Categories
কবিতা

কবিতাস্নাত হই : লাজু ঢৌধুরী।

আমি আর আমার বন্ধু…
আমরা যৌথ রচনা করেছি
গত কাল রাতে…….

আজ আমার জানালায় উঁকি দিয়েছে চাঁদ…..
মনে হয় তোমাকে খুঁজছে?

চাঁদটা খুব বোকা. …
তোমার হৃদয় না খুঁজে,ঘরে খুঁজছে….
হৃদয়ের দরজা তো খোলাই ছিল. .
সেই খানে তুমি ছিলে না।

ছিলাম আমি ক্ষণিকের জন্য..মেঘে ঢাকা পড়েছিল চাঁদ….
তাই পাইনি দেখতে।
মেঘ কন্যার প্রেমে পড়োনি তো?
আমি তো মেঘনাদ নই……..
মেঘের দেশে আমার অচেনা……যদি ও তোমার হৃদয়ের দেশের প্রতিটি অলি গলি আমি চিনি ..

আমি তো তোমার হাত ধরে নিয়ে এসেছি আমার হৃদয়ের শহরে…..
জানি তোমার হাতের উষ্ণতা আমার হাতে লেগে আছে. …….
তাই তো যেতে পারিনি এখনও…….

আমি অন্ধকারে ও তোমার ছায়া দেখতে পাই….
তুমি চলে গেলে ও আমি তোমার বিন্দু বিন্দু স্পর্শ নিয়ে আমার ভাবনার ঘোড়ে কেটে যাবে……

দেখবে সশরীরে আমি দাঁড়িয়ে আছি….
তোমারই সামনে …
ভাবনায় নয়. .বাস্তবে ……….
তোমার নিঃশ্বাসের উষ্ণতা লাগছে আমার গায়ে…

সে আমি জানি….অনেক আগেই আমার কবিতার সাদা পৃষ্ঠায় জায়গা করে নিয়েছ……

আর তোমার মনের খাতায় ?
সেখানকার পৃষ্ঠা গুলো আমি কবের থেকে ভরবার চেষ্টা করছি. …..
চলছি. ..করেই চলছি. …..
যাই হোক,সে গুলো পূর্ণ হয়ে আজ কবিতা হয়ে
ঝরে পড়ছে .. ……
চল,এই চাঁদের জ্যোৎশ্না রাতে আমরা ভালোবাসার কবিতা যাপন করি।

আমার হাত টা শক্ত করে ধরো……
চল কবিতায় ডুবে যাই…..
চল ধরেছি কবিতাস্নাত হই আজ…..
তবে তাই হোক ………..

Share This
Categories
নারী কথা প্রবন্ধ রিভিউ

আজ নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অবসান ঘটানোর আর্ন্তজাতিক দিবস – জানব আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় তাদের অবস্থান আজ কোথায়!

আজ ২৫ নভেম্বর সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ফর দ্য এলিমিনেশন অব ভায়োলেন্স এগেইনস্ট উইমেন’ বা আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস। দিন দিন বাড়ছে নারীর প্রতি নির্যাতনের মাত্রা। পরিবার, সমাজ কোথাও রেহাই পাচ্ছেন না তারা। নারী নির্যাতন বলতে নারীদের ওপর দৈহিক, মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যে কোনো ধরনের নিপীড়ন ও নির্যাতনকে বোঝায়।
নারীর প্রতি সহিংসতার অবসান ঘটানোর আন্তর্জাতিক দিবস হলো জাতিসংঘ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি বিশেষ দিবস যার লক্ষ্য হলো নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর লাতিন আমেরিকার দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়সংগত আন্দোলন করার জন্য প্যাট্রিয়া, মারিয়া তেরেসা ও মিনার্ভা মিরাবেল—এই তিন বোনকে হত্যা করা হলে তাদের স্মরণে ১৯৮১ সাল থেকে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

নারী পুরুষের সম-অধিকারের দাবিতে গলা ফাটানো চিৎকার আজকের নয়। বহুকাল আগে থেকেই শুরু হয়েছে এই জাগরণ।বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০০ জনে ৭ জন নারী কোনো না কোনোভাবে যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, ৭ শতাংশ নারী সরাসরি ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। উন্নত-অনুন্নত সব দেশে নারীর প্রতি সহিংসতার চিত্র আরও অমানবিক।
এই দিবস পালনের পেছনে রয়েছে এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনা। ১৯৬০ সালের ২৫ নভেম্বর লাতিন আমেরিকার দেশ ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত আন্দোলন করার জন্য প্যাট্রিয়া, মারিয়া তেরেসা ও মিনার্ভা মিরাবেল নামের তিন বোনকে হত্যা করা হলে তাদের স্মরণে ১৯৮১ সাল থেকে এই দিনটি আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিবছর ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রতিরোধ পক্ষ উদযাপনে নানা কর্মসূচি নেয়।
মানবসভ্যতা গড়ে ওঠার পেছনে নারীর অবদানকে ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই।   লাখ লাখ বছর আগে গুহাবাসী নারী-পুরুষ যৌথ প্রচেষ্টায় যে জীবন শুরু করেছিল, তা ক্রমেই বিকশিত হয়ে আজকের সভ্যতার সৃষ্টি। নারী-পুরুষের স্বার্থ এক ও অভিন্ন।
তাই নারীকে ভোগ্যপণ্য হিসেবে না দেখে তার সঠিক মর্যাদা তাকে দিতে হবে। সকল অভিশাপ থেকে নারীকে মুক্ত করতে হবে। নারীরা প্রতিনিয়ত কোনো না কোনোভাবে নির্যাতনের শিকার হন। নির্যাতিত নারীদের অধিকাংশই নীরবে নির্যাতন সহ্য করেন। এই নির্যাতন নারীর অগ্রগতির পথে একটি মারাত্মক হুমকি বা বাধা।
নারীর ওপর নির্যাতনের প্রভাব সমাজের সব ক্ষেত্রে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। তাই নারীর প্রতি সব ধরনের নির্যাতন ও সহিংসতা বন্ধ করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৫ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৫ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অবসান ঘটানোর আর্ন্তজাতিক দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – বা জীন, চীনা লেখক।

