Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব এইডস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্ব এইডস দিবসটি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দ্বারা চিহ্নিত, বিশ্ব জনস্বাস্থ্য সচেতনতার উদ্দেশ্যে ঘোষিত। বিশ্ব এইডস দিবস হল একটি আন্তর্জাতিক দিবস। প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়। এই রোগের থাবা থেকে রক্ষা পেতে যে পদক্ষেপ করা হয়েছিল, তা তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই পালিত হয় এই দিনটি। পাশাপাশি যে সমস্ত ব্যক্তিরা এইচআইভি বা হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন, তাঁদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াও এই দিবস পালনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৮ সালে প্রথম বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হয়। সারা বিশ্বের জনগণের জন্য এইচআইভি একটি বিপজ্জনক জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এই ভাইরাস ব্যক্তি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আক্রমণ করে এবং সমস্ত রোগের প্রতি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষমতাকে কমিয়ে আনে। এর ফলে রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।

 

এইডস  হচ্ছে এইচ.আই.ভি.  তথা “মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস” নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি রোগলক্ষণসমষ্টি, যা মানুষের দেহে রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা তথা অনাক্রম্যতা হ্রাস করে। এর ফলে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে।

২০১৭-এর হিসাব অনুযায়ী, এইডসের জন্য বিশ্বজুড়ে ২৮.৯ মিলিয়ন থেকে ৪১.৫ মিলিয়ন মানুষ মারা গেছে, এবং আনুমানিক ৩৬.৭ মিলিয়ন মানুষ এইচআইভি সংক্রামিত হয়ে বেঁচে আছে, এর ফলে এটি নথিভুক্ত ইতিহাস অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম জনস্বাস্থ্য বিষয় হিসাবে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে সাম্প্রতিক উন্নত অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল চিকিৎসা পৌঁছোনোর ফলে, ২০০৫ সালে সর্বোচ্চ সংখ্যায় মৃত্যুর পর এইডস মহামারী থেকে মৃত্যুর হার কমেছে (২০১৬ সালে ১ মিলিয়ন, যেখানে ২০০৫ সালে ছিল ১.৯ মিলিয়ন)।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচির দুজন জনতথ্য কর্মকর্তা জেমস ডব্লু বুন এবং টমাস নেটটার দ্বারা ১৯৮৭ সালের আগস্টে প্রথম বিশ্ব এইডস দিবসের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এইডস সম্পর্কিত বিশ্ব কর্মসূচির (বর্তমানে আনএইডস নামে পরিচিত) পরিচালক ডঃ জোনাথন মানের কাছে বুন এবং নেটটার তাঁদের ধারণাটির কথা জানিয়েছিলেন। ডঃ মান এই ধারণাটি পছন্দ করে এটির অনুমোদন করেন এবং ১৯৮৮ সালের ১লা ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবসটি প্রথম পালন করা উচিত এমন পরামর্শের সাথে একমত হন। সান ফ্রান্সিসকোর প্রাক্তন টেলিভিশন সম্প্রচার সাংবাদিক বুন, ১লা ডিসেম্বর তারিখটির সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল মার্কিন নির্বাচনের যথেষ্ট পরে কিন্তু বড়দিনের ছুটির আগে, পশ্চিমী সংবাদমাধ্যমগুলি দ্বারা বিশ্ব এইডস দিবসের প্রচার সর্বাধিক হবে।
এর প্রথম দুই বছরে, বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য শিশু এবং তরুণদের লক্ষ্য করে তৈরি হয়েছিল। এই প্রতিপাদ্যটি বেছে নেওয়ার সময়, কিছু ঘটনা উপেক্ষা করার কারণে এর সমালোচনা করে বলা হয়েছিল যে সমস্ত বয়সের লোকেরা এইচআইভিতে আক্রান্ত হতে পারে, প্রতিপাদ্যটি রোগটিকে ঘিরে থাকা কিছু কালিমা মোচন করতে এবং পারিবারিক রোগ হিসাবে সমস্যাটির স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করেছিল।
১৯৯৬ সালে এইচআইভি / যৌথ জাতিসংঘের এইডস সম্পর্কিত কর্মসূচি (ইউএনএআইডিএস) চালু হয়েছিল, এবং এটি বিশ্ব এইডস দিবসের পরিকল্পনা ও প্রচারের দায়িত্ব অধিগ্রহণ করে। শুধু একটি দিনে মনোযোগ না দিয়ে, আনএইডস ১৯৯৭ সালে বছরব্যাপী যোগাযোগ, প্রতিরোধ ও শিক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য বিশ্ব এইডস অভিযান তৈরি করেছিল। ২০০৪ সালে, বিশ্ব এইডস প্রচার, একটি স্বাধীন সংগঠনে পরিণত হয়েছিল।
প্রতি বছর, পোপ জন পল দ্বিতীয় এবং দ্বাদশ বেনেডিক্ট বিশ্ব এইডস দিবসে রোগী এবং চিকিৎসকদের জন্য একটি শুভেচ্ছা বার্তা প্রকাশ করেন।

 

জেনে রাখা দরকার।

 

এইচআইভি সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু এইডস হয় না। কিন্তু যে হেতু এক বার সংক্রামক এইচআইভি শরীরে ঢুকলে তাকে পুরোপুরি দূর করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়নি, তাই এইচআইভি. সংক্রমণ হলে এইডস প্রায় অনিবার্য। তবে বিনা চিকিৎসায় এইডস পর্যায়ে পৌছতে যদি লাগে গড়ে দশ বছর তবে চিকিৎসার দ্বারা তাকে আরও কিছু বছর পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ‘হার্ট’ (এইচএএআরটি) নামে এইডস-এর যে কম্বিনেশন ওষুধ দিয়ে চিকিৎসাপদ্ধতি রয়েছে তা অত্যন্ত খরচ সাপেক্ষ। আসলে শরীর জাত অধিকাংশ তরল ক্ষরণে এইচআইভি নিষ্কৃত হয়। তবে স্নেহপদার্থের আবরণ থাকায় এইচআইভি অত্যন্ত ভঙ্গুর। তাই এইচআইভি শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বাঁচে না। এই কারণে সরাসরি রক্ত বা যৌন নিঃসরণ শরীরে প্রবেশ না করলে এইচআইভি সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব কম। শুধুমাত্র স্পর্শ, এক সঙ্গে খাওয়া, এমনকী একই জামাকাপড় পরা, বা মশার কামড়ে কখনও এইচআইভি ছড়ায় না। তাই এইচআইভি সংক্রমণ ছোঁয়াচে নয়।

 

এইচআইভি কী ভাবে ছড়ায়।

 

ক) এইচআইভি-তে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে, বা তার ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা সূঁচ ব্যবহার করলে।

খ ) এইচআইভি-তে আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গর্ভধারণের শেষ দিকে বা প্রসবের সময় হতে পারে। তবে জিডোভুডিন ওষুধ ব্যবহার করে এই সম্ভাবনা কিছুটা কম করা যায়, এবং তা করলে মায়ের দুধও বাচ্চাকে দেওয়া যেতে পারে (কারণ মার দুধ না পেলে গরিব ঘরে জন্মানো বাচ্চার মৃত্যুর সম্ভাবনা আরও বেশি)

গ) এইচআইভি-তে আক্রান্ত কারও সঙ্গে অসংরক্ষিত (কনডম ব্যবহার না করে) যৌন সম্পর্ক করলে।

 

পালনের উদ্দেশ্য 

 

