Categories
প্রবন্ধ

আজ কার্তিক পুজো, জানুন এই এই পুজোর ইতিহাস সম্পর্কে কিছু কথা।

কার্তিকেয় বা কার্তিক অন্য নাম স্কন্দ, হিন্দু যুদ্ধদেবতা। তিনি পরম পুরুষ শিব ও আদি পরাশক্তি পার্বতীর সন্তান। কার্তিক বৈদিক দেবতা নন; তিনি পৌরাণিক দেবতা। প্রাচীন ভারতে সর্বত্র কার্তিক পূজা প্রচলিত ছিল। ভারতে ইনি এক প্রাচীন দেবতা রূপে পরিগণিত হন। অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর মতো কার্তিকও একাধিক নামে অভিহিত হন। যথা – কৃত্তিকাসুত, আম্বিকেয়, নমুচি, মুরুগান, শিখিধ্বজ, অগ্নিজ, বাহুলেয়, ক্রৌঞ্চারতি, শর্জ, তারকারি বা তারকাসুরমর্দী, শক্তিপাণি, বিশাখ, ষড়ানন, গুহ, ষান্মাতুর, কুমার, সৌরসেনা, দেবসেনাপতি গৌরীসুত, আগ্নিক,ভৌরবসূতানুজ ইত্যাদি।
পুরাণ অনুসারে কার্তিক গাত্র হলুদবর্ণের। তিনি চিরকুমার। তবে পুরাণ মতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাঁর বিবাহের উল্লেখও পাওয়া গেছে। কার্তিকের বাহন ময়ূর।সৌন্দর্য এবং শৌর্য এই দুটি বৈশিষ্ট্যই ময়ূরের মধ্যে বিদ্যমান। কার্তিকের ছয়টি মাথা।তাই তিনি ষড়ানন। পাঁচটি ইন্দ্রিয় অর্থাৎ চোখ, কান, নাক, জিভ ও ত্বক ছাড়াও একাগ্র মন দিয়ে তিনি যুদ্ধ করেন। । তাঁর হাতে থাকে বর্শা-তীর-ধনুক।
কারো মতে মানব জীবনের ষড়রিপু- কাম(কামনা), ক্রোধ (রাগ), লোভ(লালসা),মদ(অহং), মোহ (আবেগ), মাত্সর্য্য (ঈর্ষা)কে সংবরণ করে দেব সেনাপতি কার্তিক যুদ্ধক্ষেত্রে সদা সজাগ থাকেন।

বাংলায় কার্তিক সংক্রান্তির সাংবাৎসরিক কার্তিক পূজার আয়োজন করা হয়। পূর্বের তুলনায় এখন কার্তিক জনপ্রিয়তা কিছুটা কমেছে । পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চুঁচুড়া-বাঁশবেড়িয়া কাটোয়া অঞ্চলের কার্তিক পূজা বিশেষ প্রসিদ্ধ। এছাড়া বাংলার গণিকা সমাজে কার্তিক পূজা বিশেষ জনপ্রিয়। দুর্গাপূজা সময়ও কার্তিকের পূজা করা হয়।কলকাতাতে তার মন্দির আছে।
কার্তিক ঠাকুরের সাথে ছয় সংখ্যা জড়িয়ে আছে৷ সেজন্য হয়ত স্ত্রী ষষ্ঠীর সাথে তার মিল৷তিনি বাচ্চা বড় না হওয়া অব্দি তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করেন ৷তার কৃপা পেলে পুত্রলাভ , ধনলাভ হয় ৷সেজন্য বিয়ে হয়েছে কিন্তুু এখনও সন্তান আসেনি এমন দম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুরের মূর্তি ফেলা হয় । কাটোয়ার কার্তিক লড়াই খুব বিখ্যাত।  কাটোয়ার কার্তিক পুজো বিখ্যাত বলেই এখানে এক পুজোর সঙ্গে অন্য পুজোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কার্তিক লড়াই বলে । কার্তিক পুজোর দিন পথে কাটোয়ায় এক বড়সড় মিছিল নামে । সব পুজো-মণ্ডপের দলবল তাদের ঠাকুর নিযে বেরোয় শোভাযাত্রায়। চলে লড়াই কার ঠাকুর আগে যাবে।এ যুদ্ধ রীতিমতো লাঠিসোটা, এমনকী তরোয়াল নিয়েও চলে। হালিশহরের’জ্যাংড়া কার্তিক’ ও ‘ধুমো কার্তিক’ পূজা ও খুব বিখ্যাত। এভাবেই যুদ্ধ আর সন্তান উৎপাদন- দুইয়ের অনুষঙ্গেই কার্তিককে স্মরণ করে বাঙালি।

ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে কার্তিকের পূজা অধিক জনপ্রিয়। তামিল ও মালয়ালম ভাষায় কার্তিক মুরুগান বা ময়ূরী স্কন্দস্বামী নামে এবং কন্নড় ও তেলুগু ভাষায় তিনি সুব্রহ্মণ্যম নামে পরিচিত। তামিল বিশ্বাস অনুযায়ী মুরুগান তামিলদেশের (তামিলনাড়ু) রক্ষাকর্তা। দক্ষিণ ভারত, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও মরিশাস – যেখানে যেখানে তামিল জাতিগোষ্ঠীর প্রভাব বিদ্যমান সেখানেই মুরুগানের পূজা প্রচলিত। শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাংশে কার্তিকেয়ের উদ্দেশ্যে উৎসর্গিত কথারাগম (সিংহলি ভাষায় “কথারাগম দেবালয়”) মন্দিরে হিন্দু ও বৌদ্ধ উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ভারতে সর্বাধিক পূজিত দেবতাদের মধ্যে অন্যতম।

জন্ম  ইতিহাস।

 

তারকাসুরকে বধের জন্য তার জন্ম হয়েছিল। পরমেশ্বর শিব ও পরমেশ্বরী পার্বতীর যোগের মাধ্যমে আত্ম মিলন হয়।ফলে এক অগ্নিপিণ্ডের সৃষ্টি হয়। রতির অভিশাপের সম্মান রক্ষার্থে গর্ভে সন্তান ধারণ করেননি মা পার্বতী।তাছাড়া ঈশ্বর কখনও মনুষ্যের ন্যায় সন্তান জন্ম দেন না। অগ্নিদেব সেই উৎপন্ন হওয়া নব্য তেজময় জ্যোতিপিন্ড নিয়ে পালিয়ে যান।ফলে মা পার্বতী যোগ ধ্যান সমাপ্তি হতেই ক্রুদ্ধ হন।অগ্নিদেব ঐ অগ্নিপিণ্ডের তাপ সহ্য করতে না পেরে গঙ্গায় তা নিক্ষেপ করে। সেই তেজ গঙ্গা দ্বারা বাহিত হয় ও সরবনে গিয়ে এক রূপ বান শিশুর জন্ম দেয়। জন্মের পর কুমার কে কৃতিকা গণ স্তন্য পান করালে তিনি কার্তিক নামে অভিহিত হন ।পরে দেবী পার্বতী শিশু স্কন্দ কে কৈলাসে নিয়ে আসেন।

 

বিবাহ 

 