১৯০৮ – নাট্যকার নূরুল মোমেন।

১৯১৫ – অগাস্টো পিনোশের, চিলির জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৩০তম প্রেসিডেন্ট।

১৯১৫ – রন হামেন্স, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

১৯১৯ – ধ্বনি বিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের জন্ম।

 

১৯২০ – রিকার্ডো মন্টাল্বান, মেক্সিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও পরিচালক।

১৯২৩ – মাউন কইভিস্টো, ফিনিশ মহাজন, রাজনীতিবিদ ও ৯ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৯২৫ – নারায়ণ দেবনাথ, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী।

 

১৯৩১ – মিন্টু দাশগুপ্ত বাংলা প্যারোডি গানের রচনাকার ও গায়ক।

 

১৯৩৩ – শক্তি চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি কবি।

 

১৯৩৪ – ভৈরব গঙ্গোপাধ্যায়, বিশিষ্ট বাঙালি যাত্রা পালাকার।

 

১৯৪৬ – ইউসুফ মুতালা, পাকিস্তানি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও দায়ী।

 

১৯৫২ – ইমরান খান, পাকিস্তানি ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ।

১৯৬২ – হিরনবু সাকাগুচি, জাপানি খেলা ডিজাইনার ও মিস্টওয়াল্কারের প্রতিষ্ঠিাতা।

 

১৯৭৭ – গুইলেরমো কানাস, আর্জেন্টিনার টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৮১ -জাবি আলোনসো, স্পেনীয় ফুটবলার।

১৯৮৪ – গাস্পারড উলিয়েল, ফরাসি মডেল ও অভিনেতা।

 

১৯৮৬ – ক্রেগ গার্ডনের, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।।

১৮৪১ – আর্নেস্ট সচ্রডের, জার্মান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৯৫ – লুডভিক সভোবডা, চেক জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৮ম প্রেসিডেন্ট।

 

১৮৯৮- দেবকী কুমার বসু, বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

১৫৬২ – লাফান ডি ভেগা, স্পেনীয় নাট্যকার ও কবি।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০১ – সুইস এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হলে ২৪ জন নিহত হয়।

২০০৪ – রাতে তাজমহল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

২০০৭ – উপদেষ্টা পরিষদ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রস্তাবিত আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস অধ্যাদেশ ২০০৭ অনুমোদন করে।

১৯১৮ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পোল্যান্ড দখলকারী দেশগুলো অর্থাৎ রাশিয়া, জার্মানি ও অষ্ট্রিয়া পরাজিত হওয়ার পর পোল্যান্ড আবারও স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৩৬ – জার্মানি ও জাপান কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল বিরোধী চুক্তি স্বাক্ষর করে।

১৯৭২ – বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় উত্তর ভিয়েতনাম এবং ইথিওপিয়া।

১৯৭৫ – দক্ষিণ আমেরিকার দেশ সুরিনাম হল্যান্ডের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৯১ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রতীরবর্তী বৃহত্তর একটি বিমান ঘাঁটি ফিলিপিন্সের হাতে তুলে দেয়।

১৯৯১ – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একাডেমিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

১৯৯২ – চেক পার্লামেন্ট চেকযুক্তরাষ্ট্র বিভাজন বিল অনুমোদন করা হয়।

১৯৯৬ – পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন।

১৮১৩ – জেনারেল হেস্টিংসের উপস্থিতিতে কলকাতার বিখ্যাত চৌরঙ্গী থিয়েটারের উদ্বোধন হয়।

১৮৩৮ – ভারতের করিঙ্গ (বন্দর শহর) শহরে সাইক্লোন আঘাত করে। ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে পুরো শহর তছনছ হয়ে যায়। প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়।

১৮৩৯ – ভারতের করিঙ্গ (বন্দর শহর) শহরে ঘূর্ণিঝড় আঘাত করে। ঝড়ো হাওয়া ও জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে পুরো শহর তছনছ হয়ে যায়। প্রায় তিন লাখ লোক নিহত হয়।

১৮৭৫ – ব্রিটেন মিশরে খতিবের কাছ থেকে সুয়েজ খালের ৪৪ শতাংশ মালিকানা কিনে নেয়।

১৮৮০ – ফরাসী বিজ্ঞানী লাভরান ম্যালেরিয়া রোগের কারণ আবিষ্কার করেন।

১৭৫৯ – একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত করে বৈরুত ও দামেস্কে । তাতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

১৫৩৮ – পর্তুগিজ নৌবাহিনী ভারত থেকে নৌ-সেনাদের সরিয়ে নিয়ে যায়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৩ – উইলিয়াম অ্যান্থনি ফোকেস, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

 

২০১৬ – ফিদেল কাস্ত্রো , কিউবান রাজনৈতিক নেতা ও সমাজতন্ত্রী বিপ্লবী।

 

২০২০ – (ক) ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা।

(খ) বাঙালি প্রাবন্ধিক, নাট্যগবেষক, শান্তিনিকেতনের রবীন্দ্রভবনের অধ্যক্ষ স্বপন মজুমদার।

১৯১১ – ফরাসি মার্কসবাদী নেতা পল লাফাগ।

১৯২৫ – যদুনাথ পাল,খ্যাতনামা মৃৎশিল্পী।

১৯৪১ – বিনয় কুমার, সমাজতাত্ত্বিক।

১৯৫০ – ইয়োহানেস ভিলহেল্ম ইয়েনসেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডেনিশ লেখক ও নাট্যকার।