বিশ্ব এইডস দিবসের মাধ্যমে এ কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে, এইচআইভির প্রাদুর্ভাব এখনও বর্তমান এবং আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। আবার এর প্রতি সচেতনতা গড়ে তোলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয় দিনটি। শুধু তাই নয়, এইচআইভি সংক্রান্ত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই চালানো ও এ বিষয় জনগণকে শিক্ষিত করে তোলার ওপরও জোর দেয় দিনটি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট; উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ৩০ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ৩০ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  বনিফেসিও দিবস

(খ) কমেমোরেশন দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৩ – রাধারাণী দেবী,বিশ শতকের বাঙালি মহিলা কবি।

 

১৯০৮ – বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯১৫ – হেনরি টাউব, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

 

১৯২৮ – অমর গঙ্গোপাধ্যায়, বাংলা নাট্যমঞ্চের বিখ্যাত অভিনেতা।

 

১৯৩৭ – রিডলি স্কট, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক।

 

১৯৪৩ – টেরেন্স মালিক, আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৪৪ – জর্জ গ্রাহাম, স্কটিশ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

১৯৫৩ – নন্দিত সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী।

 

১৯৮৪ – নিগেল ডি জং, ডাচ ফুটবলার।

 

১৯৮৮ – ফিলিপ হিউজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৯৯১ – মোহাম্মাদ নাসির হোসেন, বাংলাদেশ।

 

১৮১৭ – টেওডোর মম্‌জেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান আইনজ্ঞ, ঐতিহাসিক ও পণ্ডিত।

 

১৮৩৫ – স্যামুয়েল ল্যাঙ্গহোর্ণ ক্লিমেন্স, একজন মার্কিন রম্য লেখক, সাহিত্যিক ও প্রভাষক। ইনি অবশ্য ‘মার্ক টোয়েইন’ নামে বেশি পরিচিত।

 

১৮৫৮ – স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু,আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি পদার্থ ও জীব বিজ্ঞানী।

 

১৮৬৯ – নিল্স গুস্তাফ দালেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ পদার্থবিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী।

 

১৮৭৪ – উইন্‌স্টন চার্চিল, ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক।

 

১৮৮৯ – এডগার ডগলাস আদ্রিয়ান, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী ও একাডেমিক।

 

১৬৬৭ – বিখ্যাত আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফট।

 

১৫০৮ – আন্ড্রেয়া পালাডিও, ইতালীয় স্থপতি।

 

১৫৫৪ – ফিলিপ সিডনি, ইংরেজ সৈনিক, সভাসদ ও কবি।

 

১৪৮৫ – ইতালির মহিলা কবি ভোরোনিকা গামবারা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১৭ – কলকাতায় জগদীশচন্দ্র বসুর ৬০তম জন্মদিবসে বসু বিজ্ঞান মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন হয়।

১৯৬২ – উথান্ট জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচিত হন।

১৯৬৬ – বারবাডোজ স্বাধীনতা লাভ করে।

 

১৯৭৩ – শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশে দালাল আইনে সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন সকল রাজবন্দীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৭ – আর্ন্তজাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল–IFAD প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৭ – হ্যাঁ–না ভোটে জিয়াউর রহমানের গণ আস্থা লাভ।

১৮৩৮ – মেক্সিকো ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৮৬৩ – উমাচরণ ভট্টাচার্য মুদ্রিত মাসিক পত্রিকা ‘সচিত্র ভারত সংবাদ’ প্রাকাশিত হয়।

১৮৬৬ – শিকাগোতে প্রথম জলের নিচে হাইওয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু হয়।

১৭৩১ – বেইজিংয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয়।

১৭৭৬ – ক্যাপ্টেন কুক প্রশান্ত মহাসাগরে তৃতীয় ও শেষ অভিযান শুরু করেন।

১৭৮২ – ইংল্যান্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৯ – আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক) বাঙালি সাহিত্যিক ।

 

২০১২ – ইন্দ্র কুমার গুজরাল, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রধানমন্ত্রী।

 

২০১৪ – কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী।

 

২০১৭ – আনিসুল হক, বাংলাদেশী ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, টেলিভিশন উপস্থাপক এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র।

 

২০২১ – রফিকুল ইসলাম, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও জাতীয় (বাংলাদেশ) অধ্যাপক।

 

১৯০০ – অস্কার ওয়াইল্ড, আইরিশ প্রাবন্ধিক, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও কবি।

 

১৯০৯ – রমেশচন্দ্র দত্ত,ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক,ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯৩৩ – (ক) কবি মোজাম্মেল হক।

(খ) নারীশিক্ষার পথপ্রদর্শক শিক্ষাবিদ মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায় ।

 

১৯৩৫ – ফার্নান্দো পেশোয়া, তিনি ছিলেন পর্তুগিজ কবি, দার্শনিক ও সমালোচক।

 

১৯৫৩ – ফ্রান্সিস পিকাবিয়া, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও কবি।

১৯৭৯ – যেপপো মার্কস, আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৮৪ – (ক)  অভিনেত্রী ও সঙ্গীতশিল্পী ইন্দুবালা দেবী।

 

(খ) প্রখ্যাত সংগতিয়া (তবলা বাদক) রাধাকান্ত নন্দী।

১৯৮৮ – মিশরের প্রখ্যাত ক্বারী আবদুল বাসেত মোহাম্মাদ আবদুস সামাদ।

 

১৯৮৯ – আহমাদউ আহিদজ, ক্যামেরুনের রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

১৯৯৪ – গায় ডেবরড, ফরাসি তাত্ত্বিক ও লেখক।

 

১৯৯৮ – আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী।

১৭১৮ – ফ্রান্সের রাজা দ্বাদশ চার্লস যুদ্ধে নিহত হন।

 

১৭৫৯ – মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আলমগীর নিজ মন্ত্রীর হাতে নিহত হন।

১০১৬ – এডমন্ড আয়রনসিডে, ইংরেজ রাজা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি পদার্থ ও জীব বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু’র জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।

ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহারিক এবং গবেষণাধর্মী বিজ্ঞানের সূচনা তার হাত ধরে হয় বলে মনে করা হয়। ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের একজন জনক হিসেবে অভিহিত করে।

তাঁর জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশেরই ময়মনসিংহ শহরে ১৮৫৮ সালে ৩০শে নভেম্বের। তাঁর পিতার নাম ভগবান চন্দ্র বসু (জেলার তৎকালীন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট) এবং মায়ের নাম বামা সুন্দরী দেবী।

ইংরেজ সরকারের অধীনে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা থাকা সত্ত্বেও ভগবান চন্দ্র নিজের ছেলেকে ইংরেজি স্কুলে ভর্তি করান নি। জগদীশ চন্দ্রের প্রথম স্কুল ছিল ময়মনসিংহ জিলা স্কুল। বাংলা স্কুলে ভর্তি করানোর ব্যাপারে তাঁর নিজস্ব যুক্তি ছিল।

তিনি মনে করতেন ইংরেজি শেখার আগে এদেশীয় ছেলে-মেয়েদের মাতৃভাষা আয়ত্ত্ব করা উচিত। বাংলা স্কুলে পড়ার ব্যাপারটি জগদীশ চন্দ্রের জীবনে যেমন গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছে, তেমনি বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতেও সাহায্য করেছে। এর প্রমাণ বাংলা ভাষায় রচিত জগদীশের বিজ্ঞান প্রবন্ধগুলো। ভাষার প্রতি বিশেষ মমত্ববোধ ছাড়াও ভগবান চন্দ্র চেয়েছিলেন তার পুত্র দেশের আপামর জনসাধারণের সাথে মিলেমিশে মানুষ হোক এবং তাঁর মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত হোক। জগদীশ চন্দ্রের পরবর্তী জীবনে তার প্রথম বাংলা স্কুলের অধ্যায় গুরুত্বপূর্ণ ছাপ ফেলেছিল।