ভগবান কার্তিকের স্ত্রী হলেন দেবসেনা ও বালি(বল্লী)। সুরাপদ্মনকে বধ করার পর দেবরাজ ইন্দ্র নিজ কন‍্যা দেবসেনার সঙ্গে কার্তিকের বিয়ে দেন। পরে নম্বিরাজের কন্যা বালি-র সঙ্গে কার্তিকের বিবাহ হয়। তবে, দক্ষিণ ভারতে তিনি খুব জনপ্রিয়। সেখানে তার অসংখ্য মন্দির আছে।তবে তামিলনাড়ুর ৬ টি মন্দির খুব পবিত্র। সেগুলি হল-
১।স্বামীমালাই মুরুগান মন্দির
২। পালানী মুরুগান মন্দির
৩।থিরুচেন্দুর মুরুগান মন্দির
৪।থিরুপ্পারামকুমারাম মুরুগান মন্দির
৫।থিরুথানি মুরুগান মন্দির
৬।পাঝামুদিরচোলাই মুরুগান মন্দির ।

পুজো সম্বন্ধীয় কিছু প্রথা।।

 

কার্তিক ঠাকুরের সঙ্গে ছয় সংখ্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে আর সেই কারণেই হয়ত স্ত্রী ষষ্ঠীর সাথে তার মিল৷ যতক্ষণ না বাচ্চা বড় হচ্ছে ততদিন অবধি তাদের বিপদ থেকে রক্ষা করেন ৷কথিত আছে কার্তিক ঠাকুরের কৃপা পেলে পুত্রলাভ এবং ধনলাভ হয়। সেজন্য সদ্য বিয়ে হয়েছে অথবা বিয়ের এক বছর হয়ে গেছে কিন্তুু এখনও সন্তান আসেনি এমন দম্পতির বাড়ির সামনে কার্তিক ঠাকুরের মূর্তি ফেলা একটি জনপ্রিয় লোকাচারের মধ্যে পড়ে ।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও উইকিপিডিয়া।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৭ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৭ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক) জাতীয় মৃগীরোগ সচেতনা দিবস । (ভারত)

 


(খ) আনফ্রেন্ড দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯২৫ – রক হাডসন, মার্কিন অভিনেতা।

 

১৯২৮ – বিশ্বের সাবেক এক নম্বর ব্যাটসম্যান কলিন ম্যাকডোনাল্ড।

 

১৯৩৬ –  তারাপদ রায়, বাঙালি লেখক,কবি ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯৪২ – মার্টিন স্কোরসেজি, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক।

 

১৯৫২ – রুনা লায়লা, বাংলাদেশী খ্যাতিমান গায়িকা।

১৯৫৩ – মিজু আহমেদ, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৮৬ – ন্যানি, পর্তুগীজ ফুটবল খেলোয়াড়।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯২৭ – ওয়াশিংটন ডিসিতে টর্নেডো আঘাত হানে।

 

১৯৩৩ – মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট আনুষ্ঠানিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে স্বীকৃতি দেয়।

 

১৯৭০ – বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

১৯৮২ – ইরাকের সাদ্দাম বিরোধী ইসলামী দল ও সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে ইসলামী বিপ্লবী উচ্চ পরিষদ গঠিত হয়।

১৮০০ – ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৩১ – ভেনিজুয়েলা ও ইকুয়েডর বৃহত্তর কলম্বিয়া থেকে আলাদা হয়।

 

১৮৫৭ – স্যার কলিন ক্যাম্পবেল সিপাহি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে লক্ষ্মৌ উদ্ধার করেন।

 

১৮৬৯ – প্রথম বাইসাইকেল রেসে জয়ী হন জেমস মুর।

 

১৮৭০ – ডেনমার্ক, অস্ট্রিয়া ও ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের পর ঐক্যবন্ধ জার্মানি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।

 

১৭৯৬ – নেপোলিয়ন অস্ট্রিয়ানদের পরাজিত করেন।

 

১৫২৫ – সিন্ধু প্রদেশের মধ্য দিয়ে মোগল সম্রাট বাবর ভারতে তার পঞ্চম অভিযান পরিচালনা করে ভারত বিজয় করেন।

 

১৫৫৮ – প্রথম এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১২৯২ – জন বালিয়ন স্কটল্যান্ডের রাজা হন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৬ -ফেরেন্তস পুশকাস,হাঙ্গেরীয় ফুটবল খেলোয়াড়।

 

২০২০ – বিশিষ্ট বাঙালি কবি ও চিন্তাশীল প্রাবন্ধিক অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত।

 

১৯১৭ – অগুস্ত রদ্যাঁ, আধুনিক যুগের একজন বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর।

 

১৯২৮ – লালা লাজপত রায়,পাঞ্জাব কেশরি নামে সুপরিচিত ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯৩১ – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ, সংরক্ষণবিদ ও বাংলা সাহিত্যেরইতিহাস রচয়িতা।

 

১৯৭১ – দেবকী কুমার বসু, বাংলা চলচ্চিত্রের শীর্ষ পরিচালক, লেখক ও অভিনেতা।

 

১৯৭৩ – ঋষি অরবিন্দের শিষ্যা শ্রীমা লোকান্তরিত হন।

 

১৯৭৬ – আবদুল হামিদ খান ভাসানী, বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ।

 

১৯৮৩ – অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়, বিশিষ্ট নজরুলগীতি গায়িকা ও চিকিৎসক।

 

১৯৮৮ – ভারতীয় বাঙালি কবি ও লেখিকা জ্যোতির্ময়ী দেবী।

 

১৮৫৮ – রবার্ট ওয়েন, ব্রিটিশ সমাজ সংস্কারক এবং কল্পলৌকিক সমাজতন্ত্র ও সমবায় আন্দোলনের পথিকৃৎ।

 

১১৮৮ – উসামা ইবনে মুনকিজ, একজন সিরীয় মুসলিম কবি, লেখক, ফারিস ও কূটনৈতিক।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস প্রতি বছর 16 নভেম্বর সারা বিশ্বে পালিত হয়। অসহিষ্ণুতার বিপদ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই দিনটি পালন করা হয়। 1996 সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এই দিবসটি পালনের ঘোষণা দিয়েছিল। 1995 সালকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের অসহিষ্ণুতা বর্ষ হিসাবে ঘোষণা করেছিল। যেখানে সন্ত্রাস, বর্ণবাদ, সহিংসতার মতো অনেক বিষয় আজ বিশ্বে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, কিছু দেশে জাতি, ধর্ম, সংখ্যালঘু, উদ্বাস্তু এবং অভিবাসীদের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। এসব কারণই দেশের উন্নয়নের পথে সবচেয়ে বড় বাধা। এই সমস্ত পরিস্থিতিতে, বিশ্ব সহনশীলতা দিবস পালিত হয় মানবতাকে বাঁচাতে এবং শান্তি ও সম্প্রীতির প্রচারের জন্য। বিশ্বে শান্তির পাশাপাশি সম্প্রীতি সৃষ্টি করাই এ দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য। কেন মানুষকে সহনশীল থাকতে হবে তা নিয়েও এই দিনে সচেতনতা ছড়ানো হয়। আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস সমাজে অসহিষ্ণুতা ও বৈষম্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করে। সহনশীলতা দিবস উদযাপন এবং কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সমাজে ঘৃণা ও শত্রুতা অবসানের কাজ।

 