১৯৫৬ – অলিয়েক্সান্দ্র পেত্রভিচ দোভজেন্‌কো, ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত রুশ পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

১৯৫৯ – জেরার্ড ফিলিপ, ফরাসি অভিনেতা।

১৯৭০ – ইয়ুকিও মিশিমা, জাপানি লেখক, অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৭৩ – লরেন্স হার্ভি, লিথুয়ানীয় ব্রিটিশ অভিনেতা।

১৯৭৪ – উ থান্ট, জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব।

 

১৯৮১ – রাইচাঁদ বড়াল,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক।

১৯৯০ – ভারতের ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক মহম্মদ ইলিয়াস

১৯৯৭ – হাস্টিংস বান্ডা, মালাউইর চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৮৫৭ – সিপাহী বিদ্রোহ দমনকারী ব্রিটিশ সেনা অফিসার স্যার হেনরি হ্যাভলক।

১৮৮৫ – টমাস এ. হেন্ড্রিক্স, মার্কিন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ২১তম উপ-রাষ্ট্রপতি।

১৫৬০ – আন্দ্রেয়া ডরিয়া, ইতালীয় এডমিরাল।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৪ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৪ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – হাতেম আলী খান, একজন যুক্তফ্রন্ট দলীয় রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সাবেক সদস্য।

 

১৯২৬ – নোবেলজয়ী  চীনা-মার্কিন পদার্থবিদ সুং দাও লি।

 

১৯৩০ – কেন ব্যারিংটন, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯৩১ – রবি ঘোষ, বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

 

১৯৫৯ – খিজির আহমেদ চৌধুরী বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক।

 

১৮৬০ – গণিতজ্ঞ কালীপদ বসু।

 

১৮৬৪ – অঁরি দ্য ত্যুল্যুজ্‌-লোত্রেক, উনিশ শতকের প্রখ্যাত ফরাসি চিত্রকর।

 

১৭৮৪ -জ্যাকারি টেইলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি।

 

১৬৩২ – হল্যান্ডের বিখ্যাত দার্শনিক ও সমাজ-বিজ্ঞানী বারুখ ডি স্পিনোজা।

 

১৬৫৫ – সুইডেনের রাজা একাদশ চার্লস।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০৪ – ইউক্রেনের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভিক্টর ইয়ানুকোভিচকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০১২ – বাংলাদেশের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের নিশ্চিন্তপুর এলাকার তাজরীন পোশাক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১১২ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। আহত হন আরও তিন শতাধিক শ্রমিক।

১৯১৪ – বেনিটো মুসোলিনি ইতালির সোশ্যালিস্ট পার্টি ত্যাগ করেন।

১৯২৩ – বেলজিয়ামে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু।

১৯২৬ – ভারতের পণ্ডিচেরিতে প্রতিষ্ঠিত হয় শ্রীঅরবিন্দ আশ্রম।

১৯৩৩ – বঙ্কিমচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় আনন্দবাজার পত্রিকা গোষ্ঠীর বিখ্যাত সাহিত্য-সাপ্তাহিক ‘দেশ’ প্রথম প্রকাশিত।

১৯৫০ – ইরানের জাতীয় সংসদের জ্বালানী তেল বিষয়ক কমিটি ইরান অয়েল কোম্পানী ও বৃটেনের মধ্যে সম্পূরক চুক্তি নাকচ করে।

১৯৯৫ – দেড় বছরাধিকাল ধরে সংসদ বয়কট আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।

১৮০০ – ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রকৃত কর্মযাত্রার সূচনা।

১৮৩১ – বিখ্যাত ব্রিটিশ পদার্থ-বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে বৈদ্যুতিক আবেশ আবিষ্কার করেন।

১৮৫৯ – চার্লস ডারউইনের অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস বইটি প্রকাশিত হয়।

১৭১৫ – টেমস নদীর পানি জমে বরফ হয়ে গিয়েছিল।

১৭৫৯ – বিসুভিয়াসে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়।

১৬৩৯ – ডেরিনিয়ার হরফ প্রথমবারের মত শুক্রগ্রহের গতিবিধি লক্ষ্য করেন।

১৬৪২ – আবেল তাসম্যান তাসমানিয়া আবিষ্কার করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১৭ – সাধক সংগীতশিল্পী ও নন্দিত বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী।

 

১৯৩৪ – বীরেন্দ্রনাথ শাসমল,ভারতের বাঙালি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা।

 

১৯৪৯ – বিনয় কুমার সরকার, ভারতীয় সমাজ বিজ্ঞানী।

 

১৯৬৩ – লি হার্ভে অসওয়াল্ড, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডি’র আততায়ী।

 

১৯৮২ – বারাক ওবামা সিনিয়র। কেনিয়ার অর্থনীতিবিদ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার বাবা।

১৮৮৪ – বাংলা নাটকের প্রথম যুগের নাট্যকার হরচন্দ্র ঘোষ।

 

১৫০৪ – স্পেনের ক্যাস্টিলের রানী প্রথম ইসাবেলা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২৩ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২৩ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি অবসান দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৫৫৩ – ইতালির চিকিৎসক প্রোসপেরো আলপিনি।

১৭৬০ – ফ্রাঞ্চইস-নয়েল বাবেউফ, ফরাসি সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

 

১৮০৪ – ফ্রাংক্‌লিন পিয়ের্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি।

১৮৩৭ – জোহানেস ডিডেরিক ভ্যান ডার ওয়ালস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ পদার্থবিদ ও তাপগতিবিদ্যা বিশারদ।

১৮৬০ – ইয়ালমার ব্রান্তিং, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইডিশ সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৬ তম প্রধানমন্ত্রী।