তাঁর শিক্ষাজীবনের ধাপগুলো শুরু হয় ফরিদপুরে,তারপর ১৮৬৯ সালে হেয়ার স্কুল,সেখান থেকে সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল। তিনি ১৮৭৫ ষোল বছর বয়সে প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উর্ত্তীণ হয়ে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হোন। সেখান থেকে ১৮৭৭সালে অনার্স এবং ১৮৭৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি .এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৮৮০ সালে ভারত ছেড়ে লন্ডনে ডাক্তারি পড়ার জন্য মেডিকেল ইনস্টিটিউটে ভর্তি হলেন। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে তা বাদ দিয়ে ১৮৮১ সালে লন্ডন ত্যাগ করে কেম্ব্রিজে যান। ১৮৮৪ সালে কেম্ব্রিজ ক্রাইস্ট কলেজ থেকে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান বিষয়ে ট্রাইপোস (কেম্ব্রিজের বিশেষ কোর্স) এবং একই সালে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরলেন।

১৮৮৫ খ্রিষ্টাব্দে জগদীশ চন্দ্র ভারতে ফিরে আসেন। তৎকালীন ভারতের গভর্নর-জেনারেল জর্জ রবিনসন, প্রথম মার্কুইস অব রিপনের অনুরোধে স্যার অ্যালফ্রেড ক্রফট বসুকে প্রেসিডেন্সি কলেজে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক নিযুক্ত করেন। কলেজের অধ্যক্ষ চার্লস হেনরি টনি এই নিয়োগের বিপক্ষে ছিলেন। শুধু যে তাঁকে গবেষণার জন্য কোন রকম সুবিধা দেওয়া হত না তাই নয়, তিনি ইউরোপীয় অধ্যাপকদের অর্ধেক বেতনেরও কম অর্থ লাভ করতেন।এর প্রতিবাদে বসু বেতন নেওয়া বন্ধ করে দেন এবং তিন বছর অবৈতনিক ভাবেই অধ্যাপনা চালিয়ে যান। দীর্ঘকাল ধরে এই প্রতিবাদের ফলে তার বেতন ইউরোপীয়দের সমতুল্য করা হয়।প্রেসিডেন্সি কলেজে গবেষণার কোন রকম উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা না থাকায় ২৪-বর্গফুট (২.২ মি২) একটি ছোট ঘরে তাকে গবেষণার কাজ চালিয়ে যেতে হত। পদে পদে প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার বিজ্ঞান সাধনার প্রতি আগ্রহ ভগিনী নিবেদিতাকে বিস্মিত করেছিল। কলেজে যোগ দেওয়ার এক দশকের মধ্যে তিনি বেতার গবেষণার একজন দিকপাল হিসেবে উঠে আসেন।
প্রেসিডেন্সি কলেজে অধ্যাপনার প্রথম আঠারো মাসে জগদীশ যে সকল গবেষণা কাজ সম্পন্ন করেছিলেন তা লন্ডনের রয়েল সোসাইটির জার্নালে প্রকাশিত হয়। এই গবেষণা পত্রগুলোর সূত্র ধরেই লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৯৬ সালের মে মাসে তাঁকে ডিএসসি ডিগ্রি প্রদান করে। এই গবেষণাগুলো একটু ভিন্ন আঙ্গিকে বিচার করতে হবে। প্রতিদিন নিয়মিত ৪ ঘণ্টা শিক্ষকতার পর যেটুকু সময় পেতেন তখন তিনি এই গবেষণার কাজ করতেন। তার উপর প্রেসিডেন্সি কলেজে কোন উন্নতমানের গবেষণাগার ছিলনা, অর্থ সংকটও ছিল প্রকট। সীমিত ব্যয়ে স্থানীয় মিস্ত্রিদেরকে শিখিয়ে পড়িয়ে তিনি পরীক্ষণের জন্য উপকরণ প্রস্তুত করতেন। তাঁর এই গবেষণা কর্মগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা করেই ইংল্যান্ডের লিভারপুলে বক্তৃতা দেয়ার জন্য ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এই বক্তৃতার সাফল্যের পর তিনি বহু স্থান থেকে বক্তৃতার নিমন্ত্রণ পান। এর মধ্যে ছিল রয়েল ইন্সটিটিউশন, ফ্রান্স এবং জার্মানি। সফল বক্তৃতা শেষে ১৮৯৮ সালের এপ্রিল মাসে তিনি সস্ত্রীক দেশে ফিরে এসেছিলেন।

জগদীশের আঠারো মাসের সেই গবেষণার মধ্যে মুখ্য ছিল অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ নিয়ে গবেষণা। ১৮৯৫ সালে তিনি অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ সৃষ্টি এবং কোন তার ছাড়া এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তা প্রেরণে সফলতা পান। ১৮৮৭ সালে বিজ্ঞনী হের্‌ৎস প্রত্যক্ষভাবে বৈদ্যুতিক তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। এ নিয়ে আরও গবেষণা করার জন্য তিনি চেষ্টা করছিলেন যদিও শেষ করার আগেই তিনি মারা যান। জগদীশচন্দ্র তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে সর্বপ্রথম প্রায় ৫ মিলিমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট তরঙ্গ তৈরি করেন। এ ধরনের তরঙ্গকেই বলা হয়ে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ বা মাইক্রোওয়েভ। আধুনিক রাডার, টেলিভিশন এবং মহাকাশ যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই তরঙ্গের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মূলত এর মাধ্যমেই বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ তথ্যের আদান প্রদান ঘটে থাকে।

বিজ্ঞান শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে জগদীশ চন্দ্রের সফলতার কথা কর্মজীবন অংশেই উল্লিখিত হয়েছে। এছাড়া তিনি বিজ্ঞান গবেষণায়ও প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছিলেন যার জন্য তাঁর সুখ্যাতি তখনই ছড়িয়ে পড়েছিল। জগদীশ চন্দ্র যে গ্যালিলিও-নিউটনের সমকক্ষ বিজ্ঞানী তার স্বীকৃতি দিয়েছিল লন্ডনের ডেইলি এক্সপ্রেস পত্রিকা, ১৯২৭ সালে। আর আইনস্টাইন তার সম্পর্কে নিজেই বলেছেন:- “জগদীশচন্দ্র যেসব অমূল্য তথ্য পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন তার যে কোনটির জন্য বিজয়স্তম্ভ স্থাপন করা উচিত।”
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঋষিতুল্য বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু সম্পর্কে বলেছেন:- “ভারতের কোনও বৃদ্ধ ঋষির তরুণ মূর্তি তুমি হে আর্য আচার্য জগদীশ।”

আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু, এই ভারতীয় বাঙালি বৈজ্ঞানিক ছিলেন পরাধীন ভারতবর্ষে জন্ম নেওয়া শত শত স্বদেশপ্রেমিকদের মধ্যে অন্যতম৷ তার বিভিন্ন বক্তৃতায় বারবার তাঁর এই স্বদেশপ্রেমের দিকটি উন্মোচিত হয়েছে৷ আমাদের সৌভাগ্য যে পরাধীন ভারতবাসীর স্বদেশপ্রেমের প্রকাশ শুধুমাত্র রাজনৈতিক ক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রাজনৈতিক সীমানা ছাড়িয়ে তৎকালীন ভারতবর্ষের বিজ্ঞান, দর্শন ইত্যাদি সমস্ত ক্ষেত্রেই তা সমভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছিল৷