মানব সমাজ স্বাভাবিকভাবেই বৈচিত্র্যময় এবং এই বৈচিত্র্যময় বিশ্বে, বিভিন্ন মতামত ও সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারণার আদান-প্রদান এবং সম্প্রীতি নিশ্চিত করার জন্য মানুষের মধ্যে সহনশীলতা প্রয়োজন।  সমাজে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার উপস্থিতি সংঘাতের পথ প্রশস্ত করে না।  বরং একটি সহনশীল পরিবেশ এই সামাজিক বাস্তবতাকে সঠিক পথে পরিচালনার মাধ্যমে সমাজের সহজাত সক্ষমতা বৃদ্ধি করে।  এই পৃথিবীটা বাস করার জন্য অনেক ভালো জায়গা হবে যদি আমরা সবাই আমাদের জীবনে একটু বেশি সহনশীল হতে পারি।
এমন একজন মানুষকে কখনই দুর্বল মনে করবেন না যে সহ্য করে কারণ সে সবার চেয়ে শক্তিশালী এবং আমাদের অবশ্যই তাকে সম্মান করতে হবে।  আপনি যদি সহ্য করতে পারেন তবে আপনাকে অবশ্যই কোনওভাবে শান্তিতে অবদান রাখতে হবে।  একটি উন্নত বিশ্বের জন্য আমাদের সকলকে অসহিষ্ণুতার অনুশীলন করতে হবে।

 

 

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের  ইতিহাস—

 

১৯৯৩ সালে, ইউনেস্কোর উদ্যোগে, জাতিসংঘ ১৯৯৫ সালকে “সহনশীলতার বছর” হিসাবে ঘোষণা করে।  ইউনেস্কোর ১৯৯৫ সালের সহনশীলতার নীতির ঘোষণা ছিল যে সহনশীলতা হল আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, আমাদের অভিব্যক্তির ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়গুলির সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং উপলব্ধি।  জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।  এক বছর পরে ১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় ১৬ নভেম্বর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস এবং এটি প্রতি বছর পালিত হবে।  আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসের জন্য সাধারণ থিমটি সমস্ত বছর ধরে প্রয়োগ করা হয়।  জাতিসংঘ সাধারণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।  সাধারণ থিম হল “সহনশীলতা হল সম্মান, গ্রহণযোগ্যতা এবং আমাদের বিশ্বের সংস্কৃতির সমৃদ্ধ বৈচিত্র্য, প্রকাশের ধরন এবং মানুষ হওয়ার উপায়”।

 

গুরুত্ব—–

 

ইউনেস্কো ঘোষিত এ দিবস প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হচ্ছে বহুমুখী সমাজে সহনশীলতা শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীর সকল মানুষের সুষম ও শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-যাপন নিশ্চিত করা।  ইউনেস্কোর উদ্যোগে, ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয় যে ১৯৯৫ সাল ‹আন্তর্জাতিক সহনশীলতা বর্ষ› উদযাপন করা হবে। ১৯৯৬ সালের ১৬ নভেম্বর ইউনেস্কোর ২৮তম অধিবেশনে ‹সহনশীলতার মৌলিক নীতি ঘোষণা› গৃহীত এবং প্রতি বছরের ১৬ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৯৬ সালে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এক প্রস্তাবে বিভিন্ন দেশের সরকারকে আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। যাতে শিক্ষা ও প্রচারসহ বিভিন্ন উপায়ে সহনশীলতার দিকটিকে সবার কাছে তুলে ধরা যায়।

জন এফ কেনেডি বলেছেন, “সহনশীলতা বোঝায় নিজের বিশ্বাসের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব নয়। বরং এটি অন্যের নিপীড়ন বা নিপীড়নের নিন্দা করে।” আবার টিমোথি কেলার এর মতে, “সহনশীলতা বিশ্বাস না থাকা নিয়ে নয়। এটি আপনার সাথে একমত না এমন লোকেদের সাথে আচরণ করার জন্য আপনার বিশ্বাসগুলি আপনাকে কীভাবে পরিচালিত করে।

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

 

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 তাৎপর্য—

 

আসুন আমরা আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস 2023 এর তাৎপর্য সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে দেখি।

UNESCO 1995 সালে US$100000 এর পরিমাণ দিয়ে “The UNESCO-Madanjit Singh Prize” তৈরি করে। প্রতি দুই বছর অন্তর আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে ব্যক্তি বা সংস্থাকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে সহনশীলতা এবং নিপীড়ন ও অবিচারের অবসান সম্পর্কে বিতর্ক এবং বক্তৃতা পরিচালিত হবে।

বিশ্বব্যাপী সহনশীলতার ধারণা বাস্তবায়নের জন্য স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠানে এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সহনশীলতার সাধারণ থিম নিয়ে আলোচনা করা হবে।

2023 সালের আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবসে, অফিস, স্কুল, কলেজ ইত্যাদিতে আমাদের প্রতিবেশীদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করার জন্য আমাদের অবশ্যই একটি রেজোলিউশন নিতে হবে।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ জাতীয় প্রেস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং দিনটির গুরুত্ব।

প্রতি বছর, ভারত প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার সম্মানে ১৬ নভেম্বর জাতীয় প্রেস দিবস পালন করে।  জাতীয় প্রেস দিবস ভারতে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের প্রতীক।

১৯৬৬ সালে ১৬ নভেম্বর প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠা হয়। এই দিনের স্মরণে প্রতিবছর ১৬-ই নভেম্বর জাতীয় সাংবাদিকতা দিবস উদযাপিত হয়। জাতীয় সাংবাদিকতা দিবসে ভারতে একটি মুক্ত ও দায়িত্বশীল সংবাদের প্রতীক, যেহেতু প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া নৈতিক প্রহরী হিসাবে কাজ করে। এটিও নিশ্চিত করে যে সংবাদ প্রতিষ্ঠানটি কোনও বহিরাগত কারণের প্রভাব বা হুমকির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত নয়। দেশের সংবিধানে “বাকস্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার অধিকার” সরবরাহ করে।

 

জাতীয় প্রেস ডে: ইতিহাস—-

 

ভারতের প্রথম প্রেস কমিশন 1954 সালের নভেম্বরে একটি সভা পরিচালনা করে এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতা বজায় রাখার জন্য দায়ী একটি কমিটি বা সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করে।  প্রক্রিয়া চলাকালীন, তারা বুঝতে পেরেছিল যে প্রেসের মুখোমুখি হওয়া সমস্যা এবং সমস্যাগুলি মোকাবেলা করার জন্য একটি সঠিক ব্যবস্থাপনা সংস্থা তৈরি করা উচিত।
১৯৬৬ সালের নভেম্বরে, মিডিয়া এবং প্রেসের সঠিক পরিচালনার জন্য এবং বিচারপতি জে আর মুধোলকরের অধীনে প্রেসের সমস্যাগুলি দেখাশোনার জন্য প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ভারতের সরকারী প্রেস কাউন্সিল ৪ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ সালে সক্রিয় হয়েছিল। তারপর থেকে, ১৬ নভেম্বর ১৯৬৬ তারিখটিকে ভারতীয় প্রেস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠার স্মরণে জাতীয় প্রেস দিবস হিসাবে পালিত করা হয়।

 

 

 