১৮৮৭ – হেনরি মোসলে, ইংরেজ পদার্থবিদ।

 

১৮৯৭ – নীরদচন্দ্র চৌধুরী, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অবিভক্ত বাংলা (বর্তমান বাংলাদেশের) কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী। খ্যাতনামা ও জনপ্রিয় বাঙালি লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

 

১৯০৭ – (ক) বৈদ্যনাথ ভট্টাচার্য, যিনি বাণীকুমার নামেই পরিচিত বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, গীতিকার, প্রযোজক ও নাট্য পরিচালক।

 

(খ) প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি রাজনীতিবিদ, ইতিহাসবিদ ও শিক্ষাবিদ হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।

(গ) রুন রুন শাও, চীনা বংশোদ্ভূত হংকং ব্যবসায়ী, মানবপ্রেমিক ও শাও ব্রাদার্স স্টুডিও এর প্রতিষ্ঠিাতা।

১৯২২ – ম্যানুয়েল ফ্রাগা ইরিবারনে, স্প্যানিশ রাজনীতিবিদ।

১৯২৫ – সাবেক প্রধানন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান ।

 

১৯২৬ – সত্য সাঁই বাবা , পূর্বাশ্রমের নাম সত্যনারায়ণ রাজু) ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু, আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ।

 

১৯৩০ – গীতা দত্ত, বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৩৫ – ভ্লাডিস্লাভ ভোল্কভ, রাশিয়ান প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।

১৯৪১ – ফ্রাঙ্কো নিরো, ইতালিয়ান অভিনেতা ও প্রযোজক।

 

১৯৫০ – নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, বাঙালি লেখক,ইতিহাসবেত্তা ও ভারততত্ববিদ।

১৯৫৫ – লুডোভিকো ইনাউডি, ইতালিয়ান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৬৬ – ভিনসেন্ট ক্যাসেল, ফরাসি অভিনেতা ও প্রযোজক।

১৯৭১ – খালেদ আল-মুয়াল্লিদ, সৌদি আরব ফুটবল।

১৯৯১ – আহমেদ শেহজাদ, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৭৪৪ – ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জন কার্টারেট পদত্যাগ করেন।

১৭৮৩ – অ্যানাপোলিস মেরিল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী হয়।

১৮৭৩ – ফরাসী সেনারা ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় দখল করে নেয়।

১৮৯০ – নেদারল্যান্ড থেকে লুক্সেমবার্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

১৯১৪ – যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী মেক্সিকো থেকে সরে আসে।

১৯১৬ – প্রথম কার্ল অস্ট্রিয়ার সিংহাসন আরোহণ করেন।

১৯১৯ – দিল্লীতে প্রথম নিখিল ভারত খিলাফত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯২২ – রাজদ্রোহের অভিযোগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম গ্রেফতার হন এবং সরকার কর্তৃক তার বই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

১৯৩৬ – লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯৬৪ – ব্রিটেনে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক বেতার কেন্দ্র চালু হয়।

১৯৯৫ – বসনিয়া শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৭ – ভারতে সরকারি সম্প্রচার সংস্থা প্রসার ভারতী গঠিত হয়।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩১৮ – জাপানের গণিতবিদ ইয়োরিইয়ুকি।

১৪৫৭ – লাডিস্লাউস পুস্থুমউস, হাঙ্গেরিয়ান রাজা।

 

১৫১১ – মাহমুদ শাহ্, গুজরাটের শাসক।

১৫৭২ – ব্রনযিনো, ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও কবি।

১৬৮২ – ক্লাউডে লরাইন, ফরাসি বংশোদ্ভূত ইতালীয় চিত্রশিল্পী ও খোদকার।

 

১৮৮৩ – প্যারীচাঁদ মিত্র, বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক, ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর।

 

১৯৩৭ – জগদীশ চন্দ্র বসু বাঙালি বিজ্ঞানী।

 

১৯৭০ – তুন ইউসুফ বিন ইসহাক, সিঙ্গাপুরের সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১ম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৭৬ – ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক আন্দ্রে মালরো।

১৯৮৭ – রাজেন তরফদার বাংলা চলচ্চিত্রের বিশিষ্ট পরিচালক, শিল্পনির্দেশক চিত্রনাট্যকার।

 

১৯৯০ – রুয়াল দাল, ওয়েল্‌সীয় সাহিত্যিক।

১৯৯৫ – লুই মালে, ফরাসি বংশোদ্ভূত আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৩ – দিলীপকুমার বিশ্বাস প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের একজন দিকপাল ঐতিহাসিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি অবসান দিবস।

আজ আন্তর্জাতিক দায়মুক্তি দিবস।  দায়মুক্তির অবসানের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস ২৩ নভেম্বর, ২০১১ বিশ্বজুড়ে জোরপূর্বক নীরব শিল্পী, সাংবাদিক, সঙ্গীতশিল্পী এবং লেখকদের বিচার দাবি করার একটি দিন। মতপ্রকাশের বিনিময়ের স্বাধীনতা।  অপরাধীদের দায়মুক্তি বিশ্বজুড়ে বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার একটি বড় কারণ।  সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রতি ১০টি অপরাধের মধ্যে মাত্র একজনের শাস্তি হয়।  ফলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ দিন দিন বাড়ছে।  দায়মুক্তির এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে প্রতি বছর জাতিসংঘ স্বীকৃত ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের দায়মুক্তির অবসানের আন্তর্জাতিক দিবস’ দিবসটি সারা বিশ্বে পালিত হয়।

