সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুলের তোড়া ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করার মধ্যে দিয়ে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয় ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু, হবিবপুরের বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু, বামনগোলা ব্লকের বিডিও মনোজিৎ রায়, বামনগোলা থানার আইসি অমিত মাশান্তা-সহ প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক ও এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজের কিভাবে আরো উন্নয়ন করা যায় তার কথা তুলে ধরা । অনুষ্ঠানে এলাকার বহু ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও মন্ত্রী কে সংবর্ধনার পাশাপাশি বামনগোলার সকল ব্যবসায়ীর বিভিন্ন সমস্যার কথা লিখিতভাবে তুলে দেওয়া হয়।

Share This
Categories
বিবিধ

সেগুন কাঠ পাচারের ছক বানচাল করল বনদপ্তর।

আলিপুরদুয়ার, নিজস্ব সংবাদদাতা:- সেগুন কাঠ পাচারের ছক বানচাল করল বনদপ্তর।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেগুন কাঠ পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিল বন দপ্তর। রবিবার ফালাকাটার বাগানবাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সেগুন কাঠ বোঝাই একটি টোটো আটক করে মাদারিহাট রেঞ্জের বনকর্মীরা।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অভিযানে একটি টোটো-সহ সেগুন কাঠের গুঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বনকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। মাদারিহাটের রেঞ্জার শুভাশিস রায় বলেন, একটি টোটো-সহ সেগুন কাঠের গুঁড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।আগামী দিনেও এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share This
Categories
বিবিধ

দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্যালয় ঘেরাও, মানিকচকে গ্রামবাসীদের তুমুল বিক্ষোভ।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা: – এবারে বিদ্যালয়ের শিক্ষকের উপর চলল ডিম থেরাপি। বিদ্যালয় চত্বরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কনডম। একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিদ্যালয় ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা মালদহের মানিকচক ব্লকের হরিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে। প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষককে লক্ষ্য করে চলল একের পর ডিম।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই হরিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পঠন-পাঠন হয় না। দেওয়া হয় না নিয়মিত মিড ডে মিল। প্রতিবাদ করলে নানান রকম হুমকি দেওয়া হয় বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের তরফে বলে অভিযোগ। এমনকি পঠন পাঠনের বদলে শিক্ষকরা অন্য রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রাখে ঘন্টার পর ঘন্টা। যার জন্য কনডম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিদ্যালয় চত্বর জুড়ে। কুকর্মে যুক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলে অভিযোগ।

Share This
Categories
বিবিধ

“প্রাইজ রিভার্স গ্যাং”: উপহার ফেরানো নিয়ে কাকলির ছেলেকে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ।

এতদিন কোর্টের কোনো নির্দেশ উনি মানেন নি। এখন বাঁচার জন্য কোর্টে যাচ্ছেন : দিলীপ ঘোষ।

১) বারবার সিআইডি তদন্তে অসহযোগিতা ভাইপোর।

এতদিন কোর্টের কোনো নির্দেশ উনি মানেন নি। এখন বাঁচার জন্য কোর্টে যাচ্ছেন। ওনাকে হয়তো সাময়িক রক্ষাকবচ দিয়েছে। তদন্তে অসহযোগিতা করলে কোর্ট আপনাকে রেয়াত করবে না। আগেও বহুবার কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। অভিষেক তো নিজে সিআইডি নোটিশ গ্রহণ করেননি। অন্য লোক গ্রহণ করেছে। পুলিসকে তার বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকতে হচ্ছে। এটা সহযোগিতা নয়। এটা আদালত দেখে নেবে।

২) নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে ভাইপো কে ইডি তলব আজ।

যত দুর্নীতি সব জায়গায় ওনাদের হাত আছে। নেতারা জেলে গেছে। ওরা দুজন চুপ করে ছিল। দল থেকেও বহিষ্কার করেনি। যেমন যেমন তথ্য আসবে আইন তেমন তেমন ব্যবস্থা নেবে।

৩) অরূপ বিশ্বাস আজ হাজিরা দেবেন?