এদিন প্রেস কাউন্সিলের মূল অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিকতার জন্য পুরস্কার প্রদান, স্মারক পুস্তিকা প্রকাশ, সমকালীন পরিস্থিতি আলোচনা সভা ইত্যাদির আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপিত হয়।
সংবাদ পরিবেশনে ও সাংবাদিকতায় গণমাধ্যমগুলির নিরপেক্ষতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা যেমন আবশ্যক, তেমনি দেশের শাসকেরও তাদের সমালোচনায় সহিষ্ণু হওয়ার প্রয়োজন। এসবই প্রেস দিবসে মোটামুটি আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হিসাবে পরিলক্ষিত হয়।

দেশের সংবিধান “বাকস্বাধীনতা, বাকস্বাধীনতার ও তথ্যের অধিকার” প্রদান করে। তবে সংবিধানের ১৯ (১) (ক) অনুচ্ছেদে প্রেসের স্বাধীনতার সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলেও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও এটি অভিপ্রেত।

 

জাতীয় প্রেস দিবসের গুরুত্ব—

 

প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া হল একটি স্বাধীন সরকারী সংবিধিবদ্ধ সংস্থা যা ভারতে প্রেসের যত্ন নেয়।  জাতীয় পেস দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট কারণ এটি কাজ করে:—

 

(ক)  সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা।

(খ) জনস্বার্থ প্রচার করা।

(গ) সাংবাদিকতার উচ্চ মান বজায় রাখা

এটি নিশ্চিত করে যে প্রেস তার ক্ষমতার অপব্যবহার না করে।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ওয়েবপেজ।।

Share This
Categories
কবিতা

আজ ১৬ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৬ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  জাতীয় প্রেস দিবস (ভারত)

 

(খ) আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

 

১৯১৪ – কমলকুমার মজুমদার, বাঙালি সাহিত্যিক ও শিল্পী।

১৯২০ – সৌরীন্দ্র মিত্র, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রগবেষক ও প্রাবন্ধিক।

 

১৯২২ – জিন আম্‌ডাল, নরওয়েজীয়- মার্কিন কম্পিউটার আর্কিটেক্ট এবং হাইটেক উদ্যোক্তা।

 

১৯৩০ – (ক)  মিহির সেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি সন্তরণবিদ, প্রথম ভারতীয় হিসাবে ১৯৫৮ সালে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।

 


(খ) চিনুয়া আচেবে, নাইজেরিয়ার প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও আফ্রিকার আধুনিক সাহিত্যের জনক।

 

১৯৪৫ – নরেন বিশ্বাস, গবেষক ও লেখক।

১৮৯০ -হেমেন্দ্রনাথ ঘোষ,ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক।

 

১৮৯৫ – চৌধুরী রহমত আলি, ব্রিটিশভারতীয়-পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদি, পাকিস্তান শব্দের প্রবক্তা।

 

১৭৯৩ -ফ্রান্সিস ড্যানবি, আইরিশ চিত্রকর।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৯০৫ – স্বদেশি আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় সরকারি বিদ্যাচর্চা বর্জন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আশতোষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন’ স্থাপিত হয়।

১৯২৩ – অস্বাভাবিক মুদ্রাস্ফীতির পর জার্মানিতে নতুন মুদ্রাব্যবস্থা চালু হয়।

১৯৪৫ – ভিয়েতনামে ফ্রান্সের সেনাদের হামলা শুরুর মধ্য দিয়ে দেশটির জনগণের দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হয়।

১৯৪৬ – বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।

১৯৯৩ – জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরে ৩২ দিনের অচলাবস্থার অবসান ঘটে।

১৮০১ – নিউ ইয়র্ক ইভনিং পোস্টের প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়।

 

১৮২৪ – নিউ ইয়র্ক নগরীর ফিফথ এভিনিউ খুলে দেওয়া হয়।

১৮৬৯ – পোর্ট সৈয়দে সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে নৌ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়।

 

১৩৮০ – ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ জর্জ করমুক্তির ঘোষণা দেন।

 

১৩৮৪ – জাডউইগা পোলান্ডের রাজ্যভার গ্রহণ করেন।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০১২- সুভাষ দত্ত, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং অভিনেতা।

 

১৯৩৪ – আয়াতুল্লাহিল উজমা আব্দুল করিম হায়েরি ইয়াযদি, বিশিষ্ট মুসলিম চিন্তাবিদ ও ফকীহ।

 

১৯৮৬ – বিধায়ক ভট্টাচার্য, নাট্যকার, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

 

১৯৯৬ – মাসুদ করিম, বাংলাদেশী গীতিকার।

 

১৮১২ – জন ওয়ালটার, ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৫ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৫ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

 

(ক)  আন্তর্জাতিক কারারুদ্ধ লেখক দিবস।

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৭ – ক্লজ ফন স্টফেনবার্গ, জার্মান সামরিক কর্মকর্তা।

 

১৯২৫ – ইয়ুলি ড্যানিয়েল, রাশিয়ান কবি ও লেখক।

১৯২৯ – এড অ্যাসনার, মার্কিন অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।

১৯৩৬ – এইচ. বি. বেইলি – মার্কিন রেসিং কার ড্রাইভার।

 

১৯৪০ – স্যাম ওয়াটারস্টন, মার্কিন অভিনেতা।

১৯৪৫ – মুফতি ফজলুল হক আমিনী বাংলাদেশের ইসলামী চিন্তাবিদ রাজনীতিবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞ।

 

১৯৫৪ – বারী সিদ্দিকী, বাংলাদেশের ফোক গায়ক এবং বংশীবাদক।

১৯৫৯ – টিবর ফিসার, ইংরেজ লেখক।

১৯৬৮ – মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব।

১৯৮২ – কালু উছে, নাইজেরিয়ান ফুটবল।

 

১৯৮৬ – সানিয়া মির্জা, ভারতীয় মহিলা টেনিস খেলোয়াড়।

১৯৯১ – শাইলিন উডলি, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৯৩ – পাওলো দিবালা, আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার।

১৮৬২ – গেরহার্ট হাউপ্টমান, জার্মান লেখক, কবি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাট্যকার।

১৮৭৪ – আগস্ট ক্রোঘ, ডেনিশ প্রাণিবিজ্ঞানী ও শারীরবিজ্ঞানী, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

 

১৮৭৫ – বিরসা মুন্ডা, ভারতের রাঁচি অঞ্চলের মুন্ডা আদিবাসী ও সমাজ সংস্কারক।

১৮৯১ – পশুপতি ভট্টাচার্য, খ্যাতনামা চিকিৎসক ও সাংবাদিক।

 

১৮৯৬ – রণদাপ্রসাদ সাহা, বাংলাদেশী সমাজসেবক এবং দানবীর ব্যক্তিত্ব।

১৭৩৮ – উইলিয়াম হার্শেল, জার্মান বংশোদ্ভুত ইংরেজ জ্যোতির্বিদ এবং সুরকার।

১৬৭০ – বার্নার্ড ম্যান্ডেভিল, অ্যাংলো-ডাচ দার্শনিক, রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ এবং ব্যাঙ্গ রচয়িতা।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