১৯৩৭ সালের ২৩শে নভেম্বর ভারতের ঝাড়খন্ডের গিরিডিতে এই বিশ্ববরেণ্য বিজ্ঞানীর জীবনাবসান ঘটে। মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে তাঁর আজীবন সঞ্চিত ১৭ লক্ষ টাকার মধ্যে ১৩ লক্ষ টাকা বসু বিজ্ঞান মন্দিরকে দান করেন। ১৯৫৮ সালে জগদীশ চন্দ্রের শততম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার “JBNSTS” নামে একটি বৃত্তি প্রদান আরম্ভ করেন।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

৫০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যবাহী ঐতিহাসিক পঁচেটগড়ের রাস উৎসব – জানব তার সম্পর্কে কিছু কথা।

রাস উৎসবকে ঘিরে মেতে উঠেছে গোটা রাজ্য। আর রাস উৎসবের কথা বললে পঁচেটগড় রাজবাড়ীর কথা না বললেই নয়। প্রাচীন বাংলার সাংস্কৃতিক ইতিহাসে পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের থানা এলাকার পঁচেটগড় একটি প্রসিদ্ধ স্থান। পঁচেটগড় রাজবাড়ী রাস উৎসবের জন্যই সকলের কাছে এক ডাকে পরিচিত। প্রায় ৫০০ বছরের প্রাচীন পঁচেটগড় রাজবাড়ির ঐতিহ্যবাহি এই রাস উৎসব।

ইতিহাস বলছে, একসময় এই রাস উৎসবের জাঁকজমক দুর্গোৎসবের চেয়ে কোনও অংশে কম ছিল না। রাজপরিবারের বর্তমান বংশধরদের দাবি, ওডিশার কটক জেলার আটঘর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন বাড়ির আদি পুরুষ কালুমুরারি মোহন দাস মহাপাত্র। এই দুঃসাহসিক যুবক আকবর বাদশাহের রাজ কর্মচারী ছিলেন। ওডিশার রাজা মুকুন্দদেব আকবর বাদশাহের সঙ্গে সঙ্গবদ্ধ হয়ে উভয়ের সাধারণ শত্রু গৌড়ের রাজা গৌড়েশ্বর সুলেমন কররানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়। এখানে কালুমুরারির অসামান্য কৃতত্ব প্রকাশ পায়। কথিত আছে, সেই সময় কালুমুরারি পটাশপুর পরগনায় এসে বাদশাহ প্রদত্ত নানকর ভূমি লাভ করে জমিদারি সূচনা করেন। প্রথমে কল্যাণপুরে বাস করে। পরবর্তীকালে সেখান থেকে উদ্ধার হয় এক শিবলিঙ্গ। সেই শিবলিঙ্গ দিয়েই কালুমুরারি মোহন দাস মহাপাত্র তৈরি করেন পঞ্চেশ্বর মন্দির। এখানে বেনারস থেকে আরও চারটি শিব লিঙ্গ এনে স্থাপন করা হয়। ধীরে ধীরে পক্ষেশ্বর নামটির প্রচার হতে থাকে।

 

 

এখানেই তিনি তৈরি করেন পঁচেটগড় রাজবাড়ি। শ্রী চৈতন্যদেব যখন পটাশপুর হয়ে পঁচেট পরগনা দিয়ে পুরী গিয়েছিলেন তখন জমিদার বাড়ির সদস্যরা শৈব থেকে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা নেন। পরে জমিদার বাড়ির কুলদেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন কিশোররাই জিউ। যাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর কার্তিক পূর্ণিমা থেকে শুরু হয় রাস উৎসব। রাস উৎসব ছাড়াও রাজবাড়িতে হয় দুর্গপুজো, ঝুলন উৎসব,নন্দ উৎসব,
পঁচেটগড় রাজবাড়ির রাস উৎসব এখন সর্বসাধারণের উৎসব। এই উৎসব ধর্ম, সংস্কৃতি ও সামাজিক
ঐক্যের এক অপার মিলন ক্ষেত্র। প্রতিবছর এই উৎসব উপলক্ষে মেলায় শুধু জেলা নয়, জেলা ছাড়িয়ে পাশ্ববর্তী রাজ্য ওডিশা থেকেও হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান। সাম্প্রতি কয়েক বছর আগে পঁচেটগড় রাজবাড়ীকে হেরিটেজ ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশন। হেরিটেজ পঁচেটগড় রাজবাড়ীতে রয়েছে হোমস্ট্রের বেবস্থা। তাই বিদেশ থেকে অনেক পর্যটক আসেন রাজবাড়ীতে থাকার জন্য  এই  রাস উৎসবের সময় অসংখ্য বিদেশি পর্যটক ভিড় জমান রাজবাড়ীতে।রাস উৎসবের কয়েকদিন রয়েছে সাধারণ মানুষের জন্য রয়েছে  বার্তি পাওনা রাজবাড়ীর পক্ষ থেকে পর্যটক ও দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে রাজবাড়ীর সংগ্রহসালা।

 

রাস উৎসবে প্রতি সন্ধ্যায় কিশোররাই সহ কুড়ি জন ঠাকুরের  বিগ্রহ শোভাযাত্রা সহকারে পঁচেটগড় রাজবাড়ী থেকে রাস মঞ্চে আসেন ও প্রায় ঘন্টা তিনেক  মঞ্চে থাকেন। তবে রাতে ফের মূল মন্দিরে ফিরে আসেন কিশোররাই। এই রাস মেলার ১ লা ডিসেম্বর দধি উৎসবের দিন প্রতিবারের মতোই রাত ৩ টা থেকে  দুপুর  ১১টা পর্যন্ত রাস মঞ্চে থাকবেন কিশোররাই জিউ। মেলা শুর হয়েছে ২৭ শে নভেম্বর সোমবার থেকে। চলবে ৬ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলায় পত‍্যহ রয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলায় রয়েছে আলোকসজ্জা সারকাস,টোরাটোরা,ট্রয় ট্রেন ও প্রসাধন সামগ্রীর দোকান।
দশদিনের মেলায় নিরাপত্তায় এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় গোটা মেলাচত্বরে লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৯ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৯ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) প্যালেস্টিনিয়ানদের সঙ্গে বিশ্ব সংহতি দিবস৷

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০১ – মিলড্রেড হ্যারিস, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৯৩২ – জ্যাক শিরাক, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৩৬ – শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়,ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অভিনেতা।

 

১৯৪৪ – মানিক সরকার, ভারতীয় বাঙালি বংশোদ্ভূত আমেরিকান অ্যানিমেটর ও লেজারশিল্পী ।

 

১৯৭৩ – রায়ান গিগস, ওয়েলশ ফুটবলার।

১৮৭৪ – অ্যাগাস মোনেশ, পর্তুগিজ স্নায়ুতত্ত্ববিদ।

 

১৮৯৪ – বোরিস পিলনিয়াক, রুশ ঔপন্যাসিক।

 

১৪২৭ – ঝেংটংয়ে, চীনের রাজা ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন বিল-২০০৪ পাস হয়।