ওদের এক একটা নেতাকে নিয়ে আলোচনা করলে গোটা দিন কেটে যাবে। এখন সবাই কমপ্লেন করতে শুরু করেছে। ডিমের দাম বেড়ে গেছে। মানুষ ডিমের মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছে। মানুষ যদি ইট পাটকেল হাতে তুলে নেয় তাহলে ইমারত নির্মাণ সামগ্রীর দাম বেড়ে যাবে।

৪) NCPI ব্যাক আপ কি তাহলে আগে থেকেই ঠিক করা ছিল বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদদের?

বাংলায় যারা দলটা করছিল তারা বাধ্য হয়ে করছিল। দলে বাকিদের সঙ্গে ক্রীতদাসের মতো ব্যবহার করা হতো। থ্রেট কালচার। ওই কালচার সবথেকে বেশি ছিল। যারা এই কালচার কাজে লাগিয়ে দুর্নীতি করেছে তারা কেউ পার পাবে না। সবার অধিকার আছে জনতার রায়ে জিতে স্বাধীন ভাবে রাজনীতি করার। তারা সেটাই করছেন।

৫) বিড়ম্বনা বাড়ল পুষ্পার। কনভয় হামলার ফাইল আবার খুলছে।

এরকম বহু কেস রিওপেন হবে। আমি নিজে সেদিন নাড্ডাজির গাড়িতে ছিলাম। গাড়ি বুলেট প্রুফ না হলে আমাদের প্রাণ চলে যেত। ২০০০ লোক ঘিরে ধরেছিল। সাধারণ মানুষের আইনের ওপর থেকে ভরসা উঠে গেছিল। সেই ভরসা ফিরিয়ে আনা হোক।

৬) কাকলি ঘোষ দস্তিদার এর ছেলে মমতার দেওয়া বিয়ের গিফট ফিরিয়ে দিল।

প্রাইজ রিভার্স গ্যাং। নেওয়ার সময় নেব। পরে ফিরিয়ে দেব। সেইসময় নিয়েছিলেন কেন? গিফট ফেরানোর অধিকার আপনার আছে। কিন্তু এই ধরনের ড্রামা কেন?

৭) সুদীপের উইগ এবং নয়নার মেকাপ।

আমি ব্যক্তিগত আক্রমণ করব না। আমার ওপরেও অনেক পার্সোনাল অ্যাটাক হয়েছে। দলের মধ্যে ওদের এই ধরনের চুল টানাটানি হচ্ছে। ববি হাকিম আমাদের কর্মী মারা গেলে বলত বিজেপি হতাশায় সুইসাইড করছে। এখন দেখুন হতাশা কাকে বলে।

৮) কুণাল অভিষেক ঝগড়া

দুজনেই বড় নেতা। আগে পার্থ কুণাল ঝগড়া দেখেছি। কল্যাণের সঙ্গে বাকিদের ঝগড়া দেখেছি। আমার মনে হয় এদের বিসর্জন হওয়ার দরকার আছে।

৯) তৃণমূল কি যদুবংশের মতো ধ্বংস হয়ে যাবে।

এটাকে মুষল পর্ব বলে। আমরা মহাভারত দেখিনি। এখন মুষল পর্ব দেখতে পাচ্ছি। এই কুরু বংশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলেছে।

Share This
Categories
বিবিধ

১৭ জুন পর্যন্ত চলবে বামনগোলার শিবির, মিলবে কেন্দ্র-রাজ্যের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের তথ্য।

মালদা, নিজস্ব সংবাদদাতা:—-তৃণমূল সরকারের পতনের পর নতুন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে জনকল্যাণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক সূচনা হল বিভিন্ন জায়গায় পাশাপাশি বামনগোলায়। সোমবার সকাল প্রায় ১০ টা নাগাদ মালদার বামনগোলা ব্লকে পাকুয়াহাট এলাকার বামনগোলা কমিটি হলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই শিবিরের শুভ সূচনা করা হয়।জানা গিয়েছে, প্রায় ৩০টি সরকারি প্রকল্পকে কেন্দ্র করে এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে।এই শিবিরে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা হচ্ছে এবং সরাসরি পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। বিশেষভাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, যুবশক্তি, আয়ুষ্মান ভারতসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদন সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়।এছাড়াও ব্লক প্রশাসনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়েও শিবিরে বিশেষ কাউন্টার খোলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষ যাতে সোলার প্যানেলের সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন, সেই বিষয়েও সচেতনতা ও তথ্য প্রদান করা হচ্ছে। এদিন খোদ বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সম্পূর্ণ বিষয় খতিয়ে দেখেন স্থানীয় বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মূমূ,বামনগোলা বিডিও মনোজিৎ রায়, বামনগোলা থানার আইসি অমিত মাশান্তা সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ।প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী ১৭জুন পর্যন্ত চলবে এই জনকল্যাণ শিবির, যেখানে এলাকার সাধারণ মানুষ বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা এক ছাতার নিচে পেতে পারবেন।