২০০০ – ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য গঠিত হয়।

১৯০৪ – জিলেট ব্লেড প্যাটেন্ট করেন সি জিলেট।

১৯১৩ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল পুরস্কার লাভ।

১৯২০ – জেনেভায় প্রথম লীগ অব নেশন্সের সভা হয়।

১৯২৪ – কলকাতা কর্পোরেশনের মুখপত্র মিউনিসিপ্যাল গেজেটের প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।

১৯২৬ – রেডিও এনবিসি’র সম্প্রচার শুরু ২৪টি কেন্দ্র থেকে।

১৯৩২ – ওয়াল্ট ডিজনি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৫ – ফিলিপিন কমনওয়েলথের উদ্বোধন হয়।

১৯৮১ – বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিচারপতি আবদুস সাত্তার বিপুল ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৮৩ – তুর্কি অধিকৃত সাইপ্রাসের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।

১৯৮৪ – জার্মানীর রাজধানী বার্লিনে আফ্রিকায় ইউরোপীয় উপনিবেশ গুলোকে ভাগ-বণ্টন করা নিয়ে একটি সম্মেলন হয়েছিল। ইতিহাসে এই সম্মেলনটি বার্লিন সম্মেলন নামে পরিচিত।

১৯৮৮ – পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কথা ঘোষণা দেন।

১৯৯৭ – মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান একটেল (বর্তমানে রবি) ঢাকায় সেবাদান কার্যক্রম শুরু করে।

১৮০৬ – আমেরিকায় প্রথম কলেজ ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়।

১৮৩০ – প্রথম ভারতীয় হিসেবে রাজা রামমোহন রায় ইংল্যান্ড যাত্রা করেন।

১৮৩৭ – আইজাক পিটম্যানের শর্টহ্যান্ড পদ্ধতি প্রথম প্রকাশিত হয়।

১৮৫৯ – প্রথম আধুনিক অলিম্পিক খেলা হয় গ্রিসের এথেন্সে।

১৮৮৯ – ব্রাজিল গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

১৭৯১ – আমেরিকায় প্রথম ক্যাথলিক কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৯৫ – লিয়েবে দিযেফের উদ্যোগে বাংলার প্রথম মঞ্চনাটক ‘ছদ্মবেশী’ মঞ্চস্থ হয়।

১৬২১ – উত্তর ভারতের কাংড়া দুর্গ মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের দখলে আসে।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০১ – শ্রীস্বপন কুমার, শ্রীভৃগু, ডাক্তার এস এন পাণ্ডে নামে পরিচিত গোয়েন্দা কাহিনীকার, জ্যোতিষী ও ডাক্তার সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে।

২০০৫ – আরটো সাল্মিনেন, ফিনিশ সাংবাদিক ও লেখক।

 

২০২০ – সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার বিজয়ী কিংবদন্তি ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র ও মঞ্চ অভিনেতা, আবৃত্তিকার।

২০২১ – বাংলাদেশী সাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক।

১৯১৬ – হেনরিক সিয়েনকিয়েভিচ, নোবেলজয়ী পোলিশ ঔপন্যাসিক।

১৯১৯ – আলফ্রেড ভের্নের, নোবেলজয়ী সুইস রসায়নবিদ।

 

১৯২৩ – পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক-সম্পাদক।

 

১৯৫৯ – চার্লস উইলসন, পদার্থবিজ্ঞানী, নোবেল বিজয়ী।

 

১৯৭০ – কালীপদ পাঠক, প্রখ্যাত বাঙালি টপ্পাগায়ক।

 

১৯৮১ – এনিড মারকেয়, মার্কিন অভিনেত্রী।

 

১৯৮৭ – শ্যামল মিত্র, ভারতীয় বাঙালি গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত শিল্পী।

 

১৮৫৬ – মধুসূদন গুপ্ত, প্রথম শবব্যবচ্ছেদকারী বাঙালি চিকিৎসক।

১৬২৯ – বেথলেন গ্যাবর, হাঙ্গেরির রাজা।

 

১৬৩০ – জোহান্নেস কেপলার, জার্মান গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও জ্যোতিষী।।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ আন্তর্জাতিক কারারুদ্ধ লেখক দিবস, জানব দিনটি কি, কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

কারাবন্দী লেখক দিবস হল একটি বার্ষিক, আন্তর্জাতিক দিবস যা এমন লেখকদের স্বীকৃতি ও সমর্থন করার উদ্দেশ্যে যারা মত প্রকাশের স্বাধীনতার মৌলিক মানবাধিকারের দমন-পীড়ন প্রতিরোধ করে এবং যারা তাদের তথ্য প্রদানের অধিকারের বিরুদ্ধে করা আক্রমণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়।  এই দিনটি প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর পালন করা হয়।

 

বিশ্বব্যাপী লেখক ও সাংবাদিকদের সেন্সরশিপ, হয়রানি এবং নিপীড়ন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর বন্দী লেখক দিবস পালন করা হয়।  সেন্সরশিপ আজ একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা, অনেক সরকারী সংস্থা তাদের নাগরিকদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করে, বিশেষ করে কণ্ঠ-বিরোধী সরকার সমালোচক, হুইসেলব্লোয়ার এবং রাজনৈতিক কর্মীদের।  কিছু দেশে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই, এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার ফলে নির্বিচারে আটক হয়।  মানবাধিকার সংস্থা এবং বাকস্বাধীনতা রক্ষায় নিবেদিত গোষ্ঠীগুলি বিশ্বের কিছু অংশে নিষিদ্ধ সামগ্রী বিতরণ করে।  স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং বাকস্বাধীনতার অবস্থা নিয়ে আলোচনা করার জন্য তারা আইনজীবী, লেখক এবং সাংবাদিকদেরও আমন্ত্রণ জানায়।

 

কারারুদ্ধ লেখকের দিনের ইতিহাস—

 

কারাবন্দী লেখক দিবসটি ১৯৮১ সালে শুরু হয়েছিল এবং এটি PEN ইন্টারন্যাশনালের রাইটারস ইন প্রিজন কমিটির পণ্য ছিল।  এর সূচনার পর থেকে, PEN ছুটির দিনটিকে কারাবন্দী লেখকদের মুক্তির আহ্বান, সাংবাদিক ও কর্মীদের জন্য আরও ভাল সুরক্ষার পক্ষে এবং সেই লেখকদের জন্য ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করার জন্য ব্যবহার করেছে যারা সত্য রক্ষার জন্য চূড়ান্ত আত্মত্যাগে তাদের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন।  রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে একই হুমকি, ভয়ভীতি এবং অনুপ্রবেশকারী নজরদারি সহ্য করেও, কবি, অনুবাদক, প্রকাশক এবং ঔপন্যাসিকদের তাদের অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়।  PEN বিশ্বব্যাপী তার ১০০ টিরও বেশি কেন্দ্রের মাধ্যমে কার্যক্রম সমন্বয় করে।

 