১৯১০ – ট্রাফিক বাতি প্যাটেন্ট হয়।

১৯১৩ – যুগোস্লাভিয়ায় মার্শাল টিটোর নেতৃত্বে এন্টি ফ্যাসিজম ফ্রন্ট গঠিত হয়।

১৯১৮ – লিথুয়ানিয়া প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষিত।

১৯৩২ – সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে ফ্রান্সের চুক্তি হয়।

১৯৪৪ – আলবেনিয়া নাৎসি কবল থেকে মুক্ত হয়।

১৯৪৭ – পাশ্চাত্য ও ইহুদিবাদীদের প্রভাবাধীন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, ফিলিস্তিন ভূখন্ডকে বিভক্ত করার পক্ষে রায় দেয় এবং বায়তুল মোকাদ্দাসকে জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা বলে ঘোষণা করে।

১৯৮৮ – প্রলংকারী ঘূর্নিঝড় ও জলোচ্ছাসে বিধ্বস্ত হয় দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ন জনপদ।

১৯৯৪ – নেপালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মহমোহন অধিকারী প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

১৯৯৬ – সীমান্ত সমস্যা চীন ভারত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৩৯ – গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘সম্বাদ রসরাজ’ প্রকাশিত হয়।

১৮৯৭ – ইংল্যান্ডের সারেতে প্রথম মোটরসাইকেল রেস হয়।

১৭৭৫ – স্যার জেমস জে অদৃশ্য কালি আবিষ্কার করেন।

১৭৯২ – মার্ক উডের করা সমগ্র কলকাতার নকশা প্রথম প্রকাশ করেন মি. বেইলি।

১৫২০ – স্প্যানিশ নাবিক মাজলান নতুন একটি প্রণালীর সন্ধান পান।

১৫৯৬ – রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ সে দেশের মুদ্রা অবমূল্যায়িত করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – জর্জ হ্যারিসন, বিংশ শতাব্দীর অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন জনপ্রিয় গায়ক এবং গিটারিস্ট।

 

১৯২৪ – ইটালির মিউজিক কম্পোজার জিয়াকোমো পুচিনো।

১৯৪৯ – রস-সাহিত্যিক কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

১৯৫১ – প্রমথেশ চন্দ্র বড়ুয়া,ভারতের একজন বিখ্যাত অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্য লেখক।

 

১৯৮৭ – মোহাম্মদ তোয়াহা, বাংলা ভাষা আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী এবং রাজনীতিবিদ।

 

১৯৯৩ – জাহাঙ্গীর রতনজী দাদাভাই টাটা, ভারতের অগ্রগণ্য শিল্পপতি।

 

১৮১২ – ভারতীয় বাঙালি মুসলমান শিক্ষাব্রতী ও সমাজসেবী দানবীর হাজী মুহম্মদ মুহসীন।

 

১৬৪৩ – ইটালির বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ক্লাওদিও মোন্তেভেরদ।

 

১০৫৮ – ফ্রান্সের রাজা চতুর্থ ফিলিপ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৮ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৮ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – আলবার্তো মোরাভিয়া, ইতালীয় সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৯৩১ – গোলাম রহমান, বাংলাদেশের প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

 

১৯৪৩ – (ক) রফিকুন নবী, বাংলাদেশী চিত্রকর ও কার্টুনিস্ট।

(খ) র‍্যান্ডি নিউম্যান, মার্কিন গায়ক-গীতিকার, সঙ্গীত সমন্বয়ক ও সুরকার।

১৯৫০ – রাসেল অ্যালান হাল্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।

১৯৫৫- জিয়াদ আল-জাজা, ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ।

 

১৯৬২ – জন স্টুয়ার্ট, আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক।

 

১৯৬৭ – আন্না নিকলে স্মিথ, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৬৯ – নিক নাইট, সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার।

 

১৯৭৫ – তাকাশি শিমডা, জাপানি ফুটবলার।

১৯৭৭ – ফেবিও গ্রসও, ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৮৩ – নেলসন ভাল্ডে্য, প্যারাগুয়ের ফুটবলার।

 

১৯৮৭ – কারেন গিলান, স্কটিশ অভিনেত্রী।

১৯৯৯ – শ্রেষ্ঠা রায়, সোনারপুরের সুন্দরী।

১৮২০ – সমাজতাত্ত্বিক ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস।

 

১৮৮০ – আলেকজান্ডার ব্লক, রাশিয়ান কবি ও নাট্যকার।

১৮৮১ – স্টিফান য্বেইগ, অস্ট্রিয়ান লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক।

১৮৮৭ – আর্নেস্ট রহম, জার্মান সৈনিক ও সহ-প্রতিষ্ঠিত স্টুর্মাবটেইলুং এর।

 

১৭৫৭ – উইলিয়াম ব্লেক, ইংরেজ কবি ও চিত্রকর।

১৭৯৩ – কার্ল জোনাস লাভ আল্মকভিস্ট, সুইডিশ কবি, সুরকার ও সমালোচক।

১৬২৮ – জন বুনয়ান, ইংরেজ প্রচারক ও লেখক।

১১১৮ – প্রথম ম্যানুয়েল কম্নেনস, বাইজেন্টাইন সম্রাট।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯১২ – তুরস্কের নিকট থেকে আলবানিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬০ – মৌরিতানিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৭১ – ইরানের তিনটি দ্বীপ আবু মুসা,তাম্বে বোযোর্গ,তাম্বে কুচাক থেকে ব্রিটিশ দখলদার সেনারা চলে যাবার পর ইরান ঐ তিনটি দ্বীপের ওপর নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

১৮১৪ – কলকাতার চাঁদপাল ঘাটে ভারতের প্রথম প্রাটস্ট্যান্ট বিশপ টমাস ফ্যানশ মিডলটন পদার্পণ করেন।

১৮১৪ – লন্ডনের টাইমস পত্রিকা প্রথম স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ছাপা হয়।

১৮২১ – স্পেনের নিকট থেকে পানামা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৬৬০ – ইংল্যান্ডে রয়েল সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৬৭৬ – ভারতের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত তখনকার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পন্ডিচেরি বন্দর ফরাশিরা দখল করে নেয়।

১৫২০ – প্রথম ইউরোপীয়ান নাবিক হিসেবে ফার্ডিনান্ড ম্যাগেলান আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে প্রবেশ করেন।

১৪৪৩ – সেকেন্দার বেগ তার বাহিনী নিয়ে মধ্য আলবেনিয়ার খ্রুজ অঞ্চল জয় করেন ও প্রথমবারের মতো আলবেনিয়ার পতাকা উত্তোলন করেন।

১০৯৮ – সিরিয়ায় খ্রিস্টানদের হাতে ৭০ হাজার মুসলমান নিহত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ – মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও অবিভক্ত ঢাকার প্রথম মেয়র।

 

২০১০ – লেসলি নিলসেন, কানাডিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা ও প্রযোজক।

২০১৪ – চেস্পিরিটো, মেক্সিক্যান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৩২ – অভিনেতা সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ (দানীবাবু)।

১৯৪৫ – ডুইট এফ. ডেভিস, আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৫৪ – এনরিকো ফের্মি, ইতালীয় পদার্থবিদ।

১৯৬০ – রিচার্ড রাইট, তিনি ছিলেন আমেরিকান বংশোদ্ভূত ফরাসি লেখক ও কবি।

 

১৯৬২ – সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার কৃষ্ণচন্দ্র দে মৃত্যুবরণ করেন।

 