Share This
Categories
বিবিধ

চন্দ্রকোনারোড শহরের ৫ নম্বর সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাঙ্গণে হ য ব র ল সোসাইটি চন্দ্রকোনারোড ইউনিটের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:-হ য ব র ল সোসাইটি চন্দ্রকোনারোড ইউনিটের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন থ্যালাসেমিয়ার রোগীদের স্বার্থে। গ্রীষ্মকালীন রক্তের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে এবং থ্যালাসেমিয়া রোগীদের স্বার্থে রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহরের ৫ নম্বর সাতবাঁকুড়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাঙ্গণে হ য ব র ল সোসাইটি চন্দ্রকোনারোড ইউনিটের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে এই রক্তদান শিবিরে মহিলা এবং পুরুষ মিলিয়ে মোট ৮১ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পীযূষ তেওয়ারি, মলয় ব্যানার্জি, নীল মাধব ব্যানার্জি,বিদ্যুৎ বিষই,মুন্নি বিষই সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

Share This
Categories
বিবিধ

মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেশপুরে মহামিছিল CPI(M) র।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- পেট্রোল-ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কেশপুরে মহামিছিল CPI(M) র। পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে পুনর্বাসন না দিয়ে হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর বাজারে মহা মিছিল করলো সিপিআইএম নেতৃত্ব। এই দিন এই মিছিলে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক পা মিলিয়েছেন। এই দিন এই মহা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন জেলা সম্পাদক তরুণ রায়,রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস সিনহা সহ একাধিক নেতৃত্ব। এই দিন প্রায় ৪ কিলোমিটার এই মহা মিছিল পরিক্রমা করে।

Share This
Categories
বিবিধ

রাজ্যে পালা বদলের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিগত সরকারের লোগো সরিয়ে ফেলছে BJP।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- রাজ্যে পালা বদলের পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিগত সরকারের লোগো সরিয়ে ফেলছে BJP। রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ডে বিগত সরকারের আমলে লাগানো বিশ্ব বাংলার লোগো সরিয়ে ফেলল বিজেপি নেতৃত্ব। এরপর সেই লোগো রাখা হল আবর্জনা স্তূপে। এইদিন আমাদের ক্যামেরায় এমনই চিত্র উঠে এলো। এই সম্পর্কে ঝাড়গ্রাম সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌতম কৌড়ি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষের আবেদনেই এই লোগো সরানো হয়েছে।

Share This
Categories
বিবিধ

রক্তের চাহিদা মিটানোর লক্ষ্যে ডুকির তুঁতবাড়িতে রক্তদান শিবিরের আয়োজন।।

পশ্চিম মেদিনীপুর, নিজস্ব সংবাদদাতা:- গ্রীষ্মকালীন রক্তের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে সোমবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনারোড শহর সংলগ্ন ডুকির তুঁতবাড়ি এলাকায় অপরাজেয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এবং আমরা সবাই ক্লাব সংগঠনের পরিচালনায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। জানা গিয়েছে এই রক্তদান শিবিরে ৫৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন BDO দীপাঞ্জন ভট্টাচার্য, চন্দ্রকোনারোড বিট হাউসের IC অনুপ ভট্টাচার্য,গড়বেতা দক্ষিণ বিদ্যালয় পরিদর্শক সুকুমার গোস্বামী,স্থানীয় বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম কৌড়ি,পলাশ সেন,প্রণব ঘোষ সহ অন্যান্য ক্লাব সংগঠন ও সমাজসেবী সংগঠনের সদস্যরা।

Share This