প্রাথমিকভাবে, ‘মাগুইন্দানাও গণহত্যা’ স্মরণে ২৩ নভেম্বর দায়মুক্তি প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।  পরে ২০১৩ সালে ২রা নভেম্বর দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।  ওই বছরের নভেম্বরের এই দিনে, মালিতে ভারলন এবং ডুপন্ট নামে দুই সাংবাদিক নিহত হন, এমন একটি ঘটনায় দেশটির একটি শীর্ষ রাজনৈতিক দল এবং আল কায়েদাকে দায়ী করা হয়।  এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি মালি পুলিশ।  একই বছরের ডিসেম্বরে, IFEX-এর সমর্থনে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের এক সভায় 2শে নভেম্বরকে দায়মুক্তি প্রতিরোধের জন্য আন্তর্জাতিক দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

 

দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে সাংবাদিক হত্যার সঙ্গে কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি জড়িত থাকে।  ফলে তারা আদালতে গিয়েও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার পান না।  IFEX আশা করে যে বার্ষিক দায়মুক্তি দিবস পালনের মাধ্যমে, এটি এমনভাবে শাস্তিবিহীন মৃত্যুর প্রতি বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি আকর্ষণ করবে যাতে বিচার করতে অনীহা দেখিয়েছে এমন দেশগুলোর সরকারও তা করতে বাধ্য হবে।  বলা হয়, দেশের পুলিশ প্রশাসন ও আইন আদালতে যখন একজন ব্যক্তি সুষ্ঠু বিচার থেকে বঞ্চিত হন, তখন সাংবাদিকের কলমই তার শেষ ভরসা হয়ে তার পাশে দাঁড়ায়।  সেই কলম-সৈনিকরা যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে তাদের কলম কীভাবে সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেবে?  সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধরনের জনসচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়াও এই আন্তর্জাতিক দিবসটি পালনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবসে সারা বিশ্বের সংবাদপত্রগুলো বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করে, সম্পাদকরা বিবৃতি প্রকাশ করে, বাকস্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এবং সাংবাদিক সংগঠনগুলো তাদের নিজস্ব কর্মসূচি উপস্থাপন করে।  এতে করে সরকার বা প্রভাবশালীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ চাপে ধামাচাপা পড়ে যাওয়া হত্যাকাণ্ডগুলো নিয়ে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষও নতুন করে আলোচনায় উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।  ফলে চাপা সত্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে।  তাছাড়া সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিগত দিনে সাংবাদিক হত্যার তদন্তের দাবি জানিয়ে নিজ নিজ দেশের সরকারের কাছে স্মারকলিপি পাঠানো হয়।  জাতিসংঘও আনুষ্ঠানিকভাবে সারা বিশ্বের দেশগুলিতে স্মারকলিপি পাঠায়, বিশেষ করে সাংবাদিক হত্যার জন্য উচ্চ দায়মুক্তির হার রয়েছে।  পরের বছর ওই সব দেশে খুনের বিচারের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করে বৈশ্বিক সংস্থাটি।  ফলে বিশ্ব রাজনীতিতে ভাবমূর্তি সংকটে পড়ার আশঙ্কা সত্ত্বেও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানরা সাংবাদিক হত্যার বিচারের চেষ্টা করছেন।

 

প্রতি বছর দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবসে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সাংবাদিকদের সব মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করা হয় এবং সেই হত্যাকাণ্ডের ন্যায্য বিচার দাবি করা হয়, যাতে অপরাধী একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি না করতে পারে,  অথবা অন্য কেউ একই অপরাধ করার সাহস করে না।  এই দিনে, #EndImpunity, #JournoSafe এবং #TruthNeverDies হ্যাশট্যাগগুলির সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সচেতনতামূলক আলোচনাও অনুষ্ঠিত হয়।  তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের এই যুগে যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে প্রচার প্রচারণা ও সচেতনতা বৃদ্ধি।  শুধু আইন প্রয়োগ করে সাংবাদিকদের রক্ষা করা সম্ভব নয়।  তাই এই আন্তর্জাতিক দিবসের গুরুত্ব বাড়ছে।
চলতি দশকে বিশ্বজুড়ে নিহত সাংবাদিকদের ৪৫ শতাংশই হয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে, বাকি ৫৫ শতাংশ হয়েছে শান্তিপূর্ণ এলাকায়।  যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার চেয়ে শান্তিপূর্ণ এলাকায় বেশি সাংবাদিক নিহত হওয়ার চেয়ে খারাপ খবর আর কী হতে পারে?  এটি পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য দুঃসংবাদ, অন্যদিকে এটি সাংবাদিকদের কলম আটকাতে অপরাধীদের তৎপরতার দিকেও ইঙ্গিত করে।  তাই সাংবাদিকদের হত্যার জন্য দায়মুক্তি প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক দিবস একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিন।  এ দিনকে ঘিরে বিশ্বব্যাপী মানুষের সচেতনতা বাড়বে, প্রতিটি অহেতুক হত্যার বিচার হবে, কলম সৈনিকদের পেশা নিরাপদ হবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২২ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২২ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৬০২ – স্পেনের রানি এলিজাবেথ।

 

১৭৮৭ – রাস্‌মুস রাস্ক, ডেনীয় ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত।

১৮১৯ – জর্জ ইলিয়ট, ইংরেজ ঔপন্যাসিক।

 

১৮৬৯ – আঁদ্রে জিদে, নোবেলজয়ী (১৯৪৭) ফরাসি কথাশিল্পী ও সমালোচক।

১৮৭০ – হ্যারি গ্রাহাম, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

 

১৮৮৬ – বেণী মাধব দাস, প্রাজ্ঞ বাঙালি পণ্ডিত, শিক্ষক ও দেশপ্রেমিক। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর প্রিয় শিক্ষক।

 

১৮৯০ – শার্ল দ্য গ্যলে, ফরাসী রাষ্ট্রনায়ক।

 