১৯৬৮ – এনিড ব্ল্যটন, ইংরেজ লেখক ও কবি।

১৯৭১ – ওয়াসফি তাল নিহত হন, জর্দানের বাদশা।

 

১৯৮০ – বীরেন্দ্রনাথ সরকার,ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং কলকাতার নিউ থিয়েটার্সের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৮৯ – ফকির শাহাবুদ্দীন, বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল।

১৯৯৯ – জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ এবং বুদ্ধিজীবী।

 

১৮৫৯ – ওয়াশিংটন আরভিং, মার্কিন ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, জীবনীকার, ইতিহাসবেত্তা ও কূটনীতিক।

১৮৭০ – জন ফ্রেদেরিখ বাজিল, ফরাসি চিত্রশিল্পী ও সৈনিক।

 

১৬৮০ – গিয়ান লরেনযো বিরনিনি, ইতালিয়ান ভাস্কর ও পেইন্টার।

 

১৬৯৪ – মাৎসু বাসো, জাপানি কবি।

১০৫৮ – পোল্যান্ডের ডিউক কেজিমিয়ের্জ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) শহীদ ডা. মিলন দিবস,বাংলাদেশ।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০০ – আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ, ভারতীয় উপমহাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।

 

১৯০৩ – লার্স অনসেজার, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নরওয়েজিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯০৭ – হরিবংশ রাই বচ্চন, প্রখ্যাত ভারতীয় হিন্দি ভাষার কবি ও লেখক।

 

১৯১৩ – চিত্রনিভা চৌধুরী, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী।

 

১৯২৫ – মুনীর চৌধুরী, বাংলাদেশী ভাষাবিজ্ঞানী এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী।

১৯২৫ – আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ), ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন শহীদ।

 

১৯৪০ – ব্রুস লী, চীনা মার্শাল আর্ট শিল্পী, শিক্ষক, অভিনেতা।

১৯৪০ – চীনের রাজা জিয়াওজিংয়ে।

 

১৯৫২ – বাপ্পী লাহিড়ী ভারতীয় উপমহাদেশের সঙ্গীত পরিচালক।

 

১৯৫৪ – শ্রীলংকার বিচ্ছিন্নতাবাদী তামিল দল লিবারেশন টাইগার্স ফর তামিল ইলাম এর প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান নেতা ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ।

১৯৬৪ – রবার্ট ম্যান্সিনি, সাবেক ইতালিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

১৯৭৯ – টেমু টাইনিও, ফিনিশ ফুটবলার।

১৯৮৪ – সানা নিলসেন, সুইডিশ গায়িকা।

১৯৮৬ – সুরেশ কুমার রায়না, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৮৫৭ – চার্লস স্কট শেরিংটন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ শারীরবিজ্ঞানী, জীবাণুবিদ ও প্যাথলজিস্ট।

১৮৭০ – জুহ কুস্টি পাসিকিভি, ফিনল্যাণ্ডের ফিনিশ অধ্যাপক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৮৭৮ – যতীন্দ্রমোহন বাগচী, বাংলা ভাষার কবি।

 

১৮৮৮ – কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর,বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কৃষিবিজ্ঞানী,শিক্ষাবিদ ও লেখক।

১৮৯২ – আজিজুল হক, বাঙালি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক।

১৭০১ – অ্যান্ডার্স সেলসিয়াস, সুইডিশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ ও গণিতবিদ।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০১ – ওয়াশিংটন ডিসিতে আর্মি ওয়ার কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

১৯১২ – আলবেনিয়ার জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়।

১৯১৪ – ব্রিটেনে প্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ দেওয়া হয়।

১৯১৯ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধশেষে মিত্র ও সহযোগী শক্তির সাথে বুলগেরিয়ার নোই চুক্তি (Traité de Neuilly) স্বাক্ষরিত।

১৯৩২ – পোল্যান্ড ও সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরকে আক্রমণ না করার চুক্তি করে।

১৯৪০ – আততায়ীর গুলিতে রুমানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইয়ার্গাসহ ৬৪ জন নিহত হন।

১৯৪১ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মস্কোর উপকণ্ঠে জার্মানি ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাদের মধ্যে বিখ্যাত ট্যাংক যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

১৯৪৩ – চার্চিল রুজভেল্ট ও স্টালিন তেহরান সম্মেলনে মিলিত হন।

১৯৮০ – ইরানের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের গোড়ার দিকে ইরানের নৌবাহিনী পারস্য উপসাগরে এক অভিযানে ইরাকের নৌ বাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয়।

১৯৯২ – এই দিন থেকে ব্রিটেনের রানী আয়কর দিতে শুরু করেন।

১৯৯২ – তুর্কমেনিস্তান, কিরঘিযিস্তান, উজবেকিস্তান, কাযাকিস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান ও আজারবাইজান- অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা “ইকো”তে যোগ দেয়।

১৮৯৫ – বিশিষ্ট বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল তার সমুদয় সম্পত্তি উইল করে নোবেল পুরস্কার প্রদানের জন্য তহবিল গঠন করেন।

১৫৮২ – উইলিয়াম শেকসপিয়ার বিয়ে করেন।

১০০১ – পেশাওয়ারের যুদ্ধ সংঘটিত।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৮ – বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং, ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও অষ্টম প্রধানমন্ত্রী।

 

২০১৪ – ফিলিপ হিউজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

২০২০ – আলী যাকের, বাংলাদেশি অভিনেতা, ব্যবসায়ী ও কলামিস্ট।

১৯৪০ – নিকলাএ ইওরগা, রোমানিয়ান ইতিহাসবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৩৪ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৯৫৩ – ইউজিন ও’নিল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান নাট্যকার।

১৯৭১ – হারুনুর রশীদ (বীর প্রতীক), বাংলাদেশী খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭৭ – ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকার সম্পাদক ছাত্রনেতা আতাউর রহমান।

 

১৯৮১ – লটে লেনয়া, অস্ট্রিয়ান গায়িকা ও অভিনেত্রী।

১৯৮৪ – অসিতবরণ মুখোপাধ্যায়, বাঙালি অভিনেতা এবং গায়ক।

 

১৯৯০ -শহীদ ডা. মিলন, প্রতিবাদী ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ

১৯৯৮ – গবেষক ও লেখক নরেন বিশ্বাস ।

১৮৫২ – অগাস্টা অ্যাডা, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ধারণার একজন প্রবর্তক।

১৫৭০ – জাকপ সান্সভিনো, ইতালিয়ান ভাস্কর ও স্থপতি।

১৫৯২ – সুইডেনের রাজা তৃতীয় জন।

খ্রিস্টপূর্ব ৮ অব্দ – হোরেস, রোমান সৈনিক ও কবি।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৬ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৬ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক) বিশ্ব কেক দিবস।

 

(খ) সংবিধান দিবস (ভারত)

 

(গ) জাতীয় দুগ্ধ দিবস (ভারত)

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯১৯ – মুহম্মদ আবদুল হাই, ধ্বনি বিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক।

 

১৯২১ – ভার্গিজ কুরিয়েন , ভারতে দুগ্ধ উৎপাদনে শ্বেত বিপ্লবের জনক।

 

১৯৫৪ – ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণ, শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী দল লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের প্রতিষ্ঠাতা।

 

১৯৭২ – অর্জুন রামপাল, ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক, মডেল এবং টেলিভিশন উপস্থাপক।

 

১৮৮৫ – দেবেন্দ্র মোহন বসু, প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান-প্রশাসক।

 

১৮৯০ – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি, ভাষাতাত্ত্বিক পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ।