প্রতি বছর, PEN তাদের সরকার কর্তৃক নির্যাতিত বা কারারুদ্ধ পাঁচজন লেখকের তালিকা করে।  এই লেখকরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন কিন্তু ক্রমাগত দুর্নীতি, সহিংস অপরাধ, অবৈধ গুপ্তচরবৃত্তি, পুলিশ কভার-আপ এবং রাষ্ট্র-স্পন্সর সহিংসতার সাথে জড়িত গল্প প্রতিবেদন বা তদন্তে নিযুক্ত রয়েছেন।  ২০০৯ সালে, PEN তাদের লেখকদের তালিকায় লিউ জিয়াওবো এবং নাটালিয়া এস্তেমিরোভাকে নাম দিয়েছে।  Xiaobo, একজন ভিন্নমতাবলম্বী লেখক, পরে ২০১৭ সালে আটক অবস্থায় মারা যান। এস্তেমিরোভা চেচনিয়ায় যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করার সময় 2009 সালে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের দ্বারা অপহরণ ও হত্যা করা হয়েছিল।
২০১৮ সালে, PEN ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যার নিন্দা জানাতে বাকি মানবাধিকার এবং বাক-ভিত্তিক সংগঠনের সাথে যোগ দেয়।  “ফ্রি এক্সপ্রেশনের আমেরিকার সিনিয়র ডিরেক্টর” এর মাধ্যমে, PEN সৌদি কর্তৃপক্ষকে খাশোগিকে হাজির করার এবং তার হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহি করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।  ২০২১ সালে কারাবন্দী লেখক দিবসে, PEN চীনা পণ্ডিত রাহিল দাউত, U.A.E.  মানবাধিকার আইনজীবী মোহাম্মদ আল-রোকেন, তুর্কি রাজনীতিবিদ সেলাহাতিন দেমিরতাস, কিউবান সঙ্গীতশিল্পী মায়কেল ওসরবো এবং ১২ জন ইরিত্রিয়ান লেখকের একটি সম্মিলিত মামলা ২০ বছরের জন্য বন্দী।  PEN ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বব্যাপী কবি, নাট্যকার, সম্পাদক, প্রাবন্ধিক এবং ঔপন্যাসিকদের সমর্থন করার জন্য নিবেদিত রয়েছে।

 

কারাবন্দী লেখকের দিনটি কেন গুরুত্বপূর্ণ—

 

বাক স্বাধীনতা একটি মানবাধিকার–

 

মত প্রকাশ ও জ্ঞানের স্বাধীনতা প্রত্যেক ব্যক্তির অধিকার।  আমাদের এই সার্বজনীন মানবাধিকারকে যেকোনো মূল্যে রক্ষা করতে হবে।

 

সত্য শেয়ার করা—

 

কারাবন্দী লেখক দিবসটি সেন্সরকৃত লেখক এবং তাদের কাজ সম্পর্কে কথোপকথন তৈরি করে।  আরও বেশি লোক সেই তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে যা অন্যদের তাদের স্বাধীনতার মূল্য দেয়।

 

অন্যকে শিক্ষিত করা—

 

বেশিরভাগ মানুষ এখনও সেন্সরশিপের বিপদ এবং এটি কীভাবে সমাজের ক্ষতি করে সে সম্পর্কে জানেন না। এটি আমাদের বন্ধু, পরিবার এবং সম্প্রদায়কে সেন্সরশিপ সম্পর্কে শেখানোর এবং কিছু সংস্থান ভাগ করার একটি সুযোগ যাতে তারা কীভাবে এটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয় তা শিখতে পারে৷

।।তথ্য : সংগৃহীত উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

 

Share This
Categories
রিভিউ

আজ ১৪ নভেম্বর, ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব ইতিহাসের এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া ঘটনা।

আজ ১৪ নভেম্বর। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

 

দিবস—–

 

(ক)  শিশু দিবস (ভারত)

 

(খ) বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস

 

আজ যাদের জন্মদিন—-

১৯০৪ – হ্যারল্ড লারউড, বিখ্যাত ও পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

 

১৯১০ – অশোকবিজয় রাহা, ভারতীয় বাঙালি কবি।

১৯২২ – বুট্রোস ঘালি, মিশরীয় কূটনীতিবিদ, জাতিসংঘের ৬ষ্ঠ মহাসচিব।

 

১৯৩৫ – হুসাইন বিন তালাল, জর্ডানের তৃতীয় বাদশাহ।

১৯৩৮ – কারেন আর্মস্ট্রং, ইংরেজ লেখক।

 

১৯৩৫ – নিমু ভৌমিক, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ।

 

১৯৩৮ – আবু তাহের, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

 

১৯৫১ – যহাং ইয়িমউ, তিনি চীনা অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও সিনেমাটোগ্রাফার।

 

১৯৫৪ – কন্ডোলিৎসা রাইস, তিনি আমেরিকার রাজনৈতিক বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৬৬ তম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সচিব।

 

১৯৭১ – অ্যাডাম ক্রেইগ গিলক্রিস্ট, তিনি সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট খেলোয়াড়।

 

১৯৮৫ – থমাস ভের্মালেন, তিনি বেলজিয়ান ফুটবলার।

 

১৮৪০ – ক্লোদ মনে, ফ্রান্সের এক বিখ্যাত ধারণাবাদী (ইম্প্রেশনিস্ট) চিত্রশিল্পী।

 

১৮৮৯ – জহরলাল নেহরু,ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের ও স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

 

১৮৯১ – ফ্রেডরিক ব্যানটিং, কানাডীয় চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিন এর সহ-আবিষ্কারক।

 

১৭১৯ – লেওপল্ড মোজার্ট, তিনি ছিলেন অস্ট্রিয়ান বেহালাবাদক, সুরকার ও পথপ্রদর্শক।

 

১৭৬৫ – রবার্ট ফুলটন, তিনি ছিলেন আমেরিকান প্রকৌশলী ও স্টিমবোটের উদ্ভাবক।

 

১৬৮৩ – ইতিহাসবিদ রবার্ট জে ফ্রুইন।

 

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনের ঘটনাবলী—-

১৮৬৫ – মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘পদ্মাবতী’ নাটক প্রথম অভিনীত হয়।

১৮৯৬ – নায়াগ্রাতে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়।

 

১৯০৮ – খ্যাতনামা বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনষ্টাইন প্রথম, আলোক-সংক্রান্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব উপস্থাপন করেছিলেন।

১৯১৮ – চেকেস্লোভাকিয়ায় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়।

১৯২২ – যুক্তরাজ্য থেকে বিবিসি [ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন] প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথম বিবিসি রেডিও প্রচার শুরু হয়।

১৯৬৯ – ব্রিটেনে রঙিন টিভি সম্প্রচার শুরু হয়।

 

১৯৬৯ – তিন মার্কিন নভোচারী চার্লস কনরাড, গর্ডন কুপার ও অ্যালান বিনা অ্যাপোলো-১২ নভোযানে চড়ে চাঁদে যাত্রা করেন।

১৯৭০ – প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হাফেজ আর আসাদ সিরিয়ার ক্ষমতা দখল করেন।

১৯৭৯ – যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোতে জমাকৃত ইরানের ডলার মার্কিন সরকার জব্দ করে।

১৯৮৩ – বাংলাদেশে প্রকাশ্য রাজনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

 

১৯৯৪ – শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

১৯৯৬ – বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার শুরুর প্রশ্নে সংসদে ইনডেমনিটি (বাতিল) বিল পাস করেন।

 

১৭৮০ – ব্রিটিশরাজ ‘বেঙ্গল গেজেট’ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