১৮৯৪ – পুলিনবিহারী সরকার, ভারতের বাঙালি বিশ্লেষক অজৈব রসায়নের গোড়াপত্তনকারী বিজ্ঞানী।

১৯০৪ – নোবেলজয়ী [১৯৭০] ফরাসি পদার্থবিদ লুই নিল।

 

১৯১৬ – শান্তি ঘোষ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী।

১৯১৭ – শরীরবিদ্যা/ভেষজশাস্ত্রে নোবেলজয়ী [১৯৭৩] ব্রিটিশ জীবজিজ্ঞানী স্যার অ্যানড্রু ফিল্ডিং হাক্সেলে।

১৯৪৮ – সরোজ খান,বলিউডের প্রখ্যাত নৃত্য পরিচালক।

১৯৬২ – রেজাউদ্দিন স্টালিন, বাংলাদেশী কবি, লেখক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব।

১৯৬৫ – শাকুর মজিদ, বাংলাদেশী স্থপতি, নাট্যকার, তথ্যচিত্র নির্মাতা ও চিত্রগ্রাহক।

১৯৬৭ – মার্ক রাফালো, হাল্ক খ্যাত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৮৪ – স্কার্লেট জোহ্যানসন, মার্কিন অভিনেত্রী ও গায়িকা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১২২১ – দ্বিতীয় ফ্রেডরিক জার্মানির রাজা হন।

১৭০৭ – যুবরাজ জন উইলেম ফ্রিসো ফ্রাইসল্যান্ডের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।

১৮৫৬ – বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে।

১৮৫৭ – সিপাহি বিদ্রোহের এক পর্যায়ের ঢাকার লালবাগ দুর্গে সিপাহি ও ইংরেজদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

১৮৭৭ – টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

১৯১০ – লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের ভাইসরয় পদে লর্ড মিন্টোর স্থলাভিষিক্ত হন।

১৯২২ – ব্রিটিশ লেবার পার্টি রামসে ম্যাকডোনাল্ডকে নেতা নির্বাচন করে।

১৯২৪ – ইংল্যান্ড মিসরীয়দের সুদান থেকে বেরিয়ে যেতে বলে।

১৯৪৩ – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে লেবানন স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহর সফরের সময় একজন মার্কিন নাগরিকের গুলিতে নিহত হন।

১৯৭৯ – খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া জেলায় কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিক্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।

১৯৯০ – ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থেচার পদত্যাগ করেন।

১৯৯০ – বাংলাদেশে জরুরী অবস্থা জারি করা হয়।

১৯৯১ – মিশরীয় উপপ্রধানমন্ত্রী ড. বুত্রো বুত্রোস ঘালি জাতিসংঘের মহাসচিবের দায়িত্ব পান।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৩১৮ – রাশিয়ার রাজকুমার মিখাইল।

 

১৭৭৪ – রবার্ট ক্লাইভ, ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালনকারী।

 

১৯০৮ – বিপ্লবী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক বিপ্লবী-শহীদ।

 

১৯১৬ – মার্কিন কথাসাহিত্যিক জ্যাক লন্ডন।

 

১৯৪৪ – আর্থার স্ট্যানলি এডিংটন, বিজ্ঞানী।

 

১৯৪৬ – আলবার্ট রোজ-ইন্স, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

 

১৯৪৮ – ফখরুদ্দিন পাশা, মদিনার শেষ উসমানীয় গভর্নর।

 

১৯৬৩ – জন এফ. কেনেডি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম রাষ্ট্রপতি।

 

১৯৮৭ – সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাস।

 

২০০৬ – অসীমা চট্টোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি জৈব রসায়নবিদ ও উদ্ভিদ রসায়নবিদ।

 

২০১৬ – কর্ণাটকী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী এম বালামুরলীকৃষ্ণ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ২১ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ২১ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) ববিশ্ব টেলিভিশন দিবস

(খ) সশস্ত্র বাহিনী দিবস (বাংলাদেশ)

 

(গ) COPD (Chronic Obstructive Pulmonary Diseases) দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও ছড়াকার হরেন ঘটক।

 

১৯২১ – (ক) প্রণোদিত প্রজননের জনক ড.হীরালাল চৌধুরী,প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি মৎসবিজ্ঞানী।

 

(খ) – বেটি উইলসন, অস্ট্রেলীয় মহিলা ক্রিকেটার।

 

১৯৬৬ – কবির বকুল, বাংলাদেশের গীতিকার।

 

১৯৯১ – আলমাজ আয়ানা, ইথিওপীয় প্রমিলা দূরপাল্লার দৌড়বিদ।

 

১৮১৮ – মার্কিন নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান।

 


১৬৯৪ – ভলতেয়ার, ফরাসি লেখক ও দার্শনিক।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০২ – ন্যাটো সদস্য হওয়ার জন্য বুলগেরিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়াকে আমন্ত্রণ জানায়।

১৯১৮ – জার্মান সামরিক নৌবহর মিত্রশক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করে।

 

১৯৪৫ – ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এবং আজাদ হিন্দ ফৌজের বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ছাত্র-শোভাযাত্রায় যোগ দিয়ে পুলিশের গুলিতে ছাত্রকর্মী রামেশ্বর ও আবদুল সালাম নিহত হন।

১৯৪৭ – স্বাধীন ভারতে আজকের দিনে জাতীয় পতাকা সংবলিত ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়।

১৯৭১ – বাংলাদেশ-ভারত মিত্র বাহিনী গঠিত হয়।

১৯৭৯ – উগ্রপন্থীরা মক্কার কাবা মসজিদ দখল করে নেয়।

 

১৯৯৪ – নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ওলে সোয়েঙ্কা নাইজেরিয়া ত্যাগ করেন।