 

১৮৯৬ – গোকুলানন্দ গীতিস্বামী, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ।

 

১৮৯৮ – নোবেলজয়ী জার্মান রসায়নবিদ কার্ল জিগলার।

 

১৭৩১ – উইলিয়াম কাউপার, ইংরেজ কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – নেপালে মাওবাদী বিদ্রোহীদের হামলায় ২৮০ জনের প্রাণহানী।

২০০৪ – জাতীয় শিক্ষা-সংস্কৃতি আন্দোলন নামে নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ।

২০০৮- ভারতের মুম্বাই শহরে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এর মদতে জঙ্গী হামলা অনুষ্ঠিত হয়।

১৯০৭ – লর্ড কার্নারভন তাকে ভ্যালি অব দি কিংসে খনন কাজ দেখাশোনা করার দায়িত্ব প্রদান করেন।

১৯২২ – ব্রিটিশ প্রত্নবিদ হাওয়ার্ড কার্টার এবং লর্ড কার্নারভন মিসরের ভ্যালি অব দি কিংসে অবস্থিত তুতাংখামেনের সমাধিগৃহে প্রবেশ করেন।

১৯২২ – দুই রঙ বিশিষ্ট টেকনিকালারে নির্মিত প্রথম ছবি টোল অব দ্য সী মুক্তি পেয়েছিলো।

১৯৪৩ – যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন এবং অধূনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন তেহরানে বৈঠকে বসে। বৈঠকে জার্মানির সাথে যুদ্ধ পরিচালনার ব্যাপার সহ মিত্র পক্ষের দেশগুলোকে সহায়তা প্রদান এবং নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার ব্যাপারে আলোচনা হয়।

১৯৪৯ – ভারতীয় গণপরিষদে ভারতের সংবিধান অনুমোদিত হয়।

১৯৫০ – চীনের বাহিনীর আক্রমণের ফলে কোরিয়া যুদ্ধের প্রকৃতি বদলে গিয়েছিলো।

১৯৫৫ – সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন অভাবনীয় শক্তিশালী হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

১৯৭৬ – ‘মাইক্রোসফট’ নামটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোতে ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

১৯৮৯ – ৪২ বছর পর জার্মানিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্র তীরবর্তী বৃহত্তম একটি বিমান ঘাঁটি ফিলিপাইনের হাতে তুলে দেয়।

 

১৯৯২ – টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কমবয়েসী ক্রিকেটার হিসেবে [১৯ বছর ২২ দিন] শচীন টেন্ডুলকার ১ হাজার রান করেন।

১৭০৩ – ইংল্যান্ডে এক প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড়ে ৮ হাজার লোকের জীবনহানি ঘটে।

১৩৭৯ – ইংল্যান্ডে অক্সফোর্ড নিউ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৭ – রবীন্দ্রজীবনকার প্রশান্তকুমার পাল।

 

২০১৭ – রাহিজা খানম ঝুনু, বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী ও নৃত্যশিক্ষক।

 

১৯২৩ – গণিতবিদ যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী।

 

১৯৪৯ – সমাজতাত্ত্বিক বিনয় কুমার সরকার।

 

১৯৫০ – প্রখ্যাত শল্যচিকিৎসক ও সমাজসেবী দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র।

১৮৫৭ – সুইস ভাষাবিজ্ঞানী ফের্দিনা দে সোসুর।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

আজ ভারতীয় সংবিধান দিবস – একটি বিশেষ পর্যালোচনা।

সংবিধান দিবস হল একটি দেশের সংবিধানকে সম্মাননা জানানোর জন্য সরকারি ছুটির দিন। সংবিধান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এটি লিখিত আবার কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে অলিখিত দলিল।

সাধারণভাবে সংবিধান বলতে রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়মকানুনকে বােঝায়। যে-কোনাে প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে গেলে যেমন কতকগুলি সাধারণ নিয়মকানুনের প্রয়ােজন হয়, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তা দেখা যায়। রাষ্ট্রের পরিচালনার জন্য একান্ত আবশ্যক এই নিয়মকানুনগুলি হল সংবিধান। সংবিধানের মৌলিক নীতিগুলি লিখিত বা অলিখিত, দুই-ই হতে পারে। এই কারণেও সংবিধানের শ্রেণিবিভাজন করা হয়ে থাকে।
দেশের শাসনব্যবস্থার মৌলিক নীতিগুলি যেক্ষেত্রে একটি দলিলের আকারে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে লিখিত সংবিধান বলে। সাধারণত একটি সংবিধান পরিষদ বা কনভেনশন এসব সাংবিধানিক মৌলিক নীতিগুলিকে লিপিবদ্ধ করার কাজ করে থাকে। বিশ্বের প্রাচীনতম লিখিত সংবিধান হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান। সুইটজারল্যান্ড, ভারত, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের সংবিধান লিখিত সংবিধানের অন্যতম উদাহরণ।

 

 

ভারতে ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস পালিত হয়। দিনটি সম্বিধান দিবস নামেও পরিচিত। সংবিধান দিবস ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের সংবিধান গৃহীত হওয়ার স্মরণে পালন করা হয়।

যে দিনটি ভারতের সংবিধান গৃহীত হয়েছিল সেই দিনটিকে স্মরণ করার জন্য ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।সংবিধান গৃহীত হয় ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ সালে। এটি ২৬ জানুয়ারী ১৯৫০ সালে কার্যকর হয়েছিল। ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ তারিখে সংবিধান এবং গণপরিষদ মিলিত হয়েছিল|উচ্চস্বরে ও দীর্ঘায়িত সমর্থনে  রাষ্ট্রপতির সংবিধান পাসকে স্বাগত জানানো হয়েছিল।গণপরিষদের সভাপতি ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ সংবিধান পাশ করার প্রস্তাব দেওয়ার আগে তিনি বক্তৃতা ও মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেছিলেন মনে রাখবে যে এটি একটি অনন্য বিজয় যার রাস্তা আমরা জাতির পিতার দেখানো অনন্য পদ্ধতিতে অর্জন করেছি এবং আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি তা রক্ষা করা এবং এটি সত্যিকার অর্থে মানুষের জন্য ফলপ্রসূ করে তোলা আমাদের উপর নির্ভর করে।
৯ ই নভেম্বর ২০১৫ সালে ডঃ বি আর আম্বেদকরের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকীর বছরব্যাপী উদযাপনের সময় ভারত সরকার ২৬ শে নভেম্বরকে সংবিধান দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।সংবিধান পাশ হওয়ার পর প্রবীণ স্বাধীনতা সংগ্রামী যোদ্ধা, অরুণা আসাফ আলী এবং প্রয়াত স্বাধীনতার বোন পূর্ণিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের “জন-গণ-মন আধিনায়ক জয় হে, ভারত ভাগ্য বিধাতা” জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে গণপরিষদের ঐতিহাসিক অধিবেশন শেষ হয়। আগে এই দিনটি আইন দিবস হিসেবে পালিত হত। সংবিধানের গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে এবং আম্বেদকরের চিন্তাভাবনা ও ধারণা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ২৬ নভেম্বর দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছিল।

 

 