১৬৬৬ – দুই কুকুরের দেহে প্রথম রক্ত সঞ্চালন করা হয়।

১৬৯৮ – স্পেনের রাজা কার্লোস তার পৌত্র যোসেফ ফার্দিনান্দকে উত্তরাধিকার নির্বাচিত করেন।

১৫৩৩ – স্পেনীয়রা দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত ইকুয়েডর আবিষ্কার এবং দখল করে নিয়েছিলো।

 

এই দিনে মৃত্যুবরণ করেন যারা—-

২০০৪- ওয়াসীমুল বারী রাজীব। যিনি রাজিব নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন বাংলাদেশী অভিনেতা।

 

২০০৮ – ক্রিস্টিন হান্টার, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক।

 

২০২২ – ডুবন্ত টাইটানিক থেকে বেঁচে যাওয়া ও বিশ্ব ইতিহাসের একের পর এক ঘটনার সাক্ষী থাকা নারী ভার্জিনিয়া।

১৯১৬ – সাকি, ইংরেজি ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্পকার।

 

১৯২০ – রাজা সুবোধচন্দ্র বসু মল্লিক ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী।

 

১৯৯৬ – ভার্জিনিয়া চেরিল, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

 

১৮১৬ – জার্মানীর বিখ্যাত দার্শনিক, গণিতবিদ গোটফ্রেইড উইলহেম লেবনিজ।

 

১৮২৫ – জাঁ পল, তিনি ছিলেন জার্মান সাংবাদিক ও লেখক।

 

১৮৩১ – গেয়র্গ ভিলহেল্ম হেগল, জার্মান দার্শনিক ছিলেন।

 

১৮৩২ – রাস্‌মুস রাস্ক, একজন ডেনীয় ভাষাতাত্ত্বিক ও পণ্ডিত।

 

১৫২২ – ফ্রান্সের রাজকুমারী অ্যান।

 

।।তথ্য : সংগৃহীত ইন্টারনেট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ

অজ শিশু দিবস, জানুন দিনটি কি এবং কেনো পালিত হয়।

শিশু দিবস শিশুদের নিয়ে উদযাপিত একটি দিবস। এটি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন সময় পালিত হয়ে থাকে। শিশু দিবসটি প্রথমবার ১৯২০ সালের ২৩ এপ্রিল তুরস্কে পালিত হয়েছিল। বিশ্ব শিশু দিবস ২০ নভেম্বর-এ উদ্‌যাপন করা হয়, এবং আন্তর্জাতিক শিশু দিবস জুন ১ তারিখে উদ্‌যাপন করা হয়। তবে বিভিন্ন দেশে নিজস্ব নির্দিষ্ট দিন আছে শিশু দিবসটিকে উদ্‌যাপন করার।

 

 

দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর জন্মদিনকে শিশু  দিবস (Children’s Day) হিসেবে পালন করা হয়। ১৮৮৯ সালের নভেম্বর মাসের ১৪ তারিখ নেহরুর জন্ম  হয়। পরবর্তী সময়ে  তিনি-ই হন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী । শিশুদের প্রতি তাঁর স্নেহ ও ভালোবাসার কথা  সর্বজন বিদিত। তাই তাঁকে স্মরণ করেই পালিত হয় শিশু দিবস (Children’s Day)। আজকের দিনে শিশুদের চকোলেট  থেকে  শুরু কর  নানা রকমের উপহার দেওয়া হয়। তাছাড়া স্কুলে  স্কুলে নানা ধরনের অনুষ্ঠানও করা হয়। পাশাপাশি অনাথ  শিশুদের মুখে হাসি  ফোটানোর চেষ্টাও হয়ে থাকে।

 

 

স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু শিশুদের কাছে ছিলেন প্রিয় “চাচা নেহেরু”। অন্যদিকে জওহরলাল নেহরুও ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে খুব ভালোবাসতেন। জাতিসংঘ বা রাষ্ট্রসংঘ ১৯৫৪ সালের ২০ নভেম্বর দিনটিকে শিশু দিবস হিসাবে পালনের জন্যে ঘোষণা করেছিল। সেই ঘোষণা অনুযায়ী ভারতেও ২০ নভেম্বর শিশু দিবস হিসাবে পালন করা হত। তবে ১৯৬৪ সালের ২৭ মে,পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর প্রয়াণের পর শিশুদের প্রতি তার চরিত্রের এই বিশেষ দিকটিকে স্মরণে রেখে সর্বসম্মতভাবে তার জন্মদিনটি ভারতে শিশু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপর থেকেই প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর দিনটি শিশু দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।
দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে শিশুদের গুরুত্বকে মনে করেই এই দিনটি পালিত হয়। এছাড়াও,এই দিনে শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সব মানুষকে আরও সচেতন করার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা যাতে সঠিক শিক্ষা পায়, দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে শিক্ষা পায় সে ব্যাপারেও প্রচার করা হয় এই দিনটিকে উপলক্ষ করে। পাশাপাশি শিশুদের সঠিক পুষ্টির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

 

 

দেশের স্কুলগুলিতে এই দিনটিতে পড়াশুনোর পরিবর্তে নানা রকম অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোথাও আবার শিশুদের পিকনিকে নিয়ে যাওয়া হয়। কচি বাচ্চাদের হাতে এই দিনটিতে তুলে দেওয়া হয় নানা উপহারও। সব মিলিয়ে ভারতে১৪ নভেম্বর (Children’s Day) পুরোপুরিই শিশুদের দিন।  তবে সব দেশেই শিশু দিবস পালনের উদ্দেশ্য একটাই, দেশের শিশুদের অধিকার ও তাঁদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেতনতার বার্তা দেওয়া।

 

 

তবে ১৯৬৩ সালের আগে  পর্যন্ত প্রতি বছর নভেম্বর মাসের  ২০ তারিখ পালিত হত শিশু দিবস (Children’s Day)। শুধু ভারত  নয় বিশ্বের অন্য দেশেও ওই তারিখটি পালনের কথা ঘোষণা করেছিল রাষ্ট্রসঙ্ঘ। কিন্তু ওই বছর নেহরুর মৃত্যুর পর থেকে সর্বসম্মতিতে দিন  বদল হয়।   শিশুদের শুধু ভালবাসা নয়, যথাযাথ ভাবে বড়  করার  ব্যাপারেও জোর দিয়েছেন নেহরু। আর তাই একবার  তিনি  বলেছিলেন, আজ আমরা যেভাবে শিশুদের বড় করব, কাল  সেভাবেই তারা দেশ চালাবে।

 

 

আর এই  ভাবনা থেকেই দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পথ চলা  শুরু হয় নেহরুর  সময়। একই ভাবে  ভাল চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে  আইএমএস-এর সূচনা  করেন নেহরু। আইআইটিও তাঁরই উর্বর মস্তিস্কের  ফসল। তাছাড়া ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ  ম্যানেজমেন্ট তৈরির সিদ্ধান্তও তাঁর।  তাই স্বাধীনতা সংগ্রাম বা প্রধানমন্ত্রিত্বের বাইরে গিয়ে শিশুদের জন্য  তাঁর অবদানকে মনে  রেখেই  পালিত হয় শিশু দিবস।

।।সংগৃহীত : উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।।

Share This
Categories
প্রবন্ধ রিভিউ

আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস, জানুন দিনটি কেন পালিত হয় এবং গুরুত্ব।