১৮০৬ – ঐতিহাসিক বার্লিন আদেশ জারি করা হয়।

 

১৮৭৭ – টমাস আলভা এডিসন ফোনোগ্রাফ আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করেন।

১৭৮৩ – মন্টগোলফার ভ্রাতৃদ্বয় প্রথম বেলুনে করে আকাশে উড্ডয়ন করে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

১৯৯৫ – সবিতাব্রত দত্ত, নবনাট্য যুগের বিশিষ্ট অভিনেতা ও গায়ক।

 

১৯৯৬ – আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী), নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পাকিস্তানি তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

 

১৯৭০ – নোবেলজয়ী ভারতীয় পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন।

১৯৭৪ – পুণ্যলতা চক্রবর্তী, শিশু সাহিত্যিক।

 

১৯৮৬ – সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি সংগীতজ্ঞ ও গায়ক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

জানুন, বাঘের সেবা কেমন করে করলেন কৃষ্ণদাস ! : রাধাবিনোদিনী বিন্তি বণিক।

বৃন্দাবনের গোবর্দ্ধনে বাস করতেন শ্রীকৃষ্ণদাস নামক এক সাধু ।  তিনি গোফার মধ্যে ভজন করতেন । দিবানিশি কৃষ্ণ নাম অতি উচ্চঃস্বরে করতেন। নাম নিতে নিতে এমন হতো যে ক্ষুধা-তৃষ্ণা,  আহার-বিহার সব ভুলে যেতেন । নামানন্দে বিভোর হয়ে থাকতেন সর্বদা । কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে এমন করে করুণ সুরে ডাকতেন যে,  শুনলে প্রাণ কেমন করে উঠতো ।  কৃষ্ণপ্রেমে উন্মত্ত সাধু কৃষ্ণদাস প্রেমানন্দে মজে থাকতেন সদা সর্বদা।

একদিন কৃষ্ণ দাসের গোফার দ্বারে বিশাল আকারের এক বাঘ এসে দাঁড়ালো। ভয়ংকর উগ্র মূর্তি সেই বাঘের। দেখলেই ভয় লাগবে এমন। তবে কৃষ্ণদাস কিন্তু একটুও ভীত হলেন না। মনে মনে বাঘটিকে অতিথি ভাবলেন তিনি । বহু সম্মান দেখিয়ে একটি আসন গোফার দ্বারে পেতে বাঘটিকে আদরের সুরে বসতে বললেন ‌ । আর , বাঘটিও সুরসুর করে আসনের ওপর হাত-পা ছড়িয়ে বিশ্রাম নিতে বসে পড়লো যেন।

যত্ন করতে হবে বাঘটিকে । কৃষ্ণদাস ভাবতে থাকলেন অতিথি এসেছে, কেমন করে আতিথেয়তা করি ? কী খেতে দেই তাকে ? ঘরে তো  কিছুই তেমন  নেই !

কৃষ্ণদাস নিজেই মাধুকরী করে এনে প্রসাদ পান। ঘরে সঞ্চয় বলতে কিছুই থাকে না !  তার ওপর বাঘ আবার মাংসাশী প্রাণী। মাংস এখন কোথায় পাই ? অতিথিকে তুষ্ট করার কথা ভাগবতেও আছে। বলা হয়েছে , ক্ষমতা না থাকলে নিদেনপক্ষে বসার আসন আর পান করার জলটুকু দিয়েও অতিথি সৎকার করা উচিৎ। কিন্তু, মাংস ভিন্ন অপর কিছু দিয়ে তো আর বাঘ-অতিথিকে খুশী করা যাবে না ! —–এইসব নানান ভাবনার উদয় হল কৃষ্ণদাসের  মনে। পরক্ষণেই কৃষ্ণদাস ভাবলেন , আমার নিজের অঙ্গের মাংসতেই যদি বাঘকে সম্মান জানাই,  তবে কেমন হয় ?  সেটাই বরং ভালো হবে।  আর তাই কৃষ্ণদাস নিজের অঙ্গের নানান জায়গায় ছুরি চালিয়ে টুকরো টুকরো মাংস কেটে বের করে আনলেন। কষ্ট , যন্ত্রণা কী হচ্ছিল না তাঁর ? হচ্ছিল , অবশ্যই হচ্ছিল । কিন্তু, নিজের মনকে তিনি শ্রীমন্ মহাপ্রভুর মুখবাক্যের কথা ভেবেই বোঝাচ্ছিলেন যে , “সর্বজীবে দিবে সম্মান । জানি কৃষ্ণ অধিষ্ঠান।।” অর্থাৎ, প্রতিটি জীবের মধ্যে শ্রীকৃষ্ণ অবস্থান করেন । তাই প্রতিটি জীবকে সম্মান দিতে হয় । জীবসেবার চেষ্টা করতে হয়।

বাঘের সম্মুখে পাতায় করে কৃষ্ণদাস রেখেদিলেন নিজের শরীরের কয়েকটি ছোট মাংসখণ্ড । বাঘ  তৃপ্তি ভরে খেল। আর তারপর চুপচাপ চলে গেল। কৃষ্ণদাস তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করতে করতে মনে মনে তৃপ্তি পেলেন এই ভেবে যে , যাক অতিথি আপ্যায়নটুকু তো কোনমতে হল !