২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ভারত স্বাধীন হয়। স্বাধীনতার ঠিক এক বছর আগে ১৯৪৬ সালে লেখা হয় ভারতের সংবিধান। যা এককথায় ‘সুপ্রিম রুল বুক’, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য। সংবিধান গণপরিষদ দ্বারা লিখিত, যার ড্রাফটিং কমিটির প্রধান ছিলেন বি.আর আম্বেদকর। ১৯৪৯ সালের আজকের দিনেই সংবিধান গ্রহন করেন গণপরিষদ। যদিও, আইনত তা বলবৎ হয়েছিল পরের বছর অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারী। সেই বছর থেকেই ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস বা জাতীয় আইন দিবস পালিত হয়।

সংবিধান দিবস প্রতি বছর ২৬ নভেম্বর দিনটি পালিত হয়। দেশের নাগরিকের অধিকার এবং এই দেশের সংবিধানের সঙ্গে বড় আশ্চর্য ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে মাসের ২৬ নম্বর দিনটি! একটি আমাদের অতি সুপরিচিত জানুয়ারি মাসের ২৬ তারিখ, যা প্রজাতন্ত্র দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে থাকে প্রতি বছর। এ ছাড়াও ভারত, ভারতীয় নাগরিক এবং তার সংবিধানকে ঘিরে বছরের  নভেম্বর মাসের ২৬ নম্বর দিনটি উদযাপন করে থাকে।দিবসটির লক্ষ্য সংবিধানের গুরুত্ব ছড়িয়ে দেওয়া এবং ভারতীয় সংবিধানের জনক বি .আর. আম্বেদকরের চিন্তাভাবনা ও ধারণা ছড়িয়ে দেওয়া।

 

 

বি: দ্র:- বিশ্বের সমস্ত সার্বভৌম দেশগুলির মধ্যে ভারতীয় সংবিধান দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান। এটি ৪৪৮টি নিবন্ধ নিয়ে গঠিত এবং মোট ২৫ ভাগে বিভক্ত।  সংবিধানের মূল বইটি প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদা লিখেছিলেন। গোটা বইটি ইটালিক স্টাইলে লেখা হয়েছিল। সংবিধানের প্রতিটি পৃষ্ঠাসজ্জা করেছিলেন শান্তিনিকেতনের শিল্পীরা। যাদের মধ্যে ছিলেন রামমনোহর সিনহা এবং নন্দলাল বসু।

 

 

তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ বিশ্ব কেক দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় ও ইতিহাস।

ভূমিকা–

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবস প্রতি বছর ২৬শে নভেম্বর পালিত হয়।  কেক হল একটি বেকড খাবার যা সাধারণত ময়দা, চিনি এবং অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি।  তাদের প্রাচীনতম ফর্মগুলিতে, কেকগুলি ছিল রুটির পরিবর্তন, একটি আরও পরিশীলিত প্রকার, কিন্তু আজকাল, কেকগুলি পেস্ট্রি, পাই, ইত্যাদির মতো বিস্তৃত বেকড মিষ্টিকে কভার করে।  কেক প্রায়ই আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে পরিবেশন করা হয়, যেমন বিবাহ, বার্ষিকী, এবং জন্মদিন।  অসংখ্য কেকের রেসিপি রয়েছে, যার মধ্যে অনেকগুলি শতাব্দী পুরানো।

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবসের ইতিহাস—-

 

আমাদের প্রিয় মিষ্টান্ন, কেক, একটি চমত্কার দীর্ঘ ইতিহাস আছে.  ‘কেক’ শব্দটি নিজেই ভাইকিং-এর উৎপত্তি, এবং প্রাচীন নর্স শব্দ ‘কাকা’ থেকে উদ্ভূত হয়েছে। গ্রীকদেরও তাদের নিজস্ব কেক ছিল যা ডিম, দুধ, বাদাম এবং মধুর মতো অন্যান্য উপাদানের সাথে মিশ্রিত ময়দা ব্যবহার করে বেক করা হত।  তাদের কাছে ‘সাতুরা’ নামে একটি কেকও ছিল, যা সমতল ছিল এবং একটি ভারী সামঞ্জস্য ছিল।
রোমান শাসনের সময় “কেক” শব্দটি একটি ভিন্ন নাম ধারণ করেছিল এবং এটি ছিল ‘প্ল্যাসেন্টা’, একটি গ্রীক খাবার যা তাদের কেকের শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।  একটি প্ল্যাসেন্টা ময়দার অনেক স্তর থেকে তৈরি করা হয়েছিল এবং সাধারণত একটি পেস্ট্রি বেস বা পেস্ট্রি কেসের ভিতরে বেক করা হত।  গ্রীকরা এটিকে খামির করার জন্য বিয়ার ব্যবহার করত এবং ছাগলের দুধ ব্যবহার করে তৈরি পনিরের মিশ্রণে অন্তর্ভুক্ত ছিল।  মৌলিক রুটির ময়দা কখনও কখনও মাখন, ডিম এবং মধু দিয়ে সমৃদ্ধ করা হত, একটি পরিশীলিত ধরণের রুটি হিসাবে যা একটি মিষ্টি এবং কেকের মতো বেকড ভাল উত্পাদন করে।  রান্নার এই পদ্ধতিটি একটি সাধারণ প্রাচীন রোমান অনুশীলন ছিল।
ইংল্যান্ডে প্রাথমিক কেকগুলিও নিয়মিত রুটি হিসাবে শুরু হয়েছিল, তাদের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট পার্থক্য ছিল তাদের আকৃতি, অর্থাৎ কেকগুলির আরও গোলাকার, সমতল আকৃতি।  আরেকটি পার্থক্য হল উৎপাদন পদ্ধতি, যেখানে কেকগুলি বেক করার সময় উল্টে দেওয়া হয়, রুটির বিপরীতে যা পুরো বেকিং প্রক্রিয়া জুড়ে সোজা রেখে দেওয়া হয়।

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবসের কার্যক্রম–

 

(ক)  কেক বানাও–

 

আন্তর্জাতিক কেক দিবস উদযাপনের অন্যতম সেরা উপায় হল কিছু কেক বেক করা।  এখন অনেকগুলি অনলাইন রেসিপি রয়েছে যা সহজেই পাওয়া যায়, তাই আপনাকে রান্নার বই খুঁজতে বিরক্ত করতে হবে না।

 

(খ) কিছু কেক খান–

 

অবশ্যই, আন্তর্জাতিক কেক দিবসে আপনার কিছু কেক উপভোগ করা উচিত।  আপনি যদি না করেন তবে এটি একটি পরম লজ্জা হবে।

 

(গ) মজা অনলাইন শেয়ার করুন—

 

আপনি যে রেসিপিটি নিয়ে এসেছেন, আপনার কিছু কেক বানানোর ভিডিও বা আপনার মুখরোচক স্লাইস উপভোগ করার একটি ছবি হোক না কেন, এটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে ভুলবেন না।  #InternationalCakeDay হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন।

 

কেন আমরা আন্তর্জাতিক কেক দিবস ভালোবাসি—

 

(ক) কেক সুস্বাদু–

 

কেক সঠিকভাবে তৈরি করলে খুব সুস্বাদু হয়।  এই আন্তর্জাতিক কেক দিবসে আপনি যতটা চান ততটা উপভোগ করুন।

 

(খ) কেক আক্ষরিক অর্থে সুখ প্রদান করে—

 

এটি একটি পৌরাণিক কাহিনী নয়।  কেক খেলে অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয় যা সুখের জন্য দায়ী।

 

(গ) কেক স্বাস্থ্যকর–

 

সঠিকভাবে খাওয়া হলে কেক আসলে বেশ স্বাস্থ্যকর।  কারণ এতে উচ্চ পুষ্টিগুণ রয়েছে।

 

।। তথ্য: সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This