ডায়াবেটিস সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর পালিত হয় বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস হল প্রাথমিক বিশ্বব্যাপী সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান যা ডায়াবেটিস মেলিটাসের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।  এটির নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (IDF), প্রতিটি বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ডায়াবেটিস সম্পর্কিত একটি থিমের উপর ফোকাস করে;  টাইপ-২ ডায়াবেটিস হল মূলত প্রতিরোধযোগ্য এবং চিকিৎসাযোগ্য অসংক্রামক রোগ যা বিশ্বব্যাপী দ্রুত সংখ্যায় বাড়ছে।  টাইপ 1 ডায়াবেটিস প্রতিরোধযোগ্য নয় কিন্তু ইনসুলিন ইনজেকশন দিয়ে পরিচালনা করা যেতে পারে।  কভার করা বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস এবং মানবাধিকার, ডায়াবেটিস এবং জীবনধারা, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতা, সুবিধাবঞ্চিত ও দুর্বলদের ডায়াবেটিস এবং শিশু ও কিশোরদের ডায়াবেটিস।  প্রচারাভিযানগুলি সারা বছর ধরে চলার সময়, দিনটি নিজেই ফ্রেডরিক ব্যান্টিংয়ের জন্মদিন চিহ্নিত করে, যিনি চার্লস বেস্টের সাথে প্রথম এই ধারণাটি তৈরি করেছিলেন যা ১৯২২ সালে ইনসুলিন আবিষ্কারের দিকে পরিচালিত করেছিল।

ইতিহাস—-

বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস দ্রুত বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়া হিসাবে ১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস চালু করা হয়েছিল।  ২০১৬ সাল নাগাদ, বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসটি ১৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে ২৩০ টিরও বেশি IDF সদস্য অ্যাসোসিয়েশন, সেইসাথে অন্যান্য সংস্থা, কোম্পানি, স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার, রাজনীতিবিদ, সেলিব্রিটি এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা এবং তাদের পরিবারের দ্বারা স্মরণ করা হচ্ছে।  ক্রিয়াকলাপের মধ্যে রয়েছে ডায়াবেটিস স্ক্রীনিং প্রোগ্রাম, রেডিও এবং টেলিভিশন প্রচারণা, ক্রীড়া ইভেন্ট এবং অন্যান্য।

 

থিম—

 

পূর্ববর্তী বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের প্রচারাভিযানের থিমগুলি বিভিন্ন কারণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি এবং এর জটিলতাকে প্রভাবিত করে:
২০১৩: আমাদের ভবিষ্যত রক্ষা করুন: ডায়াবেটিস শিক্ষা এবং প্রতিরোধ।
২০১৪: প্রাতঃরাশের জন্য নীল যান।
২০১৫: স্বাস্থ্যকর খাওয়া।
২০১৬: ডায়াবেটিসের উপর চোখ।
২০১৭: নারী এবং ডায়াবেটিস – একটি সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য আমাদের অধিকার।
২০১৮-২০১৯: পরিবার এবং ডায়াবেটিস – ডায়াবেটিস প্রতিটি পরিবারকে উদ্বিগ্ন করে।
২০২০: নার্স এবং ডায়াবেটিস ।
২০২১-২০২৩: ডায়াবেটিস কেয়ার অ্যাক্সেস।

 

ডায়াবেটিস লক্ষণগুলো কি কি?

>> ঘন ঘন ক্ষুধা লাগা>> দুর্বল দৃষ্টিশক্তি>> ক্লান্ত ও দুর্বল বোধ করা>> ঘন মূত্রত্যাগ>> ত্বকের সংক্রমণ>> চামড়া ফেটে যাওয়া>> শুষ্ক ত্বক>> শরীরের ওজন কমে যাওয়া>> ঘন ঘন তৃষ্ণা ইত্যাদি।

কী করলে ঠেকানো যায়—

১. প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটুন—
আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই নিয়মিত হাঁটাচলা ও শারীরিক পরিশ্রম করতে শুরু করেন, তাহলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।
২. জীবনধারা পাল্টে দিন—
নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়া, নিয়ম মেনে সকালে ঘুম থেকে ওঠা এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়া, যানবাহন ব্যবহার কমিয়ে হাঁটাচলা বাড়ানো, মিষ্টি জাতীয়, ফাস্টফুড ও তৈলাক্ত খাবার পরিহার করা ইত্যাদি।

৩. ধূমপান ও মদ্যপান ছেড়ে দিন—
শুধুমাত্র ডায়াবেটিস নয়, আরও অনেক রোগের কারণ হতে পারে ধূমপান ও মদ পানের অভ্যাস।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডায়াবেটিস রোগ ঠেকাতে যেসব খারাপ অভ্যাস সবার আগে বাদ দিতে হবে, তার মধ্যে রয়েছে ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস। কারণ এগুলো ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দেয়।
৪. মিষ্টি পরিহার করুন—
সাধারণ মিষ্টিজাতীয় খাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, ভারী খাবার স্থূলতার ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরের ওজনের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে কোনভাবেই অতিরিক্ত ওজন বা মুটিয়ে যাওয়া না হয়।বিশেষজ্ঞরা এজন্য মিষ্টি, ফাস্টফুড, পোলাও, বিরিয়ানি, রেড মিটের মতো ভারী খাবার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন।
প্রক্রিয়াজাত খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। মসৃন শাদা আটার রুটির পরিবর্তে খেতে হবে ভুষিওয়ালা আটার রুটি। এটাই প্রথম ধাপ। এড়িয়ে চলতে হবে হোয়াইট পাস্তা, প্যাস্ট্রি, ফিজি ড্রিংক, চিনি জাতীয় পানীয়, মিষ্টি ইত্যাদি। আর স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে রয়েছে শাক সবজি, ফল, বিন্স এবং মোটা দানার খাদ্য শস্য।
স্বাস্থ্যকর তেল, বাদাম খাওয়াও ভালো। ওমেগা থ্রি তেল আছে যেসব মাছে সেগুলো বেশি খেতে হবে। যেমন সারডিন, স্যামন এবং ম্যাকেরেল। এক বেলা পেট ভরে না খেয়ে পরিমাণে অল্প অল্প করে বিরতি দিয়ে খাওয়া দরকার। এছাড়া প্রতি সপ্তাহেই নিয়মিত ওজন মাপতে হবে।
৫. রক্তে চিনির মাত্রার ওপর নজর রাখুন।

যে সব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হতে হবে:

ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া ও পিপাসা লাগা, দুর্বল লাগা’ ও ঘোর ঘোর ভাব আসা, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, সময়মতো খাওয়া-দাওয়া না হলে রক্তের শর্করা কমে হাইপো হওয়া, মিষ্টি জাতীয় জিনিসের প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যাওয়া, কোন কারণ ছাড়াই অনেক ওজন কমে যাওয়া, শরীরে ক্ষত বা কাটাছেঁড়া হলেও দীর্ঘদিনেও সেটা না সারা, চামড়ায় শুষ্ক, খসখসে ও চুলকানি ভাব, বিরক্তি ও মেজাজ খিটখিটে হয়ে ওঠা, চোখে কম দেখতে শুরু করা।

।। তথ্য : সংগৃহীত: ইন্টারনেট।।

Share This