কৃষ্ণ ভক্তের স্বভাব যে এমনই হয়।  নিজের দুঃখ বা লাভালাভে কোন আকর্ষণ থাকে না তাঁদের । অপরকে সুখী করেই তাঁরা আনন্দ পান।

—- ভক্তকৃপা ভিখারিণী
রাধাবিনোদিনী বিন্তি বণিক

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আজ বিশ্ব টেলিভিশন দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে এই দিনটিকে বিশেষ মর্যাদা সহকারে পালন করা হয়ে থাকে। সাংবাদিক, লেখক, ব্লগাররা টেলিভিশন সম্পর্কে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে কিমবা প্রিন্ট মিডিয়ায় টেলিভিশনের ভূমিকা ও  গুরুত্ব সম্পর্কিত নানা লেখালেখি, মতামত ছড়িয়ে দেওয়া হয়। স্কুল-কলেজে, কখনও বা পাবলিক সেমিনারের আয়োজন করে বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ করে আনা হয় টেলিভিশনের নানা দিক নিয়ে বিশ্লেষণাত্মক আলোচনার জন্য। এছাড়াও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সম্মেলন এবং বক্তৃতার আয়োজনও করা হয় এই বিশেষ দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্যে।

টেলিভিশন শব্দটির উৎপত্তি গ্রিক ও লাতিন শব্দের সম্মিলনে। গ্রিক শব্দ ‘টেলি’ অর্থ দূরত্ব আর লাতিন শব্দ ‘ভিশন’ অর্থ দেখা। টেলিভিশনে একই সঙ্গে ছবি দেখা ও শব্দ শোনা যায়। বিশ্ব টেলিভিশন দিবস আজ।
বলা যায়, টেলিভিশনই প্রথম বিশ্বটাকে মানুষের ঘরের মধ্যে এনেছিল। যার মাধ্যমেই হয় তথ্য ও বিনোদনের এক বিস্ময়জাগানিয়া অগ্রগতি। প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে টেলিভিশন প্রযুক্তিও।

ব্রিটিশবিজ্ঞানী জন লগি বেয়ার্ড ১৯২৬ সালে প্রথম টেলিভিশন আবিষ্কার করেন। এর পর রুশ বংশোদ্ভুত প্রকৌশলী আইজাক শোয়েনবারগের কৃতিত্বে ১৯৩৬ সালে প্রথম টিভি সম্প্রচার শুরু করে বিবিসি। টেলিভিশন বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু হয় ১৯৪০ সালে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর টেলিভিশনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সূচিত হয়। গত শতাব্দীর ৫০ এর দশকে টেলিভিশন গণমাধ্যমের ভূমিকায় উঠে আসে।
বিজ্ঞানী জন লোগি বেয়ার্ড-এর টেলিভিশন আবিষ্কারের দিনটি ছিলো ২১ নভেম্বর। তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ১৯৯৬ সালে জাতিসংঘ আয়োজিত এক ফোরামে ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে পালনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ব টেলিভিশন দিবস ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ ২১ নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসাবে ঘোষণা করে, যে তারিখে ১৯৯৬ সালে বিশ্ব টেলিভিশন ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

যোগাযোগ স্থাপনে, বিচিত্র সংস্কৃতির প্রচারে এবং সর্বোপরি বিশ্বায়নে টেলিভিশনের ভূমিকা কত গুরুত্বপূর্ণ সেটি মানুষের সামনে তুলে ধরতেই এবং সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতেই এই বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উদযাপন করা হয় বিশ্বজুড়ে। মানবসভ্যতার এক চমক লাগানো আবিষ্কার হল এই টেলিভিশন। সারা বিশ্বকে নিজের ঘরের মধ্যে নিয়ে আসা যাবে এক লহমায়, মানুষ হয়তো একসময় স্বপ্নেও তা ভাবেনি। ১৯২৬ সালে এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলেন স্কটিশ বৈজ্ঞানিক জন লগি বেয়ার্ড(John Logie Baird)।  কিন্তু মানুষ আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক হয়েছে, ইন্টারনেটের যুগে এসে তাই ক্রমে টেলিভিশনের মায়া খানিক ফিকে হয়ে গেছে। কিন্তু এ কথা এখনও ভীষণ সত্যি যে টেলিভিশনের মতো এত শক্তিশালী প্রচার মাধ্যম খুব কমই আছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ২০১৭ সালে টিভি পরিবারের সংখ্যা ছিল ১.৬৩ মিলিয়ন। ২০২৩ সালের মধ্যে এই সংখ্যা বেড়ে হতে পারে ১.৭৪ মিলিয়ন। তথ্য-বিনোদনের এক উৎকৃষ্ট মাধ্যম তো বটেই, অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে গণতন্ত্রের বিকাশসাধনের জন্য টেলিভিশনের স্বাধীনতা খুবই প্রয়োজনীয়। সংবাদমাধ্যমের ক্ষমতা তো এখন সর্বজনবিদিত। সুতরাং টেলিভিশন যে আজও একটি প্রভাবশালী মাধ্যম সেবিষয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। দেশের রাজনৈতিক এমনকি অর্থনৈতিক পটপরিবর্তনেও টেলিভিশনের ভূমিকা কম নয়। জনমত গঠনের কাজেও টেলিভিশনের অবদান অনস্বীকার্য।

উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালের ২১ নভেম্বর জাতিসংঘের প্রথম বিশ্ব টেলিভিশন ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই দিনটির স্মরণেই সেই বছরই ১৭ই ডিসেম্বর তারিখে জাতিসংঘ ২১শে নভেম্বরকে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। বিশ্বশান্তি ও সুরক্ষা বজায় রাখার ক্ষেত্রে, মানুষকে প্রভাবিত করতে, এমনকি সামাজিক বা অর্থনৈতিক নানা বিষয়ের খবরাখবর তুলে ধরতে টেলিভিশন যে অভূতপূর্ব অবদান তা অনুধাবন করেই, টেলিভিশনের প্রয়োজনীয়তা এবং  উপকারিতা সম্পর্কে মানুষকে আরও বেশি সচেতন করে তোলবার জন্যই এমন একটি দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল জাতিসংঘ।

।।। তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This